Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - khairulsagir

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 10
61
যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমান করে তোলার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। যন্ত্র যাতে মানুষের মতো চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এ জন্য যন্ত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করতে চায় গুগল। গতকাল বৃহস্পতিবার কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরির উদ্যোগ হিসেবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা গবেষকদের সঙ্গে চুক্তি করেছে গুগল কর্তৃপক্ষ। এএফপির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ডার্ক ব্লু ল্যাবস ও ভিশন ফ্যাক্টরির গবেষকেরা মিলে গুগলের ডিপমাইন্ডের সঙ্গে কাজ করবেন। ডিপমাইন্ড হচ্ছে লন্ডনভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা গবেষণাপ্রতিষ্ঠান। এ বছর ডিপমাইন্ডকে কিনেছে গুগল।
গবেষকেরা জানান, গুগল ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা মিলে এমন যন্ত্র তৈরি করবেন, যা দেখতে পারে, থাকবে শোনার ক্ষমতা। বুদ্ধিমান কৃত্রিম সঙ্গী ও অনলাইন সার্চ টুল হিসেবেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে।
গুগল বর্তমানে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির গাড়ি, রোবট, কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরিতে কাজ করছে।

২০২৯ সালে রোবট মানুষ!
কবে তৈরি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমান যন্ত্র? গবেষকেরা ভবিষ্যৎদ্বাণী করছেন, ২০২৯ সালের মধ্যেই মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির পর্যায়ে চলে আসবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন যন্ত্র। এ সময়ের মধ্যে রোবট বা কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রগুলো মানুষের মতো চিন্তা করতে পারবে, ভালো-মন্দের সিদ্ধান্ত নিতেও সক্ষম হবে। মার্কিন প্রকৌশলী ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষক রে কার্জউইল এ আশা ব্যক্ত করেছেন।
গুগলের গবেষক রে কার্জউইলের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে, এমন কম্পিউটার ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাজে লাগানো যায়। মানুষের ক্ষেত্রে আবেগ শনাক্ত করাটা বুদ্ধিমত্তার একটি বড় বৈশিষ্ট্য। কৃত্রিম বুদ্ধিবৃত্তিক যন্ত্রের মধ্যেও এ বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন, যাতে মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ করতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমানরা। আবেগ বুঝতে পারলে এসব যন্ত্র ভাষা বুঝতে পারবে আর ভাষা বুঝতে পারলেই জ্ঞানে ঋদ্ধ হবে রোবট।
আসছে মানুষের মতো বুদ্ধিমানেরা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে রে কার্জউইল বিবিসিকে জানিয়েছেন, বর্তমানে কৃত্রিম গবেষণা দ্রুত এগিয়ে চলছে। আইবিএমের তৈরি ওয়াটসন কম্পিউটার এখন ধাঁধা গেম খেলতে পারে। এ ছাড়া তৈরি হয়েছে স্বয়ংক্রিয় বা চালকবিহীন গাড়ি। এখন মুঠোফোনেও চলে এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
রে কার্জউইল ভবিষ্যৎদ্বাণী করেছেন, ২০৪৫ সাল নাগাদ মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে যন্ত্রের বুদ্ধিমত্তা ছাড়িয়ে যাবে এমন ধারণা করা হলেও এ সময়ের আগেই তা অর্জন করা সম্ভব। ২০৩০ সাল নাগাদ মানুষের মস্তিষ্ক থেকে সরাসরি যন্ত্রে তথ্য স্থানান্তর করা যাবে।

বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরি সম্ভব?
মানুষের মতো বুদ্ধিমান কম্পিউটার কী আদৌ তৈরি করা সম্ভব? আর যদি তা হয়ও, তবে কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াবে? এ প্রশ্নটির উত্তরও খোঁজার চেষ্টা করছেন গবেষকেরা।
বর্তমান বিশ্বের কিংবদন্তি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মনে করেন, বুদ্ধিমত্তার দিকে থেকে যন্ত্র অনেক এগিয়ে যাবে। মানুষের চেয়ে যন্ত্রের বুদ্ধি হবে বেশি। যেকোনো কিছুতেই নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এবং ভবিষ্যতে মানুষের জন্য বিপদই ডেকে আনবে।
যে কারণে মানুষ বিলুপ্ত হতে পারে
গুগলের গবেষণা

বোস্টন ডাইনামিকসসহ আটটি রোবট নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান কেনার পর প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, রোবট নিয়ে বড় ধরনের পরিকল্পনা করছে গুগল। কিন্তু কী সেই পরিকল্পনা? গুগলের ‘এক্স ল্যাব’ নামের একটি গোপন পরীক্ষাগারের অস্তিত্বের কথা প্রায়ই শোনা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, গুগলের এক্স ল্যাবে নতুন কিছু তৈরি হচ্ছে। এই গোপন পরীক্ষাগার থেকেই এসেছে স্মার্টগ্লাস, স্মার্ট কার। মার্কিন গবেষকেরা ধারণা করছেন, রোবট নিয়ে ভিন্ন কোনো পরিকল্পনা রয়েছে গুগলের। প্রযুক্তি-বিশ্লেষক কেভিন ও’রেইলি জানিয়েছেন, গুগল সম্ভবত উন্নত সেন্সর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে চায়। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যেসব উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান উন্নত সেন্সর ও সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করে, সেগুলোকেই কিনেছে গুগল।
গুগলের কর্মকর্তা অ্যান্ডি রুবিন জানান, বুদ্ধিমান রোবট তৈরির ক্ষেত্রে সফটওয়্যার ও সেন্সরের উন্নয়ন করার প্রয়োজন পড়বে। একদিন এ ক্ষেত্রটিতেও গুগল নজর দেবে বলে আশা করছেন তিনি। কোয়ান্টাম কম্পিউটারের জন্য কোয়ান্টাম ইনফরমেশন প্রসেসর তৈরিতে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে গুগল কর্তৃপক্ষ। সুপারকন্ডাক্টিং ইলেকট্রনিকসের ওপর ভিত্তি করে এই চিপ তৈরিতে কাজ করবেন গুগলের গবেষকেরা। এ প্রকল্পের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা বারবারার পদার্থবিদ জন মার্টিনিস গুগলে যোগ দিয়েছেন। গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোয়ান্টাম কম্পিউটার অপ্টিমাইজেশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন কোয়ান্টাম আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স ল্যাবের গবেষকেরা। এই ল্যাব তৈরি হয়েছে গুগল, নাসার আমেস রিসার্চ সেন্টার ও ইউনিভার্সিটিস স্পেস রিসার্চ সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ে।
গুগলের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পরিচালক হার্টমুট নেভেন বলেন, ‘হার্ডওয়্যার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কোয়ান্টাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের টিমের সদস্যরা এখন নতুন ধরনের কোয়ান্টাম প্রসেসর, চিপ বা এক্ষেত্রের নতুন ধারণা বাস্তবায়ন করতে পারবেন।’[/size]

http://paimages.prothom-alo.com/contents/cache/images/643x0x1/uploads/media/2014/10/24/f5de2893c827228f46f023be026504d3-artificial_intelligence_005.jpg




