Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - taslima

Pages: 1 [2] 3 4 ... 33
16
ডায়াবেটিস ঠেকাতে ১০ খাবার
অর্থসূচক ডেস্ক । ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ৫:৩৬ অপরাহ্ণprint this page

শরীরে অগ্ন্যাশয় যদি যথার্থ ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীরে ইনসুলিনের সঠিক কাজ ব্যাহত হয় তাহলে সেটাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণার্ত অনুভব করে এবং বার বার মুখ শুকিয়ে যায়।আক্রান্তরা অতিশয় দুর্বলতা, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানান সমস্যায় ভোগে।

Green Tea
ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে গেলে তা শরীরের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থ্য থাকতে সহায়তা করে। আবার কিছু খাবার আছে যেগুলো ডায়াবেটিস প্রতিরোধও করে। যেমন:

সবুজ চা:

সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এটি।

ওয়াইল্ড স্যামন:

Fish
ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম একটি ঔষধি খাদ্য ওয়াইল্ড স্যামন। এতে উচ্চ মাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস এটি। ডায়াবেটিস রোগের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিও কমায় ওয়াইল্ড স্যামন।

মাছ:

গবেষণায় দেখা যায়, মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।

Lemon
টক দই:

টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের সঙ্গে বা বিকেলের নাস্তায় স্যান্ডউইচের সঙ্গে টক দই খাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ডিমের সাদা অংশ:

ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চ মানের চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ২ ধরণের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

Vegelables
লেবু:

লেবু ও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবু জাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু এবং লাইমস ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

সবুজ শাক সবজি:

সবুজ শাক সবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতা কপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাক সবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে।

শস্য দানা:

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শস্য দানা মানুষের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে শস্য দানা।

Nuts
বাদাম:

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসের ঝুকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমায় চীনাবাদাম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

মটরশুটি:

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য মটরশুটি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ কাপ মটরশুটি খেলে ২ ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এতে উচ্চমাত্রায় শর্করা, চর্বিহীন প্রোটিন এবং আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের রক্তে চিনি কমাতে সাহায্য করে; হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমায়।

এআরএস/এইউ নয়ন/এমই/

 print this page


সম্পর্কিত
সর্বশেষ
পঠিত
আলোচিত
ডায়াবেটিস-সহ নানা রোগ নিয়ন্ত্রণ করে জলপাই পাতা   
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ফের চিরুনি অভিযানের ঘোষণা
ভোটাভুটিতে হেরে পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ হারালেন জনসন
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস আজ
এডিস মশা আমরা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো: আতিকুল
ট্যাগঃ ডায়াবেটিস, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ


17
Informative post.

18
Thyroid / থাইরয়েড কি?
« on: September 25, 2019, 10:26:40 AM »
থাইরয়েড হল আমাদের একটি গ্রন্থি যা আমাদের গলার সামনের দিকে অবস্থিত। এই গ্রন্থি থেকে কিছু প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন আমাদের বিপাক সহ আরো বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই হরমোন তৈরির জন্য এই গ্রন্থিটির প্রয়োজনীয় পরমাণে আয়োডিনের দরকার হয়। উক্ত হরমোন আমাদের বিপাক ক্রিয়া সহ বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

থাইরয়েড গ্রন্থি
থাইরয়েড গ্রন্থি
থাইরয়েড গ্রন্থি সাধারণত দুই ধরণের হরমোন নিঃসরণ করে।

ট্রাই-আয়োডোথাইরোনিন(T3)
থাইরক্সিন(T4)
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্মের সময় এই গ্রন্থি ঠিকভাবে তৈরি না হলে কিংবা প্রয়োজনমত হরমোন তৈরি করতে না পারলে বাচ্চাদের শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

আমাদের শরীরে যতটুকু হরমোন প্রয়োজন তার চেয়ে কম কিংবা বেশি পরিমাণে এই হরমোন তৈরি হলে তখন নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে এই হরমোন তৈরি হলে হাইপোথাইরয়ডিজম হতে পারে। আবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমাণে এই হরমোন উৎপন্ন হলে হাইপারথাইরয়ডিজম হতে পারে। উভয়ই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

