Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Hasanuzzaman Sumon

Pages: [1]
1
নিয়োগকারীর কাছ থেকে ইন্টারভিউ কল পেতে টিপস

👉ইন্টারভিউ কল বেশিরভাগই পূর্ণাঙ্গ সিভির উপর নির্ভর করে। সিভিতে যদি দক্ষতা, রেফারেন্স, ক্যারিয়ারের সারাংশ ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ঘাটতি থাকে, তবে তা নিয়োগকারীকে আকৃষ্ট ব্যর্থ হবে। এছাড়া সবসময় সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে  সিভি হালনাগাদ করতে হবে। সিভির সাথে মেলে না এরূপ চাকরিতে আবেদন করবেন না। কারণ এ ধরনের আবেদনের বিপরীতে ইন্টারভিউতে কল পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আবেদন করার আগে পদ-সংশ্লিষ্ট কাজের বিবরণ মনোযোগ দিয়ে সতর্কতার সাথে পড়ুন এবং সে অনুযায়ী আপনার সিভি কাস্টমাইজ করুন।

CV Writing Guidelines: https://cdc.daffodilvarsity.edu.bd/images/home/Guide-to-writing-your_CV.pdf

👉 যেকোনো চাকরির আবেদনের সময় জীবনবৃত্তান্তের সাথে একটি কভার লেটার যুক্ত করুন। বস্তুত সিভি হবে কভার লেটারেরই সংযুক্তি। কভার লেটারটিও কাস্টমাইজ করুন। নিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করার জন্য দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, সম্ভাবনা ইত্যাদি যথাযথভাবে তুলে ধরুন। পুনশ্চ বলা: কভার লেটারটি কোনো অবস্থাতেই এক পৃষ্ঠার বেশি হবে না। এটি ইন্টারভিউ কল রেট বাড়াতে আপনাকে সাহায্য করবে।

Best Cover Letters : http://www.bestcoverletters.com/

👉 নিজের দক্ষতা ও সামর্থের উপর ভিত্তি করে একটি ছোট্র ভিডিও তৈরি করতে পারেন, যেখানে দৃশ্যত আপনি নিজের যোগ্যতাকে তুলে ধরতে পারেন। কারণ গতানুগতিক টেক্সট রিজিউমিতে উপস্থাপনা দক্ষতা প্রদর্শন করা সহজ নয়। আর ভালো ভিডিও সবসময়ই নিয়োগকারীর উপর কার্যকর ছাপ রাখতে সক্ষম, যা রিজিউমি ভিউ, অ্যাপ্লিকেশন ভিউ এবং ইন্টারভিউ কল বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলবে।

Guideline on Video Resume preparation: https://cdc.daffodilvarsity.edu.bd/images/home/Guideline-for-VideoResume.pdf

👉 সবশেষে, আপনার দক্ষতা বিকাশ ঘটান, পাঠ্য সার-সংকলন এবং ভিডিও জীবনবৃত্তান্ত, কভার লেটার হালনাগাদ করুন এবং যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক চাকরির জন্য আবেদন করুন।

হাসানুজ্জামান
সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

2
যে ১১টি হার্ডস্কিলস এবং সফ্টস্কিলস আপনাকে সবার থেকে এগিয়ে রাখবে!


একটি বিষয় সবসময় প্রফেশনালদের মনে রাখতে হয়, যেকোন কর্মক্ষেত্রে নিজের অনর্ভুক্তির জন্য কোন একটি বিষয়ে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে। যাকে আমরা দক্ষতা হিসেবে জানি। দক্ষতা মানেই হলো কোন কাজ আপনি নিজ হাতে করতে সক্ষম। উদাহরন হিসেবে বলা যায় মাইক্রোসফট এক্সেল।
আপনি যদি মাইক্রোসফট এক্সেল দিয়ে রিপোর্ট প্রস্তুত করতে পারেন বা ডাটা এ্যানালাইসিস করতে সক্ষম হন, তবেই আপনি আত্মবিশ্বাস অনুভব করবেন। দক্ষতা দুই ধরনের হয়ে থাকে পরিমাপযোগ্য এবং অপরিমাপযোগ্য। বহুলভাবে যাকে আমরা হার্ড স্কিল এবং সফ্টস্কিল হিসেবে চিহ্নিত করে থাকি।

