Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Tofazzal.ns

Pages: 1 ... 19 20 [21]
301
২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যখন সাকিবের অভিষেক হয়, তখন বিষয়টা এমন ছিল যে, বাংলাদেশ নিজেদের দিনে যে কোন দলকে হারাতে পারে। সেই সময়ে বিশ্ব ক্রিকেটের র‍্যাংকিং-এ বাংলাদেশের কেউ একক রাজত্ব করে বেড়াবে, এমনটা ভাবা যেত না। দলে যখন কিছুটা পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে, সেই পথ ধরেই সাকিব আল হাসানের অন্তর্ভুক্তি। তারপর?

তারপর শুধুই একজন সাকিবের বিশ্বসেরা হয়ে ওঠার গল্প। ধীরে ধীরে হয়ে উঠলেন মিডল অর্ডারে বাংলাদেশের অন্যতম এক ব্যাটিং স্তম্ভ। নির্দিষ্ট জায়গায় টানা বল করে যাওয়ার অসাধারণ পারদর্শিতা তাকে বোলিংয়েও এনে দিল সাফল্য। ২০০৯ এর জানুয়ারিতে ওয়ানডেতে প্রথম বারের মত বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার নির্বাচিত হলেন। পুরো বিশ্ব তখন থেকে বুঝতে শিখলো- হ্যাঁ, আমরাও পারি। ঐ বছরই মাশরাফির ইনজুরিতে দল যখন নেতৃত্ব শঙ্কটে ভুগছে, তখন কাণ্ডারি হয়ে সেই সাকিবই আবির্ভূত হলেন। তার নেতৃত্বেই আসলো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট ও ওয়ানডেতে প্রথম হোয়াটয়াশ, জিম্বাবুয়ের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়, নিউজিল্যান্ডকে প্রথম বাংলাওয়াশ এবং বলাই বাহুল্য সবক’টিতেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন সাকিব। তাঁর সতীর্থরাও তাকে দেখে বার বার অনুপ্রাণিত হন, যার প্রতিফলন এখন বাংলাদেশ ক্রিকেটে উজ্জ্বল।

এরপর শুধু দেশের ক্রিকেটেই নয়, বিদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটেও তিনি আলো ছড়ালেন। আইপিএল, সিপিএল, বিগ ব্যাশ, কাউন্টি ক্রিকেট, চ্যাম্পিয়ন’স লিগ- সব জায়গাতেই তার সরব উপস্থিতি। যখন ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে তাঁর ৪-১-৬-৬ বোলিং ফিগার দেখে বিশ্বের ক্রিকেট বোদ্ধারা নির্বাক হয়ে যান, বিগ ব্যাশ বা কাউন্টি ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকাররা যখন একজন সাকিব এবং সাথে বাংলাদেশ ক্রিকেটেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন, যখন ইডেন গার্ডেনসে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে ৭০ হাজার দর্শক ‘সাকিব সাকিব’ ধ্বনিতে বুদ হয়ে থাকে তখন আসলে একজন বাংলাদেশী ক্রিকেট ভক্তের আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মত থাকে না।

আজ সেই সাকিবই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০, তিন ফরমেটেই বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার। এক টেস্টে শতরান ও ১০ উইকেট নিয়ে বসেছেন স্যার ইয়ান বোথাম এবং ইমরান খানের মত কিংবদন্তির পাশে। আর বাংলাদেশ ক্রিকেট? সেটা এখন এমনই উচ্চতায় যে পাকিস্তানকে হোয়াইটয়াশ করার ঘটনাও এখন অনুমেয়ই মনে হয়। বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট নানা সময়ে নানা কিংবদন্তির হাত ধরে বদলে গেছে। গত এক দশকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই যে অগ্রগতি, সেখানেও কিন্তু সাকিব আল হাসান নামক এক নক্ষত্রের প্রতিচ্ছবি বরাবরই দৃশ্যপটে তাঁর বর্ণিল আলো ছড়িয়ে যায়।

302
This is a good news for us and good opportunity.....

303
BCS Cadre / Re: Seven important information about BCS
« on: May 22, 2015, 05:10:45 PM »
Necessary information for job seeker.......

