Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Kishwar-E Hasin

Pages: [1] 2
A Good CV/Resume / Re: How to make an effective video CV
« on: April 09, 2018, 11:20:05 AM »
Thanks for sharing. It will help us to follow the latest cv trend.

প্রতি বছরের মত এবারো বুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পোস্টগ্রাজুয়েট এডমিশনের জন্য সার্কুলার হয়েছেঃ October 2017 সেশনের জন্য। M.Sc., M.Phil. এবং Ph.D. ডিগ্রি এর জন্য এডমিশন হবে। সবগুলো ডিগ্রি Thesis-based. কেউ আগ্রহী হলে তাঁদের জন্য নিচের লিংক গুলো কাজে লাগতে পারে :
Application procedures:
Dept. of Physics, BUET:
Faculty Profiles (Physics):
Previous Postgraduate degree holders (from Dept. of Physics):
University Website:
কিছু সাধারণ তথ্যঃ
B.Sc. in Physics ডিগ্রি করা থাকলে এখানে M.Sc. তে admitted হবার সুযোগ রয়েছে। আর M.Sc. in Physics ডিগ্রি করা থাকলে M.Phil. বা Ph.D. (বা আবারো M.Sc.) এর জন্য এপ্লাই করা যেতে পারে।
এপ্লাই করা হলে পরে Admission Test হয়।গত বছর ১৫০ জনের মত এপ্লাই করেছিলো, admission test (written) এবং viva শেষে ২৫ জনের মত admitted হয়েছিলো। Written Test এ সাধারণত কোনো broad questions থাকেনা। Undergraduate Physics এর বিভিন্ন কোর্স থেকে বেসিক short-question ও short-math থাকে।


প্রতি বছরের মত এবারো বুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পোস্টগ্রাজুয়েট এডমিশনের জন্য সার্কুলার হয়েছেঃ October 2017 সেশনের জন্য। M.Sc., M.Phil. এবং Ph.D. ডিগ্রি এর জন্য এডমিশন হবে। সবগুলো ডিগ্রি Thesis-based. কেউ আগ্রহী হলে তাঁদের জন্য নিচের লিংক গুলো কাজে লাগতে পারে :
Application procedures:
Dept. of Physics, BUET:
Faculty Profiles (Physics):
Previous Postgraduate degree holders (from Dept. of Physics):
University Website:
কিছু সাধারণ তথ্যঃ
B.Sc. in Physics ডিগ্রি করা থাকলে এখানে M.Sc. তে admitted হবার সুযোগ রয়েছে। আর M.Sc. in Physics ডিগ্রি করা থাকলে M.Phil. বা Ph.D. (বা আবারো M.Sc.) এর জন্য এপ্লাই করা যেতে পারে।
এপ্লাই করা হলে পরে Admission Test হয়।গত বছর ১৫০ জনের মত এপ্লাই করেছিলো, admission test (written) এবং viva শেষে ২৫ জনের মত admitted হয়েছিলো। Written Test এ সাধারণত কোনো broad questions থাকেনা। Undergraduate Physics এর বিভিন্ন কোর্স থেকে বেসিক short-question ও short-math থাকে।

DAAD or The German Academic Exchange Service is the largest German support organisation in the field of international academic co-operation. It give young foreign academic the opportunity to pursue research or study in Germany. Please find out more here.

Where: Germany

Nationality: Internationally

Value of the scholarship:

A monthly allowance of euros 750 for graduates, and euros 1,000 for doctoral candidates.
Travel allowance
One-off research allowance


Have completed a Master degree or Bachelor degree
Master of Arts/Master of Science degree or Bachelor of Art.
To be eligible, applicants should have graduated no longer than six years before the application deadline.
Haven’t been in Germany more than 15 months
Have a remarkable English language proficiency.

Important Document:

Online application form
CV (max. 3 pages)
List of publication
Extensive and detailed description of the research proposal and a description of previous research work (max. 10 pages)
Degree certificate that indicate final grade
Copy of school-leaving certificate which entitles holders to study at a university in the home country.
German or English translations of documents submitted in the national language
Other documents which support your application (example: certificates of employment, proof of placements, etc.)
All university certificates on all annual examinations with individual grade(s), incl. explanation of grading system.

Deadline: 31 October 2017

Click here to go to official website:

This is research training program which is funded by Australia government to potential applicants fromm across the world.

