Recent Posts

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10
21
এলসি বা Letter of Credit (LC) করার নিয়মঃ
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖


🔰বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি করে থাকে।
এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার কোম্পানীর TIN ভ্যাট করাতে হবে।এরপর ব্যংকে গিয়ে কোম্পানীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর ব্যাংক থেকে এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে পূরণ করে ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এই ফর্মে কিছু তথ্য প্রদান করতে হয়। যেমন কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে প্রভৃতি। এ বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
1️⃣ পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স, TIN,ভ্যাট করা। আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।
2️⃣ পর্যায় ২: কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।
3️⃣ পর্যায় ৩: যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা (ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন কোরিয়া থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট।
আর সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব তথ্যাদি থাকে।)
4️⃣ পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।
5️⃣ পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:
◾️আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)।
◾️ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
◾️সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট।
◾️ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)।
◾️এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।
🔘 LC advising Bank এর দায়- দায়িত্ব ও অধিকারসমুহঃ
এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে এলসি পেয়ে যে ব্যাংক বেনেফিশিয়ারি/ সাপ্লায়ারের  এর নিকট এলসি হস্তান্তর করে /বুঝিয়ে দেয় সেটিই হচ্ছে এলসি এডভাইজিং ব্যাংক...
◾️এল সি এডভাইজিং ব্যাংক এলসি এডভাইজিং এর মাধ্যমে নিশ্চিত করবে এলসি এর শর্তাবলী আপাতঃ দৃষ্টিতে যথার্থ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
◾️এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে এলসি পাওয়ার পর এডভাইজিং ব্যাংক এল সি এডভাইজ করতে সম্মত না হলে তা ইস্যুকারী ব্যাংককে দ্রুত জানাবে।
◾️এলসি এডভাইজিং এর পর যদি এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক কোন Amendment পাঠায় তা অবশ্যই প্রথম এডভাইজিং ব্যাংক এর মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
◾️এলসি এডভাইজিং এর সময় যদি সাপ্লায়ার / বেনেফিশিয়ারি/ এক্সপোর্টার এডভাইজিং চার্জ দিতে সম্মত না হয় তবে এডভাইজিং ব্যাংক সেই চার্জ এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে পাওয়ার অধিকার রাখে।
◾️সুইফট মেসেজ সম্পুর্ন প্রিন্ট হয়েছে কিনা দেখা।
◾️স্থানীয় আইন পরিপন্থী কোন শর্ত আছে কিনা।
◾️ ত্রুটিপূর্ণ শর্ত উল্লেখ আছে কিনা।
◾️UCP 600 এর article -9  এ LC advising Bank সম্পর্কে বলা হয়েছে।
🏛️ ব্যাংকিং রিলেটেড আরো নতুন নতুন নিউজ পেতে বাংলাদেশের ব্যাংকারদের নিয়ে গঠিত সুনামধন্য সর্ববৃহৎ গ্রুপ ব্যাংকার্স ফ্যামিলি এর সাথে থাকুন পাশে থাকুন।

Source: Social Media (https://www.facebook.com/photo/?fbid=251943307050211&set=gm.1571041083259701)
22
মহান আল্লাহ আদম (আঃ) এর রূহ ফুঁকলেন

আল্লাহ সুবহানু ওয়াতালা আমাদেরকে কুরআনে জানিয়েছেন যে, তিনি আদম (আঃ) এর উপর তার রূহ ফুঁকেছেন। এইখানে আমাদেরকে একটি ব্যাপার অবশ্যই বুঝতে হবে যে, “আমার রূহ” এই শব্দটি দিয়ে আল্লাহ আক্ষরিক অর্থে এই কথা বুঝাননি যে তিঁনি তাঁর নিজের রূহ আদম (আঃ) এর উপর ফুঁকেছেন। তিঁনি এমন শব্দ ব্যবহার করে আসলে বুঝাতে চেয়েছেন যে তাঁর এই সৃষ্টিটি একটি সম্মান জনক সৃষ্টি। সুতরাং, এইখানে এমন কথা বুঝানো হয়নি যে আদম (আঃ) এর ভিতর আল্লাহর ঐশ্বরিক কোনো কিছু বিদ্যমান ছিল যা কিনা আমাদের সবার মধ্যেও আছে, কারণ সকল জীবিত মানুষের মধ্যেই তার রূহ থাকে।

فَاِذَا سَوَّیۡتُہٗ وَنَفَخۡتُ فِیۡہِ مِنۡ رُّوۡحِیۡ فَقَعُوۡا لَہٗ سٰجِدِیۡنَ

যখন আমি তাকে সুষম করব এবং তাতে আমার রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার সম্মুখে সেজদায় নত হয়ে যেয়ো। {সূরা সাদ: আয়াত ৭২; সূরা আল-হিজর: আয়াত ২৯}

