Recent Posts

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10
There is no productive way to cope with the sting of remorse. As difficult as it may seem, giving up guilt and shame is an essential part of moving beyond a wrong or embarrassing situation.

You make yourself feel worthless by your actions. You are apprehensive about taking healthy risks. You're on the verge of giving up. You don't strive to improve things because you don't believe you deserve to improve them. Even if one cannot change how one reacts to other situations, we can always change our own viewpoint. Finally here to forgive yourself - or at least try.

Let's find below some tips for learning to forgive yourself from the heart:

1. Remember that it is okay to feel guilty

The simple phrase feel terrible is one of the most popular ways to convey feeling guilty: I felt horrible because I knew I'd let them down. People might feel guilty for a number of reasons, including acts they have performed (or believe they have committed), failures to accomplish what they should have done, or morally incorrect ideas.

Once you've accepted that feeling guilty about accomplishment is entirely natural and appropriate, and you've allowed yourself to feel it, it's time to work through it. Journaling about your feelings might be a good approach to getting through them.

"Every emotion we have serves a purpose," says LCSW Jenny Scott regarding learning to forgive yourself. Happiness tells us something is going well and encourages us to connect with others. Grief tells us that we have lost something. It is the same with guilt. "

2. Mistakes help us transform advanced people

When we learn to feel guilty feelings as a way of getting information, we are already healing from our mistakes. "Guilt allows us to know that our actions or behaviors are in conflict with our values ​​and beliefs," says Scott regarding the importance of learning to forgive yourself. "It also helps us recover damages that can be sustained thanks to an accident or an accident"

3. Understand the difference between guilt and shame

“Feeling of guilt serves a purpose. Don't be shy, "said Scott. With guilt, you know exactly what you did wrong, why you made a mistake, and how you can repair the situation.

There is nothing left to do. The shame is a bit tactical. With shame, you may feel that you are the ultimate. Staying down and there is no way to rise, which is not a helpful way to heal, he says.

4. You admit to the rumble

Everyone fights to admit that they have done something bad, but denial is how people get into deeper problems. You can blame the training fatigue or forget your mother-in-law's birthday because you were "so busy" only.

5. Own your mistakes

"Often, we use denial as a way to protect ourselves from the negative emotions of shame and guilt," Scott says. "And it might be more convenient to believe that we didn't do anything wrong, but the situation never helps. Ignoring a problem does not remove it ”

The worst thing you can do is become trapped in a mistake and then regret it for the rest of your life. You should never become trapped in a certain stage of your life, attempt, or activity. Consider errors to be the place where you go every day for your singing lessons. You go there, study, and then return home, but one thing that everyone takes away from the class is lessons, and the same can be said about your flaws.

6. Apologize to anyone who may hurt you

Of course, your first incentive is to correct a relationship or belief that may have been violated. The only way to do it right is to take the complete step in your guilt and admit the guilt. It is a good reflection of learning to forgive yourself.

Clinical psychologist and author of How to Be Yourself, Dr. Ellen Hendrickson says: "Apologize sincerely and do your best to correct any outstanding mistakes: calm down your inner critic and raise social concerns. Be sure to listen and open. Stress now or don't ask for forgiveness from them or even ever.

You can't control when or if someone else forgives you. But if you do your best to make amends, you can move forward. If they ask that person, give them space.

7. Give yourself more space

Imagine what forgiveness would look like. One of the things we can do is look at the scene in which we have been forgiven. How does your body look when emotions arise? What steps will you take? A clear idea of ​​how you will feel forgiveness inside and out can help you to achieve true self-forgiveness.

Some individuals struggle with self-forgiveness because they refuse to allow it and prefer to suffer in guilt. They can take it to mean that they're being forgiven and that they'll be able to do more harmful things in the future. Narcissists and idealists do not forgive themselves because they refuse to recognize they have made errors.

It's important to remember that it's normal to feel guilty. However, there is a distinction to be made between guilt and shame. Recognize that you made a mistake. Please apologize to everyone you may have offended. Make a letter of apology to yourself. Take mental and physical care of oneself. Patience is required. Don't attempt to persuade them to change.

Blue ocean strategy shift: A five-step process

1. To choose the appropriate platform to initiate and develop the perfect Blue Ocean team for the idea.

2. To get a clear picture of the existing situation of the operation.

3. To unleash the hidden pain facts that limit the existing size of the industry and discover an ocean of non-clients.

4. To reconstruct market lengths and develop alternative Blue Ocean opportunities in a systematic and confidential way.

5. To select the exact Blue Ocean to move, conduct the fastest market analysis, finalize, and launch the shift as soon as possible.

Islam / সত্য বললে লাভ কী?
« Last post by Badshah Mamun on April 30, 2022, 09:03:01 AM »
সত্য বললে লাভ কী?