Where: Curtin University, Australia

Nationality: Internationally

Type of program: Fully-funded program

Faculty of study:

#Health Sciences
#Curtin Business School
#Science & Engineering
#Centre for Aboriginal Studies

Degree type: Postgraduate research (Three years fulltime program for Doctoral degree and two years fulltime for Master)


Satisfy with the course provided by the program and university
Taking research degree for term in 2018
Be enrolled full-time degree
Not under any scholarship program when taking this scholarship.

How to apply:

Apply for course admission from the University in
Click here for aplication process:
After got accepted to university, you have to submit requirement document in hard copy to the University or within online and email directly to this email: .
  • A research proposal
  • CV
  • Two referee report
Deadline: 21 September 2017

Click here to go to official website:


The Govt. of India has approved the proposal to conduct special training for the people of countries associated with India through ITEC.
The training i.e. "An Introductory Training Workshop on Nanofabrication Technologies" will be conducted in National Nanofabrication Centre (Cleanroom of class 100 and 1000), Micro Nano Characterization Facility, and other distinct labs such as Polymer Lab, packaging lab etc. Indian government will bear all cost regarding the training.

There will also be a lecture training on basics/advances of Nanoscience and Nanotechnology.  For more information, new applicants can contact to the previous participants who already attended this program in 2015-16.

You will also be given tour to some other research facility.

You all are requested to apply for this training workshop at the earliest i.e. 24th July 2017.

Please go to:
Step2: courses-training programs 2017-18-available stream
Step3: Specialized courses
Step4:Centre For Nano Science And Engineering, Indian Institute Of Science
Step 5: read the course content
Step 6: Apply
Step7: Select your country - proceed
Step 8: Fill the personal details, Educational Details, Employment details and medical details etc.
Step 9: submit

If you have some research on nano-fabrication or on related field, you can apply.  Please text me if you face any problem.

Basic Maths / Calculation of the area of a circle
« on: July 19, 2017, 05:56:41 PM »
Rearrangement proof:

We can use inscribed regular polygons in a different way. Suppose we inscribe a hexagon. Cut the hexagon into six triangles by splitting it from the center. Two opposite triangles both touch two common diameters; slide them along one so the radial edges are adjacent. They now form a parallelogram, with the hexagon sides making two opposite edges, one of which is the base, s. Two radial edges form slanted sides, and the height is h (as in the Archimedes proof). In fact, we can assemble all the triangles into one big parallelogram by putting successive pairs next to each other. The same is true if we increase to eight sides and so on. For a polygon with 2n sides, the parallelogram will have a base of length ns, and a height h. As the number of sides increases, the length of the parallelogram base approaches half the circle circumference, and its height approaches the circle radius. In the limit, the parallelogram becomes a rectangle with width πr and height r.

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে গত চার মাসে চিকুনগুনিয়া ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। ফলে চিকুনগুনিয়া এখন মারাত্মক ভয়ের নাম। তবে সাধারণত জ্বর হলেই আমরা ভীত হয়ে পড়ি। তাই আগে বুঝতে হবে চিকুনগুনিয়া হয়েছে কি না।

আসুন জেনে নেই চিকুনগুনিয়া চেনার উপায়।

কীভাবে বুঝবেন
১. ভাইরাস শরীরে প্রবেশের দুই থেকে চার দিনের মধ্যে এর উপসর্গ দেখা দেয়।
২. প্রথমদিন থেকেই রোগীর অনেক বেশি তাপমাত্রায় জ্বর ওঠে।
৩. কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
৪. প্রায়ই তা একশ’ চার বা পাঁচ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় উঠে যায়।
৫. মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, শরীর ব্যথা, ক্লান্তি, হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা, আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা হয়।
৬. জ্বর চলে যাওয়ার পর শরীরে লাল র্যাশ ওঠে।
৭. শরীরে ঠান্ডা অনুভূতি।
৮. বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া।
৯. প্রায় এক সপ্তাহ অসুস্থতা থেকে যায়।
১০. অনেক সময় ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না।
১১. সাধারণত ৭২-৯৭% রোগীর ক্ষেত্রে উপসর্গ দেখা দেয়।
১২. জ্বর ভালো হলেও অনেকদিন ধরে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা জায়েজ কিনা-এ নিয়ে আমাদের সমাজে মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। আসলে কোরআন, হাদিস ও সালফে-সালিহীনের বক্তব্যে এ বিষয়ে কোনো বিতর্ক পাওয়া যায় না। তবে বর্তমান বিশ্বে এ নিয়ে কিছুটা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে আমাদের দেশে পশ্চিম দিকে পা দিয়ে বসা, শোয়া বা ঘুমানোর ব্যাপারে বিতর্ক দেখা ও শোনা যায়। অনেকে এটিকে গুরুতর অপরাধ বলে গণ্য করেন আবার কেউ কেউ এতে কোনো অন্যায় দেখেন না। অনেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন কুসংস্কারেও বিশ্বাস করেন। যেমন-পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমালে হায়াত কমে যায় বলে ধারণা প্রচলিত রয়েছে।

