Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Mrs.Anjuara Khanom

Pages: [1] 2 3 ... 26
1
Hypertension / হাত কাঁপলে যা করবেন
« on: September 23, 2021, 12:13:27 PM »
অকারণে হাত কাঁপাকে বলা হয় ট্রেমর। এটি যেমন বিরক্তিকর, তেমনি এর জন্য লেখা বা জামার বোতাম লাগানোর মতো অনেক সহজ কাজও কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। হাতের মাংসপেশির অনিয়ন্ত্রিত কম্পনের ফলেই হাত কাঁপে।

হাত কেন কাঁপে

হাত কাঁপার অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে অন্যতম চারটি হলো— ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা, অ্যাসেনসিয়াল ট্রেমর এবং পারকিনসন’স রোগ

শ্বাসকষ্টের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ (সালবিউটামল, থিওফাইলিন) সেবনের কারণে হাত-পা কাঁপতে পারে। থাইরয়েড হরমোনের আধিক্য বা হাইপারথাইরয়েডিজম রোগে রোগীর হাত কাঁপে। তবে এ ক্ষেত্রে রোগীর অন্য কিছু উপসর্গও থাকে। যেমন: ওজন কমে যাওয়া, ডায়রিয়া, গরম লাগা বা ঘাম হওয়া, বুক ধড়ফড় ইত্যাদি। অ্যাসেনসিয়াল ট্রেমর একটি বংশগত রোগ, যেখানে হাত-পা কাঁপার সঙ্গে রোগীর মাথাও কাঁপে। পারকিনসন’স একধরনের স্নায়ুরোগ। এ রোগে রোগীর হাত কাঁপার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটাচলার গতিও ধীর হয়ে যায়, চলাফেরায় সমস্যা হয়।

হাত কাঁপা রোগের কারণ নির্ণয়ের জন্য রোগীর ইতিহাস ভালো করে জানতে হবে। প্রয়োজনে থাইরয়েড হরমোনের পরীক্ষা করা যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু স্নায়ুরোগ নির্ণয়ের জন্য মাথার এমআরআই পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।



চিকিৎসা

চিকিৎসার শুরুতেই হাঁত কাপার কারণ নির্ণয় করতে হবে। কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হাত কাঁপছে কি না, বের করতে হবে। সে ক্ষেত্রে সেই ওষুধ বন্ধ করলেই হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন ও ভালো ঘুম, হাত কাঁপার অন্যতম চিকিৎসা।

প্রোপ্রানলল–জাতীয় ওষুধ হাত-পা ও মাথা কাঁপার চিকিৎসায় কার্যকর। হরমোনের রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পারকিনসন’স রোগে সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে একজন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞর সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হাত কাঁপার সমস্যা চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেসব হাত-পা কাঁপা রোগী ওষুধে ভালো হয় না, তাদের জন্য বর্তমানে দেশেই ডিবিএস নামের একধরনের শল্যচিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। হরমোন বা স্নায়ুরোগের জন্য হাত কাঁপলে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


ডা. নাজমুল হক মুন্না, সহকারী অধ্যাপক, নিউরোলজি, মুগদা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

2
ওজন কমাতে কতজনই না কতকিছু করেন। নানা উপায় বাতলে রোগা হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ডায়েট-জিমের পাশাপাশি কিছু উপায় আছে যেগুলো অনুসরণ করলে ওজন কমানোর যাত্রা আরও ফলপ্রসূ হয়।

খুব দ্রুত ওজন কমাতে পান করতে পারেন ওয়েট লস নাইট ড্রিংস বা ওজন কমানোর রাতের পানীয়। ভেষজ উপাদান দিয়ে প্রস্তুতকৃত এসব পানীয় খেলে বিপাক হার বাড়বে ও ওজন কমবে জলদি। জেনে নিন তেমনই ৩টি ওয়েট লস ড্রিংসের সন্ধান-

আদা-লেবুর চা

রাতে খাওয়ার আধা ঘণ্টা পর আদা-লেবুর পানীয়টি পান করবেন। এই পানীয় অনিদ্রা কাটাতে বেশ কার্যকর। রাতে ঠিক মতো ঘুম না হলে দ্রুত ওজন বাড়ে। এই পানীয় বিপাক হার বাড়িয়ে তোলে। এ কারণে ওজন কমে খুব দ্রুত।

jagonews24

এই পানীয় তৈরি করতে প্রয়োজন আদার টুকরো ১ কুচি, লেবুর অর্ধেক রস ও গ্রিন টি আধা টেবিল চামচ একসঙ্গে পানিতে ফুটিয়ে নিন। তারপর ছেঁকে এই চা পান করুন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই চা পান করলে ওজন খুব দ্রুত কমতে শুরু করবে।

পুদিনার পানীয়

পুদিনা পাতার একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। পুদিনার তৈরি পানীয় লিভার পরিষ্কার করে ও বিপাক হার বাড়ায়। তাই ওজন কমানোর জন্য এই পানীয় হতে পারে সেরা বিকল্প।

jagonews24

এজন্য কয়েকটি পুদিনা পাতা এক গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর এই পানি ছেঁকে নিয়ে ঘুমানোর আধা ঘণ্টা আগে পান করলেই ৩-৪ সপ্তাহের মধ্যেই আপনি ফল পাবেন।

দারুচিনি-মধুর পানীয়

ওজন কমাতে দারুচিনির কার্যকারিতা অনেক। একইসঙ্গে মধুর স্বাস্থ্য উপকারিতাও কম নয়। এই দুই উপাদান ওজন কমাতে সহায়ক। দারুচিনির পানীয় ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে বিপাক হাড়ও বাড়ায়। ফলে দ্রুত ওজন কমতে শুরু করে।

jagonews24

এটি তৈরি করতে ২৫০ মিলিলিটার পানিতে ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। তারপর চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে মধু ২ টেবিল চামচ মিশিয়ে পান করুন। নিয়মিত ঘুমানোর আগে এই পানীয় খেলে কিছুদিনের মধ্যেই ফলাফল টের পাবেন।

সূত্র: হেলথশটস

3
মূলত কোনো ব্যক্তি তার অবস্থানস্থল থেকে ৪৮ মাইল তথা ৭৮ কিলোমিটার দূরে সফরের নিয়তে বের হয়ে নিজ শহর বা গ্রাম পেরিয়ে গেলেই শরিয়তের দৃষ্টিতে সে মুসাফির হয়ে যায়। (জাওয়াহিরুল ফিকহ: ১/৪৩৬)

মুসাফির ব্যক্তি চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ দুই রাকাত (কসর) পড়বেন। এই সংক্ষেপে আল্লাহপ্রদত্ত কল্যাণ রয়েছে।

