Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Mizanur Rahman

Pages: 1 [2] 3
16
স্মার্টফোনের যুগে পথ চেনাতে গুগল ম্যাপের কোনো জুড়ি নেই। তাই দেশে বা বিদেশে কোথাও ঘুরতে গেলে প্রায় সবাই পথ চলতে এখন সহায়তা নেন এই প্রযুক্তির। কিন্তু হয়তো আপনি ঘুরতে ঘুরতে এমন কোথাও চলে গেলেন, যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ আর কাজ করছে না! কিংবা পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালান্স না থাকার কারণে কিনতে পারছেন না মোবাইল ডাটা।


এ রকম পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই গুগলের রয়েছে অফলাইন ম্যাপ সুবিধা। অর্থাৎ আপনি কোনো গহিন জঙ্গলে হারিয়ে যান কিংবা গাড়ি চালাতে চালাতে কোনো অচেনা পথে চলে যান, গুগল ম্যাপ ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই আপনাকে পথ চিনিয়ে দেবে।

তবে এর জন্য অবশ্য আপনাকে সর্বপ্রথম ডাউনলোড করে নিতে হবে কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গার ম্যাপ, যে জায়গায় আপনি ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন। একবার ডাউনলোড করে ফেললে এর পর ইন্টারনেট সংযোগের আর কোনো প্রয়োজনই নেই। গুগল নিজে থেকেই আপনার অবস্থান এবং পথচলার নির্দেশনা জানিয়ে দেবে।

তবে একটি কথা বলে রাখা ভালো। ভাববেন না, ডাউনলোড করে ফেললে গুগল ম্যাপের সব সুবিধা আপনি পাবেন। যেমন হাঁটা, ট্রানজিট ও সাইক্লিংয়ের নির্দেশনা কিংবা ট্রাফিক আপডেটের মতো সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে না ডাউনলোডকৃত গুগল ম্যাপ থেকে। এই ফিচারে আপনি শুধু পাবেন ড্রাইভ করার নির্দেশনা। তবে ড্রাইভিং না করলেও সমস্যা নেই, গুগল এমনিতেও আপনাকে রাস্তাঘাট প্রদর্শন এবং পথচলার নির্দেশনা দিতে থাকবে।

মনে রাখবেন, ডাউনলোডকৃত ম্যাপ মাঝেমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যেতে পারে, কারণ গুগল সব সময় চেষ্টা করে একেবারে সঠিক ম্যাপটি প্রদর্শন করতে। তারা নিয়মিত স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ম্যাপ আপডেট করতে থাকে। তাই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে পুনরায় ম্যাপ আপডেট করে নিলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

কীভাবে ডাউনলোড করবেন অফলাইন ম্যাপ :

১. প্রথমেই আপনার অ্যানড্রয়েড কিংবা আইফোনে গুগল ম্যাপের অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন প্লে-স্টোর থেকে। তবে অবশ্যই সেটি আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন ইন করে নিন।

২. আপনি যে জায়গাটির ম্যাপ চান, তার নাম লিখে সার্চ দিন।

৩. স্ক্রিনের একদম নিচে গিয়ে খুঁজে বের করুন আপনার সার্চকৃত নামটি। সেই বারে চাপ দিন।

৪. এবার ডাউনলোড অপশনে চাপ দিন।

৫. গুগল এরপর সে এলাকার ম্যাপ আপনার সামনে মেলে ধরে জানতে চাইবে, এই জায়গার ম্যাপ আপনি ডাউনলোড করতে চান কি না। আবার ডাউনলোড অপশন চেপে নিশ্চিত করুন।

Source: http://m.ntvbd.com/tech/35428/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA

17
ত্বকের যে সম্যসাগুলো সবচেয়ে মারাত্নক এবং বিরক্তিকর তার মধ্যে মেছতা অন্যতম। মুখে কালো বা বাদামী রঙের যে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে তাকে মেছতা বলা হয়। প্রায় সব বয়সী নারীদের ত্বকে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘরোয়াভাবে কিছু প্যাক ব্যবহার করলে এই দাগ দূর করা সম্ভব।

মেছতার কারণ –

১। মেছতার প্রধান এবং মূল কারন হল সূর্যের আলো। কোন প্রতিরক্ষা ছাড়াই অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে গেলে এটি হতে পারে।

২। জন্ম নিয়ন্ত্রের পিল খেলে

৩। থাইরয়েড সমস্যা

৪। হরমোনের তারতম্য

৫। বংশগত কারণে

৬। ত্বক নিয়মিত ভালভাবে পরিষ্কার না করলে

৭। অতিরিক্ত চিন্তা, কাজের চাপ, কম ঘুম ইত্যাদি।

এই সকল কারণে সাধারণত মেছতা হয়ে থাকে। এছাড়া আরোও অনেক কারণে মেছতা হতে পারে। স্কিন ট্রিটমেন্ট, ক্রিম ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক মেছতা দূর করার সহজ এবং কার্যকরী ২টি প্যাকের কথা।

