Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - farjana aovi

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 9
31
চীনের এক বিজ্ঞানী বিশ্বের প্রথম জেনেটিক্যালি-সংশোধিত যমজ শিশু জন্মের দাবি করেছেন। এ শিশুর জিন এডিটিং করে সারানো হয়েছে রোগ। লুলু এবং নানা নামে প্রথমবার ‘রোগাক্রান্ত জিন শুধরানো শিশু’ জন্ম নিল, দাবি চীনের বিজ্ঞানীদের। আর এ শিশু দুটি জীবনে এইডস রোগে আক্রান্ত হবে না।

দক্ষিণ চীনের শেনঝেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিয়াংকুই নামের এক বিজ্ঞানীর এ দাবির কথা প্রথম জানা যায় ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি রিভিউর একটি ভিডিওতে।

32
 
 
আইবিএস: নারীদের যন্ত্রণা

ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম বা আইবিএস নামের রোগটি তরুণ বয়সী থেকে ৫০ বছর অবধি নারীদেরই বেশি হয়ে থাকে। এতে আক্রান্ত নারীরা মূলত পেটের নানা উপসর্গে ভুগে থাকেন, কিন্তু তেমন কোনো কারণ পাওয়া যায় না। উপসর্গগুলো সপ্তাহে অন্তত দুবার এবং তিন মাসের বেশি সময় ধরে দেখা দিতে থাকলে আইবিএস আছে কি না সন্দেহ করা হয়। উপসর্গগুলো এ রকম:
* আইবিএস সি টাইপে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। শক্ত দানাদার মল তৈরি হয় এবং মলত্যাগের সময় পেট ব্যথা করে।
* আইবিএস ডি টাইপ আবার উল্টো, ডায়রিয়ার মতো হয় বারবার। কিছু খেলেই বদহজম হয়, পেট নরম হয় এবং অল্প অল্প করে নরম পায়খানা হতে থাকে। সকালের দিকেই বেশি দেখা দেয়।
* কখনো কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া—দুটোই হতে পারে। এটা হলো আইবিএস এম (মিক্সড টাইপ)
* পেট ব্যথা করে, পেট কামড়ায়, পেটে অস্বস্তি লেগেই থাকে।
* পেট ফাঁপা লাগে, মলত্যাগ করার পরও মনে হয় করা হয়নি।
আইবিএসের সঠিক কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। এসব উপসর্গ নারীদের মাসিকের আগে আগে বেড়ে যেতে পারে। আইবিএসে যা থাকে না তা হলো ওজন হ্রাস, রক্তশূন্যতা, মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া ইত্যাদি। সাধারণত পরীক্ষা–নিরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকে। ধারণা করা হয়, এর পেছনের কারণ বেশির ভাগই মানসিক চাপজনিত।
আইবিএস যন্ত্রণায় কী করবেন
: সাধারণত খাবার আইবিএসের জন্য দায়ী নয়। কিন্তু কিছু কিছু খাবার আপনার উপসর্গ বাড়িয়ে দিচ্ছে কি না লক্ষ করুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, কফি, কোমল পানীয়, কিছু কিছু শাক ও ফল খেতে পারেন না। যদি কোনো খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে, তবে তা এড়িয়ে দেখতে পারেন।
* কোষ্ঠকাঠিন্য যাঁদের মূল সমস্যা, তাঁরা আঁশজাতীয় খাবার বেশি খাবেন। ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন।
* প্রতিদিন ৭-৮ গ্লাস পানি পান করুন।
* একসঙ্গে অনেক খাবার খেলে পেট ফাঁপে। তাই অল্প অল্প করে সারা দিনে ভাগ করে খান।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল, মিরপুর, ঢাকা

33

চার অক্ষরে স্ট্রোকের লক্ষণ জানুন
স্ট্রোক বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত বয়স্ক নারী–পুরুষকে শয্যাশায়ী করে ফেলে। শুধু বয়স্ক নয়, কখনো কখনো অপেক্ষাকৃত কম বয়সী ব্যক্তিরাও স্ট্রোকে আক্রান্ত হন এবং কর্মক্ষমতা হারান।