কোরআনে বলা হয়েছে— ‘তোমরা যখন জমিনে সফর করবে, তখন তোমাদের জন্য নামাজের কসর করায় কোনো আপত্তি নেই। (সুরা নিসা, আয়াত: ১০১)

মুসাফিরের নামাজের নিয়ম

মুসাফির চার রাকাতবিশিষ্ট ফরজ নামাজ একাকী পড়লে বা মুসাফির ইমামের পেছনে আদায় করলে, কসর করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পূর্ণ নামাজ পড়া ঠিক নয়।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা তোমাদের নবীর মুখে নামাজকে মুকিম অবস্থায় চার রাকাত ও সফর অবস্থায় দুই রাকাত ফরজ করেছেন।’ (মুসলিম, হাদিস: ৬৮৭)

মুসাফির ব্যক্তি সফর অবস্থায় ইচ্ছাকৃত চার রাকাত নামাজ পূর্ণ করলে গুনাহ হবে (তবে মুকিম ইমামের পেছনে হলে অসুবিধা নেই)। এ ক্ষেত্রে নামাজ পুনরায় পড়বে।

আর যদি ভুলক্রমে চার রাকাত শুরু করে দেয় এবং প্রথম বৈঠক করে থাকে, তা হলে সিজদা সাহু করে নিলে ফরজ নামাজ আদায় হয়ে যাবে। আর যদি প্রথম বৈঠক না করে থাকে, তা হলে ফরজ আদায় হবে না, আবারও পড়তে হবে।(বাদায়েউস সানায়ে: ১/৯১)

মুকিম ইমামের পেছনে নামাজ

মুসাফির ব্যক্তি মুকিম ইমামের পেছনে ইকতিদা করলে সে ইমামের অনুসরণে পূর্ণ নামাজই আদায় করবে। (আল মাবসুত, সারাখসি : ১/২৪৩)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘মুসাফির যদি মুকিমদের সঙ্গে নামাজে শরিক হয়, তবে সে যেন তাদের মতো (চার রাকাত) নামাজ পড়ে।’ (ইবনে আবি শাইবা: ৩৮৪৯)

সফর অবস্থায় নামাজ কসর করা সম্পর্কে অনেক হাদিস রয়েছে। এসব হাদিস দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রমাণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) সফর অবস্থায় সর্বদা নামাজ কসর পড়েছেন। আর মাগরিব, বিতর ও ফজরের নামাজ পূর্ণই আদায় করতে হবে, এগুলোর কসর নেই।

সুন্নত পড়ার বিধান

মুসাফির ব্যক্তির জন্য চলন্ত অবস্থায় বা তাড়াহুড়া থাকলে ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্যান্য সুন্নাতে মুয়াক্কাদা না পড়ার সুযোগ রয়েছে। তবে স্বাভাবিক ও স্থির অবস্থায় সুন্নত নামাজ আদায় করবে। (ইলাউস্ সুনান: ৭/১৯১, রদ্দুল মুহতার : ১/৭৪২)

মূলত সফর অবস্থায় তাড়াহুড়া ও ব্যস্ততার সময় সুন্নত না পড়ার অবকাশ আছে। আর গন্তব্যে পৌঁছার পর সুন্নত নামাজ পড়া উত্তম। সুন্নত পড়লে পুরোটাই পড়বে। কেননা সুন্নত নামাজের কসর হয় না।

https://www.jugantor.com/islam-life/460213

4
পৃথিবী যতই এগিয়ে যাচ্ছে নানা রকম ফিতনা ততই দৃশ্যমান হচ্ছে। সামাজিক অস্থিরতা, বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণের সব সরঞ্জাম হাতের মুঠে থাকায় চারিত্রিক অবক্ষয়ও একদম তলানিতে। দিন যতই যাচ্ছে নানা সংকট যেন আরো বেশি ঘনীভূত হচ্ছে। এক হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) শেষ জামানায় ফিতনার ভয়াবহ বিস্তার সম্পর্কে সতর্ক করে বলেন, ‘শিগগিরই ফিতনা রাশি রাশি আসতে থাকবে। ওই সময় উপবিষ্ট ব্যক্তি দাঁড়ানো ব্যক্তির চেয়ে উত্তম (নিরাপদ), দাঁড়ানো ব্যক্তি ভ্রাম্যমাণ ব্যক্তি থেকে বেশি রক্ষিত। আর ভ্রাম্যমাণ ব্যক্তি ধাবমান ব্যক্তির চেয়ে বেশি বিপদমুক্ত। যে ব্যক্তি ফিতনার দিকে চোখ তুলে তাকাবে, ফিতনা তাকে গ্রাস করবে। তখন যদি কোনো ব্যক্তি তার দ্বিন রক্ষার জন্য কোনো ঠিকানা অথবা নিরাপদ আশ্রয় পায়, তাহলে সেখানে আশ্রয় গ্রহণ করাই উচিত হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৩৬০১)

এই হাদিসের ভাষ্য থেকে স্পষ্ট যে ফিতনা মানুষের জন্য এক বড় সংকট। তাই ফিতনা থেকে আত্মরক্ষা প্রতিটি মানুষের জন্য অপরিহার্য। নিম্নে ফিতনা থেকে আত্মরক্ষার কয়েকটি উপায় তুলে ধরা হলো—
তাকওয়াময় জীবনচর্চা

তাকওয়া বা আল্লাহভীতি মুমিনের অনিবার্য একটি গুণ। এই গুণ অর্জনের মাধ্যমে একজন মুমিন খুব সহজে ফিতনা থেকে বাঁচতে পারে। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাকওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাবেয়িদের যুগে একবার ফিতনা দেখা দিলে লোকজন তালক ইবনে হাবিবের কাছে এসে জানতে চাইলেন যে চারদিকে অনেক ফিতনার প্রকাশ ঘটেছে, আমরা কিভাবে এর থেকে নিরাপদে থাকব? জবাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার মাধ্যমে। তারা বলেন, আমাদের তাকওয়ার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দিন। তিনি ব্যাখ্যায় বলেন, ‘তাকওয়া হলো এমন আমল, যা আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশের জন্য আল্লাহর দেখানো পথে সওয়াব লাভের আশায় করা হয় এবং গুনাহ বর্জন করে আল্লাহর শাস্তির ভয় করা হয়।’ (আজ-জুহদু ওয়ার রাকাইক : ১/৪৭৩)
 
ভালো কাজে আত্মনিয়োগ

সৎকর্ম বা আমালুস সালেহ মুমিনের অন্যতম গুণ। এ কর্মের মাধ্যমেই একজন মুমিন ফিতনা থেকে বাঁচতে পারে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আঁধার রাতের মতো ফিতনা আসার আগেই তোমরা সৎ আমলের দিকে ধাবিত হও। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকেলে কাফির হয়ে যাবে। বিকেলে মুমিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে দ্বিন বিক্রি করে বসবে।’ (মুসলিম, হাদিস : ২১৩)