Source:www.prothom-alo.com

62
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য হাতিয়ে নিয়ে অর্থ চুরি করতে মোবাইল ফোনকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। অ্যান্টি ভাইরাস নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ল্যাবসের গবেষকেরা ২২ অক্টোবর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন। এএফপির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি ক্যাসপারস্কি ল্যাবস ও ইন্টারপোল মিলে মোবাইল ম্যালওয়্যার আক্রমণবিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ২০১৩ সালের আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের জুলাই পর্যন্ত মোবাইল থেকে অর্থ চুরি বা ব্যাংক হিসাবের তথ্য হাতিয়ে নিতে যেসব ভাইরাস প্রোগ্রাম তৈরি হয়েছে, এর ৬০ শতাংশই অ্যান্ড্রয়েডকে লক্ষ্য করে তৈরি।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের বাজারের ৮৫ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েডের দখলে আর ম্যালওয়্যারের ৯৮ শতাংশই এই অপারেটিং সিস্টেমকে আক্রমণের জন্য তৈরি। অনলাইনে অন্যান্য কার্যক্রমের মতোই সাইবার দুর্বৃত্তরা এখন মোবাইলের দিকে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে কারণ মোবাইল থেকে মানুষ এখন বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করেছে।
গবেষকেরা জানান, ক্যাসপারস্কির নিবন্ধিত গ্রাহকদের মধ্যে জরিপে দেখা গেছে, গত এক বছরে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী আর্থিকভাবে ক্ষতি সাধনে সক্ষম এমন ম্যালওয়্যারের আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন, যা আগের বছরের চেয়ে ছয় গুণ বেশি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মোবাইলে আর্থিক লেনদেন বেড়ে যাওয়া ও স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে সাইবার দুর্বৃত্তরা এত বেশি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম তৈরি করছে। উৎস নিশ্চিত না হয়ে কোনো অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার ফলে স্মার্টফোনে ম্যালওয়্যার আসতে পারে।

ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যারের শিকার। এ ছাড়া ইউক্রেন, স্পেন, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, জার্মানি, ভারত ও ফ্রান্সে অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যার আক্রমণ বেশি লক্ষ করা গেছে।




Soruce: www.prothom-alo.com

63
Public Health / চোখ ওঠায় ভয় নেই
« on: October 23, 2014, 01:24:59 PM »
চোখ ওঠা একটি অতি পরিচিত সমস্যা। মাঝে মাঝেই এই সমস্যা খুব বেশি আকারে ছড়িয়ে পড়ে। ইদানীং অনেকের চোখ উঠতে দেখা যাচ্ছে। চোখ ওঠা আসলে কী, কেন হয় এবং এর চিকিৎসাই বা কী—আসুন জেনে নেওয়া যাক।

চোখ ওঠা মানে কী?
আমাদের চোখের সাদা অংশটুকু একটা পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে—যার নাম কনজাংটিভা। এই কনজাংটিভায় যখন সংক্রমণ বা প্রদাহ হয়, তখন এর সূক্ষ্ম রক্তনালিগুলো লালচে হয়ে ওঠে এবং পুরো চোখের সাদাটুকুই তখন লাল হয়ে যায়। এর সঙ্গে থাকে আরও কিছু উপসর্গ। যেমন চুলকানি, অস্বস্তি, ব্যথা, আলোক সংবেদনশীলতা, ঘন সাদাটে বা হলদেটে নিঃসরণ ইত্যাদি। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কনজাংটিভাইটিসের কারণ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস। তবে অ্যালার্জি, ঠান্ডা সর্দি বা চোখ কোনো রাসায়নিক বা ক্ষতিকর পদার্থের সংস্পর্শে এলেও কনজাংটিভায় প্রদাহ হয় ও চোখ লাল দেখায়। ভাইরাসজনিত চোখ ওঠায় পাতলা বর্ণহীন পানি পড়ে বেশি। তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত হলে নিঃসরণটি ঘন ও একটু হলদেটে হয়ে থাকে।

চোখ উঠলে কী করা?
ভাইরাসই হোক কি ব্যাকটেরিয়া—চোখ ওঠা অত্যন্ত সংক্রামক। উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরবর্তী এক-দুই সপ্তাহ রোগী অন্যকে এই রোগ ছড়াতে পারেন। সে কারণে স্কুল-কলেজ, অফিস বা ঘনবসতি পূর্ণ এলাকায় একসঙ্গে অনেকে এতে আক্রান্ত হন। ভাইরাসজনিত চোখ ওঠার তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত সন্দেহ করলে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা হয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা নেওয়া হোক আর না হোক, এটি বেশ কয়েক দিন পর এমনিতেই সেরে যায়। ব্যথা-বেদনা ও অস্বস্তি কমাতে কিছু পরামর্শ:
—একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা বা গজ পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভালো করে চিপে নিংড়ে নিন, এবার চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর চেপে ধরুন। দিনে বেশ কয়েকবার এটি করলে আরাম পাবেন। কখনো একবার ঠান্ডা একবার হালকা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিতে পারেন। চোখের ধারগুলোতে যে ময়লা নিঃসরণ জমে আঠালো হয়ে থাকে, সেটাও এভাবে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিন বারবার।
—অ্যান্টিহিস্টামিন চোখের ড্রপ ব্যবহার করলে চুলকানি ও অস্বস্তি অনেকটাই কমবে। তবে তার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।
—এই সময়টাতে চোখে কনটাক্ট লেন্স এবং যেকোনো ধরনের কসমেটিকস ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
—আলোক সংবেদনশীলতার কারণে কালো সানগ্লাস ব্যবহার করলে অস্বস্তিভাব কিছুটা কমবে।
—বাড়িতে অন্যদের চোখ উঠলে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে নিরাপদ থাকতে পারবেন। যেমন বারবার হাত পরিষ্কার করুন, চোখে হাত দেবেন না। অবশ্যই নিজ নিজ ব্যবহার্য জিনিস যেমন তোয়ালে, বালিশের কভার ইত্যাদি আলাদা রাখবেন। চোখে ব্যবহার করা হয় এমন প্রসাধনী কারও সঙ্গে বিনিময় না করাই উচিত। শিশুদের বেলায় এসব সতর্কতা মেনে চলুন।

চোখ ওঠায় ভয় নেই
চোখ ওঠা বিরক্তিকর ও কষ্টকর সমস্যা হলেও এতে ভয়ের কিছু নেই। কয়েক দিন বা এক সপ্তাহ পর এটি আপনাআপনি সেরে যায়। দীর্ঘমেয়াদি হলে বা অন্য কোনো সমস্যা যেমন জ্বর, প্রচণ্ড ব্যথা, দৃষ্টি সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ওয়েবমেড|




Source: www.prothom-alo.com

65
চাকরি মানেই কি সোনার হরিণ? মোটের ওপর সবার ধারণা হয়তো তেমনটাই। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশে কাজের বাজার দিনে দিনে বড় হচ্ছে।
দেশের কর্মক্ষেত্র নিয়ে সরকারি জরিপ এবং বিশ্বব্যাংক ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরে দেশে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় ১৯ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। সামনের বছরগুলোতে এই বৃদ্ধির হার আরও আশাব্যঞ্জক হবে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের তথ্য অনুসারে, ২০১১-১৫ এই পাঁচ বছরে মোট এক কোটি চার লাখ লোকের নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য রয়েছে। আর বিশ্বব্যাংক বলছে, এখন প্রতিবছর নতুন করে ১৩ লাখ মানুষ বাংলাদেশর শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির ২০১২ সালের এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর ২২ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি হওয়াতেই দেশের কাজের বাজার বড় হচ্ছে।

