Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Talukdar Rasel Mahmud

Pages: [1] 2 3 ... 5
Thanks for share it. The reasoning of Miranda v. Arizona case discourage any self incriminatory statement..

Law / Jurisdiction of Equity in Bangladesh
« on: May 11, 2015, 08:43:19 PM »
As we know that principles of equity were created by the hands of the chancellors of chancery court as compliment of natural justice. In England there was a separate court for the administration of equity. In India and Bangladesh there was never separate court for the administration of equity. But in the absence of specific law or usage in any matter, the court has to act according to principles of equity, justice and good conscience interpreted to mean only those rules of English equity which are applicable to India and Bangladeshi societies and circumstances.
Application of Equity in Muslim law:
-   In Mohammedan law the principles of equity are clearly noticeable. Imam abu Hanifa ,the founder of the Hanafi sect of Sunnis , expounded the principle that the rule of law based on analogy could be set aside at the  option of the judge on a liberal construction or judicial preference to meet the requirements of a particular case. The principles of Mohammedan law are known as Istihsan, or justice equity. With regard to the Mohammedan law their Lordships of the Privy Council in Hamira Bibi vs. Zubaida Bibi.

Equity in Hindu law:
-   It has been laid down that in case of a conflict between the rules of “smritis” either may be followed, as reasoning of the principles of equity. Yuktivichar shall decide the solutions. Jayaswal has also collected authorities to the same effect. He says ‘we may recall “kautilya’s provisions that in the dharma text is found opposed to judiciary reason the dharma text fails and the authority of reason prevails. Yajnavalkya says, where there is a conflict between two smritis texts reason (Equity) is there stronger. He limitis superiority of reason or Equity to a conflict between the sastras themselves.”

The specific Relief Act, 1877:
The doctrine of equity is admitted in Specific Relief Act, 1877. For example-
-   Discretion as to decreeing specific performance
-   Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler
-   Specific performance of a contract, etc.
Equity in the Trust Act 1882:
The rules contained in the Indian Trust Act 1882 are substantially the same which were administrated at that time by English court of Equity under the name of justice, equity, good conscience. For Example:
-   Liability for breach of trust
-   Wrongful purchase by trustee, etc.

Principles of equity in the Contract Act 1872:
-   There are certain equitable doctrines which have been important in the contract, and some of the important doctrine relating generally to the law of contract is doctrine of penalties and forfeitures, stipulation as to time in a contract, equitable relief on the ground of misrepresentation, fraud and undue influence.
Principles of Equity in the Transfer of property Act 1882:
The transfer of property Act has also included many doctrines of equity originated in the court of chancery in England. For Example:
-   Fraudulent transfer
-   Improvements made by bona fide holders under defective titles, etc.

Equity in the Civil Procedure Code:

-   Section-9 o C.P.C may be mentioned as an example of the application of the maxim “Equity will not suffer a wrong to be without remedy.
-   Section-43 of this code is also the example the maxim “Equality is Equity”. According to this section where assets are held by a court and more persons then one have (before the receipt of such assets) made application to court for the execution of decrees for the payment of money passed against the same judgment – debtor and have not obtained satisfaction thereof, the assets, after deducting the costs realization will be ratably distributed among all such persons.

Books / My book titled "Outlines of The Evidence Act"
« on: May 11, 2015, 03:32:52 PM »
This Book has been written to suit the special needs of the students. Special efforts have been made to keep the language easy and lucid for the betterment of understanding its core principles. The chapter-wise approach helps the readers to grasp the key concepts of this law. This book comfortably discusses all of the basic concepts and principles underpinning the rules of evidence.

ইভ টিজিং, স্টকিং (অসৎ উদ্দেশ্যে উত্ত্যক্ত) করাকে যৌন হয়রানি হিসেবে বিবেচনা করে আইনের অন্তর্ভুক্ত, প্রতি থানায় পৃথক সেল গঠন করে প্রতিবেদন পেশ এবং সাইবার ক্যাফে মনিটরিংসহ হাইকোর্ট সাত দফা নির্দেশ জারি করা আছে। জনস্বার্থে দায়ের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি যৌন হয়রানি বন্ধে সাত দফা নির্দেশনাসহ এই রায় প্রদান করেন হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি মো. ইমান আলী ও বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের বেঞ্চ।
আদালতের দেওয়া রায়ে বলা হয়, ইভ টিজিং শব্দটি অপরাধের মাত্রা হালকা করে দেয়, এর পরিবর্তে সর্বস্তরে যৌন হয়রানি শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এসএমএস, এমএমএস, ফোন ও ইমেইলের মাধ্যমে উত্ত্যক্ত করাও যৌনহয়রানির আওতায় আসবে। প্রতিটি থানায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি করে সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই সেল প্রতি মাসে জেলার পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে। 
এ ছাড়া রায়ে সাইবারক্যাফেগুলোকে নিবন্ধিত করার জন্য এবং ১৮ বছরের নিচে কাউকে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে যারা সাইবার সেন্টারে আসবে তাদের পরিচয়পত্র এবং তারা কতক্ষণ কোন সাইটে সার্চ করে সেটি পর্যবেক্ষণ করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া শিগগিরই সরকারকে ভিকটিম এবং উইটনেস প্রোটেকশন অ্যাক্ট করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এটি না হওয়া পর্যন্ত সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদকে আইন  হিসেবে গণ্য করতে হবে।
প্রস্তাবিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর সংশোধনীতে যৌন নির্যাতনের স্থান হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রকে সীমাবদ্ধ না রেখে সব সরকারি ও বেসরকারি স্থানকে আইনে অন্তর্ভুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রায়ে।
সব সাইবার ক্যাফের নিবন্ধন ও ব্যবহারকারীর পরিচয় সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। যৌন হয়রানির এসব বিষয় আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণলায়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যুব মন্ত্রণালয়ের অধীনে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে যুব সমাজকে যৌন হয়রানি থেকে বিরত রাখার ব্যবস্থা করতে বলা হয় রায়ে।
কিন্তু বিগত বছরে আদালতের সাত দফা নির্দেশনার এক দফাও বাস্তবায়ন করা হয়নি। এ ব্যাপারে রিটকারি আইনজীবী ফাহিমা নাসরিন মুন্নী এনটিভি অনলাইনকে বলেন, আদালত রায় দেওয়ায় পরও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় সারা দেশে রায়ের কোনো প্রভাব নেই। অপরাধগুলো আগের মতোই ঘটে চলছে। তিনি বলেন, এটি সত্যি দুঃখজনক।
রায় বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘রায়ের পর আমাদের মন্ত্রণালয় সব প্রক্রিয়া শেষ করে বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়েছে। তারা এটির বাস্তবায়ন নিয়ে কী করেছে তা আমার জানা নেই।’
সারা দেশে যৌন হয়রানি রোধে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে জনস্বার্থে অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নী ২০১০ সালের ২ নভেম্বর একটি রিট দায়ের করেন। দীর্ঘদিন শুনানির পর আদালত কয়েক দফা নির্দেশনাসহ রায় প্রদান করেন।
এর আগে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট কর্মস্থল এবং শিক্ষাঙ্গনে নারী ও শিশুদের যৌনহয়রানি প্রতিরোধের জন্য দিকনির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী।
এ রিট আবেদনের শুনানি শেষে ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট একটি রায় দেন। এ রায়ে বিভিন্নভাবে যৌন নিপীড়নকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যৌন নিপীড়নের সংজ্ঞায় হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, শারীরিক ও মানসিক যেকোনো ধরনের নির্যাতনই যৌন হয়রানির মধ্যে পড়ে। ইমেইল, এসএমএস, টেলিফোনে বিড়ম্বনা, পর্নগ্রাফি, যেকোনো ধরনের চিত্র, অশালীন উক্তিসহ কাউকে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে সুন্দরী বলাও যৌন হয়রানির পর্যায়ে পড়ে। শুধু কর্মস্থল কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এ ধরনের হয়রানি ঘটে না, রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের অশালীন উক্তি, কটূক্তি করা, কারো দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকানো প্রভৃতি যৌন হয়রানি হিসেবে গণ্য করা হবে। রায়ে বলা হয়, কোনো নারীকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন, যেকোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক স্থাপন, অশালীন চিত্র দেয়াল লিখন, আপত্তিকর কিছু করাও যৌনহয়রানির মধ্যে পড়ে। হাইকোর্টের এ নির্দেশে উল্লেখিত আচরণগুলো সবই দণ্ডবিধির ২৯৪, ৩৫৪ও ৫০৯ ধারায় বর্ণিত আছে। ইভ টিজিং আর যৌন হয়রানি একই অপরাধের আওতায় বিচার হতে বাধা নেই হাইকোর্টের রায়ে। তবে রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় নারীরা যৌনহয়রানির শিকার হচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। গত পয়লা বৈশাখ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় একাধিক নারী ইভ টিজিংয়ের শিকার হন।

লেখকঃ জাকের হোসেন

Law / Re: What is unfair competition?
« on: May 08, 2015, 11:50:44 AM »
ঠিকই বলেছেন আরিফ ভাই। শুধুমাত্র লাইফবয়ই পারে জীবানু থেকে ১০০% সুরক্ষা দিতে" এ ধরনের বক্তব্য  আমাদের বিভ্রান্ত করে।

Law / Re: Agony of Teaching and Learning Law in Bangladesh
« on: May 08, 2015, 11:43:18 AM »
A good piece of write up by Rokeya Chowdhury.However, thanks for sharing.

বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও বেড়েছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। বেড়েছে যৌন হয়রানি, ধর্ষণসহ, অপহরণের ঘটনা। এগুলোর মধ্যে কিছু ঘটনা প্রকাশিত হলেও বেশির ভাগ ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায় লোকলজ্জার কারণে। এসব ঘটনায় নির্যাতিতদের আইনি সুবিধার্থে ২০০০ সালে সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন তৈরি করে। সে আইনকে ২০১৩ সালে সংশোধন করে আরো কঠোর করা হয়। আইনি প্রতিকার চাইলে সে জন্য কোথায় যেতে হবে, কার কাছে যেতে হবে সে সম্পর্কে কিছু জানে না। তাই কীভাবে আইনি সুবিধা পাবেন তা বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
যেসব অপরাধ নারী ও শিশু নির্যাতনের অন্তর্ভুক্ত 
বাংলাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০১৩ অনুযায়ী যেসব অপরাধ এ আইনের অন্তর্ভুক্ত তা হলো- দহনকারী বা ক্ষয়কারী, নারী পাচার, শিশু পাচার, নারী ও শিশু অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, যৌন নিপীড়ন, যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি, ধর্ষণের ফলে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান।
থানায় মামলা দায়ের
উল্লিখিত যে কোনো ঘটনার শিকার হলে আপনার পার্শ্ববর্তী থানায় গিয়ে বিষয়টি জানান। বিষয়টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাহার হিসেবে গণ্য করলে তিনি ঘটনাটি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী ফরমে লিপিবদ্ধ করবেন। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন হাকিম আদালতে প্রেরণ করবেন। এখতিয়ারাধীন হাকিম তা গ্রহণ করলে ওই মামলার আসামিদের আদালতের সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য একটি তারিখ ধার্য করবেন। এবং পরবর্তী সময়ে মামলাটি বিচারের জন্য উপযুক্ত আদালত তথা নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠাবেন। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি বিচারের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করলে সেই তারিখে মামলাটির বাদী ও অভিযুক্তকে আদালতের সামনে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে হবে এবং মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলতে থাকবে।
আদালতে মামলা 
কোনো কারণে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) যদি অভিযোগটি গ্রহণে অসম্মতি প্রকাশ করেন, তাহলে থানায় কারণ উল্লেখ করে মামলাটি গ্রহণ করা হয়নি মর্মে আবেদনপত্র সঙ্গে নিয়ে সরাসরি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে মামলাকারী ব্যক্তি প্রথমে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমনে নিযুক্ত নারী ও শিশু পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি নারী ও শিশু) কাছে প্রত্যয়ন ও সত্যায়িত করে মামলা করতে হবে। এ ছাড়া আবেদনটি বিচারকের সামনে হাজির করার সময় অভিযুক্তকে আদালতে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দী দিয়ে মামলা করতে হবে। আদালত অভিযুক্তের জবানবন্দি শোনার পর মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
সরকারি আইনজীবী
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় বাদী নিজস্ব কোনো আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন নেই। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারা অনুযায়ী তিনি সরকারের পক্ষ থেকে আইনজীবী পাবেন। তিনি মামলার সব তত্ত্বাবধান করবেন। যদি বাদী নিজে আইনজীবী নিয়োগ দিতে চান তাহলে সেই আইনজীবী সরকারি আইনজীবীর অধীনে কাজ করবেন। সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া আইনজীবীকে কোনো খরচ দিতে হবে না।
বিচার প্রক্রিয়া 
দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। এই আইনে ট্রাইব্যুনাল রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার  পরিচালনাও করতে পারেন। কোনো ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বা স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করলে বিচারক শুধু মামলার দুই পক্ষকে এবং তাদের নিয়োজিত আইনজীবীদের নিয়ে বিচার পরিচালনা করতে পারেন। তা না করলে বিধান মোতাবেক বিচার পরিচালিত হবে।
বিচারের মেয়াদ 
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধিত আইন ২০১৩ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করবেন। ট্রাইব্যুনাল যদি ১৮০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়,  তাহলে তার কারণসংবলিত একটি প্রতিবেদন ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করবেন। যার একটি অনুলিপি সরকারকেও দিতে হবে। তা ছাড়া এ ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে কারণ উল্লখপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করবেন। এ রকম দাখিলকৃত প্রতিবেদনগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই আইন অনুযায়ী পুলিশ যদি অভিযোগ গ্রহণ না করে সে ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল সরাসরি বিচারের জন্য অভিযোগ নিতে পারেন। এই বিধানটি যদি বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়, তবে জনগণের অভিযোগ করা অনেক সহজ হবে।
নিরাপত্তামূলক হেফাজত
এই আইনের অধীন বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করেন কোনো নারী বা শিশুকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন, তাহলে ট্রাইব্যুনাল ওই নারী বা শিশুকে কারাগারের বাইরেও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে বা যথাযথ অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিতে পারেন। বিচার চলাকালে যদি অপরাধী মহল নির্যাতিত নারী বা শিশুকে আবার কোনো ধরনের আঘাত করে বা করতে চায়, তা থেকে রক্ষার জন্য এই বিধান। তা ছাড়া অভিযুক্তকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্যও হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিতে পারে ট্রাইব্যুনাল। তবে কোনো নারী বা শিশুকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ওই নারী বা শিশুর মতামত গ্রহণ ও বিবেচনা করবেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তদন্ত শেষ করবে। আর অপরাধী ধরা না পড়লে তদন্তের নির্দেশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে তার কারণ ব্যাখ্যা করে সময় শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে জানাতে হবে। ট্রাইব্যুনাল ইচ্ছে করলে অন্য কর্মকর্তার ওপর তদন্তভার অর্পণের আদেশ দিতে পারেন। এই আদেশ দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।
আগাম জামিনের পথ বন্ধ 
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনটি একটি বিশেষ আইন। এ মামলায় হাইকোর্টকে আগাম জামিন দেওয়ার এখতিয়ার দেওয়া হয়নি। বিশেষ আইনে জামিনের ক্ষেত্রে সাধারণত ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১৯(২)(৩) ও (৪) উপধারায় জামিনের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোনো বিধান ১৯ ধারায় প্রযোজ্য হয়নি। যদিও সামাজিক বাস্তবতার বিষয় চিন্তা করে কয়েক বছর ধরে হাইকোর্ট এ ধরনের মামলায় আগাম জামিন দিচ্ছেন।
বাংলাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ সংশোধিত ২০১৩ অনুযায়ী এসব অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে অর্থদণ্ডের বিধান।
প্রতিকারের জন্য যারা সহযোগিতা করবে   
আপনি যদি মামলা করতে অসমর্থ হন বা কোনো হুমকির সম্মুখীন হন, তাহলে কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন রয়েছে যারা আপনাকে সহযোগিতা করবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড (ব্লাস্ট), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল প্রভৃতি।
লেখকঃ জাকের হোসেন

See more at:

