Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md.Shahjalal Talukder

Pages: 1 [2] 3 4 ... 7
16
ইদানীং ক্লান্তি লাগে। স্ট্যামিনা যেন কমে যাচ্ছে। এনার্জি লেভেল লো। আগে অনেক পরিশ্রম করেও হাঁপিয়ে উঠতেন না। এখন অফিস থেকে ফিরে এত ক্লান্তি লাগে যে বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও আর বেরোতে ইচ্ছা হয় না। একি বয়স বাড়ার ফল? বুড়িয়ে যাওয়ার উপসর্গ? অনেকে তো অনেক বেশি বয়সেও এত উদ্দীপ্ত থাকেন, যেন চিরতরুণ। তবে আপনার এমন লাগবে কেন?

এক. অনেক সময় কিছু সাধারণ রোগের জন্য শক্তি কমে যেতে থাকে। ক্লান্তি ও অবসাদ লাগে। এর অন্যতম হলো ডায়াবেটিস। এ ছাড়া থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তশূন্যতা বা হৃদ্রোগ আপনার শক্তি ও উদ্দীপনা কমিয়ে দিতে পারে। এমনকি নির্ঘুমতা, স্লিপ এপনিয়া বা বিষণ্নতায় ভুগলে সারা দিন অবসাদগ্রস্ত লাগে। কিছু করতে ইচ্ছা হয় না। জেনে নিন, আপনার এ ধরনের কোনো সমস্যা আছে কি না।
দুই. অনেক ওষুধ আছে যেগুলো সেবন করলে সাময়িকভাবে ক্লান্তি ও অবসাদগ্রস্ত লাগে। যেমন স্নায়ুরোগে ব্যবহৃত কিছু ওষুধ, ডাইউরেটিক, অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ। কোনো ওষুধ শুরু করার পর আপনার খারাপ লাগলে চিকিৎসককে অবহিত করুন।
তিন. খাদ্যাভ্যাসে কোনো সমস্যা আছে কি না, খেয়াল করুন। অনেকেই কিছু না বুঝে উল্টাপাল্টা ডায়েট শুরু করে দিয়ে এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন। ডায়েট করার সময় ক্যালরি মেপে চার্ট করে নিতে হবে যেন ক্যালরি প্রয়োজনের তুলনায় কম না হয়ে যায়। তাহলে আপনার অবসাদ লাগবে। ডায়েট করার অর্থ না খেয়ে থাকা নয়। কোনো খাবার, বিশেষ করে সকালের নাশতা বাদ দেওয়া যাবে না। বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবলিজম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এতে। নিয়মিত বিরতিতে খেতে হবে।
চার. এমন হতে পারে যে আসলে আপনার ফিটনেস কমে যাচ্ছে। ফিটনেস বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো নিয়মিত ব্যায়াম করা বা হাঁটা। ব্যায়াম আপনার ফুসফুস, হৃদ্যন্ত্র ও পেশির কর্মক্ষমতা বাড়ায়, জ্বালানি জোগায়। গবেষণায় প্রমাণিত যে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
পাঁচ. কর্মদক্ষতা ও উদ্দীপনা ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ভালো ঘুম চাই। রাত জেগে কাজ করবেন না। সময়মতো ঘুমাতে যান এবং সময়মতো ঘুম থেকে উঠুন। যাঁরা কাজের জন্য রাতে যথেষ্ট ঘুমাতে পারেন না বা খুব ভোরে ওঠেন, তাঁরা দুপুরে সময় পেলে আধা ঘণ্টা বিশ্রাম নিতে পারেন। এতে ক্লান্তি দূর হয়।
ছয়. যথেষ্ট পানি পান করুন। গরমে পানিশূন্যতা ও লবণশূন্যতা ক্লান্তি আনে। গরমের দিনে পানির সঙ্গে ফলের রস, ডাবের পানি, লেবু পানি, টক দই ইত্যাদি খেতে পারেন। এতে স্ট্যামিনা ফিরে পাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন একমুঠো বাদামে ম্যাগনেসিয়াম পাবেন, যা উদ্দীপনা বাড়ায়। আমিষ খাবেন যথেষ্ট। বিশেষ করে মাছ। এ ছাড়া খাবেন দুধ। ভিটামিন ডি আছে সূর্যালোকে, তাই বাইরে গিয়ে হাঁটুন। ভিটামিন ডি-এর অভাব কিন্তু অবসাদ বাড়াতে পারে।
সাত. একঘেয়ে জীবনযাপন অনেক সময় শরীর-মনে ক্লান্তি আনে। তাই মাঝে মাঝে রুটিন বদলানো ভালো। দু-এক দিনের সুযোগ পেলে সপরিবার বা সবান্ধব ঘুরতে চলে যান।

মেডিসিন বিভাগ, ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল, মিরপুর, ঢাকা