সত্যবাদিতা মুমিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আপনি যদি একজন নিয়মিত মিথ্যাবাদী হন, তাহলে আপনি মুমিন হতে পারবেন না। একজন মুমিন কখনো অনবরত মিথ্যা বলতে পারে না। সূরা আহযাবে আল্লাহ জান্নাতবাসীদের কিছু গুণের কথা উল্লেখ করেন। সেই গুণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সত্যবাদিতা।
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:

“নিশ্চয়ই মুসলিম পুরুষ ও নারী, মুমিন পুরুষ ও নারী, অনুগত পুরুষ ও নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও নারী, বিনয়াবনত পুরুষ ও নারী, দানশীল পুরুষ ও নারী, রোজাদার পুরুষ ও নারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী পুরুষ ও নারী, আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও নারী; তাদের জন্য আল্লাহ মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান (জান্নাত) প্রস্তুত করে রেখেছেন।” [সূরা আহযাব ৩৩: ৩৫]
আপনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে কিয়ামতের দিন সত্যবাদিতা আপনার কাজে আসবে। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“এটা হলো সেই দিন, যেদিন সত্যবাদীগণকে তাদের সততা উপকার করবে।” [সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ১১৯]
আপনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে আপনার সততার জন্য আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করবেন।
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“আল্লাহ সত্যবাদীদেরকে তাদের সততার জন্য পুরস্কৃত করতে পারেন।” [সূরা আহযাব ৩৩: ২৪]
আল্লাহ যেমন আমাদেরকে সত্য বলার নির্দেশ দেন, সত্য বলায় উৎসাহিত করেন, তেমনি আমাদের বন্ধু কারা হবে তাদের সম্পর্কেও বলেন। আমরা যেন মিথ্যাবাদীদেরকে বন্ধু হিশেবে গ্রহণ না করি সে ব্যাপারে তিনি সতর্ক করে বলেন:

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।” [সূরা তাওবা ৯: ১১৯]
আমরা যদি মিথ্যাবাদীদেরকে বন্ধু হিশেবে গ্রহণ করি, তাদের সাথে থাকতে থাকতে একসময় আমরাও মিথ্যা বলা শুরু করবো। এজন্য আমাদের বন্ধু কারা সেটা যাচাই করতে হবে। যদি দেখা যায় আমাদের বন্ধুরা অনবরত মিথ্যা বলে, তাহলে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“সত্য নেকির দিকে পরিচালিত করে আর নেকি জান্নাতে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের ওপর কায়িম থেকে অবশেষে ‘সিদ্দীক’ –এর দরজা লাভ করে। মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন হয়।” [সহীহ বুখারী: ৬০৯৪]
দেখুন, সত্যের পথ জান্নাতে, মিথ্যার পথ জাহান্নামে। আপনি অনবরত মিথ্যা বলা শুরু করলে মিথ্যা বলা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
জাফর ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নাজ্জাশীর সামনে ইসলামের বার্তা তুলে ধরেন। জাফর ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের বার্তা পাঁচটি পয়েন্টে উল্লেখ করেন। তারমধ্যে একটি ছিলো-

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সত্য বলতে নির্দেশ দেন।”

সুতরাং, এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, আমাদেরকে অবশ্যই সত্য বলতে হবে। কোনো কিছু বলার আগে সেটা যাচাই করে নিতে হবে। তবে, তিনটি ক্ষেত্রে কথা বলার সময় আমাদেরকে অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সেসব ক্ষেত্রে আমরা সত্য কথা বলছি।
১। যখন আমার দ্বীনের ব্যাপারে কথা বলবো
যখন আমরা ইসলাম নিয়ে কোনো কথা বলবো, তখন ১০০% নিশ্চিত হয়ে বলতে হবে। ইসলাম নিয়ে কোনো মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। কোনো বিষয়ে যদি আমাদের জানা না থাকে, তাহলে আমরা স্বীকার করবো যে- আমরা জানি না। কিন্তু, না জেনে কিছু বলবো না।

আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার ওপর নির্ভর করে বলো না যে, এটা হালাল এবং এটা হারাম। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে, তারা সফলকাম হবে না।” [সূরা আন-নাহল ১৬: ১১৬]
আল্লাহ এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে কোনো কিছু বলতে হলে জেনেশুনে বলতে হবে। নিজের মনগড়া কোনো কথা বলা যাবে না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“তোমরা আমার ওপর মিথ্যারোপ করো না। কারণ, আমার ওপর যে মিথ্যারোপ করবে, সে জাহান্নামে যাবে।” [সহীহ বুখারী: ১০৬]
আমরা যদি বলি ‘এটা রাসূলুল্লাহ বলেছেন’ বা ‘এটা হাদীসে আছে’ তাহলে নিশ্চিত হয়ে বলতে হবে। নিজেদের বানানো কোনো কথাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে চালিয়ে দেয়া যাবে না। যারা এমন করে, তাদের স্থান জাহান্নামে।
২। আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বলা
এমনিতে তো মিথ্যা বলা গুনাহের কাজ, আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বলা তারচেয়ে বেশি ভয়ানক। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় বলেন ‘আল্লাহর কসম!’ বা ‘ওয়াল্লাহি’, তারপর যদি মিথ্যা বলেন তাহলে আপনার অনেক বেশি গুনাহ হবে। বিশেষ করে আদালতে সাক্ষ্য দেবার সময়।
৩। ব্যবসা করতে গিয়ে মিথ্যা বলা
ব্যবসায়ীরা মুনাফার্জনের জন্য অনেক সময় মিথ্যার আশ্রয় নেয়। তারা বলে, ‘পণ্যটি আমি ১০০০ টাকা দিয়ে কিনেছি, আপনাকে কেনা দামে বিক্রি করছি’। আসলে দেখা যায় তারা পণ্যটি কিনেছে ৭০০ টাকা দিয়ে, ৩০০ টাকা লাভে বিক্রি করছে। সে মনে করে মিথ্যা বলার কারণে তার ৩০০ টাকা লাভ হয়েছে। আসলে মিথ্যা বলার কারণে তার ব্যবসায় বরকত কমে গিয়েছে সেটা সে বুঝতে পারছে না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“ক্রেতা-বিক্রেতা যদি সত্য বলে এবং পণ্যের অবস্থা ব্যক্ত করে, তবে তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত হবে। আর যদি মিথ্যা বলে এবং দোষ গোপন করে, তবে তদের ক্রয়-বিক্রয়ের বরকত মুছে ফেলা হবে।” [সহীহ বুখারী: ২০৭৯]
আপনি সততার সাথে ব্যবসা করলে ব্যবসায় যেমন লাভ হবে, তেমনি আল্লাহ সেই ব্যবসায় বরকত দান করবেন। আর মিথ্যাকে পুঁজি করে ব্যবসা করলে মানুষজন একসময় না একসময় আপনার প্রতারণা ধরে ফেলবে। আপনি দুনিয়াতে অপদস্থ হবেন, আখিরাতেও।
তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদেরকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। ইসলাম সেসব ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নেয়াকে অনুমতি দিয়েছে। যেমন: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। স্বামী স্ত্রীকে এমন একটি কথা বললো, যেটা আসলে সত্য নয়, তবে কথাটি তাদের মধ্যকার বন্ধন বাড়াবে। এসব ক্ষেত্রে এমন মিথ্যা কথা ইসলাম সমর্থন করে।
যেমন: স্বামী স্ত্রীকে বললো, ‘তোমার হাতের বিরিয়ানী পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু বিরিয়ানী, তুমি যে গরুর মাংস রান্না করো, আমি পৃথিবীর কোথাও এমন খাবার খাইনি’।
একটি সুন্দর মুহূর্তে স্বামী স্ত্রীকে বললো ‘তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে’।
এসব মিথ্যাকে ইসলাম ‘মিথ্যা’ বলে মনে করে না। স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনের জন্য প্রয়োজনে এমন মিথ্যা বলাকে ইসলাম অনুমতি দেয়। আপনি আপনার ছোট্ট ছেলে-মেয়ের প্রশংসা করেও এমন কিছু বলতে পারেন।
দুজন মানুষের মধ্যে যদি মন কষাকষি হয়, তাদেরকে একত্র করতে প্রয়োজনে মিথ্যা বলতে পারেন। যেমন: একজনকে বলতে পারেন, অমুক তো তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে অনুতপ্ত, সে আমাকে বললো তোমার সাথে কথা বলতে চায়। আবার, অন্যজনকে গিয়ে বলুন, অমুক সেদিন যেমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, এটার জন্য পরে কষ্ট পেয়েছে। সে চাচ্ছে তোমার সাথে কথা বলতে। আসো, তার সাথে গিয়ে কথা বলি।
এসব ক্ষেত্রে মিথ্যা বলতে অসুবিধা নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি ক্ষেত্রে মিথ্যা বলাকে অনুমোদন দিয়েছেন। সেগুলো হলো:

১. একজনের সাথে আরেকজনের মন কষাকষি মিটিয়ে দেবার সময়
২. যুদ্ধের সময়
৩. স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক মজবুত করতে মিথ্যার আশ্রয় নিলে। [মুসনাদে আহমাদ: ২৬৭৩১]
এখন প্রশ্ন হলো, সত্য বললে লাভ কী?

