Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - R B Habib

Pages: 1 [2] 3 4
English / Emoji is oxford's word of the year
« on: November 26, 2015, 04:48:05 PM »
Oxford’s ‘2015 word of the year’ is... :'(  an emoji! 


In an unexpected move, the notable Oxford English Dictionaries has chosen the widely shared “tears of joy” emoji used on smartphones and social media as its 'word of the year.'

Traditionally, Oxford Dictionaries pick a word or expression that has garnered considerable interest during the year that reflects the global general mood of that particular year.

This year, and for the first time, it has decided to take a different turn, highlighting social media’s role in expressing human emotions.

Oxford Dictionaries justified its selection as it best represents the “mood and preoccupations of 2015.”

An emoji is ‘a small digital image or icon used to express an idea or emotion in electronic communication’; the term emoji is a loanword from Japanese, and comes from e ‘picture’ + moji ‘letter, character’, according to Oxford Dictionaries website.

“Emoji culture has become so popular that individual characters have developed their own trends and stories,” said Casper Crathwohl, president of Oxford Dictionaries.

Two years ago, the dictionary giant decided to award the word "selife" as word of the year.

{Source: }

English / Fun Learning Activity for Students
« on: March 14, 2015, 06:16:21 PM »
Dear Colleagues of Uttara Campus:

I was thinking of making more use of the Movable Board prepared last semester before the program:'Immerse in Diverse Bangladeshi and Turkish Culture' as part of my Speaking Skill course presentation.

How about posting the 'Word of the day' 'New expressions in English' 'Crosswords Puzzle, Games' to engage students in learning in a fun way? We may post here to share with mass students rather than only course students.

For a start, I am going to post few activities this week accompanying 'Vowel Crosswords', 'Misunderstood Words in English' and ' Few Phrasal Verbs'.

Your suggestion and cooperation will be highly appreciated.
Thank you.

English / 40 Ways to say 'Good Job'
« on: March 13, 2015, 11:13:34 PM »
Bagged a new one I hardly used: 'Cleaver'

Public Health / Alert for Parents or anyone carrying a child
« on: March 13, 2015, 11:02:51 PM »
Don't hold your child like this ever.

Until now all of us, and probably you too, thought that calcium is the element most needed in order to have a healthy bone structure, right? Well it is very important but not the most important one out there.
Magnesium, and not calcium, may be the way to creating sound bones amid adolescence, as indicated by new research introduced at the Pediatric Academic Societies (PAS) yearly group in the USA.

Take a Second Look at Calcium Claims

Calcium has been the king of healthy bones for a long time now. Age-old myths that calcium supplementation creates solid bones and teeth are strengthened in practically every foundation.

A 2004 research demonstrated that individuals with excess calcium in their coronary artery, who take statins, have a 17-fold higher danger of heart attacks than those with lower blood vessel calcium levels; scientists presumed that the two most authoritative pointers of heart attacks were LDL levels and calcium build-up.Magnesium, NOT Calcium, Is the Key to Healthy Bones

A 2007 research demonstrated that calcium from dietary sources has better consequences for bone wellbeing than calcium from supplements in postmenopausal ladies (Am J Clin Nutr 2007).

A 2008 research discovered calcium supplements are connected with a more noteworthy number of heart attacks in postmenopausal ladies (BMJ 2008)

A 2010 meta-analysis demonstrated calcium supplements (without co administered vitamin D) are connected with increased danger for heart attacks (BMJ 2010)

“Calcium supplements have been widely embraced by doctors and the public, on the grounds that they are a natural and therefore safe way of preventing osteoporotic fractures,” reported the analysts, headed by Professor Sabine Rohrmann, from Zurich University’s foundation of social and preventive medicine.


“It is now becoming clear that taking this micronutrient in one or two daily [doses] is not natural, in that it does not reproduce the same metabolic effects as calcium in food,” they included.
On the supplement market nowadays you’ll find calcium that can contain calcium carbonate which is a secondary type of calcium and makers put a basic chelating agent like citrus extract to make it more absorbable, however the final item is second rate compared to other calcium supplements, for example, calcium orotate, which is the main known manifestation of calcium which can adequately enter the layers of cells.

An alternate truth the vast majority are ignorant of is the myth advanced by the dairy business that eating pasteurized dairy items, for example, milk or cheese, builds calcium levels. This is completely false. The purification preparation just makes calcium carbonate, which has truly no chance to get of entering the cells without a chelating agent.

So what the body does is force the calcium from the bones and different tissues keeping in mind the end goal to cushion the calcium carbonate in the blood. This methodology ACTUALLY CAUSES OSTEOPOROSIS. Milk absolutely does not do a body decent in the event that it’s sanitized.

- See more at:

I could not finish reading this article published in It made me cry to and by the heart.

এক হাতে তালি বাজে না, নিশ্চয়ই ধর্ষিতা মেয়েটার চরিত্রেও সমস্যা ছিলো
এই ধরণের কথাবার্তা আমাদের সমাজে ব্যাপক প্রচলিত। আসুন এবারে একটু হাতে-নাতে টেস্ট করে দেখি।

ধরেন আপনি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ছিনতাইয়ের শিকার হলেন। ছিনতাইকারীর ছুরির মুখে সাধের মোবাইল আর মানিব্যাগটা তুলে দিলেন। তবে আশার কথা হচ্ছে ছিনতাইকারী ধরা পড়লো। বিচার ও হলো। কিন্তু আদালতে উকিল এক অদ্ভুত যুক্তি দেখালো। যেহেতু এক হাতে তালি বাজানো যায় না সুতরাং এই ছিনতাইয়ের পেছনে ছিনতাইয়ের শিকার ব্যাক্তিটিরও সমান অবদান আছে।

একই কথা বলা যায় রাস্তায় পড়ে থাকা একটা লাশের ক্ষেত্রেও। তাকে কেন খুন করা হয়েছে এটার জন্য নিশ্চয়ই সে নিজেও দায়ী। আফটার অল এক হাতে তো আর তালি বাজে না। আজ থেকে আপনার বাড়িতে চুরি হলে আর থানায় যাবেন না, ডাকাত পড়লে থানায় জিডি করতে পারেন, তবে ডাকাতের সাথে নিজের পরিবারের সদস্যদের নামের লিস্টও দিয়ে আসবেন। আফটারঅল এক হাতে তো তালি বাজে না। এত বাসা থাকতে কেন আপনার বাসাতেই ডাকাত পড়লো। নিশ্চয়ই আপনার চলাফেরায় সমস্যা ছিলো। আপনারও বিচার হওয়া দরকার।

