Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
Interesting
2
Wow great Content
3
বিজ্ঞাপনে ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে দাবি করেছিল টি-মোবাইল
বিজ্ঞাপনে ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে দাবি করেছিল টি-মোবাইলপিক্সাবে
বিজ্ঞাপনে নিজেদের ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে দাবি করেছিল মার্কিন মুঠোফোন অপারেটর টি-মোবাইল। এরপর অভিযোগ দিয়ে বসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান এটিঅ্যান্ডটি। সে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেটার বিজনেস ব্যুরোর ন্যাশনাল অ্যাডভারটাইজিং ডিভিশন (এনএডি) রায় দিয়েছে, তৃতীয় পক্ষের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে ‘সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য’ ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সেবাদাতা হিসেবে প্রচারণা চালানো যাবে না।

টেকরাডারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিভি এবং অনলাইনে টি-মোবাইলের দুটি বিজ্ঞাপন প্রচারের পর অভিযোগ জানায় এটিঅ্যান্ডটি। এরপর এল এনএডির রায়। এদিকে টি-মোবাইল বলেছে, তারা এনএডির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী টি-মোবাইলের ৭০ হাজারের বেশি ফাইভ–জি গ্রাহকের ৪ কোটি ৩০ লাখ তথ্যের নমুনা ঘেঁটে প্রতিবেদনটি পেশ করে উমলাউট নামের অ্যাকসেঞ্চার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। সে প্রতিবেদন প্রকাশের পর টি-মোবাইলের প্রযুক্তিবিষয়ক প্রেসিডেন্ট নেভিল রে গত জুলাইয়ে এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে দেশের সর্বাধিক এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ফাইভ–জি সংযোগের জন্য টি-মোবাইলের ওপর নির্ভর করতে পারেন ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকেরা। উমলাউটের প্রতিবেদন তারই সর্বশেষ প্রমাণ। অন্যান্য নেটওয়ার্কও এগিয়ে যাচ্ছে, তবে দেশজুড়ে গ্রাহকদের চমৎকার অভিজ্ঞতা দিতে আমরা ফাইভ–জি কভারেজ ও সক্ষমতা বাড়িয়েই চলেছি।’

ফাইভ–জি নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা পরিমাপের জন্য টি-মোবাইলের নেটওয়ার্কের তিনটি দিক পরীক্ষা করে দেখে উমলাউট-ফাইভ–জি কভারেজ, গ্রাহকসংখ্যা এবং ডাউনলোডের গতি।

টি-মোবাইলের লোগো
টি-মোবাইলের লোগোরয়টার্স
বিজ্ঞাপন

টি-মোবাইলের যুক্তি দেখিয়েছিল, অনেক গ্রাহক ফোর–জি থেকে ফাইভ–জি, আবার ফাইভ–জি থেকে ফোর–জি নেটওয়ার্কে পরিবর্তন করে থাকে এবং উমলাউটের পরীক্ষায় কত গ্রাহক ফোর–জি থেকে ফাইভ–জি ব্যবহার শুরু করেছেন, তা দেখা হয়েছে। তবে এনএডি বলছে, ফাইভ–জি সম্পর্কে কোনো দাবি করতে হলে তা অবশ্যই কেবল ফাইভ–জি গ্রাহকের তথ্য নিয়ে করতে হবে। তা ছাড়া কেবল গতি আর কভারেজের ওপর নির্ভর করে নির্ভরযোগ্যতার দাবি করা যায় না।

