Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - tokiyeasir

Pages: [1] 2 3 ... 16
Real Estate / Real estate sector braces for turnaround
« on: December 05, 2020, 04:18:26 PM »

Before Covid-19 hit the country, all activities in the real estate sector including construction, promotion and sales were encouraging. The upward trend of investment continued further in the 2020 when the amount of advances was recorded at around Tk 800 billion.

Now, it is getting difficult for the realtors to maintain relation with their clients, as many of them are unable to pay instalments, while the house builders cannot hand over flats within the stipulated time.

Most of the activities related with the sector have been suspended due to Covid-19 pandemic. Such a deadlock in such a vital sector has already resulted in unemployment of a huge number of people, and created uncertainty over massive investments.

It will be challenging for many of the realtors as well as linkage industries to continue paying salary to their staffs, if the situation prolongs.

The present situation is like a bolt from the blue for entrepreneurs as well as workers. The sector was getting revitalised before the Covid-19 outbreak after a spell of recession between 2012 and 2018.

However, some of the realtors started work on some of their projects on a limited scale. It is still uncertain when the situation will improve for starting their work in full swing. The realtors' future is connected with over 200 linkage industries such as steel rod, cement, ceramic ware and bricks.

At the beginning of the current year, the prospect of the sector appeared bright with increased demand of flats and plots among customers. The Real Estate and Housing Association of Bangladesh (REHAB) had formally requested the government for getting fund from the stimulus package.

In a recent letter to the finance minister, according to reports, REHAB said the sector is one of the worst-hit amid the epidemic. Some 3.5 million workers have been jobless, while another 0.1 million employees are on the verge of joblessness.

After overcoming the crisis period that started in 2012, the real estate sector started turning around in late 2018 thanks to the low-cost loan facility for the government employees and healthy national economic growth.

The volume of money pumped into the sector also increased significantly. According to the Bangladesh Bank data, the volume of banks' advances to the real estate sector was only Tk 408 billion in the fiscal year (FY) 2013-14. The advances continued to increase in the next few years. It reached Tk 800 billion in the fiscal year 2019.

Analysts believe the crisis is only for the time being. The government is taking different measures to save both entrepreneurs and investors. The sector will be back on track when the situation normalises, they say.

There is no denying that the housing sector is a productive one. It has created employment for millions of people, and helped boost linkage industries. Both the government and non-government financial institutions need to reduce interest rates and extend loans to help the sector overcome the present crisis.

The real estate and housing sector accounts for 7.8 per cent or Tk 1.415 trillion of the country's gross domestic product (GDP).

The sector saw at least 9.0 per cent growth earlier this year, thanks to the government's decision to extend low-cost home loans to public servants from fiscal 2018-19.

Based on location and grade of a government employee, he or she can now take loans starting from Tk 2.0 million to Tk 7.5 million at 10 per cent interest from public sector banks and the state-owned Bangladesh House Building Finance Corporation (HBFC). Of the 10 per cent interest rate, the government will foot 5.0 per cent and the employee will bear the rest.

As of December 2019, about 11,000 flats remain unsold, in contrast to 14,000 at the end of 2018. The sector would gain momentum if the interest rate for home loans for general public is brought down to single digit. At present, the interest rate on home loans ranges from 11 per cent to 13 per cent.

The government slashed registration fee to 11 per cent from 14-16 per cent of the property's price. In another positive move, the central bank raised the home loan ceiling to Tk 20 million from Tk 10 million and also allowed banks to provide loans up to 70 per cent of the property price.

In 2017, interest rates from home loans had dropped to single-digit figures, which had caused a surge in apartment purchase by middle-income families. Unfortunately, at the start of 2018, interest rates increased, which could have caused a slight dip in sales earlier in the year.

The cost of land is a challenge for making apartments affordable. If developers own the land of a project they can bring down the price of apartments. If they share the land with someone else, then prices go up.

Between 1972 and 2010, land prices in Dhaka city grew by an average of 100-125 per cent per year. Along with the rising price of land, construction costs are going up as well. Prices of cement and steel materials have increased steadily over the last few years. The local currency, taka, has been devalued against the US dollar which has also increased the cost of imported items.

Observers feel the industry needs more facilitating services from the government. To begin a project a developer has to get the clearance from banks. Then it has to go to capital development authority RAJUK for plan approval, obtain electricity and water connections, and permissions from other government agencies. If these services were made available under a one-stop service, the sector could have performed far better. In fact, the sector could have achieved double-digit growth had it been provided with provided adequate financial and infrastructural support.



অন্ন, বস্ত্রের পরই নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা আবাসন। নিজের একটা বাসস্থান মানুষের স্থিতিশীলতা, আত্মমর্যাদা এবং ব্যাক্তিত্বকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই মানুষের এই আবাসন চাহিদা মেটাতেই কাজ করে যাচ্ছে রিয়েল এস্টেট সেক্টর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই বিষয়ে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে তুলেছে দক্ষ জনশক্তি। যারা আবাসন খাতে নিয়ে আসছে নতুনত্ব। তৈরি করছে আরামদায়ক ও দৃষ্টিনন্দন আবাসন। তারা আবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করছে সুনিপনভাবে। রিয়েল এস্টেট নিয়ে Deakin University, Australia কিংবা Nottingham Trend University অথবা The University of Pennsylvania পড়ানো হয় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এই বিষয়ে আমাদের দেশও পিছিয়ে নেই। আমাদের দেশে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি এই বিষয়ে গড়ে তুলছে দক্ষ জনবল। এখানে রয়েছে রিয়েল এস্টেট বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের সুযোগ। এই বিভাগে পড়ুয়া ছাত্রদের রিসার্চ আন্তর্জাতিক জার্নাল এ প্রকাশ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ব্যাপক চাহিদা থাকায় পড়াশুনা শেষে রয়েছে ১০০% চাকরির সুযোগ।

আপনিও দেখে আসতে পারেন আপনার আগামী দিনের পদক্ষেপের জন্য। কাজ করার সুযোগ করে নিতে পারেন পাঁচ মৌলিক চাহিদার অন্যতম আবাসন সেক্টরে।