ভাবছেন শুরু হইসে নারীবাদী প্যাঁচাল।

সেদিন এক বন্ধু বলছিলো আমার ক্রমসোমে নাকি সমস্যা আছে তাই ছেলে হয়ে মেয়েদের কথা বলি। আমি ভেবে দেখলাম কথা সত্য, আমার দেহে তেইশ জোড়া ক্রমসোমের বাইশ জোড়াই হুবুহু মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। আবার আমার দেহের প্রত্যেকটা কোষ সরবরাহ করেছে আমার মা’য়ের দেহ। সমস্যাই আছে।

যাই হোক যা বলছিলাম।

একজন মানুষকে জোর-জবরদস্তি করে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করে যখন তার পোশাকটা দোষ দেন বলেন এক হাতে তালি বাজে না, মেয়েরও দোষ আছে। তখন আমার কাছে বড় অদ্ভুত লাগে সেই যুক্তি। সেই আপনাকেই একাত্তরের তিন লক্ষ ধর্ষণের কথা বললে বলেন পাকিস্তানিরা খারাপ ছিলো পুরান প্যাচাল ছাড়েন। শিশু ধর্ষণ হলে বলেন সিক মেন্টালিটির মানুষ। হিজাব পরা মেয়ে ধর্ষিত হলে বলেন পাগল।

আমাকে একটু বোঝান কোন ধর্ষকটা ভালো ??

আমাকে শুধু একটা কেইস দেখান যে খুব নম্র, ভদ্র, বিনয়ী একটা ছেলে, যার নামে কোন মামলা নাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র, বাবা-মার গৌরব। একটা উগ্র পোশাক মিনি স্কাট পরিহিতাকে দেখে নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরে ঝোপে ফেলে ধর্ষণ করলো। এরকম একটা কেইস দেখান।

পোশাকের কারণে ধর্ষিত হয়েছে এরকম শুধু একটা কেইস দেখান।

আমি কয়েকটা কেইস দেখাই।
আপনারা বলেন;

    অনেক দিন পর পর মা’কে দেখার জন্য ১৯৯৫ সালের ২৪ আগষ্ট ঢাকা থেকে বাড়ী যাচ্ছিল গার্মেন্টস কর্মী কিশোরী ইয়াসমিন। পথমধ্যে ইয়াসমিনকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে পুলিশ, এবং তাকে হত্যা করে লাশ দিনাজপুর শহরের পাঁচ কিলোমিটার দূরে রাস্তায় ফেলে দেয়। বলেই এই মেয়েটার কি দোষ ছিলো । মিনি স্কাট পরে কি সে পুলিশের সামনে…

    ২৮ অক্টোবর ২০১৩, ইয়াং ওয়ান গার্মেন্টস এর এক কর্মী সকালে কর্মস্থলে যাবার উদ্দেশ্যে সাভার বাস স্ট্যান্ড থেকে আনন্দ সুপার পরিবহনের একটি গাড়িতে উঠে। ওই গার্মেন্টস কর্মী গাড়িতে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অন্যযাত্রী না নিয়ে দরজা বন্ধ করে গাড়ি ছেড়ে দেয় সুপারভাইজার। গাড়িটি সাভারের আমিন কমিউনিটি সেন্টার ছেড়ে আসার পর গাড়ির হেলপার ও সুপারভাইজার গার্মেন্টস কর্মীকে জড়িয়ে ধরে তার গলায় থাকা চেইনটি ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাকে ধর্ষণ করে। বলেন এই ঘটনায় কিভাবে জড়াবেন মেয়েটার পোশাক ?

    ৩০-১১-২০১২, সাজিয়া দক্ষিণখানের নোয়াপাড়া আমতলার একটা ক্লিনিকের খণ্ডকালীন চিকিৎসক ছিলেন। ঘটনার আগের রাত বৃহস্পতিবার ওই ক্লিনিকে তাঁর রাতের পালায় দায়িত্ব ছিল। কাজ শেষে রাত ১২টার দিকে ওই ক্লিনিকের বিশ্রামাগারে ঘুমাতে যান। এরপর দুবিত্তরা ধর্ষণ করার চেষ্টা করে তাঁকে এরপর হত্যা করা হয় রাজিয়াকে। মজার ব্যাপার হচ্ছে রাজিয়া নিয়মিত হিজাব করতেন। হিজাব করার কারণে রাজিয়াকে ছেড়ে দেয়নি ধর্ষক।

    পরিমল জয়ধর রাজধানীর একটি নামকরা স্কুলের শিক্ষক। নিজের ছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র ধারন করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে নির্যাতিতা মেয়েটাকে আরও অনেকবার নির্যাতন করে। মেয়েটার জীবন থমকে গ্যাছে। ক্লাস এইটের মেয়ে, পোশাক কে কিভাবে দুষবেন বোঝান..

এভাবে একটার পর একটা লিখতে থাকলে রাত পার হয়ে যাবে। আমি মাত্র কয়েকটা ঘটনার উদাহরণ দিলাম। এই সবগুলো ঘটনাই আলোচিত। আপনি আমাকে শুধু এমন একটা ঘটনার কথা বলেন যেখানে শুধুমাত্র পোশাকের কারণে একটা মেয়েকে রেপ করা হয়েছে এবং ছেলেটা নিরীহ ছিলো।

একটা শুধু একটা…

কথা দিচ্ছি… আমি মেনে নেবো…
লেখা সরিয়ে নেবো… আর লিখবো না…

জানি পারবেন না। কোন দিন পারবেন না।
আচ্ছা আপনার কি লজ্জা করে না। ধর্ষকের হয়ে সাফাই গাইতে।
একবার নিজের বোন কে নির্যাতিতা মেয়েটার জায়গার দাঁড় করিয়ে ভাবুন তো।

আমাদের সমস্যাটা এক জায়গায়, নিজেকে কখনো ঐ জায়গায় দাঁড় করিয়ে ভাবি না। দাঁড়া করালে বুঝতে পারতেন এক হাতে তালি বাজে কি বাজে না।

সুব্রত শুভ’দার অনেক পুরনো একটা লেখা থেকে খানিকটা কোট করছি ;

    “ভাইয়েরা আমার!!! পিলিজ বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না দয়া করে।

    আমরা চলাফেরার সময় আপনারা অসচেতনার সহিত অনেক কিছু গায়ে জড়িয়ে বের হন, যা আপাদের করা উচিত না। যেমন- আপনারা ফরমাল ড্রেস পরে বের হন। একবার ভাবুন আপনাদের পেছনের শেপ বোঝা যায়, আপনাদের বুকের মাপ বোঝা যায় আপনাদের অনেক আর্কষনীয় লাগে এতে মেয়েরা আপনাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। এবং এর জন্য মেয়েটি দায়ী নয় বরং আপনি দায়ী কারণ আপনি এমন পোশাকটি পরে আসছেন।

