Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Forman

Pages: 1 2 [3] 4
31
যাঁরা প্রচলিত অফিস বাদ দিয়ে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে সবচেয়ে বেশি আয় করতে চান, তাঁদের জন্য ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্ষেত্রের দক্ষতা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে। সম্প্রতি এ দুটি খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বাড়তে দেখা গেছে। ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রের জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফ্রিল্যান্সার ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, কর্মী নিয়োগদাতাদের কাছে ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট জানা কর্মীর চাহিদা জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। সম্প্রতি ‘ফাস্ট ৫০’ নামে দক্ষতাবিষয়ক প্রান্তিক সূচক প্রকাশ করেছে ফ্রিল্যান্সার ডটকম। ওই তালিকায় সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতার মধ্যে স্থান পেয়েছে ডেটা অ্যানালিটিক্স, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, মাইক্রোসফট অফিস, কপি টাইপিং, ট্রান্সক্রিপশন, রাশিয়ান ট্রান্সলেশন, বুককিপিং, ই-মেইল হ্যান্ডেলিং ও কাস্টমার সাপোর্ট। যাঁদের এ ধরনের কাজে দক্ষতা আছে, তাঁরা চাইলে ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে ভালো করতে পারেন।



ফ্রিল্যান্সার ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, গত প্রান্তিকে ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্ষেত্রের চাহিদা বেড়েছে ৫৮.৯ ও ৫৫.৬ শতাংশ। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে তাদের সাইটে ৪ লাখ ৭৩ হাজার ফ্রিল্যান্সিং কাজের পোস্ট হয়েছে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ৫০টি কাজের তালিকা থেকে তৈরি করা হয়েছে ‘ফাস্ট ৫০’। দেখে নিন সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ৫টি ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কে:

ডেটা অ্যানালিটিক্স: বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ডেটা অ্যানালিটিক্সের চাহিদা বাড়তে থাকবে। ২০২৩ সাল নাগাদ ডেটা অ্যানালিটিক্স মার্কেট বেড়ে দাঁড়াবে ২৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। গত প্রান্তিকে ফ্রিল্যান্সার ডটকমে ডেটা অ্যানালিটক্সে চাহিদাসম্পন্ন কর্মীর চাহিদা ৫৮.৯ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমান ব্যবসার ট্রেন্ড বুঝতে এবং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজাতে দক্ষ কর্মীদের জন্য নানা প্রকল্প নিচ্ছে নিয়োগদাতারা। তাই যাঁরা ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহী, তাঁদের জন্য এ দক্ষতা বাড়তি আয়ের পথ খুলে দেবে।

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট: গত প্রান্তিকে ফ্রিল্যান্সার ডটকমে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে চাকরি আগের প্রান্তিকে পোস্ট হওয়া ৭ হাজার ৯২৫ থেকে ১২ হাজার ৩২৯টিতে পৌঁছেছে। অর্থাৎ, এ খাতে চাহিদা বেড়েছে ৫৫ শতাংশের বেশি। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের নানা রকম কাজে নিয়োগদাতাকে সাহায্য করতে হয়। গ্রাহকসেবা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ব্লগ পোস্টিং থেকে শুরু করে ভার্চুয়াল অফিসে বাস্তব অফিসের সহকারীর মতো কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রকল্পভিত্তিক বা ঘণ্টা ভিত্তিতে আয়ের সুযোগ থাকে।

মাইক্রোসফট অফিস: গত প্রান্তিকে মাইক্রোসফট এক্সেলে দক্ষ কর্মীদের প্রচুর চাহিদা বাড়তে দেখা গেছে। সাধারণ টাইপিং বা ডেটা এন্ট্রি কাজের তুলনায় এক্সেল দক্ষতা কিছুটা জটিল। এক্সেল ও প্রোগ্রামিং দক্ষতাসম্পন্ন একজন কর্মী কাজকে স্বয়ংক্রিয় করে তোলার মাধ্যমে নিয়োগকারীর সময় বাঁচাতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে ২০ ঘণ্টার কাজ এক ঘণ্টায় হয়ে যায়। এ ধরনের কাজে দক্ষ কর্মীরা স্বল্প সময়ে প্রচুর আয় করতে পারেন। যাঁরা ফ্রিল্যান্সিং কাজে ঢুকতে আগ্রহী, তাঁরা এক্সেল নিয়ে কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।

কপি টাইপিং: টানা দুই প্রান্তিক জুড়ে শীর্ষ ১০ চাহিদাসম্পন্ন কাজের মধ্যে রয়েছে কপি টাইপিং। গত প্রান্তিকে এর চাহিদা বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। বিস্তৃত ও এলোমেলো তথ্য থেকে পরিষ্কার তথ্যে কপি তৈরি, হাতে লেখা পোস্টকে সম্পাদনা উপযোগী পোস্টে রূপান্তর করার মতো নানা কাজ করতে হয় কপি টাইপিং কর্মীকে। নির্দিষ্ট প্রকল্পে নির্দিষ্ট বাজেট বা ঘণ্টা ভিত্তিতে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। যাঁরা দ্রুত ও নির্ভুল কপি টাইপ করতে পারেন, তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং বাজারে কাজের সুযোগ রয়েছে।

