Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Mrittika Shil

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 15
31
Department of Innovation & Entrepreneurship / What is Blockchain
« on: April 30, 2018, 09:57:04 PM »

What is Blockchain

A global network of computers uses blockchain technology to jointly manage the database that records Bitcoin transactions. That is, Bitcoin is managed by its network, and not any one central authority. Decentralization means the network operates on a user-to-user (or peer-to-peer) basis. The blockchain is an undeniably ingenious invention – the brainchild of a person or group of people known by the pseudonym,  Satoshi Nakamoto.

Blockchain technology created the backbone of a new type of internet. Originally devised for the digital currency, Bitcoin the tech community is now finding other potential uses for the technology.

Bitcoin has been called “digital gold,” and for a good reason. To date, the total value of the currency is close to $9 billion US. And blockchains can make other types of digital value.

33


পাট দিয়ে ভিসকস, সাশ্রয় হাজার কোটি টাকা!


দেশের পাট থেকে উন্নত মানের ভিসকস সুতা তৈরি ও বাজারজাতের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ফিনল্যান্ডে আড়াই শ কেজি শুকানো পাট পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ফল ইতিবাচক হলে প্রতিবছর প্রায় হাজার কোটি টাকা আমদানি সাশ্রয় হবে।

সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ছয় কোটি টাকা ব্যয় করছে সরকার। ২০ সপ্তাহের মধ্যে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের তিনটি প্রতিষ্ঠানের পাট দিয়ে ভিসকস সুতা তৈরির রাসায়নিক পরীক্ষা, গুণগতমান নির্ধারণ, বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া, কারখানায় উৎপাদনের জন্য নকশা তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান মো. মাহমুদুল হাসান প্রথম আলোর কাছে সমীক্ষার বিষয়ে শতভাগ সাফল্যের আশা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিশ্বব্যাপী কাঠ থেকে ভিসকস সুতা তৈরি হয়। ভিসকস অত্যন্ত উন্নত মানের সুতা। এই সুতা দিয়ে তৈরি পোশাক অনেক আরামদায়ক হয়। দামও সুতি কাপড়ের চেয়ে ক্ষেত্র বিশেষে দেড়গুণ বেশি হয়। আখ থেকেও ভিসকস তৈরি হয় স্বল্প আকারে। তবে পাট থেকে বাণিজ্যিকভাবে ভিসকস তৈরি করতে পারলে তা হবে মাইলফলক। বাংলাদেশে এ ক্ষেত্রে এককভাবে সাফল্যের দাবি করতে পারবে। কাঠের মধ্যে যে সেলুলোজ রয়েছে তা পাটেও রয়েছে। পাটের সবুজ বাকলে সেলুলোজ নামক রাসায়নিক উপাদান থাকে। এই সেলুলোজই ভিসকস তৈরির মূল উপাদান। লিগনিন থাকার কারণে পাটের আঁশ শক্ত হয়। ওই পাটের আঁশকে লিগনিনমুক্ত করে ফেলা হয়। অন্যান্য ক্ষুদ্র রাসায়নিক উপাদানও একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বের করে নিয়ে আসা হয়। এতে পাটের আঁশ পেজা তুলার মতো নরম হয়ে যায়। তা থেকে যে সুতা তৈরি হয়, সেটাই ভিসকস সুতা।