 ভাইয়েরা, একবার ভেবে দেখুন; আপনি যখন টি র্শাট গায়ে দেন তখন আপনার বাহু দেখা যায় তাতে একটি মেয়ে উত্তেজিত হতে পারে তাই এমন পোশাক অবশ্যই পরা উচিত না। আর যদি আপনি বডি বিল্ডার বা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোন তাহলে তো কথাই নেই প্রতিটি মেয়ে আপনাকে ডেব ডেব করে দেখবে। আপনি কেন আপনার বাপ, ভাই কে এমন টি শার্ট গায়ে দিয়ে রাস্তায় বের হতে দেন। একবার ভাবুন তো কেউ আপনার ভাই ও বাবার দিকে তাকালে আপনার কেমন লাগবে? আসুন এই পোশাক পরিহার করি।এক হাতে তালি বাজে না, নিশ্চয়ই ধর্ষিতা মেয়েটার চরিত্রেও সমস্যা ছিলো। এমনি এমনি কি ধর্ষণ হয় নাকি। মেয়েরা ছোট ছোট কাপড় পরে ঘুরে বেড়াবে, আর ছেলেরা কিছু করলেই দোষ। এই মেয়েরাই সব নষ্টের গোড়া, একজন পুরুষের শারীরিক প্রবিত্তিই হচ্ছে নারীদেহের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া এবং এটাই স্বাভাবিক। পুরুষদের কিছু দোষ থাকলেও মূল দোষটা আসলে মেয়েদের, মেয়েরা ঠিক থাকলে এত ধর্ষণ হয় না। ঠিকঠাক মত পর্দা করলে কখনোই রেপ হয় না….

    ভাই একবার ভাবুন আপনি যখন থ্রি কোয়াটার পরে বের হোন তখন আপনার সুন্দর পা দেখে কী মেয়েরা খাদকের মতন তাকিয়ে থাকে না? তাহলে কেন আপনি সেই পোশাকটি পরেন। অনেকেই না বুঝে পরে তাই পোশাক বাছাইয়ে সাবধান হোন এবং সুন্দরের পথে আসুন। ভাইয়েরা আপনার গরম লাগে বলে হাফ হাতা জামা পড়েন যা একেবারেই উচিত না। কারণ আপনার বাহু বের হয়ে থাকে যা একদম অনুচিত। আপনে ধর্ষিত হলে কিন্তু মেয়েটার দোষ নেই বরং আপনার পোশাকটি ও আপনি দায়ী।

    ভাইরা আমার, চুল দেখিয়ে হাঁটবেন না প্লিজ। আপনার সুন্দর সিল্কি চুল দেখলে মেয়েরা চুলে হাত বুলাতে চাইবে। আপনার চুলের দিকে তাকিয়ে থাকবে। প্লিজ ভাইয়েরা মাথা ঢেকে চলাফেরা করুন।

    ভাইয়েরা, আপনারা স্টাইল করে বুকের বোতাম খুলে চলা ফেরা করেন। একবারও কি ভেবে দেখেছেন আপনার খোলা বুক সাথে যদি পশম থাকে তাহলে মেয়েদের কেমন অবস্থা হয়। ধর্ষন হলে কিন্তু আপনাকে দায় নিতে হবে। কারণ যে কোন মেয়ে খোলা বুক দেখলে উত্তেজনা অনুভব করবে। এটাই স্বাভাবিক। লক্ষ্মী ভাইরা আমার প্লিজ বুকের বোতাম লাগিয়ে রাস্তায় বের হোন। কোন মেয়ে যাতে উত্তেজিত না হয় সে রকম পোশাক পরে বের হোন। একটি মেয়ে আপনার বাপ, ভাইয়ের দিকে ডেবডেব করে তাকিয়ে থাকুক তা নিশ্চই চান না। আসুন ভাইয়েরা আমরা সত্যের পথে আসি, সুন্দরের পথে আসি।“


অনেকে ভাবতাসেন মালডা কি মেন্টাল কেস। পাগল-টাগল হইয়া গেলো। উপরের লেখাটা শুভ’দার মস্তিষ্ক প্রসূত; কিন্তু শুধু লিঙ্গ’টা পরিবর্তন করে দিলেই খুবই স্বাভাবিক বহুল প্রচলিত একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরিণত হবে। উপলক্ষটা হচ্ছে আমাদের সমাজের বহুল প্রচলিত মিথ “ধর্ষণের জন্য মেয়েদের পোশাক দায়ী”

ধর্ষণের জন্য কি সত্যিই নারীর পোশাক-আশাক, আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি দায়ী?

তাই যদি হত তাহলে একাত্তরে আমাদের মা-বোনেরা কি এমন পোশাক পরেছিলেন ও আচরণ দেখিয়েছিলেন যে, পাকিবাহিনী তাদের নির্মমভাবে ধর্ষণ করেছিল? কেউ কি পাকিদের ধর্ষণের জন্য উন্মত্ত করেছিলেন সে সময়? প্রাসঙ্গিক ভাবেই সেসময়ের নারী নির্যাতনের কিছু উদ্বৃতি দিচ্ছি;

    “……. এরপর উলঙ্গ মেয়েদের গরুর মতো লাথি মারতে মারতে, পশুর মতো পিটাতে পিটাতে ওপরে হেডকোয়ার্টারে দোতলা, তেতলা ও চারতলায় উলঙ্গ অবস্থায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পাঞ্জাবি সেনারা চলে যাওয়ার সময় মেয়েদেরকে লাথি মেরে আবার কামরার ভেতর ঢুকিয়ে তালা বন্ধ করে চলে যেত। এরপর বহু যুবতী মেয়েকে হেডকোয়ার্টারের ওপর তলায় বারান্দায় মোটা লোহার তারের ওপর চুলের সাথে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা হয় প্রতিদিন পাঞ্জাবিরা সেখানে যাতায়াত করত। সেই ঝুলন্ত উলঙ্গ যুবতীদের, কেউ এসে তাদের উলঙ্গ দেহের কোমরের মাংস ব্যাটন দিয়ে উন্মত্তভাবে আঘাত করতে থাকত, কেউ তাদের বক্ষের স্তন কেটে নিয়ে, কেউ হাসতে হাসতে তাদের যৌনিপথে লাঠি ঠুকিয়ে আনন্দ উপভোগ করত, কেউ ধারালো চাকু দিয়ে কোনো যুবতীর পাছার মাংস আস্তে আস্তে কেটে আনন্দ উপভোগ করত, কেউ উঁচু চেয়ারে দাঁড়িয়ে উন্মুক্ত বক্ষ মেয়েদের স্তনে মুখ লাগিয়ে ধারালো দাঁত দিয়ে স্তনের মাংস তুলে নিয়ে আনন্দে অট্টহাসি করত……