আল্লাহ তা’আলা তাদের মতামত জিজ্ঞাসার্থে কিংবা তাদের থেকে পরামর্শ গ্রহণ করার জন্যে এমনটা করেননি; কেননা তিনি এসকল কিছুর উর্ধ্বে। তিনি কেবল তাদেরকে আদেশ করেছিলেন যেন তারা তা মান্য করে। উল্লেখ্য যে, ঐ সেজদা শ্রদ্ধা স্বরূপ করতে বলা হয়েছিল (ইবাদতের উপলক্ষ্যে নয়)। ইবাদতের সেজদা একমাত্র আল্লাহর জন্যই করা হয়ে থাকে।

ইবনে কাসির রহমতুল্লাহ বলেছেন, রুহটি শরীরের উপর মাথা থেকে নিচে পা পর্যন্ত যেতে প্রায় দুইশত বৎসর ঘোরার পর অবশেষে আদম (আঃ)-এর চোখের উপর পড়ল তখন তাঁর দৃষ্টিশক্তি এলে তিনি জান্নাত দেখতে পেলেন। অতপর যখন রূহ আদম (আঃ)-এর নাকে প্রবেশ করল তখন শ্বাস-প্রশ্বাস চালু হল। এতে নাকের মধ্যে কিছু সুড়সুড়ি পয়দা হয়ে তাঁর হাঁচি এল। তিনি হাঁচি দিলেন। আল্লাহ শিক্ষা দিলেন হে আদম! তুমি বল-আলহামদুলিল্লাহ। আদম (আঃ) তখন বললেন আলহামদুলিল্লাহ (সকল প্রশংসা ও ধন্যবাদ আল্লাহর জন্য) উত্তরে আল্লাহ্‌ বললেন, ইয়ারহামুকাল্লাহ (তোমার পালনকর্তার দয়া তোমার উপর বর্ষিত হোক) {জামে’ আত-তিরমিজি, হাদিস ৩৩৬৮}।

এটাই ছিল আল্লাহ ও মানব জাতির প্রথম কথোপকথন। তারপর, রূহ তার পেট পর্যন্ত পৌঁছলে তার  ক্ষুধা পেল আর সে জান্নাতের ফল দেখে সেগুলো খাবার জন্য আগ বাড়াতে চেয়েও পারলেন না কারন তার পা পর্যন্ত তখনও রূহ পৌঁছায়নি। অনেক উলামাদের মতে আল্লাহ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কুরআনে বলেছেনঃ

خُلِقَ الۡاِنۡسَانُ مِنۡ عَجَلٍ ؕ سَاُورِیۡکُمۡ اٰیٰتِیۡ فَلَا تَسۡتَعۡجِلُوۡنِ

সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ, আমি সত্তরই তোমাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব। অতএব আমাকে শীঘ্র করতে বলো না। {সূরা আম্বিয়া আয়াত ৩৭}

23
CV writing Skills / নিখুঁত সিভি লেখার কৌশল
« Last post by Badshah Mamun on January 08, 2022, 11:56:20 AM »
নিখুঁত সিভি লেখার কৌশল

জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) যেন চাকরিপ্রার্থীর প্রতিচ্ছবি। চাকরিদাতার কাছে চাকরিপ্রার্থীর প্রথম পরিচয় সিভির মাধ্যমে। তাই যার সিভি যত ভালো, তিনি তত এগিয়ে থাকেন। অনেকেই মনে করেন, সিভি বড় ও ভারী হলে ভালো; কিন্তু এ ধারণা ভুল। বরং সিভিতে অল্প কথায় নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলে ধরতে হয়। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, নিয়োগকারীরা একটি সিভি দেখতে এক মিনিটের কম সময় ব্যয় করেন। ব্রিটিশ মানবসম্পদ (এইচআর) বিশেষজ্ঞ ডেভিড ডিসুজা ও রুথ কর্নিশের মতে, সিভি দেখার পর একজন প্রার্থীকে তিনটি কারণে সাক্ষাৎকারে ডাকা হয় না। কারণ তিনটি হলো—গতানুগতিক ধরনের সিভি, ভুল বানান ও মিথ্যা তথ্য। তাই সময় নিয়ে সঠিকভাবে তৈরি করুন নিজের সিভি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান ও সিভি লাইব্রেরি অবলম্বনে নিখুঁত, সুন্দর ও আকর্ষণীয় সিভি লেখার কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো।


নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা

সিভির শুরুতে নিজের নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা থাকা উচিত। ‘কারিকুলাম ভিটা’ বা ‘সিভি’ দিয়ে শিরোনাম করা ঠিক নয়। নিজের নাম শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। যোগাযোগের ঠিকানা স্পষ্ট করে লিখতে হবে। ই-মেইল ঠিকানা এবং মুঠোফোন নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই অংশে লিংকডইন প্রোফাইলের লিংক যোগ করলে ভালো। তবে লিংকডইন প্রোফাইলের তথ্য যেন হালনাগাদ থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ছবি

সম্প্রতি তোলা ঝকঝকে ছবি ব্যবহার করতে হবে। ফেসবুক বা অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহার করা ক্যাজুয়াল সিভি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ছবি হতে হবে পাসপোর্ট সাইজের।

ব্যক্তিগত প্রোফাইল

সিভির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যক্তিগত প্রোফাইল। আপনার কর্মজীবনের লক্ষ্য এবং আপনি প্রতিষ্ঠানকে কী দিতে পারবেন, তা কয়েক লাইনে লিখতে হবে। আপনার ব্যক্তিগত বক্তব্য যেন সংক্ষিপ্ত এবং আকর্ষণীয় থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখুন। দুই-তিনটি বাক্যের চেয়ে বেশি বাক্য ব্যয় করা অনুচিত।

পেশাগত অভিজ্ঞতা


আপনার আগের চাকরি, ইন্টার্নশিপ এবং কাজের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত তুলে ধরতে হবে। কোথায় কোথায় চাকরি করেছেন, তা ক্রমানুসারে লিখুন। সদ্য স্নাতক পাস করা হলে ইন্টার্নশিপ যেখানে করেছেন, তার বিস্তারিত তুলে ধরুন। চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে সর্বশেষ যেখানে চাকরি করেছেন, সেটি লিখে বাকি প্রতিষ্ঠানের নামগুলো পর্যায়ক্রমে লিখুন। প্রতিষ্ঠানের নাম, সেখানে আপনার কাজের বিবরণ এবং আপনার অর্জন লিখতে হবে। কোন প্রতিষ্ঠানে কত দিন কাজ করেছেন, সেটিও উল্লেখ করুন।

শিক্ষা

পেশাগত অভিজ্ঞতা অংশের মতো শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখার ক্ষেত্রে আপনার সর্বশেষ ডিগ্রি যে প্রতিষ্ঠান থেকে, সেটি দিয়ে শুরু করে ক্রমানুসারে মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের নাম লিখতে হবে। প্রতিষ্ঠানের পাশে পাস করার সাল এবং জিপিএ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষা দিয়ে ফলাফল না পেয়ে থাকলে ‘অ্যাপিয়ার্ড’ লেখা যেতে পারে।

প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা

যাঁরা সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, তাদের জন্য এই অংশ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাঁদের পূর্ববর্তী কোনো চাকরি করার অভিজ্ঞতা নেই। যিনি সদ্য স্নাতক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার তথ্যাদি বেশি সিভিতে যুক্ত করতে পারবেন, তিনি বাকিদের চেয়ে তত এগিয়ে থাকবেন। প্রশিক্ষণ ও কর্মশালাগুলো লেখার ক্ষেত্রে বিষয়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।

আকর্ষণীয় শখ

আমি বাইরে যাই, প্রকৃতি উপভোগ করি—এ ধরনের শখ যোগ করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এগুলো বললে আপনি ব্যক্তি হিসেবে কেমন, তা ফুটে ওঠে না। বরং এমন কিছু শখের কথা লিখুন, যা আপনার নিষ্ঠা ও একাগ্রতা তুলে ধরে। দলগত যেকোনো ইভেন্ট ভালো শখ হতে পারে।

ভাষা দক্ষতা

দেশে চাকরির জন্য বাংলা ও ইংরেজি জানা আবশ্যক। প্রমিত বাংলা ভাষা শেখার কোনো কোর্স করে থাকলে তা উল্লেখ করতে পারেন। আর ইংরেজি ভাষা দক্ষতার ক্ষেত্রে আইইএলটিএস, টোয়েফল ও পিটিই পরীক্ষায় অংশ নিলে তার স্কোর লিখুন। এ ছাড়া অন্য কোনো ভাষা জানা থাকলে সেটিও উল্লেখ করুন।

কম্পিউটার দক্ষতা

এখন প্রায় সব চাকরির জন্য কম্পিউটার দক্ষতা আবশ্যক। সাধারণত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্ট জানা বাধ্যতামূলক ধরা হয়। এ ছাড়া ফটোশপ বা ভিডিও এডিটিং জানা থাকলে উল্লেখ করতে পারেন। এ বিষয়ে কোথাও প্রশিক্ষণ নিলে সাল–তারিখসহ উল্লেখ করুন।