দেশে ২০১৫ সালে পাট থেকে ভিসকস তৈরির ব্যাপারে প্রথম আলোচনা হয়। এর পরের বছর ২০১৬ সালে বিজেএমসির ওই সময়ের পরিচালক বাবুল চন্দ্র রায়কে প্রধান করে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ জন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে পাট থেকে ভিসকস সুতা তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটি গঠন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে। এর মধ্যে ফিনল্যান্ডের ভিশন হান্টার লিমিটেড, সাইটেক সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেড ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুইডেনের এ এফ ইন্ডাস্ট্রিজকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দেওয়া হয়। ফিনল্যান্ডের দুটি প্রতিষ্ঠান কাঁচামাল হিসেবে ল্যাবরেটরিতে পাট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে এবং এর গুণগত মান নির্ধারণ, পরামর্শ দেওয়া, কীভাবে কারখানায় উৎপাদন করা যায়, তা দেখবে। সুইডেনের প্রতিষ্ঠানটি ভিসকস উৎপাদনের জন্য কারখানা স্থাপনের নকশা কেমন হবে, কী ধরনের যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে তা নির্ধারণ করবে। স্থানীয় ও বৈশ্বিক বাজারে কীভাবে তা লাভজনক হতে পারে সেটার গবেষণা তথ্যও জানাবে।

দেশে পোশাক শিল্প কারখানা ও বস্ত্র উৎপাদন কারখানা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুতার (স্পিনিং) কারখানা বাড়ছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভিসকসের চাহিদা।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান ড. মো. মাহমুদুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশের বস্ত্র উৎপাদন কারখানাগুলো বছরে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ভিসকস আমদানি করে। এর মূল্য ৭০০ থেকে ৯০০ কোটি টাকা। এই ভিসকস আমরা নিজেরা উৎপাদন শুরু করলে আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।’ সমীক্ষার বিষয়ে শতভাগ সাফল্যের আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর আগে ১৯৯৬ সালে চীনে পাট থেকে ভিসকস সুতা তৈরি শুরু হয় পরীক্ষামূলকভাবে। তবে চীনে পাটের স্বল্পতা থাকায় ব্যয়বহুল হয়ে পড়ায় তা বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ পাট থাকায় এ খাতে সাফল্য আশার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাই আশাবাদী। সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে কাজ দ্রুত শুরু করলে বাণিজ্যিকভাবে পাট থেকে ভিসকস সুতা উৎপাদন দেড় বছরের মধ্যে শুরু করা সম্ভব হবে।

বিজেএমসি বলছে, দেশে সুতা তৈরির কারখানা বাড়ছে। কাপড় উৎপাদনও বাড়ছে। পাট দিয়ে ভিসকস তৈরি ও বাজারজাতকরণ সফল হলে প্রতি বছর আমদানি সাশ্রয় হবে প্রায় হাজার কোটি টাকা।

পাটের শক্ত আঁশ। ছবি: নাজনীন আখতারপাটের শক্ত আঁশ। ছবি: নাজনীন আখতারকমিটি প্রধান এবং এখন বিজেএমসির উপদেষ্টা বাবুল চন্দ্র রায় প্রথম আলোকে বলেন, গত অর্থ বছরে দেশে ৯১ লাখ বেল (২০/২২ লাখ মেট্রিক টন) পাট উৎপাদন হয়েছে। পাট উৎপাদনে ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান। এ ছাড়া চীন, মিয়ানমার ও পাকিস্তানে স্বল্প পরিসরে পাট উৎপাদন হয়। তাই পাট থেকে ভিসকস সুতা তৈরি শুরু হলে এ খাতে বাংলাদেশ রাজত্ব করবে কোনো সন্দেহ নেই। ভারত পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভিসকসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশই কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিশ্বে যত বস্ত্র তৈরি হয় তার ৩১ ভাগ হয় কটন থেকে। আর ৬৭ ভাগ ভিসকস, সিনথেটিকের মতো সুতা থেকে। কটনের উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে।