    ……… প্রতিদিন এভাবে বিরামহীন প্রহারে মেয়েদের দেহের মাংস ফেটে রক্ত ঝরছিল, মেয়েদের কারও মুখের সামনের দিকে দাঁত ছিল না, ঠোঁটের দু’দিকের মাংস কামড়ে, টেনে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছিল, লাঠি ও লোহার রডের অবিরাম পিটুনিতে প্রতিটি মেয়ের আঙুল, হাতের তালু ভেঙে, থেতলে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এসব অত্যাচারিত ও লাঞ্ছিত মহিলা ও মেয়েদের প্রস্রাব ও পায়খানা করার জন্য হাতের ও চুলের বাঁধন খুলে দেওয়া হতো না একমুহূর্তের জন্য। হেডকোয়ার্টারের ওপরতলায় বারান্দায় এই ঝুলন্ত উলঙ্গ মেয়েরা হাত বাঁধা অবস্থায় লোহার তারে ঝুলে থেকে সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করত……

    ……উন্মত্ত পাঞ্জাবি সেনারা এই নিরীহ বাঙালি মেয়েদের শুধুমাত্র ধর্ষণ করেই ছেড়ে দেয় নাই পাকসেনারা সেই মেয়েদের ওপর পাগলের মতো উঠে ধর্ষণ করছে আর ধারালো দাঁত বের করে বক্ষের স্তন ও গালের মাংস কামড়াতে কামড়াতে রক্তাক্ত করে দিচ্ছে, ওদের উদ্যত ও উন্মত্ত কামড়ে অনেক মেয়ের স্তনসহ বক্ষের মাংস উঠে আসছিল, মেয়েদের গাল, পেট, ঘাড়, বক্ষ, পিঠের ও কোমরের অংশ ওদের অবিরাম দংশনে রক্তাক্ত হয়ে গেল। যে-সকল বাঙালি যুবতী ওদের প্রমত্ত পাশবিকতার শিকার হতে অস্বীকার করলে তৎক্ষণাৎ পাঞ্জাবি সেনারা ওদের চুল ধরে টেনে এনে স্তন ছোঁ মেরে টেনে ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে ওদের যৌনি ও গুহ্যদ্বারের মধ্যে বন্দুকের নল, বেয়নেট ও ধারালো ছুরি ঢুকিয়ে দিয়ে সেই বীরাঙ্গনাদের পবিত্র দেহ ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছিল……

    ……অনেক পশু ছোট ছোট বালিকার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে ওদের অসার রক্তাক্ত দেহ বাইরে এনে দু’জনে দু’পা দু’দিকে টেনে ধরে চড়চড়িয়ে ছিঁড়ে ফেলে দিল। পাঞ্জাবিরা শ্মশানের লাশ যে-কোনো কুকুরের মতো মদ খেয়ে সব সময় সেখানকার যার যে মেয়ে ইচ্ছা তাকেই ধরে ধর্ষণ করছিল। শুধু সাধারণ পাঞ্জাবি সেনারাই এই বীভৎস পাশবিক অত্যাচারে যোগ দেয় নাই, সকল উচ্চপদস্থ পাঞ্জাবি সামরিক অফিসারই মদ খেয়ে হিংস্র বাঘের মতো হয়ে দুই হাত বাঘের মতো নাচাতে নাচাতে সেই উলঙ্গ বালিকা, যুবতী ও বাঙালি মহিলাদের ওপর সারাক্ষণ পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ কাজে লিপ্ত থাকত। কোনো মেয়ে, মহিলা যুবতীকে এক মুহূর্তের জন্য অবসর দেওয়া হয় নাই, ওদের উপর্যুপরি ধর্ষণ ও অবিরাম অত্যাচারে সেখানেই রক্তাক্ত দেহে কাতরাতে কাতরাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে অনেকে, পরের দিন এ সকল মেয়ের লাশ অন্যান্য মেয়েদের সম্মুখে ছুরি দিয়ে কেটে কুটি কুটি করে বস্তার মধ্যে ভরে বাইরে ফেলে দিত। এ সকল মহিলা, বালিকা ও যুবতীদের নির্মম পরিণতি দেখে অন্য মেয়েরা আরও ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ত এবং স্বেচ্ছায় পশুদের ইচ্ছার সম্মুখে আত্মসমর্পণ করত………

    ……যে-সকল মেয়ে প্রাণে বাঁচার জন্য ওদের সাথে মিল দিয়ে ওদের অতৃপ্ত যৌনক্ষুধা চরিতার্থ করার জন্য সর্বতোভাবে সহযোগিতা করে তাদের পেছনে ঘুরে বেড়িয়েছে, তাদের হাসি-তামাশায় দেহ দান করেছে তাদেরও ছাড়া হয় নাই। পদস্থ সামরিক অফিসাররা সেই সকল মেয়েদের ওপর সম্মিলিতভাবে ধর্ষণ করতে হঠাৎ একদিন তাকে ধরে ছুরি দিয়ে তার স্তন কেটে, পাছার মাংস কেটে, যৌনি ও গুহ্যদ্বারের মধ্যে সম্পূর্ণ ছুরি চালিয়ে দিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে ওরা আনন্দ উপভোগ করত………

    প্রতিদিন রাজারবাগ পুলিশ লাইনের ব্যারাক থেকে এবং হেডকোয়ার্টার অফিসের ওপরতলা হতে বহু ধর্ষিত মেয়ের ক্ষতবিক্ষত বিকৃত লাশ ওরা পায়ে রশি বেঁধে নিয়ে যায় এবং সেই জায়গায় রাজধানী থেকে ধরে আনা নতুন নতুন মেয়েদের চুলের সাথে ঝুলিয়ে বেঁধে নির্মমভাবে ধর্ষণ আরম্ভ করে দেয়। এসব উলঙ্গ নিরীহ বাঙালি যুবতীদের সারাক্ষণ সশস্ত্র পাঞ্জাবি সেনারা প্রহরা দিত। কোনো বাঙালিকেই সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না…”

(পাকিস্তানী জেনারেলদের মনঃ মুনতাসির মামুন)


    “২৬ মার্চ ১৯৭১, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেয়েদের ধরে আনা হয়। মেয়েরা আসা মাত্রই সৈনিকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। তারা ব্যারাকে ঢুকে প্রতিটি মহিলা এবং বালিকার পরনের কাপড় খুলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে ধর্ষণে লিপ্ত হতে থাকে। …পাকসেনারা ধর্ষণ করেই থেকে থাকেনি, সেই মেয়েদের বুকের স্তন ও গালের মাংস কামড়াতে কামড়াতে রক্তাক্ত করে দেয়, মাংস তুলে নেয়। মেয়েদের গাল, পেট, ঘাড়, বুক, পিঠ ও কোমরের অংশ তাদের কামড়ে রক্তাক্ত হয়ে যায়। এভাবে চলতে থাকে প্রতিদিন। যেসব মেয়ে প্রাথমিকভাবে প্রতিবাদ করত তাদের স্তন ছিড়ে ফেলা হত, যোনি ও গুহ্যদ্বারের মধ্যে বন্দুকের নল, বেয়নেট ও ধারালো ছুরি ঢুকিয়ে হত্যা করা হত। বহু অল্পবয়স্ক বালিকা উপর্যুপরি ধর্ষণে নিহত হন। এর পরে লাশগুলো ছুরি দিয়ে কেটে বস্তায় ভরে বাইরে ফেলে দেওয়া হত।”