কোথায় তৈরি হচ্ছে কর্মক্ষেত্র: গত বছরের প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমবাজার বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন, বিপণন প্রতিষ্ঠান, আর্থিক সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা-প্রশাসনিক খাতে, কৃষি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, পর্যটনশিল্প, আবাসন, স্বাস্থ্য ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বেড়েছে। কাজের সুযোগ বেড়েছে টেলিযোগাযোগ খাত, পোশাকশিল্প, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবার প্রতিষ্ঠানে।
পরিকল্পনা কমিশনের সূত্র মতে, বাংলাদেশে আরেকটি বিকাশমান ক্ষেত্র হচ্ছে ওষুধশিল্প। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন বাউশিয়া ও লক্ষ্মীপুর মৌজায় ২০০ একর জমিতে ওষুধশিল্প পার্ক স্থাপন করবে সরকার। সেখানে ওষুধশিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য ৪২টি প্লট হবে। এতে প্রায় ২৫ হাজার লোকের সরাসরি কর্মসংস্থান হবে।
এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রথম আলো জবসসহ বিভিন্ন চাকরির পোর্টালে ৭০ হাজারেরও বেশি চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে বিক্রয় ও বিপণন খাতে লোকের চাহিদা ছিল বেশি।

শ্রমশক্তির বর্তমান চিত্র: বাংলাদেশ সরকারের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন পর্যালোচনা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১০-১১ থেকে ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেশের ভেতরে নতুন সাড়ে ৪৭ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এ ছাড়া ওই তিন বছরে ১৫ লাখ ৭০ হাজার লোক বিদেশে গেছেন। ২০১১-২০১৫ এই পাঁচ বছরে দেশ ও দেশের বাইরে মোট এক কোটি চার লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই হিসাবে, এই অর্থবছরে প্রায় ১৭ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। একই সময়ে দুই লাখ লোক কাজের জন্য বিদেশে যাবেন। সব মিলিয়ে নতুন করে প্রায় ১৯ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
তবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সমীক্ষা অনুযায়ী, কোনো দেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশ হলে নতুন করে আড়াই লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়। চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই হিসাবে, আগামী অর্থবছরে প্রায় ১৮ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। একই সময়ে দুই লাখ লোক কাজের জন্য বিদেশে যাবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষিত তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান কীভাবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এই অর্থবছরে এক হাজারের বেশি উন্নয়ন প্রকল্পে ৮৬ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে। এর বেশির ভাগ বিনিয়োগমুখী প্রকল্প। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বিনিয়োগে আকৃষ্ট ও মানবসম্পদ উন্নয়ন করা হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং’ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার শিক্ষিত তরুণের কর্মসংস্থান হবে।

শ্রমশক্তি রপ্তানি: বাংলাদেশের মানুষের একটি বড় অংশের কর্মসংস্থানের বাজার রয়েছে দেশের বাইরে। এই বাজারে শিক্ষিতের পাশাপাশি স্বল্প শিক্ষিত, অশিক্ষিত ব্যক্তিরা যেমন আছেন তেমনি দক্ষ-অদক্ষ সব শ্রেণীর মানুষ আছেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর দেওয়া তথ্য অনুসারে, ১৯৭৬ থেকে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিদেশে ৮৯ লাখ ৫৬ হাজার ৮১০ জন বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। ধারণা করা হয়, সব মিলে এ সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে গেছে।
পোশাকশিল্প: দেশের মধ্যে সিংহভাগের কর্মসংস্থান হয়েছে পোশাকশিল্পে। পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম প্রথম আলোকে বলেন, সংগঠনের সদস্যভুক্ত তিন হাজার ৫৫১টি পোশাকশিল্প কারখানায় মোট ৪২ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন, যাঁদের বেশির ভাগই নারী। ২০১০-১১-তে এই সংখ্যা ছিল ৩৬ লাখ। আগামী বছরগুলোতে এই খাতে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলে বিজিএমইএ মনে করছে।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত: দেশে এখন ছয়টি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের তথ্য অনুসারে, দেশে মোবাইল গ্রাহকের ১১ কোটি ৬৫ লাখ। সক্রিয় এই বিপুল পরিমাণ গ্রাহককে সেবা দেওয়ার জন্য প্রতিটি মোবাইল অপারেটর নানা পর্যায়ে লোক নিয়োগ দিয়ে আসছেন। মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব জানিয়েছে, ছয়টি মুঠোফোন কোম্পানিতে স্থায়ী পদে আছেন ১৩ হাজার কর্মী। তবে এই খাতে নানা স্তরে কর্মসংস্থান হয়েছে ১৬ লাখ মানুষের। ফোনে টাকা ভরা (রিচার্জ) পাশাপাশি এখন মোবাইল ব্যাংকিং সেবাও দেওয়া হচ্ছে সেখানে। এ ছাড়া মুঠোফোন মেরামত, বিভিন্ন উপকরণ বিক্রি করেও অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পাশাপাশি কম্পিউটারনির্ভর বিভিন্ন সেবার প্রচুর দোকান ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সারা দেশে।

শ্রমশক্তিতে তরুণ নেতৃত্ব: বর্তমানে দেশের মোট কর্মক্ষম ব্যক্তির বেশির ভাগই তরুণ, যাঁদের বয়স ১৫ থেকে ২৯। আনুপাতিক হারে জনসংখ্যা যেমন বেড়েছে তেমনি কাজের ক্ষেত্রও বেড়েছে। এমনই তথ্য দিচ্ছে বাংলাদেশের সর্বশেষ শ্রম জরিপ। এখন দেশের মোট কর্মক্ষম ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে তরুণ। এই হার ৫৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ২০১২ সালের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক-স্নাতকোত্তরসহ উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী। পড়াশোনা শেষ করে এই তরুণ জনবল ঢুকছেন কর্মক্ষেত্রে। চাকরির পাশাপাশি তরুণদের মধ্যে নিজ উদ্যোগে কিছু করার ইতিবাচক প্রবণতাও লক্ষ করা গেছে।
মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞ গ্রো-এন-এক্সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জুলফিকার হোসেন মনে করেন, প্রতিবছর যে সংখ্যক স্নাতক বের হন, তাঁদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ ও চৌকস করে গড়ে তোলা হলে দেশের বাজারে বিদেশিদের চাহিদা কমে যাবে।