রেফারেন্স

প্রার্থীর পরিচিত যেকোনো পেশার ব্যক্তির নাম রেফারেন্স হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। তবে সদ্য স্নাতকেরা তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের রেফারেন্স হিসেবে দিতে পারেন। যাঁর রেফারেন্স দেবেন, অবশ্যই তাঁর অনুমতি নিতে হবে। তাঁর নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে হবে।

অঙ্গীকারনামা

সিভিতে কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা বা ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না। অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করতে হবে, আপনার সব তথ্য সঠিক ও নির্ভুল। লেখার নিচে আপনার স্বাক্ষর থাকতে হবে।

বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে

ফন্টের ব্যবহার: টাইমস নিউ রোমান, অ্যারিয়্যাল বা ভারদানা ফন্ট ব্যবহার করতে পারেন। ফন্ট সাইজ ১১–এর কম হওয়া যাবে না। মাঝেমধ্যে বোল্ড এবং হেডার অপশনও ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই কালো রঙ ব্যবহার করতে হবে।

প্রাসঙ্গিকতা: আপনি যেসব অভিজ্ঞতা সিভিতে তুলে ধরবেন, সেগুলো আবেদন করা চাকরির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কাজের বিবরণ দেখুন এবং মিলিয়ে নিন সেগুলো আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর নিশ্চিত হয়ে সিভি পাঠিয়ে দিন।

বিশেষণ এড়িয়ে যান: পরিশ্রমী, মনোযোগী, উৎসাহী—এ ধরনের বিশেষণগুলো এড়িয়ে চলুন। এর পরিবর্তে কিছু অর্থবহ শব্দ ব্যবহার করুন। যেমন জবাবদিহি, লক্ষ্য ও অর্জন।

ছোট রাখুন: সিভি সংক্ষিপ্ত রাখুন, তবে ছোট করতে গিয়ে অভিজ্ঞতা মুছে ফেলা যাবে না। গতানুগতিক নিয়মে দুই পৃষ্ঠায় সিভি শেষ করতে বলা হয়। আপনি কোন ধরনের চাকরিতে আবেদন করছেন, তার ওপর পৃষ্ঠা বাড়তেও পারে। তবে দুই পৃষ্ঠার সিভি দেখলে নিয়োগকর্তারা সাধারণত খুশি হন।

নির্ভুল হোন: নিয়োগকারীরা আপনাকে ভুলের ওপর বিচার করবে। সেটা হতে পারে বানানের ভুল, সিভির কাঠামোর ভুল অথবা বিরামচিহ্নের ক্ষেত্রে। তাই সিভি লেখার সময় সতর্ক থাকুন। কম্পিউটারে লিখলে স্বয়ংক্রিয় সংশোধন অপশন ব্যবহার করুন। সিভি তৈরি করার পর ভুল এড়াতে আরেকজনকে দিয়ে পড়িয়ে নিন।

Source: Daily Prothom Alo
24
এমন শিক্ষা কার কী কাজে আসবে?
দেশে শিক্ষার মান যে নিম্নগামী, তা অনেকবার অনেকভাবেই বলা হয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যায় কোনো কমতি নেই।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব পর্যায়েই। এক্ষেত্রে ‘কোয়ান্টিটি’ আমাদের বেশ আশ্বস্ত করলেও ‘কোয়ালিটি’র কথা মনে হলে হতাশ হতে হয়।

আমাদের দেশে মাধ্যমিক স্তরে নবম শ্রেণি থেকেই আলাদা বিজ্ঞান শিক্ষা শুরু হয়, তবে উচ্চমাধ্যমিকে একেবারে পাকাপাকি। একদম ছেলেবেলা থেকেই দেখে ও শুনে আসছি যে, সাধারণত বেশি মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীরা ব্যবসায় শিক্ষা এবং বাকি গড়পড়তা সবাই মানবিক বিভাগে পড়তে আগ্রহী হয় এবং পড়ে থাকে।

আমাদের কলেজের হেড ক্লার্ক ইনামূল হক (শিক্ষার্থী-শিক্ষক সবার অতি প্রিয় এবং সবার কাছে ‘ভাইছাব’ নামে পরিচিত) খুবই রসিকজন। বিএ পাশ করার পর ১৯৬৪ সালে কলেজ চালুর দিনেই তিনি চাকরিতে যোগ দিয়ে সেখান থেকেই ২০০০ সালে অবসরে যান।

একসময় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বেশ অভিজ্ঞতাও সঞ্চয় হয় তার। বেতন প্রদান বা এমন কাজে কোনো শিক্ষার্থী অফিসে তার কাছে গেলে নামের পর বিভাগ লেখার বেলায় তিনি মুখের দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করতেন, ‘ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজার, নাকি মন্ত্রী-আপনি কোন বিভাগের শিক্ষার্থী, কী লিখব?