ট্রান্সক্রিপশন: যাঁরা ভাষান্তর কাজে পারদর্শী তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে ট্রান্সক্রিপশনে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। গত প্রান্তিকে ফ্রিল্যান্সার ডটকমে ৫২ দশমিক ২ শতাংশ চাহিদা বেড়েছে ট্রান্সক্রিপশন কাজে দক্ষ কর্মীদের। যাঁরা নতুন করে ফ্রিল্যান্সিং করতে চান, তাঁরা ভাষান্তর কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আরবি, রুশ, মান্দারিন, ফ্রেঞ্চসহ যত বেশি ভাষা জানবেন, তত বেশি আয় করতে পারবেন।

অন্যান্য: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এখন অন্যের জন্য বই লিখে দেওয়ার কাজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নিয়োগদাতার চাহিদা ও নির্দেশ অনুযায়ী সময়মতো বই লিখে দিতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং করেও ব্যাপক আয় করতে পারবেন।

Source: Prothomalo

32
আগামী বছর হতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্স কর্মীদের জন্য দারুণ সময়। বিশ্বের বড় বড় অনেক প্রতিষ্ঠান ফ্রিল্যান্স কর্মীদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবে। কর্মী ও নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মনোভাবের পরিবর্তন শুরু হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

‘দ্য ২০২০ ট্যালেন্ট টেকনোলজি আউটলুক’ নামের ওই সমীক্ষা পরিচালনা করে কর্মী সমাধানদাতা প্রতিষ্ঠান এসসিআইকেই।



এখন চাকরির জন্য যোগ্য কর্মী খুঁজে বের করা এবং তাঁদের ধরে রাখা প্রতিষ্ঠানের জন্য অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর কর্মী নিয়োগ আরও কঠিন হয়ে গেছে বলে ৭৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান এক সমীক্ষায় তাদের মতামত দিয়েছে।

গত দশকে কর্মশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে সাম্প্রতিক ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, চাকরি থেকে ঝরে পড়ার হার বেড়ে যাওয়া ও এবং হতাশার হার ২২ শতাংশ ছাড়ানোর ফলে এখন নিয়োগ মানেই চাকরি নয় বরং কর্মীকে আকর্ষণের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সমীক্ষায় বিশ্বের ৪টি মহাদেশের ১০০ জনের বেশি প্রধান নির্বাহী পর্যায়ের কর্মকর্তা, মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের মতামত বিশ্লেষণ করা হয়। তাঁদের নিয়ে করা সমীক্ষা, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নানা ইনপুট, সাক্ষাৎকার ও প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন এসসিআইকেইর গবেষকেরা।

গবেষকেরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে ঝরে পড়ার হার বাড়ে এবং হতাশার ফলে কর্মীর চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হার বেড়ে গেছে। এতে নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া যেমন ব্যয়বহুল হয়েছে, তেমনি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ব্যবসায় প্রভাব ফেলতে পারে, এমন যোগ্য কর্মীকে আকর্ষণ করার বিষয়টিও অনেক কঠিন হয়ে গেছে।

সমীক্ষায় বলা হয়, ৬৮ শতাংশ কর্মী আংশিক বা পুরোপুরিভাবে কাজের সঙ্গে সংযুক্ত না থাকায় কয়েক বিলিয়ন ডলার উৎপাদন পর্যায়ে লোকসান হচ্ছে।

গবেষকেরা বলছেন, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানগুলো এ বাস্তবতা বুঝতে পারবে। তাই কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দেবে। এতে দ্রুত প্রতিষ্ঠানের জন্য মেধাবী কর্মীকে আকর্ষণ করা যাবে। প্রতিষ্ঠানের সুনাম বাড়াতে ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার হার বাড়বে আগামী বছর। এতে দক্ষ কর্মীদের কাছে প্রতিষ্ঠানের সঠিক তথ্য তুলে ধরা যাবে। এ ছাড়া মানবসম্পদ মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আগামী বছর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

গবেষণায় ফ্রিল্যান্সার বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য সুখবর উঠে এসেছে। গবেষকেরা বলছেন, ২০২০ সালে ব্যয়বহুল কর্মীর চেয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও বেশি চুক্তিভিত্তিক বা গিগ কর্মী নিয়োগ দেবে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৪ শতাংশ সিইওদের মত হচ্ছে, আগামী দুই বছরে তাঁদের ব্যবসার প্রয়োজনে ক্রাউড রিসোর্স ব্যবহার করবেন। অর্থাৎ, ফ্রিল্যান্সারদের নিয়োগে আগামী দুই বছরে বেশি আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো।

গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ণকালীন চাকরির অনিশ্চয়তা কর্মীদের আরও বেশি চুক্তিভিত্তিক কাজের দিকে বা গিগ ইকোনমির দিকে ঠেলে দেবে। ২০২০ সালে কর্মী ও চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মানসিকভাবে পরিবর্তন দেখতে শুরু করবে বিশ্ব।

গিগ ইকোনমির সংজ্ঞায় বলা হচ্ছে, ‘গিগ ইকোনমি’ এমন একটা পরিবেশ, যেখানে অস্থায়ী চাকরির ছড়াছড়ি থাকবে আর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে স্বতন্ত্র কর্মীদের (ইনডিপেনডেন্ট ওয়ার্কার্স) নিয়োগ দেবে। তারা ফুলটাইম কর্মীদের চেয়ে ফ্রিল্যান্সারদের গুরুত্ব বেশি দেবে এবং বেশির ভাগ কাজ এই ফ্রিল্যান্সারদের দিয়েই করাবে। এই ধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ক্ষমতাকে বা এই রকম ফ্রিল্যান্স দক্ষতাগুলোকে বলা হচ্ছে, ‘গিগ ক্যাপাসিটি’। যেই দেশ বা শহর যত বেশি প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ও গতিশীল, সেই দেশে বা শহরে এই ‘গিগ ক্যাপাসিটিসম্পন্ন’ লোকবলের দরকার বেশি হবে। মজার ব্যাপার হলো, এই গিগস রাই কিন্তু হবে শহুরে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