ইসলামে কোনো বিষয়কে হালাল বা হারাম সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্যে তার পক্ষে বা বিপক্ষে গ্রহণযোগ্য দলিল থাকা জরুরি। দলিল ছাড়া ইসলামে কোনো কিছু হালাল বা হারাম বলা যায় না।

তাই প্রথমে এ বিষয়টি জায়েজ কিনা তা জানতে হলে খুঁজতে হবে-এ নিয়ে কোনো দলির আচে কিনা। ইসলামী আইনের মূলনীতি হলো, ‘সাধারণভাবে সবকিছু জায়েজ, যতক্ষণ না সেটি হারাম হওয়ার পক্ষে কোনো দলিল পাওয়া যায়।’

এই মূলনীতি অনুয়ায়ী আমরা যদি এ মাসআলাটি বিশ্লেষণ করি, তাহলে বুঝা যায়, পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানোর ব্যাপারে কোনো আদেশ বা নিষেধ নেই। কেউ যদি বলে এটি হারাম তাহলে এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য দলিল দেখাতে হবে।

আমরা ‘পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো নিষেধ’ মর্মে কোনো বক্তব্য কোরআন, হাদিস বা ইমামদের বক্তব্য পাইনি। তাই এটি নিষেধ করার কোনো যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কারণ নেই বলে দাবি করা যায়

অনেকে পশ্চিম দিকে (কিবলার দিকে) মুখ ফিরিয়ে বা পিঠ ফিরিয়ে পায়খানা-প্রস্রাব করার নিষেধাজ্ঞায় বর্ণিত হাদিসের ওপর কিয়াস করে পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসাকে নাজায়েজ বলে থাকেন।

অথচ এমন ধারণার কোনো সুযোগ ইসলামে নেই। খোলা স্থানে কিবলার দিকে মুখ ফিরিয়ে বা পিঠ ফিরিয়ে পায়খানা-প্রস্রাব করা নিষেধ- এ সংক্রান্ত স্পষ্ট হাদিস রয়েছে (সুনান আন-নাসাঈ, হাদীস নং-২১, জামি আত-তিরমিযী, হাদীস নং-০৮)।

কিন্তু কিবলার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা নিষেধ-মর্মে কোনো হাদিস বর্ণিত হয়নি। তাই কিবলার দিকে তথা পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো বা বসা নাজায়েজ- এ কথাটিও অপ্রমাণিত এবং ভুল।

এক প্রশ্নের উত্তরে সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বাজ (র.) বলেন, ‘এতে কোনো সমস্যা নেই। কোনো ব্যক্তি যদি তার দুই পা কিবলার দিকে ফিরিয়ে রাখে তাতে কোনো সমস্যা নেই। এমনকি কেউ যদি মসজিদে হারামে বসেও কাবার দিকে পা ফিরিয়ে রাখে তাতেও কোনো সমস্যা নেই।’

আর শাইখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উছাইমীনও (র.) বলেন, ‘কিবলার দিকে পা দিয়ে ঘুমাতে বা বসতে কোনো দোষ নেই।’
তবে কিবলা ও কাবা অত্যন্ত মর্যাদাবান দু’টি বিষয়। এগুলো ইসলামের শিআর বা নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। এগুলোকে কোনোভাবে অসম্মান করা, অবজ্ঞা করা বা এগুলোর প্রতি কোনো অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা মহা অন্যায়।

তাই কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিম দিকে পা দিয়ে রাখে তাহলে তা মহা অন্যায় ও কবীরা গুনাহ হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে তা হবে কী হবে না-তা নির্ভর করে যে পা রাখছে তার ইনটেনশন বা নিয়তের উপর।

এক প্রশ্ন আসতে পারে যে, পশ্চিম দিকে পা রাখা যদি হারাম হয় তাহলে বিছানায় বা সমান কোনো স্থানে বসা কোনো মাজুর ব্যক্তি (অসুস্থতা বা কোনো সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি) কীভাবে বা কোন দিকে পা রেখে সালাত আদায় করবে?
উত্তর হবে অবশ্যই পশ্চিম দিকে অর্থাৎ কিবলার দিকে পা রেখেই তিনি সলাত আদায় করবেন।

