Recent Posts

Pages: 1 [2] 3 4 ... 10
11
ব্যস্ততার কারণে অনেকেই সময়মতো ই–মেইল দেখতে ভুলে যান। সমস্যা সমাধানে জিমেইল ব্যবহারকারীরা চাইলেই নিজেদের ইনবক্স মনোনীত ব্যক্তিকে দেখার সুযোগ দিতে পারবেন। শুধু তা–ই নয়, তাঁর মাধ্যমে ই–মেইলের উত্তর পাঠানোর পাশাপাশি নতুন ই–মেইলও পাঠাতে পারবেন তাঁরা। জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রতিনিধি যুক্ত করে এ সুবিধা মিলবে।

জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রতিনিধি যুক্ত করার পদ্ধতি

জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রতিনিধি যুক্ত করার পদ্ধতিস্ক্রিনশট

অ্যাকাউন্টে প্রতিনিধি যুক্ত করতে জিমেইলের সেটিংস (গিয়ার আইকন) মেন্যুতে ক্লিক করে See all settings অপশন নির্বাচন করতে হবে। এবার Accounts ট্যাব নির্বাচন করে grant access to your account বিভাগ থেকে Add another account অপশনে ক্লিক করতে হবে। চালু হওয়া নতুন উইন্ডোর Email address–এর ঘরে প্রতিনিধির ই–মেইল ঠিকানা লিখে Next step–এ ক্লিক করতে হবে। এবার আপনি যাকে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চাচ্ছেন, তাঁর ই–মেইল ঠিকানায় একটি বার্তা পাঠাবে জিমেইল। সম্মতি দিলেই তিনি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো ব্যক্তিকে ই–মেইল পাঠাতে পারবেন।

Collected- https://www.prothomalo.com/technology/%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%B2-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87
12
যে ১১টি হার্ডস্কিলস এবং সফ্টস্কিলস আপনাকে সবার থেকে এগিয়ে রাখবে!


একটি বিষয় সবসময় প্রফেশনালদের মনে রাখতে হয়, যেকোন কর্মক্ষেত্রে নিজের অনর্ভুক্তির জন্য কোন একটি বিষয়ে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে। যাকে আমরা দক্ষতা হিসেবে জানি। দক্ষতা মানেই হলো কোন কাজ আপনি নিজ হাতে করতে সক্ষম। উদাহরন হিসেবে বলা যায় মাইক্রোসফট এক্সেল।
আপনি যদি মাইক্রোসফট এক্সেল দিয়ে রিপোর্ট প্রস্তুত করতে পারেন বা ডাটা এ্যানালাইসিস করতে সক্ষম হন, তবেই আপনি আত্মবিশ্বাস অনুভব করবেন। দক্ষতা দুই ধরনের হয়ে থাকে পরিমাপযোগ্য এবং অপরিমাপযোগ্য। বহুলভাবে যাকে আমরা হার্ড স্কিল এবং সফ্টস্কিল হিসেবে চিহ্নিত করে থাকি।

হার্ড স্কিল পরিমাপযোগ্য! এর কারন হলো এর ফলাফল তাৎক্ষনিকভাবে পাওয়া যায়। যেমন বেসিক এডিটিং স্কিল অথবা পাওয়ার পয়েন্ট দিয়ে প্রেজেন্টেশন তৈরি করা বা কোন প্রকল্পের জন্য রিপোর্ট তৈরি করা। সফ্টস্কিল হলো অপরিমাপযোগ্য যার অর্থ হলো এটি একমাত্র অনুভব করা যায়।
যেমন আপনি যদি বলেন আপনার যোগাযোগ দক্ষতা ভলো বা আপনার মধ্যে লিডারশীল স্কিল আছে তাহলে সেটির বিষয়ে নিশ্চিত হতে বেশ কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন হবে। কারন আপনার ভেতর সফ্টস্কিল আছে কিনা সেটা জানা যায় আপনার সাথে যারা একসাথে কাজ করছেন তাদের ফিডব্যাকের মাধ্যমে। সেজন্য অধিকাংশ কর্মক্ষেত্রে কর্মীর সফ্টস্কিল সম্পর্কে ধারনা পেতে প্রতিষ্ঠান সাধারনত থার্ড পার্টি ফিডব্যাকের উপর নির্ভর করেন।

নির্দিধায় বলতে পারি সফ্টস্কিল সব সেক্টরের জন্য প্রযোজ্য। হয়তো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষানিকটা পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু প্রয়োজনের দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রফেশনালদের মধ্যে অনেকেই এক সেক্টর থেকে অন্য সেক্টরে নিজেকে স্থানান্তর করেন। যে সেক্টরেই থাকুন না কেন সফ্টস্কিলসের কিন্তু কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। মূলত প্রধান ১০টি সফ্টস্কিলসের কথা আমরা শুনতে পাই বিশেষ করে চতুর্থ শিল্পের এই সময়টাতে যেমনঃ

1.Communication (যোগাযোগ),
2.Self-Motivation (স্ব-প্রেরণা),
3.Leadership (নেতৃত্ব),
4.Self-Responsibility (দায়িত্ববোধ,
5.Problem Solving (সমস্যা সমাধান),
6.Team Work (টিমওয়ার্ক),
7.Critical Thinking and Creativity (সৃজনশলতা),
8.Decision Making (সিদ্ধান্ত গ্রহন),
9.Ability to Work Under pressure ‍and Time Management (চাপ এবং সময় ব্যবস্থাপনার অধীনে কাজ করার ক্ষমতা)
10.Flexibility (নমনীয়তা)
11.Adaptability (অভিযোজনযোগ্যতা)
12.Negotiation and Conflict Resolution (আলোচনা এবং দ্বন্দ্ব সমাধান)

যেহেতু আমি শুরুতেই বলেছি সফ্টস্কিল সব সেক্টরের কাজের জন্য অত্যন্ত জরুরী তাই এই দক্ষতাগুলোর প্রতি একটু বেশী গুরুত্ব দিতে পারলে কর্মক্ষেত্রে সকলেরর সাথে মিলে কাজ করাটা অনেক সহজ হয়ে যায়। সফ্টস্কিলস অবশ্যই শেখা যায়। প্রতিষ্ঠিত কোন দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বা কোন এক্সপার্টের মাধ্যমে সফ্টস্কিলসের উপর বিশেষ কোর্স সম্পন্ন করা যেতে পারে।

তবে সফ্টস্কিলসের উপর দক্ষতা বৃদ্ধির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আত্মসচেতনতা এবং পর্যবেক্ষনের (Observation) মাধ্যমে শেখা। আপনার কর্মক্ষেত্রে এমন অনেক সহকর্মীর সান্নিধ্য আপনি পেতে পারেন যারা সফ্টস্কিলসকে অনুশীলন করছেন। তাদের সাথে মেলামেশা বাড়িয়ে দিন, দেখবেন আপনার নিজের সফ্টস্কিলসেরও পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে
 
হার্ডস্কিলসের ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু ভিন্ন। হার্ডস্কিলস মূলত কর্মক্ষেত্র বা নির্দিষ্ট সেক্টরের উপর নির্ভর করে। মার্কেটিং, সেলস, ফাইন্যান্স বা এইচআর নিয়ে যারা বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তাদের প্রত্যেকেই ঐ সেক্টরের জন্য নির্ধারিত হার্ডস্কিলসে পারদর্শী হতেই হবে। তবে বর্তমানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের

এই সময়ে কিছু হার্ডস্কিলস আছে যা একজন প্রফেশনালকে কর্মক্ষেত্রে বিরত্ব অর্জনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন এবং সকল সেক্টরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে কাজ করে। মূলত ১১টি হার্ডস্কিলস প্রত্যেক প্রফেশনালের জন্য অত্যন্ত জরুরী যেমনঃ

১. টেকনিক্যাল স্কিল:

বেসিক কোডিং (স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং),
সিআরএম প্ল্যাটফরম (কাস্টমারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার্থে ব্যবহারিত ওয়েব বেইজড সোল্যুশন),
রিসার্চ স্কিলস,
ট্রাবলস্যুটিং (কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, বেসিক নেটওয়ার্ক) ইত্যাদি।
২. কম্পিউটার স্কিলসঃ

মাইক্রোসফ্ট অফিস (ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট)
মাইক্রোসফ্ট প্রজেক্ট,
বেসিক ইমেইজ এডিটিং,
বেসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন,
বেসিক ভিডিও এডিটিং,
গুগলিং,
ইমেইল, ‍
সোস্যাল মিডিয়া,
ওয়েব সাইট রিভিউং,
টাইপিং স্কিল,
অনলাইন স্টোরেজ (গুগল ড্রাইভ) ইত্যাদি।
৩. এ্যানালাইটিক্যাল স্কিলসঃ

ডাটা এ্যানালাইসিস,
ডাটা মাইনিং,
ডাটা প্রেজেন্টেশন,
এসপিএসএস,
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট,
রিপোটিং স্কিলস, ‍
স্ট্র্যাটেজি স্কেচিং ইত্যাদি।
৪. মার্কেটিং স্কিলসঃ