অর্থনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, উন্নত বিশ্বে এই ধারা ইতিমধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং ধারণা করা যাচ্ছে, ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ৪০ ভাগ আমেরিকান চাকরির এই ধারা (ট্রেন্ড) দ্বারা প্রভাবিত হবেন, যা আস্তে আস্তে পুরো বিশ্বে ছড়াবে। বাংলাদেশও ইতিমধ্যে গিগ অর্থনীতিতে শক্তিশালী অবস্থানে চলে এসেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুধু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে সাড়ে ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন।

Source: Prothomalo

33
প্রতিদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার গুগলের কাছে বিভিন্ন তথ্য চেয়ে অনুরোধ পাঠায়। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তথ্যভান্ডার গুগল এত দিন এসব অনুরোধ আমলে নিয়ে যতটা সম্ভব তথ্য সরবরাহের চেষ্টা করেছে। এ জন্য দীর্ঘদিন ধরেই তারা কোনো ফি নেয়নি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এই তথ্য চাওয়ার হার বেড়ে যাওয়ায় এখন নতুন করে ফি বসানো শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।



মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে আসা অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য সরবরাহের জন্য গুগল এখন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি নেবে। চলতি মাস থেকেই তথ্যে বিনিময়ে ফি গ্রহণের কাজটি শুরু করে গুগল।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিতই বিভিন্ন তথ্যের অনুরোধ আসে গুগলের কাছে। এর মধ্যে ই-মেইলের তথ্য থেকে শুরু করে ব্যবহারকারী–সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এমনকি ব্যবহারকারীর অবস্থান জানতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে অনুরোধ আসে তাদের কাছে। সময়ের সঙ্গে এমন অনুরোধের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ফলে গুগল এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কিছু ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে।

গুগল নির্ধারিত ফি শুরু হয়েছে ৪৫ ডলার থেকে। সাধারণ শমনের তথ্যের জন্য এই ফি পরিশোধ করতে হবে। এ ছাড়া ওয়্যার ট্যাপের জন্য পরিশোধ করতে হবে ৬০ ডলার। আর একটি পূর্ণাঙ্গ সার্চ ওয়ারেন্টের জন্য গুনতে হবে ২৪৫ ডলার। এরই মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরির তথ্যের জন্য নির্ধারিত ফি উল্লেখ করে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী দপ্তরে।

এ বিষয়ে গুগলের মুখপাত্র নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, বিভিন্ন ধরনের শমন ও পরোয়ানায় চাওয়া তথ্য জোগাড়ে যে ব্যয় হয়, তা কিছুটা পুষিয়ে নিতেই এ ফি ধার্য করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন অনুযায়ী, সরকারি প্রয়োজনে সাড়া দেওয়ার জন্য ব্যয়িত অর্থ পরিশোধের জন্য এ ধরনের ফি নির্ধারণের এখতিয়ার কোম্পানিগুলোকে দেওয়া আছে। কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশেই এ ধরনের আইন নেই। ফলে এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আইনি অনুরোধে সাড়া দেওয়ার ধরনে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত গুগল নিজেদের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জানিয়ে দিল।

গুগলসহ সিলিকন ভ্যালির বহু কোম্পানিই বহু বছর ধরে এ ধরনের ফি নেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। ২০০৮ সালের দিকে গুগল ফির বিনিময়ে তথ্য সরবরাহ করত সরকারগুলোকে। কিন্তু পরে এই ফি নেওয়ার রেওয়াজ তুলে দেওয়া হয়েছিল। মূলত, ফি নিলে সরকারি কাজে ‘অসহযোগিতার’ মতো নেতিবাচক তকমা লেগে যাওয়া এবং এভাবে গৃহীত ফি সমন্বয় করা নিয়ে জটিলতার কারণেই কোম্পানিগুলো এ পথ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এ ধরনের অনুরোধের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গুগল তার পুরোনো অবস্থানে ফিরে গেল। শুধু গত বছরই যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সরকার গুগলের কাছে তার ১ লাখ ৬৫ হাজার ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে অনুরোধ পাঠায়। এই অনুরোধগুলোর এক-তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্রের।

এত বেশিসংখ্যক অনুরোধ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে গুগলের বেশ বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। নতুন ফির মাধ্যমে ওই ব্যয়ের একটি অংশই কেবল পূরণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর হয়ে বহু বছর আইনজীবী হিসেবে কাজ করা এবং বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড’স সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটির পরিচালক আল গিদারি। তাঁর মতে, এই ফি ধার্যের ফলে তথ্য চেয়ে করা অনুরোধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। বিশেষত ওয়্যার ট্যাপ ও সার্চ ওয়ারেন্টের বিপরীতে সাড়া দিতে বেশ অর্থ ব্যয় হয়। এ ক্ষেত্রে ফি ধার্যের কারণে মানুষের ওপর সরকারি নজরদারিও কিছুটা কমে আসবে।

এ বিষয়ে সরকারি কর্তাব্যক্তিরা অবশ্য বলছেন, এই ফি ধার্য করার মধ্য দিয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাজ কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষত, যেসব সংস্থার আর্থিক সংগতি কম, তারা আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে বিপাকে পড়বে। কারণ, গুগলের পথ অনুসরণ করে অন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও অচিরেই এমন ফি ধার্য করবে।