(যুদ্ধ ও নারী)


ধর্ষণে লিপ্ত এক পাকিস্তানী মেজর তার বন্ধুকে চিঠি লিখেছে;

    “আমাদের এসব উশৃঙ্খল মেয়েদের পরিবর্তন করতে হবে যাতে এদের পরবর্তী প্রজন্মে পরিবর্তন আসে, তারা যেন হয়ে ওঠে ভালো মুসলিম এবং ভালো পাকিস্তানী”

    “We must tame the Bengali tigress and change the next generation Change to better Muslims and Pakistanis”

স্বাধীনতার পর ধর্ষিতা বাঙালী মহিলাদের চিকিৎসায় নিয়োজিত অষ্ট্রেলিয় ডাক্তার জেফ্রি ডেভিস গনধর্ষনের ভয়াবহ মাত্রা দেখে হতবাক হয়ে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে আটক পাক অফিসারকে জেরা করেছিলেন যে তারা কিভাবে এমন ঘৃণ্য কাজ-কারবার করেছিল। অষ্ট্রেলিয় চিকিৎসক বিচলিত হলেও পাক অফিসারদের সাচ্চা ধার্মিক হৃদয়ে কোন রকম রেখাপাত ঘটেনি। তাদের সরল জবাব ছিল,

    “আমাদের কাছে টিক্কা খানের নির্দেশনা ছিলো যে একজন ভালো মুসলমান কখনই তার বাবার সাথে যুদ্ধ করবে না। তাই আমাদের যত বেশী সম্ভব বাঙালী মেয়েদের গর্ভবতী করে যেতে হবে।”

    “We had orders from Tikka Khan to the effect that a good Muslim will fight anybody except his father. So what we had to do was to impregnate as many Bengali women as we could.”

আপনারা কি লক্ষ্য করেছেন টিক্কা খান কতোটা সফল ছিলেন ?

পাকিস্তানীরা হেরে গেলেও আমাদের সাচ্চা পাকিস্তানী করে রেখে গেছে। রাস্তা ঘাটে পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলার লোকের অভাব হয় না। লোকটা আসলেই মাস্টারমাইন্ড ছিলো। খেয়াল করবেন এরা সবসময় গুড মুসলিম আর গুড পাকিস্তানী শব্দদুটো একসাথে বসায়। অর্থাৎ “গুড মুসলিম=গুড পাকিস্তানী”। একদম এ প্রজন্মের বাঙ্গালীদের মত যারা বলে, পাকিস্তানীরা মুসলিম তাই ওদের সমর্থন করি।

আর পরবর্তী প্রজন্মেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পাকিস্তানের বীজ ঔরসে ধারণ করতে
তাই আজও গ্যালারিতে প্ল্যাকাড উঁচু হয়।

“আফ্রিদি ম্যারি মি…”

পাকিবাহিনী বলুন আর যে কোনো ধর্ষণকারীই বলুন- এরা আসলে মানুষের পর্যায়ে পড়ে না। এদেরকে পশু বললেও পশুজাতির অবমাননা করা হয়। তাই এদের শুধুই ঘৃণ্য ধর্ষণকারী নামে গণ্য করা হোক। এখন বলুন মোদ্দা কথা একাত্তরের নারী ধর্ষণে নারী সমানভাবে দায়ী হয় কিভাবে। যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা হয়, যখন সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে তাদের স্ত্রী-কন্যাদের উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়, তখনও কি আপনারা বলবেন যে নারী নিজেই তার ধর্ষণের জন্য দায়ী?

কারো কাছে কি কোনো যুক্তি আছে কেন ২ বছরের শিশুকে ধর্ষিতা হতে হয়?
উপরের সবগুলো ঘটনায় নারী কিভাবে ধর্ষণের জন্য সমানভাবে দায়ী কেউ কি বলতে পারে?

আসলে ধর্ষণের জন্য নারী নয়, শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র ধর্ষনকারীর বিকৃত মানসিকতাই এককভাবে দায়ী। ধর্ষণকারী কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের কেউ নয়। ধর্ষণকারী নারীর পোশাক, বয়স, আচরণ কোনো কিছুই আমলে নেয় না। বিকৃত কাম চরিতার্থে নারীরা এদের শিকার হয়। ধর্ষণকারীর পক্ষে তাই কোনো সাফাই নয়। এদের দরকার উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সেইসঙ্গে যথাযথ চিকিত্সা।

৯১ সাল থেকে মোটামুটিভাবে দেশ পরিচালনা নারীদের হাতে ছিল। এবার মন্ত্রীসভায় শুরুতে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, শ্রম সবকিছুতেই নারীরা ছিল। কিন্তু তাতে দেশের নারী সমাজের বিড়ম্বনা কমেনি বরং বেড়েছে। কিছুদিন আগেই সংসদে মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী নারী নির্যাতন, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং নারী ধর্ষণ বেড়েছে। সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ৫০ হাজার ৬৯৯টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এসময়ে ১২ হাজার ৭৫০ জন নারী ধর্ষিত হয়েছেন। এটি আগের সকল রেকর্ডকে ছাড়িয়ে

যাদের মনে হয় পোশাক ধর্ষণের কারণ তারা আদতে আত্মমর্যাদাহীন পুরুষ, এরা এমনই নিচ যে নিজের মাতৃগর্ভকেও এরা প্রতিদিন কলঙ্কিত করে, ধর্ষণের সমর্থনকারী আদতে একজন মানসিক রোগী এবং একজন অপরাধীও বটে। কারণ এদের সাফাই আরেকটা ধর্ষণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দেশে,

মোদ্দা কথা ধর্ষণে উস্কানিদাতা, এক হাতে তালি বাজে না টাইপের কথা যারা বলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা জরুরী। কি কি আচরণ ‘যৌন হয়রানী’ তা পরিস্কার ভাবে উল্লেখ করা নতুন আইন করতে হবে। যৌন হয়রানী’র শাস্তি কি হবে তা নতুন করে আইনের আওত্তায় আনতে হবে। হেনস্থামূলক লোভাতুর দৃষ্টি; কামাতুর দৃষ্টি, কথা মন্তব্য চাকুরি ব্যবসা যে কোন স্থানে করলে তার শাস্তি কি সেসব আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

এবং এসব প্রতিষ্ঠিত হলেই, ধর্ষকদের সাথে সাথে এসব সাফাইকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা গেলেই কেবল ধর্ষণের হার কমানো সম্ভব।

Learning a second language can have a positive effect on the brain, even if it is taken up in adulthood, a University of Edinburgh study suggests.