১। লেবুর রস –

লেবুর রসে আছে ত্বক ব্লিচিং করার উপাদান যা ত্বকের যে কোনো প্রকার দাগ দূর করে থাকে। এছাড়া লেবুর রস ব্যবহারে ত্বক নরম কোমল হয়ে উঠে।


 
ত্বকে কালো বা খয়েরী দাগে আক্রান্ত জায়গায় লেবুর রস দিয়ে দিন। ৩০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করুন। ২ মাসের মধ্যে আপনি পার্থক্য দেখতে পারবেন। সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা সরাসরি লেবু ব্যবহার না করে সাথে মধু ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
আরেকভাবে লেবুর রস ব্যবহার করা যেতে পারে। লেবুর রসের সাথে পরিমাণ মতো চিনি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এবার পেস্টটি ত্বকে না মিলে যাওয়া পর্যন্ত ঘষুন। বিশেষ করে ত্বকের খয়েরী দাগের জায়গাগুলোতে ভাল করে ম্যাসাজ করে নিন। ৫-১০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে কয়েকবার করুন। আপনি চাইলে এতে অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।
২। চন্দন –

চন্দনে অ্যান্টি এইজিং এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান আছে যা ত্বকের হাইপারপিগমেনশন কমিয়ে মেছতার দাগ দূর করে থাকে।

২ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ গ্লিসারিন, এবং লেবুর রস দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি কালো বা খয়েরী দাগের ওপর লাগান। কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে কয়েকবার এটি করুন।
১ টেবিল চামচ কমলার রস, ১ চা চামচ লেবুর রস, ভিটামিন ই, ২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ভাল করে এই প্যাকটি মুখে লাগান। আধা ঘন্টার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করুন। আর দেখুন পার্থক্য।
প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চন্দন পাউডার, অলিভ অয়েল, বাদাম অয়েল মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ করতে পারেন। সারারাত রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন।

Source: http://shajghor.com/archives/4809

18
ICT / F1 থেকে F10, কোনটার কী কাজ?
« on: November 30, 2015, 04:26:18 PM »
কি-বোর্ডের ওপরের দিকে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি কি আছে। এগুলোকে ফাংশন কি বলা হয়। এই কি-গুলো দিয়ে অল্প সময়ে অনেক কাজ করা যায়। কোনটার কী কাজ জেনে নেওয়া যাক—
F1
সাহায্য বা হেল্প কি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেকোনো প্রোগ্রামের হেল্প মেনু দেখতে এটি ব্যবহার করা হয়।

F2
সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার নির্বাচন করে এই কি চেপে ফাইলের নাম বদলানো যাবে।

F3
মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটি চাপ দিলে আগের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে।

F4
এই কি দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায় এবং Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা যায়।

F5
এটা চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়। এ ছাড়া যেকোনো পেজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এই বাটনটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

F6
মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে চাইলে এই কি ব্যবহার করতে পারেন।

F7
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।

F8
অপারেটিং সিস্টেম safe mood-এ চালু করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

F9
কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য এটি কাজে লাগে।

F10
এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।

F11
যেকোনো সক্রিয় উইন্ডো পর্দাজুড়ে (ফুলস্ক্রিন) দেখতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে এটি ব্যবহার করা হয়।

F12
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো চালু করা হয়। কম্পিউটারে শুধু F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজি বা ইংরেজি থেকে বাংলা মুডে যাওয়া যাবে। ল্যাপটপে fn+f12 চাপতে হবে।

Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/696427/F1-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-F10-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C