বর্তমানে আমাদের দেশে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই কাজ করে যাচ্ছে বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানি। তবে এ খাতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অভাব এখনও রয়েছে আমাদের দেশে। এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য খুব বেশি সুযোগও তৈরি হয়নি। চাহিদার তুলনায় তাই প্রশিক্ষিত জনবল নেই। এ বিষয়ে বিশেষায়িত ডিগ্রি লাভ করতে পারলে এ সেক্টরে ভালো ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও রিয়েল এস্টেট বিষয়ে স্নাতকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ অপরিসীম এবং অবারিত। রিয়েল এস্টেট কোম্পানির পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক-বীমা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে রিয়েল এস্টেট নিয়ে পড়াশুনা করা শিক্ষার্থীদের। এই সেক্টরে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যেই ২০০৮ থেকে কাজ করে যাচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রিয়েল এস্টেট বিভাগ চার বছর মেয়াদি স্নাতক শিক্ষা ব্যবস্থার আওতায় ব্যাচেলর অব রিয়েল এস্টেট ডিগ্রি কার্যক্রম চালু রয়েছে। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা ও আবাসন সংকট মোকাবিলায় বিষয়ভিত্তিক লোকবল সরবরাহের ব্রত নিয়েই যাত্রা শুরু করে এই বিভাগ ।

সায়েন্স, কমার্স, আর্টস এই তিন বিভাগ থেকেই ভর্তি হতে পারবেন। যারা মূলত পড়াশোনার পরই চাকরি পেতে আগ্রহী তাঁরা এই সাবজেক্ট এ পড়তে পারেন। এখানে পড়াশুনা শেষ করার পর প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী কর্মসংস্থানে প্রবেশ করছেন খুব সহজেই। রিয়েল এস্টেট সেক্টর ছাড়াও বিসিএস, ব্যাংক জব, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়সহ সব ধরনের সরকারি চাকরিও করতে পারবেন রিয়েল এস্টেট বিষয়ে পড়াশুনা করা শিক্ষার্থীরা। আবাসন প্রকল্পে কাজ করতে ইচ্ছুক তাঁরাও পড়তে পারেন এই বিষয়।

রিয়েল এস্টেট ব্যবসার পরিচিতি, মূলনীতি, আধুনিক নগরায়ন, পরিবেশ বিজ্ঞান, রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে পরিবেশের সম্পর্ক, রিয়েল এস্টেটে বিপণন ব্যবস্থাপনা, রিয়েল এস্টেটে পরিকল্পনায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মৌলিক বিষয়গুলো, রিয়েল এস্টেটে আইন, রিয়েল এস্টেটে জিআইএস, বাংলাদেশে রিয়েল এস্টেটের সমসাময়িক ইস্যু, রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ ও মূল্যায়ন, রিয়েল এস্টেটে পরিসংখ্যানসহ ৪২টি বিষয় পড়ানো হয়।

এই সাবজেক্ট এর চাকরির বাজার খুবই ভালো। বাংলাদেশে আবাসন খাত দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। আর এই বিষয়ে গ্রাজুয়েটের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু যে পরিমাণ চাকরি আছে, সেই পরিমাণ গ্রাজুয়েট নেই। ঢাকাসহ দেশের নানা বড় শহরে অনেক রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। তাই অনেকের কাছে রিয়েল এস্টেটে ক্যারিয়ার গঠনের কদর বাড়ছে। এছাড়া, এখান থেকে ডিগ্রী নিয়ে সহজেই বিদেশে রিয়েল এস্টেট বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়া যায়। বিদেশে রিয়েল এস্টেট বিষয়ে দক্ষ জনবলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

এখানে পড়ালেখার পাশাপাশি ব্যবহারিক সব কাজ করার সুবিধা থাকে। ফলে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা এখান থেকেই তৈরি হয়ে যায়, যা একজন শিক্ষার্থীকে সফল ক্যারিয়ার গড়তে সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করে থাকে। এছাড়াও গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ ছাড় দিয়ে থাকে।

ভর্তির সময়ঃ জানুয়ারি, মে এবং সেপ্টেম্বর সেশনে ভর্তি হওয়া যায় এই বিভাগে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটির রিয়েল এস্টেট বিভাগ সম্পর্কে যেকোন বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করতে পারেন-

City Campus
Daffodil Tower, Shukrabad, Mirpur Road, Dhanmondi, Dhaka-1207
Tel: +88 48111639, 48111670, 9128705, 9132634
Cell: 01841-493050, 01713-493051, 01847-140094


Tourism & Hospitality Management (THM) / TOURISM AND HOSPITALITY MANAGEMENT
« on: September 27, 2020, 10:13:56 AM »

On 10th September 2020, Daffodil International University (DIU) hosted an online international symposium on Hospitality and discussed hospitality in a turbulent world with COVID-19. Senior representatives and scholars from the hospitality sector from home and abroad graced the occasion by their presence and fruitful discussion. They addressed critical issues facing hospitality Education in Bangladesh and worldwide.

The event also announced the forthcoming launching of the Daffodil-Oxford centre of Excellence (DOCEH), a new specialist learning institute to be located in DIU.

The proposed Daffodil-Oxford Centre of excellence will provide golden opportunities to students willing to choose a lucrative career in hospitality and tourism industry at home and abroad on successful completion of this course at this specialist learning institute.

But many of the prospective students may not be aware of the nature and contents of this course. Hence the meaning and significance of the terms ‘Hospitality’ and ‘Tourism’ and its importance to customers, economies and employees are briefly presented for them.

Tourism and Hospitality

What is Tourism?

Tourism is both an industry and concept. As a concept tourism refers to travelling to a destination either within a person’s own country or outside his or her own country for business or leisure purposes. More specifically, the world tourism organization defines the word “Tourism” as the practice of travelling to and staying in places outside their usual environment for not more than one consecutive year and not less than 24 hours for leisure, businesses and other purposes. As an industry, tourism consists of businesses that sell products or services to these travelers who are also known as tourists.

Common examples of tourism businesses include:

 Cruise Liners
 Hotels
 Tour guides
 Amusement parks
 Travel agents etc

Tourism has become an increasingly popular choice in recent years and for good reasons. It is both a fun and rewarding career that offers several noteworthy benefits.

Reasons to start a career in tourism:

1. Tourism is one of the world’s largest industries contributing over $7.6 trillion to the global economy each year. Tourism is definitively a thriving and healthy industry.
2. It allows you to travel: Securing a career in tourism allows you to travel all over the world. As a tour guide, for example, you may organize tours so that guests can tour popular tourist destinations.

What is hospitality?