17
BBA Discussion Forum / Re: Recognition and measurement under ifrs 2
« on: April 20, 2017, 09:22:49 AM »
Thanks

18
Great news

20
Thanks

21
গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে ডায়রিয়া হচ্ছে। ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতায় খাবার স্যালাইন বা ওআরএস শিশুর জীবন বাঁচায়। কিন্তু এই খাবার স্যালাইন নিয়ে কিছু বিভ্রান্তির কারণে অনেক সময় শিশুর ক্ষতিও হতে পারে। আসুন জেনে নিই এসব ভ্রান্তি সম্পর্কে।
মা খেলেই হবে?
ছোট শিশুর ডায়রিয়া হলে স্তন্যদানকারিণী মা নিজেই স্যালাইন খান, ভাবেন এতেই হবে। শিশুকে আলাদা করে খাওয়ানোর দরকার নেই। এতে আসলে কোনোই লাভ হয় না। বাচ্চার ডায়রিয়া হলে তাকেই স্যালাইন দিতে হবে। শিশুর বয়স ৬ মাসের কম হলেও স্যালাইন খাওয়াতে বাধা নেই।
স্যালাইন কম মেশাতে হবে?
অনেকেরই বিশ্বাস, বাচ্চা ছোট বলে অল্প অল্প করে স্যালাইন বানাতে হবে অর্থাৎ স্যালাইনের প্যাকেট পুরোটা না মিশিয়ে সামান্য পাউডার নিয়ে অল্প পানি দিয়ে বানানো যাবে। আাসলে স্যালাইনের প্যাকেটে যে উপাদান আছে, তা কাজ করতে হলে পুরো আধা লিটার পানি দিয়েই দ্রবণ তৈরি করতে হবে। পানি কিংবা স্যালাইন কোনোটাই কম-বেশি করে মেশানো যাবে না। বরং অল্প পানিতে বেশি স্যালাইনের গুঁড়া দিলে কাজ তো হবেই না, বরং কিডনির সমস্যা হতে পারে।
ফিডারে ঢেলে খাওয়াবেন?
স্যালাইন তৈরি করে ফিডারে ঢেলে খাওয়ানো যাবে না। যত ছোট শিশুই হোক, বারবার পরিষ্কার চামচ দিয়ে খাওয়াতে হবে।
ঠান্ডা লাগলে স্যালাইন নিষেধ?
অনেকের ধারণা, ঠান্ডা লাগলে বাচ্চাকে স্যালাইন খাওয়ানো যাবে না কিংবা স্যালাইন খাওয়ালে বাচ্চার কাশি হবে। এটাও সত্য নয়। স্যালাইন খাওয়ালে বাচ্চার ঠান্ডা লাগার কোনো সম্ভাবনা নেই। কেউ কেউ ঠান্ডা লাগার ভয়ে গরম পানিতে স্যালাইন বানান। গরম পানিতে স্যালাইনের উপাদানগুলোর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
কী করবেন?
স্যালাইন বানানোর আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে ভুলবেন না। না খাওয়ানো স্যালাইন পরিষ্কার পাত্রে ঢেকে রাখবেন ও ১২ ঘণ্টা পর ফেলে দেবেন।

ডা. আবু সাঈদ
শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

22
Teaching & Research Forum / Re: Time Series Analysis
« on: April 20, 2017, 08:47:40 AM »
Thanks

23
Teaching & Research Forum / Re: About our ERP
« on: April 20, 2017, 08:47:21 AM »
Thanks

25
Nice

26
Teaching & Research Forum / Re: Regression Analysis
« on: April 20, 2017, 08:46:10 AM »
Thanks

29
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হাওরে অসময়ে ফসলডুবির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ২০০৮ সালে অকালবন্যা হয়েছিল, তাতে পাকা ফসল তলিয়েছিল। সেটা হয়েছিল এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে। এটাই যে উদাহরণ, তা কিন্তু নয়। প্রথম কথা হচ্ছে, হাওরাঞ্চলে ৭০ দশকের আগে এ রকম ব্যাপকভাবে বোরো ধান চাষ করা হতো না। বোরো চাষ শুরু হয়েছে ৭০-এর দশকে। কারণ ডুবন্ত বাঁধ, সেটার কাজ ছিল মে মাস পর্যন্ত পানিটাকে ঠেকাবে। তাহলে মে মাসের মাঝামাঝিতে ধান তুলে নেওয়া যাবে। তখন আমরা লক্ষ করেছি, বন্যা আসত এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখ থেকে মে মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে। এখন আমরা বলছি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এটা মার্চ মাসের মাঝামাঝিও শুরু হয়ে যেতে পারে। যেটা এ বছর হয়েছে।