« on: April 21, 2015, 02:50:34 PM »
Are we forgetting to be ashamed?
The day was started with a tentative breeze of hope that darkness of the old will be dispelled by the sun-ray of dawn of the Pahela Baishakh. The first day of Bangla New Year reminds us a culture of tolerance, respect and unity. Unfortunately this year the joyous celebration of this day was tainted by incidents of sexual assault on women in Dhaka University area.
This incident not only demeans the attached cultural significance of the day but also portrays the traditional unhealthy attitude of men towards women. It is not a mere incident of sexual assault rather it generates a sense of fear, sense of vulnerability, sense of dependency, sense of alienation, sense of insecurity, out of which a dignified life of  women is constantly compromised.
The vulnerability of women in our context accelerates when the wrongdoers got impunity with the help or negligence of law enforcement authorities. Low conviction rate in our criminal justice system tarnishes the image of judiciary. As a result people are losing confidence over judiciary with each passing day. When offences go unpunished it not only encourages the wrongdoers to repeat the crime but also accelerates the agony of the victims.  'Justice would cease to be justice' if we fail to inflict the deserving punishment on the wrongdoers. If the failure of imposition of punishment on the perpetrators continues then it is obvious that injustice will be the best alternative form of justice in the context of Bangladesh.
It is evident that the laws and complaint procedures in Bangladesh are failing to serve justice to the victims of sexual assault.  It is necessary to avail the benefits of individual complaint mechanism that is described under the Optional Protocol of the Convention on the Elimination of All forms of Discrimination against Women (CEDAW).
CEDAW's Optional Protocol establishes procedures for individual complaints on alleged violations of the Convention by State Parties, as well as inquiry procedures that allows the Committee to conduct inquires into serious and systematic abuses of women's human rights. So far the Protocol has been ratified by 71 Sates. But unfortunately Bangladesh is yet to ratify the Protocol. The incumbent government should immediately ratify the protocol and take necessary steps to avail the opportunity.
In addition, time has come to modify the indicators of discrimination and change the unhealthy attitude of men in compliance with Article 5 of the CEDAW. Article 5 elaborates on this duty by explaining that Sate Parties agree to modify the social and cultural pattern of conduct of men and women, with a view to achieving the elimination of prejudices and customary and all other practices which are based on the idea of the inferiority or the superiority of the either of the sexes or on stereotyped roles for men and women.
We are discussing a lot about laws to combat sexual harassment, their implementation crisis, inefficiency of law enforcing agencies and ending up with no results. Is it because our conscience is not working? Is it because our cognitive faculties of brain have been impaired? Is it because we have forgotten to be ashamed of doing wrongs?
Few days ago, Mohammad Badrul Ahsan, an opinion writer of the Daily Star wrote that Conscience has two components: Shame and Guilt. While the Shame reflects how we feel about ourselves and the guilt involves the awareness that our actions have injured someone else. These two emotions more or less cover the entire moral spectrum. He who doesn't feel ashamed does not feel guilty, equally true the other way around.
The most shameful shame of our time is that we have forgotten to be ashamed of doing wrongs.
Author: Mohammad Golam Sarwar ,Lecturer, Faculty of Law, Eastern University.


ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
( ২০১৫ সনের ৫ নং আইন )

ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ হিসাবে উহার অপব্যবহার রোধ করিবার উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু ফরমালিন জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর একটি রাসায়নিক পদার্থ; এবং

যেহেতু খাদ্য দ্রব্যের সংরক্ষণ, পচনরোধ বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে অননুমোদিত, মাত্রাতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ফরমালিন ব্যবহার অনিরাময়যোগ্য রোগ ব্যাধির সৃষ্টি করিতেছে; এবং
যেহেতু ফরমালিনের উক্তরূপ ব্যবহারের ফলে সামগ্রিকভাবে জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হইতেছে; এবং

যেহেতু ফরমালিনের উক্তরূপ অপব্যবহার রোধ করা প্রয়োজন; এবং

যেহেতু জনস্বাস্থ্য রক্ষার প্রয়োজনে ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিকর পদার্থ হিসাবে উহার অপব্যবহার রোধ করিবার উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
প্রথম অধ্যায়
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন       ১। (১) এই আইন ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে।

(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।   
সংজ্ঞা       ২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-

(১) ‘‘অপরাধ’’ অর্থ এই আইনের অধীন দণ্ডযোগ্য অপরাধ;

(২) ‘‘ফরমালিন’’ অর্থ ফরমালিন, ফরমালডিহাইড, প্যারাফরমালডিহাইড ও উহার যে কোন মাত্রার দ্রবণ, এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমালিন উৎপন্নকারী অন্য কোন পদার্থ;

(৩) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(৪) ‘‘ব্যক্তি’’ অর্থে কোন ব্যক্তি, কোম্পানী, সমিতি, অংশিদারি কারবার, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা উহাদের প্রতিনিধিও অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(৫) ‘‘লাইসেন্স’’ অর্থ ধারা ৫ এর অধীন প্রদত্ত লাইসেন্স;

(৬) ‘‘লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ’’ অর্থ ধারা ৫(১) এ বর্ণিত কর্তৃপক্ষ;

(৭) ‘‘স্থান’’ অর্থে যে কোন বাড়ী-ঘর, স্থাপনা, যানবাহন, স্থিতাবস্থায় বা চলমান যেভাবেই থাকুক না কেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বিমান বন্দর, সামুদ্রিক বন্দর, স্থল বন্দর, নদী বন্দর, ডাকঘর বা বহিরাগমন চেকপোস্টও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।   
আইনের প্রাধান্য       ৩। আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাইবে।   
      দ্বিতীয় অধ্যায়
লাইসেন্স, ইত্যাদি   
ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, ইত্যাদি ক্ষেত্রে লাইসেন্সের অপরিহার্যতা       ৪। কোন ব্যক্তি লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার করিতে বা দখলে রাখিতে পারিবেন না।   
লাইসেন্স, লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ, ইত্যাদি       ৫। (১) লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ হইবে,-

(ক) ফরমালিন আমদানি ও উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সরকার;

(খ) ফরমালিনের পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক।

(২) এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, লাইসেন্স প্রদান ও তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত বিষয়ে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের যাবতীয় কার্যক্রম বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হইবে।

(৩) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন লাইসেন্স পাইবার বা নবায়নের যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি লাইসেন্সের কোন শর্ত বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শর্ত ভঙ্গ করেন এবং তজ্জন্য তাহার উক্ত লাইসেন্স বাতিল হইয়া থাকে।

(৪) কোন ব্যক্তি তাহাকে প্রদত্ত লাইসেন্সের কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে বা এই আইন বা অন্য কোন আইনের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইলে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ, তাহাকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করিয়া, তাহার লাইসেন্স বাতিল করিতে পারিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশের দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুদ্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে,-

(ক) আদেশটি সরকার কর্তৃক প্রদত্ত হইলে উহা সরকারের পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন দাখিল;

(খ) আদেশটি জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত হইলে সরকারের নিকট আপিল, করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে, এবং উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(৭) কোন লাইসেন্সী কর্তৃক লাইসেন্সের কোন শর্ত লঙ্ঘন করা হইলে, লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ, লিখিত আদেশ দ্বারা, এই আইনের অধীন অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণসহ লাইসেন্সটি সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে পারিবে।   
হিসাব বহি, রেজিস্টার, ইত্যাদি সংরক্ষণ ও মাসিক প্রতিবেদন দাখিল       ৬। (১) প্রত্যেক লাইসেন্সী ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয়, ব্যবহার ও দখলে রাখা সংক্রান্ত হিসাব, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সংরক্ষণ করিবেন, এবং তদ্‌সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রতি মাসে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন।

(২) প্রত্যেক লাইসেন্সী উপ-ধারা (১) এর অধীন সংরক্ষিত হিসাব লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মনোনীত কর্মকর্তাকে, তাৎক্ষণিকভাবে, দেখাইতে বাধ্য থাকিবেন।   
প্রবেশ, ইত্যাদি ক্ষমতা       ৭। লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ বা উহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা, এই আইন এবং বিধির বিধান সাপেক্ষে,-

(ক) ফরমালিন প্রস্তুত বা গুদামজাত করা হইয়াছে বা হইতেছে এইরূপ যে কোন স্থানে যে কোন সময় প্রবেশ ও উহা পরিদর্শন করিতে পারিবেন;

(খ) ফরমালিন ক্রয় ও বিক্রয়ের সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দোকানে উহা খোলা রাখিবার সাধারণ সময়ে প্রবেশ ও উহা পরিদর্শন করিতে পারিবেন; এবং

(গ) দফা (ক) ও (খ) তে উল্লিখিত স্থান বা দোকানে-

(অ) রক্ষিত হিসাব বই, রেজিস্টার ও অন্যান্য নথিপত্র পরীক্ষা করিতে পারিবেন;

(আ) প্রাপ্ত ফরমালিন এবং ফরমালিন জাতীয় পদার্থ প্রস্তুতের সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও উপাদান পরীক্ষা, ওজন ও পরিমাণ নির্ধারণ করিতে পারিবেন; এবং

(ই) রক্ষিত হিসাব বই, রেজিস্টার ও অন্যান্য নথিপত্র, ব্যবহৃত পরিমাপ যন্ত্র বা পরীক্ষা যন্ত্র পরীক্ষান্তে ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গেলে বা প্রাপ্ত ফরমালিন এবং ফরমালিন জাতীয় পদার্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণের অধিক পাওয়া গেলে উহা আটক করিতে পারিবেন।   
ফরমালিন বিক্রয়ের দোকান, ইত্যাদি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করিবার ক্ষমতা       ৮। (১) লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন ফরমালিন বিক্রয়ের দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ফরমালিন পরিবহনকারী কোন যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি, অনধিক ১৫ (পনের) দিনের জন্য, উক্ত দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা যান চলাচল বন্ধ রাখিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ লিখিত হইতে হইবে, এবং উহাতে উক্তরূপ আদেশ প্রদানের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করিতে হইবে।   
তৃতীয় অধ্যায়
ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ কমিটি, ইত্যাদি   
ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ কমিটি, ইত্যাদি       ৯।(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রত্যেক জেলায় ও উপজেলায় ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ কমিটি নামে একটি করিয়া কমিটি থাকিবে।