Researchers found that reading, verbal fluency and intelligence were improved in a study of 262 people tested either aged 11 or in their seventies.

A previous study suggested that being bilingual could delay the onset of dementia by several years.

The study is published in Annals of Neurology.

The big question in this study was whether learning a new language improved cognitive functions or whether individuals with better cognitive abilities were more likely to become bilingual.

Dr Thomas Bak, from the Centre for Cognitive Ageing and Cognitive Epidemiology at the University of Edinburgh, said he believed he had found the answer.
Continue reading the main story   
“Start Quote

    Millions of people around the world acquire their second language later in life. Our study shows that bilingualism, even when acquired in adulthood, may benefit the ageing brain”

Dr Thomas Bak University of Edinburgh

Using data from intelligence tests on 262 Edinburgh-born individuals at the age of 11, the study looked at how their cognitive abilities had changed when they were tested again in their seventies.

The research was conducted between 2008 and 2010.

All participants said they were able to communicate in at least one language other than English.

Of that group, 195 learned the second language before the age of 18, and 65 learned it after that time.
Strong effects

The findings indicate that those who spoke two or more languages had significantly better cognitive abilities compared to what would have been expected from their baseline test.

The strongest effects were seen in general intelligence and reading.

The effects were present in those who learned their second language early, as well as later in life.

Dr Bak said the pattern they found was "meaningful" and the improvements in attention, focus and fluency could not be explained by original intelligence.

"These findings are of considerable practical relevance. Millions of people around the world acquire their second language later in life. Our study shows that bilingualism, even when acquired in adulthood, may benefit the aging brain."

But he admitted that the study also raised many questions, such as whether learning more than one language could also have the same positive effect on cognitive ageing and whether actively speaking a second language is better than just knowing how to speak it.

Dr. Alvaro Pascual-Leone, professor of medicine at Harvard Medical School in Boston, US, said: "The epidemiological study provides an important first step in understanding the impact of learning a second language and the ageing brain.

"This research paves the way for future causal studies of bilingualism and cognitive decline prevention."

Source: From AP, Reuters, AFP, and other news services

English / 5 Reasons Why You Should Not Eat Instant Noodles
« on: May 27, 2014, 03:46:58 PM »
5 Reasons Why You Should Not Eat Instant Noodles

Instant noodles or more commonly known as ramen is a popular food not only in the United States but also in many countries around the world. Instant noodles are widely available as cup noodles in the U.S. with popular brands that include Nissin Top Ramen, Sapporo Ichiban, and Maruchan Ramen. Other brands are also available in many Asian stores.

Instant noodles are popular snack foods among children and adult. Sometimes, they also serve as a convenient mealtime food especially while travelling. But while instant noodles can satisfy your hunger, there are some important facts that you should know about this food. And these health facts should serve as the top reasons why you should avoid consuming instant noodles and feeding them to your children.


1. Instant noodles contain substances that reduce the body’s nutrient absorption ability.

One of the health risks of instant noodles is that it reduces the body’s ability to absorb other nutrients from healthy foods such as fruits and vegetables. This food has a negative effect in the digestion process. If you are consuming instant noodles and then eat healthy foods later on, your body may not fully absorb the nutrients of the healthy foods because the instant noodles that you eat can affect your digestion even after several hours of eating.


2. Instant noodles are high in sodium content.

Another health risk of instant noodles is that they are normally high in sodium content which increases your risk of developing kidney stones and other kidney problems. The average amount of sodium in instant noodle cups is above 800 mg while according to the US RDA (Recommended Dietary Allowance), the maximum sodium intake per day should only be 2,400 mg. If you consume one cup of instant noodles, you are already consuming almost half of your daily intake of sodium.


3. Instant noodles are high in MSG.

A cup of instant noodles is also high in MSG or monosodium glutamate. There are people who are allergic to MSG or who get a burning sensation, headache, or chest pain after consuming instant noodles. MSG consumption is also link to other diseases including cancer.


4. Instant noodles contain propylene glycol.

Instant noodles also contain anti-freeze such as propylene glycol as humectants which help prevent noodles from drying. This ingredient brings about some of the health risks of instant noodles which include liver, heart and kidney problems, and a weakened immune system.


5. Instant noodles contain cancer-causing substances.

Instant noodles are packed with preservatives, anti-freeze and other ingredients that may cause cancer. Additionally, they are also packaged in cups which contain plasticizers and dioxin which are cancer-causing substances that may leach to the noodles once they are poured with hot water to cook the noodles.


Aside from containing substances which can pose some risks to your health, instant noodles are also low in nutritional value. They are not the best food to feed to your family. If you avoid consuming instant noodles, you can also avoid suffering from the health risks of instant noodles.


It is always good to think twice about what you feed your family especially your children. Don’t feed them with instant noodles which have low nutritional value and may give you numerous health risks.

One day Rose-Lynn Fisher wondered if her tears of grief would look different compared to her tears of joy, so she began to explore them up close under a microscope.

She studied 100 different tears and found that basal tears (the ones that our body produces to lubricate our eyes) are drastically different from the tears that happen when we are chopping onions. The tears that come about from hard laughter aren’t even close to the tears of sorrow. Like a drop of ocean water each tiny tear drop carries a microcosm of human experience. Her project is called The Topography of Tears.

Like snow flakes and fingerprints, no tears are alike. I can't believe the difference between all of these. If you found this post interesting, share it with others.

For more and those images of tears revealed under the microscope:!Mwig3

English / আত্মহত্যা, কেন করবেন?
« on: May 11, 2014, 11:44:54 AM »
মনের মানুষটি প্রতারণা করেছে? দূরে চলে গেছে? বিয়ের আসরে বিয়ে ভেঙ্গে গেছে? পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ এত পরিমাণে হয়েছে যে আর মুখ দেখাতে পারছেন না? চাকরী বাকরি নেই, বেকার? জীবনে এমন ভুল করেছেন, যেটা প্রকাশ হওয়ায় সমাজে আর মুখ দেখানো দায় হয়ে পড়েছে? সর্বোপরি জীবনের প্রতি প্রচণ্ড হতাশ, তাই দুনিয়াতে আর বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করছে না?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে এর একমাত্র সমাধান আত্মহত্যা!! প্রিয় পাঠক একটু! এটা আমাদের কথা নয়। সমাজে বিভিন্ন স্তরে যে সকল আত্মহননের ঘটনা ঘটে তার পেছনের কারণগুলো। আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর কথা হল, এই ঘটনাগুলো বেড়েই চলছে। এই লেখাটা আসলে তাদের জন্য নয় যারা না ফেরার দেশে চলে গেছে, বরং এটি আমরা যারা সুস্থ ও স্বাভাবিক আছি তাদের জন্য বেশী জরুরী।

আত্মহত্যার পথ যে বেছে নেয় সে অবশ্যই মানসিক রোগী। আর দুনিয়ায় এই একটি মাত্র রোগ আছে যা আগে থেকে কখনই নির্ণয় করা যায় না। যেহুতু আমাদের সমাজে যদি একবার রাষ্ট্র হয়ে যায় যে আপনি মানসিক ডাক্তারের কাছে পরামর্শ বা চিকিৎসা নিতে গিয়েছেন, তাহলে পদে পদে আপনাকে পাগল ডাক শুনতে হবে। আর এই ব্যাপারটা যে আত্মহত্যা করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার জন্য বন্দুক এর সামনে থেকে ফিরিয়ে এনে কামানের সামনে দাঁড় করানোর মত। তাহলে কি করবেন? ডাক্তার দেখাবেন না?