এছাড়াও উক্ত গ্রন্থিতে আরো বিভিন্ন রকমের রোগ হতে পারে। সাধারণত বেশি হয় এমন কিছু রোগ নিয়ে আলোচনা করা যাকঃ

হাইপোথাইরয়ডিজম(Hypothyroidism)
হাইপারথাইরয়ডিজম(Hyperthyroidism)
গয়েটার(Goiter)
নডিউল(Nodule)
থাইরয়েড ক্যান্সার(Thyroid Cancer)
গ্রেভস ডিজিজ(Graves' disease)
হাইপোথাইরয়ডিজম(Hypothyroidism ) ঃ
থাইরয়েড গ্রন্থি যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম হরমোন উৎপাদন করে তখন হাইপোথাইরয়ডিজম হবার সম্ভাবনা আছে। যদিও অনেক সময় এর চোখে পড়ার মত লক্ষণ দেখা যায়না, যার ফলে অনেকে বুঝতেই পারেন না তারা হাইপোথাইরয়ডিজম এ আক্রান্ত।

তবে হাইপোথাইরয়ডিজম হলে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা যায় তা হলঃ

ক্লান্তি কিংবা অবসাদ অনুভব করা
কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে না পারা।
শুষ্ক ত্বক
কোষ্ঠকাঠিন্য
অল্পতেই শীত শীত লাগবে
পেশী এবং বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা অনুভূত হবে।
বিষণ্ণতা থাকবে
মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তক্ষরণ হতে পারে।
পালস রেট কম থাকতে পারে স্বাভাবিক এর তুলনায়।
হাইপারথাইরয়ডিজম(Hyperthyroidism ) ঃ
এক্ষেত্রে হাইপারথাইরয়ডিজম এর উল্টো ঘটনা ঘটে। থাইরয়েড গ্রন্থি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হরমোন উৎপাদন করলে হাইপারথাইরয়ডিজম হবার সম্ভাবনা থাকে।

থাইরয়েড গ্রন্থিকে নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি নামক এক গ্রন্থি। মস্তিষ্কের এই পিটুইটারি গ্রন্থি কে আবার নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস নামক অংশ। এই হাইপোথ্যালামাস থাইরয়েড রিলিজিং হরমোন(TRH) নামক এক হরমোন নির্গত করে। এই TRH হরমোন এর কাজ হল পিটুইটারি গ্রন্থি কে থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন(TSH) নামক এক হরমোন নির্গত করার জন্য সংকেত পাঠানো। এই TSH হরমোন উক্ত গ্রন্থি কে থাইরয়েড হরমোন নির্গত করার জন্য সংকেত পাঠায়। বোঝা গেল তাহলে এই হরমোন উৎপাদন এর জন্য শুধুমাত্র থাইরয়েড গ্রন্থি দায়ী নয়। হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারি গ্রন্থি এবং থাইরয়েড গ্রন্থির মিলিত প্রচেষ্টায় হরমোন নির্গমণ কাজ সম্পন্ন হয়।

এখন উক্ত ৩ টি গ্রন্থির যে কোনো একটি বা একাধিক গ্রন্থি যদি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কাজ করে ফেলে তখন ফলাফল হিসেবে যতটুকু হরমোন দরকার তার চেয়ে বেশি পরিমাণ হরমোন উৎপন্ন হয়। আর তখনই  বাঁধে সমস্যা। যেটা হাইপারথাইরয়ডিজম নামে পরিচিত।