Like tourism, hospitality is both a concept and industry. As a concept, hospitality refers to the relationship between a guest and a host. When you visit a friends home for dinner he or she acts a host and you are the guest. Hospitality is the concept that governs relationships. To succeed, hospitality businesses must foster strong and meaningful relationships with their guests. Failure to do so will likely result in guests leaving you for a competitor’s product and services.

Common examples of hospitality businesses include:

 Restaurants
 Cafes
 Hotels
 Bed and Breakfasts
 Clubs
 Event Planning

How Tourism and Hospitality industries differ?

Hospitality is a larger industry that actually includes many tourism businesses. Because tourism businesses rely on strong and meaningful relationships with their customers to succeed, they are often classified as hospitality businesses as well. The difference between the tourism and hospitality industries is that former is a smaller industry that specifically focuses on travelling activities, whereas the latter is a larger industry that encompasses all businesses in which strong and meaningful customer relationships are required.

Why is the hospitality industry important?

Historically, the concept of hospitality is about receiving guests in a spirit of goodwill-especially strangers from other lands. Hospitality implies warmth, respect and even protection, it builds understanding and appreciation among cultures. The Latin word “hospos’ is formed from ‘hostis’ which means ‘stranger’ or ‘enemy’. The related words are host, hospital, and hotel.

Today hospitality also refers to a segment of service industry that includes hotels, restaurants, entertainment, sporting events, cruises and other tourism related service. As such hospitality industry is important not only to social but also to economies, customers and employees.

Importance of hospitality to economies

1. The travel and tourism sector currently accounts for 10.4% of worlds GDP. Projections say that 72 million jobs will be added to the tourism and hospitality sector over the next 10 years, and the industry itself will grow 10%. But at present COVID-19 now may cause some disruption.

Revenue Generation

2. Hospitality generates revenue for local economies directly when tourists spend money in hotels, restaurants and entertainment venues. It also helps economies indirectly, because tourists purchase retail goods, pharmacy items and locally made souvenirs and crafts. In addition tourism can stimulate the building of infrastructure such as roads, public transportation etc.

Also important economically are the jobs created by the industry. In 2017, the hospitality industry accounted for 313 million jobs worldwide which translates to 9.9% of total employment and 20% of all global net jobs created in the last decade. Hospitality also supports jobs in arts and culture industries, keeping theaters and arts thriving.

3. Importance of hospitality to Customers:
Hospitality provides essential services i.e. (lodging and food) for travelers, whether they are on the move for reasons of necessity, leisure or luxury. Hospitality is a major factor for every vacation and business trip and is thus important to individual customers and to businesses. Some hospitality companies such as entertainment venues and restaurants serve locals as well as tourists. Restaurant industry has been a tremendous boom in recent years. Serving customers well is the primary aim of the hospitality business, which should focus on creating high quality environments and services and on hiring excellent employees who treats customers with warmth, empathy and professionalism.

4. Importance of Employees:

Besides being a high job creator, this sector provides a rewarding career track for professionals. It provides a huge range of job opportunities, from event manager to Hotel Manager to facilities asset manager and beyond. Entrepreneurs start their own restaurants and boutique hotels. Professionals have the chance to work in glamorous settings around the world.

5. Hospitality and Tourism may bring the following benefits to a country.

1. Creates employment
2. Boosts the local industries
3. Generates income
4. Foreign exchange earnings
5. Foreign direct investment
6. Preserves traditional industries
7. Develops diversification
8. Builds infrastructure

6. Realizing the importance of the subject, DIU created the department of Tourism and Hospitality management. When I was dean of the faculty of Business and Economics I had to give enough time in the recruitment of faculties and curriculum development and other management aspects of the new department. Under the dynamic leadership of the Head of the department, Mr. Mahbub parvez, Associate professor and other bright and devoted faculties, it was a great beginning.

The department of Tourism and Hospitality Management, DIU has come a long way forward with improvement in all areas of the subject. Interested students with good academic background are welcome.

7. Impact of COVID-19 Pandemic on world global tourism: UN opinion

The UN secretary general Antonio Gueterres said in a policy briefing and video address on August 25, 2020 that tourism is the third largest export sector of the global economy, behind fuels and chemicals, and in 2019 it accounted for 7% of global trade. It employs one in every 10 people on earth and provides livelihood to hundreds of millions more. It allows people to experience some of the world’s cultural and natural riches and brings people closer to each other, highlighting our common humanity. The UN chief added that tourism global industry has been devastated by the corona virus pandemic with $320 billion in lost exports from January, 2020 through May 2020 which is three times what was lost during the year 2009 at the height of the last financial crisis.

According to the policy briefing, export revenues from tourism could fall by $910 billion to $ 1.2 trillion in 2020 that could reduce global GDP by 1.5% to 2.8%. In addition to tourism jobs that are at risk, jobs in associated sectors including food services, small businesses, likely closure of many cultural heritage will lead to huge fall in revenue and employment. Many more industries have been affected dramatically by the pandemic. According to TIU, the world’s largest travel operator, there has been 98% drop in turnover in the past quarter.

Sources of Information:
1. World Travel and Tourism council publication
2. ETTC Economic impact Analysis
3. KTNS Global survey, 2017
4. Journals

Source: From Facebook Status of Prof. Rafiqul Islam, Faculty of Business & Entrepreneurship, DIU

Real Estate / Tentative Mid-term Exam Schedule; Fall-2020 (BRE)
« on: September 16, 2020, 11:41:00 AM »
Fplease download the attached file. Thank You

Real Estate / BRE Class Schedule; Fall-2020
« on: September 15, 2020, 12:07:37 PM »
Please download from the attachment or go with the following link:

Thank You....