এর সরলার্থ : বিজ্ঞান পড়া মানে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, ব্যবসায় শিক্ষা মানে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আর গড়পড়তা মানবিক বিভাগ নিয়ে পড়া মানে রাজনীতি এবং একসময় এমপি-মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ!

কেবল শিক্ষকতা জীবন নয়, ব্যক্তিজীবনেরও ঘটে যাওয়া অনেক অম্ল-মধুর ঘটনা এখন আর আমি আগের মতো মনে রাখতে পারি না, সহজে ভুলে যাই।

তবে এক্ষেত্রে খানিকটা বুদ্ধি খাটালাম, যাতে বিষয়টি বিস্মৃত হয়ে না পড়ি। তারিখ : ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫। একে একে প্রায় ছয়টি বছর গত হয়ে গেল। হঠাৎ পুরোনো জামার পকেট থেকে বের হয় আবেদনপত্রের কপিটি।

কলেজের অধ্যক্ষ ছুটি নিয়ে ঢাকায় গেলেন। তার অনুপস্থিতিতে আমি দায়িত্ব পালন করছি। একসময় একজন ছাত্র এসে কক্ষে ঢুকল, হাতে ফি মওকুফের একটি আবেদনপত্র। আবেদনপত্রটি ভালো করে না পড়েই আমি ছাত্রটিকে বোঝাতে চেষ্টা করি, টাকা মওকুফের ব্যাপার, ও যেন আগামীকাল অধ্যক্ষ ফিরে এলে সরাসরি তার হাতেই সেটি দেয়। কিন্তু না; সে এখনই এবং আমার কাছেই সেটি দিয়ে দিতে চায়। বারবার অনুরোধে শেষ পর্যন্ত আমি তা গ্রহণ করি এবং যথারীতি সে বিদায় নিয়ে চলে যায়। অন্য একটি কাজ শেষ করে আবেদনপত্রটিতে চোখ রাখতেই প্রচণ্ড একটি ধাক্কা খাই। ও মা, এ আমি কী দেখছি!

শিক্ষার মান যে নিম্নগামী, তা আমাদের স্বাধীনতার পর থেকে (অটোপ্রমোশন ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ব্যাপক গণটোকাটুকির ফল) বেশ সুবিদিত। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের আবেগ-বিহ্বলতা কাটিয়ে বঙ্গবন্ধুর আমলেই পরীক্ষায় নকল বন্ধ ও শিক্ষাব্যবস্থায় মোটামুটি একটি স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে। পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের আমলে সত্তরের দশক পর্যন্ত মোটামুটি তা অব্যাহত থাকে। কিন্তু আশি ও নব্বইয়ের দশকে শিক্ষা বিভাগের অনিয়ম, অব্যবস্থা, দুর্নীতি ও অবজ্ঞা-অবহেলার পরিণাম এখন আমরা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছি আর হাড়ে হাড়ে টেরও পাচ্ছি।

সে যাই হোক, মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি। ওই ছাত্রের আবেদনটি মোট ৩৮টি শব্দে লেখা এবং তাতে ১০টি শব্দ সে ভুল বানানে লিখেছে; সেটি আমার কাছে বড় কথা নয়। নিজের শ্রেণিকে সে ‘একাদ্বশ’ বলে উল্লেখ করেছে, তাও বাদ দেওয়া যেতে পারে। অসম্ভবকে ‘অসম্বভ’ এবং নিয়মিত লিখতে গিয়ে লিখেছে ‘নিয়মীত’ এবং এক জায়গায় ‘অকূল’ আবেদনও লিখেছে কলেজের ওই ছাত্র। একটি আবেদনপত্র ‘আবেদন মঞ্জুর করলে বাধিত হব’ বা ‘মঞ্জুর করে বাধিত করবেন’-সচরাচর এমন সব শব্দ দিয়ে শেষ করা হয়। চোখে এবং বেশ মনে লাগার মতো বিষয় হলো, অধ্যক্ষের কাছে লেখা আবেদনপত্রটি সে শেষ করেছে ঠিক এভাবে-‘আবেদনটি মঞ্জুর করে বাধিত হন।’ এখানে ওর বাধিত হওয়া আর অধ্যক্ষের বাধিত হওয়াকে সে একাকার করে ফেলেছে। ‘মরব’ নাকি ‘মারব’ মানে একই কথা (!)। তাও না হয় বাদ দিলাম। একে একে অনেক কিছুই তো উপেক্ষা করলাম, তাহলে এতক্ষণ ধরে কেন এমন প্যাঁচাল? ইতোমধ্যে যাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে গেছে এবং প্যাঁচাল থেকে মুখ ঘুরিয়ে অন্যত্র মনোনিবেশ করেছেন তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যারা ধৈর্য ধরে এখনো আমার ‘প্যাঁচালে’র শেষটা জানার অপেক্ষায় রয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা।