অবশ্যই দেখাবেন। তবে একটু গোপনীয়তা রেখে। তার আগে কিভাবে বুঝবেন আপনার সন্তান, ভাই বোন বা প্রিয়জন আত্মহত্যার মতো ভয়ঙ্কর পথ বেছে নিয়েছে। আগেই বলেছি এর কোন সঠিক উপসর্গ নেই। তবে চরিত্রগত কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। যেমন-

অস্বাভাবিক ভাবে চুপ চাপ হয়ে যাওয়া
একা একা বেশী সময় কাটানোর প্রবণতা
মেজাজ অকারণে খিটখিটে
প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত কথা বলা। অকারণে হাসা
কোন প্রশ্নের জবাব জিজ্ঞাসা করলে, উত্তর না দিয়ে উদাস থাকা
বন্ধু বান্ধবীদের সাথে সম্পর্ক না রাখা বা অনেক কম রাখা।

আর আত্মহত্যা করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যক্তিটি যদি আপনি হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। এরকম একটা সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। আপনার জীবন, আপনি রাখবেন না ফেলে দিবেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার, আমরা নাক গলানোর কে? তাই, আপনার ইচ্ছা হলো তাই আত্মহত্যা করে ফেলুন। তবে তার আগে

আপনার মায়ের ঘুমন্ত মুখের দিকে একবার গভীরভাবে চেয়ে দেখুন। আপনি মারা যাবার পর লাশ হয়ে ঠিকই ঘুমাবেন কিন্তু আপনার মায়ের নিশ্চিন্ত স্বপ্নাতুর ঘুম সারাজীবনের জন্য হারিয়ে যাবে। প্রতিরাতে উনি বিছানায় যাবেন কয়েক হাজারটন ওজনের পাথর বুকে নিয়ে।
আপনার বাবার সারাদিন বাইরে কাজ করে ঘরে ফেরার মুহূর্তের সময়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে আপনার সিদ্ধান্তের কথা একবার ভাবুন। তার নতুন জামা কাপড় হয়েছে কি না আপনি জানেন না, অথচ দিনের পর দিন আপনার মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে সব খরচ মুখ বুজে দিয়ে গেছেন উনি।
আপনার ছোট বোন থাকলে চুপি চুপি তার স্বপ্নমাখা চোখের দিকে তাকান। আপনার আত্মহত্যার কারণে আপনার বোনের ভবিষ্যৎ জীবন কতটুকু অনিশ্চিত হয়ে পড়বে ভেবে দেখেছেন? তাঁর স্কুল-কলেজ, বিয়ে পদে পদে কথা শুনতে হবে।

যেহেতু আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন আত্মহত্যা করবেন, তাই দিন ঠিক করে ফেলুন। তার আগে অন্তত ঘোরাঘুরির জন্য দুইদিন সময় রাখুন।

প্রথমদিন। রেললাইনের পাশে বা কোন বস্তিতে যান। ডাস্টবিন থেকে তুলে আনা খাবার নিয়ে সুন্দরমত ভাগ করে খাচ্ছে দুই থেকে দশ বারো বছরের কয়েকটি শিশু। ডাস্টবিনের খাবারতো দুরের কথা জীবনে কখনো ডাস্টবিনের দিকে পাঁচমিনিট তাকিয়ে থেকেছেন? খাবারের কষ্ট কি কখনো জানেন? পারলে ওদের সাথে একবার খেতে বসুন।

দ্বিতীয়দিন। যেহুতু আপনার মৃত্যুর পর পোস্টমরটেম রিপোর্টের জন্য লাশ সরকারী হাসপাতালে পাঠাবে, তাই, আগেই একবার হাসপাতাল ঘুড়ে আসুন। শিশু ওয়ার্ডে একবার ঢুঁ দেন। দেখতে পাবেন দুনিয়ার অস্কার বিজয়ী সব করুন সিনেমাগুলো। এক একটি শিশু জীবনের সাথে কষ্ট করছে আর তার মাথার কাছে মা বসে আছে, ডাক্তারের চিকিৎসা ফেল করলেও নিজের জীবন দেবার জন্য প্রস্তুত মা। এক কাজ করতে পারেন। একটু বার্ন ইউনিট ঘুড়ে আসতে পারেন। দুনিয়ার আগুনে পুড়ে যাওয়া মানুষের আত্মচিৎকার শুনতে পাবেন। তারপর ভেবে দেখতে পারেন, পরকাল বলে যদি কিছু থাকে তাহলে আপনার অবস্থা কি হবে? সকল ধর্মেই “আত্মহত্যা মহাপাপ।”

English / Flower Miracle - Bloom When hear the Azan - CNN
« on: May 04, 2014, 01:18:24 PM »
For more follow this video link published last year in YouTube:

What was it hibernation state / ...???
যদি সত্য হয়, তাহলে অবাক হবার মতোই। এ দুনিয়ায় এর আগে এরকম নজির আর একটিমাত্র আছে। প্রথমটি ঘটেছিল নাইজেরিয়ায়, এবারেরটি মার্কিন মুল্লুকে।

ভেবে দেখুন, মাটি থেকে ৩৫ হাজারেরও বেশি ফুট উচ্চতায় এবং মাইনাস ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বিমানের চাকার ফাঁকে বসে ভ্রমণ করে দিব্যি বেঁচে আছে এক কিশোর। তার ভ্রমণকাল ছিলো সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার।

বাবা-মায়ের সঙ্গে রাগ করেই ক্যালিফোর্নিয়ার বাড়ি থেকে পালিয়েছিল সে। আর কোনো কিছু না বুঝেই নিরাপত্তাকর্মীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে রানওয়ে পেরিয়ে গিয়ে বসে পড়ে  হাওয়াইয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের চাকার ফাঁকে, যে জায়গাটিকে বলা হয় ‘হুইলস ওয়েল’।খবর: ভারতীয় গণমাধ্যম।