Source: Prothomalo

34
এখন ফ্রিল্যান্সিং কাজের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন অনেকেই। অফিসের ধরাবাঁধা নিয়মে আটকে না থেকে ফ্রিল্যান্সিংকেই পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। কয়েকটি খাতে নিয়মিত ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। নিজ কর্মসংস্থানের সুযোগ এখন এতটাই বেড়েছে যে বিশাল জনগোষ্ঠী আজ এ দিকেই ঝুঁকে পড়ছে।



বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বাড়ছে। সরকারি তথ্যমতে দেশে প্রায় ৭ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন।

বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফ্রিল্যান্স কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো অনেকটাই কম খরচে বিশেষজ্ঞ কর্মী দিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে এতে। যে কয়েকটি খাতে ফ্রিল্যান্সিং কাজের চাহিদা বাড়ছে তা জেনে নিন:

১. কনটেন্ট লেখা: অনেকেই ভালো কনটেন্ট লিখতে পারেন। ইংরেজিসহ যেকোনো ভাষায় ভালো মানের কনটেন্ট লিখতে পারেন, এমন কর্মীর চাহিদা রয়েছে। পেশাদার কর্মী হিসেবে ভালো কনটেন্ট তৈরি বা কোনো বিষয় তুলে ধরতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। দেশের প্রতিটি ছোট বা বড় ব্যবসার ক্ষেত্রেই কনটেন্টের প্রয়োজন পড়ে। তাই এ খাতে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে।

২. ডিজিটাল মার্কেটিং: স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানকে বাজারে তুলে ধরতে কম খরচে ডিজিটাল মার্কেটারদের খোঁজ করে অনেক প্রতিষ্ঠান। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে শুরু করে ওয়েব প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানকে তুলে ধরতে ফ্রিল্যান্সার ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মীর দিকেই বেশি ঝোঁক দেখা যায়। তাই ফ্রিল্যান্সাররা এ খাতে ভালো করতে পারবেন।

৩. আর্থিক পরামর্শক: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনার কাজে দক্ষ ফ্রিল্যান্স কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দক্ষ এ ধরনের কর্মীকে তাঁর অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে ভালো পারিশ্রমিকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়। যাঁরা এ ধরনের পেশায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ভালো সুযোগ হতে পারে।

৪. ডেটা অ্যানালাইটিকস: ফ্রিল্যান্স পেশাদার কর্মীদের ক্ষেত্রে চাহিদাসম্পন্ন একটি দক্ষতা হচ্ছে ডেটা অ্যানালিটিকস। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ইনসাইট দেওয়া ও কাজে লাগানোর পরামর্শদাতাকে এখন অনেক প্রতিষ্ঠানেই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। স্টার্টআপের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্স ডেটা অ্যানালাইটিকস দক্ষ কর্মীকে নিয়োগ দেওয়ার হার বেশি। তবে বড় বড় প্রতিষ্ঠানেও এখন এ ধরনের কর্মীর চাহিদা বাড়ছে।

৫. ওয়েব ডেভেলপার: এখন ওয়েব ডেভেলপারদের চাহিদা তুঙ্গে। এখনকার বাজারে অনেকেই নতুন ওয়েবসাইট তৈরি বা যুগোপযোগী অনলাইন ব্যবসা শুরু করছেন। ফলে নতুন কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ওয়েব ডেভেলপারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফ্রিল্যান্সারদের এ খাতটিতে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

৬. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এখন তাঁদের কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে। এ ছাড়া নিজেরও প্রশিক্ষক হিসেবে কোর্স চালু করার সুযোগও রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন চাপমুক্তি, সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা, কর্মক্ষেত্রে সুস্থ থাকার মতো নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ফলে প্রশিক্ষক হিসেবে ফ্রিল্যান্সারদের কাজ করার সুযোগও বাড়ছে।

৭. ক্রিয়েটিভ ডিজাইন: ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্ষেত্র হলো ক্রিয়েটিভ ডিজাইন। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তাদের প্রেজেন্টেশন তৈরি বা ডিজাইনের কাজ করিয়ে নেয়। যাঁরা ক্রিয়েটিভ ডিজাইনে দক্ষ, তাঁরা দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন।

Source: Prothomalo

35
রহস্যময় করোনাভাইরাস নিয়ে মানুষের কৌতূহলের সুযোগ নিচ্ছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। যাঁরা অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ও প্রতিকার বিষয়ে তথ্য খুঁজছেন, তাঁদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। আইএএনএসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির গবেষকেরা বলেন, বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠা করোনাভাইরাসের তথ্য নিয়ে ক্ষতিকর ফাইল ছড়াচ্ছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। বিভিন্ন পরামর্শ বা দিকনির্দেশনা দেওয়ার নামে কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার শনাক্ত করা হয়েছে। এসব ম্যালওয়্যার পিডিএফ, এমপি ফোর ও ডকএক্স ফাইল আকারে কম্পিউটারে ডাউনলোডের জন্য ছড়ানো হচ্ছে।



ফাইলগুলোতে বিভিন্ন ভিডিওর মাধ্যমে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলা হয়। এমনকি ভাইরাস শনাক্ত ও এ–সংক্রান্ত ঝুঁকির বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে এসব ফাইলে নির্দেশনা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলেন, এসব ফাইলের মধ্যে লুকানো থাকে বিভিন্ন ট্রোজান ভাইরাস, যা কম্পিউটার ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ঢুকে তথ্য নষ্ট করা, ব্লক করা বা পরিবর্তন করতে পারে।