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে বা কখনো রক্তনালি ফেটে গিয়ে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে মস্তিষ্কের কোনো অংশের কোষে যে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়, সেটাই স্ট্রোক। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বির আধিক্য, ধূমপান ইত্যাদি স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। সময়মতো স্ট্রোকের লক্ষণগুলো বুঝতে পারলে ও দ্রুত চিকিৎসা নিলে ক্ষতিকর দিকগুলো অনেকটাই এড়ানো যায়। স্ট্রোকের উপসর্গ বুঝতে ‘ফাস্ট’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি বর্ণমালার চার অক্ষরের ফাস্ট মানে হলো:

এফ-(ফেস): মুখের একদিক বেঁকে যাওয়া বা ঝুলে যাওয়া।

এ (আর্ম): কোনো হাত ঝুলে পড়া বা হাত নাড়াতে না পারা বা হাতের শক্তি কম মনে হওয়া।

এস (স্পিচ): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বলতে অপারগতা।

টি (টাইম): ওপরের উপসর্গগুলো টের পেলে দেরি না করে সময়মতো চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

ফাস্ট–এর বাইরে আরও কিছু উপসর্গ স্ট্রোক বুঝতে সাহায্য করে। যেমন মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, মাথা হালকা বোধ হওয়া, হাঁটতে গিয়ে ভারসাম্যহীন মনে হওয়া, দৃষ্টিতে সমস্যা, ভুল কথা বলা বা চেতনা লুপ্ত হওয়া। কখনো বমিও হতে পারে। হঠাৎ রক্তচাপ অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে। স্ট্রোকের পর অনেকের খাবার গ্রহণে সমস্যা হয়, খাবার গিলতে গিয়ে গলায় আটকে যায় বা বিষম খান। খাবার বা পানি মুখের কাছ থেকে গড়িয়ে পড়তে পারে।

স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে মধ্যবয়স থেকেই সচেতনতা দরকার। নিয়মিত নিজের রক্তচাপ মাপুন। রক্তচাপ বেশি থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করুন। রক্তের শর্করা ও চর্বি নিয়ন্ত্রণে রাখুন। ধূমপান বর্জন করুন। বেশি করে তাজা শাকসবজি ও ফলমূল খান। ওজন ঠিক রাখুন। খাবার লবণ কমিয়ে দিন। স্ট্রোক আপনার কর্মমুখর জীবনকে হঠাৎ করেই স্থবির করে দিতে পারে। তাই এখনই সচেতন হোন।

ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা: মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল, মিরপুর, ঢাকা

34
পায়ের যত্ন মানে শুধুই সৌন্দর্যচর্চা বা পেডিকিউর নয়, পায়ের সুস্থতার জন্য আরও নানা বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন। নিয়মিত পা পরিষ্কার করা, প্রয়োজনে পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। পায়ের পাতার কোনো অংশ শক্ত ও খসখসে হয়ে গেলে তা ঘষে নরম রাখা পায়ের সুস্থতার জন্য বাঞ্ছনীয়। আবার জুতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও পায়ের সুস্থতার কথা মাথায় রাখতে হবে।
পায়ের পরিচ্ছন্নতা

পা ধোয়ার সময় পায়ের আঙুলের ফাঁকে ভালোভাবে সাবান ও পানি পৌঁছাতে হবে। পা ধোয়ার পর পুরো পা, পায়ের তলা ও আঙুলের ফাঁকগুলো ভালোভাবে মুছে ফেলুন। পা ভেজা ও আর্দ্র থাকলে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ভেজা পায়ে কখনো মোজা পরবেন না। প্রতিদিন একই জুতা ব্যবহার না করে নিয়মিত ব্যবহারের জন্য দুটি জুতা রাখতে পারেন। এক দিন একটি পরলেন, তো পরদিন কাজে বেরোলেন অন্যটি পরে।
জুতো বাছাই

একেবারে সমান ও নিচু (ফ্ল্যাট) স্যান্ডেল পরা উচিত নয়। আবার দুই ইঞ্চির চেয়ে বেশি উচ্চতার জুতা পরাও ঠিক নয়। পেনসিল হিল বা চোখা হিলের জুতা পরবেন না। জুতার সামনের দিকটা খুব সরু হলে তা ব্যবহার না করাই ভালো; আঁটসাঁট জুতা পরাও ঠিক নয়। এসব জুতা ব্যবহারের ফলে পায়ের হাড়ের স্বাভাবিক বিন্যাস পর্যন্ত বিঘ্নিত হতে পারে। জুতো এমন হবে যেন ভেতরে পায়ের আঙুলগুলো কোনো ভাঁজ ছাড়াই এঁটে যায়। বিকেলে জুতো কেনা ভালো কেননা দিনের শেষে পায়ের মাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।
 