ফিকহবিশারদরা বলেন, ‘যদি কোনো অসুস্থ ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বা বসে নামাজ পড়তে না পারেন, তাহলে কিবলার দিকে মুখ করে এক পাশে শুয়ে নামাজ আদায় করবেন। যদি সেটাও না পারেন তাহলে চিত হয়ে শুয়ে কিবলার দিকে পা দিয়ে নামাজ পড়বেন।’

এ দিক দিয়ে বলা যায়, যদি পশ্চিম দিকে পা রাখা হারাম বা নাজায়েজ হতো তাহলে সালাত আদায় কালেও তা হারাম হতো। এছাড়া তা ফিকহের কিতাবেও ফতোয়ায় উল্লেখ থাকতো।

সুতরাং বলা যায়, কিবলার দিকে বা পশ্চিম দিকে পা রেখে ঘুমালে হায়াত কমে যায় বা এ ধরনের কোনো কথা কোরআন ও হাদিসে নেই। তাই এগুলো বিশ্বাস করাও জায়েজ নয়।

বরং ইসলামের নামে প্রচলিত এ রকম বহু অপ্রমাণিত ও অগ্রহণযোগ্য কথা বিশ্বাস, প্রচার ও প্রসার থেকে নিজে বিরত থাকা ও অপরকে বিরত রাখার চেষ্টা করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। এটি বিশ্বাস করাও ভিত্তিহীন।

(Collected from online.)

এমনটা যে কোনও সময়েই হতে পারে যে, কোনও কারণে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটি সাইলেন্ট অবস্থায় রেখেছেন, সেই সময়েই হঠাৎ দেখলেন মোবাইলটি খুঁজে পাচ্ছেন না। সাধারণ ভাবে মোবাইল কাছে-পিঠে কোথাও লোপাট হলে, অন্য কোনও ফোন থেকে নিজের নম্বরটি ডায়াল করাই সেই ফোনকে খুঁজে পাওয়ার সহজতম পন্থা। মোবাইলটি বাজতে শুরু করলেই সেই আওয়াজ অনুসরণ করে সহজেই আপনি খুঁজে পেয়ে যাবেন মোবাইলটি। কিন্তু ফোন যদি সাইলেন্ট মোডে থাকে তাহলে এই কৌশল কার্যকর হবে না। তা হলে সেই অবস্থায় কীভাবে খুঁজে পাবেন সেই হারানো মোবাইল? জেনে নিন, কৌশল-

১. প্রথমে অন্য কোনও মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগল-এর ওয়েবসাইটে যান।
২. সেখানে সার্চ বারে লিখুন "find my phone"
৩. তার পর গুগল অ্যাকাউন্ট বা জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন।
৪. নিজের মোবাইলের লোকেশন দেখতে পাবেন গুগল-এ।
৫. এর পর আপনার সামনে অপশন আসবে, যেটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইজ ম্যানেজারটি ‘অন’ করে দিতে পারবেন।
৬. এ বার ‘রিং’ অপশনটিকে সিলেক্ট করুন।
৭. আপনার ফোন সাইলেন্ট মোডে থাকলেও সেটি ফুল ভলিউমে রিং হতে শুরু করবে। এবং যতক্ষণ না আপনি ফোনটিকে খুঁজে বের করে তার পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরছেন, ততক্ষণ ফোন রিং হতেই থাকবে। এ বার সেই আওয়াজ অনুসরণ করে ফোনটিকে খুঁজে বের করা তো কোনও ব্যাপারই নয়।
এই একই পদ্ধতিতে আপনি আপনার হারানো অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব-ও খুঁজে পেতে পারেন। তবে একটাই বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। সেটা এই যে, আপনার ডিভাইস থেকে অবশ্যই গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করা থাকতে হবে। নতুবা এই পদ্ধতিতে হারানো মোবাইল খুঁজে পাবেন না।


বাজারে যেসব আপেল, কমলালেবু, নাশপাতি বিক্রি হয়, অধিকাংশ ফলেরই গায়ে লাগানো থাকে ছোটো গোল স্টিকার। খেয়াল করে দেখবেন, স্টিকারগুলোতে লেখা আছে কিছু নম্বর ও সরু-মোটা কালো দাগ। ওই স্টিকার খুলে আপেল খেতে অনেক সময়ই ঝামেলায় পড়তে হয়। তবে এমন স্টিকার লাগানোর অর্থ কী? প্রকৃতপক্ষে আপেলের ওপরের স্টিকার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। একে বলা হয় PLU (Price Look-Up) কোড। এই কোডই বলে দেয় কোন ফলের কেমন মান, কোনটা কীভাবে তৈরি হয়েছে, কার কেমন খাদ্যগুণ।
আপেলসহ বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারের ওপরের সংখ্যা ও বারকোড ফলের পরিচয়, ধরন ও উৎপাদন পদ্ধতিসহ নানা তথ্য বহন করে। স্টিকারে থাকা সংখ্যাকে বলা হয় প্রাইস লুক আপ কোড বা সংক্ষেপে পিএলইউ কোড।