ক্যাসপারস্কির ম্যালওয়্যার বিশ্লেষক অ্যান্টন ইভানভ বলেন, করোনাভাইরাসের তথ্য ইতিমধ্যে সাইবার অপরাধীরা টোপ হিসেবে ব্যবহার করেছে। এখন পর্যন্ত ১০টি ক্ষতিকর ফাইলের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ধরনের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। মানুষ স্বাস্থ্য বিষয়ে যত উদ্বেগে পড়ছে, তত ম্যালওয়্যারযুক্ত ভুয়া তথ্য ছড়ানোর হার বাড়ছে।

এ ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা পেতে সন্দেহজনক কোনো লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এ ছাড়া বিশ্বাসযোগ্য এবং বৈধ তথ্যের অফিশিয়াল উৎস হিসেবে দাবি করা সাইটের প্রলোভনেও পড়া যাবে না। ডাউনলোড করা ফাইল এক্সটেনশনে যদি ডট ইএক্সই বা ডট লিংক ফরম্যাট থাকে তবে এগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

Source: Prothomalo

36
অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৭–এর হালনাগাদ আর করবে না এর নির্মাতা মাইক্রোসফট। এতে বর্তমান ব্যবহারকারীরা তেমন কোনো অসুবিধার মুখোমুখি না হলেও একটি সমস্যা রয়ে গেছে। আর তা হলো উইন্ডোজ ৭–এর ওয়ালপেপার সরিয়ে সেখানে কালো রঙের পর্দা দেখায়।

সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য হালনাগাদ যেহেতু শেষ, মাইক্রোসফট এই ত্রুটি আর সারাবে না। তবে এ থেকে মুক্তি পাওয়ার একটি উপায় আছে। মূলত ওয়ালপেপার ঠিক করে দেওয়ার ‘Stretch’ অপশনে এই ত্রুটি আছে। তাই কালো ওয়ালপেপার এড়াতে চাইলে আপনি ওয়ালপেপারের ‘Fill’, ‘Fit’, ‘Tile’ বা ‘Center’-এর মতো বিকল্প বেছে নিতে পারেন।



কাজটি করতে আপনার ডেস্কটপের পটভূমিতে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করুন এবং ‘Personalize’ নির্বাচন করুন। এখন ‘Desktop Background’-এ ক্লিক করে ড্রপডাউন মেনু থেকে ‘Stretch’ ছাড়া যেকোনো অপশন নির্বাচন করুন।

এভাবে আপনি যেকোনো ডেস্কটপ ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে পারেন, যা আপনার মনিটরের রেজল্যুশনের সঙ্গে মেলে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনার কম্পিউটারের মনিটরের রেজল্যুশন যদি প্রস্থে ১৯২০ ও দৈর্ঘ্যে ১০৮০ পিক্সেল হয়ে থাকে, তাহলে সে মাপের একটি ওয়ালপেপার খুঁজে নিন। আবার ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার থেকে নির্দিষ্ট মাপে কেটে (ক্রপ) নিতে পারেন। ডিসপ্লের বর্তমান রেজল্যুশন দেখতে ডেস্কটপে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে ‘Screen Resolution’ নির্বাচন করুন। সূত্র: হাউ-টু-গিক

Source: prothomalo

37
Internet / Re: জি-মেইলে শর্টকাট কি
« on: February 04, 2020, 09:57:34 AM »
Learned new short cut of Gmail.

38
অনলাইনে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অনেকেই এখন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তবে যাঁরা অনেক পুরোনো ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ অপেক্ষা করছে। আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড ও উইন্ডোজ ফোনের পুরোনো সংস্করণ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ তাদের সমর্থন পুরোপুরি সরিয়ে ফেলার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে, কোটি কোটি পুরোনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী জনপ্রিয় এ মেসেজিং সেবাটি আর ব্যবহার করতে পারবেন না।

আগামী বছর থেকে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ফোনে বন্ধ হয়ে যাবে হোয়াটসঅ্যাপ। প্রতিষ্ঠানটির এক ব্লগ পোস্টে বলা হয়, আগামী বছর থেকে কয়েকটি মোবাইল প্ল্যাটফর্মে সমর্থন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী কয়েক কোটি ফোনে জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না।

এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের পর বিশ্বের সব উইন্ডোজ ফোনে বন্ধ হয়ে যাবে হোয়াটসঅ্যাপ। আইওএস ৮ অথবা পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমের আইফোনে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার বন্ধ হবে। এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭ অথবা তার চেয়ে পুরোনো সংস্করণের ফোনে চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ।

ইতিমধ্যে পুরোনো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারী গ্রাহকদের জন্য নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এতে পুরোনো ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ মুছে গেলে আর লগ ইন করার সুবিধা থাকছে না।

হোয়াটসঅ্যাপ সম্প্রতি সিস্টেম সমর্থনের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর হালনাগাদ করে। তাতে বলা হয়, কমপক্ষে আইওএস ৯, অ্যান্ড্রয়েড ৩.০ চালিত ডিভাইস না থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ চালানো যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর থেকে সব উইন্ডোজ ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বন্ধ হয়ে যাবে।