বিচ্ছিন্নতাবাদ পরিহার করা

একাকী বা বিচ্ছিন্নতাবাদ ইসলাম সমর্থন করে না। ইসলামের নির্দেশ হচ্ছে সমাজবদ্ধতা বা মুসলিমদের জামাত আঁকড়ে ধরা। হুজাইফা ইবনে ইয়ামান (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা মুসলিমদের জামাত ও ইমামের সঙ্গে আকঁড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তাদের কোনো জামাত বা ইমাম না থাকে? তিনি বলেন, ‘তাহলে সে সব বিচ্ছিন্নতাবাদ থেকে তুমি আলাদা থাকবে, যদিও তুমি একটি বৃক্ষমূল দাঁত দিয়ে আঁকড়ে থাকো এবং এ অবস্থায়ই মৃত্যু তোমার নাগাল পায়।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৬৭৮)

কোরআন ও সুন্নাহর বিধান আঁকড়ে ধরা

প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ ও যাবতীয় ফিতনা থেকে আত্মরক্ষার আরেকটি কার্যকরী উপায় হলো, ইসলামী শরিয়তের দুই উৎস কোরআন ও সুন্নাহর বিধানকে নিজেদের জীবনের জন্য অপরিহার্য করে নেওয়া। যারা ইসলামের এই দুই উৎসকে আঁকড়ে ধরবে তারা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। ইরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমি তোমাদের কাছে দুই বস্তু রেখে যাচ্ছি। তোমরা যতক্ষণ তা ধরে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পথভ্রষ্ট হবে না। তা হলো আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নত।’ (মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস : ১৬০৪)

ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়া

যেকোনো অকল্যাণ থেকে মুক্তির জন্য দোয়া মুমিনের অন্যতম হাতিয়ার। দোয়াকারীকে আল্লাহ ভালোবাসেন এবং না চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হন। তাই রাসুল (সা.) দুনিয়া ও আখিরাতের সব ফিতনা এবং কবর ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাতে এই দোয়া বেশি পাঠ করতেন।

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবিল কবরি, ওয়া মিন আজাবিন নারি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জালি।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে, জাহান্নামের শাস্তি থেকে, জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে এবং মাসিহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৩৭৭)

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখিরাতের সব ফিতনা থেকে নিরাপদ রাখুন।

বিডি-প্রতিদিন/

5

মানুষ ভালো-মন্দে পরিচালিত হয় অন্তরের মাধ্যমে। যার অন্তর যত বেশি শুদ্ধ ও সুস্থ, তার চালচলন, আমল-আখলাক তত বেশি উন্নত। মানুষ অন্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাপারে স্বাস্থ্যসচেতন থাকলেও অদৃশ্যমান এই অঙ্গের সুস্থতা ও শুদ্ধতার বিষয়ে খুব উদাসীন থাকে। অথচ পরকালে আল্লাহর কাছে সুস্থ অন্তরই প্রাধান্য পাবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘ওই দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না; কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে (সে এর ব্যতিক্রম)।’ (সুরা : শুআরা, আয়াত : ৮৮-৮৯)

অন্তরের শুদ্ধতা মানুষের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে গুনাহমুক্ত রাখে। অন্তর অসুস্থ হয়ে পড়লে মানুষ যেকোনো অপকর্মে জড়িয়ে যেতে দ্বিধাবোধ করে না।
নোমান ইবনে বশির (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘জেনে রেখো, শরীরের মধ্যে একটি গোশতের টুকরা আছে, তা যখন ঠিক হয়ে যায়, গোটা শরীর ঠিক হয়ে যায়। আর তা যখন ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে, গোটা শরীর ত্রুটিযুক্ত হয়ে যায়। জেনে রেখো, ওই গোশতের টুকরা হলো কলব (অন্তর)।’ (বুখারি, হাদিস : ৫২)

মানুষের অন্তরের শুদ্ধতা-অশুদ্ধতা নিয়ে আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বরা কোরআন-হাদিসের দৃষ্টিতে নানা উপায় ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই লেখায় অন্তর কলুষিত হয় এমন কয়েকটি বিষয় আলোচনা করা হলো—

অসৎ সঙ্গ

অসৎ লোকের প্রভাব মানুষের ইহকাল ও পরকাল ধ্বংস করে দেয়। এ কারণে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অসৎ লোকদের থেকে দূরে থাকতে বলেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আপনি দৃঢ়চিত্তে তাদের সঙ্গে থাকুন, যারা সকাল-সন্ধ্যা তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ডাকে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না। যার মনকে আমার স্মরণ থেকে অবচেতন করে দিয়েছি, যে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং যার কার্যকলাপ হচ্ছে সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।’ (সুরা : কাহাফ, আয়াত : ২৮)

বিলাসিতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা

বিলাসিতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও অতি ভোগে অন্তর আল্লাহভোলা হয়ে যায়। সীমাতিরিক্ত বিলাসী জীবন মুমিনের অন্তর কলুষিত করে দেয়। ইবাদতের আগ্রহ নষ্ট করে ফেলে। মানুষকে চরম হতাশাগ্রস্ত করে তোলে। তাই অন্তরের শুদ্ধতার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও বিলাসিতা দূর করে অল্পতে তুষ্ট থাকার মনোভাব লালন করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ইসলামের দিকে হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছে, যাকে প্রয়োজনমাফিক রিজিক প্রদান করা হয়েছে এবং যে তাতেই পরিতুষ্ট থাকে, সে-ই সফলকাম হয়েছে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১৩৮)


ভোজনবিলাস

স্বাস্থ্যের সুস্থতার জন্য পরিমিত খাবারের বিকল্প নেই। বেশি খাবার শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি অন্তরকেও অসুস্থ করে তোলে। ইবাদত-বন্দেগিতে আলস্য ও অমনোযোগিতা চলে আসে। তাই শারীরিক ও আত্মিক সুস্থতার জন্য খাবার গ্রহণে সতর্কতা জরুরি। তা ছাড়া যারা হরেক রকম বিলাসী খাবারে অভ্যস্ত হয়ে আমলবিমুখ থাকবে, তাদের নিকৃষ্ট লোক আখ্যা দেওয়া হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমার উম্মতের মধ্য থেকে এমন লোকদের আবির্ভাব ঘটবে, যারা খাবে রকমারি খাবার, পান করবে রকমারি পানীয়, পরিধান করবে রকমারি পোশাক এবং তারা আবোলতাবোল বকবে। এরাই হবে আমার উম্মতের নিকৃষ্টতম লোক।’ (সিললাতুল আহাদিসিস সহিহা, হাদিস : ৩৬৬৩)