হার্ড স্কিল পরিমাপযোগ্য! এর কারন হলো এর ফলাফল তাৎক্ষনিকভাবে পাওয়া যায়। যেমন বেসিক এডিটিং স্কিল অথবা পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে প্রেজেন্টেশন তৈরি করা বা কোন প্রকল্পের জন্য রিপোর্ট তৈরি করা। সফ্টস্কিল হলো অপরিমাপযোগ্য যার অর্থ হলো এটি একমাত্র অনুভব করা যায়।
যেমন আপনি যদি বলেন আপনার যোগাযোগ দক্ষতা ভলো বা আপনার মধ্যে লিডারশীল স্কিল আছে তাহলে সেটির বিষয়ে নিশ্চিত হতে বেশ কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন হবে। কারন আপনার ভেতর সফ্টস্কিল আছে কিনা সেটা জানা যায় আপনার সাথে যারা একসাথে কাজ করছেন তাদের ফিডব্যাকের মাধ্যমে। সেজন্য অধিকাংশ কর্মক্ষেত্রে কর্মীর সফ্টস্কিল সম্পর্কে ধারনা পেতে প্রতিষ্ঠান সাধারনত থার্ড পার্টি ফিডব্যাকের উপর নির্ভর করেন।

নির্দিধায় বলতে পারি সফ্টস্কিল সব সেক্টরের জন্য প্রযোজ্য। হয়তো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষানিকটা পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু প্রয়োজনের দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রফেশনালদের মধ্যে অনেকেই এক সেক্টর থেকে অন্য সেক্টরে নিজেকে স্থানান্তর করেন। যে সেক্টরেই থাকুন না কেন সফ্টস্কিলসের কিন্তু কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। মূলত প্রধান ১০টি সফ্টস্কিলসের কথা আমরা শুনতে পাই বিশেষ করে চতুর্থ শিল্পের এই সময়টাতে যেমনঃ

1.Communication (যোগাযোগ),
2.Self-Motivation (স্ব-প্রেরণা),
3.Leadership (নেতৃত্ব),
4.Self-Responsibility (দায়িত্ববোধ,
5.Problem Solving (সমস্যা সমাধান),
6.Team Work (টিমওয়ার্ক),
7.Critical Thinking and Creativity (সৃজনশলতা),
8.Decision Making (সিদ্ধান্ত গ্রহন),
9.Ability to Work Under pressure ‍and Time Management (চাপ এবং সময় ব্যবস্থাপনার অধীনে কাজ করার ক্ষমতা)
10.Flexibility (নমনীয়তা)
11.Adaptability (অভিযোজনযোগ্যতা)
12.Negotiation and Conflict Resolution (আলোচনা এবং দ্বন্দ্ব সমাধান)

যেহেতু আমি শুরুতেই বলেছি সফ্টস্কিল সব সেক্টরের কাজের জন্য অত্যন্ত জরুরী তাই এই দক্ষতাগুলোর প্রতি একটু বেশী গুরুত্ব দিতে পারলে কর্মক্ষেত্রে সকলেরর সাথে মিলে কাজ করাটা অনেক সহজ হয়ে যায়। সফ্টস্কিলস অবশ্যই শেখা যায়। প্রতিষ্ঠিত কোন দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বা কোন এক্সপার্টের মাধ্যমে সফ্টস্কিলসের উপর বিশেষ কোর্স সম্পন্ন করা যেতে পারে।

তবে সফ্টস্কিলসের উপর দক্ষতা বৃদ্ধির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আত্মসচেতনতা এবং পর্যবেক্ষনের (Observation) মাধ্যমে শেখা। আপনার কর্মক্ষেত্রে এমন অনেক সহকর্মীর সান্নিধ্য আপনি পেতে পারেন যারা সফ্টস্কিলসকে অনুশীলন করছেন। তাদের সাথে মেলামেশা বাড়িয়ে দিন, দেখবেন আপনার নিজের সফ্টস্কিলসেরও পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে
 
হার্ডস্কিলসের ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু ভিন্ন। হার্ডস্কিলস মূলত কর্মক্ষেত্র বা নির্দিষ্ট সেক্টরের উপর নির্ভর করে। মার্কেটিং, সেলস, ফাইন্যান্স বা এইচআর নিয়ে যারা বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তাদের প্রত্যেকেই ঐ সেক্টরের জন্য নির্ধারিত হার্ডস্কিলসে পারদর্শী হতেই হবে। তবে বর্তমানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের

এই সময়ে কিছু হার্ডস্কিলস আছে যা একজন প্রফেশনালকে কর্মক্ষেত্রে বিরত্ব অর্জনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন এবং সকল সেক্টরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে কাজ করে। মূলত ১১টি হার্ডস্কিলস প্রত্যেক প্রফেশনালের জন্য অত্যন্ত জরুরী যেমনঃ

১. টেকনিক্যাল স্কিল:

বেসিক কোডিং (স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং),
সিআরএম প্ল্যাটফরম (কাস্টমারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার্থে ব্যবহারিত ওয়েব বেইজড সোল্যুশন),
রিসার্চ স্কিলস,
ট্রাবলস্যুটিং (কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, বেসিক নেটওয়ার্ক) ইত্যাদি।
২. কম্পিউটার স্কিলসঃ

মাইক্রোসফ্ট অফিস (ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট)
মাইক্রোসফ্ট প্রজেক্ট,
বেসিক ইমেইজ এডিটিং,
বেসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন,
বেসিক ভিডিও এডিটিং,
গুগলিং,
ইমেইল, ‍
সোস্যাল মিডিয়া,
ওয়েব সাইট রিভিউং,
টাইপিং স্কিল,
অনলাইন স্টোরেজ (গুগল ড্রাইভ) ইত্যাদি।
৩. এ্যানালাইটিক্যাল স্কিলসঃ

ডাটা এ্যানালাইসিস,
ডাটা মাইনিং,
ডাটা প্রেজেন্টেশন,
এসপিএসএস,
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট,
রিপোটিং স্কিলস, ‍
স্ট্র্যাটেজি স্কেচিং ইত্যাদি।
৪. মার্কেটিং স্কিলসঃ

সেলস স্কিলস,
এ্যাডভারটাইজমেন্ট,
কনজুমান রিসার্চ,
ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষ করে বেসিক এসইও (SEO),
পে পার ক্লিক (PPC),
সোস্যাল মিডিয়া পেইড মার্কেটিং,
কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট,
ইমেইল মার্কেটিং,
ইউএক্স/ইউআই ডিজাইন (UX/UI Design),
গুগল এ্যানাটিক্স,
ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
৫. প্রেজেন্টেশন স্কিলসঃ

বিজনেস প্রেজেন্টেশন,
সেলস প্রেজেন্টেশন,
স্টোরি টেলিং,
গ্রাফ/চার্ট প্রেজেন্টেশন,
প্রোগ্রাম মডারেটিং ও উপস্থাপনা ইত্যাদি।
৬. ম্যানেজমেন্ট স্কিলসঃ

বিজনেজ ডোমেইন নলেজ (যে সেক্টরে কাজ করছেন, সেই সেক্টর সম্পর্কে জ্ঞান),
ব্যবসায়িক জ্ঞান,
বাজেটিং,
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা,
নিয়োগ ব্যবস্থাপনা,
বেসিক আর্থিক পরিকল্পনা,
বেসিক অফিস ম্যানেজমেন্ট,
বেসিক প্রকিউরমেন্ট,
সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
৭. প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্কিলসঃ

প্রজেক্ট সিডিউলিং,
প্রজেক্ট লাইফ সাইকেল ম্যানেজমেন্ট,
এ্যাজাইল সফ্টওয়্যার (Agile Software),
পারফরমেন্স ট্র্যাকিং,
ফাইন্যান্সিয়াল মডেলিং,
স্ক্র্যাম ম্যানেজমেন্ট (Scrum Management) ।
৮. রাইটিং স্কিলসঃ

নোট টেকিং,
বিজনেস লেটার/এপ্লিকেশন রাইটিং,
প্রফেশনাল ইমেইল রাইটিং,
বিজনেস রিপোর্ট রাইটিং,
প্রেস রিলিজ ড্রাপটিং,
স্ক্রিপট এডিটিং,
প্রজেক্ট প্রপোজাল ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
৯. ল্যাঙ্গুয়েজ স্কিলসঃ