লেখালেখির ইচ্ছা বা সখ কোনটাই তেমন ছিল না , এখন ও হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। ভাবনা থেকেইলেখা আসলে। চলমান করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ মহামারী আমাদের সবাইকে এতোটাই ভাবতে শিখিয়েছে যে অনেক সময় ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে যাই। এত ভাবনার মধ্যে কিছু দূর্ভাবনাও যে নেই তা বলা যাবে না। যা হোক মার্চের ১৫ তারিখের পরে আর ভার্সিটিতে যাওয়া হয়নি , চলছে অনলাইন ক্লাস। প্রথমদিকে শিক্ষক শিক্ষার্থী সবারই বেশ সমস্যাহলেও ধীরে ধীরে অনেক সমস্যাই কেটে যাচ্ছে বা যাবে। আর কিছু সমস্যা থাকবেই যেগুলোতে আসলে আমাদের খুব একটা কিছু করার নেই, নেই বলতে সামর্থ নেই। এমন ছোট খাটো কিছু সমস্যা মেনে নিয়ে এখন শিক্ষার্থী- শিক্ষক-অভিভাবক- সমাজ সবাই অনলাইন ক্লাসের বাস্তবতা মেনে নিয়েছি। কিন্তু করোনার শুরু থেকেই অনেকের ভাবনা ছিল, কতদিন থাকবে , কবেই বা শেষ হবে এর তাণ্ডব। অনেকে অনেক ভাবে পূর্বাভাস দিত। করোনার বিদায় ঘন্টা অনুমান করতে করতে কেউ কেউ বলে আসছিলেন জুনে মনে হয় এটা বিদায় নিচ্ছে- এখন বলছি আগস্ট, অনেকে একটু বেশি বাড়িয়ে বলছি ডিসেম্বর। কিন্তু সত্যি বলতে কবে শেষ হবে করোনার মহামারী এটা বলা খুব কঠিন। কারণ করোনা নিয়ে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি শুধু ধর্মীয় আলেম ওলামারাই দেয় নি, শিশু বিশেষজ্ঞও আমাদের নজর কেড়েছে। এই ক্ষুদে বিশ্লেষকে নিয়ে দেশের প্রথম সারির টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভ অনুষ্ঠানও দেখেছি আমরা। ইতালির স্বপ্নের ব্যাখ্যা নাহয় নাই বললাম। তবে অনেকের ধারণা করোনা কখনোই হয়তো বা পুরোপুরি বিদায় নেবে না, ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়াই একমাত্র আশা ও ভরসা। কিন্তু এভাবে আর কতদিন, সাধারণ ছুটি, লকডাউন, কঠোর লকডাউন কোনটাতেই কি আসলে সমাধান আছে? অন্ততঃ আপাতত আমি তা দেখছি না। বরং করোনার তান্ডবের ফলে বৈশ্যিক যে পরিবর্তন সেটার সাথে কষ্ট হলেও নিজেকে খাপ খাওয়ানো ছাড়া কোন ভাল বিকল্প আমার এই ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে আসছে না। মনে রাখতে হবে এই পৃথিবীতে অনলি চেঞ্জ ইজ পার্মানেন্ট। আগে আমরা সমাজের সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে অভ্যস্থ ছিলাম এখন করোনার সাথেও মিলেমিশে থাকতে হবে। হয়তো বা কোন একদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেও পারে। ততোদিনে আরো অনেক কিছু হয়তো পরিবর্তন হবে, অনেকে হয়তোবা করোনার সাথে নিজেকে ভালভাবে খাপ খাইয়ে নিবে। যেসব ব্যবসায় বা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে সেগুলো হয়তো ঘুরে দারানোর আপ্রাণ চেষ্টা করবে- সফলতা বা ব্যর্থতা সময় ই বলে দিবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব চালু হয়ে যাবে। ঢাকা শহরের রাস্তায় আবার ফিরে আসবে গতানুগতিক চিত্র। ইতোমধ্যেই পত্রপত্রিকার কল্যাণে জানা যাচ্ছে যে এক মিলিয়ন বা আরও বেশি অভিবাসী দেশে আসছে, দেড় কোটির বেশি মানুষ চাকরি হারিয়েছে। আয় রোজগার কমে যাওয়ায় পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছে আবার অনেকে পরিবারপরিজন সহ আপাতত একেবারেই গ্রামে চলে যাচ্ছে। এসব ই কি সমাধান? এভাবে কি আমরা পারবো নিজেকে বা নিজের ভবিষ্যৎকে নিরাপত্তা দিতে? যাদের নিজের বা পরিবারের সামার্থ্য আছে তারা আর কতদিন এভাবে থাকতে পারবে বা থাকবে? এভাবে থাকতে থাকতে কতদিন ই বা ভাল লাগবে মানুষের! সবচেয়ে বেশি দূশ্চিন্তাগ্রস্থ যারা তাদের একটা বড় অংশের গোটা ভবিষ্যৎই সামনে। আজকের ভবিষ্যৎ করোনার পরে যখন বর্তমান হয়ে যাবে, তখন কী হবে বা করা যাবে? যারা চাকরি বাকরি বা ব্যবসায়ে জড়িত আছেন তারা হয়তোবা অনেক কষ্টে আদাজ্বল খেয়ে মাটি কামড়ে ধরে থাকবেন কিন্তু যারা পড়াশুনা শেষ করে চাকরি, ব্যবসায় বা কিছু একটা করার কথা ভাবছিলেন তারা কী করবেন? নতুন করে কোন চাকরি পাওয়া যেমন কঠিন হবে তেমনি কঠিন হবে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান দাঁড় করানো। তিন মাস, ছয় মাস, এক বছর বা দুই বছর পর যখন করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখন হঠাৎ করে কী করবে এ নিয়ে ভাবনার যেন শেষ নেই। নিজের ও পরিবারের স্বপ্ন বুকে ধারণ করে বহু কষ্টে যারা পড়াশোনা শেষ করেছেন তখন কি তাঁদের জন্য চাকরি পাওয়া টা অনেক সহজ হয়ে যাবে? করোনা ভাইরাস না থাকলেই কি সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে? না, বরং বিপরীত টা হবার আশংকাই বেশি।করোনা আসার আগে কি আমাদের বাজারে চাকরি পাওয়া সহজ ছিল? মোটেও না। তাহলে এত লক্ষ লক্ষ চাকরি প্রার্থী থাকত না। করোনা পরবর্তী বিশ্বে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা যে অনেকগুন বেড়ে যাবে এটা বুঝতে কোন বিশেষ গবেষণা বা জ্ঞান নিষ্প্রয়োজন। তাহলে করোনা পরবর্তী কালে কিভাবে টিকে থাকা যাবে? করোনা পরবর্তী সময়ে কে কত ভাল করতে পারবে এটা অনেকটাই নির্ভর করবে এই করোনাকালীনসময়টা কে কিভাবে কাজে লাগাচ্ছে তার উপর। এই দুঃসময়ে কে কোথায় অর্থ বা সময়বামেধা বিনিয়োগ করছে তার উপর। আমার এ কথায় অনেকে অবাক হলেও আমি অবাক হবনা। আমার লেখাটার শিরোনাম দেখে অনেকে বলতে পারেন করোনার এই মহামারীতে মানুষ ভিটামিন সি, জিঙ্ক ট্যাবলেট আর লেবু-পানি খেয়ে এন্টিবডি তৈরি ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড ওয়াশ-স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে কূল পায়না আর আমি আসছি শিক্ষায় বিনিয়োগ নিয়ে! মাস্টার মানুষদের যে সমস্যা আর কী!সুযোগ পেলেই শুধু জ্ঞান দেয়ার অভ্যাস। কিন্তু ‘পাছে লোকে কিছু বলে” সেটা ব্যাপার না। আমাকে আমাদের শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য দু একটা কথা বলতেই হবে। কারণ তাঁদের মধ্যে একটা ছোট্ট অংশ হলেও আমার ছাত্রা ছাত্রী । আসছে দিনগুলো যে আরো কঠিন হবে এটা মানতে কারোই কোন দ্বিমত থাকার কথা না। তাহলে সেসব আসছে দিনের জন্য আমরা নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করছি এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । লকডাউনের এই সময়টাকে সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। ভাল একটা গ্রাজুয়েশন করে ফেলেছি এটা দিয়েই কিছু একটা শুরু করব তারপর দেখা যাবে। না এত সহজ ভাবনা ভাবলে হবে না। পৃথিবী অনেক কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। অনেকটাই টেকনোলোজি ও বুদ্ধিনির্ভর। যত সম্ভব নতুন নতুন স্কিল বা দক্ষতায় নিজেকে তৈরি করতে হবে। বিদেশের অনেক নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে অনেক প্রোগ্রাম চালু করেছে, সেখান থেকে দু একটা শর্ট কোর্স করা যেতে পারে। যারা গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন তারা সম্ভব হলে একটা IT based MBA করে নিতে পারেন। অনেক কাজে দেবে বলে আমার বিশ্বাস। কারণ আসছে দিনগুলোতে ব্যবসায় বাণিজ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার আরো অনেকগুন বেড়ে যাবে। এই করোনার সময় আবার MBA? বাবা মায়েরা টাকা দিবে কিভাবে!এই করোনাকালীন সময়ে হয়তো বাবা মায়ের জন্য একটু বেশি ই কঠিন হবে, তবে এই আপদকালে শিক্ষায় বিনিয়োগই হবে সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ। এক্ষেত্রে বাবা-মায়েদের পাশাপাশি সরকার ও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকেও কিছুটা এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে ভালমানের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো MBA বা Mastersপ্রোগ্রামের ফি তে বিশেষ ছাড় বা কিছু বৃত্তি দিতে পারে। অন্যদিকে সরকারের উচিৎ করোনা প্রণোদনার একটা অংশ বা শিক্ষা খাতের কিছু অংশ থেকে সহজ শর্ত ও কম সুদে শিক্ষা ঋণের ব্যাবস্থা করা। এতে একদিকে যেমন আমাদের শিক্ষিত যুবসমাজ নিজেকে আগামীর জন্য যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারবে অন্যদিকে চাকরি প্রার্থীদের দুশ্চিন্তা ও সমাজের অপরাধ প্রব্ণতাও অনেকাংশে কমে যাবে। অন্যথায় শিক্ষার্থী বা চাকরি প্রার্থীরা ঘরে বসে বসে কী করবে? কী ই বা করার আছে! চিন্তা বা দুশ্চিন্তা করতে করতে সেটা যে রোগে পরিণত হবে না সে নিশ্চয়তা কে দেবে! বরং তারা নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসহারিয়ে ফেলবে। অনেকে নিজের ভাগ্য বা সৃষ্টিকর্তাকে দোষারোপ করবে যা নিছক অযৌক্তিক ছাড়া কিছুই নয়। শুধু চাকরি নির্ভর চিন্তাভাবনা থেকে বের হতে হবে। বিকল্প চিন্তা ভাবনা নিয়ে আরেকদিন লেখার ইচ্ছা পোষণ করে পরিশেষে মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আল-আমিনের কাছে দোয়া করি, এই করোনা মহামারি থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ দান করূন। আমীন।