তাই অন্তর ও দেহকে সুস্থ রাখতে অনিয়ন্ত্রিত, বিলাসী ও হারাম খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে।


মাত্রাতিরিক্ত ঘুম

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুম অন্যতম একটি নিয়ামত। তবে অসময় ও বেশি ঘুম শারীরিকভাবে যেমন ক্ষতি করে, অন্তরেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই ইবাদত-বন্দেগির ক্ষেত্রে বেশি ঘুম প্রতিবন্ধক হয়। তা ছাড়া বেশি ঘুমে পরোক্ষভাবে শয়তানকেও খুশি করা হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন শয়তান তার ঘাড়ের পশ্চাদাংশে তিনটি গিঁট দেয়। প্রতি গিঁটে সে এটা বলে চাপড়ায় যে তোমার সামনে আছে দীর্ঘ রাত। অতএব তুমি শুয়ে থাকো। অতঃপর সে যদি জাগ্রত হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে, একটি গিঁট খুলে যায়। অজু করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়। অতঃপর নামাজ আদায় করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়। তখন তার প্রভাত হয় উদ্যম ও আনন্দের। অন্যথায় সে প্রভাত করে অলস ও মনমরা হয়ে। (বুখারি, হাদিস : ১১৪২)

 
বেশি হাসাহাসি

পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে সৌজন্যমূলক হাসি সওয়াবের কাজ। কথাবার্তায়ও স্বাভাবিক হাসি দোষণীয় নয়। প্রিয় নবী (সা.) সর্বদা সবার সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতেন। কিন্তু বেশি হাসাহাসি করা, অট্টহাসি দৃষ্টিকটু ও নিন্দনীয়। তা ছাড়া এ অভ্যাস হৃদয়কে কঠিন ও নির্জীব করে দেয়। এ জন্য রাসুল (সা.) বেশি হাসতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা বেশি পরিমাণে হাসবে না। কেননা বেশি হাসি অন্তরকে মেরে ফেলে এবং মৃত্যুর কথা ভুলিয়ে দেয়।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩০৫)

তাই অন্তরকে স্বপ্রাণ ও শুদ্ধ রাখতে হলে বেশি হাসি থেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করার তাওফিক দান করুক।

বিডি-প্রতিদিন/

6
পৃথিবীর ১২১ মিলিয়ন মানুষ ক্রনিক বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশনে ভুগছে বলে জানা গেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষায় ৷ এ ডিপ্রেশন থেকে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ে৷

ডিপ্রেশন নিয়ে জার্মানির মনস্তাত্তিক ড. মোনিকা সাইস ভন হাইডেব্রান্ট বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি সঙ্গে বাড়ছে বেকারত্ব৷ ফলে পরিবারকে আগের মতো সাপোর্ট করতে পারছেন না তারা৷ এছাড়াও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে৷

তিনি বলেন, যারা মানসিক রোগের শিকার তারা সাধারণত নিজেদের একটি কাঁচের বাক্সের মধ্যে বন্দি হিসেবে মনে করেন৷ বাইরের এ সুন্দর জগত দেখতে পেলেও, কিছুতেই যেন তারা তার সঙ্গে নিজেদের মানাতে পারেন না৷ কোন কিছুই যেন তাদের মনে দাগ কাটতে পারে না৷ কোন কিছুতেই কোন উচ্ছ্বাস ও আনন্দ পায় না৷ এমনকি দুঃখও পায় না৷ কেমন যেন একটা আবেগহীন অবস্থা সেটা৷ বড় একা ও নিঃসঙ্গ হয়ে যায় তারা৷

এই আবেগহীন ব্যক্তিদের আবেগকে প্রভাবিত করতে মনস্তাত্তিক ড. হাইডেব্রান্ট বলেন, এর জন্য প্রথমেই আমরা তাদের মূল সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করে থাকি৷ বলি যে আপনি যদি সারাদিন বিছানাতে শুয়ে কাটান, তাহলে আপনাদের চিন্তা-ভাবনার মধ্যেও একটা নেতিবাচক দিক চলে আসবে৷ তাই আমরা তাদের ইতিবাচক কাজকর্মের জন্য বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য উৎসাহ দেই৷ তারা যদি সে কাজ করতে সক্ষম হয়, তবে তারা নিজেরাই বুঝতে শুরু করে যে এই পৃথিবী এতো ঘোলাটে, এতো কৃষ্ণবর্ণ নয়৷ আর এটা যদি করা যায়, তবে ধীরে ধীরে তারা চিন্তার সেই নেতিবাচক বৃত্ত থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে শুরু করে৷

এই নিঃসঙ্গতা তাদের বাধ্য করে নিজেকে সমাজ-সংসার, বন্ধু-বান্ধব থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে ও বাধ্য করে নিজ ক্ষতি সাধন করতে৷ আত্মহননের পথ বেঁচে নিতে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই সমীক্ষাটিতে দেখা যাচ্ছে যে, বছরে প্রায় দশ হাজার জার্মান বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার পথ৷ যাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন ডিপ্রেশনের শিকার৷

ডিপ্রেশনের রোগীদের মধ্যে পুরুষের চাইতে নারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি৷ শতকরা ২৮.৭ পুরুষ এবং ৩৯.৭ শতাংশ নারী ডিপ্রেশনে ভুগছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বীমা প্রতিষ্ঠান৷

এ বিষয়ে মনরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, পুরুষের তুলনায় মহিলারা ডিপ্রেশন সম্পর্কে একটু বেশি সচেতন৷ তাই পুরুষের তুলনায় মেয়েরাই বেশি আসে সাহায্যে নিতে।


বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

7
গরমের যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে কিংবা আরামের জন্য অনেকেই দীর্ঘক্ষণ এসি কক্ষে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কেউ কেউ আবার শুধুমাত্র শখ করে সারাক্ষণ এসি কক্ষে অবস্থান করাটাকে বেছে নেন।

কিন্তু সাবধান! কারণ বেশি সময় ধরে এসি রুমে থাকাটা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। এ থেকে নানা রকম দুরারোগ্য অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিশেষ করে মাইগ্রেনের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হতে পারে শিরদাঁড়ার সমস্যাও। সে সঙ্গে কনকনে ঠাণ্ডায় সর্দি-কাশির সমস্যা ও ফুসফুসে সংক্রমণের আশঙ্কাতো থাকছেই।  এমনকি 'ব্যাক পেইন' বা ‘স্লিপ ডিস্কে’র মতো সমস্যাও হতে পারে। তাই খুব বেশি সময় বাসায় বা অফিসে নিজের কক্ষে এসি ছেড়ে রাখা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ পরপরই এসি বন্ধ রাখুন।

 বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

8
Life Style / হানিমুন এলো কোথা থেকে?
« on: September 22, 2021, 12:43:11 PM »
সংক্ষিপ্ত অক্সফোর্ড অভিধান অনুযায়ী হানিমুন অর্থ হলো- বিয়ের প্রথম মাস।  তবে হানিমুনের বর্তমান অর্থ হচ্ছে- বাড়িতে বসতি স্থাপনের আগে, সদ্যবিবাহিত দম্পতির একসঙ্গে ছুটি কাটানো।

হানিমুন বা মধুচন্দ্রিমা নিয়ে সব নব্যবিবাহিতেরই আগ্রহ থাকে। বিয়ের পর চেনা জগৎ থেকে দূরে কোথাও কয়েকটা দিন কাটানোর আনন্দই আলাদা। দু’ জন মানুষের যৌথ জীবন-যাপনের শুরুর কটা দিন কাটে রোমান্টিকতায়।

কিন্তু হানিমুনের ধারণাটি কোথা থেকে এলো?

হানিমুন কথাটা এসেছে 'হানি ওয়াইন' থেকে। ওয়াইনের সঙ্গে মধু মিশিয়ে তৈরি এই হানি ওয়াইন ফুলসজ্জার রাতে নতুন জামাইকে উপহার হিসেবে দিতেন শ্বশুর! এই 'হানি ওয়াইন' ছিল বলবর্ধক, ঠাণ্ডায় গা গরম করার মহৌষধ। আর এভাবেই হানিমুনের উৎপত্তি।

আবার অন্য একটি ব্যাখ্যায় বলা হয়, বিয়ের পর টানা এক মাস একপাত্র করে মধু দিয়ে তৈরি মদ খেতে হতো নব দম্পতিকে। মধু দিয়ে তৈরি মদ খাওয়ার প্রথা সেই হুন রাজা অ্যাটিলার সময় থেকে চালু ছিল। যার থেকেই এসেছে হানিমুন শব্দটি।

অনেকে মনে করেন, মুন শব্দটির সঙ্গে ঋতুচক্রের যোগ রয়েছে। আর সাথে হানি জুড়ে দেওয়ার কারণ বিয়ের পর নব্যবিবাহিতদের মধ্যে অন্য রকম এক আনন্দ, ভালো লাগা কাজ করে। সেটাকে মধুর সঙ্গে মিলিয়েই এ নাম দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে হানিমুনকে মধুচন্দ্রিমাও বলা হয়। বাংলাদেশি দম্পতিরা বিয়ের পরই দ্রুত সময়ের মধ্যে কোনো না কোনো পর্যটন এলাকা থেকে ঘুরে আসেন। বিবাহিত জীবনের প্রথম দিকের স্মৃতি ধরে রাখতে।


বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

9
তাসাউফ বা আত্মশুদ্ধির মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি দ্বিনের ওপর চলতে সক্ষম হওয়া এবং সে গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য অর্জন করা, কোরআন ও হাদিসে যেগুলোকে ঈমানের অংশ বা ঈমানের পূর্ণতা লাভের শর্ত বলা হয়েছে। মূলত দ্বিনের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া এবং ঈমানের পূর্ণতা লাভ করা পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত দুটি বিষয়। মানুষের ঈমান পূর্ণতা পেলে সে দ্বিনের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। অথবা দ্বিনের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারলেই ঈমান পূর্ণতা লাভ করে। সুতরাং মুমিনের ঈমান ও ইসলামের পূর্ণতার সঙ্গে তাঁর আত্মিক ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নের গভীর সম্পর্ক আছে। এ জন্য হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যে আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসে, আল্লাহর জন্যই বিদ্বেষ পোষণ করে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই দান করে, আর আল্লাহর জন্যই কাউকে কোনো কিছু দেওয়া থেকে বিরত থাকে সে স্বীয় ঈমানকে পূর্ণ করল।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪৬৮১)

যেসব আমলে অন্তর পরিশুদ্ধ হয়
সাধক আলেমরা আত্মশুদ্ধি লাভের প্রথম সোপান হিসেবে কতিপয় গুণ ও বৈশিষ্ট্যের অনুশীলন করতে বলেন। নিম্নে তা তুলে ধরা হলো—

১. আল্লাহর ভালোবাসা : মহান আল্লাহর প্রতি নিখাঁদ ভালোবাসা অর্জন করা আত্মশুদ্ধির প্রধান লক্ষ্য। সালিকের (সাধক) প্রথম কাজ আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা বৃদ্ধির চেষ্টা করা। আল্লাহ বলেন, ‘যারা মুমিন, তারা আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৬৫)

২. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা : মুমিন আল্লাহর পর তার রাসুলকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। এমনকি তার নিজের চেয়ে নবীজি (সা.)-কে বেশি ভালোবাসে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তির ভেতর তিনটি গুণ থাকবে সে ঈমানের মিষ্ট লাভ করবে : ক. তার মধ্যে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ভালোবাসা অন্য সব কিছু থেকে বেশি হবে, খ. কোনো মানুষের সঙ্গে তার ভালোবাসা হলে সেটাও আল্লাহর জন্যই হবে, গ. ঈমান গ্রহণের পর কুফরের দিকে ফিরে যাওয়া তার জন্য এমন অপছন্দের ও কষ্টকর হবে যেমন আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়া অপছন্দের।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৯৪১)

৩. মানবীয় সম্পর্কও আল্লাহর জন্য রাখা : মুমিনের মানবীয় সম্পর্কগুলো হবে আল্লাহর জন্য। সে আল্লাহর জন্য মানুষকে ভালোবাসবে এবং তার প্রতি ক্ষুব্ধ হবে। যেমন উল্লিখিত হাদিসে বলা হয়েছে, ‘কোনো মানুষের সঙ্গে তার ভালোবাসা হলে সেটাও আল্লাহর জন্যই হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৯৪১)

৪. আল্লাহর জন্য অন্তর বিগলিত করা : আল্লাহর নামে মুমিনের হৃদয় বিগলিত হয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই মুমিন তারাই, যাদের সামনে আল্লাহকে স্মরণ করা হলে তাদের অন্তর কম্পিত হয়, আর যখন তাদের সামনে আল্লাহর আয়াতগুলো তিলাওয়াত করা হয়, তখন তাদের ঈমানের জ্যোতি বৃদ্ধি পায় এবং তারা তাদের প্রতিপালকের ওপর ভরসা রাখে।’ (সুরা আনফাল, আয়াত : ২)