হাইপারথাইরয়ডিজম হলে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা যায়ঃ

অতিরিক্ত ঘাম
গরম সহ্য না করতে পারা
হজমে সমস্যা
দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ বেড়ে যাওয়া।
অস্থিরতা অনুভব করা।
ওজন কমে যাওয়া
পালস রেট বেড়ে যাওয়া
ঠিকমত ঘুম না হওয়া
চুল পাতলা এবং ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া
ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া
মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাব অনিয়মত কিংবা খুব অল্প পরিমাণে হওয়া।
বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। খুব খারাপ অবস্থা হলে এবং হাইপারথাইরয়ডিজম এর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না নেয়া হলে থাইরয়েড স্টর্ম(thyroid storm) হতে পারে। এতে রোগীর রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে, জ্বর আসতে পারে এবং হৃদস্পন্দন বন্ধ ও হয়ে যেতে পারে।
গয়েটার(Goitar) ঃ
এছাড়াও থাইরয়েড গ্রন্থিটিই বড় হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে একে গয়েটার(Goiter) বা গলগন্ড বলা হয়ে থাকে। যেহেতু গ্রন্থিটি হরমোন তৈরির জন্য আয়োডিন এর প্রয়োজন পড়ে। সেহেতু আয়োডিনের অভাব হলে গ্রন্থিটি হরমোন তৈরি করতে পারেনা ঠিকভাবে। তবুও এটি চেষ্টা করে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি করতে। ফলস্বরূপ এটি নিজে বড় হয়ে যায় শরীরের হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে। এবং একটা সময় এটি আর পারেনা সেই স্বাভাবিক মাত্রায় হরমোন তৈরি করতে। ফলে হরমোন এর পরিমাণ কমে যায় প্রয়োজনের তুলনায়। এবং ফলাফল হিসেবে উক্ত ব্যক্তি হাইপোথাইরয়ডিজম এ আক্রান্ত হয়। এজন্য যেসব শিশু বা মানুষ আয়োডিন এর স্বল্পতায় ভুগে তাদের এই রোগ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে বর্তমানে লবণের সাথে আয়োডিন গ্রহণের ফলে এই রোগের প্রাদুর্ভাব অনেকাংশেই কমে এসেছে।


গলগন্ড বা Goiter
নডিউল(Nodule) ঃ
এছাড়া এই গ্রন্থিতে টিউমার ও হতে পারে। যাকে নডিউল(Nodule) বলে। এক্ষেত্রে এই টিউমার সংখ্যায় এক বা একাধিক হতে পারে। এবং বিভিন্ন আকারের হতে পারে। তবে টিউমার হলেই সবক্ষেত্রে ক্যান্সার হয়না। তবে অবস্থা বেশি খারাপ হলে এবং কোনো চিকিৎসা না নেয়া হলে এটি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। যাকে বলা হয় থাইরয়েড ক্যান্সার।


টিউমার বা Nodule

19
থাইরয়েড এর বিভিন্ন রোগ সনাক্তকরণে সাধারণত নিচের পরীক্ষাগুলো করা হয়ঃ

রক্ত পরীক্ষাঃ

রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করা যায়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত নিচের টেস্টগুলো কতা হয়ঃ

Thyroid stimulating hormone(TSH): এই পরীক্ষায় রক্তে TSH এর মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। রক্তে TSH এর মাত্রা কম হলে বুঝতে হবে হাইপারথাইরয়ডিজমে রোগী আক্রান্ত। আর বেশি হলে হাইপোথাইরয়ডিজমে আক্রান্ত।

Thyroxine hormone(T4): রক্তে উচ্চমাত্রার T4 এর উপস্থিতির অর্থ হাইপারথাইরয়ডিজম আর নিম্নমাত্রার T4 এর উপস্থিতির অর্থ হাইপোরথাইরয়ডিজম।

Tri-iodothyronine hormone(T3): রক্তে উচ্চমাত্রার T3 এর উপস্থিতির অর্থ হাইপারথাইরয়ডিজম আর নিম্নমাত্রার T3 এর উপস্থিতির অর্থ হাইপোথাইরয়ডিজম।

TSH receptor antibody(TSI): রক্তে TSI এর উপস্থিতির অর্থ রোগী গ্রেভস রোগ এ আক্রান্ত। এই রোগে চোখের চারপাশ ফুলে উঠে।