আমার যা বেশি মনে লেগেছে তা হলো, ছাত্রটি ওর আবেদনপত্রে ফি বা ফি মওকুফ কথাটি লিখেছে একে একে তিন জায়গায় এবং তিনবারই সে লিখেছে ‘ফ্রি’ বা ‘ফ্রি মওকুফ’। আরও কথা-গড়পড়তা মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাধারণ মানের কেউ নয়; সে বিজ্ঞান বিভাগের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। তাহলে এই ছাত্র বা এমন ছাত্রের ভবিষ্যৎ কী? তার নিজের, পরিবারের, কলেজের, সর্বোপরি সমাজের কী কাজে আসবে এমন শিক্ষা?

অথচ উদ্যোগ-আয়োজনের কোনো কমতি নেই। দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছড়াছড়ি। চারদিকে বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি ৫-১০ বছর আগের তুলনায়ও শিক্ষার্থীদের সামনে এখন অবারিত সুযোগ। ঘাটতি কেবল মান আর সঠিক দেখভালের। উল্লিখিত শিক্ষার্থী কিংবা ঘটনাটিকে আমি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজের বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় বলে মনে করি না। এখনই মনোযোগী হওয়া দরকার-শিক্ষার্থী, শিক্ষক, নীতিনির্ধারক, সরকার-সবার।

বিমল সরকার : অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক

Source: Daily Jugantor
25
আমরা যারা ১৯৭০ সালের আগে জন্মেছি তারা বিশেষ ভাগ্যবান আজকের পৃথিবীতে..

কেন??

.....আমরা সমস্ত প্রযুক্তির ব্যবহার জানি এবং উপভোগ করি ......!!!
         
কিন্তু .....

আমরা কখনো জানোয়ারের মত বইয়ের পাহাড় মাথায় করে বিদ্যালয় যাই নি।

👌আমাদের মা বাবাকে কখনো আমাদের পড়াশোনার চিন্তায় নিজেদের জীবন ব্যতিব্যস্ত করতে হয় নি...!

👍    স্কুলের পরেও সূর্যাস্ত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে খেলতাম প্রান খুলে.....

👍 আমরা প্রাকৃতিক বন্ধুদের সাথে জীবন কাটাতাম, net  friends দের সাথে নয়......।

যখনই তৃষ্ণার্ত থাকতাম মন খুলে কল থেকে জল খেতাম,  জীবানুর ভয়ে pure it থেকে নয়..

তাও অসুস্থ হয়ে পড়ি নি।

আমরা ১ টাকার আইসক্রিম ৪ জন ভাগ করে খেয়েও পেট খারাপ করে বসি নি।

আমরা প্রতিদিন পেট ভরে ভাত আর প্রান খুলে মিষ্টি খেয়েও মোটা হয়ে পড়ি নি।

খালি পায়ে জমিতে ফুটবল খেলা সত্বেও পা ভেঙে ফেলিনি।

সুস্থ থাকার জন্য কখনো revital দরকার হয় নি ।

খেলনা আমরা নিজেরাই বানিয়ে খেলতাম

মা বাবার কাছে থেকেই মানুষ হয়েছি,  mentor দরকার হয় নি ।

আমরা সব ভাই বোনেরা একরকম জামা কাপড় পরে মজা পেতাম ..common বলে নয়....

একরকম হওয়ার আনন্দে..


শরীর খারাপ হলে ডাক্তার আমাদের কাছে আসতো,  আমরা ওই অবস্থায় যেতাম না।

আমাদের কাছে  মোবাইল, DVD's, Play station, Xboxes, PC, Internet, chatting ছিল না

 কারন আমাদের কাছে সত্যিকারের বন্ধু ছিলো ।

বন্ধুকে না জানিয়ে তার ঘরে গিয়ে একসাথে খাওয়া দাওয়া করে মজা পেতাম । কখনো ফোন করে appointment নিতে হয় নি।


We are not special, but we are fortunate and enjoying generation

যখন আমরা ছোট ছিলাম হাতগুলো জামার মধ্যে
ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম, আমার হাত নেই,

একটা পেন ছিল, যার চার রকম কালি, আর আমরা তার চারটে বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম,
🏠🚪
দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকতাম কেউ এলে চমকে দেব বলে, সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম,
🌙🏃
ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি, চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে
,
💡👆
সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স করার চেষ্টা করতাম,
💧💧
দু -ফোটা জল ফেলে রেস করাতাম, কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে,
☔🍀
বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম, দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না,
🎒
তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল, সেটা হল স্কুলব্যাগ,
🙇🏉🌱
ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম,
পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে,
🏡🏃
ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম, ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত....