19
Life Style / যত্ন চাই এই শীতে
« on: November 24, 2015, 01:26:15 PM »
ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়ায় পকেটে হাত ঢুকিয়ে হাঁটছেন, সামনে বন্ধুকে পেয়ে হাত বাড়িয়ে দিলেন করমর্দন করবেন বলে। ভাবছেন, বন্ধুটি করমর্দন করতে করতে বলবেন, ‘কী রে দোস্ত, কেমন আছিস?’ কিন্তু না, বন্ধুর অবাক করা প্রশ্ন—‘কী রে দোস্ত, তোর হাতের এই অবস্থা ক্যান?’ বন্ধুর প্রশ্নে লজ্জা পেয়ে হাত গুটিয়ে নিতে নিতে হয়তো উত্তর দিচ্ছেন, ‘আর বলিস না। শীতকাল এলেই আমার এই অবস্থা হয়, হাতের চামড়া উঠতে থাকে। চামড়া তো নয় যেন দিস্তা দিস্তা সাদা কাগজ!’ এই সমস্যার কথাই জানালেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী জনি মিয়া। তাঁর মতো আরও অনেকেরই হয়তো এমন অবস্থায় পড়তে হয়। শুধু হাত-পায়ের চামড়া ওঠা নয়, শীত ঋতুতে একটু অবহেলায় প্রকট হয়ে ধরা দিতে পারে ছেলেদের ত্বকের আরও নানা সমস্যা।
আবহাওয়া শীত ঋতুর বারতা নিয়ে এসেছে। আর এই শীতে ত্বকের এ ধরনের সমস্যায় যাতে না পড়েন, তাই আগেভাগেই জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ। প্রতিদিন একটু সময় দিলেই ভালো থাকবে আপনার ত্বক, ভালো থাকবেন আপনি। হলিফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিমের পরামর্শ—
* শীতে ত্বক সহজেই আর্দ্রতা হারায়। ফলে চামড়া শুকিয়ে যায় ও চামড়ায় ফাটল ধরে। তাই আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রতিদিন গোসলের পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
* ক্রিম, লোশন, সাবান—শীতে, সব ধরনের প্রসাধনেই থাকা চাই বাড়তি ময়েশ্চারাইজার। ক্ষারযুক্ত সাবান এড়িয়ে চলুন।
* চুলের জন্য আসলে তেল ব্যবহারের দরকার হয় না। বাজারে ছেলেদের জন্য পৃথক শ্যাম্পু মেলে। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।
* রোদ থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন।
* পায়ে স্যান্ডেলের পরিবর্তে জুতা পরুন। পা ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমানোর আগে পায়ে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মেখে নিতে পারেন।
কথা হলো পারসোনার ঢাকার ধানমন্ডি শাখার ব্যবস্থাপক মো. মাসুম বিল্লাহ খানের সঙ্গে। তিনি জানান ত্বক ও চুলের যত্নের খুঁটিনাটি।
যত্নে রাখতে চুল, হয় না যেন ভুল
চুলে জমে থাকা ধুলাবালি দূর করতে অবশ্যই নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। শ্যাম্পু মাথায় ৫-১০ মিনিট রেখে হালকা কুসুম গরম পানিতে চুল ধুয়ে নিন। শ্যাম্পু যাতে পুরোপুরি ধুয়ে যায়। অনেক ছেলেই কিন্তু এ বিষয়টি খেয়াল করেন না। যাঁদের ত্বক শুষ্ক শীতে তাঁদের চুলে খুশকি বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন খুশকিরোধক শ্যাম্পু। আর শ্যাম্পুর পর ব্যবহার করুন কন্ডিশনার। সপ্তাহে অন্তত তিন-চারবার অয়েল ম্যাসাজ করতে পারেন। আর মাসে অন্তত দুবার পারলারে গিয়ে হেয়ার ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন।
প্রতিদিনই নিয়ম করে যত্ন নিন ত্বকেরত্বকের যত্নআত্তি
সকালটা শুরু করতে পারেন কুসুম গরম পানিতে মুখ-হাত-পা ধুয়ে। তারপর ময়েশ্চারাইজার লোশন লাগান। বাইরে বেরোলে ত্বকে মেখে নিন সানস্ক্রিন লোশন। সানস্ক্রিন লোশনে থাকা এসপিএফ (সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর) ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচায়। সে ক্ষেত্রে এসপিএফ ২৫ (আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকরী) এবং এসপিএফ ৩০ (তিন ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকরী) সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করা ভালো। এই সময়ের পর এর কার্যকারিতা হ্রাস পেয়ে একসময় উল্টো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ত্বক থেকে সরিয়ে ফেলুন।

* ব্যাগে রাখতে পারেন একটা সানস্ক্রিন লোশনের টিউব, যাতে যখন-তখন মুখ ধুয়ে মেখে নিতে পারেন।
* টমেটো আর কমলালেবুর রস ত্বক পরিষ্কার করতে বেশ সাহায্য করে। এগুলো টুকরো করে কেটে মুখে তিন-চার মিনিট ঘষে, মুখ ধুয়ে নিন।
* গোসল শেষে অলিভ অয়েল ও গোলাপজলের মিশ্রণ মাখতে পারেন শরীরে। কখনো বা মাখতে পারেন ভিটামিন ‘ই’সমৃদ্ধ তেল।
* রাতে ঘুমানোর আগে ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে মেখে নিতে পারেন ময়েশ্চারাইজার ক্রিম।
* শুকনো খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন, শাকসবজি-ফলমূল খান।

ঠোঁটের যত্নে
শীতে ঠোঁটফাটা ঠেকাতে ঠোঁটে মাখুন পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন। অনেকে জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজান। এতে ফল হয় উল্টো। দ্রুত ঠোঁট আর্দ্রতা হারায়, শুকিয়ে যায়, চামড়া ওঠে আরও বেশি। এ জন্য পেট্রোলিয়াম জেলির ছোট একটি টিউব পকেটে রেখে দিতে পারেন সারা দিন ব্যবহারের জন্য।