(২) জেলা ও উপজেলা ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ কমিটির গঠন, দায়িত্ব ও কর্তব্য, সভা এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।   
চতুর্থ অধ্যায়
তদন্ত, তল্লাশী, আটক, বাজেয়াপ্তকরণ, ইত্যাদি   
তদন্তের ক্ষমতা       ১০। (১) সরকার, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, জেলা প্রশাসক বা তাহার অধস্তন কোন কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে এই আইনের অধীন অপরাধ তদন্তের জন্য ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুরূপ ক্ষমতা থাকিবে।   
পরোয়ানা জারী, ইত্যাদির ক্ষমতা       ১১। (১) এই আইনের অধীন সরকারের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার যদি এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে,-

(ক) কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করিয়াছেন, বা

(খ) এই আইনের অধীন অপরাধ সংক্রান্ত কোন বস্তু বা উহা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কোন দলিল-দস্তাবেজ বা কোন প্রকার জিনিসপত্র কোন স্থানে বা ব্যক্তির নিকট রক্ষিত আছে,

তাহা হইলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিবার জন্য বা উক্ত স্থানে যে কোন সময় তল্লাশীর জন্য পরোয়ানা জারী করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন জারীকৃত কোন পরোয়ানা যে থানায় পাঠানো হইবে সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উহা কার্যকর করিবেন।   
পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশী, ইত্যাদির ক্ষমতা       ১২। (১) সরকারের নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা বা পুলিশ পরিদর্শক বা তদুর্ধ্ব কোন কর্মকর্তার যদি এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোন স্থানে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে বা হইতেছে বা হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি যে কোন সময়-

(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশী করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;

(খ) উক্ত স্থান তল্লাশীকালে প্রাপ্ত অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য ফরমালিন বা অন্যান্য দ্রব্যাদি, এই আইনের অধীন আটক বা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু, এবং অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোন দলিল-দস্তাবেজ বা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করিতে পারিবেন;

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোন ব্যক্তিকে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করিয়াছেন বা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোন স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশী পরিচালনা না করিলে অপরাধের সহিত সম্পৃক্ত কোন বস্তু নষ্ট বা লুপ্ত হইবার বা অপরাধী পালাইয়া যাইবার সম্ভাবনা আছে বলিয়া ধারা ১০ এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার বিশ্বাস করিবার সঙ্গত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশী করিতে পারিবেন।   
আটক, ইত্যাদি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিতকরণ       ১৩। এই আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইলে বা কোন বস্তু আটক করা হইলে, গ্রেফতারকারী বা আটককারী কর্মকর্তাকে তৎসম্পর্কে লিখিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে তাহার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবিলম্বে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট এলাকার লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।   
প্রকাশ্য স্থান বা যানবাহনে আটক বা গ্রেফতারের ক্ষমতা       ১৪। যদি ধারা ১০ এর অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোন প্রকাশ্য স্থানে বা কোন চলমান যানবাহনে-

(ক) বাজেয়াপ্তযোগ্য ফরমালিন বা কোন বস্তু বা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ প্রমাণের সহায়ক কোন দলিল-দস্তাবেজ রক্ষিত আছে, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত ফরমালিন, তদ্‌সংশ্লিষ্ট বস্তু বা এতদ্‌সংক্রান্ত দলিল-দস্তাবেজ তল্লাশী করিয়া আটক করিতে পারিবেন;

(খ) এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনকারী বা সংঘটনে উদ্যত কোন ব্যক্তি আছেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি তাহাকে আটক করিয়া তল্লাশী করিতে পারিবেন এবং তাহার নিকট দফা (ক) এ উল্লিখিত ফরমালিন বা অনুরূপ কোন বস্তু বা দলিল-দস্তাবেজ পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।   
তল্লাশী, ইত্যাদির পদ্ধতি       ১৫। এই আইনের ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের অধীন জারীকৃত সকল পরোয়ানা, তল্লাশী, গ্রেফতার ও আটকের ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।   
পারস্পরিক সহযোগিতার বাধ্যবাধকতা       ১৬।এই আইনের কোন বিধান কার্যকর করিবার লক্ষ্যে অনুরোধ করা হইলে ধারা ১১(১) এ উল্লিখিত কর্মকর্তাগণ পরস্পরকে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবেন।   
মামলার তদন্ত হস্তান্তর       ১৭। এই আইনের অধীন কোন অপরাধের তদন্তকালীন তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, তদন্তকারী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে, তৎকর্তৃক নির্দিষ্টকৃত কোন কর্মকর্তার নিকট তদন্তকার্য হস্তান্তর করিবেন এবং যে কর্মকর্তার নিকট উক্ত তদন্তকার্য হস্তান্তর করা হইবে তিনি, প্রয়োজনবোধে, শুরু হইতে বা যে পর্যায়ে তদন্তকার্য হস্তান্তর হইয়াছে সেই পর্যায় হইতে তদন্তকার্য পরিচালনা করিতে পারিবেন এবং তদন্ত শেষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।   
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ও আটককৃত মালামাল সংক্রান্ত বিধান       ১৮। (১) কোন ব্যক্তিকে এই আইনের অধীন গ্রেফতার করা হইলে বা কোন বস্তু আটক করা হইলে উক্ত ব্যক্তি বা আটককৃত বস্তুকে অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে যে কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হইবে তিনি, যতশীঘ্র সম্ভব, উক্ত ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।   
বাজেয়াপ্তকরণ, ইত্যাদি       ১৯।(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে, যে ফরমালিন, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন, বা অন্য কোন বস্তু সমন্বয়ে বা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বাজেয়াপ্তযোগ্য ফরমালিন, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন, বা অন্য কোন বস্তু আটক করা হইলে, যদি-

(ক) উহার সহিত সংশ্লিষ্ট কোন অপরাধীকে পাওয়া না যায়, তাহা হইলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা, ক্ষেত্রমত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, উহা বাজেয়াপ্ত করিতে পারিবেন, এবং

(খ) উহার সহিত সংশ্লিষ্ট কোন অপরাধীকে পাওয়া যায়, তাহা হইলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা, ক্ষেত্রমত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিত আদেশ দ্বারা উহা বাজেয়াপ্ত করিবার পূর্বে আপত্তি উত্থাপনের সুযোগ দেওয়ার জন্য, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নোটিশ জারী করিতে হইবে, এবং আপত্তি উত্থাপনকারীকে শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশের দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে-

(ক) আদেশটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত হইলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট; এবং