 

পায়ের যত্ন মানে শুধুই সৌন্দর্যচর্চা বা পেডিকিউর নয়, পায়ের সুস্থতার জন্য আরও নানা বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন। নিয়মিত পা পরিষ্কার করা, প্রয়োজনে পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। পায়ের পাতার কোনো অংশ শক্ত ও খসখসে হয়ে গেলে তা ঘষে নরম রাখা পায়ের সুস্থতার জন্য বাঞ্ছনীয়। আবার জুতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও পায়ের সুস্থতার কথা মাথায় রাখতে হবে।

 পায়ের পরিচ্ছন্নতা

পা ধোয়ার সময় পায়ের আঙুলের ফাঁকে ভালোভাবে সাবান ও পানি পৌঁছাতে হবে। পা ধোয়ার পর পুরো পা, পায়ের তলা ও আঙুলের ফাঁকগুলো ভালোভাবে মুছে ফেলুন। পা ভেজা ও আর্দ্র থাকলে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ভেজা পায়ে কখনো মোজা পরবেন না। প্রতিদিন একই জুতা ব্যবহার না করে নিয়মিত ব্যবহারের জন্য দুটি জুতা রাখতে পারেন। এক দিন একটি পরলেন, তো পরদিন কাজে বেরোলেন অন্যটি পরে।

 জুতো বাছাই

একেবারে সমান ও নিচু (ফ্ল্যাট) স্যান্ডেল পরা উচিত নয়। আবার দুই ইঞ্চির চেয়ে বেশি উচ্চতার জুতা পরাও ঠিক নয়। পেনসিল হিল বা চোখা হিলের জুতা পরবেন না। জুতার সামনের দিকটা খুব সরু হলে তা ব্যবহার না করাই ভালো; আঁটসাঁট জুতা পরাও ঠিক নয়। এসব জুতা ব্যবহারের ফলে পায়ের হাড়ের স্বাভাবিক বিন্যাস পর্যন্ত বিঘ্নিত হতে পারে। জুতো এমন হবে যেন ভেতরে পায়ের আঙুলগুলো কোনো ভাঁজ ছাড়াই এঁটে যায়। বিকেলে জুতো কেনা ভালো কেননা দিনের শেষে পায়ের মাপ সবচেয়ে বেশি থাকে।

 নখ কাটা

পায়ের নখ কেটে ছোট করে রাখুন। খুব গভীরভাবে নখ কাটলে নখ বসে যেতে পারে, আবার নখ বড় থাকলেও তা থেকে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুই ধারে কোনা বেশি কাটবেন না।
কর্ণ বা শক্ত চামড়া

অনেক সময় পায়ে কড়া পড়ে, কোনো জায়গায় ত্বক মোটা হয়ে যায়। কখনো ফোসকা পড়ে। এগুলো কখনোই বাড়িতে কিছু দিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

 পা ফাটা

শুষ্কতার কারণে পা ফেটে যায়, এই ফাটা অংশ দিয়ে সংক্রমণ ঘটে। অনেক সময় রক্ত বেরিয়ে যায়। তাই পা ফাটা রোধে পা ভালো করে স্কারবার দিয়ে পরিষ্কার করে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ময়েশ্চারাইজার লাগান।
Source: Prothom alo

35
Pharmacy / Re: পেয়ারা নাকি আপেল?
« on: October 28, 2018, 10:32:57 AM »
Nice post

36
Pharmacy / খুসখুসে কাশি
« on: October 28, 2018, 10:32:29 AM »
সখুসে কাশি একটি বিরক্তকর ও বিব্রতকর অসুখ। একবার কাশি শুরু হলে যেন থামতেই চায় না। যখন-তখন, যেখানে–সেখানে শুরু হয়ে যেতে পারে কাশি। জ্বর নেই, কফ বের হওয়া নেই, বুকে ঘড় ঘড় নেই—কিন্তু খুক খুক কাশি, যা বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক। যার অর্থ, কাশির সঙ্গে কখনো কফ বেরোয় না, কিন্তু একটা অস্বস্তি গলায়-বুকে লেগেই থাকে।
এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বলেন, খুক খুক শুকনো কাশি যখন-তখন অনেককে ভোগায়, বিব্রতও করে। কারও সারা বছর খুসখুসে কাশি লেগে থাকে। সব সময় কাশি সারাতে অ্যান্টিবায়োটিক বা কাশির ওষুধের দরকার নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই বারবার শুকনো কাশির কারণ ফুসফুসে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা ইত্যাদি নয়, বরং অন্য কিছু। যার কারণটা খুঁজে বের করে চিকিৎসা করা উচিত।