304
BCS Cadre / Some important general knowledge for BCS
« on: May 22, 2015, 05:06:36 PM »
প্রশ্ন : ফারো সেতুটি কোন দেশে
অবস্থিত?
উত্তর : ডেনমার্ক।
প্রশ্ন : শিপকা গিরিপথের অবস্থান
কোথায়?
উত্তর : বুলগেরিয়া।
প্রশ্ন : ইউরো টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর : ৪৯ দশমিক ৮৮ কি.মি.।
প্রশ্ন : 'কার্নিভাল ডেস্টিনি' কোন
দেশের জাহাজ?
উত্তর : ইতালির।
প্রশ্ন : জাপানের প্রধান দুটি বন্দরের
নাম কী?
উত্তর : ইয়োকোহামা, ওসাকা।
প্রশ্ন : ফ্রান্সের বৃহত্তম বন্দরের নাম_
উত্তর : মার্সাই।
প্রশ্ন : মিরপুশ কোন দেশের
যাত্রীবাহী বিমান?
উত্তর : ফ্রান্স।
প্রশ্ন : সাগরগাভী নামে পরিচিত_
উত্তর : ডুগং।
প্রশ্ন : মাখন উৎপাদনে কোন দেশ
বিশ্বে প্রথম?
উত্তর : ভারত।
প্রশ্ন : কোন প্রজাতির ছাগলের লোম
থেকে পশম উৎপন্ন হয়?
উত্তর : অ্যাঙ্গোরা প্রজাতির ছাগল।
প্রশ্ন : বাক্য ও মনের অগোচরে_
এককথায় কী বলে?
উত্তর : অবাঙমানসগোচর।
প্রশ্ন : গোপন করার ইচ্ছা_ এককথায় কী
হবে?
উত্তর : জুগুপ্সা।
প্রশ্ন : 'বায়স', 'পরভৃৎ' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর : কাক।
প্রশ্ন : 'অহরহ'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ_
উত্তর : অহঃ+অহ।
প্রশ্ন : 'হাত ধুয়ে বসা' বাগধারার অর্থ
কী?
উত্তর : সাধু সাজা।
প্রশ্ন : ক, খ, গ, ঘ, ঙ বর্ণগুলোকে বলা হয়_
উত্তর : জিহ্বামূলীয়

305
This is a bad news and example for employee of Bangladesh.

306
কিশমিশ আমরা সকলেই খুব ভালো করে চিনি। যে কোনো মিষ্টি খাবারের স্বাদ এবং সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজেই আমরা কিশমিশ ব্যবহার করে থাকি। এছাড়াও অনেকে পোলাও, কোরমা এবং অন্যান্য অনেক খাবারে কিশমিশ ব্যবহার করেন। রান্নার কাজে ব্যবহার করলেও আমরা কিশমিশ সাধারণ ভাবে খাই না। অনেকে তো ভাবেন এমনি কিশমিশ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এই কথাটি আসলে সত্যি নয়। প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। আমরা সাধারনত উৎসব বা অনুষ্ঠানের রান্নায় কিশমিশ ব্যবহার করি। এছাড়া কেউ কিশমিশ খাই না। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিনই কিশমিশ খাওয়া উচিৎ। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার কার্যকর কিছু কারন।

** দেহে শক্তি সরবরাহ করে
যদি দুর্বলতা অনুভব করেন তাহলে দেরি না করে কিছু কিশমিশ খেয়ে নিন। কিশমিশে রয়েছে চিনি, গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ তা তাৎক্ষণিকভাবে আপনার দেহে এনার্জি সরবরাহ করবে। (ডায়বেটিসের রোগীদের জন্য প্রযোজ্য নয়)।

**দাঁত এবং মাড়ির সুরক্ষায় কিশমিশ
বাচ্চারা ক্যান্ডি ও চকলেট খেয়ে দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করে থাকে। কিন্তু বাচ্চাদের ক্যান্ডি বা চকলেটের পরিবর্তে কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করালে দাঁতের সুরক্ষা হবে। অনেকে ভাবতে পারেন কিশমিশে তো চিনি রয়েছে। কিন্তু চিনি থাকার পাশাপাশি কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যা মুখের ভেতরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয়।