PLU কোড যদি 3 (#3****) নম্বর সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়, তাহলে তার মানে তাতে আছে ‌‘আয়োনাইজ়িং ইরেডিয়েশন’ (Ionizing Irradiation)।
“রেডিয়েশন” (Radiation) কথাটি থাকায় অনেকেই মনে করেন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কিন্তু দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা বলছে, ইরেডিয়েট করা খাবার বিপদমুক্ত। কোনও খাবারকে আয়োনাইজ় করা মানে সেটির মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া। সহজে পচন না ধরা। পরমাণুর চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনকে যদি রেডিওঅ্যাকটিভ বা ইলেকট্রিক্যাল পদ্ধতিতে আলাদা করে দেওয়া হয়, তবে সেই পরমাণুটি আয়োনাইজ়়ড্। এর মানে, নেগেটিভ (-ve) ইলেকট্রনকে বের করে আনলে, পরমাণুতে পড়ে থাকে পজ়িটিভ প্রোটন (+ve)। কোনও নেগেটিভিটি না থাকার কারণে পরমাণুটি স্থূলাণু বা আয়নে (ion) পরিণত হয়। খাবারের পরমাণুকে যদি আয়নে পরিণত করা হয়, সেই খাবারের মেয়াদ অনেকদিন বেড়ে যায়। কোনও ফলের গায়ে লাগানো স্টিকারের PLU যদি 3 নম্বর সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়, জানবেন সেই ফলটি অনেকদিন পর্যন্ত টাটকা থাকবে। পৃথিবীজুড়ে অন্তত ৬০টি দেশের মানুষ অয়োনাইজ়িং ইরেডিয়েশন যুক্ত খাবার খান। অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানিতে হার্বস্, মশলা ও আচারজাতীয় খাবারে ইরেডিয়েশন করা থাকে। ব্রাজ়িলে সব খাবারেই ইরেডিয়েট করা।’’
PLU কোড যদি 4 ও 8 (#4****, #8****) নম্বর সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়, তাহলে তা ‘কনভেনশনালি গ্রোন’ (Conventionally Grown)
‘‘পোকামাকড় থেকে বাঁচাতে অনেকসময় ফল ও শাক-সবজির গায়ে কীটনাশক স্প্রে করা হয়। বলা হয় কনভেনশনালি গ্রোন। থাকে সিন্থেটিক কেমিক্যালস্, যেমন – সার, কীটনাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোন।’’
আবার অনেক সময় চাষের সময় জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অরগ্যানিজ়মসের (GMO & GE) সাহায্যে ফল-সবজির আকার বাড়ানো হয়। শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয় এই ধরনের ফল-সবজি খেলে। উৎপাদনের খরচ কম। তাই বাজারে খুব কম দামে পাওয়া যায়।
PLU কোড যদি 6 (#6****) নম্বর সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়, তাহলে তা ‘প্রিকাট প্রোডিউস’ (Precut Produce)
‘‘আজকাল অনেকেই সময়ের অভাবে কিংবা আলসতার কারণে বাজার থেকে কাটা ফল বা সবজি কেনেন। অনলাইন সার্ভিস থেকেও কাটা ফল-সবজি কেনেন। এই ধরনের ফল বা সবজি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।’’
প্রথমত, ‘‘ফল-সবজি কেটে বিক্রি করার আগে, সেগুলিকে জীবাণুমুক্ত করার জন্যে ক্লোরিন সলিউশনে ধোয়া হয়। প্যাকেটবন্দি অবস্থায় ফ্রিজে রাখা হয়। তৈরি হয় কার্বোন ফুটপ্রিন্ট (Carbon Footprint)। অর্থাৎ, খাবারের মধ্যে কার্বোন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা অনেকগুণ বেড়ে যায়। সেই ফল-সবজি খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি অনিবার্য। এছাড়া, কাটা ফল-সবজি দূষণমুক্ত নয়।’’
PLU কোড যদি 9 (#9****) নম্বর সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়, তাহলে তা ‘অরগ্যানিক’ (Organic)
‘‘সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অরগ্যানিক বা জৈব পদ্ধতিতে তৈরি ফল-সবজি। কীটনাশক, সারের মতো ক্ষতিকারক কেমিক্যালস্ থাকে না বললেই চলে। পোকামাকড় সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে। কারোর বাড়ির বাগানের গাছে তৈরি আম, কাঠাল, কলা, আপেল, বেগুন.. ইত্যাদি ফল-সবজি অরগ্যানিক। স্বাদে অতুলনীয়। স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো। বাজারে দামও বেশি।’’