বিজেএমসির কারিগরি উপদেষ্টা ও সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটির অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বাণিজ্যিকভাবে ভিসকস তৈরির জন্য ব্যাপক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়েছে গত মাসে। এপ্রিল মাসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের ল্যাবরেটরির টেস্ট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া ২০ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে। এরপরই বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের বিষয়টি আসবে। তিনি বলেন, দেশে যে পাট উৎপাদন হয়, তার ১০ ভাগ দিয়েই বাণিজ্যিকভাবে ভিসকস সুতা তৈরি করা সম্ভব।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাব অনুসারে, প্রতিবছর দেশে ভিসকস আমদানি বাড়ছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রায় ২৯২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার ১৪ হাজার ৬৪০ মেট্রিক টন ভিসকস আমদানি হয়। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা বেড়ে ১৯ হাজার ৪০৯ মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। টাকার অঙ্কে যা প্রায় ৩৫৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ৬৩৭ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ৩৩ হাজার ৭৩৭ মেট্রিক টন ভিসকস আমদানি করা হয়।




http://www.prothomalo.com/economy/article/1444246/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%B8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE

34


ঝোয়াও কোয়ানফেই।ঝোয়াও কোয়ানফেই।ঝোয়াও কোয়ানফেইয়ের জীবনের গল্পটা যেন সিনেমার মতো। দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়ে, না খেয়ে না দেয়ে দিনপাত। কঠোর পরিশ্রম করে একসময় প্রতিষ্ঠিত হওয়া। তবে বাস্তবতা হলো কেবল প্রতিষ্ঠিত হয়েই থেমে থাকেননি তিনি। বর্তমানে নিজের চেষ্টায় বিশ্বের শীর্ষ নারী ধনী ঝোয়াও কোয়ানফেই।

উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ধনসম্পদে নয়, বরং সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই শত কোটিপতির তালিকায় নাম লেখান ঝোয়াও কোয়ানফেই। ৪৮ বছর বয়সী এই চীনা নাগরিক বর্তমানে নিজের চেষ্টায় প্রায় ৯৮০ কোটি ডলার সম্পদের মালিক। ফোর্বস সাময়িকীর ধনীর তালিকায় চলতি বছর আবারও নিজের চেষ্টায় শীর্ষ নারী ধনীর তালিকায় উঠে এসেছে তাঁর নাম। এ ছাড়া সব মিলিয়ে বিশ্বের ১৬তম নারী ধনী তিনি। ২০১৬ সালে ফরচুনের তালিকায় এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৮তম প্রভাবশালী নারী হন ঝোয়াও।

চীনের পূর্বাঞ্চলে হুনান প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ১৯৭০ সালে জন্ম ঝোয়াও কোয়ানফেইয়ের। খুবই কষ্টের ছিল তাঁর শৈশব। পাঁচ বছর বয়সে হারান মাকে। কারখানায় কাজ করতেন বাবা, একটি দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি ও হাতের আঙুল হারান। এরপর থেকে ঝোয়াও একাই লড়ে বেঁচে থাকতে শিখেছেন। ক্ষুধা-কষ্টের মধ্যেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ়প্রত্যয় ছিল তাঁর। সিএনবিসিকে তিনি বলেন, ‘আমাদের সারাক্ষণ ভাবতে হতো কী খাব এবং কীভাবে খাবার জোগাড় করব।’

অর্থের অভাবে স্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারেননি ঝোয়াও। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই কারখানায় কাজ শুরু করেন। তখন দৈনিক এক ডলার মজুরি পেতেন। ১৯৮৬ সালে দক্ষিণ চীনের শেনজেন প্রদেশে একটি ঘড়ির লেন্স তৈরির কারখানায় কাজ নেন। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করায় ওই কারখানায় ম্যানেজারের দায়িত্ব পান। তবে তাঁর স্বপ্নটা ছিল অনেক বড়।

১৯৯৩ সালে ২ হাজার ৫৪৭ ডলার সঞ্চয় আর পরিবারের আট সদস্যকে নিয়ে তিন কামরার একটি অ্যাপার্টমেন্টে চালু করেন স্ক্রিন প্রিন্টিংয়ের কারখানা। তখন ঝোয়াওয়ের বয়স মাত্র ২২। ওই বাড়িতেই কারখানা আর থাকার জায়গা ছিল তাঁদের।