(খ) আদেশটি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত হইলে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপীল করিতে পারিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত আপীল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৫) এই আইনের অধীন বাজেয়াপ্তযোগ্য কোন দ্রব্যের বাজেয়াপ্তি আদেশ প্রদানের সংগে সংগে দ্রব্যটি সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করিতে হইবে এবং তিনি উহা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ধ্বংস করিবার ব্যবস্থা করিবেন।   
পঞ্চম অধ্যায়
অপরাধ ও দণ্ড   
লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিনের আমদানি, উৎপাদন বা মজুদের দণ্ড       ২০। কোন ব্যক্তি যদি লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, বা মজুদ করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং ইহার অতিরিক্ত অনধিক ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, তবে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার নিম্নে নহে, দণ্ডিত হইবেন।   
লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করার দণ্ড       ২১। কোন ব্যক্তি যদি এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সের কোন শর্ত ভঙ্গ করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ড, তবে ৩ (তিন) বৎসরের নিম্নে নহে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ২ (দুই) লক্ষ টাকার নিম্নে নহে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিন বিক্রয় বা ব্যবহারের দণ্ড       ২২। কোন ব্যক্তি যদি লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিন বিক্রয় বা ব্যবহার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড, তবে ৬ (ছয়) মাসের নিম্নে নহে, বা অনধিক ৪ (চার) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ১ (এক) লক্ষ টাকার নিম্নে নহে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিন পরিবহন বা দখলে রাখার দণ্ড       ২৩। কোন ব্যক্তি যদি লাইসেন্স ব্যতীত ফরমালিন পরিবহন করেন বা দখলে রাখেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড, তবে ৬ (ছয়) মাসের নিম্নে নহে, বা অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ১(এক) লক্ষ টাকার নিম্নে নহে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
ফরমালিন উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখার দণ্ড       ২৪। লাইসেন্সী ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির নিকট বা তাহার দখলে বা তাহার দখলভুক্ত কোন স্থানে যদি ফরমালিন উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোন যন্ত্রপাতি, সাজ-সরঞ্জাম বা উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড, তবে ৬ (ছয়) মাসের নিম্নে নহে, এবং ইহার অতিরিক্ত অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
অপরাধ সংঘটনে গৃহ বা যানবাহন, ইত্যাদি ব্যবহার করিতে দেওয়ার দণ্ড       ২৫। কোন ব্যক্তি যদি জ্ঞাতসারে এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য তাহার মালিকানাধীন বা দখলীয় কোন বাড়ি-ঘর, জায়গা-জমি, যানবাহন, যন্ত্রপাতি বা সাজ-সরঞ্জাম ব্যবহার করিতে অনুমতি দেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড, তবে ৬ (ছয়) মাসের নিম্নে নহে, বা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের দণ্ড       ২৬। যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিষয়ে কোন মামলা দায়ের করেন এবং যদি তদন্তক্রমে বা সাক্ষ্য প্রমাণে ইহা প্রমাণিত হয় যে, উক্তরূপ অভিযোগটি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড, তবে ৩ (তিন) মাসের নিম্নে নহে, বা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, তবে ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার নিম্নে নহে, বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
অপরাধ সংঘটনে সহায়তার দণ্ড       ২৭। কোন ব্যক্তি যদি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে কাহাকেও সহায়তা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির উক্ত কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অপরাধ সংঘটনকারীর সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
অপরাধ পুনঃসংঘটনের দণ্ড       ২৮। এই আইনে উল্লিখিত কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া দণ্ড ভোগ করিবার পর যদি কোন ব্যক্তি পুনরায় একই অপরাধ করেন, তাহা হইলে তিনি ধারা ২০ এর অধীন সংঘটিত অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যে দণ্ড রহিয়াছে উহার দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।   
অর্থ দণ্ড আদায়, ইত্যাদি       ২৯। এই আইনের অধীন প্রদত্ত অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ বা তাহার মৃত্যু হইলে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করা যাইবে।   
কোম্পানী কর্তৃক অপরাধ সংঘটন       ৩০। (১) এই আইনের অধীন কোন বিধান লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি যদি কোম্পানী হয়, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানীর, মালিক, অংশীদার, পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা বা এজেন্ট বিধানটি লঙ্ঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত লঙ্ঘন তাঁহার জ্ঞাতসারে হয় নাই অথবা উক্ত লঙ্ঘন রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোম্পানী আইনগত ব্যক্তিসত্তা (body corporate) হইলে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট উক্ত কোম্পানীকে আলাদাভাবে একই কার্যধারায় অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে, তবে ফৌজদারী মামলায় উহার উপর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে শুধু অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে।

ব্যাখ্যা- এই ধারায়-

(ক) ‘‘কোম্পানী’’ অর্থে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী গঠিত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী, অংশীদারী ব্যবসা, কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও সমিতি বা সংগঠন, এবং দোকানও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ‘‘পরিচালক’’ অর্থ উহার কোন অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য।   
অপরাধ সম্পর্কে অনুমান       ৩১। যদি কোন ব্যক্তির নিকট বা তাহার নিয়ন্ত্রণাধীন কোন স্থানে লাইসেন্সবিহীন কোন ফরমালিন প্রস্তুতে ব্যবহারযোগ্য সাজ-সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি বা ফরমালিন প্রস্তুতের জন্য প্রয়োজনীয় কোন বস্তু বা উপাদান পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া আদালত অনুমান করিতে পারিবে, এবং তিনি যে উহা করেন নাই উহা প্রমাণের দায়িত্ব তাহার উপর বর্তাইবে।   
রাসায়নিক পরীক্ষাগার স্থাপন, পরীক্ষক নিয়োগ ও রিপোর্ট       ৩২। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার ফরমালিনের প্রকার, পরিমাণ, মাত্রা বা ঐ প্রকার কোন উপাদানের রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগার স্থাপন করিতে পারিবে এবং উহার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষক নিয়োগ করিতে পারিবে।

(২) এই আইনের অধীন পরিচালিত কোন কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে কোন বস্তুর রাসায়নিক পরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দিলে উহা উপ-ধারা (১) এর অধীন স্থাপিত রাসায়নিক পরীক্ষাগারে প্রেরণ করিতে হইবে।

(৩) রাসায়নিক পরীক্ষকের স্বাক্ষরযুক্ত রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট এই আইনের অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন প্রকার কার্যক্রমে সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাইবে।

(৪) এই ধারার অধীন রাসায়নিক পরীক্ষাগার স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত যে কোন পরীক্ষাগারে এই ধারায় উল্লিখিত রাসায়নিক পরীক্ষা করা যাইবে।   
ক্ষতিপূরণ, ইত্যাদির দাবী অগ্রহণযোগ্য       ৩৩। এই আইনের অধীন লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশের ফলে কোন লাইসেন্সী ক্ষতিগ্রস্ত হইলে তজ্জন্য তিনি, অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ক্ষতিপূরণ দাবী করিতে পারিবেন না বা তৎকর্তৃক প্রদত্ত কোন ফিস ফেরত চাহিতে পারিবেন না।   
অপরাধের বিচার       ৩৪। Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, -

(ক) ধারা ২০ ও ২১ এর অধীন অপরাধসমূহ Special Power Act, 1974 (Act XIV of 1974) এর অধীন গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল, এবং

(খ) অন্যান্য অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কর্তৃক বিচার্য হইবে।   
মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার       ৩৫। এই আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ ও ২১ এর অধীন অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধসমূহ, মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত করিয়া বিচার করা যাইবে।   
      ষষ্ঠ অধ্যায়
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা       ৩৬। (১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর ক্ষমতার সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার নিম্নবর্ণিত যে কোন বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথা :-

(ক) ফরমালিনের আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয়, ব্যবহার ও দখলে রাখিবার পদ্ধতি;

(খ) ফরমালিনের আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয়, ব্যবহার ও দখলে রাখা ইত্যাদির লাইসেন্সের জন্য আবেদন, লাইসেন্স প্রদান, লাইসেন্স নবায়ন, ফিস নির্ধারণ;

(গ) ফরমালিনের আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয়, ব্যবহার ও দখলে রাখা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি;

(ঘ) ফরমালিনের আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয়, ব্যবহার ও দখলে রাখার জন্য সংরক্ষিত পাত্রের গায়ে লেবেল, প্যাকেটজাতকরণ পদ্ধতি;

(ঙ) তদন্ত, তল্লাশী, আটক, বাজেয়াপ্তকরণ ও পরিদর্শন পদ্ধতি;

(চ) তহবিলের হিসাব সংরক্ষণ ও নিরীক্ষা পদ্ধতি;

(ছ) ফরমালিন ব্যবহারের গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ।   
অব্যাহতি, ইত্যাদি       ৩৭। সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোন দপ্তর বা সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শর্তাধীনে এই আইনের কোন বিধানের প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।   
Act XIV of 1974 Schedule সংশোধন       ৩৮। Special Power Act, 1974 (Act XIV of 1974) এর Schedule এর বিলুপ্ত Paragraph 5 এর পর নিম্নরূপ Paragraph 5A সন্নিবেশিত হইবে, যথা :-
"5A. Offence punishable under ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ (Formalin Control Act, 2015)" |   
ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ       ৩৯। (১) এই আইন প্রবর্তনের পর, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।

(২) এই আইন ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।   

১. চার বৎসর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে।
২. দুই বৎসর স্বামী স্ত্রীর খোরপোষ দিতে ব্যর্থ হলে।
৩. স্বামীর সাত বৎসর কিংবা তার চেয়েও বেশী কারাদন্ড হলে।
৪. স্বামী কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবৎ দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।
৫. বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বজায় থাকলে।
৬. স্বামী দুই বৎসর ধরে পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে।
৭. বিবাহ অস্বীকার করলে। কোন মেয়ের বাবা বা অভিভাবক যদি ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে মেয়ের বিয়ে দেন, তা হলে মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙ্গে দিতে পারে, তবে যদি মেয়েটির স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য সর্ম্পক (সহবাস) স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনি কোন বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারে।
৮. স্বামী ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লংঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে।
৯. স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে।
উপরে যে কোন এক বা একাধিক কারণে স্ত্রী আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারে।
অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব স্ত্রীর। প্রমাণিত হলে স্ত্রী বিচ্ছেদের পক্ষে ডিক্রি পেতে পারে, আদালত বিচ্ছেদের ডিক্রি দেবার পর সাত দিনের মধ্যে একটি সত্যায়িত কপি আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাবে।
১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী চেয়ারম্যান নোটিশকে তালাক সংক্রান্ত নোটিশ হিসেবে গণ্য করে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নিবে এবং চেয়ারম্যান যেদিন নোটিশ পাবে সে দিন থেকে ঠিক নব্বই দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে।

আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩
( ২০১৩ সনের ৪ নং আইন )
Contempt of Courts Act,1926 রহিতক্রমে উহা পুনঃপ্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
যেহেতু Contempt of Courts Act,1926 (Act No. XII of 1926) রহিতক্রমে উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;যেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
১। (১) এই আইন আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩ নামে অবিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
২। বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে , এই আইনে -
(১) " অধস্তন আদালত" অর্থ সুপ্রীমকোর্টের অধস্তন যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল;
(২) "আদালত" অর্থ সপ্রীমকোর্ট সহ অধস্তন যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল;
(৩) " আদালত অবমাননা" অর্থ দেওয়ানী বা ফৌজদারী অবমাননা;
(৪) " আপীল বিভাগ" অর্থ সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ;
(৫) " হাইকোর্ট বিভাগ" অর্থ সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ;
(৬) "দেওয়ানী অবমাননা " অর্থ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন আদালতের রায়, ডিক্রী, নির্দেশনা, আদেশ, রীট, বা কার্যক্রম অবমাননা অথবা আদালতের নিকট প্রদত্ত কোন অঙ্গীকারনামা ভঙ্গ করা;
(৭) "প্রজাতন্ত্রের কর্ম " অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত প্রজাতন্ত্রের কর্ম;
(৮) " ফৌজদারী অবমাননা" অর্থ মৌখিক বা লিখিত কোন শব্দ বা চিহ্ন দ্বারা, বা প্রদর্শনযোগ্য কোন কিছুর মাধ্যমে এমন কোন কিছু প্রকাশ করা অথবা এমন কোন কার্য করা যাহাতে -
(ক) কোন আদালতের কর্তৃত্বকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয় বা হেয় প্রতিপন্ন করিবার অভিপ্রায় থাকে অথবা উহার কর্তৃত্ব সম্পর্কে অপপ্রচার করা হয় বা অপপ্রচার করা হইয়াছে বা অপপ্রচারের অভিপ্রায় থাকে; বা
(খ) কোন বিচারিক কার্যধারা ক্ষুণ্ন করা হয় অথবা উহাতে হস্তক্ষেপ করা হয় বা হস্তক্ষেপের অভিপ্রায় থাকে; বা
(গ) অন্য কোনভাবে চলমান বিচারিক কার্যধারার স্বাভাবিক গতিধারাকে বাধাগ্রস্ত করে বা হস্তক্ষেপ করে বা বাধাগ্রস্ত করিবার বা হস্তক্ষেপ করিবার অভিপ্রায় থাকে;
(৯) "বিচারিক কার্যধারা (Judicial proceeding) " অর্থ আদালতে রুজুকৃত এমন কোন আইনগত কার্যধারা যাহা অনিষ্পন্ন রহিয়াছে বা যাহার বিরুদ্ধে কোন আইনের অধীন দায়েরকৃত আপীল, রিভিশন বা রিভিউ চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয় নাই বা যাহার বিরুদ্ধে উক্তরূপ কার্যাধারা গ্রহণের জন্য কোন আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় নাই; এবং উহা হইতে উদ্ভূত জারী কার্যক্রমও অনুরূপ কার্যধারার অংশ বলিয়া গণ্য হইবে।
এই আইনের বিধানাবলীর অতিরিক্ততা
৩। এই আইনের বিধানাবলী আদালত অবমাননা সম্পর্কিত অন্য কোন আইনের কোন বিধানের ব্যত্যয় না ঘটাইয়া উহার অতিরিক্ত হইবে।
নির্দোষ প্রকাশনা বা বিতরণ অবমাননা নয়
৪। (১) কোন ব্যক্তি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী হইবেন না এই কারণে যে, তিনি মৌখিক বা লিখিত কোন শব্দ বা চিত্র দ্বারা বা প্রদর্শনযোগ্য কোন কিছুর মাধ্যমে, বা অন্যকোনভাবে এমন কোন কিছু প্রকাশ করিয়াছেন যাহা উক্তরূপ প্রকাশনার সময় আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানী বা ফৌজদারী বিচার প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ বা বাধা প্রদান করে বা উহা দ্বারা উক্তরূপ বিচার প্রক্রিয়া হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে, যদি না উক্ত সময় তাহার এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে যে, বিষয়টি বিচারাধীন রহিয়াছে।
(২) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা বিছুই থাকুক না কেন, প্রকাশনার সময় নিষ্পন্নাধীন ছিল না এইরূপ কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী কার্যধারা সম্পর্কে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন বিষয়ের প্রকাশ আদালত অবমাননা হিসাবে গণ্য হইবে না।
(৩) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন বিষয় সম্বলিত কোন প্রকাশনা বিতরণ করিবার কারণে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী হইবেন না, যদি বিতরণ করিবার সময় উক্ত প্রকাশনায় অনুরূপ কোন বিষয় রহিয়াছে বা থাকিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে মর্মে তাহার বিশ্বাস করিবার কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বই, প্রকাশনা বা মুদ্রণ সম্পর্কিত আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের বিধান লঙ্ঘন করিয়া বিতরণ করিবার ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ আদালত অবমাননা নহে
৫। কোন ব্যক্তির নিম্নবর্ণিত কার্য আদালত অবমাননা হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি তিনি -
(ক) ধারা ৬ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালতের কোন বিচারিক কার্যধারা বা উহার কোন অংশ বিশেষের পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেন; বা
(খ) শুনানীঅন্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হইয়াছে এইরূপ কোন মামলার গুণাগুণ সম্পর্কে পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ মন্তব্য প্রকাশ করেন।
অধস্তন আদালতের সভাপতিত্বকারী বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ যখন আদালত অবমাননা নয়
৬। কোন ব্যক্তি কোন অধস্তন আদালতের সভাপতিত্বকারী বিচারক সম্পর্কে সরল বিশ্বাসে যদি -
(ক) অন্য কোন অধস্তন আদালতের নিকট, বা
(খ) সুপ্রীম কোর্টের নিকট,
কোন বিবৃতি বা মন্তব্য প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী হইবেন না।
কতিপয় ক্ষেত্র ব্যতীত খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রক্রিয়া সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ আদালত অবমাননা নহে
৭। (১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আদালতের খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যধারা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ আকারে তথ্য প্রকাশ আদালত অবমাননা হইবে না, যদি না -
(ক) এইরূপ প্রকাশনা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনের লঙ্ঘন হয়;
(খ) আদালত, জনস্বার্থে বা উহার উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে, উহার কার্যধারা বা উহার অংশ বিশেষের তথ্য প্রকাশের বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা জারী করে;
(গ) জন-শৃঙ্খলা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে আদালতের খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে আদালতের কার্যধারা অনুষ্ঠিত হইলে উক্ত কার্যধারা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করে;
(ঘ) উক্ত তথ্য উক্ত বিচারিক কার্যধারার গোপনীয় কোন বিষয় বা কোন আবিষ্কার বা উদ্ভাবন সংক্রান্ত হয়।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান ক্ষুণ্ন না করিয়া, খাস কামরায় বা রুদ্বদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত কোন আদালতের কার্যক্রমের বা উহার আদেশের সকল বা কোন অংশের বিবরণ বা উহার পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সার-সংক্ষেপ প্রকাশের জন্য কোন ব্যক্তি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইবেন না, যদি না আদালত জনস্বার্থে বা জন-শৃঙ্খলা বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে, অথবা উক্ত তথ্য কোন গোপনীয় বিষয় সংক্রান্ত অথবা কোন আবিস্কার বা উদ্ভাবন সংক্রান্ত হইবার কারণে, অথবা আদালতের উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে, উক্তরূপ তথ্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারী করে।
আত্মপক্ষ সমর্থনে অন্য কোন যু্ক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে এই আইন বাধা হইবে না
৮। এই আইনের কোন কিছুই কোন আদালতে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য অন্য কোন আইন অনুসারে যে যুক্তি বা জবাব প্রদান করা যাইতো তাহা প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা হইবে না।
আদালত অবমাননার পরিধি বিস্তৃত না হওয়া
৯। এই আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য নহে এইরূপ কোন লংঘন, প্রকাশনা বা অন্য কোন কার্য এই আইনের পরিধিভুক্ত গণ্যে আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তিযোগ্য হইবে না।
কতিপয় কর্ম আদালত অবমাননা নহে
১০। আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন -
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন, বিধিমালা, সরকারী নীতিমালা, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত পরিপত্র, প্রজ্ঞাপন, স্মারক ইত্যাদি যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক জনস্বার্থে ও সরল বিশ্বাসে কৃত বা সম্পাদিত কর্ম আদালত অবমাননা হিসাবে গণ্য হইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কৃত কর্মের বিষয়ে কোন ব্যক্তি আদালতে শরণাপন্ন হইলে এবং সেই ক্ষেত্রে আদালতের কোন রায় , আদেশ বা নির্দেশ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তির পক্ষে যথাযথ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন বা প্রতিপালন করা অসম্ভব হইলে, অনুরূপ কারণে বাস্তবায়ন বা প্রতিপালন করিতে ব্যর্থতার কারণে তাহার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপন করা যাইবে না।
আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়ের ও নিষ্পত্তির বিধান
১১। (১) কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপিত বা কার্যধারা রুজু করা হইলে, অভিযোগের বিষয়ে তাহাকে কারণ দর্শাইবার সুযোগ প্রদান করিতে হইবে এবং আদালতের নিকট কারণ দর্শাইবার জবাব সন্তোষজনক হইলে, তাহাকে আদালত অবমাননার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে হইবে, এবং জবাব সন্তোষজনক না হইলে তাহাকে উক্ত ব্যক্তির নিয়োজিত আইনজীবীর মাধ্যমে উপস্থিত হইবার এবং বক্তব্য প্রদানের সুযোগ প্রদান করিতে হইবে, এবং কার্যধারার কোন পর্যায়ে যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে অবমাননাকারীর ব্যক্তিগত উপস্থিতি আবশ্যক, তাহা হইলে আদালত তাহাকে ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হইয়া বক্তব্য প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, যদি কোন ব্যক্তি আইনজীবী নিয়োগ না করিয়া স্বেচ্ছায় ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য প্রদান করিতে বা মামলা পরিচালনা করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহা হইলে আদালত তাহাকে অনুরূপ সুযোগ প্রদান করিবে।
(৩) আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতির অভিযোগের সমর্থনে সাক্ষ্য গ্রহণ করিবে এবং তাহাকে শুনানি ও সাক্ষ্যদানের সুযোগ প্রদান করিয়া আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে যথাযথ শাস্তির আদেশ অথবা অভিযোগ হইতে অব্যাহতির আদেশ প্রদান করিবে।
(৪) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপিত বা কার্যধারা রুজু করা হইলে, উক্ত ব্যক্তি তাহার নিয়োজিত আইনজীবী দ্বারা মামলা পরিচালনা করিতে পারিবেন।
(৫) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আইনজীবী নিয়োগসহ আদালত অবমাননা মামলা পরিচালনার জন্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ সরকারী খাত হইতে অগ্রীম গ্রহণ করিত পারিবেন এবং উক্ত ব্যক্তি আদালত অবমাননার অভিযোগ হইতে অব্যহতি লাভ করিলে অগ্রীম হিসেবে গৃহীত অর্থ সরকারকে ফেরত প্রদান করিতে হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তি আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ও দণ্ডপ্রাপ্ত হইলে তাহাকে অগ্রীম হিসেবে গৃহীত সমুদয় অর্থ ফেরত প্রদান করিতে হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি অগ্রীম হিসেবে গৃহীত সমুদয় অর্থ ফেরত প্রদান না করিলে উহা তাহার প্রাপ্য গ্রাচ্যুইটি হইতে এককালীন আদায় করা হইবে এবং গ্রাচ্যুইটি হইতে আদায়ের পরও গ্রহীত অগ্রীম বকেয়া থাকিলে ইহা তাহার পেনশন বা পারিবারিক পেনশন হইতে সমম্বয়যোগ্য হইবে।
(৬) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মের সহিত সংশ্লিষ্ট কোন কার্য বা দায়িত্ব পালন কালে আদালত অবমাননার মামলায় জড়িত থাকা অবস্থায় প্রজাতন্ত্রের কর্ম হইতে অপসারিত, অবসরপ্রাপ্ত বা অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে তাহার স্থায়ীভাবে কর্মাবসান হইলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে আদালত অবমাননার দায় হইতে অব্যহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৭) উপ-ধারা (৬) এ বর্ণিত পদে পরবর্তীতে স্থলাভিষিক্ত কোন ব্যক্তিকে (successor-in-office) পুনরায় কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া তাহার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উত্থাপন বা কার্যধারা রুজু করা যাইবে না অথবা পূর্বসুরীর (predecessor-in- office) বিরুদ্ধে চলমান আদালত অবমাননার কার্যধারা বা দায় সরাসরি আরোপ করা যাইবে না।
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
১২। (১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, কোন অধস্তন আদালতের অবমাননা সংক্রান্ত কোন অভিযোগের বিচার ও শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে।
(২) Penal Code (XLV of 1860) এর অধীন শাস্তিযোগ্য আদালত অবমাননা কোন অধস্তন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত আদালত অবমাননা বিচারার্থ আমলে গ্রহণ করিবে না।
আদালত অবমাননার শাস্তি, ইত্যাদি
১৩। (১) এই আইনের অধীন আদালত অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত অবমাননা সম্পর্কিত চলমান কার্যধারা যে কোন পর্যায়ে অভিযুক্ত আদালত অবমাননাকারী আদালতের নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করিলে এবং আদালত যদি এইমর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, উক্ত অভিযুক্ত আদালত অবমাননাকারী নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(২) আদালত অবমাননার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হইয়া শাস্তিপ্রাপ্ত হইবার পর কোন ব্যক্তি তৎকর্তৃক দায়েরকৃত আপীলে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করিলে, আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, তিনি অনুতপ্ত হইয়া আন্তরিকভাবে উক্তরুপ ক্ষমা প্রার্থনা করিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত তাহাকে ক্ষমা করিয়া তাহার উপর আরোপিত দণ্ড মওকুফ বা হ্রাস করিতে পারিবে।
(৩) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন,
(ক) কোন আদালত উহার নিজের বা উহার অধস্তন কোন আদালতের অবমাননার জন্য উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শাস্তির অতিরিক্ত শাস্তি প্রদান করিতে পারিবে না।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি দেওয়ানী অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়, সেইক্ষেত্রে আদালত যদি মনে করে যে, কেবল অর্থদণ্ড প্রদানের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হইবে না বরং উহার সহিত কারাদণ্ড প্রদান করা আবশ্যক, তাহা হইলে আদালত বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদানের পরিবর্তে তাহাকে অনূর্ধ্ব ছয় মাস দেওয়ানী কারাগারে আটকের নির্দেশ প্রদান করিবে।
কোম্পানী কর্তৃক অপরাধ সংঘটন
১৪। (১) কোন কোম্পানী কর্তৃক যদি আদালত অবমাননার অপরাধ সংঘটিত হয়, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ দ্বারা উক্ত অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছে কেবল তিনি বা তাহারাই উক্ত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
ব্যাখ্যা : এই ধারায় -
(ক) "কোম্পানী " বলিতে কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কতৃপক্ষ, নিবন্ধিত কোম্পানী, অংশীদারী কারবার , বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, সংঘ, সমিতি বা সংগঠনকে বুঝাইবে;
(খ) বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে "পরিচালক" বলিতে কোন অংশীদারী বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যকেও বুঝাইবে।
সুপ্রীম কোর্টে সংঘটিত আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি
১৫। (১) যেক্ষেত্রে আপীল বিভাগ বা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট প্রতীয়মান হয় বা উহার নিকট অভিযোগ করা হয় যে, কোন ব্যক্তি আদালত কক্ষে কোন মামলার শুনানিকালে আদালত অবমাননা করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে উক্ত আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করিতে পারিবে, এবং আদালতের উক্ত দিনের বৈঠক শেষ হইবার পূর্বে বা যত শ্রীঘ্র সম্ভব তৎপরবর্তীতে -
(ক) আদালত অবমাননার যে অভিযোগ তাহাকে অভিযুক্ত করা হইয়াছে তাহা লিখিতভাবে তাহাকে জানাইবে;
(খ) তাহাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিতে হইবে;
(গ) উক্ত ক্ষেত্রে, যথাসম্ভব, ধারা ১১ এর উপ-ধারা (৩) এর বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত উপ-ধারার অধীন আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি, যে বিচারক বা বিচারকগণের সম্মুখে বা শুনানিকালে উক্ত আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত হইয়াছেন তাঁহারা ব্যতীত, অন্য কোন বিচারক কর্তৃক বিচার কার্য পরিচালনার জন্য মৌখিক বা লিখিতভাবে আবেদন করে, তাহা হইলে উক্ত আদালত ঘটনার প্রকৃত বিবরণসহ সামগ্রিক বিষয়টি বিবেচনা এবং যথোপযুক্ত আদেশ প্রদানের জন্য প্রধান বিচারপতির নিকট লিখিত বিবৃতি আকারে উপস্থাপন করিবে।
(৩) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (১) এর অধীন আদালত অবমাননার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার চলাকালে, উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসারে, যে বিচারক বা বিচারকগণের সম্মুখে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে উক্ত বিচারক বা বিচারকগণ ব্যতীত, অন্য কোন বিচারকের আদালতে শুনানী অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রধান বিচারপতির নিকট প্রদত্ত বিবৃত্তি সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে এবং উক্ত বিচারকের ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হইবার প্রয়োজন হইবে না।
বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকার্য সম্পাদনকারী অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক আদালত অবমাননা
১৬। (১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনের বিধানবলী সাপেক্ষে, কোন বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকার্য সম্পাদনকারী অন্য কোন ব্যক্তি তাহার নিজ আদালত বা অন্য কোন আদালত অবমাননার জন্য সেইরূপে দায়ী হইবেন, সেইরূপে অন্য কোন ব্যক্তি আদালত অবমাননার জন্য দায়ী হইতে পারেন, এবং উক্তক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী যতদূর সম্ভব একইরূপে প্রযোজ্য হইবে।
(২) এই ধারার কোন বিছুই কোন বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকার্য সম্পাদনকারী অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক তাহার নিকট বিচারাধীন অধস্তন আদালতের কোন আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপীল বা রিভিশন নিষ্পত্তিকালে উক্ত অধস্তন আদালত সম্পর্কে কৃত কোন পর্যবেক্ষণ বা মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
১৭। (১) এই আইনের অধীন আদালত অবমাননার কার্যধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে আপীল করা যাইবে।
(২) আপীল বিভাগ উক্ত আপীল নিষ্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত -
(ক) তর্কিত আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করিতে পারিবে; এবং
(খ) আপীলকারী আটক থাকিলে তাহাকে জামিনে বা তাহার নিজের মুচলেকায় মুক্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি হাইকোট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করিতে ইচ্ছুক মর্মে যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করিতে পারেন, সেইক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত মনে করিলে তৎকর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড বা আদেশ স্থগিত করিতে এবং দণ্ডিত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবে।
আপীল দায়েরের সময়সীমা
১৮ । এই আইনের অধীন হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করিতে পারিবে ।
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
১৯ । এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে ।
রহিতকরণ ও হেফাজত
২০ । (১) Contempt of Courts Act, 1926 (Act No. XII of 1926) এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল ।
(২) উক্তরূপ রহিত সত্ত্বেও, উহার অধীন দায়েরকৃত কোন অভিযোগ বা মামলা বা কোন কার্যধারা অনিষ্পন্ন থাকিলে উক্ত অনিষ্পন্ন অংশ, যতদূর সম্ভব, এই আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানাবলী অনুসারে, এইরূপে নিষ্পন্ন করা হইবে যেন উক্ত অভিযোগ, মামলা বা কার্যধারা এই আইনের অধীনেই দায়ের করা হইয়াছিল ।