আপনি যখন সত্য বলবেন, সেই সত্য বলার মাধ্যমে নেকি অর্জন করবেন। আপনি যখন কিছু লিখবেন, সেটা যদি সঠিক হয় তাহলে আপনি নেকি অর্জন করবেন। আপনি সত্য বললে আপাতত আপনার কোনো ক্ষতি হলেও দীর্ঘকালীন এর সুবিধা ভোগ করবেন।
কা’ব ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনা এখানে উল্লেখযোগ্য। তাবুক যুদ্ধে না যাবার অজুহাত দেখাতে কেউ কেউ যখন মিথ্যার আশ্রয় নেবার সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তখন সত্যের ওপর অটল থাকেন। মিথ্যা বলায় অনেকের অজুহাত গ্রহণ করা হয়েছিলো, সত্য বলায় তিনি আপাতত বিপদে পড়েছিলেন। কিন্তু, পরবর্তীতে তাঁর এই সত্যবাদিতা তাঁকে পুরস্কৃত করে। আল্লাহ তাঁর ঘটনা উল্লেখ করে পবিত্র কুরআনে কয়েকটি আয়াত নাযিল করেন। [সহীহ বুখারী: ৪৪১৮]
আপনি যখন মনে করবেন আল্লাহ আপনাকে দেখছেন, তিনি আপনাকে শুনছেন, তখন আপনি সত্য বলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন আর কেউ জানুক বা না জানুক, আল্লাহ জানেন প্রকৃত ঘটনা কী। আপনাকে আল্লাহ দেখছেন, ফেরেশতারা পর্যবেক্ষণ করছেন। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর ভয়ে আপনি মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না। জীবনের যে পরিস্থিতি আসুক না কেনো।
আপনি যদি জান্নাতে যেতে চান, আল্লাহর প্রিয়ভাজন হতে চান, তাহলে সত্য কথা বলুন। কেননা, সত্যবাদীদের স্থান জান্নাতে, মিথ্যবাদীদের স্থান জাহান্নামে।
লেখাঃ ইয়াসির ক্বাদি (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
আপনি থিসিস করেন কিংবা গবেষণা আর্টিকেল লিখেন, সাধারণত এই অংশগুলো থাকে -
1. Title
2. Abstract
3. Introduction
4. Literature Review
5. Conceptual and Theoretical framework
6. Methodology
7. Results/Findings & Discussion
8. Conclusion
9. Reference
টাইটেল,অ্যাবস্ট্রাক্ট, মেথডোলজি এবং কনক্লিউশন; এগুলো মোটামুটি ছোট অংশ। এগুলো লেখার জন্য কোন সফটওয়্যার প্রয়োজন নেই । আপনার হাতে যদি সিমিলার কয়েকটি থিসিস থাকে,তাহলে সে নমুনাগুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই এই অংশগুলো লিখে ফেলতে পারবেন।
তবে এই অংশগুলোসহ গবেষণায় প্রত্যেকটি অংশে , কিছু টুলসের প্রয়োজন হয়, সেগুলো সম্পর্কে লিখছি।
▪️𝟭. 𝗚𝗿𝗮𝗺𝗺𝗮𝗿 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-
ইংরেজি যেহেতু আমাদের মাতৃভাষা না । তাই আমাদের লেখার মধ্যে ব্যাকরণগত এবং ভাষাগত অনেক ভুল থাকতে পারে । আপনি চাইলে সহজেই এখান থেকে ঠিক করে নিতে পারেন । সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে চাইলে প্রিমিয়াম ভার্শন কিনতে পারেন ।
▪️𝟮. 𝗣𝗮𝗿𝗮𝗽𝗵𝗿𝗮𝘀𝗶𝗻𝗴 𝗮𝗻𝗱 𝗪𝗿𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝘁𝗼𝗼𝗹𝘀-
(Quillbot*/Word Ai/Ref-n-Write/Pro Writing Aid)
ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি Quilbot,Word Ai খুবই ভালো । তবে Ref-n-Write/Pro Writing Aid খুবই অ্যাডভান্স।Quilbot এর বিনামূল্য ভার্শন আপনাকে যথেষ্ট সাহায্য করবে। অন্য টুলসগুলো আপনাকে নামমাত্র মূল্যে কিনে নিতে হবে ।
▪️𝟯. 𝗘𝗱𝗶𝘁𝗶𝗻𝗴 𝗧𝗲𝘅𝘁 𝗦𝗼𝗳𝘁𝘄𝗮𝗿𝗲-
(Word*, OpenOffice, LaTeX*), Scrivener...)
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর কাজ খুব ভালোমতো জানা থাকলে বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও হবে । তবে বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ল্যাটেক্স শেখা যেতে পারে । আমি গবেষণার দুটি সফটওয়্যার শিখে সবচেয়ে বেশি আনন্দলাভ করেছিলাম , তার মধ্যে একটি হলো লাটেক্স । জার্নাল অনুযায়ী লেখা সাজানো , অটোমেটিক সূচিপত্র বানানো, ইত্যাদি সুবিধা পাওয়া যাবে ।
▪️𝟰. 𝗖𝗼𝗻𝗰𝗲𝗽𝘁𝘂𝗮𝗹 𝗮𝗻𝗱 𝗧𝗵𝗲𝗼𝗿𝗲𝘁𝗶𝗰𝗮𝗹 𝗙𝗿𝗮𝗺𝗲𝘄𝗼𝗿𝗸-
(*, creatly*, Canva)
এই অংশগুলোতে অনেক সময় ডায়াগ্রাম বা চিত্র আঁকতে হয় । মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডে যদিও চিত্র অঙ্কন করা যায় , তবে সেটি সুন্দর হয়না । আপনারা চাইলে, creatly, Canva এই ওয়েবসাইট গুলো থেকে মুহূর্তেই কাঙ্খিত ডায়াগ্রাম তৈরি করে নিতে পারবেন ।
 ▪️𝟱. 𝗥𝗲𝘀𝘂𝗹𝘁𝘀/𝗙𝗶𝗻𝗱𝗶𝗻𝗴𝘀 & 𝗗𝗶𝘀𝗰𝘂𝘀𝘀𝗶𝗼𝗻
এই অংশকে কোয়ালিটিভ এবং কোয়ান্টিটিভ দুটি ভাগে ভাগ করে বোঝালে সহজ হবে ।
 🔸Quantative Analysis
(SPSS*, STATA, R, ...)
SPSS এর কাজ ভালোমতো জানলে সোশ্যাল সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডে শিক্ষার্থীদের বাকি সফটওয়ারগুলো না শিখলেও মোটামুটি চলে । R শিখতে পারেন , অ্যাডভান্স এনালাইসিস করতে পারবেন । পাশাপাশি খুব সুন্দর সুন্দর ফিগার বের করতে পারবেন ।
 🔸Qualitative research software
এতগুলা সফটওয়্যার দেখে মোটেও ঘাবড়ে যাবেন না । গুণগত গবেষণা করার ক্ষেত্রে সাধারণতঃ সফটওয়্যার না হলেও চলে বা এক্সেল ব্যবহার করেই থিমেটিক এনালাইসিস করে ফেলা যায় । ব্যক্তিগতভাবে আমি এই দুটি সফট্ওয়ারে Quirkos,MAXQDA এর কথা বলবো । আপনারা চাইলে দেখে নিতে পারেন শিখে নিতে পারেন ।
 ▪️𝟲. 𝗤𝘂𝗲𝘀𝘁𝗶𝗼𝗻𝗻𝗮𝗶𝗿𝗲 𝗦𝘂𝗿𝘃𝗲𝘆-
(Kobo toolbox*,Google form*)
Kobo toolbox খুবই স্মার্ট একটি টুলস । রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ পেতে হলে এই টুলস এর কাজ জানা আবশ্যক ।
 ▪️𝟳. 𝗣𝗹𝗮𝗴𝗶𝗮𝗿𝗶𝘀𝗺 𝗖𝗵𝗲𝗰𝗸𝗲𝗿-
(Turnitin*, Viper,I-thenticate, Checker X*)
DupliChecker, Paperrater, Plagiarisma, Search Engine Reports, PlagTracker, Plagium, CopyLeaks, Ephorus, Quetext অনেকেই এসব সোর্স থেকে প্লেজারিজম চেক করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন । কিন্তু একাডেমিক লেখায় এই টুলসগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। অনলি Turnitin ইজ বস ।
 ▪️𝟴. 𝗕𝗶𝗯𝗹𝗶𝗼𝗴𝗿𝗮𝗽𝗵𝘆 𝗠𝗮𝗻𝗮𝗴𝗲𝗿-
(Zotero*, Mendeley*,EndNote, ...)
রেফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যেই রেফারেন্সিং করে ফেলা যায় । Zotero সফটওয়ারটি শেখা আমার জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে আমি মনে করি । এমনকি আমার চলমান ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই সফটওয়্যারটি খুব পছন্দ করেছে ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে হলে এই সফটওয়্যার গুলো শেখা অত্যন্ত দরকার । Zotero এবং Mendeley আমি রেগুলার ব্যবহার করি।