সেই থেকে শুরু। দশ বছরের মাথায় নিজের কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেন ঝোয়াও। সেই সময় তাঁর কারখানায় কর্মী ছিল ১ হাজার জন। অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঝোয়াও বলেন, ‘চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সময়, নারীসহ সব উদ্যোক্তার জন্য প্রচুর সুযোগ তৈরি হয়। যার ফলে আমার ব্যবসা বাড়াতে সক্ষম হই। দেশটির সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা নারী উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।’

তবে আরও পরিবর্তন বাকি ছিল ঝোয়াওয়ের জীবনে। ওই বছরই পেয়ে যান মটোরোলাতে পণ্য সরবরাহের একটি বড় সুযোগ। আর এর মাধ্যমে বিদেশের বাজারে প্রবেশের সুযোগ আসে। বর্তমানে তিনি ‘লেনস টেকনোলজি’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। প্রতিষ্ঠানটি অ্যাপল, স্যামসাং, টেলসা ও হুয়াওয়ের স্মার্টফোনের গ্লাস কভার তৈরি করে। ২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পুঁজিবাজারে যাত্রা শুরু করে ‘লেনস টেকনোলজি’। বর্তমান এর বাজারমূল্য ১ হাজার ১০০ কোটি ডলার। কারখানার সংখ্যা ৩২টি, আর প্রায় এক লাখ কর্মী কাজ করেন এগুলোয়।

নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে ঝোয়াও বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ২০০৩ সালে বড় বড় প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মটোরোলার কাজটি পাওয়া।’ ওই কাজটির জন্য তিনি নিজের বাড়ি ও মূল্যবান জিনিস বিক্রি করেছিলেন। তারপরও কুলাতে পারছিলেন না। একসময় সব ছেড়েছুড়ে দিতে চেয়েছিলেন।

ঝোয়াও বলেন, ‘হতাশ হয়ে হংকংয়ের স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিলাম।’ কিন্তু সে সময় মেয়ের ফোন তাঁকে বাস্তবে ফিরিয়ে আনে। ‘আমি বুঝতে পারি, পরিবার ও কর্মীদের জন্য আমাকে পিছু হটলে চলবে না। আমাকে এগিয়ে যেতে হবে।’

অবশেষে মটোরোলার সাহায্যে আর্থিক সংকট দূর হয় ঝোয়াওয়ের। ২০০৪ সালে ঝোয়াওয়ের লেন্স কারখানা মটোরোলার ভি-৩ মডেলের ফোনের ১০ কোটি গ্লাস সরবরাহ করে। যেটা ছিল মটোরোলার ফ্ল্যাট স্ক্রিন মোবাইল ‘হ্যালো মটো’র আইকনিক প্রযুক্তি।

এরপরের গল্পটা শুধুই এগিয়ে যাওয়ার।
নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সব সময় তিনটি পরামর্শ দেন ঝোয়াও।

১. ভালো প্রস্তুতি: উদ্যোক্তাদের সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়ে নজর দিতে হবে— ক. প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে, খ. মানসিকভাবে অবশ্যই দৃঢ় হতে হবে, গ. বাজার সম্পর্কে জ্ঞান বাড়াতে হবে এবং প্রতিযোগীদের বিষয়ে জানতে হবে।

২. শেখার আগ্রহ: বড় বড় ডিগ্রি থাকলেই যে পণ্যের দাম বাড়বে, এমন ধারণা ঠিক নয়। নিজের ব্যবসা সম্পর্কে পুরো জ্ঞান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেকে টিকিয়ে রাখবে। এ জন্য শুরু থেকেই ব্যবসা করার পাশাপাশি সেই সম্পর্কিত বিভিন্ন কোর্স করেছেন ঝোয়াও।

৩. হাল ছাড়া যাবে না: সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সহজে হাল ছাড়া যাবে না। তুমি যদি মাঝপথে হাল ছেড়ে দাও, তাহলে আর কখনই ফিরতে পারবে না।

Source


http://www.prothomalo.com/economy/article/1474946/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA

35
Bangladesh offers some of the world’s most competitive fiscal non-fiscal incentives. BOI can advise further on this matter. In summary and in most cases, these amount to the following: Remittance of royalty, technical know-how and technical assistance fees. Repatriation facilities of dividend and capital at exit. Permanent resident permits on investing US$ 75,000 and citizenship on investing US$ 500,000.