সেলস স্কিলস,
এ্যাডভারটাইজমেন্ট,
কনজুমান রিসার্চ,
ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষ করে বেসিক এসইও (SEO),
পে পার ক্লিক (PPC),
সোস্যাল মিডিয়া পেইড মার্কেটিং,
কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট,
ইমেইল মার্কেটিং,
ইউএক্স/ইউআই ডিজাইন (UX/UI Design),
গুগল এ্যানাটিক্স,
ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
৫. প্রেজেন্টেশন স্কিলসঃ

বিজনেস প্রেজেন্টেশন,
সেলস প্রেজেন্টেশন,
স্টোরি টেলিং,
গ্রাফ/চার্ট প্রেজেন্টেশন,
প্রোগ্রাম মডারেটিং ও উপস্থাপনা ইত্যাদি।
৬. ম্যানেজমেন্ট স্কিলসঃ

বিজনেজ ডোমেইন নলেজ (যে সেক্টরে কাজ করছেন, সেই সেক্টর সম্পর্কে জ্ঞান),
ব্যবসায়িক জ্ঞান,
বাজেটিং,
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা,
নিয়োগ ব্যবস্থাপনা,
বেসিক আর্থিক পরিকল্পনা,
বেসিক অফিস ম্যানেজমেন্ট,
বেসিক প্রকিউরমেন্ট,
সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।
৭. প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্কিলসঃ

প্রজেক্ট সিডিউলিং,
প্রজেক্ট লাইফ সাইকেল ম্যানেজমেন্ট,
এ্যাজাইল সফ্টওয়্যার (Agile Software),
পারফরমেন্স ট্র্যাকিং,
ফাইন্যান্সিয়াল মডেলিং,
স্ক্র্যাম ম্যানেজমেন্ট (Scrum Management) ।
৮. রাইটিং স্কিলসঃ

নোট টেকিং,
বিজনেস লেটার/এপ্লিকেশন রাইটিং,
প্রফেশনাল ইমেইল রাইটিং,
বিজনেস রিপোর্ট রাইটিং,
প্রেস রিলিজ ড্রাপটিং,
স্ক্রিপট এডিটিং,
প্রজেক্ট প্রপোজাল ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
৯. ল্যাঙ্গুয়েজ স্কিলসঃ

মাতৃভাষার পাশাপাশি যেকোন একটি বা দুটি ভাষায় পারদর্শীতা কর্মক্ষেত্রে সবসময় একধাপ এগিয়ে রাখে যেকোন প্রফেশনালকে। বাংলা ভাষার সাথে যদি ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা যায় তাহলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিজনেস কমিউনিকেশন স্কিলস।
১০. ডিজাইন স্কিলসঃ

এডোবি ফটোশপ,
এডোবি ইলাসট্রেটর,
এডোবি আফটার ইফেক্টস
ইনডিজাইন
ইউএক্স/ইউআই ডিজাইন (UX/UI Design),
ইউএক্স রিসার্চ,
ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন,
বেসিক এইচটিএমএল (HTML),
এ্যাক্রোব্যাট রিডার/এডিটিং,
টাইপোগ্রাফী,
প্রিন্ট লেআউট ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি।
১১. ভেন্ডর সাটিফিকেশনঃ বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিশ্বাসযোগ্য বিভিন্ন দক্ষতার উপর ভেন্ডর সার্টিফিকেট প্রোভাইডার আছে যেমন এ্যাডোবি ডিজাইনের জন্য, মাইক্রোসফ্ট, পিএমআই (প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য), বৃটিশ কাউন্সিল (ইংরেজী ভাষার দক্ষতার জন্য) ইত্যাদি। এছাড়া বিশ্ববিখ্যাত অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফরম আছে যা অধিকাংশ কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃত।

Source: https://kmhasanripon.info/11-most-important-hard-skills-and-soft-skills-for-every-professional/?fbclid=IwAR1P_5qsrF2y9Rz2puFCCq42JAJjylS5ms5oGr0rmpoZ6eMzFiTCqC2DnjM
13
Career Planning / The 6-Step Career-Planning Process
« Last post by Hasanuzzaman Sumon on May 10, 2022, 10:39:38 AM »
The 6-Step Career-Planning Process




What is career planning?
Career planning is the process of discovering educational, training and professional opportunities that suit your interests, passions and goals. Before searching for jobs, you should set achievable long-term goals that identify what you want to be doing along your career path at five, 10, 15, 20 years and so on. Then, you can set short-term goals between each stage to ensure you have clear, actionable steps you can take to reach your long-term goals. Career planning allows you to outline your goals and reevaluate them as you progress.

Steps of the career-planning process
Depending on your path, you may complete each step just once, or you may revisit the process to change direction and discover new career options. Here are the chronological stages of the career-planning process:

1.Self-exploration and assessment
2.Career research
3.Exploration and experimentation
4.Decision-making and career selection
5.Final planning and action
6.Job search and acceptance

1. Self-exploration and assessment

You first need to understand your needs, strengths, personality, skills, talents and interests to make informed academic and career decisions. You can determine these items on your own by making a series of lists or through a variety of tests, including:

Value evaluations, which include factors such as the salary level you desire, whether you prefer frequent interactions with other people or solitude in the workplace, how much you want your work to contribute to society as a whole and how important prestige is to your work and the rest of your life.
Interest evaluations, which gather data about your likes and dislikes regarding a wide array of activities, people and objects. Many interest profilers, including the Strong-Campbell Interest Inventory, match your interests with six types: realistic, investigative, artistic, social, enterprising and conventional. Then, these types are matched with the occupations that fit them best.
Personality evaluations, which often use online surveys like the Myers-Briggs Type Indicator. This test categorizes people into 16 personality types based on the following characteristics: Introversion or Extroversion, Sensing or Intuition, Thinking or Feeling, or Judging or Perceiving. People with some personality types do better in certain occupations than others. For example, an introvert might not enjoy working with other people all day.
Aptitude evaluations, which test your abilities and strengths. They can let you know if you need more education or training and can also help you decide if you want to spend the time, money and effort needed to start a brand-new career.
You can also consider meeting with a career counselor. A career counselor specializes in helping professionals understand elements that can influence career decisions and identify possibilities they may not have considered. A career counselor might use skill identification exercises, interest inventories, communication and learning styles, and other methods to help you understand yourself better.

2. Career research
After you determine your qualities and aptitudes, you can decide which types of careers you are interested in with research. Start with a list of roles and industries provided by your assessments or compile a list of characteristics in the work environment, responsibilities and advancement opportunities you want in your career. Using those characteristics, determine more roles and industries you may want to consider.

Start further research by gathering basic information about each of the careers on your list. Look at the general description of each profession, along with general labor market information, such as median salary, common benefits, educational and training requirements and the likelihood of being hired after meeting all the requirements.

Continue narrowing down your list of possible careers by learning what working in different fields is really like. Consider using your professional network to find people already in those roles and industries, or reach out to current professionals on career-focused social media platforms. You can also read company reviews for specific roles to find out as much as you can about the advantages and disadvantages of the field. Reading first-person perspectives could be invaluable when it is time to make a choice.

3. Career exploration and experimentation
After you have narrowed down your list of possible careers, find ways to experience each career in person. Here are some ways you can get a first-hand look at what a role entails:

Informational interviews: Consider asking a professional in your desired field to sit down with you to answer questions. You can discover the education, training, entry-level roles and other aspects they followed along their career path. An informational interview can also help you build your professional network within your intended industry, which may help your job search process in the future.
Job shadowing: This activity involves spending a day, a week or another short period observing a professional on the job. You may accompany them to meetings or watch them demonstrate how they complete their typical daily work. You can also ask them questions throughout your time with them to better understand their career path.
Volunteering: Some organizations may allow you to volunteer for tasks that your ideal role would handle to gain more hands-on experience. This can also help you determine whether you can enjoy working in that role, industry or type of workplace.
Internships: Consider an internship for more direct field experience. These opportunities are likely to give tasks more relevant to your intended role.
Part-time work: Part-time versions of many jobs may be available with fewer entry-level requirements. You can find them in specific companies that you might consider working for and in assistant-type roles that directly interact with your intended role.
Find a mentor in the industry: Watching an experienced mentor and listening to them talk about the realities of a career can be very informative. You can consider applying their career path choices to your own planning to identify steps that may also work for you.
Courses: If you pursue any form of higher education, consider choosing courses related to possible career choices. These classes can provide you foundational information and training through projects and essays, which can help you understand some of the basics of a career.
4. Decision-making and career selection
Weigh the advantages and disadvantages of all of your options. You will need to consider many factors, including the possible balances between pay and enjoyment, the pros and cons of relocation, and the work-life balance.

Go over all of your previous research as well as any related experiences very carefully, and organize them by preference from highest to lowest. This strategy helps you rank certain factors and roles over others to identify your top choice. Consider also identifying alternative yet similar options should your desires change as you progress or your job search does not lead to that role.

5. Final planning and action
Gather all the information you have learned and determine an action plan. This plan should include background information, such as your employment history, education, level of training, volunteer and other unpaid experience. It should also include your professional licenses or certifications, the results of the self-evaluations mentioned in the first section, and career counselor advice you have received.