মোঃরাইহানুল ইসলাম লাজু
লেখক, গবেষক ও শিক্ষক,
রিয়েল এস্টেট বিভাগ,
ড্যাফোডিল ইন্টার্ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।



শুরুতেই সকল শিক্ষার্থীদেরকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। চলমান এই বৈশ্বিক ক্রান্তিকালে হাজারো বাধা বিপত্তি স্বত্ত্বেও পড়ালেখা তথা ভবিষ্যৎ কে চলমান রাখার জন্য একটা ধন্যবাদ তাঁদের অবশ্যই প্রাপ্য। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ নামক করোনা ভাইরাস আগমনের পঞ্চম মাস পেড়িয়ে ছষ্ঠতম মাস চলছে। বিশ্বব্যাপি সবকিছু এখনও অনেকটাই অস্বাভাবিক, বাংলাদেশেও তেমনটাই চিত্র। অনেক কিছুই বাধ্য হয়ে আসতে আসতে সীমিত থেকে বৃহৎ পরিসরে খুলছে বা খুব শিগগিরই খুলবে বলে মনে হচ্ছে। আসছে কোরবানি ঈদের পর অফিস-আদালত, শপিংমল, কল-কারখানা অনেকটাই পুরোদমে খুলে যাবে মনে হচ্ছে। চারপাশের আবভাব তাই ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে উল্লিখিত সবকিছু খুলে যাওয়া মানে কিন্তু এটা নয় যে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে বা কমতে শুরু করেছে। জীবিকার তাগিদে হয়ত আমরা অনেকেই বের হতে বাধ্য হব। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে জীবন বাঁচলে তবেই জীবিকা। যাহোক, কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি। সবকিছু খুললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয়তো এখনি খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসবে না। এই সিদ্ধান্ত নেয়াটাও বেশ কঠিন। কেন কঠিন তা নিজেরা বুঝতে না পারলেও তোমাদের মা বাবা, বিশেষ করে মা’রা বলতে পারবেন। আর এ জন্যই আরো কিছু দিন হয়ত অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হবে। প্রথম দিকে অনেক বাধা বিপত্তি থাকলেও আসতে আসতে এই প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে আমরা নিজেকে অনেকটাই খাপ খাইয়ে নিয়েছি, হোক সেটা বাধ্য হয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস নিয়ে অনেক ট্রল দেখি। সেসব দেখতে, সত্যি বলতে আমার নিজের ও ভাল লাগে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একটু হলেও হাসতে পারি মন খুলে। ট্রল গুলোতে দেখানো হয় শিক্ষক সুন্দর টাই-শার্ট পরিহিত। শেষের দিকে দেখানো হচ্ছে স্যার লুঙ্গি পড়ে আছেন। ট্রল হলেও এটা কিন্তু অনেকটাই বাস্তব। অনেকের কথা বলতে পারব না, তবে আমি লুঙ্গি পরেই ক্লাস নেই এমনকি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়েল এস্টেট বিভাগে সেমিনার ও দিয়েছিলাম লুঙ্গি পরেই। কতটুকু পেরেছি জানি না তবে এতটুকু বলতে পারি অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সময় নিজের দিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে কোন গড়িমসি করি নাই। আর পড়ালেখার গুনগত মান নিশ্চিত করার জন্য পোশাক নয় বরং শিক্ষকদের আন্তরিকতাই বেশি গুরুত্বপুর্ন। শিক্ষকতার মত মহান পেশায় যারা নিজেকে নিয়োজিত করেন শিক্ষার্থীকে পড়ানোর ব্যাপারে তাঁদের আন্তরিকতার ঘাটতি কোনভাবেই কাম্য নয়। অনলাইন ক্লাস সংক্রান্ত পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ সফলতা দাবি করছে। আর একটু গর্ব করেই বলতে পারি অনলাইন ক্লাসের গুনগত মানের ক্ষেত্রে আমার ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম থেকেই সবচেয়ে ভাল না হলেও অনেকের চেয়ে ভাল করে আসছে। বাংলাদেশে এই বিশ্ববিদ্যালয় ই প্রথম অনলাইনে সফল কার্যক্রম শুরু করে। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপণন করার জন্য বলছি না, এটা আমার অভিজ্ঞতালব্ধ উপলব্ধি। এ তো গেল অনলাইনে ক্লাস নিয়ে কথা। এখন আসি অনলাইনে পরীক্ষা ব্যাবস্থা নিয়ে। শিক্ষা ব্যবস্থায় পরীক্ষার পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এই পরীক্ষাই শিক্ষার্থীদের মান বা যোগ্যতার নির্নায়ক। আর পরীক্ষার সাথে নীতি বা নৈতিকতার আছে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যেটাকে ইংরেজীতে আমরা ethics বলি। প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জীবন পর্যন্ত দেখছি পরীক্ষার হলে শিক্ষকরা পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীকে কতটা অবিশ্বাস করে। এখন শিক্ষক হিসেবে নিজেও তাই করি। এই অবিশ্বাস কিন্তু প্রকৃত পক্ষে শিক্ষার্থীদের ভালোর জন্যই। তাঁদের পড়ালেখা তথা পরীক্ষার ফলাফলের গুনগত মান উন্নয়ন করার জন্যই, যা অন্যের কাছে তাঁদের গ্রনহনযোগ্যতা বাড়াবে। বাস্তবতা হচ্ছে, একটু সুযোগ পেলেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে একে অন্যের কাছ থেকে দেখা দেখির মহা উৎসবে মেতে ওঠে এটা অনেকটাই স্বাভাবিক ঘটনা। সে জন্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন পরীক্ষার হলে শিক্ষকের উপস্থীতির পাশাপাশি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন করেছে। তাঁর মানে পরীক্ষার হলে কঠোর থেকে কঠোরতর নজরদারি রাখা হয় যাতে করে শিক্ষার্থীরা একে অন্যের সাথে দেখাদেখি করতে না পারে। এ গেল হল কেন্দ্রিক পরীক্ষার কথা। কিন্তু বর্তমান যে অনলাইনে পরীক্ষা হচ্ছে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার সময় শিক্ষকেরা কিভাবে নজরদারি নিশ্চিত করছেন বা করবেন? কেউ কেউ বলতে পারেন অনলাইনে তো শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসা বাড়িতে থেকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে, সবাই সবার কাছ থেকে দুরে, তাহলে নজরদারির কথা আসছে কেন? এটা এজন্যই আসছে যে প্রযুক্তির শুধু যে ভাল দিক আছে তা নয়, খারাপ দিক ও