____________

Fiscal Incentives

1. 10 years tax holiday for the Industries to be established before 1st January, 2012 and Industries to set up after 31st December, 2011 tax holiday period will be:

Tax exemption period                                          Rate of tax exemption

First 02 years (1st and 2nd Year)                           100%
Next 02 years (3rd and 4th Year)                           50%
Next 01 years (5th Year)                                        25%

2. Duty free import of construction materials
3. Duty free import of machineries, office equipment & spare parts etc.
4. Duty free import and export of raw materials and finished goods
5. Relief from double taxation
6. Exemption from divident tax
7. GSP facility available
8. Accelerated depreciation on machinery or plant allowed
9. Remittance of royalty, technical and consultancy fees allowed
10. Duty & quota free access to EU, Canada, Norway, Australia etc.


Non – Fiscal Incentives


1. 100% foreign ownership permissible
2. Enjoy MFN (most favored nation) status
3. No ceiling on foreign and local investment
4. Full repatriation of capital & dividend
5. Foreign Currency loan from abroad under direct automatic route
6. Non-resident Foreign Currency Deposit (NFCD) Account permitted
7. Operation of FC account by ‘B’ and ‘C’ type Industries allowed.

Facilities

1. No UD, IRC, ERC and renewal of Bond license
2. Work permits issued by BEPZA
3. Secured and protected bonded area
4. Off-Shore banking available
5. Import on Documentary Acceptance (DA) basic allowed
6. Bank of Back L/C
7. Import and Export on CM basis allowed
8. Import from DTA (Domestic Tariff Area)
9. 10% sale to DTA (Domestic Tariff Area)
10. Customs clearance at factory site
11. Simplified sanction procedure
12. Sub-contracting with export oriented Industries inside and outside EPZ allowed
13. Relocation of foreign industries allowed
14. Accords Residentship and Citizenship
15. One Window same day service and simplified procedure.

36
Incentives & Benefit for Investors/EZ users:

TAX HOLIDAY :

-For all Economic Zones Income Tax Holiday (ITH)- 1st and the 2nd year 100%, 3rd year 80%, 4th 70%, 5th 60%,6th 50%, 7th 40%, 8th 30%, 9th 20% and 10th year 10%.

CUSTOM DUTY:   

-Duty-free import of raw materials, construction materials, capital machinery, finished goods.

INCOME TAX-OTHERS   

-Exemption from dividend tax (After tax holiday over)

REPATRIATION   


-Full repatriation of capital and dividend.

FREE FLOW FDI   

-No ceiling of FDI.

BACKWARD LINKAGE   

-100% backward linkage raw-materials and accessories to sell for export oriented industries( EOI) in Domestic Tariff Area( DTA).[/i]

LOCAL SALE   

-20% sale of finished product to DTA (From Export Processing Area –EPA).

SUB- CONTRACTING   

-Sub-contracting with DTA allowed.

STAMP DUTY   

-50% exemption of stamp duty and registration fees for registration of leasehold land/ factory space.

VAT


-80% exemption of VAT on all utility services consumed inside the zone.

CUSTOM DUTY

-Duty exemption on Export.

   
-Exemption of CD for import of 2 vehicles within 1st 5 years for foreign investors.

DOUBLE TAXATION   

-Exemption of double taxation subject to Double taxation agreement.

IT INDIVIDUAL   

-50% Rebate of income tax on salary income of expatriates for 5 years.

CUSTOM BOND   

-Consider EZ as custom bonded area.