এনএডির সিদ্ধান্তে হতাশ হয়েছে বলে জানিয়েছে টি-মোবাইল। সে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করবে বলেও জানিয়েছে। উমলাউটের স্বাধীন পর্যবেক্ষণে ফলাফলের ওপর নির্ভর করে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারা উচিত বলেও যুক্তি দেখিয়েছে তারা।
4
আমরা এমন এক বিস্ময়–জাগানিয়া জমানায় বাস করছি, যখন বিশ্বের অর্ধেকের বেশি অংশে একটি প্রযুক্তি পৌঁছে গেছে। সেই প্রযুক্তির নাম ইন্টারনেট। এটি এমন এক প্রযুক্তি, যা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা থেকে শুরু করে জীবনের প্রায় প্রতিটি খাতে এখন নিয়ামক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে; যা মহাদুর্যোগ থেকে মহামারির সময় মানুষের প্রাণ সঞ্জীবনী হিসেবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ইন্টারনেট আবিষ্কারের পর এমনভাবে এর ডিজাইন করা হয়েছিল, যাতে প্রতিটি মানুষের জন্য তা অবারিত থাকবে কিন্তু কেউ তার মালিক হতে পারবে না।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ার পর আমরা ইন্টারনেটের উপযোগিতা সম্পর্কে আন্দাজ করতে পেরেছি। শারীরিকভাবে একজন আরেকজনের সঙ্গে দেখা করা ছাড়াই দূর থেকে এই সময়টাতে আমরা আমাদের হাজারো দাপ্তরিক কাজ সেরে ফেলতে পেরেছি। খুব দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, আমরা এমন এক জমানাতেও বাস করি যেখানে ভয়, আতঙ্ক ও সন্দেহের ধোঁয়া আমাদের সর্বক্ষণ আচ্ছন্ন করে রেখেছে। ইতিপূর্বে সংঘটিত যেকোনো যুদ্ধ বা মহামারির চেয়েও নিকৃষ্ট জিনিস হলো ইন্টারনেট—এমন দাবির সন্ধান পেতে আপনাকে গুগলে আঁতিপাঁতি করে খুঁজতে হবে না। সাধারণ অনুসন্ধানেই এ ধরনের দাবির কথা খুব সহজেই পাওয়া যাবে। সন্ত্রাসবাদ, শিশু পীড়ন এবং এমনকি গণতন্ত্রের অপব্যবহারসহ বহু সমস্যার বলির পাঁঠা হয়ে থাকে ইন্টারনেট।

আসুন একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখি। যদি আমরা ফেক নিউজ বা ভুয়া খবরকে ইন্টারনেটের ত্রুটি বলে বিশ্বাস করি, তাহলে তা বিংশ শতকের রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা যন্ত্রের ক্রমাগত মিথ্যা প্রচারের কথা ভুলে যাওয়ারই নামান্তর হবে। অনেকে সামাজিক মূল্যবোধর অবনমনের জন্য ইন্টারনেটকে দায়ী করে থাকেন। ভাবটা এমন যেন টুইটার আসার আগে মিথ্যুক রাজনীতিকেরা মিথ্যা ও ঘৃণা ছড়ানো কথা বলতেন না। সমাজ ও ব্যক্তির ওপর নিয়ত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। আমরা ক্ষিপ্রগতিতে বিবর্তিত হচ্ছে এমন একটি সমাজবাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই বিবর্তনে প্রশ্নাতীতভাবে ইন্টারনেটের উত্থান একটি বড় ভূমিকা রাখছে। কারণ, ইন্টারনেট দ্রুত নতুন নতুন সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

যদি আমরা ফেক নিউজ বা ভুয়া খবরকে ইন্টারনেটের ত্রুটি বলে বিশ্বাস করি, তাহলে তা বিংশ শতকের রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা যন্ত্রের ক্রমাগত মিথ্যা প্রচারের কথা ভুলে যাওয়ারই নামান্তর হবে। অনেকে সামাজিক মূল্যবোধর অবনমনের জন্য ইন্টারনেটকে দায়ী করে থাকেন। ভাবটা এমন যেন টুইটার আসার আগে মিথ্যুক রাজনীতিকেরা মিথ্যা ও ঘৃণা ছড়ানো কথা বলতেন না।
এই সব সুযোগকে ভালো এবং মন্দ—উভয়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানুষ এই প্রযুক্তির কারণে এখন আগের চেয়ে অনেক সহজে এবং অনেক কম খরচে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে। আবার প্রতারক চক্র এই ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে অসাধু উপায়ে মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেয়। প্রথাগত কর্তৃপক্ষ ও নীতিনির্ধারকেরা ইন্টারনেটের কারণে তঁাদের এত দিনকার তথ্য
নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছেন। কারণ, জনসাধারণ ইন্টারনেটের সুযোগে নানা ধরনের বিকল্প পথে তথ্য পেয়ে যাচ্ছে।