Source- Morshed Alam
Imagine if the same jacket that warms you up on chilly days would also cool you down on hot ones. Fabrics with “phase-change” properties can do that. And a research team from China now shows that 3-D printing techniques can yield a strong phase-change cloth — one that hides some more tricks up its sleeve.
This new fabric not only helps regulate temperatures, but also conducts electricity. It even resists the radio waves used in Wi-Fi.“The combination of those properties is what’s very intriguing,” says Sergio Granados-Focil. He did not take part in the cloth’s development. But this polymer chemist at Clark University in Worcester, Mass., is familiar with phase-change materials.
To understand the fabric’s phase-change properties, consider the DC Comics’ Metamorpho. This superhero could — poof! — suddenly phase-change his solid body into a gas. Or, when he needed it, become a liquid.
Metamorpho is fictional. But phase-change is very real. Water goes through a phase-change when it freezes or evaporates. In each case, it’s the same molecule — just in different chemical phases. The removal or addition of heat triggers the change between phases. Imagine ice cubes melting into a glass of water. The ice absorbs the water’s heat. That warms up the ice, but cools down the water.
The new fabric’s polymer will change its shape at different temperatures. That’s the phase-change part. In the non-crystal phase, “the polymer chains can move around each other,” notes Emily Pentzer, who did not take part in the new work. This polymer re-crystallizes again as it cools, the polymer scientist explains. Pentzer works at Texas A&M University in College Station.
The Chinese team 3-D printed its fabric using an “ink” made from a mix of the new polymer and carbon nanotubes.  As their name implies, each of those tubes was only a few billionths of a meter in length. X-ray diffraction — an imaging tool that reveals the arrangement of individual molecules — shows that the polymers change from their messy non-crystal phase at warm temperatures to an orderly crystal phase when they’re cooler. This phase changes occur between 40º and 55º Celsius (104º and 131º Fahrenheit). Changing the polymer’s chemical recipe could allow it to change phases at different temperatures.
The new fabric performed well, Zhang says — better than his team had expected. Even after being folded 2,000 times, it worked as it was designed to do. But Granados-Focil at Clark University points out that the team never made a side-by-side comparison of the fabric’s durability with and without its phase-change component. He’d like to see such a comparison.
The Chinese team added nanotubes to the fabric to help it conduct electricity. Nanotubes also speed up the cloth’s ability to move heat around, Zhang explains. An added benefit, he notes: The tiny tubes add “radiation resistance.”
Here, Granados-Focil explains, “They’re talking about radio waves … Wi-Fi connections, that kind of radiation.” If used to encase a smartphone, he says, others “can’t access the information.” But that trait also confuses him. Considering the fabric’s electrical conductivity, he wonders: “In what scenario would you need to combine those two?”
“But being able to absorb all that radiation and not to seem hotter or colder than the environment around you,” he notes — “that could give you some camouflage property.” This attribute might add appeal for military or defense-type applications.
Byron Jones believes ordinary fashion designers would have little need or interest in such applications. A mechanical engineer, Jones works at Kansas State University in Manhattan. But years ago, he worked with companies that actually tried developing phase-change fabrics for everyday use. “My personal opinion,” he says, “is that phase-change materials in everyday clothing is more about marketing hype than it is about useful impact.”
Here’s the problem, Jones says. Your phase-change jacket absorbs heat as you get hot, then releases it as you cool off. You hope it will keep you comfortable. But it can’t absorb all your heat. Still, absorbing even 10 percent should keep you modestly comfy. And if you walk around for about 10 minutes in that jacket, 10 percent of the heat you give off over that time would come to about 72,000 joules. (Joule is a unit of energy.) For comparison, a regular light bulb emits about 60 joules per second.
According to the team’s data, each gram of their fabric absorbs 65 joules. Not 65 joules per second. It’s 65 joules once, during the phase-change. Afterwards, the polymer stops storing heat. So to absorb 72,000 joules, Jones explains, your jacket must have 1,100 grams — or 2.4 pounds — of the phase-change fabric. And that’s like carrying around two and a half cans of condensed soup. He concludes, “No matter how you hype it, you can’t get around these physics.” So it might work for a jacket, but hardly a tee-shirt.
Jones does see some possible uses, however. It might prove useful in a situation where you only need “a few minutes” of heating or cooling capacity. “Then you go back into an environment where the phase-change material is recharged” — returned to its heat-absorbing or heat-shedding state.
Granados-Focil agrees. “This electrical conductivity business — it’s interesting,” he says. For example, in gloves, it should mean you can operate touchscreens. And it might let you touch something really hot or cold for 30 seconds, without needing clunky gloves.
This technology “isn’t going to change all of our sweaters tomorrow,” Granados-Focil concludes. But for niche-type applications, he says “it could be interesting.