হাত-পায়ের যত্নে
হাত-পায়ের খসখসে ভাব দূর করতে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা গ্লিসারিন ম্যাসাজ করতে পারেন। শীতে পায়ে দুর্গন্ধ হয় অনেকের, বিশেষ করে যাঁরা শু বা কেডস পরেন তাঁদের। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়মিত গরম পানিতে মোজা ধোয়া চাই। এই শীতেও যাঁরা স্যান্ডেল পায়ে চলেন, তাঁরা প্রতিদিন বাড়ি ফিরে পা ধুয়ে নিন। পাত্রে কুসুম গরম পানি নিয়ে, তাতে কয়েক চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন কিছুক্ষণ। সম্ভব হলে প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এমনটা করতে পারেন। এতে আপনার পা যেমন থাকবে ধুলাবালি ও দুর্গন্ধমুক্ত তেমনি থাকবে সতেজ।
ঘষে ঘষে পায়ের গোড়ালির মরা চামড়া তোলার জন্য, আছে ফুট স্ক্র্যাপার বা ঝামা। ঝামাটি মাটি দিয়ে তৈরি হলেই ভালো। ধাতব বা স্টিলের হলে পা কেটে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। ইদানীং অনেকেই পায়ের গোড়ালির মোটা চামড়া কাটতে উঠে পড়ে লাগেন, যা মোটেও ঠিক না। কন কাটার (পায়ের চামড়া কাটার বিশেষ যন্ত্র) দিয়ে কাটতে গেলে অসাবধানতাবশত বেশি কেটে গিয়ে রক্তপাতও হতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজনে পারলারে গিয়ে প্যাডিকিওর করিয়ে নিতে পারেন।
.ঢাকার গুলশানের মেনজ কেয়ার স্যালনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন যোগ করলেন আরও কিছু পরামর্শ—
* •গ্লিসারিন, পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপজেল ঠোঁট ফাটা দূর করবে। সকালের সবুজ ঘাসের ওপরের স্বচ্ছ শিশির ঠোঁটে মেখে নিলে খুব ভালো। এটি বেশ উপকারী।
* গ্লিসারিন ও পানির মিশ্রণ টানা সাত দিন ব্যবহার করুন, হাতের কনুই ও পায়ের খসখসে ভাব দূর হবে।
* রোদে বের হওয়ার কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন লোশন মেখেই রোদে নেমে পড়লে ত্বক উল্টো কালো হয়ে যায়।
* গোসল করার ২৫-২০ মিনিট আগে ঘাড়, হাতেআর পায়ে টকদই মেখে নিতে পারেন।
* বাজারে প্যাকেটজাত কিউকাম্বার পাউডার (শসার গুঁড়া) পাওয়া যায়। কিউকাম্বার পাউডার দুধ ও মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে রাখতে পারেন ১৫-২০ মিনিট। তারপর ধুয়ে নিন, মুখের ত্বক পরিষ্কার হবে।
* গোসল করার ২৫-২০ মিনিট আগে ঘাড়, হাত ও পায়ে টকদই মেখে নিতে পারেন।
* সপ্তাহে দু-তিন দিন, মাল্টা দিয়ে ঘষেও মুখের ত্বক পরিষ্কার করতে পারেন।
* শেভ করার সময়, প্রথমে কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে তার ভাপ নিন গালে। এতে দাঁড়ির গোড়া নরম হবে। না হলে গাল কেটে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। পরে জীবাণুনাশক ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করে জেল বা ফোম দিয়ে শেভ করে নিন। সব শেষে আফটার শেভ লোশন বা আফটার শেভ বাম মেখে নিন।

Source:http://www.prothom-alo.com/life-style/article/692665/%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%87

20
According to the World Travel and Tourism Council, travel and tourism accounts for 8% of the world's jobs and has the highest potential for growth of any industry.  International travel alone accounts for more than 840 million tourists annually.  The economic, social and environmental impact of tourism is significant and vital to creating sustainable jobs and quality of life.


Hospitality and tourism represents a broad range of career opportunities in industries that include:

    *hotels and resorts
    *restaurants and commercial food service
    *meeting and event planning
    *tourism destinations and attractions
    *eisure, recreation and sports management
    *airlines, cruises and other transportation
    *environmentally sustainable and cultural tourism development
    *spa and wellness management

As a vast, dynamic and growing industry, hospitality and tourism provides tremendous opportunity for ambitious students who enjoy working with people.  The hospitality and tourism industry operates in a highly competitive environment.  It is important that those seeking careers as successful professionals develop a strong business foundation and customer service skills.  Graduates of hospitality and tourism management programs are well rounded with a combination of business and life skills that are in high demand with employers.