**হাড়ের যত্নে কিশমিশ
কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, যা হাড় মজবুত করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। কিশমিশে আরও রয়েছে বোরন নামক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস যা হাড়ের ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের ক্ষয় এবং বাতের ব্যথা থেকে দূরে রাখবে।

**ইনফেকশন হতে বাঁধা প্রদান করে
কিশমিশের মধ্যে রয়েছে পলিফেনলস এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা কাঁটা ছেড়া বা ক্ষত হতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা দূরে রাখে।

**ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের দেহের কোষগুলোকে ফ্রি র্যা ডিক্যাল ড্যামেজের হাত থেকে রক্ষা করে এবং ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন হওয়ায় বাঁধা প্রদান করে। কিশমিশে আরও রয়েছে ক্যাটেচিন যা পলিফেনলিক অ্যাসিড, এটি আমাদের ক্যান্সার মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

**কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের পরিপাকক্রিয়া দ্রুত হতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।


307
Business Administration / Re: Knowledge Management
« on: May 21, 2015, 04:55:40 PM »
Thanks for sharing this knowledgeable post.....

308
Important and necessary information...Please give further information for increasing our knowledge.....

309
চীনের বেইজিং ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটিতে আগামী বছর থেকে বাংলা বিভাগ চালু করা হবে। চীনের বেইজিং ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির উপ-পরিচালক অধ্যাপক ড. মা লিনের নেতৃত্বে দুই সদস্যবিশিষ্ট এক প্রতিনিধিদল আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে তার অফিসে সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্য ছিলেন- চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ইয়াং ওয়েই মিং।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা বলা হয়। সাক্ষাৎকালে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের বেইজিং ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত যৌথ সহযোগিতামূলক কার্যক্রম চালুসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, বেইজিং ফরেন স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী বছর থেকে বাংলা বিভাগ চালু করা হবে। এ ক্ষেত্রে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
উপাচার্য চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ চালুর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সকল সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ বিষয়ে শিগ্গিরই একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ব্যাপারেও তারা ঐকমত্য পোষণ করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বেইজিং ফরেন স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করায় চীনা প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।

310
দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম যে বোঝেনা পরবর্তীতে কোন এক সময়ে তাকে এর খেসারত দিতে হয়। দাঁত ব্রাশে আলসেমি, দাঁতে সামান্য সমস্যায় চিকিৎসা না করা একসময় অনেক বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। জরিপে দেখা যায় প্রায় ৫৫% পূর্ণবয়স্ক মানুষ ঘুমের আগে দাঁত ব্রাশ করেন না। ফলে দাঁতের এবং দাঁতের মাড়ির নানা সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমস্যার মধ্যে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া অন্যতম কারণ। এই সমস্যা রোধে ঘরোয়া কিছু ব্যবস্থা নিতে পারেন, যা তাৎক্ষণিক ভাবে সমস্যা উপশম করবে। মাড়িকে সুরক্ষা দিতেও ভালো কাজ করবে। তাহলে, জেনে নিন এর প্রতিকার সমূহঃ
 
১. নিয়মিত ব্রাশ এবং ফ্লস করা : অনিয়মিত ব্রাশ করার কারণে অনেক সময় দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়। তাই নিয়মিত ব্রাশ করার অভ্যাস করা উচিৎ। ব্রাশের পাশাপাশি ফ্লস করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ ফ্লসের মাধ্যমে মাড়িতে আটকে থাকা খাদ্যকনা দূর হয়। ফলে ব্যকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
২. অ্যালোভেরা  :  অ্যালোভেরার জেল বের করে মাড়িতে ঘষে নিন। এরপর অ্যালোভেরার জেলটি খানিকক্ষণ মুখে রেখে কুলি করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
৩. লবঙ্গ : লবঙ্গের অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান মাড়ির রক্ত পড়া দ্রুত বন্ধ করে এবং দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করে। মাড়ির রক্ত পড়া রোধে দুটো লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবিয়ে চুষতে থাকুন। দেখবেন মাড়ির রক্ত পড়ার সমস্যা দূর হবে।
৪. লবণ পানির কুলকুচা : মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সব চায়ে সহজ একটি ঘরোয়া কাজ হচ্ছে লবণ ও কুসুম গরম পানির কুলকুচা করা। ১ মগ কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে দিনে ৩ বার কুলকুচা করুন। মাড়ির রক্ত পড়া সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।