তবে এমন অনেক ক্ষতির বিষয় আছে, যার জন্য ইন্টারনেটকে দায়ী করা হলেও আদতে তার জন্য ইন্টারনেট মোটেও দায়ী নয়। ইন্টারনেটকে দোষারোপ করার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের দিক থেকে ইন্টারনেটের ওপর দোষ চাপানো হয়। কিন্তু কোনো কিছু বন্ধ করা বা নিয়ন্ত্রণ করার আগে আমাদের ভালো করে বুঝে নিতে হবে, আমরা ঠিক যন্ত্রটি বন্ধ করছি কি না। আজকের দিনের বৃহৎ প্রযুক্তি করপোরেশনগুলোর সমস্যা এবং বাণিজ্য ও জনপরিসরের আলোচনায় তাদের প্রভাবের বিষয় চিন্তা করে দেখুন। যখন এসব কোম্পানি কোনো নির্দিষ্ট বাজার দখল করে ফেলে বা কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার মুনাফা অর্জন করে, তখন কেউ কেউ সেসব কোম্পানির ওপর বিশেষ বিধি আরোপ করা উচিত বলে মত দেন। কিন্তু করপোরেট পুঁজির একচ্ছত্র বিস্তৃতি যে শুধু এখনই হচ্ছে তা নয়।

উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য অনেক দেশের পেট্রোলিয়াম শিল্পে স্ট্যান্ডার্ড ওয়েল প্রাধান্য বিস্তার করার পর অনেক দেশ এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির আধিপত্যকে আতঙ্কের চোখে দেখা শুরু করেছিল। তখন তারা বলেছিল, স্ট্যান্ডার্ড ওয়েল ‘তেল নীতি’ চর্চা করে না, তারা ‘অবিশ্বস্ততার নীতি’ চর্চা করে। অনেকে ইন্টারনেটনির্ভর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকেন। কিন্তু ঐতিহাসিকভাবেই এই উদ্বেগ প্রকাশ ভুল। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন প্রত্যেকেই ইন্টারনেট-পূর্ব জমানায় সহিংস আন্দোলনের মুখে পড়েছে। ইন্টারনেট আসার আগে থেকেই এক দেশ অন্য দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে, বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দাবৃত্তি করেছে। শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক আচরণ আমাদের সে কথা মনে করিয়ে দেয়।

রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বিশেষ করে গণতন্ত্র নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের বৈধতা ও কার্যকর থাকার ক্ষমতার ওপর। কোনো সরকারের ওপর জনগণ ক্ষুব্ধ হলে সেই ক্ষোভ দমন করে বা দেশের তথ্য বিদেশের মানুষকে জানতে না দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এটি সত্য যে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। যেমন ইন্টারনেট প্রযুক্তির কারণে আগের চেয়ে অনেক বেশি গতিতে তথ্য আদান–প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যে আইডি থেকে কোনো তথ্য ছড়াচ্ছে, সেই আইডির মালিক যে সত্যিই আইডিতে উল্লেখিত পরিচয়ের আসল ব্যক্তি, তা নিশ্চিত হওয়া অনেক সময়সাপেক্ষ।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু ইন্টারনেটের বৃহৎ জগতের কাছে এগুলো খুবই সংকীর্ণ ইস্যু। আদতে ইন্টারনেট হলো একটি বাস্তুসংস্থান (ইকোসিস্টেম) ব্যবস্থা, যার সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ইন্টারনেটকে কোনোভাবেই বলির পাঁঠা বানানো যাবে না। অর্থাৎ, এই প্রযুক্তি আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ, এটি আমাদের সবার সম্পদ। এটিকে ঠিকমতো সুরক্ষা দেওয়ার মানে হলো আমাদের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষা দেওয়া।

ইংরেজি থেকে অনূদিত, স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট
6
প্রাথমিক স্তরে সহায়ক পাঠের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং সাপ্তাহিক সম্পূরক পঠন সামগ্রী (এসআরএম) পরিচালনার জন্য শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে মুক্তপাঠে (http://muktopaath.gov.bd/) কিছু ফিচার চালু করা হয়েছে। নতুন এই অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সটি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার এটুআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মুক্তপাঠ প্লাটর্ফমে তৈরি নতুন ফিচারের মাধ্যমে শিক্ষকরা খুব সহজে পাঠাগার কার্যক্রম পরিচালনা কৌশল ও দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