ফসল রক্ষার জন্য হাওরে বাঁধ যেমন দরকার, তেমনি বাঁধ কেটে দিতেও হয়। ডুবন্ত বাঁধগুলো নভেম্বর মাসের মধ্যে কেটে দিতে হয়, কোন জায়গা কেটে দিতে হয়, গ্রামের লোক ও কৃষক জানেন। কাজেই গ্রামের লোককে একত্র করে উপকারভোগীকে দায়িত্ব দিতে হবে বাঁধ মেরামতের। যাঁর ঘর পুড়ছে, তিনিই তো সবচেয়ে বেশি বুঝছেন। তাই স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে কাজটি করতে হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের সময় নিয়ে ভাবা উচিত এবং এ কাজে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের একাত্ম করতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের মেরামতকাজ অবশ্যই প্রতিবছর মার্চের ১৫ তারিখের মধ্যে শেষ করতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কৈফিয়ত হচ্ছে, আমরা সময়মতো টাকা বরাদ্দ পাই না। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। কেন তারা জুলাই-আগস্ট মাসে পরবর্তী বছরের কাজের পরিকল্পনা করে না। সবচেয়ে বড় কথা, ইউনিয়ন পরিষদকে সঙ্গে রাখে না। এদের দায়িত্ব দিতে হবে। নির্বাচিত প্রতিনিধি হাওরের বাঁধ রক্ষায় ব্যর্থ হলে পরবর্তী নির্বাচনে তাঁরা জনগণের কাছে এর জবাবদিহি করবেন।

বলা হচ্ছে, ৩০ লাখ টন ধানের ক্ষতি হয়েছে। এই যে ক্ষতি হলো, এটা জাতীয় অর্থনীতির ওপর বিরাট বিরূপ প্রভাব ফেলবে। মূল কথা হচ্ছে, এ ঘটনা যে ঘটতে পারে, এটা আমাদের জানা আছে, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি। কিন্তু দায়িত্ব নিচ্ছিল না কেউ।

জলবায়ু পরিবর্তনে হাওরে ধান ফলানোর সময় নিয়েও ভাবতে হবে। হাওরের বাঁধ মেরামতের কাজটি আমরা আগে জানতাম মে মাসের মধ্যে করতে হবে। এখন আমরা বলছি মার্চ মাসে। হাওরে এখন শীতকালে কিছু কিছু জমিতে রবিশস্য হয়। রবির পর বোরো করলে বোরো পিছিয়ে যায়। হয় রবিশস্য বাদ দিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বোরো অথবা আগে রবিশস্য করে বোরো ধান ফলাতে হবে। আবার হাওরে সেই ধান লাগাতে হবে, যেগুলোর ফলনে সময় কম লাগে, সেই ধানের ব্যাপক প্রচলন করতে হবে।

আইনুন নিশাত: পানি ও নদী বিশেষজ্ঞ

30
সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ। ৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুই দিকে হাওর। চলতি পথে কাছ থেকে দেখার মধ্যে পড়ে যে হাওর, তার নাম ‘দেখার হাওর’। বৈশাখের এ সময় সড়কপথে যানবাহন চলত ধীরগতিতে। কারণ, সড়কলাগোয়া হাওর থেকে কাটা ধান মাড়াই, শুকানোর কাজ চলে সড়কে। পুরো বৈশাখ এ সড়ক দিয়ে পথ চলতে হতো পাকা ধানের গন্ধ মেখে। এবার ভরা বৈশাখে সড়কপথে নেই সেই দৃশ্য। পাকা ধানে বিস্তৃত থাকার কথা ছিল দেখার হাওর। এখন দেখার মধ্যে শুধু পানি আর পানি। যেন শান্ত এক সাগর।

গত ৩০ মার্চ থেকে অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে একের পর এক হাওরে পানি ঢুকে ফসল তলিয়ে যায়।
অতীতে চৈত্র মাসে এভাবে ফসলহানির ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়াবিদ ও পানিবিশেষজ্ঞরা এই আগাম ফসলহানির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন।

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার শ্যামরচর গ্রামের কৃষক অমর চাঁদ দাশ বললেন, ‘আমার বয়স ৭২। আমি তো দেখিইনি, আমার বাবার মুখেও এভাবে চৈত্র মাসে কাঁচা ধান হাওরের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কথা কখনো শুনিনি। হাওর এলাকার মানুষ ফসল ঘরে তোলার আগে চৈতের নিদান (অভাব) মোকাবিলা করত। এখন বৈশাখ মাসে পড়েছি নিদানের মুখে।’ ফসলডুবির পরবর্তী অবস্থা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তাঁর। জানালেন, তিন দিন ধরে হাওর-নদীর মাছ ভেসে উঠছে। কাঁচা ধান পানিতে তলিয়ে উৎকট গন্ধ ছড়াচ্ছে। মানুষ কী করে বাঁচবে!

শুধু কৃষক অমর চাঁদ দাশই নন, গত সোমবার সুনামগঞ্জের হাওর পরিদর্শন করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদও বলেছেন, হাওর এলাকায় অতীতে অসময়ে এভাবে কখনো ফসলহানির ঘটনা ঘটেনি। এবার কৃষকদের সর্বনাশ হয়ে গেছে।

‘হাওরকন্যা’ হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জকে বলা হয় বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলের রাজধানী। হাওরের ওপর নির্ভরশীল জেলার মানুষ। শুষ্ক মৌসুমে মাছ আর বর্ষার আগের বৈশাখে ফলে একমাত্র বোরো ধান। এই জেলায় এ বছর ২ লাখ ২৩ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল। প্রশাসন বলছে, ৮২ শতাংশ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কৃষকেরা বলছেন ৯০ শতাংশ। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ জাহেদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, হাওরে এবার ফসলহানি না ঘটলে ধান থেকে ৮ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হতো।

Pages: 1 [2] 3 4 ... 7