দক্ষ লোকবলের সংকট: বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা অনুসারে এখানকার প্রধান গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো হলো, তৈরি পোশাক, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিজাত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ নির্মাণ, পর্যটন ও হালকা কারিগরি নির্মাণ ইত্যাদি।
এসব খাতের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষায় শিক্ষিত যথাযথ কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীর অভাব রয়েছে। পোশাক খাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য মতে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানা ও বায়িং হাউসে বিদেশি কর্মীর সংখ্যা কয়েক হাজার, যাঁরা প্রত্যেকে মোটা অঙ্কের বেতন পান। মার্চেন্ডাইজার, প্যাটার্ন মাস্টার ও ডায়িংয়ে অনেক বিদেশি কাজ করেন।
এখনো বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় পোশাক খাতের জন্য দক্ষ কর্মী তৈরির বিষয়টি তেমনভাবে গুরুত্ব পায়নি। যদিও দেশের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় কাজের ক্ষেত্র। দেশেই দক্ষ লোকবল তৈরি করা গেলে এই খাতে বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীলতা কমে আসবে, দেশের তরুণেরা এই ক্ষেত্রগুলোতে কাজের সুযোগ পাবেন।
জুলফিকার হোসেন মনে করেন, আগামী পাঁচ বছরে কোন কোন চাকরির জন্য বেশি দক্ষ কর্মী প্রয়োজন তা নির্ধারণ করে সেই অনুপাতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে কাজের বাজার আরও বাড়বে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের কর্মক্ষেত্র-সম্পৃক্ত শিক্ষার ব্যবস্থাও করতে হবে।


http://paimages.prothom-alo.com/contents/cache/images/350x0x1/uploads/media/2014/10/23/c037c964f553b2d02cf7864ba47799aa-23.jpg


Source: www.prothom-alo.com

66
শীত নাকি গ্রীষ্ম, কোন ঋতুতে আপনার জন্ম? জন্মের সময়কার আবহাওয়ার ধরনই ঠিক করে দিয়েছে আপনার মেজাজমর্জি কেমন হবে। গবেষণার পর এমন দাবি করেছে বিজ্ঞানীদের একটি দল।
গবেষণাটি করেছেন হাঙ্গেরির বিজ্ঞানীরা। ৪০০ মানুষের জন্মের ঋতু ও তাদের মেজাজমর্জি নিয়ে গবেষণার পর তাঁরা বলছেন, বছরের নির্দিষ্ট সময়ে জন্মের কারণে নির্দিষ্ট ধরনের মেজাজমর্জি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যেমন গরমের সময় জন্ম হয়েছে, এমন শিশু বড় হওয়ার পর তাদের মনমর্জি ক্ষণে ক্ষণে বদলাতে থাকে। আবার যাদের জন্ম বছরের ঠান্ডা সময়ে, খিটখিটে মেজাজের হওয়ার সম্ভাবনা তাদের ক্ষেত্রে অনেক কম।
বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যা, মানুষের মেজাজমর্জি নির্ভর করে ডোপামাইন ও সেরোটোনিনের মতো নির্দিষ্ট কিছু মনোমাইন নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর। এগুলোর ওপর আবার প্রভাব আছে শীত-গরমের। ফলে জন্মের সময় প্রকৃতিতে শীত নাকি গরম, তার অনেকখানি নির্ভর করে ওই শিশু বড় হয়ে কেমন মেজাজের হবে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও ব্যাপক গবেষণার প্রয়োজন আছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে ৪০০ মানুষের ওপর গবেষণায় যেটুকু জানা গেছে, তার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা বলছেন, কিছু মানুষ দেখা যাবে, যারা এই ফুরফুরে মেজাজে আছে তো পরক্ষণেই বিমর্ষ। এমন হরহামেশা দোল খেতে থাকে যাদের মেজাজ, তাদের বেশির ভাগেরই জন্ম গরমের সময়ে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আবার যারা অতিমাত্রায় আশাবাদী স্বভাবের, তাদের জন্ম গ্রীষ্ম অথবা বসন্তে হতে পারে।
গ্রীষ্মের বিপরীত ঋতু শীতে যাদের জন্ম, তারা সাধারণত খিটখিটে কম হয়। আর সেই সব মানুষের বিষাদগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই, যারা জন্মেছে শরতে।
গবেষক দলের নেতা সহকারী অধ্যাপক জিনিয়া গোন্ডা বলেন, ‘জৈব-রাসায়নিক গবেষণায় দেখা গেছে যে জন্মের ঋতুর আবহাওয়ার ধরন খুব জোরালো প্রভাব রাখে ডোপামাইন ও সেরোটোনিনের মতো নির্দিষ্ট কিছু মনোমাইন নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর। এই প্রভাব থাকে বড় হওয়ার পরও। এসব কিছুর ভিত্তিতে আমাদের মনে হয়েছে, জন্মের সময়কার আবহাওয়ার প্রভাব অনেক দীর্ঘমেয়াদি।

তবে জিনিয়া গোন্ডা এ কথাও বলেন যে এ বিষয়ের ওপর অন্য কেনো কিছুর যে প্রভাব নেই, সে কথা আমরা এখনো বলতে পারছি না। নির্দিষ্ট ঋতু ও নির্দিষ্ট মেজাজের সঙ্গে জিনগত বৈশিষ্ট্যের কোনো ব্যাপার আছে কি না, সেটাই আমরা এখন খুঁজে দেখার চেষ্টা করছি। দ্য টেলিগ্রাফ।



Source: www.prothom-alo.com

67
যেকোনো স্পিকারকে তারহীন ব্লুটুথ স্পিকারে রূপান্তরের নতুন একটি যন্ত্র পাওয়া যাচ্ছে। লজিটেকের এই অ্যাডাপ্টর ব্যবহার করা যাবে আরসিএ প্লাগের স্পিকার ও হোম থিয়েটারের সঙ্গে। ফলে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার থেকে স্পিকার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এটি ৫০ ফুট দূরত্বের মধ্যে কাজ করবে। কম্পিউটার সোর্সের আনা এ যন্ত্রের দাম তিন হাজার টাকা।

http://paimages.prothom-alo.com/contents/cache/images/300x0x1/uploads/media/2014/10/21/4372c3896637711340818f2ed3090e26-2.jpg


Source: www.prothom-alo.com

68
আর দেরি করতে রাজি নয় মাইক্রোসফট। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য বাজারে আনবে প্রতিষ্ঠানটি। মাইক্রোসফটের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ফোর্বস ম্যাগাজিন।

মাইক্রোসফটের পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যটি হবে স্মার্টওয়াচ যা পরিধানকারীর হৃৎস্পন্দন মাপতে পারবে। এ ছাড়া এটি বিভিন্ন মোবাইল প্ল্যাটফর্ম সমর্থন করবে। এতে একবার চার্জ দিলে তা দুই দিনেরও বেশি চলবে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মাইক্রোসফটের স্মার্টওয়াচে দীর্ঘ সময় চার্জ থাকার সুবিধার কারণেই এটি বর্তমানে বাজারে থাকা স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি গিয়ার ও মটোরোলার মটো৩৬০ স্মার্টওয়াচের চেয়ে এগিয়ে থাকবে। এই দুটি স্মার্টফোনে প্রতিদিন চার্জ দিতে হয়।