অনলাইন কোর্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, ই-লার্নিং পদ্ধতির রূপান্তর ও বাস্তবায়নে এটুআই ও রুম-টু-রিড বাংলাদেশ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করছে। অনুষ্ঠানের রুম-টু-রিড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাখী সরকার এ অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সটির প্রবর্তন করতে গিয়ে সরকারি সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই কোর্সটির নাম হবে ‘পাঠাগার ব্যবস্থাপনা এবং পড়ার ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনা’। এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের পাঠাগার ব্যবস্থাপনায়, নির্ধারিত রুটিনে পড়ার ঘণ্টা কার্যক্রম পরিচালনায়, শিক্ষার্থীদের পঠনদক্ষতা নির্ণয়ের মাধ্যমে যোগ্যতা উপযোগী পঠনসামগ্রী ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি পাঠাগার পরিচালনায় পরিবার ও সমাজের সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণে শিক্ষকের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করে তোলা সম্ভব হবে। এ ছাড়া এই কোর্সের মাধ্যমে শুধু শিক্ষকরাই নন, বিদ্যালয়ের ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরাও পাঠাগার পরিচালনায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে।
Source: prothom Alo, Date: 3rd December,2021
7
Islam & Science / মুমিনের গুণাবলি
« Last post by Mrs.Anjuara Khanom on December 02, 2021, 11:49:00 AM »
একজন মানুষ ঈমান গ্রহণের মাধ্যমে ইসলামের ছায়াতলে এসে মূলত আল্লাহর প্রিয় বন্ধু ও অধিনস্থ হয়ে যায়। যেমনটি স্বয়ং আল্লাহ তাঁর কুরআনুল কারীমেই বলেছন: আল্লাহই হচ্ছেন তাদের অভিভাবক যারা ঈমান এনেছে, তিনি তাদেরকে অন্ধকার হতে আলোর দিকে নিয়ে আসেন। আর যারা ঈমান গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে তাদের পৃষ্ঠপোষক হলো তাগুত তথা পথভ্রষ্ট শাসকরা যারা তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারে নিয়ে যায়,বস্তুতঃ তারাই হলো জাহান্নামের অধিবাসী তারা সেখানে চিরকাল বসবাস করবে’। (সূরা বাকারা ২৫৭)।