আছে। এ কথা অবশ্যই মানতে হবে যে উন্নত তথ্য প্রযুক্তি না থাকলে আমরা এই করোনাকালীন সময়ে অনলাইনে শিক্ষা ব্যাবস্থাকে চালিয়ে নিতে পারতাম না। হয়ে যেত অন্তত এক বছরের সেশন-জট। এদিক থেকে তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা অসামান্য। আবার অনলাইনে পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই তথ্যপ্রযুক্তিই একটা ভাবনার বিষয়। যদিও অনলাইন পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্রের ধরনে অনেক পরিবর্তন এসেছে তবু সচেতন অসচেতন অনেকেই অনলাইন পরীক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আমার বাসায় ইন্টারকমের লাইন লাগানো হয়েছে সেদিন। আমি ক্লাস নিচ্ছিলাম অনলাইনে আর পাশেই ওরা ইন্টারকমের লাইনের কাজ করছে। হঠাৎ করে ইন্টারকমের কাজ করতে আসা ভদ্রলোক আমাকে বলে বসলেন উনি নাকি ওনার পরিচিত জনের বাসায় কোন এক শিক্ষার্থীকে আরেকজনের সাহায্য নিয়ে পরীক্ষা দিতে দেখেছেন। কথাটাকে তখন খুব একটা গুরুত্ব না দিলেও কোন এক বিশেষ কারনে কথাটা আজ অনেক ভাবিয়ে তুলছে আমাকে এবং সেই দুর্ভাবনাই আজকের এই লেখনির উৎস। গেল সপ্তাহে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডটার্ম পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই খাতা মুল্যায়ন করা হয়ে গেছে। সেদিন ছিল আমাদের অনুষদের শিক্ষকদের ভার্চুয়াল মিটিং। আলোচনা হয়েছিল অনলাইন পরীক্ষা ব্যাবস্থায় প্রশ্নের মান ও ছাত্র ছাত্রীদের সম্ভাব্য বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বন নিয়ে। প্রশ্নের মান নিয়ে বেশকিছু সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছিল যা কাটিয়ে উঠার জন্য অনুষদের ডীন মহোদয় আন্তরিক ভাবে দিকনির্দেশনা দিলেন। আমার বিশ্বাস এই সমস্যা হয়তো থাকবে না, নিশ্চই প্রশ্নের মান আরো উন্নত হবে। অন্যদিকে লোডশেডিং, ইন্টার্নেট সমস্যা সহ বিভিন্য যৌক্তিক কারনে অনলাইনে পরীক্ষায় একটু সময় বেশি দেয়া হয়। আমার লেখনির পেছনের বিশেষ কারনের একটি হচ্ছে এই বর্ধিত সময়ের অপব্যভার নিয়ে সন্দেহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক সুবিধা অপব্যাবহার করে অনেক অসৎ উপায় অবলম্বন করা সম্ভব। সবাই করে এটা আমি কোনভাবেই মানতে রাজী না। কেউ কেউ হয়তো এই সময়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর দ্রুত যোগাযোগ ব্যাবস্থার সুবাদে একজনের উত্তরপত্র আরেকজনের সাথে বিনিময় করার চেষ্টা করছে! আমার সন্দেহ যদি অমুলক হয় তাহলে তো খুব ই ভাল কথা। কিন্তু যদি সত্যি সত্যি হয় তাহলে? এই সন্দেহকে ম্ল্যান করে দিতে হবে আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা থেকে আর সেটা পারে শিক্ষার্থীরা তাঁদের নৈতিক মুল্যবোধের মাধ্যমে। শিক্ষকেরা নিশ্চই চেষ্টা করবে অসৎ উপায় বন্ধের কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারনে তা হবে অনেক কঠিন। এই কাজটা তখনি করা যাবে যদি শিক্ষার্থীরা তাঁদের নিজেদের কথা চিন্তা করে অনৈতিকতাকে না বলে। তোমাদেরকে বুঝতে হবে পরীক্ষার বর্ধিত সময়ের অপব্যাবহার করে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হলে আর কেউ না দেখলেও সৃষ্টিকর্তার বাইরে অন্তত তোমরা নিজে তা দেখতেছ। সাময়ীকভাবে এর মাধ্যমে ভাল নম্বর পাওয়া গেলেও ভবিষ্যতে নিজেকে অপরাধি মনে হবে। এই পরম সত্য কথাটি এখন বুঝতে না পারলেও কর্মজীবনে তোমরা অক্ষরে অক্ষরে বুঝতে পারবে আমি নিশ্চিত। তাই এই নৈতিকতার পরীক্ষায় তোমাদেরকে উত্তীর্ন হতেই হবে। অতিসহজ এই পরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে না পারলে ভবিষ্যতে এর খেসারত তোমাদেরকেই দিতে হবে এবং তা হবে আজকের কয়েকটি নম্বরের তুলনায় লক্ষকোটি গুন বেশি। একটু ভেবে দেখ ,করোনার ভুয়া পরীক্ষার খেসারত আমাদেরকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে দিতে হচ্ছে। সাহেদ- সাবরিনা দের অর্থলোভ আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের দেশের ভাবমুর্তী কতটা বিনাশ করছে! ইতালিতে আমাদেরকে বিমান থেকে নামতেই দিল না। বিশ্বের নামি দামি প্রায় সব দেশ তাঁদের দেশে আমাদের অবতরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, অনেকটা আন্তর্জাতিক ভাবে বয়কটের মত। নীতি নৈতিকতার গুরুত্ব বুঝার জন্য এর থেকে তাজা উদাহরণ দরকার আছে বলে মনে হয় না। তাই অনলাইন পরীক্ষা ব্যবস্থার নৈতিকতার বিষয়টিকে হেসে খেলে উড়ে না দিয়ে গুরুত্তের সাথে দেখতে হবে। প্রিয় শিক্ষার্থী, তোমাদের সফলতা কিন্তু অনেক, তোমাদের মাঝে সম্ভাবনা আরো বেশি। আর তোমাদেরকে নিয়ে আমার স্বপ্ন তাঁর থেকেও বেশি। আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার সবথেকে বড় কার্যকরি উপাদান কোনটি, আমি নির্দিধায় বলব শিক্ষার্থীরা। কারণ শিক্ষার্থীরা যদি অংশগ্রহণ না করত তাহলে কোন ভাবেই অনলাইন শিক্ষাব্যাবস্থা আজকের অবস্থায় অবস্থান করত না। আর এই নৈতিকতার পরীক্ষায় উত্তীর্ন হওয়ার মাধ্যমে তোমরা এই আপদকালীন অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থাকে এনে দিতে পারো স্বার্থকতার সার্টিফিকেট। আমাদের, বিশেষ করে আমার অকৃত্রিম বিশ্বাস তোমরা সেটা পারবে। অনলাইন পরীক্ষার সময় তোমার নৈতিকতার পরীক্ষায় উত্তীর্ন হওয়ার জন্য মা, বাবা, দাদু বা দাদী, চাচা বা চাচী অথবা পরিবারের অন্য কাউকে সামনে রেখে পরীক্ষা দিলে পাশ করাটা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবে। পরিশেষে মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আল-আমীনের কাছে দোয়া করি সকল শিক্ষার্থী সহ আমাদের সবার মঙ্গল করুন। আমীন।