৫. আল্লাহকে ভয় করা : আল্লাহর ভয় মুমিনকে সব পাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। সুতরাং আত্মশুদ্ধির জন্য আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করা আবশ্যক। ইরশাদ হয়েছে, ‘এতে (কোরআন) যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের শরীর রোমাঞ্চিত হয়, অতঃপর তাদের দেহমন বিনম্র হয়ে আল্লাহর স্মরণে ঝুঁকে পড়ে।’ (সুরা ঝুমার, আয়াত : ২৩)

৬. বেশি বেশি জিকির করা : জিকির মানবাত্মার রোগ-ব্যাধি দূর করে, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে। পবিত্র কোরআনে বেশি পরিমাণে আল্লাহর জিকির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে (সর্বাবস্থায়) আল্লাহর জিকির করে।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৯১)

৭. আল্লাহর ধ্যানে নিমগ্ন থাকা : সব কিছু ছেড়ে আল্লাহর স্মরণ ও ধ্যানে নিমগ্ন হওয়ার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার অন্যতম উপায়। ইরশাদ হয়েছে, ‘আপনি আপনার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করুন এবং একনিষ্ঠভাবে তাঁতে মগ্ন হোন।’ (সুরা মুজ্জাম্মিল, আয়াত : ৮)। সর্বোপরি মুমিন আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে, ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আপনার ভালোবাসা চাই, এমন আমল চাই, যা আমাকে আপনার কাছে পৌঁছে দেবে। হে আল্লাহ, আপনার ভালোবাসাকে আমার কাছে আমার নিজের থেকে, আমার পরিবার থেকে এবং সুমিষ্ট ঠাণ্ডা পানি থেকে প্রিয় করে দিন।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৯০)

বিডি-প্রতিদিন/

10
গুগলের ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ গুগল মিট নিয়ে এসেছে নতুন ফিচার। জানা গেছে, এখন থেকে গুগল মিটের ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যবহার করা যাবে ভিজুয়াল ইফেক্টস। গুগল মিটের নতুন সেটিংস প্যানেলের মাধ্যমে নতুন অ্যাপল ভিজুয়াল ইফেক্টস থাকবে আগের তিনটি ডটের মতো।

এটি খুললে দেখা যাবে দুটি ব্লার ইনটেনসিটি। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের স্ট্যাটিক, কাস্টম এবং অ্যানিমেটেড ব্যাকগ্রাউন্ড পাওয়া যাবে। কল করার আগে নিজের পছন্দ মতো ইফেক্টসের ভিজুয়াল সেট করে, সেটা দেখেও নেওয়া যাবে। গুগল মিটের এই ভিজুয়াল ইফেক্টসের ব্যবহারের ফলে ভিডিও কল আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

গুগল মিটে এতদিন নিজেদের পছন্দমতো ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নেওয়া যেত। নতুন এই ভিজুয়াল ইফেক্টসের মাধ্যমে এবার ব্যাকগ্রাউন্ডের দৃশ্য অস্পষ্ট করা যাবে। এর ফলে নিজেদের পছন্দমতো ইফেক্টসের ব্যবহার করে ব্যাকগ্রাউন্ডের দৃশ্য নিজেদের মতো করে বদলে দেওয়া যাবে।

jagonews24

নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সেটা অস্পষ্ট করা যাবে, নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সেখানে নানা ধরনের ইফেক্ট ব্যবহার করা যাবে, নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সেখানে নানা ধরনের কালারের ব্যবহার করা যাবে, বিভিন্ন ইফেক্টের মাধ্যমে যা আরও বৈচিত্রপূর্ণ হয়ে উঠবে। ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করে সেটা কল করার আগে দেখেও নেওয়া যাবে। এর ফলে ভিডিও কলের সময় তার মান আর বৈচিত্র দুটির বাড়বে।

গুগল মিটের ভিজুয়াল ইফেক্টসের নতুন এই ফিচার আগামী সপ্তাহ থেকেই ব্যবহার করা যাবে। এই নতুন ফিচার বিশেষ করে গুগল ওয়ার্কস্পেস কাস্টমার, জি সুট বেসিক এবং বিজনেস কাস্টমারদের জন্য। গুগল মিটের এই নতুন ফিচার তাদের কাজের ক্ষেত্রে, এক নতুন ও উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাবে।

এছাড়াও গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ভবিষ্যতে জিমেইলকে কেন্দ্রবিন্দু করেই তাদের সমস্ত অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাওয়া যাবে। যেমন, গুগল ডক, গুগল মিট, গুগল চ্যাট ইত্যাদি। শুধুমাত্র জিমেইল অ্যাপ ডাউনলোড করেই এই সমস্ত অ্যাপের সুবিধা পাওয়া যাবে।

এক্ষেত্রে আলাদা করে প্রত্যেকটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গুগল তাদের অ্যাপে নিয়ে আসছে নানা ধরনের বৈচিত্র। বর্তমানে জনপ্রিয় গুগল মিটের ব্যাকগ্রাউন্ডে ভিজুয়াল ইফেক্টসের ব্যবহারই তার প্রমাণ।


https://www.jagonews24.com/technology/article/700032

11
স্মার্টফোন এখন সবার প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী। প্রতিনিয়ত এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রিয় স্মার্টফোনটি (অ্যাড্রয়েড ফোন) হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়ে। ফোন হারানোর চেয়েও ফোনের ভেতর নানা প্রয়োজনীয় তথ্য ও ছবিও হারানোর বিষয়টা বেশ কষ্টকর।

শখের স্মার্টফোনটি হারিয়ে, চুরি বা ছিনতাই হলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কী করতে হবে। কিন্তু ফোন হারালে আপনার ফোনটিকে ট্র্যাক করতে পারবেন মানে খুঁজে বের করতে পারবেন।

এ জন্য প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে আপনাকে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইজ ম্যানেজার অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর এই ডিভাইজ ম্যানেজার অ্যাপটিকে যেকোনো একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইজে ইনস্টল করতে হবে।

এই অ্যাপই আপনার ফোন ট্র্যাক করতে সাহায্য করবে। সর্বোপরি আপনার ফোনে থাকা সমস্ত তথ্য মুছে ফেলতে সক্ষম হবেন। এবার ওয়েবপেজ ওপেন করুন।

এবার প্রথমে অ্যান্ডয়েড.কম-এ গিয়ে নিজের গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন ইন করুন। আপনার যদি একের বেশি মোবাইল ফোন থাকে, তা হলে স্ক্রিনের উপরের দিকের লস্ট ফোন অপশনে ক্লিক করুন। এ ক্ষেত্রে যদি আপনার হারানো ফোনে একের বেশি ইউজার প্রোফাইল থাকে, তা হলে মেন প্রোফাইলে যে গুগল অ্যাকাউন্ট আছে, সেটি দিয়ে সাইন-ইন করুন। এবার হারানো ফোনটিতে একটি নোটিফিকেশন যাবে।