When someone pulls on a virtual reality headset, they’re ready to dive into a simulated world. They might be hanging out in VRChat or slashing beats in Beat Saber. Regardless, interacting with that world usually involves hand controllers. But new virtual reality — or VR — technology out of Australia is hands-free. Facial expressions allow users to interact with the virtual environment. This technology would allow people who can’t use handheld controllers to play virtual games.

This setup could make virtual worlds more accessible to people who can’t use their hands, says Arindam Dey. He studies human-computer interaction at the University of Queensland in Brisbane. Other hands-free VR tech has let people move through virtual worlds by using treadmills and eye-trackers. But not all people can walk on a treadmill. And most people find it a challenge to stare at one spot long enough for the VR system to register the action. Simply making faces may be an easier way for those who are disabled to navigate VR.
In the researchers’ new system, VR users wear a cap studded with sensors. Those sensors record brain activity. The sensors can also pick up facial movements that signal certain expressions. Facial data can then be used to control the user’s movement through a virtual world.

Facial expressions usually signal emotions. So Dey’s team designed three virtual environments for users to explore. An environment called “happy” required participants to catch butterflies with a virtual net. “Neutral” had them picking up items in a workshop. And in the “scary” one, they had to shoot zombies. These environments allowed the researchers to see whether situations designed to provoke certain emotions affected someone’s ability to control VR through expressions.
Eighteen young adults tested out the technology. Half of them learned to use three facial expressions to move through the virtual worlds. A smile walked them forward. A frown brought them to a stop. And to perform a task, they clenched their teeth. In the happy world, that task was swooping a net. In the neutral environment, it was picking up an item. In the scary world, it was shooting a zombie.
The other half of participants interacted with the virtual worlds using hand controllers. This was the control group. It allowed the researchers to compare use of facial expressions with the more common form of VR interaction.
Using facial expressions made participants feel more present inside the virtual worlds. But expressions were more challenging to use than hand controllers. Recordings from the sensor-laden cap showed that the brains of people using facial expressions were working harder than those who used hand controllers. But that could just be because these people were learning a new way to interact in VR. Perhaps the facial expression method would get easier with time. Importantly, virtual settings meant to trigger different emotions did not affect someone’s ability to control their VR using facial expressions.
মা–বাবার প্রতি অনুগ্রহের দৃষ্টিতেও মেলে কবুল হজের সওয়াব

মা-বাবার খেদমত অন্যতম ইবাদত। মিরাজ রজনীতে নামাজ ও রোজা ফরজ হয় এবং আল্লাহর তরফ থেকে ১৪টি সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম হলো আল্লাহর সঙ্গে শরিক না করা এবং দ্বিতীয় হলো মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ২৩)। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর সঙ্গে শরিক করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো (সুরা-৪ নিসা, আয়াত: ৩৬)।’

সারা দুনিয়ায় মাত্র তিনটি জিনিস আছে, যা দেখলে সওয়াব হয়। কাবা শরিফ, কোরআন শরিফ ও মা-বাবার চেহারা। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেন, ‘যখন কোনো সন্তান নিজের মা-বাবার প্রতি অনুগ্রহের নজরে দৃষ্টিপাত করে, আল্লাহ তায়ালা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে একটি করে কবুল হজের সওয়াব দান করেন (বায়হাকি)।’

‘আর আমি নির্দেশ দিয়েছি মানুষকে তার মা-বাবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার (সুরা-৪৬ আহকাফ, আয়াত: ১৫)।’ ‘আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছি, তুমি আমার এবং তোমার মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে (সুরা-৩১ লুকমান, আয়াত: ১৪)।’

রমজানে ইবাদত–বন্দেগির মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে জাহান্নাম থেকে নাজাত বা মুক্তি লাভ করে। মা-বাবার খেদমতের মাধ্যমে মানুষ জান্নাত লাভ করে। রমজান যেমন নাজাতের মাধ্যম, মা-বাবাও তেমনি জান্নাতের বাহন। যে মা-বাবার খেদমত থেকে বঞ্চিত হলো, সে আল্লাহ তাআলার রহমত থেকে বঞ্চিত হলো। আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে বলেন, ‘তোমার রব এ ফয়সালা দিয়েছেন, আল্লাহ ছাড়া কারও ইবাদত করবে না এবং মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে। তাদের কোনো একজন বা উভয়জন যদি বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে (বিরক্তিতে) তাদের “উফ” বা “উহ” শব্দটি বলবে না এবং তাদের ধমক দেবে না; বরং তাদের সঙ্গে স্নেহসিক্ত কথা বলো। তাদের জন্য দয়ার্দ্রতা ও বিনয়ে হাত বাড়িয়ে দাও, আর বলো, “হে আমার প্রতিপালক! আপনি তাঁদের প্রতি দয়া করুন, যেভাবে শৈশবে তাঁরা আমাকে প্রতিপালন করেছেন (সুরা-১৭ বনি ইসরাইল, আয়াত: ২৪)।’”