A systematic judicial procedure was followed by the courts during the Mughal period. The judicial procedure was regulated by two Muslim Codes namely Fiqh-e-Firoz Shahi and Fatwai-i-Alamgiri. Evidence was classified into three categories- (a) full corroboration; (b) testimony of a single individual; and (c) admission including confession. The court always preferred full corroboration to other classes of evidence. The Muslim criminal law broadly classified crimes under three heads: (i) crimes against God; (ii) crimes against the King; and (iii) crimes against private individual. During the Muslim period trial by ordeal as existed in Hindu period was prohibited. Instead three forms of punishments were executed by the courts under Muslim law for above three types of crimes.
(a)  Hadd (fixed penalties): This is the form of punishment which was prescribed by the cannon law and could not be reduced or modified by human agency. Hadd meant specific punishments for specific offences. It thus provided a fixed punishment as laid down in Sharia for crimes like theft, robbery, whoredom (zinah), apostasy (ijtidad), defamation and drunkenness. It was equally applicable to Muslims and non-Muslims. The state was under a duty to prosecute all those who were guilty under Hadd. “No compensation was granted under it. For instance, stoning to death was prescribed for adultery or drinking wine, cutting off the right hand for theft etc. All offences for which Hadd was prescribed as punishment are characterised as offences against God, in other words, against ‘public justice’.
(b)  Tazir (Discretionary Punishment): This was another form of punishment which meant prohibition and it was applicable to all crimes which were not classified under Hadd. Offences. for which tazir was fixed were all offences against God. It included crimes like gambling, causing injury, minor theft etc. Under Tazir the kind and amount of punishment was left entirely with the judge’s wish; courts were free to even invent new methods oi punishing the criminals e.g. cutting out the tongue, impalement etc. The object was to reform the criminal.
 (c) Qisas (retaliation) and Diya (blood money): Qisas meant, in principle, life for life and limb for limb. Qisas was applied to cases of willful killing and certain types of grave wounding or maiming which were characterisd as offences against human body. Qisas was regarded as the personal right of the victim or his next of kin, to inflict a like injury on the wrong-doer as he had inflicted on his victim. Under Qisas the relatives or successors of the murdered person could excuse the murderer. Qisas became Diya when the next of kin of the victim was satisfied with money as compensation for the price of blood. This also could not be reduced or modified either by the Quazi or the Emperor. In cases where Qisas was available, it could be exchanged with diya or blood money.