এরপর আপনি ম্যাপে গিয়ে দেখতে পাবেন কোথায় রয়েছে ফোনটি। তবে লোকেশন একেবারে সঠিক নাও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে আশেপাশের এলাকার প্রতিই দিক নির্দেশ করবে অ্যাপটি। কাঙ্ক্ষিত লোকেশনে যদি আপনার ফোন না পাওয়া যায়, আপনি ফোনটির লাস্ট নোন লোকেশন দেখতে পাবেন। এবার অপশন অনুযায়ী কাজ করতে হবে আপনাকে।

যদি প্রয়োজন হয়, তা হলে অ্যানএবল লক অপশনে ক্লিক করুন এবং ডেটা ইরেজ করুন। একটি প্লে সাউন্ড অপশন রয়েছে। এখানে ক্লিক করলে আপনার হারানো ফোনটিতে ফুল ভলিউমে পাঁচ মিনিটের জন্য রিং বাজবে। এমনকী ফোনটি যদি সাইলেন্ট বা ভাইব্রেট মোডেও থাকে, তবুও এই রিংটোন বাজবে। পাবেন সোর্স ডিভাইস অপশন। এ ক্ষেত্রে কোনো পিন, পাসওয়ার্ড, প্যাটার্ন দিয়ে ফোনটি লক করে দিতে পারেন।

আগে থেকে যদি কোনো লক না থাকে, তা হলে নতুন লকও সেট করতে পারবেন আপনি। কারো কাছ থেকে ফোন ফেরত পেতে হলে এই লক স্ক্রিনে একটি মেসেজ বা ফোন নম্বর সংযুক্ত করতে পারবেন। তা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

এই অ্যাপের ইরেজ ডিভাইস অপশনের সাহায্যে আপনার ফোনে থাকা সমস্ত তথ্য পুরোপুরি ডিলিট হয়ে যেতে পারে। তবে মাথায় রাখবেন, এসডি কার্ডের কোনো তথ্য ডিলিট নাও হতে পারে।

https://www.jagonews24.com/technology/article/700294

12
সম্প্রতি বাজারে প্রো মডেল ও নন প্রো মডেলসহ চারটি মডেলের আইফোন ১৩ সিরিজ রিলিজ করেছে অ্যাপল। ব্যাটারি এবং কার্যকারিতার দিক দিয়ে পুরনো মডেলগুলোর চেয়ে উন্নতমানের এই ফোনটি আগের থেকে ৫০ ভাগ বেশি দ্রুত পারফর্ম করবে বলে দাবি অ্যাপেলের।

এছাড়াও আইফোন ১২'র সাথে নতুন আসা ফোনটির পার্থক্য নিয়ে ফোর্বস বলছে, আইফোন প্রো এবং প্রো ম্যাক্সের ক্যামেরা একইরকম দেখতে হলেও তাদের মধ্যে রয়েছে পার্থক্য। মূলত আইফোন ১৩ এর ক্যামেরাগুলো আইফোন ১২ এর তুলনায় বড়। নতুন এই আইফোনের সবগুলোতেই রয়েছে বড় বড় ক্যামেরা। যার মাধ্যমে আপনি পাবেন ছবি তোলার বিশেষ অভিজ্ঞতা।
নন প্রো মডেলের আইফোন ১৩ সিরিজের ফোন দুটি হলো আইফোন ১৩, আইফোন ১৩ মিনি। আর প্রো মডেলের ফোন দুটি হলো, আইফোন ১৩ প্রো এবং আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স।

আইফোন ১৩ ব্যবহারকারীরা যে নতুন ফিচারগুলো পাচ্ছেন:
নতুন ফোনে থাকা ম্যাক্রো ক্যামেরার মাধ্যমে অনেক কাছ থেকেও ছবি তোলা যাবে। অন্তত দুই সেন্টিমিটার কাছ থেকেও আপনি একটি অবজেক্টের ছবি তুলতে পারবেন। যা এর আগের আইফোনগুলোতেও সম্ভব ছিল না।

এবার প্রো ক্যামেরাগুলোতে থাকছে ননপ্রোর মতোই ফাংশন। এর আগে প্রো মডেলগুলোকে ননপ্রো থেকে আলাদা ফাংশন দেয়া হয়েছিল। তবে এবার আর তা হচ্ছে না। সুবিধা আলাদা হলেও ফাংশন থাকছে একই।

সিনেমাটিক কুকুর বান্ধব মুড থাকছে এবারের আইফোনে। কুকুর বা অন্য কোনো প্রাণী বা বস্তু নিয়ে ভিডিওতে পাওয়া যাবে ‘বোকেহ’ এফেক্ট।' এফেক্টটি মানুষের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। যা বেশ চমৎকার বলেই দাবি করছে আইফোন।

নতুন মেগাসেফ ওয়ালেটটি ‘ফাইন্ড মাই’ এর যুক্ত থাকবে। ফোনের সাথে কার্ড সংযুক্ত করে ব্যবহারকারীদের এই ফিচারটি দেবে বিশেষ সুবিধা। তবে নতুন মডেলগুলোতেও আপনি অনস্ক্রিন ব্যাটারি পার্সেন্টেজ দেখতে পাবেন না।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাপল পার্কে আইফোন ১৩'র রিলিজ অনুষ্ঠান ছিল। আইফোনের নতুন মডেলের জন্য যারা অপেক্ষা করছিলেন, তাদের জন্য চমক নিয়ে এলো ফোনটি।  পুরোনো সিরিজের ফোনগুলো থেকে কমপক্ষে আড়াই ঘণ্টা বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে আইফোন ১৩।

বাজারে মোট পাঁচটি রঙে পাওয়া যাবে আইফোন ১৩ গোলাপি, নীল, কালো (মিডনাইট), লাল (প্রোডাক্ট রেড) আর স্টারলেট। সম্প্রতি আইফোন ১৩র দাম নিয়ে ‘অ্যাপল হাব’ ব্লগের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, আইফোনের দাম হতে পারে ৭৯৯ আমেরিকান ডলার, আইফোন ১৩ প্রো'র দাম শুরু হয়েছে ৯৯৯ ডলার থেকে। আর আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের দাম পড়বে অন্তত ১ হাজার ৯৯ ডলার।

বিডি প্রতিদিন /

13
হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয়তার পেছনে অন্যতম কারণ মূলত খুদে‌ বার্তা বিনিময়ের মাধ্যম। কিন্তু অনেক সময় এমন ব্যস্ততা থাকে যে বার্তা টাইপ করা বা ভয়েস রেকর্ড করে পাঠানোর সময়টুকু পর্যন্ত থাকে না। তাড়াহুড়ার সময় এমন অনেক দরকারি মেসেজ চলে আসে যে, চাইলেও আপনি ভয়েস মেসেজ পাঠাতে পারেন না। আবার লেখার মতো সময় নেই। কিন্তু আপনার মেসেজই যদি কেউ টাইপ করে দেয় তাহলে কেমন হবে?