গ্রেভস রোগ
গ্রেভস রোগ
Anti-thyroid anti-body: রক্তে antithyroid antibody এর উপস্থিতির অর্থ রোগী  Hashimoto's এবং গ্রেভস রোগ এ আক্রান্ত। Hashimoto's এমন এক রোগ যেখানে পুরো থাইরয়েড গ্রন্থিটিই ধীরে ধীরে আক্রান্ত হয়ে যায়।

এছাড়া আরো কিছু পরীক্ষা যেমন নিউক্লিয়ার থাইরয়েড স্ক্যান, থাইরয়েড আল্ট্রাসাউন্ড, কম্পিউটারাইজড এক্সিয়াল টোমোগ্রাফি স্ক্যান (Computerized axial tomography scan) এর মত কিছু পরীক্ষার সাহায্যে ও থাইরয়েড গ্রন্থির বিভিন্ন রোগ সনাক্ত করা যায়।

সার্জারি ঃ
হাইপারথাইরয়ডিজম, গয়েটার এবং নডিউল কিংবা টিউমার হলে সেটির ক্ষেত্রে রোগের মাত্রা অনুযায়ী থাইরয়েড গ্রন্থির কিছু অংশ কিংবা পুরোটা কেটে ফেলতে হতে পারে অপারেশানের মাধ্যমে।

তবে ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে এই গ্রন্থির অর্ধেক কেটে ফেললেও রোগী তার বাকি অর্ধেক দিয়ে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে। তবে যাদের পুরো গ্রন্থিটিই কেটে ফেলেতে হয় তাদের বাকি জীবন আলাদাভাবে বাহির থেকে প্রয়োজনীয় হরমোন গ্রহণ করতে হয়।

এছাড়া বিভিন্ন নিউক্লিয়ার মেডিসিন, তেজস্ক্রিয় আয়োডিন ব্যবহার করে আক্রান্ত হবার মাত্রা নির্ধারণ করে চিকিৎসকেরা পরবর্তী পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

সুতরাং কোনো লক্ষণ দেখলে সেটাকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর সুস্থ থাকতে বছরে অন্তত একবার রক্ত পরীক্ষা করে থাইরয়েড গ্রন্থির অবস্থা চেক করতে পারেন।

রেফারেন্সঃ

https://www.mayoclinic.org/diseases-conditions/hyperthyroidism/symptoms-causes/syc-20373659
https://www.endocrineweb.com/conditions/hyperthyroidism/hyperthyroidism-overview-overactive-thyroid
https://www.medscape.com/viewarticle/580420
https://www.radiologyinfo.org/en/info.cfm?pg=radioiodine
পরিমার্জনায়‍ঃ
ডাঃ মোঃ ইউসুফ কবির (এমবিবিএস)
মেডিকেল অফিসার
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশান
মিরপুর-২, ঢাকা-১২১৬

20
শীতের সময় একটি রোগ ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। সেটি হচ্ছে টনসিল। এই ব্যথা অনেক সময়ই যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ‍ওঠে।

শীতকাল ছাড়াও আবহাওয়া একটু ঠাণ্ডা থাকলে বর্ষাকালেও টনসিলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। টনসিল ব্যথায় আমরা ছুটি ডাক্তারের কাছে। কিন্তু ঘরে বসেই টনসিল ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে টনসিলের ব্যথা হয়ে থাকে। সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই টনসিলের এ সংক্রামণের জন্য দায়ী।

টনসিল ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া ৫ প্রতিকার সম্পর্কে নিচে দেয়া হলো-

লবণ পানি

কুসুম কুসুম গরম পানিতে আলতো লবণ নিয়ে গড়গড়া করলে টনসিল ব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এটি টনিকের মতো কাজ করে। উষ্ণ লবণ পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণও দূর হয়ে থাকে।

চায়ে আদা কুচি

দেড় থেকে দুই কাপ পানিতে এক চামচ আদা কুচি আর চা পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ৪ থেকে ৫ বার এভাবে চা খেলে উপকার পাবেন। আদার অ্যান্টি ব্যকটেরিয়াল আর অ্যান্টি ইনফালামেন্টরি উপাদান সংক্রামণ ছড়াতে বাধা দেয়। ফলে টনসিলের ব্যথা কমে যায়।