311
মা দিবস। মায়ের প্রতি সমস্ত ভালোবাসা আর আবেগ প্রকাশের বিশেষ একটি দিন। আর এ বিশেষ দিনটির সূচনা করেছিলেন মার্কিন নাগরিক আনা জারভিস। মূলত মা দিবস পালনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিজের মা অ্যান জারভিসের স্বপ্নকেই পূরণ করেছিলেন জারভিস। ১৯০৮ সালের ১০ইমে নিজের শহর পশ্চিম ভার্জিনিয়া গ্রাফটন শহর আর ফিলাডেলফিয়াতে মা দিবস উদযাপন শুরু করেন জারভিস। গ্রাফটনে সশরীরে না গিয়ে একটি চার্চে ৫শ’টি কারনেশন ফুল পাঠিয়েছিলেন তিনি। জারভিসের মায়ের পছন্দের ফুল ছিল কারনেশন। আর তাই মা দিবসের প্রতীক হয়ে ওঠে কারনেশন ফুল। ১৯১৪ সালে মা দিবসকে আনুষ্ঠানিক ছুটি ঘোষণা করেন উইড্রো উইলসন। আর মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে বেছে নেয়া হয় দিবসটি পালনের জন্য।

**জারভিসের দৃষ্টিতে মা দিবস যেভাবে উদযাপনের কথা ছিল
আচমকা বাড়িতে গিয়ে মাকে চমকে দেয়া... কিংবা মাকে বড় করে কোন চিঠি লেখা... বেহিসেবী আর স্বতস্ফূর্ত আবেগ প্রকাশের মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট একটা দিনে বিশ্বজুড়ে মার প্রতি ভালোবাসার অভিপ্রকাশ ঘটাবে সন্তানেরা; এমনটাই ছিলো জারভিসের স্বপ্ন। তবে জারভিসের স্বপ্ন পর্যবসিত হয় স্বপ্ন-ভঙ্গে। বিকশিত বাজার-ব্যবস্থার অধীনে পণ্যায়িত হয় জারভিসের বিশুদ্ধ আবেগের ‘মা দিবস’।

**মা দিবসের বাজারিকরণের শুরু যেভাবে
যে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে মা দিবসের প্রবর্তন সে মাহাত্ম্য ক্রমশ বিলীন হয়ে যেতে থাকে পণ্যায়নের কাছে। আরসবকিছুর মতোই ‘মা দিবস’এর আবেগজনিত দুর্বলতাকেই পণ্য বানিয়ে ছাড়ে মুনাফাপ্রবণ বাজার। আবেগের পরিমাপ নির্ধারিত হয় আর্থিক মূল্যে। হাতে লেখা চিঠির জায়গায় ঠাঁই করে নেয় শুভেচ্ছা কার্ড আর ফুলের তোড়া। মা দিবসে মায়েদের শুভেচ্ছা জানাতে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক কার্নেশন ফুলেরও দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। একসময় জারভিস টের পান মে’ মাস আসলেই কারনেশন ফুলের দাম বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেই নিজের উদ্যোগের প্রতি তিক্ত হয়ে ওঠেন জারভিস। এ যেন তার আরেক সংগ্রাম। মা দিবস চালু করতে যে অসমতল পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠলো এর বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধের সংগ্রাম।
মা দিবস শুরু হওয়ার ক’বছর পরই ১৯২০ সালের শুরুর দিকে মায়েদের জন্য ফুল আর অন্য উপহার সামগ্রী কেনা থেকে সন্তানদের বিরত থাকতে বললেন জারভিস। এমনকি এর জন্য বাণিজ্যিক চেতনাধারী নিজের সাবেক সমর্থকদেরও বিরোধিতা করতে কুন্ঠাবোধ করেননি তিনি। তিনি দেখলেন যে ফুল ব্যবসায়ীরা মা দিবস প্রবর্তনে তাকে সহায়তা করেছিল তাদের অনেকেই ঝুঁকে পড়েছে মুনাফার দিকে। ফুল ব্যবসায়ী, শুভেচ্ছা কার্ড উৎপাদনকারী এবং কনফেকশনারিকে দস্যু, দালাল, ছেলেধরাসহ বিভিন্ন নামে আখ্যায়িত করে জারভিস বলেন, নিজেদের লোভ মেটাতে একটি প্রেমময়, সৎ ও আদর্শিক উদ্যোগকে খর্ব করার চেষ্টা করছে মুনাফাভোগীরা।