সাধারণত ক্রেতাদের সুবিধার্থে অনেক সময়ই স্টিকারের সংখ্যা ও বারকোড ছাড়াও সংক্ষেপে বা পূর্ণভাবে এর গুণগত মান লেখা হয়। যেমন স্টিকারের সংখ্যার ওপর লেখা থাকতে পারে অর্গানিক, জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড বা সংক্ষেপে জিএম, ন্যাচারাল ইত্যাদি।
বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই পিএলইউ কোড ছাড়াও ফলের গায়ে স্টিকার দেখা যায়। সাধারণত এসব স্টিকারে লেখা থাকে ‘গুড’ বা ‘ওকে’। ফল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্যাকেটজাত করার সময় এর গুণগত মান বোঝাতে এমন স্টিকার ব্যবহার করে থাকতে পারে।

Source: online news

Story, Article & Poetry / Re: Positive Thinking
« on: June 21, 2017, 03:22:04 PM »
Thank You Sir

Dark energy:

We can't see it and we can't feel it, but we can test for it, and nobody knows what it is. In spite of this, scientists think that dark energy makes up around 70% of the universe. It was imagined to explain why galaxies don't just drift apart but instead accelerate away from each other. You can think of it as a repulsive gravity that pushes matter apart. How it works, however, is still a mystery.

Dark matter:

The other "dark" substance in our universe. Dark matter, like dark energy, cannot be seen or felt. This elusive substance has some differences to dark energy though; the only way that we have observed it is indirectly. We know that there must be more matter in the universe than we can see because we can measure its gravitational effects, but no one knows exactly what makes up this mysterious stuff.

It's a wave... it's a particle!:

Rays of light have a split personality. They create interference patterns that are typical of waves. They reflect off surfaces, suggesting that they could be a wave or a particle, or both at the same time. They can also be used to liberate electrons from their shells: something that indicates that they are particles. But how does light determine whether it acts as a particle or a wave?

Time, the onward march:

We only get older, not younger. Trees only get taller; they don't return to acorns. Our Sun only ever uses up its fuel, never returning to a cool ball of hydrogen gas. Time only goes in one direction... but why is it impossible for us to reverse the clocks? 

We are living in a hologram:

This one boggles the mind. The universe, everything we see and feel and experience, may actually have two spatial dimensions. Think of a 2D hologram, like the one on the back of a credit card: it can have all of the information of a 3D image but in only two dimensions. Some scientists have postulated that our universe is like the hologram on your credit cards: space seems like it has three dimensions, but it may turn out that all we are seeing is a projection from a 2D universe outside of our perception.

Matter and antimatter

There is a definite discrepancy between the ratios of these two substances. There was supposed to be an equal amount of ordinary matter and antimatter – particles with the same mass but opposite charge – in the early universe, but now the universe is overwhelmed with regular matter. Many theories have been thrown around, for example that particle genesis favored one way of creating matter, but nothing conclusive has popped up. The mystery of how matter "won" over antimatter may be revealed in the newly-upgraded Large Hadron Collider at CERN.

The lifetime of the universe:

This mystery, the end of the universe, might not keep you up at night, but it will certainly be of concern to beings alive far into the future. This epic event is predicted to occur in about 10 billion years. Two opposing theories are the Big Crunch and the Big Rip. Neither of these outcomes sound terribly fun. The big crunch is the opposite of the Big Bang – all of the pieces of matter in the universe will stop accelerating away from each other and start accelerating toward each other. A boiling collision of all of the matter in the universe ensues (and mankind is unlikely to survive that). The Big Rip is where all of the pieces of matter in the universe continue to accelerate away from each other, faster and faster until eventually space-time moves so fast that it rips atoms apart (mankind is also unlikely to survive that one).

These two possibilities aren't the only possible outcomes for the universe – sadly it seems unlikely that our generation will ever know its fate.

Why can't we imagine four dimensions?

We little humans struggle to envision a world with four spatial dimensions. Some theories (such as string theory) need as many as eleven dimensions to be hypothetically possible. If string theory turned out to be correct, we'd have to figure out how there are six missing dimensions tangled up in our reality. I can feel a headache coming on...