গরম পানি ও লেবুর রস

এক গ্লাস সামান্য গরম পানিতে ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু, আধা চামচ লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। এটি টনসিল ব্যথা দূর করার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান।

চা পাতা ও মধু

এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ সবুজ চা পাতা আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সব রকম ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করে।

হলুদ ও ছাগলের দুধ

ছাগলের দুধ টনসিলের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকরী। ছাগলের দুধে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান আছে। তবে ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে এক চামচ হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।


https://vandar.info/bn/health-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b8/%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a7%9f/

21
শিশুদের খাবারের তালিকা বড়দের খাবারের তালিকা থেকে অনেকটাই ভিন্ন হয়ে থাকে। কারণ শিশু বয়সটা একজন মানুষের সবদিক থেকে গড়ে ওঠার সময়। শিশুর শরীরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অনেকসময় শিশুর আবদারের কারণে বাইরের খাবার কিনে দেওয়া হয়। যা একেবারেই ঠিক নয়। কিছু খাবার রয়েছে যা কখনোই শিশুকে খেতে দেওয়া উচিত নয়।

শিশু খাবার কেমন হবে:

রুটি এবং সবজি, ডাল ভাত, খিচুড়ির মতো খাবারে শরীরের সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা সম্ভব। আমাদের সন্তানদের ক্রমবর্ধমান শারীরিক বিকাশ এবং মস্তিষ্কের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এই খাবারগুলো। এই খাবার খেলে ঘুমও ভালো হয়। অনেকেই সপ্তাহের বেশিরভাগ রাতেই একই ধরণের খাবার দিয়ে থাকেন, শিশুদের কাছে তা একঘেয়ে মনে হয়। তাই শিশুর খাবার তালিকায় বৈচিত্র আনুন। এছাড়া মাঝে মাঝে রান্নায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যেমন ঘি, যোগ করতে ভুলবেন না।

যা খেতে দেবেন না:

প্রতিদিন আপনার শিশুকে নানা রকমের খাবার দেবেন না। বরং একেকদিন একেক রকম খাবার দিন।

শিশুদের জন্য বাড়িতে রান্না করা পুষ্টিকর খাবারই সবচেয়ে ভালো। আপনার সন্তানদের বাইরের খাবারে অভ্যস্ত করবেন না। এসব খাবারে শিশুর বিকাশের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নেই এবং বাচ্চাদের ঘুমের সমস্যাও হতে পারে।

নুডলস, পাস্তা এবং হিমায়িত খাবার শিশুদের দেওয়া বন্ধ করুন। এই জাতীয় খাবারে কোনো পুষ্টি হয় না, বরং এসব খাবার অস্বাস্থ্যকর। এসব খাবারে চিনি এবং অন্যান্য সংরক্ষণ জাতীয় উপাদান রয়েছে যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সপ্তাহে একবার আপনার সন্তানের জন্য রাতের খাবারে অন্যরকম কিছু তৈরি করুন। ছুটির দিনে খাবার মেন্যু অন্যরকম হতে পারে।

মাসে দুইবারের বেশি বাবা মায়েরা শিশুদের বাইরে হোটেলে খেতে নিয়ে যাবেন না। বাইরের খাবারে শিশুদের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় না।