আমরাই শেষ জেনারেশন যাঁরা পৃথিবীর বুকে স্বর্গ দেখেছি। আর কোনো জেনারেশনই হয়তো আর তা দেখতে পাবে না।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা গরুর গাড়ি থেকে সুপার সনিক কনকর্ড জেট দেখেছি।

পোস্টকার্ড, খাম, ইনল্যান্ড লেটার থেকে শুরু করে আজকের হোয়াটস্যাপ চ্যাটিং, ফেসবুক, ই-মেইল পর্যন্তও করছি। অসম্ভব মনে হওয়া অনেক জিনিসই সম্ভব হতে দেখেছি।

আমরা সেই জেনারেশন, যারা টেলিগ্রাম এসেছে শুনলেই ঘরগুষ্টির মুখ শুকিয়ে যেতে দেখেছি…

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা মাটিতে বসে ভাত খেয়েছি আর প্লেটে ঢেলে চা খেয়েছি সুরুৎ শব্দে, পরে জেনেছি ওটা বদ-অভ্যাস ।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ছোটবেলায় বন্ধুদের সাথে  লুকোচুরি, টিলো এক্সপ্রেস, ডাঙ্গুলি, দাড়িয়াবাধা, গোল্লাছুট, মার্বেল খেলেছি, কাগজের ঘুড়ি বানিয়ে আকাশে উড়িয়েছি।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা হ্যারিকেন আর কূপির আলোতে পড়াশুনা করেছি, বেত থেকে পাখার ডাঁটির চাপকানি খেয়েছি আর চাদরে হাফ বডি ঢুকিয়ে উপুড় হয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েছি দস্যু বনহুর, মাসুদ রানা, কুয়াশা সিরিজ।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা এসি, হিটার, ফ্রীজ, গ্যাস, মাইক্রোওভেনের অস্থাবর সুখ ছাড়াই  কাটিয়েছি ছোটবেলা।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা বিনা টিফিনে স্কুলে গেছি, ইস্কুলে টিচারের হাতে মার খেয়ে, বাড়ি এসে নালিশ করাতে সেকেন্ড-রাউন্ড বেদম ফ্রি-ষ্টাইল ওয়ান-ওয়ে ফাইট সহ্য করেছি। আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা বড়দের সন্মান  করেছি।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন  যারা জোৎস্না রাতে ছাদে ট্রানজিস্টরে বিবিসি’র খবর, অনুরোধের আসর আর সৈনিক ভাইদের দুর্বার অনুষ্ঠান এর শেষ সাক্ষী।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন  যারা টেলিভিশনে খেলা দেখার জন্য ছাদে উঠে এ্যন্টেনা এডজাস্ট করে স্যিগনাল ধরার চেষ্টা করেছি। আমাদের ছিল তিন লাঠির এন্টেনা, আর ছিল টিভি স্ক্রিনে পার্মানেন্ট ঝিলমিলানি, তাতে কোনও প্রব্লেমই হোত না, ওটা জীবনের অঙ্গ ধরাই ছিল। গন্ডগোল পাকাতো ঐ বেয়াড়া লোডশেডিং।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ইচ্ছে করে বৃষ্টি ভিজে ইস্কুল থেকে বাড়ি ঢুকেছি। আমরা সেই শেষ জেনারেশন যাঁরা পাশের জঙ্গলে শিয়াল ডাকার আগেই বাড়ি ঢুকেছি।

আমরা সেই শেষ জেনারেশন যারা পূজো বা ঈদের সময় শুধু একটা নুতন জামার জন্য অপারগ বাবার  দিকে চেয়ে থেকেছি।

আমরাই লাষ্ট জেনারেশন যারা এখনও সত্যিকারের বন্ধু খুঁজি। যেখানে নতুন প্রজন্ম ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম আর হোয়াটস অ্যাপের নেশায় বুঁদ!