বাজার গবেষকেরা ধারণা করছেন, নতুন স্মার্টওয়াচ ঘোষণা দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তা বাজারে ছেড়ে দেবে মাইক্রোসফট। স্মার্টওয়াচের ক্ষেত্রে আরেক মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপলেরও আগ্রহ রয়েছে। তারাও শিগগিরই স্মার্টওয়াচ আনতে পারে। অ্যাপলকে ঠেকাতে তাই স্মার্টওয়াচ আনার ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি করছে মাইক্রোসফট।
গত মে মাসে ফোর্বস মাইক্রোসফটের স্মার্টওয়াচ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল যাতে বলা হয়েছিল মাইক্রোসফটের কাইনেক্ট বিভাগ থেকে প্রকৌশলী এনে স্মার্টওয়াচ তৈরির কাজ করছে তারা। এই স্মার্টওয়াচ আইফোন, অ্যান্ড্রয়েডচালিত পণ্য ও উইন্ডোজ ফোন সমর্থন করবে। তবে এ ঘড়ির ব্র্যান্ড নাম কী হবে বা এর দাম সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
বাজার গবেষকেরা বলছেন, মাইক্রোসফট পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য আনলে প্রতিষ্ঠানটির নতুন প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলার হাত ধরেই নতুন ধরনের ডিভাইস বিভাগে পা রাখবে তারা। পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রটি নিয়ে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের যথেষ্ট আগ্রহ দেখানো সত্ত্বেও এ বাজারটি এখনো অজানাই।
গবেষকেরা ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে, আগামী বছর পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের বাজার ৭১০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।



Source: www.prothom-alo.com

69
আমরা এমন একসময়ে বাস করছি, যেখানে বিনোদন আর প্রযুক্তি আমাদের প্রায় গৃহবন্দী করে ফেলছে। কিন্তু আমাদের ও আমাদের শিশুদের সাফল্য গৃহকোণের পরিবর্তে বাইরের জগতেই রয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

তাইওয়ানের ন্যাশনাল চিয়ায়ি ইউনিভার্সিটির গবেষক চিড-ডা উইয়ের নেতৃত্বে এ গবেষণা পরিচালিত হয়েছে।
গবেষকেরা দাবি করেছেন, যেসব স্কুলের চারপাশ সবুজে ঘেরা থাকে সেসব স্কুলে যে শিশুরা পড়ে তারা গণিত ও ভাষা শেখার ক্ষেত্রে ভালো ফল করে। গবেষকেরা ২০০৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ৯৫০ পাবলিক স্কুলের স্যাটেলাইট ছবি ও ইংরেজি ভাষা ও গণিতের ফল বিবেচনা করেছেন। বিদ্যালয়ের পাশে সবুজ এলাকা হিসেবে ২৫০ মিটার থেকে দুই হাজার মিটার পর্যন্ত বিবেচনায় ধরেছেন তাঁরা।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রকৃতি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাদের শিক্ষার ক্ষেত্রেও সেই প্রভাব দেখা যায়।
গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, আপনার শিশু যখন টিভি দেখতে চাইবে কিংবা ঘরের মধ্যে বসে আইপ্যাড, স্মার্টফোনে কোনো কিছু দেখার বায়না ধরবে সে আবদার পূরণের পরিবর্তে তাকে সঙ্গে নিয়ে বাইরে প্রকৃতির মধ্যে থেকে একটু বেড়িয়ে আসুন। এতে আপনার মনও ভালো হবে সেই সঙ্গে শিশুরও মানসিক বিকাশ হবে। তাদের মস্তিষ্ক আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে।




Source: www.prothom-alo.com

70
নখের সৌন্দর্য বাড়াতে নখসজ্জা কে না করেন। সুন্দর নখের প্রত্যাশায় অনেকেই প্রতিদিন হাত ও পায়ের নখের পরিচর্যা করে থাকেন। কিন্তু নখের সৌন্দর্য বাড়াতে অতিরিক্ত সজ্জা ডেকে আনতে পারে বড় ধরনের সমস্যা।

যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, অতিরিক্ত সজ্জার কারণে নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। তাঁদের গবেষণা নিবন্ধটি ফিজিক্যাল বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকেরা নখ বৃদ্ধির জৈবিক নিয়ম জানতে এবং নখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন আঙুলের মাংসে নখ ঢুকে যাওয়া, দুই দিকে নখ ছড়িয়ে যাওয়া ও নখের আকৃতি চামচের মতো হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যার ওপর আলোকপাত করতে এ গবেষণা চালান।

নখ বৃদ্ধির স্বাভাবিক নিয়ম
গবেষকদের অভিমত, নখের নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে বাড়ন্ত নখ সর্বোচ্চ কতটুকু চাপ সহ্য করতে পারবে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

গবেষণায় দেখা যায়, নখের ওপর প্রয়োগকৃত অতিরিক্ত চাপ যদি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে, তাহলে নখ খুব দ্রুত বা আস্তে বাড়তে পারে। বদলে যেতে পারে নখের আকৃতি। এটা সম্পূর্ণ নখের ক্ষেত্রেই হতে পারে।

যদিও বয়স কিংবা জৈবিক রাসায়নিক ক্রিয়ার পরিবর্তনেও নখের পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু অনেক সময় হাত-পায়ের নখ পরিচর্যার (মেনিকিউর ও পেডিকিউর) কারণেও নখের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে।

নখের ওপর চাপ
গবেষণায় দেখা যায়, অনুপযুক্ত নখসজ্জা নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধির ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বাড়তে পারে নখের ওপর চাপ। দীর্ঘমেয়াদে নখের আকৃতিও পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। ফলে নখে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

এই গবেষণা-সংশ্লিষ্ট গবেষক চাইরিল রোচ বলেন, ‘এটা লক্ষণীয় যে অনেকেই তাঁদের নখকেই আকর্ষণীয় করে তুলতে চান। গবেষণার ফলাফল পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, নখের সৌন্দর্য নিয়ে খুঁতখুঁতে ব্যক্তিরা সাধারণত সোজা অথবা অর্ধবৃত্তাকারের মতো বাঁকা নখ চান। সেটা না হলে তাঁরা নখের ওপর চাপ প্রয়োগ করে থাকেন। ফলে নখে বিভিন্ন ধরনের জটিল সমস্যা দেখা দেয়।’

তাই গবেষকদের পরামর্শ হলো, নখের স্বাভাবিক আকৃতি পেতে হলে নখের ওপর এ ধরনের চাপ কমাতে হবে।

মাংসে নখ ঢুকে যাওয়া
গবেষণায় আরও দেখা যায়, নখের ওপর চাপ বেশি পড়লে নখ বড় এবং নখের আগা ধারালো হয়ে যায়। এ কারণে সাধারণত দেখা যায়, পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলির নখ মাংসের ভেতর ঢুকে যায়, যা তীব্র ও অস্বস্তিকর যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও গবেষকেরা মনে করেন, মাংসে নখ ঢুকে পড়া, নখ ছড়িয়ে পড়া এবং নখের আকৃতি চামচ আকৃতির হয়ে পড়া অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। কিন্তু তাঁদের পরামর্শ হলো, নখের সৌন্দর্যবর্ধনে যেহেতু নখসজ্জা গুরুত্বপূর্ণ, তাই নখসজ্জা বাদ না দিয়ে বরং তা যত্ন ও সতর্কতার সঙ্গে করা উচিত। এ ক্ষেত্রে নখসজ্জায় দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নেওয়া উত্তম।

ওয়েবএমডি।


Source: www.prothom-alo.com

71
You need to know / Nobel prizes 2014 – the winners
« on: October 14, 2014, 02:12:17 PM »
Each year the Royal Swedish Academy of Sciences, the Nobel Assembly at Karolinska Institutet, the Swedish Academy, and the Norwegian Nobel committee give a series of prizes established in the will of Swedish inventor Alfred Nobel.