**মা দিবসের বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধে জারভিসের প্রচেষ্টা
মা দিবসকে ঘিরে ফুল ব্যবসায়ীদের বাজারমুখী প্রবণতা বন্ধ করতে নারী, স্কুল ও চার্চ গ্রুপগুলোর কাছে বিনামূল্যে ফুল পাঠালেন জারভিস। এমনকি ফুল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা করার ও মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের প্রতীক কার্নেশন ফুলকে ট্রেডমার্ক করার আবেদন করবেন বলে হুমকি দেন তিনি। জবাবে উল্টো জারভিসকেই প্রলোভিত করে মুনাফার জগতে সামিল করার চেষ্টা চালায় ফুল ব্যবসায়ীরা। তাঁকে কমিশন দেয়ার কথা বলা হয়। আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন অ্যানা জারভিস। কারনেশন ফুল দিয়ে মা দিবস উদযাপনে ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্টা বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন জারভিস।
১৯৩৪ সালে ইউনাইটেড স্টেটস পোস্টাল সার্ভিস থেকে মা দিবসকে সম্মান জানিয়ে একটি স্টাম্প চালু করা হয়। স্টাম্পে রাখা হলো, শিল্পী জেমস হুইসলারের মাকে নিয়ে আঁকা হুইসলার’স মাদার নামের পেইন্টিংটি। আর স্টাম্পের কোণায় ছিল ফুলদানীতে রাখা কার্নেশন ফুল। স্টাম্পটি দেখে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জারভিস। তিনি বিশ্বাস করতেন স্টাম্পের কোণায় ফুলদানীতে রাখা কার্নেশন ফুলের নতুন সংস্করণটি মূলত ফুল ব্যবসা শিল্পের বিজ্ঞাপন ছাড়া কিছুই নয়।

**প্রতিবাদ করতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন জারভিস
মা দিবসে মায়েদের সহায়তার জন্য চ্যারিটি সংগঠনগুলোর উদ্যোগে তহবিল সংগ্রহেরও বিরোধিতা করেছিলেন জারভিস। এমনকি মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যুহার কমানোর নামে মা দিবসকে ব্যবহার করে টাকা তোলার বিরুদ্ধে সেসময়কার ফার্স্ট লেডি এলিয়ানোর রুজভেল্টকেও চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। মা দিবসের বাজারিকরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন জারভিস। কার্নেশন ফুলের বিক্রি বন্ধের চেষ্টা করায় শান্তি বিনষ্টকারী হিসেবে উল্লেখ করে জারভিসকে একবার গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আমেরিকান ওয়ার মাদার’স নামে অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটির এক বৈঠকে চিৎকার চেঁচামেচি করায় তাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে দেয়া হয়েছিল। একদিন একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের টি রুমে মা দিবসের বিশেষ সালাদ দেখে তা অর্ডার করেন জারভিস। তাকে সালাদ এনে দেয়ার পর দাঁড়িয়ে গিয়ে তা তুলে মেঝেতে ফেলে দেন তিনি। একইসঙ্গে সালাদের দাম পরিশোধ করে হন হন করে বেড়িয়ে যান তিনি।

**পৃথিবীর সব সন্তানের প্রতি জারভিসের পরামর্শ
বাজারমুখী প্রবণতার দিকে ঝুঁকে পড়ে যেসব সন্তানরা মাকে চিঠি না লিখে শুভেচ্ছা কার্ড কিংবা রেডিমেইড টেলিগ্রাম পাঠাতে লাগলেন, তাদের উদ্দেশ্য করে জারভিস বললেন, ‘এভাবে শুভকামনা, কৃতজ্ঞতা কিংবা ভালোবাসা জানানোর মানে হলো পৃথিবীতে যে নারী তোমার জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন তাকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখতে পর্যন্ত তোমরা আলস্য বোধ করছো।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেকোন অভিনব, গোছালো এবং কৃত্রিম শুভেচ্ছা কার্ডের চেয়ে সন্তানের লেখা অগোছালো একটি লাইনও মায়ের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