Create detailed lists of short- and long-term goals you will need to achieve before you reach your final career goal. These lists should include all of the occupational, educational and training goals required to pursue your chosen career path. You should also consider the barriers to reaching those goals and how you plan to overcome them. These barriers could be financial, educational, vocational or personal, such as the cost of college, family obligations, or the need for tools and supplies for your chosen career.

Consider writing out each step for your intended career path, including the steps you’ve already taken to see the progress you’ve already made. You can also do this for your alternative options to ensure you are prepared to follow them should your ideal option not work out.

6. Job search and acceptance
Use your career plan to begin your job search. Identify specific roles and companies you’re interested in applying to, and compare those preferences and requirements to your career plan. See if there are steps you still need to take or if you’re qualified to apply.

You can also use your goal-setting strategy and career plan to write an effective cover letter that demonstrates your passion for the role, field and employer. You can use your career plan to identify the steps you’ve taken on your path thus far and highlight your goal-setting skills and dedication. You can also apply these items during the interview process to prove your interest and qualification to prospective employers.

If you receive a job offer, determine whether the salary, benefits, location, work-life balance and responsibilities match your self-assessment and action plan.

Source: https://www.indeed.com/career-advice/career-development/career-planning-process
14
Mind Mapping / How to Stop Being Sad and Stay Awesome
« Last post by Shamim Ansary on May 09, 2022, 04:35:13 PM »
It does feel bad when feeling sad. How to Stop Being Sad? Yes, it's time to drop the spoon, and let's get you out of the dark - because we've asked professionals how to defeat the Blues. See, you're already (almost) laughing. This article will give an overview of how to stop being sad in the shortest possible time.

How to Stop Being Sad

Here is some possible solution on how to stop being sad:

1. Don't feel bad if you feel bad

When something negative happens in your life - a breakup, a death, a job loss. For example - it might feel like your world is ending, so it's normal to feel awful.

"All emotions are important to feel and can have valuable information about our lives," said Dr. Laurie Rocamore of Ceri di, "consider this an opportunity to learn, grow and seek the true healing," said Brianna Borten, CEO of the wellness company DragonTree.

2. Determine why you are sad first

Sometimes it's easy to pinpoint the reason you get worse - as you simply can't get over your ex. Other times you may be sad for no understandable reason.

When life coach, radio host and author Sunny Joy Macmillan advises, try putting out a pen and paper in this case and "write without pausing for five minutes."

He calls these brain dumping calls You can also try journaling, meditation, yoga, or any other exercise that will help you focus on your heart. You can also practice solving quizzes or puzzles.

3. Then, let it hit

When you completely avoid suffering, you are actually doing more harm than good. Life coach and author Nancy Levin says, "What you do not feel you cannot cure. This is the way how do you stop being sad.

In other words, stop rocking-shopping, spin off your back-to-back spin classes, and stop tequila shots (or whatever else).

No matter how uncomfortable it may be, embracing your grief is the first step to feeling good.

4. Try yelling at it

Levin said that while he was sad, he liked to do something that he called "crashing" music, while that might seem counter-intuitive, he was actually into something, "only people display sensitive crying," Dr. Matt Bales, Says Ph.D., psychologist, and author.

And not to get too much science-fiction, Bayless says a biochemical analysis of the tears found an endorphin called leucine-enkephalin, which is known to reduce pain and improve mood. So, let those tears flow!

5. Now, try moving forward

Once you have an ugly cry until your eyes are lit, it's time to draw on things. This can take days, weeks, or months. "Grief doesn't live in a timeline," Levin says, but you can't stay in the dark hole forever.

6. Humorously set the bar lower

"Lay the foundation for success by taking the smallest possible incremental steps," advises Macmillan. For example, you brushed your teeth, hoorah!

You made some coffee, there you go! "Once you move you may be surprised that you feel inspired to do more," she says as the answer to how to stop being sad.

7. Find what pleases you (And laughter)

It is the opposite of a crush. Instead, choose a few writers, musicians, and/or movies that make you feel truly beautiful, Macmillan suggests. You are attracted to something that gives you a broader perspective on life or just a simple, silly joke, pick up work that raises your soul. Take it.

Even a cat video on YouTube can be helpful! "Laughter can be a terrific coping mechanism in response to pain and grief," Bayless says, "while laughter releases endorphins, such as exercise, reduce stress hormone cortisol and increases dopamine (aka 'feeling-good-hormone')." Of course, the process of mourning is time. "So it's no shame to smile for a while," assures Bayles.

8. And look for your people

It's important to have a support network, especially if you're having a hard time. If you don't know where to start, "start doing things outside the room that other people are involved in," says Borten, for example, choosing something like a running club or photography class that usually interests you.

"You will be amazed at how quickly a community is formed" "and it's great to have IRL friends, even an online community that can be kind and responsive.

Try searching Facebook for groups that might be able to offer support - for example, bereavement/bereavement support groups.

Or, interested parties (travel? Cooking? Even crochet!) Find like-minded people who can encourage your spirituality with a common passion. Just "make sure an online group is a loving place that engages people with a common goal."

9. Re-publish your thoughts

Let's say after the breakup, you keep telling yourself that you will never find love again. After all, you feel like your heart has been ripped off with a butter knife, and even seeing the wedding cigar over and over again has not helped.

It's time to change your negative narrative (therapists call this strategy cognitive restructuring). For example, Macmillan says, instead of saying to yourself, "I'll be alone forever," try saying "I will find love again." (Or even a speech like "I can get love again," even better!) You will feel more at peace and less sad and eventually you will believe it.

10. Spend time in nature

Rockmore suggests experiencing the outdoors in your five senses. He calls it "behavioral activation," focusing on what you see, feel, hear, smell and possibly taste in nature, maybe free of your difficulty.

"Getting out of hibernation and staying active stimulates the nervous system and gives people a chance to see the beauty of the world," says Rockland.

11. Looking for help

If your grief goes beyond the blues - your sleep patterns and eating habits, you're not interested in the activities you enjoy - you owe it to yourself to feel better.

Self-help books are a good tool: Rockmore's Happiness Trap and Beat the Blues recommend before you hit. However, if it is overwhelming to cope alone, talking to a physician can be extremely helpful in how to stop being sad.

Source: https://www.lifesimile.com/how-to-stop-being-sad/
15
কম পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা শুরু করা সত্যিই সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন দক্ষতা, উদ্ভাবনী, সৃজনশক্তি আর অধ্যাবসায়।

১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই চিহ্নিত করতে হবে আপনার আগ্রহ ও দক্ষতার ক্ষেত্র। যেহেতু এই সব ব্যবসায় বিনিয়োগ কম তাই বাস্তবে আপনি বিক্রি করবেন আপনার দক্ষতা আর শ্রম।

আর তাই ব্যবসার ক্ষেত্রটিতে আপনার যথেষ্ট দক্ষতা না থাকলে লাভজনক ব্যবসা করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশিই বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগ্রহ থাকা জরুরি। জেনে নিন এমন ২৫ টি বিজনেস আইডিয়া যা আপনি শুরু করতে পারবেন ১০ হাজার বা তার থেকেও কম পুঁজিতে।

১. অনলাইন শিক্ষকতা:
অনলাইনে আপনার পছন্দের বিষয়টি শিখিয়ে ঘরে বসেই ভাল রকমের আয় করা সম্ভব। বিষয়টি হতে পারে পড়াশোনা, বাদ্যযন্ত্র বা ভাষা শিক্ষা। আপনার দক্ষতা ও আগ্রহের ভিত্তিতে নির্ধারণ করুন বিষয়। নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিনা বিনিয়োগেই আয় করতে পারবেন।

এছাড়াও রয়েছে অনলাইন শিক্ষকতার বিভিন্ন পোর্টাল, যেখানে নাম নথিভুক্ত করে সহজেই শুরু করতে পারবেন শিক্ষকতা। সেক্ষেত্রে নিতে হবে না ভিয়্যু বাড়ানোর দায়িত্ব। রয়েছে ইউডেমি-এর মতো অনলাইন টিচিং ও লার্নিংমার্কেট প্লেসও।

এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে কোর্স আপলোড করেও শুরু করতে পারেন আপনার ব্যবসা। অঙ্ক, বিজ্ঞান, ভাষা শিক্ষার পাশাপাশিই আঁকা, প্রোগ্রামিং, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, মার্কেটিং, ফটোগ্রাফি, ব্যবসা ইত্যাদি নানা বিষয়ে কোর্স আপলোড করার সুযোগ রয়েছে এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে। টেক্সট, ভিডিও, অডিও বা প্রেজেন্টেশনের আকারে আপলোড করতে পারেন কোর্স।

২. খাবারের হোম ডেলিভারি:
আজকের কর্মব্যস্ততার যুগে বাড়িতে রোজ রান্না করার সুযোগ হয় না অনেকেরই, আবার প্রতিদিন হোটেলের খাবারও খেতে চান না বেশিরভাগ। এই চাহিদা মেটাতেই শুরু হয়েছিল খাবারের হোম ডেলিভারির ব্যবসা। নিজের বাড়িতে রান্না করে পৌঁছে দিন বাড়ি বাড়ি, সময়ে মতো সুস্বাদু খাবার দিতে পারলে ব্যবসার অভাব হবে না।

কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন অঞ্চলে ব্যবসার সুযোগ বেশি। শহরের বাইরে থেকে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই রোজকার রান্না করতে চান না, সেক্ষেত্রে তাঁরা নির্ভর করেন হোম ডেলিভারির ওপর। এছাড়া অনেক ছোট পরিবারও রোজকার খাবারের জন্য হোমডেলিভারির খাবারের ওপরই নির্ভর করেন। ১০হাজার টাকায় শুরু করুন এই ব্যবসা।

৩. অনলাইন বেকারি:
রকমারি কেক, কুকিস্ বানাতে ভালবাসেন? আত্মীয়-বন্ধুদের জন্মদিন-অ্যানিভারসারিতে আপনার বানানো কেকের কদর রয়েছে? তাহলে এই ছোট ব্যবসা আপনার জন্য। ওভেন-ফ্রেশ বেকারি আইটেমের চাহিদা প্রচুর, আর তা যদি আপনি একেবারে ক্রেতার ঘরে পৌঁছে দিতে পারেন তাহলে তো কথাই নেই। নিত্যনতুন রেসিপি চেষ্টা করুন, তৈরি করুন আপনার স্পেসালিটি। ১০ হাজার টাকায় শুরু করুন আপনার ব্যবসা। ঘরের ওভেনেই কেক-কুকিস্ বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করুন।

৪. ফলের রসের কিয়স্ক:
প্রথমেই বেছে নিতে হবে জায়গা। এমন জায়গায় কিয়স্ক করতে হবে যাতে সহজেই চোখে পড়ে। আসে পাশে অফিস, স্কুল, কলেজ থাকলে বিক্রি হওয়ার সুযোগ বেশি। ওই জায়গায় কিয়স্ক বসানোর অনুমতি পত্র যোগাড় করতে হবে, ভাড়া নিতে হবে জায়গা। এর পর দরকার কাঁচামাল আর ফলের রস তৈরির যন্ত্র। গোটাটাই ১০ হাজার টাকার কমে করে ফেলা সম্ভব।

৫. ট্রাভেল এজেন্সি:
অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করতে হলে বাসের টিকিট বুকিংয়ের ব্যবসার কথা ভাবতে পারেন। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। স্বল্প মূলধনে ব্যবসা করতে চাইলে সব থেকে সহজ উপায় হল হোস্ট এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া। প্রাথমিক বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ভর করে হোস্ট এজেন্সির উপর কিন্তু তা ১০ হাজার টাকার মধ্যে রাখা সম্ভব।

৬. ট্যুর গাইড:
বাঙালী বেড়াতে যেতে ভালবাসে। আর তার জন্য তারা অনেক সময়েই নির্ভর করে ট্যুর গাইডের ওপর। ফ্লাইট, ট্রেনের টিকিট বুকিং, হোটেল বুকিং থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ট্যুরটি প্ল্যান করা পুরোটার দায়িত্ব আপনার। অফিস, স্কুল বা কলেজের ট্যুর করাতে পারলে নিয়মিত ব্যবসা পাওয়া সম্ভব।

এটি কম খরচে লাভের ব্যবসা। আপনাকে শুধু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, আর যোগাযোগ তৈরি করতে হবে বিভিন্ন জায়গার হোটেলের সঙ্গে, জেনে নিতে হবে তাদের ট্র্যাভেল এজেন্ট কমিশনের রেট। খুঁজে বের করুন নতুন নতুন জায়গা। বর্তমানে সব থেকে লাভজনক ব্যবসার একটি ট্যুর অপারেটিংয়ের ব্যবসা।

৭. কাস্টমাইজড গয়না তৈরি:
নতুন ধরণের গয়না তৈরি করুন, অভিনবত্ব আনুন গয়নার ডিজাইন, স্টাইল আর উপকরণে। অনলাইনে ব্যবসা করুন। ১০ হাজার টাকায় এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। এই ধরণের গয়না তৈরির উপকরণ সহজেই পাওয়া যায় কলকাতার বিভিন্ন বাজারে। পছন্দ মতো উপকরণ সংগ্রহ করে বাড়িতে বসে সহজেই বানিয়ে ফেলুন গয়না।







৮. অনলাইনে হস্তশিল্প সামগ্রী বিক্রি: দেশে রয়েছে হস্তশিল্পের বিপুল সম্ভার। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে ছোট ছোট ঘর সাজানোর সামগ্রী সংগ্রহ করুন, অথবা ছোট গয়না। গ্রামীণ শিল্পীরা অনেক কম দামেই বিক্রি করেন তাঁদের তৈরি সামগ্রী। তাই অত্যন্ত কম খরচে লাভের ব্যবসা করা সম্ভব।

৯. দর্জির দোকান: ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে হলে ভাবতে পারেন দর্জির দোকানের কথা। তবে এক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই থাকতে হবে উপযুক্ত দক্ষতা ও সৃজনশীলতা। নিজের বাড়ি থেকেও এই ব্যবসা করতে পারেন। ক্রেতার বাড়ি গিয়ে ডিজাইন আর মাপ নিয়ে এসে বাড়িতে বসে বানিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসুন ক্রেতার বাড়িতে। অনলাইনে বহু নতুন নতুন অভিনব ডিজাইন পাওয়া যায়, সেখান থেকে নিজের পছন্দ মতো ক্যাটালগ তৈরি করে নিন।







১০. বিউটিশিয়ান: উপযুক্ত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ থাকলে অল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা করা সম্ভব। প্রথমেই কিনে ফেলুন প্রাথমিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। বাড়িতে গিয়ে ফেসিয়াল, পেডিকিওর, ম্যানিকিওর, অয়েল ম্যাসাজ বা ওয়্যাক্সিংয়ের মতো পরিষেবা দিন ক্রেতাকে। অনেকে বিউটি পার্লারে না গিয়ে বাড়িতেই এই সমস্ত পরিষেবা পেতে পছন্দ করেন। পরিষেবার মান ভাল হলে লোক মুখেই প্রচার হবে। তৈরি করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটও। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

১১. মেকআপ আর্টিস্ট: আপনি যদি সাজাতে ভালবাসেন, যদি থাকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, তাহলে খুব সহজেই অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করা সম্ভব। কনে সাজানো থেকে পার্টি মেকআপ অথবা নাচ বা অন্যান্য অনুষ্ঠান, ডাক পেতে পারেন বিভিন্ন জায়গা থেকে। এক্ষেত্রেও একটি ওয়েবসাইট থাকলে ক্রেতার কাছে পৌঁছনো সহজ হবে।







১২. নাচ, গান বা আঁকার স্কুল: আপনার যদি এর মধ্যে কোনও একটি দক্ষতা থাকে তাহলে সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে প্রায় বিনিয়োগ ছাড়াই আয় করতে পারবেন। আপনার বাড়িতেই এই স্কুল খুলতে পারেন, বা ভাড়া করতে পারেন কোনও ঘর। ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি গিয়েও শেখাতে পারেন গান, নাচ বা আঁকা। এর জন্য আপনাকে হতে হবে ধৈর্যশীল আর দায়িত্ববান। এই ব্যবসার প্রচার মূলতঃ হয় লোকমুখে। তাই আপনি যদি ছাত্রছাত্রীদের খুশি করতে পারেন তাহলে তাদের থেকে শুনেই নতুন ছাত্রছাত্রী আসবে।

১৩. বিদেশী ভাষা শিক্ষা: আপনার যদি কোনও বিদেশী ভাষা জানা থাকে, তাহলে সেই দক্ষতা ব্যবহার করে সহজেই লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন। ছোট থেকে বয়স্ক, বিভিন্ন বয়সের ছাত্রছাত্রী পাওয়া সম্ভব। বিনা বিনিয়োগে আয় করতে পারবেন এই ব্যবসায়। তবে এই ব্যবসা করতে সংশ্লিষ্ট ভাষায় আপনাকে যথেষ্ট দক্ষ হতে হবে নিশ্চিতভাবেই, হতে হবে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ও ধৈর্যশীল।







১৪. ফ্রিল্যান্স কন্টেন্ট রাইটিং: ইংরেজিভাষায় যথেষ্ট দক্ষতা থাকলে কন্টেন্ট রাইটিংয়ের কাজ পাওয়া সহজ। ঘরে বসে অনলাইনে ব্যবসা করে আয়ও হবে ভালই। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটের মাধ্যমে এই কাজ পাওয়া যেতে পারে। ইদানিং আঞ্চলিক ভাষায়ও কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এই লেখার নিজস্ব কিছু কৌশল রয়েছে, যেমন সার্চ ইঞ্জিনে যাতে আপনার লেখা ওপরের দিকে স্থান পায় তার জন্য জানতে হয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কৌশল। তবে চর্চা করলে রপ্ত করে নেওয়া কঠিন হবেনা। ভাষার ও শব্দভাণ্ডারের ওপর দখল থাকাই এই ব্যবসায় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। বিনা বিনিয়োগে ঘরে বসে আয় করতে পারবেন এই ব্যবসায়।