মাতৃভাষার পাশাপাশি যেকোন একটি বা দুটি ভাষায় পারদর্শীতা কর্মক্ষেত্রে সবসময় একধাপ এগিয়ে রাখে যেকোন প্রফেশনালকে। বাংলা ভাষার সাথে যদি ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা যায় তাহলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিজনেস কমিউনিকেশন স্কিলস।
১০. ডিজাইন স্কিলসঃ

এডোবি ফটোশপ,
এডোবি ইলাসট্রেটর,
এডোবি আফটার ইফেক্টস
ইনডিজাইন
ইউএক্স/ইউআই ডিজাইন (UX/UI Design),
ইউএক্স রিসার্চ,
ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন,
বেসিক এইচটিএমএল (HTML),
এ্যাক্রোব্যাট রিডার/এডিটিং,
টাইপোগ্রাফী,
প্রিন্ট লেআউট ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
১১. ভেন্ডর সাটিফিকেশনঃ বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিশ্বাসযোগ্য বিভিন্ন দক্ষতার উপর ভেন্ডর সার্টিফিকেট প্রোভাইডার আছে যেমন এ্যাডোবি ডিজাইনের জন্য, মাইক্রোসফ্ট, পিএমআই (প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য), বৃটিশ কাউন্সিল (ইংরেজী ভাষার দক্ষতার জন্য) ইত্যাদি। এছাড়া বিশ্ববিখ্যাত অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফরম আছে যা অধিকাংশ কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃত।

Source: https://kmhasanripon.info/11-most-important-hard-skills-and-soft-skills-for-every-professional/?fbclid=IwAR1P_5qsrF2y9Rz2puFCCq42JAJjylS5ms5oGr0rmpoZ6eMzFiTCqC2DnjM

3
Career Planning / The 6-Step Career-Planning Process
« on: May 10, 2022, 10:39:38 AM »
The 6-Step Career-Planning Process




What is career planning?
Career planning is the process of discovering educational, training and professional opportunities that suit your interests, passions and goals. Before searching for jobs, you should set achievable long-term goals that identify what you want to be doing along your career path at five, 10, 15, 20 years and so on. Then, you can set short-term goals between each stage to ensure you have clear, actionable steps you can take to reach your long-term goals. Career planning allows you to outline your goals and reevaluate them as you progress.

Steps of the career-planning process
Depending on your path, you may complete each step just once, or you may revisit the process to change direction and discover new career options. Here are the chronological stages of the career-planning process:

1.Self-exploration and assessment
2.Career research
3.Exploration and experimentation
4.Decision-making and career selection
5.Final planning and action
6.Job search and acceptance

1. Self-exploration and assessment

You first need to understand your needs, strengths, personality, skills, talents and interests to make informed academic and career decisions. You can determine these items on your own by making a series of lists or through a variety of tests, including:

Value evaluations, which include factors such as the salary level you desire, whether you prefer frequent interactions with other people or solitude in the workplace, how much you want your work to contribute to society as a whole and how important prestige is to your work and the rest of your life.
Interest evaluations, which gather data about your likes and dislikes regarding a wide array of activities, people and objects. Many interest profilers, including the Strong-Campbell Interest Inventory, match your interests with six types: realistic, investigative, artistic, social, enterprising and conventional. Then, these types are matched with the occupations that fit them best.
Personality evaluations, which often use online surveys like the Myers-Briggs Type Indicator. This test categorizes people into 16 personality types based on the following characteristics: Introversion or Extroversion, Sensing or Intuition, Thinking or Feeling, or Judging or Perceiving. People with some personality types do better in certain occupations than others. For example, an introvert might not enjoy working with other people all day.
Aptitude evaluations, which test your abilities and strengths. They can let you know if you need more education or training and can also help you decide if you want to spend the time, money and effort needed to start a brand-new career.
You can also consider meeting with a career counselor. A career counselor specializes in helping professionals understand elements that can influence career decisions and identify possibilities they may not have considered. A career counselor might use skill identification exercises, interest inventories, communication and learning styles, and other methods to help you understand yourself better.

2. Career research
After you determine your qualities and aptitudes, you can decide which types of careers you are interested in with research. Start with a list of roles and industries provided by your assessments or compile a list of characteristics in the work environment, responsibilities and advancement opportunities you want in your career. Using those characteristics, determine more roles and industries you may want to consider.