Why does light have a universal speed limit?

c, the speed of light constant, is valued at 3x108 meters per second. But why this figure and not, for example, 4x1020 m/s? Is it a random digit pulled out of a bag of numbers when a new universe explodes into existance? It's currently impossible to know why the speed of light is the speed that it is... all we know is that our universe couldn't exist without this limit.

Unifying the big and the small:

Everything big, like stars and black holes, is made up of small things: particles. Einstein's laws of relativity govern the very big, while quantum mechanics is king in the realm of the very small. But physicists can't seem to jam the two theories together. The trouble is that gravity just doesn't appear to work on the nanoscopic scale. And bizarre quantum effects, like quantum tunneling (whereby an atom can "tunnel" through an otherwise impenetrable boundary), can't be applied to planets or stars. Your eyes would likely pop if the Moon suddenly "tunneled" through the Earth. It seems barmy that there would be one theory for everything big and another for everything small. Some scientists are trying to tackle this problem, and even making headway, but the missing link is still incredibly elusive.

Long-term career satisfaction for academics is closely linked to the type of institution where they work, as Joseph C Hermanowicz discovered when he set out to follow physicists through their careers.

What can we learn when we follow people over the years and across the course of their professional lives? This is the question that I have tried to answer by examining one particular group of professionals - namely academic physicists - during their careers at a variety of universities across the US. I chose to study physicists because in the wider culture physics is the scientific discipline par excellence. Physicists possess a recognizable genealogy of immortals - the likes of Kepler, Newton and Einstein - who promote a sense of scientific heroism and define a "model" career for those who follow. Thus, if one is interested in seeing how careers play out against a backdrop of this kind of company, then physics departments are a good place to visit.

In my research as a sociologist, I tracked 55 physicists through different stages of their working lives. The questions I posed were aimed at exploring physicists' shifting perceptions of their jobs in order to uncover the meanings they invest in their work, when and where they find satisfaction, how they succeed and fail, and how the rhythms of work change as they age. Based on interviews with the subjects, my study examined the consequences of career goals (both met and unmet); the frustrations of scientific careers, universities and the academic profession; and the way in which highly trained professionals deal with boredom and stagnation, as well as with renown.

Under the microscope:
Under the microscope Physicists in the study were originally interviewed between 1994 and 1995. At that time, the subjects were sampled according to early, middle and late career stages, with average ages of 37.0, 48.3 and 61.4 years, respectively. They were also grouped by one of three types of university - termed elite, pluralist and communitarian - at which they were employed. Elite universities, such as Harvard and the University of California, Berkeley, are those that stress research in the presence of teaching and other roles. Those that place roughly equal emphasis on teaching and research, such as the University of Maryland, the University of Kansas and Purdue University, are termed pluralist while those that place the greatest emphasis on teaching, such as the University of Tulsa and the University of Louisville are termed communitarian. Such labels are, of necessity, ideal types; in reality, both universities and individuals exist on a continuum.

The same physicists were interviewed again between 2004 and 2005, thereby creating a longitudinal study - the first of its kind - of how academics, working in a variety of institutions, age in relation to their work. The follow-up study thus reveals how physicists' perceptions of work evolve with perceived costs and rewards, from early to mid career, from mid to late career, and from late to post career.

The questions I asked in the second study addressed physicists' attitudes to work; their most prominent work concerns; whether they would seek an academic career again, and, if so, what they would do differently. The study also examined perceptions of peak satisfaction, the objects of their satisfaction and estimations of their overall career satisfaction; and their perceptions of whether the reward system in science is "fair" or not. A few of their responses appear below; note that the study is based on over 1700 pages of transcript, so the passages presented are merely illustrations.

How careers progress:
The results of the study reveal striking differences between the attitudes that elites, pluralists and communitarians have to their careers. In passing from early to mid career, elites - who in the earlier interviews had frequently described their situation (especially during the tenure process) as "a burden" - tended to stabilize and rededicate themselves to academia. In other words, they had found a renewed interest in fulfilling the institutional goals of higher education by continuing in their research productivity.

In contrast, pluralists - who had previously been highly satisfied in their work, and felt they had achieved a "happy medium" - experienced a reversal at the middle stage of their careers. They questioned their interest in and commitment to the profession, and they grew disillusioned with academic research. Early-career communitarians, for their part, had already expressed considerable disillusionment in the earlier study; by mid-career, most had ceased to do research entirely. For communitarians in mid-career, cumulative disadvantages had accrued to the point of shutting down interest and motivation to continue with scientific re_search. Their career pattern may best be described as succumbing to a stasis - there was no forward progress.