১৫. ইউটিউব চ্যানেল: অনলাইনে আয় করার আরও একটি সহজ উপায় ইউটিউব চ্যানেল। শিক্ষামূলক থেকে রান্না শেখানো, লাইফ হ্যাকস্ থেকে বেড়ানো, বিষয় হতে পারে যে কোনও। চ্যানেলের ফলোয়ার বাড়াতে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। স্মার্টফোনে ভিডিও তুলেও আপলোড করতে পারেন চ্যানেলে। তবে শব্দ ও ছবির গুণমান ভাল হওয়া জরুরি। ভিডিওর যথেষ্ট ভিয়্যু হলে বিজ্ঞাপন বাবদ টাকা পাবেন।

১৬. অনুবাদের ব্যবসা: দুটি বা তার বেশি ভাষা জানা থাকলে অনুবাদের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। পৃথিবীজুড়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরণের অনুবাদের প্রয়োজন পড়ে, তা হতে পারে আইনি কাগজ বা মেডিক্যাল নথি, অথবা মোবাইল অ্যাপ বা গেমিং। এছাড়াও পাওয়া যায় সিনেমা বা টিভি সিরিজের সাবটাইটেল অনুবাদ করার কাজ। প্রতিটির জন্য নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতা থাকা প্রয়োজন, প্রয়োজন সেই বিষয়ের শব্দ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান। ঘরে বসে ইন্টারনেটে ব্যবসা করে আয় হবে ভালই। অনুবাদ এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলে নিয়মিত কাজ পাওয়া যাবে।







১৭. গ্রাফিক ডিজাইনিং: বলা হয় পূর্ণ সময়ের চাকরির চেয়ে নিজের ব্যবসায় আয় বেশি করেন গ্রাফিক ডিজাইনাররা। কম্পিউটার আর প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার থাকলে ১০,০০০ টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। বস্তুতঃ আলাদা কোনও অফিসেরও প্রয়োজন নেই, ব্যবসা করতে পারেন ঘরে বসেই। অর্ডার পেতে পারেন অনলাইনে অথবা চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যাদের নিয়মিত গ্রাফিক ডিজাইনিংয়ের কাজের প্রয়োজন। আজকের ডিজিটাল যুগে গ্রাফিক ডিজানিংয়ের কাজের সুযোগ প্রচুর।

১৮. ওয়েডিং প্ল্যানার: বিয়েবাড়ি ভাড়া করা থেকে ডেকরেশন, খাওয়া দাওয়া থেকে বিয়ের কার্ড ছাপান, কনের সাজ থেকে ফটোগ্রাফি বিয়ের ঝক্কি অনেক। আজকের ছোট পরিবার আর ব্যস্ততার যুগে এই সব কাজ সুষ্ঠভাবে করার লোক কমে আসছে। অথচ এই বিশেষ দিনটির জাঁকজমক নিয়ে আপস করতে চান না কেউই, আর তাই বাড়ছে ওয়েডিং প্ল্যানারদের চাহিদা। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার মধ্যে অন্যতম এই ব্যবসা। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। প্রয়োজন একটা আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট আর যোগাযোগ।







১৯. অনলাইনে বাংলা বই বিক্রি: আপনার যদি বাংলা সাহিত্য নিয়ে যথেষ্ট জানাবোঝা থাকে তাহলে ১০ হাজার টাকায় এই ব্যবসার কথা ভাবতে পারেন। অ্যামজন ফ্লিপকার্টের সৌজন্যে ইংরেজি ও মূলধারার অনেক বই অনলাইনে পাওয়া গেলেও বাংলা বইয়ের ক্ষেত্রে এ সুযোগ এখনও কম। বিশেষতঃ পুরনো বা দুষ্প্রাপ্য বাংলা বই অনলাইনে পাওয়াই যায় না।

অথচ কলেজস্ট্রিট এলাকাতেই খুঁজলে বহু এরকম দুষ্প্রাপ্য বাংলা বইয়ের সন্ধান মেলে। নতুন ছোট প্রকাশকদের বইও রাখতে পারেন আপনার সংগ্রহে। কলেজস্ট্রিট যদি আপনার নখদর্পণে হয় এই ব্যবসা আপনার জন্য। নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ফেসবুকের মাধ্যমে এই ব্যবসা করতে পারেন। অর্ডার অনুযায়ী ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে দিন বই। প্রচুর বই কিনে ব্যবসা শুরুর দরকার নেই। অর্ডার এলে বই সংগ্রহ করে পৌঁছে দিন ক্রেতার হাতে।

২০. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ছোট বড় সব সংস্থার জন্যই সামাজিক মাধ্যমে উপস্থিতি প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে উঠছে। নিজেদের পরিষেবা বা পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া ও ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করে প্রায় সব কোম্পানিই। খরচও হয় কম। বড় কোম্পানিদের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের জন্য নিজস্ব কর্মী থাকলেও ছোট কোম্পানি বা স্টার্টআপ-রা বেশিরভাগই বাইরের সংস্থাকে দিয়ে থাকে এই কাজের দায়িত্ব। বিনা বিনিয়োগে ঘরে বসে আয় করতে পারেন এই উপায়ে।

২১. মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা: কম টাকায় লাভজনক ব্যবসা করতে হলে বাড়িতে বাড়িতে মিনারেল ওয়াটারের ড্রাম পৌঁছে দেওয়া একটা সহজ উপায়। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। শহরাঞ্চল ও শহরতলিতে বহু পরিবারই পানির জন্য নির্ভর করে এই পানি বিক্রেতাদের ওপর। এই কাজ পরিশ্রমসাধ্য, ভ্যানে করে পানির ড্রাম টেনে নিয়ে যেতে হয় এ পাড়া থেকে ও পাড়া।

২২. মোবাইল রিচার্জের দোকান: অনলাইন রিচার্জের যুগেও বেশিরভার উপভোক্তাই এখনও স্থানীয় দোকানে গিয়ে মোবাইল রিচার্জ করতেই বেশি সচ্ছন্দ, তাই পাড়ায় একটি ছোট দোকান ঘর ভাড়া করে কম খরচে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে, জেনে নিতে হবে কমিশন রেট। বাজারে দোকান না কিনে পাড়ার ছোট দোকার ঘর ভাড়া নিলে ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু সম্ভব।

২৩. টিফিন ডেলিভারি: খাবারের হোম ডেলিভারির মতোই আরেকটি লাভজনক ব্যবসা টিফিন ডেলিভারি। পরিবারের সকলকেই যখন কাজে বেরোতে হয়, অফিসে যাওয়ার আগে টিফিন তৈরি করে নিয়ে যাওয়া প্রায় কারোও পক্ষেই সম্ভব হয় না। আর তাই আপনি যদি উন্নত গুণমানের ঘরে তৈরি খাবার পৌঁছে দিতে পারেন অফিসে তাহলে বিক্রি হবে ভালই। খাবার পৌঁছতে হবে অফিস এলাকায়, তার জন্য লোক রাখতে পারেন। ১০ হাজারা টাকায় ব্যবসা শুরু করে লাভের মুখ দেখুন প্রথম মাসেই।

২৪. চায়ের দোকান: চায়ের দোকান খুলতে ভাড়া করতে হবে একটা ছোট দোকান ঘর বা স্টল বসানোর জায়গা, কিনতে হবে কিছু বেঞ্চ আর টেবিল। ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে যাবে পুরোটাই। আর পাঁচটা চায়ের দোকানের থেকে খানিক আলাদা ভাবে সাজিয়ে নিন আপনার দোকান। দেওয়ালে ছবি আঁকাতে পারেন, বা টেবিল-বেঞ্চের রঙে আনতে পারেন নতুনত্ব। দোকানের অন্দরসজ্জাই এক্ষেত্রে হবে প্রধান। পাশাপাশি ভাল মানের চা যদি কম দামে বিক্রি করতে পারেন ব্যবসা বাড়বে। সঙ্গে মুখরোচক কিছু স্ন্যাক্সের ব্যবস্থাও রাখতে পারেন।

২৫. ফুড ভ্যান: ছোট ফুড ভ্যানে করে খাবার বিক্রি করলে ১০হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। রাখতে পারেন রোল-চাউমিন অথবা বার্গার-স্যান্ডউইচের মতো খাবার। নতুন ধরণের খাবারও চেষ্টা করতে পারেন। খাবার সুস্বাদু হওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছে যেতে পারলে বিক্রি ভাল হবে। অফিস এলাকায় বিক্রি বেশি হওয়া সম্ভাবনা বেশি।

১০ হাজার টাকায় ব্যবসার উপায় আছে অনেক, আপনাকে বুঝতে হবে বাজারের চাহিদা আর চিহ্নিত করতে হবে নিজের দক্ষতা আর আগ্রহ। এই ছোট ব্যবসায় আপনার দক্ষতা আর উদ্ভাবনী শক্তিই আপনার পুঁজি। সেই পুঁজিকে কাজে লাগিয়েই শুরু করতে পারেন ব্যবসা। দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়বে আয়। তথ্যসূত্র : ইন্টানেট।

Link: https://bn.bdiganta.com/bd23/%e0%a7%ab-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be/
16
There is no productive way to cope with the sting of remorse. As difficult as it may seem, giving up guilt and shame is an essential part of moving beyond a wrong or embarrassing situation.

You make yourself feel worthless by your actions. You are apprehensive about taking healthy risks. You're on the verge of giving up. You don't strive to improve things because you don't believe you deserve to improve them. Even if one cannot change how one reacts to other situations, we can always change our own viewpoint. Finally here to forgive yourself - or at least try.