মোঃ রাইহানুল ইসলাম লাজু
গবেষক ও শিক্ষক, রিয়েল এস্টেট বিভাগ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।


Dear Student(s),
Greetings from the Department of Real Estate !!!

Batch wise Tentative Course Offering, Semester Schedule, Registration Schedule of BRE Program for semester Fall-2020 already given on Online Notice Board. Please check and ensure your regular registration on time. Class will start from September 09, 2020. In case of any confusion, please feel free to contact.

Notice Board:

Thank You

Please check and download the attached file for details. Lot's of information waiting for you. Thank You

Real Estate / Why Study Real Estate ?
« on: August 27, 2020, 12:53:10 PM »
Please download the attached presentation file for details.

Real Estate / Tentative Course Offerings; Fall-2020
« on: August 23, 2020, 03:50:05 PM »

Real Estate / Advising & Registration schedule: Fall-2020
« on: August 23, 2020, 03:49:25 PM »

Real Estate / Final Exam schedule; Summer-2020
« on: August 23, 2020, 03:48:33 PM »

Working as a real estate agent offers a great deal of variety. With different clients and different homes, you won’t be doing the same thing every day. You may also get to be your own boss, meet and work with lots of people, and enjoy the satisfaction of helping them through one of life’s major milestones.

Taking the following five steps can increase your marketability and earnings potential as a real estate agent.