**মা দিবস বন্ধ করতে জারভিসের তৎপরতা, অতঃপর মানসিক চিকিৎসালয় শেষ ঠিকানা
মা দিবস বাণিজ্যিকরণ নিয়ে জারভিস এতটাই হতাশ ছিলেন যে একটা সময় দিবসটি বাতিল করার দাবি জানিয়ে করা এক পিটিশনের পক্ষে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে ফিলাডেলফিয়ার মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হননি তিনি। হয়তো সেই কষ্টবোধ থেকেই জীবনের শেষ সময়টুকুতে এসে নিভৃতচারী হয়ে যান জারভিস। মা দিবসের এ উদ্যোক্তার নিজের কোন সন্তান ছিল না। সারাজীবন অবিবাহিতই থেকেছেন তিনি। জীবনের শেষ সময়ে পেনসিলভানিয়ার ওয়েস্ট চেস্টারের মার্শাল স্কয়ার সানিতারিয়াম নামের একটি মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্রে ঠাঁই হয় জারভিসের। ১৯৪৮ সালের ২৪শে নভেম্বর জীবনের ওপারে পাড়ি জমান তিনি। তবে মুত্যুর আগ পর্যন্ত জারভিস জানতে পারেননি কৃতজ্ঞ ফুলব্যবসায়ীদের একটি দল তার মানসিক কেন্দ্রে অবস্থানকালীন যাবতীয় বিল পরিশোধ করেছিল।

312
Turnover on Dhaka Stock Exchange crossed the Tk 800-crore level for the first time in the last seven months amid a gradual revival of investor confidence and an increased supply of fresh funds. The turnover, an important indicator of the market, was at Tk 808.75 crore at the end of yesterday's trading, after increasing 7.26 percent from the previous day. The turnover on the premier bourse was Tk 846.32 crore on November 12 last year.

With a clear coast on the horizon, investors continued investing in the equity market in prospect of recovery of stock prices, IDLC Investments said.

“The entirety of the capital market seemed to be attracting funds from the money market as returns from fixed income instruments fell and equities had gone dirt cheap,” the merchant bank said.

DSEX, the benchmark index of the Dhaka bourse, rose 51.85 points or 1.17 percent before finishing the day at 4,459.28 points.

Lanka Bangla Securities said the index extended the gaining streak as a bullish stance in the capital market has lured more buyers with fresh funds.

“A large turnover value has put the market on strong grounds above the 4,400 points level, which reinforced market sentiments.”

Top brokers have sought intervention from the finance minister and central bank to stabilise the market by extending the deadline till December 2020 to adjust banks' overexposure.

“This would smooth out forced selling pressures by institutional investors,” the stockbroker said.

Gainers outnumbered losers 210 to 58, with 32 securities remaining unchanged on the DSE, which traded 21.02 crore shares and mutual fund units yesterday.

United Power Generation and Distribution Company topped the turnover leaders' chart with a transaction of 17.49 lakh shares worth Tk 38.48 crore, followed by Khulna Power Company, Bangladesh Submarine Cable Company, RAK Ceramics and Baraka Power.

Among the major sectors, non-bank financial institutions gained 4.48 percent in market capitalisation, followed by textiles with a 1.99 percent rise, engineering 1.64 percent and banks 1.32 percent.

Bangladesh General Insurance Company was the day's best performer, advancing 10 percent, while BD Thai Aluminium was the worst loser, slumping 7.14 percent.

Chittagong stocks also continued to gain yesterday with the bourse's benchmark index, CSCX, increasing 99.71 points to finish at 8,404.1.

Gainers beat losers as 165 scrips advanced and 56 declined, while 21 closed unchanged on the Chittagong Stock Exchange.

The port city bourse traded 2.36 crore shares and mutual fund units, generating a turnover of Tk 69.32 crore.

313
Business Administration / Nice online statistics courses
« on: May 19, 2015, 08:10:00 PM »
Dear all,
you will gather the knowledge about different statistics courses by online through the following link: http://www.yimizhao.com/#!Nice-online-statistics-courses/cu6k/5519c64f0cf2aa18116dfa3c

Pages: 1 ... 19 20 [21]