While hospitality and tourism has traditionally been an industry that emphasized hands-on experience, the competitive nature of the business now requires a combination of experience and higher education to build a successful management career.  To meet the needs of the industry, hospitality and tourism programs offered by colleges and universities have grown rapidly in the United States.  Today programs are offered by a variety of vocational schools, community colleges and both public and private universities.  Options range from short-term skills-oriented certificates to post-graduate degree programs.

With so many choices available, how do you choose the right school and program for you?  Hospitality and tourism management programs offered in the U.S. vary.  If you seek a bachelor's degree or higher, a community college or university will provide a well-rounded education with a specific industry focus designed to prepare students for management-level careers.  Vocational schools generally offer a more hands-on training to prepare students for specific entry-level positions.

More Americans are enrolled in community colleges (also often called junior colleges or two-year colleges) than in any other institution of higher education in the U.S.  Community college hospitality and tourism programs offer a variety of specialized certificate and associates degree options as well as university transfer programs that allow students to complete a bachelor's degree.  Because community colleges generally have lower tuition costs than four-year colleges and universities, many international students choose the community college to university transfer pathway (two-year associate's degree + two years at a university to complete a bachelor's degree).

What should you look for in choosing a hospitality and tourism management program that best suits your career goals?  Some important questions to ask include:

   *Does the school's curriculum meet your career objectives?  Hospitality and tourism is a vast industry with many different career paths.  If your career goal is to manage a large hotel or to work toward a senior management position with a well-known corporation, a bachelor's degree is generally required.

   * Is the school located in a tourism destination with a strong representation of major hotels?  What hotels, resorts and tourist attractions does the program draw from?  Do leading industry employers recruit the school's graduates?

    * What are the faculty's academic credentials and industry experience?  Faculty in hospitality and tourism management programs often have advanced degrees in business, education or disciplines other than hospitality and tourism.  A combination of academic achievement and management-level business experience are considered important qualifications for faculty in this industry.

   * Is the program regionally accredited?  Regional accreditation refers to the accrediting bodies that serve one of six geographic regions in the U.S. Each regional accrediting body is responsible for the majority of public and private higher education institutions in the area it serves.  Regional accreditation is especially important if you plan to complete a bachelor's degree or higher.  Some institutions also obtain specific professional accreditation.

   * What support does the institution provide for international students?  Does the school provide specific orientation and ongoing advisement for international students?  Is there an international students' organization to support living and working together as an intercultural community?

    * What opportunities does the institution provide for language study?  Hospitality and tourism is a worldwide industry.  An appreciation and understanding of other cultures and languages is essential to a successful career.  Does the program provide opportunities to study other languages?  Does the institution provide ESL (English as a Second Language) courses that enable international students to expand their language skills while studying in the United States?

The hospitality and tourism industry offers abundant opportunity for students seeking careers in a dynamic, international industry.  If you possess strong communication skills and a desire to provide excellent service to others this fast-paced industry may be for you.

Editorial provided by Mr. Larry L. Williams, MBA, Director of Hospitality and Tourism Management Programs at Scottsdale Community College in Arizona.  Scottsdale Community College is one of the Maricopa Community Colleges.

Source: http://www.internationalstudentguidetotheusa.com/articles/is-a-career-in-hospitality-and-tourism-in-your-future.htm

21
RAM তৈরি করার পদ্ধতি
[/b]
কীভাবে পেনড্রাইভকে র্যাম হিসেবে তৈরি করবেনঃ উইন্ডোজ এক্সপি

________________________________________
চলুন এবার শিখে ফেলি কিভাবে একটি পেনড্রাইভকে আপনি র্যাম হিসেবে তৈরি করবেন ও তা ব্যবহার করবেন।
•    প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি পিসি বা ল্যাপটপে প্লাগ করুন (পেনড্রাইভ কমপক্ষে ২ জিবি সর্বোচ্চ ৪ জিবি নিবেন)।
•    এবার My Computer এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।
•    এবার Advanced Option এ ক্লিক করুন।
•    এবার Settings of Performance এ ক্লিক করুন।
•    আবারও Advanced Button এ ক্লিক করুন।
•    এবার Virtual memory অংশ থেকে Change বাটনে ক্লিক করুন।
•    তাহলে আপনাকে ড্রাইভ লিষ্ট দেখাবে, এখান থেকে পেনড্রাইভের ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন।
•    এবার Custom Size এ ক্লিক করুন।
•    এবার Initial Size and Maximum Size সিলেক্ট করুন আপনার পেনড্রাইভের সাইজ অনুসারে।
•    এবার Set ও apply দিয়ে কাজ শেষ করুন।
•   এবার আপনার পিসি বা ল্যাপটপটি রিস্টার্ট করুন। ব্যস কাজ শেষ।
মনে রাখবেনঃ Virtual memory অংশের ভ্যালু ০ (শূণ্য) দিবেন। আর কম্পিউটার বন্ধ করার আগে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডটি খুলবেন না।
কীভাবে পেনড্রাইভকে র্যাম হিসেবে তৈরি করবেনঃ উইন্ডোজ সেভেন ও ভিস্তা
________________________________________
পেনড্রাইভকে র্যাম হিসেবে ব্যবহার করার জন্য উইন্ডোজ সেভেন ও ভিস্তাতে রাখা হয়েছে ready boost অপশান।
Ready Boost কি?