Start further research by gathering basic information about each of the careers on your list. Look at the general description of each profession, along with general labor market information, such as median salary, common benefits, educational and training requirements and the likelihood of being hired after meeting all the requirements.

Continue narrowing down your list of possible careers by learning what working in different fields is really like. Consider using your professional network to find people already in those roles and industries, or reach out to current professionals on career-focused social media platforms. You can also read company reviews for specific roles to find out as much as you can about the advantages and disadvantages of the field. Reading first-person perspectives could be invaluable when it is time to make a choice.

3. Career exploration and experimentation
After you have narrowed down your list of possible careers, find ways to experience each career in person. Here are some ways you can get a first-hand look at what a role entails:

Informational interviews: Consider asking a professional in your desired field to sit down with you to answer questions. You can discover the education, training, entry-level roles and other aspects they followed along their career path. An informational interview can also help you build your professional network within your intended industry, which may help your job search process in the future.
Job shadowing: This activity involves spending a day, a week or another short period observing a professional on the job. You may accompany them to meetings or watch them demonstrate how they complete their typical daily work. You can also ask them questions throughout your time with them to better understand their career path.
Volunteering: Some organizations may allow you to volunteer for tasks that your ideal role would handle to gain more hands-on experience. This can also help you determine whether you can enjoy working in that role, industry or type of workplace.
Internships: Consider an internship for more direct field experience. These opportunities are likely to give tasks more relevant to your intended role.
Part-time work: Part-time versions of many jobs may be available with fewer entry-level requirements. You can find them in specific companies that you might consider working for and in assistant-type roles that directly interact with your intended role.
Find a mentor in the industry: Watching an experienced mentor and listening to them talk about the realities of a career can be very informative. You can consider applying their career path choices to your own planning to identify steps that may also work for you.
Courses: If you pursue any form of higher education, consider choosing courses related to possible career choices. These classes can provide you foundational information and training through projects and essays, which can help you understand some of the basics of a career.
4. Decision-making and career selection
Weigh the advantages and disadvantages of all of your options. You will need to consider many factors, including the possible balances between pay and enjoyment, the pros and cons of relocation, and the work-life balance.

Go over all of your previous research as well as any related experiences very carefully, and organize them by preference from highest to lowest. This strategy helps you rank certain factors and roles over others to identify your top choice. Consider also identifying alternative yet similar options should your desires change as you progress or your job search does not lead to that role.

5. Final planning and action
Gather all the information you have learned and determine an action plan. This plan should include background information, such as your employment history, education, level of training, volunteer and other unpaid experience. It should also include your professional licenses or certifications, the results of the self-evaluations mentioned in the first section, and career counselor advice you have received.

Create detailed lists of short- and long-term goals you will need to achieve before you reach your final career goal. These lists should include all of the occupational, educational and training goals required to pursue your chosen career path. You should also consider the barriers to reaching those goals and how you plan to overcome them. These barriers could be financial, educational, vocational or personal, such as the cost of college, family obligations, or the need for tools and supplies for your chosen career.

Consider writing out each step for your intended career path, including the steps you’ve already taken to see the progress you’ve already made. You can also do this for your alternative options to ensure you are prepared to follow them should your ideal option not work out.

6. Job search and acceptance
Use your career plan to begin your job search. Identify specific roles and companies you’re interested in applying to, and compare those preferences and requirements to your career plan. See if there are steps you still need to take or if you’re qualified to apply.

You can also use your goal-setting strategy and career plan to write an effective cover letter that demonstrates your passion for the role, field and employer. You can use your career plan to identify the steps you’ve taken on your path thus far and highlight your goal-setting skills and dedication. You can also apply these items during the interview process to prove your interest and qualification to prospective employers.

If you receive a job offer, determine whether the salary, benefits, location, work-life balance and responsibilities match your self-assessment and action plan.