FOREIGN EXCHANGE   

-FC loan availability (To ease business activity).
-FC Account for Non-Resident.
-FC Account for both local and joint venture industry.


JOINT VENTURE
   
-Joint venture allowed.

ROYALTIES   

-Royalty, technical fees will be exempted from income tax.

CAPITAL GAINS
   

-Tax exemption on capital gain.

SHARE TRANSFER   

-Share transfer allowed.
WORK PERMITS   

-Work permits – No restrictions on issuance of work permits on project related foreign nationals and employees but limited up to 5% of total employees.

RE- INVESTMENT
   

-Re-investment of remittable dividend to be treated as new foreign investment.
RESIDENT   

-Resident visa for investment of US$ 75000 or more.[/i

CITIZENSHIP   

-Citizenship for investment of US$ 500000 or more.

37
List of incentives granted:

Bangladesh´s tax incentives and benefits are standardized. They apply to any and all companies according to their operation, so there is no need for negotiation on a per case basis. In addition, entities wishing to set up operations in areas outside the Greater Industrial Area can enjoy greater benefits. Discover the option according to your needs.

Incentives & Benefit for Developers:

TAX HOLIDAY

Income tax exemption on income derived from the business development of EZ in a block of 10 years in 15 years. After expiry of  10th year tax exemption will be 70% in 11th year and 30% in 12th year. But the tax exemption will not be applicable from 13th year.

VAT ON ELECTRICITY

-Exemption of VAT on electricity or taxes on sale, of self generated or purchased electric power for use of processing area of EZ (for 10 years).

VAT ON LOCAL PURCHASE

-All purchase excluding petroleum product from Domestic Tariff Area (DTA) shall be exempted from VAT, sales tax etc.

CUSTOM DUTY,STAMP DUTY, INCOME TAX- OTHERS
- Exemption from custom/excise duties for development of EZs.

38
Research on Entrepreneurship / Investment Incentives in Bnagladesh
« on: April 22, 2018, 11:16:46 AM »
The most competitive tax  incentives

The Free Trade Zone Regime is the mainstay of Bangladesh export and investment promotion strategy. It is a set of incentives and benefits granted by
the Bangladesh government to companies making new investments in the country and it provides tax incentives.

Companies that may apply for the Free Trade Zone System Regime:


EXPORT SERVICES
COMPANIES
- 50% of services
must be exported


SCIENTIFIC RESEARCH
FIRMS
- Either companies or organizations


STRATEGIC SECTORS
OR COMPANIES
- Outside the Greater Metropolitan Area


SIGNIFICANT
SUPPLIERS
- 40% of sales to FTZ companies

39
Health Care Sector

_______________________________

-Around Two Billion Dollars of the untapped Healthcare, the market is now in Bangladesh.
-Bangladesh spends around 2.04 billion US dollars abroad for medical treatment in a year. This amount is 1.94 percent of total GDP of Bangladesh.
-The demand of Health Care growing 21% annually.
-The demand for health care services is accelerating because of increasing purchasing power of the growing middle and upper middle classes.
Source: BIDA

40
Medical Equipment Sector

-The medical device market is projected to USD 243.6 million in 2018
-Hospitals in Bangladesh experienced up to 22.5% growth in patients in 2011
-The large medical equipment market of Bangladesh is almost import-dependent
-Medical equipment manufacturing is a potential sector to invest and set up plants in Bangladesh
-Huge private hospitals in recent years represent the best opportunity for selling expensive high-end equipment and medical devices.
-Government builds hundreds of new healthcare facilities and upgrades existing facilities and equipment.[/i
]

Source; BIDA

41
Research on Entrepreneurship / Ceramic Sector in Bangladesh
« on: April 22, 2018, 10:46:04 AM »
Ceramic Sector

_______________________________

-The global ceramics industry is worth more than $10bn.
-Bangladesh produces a high-quality bone china.
-Bangladesh exported to about 55 countries, amounting to about USD 376 million in 2015-16
-The export destinations are EU, USA, Italy, Spain, France, New Zealand, the Netherlands, Australia, Sweden and the Middle East.
-54 ceramic manufacturers are operating in Bangladesh, creating employment of 0.5million.
-Investment in this sector is worth USD 462 million with the possibility of expanding.
-Demand is USD 250 million & Bangladesh produced USD 233 million worth products in June, 2017.