Ready Boost হল Microsoft Windows এর একটি disk cache component. এটি প্রথমে ২০০৬ সালে উইন্ডোজ ভিস্তাতে এবং পরে ২০০৯ সালে উইন্ডোজ ৭ এ লাগানো হয়। তবে আপনি যতি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পিসি ব্যবহার করেন, তাহলে হয়ত আপনি ঠিক মতো কাজ বুঝতে পারবেন না। যাদের পিসি একটু লো-লেভেল তারা বুঝতে পারবে কাজ। এবার চলুন কাজ করে ফেলি।
•    প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটিকে FAT file System এ ফরম্যাট করে ফেলুন।
•    এবার My Computer => Properties => ReadyBoost এ যান।
•    এবার এখান থেকে Choose maximum space to reserve system speed অপশানটি সিলেক্ট করুন।
•    এবার Apply ও OK করুন।
•    এবার আপনার readyboost PenDrive ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত।
 মনে রাখবেনঃ যখন ReadyBoost অপশানটি ব্যবহার করবেন, তখন অবশ্যই পেনড্রাইভটি খুলবেন না। যে পেনড্রাইভটিকে ReadyBoost হিসেবে ব্যবহার করছেন, সেটিতে কখনওই কোন ফাইল সেভ করবেন না।

Source: http://tune26.blogspot.com/2012/06/blog-post_1960.html

22
Thumbs.db কি,
Thumbs – শব্দটি Thumbnails এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
db – শব্দটি Database এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
অর্থা Thumbnails Database এর সংক্ষিপ্ত রুপ হল : Thumbs.db
এটি একটি ফাইল, যেটি Database ফাইলের জন্য ইমেজ Thumbnails হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে এটি cache ফাইল, যেটি windows folder গুলোর জন্য image Thumbnails বহন করে। যখনই কোন folder open করা হয় windows স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই Thumbs.db ফাইলটি তৈরী করে দেয়।
Thumbs.db যেভাবে delete করবেন :
Thumbs.db ফাইল delete করার জন্য Folder Option >   ক্লিক করুন View tab > খুজুন “Display file icon on thumbnails”  এবং uncheck করে দিন। এটিও uncheck  করে দিন “Hide protected operating system files (Recommended)”। এবার thumbs.db লিখে আপনার হার্ডড্রাইভ search করুন। কি বোর্ড থেকে CTRL+A চাপুন। আবার কি বোর্ড থেকে Del বাটন চাপুন। কোন উইন্ডো আসলে ok/yes করে দিন। আপনার PC র সমস্ত Thumbs.db ফাইল delete হয় যাবে।
Thumbs.db যেভাবে Disable করবেন :
প্রথমে start menu থেকে gpedit.msc লিখুন এবং enter চাপুন। নিচের উইন্ডো দেখতে পাবেন।
তারপর  User Configuration (বাম পাশে) থেকে  Windows Components (ডান পাশে) ক্লিক করুন।


তারপর Windows Explorer নির্বাচন করুন।

তারপর নির্বাচন করুন : Turn off the caching of thumbnails in hidden thumbs.db files

তারপর মাউসের Right click করুন এবং নির্বাচন করুন Edit

তারপর নিচের উইন্ডো দেখতে পাবেন।

এখান থেকে Enabled অপশন নির্বাচন করুন। তারপর Apply করে Ok করুন।

এবার আপনার PC Restart করুন। এখন থেকে আপনার  PC Thumbs.db থেকে মুক্ত।

Source: http://tune26.blogspot.com/2012/07/windows-7thumbsdb-disable-delete.html

23
1. প্রথমে রান ওপেন করুনঃ

 Press Win+R to open Run.
2. এবার cmd ওপেন করুনঃ
Write ‘cmd’ (without quotations) and press Enter.
3. Cmd তে নিচের কমান্ড দিন এবং এন্টার চাপুনঃ
shutdown -i
4. এখন নিচের মত একটা উইন্ডো ওপেন হবে।
5. এবার অ্যাড এ ক্লিক করে আইপি অ্যাড্রেস দিন যার পিসি আপনি shut down করতে চান।
6. এবার একটা অপশন সিলেক্ট করুন। আপনি shut down করতে চান না restart. (shutdown,restart or annotate unexpected shutdown)
7.Now if you want to warn user about your action than tick the ‘Warn users for the action’ and set the time-OR-un tick it
8.Now in the last ‘Comment’ field write any comment and press OK.
শেষ। কম্পিউটার Shut Down.