শ্বাসনালি আক্রান্ত বা সংক্রমণ
তীব্র কাশির জন্য সহজেই অনুমানযোগ্য বা সহজ কারণটি হলো, ঠান্ডা বা অন্য কোনো ভাইরাল সংক্রমণের পরিণাম বা ফল। অনেক ঠান্ডার উপসর্গ কিছুদিন পরে চলে যেতে পারে।
কাশি কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাসের জন্যও থাকতে পারে, কারণ ভাইরাসের কারণে শ্বাসনালি ফুলে এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে। এই কারণে কাশির স্থায়িত্বকালও বাড়তে পারে, এমনকি ভাইরাস চলে যাওয়ার পরও। ঋতু বদলের সময় ভাইরাস সংক্রমণের কারণে কাশির প্রকোপ বাড়ে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। কাশির সঙ্গে জ্বর, কফ ইত্যাদি থাকলে ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়া কি না ভাবতে হবে। দীর্ঘদিনের (যেমন তিন সপ্তাহের বেশি) কাশি, ঘুসঘুসে জ্বর, ওজন হ্রাস, কাশির সঙ্গে রক্ত যক্ষ্মার লক্ষণ হতে পারে।

ধুলাবালু থেকে হাঁপানি, অ্যালার্জি ও খুসখুসে কাশি
সবার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সমস্যা না করলেও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সবারই করে। ধুলার আকার-আয়তন দৃশ্যমান থেকে অদৃশ্যমান হতে পারে। সাধারণত যেসব ধুলা খালি চোখে দেখা যায় না, সেগুলো সাধারণত বেশি ক্ষতিকর। সাধারণত শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে বায়ুতে ধুলার পরিমাণ অন্য সময়ের তুলনায় বেশি থাকে। ধুলার ধরন ও আকার-আয়তনের ওপর নির্ভর করে ক্ষতির মাত্রা। আবার ধুলার ঘনত্বের মাত্রা ও কত দিন ধুলায় বসবাস, তার ওপরও নির্ভর করে ক্ষতির মাত্রা। সামান্য পরিমাণ ধুলাও তাৎক্ষণিক সমস্যা করতে পারে। যেমন চোখ জ্বালাপোড়া, খুসখুসে কাশি, হাঁচি, আল্যার্জিক রাইনাইটিস, হাঁপানি ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। আবার যাঁদের আগে থেকে ফুসফুসের সমস্যা আছে, তাঁদের অল্পতেই সমস্যা জটিল করে তুলতে পারে।
শ্বাসকষ্ট নয়, কেবল কাশিও হতে পারে হাঁপানি বা অ্যাজমার লক্ষণ। অ্যালার্জি ও অ্যাজমা হচ্ছে কাশির সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। রাতে কাশি বেড়ে যাওয়া, বুকে শব্দ ও পরিবারে হাঁপানির ইতিহাস থাকলে অ্যাজমা হতে পারে। একে বলে কফ ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা। লক্ষ করুন, ধুলাবালু, ফুলের রেণু, এসির ঠান্ডা বাতাস ইত্যাদি কারণে কাশির প্রকোপ বেড়ে যায় কি না। তাহলে এটি অ্যালার্জিজনিত। কাজের দিন বেড়ে যায়, আবার ছুটির দিনে কমে আসে, এমন হলে বুঝতে হবে আপনার কর্মস্থলের পরিবেশে কোনো সমস্যা রয়েছে। ডাস্ট বা ধুলাবালুতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

অ্যাসিডিটি বা অম্লতা
ভারী বা চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর বুকে জ্বালাপোড়া বা টক ঢেকুরের সঙ্গে খুক খুক কাশিও হতে পারে। পাকস্থলীর অম্ল খাদ্যনালিতে উঠে এসে এই কাশির সৃষ্টি করে। অনেক সময় ঠান্ডা–সর্দি লাগা থেকে নাকের পেছন দিক থেকে গলায় নিঃসরণের জন্য ইরিটেসন ও শুষ্ক কাশি হয়।

ক্যানসার
বয়স্ক ও ধূমপায়ী ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের কাশি, জ্বর, পুরোনো কাশির নতুন ধরন, কফের সঙ্গে রক্ত এসব উপসর্গ থাকলে সাবধান। ফুসফুসের ক্যানসার হবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