Worth 8m kronor (£690,000) each, the Nobel prizes are always handed out on 10 December, the anniversary of Nobel’s death in 1896. As well as the prize money, each laureate receives a diploma and a gold medal.

The physics, chemistry, physiology/medicine, literature and peace prizes were first awarded in 1901, while the economics prize was created in 1968.

Nobel, a wealthy Swedish industrialist who invented dynamite, provided few directions for how to select winners, except that the prize committees should reward those who “have conferred the greatest benefit to mankind”.

Here are the 2014 winners:

Economics
Jean Tirole of Toulouse University, won for his work on market power and regulation, and his work on taming powerful firms.

Peace
Malala Yousafzai, the teenage Pakistani education campaigner shot on a school bus in 2012 by a Taliban gunman, and Kailash Satyarthi, an Indian children’s rights activist.

Literature
French author Patrick Modiano.

Chemistry
Stefan Hell of the Max Planck Institute for Biophysical Chemistry in Göttingen, William Moerner of Stanford University in California, and Eric Betzig of the Howard Hughes Medical Institute in Virginia, “for the development of super-resolved fluorescence microscopy”.

Physics
Shuji Nakamura of the University of California, Santa Barbara, and Isamu Akasaki and Hiroshi Amano of Japan, for “the invention of efficient blue light-emitting diodes which has enabled bright and energy-saving white light sources”.

Physiology/medicine
British-US scientist John O’Keefe and married couple May-Britt and Edvard Moser from Norway for discovering the brain’s “inner GPS”.



Source: http://www.theguardian.com/world/2014/oct/13/nobel-prizes-2014-the-winners

72
Fashion / সাধ নাকি সাধ্য?
« on: October 14, 2014, 12:50:42 PM »
জুতার জন্য খ্যাতনামা ডিজাইনার ব্র্যান্ড ক্রিস্টিয়ান লুবটিন এ বছর তাদের সংগ্রহে যোগ করেছে নেইলপলিশ। লাল রঙের এই নেইলপলিশের নাম ‘রুজ লুবটিন’। এই ব্র্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু আট ইঞ্চি হিলের জুতার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে নেইলপলিশটির মোড়ক ডিজাইন করা হয়েছে। বলাই বাহুল্য, এক নজরে নেইলপলিশটি দেখতে অতুলনীয়। অনেকেই সংগ্রহে রাখতে চাইবেন টকটকে লাল রঙের এক বোতল ‘রুজ লুবটিন’। তবে মজাটা এখানেই। ১৩ মিলিলিটারের এই এক বোতল নেইলপলিশের দাম ৫০ ডলার, যা কিনা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় তিন হাজার ৯০০ টাকা। এবার ভাবুন, এটি কি আপনার চাই-ই! বাজারে ১৫০ টাকাতেই তো পাওয়া যাচ্ছে লাল রঙের নেইলপলিশ। অর্থাৎ আপনি যখন ‘রুজ লুবটিন’ কিনছেন, তখন আপনি মূল্য দিচ্ছেন মূলত পণ্যটির ব্র্যান্ড নাম ও তার মোড়কের। এগুলোকে বলা হয় ‘হাই–এন্ড প্রোডাক্ট’। একইভাবে বিশ্ববাজারে সব ধরনেরই বিলাসবহুল প্রসাধনসামগ্রী রয়েছে। আমাদের দেশে প্রসাধনসামগ্রীর বাজার সীমাবদ্ধ হলেও প্রসাধনপ্রিয় আর কিছুটা শৌখিন ক্রেতার সংখ্যা কম নয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ ধরনের পণ্য সম্পর্কে জেনে অনেকেই আগ্রহী হন তা কিনতে।
.কেউ বিশেষ ব্র্যান্ডের প্রতি আগ্রহী হয়ে আবার কেউ অন্যদের ব্যবহার করতে দেখে এ ধরনের দামি মেকআপ কিনতে চান। অনেকে আবার মনে করেন দামি মেকআপ ব্যবহার করলেই বোধ হয় সাজ সুন্দর হবে। তবে বাজারে যেসব প্রসাধনসামগ্রী সহজলভ্য এবং তুলনামূলকভাবে দামে কম তা কিন্তু মোটেও খারাপ নয়। আবার এটাও সত্য যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঠিক যতটা ব্যয় করবেন, বিনিময়ে ঠিক ততটাই পাবেন।

কীভাবে বুঝবেন কোথায় কিছুটা হাত খোলা হওয়া উচিত, আর কোথায় পকেট বাঁচানোই ভালো।
কিছু উদাহরণ দেওয়া যাক।

মাশকারা
প্রসাধনসামগ্রীর মধ্যে একবার মোড়ক খোলার পর মাশকারার আয়ু থাকে সবচেয়ে কম। একটি মাশকারা খুব বেশি হলে দুই থেকে তিন মাস নিয়মিত ব্যবহারের উপযোগী থাকে। এ ক্ষেত্রে বাজেট সাশ্রয়ী মাশকারা কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

নেইলপলিশ
একই রঙের নেইলপলিশ কেউই সাধারণত সপ্তাহ খানেকের বেশি পরেন না। উপরন্তু নেইলপলিশ যদি একবার বোতলেই শুকিয়ে যায় তা আর ব্যবহারের উপযুক্ত থাকে না। দামে সাশ্রয়ী, রঙে প্রচুর বৈচিত্র্য অাবার মানও ভালো নেইলপলিশের অভাব নেই বাজারে। এ ক্ষেত্রে খরচ বাড়ানো অর্থহীন।

লিপস্টিক ও আইশ্যাডো
এ ক্ষেত্রে আপনি দুই ধরনের পণ্যই কিনতে পারেন। বাজারে হরেক রং ও ফিনিশের লিপস্টিক পাবেন। আইশ্যাডোরও অভাব নেই। এগুলো সাধারণত অনেকগুলো করেই সংগ্রহে রাখা হয়। তাই নানা ব্র্যান্ডের পণ্যই কিনে রাখতে পারেন।

ফাউন্ডেশন, প্রাইমার, কনসিলার
এ ধরনের পণ্যগুলোতে দামের সঙ্গে উপাদানের ও গুণাগুণের তারতম্য দেখা যায়। তাছাড়া এগুলো সরাসরি আমাদের ত্বকের সংস্পর্শে যায়, আর আমাদের মুখের ত্বক বেশ সংবেদনশীল। ত্বকের ধরন ও সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রেখে এই পণ্যগুলোর নির্বাচনে দামের দিকে নজর না দিয়ে কিছুটা হাত খোলা হতে পারেন। এ ছাড়া ত্বকের রঙের সঙ্গে এগুলো মেলানোও বেশ ঝামেলার। সে ক্ষেত্রে একটু দামি কোনো ব্র্যান্ডের ফাউন্ডেশন যদি আপনার ত্বকের সঙ্গে মানিয়ে যায়, তা কিনে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