Source: http://tune26.blogspot.com/2012/07/remotely-shutdown.html

24
Use of PC / Computer Refresh করুন হাত ছাড়া
« on: November 22, 2015, 05:04:29 PM »

কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে। কারো কারো অভ্যাসটা এত বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই অনেকে রিফ্রেস দেন icon smile Computer Refresh করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া । যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব। টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস করা যায়। এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে। আপনাকে আর কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে:
Start Menu -> Run এ গিয়ে regedit লিখে ok করুন। Registry Editor চালু হবে। HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control -> Update এ গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode। এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
এখন থেকে আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক রিফ্রেস হবে।

Source: http://tune26.blogspot.com/2012/08/computer-refresh.html

25

তার জন্য প্রথমে আপনাকে একটা কাজ করতে হবে।
কাজটা হল প্রথমে আপনাকে রান কমান্ডে প্রবেশ করতে হবে,
এবার রান কমান্ডে নিচের কোড গুলি লিখুন।
shutdown.exe -s -t 300

এটার হিসাব হবে মিনিট এবং সেকেন্ড
মানি আমি এখানে ৩০০ দিয়েছি কারন হল ৫ মিনিটে হল
৩০০ সেকেন্ড। তাহলে দেখি আমরা কি ভাবে হিসাব করব
যেমন ৫ ইন্টু ৬০ = ৩০০।
তারপর এন্টার প্রেস করুন। হয়ে গেল।
ওয়েব ডিজাইনার:অলক শর্মা

Source: http://tune26.blogspot.com/2012/08/auto.html

26
প্রথমে start menu থেকে all program এ যান। তারপর accessories এ গিয়ে Note pad ওপেন করুন। Notepad এ নিচের দেয়া লেখা গুলি হুবাহু copy করে paste করুন। Save As এ গিয়ে নাম দিন Alok.BAT
cd c:
cd \
del c:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del c:\"autorun.ini"/ah/s/q/f
del c:\"desktop.ini"/ah/s/q/f
del c:\"new folder.exe"/ah/s/q/f
del d:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del d:\"desktop.ini"/ah/s/q/f
del d:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del d:\"new folder.exe"/ah/s/q/f
del e:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del e:\"desktop.ini"/ah/s/q/f
del e:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del e:\"new folder.exe"/ah/s/q/f
del f:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del f:\"desktop.ini"/ah/s/q/f
del f:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del f:\"new folder.exe"/ah/s/q/f
del g:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del g:\"desktop.ini"/ah/s/q/f
del g:\"autorun.inf"/ah/s/q/f
del g:\"new folder.exe"/ah/s/q/f
Explorer c:
msg %username% "Thumbs Remover - by CSE Of Alok ,Mob-01710464226'

এবার just একবার double click করুন।Ok

http://tune26.blogspot.com/2012/09/autorun-virus-software.html

27
ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয় সাথে এই সাইট দুটিতেও সম্প্রচার শুরু করা হয়। আপনাকে কিছুই করতে হবেনা, শুধু ওয়েবসাইটে ঢুকলেই দেখতে পাবেন ওই ম্যাচটি
সম্প্রচার হচ্ছে। আর যদি একাধিক লাইভ ম্যাচ শুরু হয় তাহলে আপনি ওয়েবসাইটের শুরুতেই দেখতে পাবেন কোন ম্যাচটি কত নাম্বার চ্যানেলে দেখাচ্ছে।
আপনি শুধু ওই নাম্বারে ক্লিক করলেই কাঙ্ক্ষিত ম্যাচটি দেখতে পাবেন। চ্যানেল দুটির বিশেষ দিকটি হল ইহা অল্প নেট স্পীডেও চলতে থাকে।
নিচে চ্যানেল লিঙ্ক দেওয়া হল
http://cricvid.com/
http://cricpower.com/

28

ঘড়ি:
প্রথমে Notepad খুলু
নিচের দেওয়া কোডটি কপি-পেস্ট করুন,
@echo off title DOS-Based Clock color 0a cls : CLOCK cls echo The current time is: %time% goto CLOCK (91)
এটা Save করুন clock.bat নাম দিয়ে।

ক্যালকুলেটর:
আবার একটু কষ্ট করে Notepad খুলুন।

@echo off title Batch Calculator by (your name) color 0c :top echo -------------------------------------- echo -Welcome to Batch Calculator by *(your name)!- echo -------------------------------------- echo Enter your operand echo. set /p sum= set /a ans=%sum% echo. echo = %ans% echo -------------------------------------------------------------- pause cls echo Previous Answer: %ans% goto top pause exit
এবার এটা save করুন calculator.bat নাম দিয়ে।