Let's find below some tips for learning to forgive yourself from the heart:

1. Remember that it is okay to feel guilty

The simple phrase feel terrible is one of the most popular ways to convey feeling guilty: I felt horrible because I knew I'd let them down. People might feel guilty for a number of reasons, including acts they have performed (or believe they have committed), failures to accomplish what they should have done, or morally incorrect ideas.

Once you've accepted that feeling guilty about accomplishment is entirely natural and appropriate, and you've allowed yourself to feel it, it's time to work through it. Journaling about your feelings might be a good approach to getting through them.

"Every emotion we have serves a purpose," says LCSW Jenny Scott regarding learning to forgive yourself. Happiness tells us something is going well and encourages us to connect with others. Grief tells us that we have lost something. It is the same with guilt. "

2. Mistakes help us transform advanced people

When we learn to feel guilty feelings as a way of getting information, we are already healing from our mistakes. "Guilt allows us to know that our actions or behaviors are in conflict with our values ​​and beliefs," says Scott regarding the importance of learning to forgive yourself. "It also helps us recover damages that can be sustained thanks to an accident or an accident"

3. Understand the difference between guilt and shame

“Feeling of guilt serves a purpose. Don't be shy, "said Scott. With guilt, you know exactly what you did wrong, why you made a mistake, and how you can repair the situation.

There is nothing left to do. The shame is a bit tactical. With shame, you may feel that you are the ultimate. Staying down and there is no way to rise, which is not a helpful way to heal, he says.

4. You admit to the rumble

Everyone fights to admit that they have done something bad, but denial is how people get into deeper problems. You can blame the training fatigue or forget your mother-in-law's birthday because you were "so busy" only.

5. Own your mistakes

"Often, we use denial as a way to protect ourselves from the negative emotions of shame and guilt," Scott says. "And it might be more convenient to believe that we didn't do anything wrong, but the situation never helps. Ignoring a problem does not remove it ”

The worst thing you can do is become trapped in a mistake and then regret it for the rest of your life. You should never become trapped in a certain stage of your life, attempt, or activity. Consider errors to be the place where you go every day for your singing lessons. You go there, study, and then return home, but one thing that everyone takes away from the class is lessons, and the same can be said about your flaws.

6. Apologize to anyone who may hurt you

Of course, your first incentive is to correct a relationship or belief that may have been violated. The only way to do it right is to take the complete step in your guilt and admit the guilt. It is a good reflection of learning to forgive yourself.

Clinical psychologist and author of How to Be Yourself, Dr. Ellen Hendrickson says: "Apologize sincerely and do your best to correct any outstanding mistakes: calm down your inner critic and raise social concerns. Be sure to listen and open. Stress now or don't ask for forgiveness from them or even ever.

You can't control when or if someone else forgives you. But if you do your best to make amends, you can move forward. If they ask that person, give them space.

7. Give yourself more space

Imagine what forgiveness would look like. One of the things we can do is look at the scene in which we have been forgiven. How does your body look when emotions arise? What steps will you take? A clear idea of ​​how you will feel forgiveness inside and out can help you to achieve true self-forgiveness.

Some individuals struggle with self-forgiveness because they refuse to allow it and prefer to suffer in guilt. They can take it to mean that they're being forgiven and that they'll be able to do more harmful things in the future. Narcissists and idealists do not forgive themselves because they refuse to recognize they have made errors.

It's important to remember that it's normal to feel guilty. However, there is a distinction to be made between guilt and shame. Recognize that you made a mistake. Please apologize to everyone you may have offended. Make a letter of apology to yourself. Take mental and physical care of oneself. Patience is required. Don't attempt to persuade them to change.

Source: https://www.lifesimile.com/learning-to-forgive-yourself/
17
Blue ocean strategy shift: A five-step process

1. To choose the appropriate platform to initiate and develop the perfect Blue Ocean team for the idea.

2. To get a clear picture of the existing situation of the operation.

3. To unleash the hidden pain facts that limit the existing size of the industry and discover an ocean of non-clients.

4. To reconstruct market lengths and develop alternative Blue Ocean opportunities in a systematic and confidential way.

5. To select the exact Blue Ocean to move, conduct the fastest market analysis, finalize, and launch the shift as soon as possible.

Source: https://www.careercliff.com/blue-ocean-strategy/
18
Islam / সত্য বললে লাভ কী?
« Last post by Badshah Mamun on April 30, 2022, 09:03:01 AM »
সত্য বললে লাভ কী?

সত্যবাদিতা মুমিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আপনি যদি একজন নিয়মিত মিথ্যাবাদী হন, তাহলে আপনি মুমিন হতে পারবেন না। একজন মুমিন কখনো অনবরত মিথ্যা বলতে পারে না। সূরা আহযাবে আল্লাহ জান্নাতবাসীদের কিছু গুণের কথা উল্লেখ করেন। সেই গুণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সত্যবাদিতা।
.
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:

“নিশ্চয়ই মুসলিম পুরুষ ও নারী, মুমিন পুরুষ ও নারী, অনুগত পুরুষ ও নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও নারী, বিনয়াবনত পুরুষ ও নারী, দানশীল পুরুষ ও নারী, রোজাদার পুরুষ ও নারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী পুরুষ ও নারী, আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও নারী; তাদের জন্য আল্লাহ মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান (জান্নাত) প্রস্তুত করে রেখেছেন।” [সূরা আহযাব ৩৩: ৩৫]
.
আপনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে কিয়ামতের দিন সত্যবাদিতা আপনার কাজে আসবে। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“এটা হলো সেই দিন, যেদিন সত্যবাদীগণকে তাদের সততা উপকার করবে।” [সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ১১৯]
.
আপনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে আপনার সততার জন্য আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করবেন।
.
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“আল্লাহ সত্যবাদীদেরকে তাদের সততার জন্য পুরস্কৃত করতে পারেন।” [সূরা আহযাব ৩৩: ২৪]
.
আল্লাহ যেমন আমাদেরকে সত্য বলার নির্দেশ দেন, সত্য বলায় উৎসাহিত করেন, তেমনি আমাদের বন্ধু কারা হবে তাদের সম্পর্কেও বলেন। আমরা যেন মিথ্যাবাদীদেরকে বন্ধু হিশেবে গ্রহণ না করি সে ব্যাপারে তিনি সতর্ক করে বলেন:

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।” [সূরা তাওবা ৯: ১১৯]
.
আমরা যদি মিথ্যাবাদীদেরকে বন্ধু হিশেবে গ্রহণ করি, তাদের সাথে থাকতে থাকতে একসময় আমরাও মিথ্যা বলা শুরু করবো। এজন্য আমাদের বন্ধু কারা সেটা যাচাই করতে হবে। যদি দেখা যায় আমাদের বন্ধুরা অনবরত মিথ্যা বলে, তাহলে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“সত্য নেকির দিকে পরিচালিত করে আর নেকি জান্নাতে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের ওপর কায়িম থেকে অবশেষে ‘সিদ্দীক’ –এর দরজা লাভ করে। মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন হয়।” [সহীহ বুখারী: ৬০৯৪]
.
দেখুন, সত্যের পথ জান্নাতে, মিথ্যার পথ জাহান্নামে। আপনি অনবরত মিথ্যা বলা শুরু করলে মিথ্যা বলা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
.
জাফর ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নাজ্জাশীর সামনে ইসলামের বার্তা তুলে ধরেন। জাফর ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের বার্তা পাঁচটি পয়েন্টে উল্লেখ করেন। তারমধ্যে একটি ছিলো-

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সত্য বলতে নির্দেশ দেন।”

সুতরাং, এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, আমাদেরকে অবশ্যই সত্য বলতে হবে। কোনো কিছু বলার আগে সেটা যাচাই করে নিতে হবে। তবে, তিনটি ক্ষেত্রে কথা বলার সময় আমাদেরকে অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সেসব ক্ষেত্রে আমরা সত্য কথা বলছি।
.
১। যখন আমার দ্বীনের ব্যাপারে কথা বলবো
যখন আমরা ইসলাম নিয়ে কোনো কথা বলবো, তখন ১০০% নিশ্চিত হয়ে বলতে হবে। ইসলাম নিয়ে কোনো মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। কোনো বিষয়ে যদি আমাদের জানা না থাকে, তাহলে আমরা স্বীকার করবো যে- আমরা জানি না। কিন্তু, না জেনে কিছু বলবো না।

আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার ওপর নির্ভর করে বলো না যে, এটা হালাল এবং এটা হারাম। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে, তারা সফলকাম হবে না।” [সূরা আন-নাহল ১৬: ১১৬]
.
আল্লাহ এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে কোনো কিছু বলতে হলে জেনেশুনে বলতে হবে। নিজের মনগড়া কোনো কথা বলা যাবে না।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“তোমরা আমার ওপর মিথ্যারোপ করো না। কারণ, আমার ওপর যে মিথ্যারোপ করবে, সে জাহান্নামে যাবে।” [সহীহ বুখারী: ১০৬]
.
আমরা যদি বলি ‘এটা রাসূলুল্লাহ বলেছেন’ বা ‘এটা হাদীসে আছে’ তাহলে নিশ্চিত হয়ে বলতে হবে। নিজেদের বানানো কোনো কথাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে চালিয়ে দেয়া যাবে না। যারা এমন করে, তাদের স্থান জাহান্নামে।
.
২। আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বলা
এমনিতে তো মিথ্যা বলা গুনাহের কাজ, আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বলা তারচেয়ে বেশি ভয়ানক। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় বলেন ‘আল্লাহর কসম!’ বা ‘ওয়াল্লাহি’, তারপর যদি মিথ্যা বলেন তাহলে আপনার অনেক বেশি গুনাহ হবে। বিশেষ করে আদালতে সাক্ষ্য দেবার সময়।
.
৩। ব্যবসা করতে গিয়ে মিথ্যা বলা
ব্যবসায়ীরা মুনাফার্জনের জন্য অনেক সময় মিথ্যার আশ্রয় নেয়। তারা বলে, ‘পণ্যটি আমি ১০০০ টাকা দিয়ে কিনেছি, আপনাকে কেনা দামে বিক্রি করছি’। আসলে দেখা যায় তারা পণ্যটি কিনেছে ৭০০ টাকা দিয়ে, ৩০০ টাকা লাভে বিক্রি করছে। সে মনে করে মিথ্যা বলার কারণে তার ৩০০ টাকা লাভ হয়েছে। আসলে মিথ্যা বলার কারণে তার ব্যবসায় বরকত কমে গিয়েছে সেটা সে বুঝতে পারছে না।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“ক্রেতা-বিক্রেতা যদি সত্য বলে এবং পণ্যের অবস্থা ব্যক্ত করে, তবে তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত হবে। আর যদি মিথ্যা বলে এবং দোষ গোপন করে, তবে তদের ক্রয়-বিক্রয়ের বরকত মুছে ফেলা হবে।” [সহীহ বুখারী: ২০৭৯]
.
আপনি সততার সাথে ব্যবসা করলে ব্যবসায় যেমন লাভ হবে, তেমনি আল্লাহ সেই ব্যবসায় বরকত দান করবেন। আর মিথ্যাকে পুঁজি করে ব্যবসা করলে মানুষজন একসময় না একসময় আপনার প্রতারণা ধরে ফেলবে। আপনি দুনিয়াতে অপদস্থ হবেন, আখিরাতেও।
.
তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদেরকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। ইসলাম সেসব ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নেয়াকে অনুমতি দিয়েছে। যেমন: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। স্বামী স্ত্রীকে এমন একটি কথা বললো, যেটা আসলে সত্য নয়, তবে কথাটি তাদের মধ্যকার বন্ধন বাড়াবে। এসব ক্ষেত্রে এমন মিথ্যা কথা ইসলাম সমর্থন করে।
.
যেমন: স্বামী স্ত্রীকে বললো, ‘তোমার হাতের বিরিয়ানী পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু বিরিয়ানী, তুমি যে গরুর মাংস রান্না করো, আমি পৃথিবীর কোথাও এমন খাবার খাইনি’।
.
একটি সুন্দর মুহূর্তে স্বামী স্ত্রীকে বললো ‘তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে’।
.
এসব মিথ্যাকে ইসলাম ‘মিথ্যা’ বলে মনে করে না। স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনের জন্য প্রয়োজনে এমন মিথ্যা বলাকে ইসলাম অনুমতি দেয়। আপনি আপনার ছোট্ট ছেলে-মেয়ের প্রশংসা করেও এমন কিছু বলতে পারেন।
.
দুজন মানুষের মধ্যে যদি মন কষাকষি হয়, তাদেরকে একত্র করতে প্রয়োজনে মিথ্যা বলতে পারেন। যেমন: একজনকে বলতে পারেন, অমুক তো তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে অনুতপ্ত, সে আমাকে বললো তোমার সাথে কথা বলতে চায়। আবার, অন্যজনকে গিয়ে বলুন, অমুক সেদিন যেমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, এটার জন্য পরে কষ্ট পেয়েছে। সে চাচ্ছে তোমার সাথে কথা বলতে। আসো, তার সাথে গিয়ে কথা বলি।
.
এসব ক্ষেত্রে মিথ্যা বলতে অসুবিধা নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি ক্ষেত্রে মিথ্যা বলাকে অনুমোদন দিয়েছেন। সেগুলো হলো:

১. একজনের সাথে আরেকজনের মন কষাকষি মিটিয়ে দেবার সময়
২. যুদ্ধের সময়
৩. স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক মজবুত করতে মিথ্যার আশ্রয় নিলে। [মুসনাদে আহমাদ: ২৬৭৩১]
.
এখন প্রশ্ন হলো, সত্য বললে লাভ কী?

আপনি যখন সত্য বলবেন, সেই সত্য বলার মাধ্যমে নেকি অর্জন করবেন। আপনি যখন কিছু লিখবেন, সেটা যদি সঠিক হয় তাহলে আপনি নেকি অর্জন করবেন। আপনি সত্য বললে আপাতত আপনার কোনো ক্ষতি হলেও দীর্ঘকালীন এর সুবিধা ভোগ করবেন।
কা’ব ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনা এখানে উল্লেখযোগ্য। তাবুক যুদ্ধে না যাবার অজুহাত দেখাতে কেউ কেউ যখন মিথ্যার আশ্রয় নেবার সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তখন সত্যের ওপর অটল থাকেন। মিথ্যা বলায় অনেকের অজুহাত গ্রহণ করা হয়েছিলো, সত্য বলায় তিনি আপাতত বিপদে পড়েছিলেন। কিন্তু, পরবর্তীতে তাঁর এই সত্যবাদিতা তাঁকে পুরস্কৃত করে। আল্লাহ তাঁর ঘটনা উল্লেখ করে পবিত্র কুরআনে কয়েকটি আয়াত নাযিল করেন। [সহীহ বুখারী: ৪৪১৮]
.
আপনি যখন মনে করবেন আল্লাহ আপনাকে দেখছেন, তিনি আপনাকে শুনছেন, তখন আপনি সত্য বলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন আর কেউ জানুক বা না জানুক, আল্লাহ জানেন প্রকৃত ঘটনা কী। আপনাকে আল্লাহ দেখছেন, ফেরেশতারা পর্যবেক্ষণ করছেন। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর ভয়ে আপনি মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না। জীবনের যে পরিস্থিতি আসুক না কেনো।
.
আপনি যদি জান্নাতে যেতে চান, আল্লাহর প্রিয়ভাজন হতে চান, তাহলে সত্য কথা বলুন। কেননা, সত্যবাদীদের স্থান জান্নাতে, মিথ্যবাদীদের স্থান জাহান্নামে।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
লেখাঃ ইয়াসির ক্বাদি (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
.
.
https://www.facebook.com/Ohee.Hadis
19
আপনি থিসিস করেন কিংবা গবেষণা আর্টিকেল লিখেন, সাধারণত এই অংশগুলো থাকে -
1. Title
2. Abstract
3. Introduction
4. Literature Review
5. Conceptual and Theoretical framework
6. Methodology
7. Results/Findings & Discussion
8. Conclusion
9. Reference
টাইটেল,অ্যাবস্ট্রাক্ট, মেথডোলজি এবং কনক্লিউশন; এগুলো মোটামুটি ছোট অংশ। এগুলো লেখার জন্য কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন নেই । আপনার হাতে যদি সিমিলার কয়েকটি থিসিস থাকে,তাহলে সে নমুনাগুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই এই অংশগুলো লিখে ফেলতে পারবেন।
তবে এই অংশগুলোসহ গবেষণায় প্রত্যেকটি অংশে , কিছু টুলসের প্রয়োজন হয়, সেগুলো সম্পর্কে লিখছি।
▪️𝟭. 𝗚𝗿𝗮𝗺𝗺𝗮𝗿 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-
(Grammarly*/Ginger)
ইংরেজি যেহেতু আমাদের মাতৃভাষা না । তাই আমাদের লেখার মধ্যে ব্যাকরণগত এবং ভাষাগত অনেক ভুল থাকতে পারে । আপনি চাইলে সহজেই এখান থেকে ঠিক করে নিতে পারেন । সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে চাইলে প্রিমিয়াম ভার্শন কিনতে পারেন ।
▪️𝟮. 𝗣𝗮𝗿𝗮𝗽𝗵𝗿𝗮𝘀𝗶𝗻𝗴 𝗮𝗻𝗱 𝗪𝗿𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝘁𝗼𝗼𝗹𝘀-
(Quillbot*/Word Ai/Ref-n-Write/Pro Writing Aid)
ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি Quilbot,Word Ai খুবই ভালো । তবে Ref-n-Write/Pro Writing Aid খুবই অ্যাডভান্স।Quilbot এর বিনামূল্য ভার্শন আপনাকে যথেষ্ট সাহায্য করবে। অন্য টুলসগুলো আপনাকে নামমাত্র মূল্যে কিনে নিতে হবে ।
▪️𝟯. 𝗘𝗱𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝗧𝗲𝘅𝘁 𝗦𝗼𝗳𝘁𝘄𝗮𝗿𝗲-
(Word*, OpenOffice, LaTeX*), Scrivener...)
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর কাজ খুব ভালোমতো জানা থাকলে বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও হবে । তবে বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ল্যাটেক্স শেখা যেতে পারে । আমি গবেষণার দুটি সফটওয়্যার শিখে সবচেয়ে বেশি আনন্দলাভ করেছিলাম , তার মধ্যে একটি হলো লাটেক্স । জার্নাল অনুযায়ী লেখা সাজানো , অটোমেটিক সূচিপত্র বানানো, ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যাবে ।
▪️𝟰. 𝗖𝗼𝗻𝗰𝗲𝗽𝘁𝘂𝗮𝗹 𝗮𝗻𝗱 𝗧𝗵𝗲𝗼𝗿𝗲𝘁𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗙𝗿𝗮𝗺𝗲𝘄𝗼𝗿𝗸-
(Diagram.net*, creatly*, Canva)
এই অংশগুলোতে অনেক সময় ডায়াগ্রাম বা চিত্র আঁকতে হয় । মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে যদিও চিত্র অঙ্কন করা যায় , তবে সেটি সুন্দর হয়না । আপনারা চাইলে Diagram.net, creatly, Canva এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে মুহূর্তেই কাঙ্খিত ডায়াগ্রাম তৈরি করে নিতে পারবেন ।
 ▪️𝟱. 𝗥𝗲𝘀𝘂𝗹𝘁𝘀/𝗙𝗶𝗻𝗱𝗶𝗻𝗴𝘀 & 𝗗𝗶𝘀𝗰𝘂𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻
এই অংশকে কোয়ালিটিভ এবং কোয়ান্টিটিভ দুটি ভাগে ভাগ করে বোঝালে সহজ হবে ।
 🔸Quantative Analysis
(SPSS*, STATA, R, ...)
SPSS এর কাজ ভালোমতো জানলে সোশ্যাল সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডে শিক্ষার্থীদের বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও মোটামুটি চলে । R শিখতে পারেন , অ্যাডভান্স এনালাইসিস করতে পারবেন । পাশাপাশি খুব সুন্দর সুন্দর ফিগার বের করতে পারবেন ।
 🔸Qualitative research software
(Atlas.ti,NVivo,Quirkos*,MAXQDA...Excel*)
এতগুলা সফটওয়্যার দেখে মোটেও ঘাবড়ে যাবেন না । গুণগত গবেষণা করার ক্ষেত্রে সাধারণতঃ সফটওয়্যার না হলেও চলে বা এক্সেল ব্যবহার করেই থিমেটিক এনালাইসিস করে ফেলা যায় । ব্যক্তিগতভাবে আমি এই দুটি সফট্ওয়ারে Quirkos,MAXQDA এর কথা বলবো । আপনারা চাইলে দেখে নিতে পারেন শিখে নিতে পারেন ।
 ▪️𝟲. 𝗤𝘂𝗲𝘀𝘁𝗶𝗼𝗻𝗻𝗮𝗶𝗿𝗲 𝗦𝘂𝗿𝘃𝗲𝘆-
(Kobo toolbox*,Google form*)
Kobo toolbox খুবই স্মার্ট একটি টুলস । রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ পেতে হলে এই টুলস এর কাজ জানা আবশ্যক ।
 ▪️𝟳. 𝗣𝗹𝗮𝗴𝗶𝗮𝗿𝗶𝘀𝗺 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-
(Turnitin*, Viper,I-thenticate, Checker X*)
DupliChecker, Paperrater, Plagiarisma, Search Engine Reports, PlagTracker, Plagium, CopyLeaks, Ephorus, Quetext অনেকেই এসব সোর্স থেকে প্লেজারিজম চেক করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন । কিন্তু একাডেমিক লেখায় এই টুলসগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। অনলি Turnitin ইজ বস ।
 ▪️𝟴. 𝗕𝗶𝗯𝗹𝗶𝗼𝗴𝗿𝗮𝗽𝗵𝘆 𝗠𝗮𝗻𝗮𝗴𝗲𝗿-
(Zotero*, Mendeley*,EndNote, ...)
রেফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যেই রেফারেন্সিং করে ফেলা যায় । Zotero সফটওয়ারটি শেখা আমার জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে আমি মনে করি । এমনকি আমার চলমান ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই সফটওয়্যারটি খুব পছন্দ করেছে ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে হলে এই সফটওয়্যার গুলো শেখা অত্যন্ত দরকার । Zotero এবং Mendeley আমি রেগুলার ব্যবহার করি।