উক্ত আয়াত থেকে প্রতীয়মান হয় যে, স্রেফ জন্মসূত্রে বা কালিমা পড়ে ঈমান গ্রহণ করলেই প্রকৃত মুমিন হওয়া সম্ভব নয়, বরং মুমিনের যথাযথ গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য যতক্ষণ না নিজের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে ততক্ষণ আল্লাহর ভাষায় প্রকৃত মুমিন হওয়া যাবেনা। অতএব আমাদেরকে যেসব গুনে গুণান্বিত হতে হবে সেগুলোর অন্যতম হলো: সন্দেহমুক্ত দৃঢ় ঈমান এবং আল্লাহর পথে সংগ্রাম ও সৎকর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত ঈমানের প্রমাণ উপস্থাপন। কুরআনুল কারীমে আল্লাহ বলেন : ‘প্রকৃত মুমিন তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। অতঃপর তাতে কোনরূপ সন্দেহ পোষণ করে না এবং তাদের মাল ও জান দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে। বস্ত্ততঃপক্ষে তারাই হ’ল সত্যনিষ্ঠ’ (হুজুরাত ১৫)।
উল্লেখ্য:-‘জিহাদ’ অর্থ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা। যা কথা, কলম, সংগঠন তথা সার্বিকভাবেই হয়ে থাকে। সশস্ত্র জিহাদও এর মধ্যে শামিল। যুগে যুগে উদ্ভূত শিরকী দর্শনচিন্তা ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে তাওহীদভিত্তিক দর্শনচিন্তা ও সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশ সাধনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিয়োজিত করাই হ’ল ইসলামের চিরন্তন জিহাদ। স্থান-কাল-পাত্র নির্বিশেষে যা সর্বদা সর্বত্র প্রযোজ্য। সেদিকে ইঙ্গিত করেই রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা জিহাদ করো মুশরিকদের বিরুদ্ধে তোমাদের মাল দ্বারা, জান দ্বারা ও যবান দ্বারা’। (আবুদাঊদ ২৫০৪)।
কুরআনের সর্বত্র জিহাদের বর্ণনায় আল্লাহ প্রথমে মালের কথা এনেছেন। কারণ জিহাদে প্রথম মালের প্রয়োজন হয়। মুমিনের আরোও সাতটি গুণ বর্ণনা করে সূরা মু’মিনুনে আল্লাহ বলেন, ‘সফলকাম হলো ঐসব মুমিন’ (১) ‘যারা তাদের সালাতে গভীরভাবে মনোযোগী’ (২) ‘যারা অনর্থক ক্রিয়া-কর্ম এড়িয়ে চলে’ (৩) ‘যারা সঠিকভাবে যাকাত আদায় করে’ (৪) ‘যারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে’ (৫) ‘নিজেদের স্ত্রী ও অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত। কেননা এসবে তারা নিন্দিত হবে না’ (৬) ‘অতঃপর এদের ব্যতীত যারা অন্যকে কামনা করে, তারা হলো সীমা লংঘনকারী’ (৭) ‘আর যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ করে’ (৮) ‘যারা তাদের সালাত সমূহের হেফাযত করে’ (৯) ‘তারাই হলো উত্তরাধিকারী’ (১০) ‘যারা উত্তরাধিকারী হবে ফেরদৌসের। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে’ (মুমিনূন ১-১১)।
উপরোক্ত আয়াতগুলিতে মুমিনের ৭টি গুণ বর্ণিত হয়েছে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি গুণ হলো ‘তারা সালাতে গভীরভাবে মনোযোগী’। তারা খুশূ-খুযূর সাথে তন্ময়-তদ্গতভাবে সালাত আদায় করে। এর বিপরীতে কুরআনের অন্যত্রে আরও দু’প্রকার মুসল্লীর কথা এসেছে। একদল মুসল্লী হলো ‘উদাসীন’ আল্লাহ বলেন, ‘দুর্ভোগ ওইসব মুছল্লীর জন্য, যারা তাদের সালাতে উদাসীন’ (সূরা মাঊন : ৫)। অন্য একদল মুসল্লী হলো ‘অলস’ এটা হলো মুনাফিকদের সালাত। আল্লাহ বলেন, ‘যখন তারা সালাতে দাঁড়ায় তখন অলসভাবে দাঁড়ায়’ (সূরা নিসা : ১৪২)। আয়াতদৃষ্টে বুঝা যায় যে, উদাসীন ও অলস মুসল্লীরা জাহান্নামী হবে এবং কেবল মনোযোগী মুসল্লীরাই জান্নাতী হবে। আর তারাই হলো সফলকাম মুমিন। কেননা হৃদয় মনোযোগী হলে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মনোযোগী হয়। আর উভয়ের সহযোগে কর্ম সফল হয়। হৃদয়ের টান ও আকর্ষণ না থাকলে কোন কর্মই যথার্থ হয় না। আর আল্লাহর কাছেও তা কবুল হয় না।
সাতগুণের আরোও একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো লজ্জাস্থানের হেফাজত করা : এবিষয়ে রাসূল সা. বর্ণনা করেছন,’যে ব্যক্তি তার দু’চোয়ালের মাঝের বস্তু (জিহ্বা) এবং দু’রানের মাঝখানের বস্তু (লজ্জাস্থান) এর জামানত আমাকে দিবে, আমি তাঁর জান্নাতের যিম্মাদার। (সহীহ বুখারী : ৬৪৭৪)। দুনিয়াতে যত ফিতনা ফাসাদ ও অপকর্ম সংঘটিত হয় তার অধিকাংশই হয়ে থাকে জিহ্বা ও লজ্জা স্থানের দ্বারা । এ দুটোকে যে সংযত করবে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ।
কাফিরদের সাথে শক্ত দিল আর মুমিনদের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরন করবে। যেমন: মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল। আর যারা তাঁর সাথে আছে তারা কাফেরদের বিরুদ্ধে আপোষহীন’ এবং নিজেরা পরস্পর দয়া পরবশ। (সুরা ফাতহ : ২৯)।
অন্যদের উপাস্যকে গালি না দেয়া: আর ( হে ঈমানদারগণ!) এরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাকে তোমরা তাদেরকে গালি দিয়ো না। (সূরা আনআম : ১০৮)। সঠিকভাবে ওজন করা, ওজনে কম না দেয়া। আল্লাহ বলেন, ধ্বংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়। (সূরা মুতাফ্ফিফীন : ১)। তোমরা ওজন ও পরিমাপে পুরোপুরি ইনসাফ করো (সূরা আনআম : ১৫২)।
মানুষকে সৎ কাজের উপদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া : আল্লাহ বলেন ‘তোমরা সর্বোত্তম জাতি, মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎ কাজে আদেশ করবে এবং অসৎ কাজে বাঁধা দিবে,আর আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে। (সূরা আলে ইমরান ১১০)। আল্লাহ তাআ’লা আমাদের এসকল গুণে গুণান্বিত করুন।