মেকআপ ব্রাশ ও টুলস
মেকআপের ফিনিশিং যেমন পারদর্শিতার ওপর নির্ভর করে, তেমনি মেকআপ টুলসের ওপরও নির্ভর করে অনেকাংশে। এগুলো একটু দাম দিয়ে ভালো ব্র্যান্ডেরটা কেনাই ভালো।
মেকআপের ব্রাশ ও টুলসগুলো একটু ভালো মানের হলে এবং সঠিকভাবে যত্ন নিতে পারলে অনেক দীর্ঘস্থায়ীও হয়। ভালো মানের ব্রাশ অনায়াসে চার-পাঁচ বছরও ব্যবহার করে যেতে পারবেন। তাই এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ নিঃসন্দেহে লাভজনক।
লেখক: সৌন্দর্যবিষয়ক ব্লগার




Source: www.prothom-alo.com

73
ফলের রস পান বিষয়টা বেশ স্বাস্থ্যকর বলেই এত দিন সবাই মানতেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ফলের রস পানও হৃৎপিণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

মাঝেমধ্যে ফলের রস পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও অতিরিক্ত পানে শরীরে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে বিপত্তি ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা। দ্য ডেইলি এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সুইনবার্নে ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গবেষক ম্যাথিউ পাসে এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত পরিমাণে ফলের রস পান থেকে শরীরে ‘সুগার’ বা শর্করার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে হার্ট অ্যাটাকসহ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো জটিল পরিস্থিতির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

গবেষক ম্যাথিউ পাসে বলেন, সাধারণভাবেই সবাই ফলের রসকে খুবই স্বাস্থ্যসম্মত মনে করেন বলে তা পানের ক্ষেত্রে আমাদের সবারই সচেতনতার অভাব আছে। নানা ধরনের ফলের রস প্রয়োজনীয় অনেক ভিটামিন সমৃদ্ধ হলেও ভুলে গেলে চলবে না যে, এতে প্রচুর শর্করাও আছে। পাশাপাশি টিন বা প্যাকেটজাত ফলের রসের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে তাজা ফল থেকে রস বানিয়ে পানের জন্যই পরামর্শ দিয়েছেন এই গবেষক।

এর আগে এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বেশি মাত্রায় পান করলে কমলার রসও বোতলজাত নানা পানীয়ের মতোই ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। ২৫০ মিলিলিটার কমলার রসে ১১৫ ক্যালরি বা প্রায় ৭ চা-চামচ চিনি থাকে, আর কোলার একটা সাধারণ ক্যানে থাকে ১৩৯ ক্যালরি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুসারে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সব খাবারদাবার মিলিয়ে গড়ে দৈনিক সর্বোচ্চ ৬ চা-চামচ চিনির চেয়ে বেশি শর্করা গ্রহণ করা ঠিক নয়।

ফলের রস পান-সংক্রান্ত এ গবেষণাটি সম্প্রতি বিজ্ঞান সাময়িকী অ্যাপেটইট-এ প্রকাশিত হয়েছে।

74
এই প্রথম বিশ্বে পরীক্ষাগারে ‘মানুষের মস্তিষ্কের কোষে আলঝেইমার সৃষ্টি’ করা হয়েছে। পরীক্ষাগারে কাচের পাত্রে রাখা মস্তিষ্কের কোষের মধ্যে এ রোগ সৃষ্টি করা হয়।
এই সাফল্য থেকে ভবিষ্যতে মস্তিষ্কের স্মৃতিভ্রংশ রোগ আলঝেইমারের চিকিৎসা ও ওষুধের গবেষণা করা যাবে সহজেই। এর মধ্য দিয়ে আলঝেইমার রোগের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এর আগে রোগটি নিয়ে গবেষণার একমাত্র উপায় ছিল ইঁদুরের মস্তিষ্ক।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটালের একদল গবেষক পরীক্ষাগারে মানুষের মস্তিষ্কের কোষে আলঝেইমার সংক্রমণ নিয়ে গবেষণা করেন। এতে নেতৃত্ব দেন ওই হাসপাতালে গবেষক রুডলফ ই. ট্যানজি ও তাঁর সহকর্মী ডু ইয়ন কিম। গত রোববার এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশ করেছে বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার।
গবেষকেরা জানান, পরীক্ষাগারে মানুষের মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধিতে তাঁরা একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করেন, যা মানুষের স্বাভাবিক মস্তিষ্কের মতোই। তাঁরা মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ নিউরনের মধ্যে আলঝেইমার রোগের জিন ঢুকিয়ে দেন। গবেষকেরা রোগের জিন প্রবেশ করানোর কয়েক সপ্তাহ পর মস্তিষ্কের কোষে আলঝেইমারে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ খুঁজে পান।
এ গবেষণা থেকে আলঝেইমার রোগ কীভাবে হতে পারে এর সদুত্তর পাওয়া যেতে পারে বলেন দাবি করছেন গবেষকেরা। আলঝেইমার রোগের চিকিৎসার গবেষণায় এটি বড় অগ্রগতি।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ডিউক ইউনিভার্সিটির আলঝেইমার রোগের গবেষক পি মুরালি দোরেইসোয়ামি বলেন, আলঝেইমার রোগের চিকিৎসার গবেষণায় এটি বড় এক পদক্ষেপ। এর ফলে এই রোগে নতুন ওষুধ নিয়ে গবেষণা গতি পাবে বলে তিনি মনে করেন।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, গবেষণায় কাচের পাত্রে মস্তিষ্কের কিছু কোষ আর জীবিত মানুষের পুরো মস্তিষ্ক এক জিনিস নয়। পরীক্ষাগারের রাখা মস্তিষ্কের কোষের পাত্রে প্রকৃত মস্তিষ্কের অনেক উপাদান অনুপস্থিত থাকে। এমনই এক উপাদান রোগ প্রতিরোধী কোষ। মানুষের মস্তিষ্কে আলঝেইমার রোগের শুরুতে এটি রোগ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরীক্ষাগারের পাত্রের মস্তিষ্ক কোষে প্রকৃত মস্তিষ্কের অনেক উপাদানের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও দ্রুততার সঙ্গে, সহজে ও স্বল্প খরচে আলঝেইমার রোগের এমন ওষুধ নিয়ে গবেষণা হতে পারে, যা রোগটি সৃষ্টির শুরুতেই ধ্বংস করার কাজ করবে। তবে এসব ওষুধ রোগীকে সারিয়ে তুলতে পারে কি না এর গবেষণা হবে সবচেয়ে জটিল অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাইয়ের ইকান স্কুল অব মেডিসিনের গবেষক স্যাম গ্যান্ডি বলেন, পরীক্ষাগারে মস্তিষ্কের কোষে আলঝেইমার সৃষ্টির মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য ভবিষ্যৎ চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি নিজের পরীক্ষাগারেও এভাবে গবেষণায় আগ্রহী।

যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির আলঝেইমার রোগের গবেষক ক্যারেন ডাফ নতুন গবেষণার প্রশংসা করে বলেন, এখন পরীক্ষাগারে আলঝেইমার রোগ শুরুতেই কীভাবে থামিয়ে দেওয়ার ওষুধ নিয়ে গবেষণা হতে পারে।