মা-বাবার খেদমত না করা সন্তানদের প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.) অভিসম্পাত করেছেন। হাদিস শরিফে এসেছে: একদা জুমার দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.) মিম্বারের প্রথম ধাপে পা রেখে বললেন, ‘আমিন!’ অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে পা রাখলেন, বললেন, ‘আমিন!’ তারপর তৃতীয় ধাপে পা রাখলেন এবং বললেন, ‘আমিন!’ এরপর খুতবা দিলেন ও নামাজ আদায় করলেন। নামাজ শেষে সাহাবায়ে কিরাম প্রশ্ন করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আজ যা দেখলাম, তা ইতিপূর্বে কখনো দেখিনি; এটা কি কোনো নতুন নিয়ম নাকি?’ নবী কারিম (সা.) বললেন, ‘না, এটা নতুন কোনো নিয়ম নয়; বরং আমি মিম্বারে ওঠার সময় হজরত জিবরাইল (আ.) এলেন। আমি যখন মিম্বারের প্রথম ধাপে পা রাখি, তখন তিনি বললেন, “আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যারা মা-বাবা উভয়কে বা একজনকে বার্ধক্য অবস্থায় পেয়েও তাদের খেদমতের মাধ্যমে জান্নাত অর্জন করতে পারল না, তারা ধ্বংস হোক।” তখন আমি (রাসুলুল্লাহ সা.) সম্মতি জানিয়ে বললাম, আমিন! (তা-ই হোক)। যখন দ্বিতীয় ধাপে পা রাখি, তখন তিনি বললেন, “আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যারা রমজান পেল, কিন্তু ইবাদতের মাধ্যমে তাদের গুনাহ মাফ করাতে পারল না, তারা ধ্বংস হোক।” তখন আমি বললাম, আমিন! আমি যখন মিম্বারের তৃতীয় ধাপে পা রাখি, তখন তিনি বললেন, “আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যারা আপনার পবিত্র নাম মোবারক (মুহাম্মদ সা.) শুনল, কিন্তু দরুদ শরিফ পাঠ করল না, তারা ধ্বংস হোক।” তখন আমি সম্মতি জানিয়ে বললাম, আমিন!’ (মুসলিম শরিফ)।’

সারা দুনিয়ায় মাত্র তিনটি জিনিস আছে, যা দেখলে সওয়াব হয়। কাবা শরিফ, কোরআন শরিফ ও মা-বাবার চেহারা। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেন, ‘যখন কোনো সন্তান নিজের মা-বাবার প্রতি অনুগ্রহের নজরে দৃষ্টিপাত করে, আল্লাহ তায়ালা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে একটি করে কবুল হজের সওয়াব দান করেন (বায়হাকি)।’

সাহাবিরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)! মা-বাবা ইন্তেকালের পরও কি তাঁদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহারের কোনো কিছু দায়িত্ব অবশিষ্ট আছে?’ তখন নবী কারিম (সা.) বললেন, ‘হ্যাঁ, আছে। তা হলো তাঁদের জন্য দোয়া করা, তঁাদের গুনাহের জন্য তওবা ইস্তিগফার করা, তঁাদের শরিয়তসম্মত অসিয়তগুলো আদায় করা, তাঁদের আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, তঁাদের বন্ধুবান্ধবের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। এগুলো মা-বাবার মৃত্যুর পরও তাঁদের সঙ্গে উত্তম আচরণের শামিল (আবু দাউদ)।’ অন্য হাদিসে আছে, ‘বাবার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি, বাবার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি (তিরমিজি)।’

Source: Prothom Alo

● মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী

যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি; সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম
Technology / The tech bubble that never burst
« Last post by Badshah Mamun on April 24, 2022, 11:51:25 AM »
The tech bubble that never burst

At conferences, they buzz about falling valuations for startups. On CNBC, they bemoan the sudden lack of initial public offerings. On Twitter, they warn of a coming downturn.

It is a familiar refrain. For the past decade, such warnings have cropped up repeatedly in startup land. The industry is in another bubble, investors and commentators caution, conjuring the 1999 dot-com era and the dramatic collapse and recession that followed. Jobs disappeared, fortunes vaporised, and reputations were tarnished.

The message since has carried those scars: The boom times are ending. Buckle in for a rough ride.

Yet every time, more money has flooded into startups. Instead of a collapse, things got bubblier.

It started in 2011, when a tiny, elite group of startups attained “unicorn” status, with valuations of $1 billion or more.

Investors poured billions into startups each month, and hyped-up initial public offerings from LinkedIn, Pandora, Zynga and Groupon fueled fears of a bubble.

Facebook went public in May 2012 with the largest-ever tech IPO in the United States. Many viewed its valuation — more than $100 billion for a startup with less than $4 billion in revenue — as a sign that tech valuations had ballooned out of control.

The bubble they had warned of never burst.

Things sure felt bubbly. Engineers were demanding Tesla sports cars just for showing up to work, Business Insider presented as evidence.

By 2014, the number of unicorns around the world topped 90.

Startup investing rewards risk taking. Many of the most audacious, irrational investors have won by doubling down in a market frenzy. The cautious ones, trifling over such small-minded concerns as high prices or cash burn? Less so.

Suddenly Uber — a little taxi app — was worth $51 billion. More than American Airlines or FedEx, which actually turned profits. Investors blasted the alarm even louder.

The warnings were not all wrong — a few unicorns did perish. (Remember and Jawbone?)