আমরা  সেই জেনেরেশন কলেরা রোগে হাজার হাজার মৃতু দেখেছি । এখন শেষ করোনায়
দেখলাম লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃতু
সেই দিন সেই সময় আর আসবেনা। তবে স্মৃতিটুকু রয়ে গেছে।       


👦👧
মনে আছে ❓
👭👬👫
যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতনা যে কবে বড় হব,
👨👩👴👮👳👲👷
আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম ❗
🙆🙅💁🙋
Childhood was the best part of our life.
📃📄
আমি জানি তুমি এগুলো পড়ছো,
আর তোমার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে,
ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে...
🎅
-তুমি বড়ো হয়ে
কি হতে চাও❓❔❓
🚣🚴🏊
উত্তর-
আবার ছোট হতে চাই৷

বলবো forward
 করতে, তারাও যেন ভালোলাগার স্মৃতিগুলো মনে পড়লে ভালো লাগে 👭👭👬👬
(সংগৃহীত)
26
আদম (আঃ) এর মধ্যে রুহ ফুঁকে দেবার আগে যা ঘটেছিল

ইবনে কাসির রহমতুল্লাহ বলেছেন, সুতরাং আদম (আঃ) কে মানুষের আকারে রূপ দিলেন আল্লাহ্‌ তা’আলা। কিন্তু তিনি তাঁকে অনেক সময় মাটির আকারেই রেখে দিলেন। ফেরেশতারা প্রতিনিয়ত তাঁকে পাশ কাটিয়ে চলাচল করতো। তার আকৃতি দেখতে ভয়ংকর ছিল। ইবলিস প্রায় সময়ই আদমের আকৃতিটাকে অতিক্রম করতো, আর ওটাতে টোকা মারতো; ফলে মাটির পাত্রে আঘাত করলে যেমন ফাঁপা আওয়াজ হয় তেমন শব্দ হতো।

خَلَقَ الۡاِنۡسَانَ مِنۡ صَلۡصَالٍ کَالۡفَخَّارِ

আল্লাহ্‌ আমাদের জানিয়েছেন: তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে। (সূরা আর-রহমান: আয়াত ১৪)

আবু হুরাইরা হইতে বর্ণিত আছে যে, মহা নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: অতঃপর আল্লাহ্‌ তাঁকে তেমন অবস্থাতেই রেখে দিলেন যতদিন ধরে সেটা কুমোরের চটচটে মাটিতে পরিণত হয়। ইবলিস প্রায়শই তাঁর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলতো ‘তোমাকে একটি মহান উদ্দেশ্যের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে।’

27
Company Profile / Short Profile of Alphabet
« Last post by Salma Akter on January 07, 2022, 09:41:13 AM »
Alphabet, Inc. is a holding company, which engages in the business of acquisition and operation of different companies. It operates through the Google and Other Bets segments. The Google segment includes its main Internet products such as ads, Android, Chrome, hardware, Google Cloud, Google Maps, Google Play, Search, and YouTube. The Other Bets segment consists of businesses such as Access, Calico, CapitalG, GV, Verily, Waymo, and X. The company was founded by Lawrence E. Page and Sergey Mikhaylovich Brin on October 2, 2015 and is headquartered in Mountain View, CA.

Source: https://www.forbes.com/companies/alphabet/?sh=7b269719540e
28
Famous people Quote / Famous Quotes of Franklin Delano Roosevelt
« Last post by Salma Akter on January 07, 2022, 09:27:07 AM »
Franklin Delano Roosevelt:

"The only thing we have to fear is fear itself."

"It takes a long time to bring the past up to the present."

"The truth is found when men are free to pursue it."

"I think we consider too much the good luck of the early bird and not enough the bad luck of the early worm."

The virtues are lost in self-interest as rivers are lost in the sea."

Source:https://www.thoughtco.com/famous-short-quote-2833143
29
Inspiring Quotes / short positive message
« Last post by Salma Akter on January 07, 2022, 09:14:28 AM »
“Let your unique awesomeness and positive energy inspire confidence in others.” “Wherever you go, no matter what the weather, always bring your own sunshine.” “If you want light to come into your life, you need to stand where it is shining.” “Success is the sum of small efforts repeated day in and day out".

Source: https://www.google.com/search?rlz=1C1BNSD_enBD949BD949&q=A+peace+of+mind+quotes&sa=X&ved=2ahUKEwiL0eDh0p71AhWSIbcAHf4kDls4ChDVAnoECAgQAQ&biw=1280&bih=609&dpr=1.5
30
Call Centre / Introducing DIU Call Center
« Last post by Mukter Ahmed on January 05, 2022, 03:30:43 PM »
Now DIU introduce so many call centers to ensure students flexible and smooth support Like
DIU Accounts Section Call Center which number is 09617901212 Ext-1
DIU Admission Office Call Center, which number is 09617901212 Ext-2
DIU Hostels Call Center, which number is 09617901212 Ext-3

Introducing this facility students can get 24/7 support for any kind of problem and help.
Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10