Getting a real estate license is relatively quick and inexpensive, and you don’t need a college degree
The steps involved include researching state requirements, taking a pre-licensing course, taking the licensing exam, deciding between broker and agent, and then choosing a brokerage.
There is a difference between becoming a real estate agent and a real estate broker—the latter are members of the National Association of Realtors and adhere to its strict code of ethics.
Benefits of Becoming a Real Estate Agent
The median annual pay of a real estate agent is about $50,730, according to 2019 data (the most current available) from the U.S. Bureau of Labor Statistics.1 For real estate brokers—who have additional education, testing, and experience requirements—that figure jumps to nearly $59,720. Overall, the highest 10% of agents earned more than $111,800 in 2019, and some agents earn much more than that.2

Another perk: Getting into the field is easy. Compared to other careers with similar earnings potential, getting your real estate license is a relatively quick and inexpensive process—and you don’t need a college degree.

 If you want to become a real estate agent, you’re looking at an up-front investment of money and time, both of which will vary depending on where you get your license.
Step 1: Research Your State’s Requirements
Estimated Cost: Free
There’s no such thing as a national real estate license; you must meet your state’s unique licensing requirements. A good place to start your research is your state’s real estate regulatory office website, which you can find by doing an online search for “[your state] real estate regulatory office” or by visiting the Association of Real Estate License Law Officials (ARELLO)'s regulatory agency directory.

Each state typically has specific requirements for:

Application process and fees
Background checks and fingerprinting
Continuing education
Education requirements (such as a high school diploma or GED)
Exams and exam eligibility
Pre-licensing courses and post-licensing requirements
Process for achieving the next level of licensing
Reporting of any criminal history
Some states have reciprocal licensing agreements with other states, which means you can get your license in one state and use it in another without having to take an additional license examination. New York, for example, has reciprocity with nine states (some states have reciprocity for brokers only): Arkansas, Colorado, Connecticut, Georgia, Massachusetts, Mississippi, Oklahoma, Pennsylvania, and West Virginia.3 As with regular licensing requirements, each state has its own process for obtaining a license through reciprocity.

Step 2: Take a Pre-Licensing Course
Estimated Cost: $300+
No matter where you live, you’ll have to take a pre-licensing course from an accredited real estate licensing school before you can sit for the real estate license exam. The required number of hours varies by state. In California, for example, applicants must take three real estate classes totaling 135 hours.4 In New York, the course takes 75 hours.5

Most states offer several ways to fulfill the pre-licensing course requirements, including online classes, brick-and-mortar real estate schools, and classes at community colleges. You may be able to save money using one type of class program over another.

Choose the method that works best for your learning style and schedule. Also, do your research and be selective when it comes to picking a program. The quality of the instructors and materials will influence how well prepared you are to take the exam.

Step 3: Take the Licensing Exam
Estimated Cost: Up to $300 (depending on state)
Your instructor should explain how to schedule, register, and pay for the licensing exam (if not, visit your state’s real estate commission website). Exams are computerized and consist of two parts: a national portion on general real estate principles and practices and a state-specific section that covers your state’s real estate laws.

Each section is scored separately, and you must receive a passing grade on both sections to pass. If you fail one or both sections, you’ll have the opportunity to retake the exam. Each state has its own rules regarding the number of times you may retake an exam, how long you must wait between exams, and the deadline for completing any retakes.

The exams are multiple-choice format, and the number of questions and the time allotted for the exam vary by state. If you do pass, you must submit an application and any required documents and fees to your state’s real estate agency.

Once your application is approved, the state will mail your real estate license certificate, and your name will be searchable under the “Licensees” section of its website. Keep in mind that you’re not allowed to work as a real estate agent before your license is issued by the state’s real estate agency, so don’t start until you have the license in your hand.

3 Million
The number of active real estate licensees in the U.S., according to estimates from the Association of Real Estate License Law Officials (ARELLO).6

Step 4: Consider Becoming a Realtor
Estimated Cost: $185
Many people use the terms “real estate agent” and “realtor” interchangeably, but they actually differ. While both are licensed to help buyers and sellers throughout the real estate transaction process, realtors are members of the National Association of Realtors (NAR) and subscribe to its strict code of ethics.7 The NAR is the largest trade association in the U.S., representing 1.3 million members who are salespeople, brokers, property managers, appraisers, counselors, and other participants in the residential and commercial real estate industries.8

Being able to call yourself a realtor can add to your credibility as a real estate agent. As a realtor, you’ll also have access to a variety of benefits; business tools; real estate market data, research and statistics; educational opportunities; and discount programs geared toward helping you succeed in business.

For example, realtors have access to Realtors Property Resource (RPR), an online real estate database of 166 million properties in the U.S. built from public record and assessment information. It includes information on zoning, permits, mortgage and lien data, schools, and a large database of foreclosures.910

Step 5: Join a Real Estate Brokerage
Estimated Cost: $25 to $500+ per month
As a real estate agent, you typically work under the umbrella of a supervising broker, who is licensed by the state to oversee real estate transactions and make sure that you (and other real estate agents) follow the required legal and ethical standards. In general, you won’t earn an hourly salary. Instead, the brokerage will likely pay you a percentage of the commissions it collects from your real estate transactions.

Depending on the arrangement you have with your brokerage, you may have to pay for desk fees, tech fees (e.g., for your website), business cards, marketing materials, and other normal costs of doing business. You’ll also have other one-time and ongoing expenses, such as renewing your license each year, continuing education, lockbox fees, and multiple-listing services memberships.

 Costs can easily add up to several thousand dollars per year, so it’s important to factor them into your budget when deciding if a career in real estate is right for you.
The Bottom Line
Getting a real estate license takes time and money, but it can help secure a rewarding job in the real estate industry. Keep in mind that a career as a real estate agent can be as flexible as you want it to be. You can limit your hours to mornings three days a week or never work on weekends. The trade-off, of course, is that this will greatly limit your ability to be successful.

While you can work part-time as a real estate agent, most successful practitioners treat it as a full-time business, making themselves available to clients throughout the week and on weekends. In general, the more time and effort you put into being a real estate agent, the more success you will achieve, both in terms of money and of job satisfaction.

For increased flexibility and career opportunities, you may eventually decide to pursue a broker or broker-in-charge license. In addition to a real estate license, you may want to consider the various real estate designations and certifications, including those specific to mortgages, appraisals, residential property, commercial property, and property management. These designations can enhance your career and marketability as a real estate professional and increase your earning potential.


Fundamentals of Accounting / Know the Accounting Basics
« on: July 14, 2020, 10:35:33 AM »

Pages: [1] 2 3 ... 16