নির্দিষ্ট সময়ে বিমানটি ছেড়ে যায় মাউই বিমানবন্দরের দিকে। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার আকাশ পথ। বিমানের মতোই নিরাপদে অবতরণ করার পর ‘হুইলস ওয়েল’ থেকে নেমে উদভ্রান্তের মতোই এদিক-সেদিক করতে থাকে সেই কিশোর। তখনি তার উপর নজর পরে নিরাপত্তারক্ষীদের। প্রথমে জঙ্গি ভেবে হইচই শুরু হয়ে যায়। পরে পুরো দেহ তল্লাশি চালিয়ে ওই কিশোরের কাছ থেকে একটি চিরুনি ছাড়া আর কিছুই উদ্ধার করতে পারেনি নিরাপত্তাকর্মীরা।

পরে তাকে নিয়ে ভর্তি করা হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে। এখনো পর্যন্ত খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি তার দেহে। তবে এখনো কোনো মামলায় জড়ানো হয়নি বেঁচে আসা ওই কিশোরকে। বরং কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে বের করার চেষ্টা করছেন কীভাবে নিরাপত্তার ফাঁক গলে কিশোরটি বিমানের চাকায় স্থান নিলো।

কিন্তু এটি কী করে সম্ভব? ৩৫ হাজারেরও বেশি ফুট উচ্চতায়, যেখানে কোনো অক্সিজেন নেই, তার উপর মাইনাস ৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা- সেখানে কীভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব? এটা মিরাকল নয় কি? এমন প্রশ্ন কিন্তু অনেকের।

এক দল চিকিৎসক অবশ্য এর একটা ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন। তারা বলছেন, এই ধরনের পরিবেশে কিশোরটি হয়তো ‘হাইবারনেশন’-এ চলে গিয়েছিল। এতে শরীরে বিপাক ক্রিয়া ঘটে না বললেই চলে। শ্বাসপ্রশ্বাস চলে খুব ধীরে ধীরে। নাড়ির গতিও থাকে সামান্য। দেহের তাপমাত্রাও খুব কমে যায়।
বিপাক ক্রিয়া যেহেতু একেবারে কমে যায়, তাই অল্প শক্তির ব্যবহারেই বেঁচে থাকা সম্ভব হয়। প্রতিকূল অবস্থায় খাপ খাইয়ে নিতে মানুষের শরীরে এ ধরনের পরিবর্তন ঘটতে পারে। এ ভাবে বেঁচে থাকাকেই বিজ্ঞানের ভাষায় ‘হাইবারনেশন স্টেট’ বলে।

কিন্তু তাতে যেন ঠিক ভরসা রাখতে পারছেন না মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই।

এফবিআই এর কর্মকর্তা সিমন বলেন, “ওর ভাগ্য ভাল। নয়তো সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা এভাবে...!”

একই বক্তব্য দেন হাওয়াইয়ান এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র অ্যালিসন ক্রোয়েলেরও। তিনি জানান, “ছেলেটির শরীর-স্বাস্থ্য নিয়েই চিন্তিত আমরা। যদিও প্রাথমিক পরীক্ষায় খারাপ কিছু ধরা পড়েনি।”

বিমানের চাকায় ভ্রমণ করতে গিয়ে মৃত্যুর খবর এর আগেও এসেছে। তবে প্রথমবার জীবিত ফিরেছিলো নাইজেরিয়ার ১৪ বছরের এক কিশোর। সে অবশ্য ভ্রমণ করেছিল মাত্র ৩৫ মিনিট। বিজ্ঞানীরা তখন বলেছিল, “মাত্র ৩৫ মিনিটের ভ্রমণ ছিল বলেই প্রাণে রক্ষা পেয়েছিল সে।

কিন্তু এবার? হাইবারনেশনের তত্ত্বও বিশ্বাস করতে পারছেন না অধিকাংশ লোকই।

তাদের দাবি, “যা শুনছি, তার বাইরেও হয়তো অন্য কোনও গল্প আছে।”

বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৬ ঘণ্টা, এপ্রিল ২২, ২০১৪

English / Apps to help avoid unwanted encounters (Source: Google Play)
« on: April 02, 2014, 12:12:26 PM »
Trying to avoid an awkward encounter with an ex? Fearful of an embarrassing meeting after an argument? New apps can help people avoid bumping into others and provide escape routes if they do.

By logging on to Facebook and other social networking sites, users can choose people they do not want to see.

"Everybody has somebody they want to avoid," said Udi Dagan, chief executive officer of Israel-based technology company Split. "For some people, it's their exes; for others, it's their bosses or even relatives that they don't feel like bumping into during their free time."

With Split, a free app for iOS and Android devices, users log on to Facebook and select people from their social network they do not want to meet. The app sends an alert when they are nearby and shows a route on a map to avoid them.

The Cloak app for iOS works in a similar way through Foursquare or Instagram, sending a notification if the person comes from within half a block to 2 miles away.

"You can tap on someone and flag them," said Brian Moore, co-founder of Cloak, a New York-based company. "That means you'll get background notifications whenever they come close to you."

The creators of the apps, which are available worldwide, said all the information was already publicly available and that they were simply aggregating it into one place.

Split and Cloak gather location data from social network updates and check-ins. Photo-sharing network Instagram includes location data whenever a photo is uploaded. Both apps gather data from Foursquare and Instagram, and Split gets additional data from Facebook and Twitter.

The information is as accurate as a person's last update or check-in that contained his or her location.

Split also collects data from people using their app, and allows them to hide their location so others cannot see where they are.

Some people may consider the apps anti-social, but Moore does not.

"Anti-social is when you never want to see anybody," he said. "In reality, everyone has a side where they just want to be alone."

Craig Palli, chief strategy office at Boston-based mobile marketing company Fiksu, said the apps were an inevitable progression in the industry.

"So much of our lives have become open and public," he said." It's the first sign of a trend that people want to break from that."

Published on Feb 22, 2014

ভাষা নিয়ে আমাদের কতই না আবেগ। ২১ শে উদযাপন করি মহা ধুমধামে। ভাষা-প্রেম, ভাষা-গর্ব, আর ভাষা-প্রেমের বাস্তবতায় খুব সুক্ষ ভুলগুলিকে আমরা ভুল মনে করিনা। একজন মার্কিন নাগরিক একে বারে শুদ্ধ বাংলা ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন, একটু একটু করে আমরা নিজেরা কিভাবে মায়ের মুখ থেকে শব্দমালাগুলো নিজেদের মুখেই একটু একটু করে মেরে ফেলছি। যারা দেখবেন একবার, দ্বিত্বীয়বার এই ভুল করলে শুধরে নেবেন। তাহলে-ই বাচবে আপনার প্রিয় বাংলা ভাষা।

For video of the interview with this great American Lady:

Pages: 1 [2] 3 4