Source: https://www.indeed.com/career-advice/career-development/career-planning-process

4
আপনি থিসিস করেন কিংবা গবেষণা আর্টিকেল লিখেন, সাধারণত এই অংশগুলো থাকে -
1. Title
2. Abstract
3. Introduction
4. Literature Review
5. Conceptual and Theoretical framework
6. Methodology
7. Results/Findings & Discussion
8. Conclusion
9. Reference
টাইটেল,অ্যাবস্ট্রাক্ট, মেথডোলজি এবং কনক্লিউশন; এগুলো মোটামুটি ছোট অংশ। এগুলো লেখার জন্য কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন নেই । আপনার হাতে যদি সিমিলার কয়েকটি থিসিস থাকে,তাহলে সে নমুনাগুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই এই অংশগুলো লিখে ফেলতে পারবেন।
তবে এই অংশগুলোসহ গবেষণায় প্রত্যেকটি অংশে , কিছু টুলসের প্রয়োজন হয়, সেগুলো সম্পর্কে লিখছি।
▪️𝟭. 𝗚𝗿𝗮𝗺𝗺𝗮𝗿 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-
(Grammarly*/Ginger)
ইংরেজি যেহেতু আমাদের মাতৃভাষা না । তাই আমাদের লেখার মধ্যে ব্যাকরণগত এবং ভাষাগত অনেক ভুল থাকতে পারে । আপনি চাইলে সহজেই এখান থেকে ঠিক করে নিতে পারেন । সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে চাইলে প্রিমিয়াম ভার্শন কিনতে পারেন ।
▪️𝟮. 𝗣𝗮𝗿𝗮𝗽𝗵𝗿𝗮𝘀𝗶𝗻𝗴 𝗮𝗻𝗱 𝗪𝗿𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝘁𝗼𝗼𝗹𝘀-
(Quillbot*/Word Ai/Ref-n-Write/Pro Writing Aid)
ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি Quilbot,Word Ai খুবই ভালো । তবে Ref-n-Write/Pro Writing Aid খুবই অ্যাডভান্স।Quilbot এর বিনামূল্য ভার্শন আপনাকে যথেষ্ট সাহায্য করবে। অন্য টুলসগুলো আপনাকে নামমাত্র মূল্যে কিনে নিতে হবে ।
▪️𝟯. 𝗘𝗱𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝗧𝗲𝘅𝘁 𝗦𝗼𝗳𝘁𝘄𝗮𝗿𝗲-
(Word*, OpenOffice, LaTeX*), Scrivener...)
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর কাজ খুব ভালোমতো জানা থাকলে বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও হবে । তবে বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ল্যাটেক্স শেখা যেতে পারে । আমি গবেষণার দুটি সফটওয়্যার শিখে সবচেয়ে বেশি আনন্দলাভ করেছিলাম , তার মধ্যে একটি হলো লাটেক্স । জার্নাল অনুযায়ী লেখা সাজানো , অটোমেটিক সূচিপত্র বানানো, ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যাবে ।
▪️𝟰. 𝗖𝗼𝗻𝗰𝗲𝗽𝘁𝘂𝗮𝗹 𝗮𝗻𝗱 𝗧𝗵𝗲𝗼𝗿𝗲𝘁𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗙𝗿𝗮𝗺𝗲𝘄𝗼𝗿𝗸-
(Diagram.net*, creatly*, Canva)
এই অংশগুলোতে অনেক সময় ডায়াগ্রাম বা চিত্র আঁকতে হয় । মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে যদিও চিত্র অঙ্কন করা যায় , তবে সেটি সুন্দর হয়না । আপনারা চাইলে Diagram.net, creatly, Canva এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে মুহূর্তেই কাঙ্খিত ডায়াগ্রাম তৈরি করে নিতে পারবেন ।
 ▪️𝟱. 𝗥𝗲𝘀𝘂𝗹𝘁𝘀/𝗙𝗶𝗻𝗱𝗶𝗻𝗴𝘀 & 𝗗𝗶𝘀𝗰𝘂𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻
এই অংশকে কোয়ালিটিভ এবং কোয়ান্টিটিভ দুটি ভাগে ভাগ করে বোঝালে সহজ হবে ।
 🔸Quantative Analysis
(SPSS*, STATA, R, ...)
SPSS এর কাজ ভালোমতো জানলে সোশ্যাল সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডে শিক্ষার্থীদের বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও মোটামুটি চলে । R শিখতে পারেন , অ্যাডভান্স এনালাইসিস করতে পারবেন । পাশাপাশি খুব সুন্দর সুন্দর ফিগার বের করতে পারবেন ।
 🔸Qualitative research software
(Atlas.ti,NVivo,Quirkos*,MAXQDA...Excel*)
এতগুলা সফটওয়্যার দেখে মোটেও ঘাবড়ে যাবেন না । গুণগত গবেষণা করার ক্ষেত্রে সাধারণতঃ সফটওয়্যার না হলেও চলে বা এক্সেল ব্যবহার করেই থিমেটিক এনালাইসিস করে ফেলা যায় । ব্যক্তিগতভাবে আমি এই দুটি সফট্ওয়ারে Quirkos,MAXQDA এর কথা বলবো । আপনারা চাইলে দেখে নিতে পারেন শিখে নিতে পারেন ।
 ▪️𝟲. 𝗤𝘂𝗲𝘀𝘁𝗶𝗼𝗻𝗻𝗮𝗶𝗿𝗲 𝗦𝘂𝗿𝘃𝗲𝘆-
(Kobo toolbox*,Google form*)
Kobo toolbox খুবই স্মার্ট একটি টুলস । রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ পেতে হলে এই টুলস এর কাজ জানা আবশ্যক ।
 ▪️𝟳. 𝗣𝗹𝗮𝗴𝗶𝗮𝗿𝗶𝘀𝗺 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-
(Turnitin*, Viper,I-thenticate, Checker X*)
DupliChecker, Paperrater, Plagiarisma, Search Engine Reports, PlagTracker, Plagium, CopyLeaks, Ephorus, Quetext অনেকেই এসব সোর্স থেকে প্লেজারিজম চেক করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন । কিন্তু একাডেমিক লেখায় এই টুলসগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। অনলি Turnitin ইজ বস ।
 ▪️𝟴. 𝗕𝗶𝗯𝗹𝗶𝗼𝗴𝗿𝗮𝗽𝗵𝘆 𝗠𝗮𝗻𝗮𝗴𝗲𝗿-
(Zotero*, Mendeley*,EndNote, ...)
রেফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যেই রেফারেন্সিং করে ফেলা যায় । Zotero সফটওয়ারটি শেখা আমার জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে আমি মনে করি । এমনকি আমার চলমান ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই সফটওয়্যারটি খুব পছন্দ করেছে ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে হলে এই সফটওয়্যার গুলো শেখা অত্যন্ত দরকার । Zotero এবং Mendeley আমি রেগুলার ব্যবহার করি।