Source- Morshed Alam
20
Imagine if the same jacket that warms you up on chilly days would also cool you down on hot ones. Fabrics with “phase-change” properties can do that. And a research team from China now shows that 3-D printing techniques can yield a strong phase-change cloth — one that hides some more tricks up its sleeve.
This new fabric not only helps regulate temperatures, but also conducts electricity. It even resists the radio waves used in Wi-Fi.“The combination of those properties is what’s very intriguing,” says Sergio Granados-Focil. He did not take part in the cloth’s development. But this polymer chemist at Clark University in Worcester, Mass., is familiar with phase-change materials.
To understand the fabric’s phase-change properties, consider the DC Comics’ Metamorpho. This superhero could — poof! — suddenly phase-change his solid body into a gas. Or, when he needed it, become a liquid.
Metamorpho is fictional. But phase-change is very real. Water goes through a phase-change when it freezes or evaporates. In each case, it’s the same molecule — just in different chemical phases. The removal or addition of heat triggers the change between phases. Imagine ice cubes melting into a glass of water. The ice absorbs the water’s heat. That warms up the ice, but cools down the water.
The new fabric’s polymer will change its shape at different temperatures. That’s the phase-change part. In the non-crystal phase, “the polymer chains can move around each other,” notes Emily Pentzer, who did not take part in the new work. This polymer re-crystallizes again as it cools, the polymer scientist explains. Pentzer works at Texas A&M University in College Station.
The Chinese team 3-D printed its fabric using an “ink” made from a mix of the new polymer and carbon nanotubes.  As their name implies, each of those tubes was only a few billionths of a meter in length. X-ray diffraction — an imaging tool that reveals the arrangement of individual molecules — shows that the polymers change from their messy non-crystal phase at warm temperatures to an orderly crystal phase when they’re cooler. This phase changes occur between 40º and 55º Celsius (104º and 131º Fahrenheit). Changing the polymer’s chemical recipe could allow it to change phases at different temperatures.
The new fabric performed well, Zhang says — better than his team had expected. Even after being folded 2,000 times, it worked as it was designed to do. But Granados-Focil at Clark University points out that the team never made a side-by-side comparison of the fabric’s durability with and without its phase-change component. He’d like to see such a comparison.
The Chinese team added nanotubes to the fabric to help it conduct electricity. Nanotubes also speed up the cloth’s ability to move heat around, Zhang explains. An added benefit, he notes: The tiny tubes add “radiation resistance.”
Here, Granados-Focil explains, “They’re talking about radio waves … Wi-Fi connections, that kind of radiation.” If used to encase a smartphone, he says, others “can’t access the information.” But that trait also confuses him. Considering the fabric’s electrical conductivity, he wonders: “In what scenario would you need to combine those two?”
“But being able to absorb all that radiation and not to seem hotter or colder than the environment around you,” he notes — “that could give you some camouflage property.” This attribute might add appeal for military or defense-type applications.
Byron Jones believes ordinary fashion designers would have little need or interest in such applications. A mechanical engineer, Jones works at Kansas State University in Manhattan. But years ago, he worked with companies that actually tried developing phase-change fabrics for everyday use. “My personal opinion,” he says, “is that phase-change materials in everyday clothing is more about marketing hype than it is about useful impact.”
Here’s the problem, Jones says. Your phase-change jacket absorbs heat as you get hot, then releases it as you cool off. You hope it will keep you comfortable. But it can’t absorb all your heat. Still, absorbing even 10 percent should keep you modestly comfy. And if you walk around for about 10 minutes in that jacket, 10 percent of the heat you give off over that time would come to about 72,000 joules. (Joule is a unit of energy.) For comparison, a regular light bulb emits about 60 joules per second.
According to the team’s data, each gram of their fabric absorbs 65 joules. Not 65 joules per second. It’s 65 joules once, during the phase-change. Afterwards, the polymer stops storing heat. So to absorb 72,000 joules, Jones explains, your jacket must have 1,100 grams — or 2.4 pounds — of the phase-change fabric. And that’s like carrying around two and a half cans of condensed soup. He concludes, “No matter how you hype it, you can’t get around these physics.” So it might work for a jacket, but hardly a tee-shirt.
Jones does see some possible uses, however. It might prove useful in a situation where you only need “a few minutes” of heating or cooling capacity. “Then you go back into an environment where the phase-change material is recharged” — returned to its heat-absorbing or heat-shedding state.
Granados-Focil agrees. “This electrical conductivity business — it’s interesting,” he says. For example, in gloves, it should mean you can operate touchscreens. And it might let you touch something really hot or cold for 30 seconds, without needing clunky gloves.
This technology “isn’t going to change all of our sweaters tomorrow,” Granados-Focil concludes. But for niche-type applications, he says “it could be interesting.

Pages: 1 [2] 3 4 ... 10