Source:https://www.dailyinqilab.com
8
Hadith / সংযত আচরণ ইমানদারের লক্ষণ
« Last post by Md. Abul Bashar on December 01, 2021, 05:02:39 PM »
সংযত আচরণ ইমানদারের লক্ষণ
আবদুর রশিদ

জীবজগতের মধ্যে মানুষই একমাত্র জীব মানুষ হয়ে উঠতে যার পরিচর্যার দরকার হয়। যা অন্য কোনো জীবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। প্রত্যেক বাবা-মায়ের লক্ষ্য থাকতে হবে তাঁর সন্তান যেন মানবিক গুণ অর্জন করে। কেউ যদি খারাপ আচরণ করে কোনো মুমিনের উচিত নয় তার সঙ্গে একই ধরনের আচরণ করা। কারণ মানুষ হলো সৃষ্টির সেরা জীব। তার আচরণ হওয়া উচিত মানুষের মতো। পশুর  মতো বিবেকবর্জিত বা কান্ডজ্ঞানহীন আচরণ মানুষের হওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে একটি হাদিস স্মরণযোগ্য।

হুজায়ফা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা কালের দাস (হীনভাবে অন্যের আচরণের মতো আচরণকারী) হয়ে যেও না। বোলো না যে লোকেরা যদি ভালো ব্যবহার করে তবে আমরাও (তাদের সঙ্গে) ভালো ব্যবহার করব। আর তারা যদি দুর্ব্যবহার করে তবে আমরাও তাদের সঙ্গে জুলুম করব। বরং তোমরা নিজেদের এই আদর্শের অনুসারী বানাও যে লোকেরা ভালো ব্যবহার করলে তোমরাও ভালো ব্যবহার করবে এবং তারা জুলুম করলে তোমরা তাদের অনুসরণ করবে না।’ তিরমিজি।

মানুষকে অবশ্যই ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হতে হবে। যাকে তাকে অনুসরণ ও অনুকরণ কোনো খাঁটি মানুষের কাছ থেকে আশা করা যায় না। সমাজের সবাই খারাপ পথে চললে সে গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসানো কোনো মুমিনের কাজ হতে পারে না। সমাজের গতি যেদিকেই হোক না কেন মুমিনদের অবশ্যই ন্যায়-ইনসাফ ও সদাচরণ করতে হবে। সদাচরণ অন্য মানুষের মঙ্গল কামনা, সংঘাত এড়িয়ে চলা মুমিনদের ভূষণ হিসেবেই বিবেচিত হয়। এমনকি যুদ্ধের মতো সংঘাতময় পরিবেশেও মুমিনের কর্তব্য হলো সংঘাত এড়িয়ে চলা যায় কি না সে চেষ্টা করা।
আবদুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন দুশমনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত থাকাকালে সূর্য ঢলে পড়ার অপেক্ষায় ছিলেন। এরপর তিনি লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে বলেন- হে লোকেরা! তোমরা শত্রুর সঙ্গে সংঘর্ষ কামনা কোর না; বরং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা ও শান্তি কামনা কর। আর যখন শত্রুর মুখোমুখি হও তখন ধৈর্য ধারণ কর (অবিচল থাক)।’ বুখারি, মুসলিম।

‘ইসলাম সদাচরণকে কতটা গুরুত্ব দিয়েছে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর আরেকটি হাদিস তার প্রমাণ। তিনি বলেন, ‘যে লোক আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে সে হয় ভালো কথা বলবে নচেৎ নীরব থাকবে। মহান আল্লাহ আপন কালামে বলেন, ‘মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন তা-ই লিখে (সংরক্ষণ করে) রাখার জন্য তার সঙ্গে রয়েছে সদাতৎপর প্রহরী।’ (একবার) হজরত ওকবা ইবনে আমের (রা.) আরজ করলেন, হে আল্লাহর রসুল! কীভাবে নাজাত পাওয়া যাবে?