হৃদরোগ
হৃদরোগের কারণেও ক্রনিক কাশি হয়। শরীরে পানি জমা, দুর্বলতা, সামান্য পরিশ্রমেই ক্লান্তি বা শ্বাসকষ্ট এগুলো হৃদ্রোগের দিকেই নির্দেশ করে।

পর্যাপ্ত তরল পান না করা
যখন ঠান্ডা অথবা ফ্লু হবে, তখন প্রচুর পরিমাণে তরল পান করতে হবে। পানি, জুস ও স্যুপ শ্বাসনালি থেকে কফ বা শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। কিন্তু ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, যেমন চা বা কফি শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে, যা বিপরীত কাজ করতে পারে। এ সময় শ্বাসনালিতে আর্দ্রতা যুক্ত করতে স্যালাইন ন্যাসাল স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।

মানসিক চাপ
মানসিক চাপ, বিশেষ করে যখন এটি তীব্রতর হয়, তখন এটি ঠান্ডার স্থায়িত্বকালকে বাড়াতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী কাশির মোকাবিলা করতে, যখন আপনি অসুস্থ থাকবেন, তখন আপনার মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন। নিজের ওপর বেশি চাপ প্রয়োগ করলে আপনি হয়তোবা আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। প্রশান্তিতে থাকার একটি উপায় হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে বিশ্রাম নিন, রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান।

ওষুধ
কোনো কিছুতেই কাশি না সারলে ও পরীক্ষায় কিছু না পাওয়া গেলে লক্ষ করুন কোনো ওষুধের জন্য এটি হচ্ছে কি না। যেমন উচ্চ রক্তচাপের জন্য কোনো ওষুধ সেবনের কারণেও কাশি এত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে তীব্র শুকনো কাশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি এই ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, তবে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

নিরাময়ের উপায়
 ধূমপান ও বায়ুদূষণ কাশির একটি অন্যতম কারণ। তাই ধূমপান বর্জন করুন।
 ধুলাবালুতে কাশি হলে ঘর ঝাড়ু দেওয়া, ঝুল ঝাড়া ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।
 ঠান্ডায় সমস্যা হলে গোসলে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। খুব ঠান্ডা পানি খাবেন না।
 লিকার চা, কুসুম গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস, গরম স্যুপ ইত্যাদি কাশি সারাতে সাহায্য করে।
 গরম পানির ভাপ নিতে পারেন, দীর্ঘদিন ধরে কাশিতে ভুগলে, বিশেষ করে ধূমপায়ীরা সতর্ক হোন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Source: Prothom Alo

37
Pharmacology / Re: Drug side effects
« on: October 21, 2018, 04:37:36 PM »
Useful information

38
Pharmacology / Re: Endocrinology of Insulin
« on: October 21, 2018, 04:37:14 PM »
informative

39
Pharmacology / Re: Benifits of drinking water
« on: October 21, 2018, 04:36:57 PM »
Nice information

40
Pharmacy / Re: পেয়ারা নাকি আপেল?
« on: October 21, 2018, 04:36:31 PM »
Nice information

41
এই ঠাণ্ডা, এই গরম। গরম সরিয়ে আস্তে আস্তে শুরু করেছে ঠাণ্ডার হাওয়া। আর এই হঠাৎ ঠাণ্ডাই যেন শরীরকে মেজমেজ বাড়িয়ে দিচ্ছে। আর চারিদিকে শুরু হয়েছে নানা অসুখের হিড়িক। আর এরমধ্যে সর্দিটাই বেশি দেখা। হঠাৎ গরম থেকে আবার ঠাণ্ডা যেন সর্দিটা আরো বাড়িয়ে দেয়। আর এই বাজে সর্দি মন মেজাজ আরো খারাপ করে দেয়। আমাদের শরীর যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মিউকাস তৈরি করে, তখনই বাড়তি মিউকাস নাকের দিক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেটাকেই আমরা বলি ‘নাক দিয়ে পানি পড়া’। যদি মিউকাস নাক দিয়ে বেরোতে না পেরে চুঁইয়ে গলায় নামে তাহলে তা হয়ে দাঁড়ায় শুকনো কাশির কারণ।