https://vandar.info/bn/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a8/

22
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা শরীরের নানা মেটাবলিজম প্রক্রিয়াকে সচল রাখে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। [থাইরয়েড ক্যানসার সম্পর্কে জেনে নিন একঝলকে] কেন মহিলারাই এতে বেশি আক্রান্ত হন এর সঠিক কারণ বের না করা গেলেও দেখা গিয়েছে, যৌবনের শুরুতে ও শেষের দিকে থাইরয়েডে আক্রান্ত হন মহিলারা। [অ্যালজেইমার রোগ আটকাবে এই খাবার] একবার থাইরয়েডের সমস্যায় আক্রান্ত হলে সারাজীবন ওষুধের ভরসায় চলতে হয়। নিয়ম মেনে খাওয়া ও ওষুধ খাওয়া, এটাই হয় একমাত্র কর্তব্য। [পেটের রোগ সারানোর সহজ উপায়] হাইপার থাইরয়েডিজমে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে উদ্বেগ, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, ঘুমের ব্যাঘাত, ওজন কমে যাওয়া, অনিয়মিত ঋতুস্রাব ইত্যাদির সমস্যা হয়। [কোলেস্টেরল কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায়] তবে কিছু খাবার এমন রয়েছে যা বর্জন করলে থাইরয়েডের সমস্যা থেকে খানিক রেহাই পেতে পারেন আপনি। নিচের স্লাইডে বিশদে সেগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হল।
 আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার বর্জন থাইরয়েড গ্রন্থির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার। তাই আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার বর্জন করাই ভালো। লবণ, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি কম খান।
 ক্যাফেইন হাইপারথাইরয়েডিজমের প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে ক্যাফেইন জাত খাবার। ফলে কফির বদলে বিভিন্ন ধরনের জুসে ভরসা করতে পারেন।
 দুধ থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে দুধ খাওয়া খুব একটা উপকারী নয়। তবে স্কিমড দুধ খাওয়া যেতে পারে।
 অতিরিক্ত চিনি বিভিন্ন বাজারজাত খাবারে ফ্রুকটোস, স্যাকারিন ইত্যাদি মেশানো থাকে। এগুলি রক্তে শর্করার মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। যা আদতে শরীরের ক্ষতি করে।
দুগ্ধজাত পণ্য দুধের পাশাপাশি সব ধরনের দুগ্ধজাত পণ্যও থাইরয়েডে আক্রান্তদের জন্য খুব একটা ভালো নয়। দুগ্ধজাত খাবার যেমন পনির, চিজ, আইসক্রিম, দই খেয়ে যদি বদহজম, পেট ফাঁপা, ক্লান্তি ইত্যাদি হয় তাহলে তা এড়িয়ে চলুন।

Read more at: https://bengali.boldsky.com/health/foods-to-avoid-with-hyperthyroidism/articlecontent-pf5534-007957.html

23
থাইরয়েড কি?
থাইরয়েড আমাদের শরীরের একটি গ্রন্থির নাম। এটি থাকে আমাদের গলার স্বরযন্ত্রের দুই পাশে। দেখতে প্রজাপতির ডানার মত। আর এর রঙ টা হল বাদামী। এই গ্রন্থির কাজ হল আমাদের শরীরের কিছু অত্যাবশ্যকীয় হরমোন উৎপাদন করা। যদি কোন কারনে এই গ্রন্থির হরমোন নিঃসরণে কোন প্রকার ব্যতিক্রম হয় তখন এটি বিভিন্ন রোগ ঘটাতে সক্ষম।

থাইরয়েড গ্রন্থি
থাইরয়েড গ্রন্থি
থাইরয়েড বলতে সাধারনত  Hypothyroidism কে বোঝানো হয়। তবে hyperthyroidism কিংবা goiter ও হতে পারে। থাইরয়েড গ্রন্থি তে টিউমার ও হতে পারে। একে নডিউল বলে। এক কিংবা একাধিক হতে পারে এই টিউমার সংখ্যায়। এমনকি খুব খারাপ অবস্থা হলে এটি আপনাকে ক্যান্সার পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

আবার এ রোগটি কিন্তু অন্যসব সাধারন রোগের মতও নয়। কারন এর লক্ষণগুলো খুব ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়। কিন্তু এর ফল অনেক বেশী ক্ষতিকর। আর এই রোগ  খুব ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় বলে বেশির ভাগ রোগী তা  জানেই না যে সে এই রোগটা বহন করছে। আমেরিকার মত উন্নত দেশে ২৭ মিলিয়ন থাইরয়েড রোগী আছে আর তার ৫০ ভাগের বেশী লোকই তা  জানে না যে তার এই রোগ আছে। যেহেতু এর ফলাফল কিছু ক্ষেত্রে খুব মারাত্মক তাই আসুন জেনে নিই কিভাবে বুঝব আমরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছি কি না।