রসুল (সা.) বললেন, তোমার রসনা সংযত রাখ, তোমার বাড়িকে (পরিজনদের) সুরক্ষিত রাখ। তোমার ত্রুটি-বিচ্যুতির (পাপের) জন্য কাঁদো আর মনে রেখ পাষাণ-চিত্তরা আল্লাহর নৈকট্য থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে।’ আবু দাউদ, তিরমিজি। আরেক হাদিসে রসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত মানুষ হচ্ছে বাচাল, অশ্লীল ও অসংযত কথাবার্তায় অভ্যস্ত ব্যক্তি।’ আল্লাহ আমাদের সবাইকে সদাচরণের তৌফিক দান করুন।




লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক
9
Common Forum / বনবালা
« Last post by Mohammad Nazrul Islam on December 01, 2021, 01:42:05 PM »
ওগো, মায়াবিনী বনবালা
কেন তোমাকে লেগেছিনু ভাল?
দেখেছিনু কুমারীর বুকে-
রাগ-রাঙ্গা আলো।।

জীবনের যত গীত গেয়েছিনু-সংগোপনে
ভেবে ছিনু কত কথা,
নিমিষে উঁড়ে গেছে-শূণ্যবাতায়নে-
অশ্রু ভাঙ্গা ভাষায়।।

আজ, নিঃস্ব রিক্ত আমি
রক্ত ঝড়া প্রাণ রাঙ্গা,
অশ্রু জলে সিক্ত হয়ে
বনে যাই বাঁধ ভাঙ্গা।।

হে অভিসারী, বনবালা মোর
কার লাগি গেথেঁছিনু মালা,
লোলুপ-কামনায় জেগে উঠে ছিল
-এই ভিখারীর মরা প্রাণ ।।

10
বিভিন্ন সময় পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প হয়। কোথাও তীব্রতা বেশি, কোথাও কম। ভূমিকম্প যেমনই হোক, এটা মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা। মানুষ যেন তাওবা করে মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে। নিজেদের আচার-আচরণ শুধরে নেয়। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য দোয়া করে। আল্লাহকে অনেক বেশি স্মরণ করে এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।

ভূমিকম্প হলে করণীয়:

প্রত্যেক মুসলমানের আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তাওবা করা উচিত। আল্লাহ বলেন, وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُواْ وَاتَّقَواْ لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَاتٍ مِّنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ وَلَـكِن كَذَّبُواْ فَأَخَذْنَاهُم بِمَا كَانُواْ يَكْسِبُونَ

‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেযগারী অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানী ও পার্থিব নেয়ামত সমূহ উম্মুক্ত করে দিতাম। কিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি তাদের কৃতকর্মের বদলাতে।’ (সুরা আরাফ : ৯৬)

তাই যখন কোথাও ভূমিকম্প, সূর্যগ্রহণ, ঝড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন সবার উচিত আল্লাহর কাছে অতি দ্রুত তাওবা করা। তার কাছে নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা। মহান আল্লাহকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে মুক্তির জন্য দরিদ্র ও মিসকিনদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং তাদের দান করাও উচিত। রাসুল সা. বলেছেন, ‘দয়া প্রদর্শন করো, তোমার প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হবে। ’ (মুসনাদে আহমদ)

ভূমিকম্প হলে উমর ইবনে আবদুল আজিজ রহ. তার গভর্নরদের দান-সদকা করার প্রতি জোর দিয়ে চিঠি লিখতেন। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যা মানুষকে বিপর্যয় (আজাব) থেকে নিরাপদ রাখে। আর তা হলো, যথাসাধ্য সমাজে প্রচলিত জিনা-ব্যভিচার, অন্যায়-অবিচার রোধ করা। অন্য হাদিস শরিফে এসেছে, সমাজে ব্যভিচার বেড়ে গেলে ভূমিকম্প হয়।

সকল বালা মুসিবত থেকে আল্লাহ তায়ালা আমাদের রক্ষা করুন। আল্লাহর কথা মতো চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।
Pages: [1] 2 3 ... 10