আপনার মূল্যবান কাজটি করে দিতে পারে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন দুই ক্ষেত্রেই পাওয়া যায় এই সুবিধা। এ জন্য আপনি নিজে শুধু মুখে মেসেজটি বলে দেবেন। আর তাই শুনে মেসেজটি লিখে পাঠিয়ে দেবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট।
কিন্তু মেসেজটি ঠিক লেখা হলো কি না, সেটা বুঝবেন কীভাবে? সেটা বোঝার উপয়টিও সহজই। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকেই বলুন লেখা হয়ে গেলে সেটা পড়ে শোনাতে। তারপর আপনি বিষয়টি ‘ওকে’ করলে, তবেই মেসেজ চলে যাবে।

যেভাবে পাঠাতে হবে মেসেজ
এ জন্য প্রথমে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপটি ইনস্টল করুন। ইনস্টল হয়ে গেলে অ্যাপটি খুলে বলুন, ‘হাই গুগল, সেন্ড আ হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ টু’ বলে সেই ব্যক্তির নাম বলুন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট এবার জানতে চাইবে মেসেজে কী লিখতে হবে। তখন আপনি তাকে পুরোটা বলুন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেটা টাইপ করে নেবে। টাইপ হয়ে গেলে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট মেসেজটি দেখাবে। মেসেজে কোনো সমস্যা না থাকলে আপনাকে বলতে হবে ‘ওকে সেন্ড ইট’। তখন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে পৌঁছে যাবে মেসেজটি।

বিডি প্রতিদিন/

14
মোবাইলের সকল ব্যক্তিগত আর অফিসিয়াল কার্যক্রম চলে অনলাইনে। খাদ্য ক্রয় থেকে অনলাইনে ক্লাশ,পরীক্ষা সবই হচ্ছে বাড়িতে বসে। ইন্টারনেট গতি বাড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর মোবাইলে থাকা ক্যাচে (Cache) ফাইল গুলিকে ক্লিয়ার বা ডিলিট করতে হবে।

মোবাইলে যদি অত্যাধিক ক্যাচে ফোল্ডার জমে যায়, তবে তা ফোনের কার্যক্রমকে বিঘ্নিত করবে।ফোনের অপারেশন স্লো করে দেয়। এছাড়াও মোবাইল ব্রাউজার-অপেরা মিনি, ফায়ারফক্স, গুগল ক্রমের মধ্যে জমে থাকা ক্যাচে পরিষ্কার করুন। এগুলো ফোনের নেট স্পিড স্লো করে দেয়। মোবাইল ব্রাউজারের ক্যাচে পরিষ্কার করতে এনড্রয়েট অ্যাসিসটেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।
মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর আরও পাঁচ উপায়:

১. মোবাইলের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলি আনইনস্টল করুন।

২. মোবাইলের স্টোরেজের অপ্রয়োজনীয় ডেটা ডিলিট করুন। স্টোরেজ বাড়ার সাথে সাথে আপনার ইন্টারনেটের স্পিডও বাড়বে।

৩. মোবাইলের 'ক্যাশড ডাটা' ক্লিয়ার করুন। কারণ এগুলি শুধু মোবাইলের জায়গাই নষ্ট করে না বরং আপনার মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপকেও স্লো করে দেয়।

৪. আপনার এসডি কার্ড এর দিকেও খেয়াল রাখুন। পারলে হাইস্পিড এসডি কার্ড ব্যবহার করুন। আপনি যদি স্লো এসডি কার্ড ব্যবহার করেন তাহলে তা আপনার মোবাইলের ডাউনলোড স্পিডকেও স্লো করে দেবে।

৫. মোবাইলের অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করতে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিতে পারেন। যা আপনার মোবাইলের স্পিডকে বাড়াবে।

বিডি প্রতিদিন /

15
এলাচ এমন একটি মসলা যা ঠাণ্ডা, গলাব্যথা-সহ নানান অসুখ দূর করতে সাহায্য করে। এলাচ উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। কালো এলাচ ঠাণ্ডা ও কফজনিত সমস্যা দূর করে। এর অ্যান্টিসেপ্টিক সমৃদ্ধ বীজ থেকে পাওয়া তেল যা গলাব্যথা সারাতে কার্যকর।

রান্নায় ব্যবহার করা ছাড়াও এলাচের কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এটি প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও অনেকে ব্যবহার করে থাকেন। চলুন জেনে নেই, এলাচের কিছু অবিশ্বাস্য উপকারিতার কথা।
পেটের সমস্যা দূর করে
এলাচ পেটের ফাঁপা অবস্থা হ্রাস করে, কারণ প্রাকৃতিকভাবেই এলাচ বায়ুনাশকারী হিসেবে কার্যকরী। এটি পরিপাকে সাহায্য করে এবং পিত্তরসের প্রবাহ বৃদ্ধি করে থাকে। দেহের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ দূর করতেও এলাচের বিকল্প পাওয়া কঠিন।
দুর্গন্ধ দূর করতে

মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে এলাচ কাজ করতে সক্ষম। এলাচ মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, ফলে মুখে দুর্গন্ধ থাকে না। তাই মুখে দুর্গন্ধ হলে একটি এলাচ চুষে খান। দেখবেন, দুর্গন্ধ একেবারে দূর হয়ে গেছে।

শ্বাস প্রশ্বাসজনিত সমস্যায়

এলাচ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারদর্শী। হুপিংকাশি, ফুসফুস সংক্রমণ, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যায় এলাচ খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

রক্ত জমাট বাধার সমস্যায়

এলাচে বিদ্যমান ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হ্রাস করে। মূলত দেহের বাড়তি ফ্লুইড বের করে এলাচ এই কাজটি করে থাকে। এছাড়া এলাচের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যা দূর করা। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব স্বাভাবিক থাকে।

কিডনির সমস্যা দূর করে

কিডনির সমস্যার দূর করতে এলাচ খুব ভালো কাজ করে। এলাচ মূত্রত্যাগের বিষয়টি উদ্দীপ্ত করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। কিডনিতে জমতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ইউরিয়া দূর করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত এলাচ গ্রহণ করলে বিভিন্ন ধরণের কিডনির সমস্যা, মূত্র থলির সমস্যা, কিডনি পাথর, নেফ্রাইটিস, মূত্র ত্যাগের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা করা ও ঘন ঘন মূত্র ত্যাগের সমস্যা নিরাময়ে কাজ করে।

বিডি-প্রতিদিন/

Pages: [1] 2 3 ... 26