গুরুত্বপূর্ণ যেসব ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চালানো যাবে না এর মধ্যে রয়েছে আইফোন ৫–এর নিচের সব সংস্করণ, সব মাইক্রোসফট লুমিয়া স্মার্টফোন, এইচপি এলিট স্মার্টফোন, ২০১০ সালের আগে বাজারে আসা সব ধরনের অ্যান্ড্রয়েড ফোন। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে রয়েছে গুগল নেক্সাস ওয়ান, স্যামসাং এপিক ফোরজি, মটোরোলা ড্রয়েড এক্স প্রভৃতি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে প্রয়োজন হলে অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ করে নিতে হবে, অন্যথায় হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প অ্যাপগুলো ব্যবহার করা শুরু করতে হবে। অনেক পুরোনো অ্যাপ আছে যা যোগাযোগের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প হিসেবে পুরোনো ফোন সমর্থন করবে। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ অতি জরুরি হলে নতুন সিস্টেমের দিকে যাওয়ার বিকল্প নেই।

Source: Prothomalo

39
Internet / Re: DATA CENTER IN DAFFODIL
« on: February 04, 2020, 09:50:52 AM »
Thanks sir.

40
Thank you for reading my post.

42
Internet / ২০৩০ সালের মধ্যে ৬–জি
« on: February 02, 2020, 03:07:31 PM »
পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক (৫–জি) নিয়ে এখনো বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। এখনো অনেক দেশে ৫–জি বাস্তবায়ন হয়নি। এরই মধ্যে জাপান বলছে তার ৫–জি–পরবর্তী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করছে। দেশটি ২০৩০ সালের মধ্যেই ‘পোস্ট-৫–জি’ বা ৬–জি প্রযুক্তি চালু করতে চায়। আইএএনএসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।



বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, ৫–জি প্রযুক্তির চেয়ে অন্তত ১০ গুণ দ্রুতগতির হবে ৬–জি। জাপানিরা ২০৩০ সালের মধ্যে ‘৫-পরবর্তী জি’ প্রযুক্তির জন্য একটি বিস্তৃত কৌশল পরিকল্পনা করছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট গিজমো চায়নার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানের ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনস মন্ত্রণালয় টোকিও গোশিনজিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে জানুয়ারিতে একটি সরকারি-বেসরকারি গবেষণা সমিতি প্রতিষ্ঠা করবে দেশটি, যা সরাসরি মন্ত্রীপর্যায়ে তত্ত্বাবধান করা হবে।

আগামী জুনে জাপানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনটিটি ও তোশিবাকে ৬–জির পারফরম্যান্স লক্ষ্য ও নীতিনির্ধারণী বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ৬–জি প্রযুক্তির উন্নয়নে সহায়তা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগকারী ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাচের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী ২০ কোটি ইউনিট ৫–জি সমর্থনযোগ্য স্মার্টফোন বিক্রি হবে। শুধু চীনেই ১০ লাখ ৫–জি বেজ স্টেশন স্থাপন করা হবে।

চীনা প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা শাওমির সহপ্রতিষ্ঠাতা লেই জুন ঘোষণা দিয়েছেন ৫–জি, এআই ও আইওটি থেকে আগামী ৫ বছরে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

Source: Prothom Alo

43
সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে গুগলের সার্চই সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিশ্বের লাখ লাখ মানুষ প্রতিদিন অনলাইনে বিভিন্ন বিষয় খুঁজতে গুগলের সার্চ ফিচার ব্যবহার করছেন। গুগল সম্প্রতি তাদের এই সার্চে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। বিষয়টি পছন্দ হয়নি অনেক ব্যবহারকারীর। তারা গুগলের কাছে অভিযোগ করেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর গুগল তাদের অবস্থান বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরও উন্নত অনুসন্ধান ফল দেখানোর লক্ষ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালু রাখার কথা বলেছে গুগল কর্তৃপক্ষ।



গত সপ্তাহ থেকে ডেস্কটপ থেকে গুগল ব্যবহারকারীরা সার্চের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের বিষয়টি খেয়াল করতে শুরু করেন। এ সময় লিংক প্রিভিউয়ের পাশে ফ্যাভিকন আইকন দেখানো শুরু করে গুগল। ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেন, পরিবর্তন আনার ফলে বিজ্ঞাপন ও সার্চ ফলাফলের মধ্যে পার্থক্য বের করা কঠিন হয়ে যায়।

গুগল কর্তৃপক্ষ টুইট করে জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে তারা গুগল সার্চ নিয়ে আরও কিছু পরীক্ষা চালাবে। ডেস্কটপে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা মূলত দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে দেখানো সার্চ ফলাফলের মতোই। তবে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া জানার পর এ বিষয়ে পরিবর্তন আনা হবে। গুগল সব সময় তাদের সার্চ ফল উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

মোবাইল ডিভাইসে ফ্যাভিকনের ব্যবহার বহুল প্রচলিত হলেও ডেস্কটপ সার্চের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা আপত্তি করছেন। শুরুতে অবশ্যই ইতিবাচক ফল দেখা গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ব্যবহারকারীরা অসুবিধায় পড়ে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।