আচমকা ঠাণ্ডা পড়লে, অ্যালার্জি হলে, সাইনাসের ইনফেকশন দেখা দিলে, ধোঁয়া-ধুলো বা বিশেষ কোনো গন্ধ ট্রিগার হিসেবে কাজ করলে এমনটা হতে পারে।

১.গলায় আরামের জন্য উষ্ণ পানিতে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার আর মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।

২.আদা আর মধু দিয়ে চা খেলেও সর্দি সেরে যায় অনেকসময়।

৩.স্টিম ইনহেল বা গরম ভাপ নিতে পারলে খুব ভালো কাজ হয়, তাতে আপনার শ্বাসনালীর সমস্ত বাধা সরে যায়। দিনে দুইবার স্টিম নেয়ার পাশাপাশি অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ খেলেই সাধারণত সমস্যা সেরে যায়।

৪.যারা খুব অ্যালার্জিতে ভোগেন তারা ডিসপোজেবল মাস্ক ব্যবহার করতে আরম্ভ করুন।
Source: somoy TV

42
গাছের নাম অলস্পাইস। বাংলা নাম নেই। গাছে কোনো ফুল নেই, ফল নেই। কেবল পাতা আর পাতা।অলস্পাইসের পাতা কিছুটা পুরু, চকচকে ও সুঘ্রাণযুক্ত। চিরসবুজ এ গাছের বাকল ও ডালপালা দেখতে অনেকটা পেয়ারা ও লবঙ্গগাছের মতো, বাকল মসৃণ ও ধূসর বাদামি। কচি ডালের রং সবুজ ও নরম।জায়ফল, জয়ত্রী, লবঙ্গ, দারুচিনি ও গোলমরিচ—সব ঘ্রাণ একসঙ্গে! এ কারণেই হয়তো এর নাম রাখা হয়েছে অলস্পাইস।এর পাতা ছায়ায় শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখা হয়। সেই গুঁড়ো রান্নায় ব্যবহার করা হয়। বিদেশে একে বলা হয় কারি পাউডার। বাঙালির রান্নাকে সুস্বাদু করতে এ পাতা ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।এর ইংরেজি নাম পিমেন্টা বা জ্যামাইকান পিমেন্টা। একে মির্টেল পেপার নামেও ডাকা হয়।অলস্পাইসের উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম pimenta dioica। পরিবার মির্টেসি। গাছ মাঝারি আকারের। দ‌ক্ষিণ মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকা এর আদিনিবাস। এখন বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কয়েক বছর আগে বগুড়ায় মসলা গবেষণা কেন্দ্রে এ গাছের একটি মাতৃবাগান গড়ে তোলা হয়। গবেষণাও চলছে এ গাছ নিয়ে। কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জেও অলস্পাইসগাছ রয়েছে।

অলস্পাইসগাছে ফুল ফোটা শুরু হয় মে থেকে, ফল পাওয়া যায় আগস্ট পর্যন্ত। থোকা ধরে প্রচুর ফল হয়। ফল বুটের দানার মতো গোলাকার; কাঁচা ফলের রং সবুজ, পাকলে কালো হয়। সাধারণত এর কাঁচা ফল সংগ্রহ করা হয়। কাঁচা ফল রোদে শুকিয়ে বাদামি করা হয়। কাঁচা পাতা রোদে শুকিয়ে তেজপাতার মতো ব্যবহার করা যায়।
Source: Google

43
শীতে ও গরমে ঠাণ্ডা লাগা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। আর অনেক দিন ধরে ঠাণ্ডা লাগলে অনেকের টনসিলের সমস্যা দেখা দেয়। টনসিল হলে বিপাকে পড়েন অনেকে।

টনসিল বাড়লে ঢোক গিলতে গেলেও কষ্ট হয়। মুখ-গলা, নাক, কান দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণু প্রবেশে বাধা দেয় এই টনসিল। তাই টনসিল আক্রান্ত হলে জীবাণুর প্রকোপ বাড়ে, বাড়ে অন্যান্য অসুখের ভয়ও।

টনসিল কি?