Source- Morshed Alam

5
কর্মস্থলে ইমেইল পাঠানোর সময় ৫টি ভুল কখনই করা উচিত নয়!

Source: https://www.facebook.com/skilljobs.bd/photos/a.409803049051762/5338882936143724

6
Career Guidance / Top 9 Computer Science Career Paths
« on: April 18, 2022, 03:56:48 PM »
Top 9 Computer Science Career Paths

What is Computer Science?
Computer science is a broad umbrella under which any study related to computers, technology, and software reside. With the rapidly developing state of technology these days, it makes sense that computer science encompasses a myriad of things.

Generally, computer science students learn about the inner workings of computers, but also the internal software and applications. As one of the most in-demand fields today, computer science is widely popular and competitive. In fact, computer-related jobs have some of the highest salaries out there.

The most common way of entering computer science is through a classic 4-year degree. A bachelor’s degree in computer science or other related specialties is heavy on the math, mechanical, and electrical sciences. In addition, expect to find other unrelated general education requirements courses peppered in.

Many people think computer science is just a bunch of technical jargon and logical problem-solving. However, students are surprised to find it requires a lot of creativity and analytical thinking.

Another misconception: that image of computer scientists sitting behind their (many) computer screens all day with little to no human interaction. In fact, coding, problem-solving, and working projects all require team-based effort.

With the various paths leading to a career in the computer science field, there are just as many possible destinations. If you are interested in studying computers or technology, you may be wondering: “Which computer science career is right for me?”

Choosing a computer science path depends on the person, but this list can help you narrow down your options.

Here are some of the top computer science careers:

  • Software Engineer
  • Web Developer
  • Hardware Engineer
  • Computer Programmer
  • Database Administrator
  • Systems Analyst
  • Network Architect
  • Health Information Tech Specialists
  • Video Game Developer

Software Engineer
A software engineer can design either applications or systems, two branches within the software engineering field. Software engineers help companies to research the best way to meet software needs. Then they go about designing, developing, and optimizing the plan to create that software. There are a lot of steps involved, as software engineers can do a lot of different tasks. They can also work anywhere from tech companies to corporate offices.