But for every flameout, there were many more new ideas to back. New sources of capital — including private equity, mutual funds and sovereign wealth funds — began chasing unicorn investments. In May 2016, they poured $14.2 billion into more than 800 deals, the highest amount of the decade so far.

Just in case the warnings were right, some investors lowered the valuations of their biggest investments, briefly cooling the unicorn frenzy. There was talk of onerous funding terms and startup layoffs.

Then Masayoshi Son, SoftBank CEO, arrived. The brazen investor dumped $100 billion into Silicon Valley startups — dwarfing the rest of the venture capital market — at a pace that averaged $100 million a day. Reuters called him a “one-man bubble maker.” Executives joked nervously about Son’s “capital cannon.” Venture capital firms raised bigger funds to keep up.

High valuations and obscene spending became the norm. Startups prized growth over profits. Investors gave up on their bubble talk. Fear went out the window. Everyone decided to enjoy the party.

Venture funding soared, topping $26.9 billion in December and hitting a new yearly high of $143 billion. The unicorn count jumped to 348, according to PitchBook, which tracks the venture industry.

In the lead-up to its IPO, WeWork imploded. It was the kind of spectacular, embarrassing, humbling disaster that many thought would have ripple effects for years to come.

In boardrooms, investors murmured that this was really, truly, finally the end. On conference stages, startup founders promised to “pivot to profits.”

Then the pandemic hit. Prepare for tough times ahead, venture firms declared. For real this time.

That lasted barely a few weeks. Startups flourished in the pandemic and funding soared to new heights. IPOs roared back. So, naturally, did the bubble talk.

More than 500 startups around the world topped $1 billion valuations. Those in the U.S. raised $164 billion in 2020, setting yet another record.

Meme stocks! Crypto! NFTs! SPACs! The Federal Reserve was printing money, interest rates were low, vaccines were available, and the world was set to reopen. By 2021, economists began predicting a new Roaring '20s led by tech prosperity.

Yeah, it’s probably a bubble, investors shrugged. But YOLO, amirite?

This year, fear crept in again, as interest rates were set to rise, inflation surged, and war broke out. Soon, tech stocks tanked. Initial public offerings screeched to a halt. Startup investments fell.

A sense of caution returned. Was the bubble finally, really, truly bursting?

Today’s warnings are different from those of the last decade. Investors tiptoe around the word “bubble,” referring instead to a “recalibration,” a “pullback” or even a gentle “softening.” The people who once called for caution grew tired of being wrong, and their audiences became numb to the warnings. Every time the alarm bells rang, more money poured into startups.

“This time is different” used to be a morbid joke among investors; now people believe it. Tech is too enmeshed in our lives, the thinking goes, and the dot-com bubble is too far in the rear view. This decadelong startup boom has surged in the face of so many scares, each time amassing even more money and power. Maybe it really is different this time.

Some investors believe market euphorias are a good — even necessary — thing for progress. Without all that attention and excitement, how can a startup founder convince workers and investors to help turn their crazy moonshot ideas into reality? Sure, most of the people who flock to a bubble are in it for the money. And yes, things can get messy. But underneath, it’s all moving forward. Out of the dot-com ashes, techies like to remind us, grew Amazon, PayPal and eBay.

Even as the biggest factor driving investors to high-growth startups over the last decade — low interest rates — begin to change, even as economists worry about an impending recession and even as startups lower their valuations or suddenly run out of cash, few today are predicting a total collapse.

A decade of talking about a bubble that never burst will do that.

©2022 The New York Times Company

দাঁড়িয়ে পানি পানে যেসব ক্ষতি হয়

দেহের কোষ, কলা বা টিস্যু, বিভিন্ন অঙ্গ তথা মস্তিষ্ক, কিডনী, পাকস্থলী, ত্বক, চুল ইত্যাদির যথাযথ কার্যকারীতার জন্য পানি অত্যাবশ্যকীয়। শরীরের সকল প্রকার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা প্রয়োজন। কিন্তু অনেক সময় ভুল নিয়মে পানি পান করে নিজেকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেই আমরা। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা।

চলুন জেনে নেই দাঁড়িয়ে পানি পানের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে-

১. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে আঘাত করে। স্টমাক থেকে নিঃসৃত অ্যাসিডের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বদহজমের আশঙ্কা বাড়ে। তলপেটে যন্ত্রণাসহ একাধিক সমস্যা তৈরি হয়।
২. দাঁড়িয়ে পানি পান করা হলে তা দ্রুত কোলন বা মলাশয়ে চলে যায়। ফলে পানির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপকরণ শরীরে শোষিত হয় না।

৩. গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা G.E.R.D দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা সরাসরি ইসোফেগাসে গিয়ে ধাক্কা মারে। এরফলে পাকস্থলীর ভেতরের সরু নালিটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার ফলে গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা G.E.R.D এর মতো রোগ শরীরে বাসা বাঁধে।

৪. পানি পান করার পরেই ছাঁকনিগুলো শরীর পরিশ্রুত করার কাজ শুরু করে দেয়। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে শরীরের অন্দরে থাকা ছাঁকনিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। পরিশ্রুত করার কাজ বাধা পায়। শরীরে টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকে।

৫. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে নার্ভ উত্তেজিত হয়ে যায়, উদ্বেগ বাড়তে থাকে।

৬. কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দাঁড়িয়ে পানি পান করলে। এতে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে। কিডনি ড্যামেজের আশঙ্কা থাকে।

Source: BDP
Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10