গবেষক ট্যানজি পরীক্ষাগারে পাত্রে মস্তিষ্ক কোষে আলঝেইমার রোগের সফল সংক্রমণের পর নতুন এক ব্যয়বহুল ও বৃহৎ গবেষণায় হাত দিয়েছেন। তিনি বাজারে থাকা আলঝেইমার রোগের এক হাজার ২০০ ধরনের ওষুধ এবং পরীক্ষামূলক আরও পাঁচ হাজার ধরনের ওষুধ নিয়ে গবেষণা করতে যাচ্ছেন। যা প্রয়োগ করা হবে পরীক্ষাগারে আলঝেইমার আক্রান্ত মস্তিষ্ক কোষে।
এর আগে ইঁদুরের ওপর এমন পরীক্ষা করা ছিল অসম্ভব। আর যদি সম্ভব হলেও প্রতি ওষুধের গবেষণায় এক বছরের বেশি সময় লাগত। কিন্তু পরীক্ষাগারে রোগাক্রান্ত মস্তিষ্কে এসব ওষুধের পরীক্ষা করা যাবে সহজেই।

গবেষক ট্যানজি দাবি করেন, মাত্র কয়েক মাসেই আলঝেইমার রোগে কয়েক হাজার ধরনের ওষুধের গবেষণা করা যাবে। নিউইয়র্ক টাইমস।



Source: www.prothom-alo.com

75
Science and Information / Robot moves like a snake
« on: October 11, 2014, 02:59:56 PM »
ঘনবসতিপূর্ণ বা জিনিসপত্রে ভরা কোনো স্থানে কিংবা পারমাণবিক স্থাপনায় দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান চালানো খুব কঠিন। চাকাওয়ালা রোবটও এসব পরিস্থিতিতে সব ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে না। তখন প্রয়োজন হয় বিশেষায়িত রোবটের। এ সমস্যা দূর করতে প্রযুক্তিবিদেরা তৈরি করেছেন সাপের মতো এক রোবট।
নতুন ‘সাপ-রোবট’ সরীসৃপ প্রাণীটির মতোই সংকীর্ণ স্থানের মধ্য দিয়েও চলাচল করে উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করতে পারবে। এ ধরনের রোবটকে পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী আরও দক্ষ করে তোলার চেষ্টা চলছে।

সাপ-রোবটকে আরও উন্নত করতে স্বাভাবিকভাবেই সাপ নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। আর এটি হতে পারে প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রাণী নিয়ে গবেষণার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ইতিমধ্যে সেই উদ্যোগ শুরুও হয়ে গেছে। সাপ-রোবটের দক্ষতা বাড়াতে কাজ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির রোবটিকস ইনস্টিটিউটের একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের গবেষণার ভিত্তিতে সায়েন্স সাময়িকী একটি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।

সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা গত বৃহস্পতিবার বলেন, সাপ-রোবটের উন্নয়নের জন্য সাইডউইন্ডার র্যাটলস্নেক (বৈজ্ঞানিক নাম ক্রোটালাস সেরাস্টেস) নামের অত্যন্ত বিষাক্ত এক প্রজাতির সাপের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। ধূসর রঙের নিশাচর এই প্রজাতির সাপের আবাস উত্তর আমেরিকার মরু এলাকায়। বালুর ওপর দিয়ে চলাচলে এসব সরীসৃপ বিশেষ দক্ষ। সাইডউইন্ডার র্যাটলস্নেক বিশেষ ভঙ্গিমায় শরীর বাঁকিয়ে অবলীলায় বালিয়াড়ি ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। সাপটির এই সহজাত দক্ষতা বিশেষ ধরনের রোবটের মধ্যে সন্নিবেশ করা হয়েছে।
মার্কিন ওই গবেষকেরা জানিয়েছেন, রোবটটি অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। এতে জোড়ার সংখ্যা ১৬। এই রোবট লম্বায় ৩৭ ইঞ্চি। এর ব্যাসার্ধ মাত্র দুই সেন্টিমিটার, অর্থাৎ এক ইঞ্চিরও কম। এতে যুক্ত যন্ত্রপাতির মধ্যে আছে একটি মোটর, ক্ষুদ্র কম্পিউটার, সংবেদি যন্ত্র (সেনসর) এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ।

সাপ-রোবটের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে গবেষকদের ভাষ্য, এই বোবট এমন কিছু কাজ করতে পারে, যেগুলো চাকাওয়ালা রোবটের সাহায্যে করা সম্ভব নয়। যেমন: সাপ-রোবটের মাধ্যমে জটিল অবকাঠামোর কোনো স্থানে বা পারমাণবিক কোনো স্থাপনায় উদ্ধার অভিযান চালানো যায়।
কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হাওয়ি চোসেট বলেন, এই রোবট খুব ঘিঞ্জি জায়গার মধ্য দিয়েও চলাচল করতে পারে। মানুষ ও সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়ে ওই ধরনের জায়গায় কাজ করা সম্ভব হয় না।
বালিয়াড়িতে সাপের চলাফেরার দক্ষতা পর্যবেক্ষণের গবেষণাটি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার একটি চিড়িয়াখানায়। সেখানে গবেষকেরা কৃত্রিম বালিয়াড়ি ও পাহাড়ের মধ্যে সাপ ছেড়ে দেন। ভিডিও ক্যামেরায় প্রাণীটির প্রতিটি নড়াচড়ার ছবি তোলেন। পরে এসব চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বালুর মধ্যে চলাচলের সময় সাপ একটি নির্দিষ্ট ছন্দে শরীর দোলায়। এর শরীরের একটি নির্দিষ্ট অংশ কেবল বালু স্পর্শ করে। সাপ-রোবটের কাঠামো ও কার্যকৌশলে এ তথ্যের প্রয়োগ করে দেখা যায়, রোবটটি বাস্তব সাপের মতোই চলতে পারছে। তবে প্রাকৃতিক সাপের মতো বালুর পাহাড় ডিঙাতে পারেনি। পরে সাপের ওই নির্দিষ্ট ছন্দে শরীর দোলানোর কৌশলও রোবটটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর সাপ-রোবট বালুর পাহাড় পার হতে পেরেছে।

সংশ্লিষ্ট আরেক গবেষক হামিদ মারভি বলেন, তাঁদের তৈরি সাপ-রোবট এখন ২০ ডিগ্রি পর্যন্ত বাঁক নিয়ে চলাচল করতে পারে। আগে এটি সর্বোচ্চ ১০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঢাল ডিঙাতে পারত।
জর্জিয়া টেক স্কুল অব ফিজিক্সের গবেষক ড্যানিয়েল গোল্ডম্যান বলেন, প্রাণী নিয়ে গবেষণায় শুধু তাঁদের সাধারণ গুণাগুণ ও চলাচল সম্পর্কেই যে জানা যাচ্ছে, তা নয়, এই জ্ঞান ব্যবহার করা যাচ্ছে রোবট-প্রযুক্তির উন্নয়নেও।

সূত্র: রয়টার্স ও বিবিসি।



http://paimages.prothom-alo.com/contents/cache/images/350x0x1/uploads/media/2014/10/11/9dfa0d4891503521b8a4803edad1c402-3.jpg



Source: www.prothom-alo.com

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 10