Source: http://tune26.blogspot.com/2013/05/blog-post.html

29
হালকা শীতেই অনেকে কাবু হয়ে যান সর্দিজ্বরে। সবচাইতে বিরক্তিকর হলো সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকা। সর্বক্ষণ সবার সামনে নাক টানা আর নাক মুছতে থাকাটা ভীষণ বিরক্তিকর। নাক বন্ধ হয়ে অস্বস্তিতে নিঃশ্বাস নিতে তো সমস্যা হয়ই, অনেকের শরীরের পাশাপাশি মেজাজটাও খারাপ হয়ে থাকে।

নাকের এই সর্দি দূর করার জন্য আপনি বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। কিছু পদ্ধতিতে নাক দ্রুতই পরিষ্কার হয়ে যাবে। আবার কিছু পদ্ধতিতে কিছুদিন সময় লাগলেও অসুস্থতা কেটে যাবে পুরোপুরি। চটজলদি কয়েক মিনিটের মাঝেই নাক পরিষ্কার করে ফেলার দুটি পদ্ধতি-
১) টাং ট্যাপ

জিভের ডগা দিয়ে চাপ দিন আপনার ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ায়। এরপর জিভ সরিয়ে নিন এবং সাথে সাথেই আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিন কপালে দুই ভুরুর মাঝে। ২০ সেকেন্ড ধরে এই কাজটি বারবার করতে থাকুন। জিভ দিয়ে চাপ দিন এবং এর পর পরই কপালে চাপ দিন। এতে নাক বন্ধ ভাবটা কেটে যাবে। কেন? কারণ এই কাজটি করলে একটি হাড়ে নাড়া পড়ে। ফলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়াটা কেটে যায়।

২) নিঃশ্বাস বন্ধ করে থাকা

মাথা পেছনের দিকে হেলিয়ে দিন। এরপর নাক চেপে ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন যতক্ষণ সম্ভব। যখন দেখবেন আর পারছেন না, তখন নাক ছেড়ে মাথা সোজা করে বড় একটা নিঃশ্বাস নিন। এই পদ্ধতিটি কেন কাজ করে? কারণ নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখলে আমাদের শরীর বুঝতে পারে বাতাসের অভাব হচ্ছে। ফলে সে নিজে থেকেই নাক পরিষ্কার করে ফেলে।

এছাড়াও Health এবং WebMD সাইটে পাওয়া যায় বেশকিছু পদ্ধতি যাতে আপনি সর্দিতে আটকে থাকা নাক থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    ১) স্যালাইন ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে পারেন, গবেষণায় দেখা যায় বাচ্চাদের জন্য এটা খুব কার্যকরী
    ২) যথেষ্ট পানি পান করুন
    ৩) নাক ঝেড়ে ফেলুন, সর্দি আটকে রাখবেন না
    ৪) নাক এবং কপালে গরম সেঁক দিন, তবে ত্বক যেন পুড়ে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন
    ৫) গরম চা এবং স্যুপ পান করুন
    ৬) ঝাঁঝালো মেনথল মলম ব্যবহার করুন
    ৭) গরম পানিতে গার্গল করুন
    ৮) কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন
    ৯) আপনার নাক যদি অ্যালার্জির কারণে বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন, তবে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলে তারপর

30
অনেকক্ষণ বসে থাকার পর উঠে দাঁড়াতেই পায়ের তলায় তীব্র ব্যথা হয়? একটু হাঁটাহাঁটি করলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে? এভাবে খানিকক্ষণ বসে থেকে উঠলে প্রথমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয় তারপর আস্তে আস্তে ব্যথা কমে আসে? শীতকাল এলেই বাড়ে নানা ধরণের ব্যথা বেদনা।

পায়ের গোড়ালিও এক্ষেত্রে বাদ যায় না। বরং শীতে গোড়ালি ব্যথাটাও বাড়ে বেশি। এমন ব্যথার জন্য ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে, যেমন-

    সব সময় নরম জুতা ব্যবহার করতে হবে।
    হাঁটাচলার সময় হিল কুশন ব্যবহার করবেন।
    শক্ত স্থানে খুব বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না বা শক্ত স্থানে বেশি হাঁটাচলা করাও উচিত না।
    ভারী কোনো জিনিস বহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন- বেশি ওজনের বাজারের থলি, পানিভর্তি বালতি ইত্যাদি বহন করা যাবে না।
    সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামা করার সময় মেরুদণ্ড সোজা রেখে হাতে সাপোর্ট দিয়ে ধীরে ধীরে উঠবেন ও নামবেন এবং যথাসম্ভব গোড়ালির ব্যবহার কম করবেন।
    ব্যথা থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের ব্যায়াম করা যাবে না।
    হাই হিল জুতা পরা সম্পূর্ণ নিষেধ।

    মোটা ব্যক্তিদের ওজন কমাতে হবে এবং সব সময় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

Pages: 1 [2] 3