Web Developer
For more creative students, web development is a popular option. It entails designing and writing code to create a website’s layout and formatting, making websites look sleek and polished. Web developers often use front-end coding languages like HTML, CSS, and JavaScript . The focus here is functionality and pleasing visuals, so web developers bridge the gap between a client’s brand and specifications and the user experience. Web development jobs usually accept those fresh out of college, an associate’s degree, or even certification from a coding bootcamp .

Hardware Engineer
Becoming a hardware engineer requires more physical and mechanical work with computers. A hardware engineer develops various parts of the inner computer, like the processor, memory, and motherboard. They may also work on equipment in cars or medical devices. A lot of hardware engineering work is hands-on implementation. They work with a team of software developers, engineers, and clients to formulate the design into reality.

Computer Programmer
A computer programmer writes code to create software programs based on a design made by a software developer or engineer. In other words, computer programmers bring software ideas into life. Computer programming requires knowledge of programming languages and libraries (collections of code made to ease and speed up the creation of new code). Testing and improving upon existing program code is also a big part of computer programming.

Database Administrator
A database administrator’s main task is managing databases for a company or organization. What exactly is a database? A database holds an organized set of data in a computer system. Organizations and companies use databases to compile a ton of information, allowing it to easily be accessed when needed. Database administrators are necessary to maintain database organization and to fix any issues that arise.

Systems Analyst
A systems analyst works in the information technology field and is responsible for organizing computer information systems. They analyze systems and recommend any tweaks to improve the systems or any updates that are needed. Professionals in this position may work in technology companies or manage systems in banks or other companies’ financial departments.

The responsibilities of a systems analyst entail consulting with and advising clients to help them utilize their computer systems efficiently. Must-have skills include research and attention-to-detail.

Network Architect
Much like a traditional architect, a network architect sketches out and devises a network that connects various computer systems. Networks are pretty important for sharing and distributing information. On the same note, network architects are valuable for maintaining that connection through developing the IP network hardware; including wide-area networks or local-area networks.

Employers expect network architects to meet them where they are in their network needs, as well as staying updated and dynamic in their designs. Becoming a network analyst usually requires more experience in network administration first.

Health Information Tech Specialists
A health information technology specialist bridges the gap between health and information technology. The duties of a health IT specialist include managing databases of patient history and information and keeping such information secure. These professionals also manage electronic medical record systems (like EMRs, EHRs, or PHRs). In addition, many specialists might automize provider order entries and compile disease registries. Hospitals are not the only places that hire Health IT specialists; laboratories and public health organizations do so as well.

Video Game Developer
Video game development can include a variety of devices like mobile games, video games, and computer games. It includes many duties like pre and post-game development as well as designing and developing the software for a game. A video game developer focuses on bringing conceptual designs to life through coding.

This role is team-based, allowing video game developers to work with other graphic artists, writers, and developers. Video game developers are always working on updating the game to come out with new versions, add more components, or fix bugs.
[/font]

FAQ
1. What are the best online bootcamps to learn coding?
>>There are tons of great options for online coding bootcamps . Flatiron School, Thinkful, Kenzie Academy, Springboard, and General Assembly are all great programs, just to name a few.

2. What are some of the easiest coding languages to learn?
>>Html, Python, JavaScript, PHP , and Java are some of the easiest, high-level languages for beginning coders to master.

3. How long does it typically take to become a computer programmer?
>>If you commit 3-4 hours a day to learning to code, you could land an entry-level programming job in as little as 6-8 months.

4. What is the best way to learn programming?
>>There is no “right” way to learn to code! You can learn programming through self study, a traditional four-year degree, or through a coding bootcamp.


Source: https://careerkarma.com/blog/computer-science-career-paths/

7
নতুন চাকরি খোঁজার সময় যে ভুলগুলো করা উচিত নয়!


Source: https://www.facebook.com/skilljobs.bd/photos/a.409803049051762/5336233416408676/

8
চাকরির ইন্টারভিউ এর পরে উক্ত কোম্পানিতে ধন্যবাদ বা ফলোয়াপ ইমেইল কিভাবে করবেন?



Sources: shorturl.at/cmtMY

9
চাকরির ইন্টারভিউতে যে কথা বলা যাবে না এমন ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ  টিপস!


Source: https://t.ly/NT0d

Pages: [1]