Source: Prothom Alo

44
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের মেয়াদ কয়েক মাসের মধ্যেই শেষ হবে তানভীর হাসানের। তিনি অপেক্ষা করছিলেন ই-পাসপোর্ট করার জন্য। ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট শুরু হওয়ার পরপরই তিনি অনলাইনের মাধ্যমে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে ফেলেছেন। বললেন, ই-পাসপোর্ট করতে ঝামেলা অনেক কম। এ ছাড়া দ্রুত সময়ে ১০ বছর পর্যন্ত মেয়াদের পাসপোর্ট করা যাচ্ছে। অনলাইন পেমেন্টও যুক্ত হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ই-পাসপোর্ট হচ্ছে নতুন যুগের নিরাপদ পাসপোর্ট। ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে অ্যাকাউন্ট খুলে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম ব্যবহার করতে হচ্ছে বলে সহজেই করা যাচ্ছে। এ ছাড়া আবেদনের পর কবে জমা দিতে যেতে হবে, সেই দিন–তারিখ পাওয়া যাচ্ছে বলে অনেক কাজ সহজ হয়ে যাচ্ছে।



দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ডিআইপি ডটগভ ডটবিডির তথ্য অনুযায়ী, ই-পাসপোর্ট হলো একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক চিপ রয়েছে। এ চিপের মধ্যে রয়েছে বায়োমেট্রিক তথ্য, যা পাসপোর্টধারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে মাইক্রোপ্রসেসর বা চিপ এবং অ্যান্টেনাসহ স্মার্টকার্ড প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। পাসপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিপে সংরক্ষণ করা হয়। ই-পাসপোর্টে যেসব বায়োমেট্রিক তথ্য নেয়া হয় সেসব হলো—ছবি, আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও আইরিশ। ইলেকট্রনিক বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ই-বর্ডার) দিয়ে পাসপোর্ট চিপের বাইরের বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক যাচাই করা হয়। পাবলিক কি ইনফ্রাষ্ট্রাকচােরর (পিকেআই) মাধ্যমে পাসপোর্ট চিপে থাকা তথ্য যাচাই করা হয়। তাই জালিয়াতি করা কঠিন।

সাধারণ পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টের পার্থক্য হলো, এতে মোবাইল ফোনের সিমের মতো ছোট ও পাতলা আকারের চিপ থাকে। এতে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য থাকবে, যার অনেক বৈশিষ্ট্য থাকবে লুকানো অবস্থায়। ই-পাসপোর্ট করার সময় মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) তথ্যভাণ্ডারে পাওয়া তথ্যগুলো ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে।

সাধারণ পাসপোর্টের মতো ই-পাসপোর্টের আবেদনও অনলাইনে পাওয়া যাবে। চাইলে পিডিএফ ফরম নামিয়ে নিয়ে হাতেও পূরণ করা যাবে। ফরম পূরণের সময় ছবি ও সত্যায়ন করা লাগবে না। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদনপত্র গ্রহণের সময় আবেদনকারীর ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের ছবি নেওয়া হবে। সেসব তথ্য চিপে যুক্ত হবে। ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশেষ যন্ত্রের সামনে পাসপোর্টের পাতাটি ধরতেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।

ই-পাসপোর্ট দুই ধরনের। একটি ৪৮ পাতার, অন্যটি ৬৪ পাতার। সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরির জন্য ফি তিন ধরনের। দুই দিনের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে। এ জন্য ফিও বেশি গুনতে হবে।

প্রাথমিকভাবে ঢাকার উত্তরা, যাত্রাবাড়ী ও আগারগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সেবা শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৭২টি আঞ্চলিক ও বিভাগীয় অফিস এবং ৮০টি বিদেশি মিশনে চালু করা হবে।

আবেদন করবেন যেভাবে

ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে www.dip.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে গিয়ে আবেদন করা যাবে। সাইটে বাংলা বা ইংরেজি ভাষা নির্বাচন করে নেওয়ার সুবিধা আছে। সেখানে শুরুতেই অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন: নতুন/রি-ইস্যু বাটন পাওয়া যাবে। এখানে ক্লিক করে সরাসরি আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু করা যাবে। এর আগে দেখে নিতে পারেন ই-পাসপোর্ট আবেদনের ৫টি (পাঁচ) ধাপ। একটি ধাপ হচ্ছে বর্তমান বসবাসরত জেলাতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে কি না, তা দেখা। এর পরেরগুলো হচ্ছে অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম, পাসপোর্ট ফি পরিশোধ, ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ ও পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ। এর মধ্যে খেয়াল রাখতে হবে, কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই, আবেদনকারীর ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি গ্রহণ, যথাযথভাবে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ হয়েছে কি না এবং তালিকাভুক্তির পর সরবরাহ করা ডেলিভারি স্লিপ সংরক্ষণ। পাসপোর্ট গ্রহণের সময় ডেলিভারির রসিদ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া সর্বশেষ পুরোনো পাসপোর্ট (যদি থাকে) নিতে হবে। ই-পাসপোর্ট আবেদন অনলাইনে দাখিল করার সময়ে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করা যাবে। পাসপোর্ট ফি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা হবে। বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিসের আবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে অনলাইনে পেমেন্ট করা যাবে। অনলাইন পেমেন্ট ছাড়াও ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া যাবে। সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট দেওয়া হয় এবং এখন পর্যন্ত চালু করা অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি হলো স্টারকার্ড, ভিসা, কিউ-ক্যাশ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বিকাশ ও ডিবিবিএল নেক্সাস। অনলাইনে পেমেন্ট করার জন্য আপনার ব্রাউজারের পপ-আপ ব্লকার অক্ষম করতে হবে।