টনসিল হলো আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটা অংশ এবং আমাদের মুখের ভেতরেই চারটি গ্রুপে তারা অবস্থান করে। এদের নাম লিঙ্গুয়াল, প্যালাটাইন, টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড। এই টনসিলগুলোর কোনো একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস। টনসিল বলতে আমরা সচরাচর যা বুঝি, তা কিন্তু আসলে টনসিলাইটিস। টনসিলাইটিস যে শুধু শিশুদের হয়, তা নয়। এটা শিশুদের বেশি হলেও যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

টনসিল হলে অনেকে চিকিসৎকের শরণাপন্ন হয়ে থাকি। তবে আপনি জানেন কি ঘরোয়া উপায়ে টনসিল ভালো হয়।

আসুন জেনে নেই ঘরোয়া উপায়ে টনসিল সারাবেন যেভাবে।

লেবু

লেবু শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে।

হলুদ

হলুদ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর সেই দুধ ফুটিয়ে গরম গরম খান। এই হলুদ মেশানো দুধ টনসিলের সংক্রমণ বা গলা ব্যথার ক্ষেত্রে খুব কার্যকর।

গ্রিন টি

টনসিলের সমস্যা হলে গ্রিন টির মধ্যে দুই চামচ মধু মিশিয়ে ফোটান। মধুর অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদানের সঙ্গে গ্রিন টির অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মিশে টনসিলকে আরাম দেয়। ঠান্ডা লাগার সমস্যা কমাতেও এই ঘরোয়া উপায় অত্যন্ত কার্যকর।
Source: Jugantor

44
Pharmacy / চোখে ছানি পড়া রোধে করণীয়
« on: September 22, 2018, 11:00:25 AM »
চোখের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মধ্যে ছানি পড়া অন্যতম। ছানি পড়া হচ্ছে চোখের অসুখ। অনিয়মতান্ত্রিক জীবনধারা চোখে ছানি পড়ার অন্যতম কারণ। ৪০ বছরের পর চোখের যত্নে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। না হলে দেখা দিতে পারে অন্ধত্বের লক্ষণ চোখের ছানি।

লক্ষণ

চোখে একদিনেই ছানি পড়ে না। একটু লক্ষ্য করলে ছানি পড়ার লক্ষণগুলো বোঝা যাবে। যেমন পলকে ফেলার সময় মনে হতে পারে কোনো কিছুতে বাধছে, চোখের পাওয়ার ঘন ঘন পরিবর্তন করতে হচ্ছে বা দেখতে সমস্যা হচ্ছে।

আসুন জেনে নেই চোখে ছানি পড়া রোধে করণীয়

খাবার

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস সমৃদ্ধ ফল ও সবজি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। খাদ্য ভিটামিন এ, সি সমৃদ্ধ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খেতে হবে।

সবুজ শাকসবজি, লাল ও হলুদ ফলে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে৷ এছাড়াও গরুর কলিজা, মুরগির কলিজা, মাছ, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, দই, ডিম, বড় বড় মাছের তেল, ছোট মাছ, গাজর, পাকা আম, পাকা বেল, পাকা কাঁঠাল, পাকা পেঁপে, কমলা, পাকা টমেটো, কলা, জাম, মিষ্টিকুমড়া, পালংশাক, লালশাক, লাউ, বাঁধাকপি এবং গাঢ় সবুজ শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে৷

কমলা, লেবু, পে‍য়ারা ইত্যাদি ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। এছাড়া কাঁচা মরিচে রয়েছে ভিটামিন সি এবং বেটা-ক্যারোটিন যা চোখ ভালো রাখে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় এমন খাবারের মধ্যে আছে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ (স্যামন, হ্যালিবাট, টুনা, সারডিন্যাস, ম্যাকেরেল, হেরিং)। ডিম ও বিভিন্ন প্রকার শাক সবজিও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ।

সূর্য থেকে সুরক্ষা

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের জন্য ক্ষতিকর। এতে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। রোদে বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার রাখুন।

জীবন-যাপন

আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার কিছু অভ্যাস ছানি পড়ার ঝুঁকি বাড়ায়। অ্যালকোহল, ধূমপানসহ সব ধরনের মাদক দ্রব্য থেকে বাড়ে ছানি পড়ার ঝুঁকি।

প্রতিদিন যে বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে

পর্যাপ্ত ঘুম, পানি পান এবং বিরতি দিয়ে কম্পিউটারে কাজ করা। সঙ্গে চোখে পরিষ্কার রাখা মাঝে মাঝে চোখে পানির ঝাপটা দেওয়া, প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চোখের ছানি পড়া রোধ করা সম্ভব।
Source: Jugantor

45
পেঁপে পাতার রসে কাইমোপ্যাপিন ও প্যাপাইন রয়েছে৷ যা রক্তের প্লেটলেটের সংখ্যা ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে৷ ফলে ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়৷

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 9