Source: BIDA

42
Research on Entrepreneurship / Renewable Energy Sector in Bangladesh
« on: April 22, 2018, 10:43:22 AM »
Renewable Energy  Sector

_______________________________

-Economic growth of 7% calls for the scalability of its power infrastructure to keep up with the demands of industry and increased urbanization.
-Currently, renewable energy makes up 2.5% of the total electricity generation
-The importance of an alternative source of energy in Bangladesh.
-Solar energy is the most prominent source of renewable energy
-Successfully implemented one of the biggest Solar Home System (SHS) projects
-Around 3 million SHSs have been successfully installed
-Hydro power, Micro, mini and pico hydro power plants can also be used

 Source BIDA

43
Research on Entrepreneurship / Frozen Food Sector in Bangladesh
« on: April 22, 2018, 10:41:56 AM »
Frozen Food

_______________________________

Frozen foods is the second largest export sector of the economy. The massive natural resources available in Bangladesh make this sector particularly promising for investors looking to supply in international as well as in domestic markets.

The Public sector corporation and the private organizations have setup about 148 numbers of shore based export oriented fish processing plants at Dhaka, Chittagong, Khulna, Jessore, Satkhira, Bagerhat, Cox’s Bazar, Chandpur, Kishoregonj, Syihet and Patuakhali. These plants produces Fresh Water shell On (FWSO), Ser Water shell On (SWSO), Peeled and Deveined (P&D), Peeled and Undevined (PUD), shrimp products under the most hygienic and sanitary condition under the supervision, control and guidance of foreign trained handling & processing experts. At all levels, USFDA registrations and directives of the European Communities concerning the production and exportation of frozen foods are strictly followed.

Sector Highlights

_______________________________

Thriving in this sector are shrimp farming and fish production.

44
Research on Entrepreneurship / Tourism Sector in Bangladesh
« on: April 22, 2018, 10:31:35 AM »
Tourism Sector

_______________________________

- Tourist spots the country such as Cox’s Bazar, Kuakata, Kantajee Tample, Saint Martin’s Island, Sonargoan, Sylhet, Sundarbans, Ramsagor, and so on have attained huge number of tourist
- About half a billion USD was earned from the tourism sector in 2017.
- People of Bangladesh are very hospitable and tourist friendly.
- Unique archaeological sites, cultural heritage and eco-tourism products like the world’s largest mangrove forest, the Sundarbans, the world’s longest unbroken sea beach in -   --Cox’s Bazar (120km), the oldest archaeological site in the Southern Himalayas-Paharpur and world’s largest terracotta temple – Kantaji Temple in Dinajpur, and spectacular monuments and mausoleums of language movement and liberation war of the country.
-The WTTC predicted that by 2023, travel and tourism will directly generate 2 million jobs and support an overall total of 4 million jobs, or 4.2 percent of the country’s total employment.
-This would represent an annual growth rate in direct jobs of 2.9%.
-Bangladesh’s world ranking in 2017 was 173 out of 185 (for diverse contribution to GDP).

Source: BIDA

45
Ship Building Sector

_______________________________

-Number of Companies: 130
-Ships made in Bangladesh are 15% cheaper than even Chinese ships and are of the same quality
-The productivity of labors is good & average hourly labor charge in is only US$ 1.00
-Global shipbuilding market size is US$ 1,600 billion. 1% of the global order for only small ships market the amount will be worth US$ 4 billion for Bangladesh
-Present capacity is 0.84% of global shipbuilding production
-Declared as “Thrust Sector” in a different policy.
-5 %t incentive on export
Source: BIDA

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 15