ফি কত

৫ বছর মেয়াদি ২১ দিনের নিয়মিত সরবরাহ ৪ হাজার ২৫ টাকা, ১০ দিনের দ্রুত সরবরাহ ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, ২ দিনে সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা। ৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছর মেয়াদি ২১ দিন ডেলিভারি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা, ১০ দিনের ডেলিভারি ৮ হাজার ৫০ টাকা ও ২ দিনের ডেলিভারি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠা ৫ বছর মেয়াদি ২১ দিনের ডেলিভারি ৬ হাজার ৩২৫, ১০ দিনের ডেলিভারি ৮ হাজার ৬২৫, ২ দিনের ডেলিভারি ১২ হাজার ৭৫ টাকা, ৬৪ পৃষ্ঠা ১০ বছর মেয়াদি ২১ দিনের ডেলিভারি ৮ হাজার ৫০, ১০ দিনের ডেলিভারি ১০ হাজার ৩৫০, ২ দিনের ডেলিভারি ১৩ হাজার ৮০০ টাকা।

ই-পাসপোর্টের সুবিধা

ই-পাসপোর্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এর মাধ্যমে ই-গেট ব্যবহার করে খুব দ্রুত ও সহজে ভ্রমণকারীরা যাতায়াত করতে পারবেন। ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিসা চেকিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে না। এর মাধ্যমেই ইমিগ্রেশন দ্রুত হয়ে যাবে। ই-গেটের নির্দিষ্ট স্থানে পাসপোর্ট রেখে দাঁড়ালে ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। থাকবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইয়ের ব্যবস্থাও। সব ঠিক থাকলে তিনি ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। কোনো গরমিল থাকলে জ্বলে উঠবে লালবাতি। কারও বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকলে, সেটিও জানা যাবে সঙ্গে সঙ্গে।

জেনে রাখুন

ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে অথবা পিডিএফ ফরমেট ডাউনলোড করে পূরণ করা যাবে। এতে কোনো ছবি এবং কোনো ধরনের কাগজপত্র সত্যায়নের প্রয়োজন নেই। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদপত্রসহ বাবা-মায়ের এনআইডির কপি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদনপত্র গ্রহণের সময় হাতের ১০ আঙুলের ছাপ, ছবি ও চোখের আইরিশ ফিচার নেওয়া হবে। ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে। অতি জরুরি ক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রি-পুলিশ ভেরিফিকেশন নিজ উদ্যোগে করে নিয়ে যেতে হবে। প্রচলিত ব্যবস্থার মতো ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ভিসার বিষয়টি একই থাকবে। ভিসা কর্তৃপক্ষ বা দূতাবাসগুলো এই পিকেডি ব্যবহার করে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে নিতে পারবে। এরপর বইয়ের পাতায় ভিসা স্টিকার, সিল দিতে পারবে বা বাতিল করে দিতে পারবে। ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি এমআরপিও চালু থাকবে। তবে নতুন করে কাউকে এমআরপি দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে সব এমআরপি তুলে নেওয়া হবে। আবেদন করার বিস্তারিত নিয়মাবলি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে।

অনলাইন চেক

ই-পাসপোর্ট পোর্টালে ‘স্ট্যাটাস চেক’ করা যাবে। জন্মতারিখ ও আবেদনের ক্রমিক সংখ্যা দিয়ে সার্চ অপশনে ক্লিক করতে হবে। আপনার অনলাইন পোর্টাল অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার সব আবেদনের অবস্থা দেখতে পারেন।

45
অনুবাদ সেবা গুগল ট্রান্সলেটে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সুবিধা। এর মধ্যে উন্নত অনুবাদসহ রয়েছে মানুষের কথোপকথন থেকে সরাসরি শ্রুতলিখন সেবা। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে সুবিধাগুলোর ঘোষণা দেয় মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।



তা ছাড়া সিনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষ্যতে ছাড়া হবে এমন একটি সুবিধাও দেখানো হয়েছে গুগলের সেই সংবাদ সম্মেলনে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শ্রুতলিখনের জন্য ইন্টারনেটে যুক্ত থাকা আবশ্যক এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তা থেকে দ্রুত ও নির্ভুল অনুবাদ সেবা পাওয়া যাবে। প্রাথমিকভাবে নতুন বৈশিষ্ট্যটি অডিও ফাইলগুলোতে কাজ করবে না। এটি কেবল কাজ করবে স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন ব্যবহার করে ধারণ করা লাইভ অডিওতে। তবে গুগল জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা আগে থেকে রেকর্ড করা অডিও প্লে করে তা অনুলিখন করে নিতে পারবেন। স্প্যানিশ, জার্মান, ফরাসিসহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি ভাষায় সুবিধাটি পরীক্ষা করছে গুগল।

গত বছর প্রতিষ্ঠানটি তাদের গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপের জন্য একটি দোভাষী মোড চালু করেছিল যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যেকোনো একটি ভাষায় নির্দেশনা দিয়ে দুটি ভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে নিতে পারে।

আসন্ন সুবিধাটি ছাড়াও গুগল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর আরও কিছু উদ্যোগ দেখিয়েছে। ‘আইও ব্রেইড’ নামের একটি প্রকল্পও দেখিয়েছে তারা। যার মাধ্যমে কেব্ল নাড়াচাড়া করে কোনো ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যখন কোনো গান শুনছেন, তখন ইয়ারফোনের কেব্ল মুচড়িয়ে গান বন্ধ করতে বা শব্দ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এ ছাড়া গুগল হেলথ নামে আরও একটি প্রকল্প ছিল, যা রোগীদের রক্তস্বল্পতা শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। সূত্র: গ্যাজেটস নাউ

Pages: 1 2 [3] 4