In their transitions from mid to late career, elites remained consistent in their identification with science and in their scientific productivity. Their publication productivity continued to accelerate, far eclipsing those of their contemporaries in other types of institutions. Pluralists either attempted to revitalize their careers following earlier fallow periods (largely without success) or continued with the research that they had been doing. Communitarians entered into a kind of scientific demise. They identified less and less with research, and became increasingly disaffected with their departments and universities, which they saw as having crippled their research aspirations.

Given these patterns, it is perhaps not surprising that in moving from late to post career phases, the pluralists characteristically withdrew from work, while communitarians separated themselves completely from it, usually severing all ties with work and their employing organizations. Intriguingly, elites in this stage for the first time lessened their intensity and embrace of research. This effect was associated with a decline in their overall career satisfaction.

The bottom line is that among elites, satisfaction begins high and rises through the career, but it then drops at the end as attitudes turn ambivalent - about what they have done, how much they have achieved, and where they stand professionally. For pluralists and communitarians, however, this pattern is reversed. Among pluralists, satisfaction starts out on a high, drops and then levels off before rising at the end, coinciding with a time when they withdraw from work. Communitarians experience low satisfaction throughout their careers - until the end, when, for the first time, they experience the greatest satisfaction of all the groups. They also, for the first time, regard the system of rewards in science as "fair".

The role of organizations:
Over time, physicists in the three prototypical academic organizations show evidence of reversals - in terms of career orientation, outlook and attitude. Elites may be most dedicated throughout their careers, but most devastated at the end, when they realize that their lofty (and often unrealistic) ambitions remain unfulfilled. Communitarians may be less dedicated during their careers, but most satisfied and positive in their outlooks at the end. Pluralists exemplify the greatest variability in their careers, but in the end find a satisfaction that overcomes a previous ambivalence. It is important to recognize that none of these shifts are taking place in isolation. Academic organizations - both universities and departments - script the courses of careers, and also influence changes in attitude, commitment and motivation to work. These career patterns have implications for the advancement of physics, for the welfare and functioning of academic departments and universities, and for the cohesiveness of the profession.

The telling of contemporary lives in science also prompts questions about what types of people, and with what levels of talent, science will be able to attract. One scenario is that academia will attract less-talented individuals, while more-talented people, seeing the conditions under which academic careers are experienced, will increasingly enter other professions. Perhaps the best answer to the question "What can we learn when we follow people in their careers?" is, simply, "much about the institutions that shape them". Conditions have developed in modern universities that create an enduring problem of meaning and satisfaction in the academic profession.

In their own words:
The following are excerpts from interviews with physicists about their academic careers.

"My attitudes about the job, about me and about the university have undergone tremendous changes in the past 10 years...I'm not sure I want to even submit things to published journals anymore...I'm disgusted by the whole thing...I got tired of getting referee reports...that spend a page talking about the bibliography; they were entirely concerned with whether I cited their work or their friends' work, and they hadn't read the paper...I'm in a setting where the last thing people want is honesty...You guys play your game, it's fine. There are more important things in life than getting grants from the National Science Foundation, getting Nobel prizes even or any of that stuff. That's all just a game..."

Pluralist at mid career:
"Maybe there is some self-delusion in feeling that you're being a significant contributor to science. It's just [pause] you have been trained, you know this field, when you're an expert in something, you tend to take pride in it, and you tend to continue doing it. But I don't think it's always very significant in the grand scheme of things...I could have worked harder to become a better professional physicist...At some stages of my career, I could have easily done better. It would have made a difference. It might well have been a significant difference...If I had worked harder, it would have given me a little more status. I would have accomplished more in the field..."

Elite at post career:
"There really wasn't much else to look forward to. [Right now, I'm] not working as hard. I'm not doing research anymore. I had two or three pretty good ideas during the course of my career, and I haven't had any since. I really don't keep up with the literature...I think that early on, even though I did some fairly decent work, both as a graduate student and in the beginning of my career, I never was satisfied. I always thought that I could have done better or sooner or more. In more recent years [near and in retirement], I have become content, not only with what I was doing, but also how much. I think this is a reflection of my coming to like myself more."

About the author:
Joseph C Hermanowicz is a sociologist at the University of Georgia, US, and the author of two studies on academic physicists: The Stars Are Not Enough: Scientists - Their Passions and Professions (1998, University of Chicago Press) and Lives in Science: How Institutions Affect Academic Careers (2009, University of Chicago Press).

Pages: [1] 2