Law of Bangladesh / Health and human rights
« on: April 12, 2015, 03:01:04 PM »
The right to the enjoyment of the highest attainable standard of physical and mental health is not a new concept. Internationally, it was first articulated in the 1946 Constitution of the WHO, whose preamble defines “Health is a state of complete physical, mental and social well-being and not merely the absence of disease or infirmity”. The preamble further states that “the enjoyment of the highest attainable standard of health is one of the fundamental rights of every human being without distinction of race, religion, political belief, economic or social condition.”
The right to health means that States must generate conditions in which everyone can be as healthy as possible. The right to health does not mean the right to be healthy. The right to health has been enshrined in numerous international and regional human rights treaties as well as national constitutions all over the world. All countries which are Members of the United Nations may become members of WHO by accepting its Constitution. Now it has 194 parties, Bangladesh is also a member state.
Under Article 25 of the Universal Declaration of Human Rights states that; “Everyone has the right to a standard of living adequate for the health and well-being of himself and of his family, including food, clothing, housing and medical care and necessary social services”. Moreover, the right to health is also protected in other international human rights instruments including article 12 of the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights.
The right to health is also recognised in several regional instruments, such as the African Charter on Human and Peoples' Rights , the Additional Protocol to the American Convention on Human Rights in the Area of Economic, Social and Cultural Rights, known as the Protocol of San Salvador, and the European Social Charter, The American Convention on Human Rights and the European Convention for the Promotion of Human Rights and Fundamental Freedoms contain provisions related to health, such as the right to life, the prohibition on torture and other cruel, inhuman and degrading treatment, and the right to family and private life.
According to Article 18 (1) of the Constitution of Bangladesh stated that; The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health.
Human rights obligations are defined and guaranteed by international customary law and international human rights treaties, creating binding obligations on the States that have ratified them to give effect to these rights. The Committee on ICESCR has underlined that; States should at a minimum adopt a national strategy to ensure to all the enjoyment of the right to health, based on human rights principles. 
Finally, the right to health or the right to health care is recognised in at least 115 constitutions. The right to health is relevant to all States; every State has ratified at least one international human rights treaty recognising the right to health. The UN Charter declares that promoting respect for human rights, and international human rights treaties envisage a particular role for UN bodies and specialised agencies in their implementation.
Written By: Md. Kamrul Hasan Arif
The writer is Student of LLM at South Asian University, New Delhi, India.   
See More at:

Law / Re: On violence during hartal
« on: April 12, 2015, 02:35:40 PM »
Thank you Ma'am...we people are peace loving & no more we want violence in the name of Hartal...

Jokes / ঘুমপাড়ানি কেস
« on: April 12, 2015, 12:11:17 PM »

কোর্টে এক বড়সড় কেস চলছিলো। আসামি পক্ষের উকিল অনেকক্ষণ ধরে এক স্বাক্ষীকে ক্রস-একজামিন করছিলেন। হঠাৎ উকিলের নজরে পড়লো যে জুরিদের মধ্যে একজন ঘুমিয়ে পড়েছেন।
উকিল সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন, "অবজেকশন, ধর্মাবতার। দেখুন জুরিদের মধ্যে একজন ঘুমিয়ে পড়েছেন।"
জাজ জুরিদের দিকে একবার তাকিয়ে উকিলকে বললেন, "আপনিই ওকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছেন, এবার আপনিই ওনাকে জাগিয়ে তুলুন!"


Pages: [1] 2 3 ... 5