থাইরয়েড এর লক্ষণঃ
উপরের আলোচনা যদি আপনার কাছে খুব কঠিন মনে হয় তাহলে আপনার জন্য নিচের প্রশ্নগুলো। নিচে কিছু প্রশ্ন আছে।

এখন নিচের প্রশ্নগুলোর সাথে আপনার উত্তর মিলিয়ে নিন। এর মধ্যে ২ টির কম প্রশ্নের জবাব যদি হ্যাঁ হয় তাহলে আপনি বেশ সুস্থ আছেন। ২-৪ টি প্রশ্নের জবাব যদি হ্যাঁ হয় তাহলে আপনার উক্ত রোগ আছে কিন্তু তা কম মাত্রায়। ৪ এর অধিক প্রশ্নের জবাব যদি হা হয় তাহলে ধরে নিতে হবে আপনার থাইরয়েড এর অবস্থা খুব খারাপ।

আপনার আঙ্গুলের নখগুলো কি পুরু ও ভঙ্গুর?
ত্বক কি শুষ্ক ও চোখগুলো কি প্রায়ই জ্বালা করে?
হাত পা কি ঠাণ্ডা?
গলার স্বর কি ভাঙ্গা?
চুল কি মোটা, চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে বা পরে যাচ্ছে?
আই ভ্রুর বাইরের দিক কি পাতলা হয়ে যাচ্ছে?
ঘাম কি বেশী হয়?
অল্পতেই কি খুব ক্লান্ত  হয়ে যান?
রজঃচক্র কি অনিয়মিত?
যৌন বাসনা কি কমে গেছে?
রজঃনিবৃত্তি পরবর্তী অথবা  PMS কি সাংঘাতিক?
হাত পা কি ঘন ঘন ফুলে যায়?
রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন কি ভাল না?
কোলেস্টেরল এর মাত্রা কি বেশি?
কোন কিছু স্মরণ করতে বা মনঃসংযোগ করতে কি আপনার সমস্যা হয়?
আপাত কোন কারণ ছাড়াই কি আপনার ওজন বাড়ে অথবা কমে?
অবসাদ, খাম-খেয়ালীপনা, উদ্বেগ, খিটখিটে ভাব কি আছে?
পেশীর ক্লান্তি, ব্যথা অথবা দুর্বলতা কি আছে?
বিকিরন চিকিৎসার ঘটনা আছে কি?
বিষের সংস্পর্শে আসার ইতিহাস আছে কি?
পরিবারে আরও যেমন মা- এদের কারো কি থাইরয়েড সমস্যা  আছে কি?
যদি ৪ এর অধিক প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ হয় তবে আর একদিন ও দেরি না করে আজই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী থাইরয়েড এর চিকিৎসা শুরু করুন।


https://www.bigganbangla.com/%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A1/

24
সকালের নাশতা বা ব্রেকফাস্ট সারা দিনের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সকালে আমাদের মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়ার শুরু, এ সময় সব ধরনের হরমোনও থাকে সক্রিয়।

সকালের স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে শুরু হবে দিনটা। সকালের নাশতা বাদ দিলে বা সময়মতো না খেলে সারা দিন ক্লান্ত লাগতে পারে। স্ট্যামিনা কমে যেতে পারে কাজের। কিন্তু ওদিকে আপনি হয়তো ডায়েট কন্ট্রোল করছেন, ক্যালরি মেপে খাচ্ছেন। তাহলে কেমন হওয়া উচিত আপনার স্বাস্থ্যকর নাশতা?

: যাঁরা ডায়েট করতে চান, তাঁদের উচিত হবে সকালের নাশতায় ২০০ থেকে ৩০০ ক্যালরি পরিমাণ খাবার গ্রহণ করা। এই খাবারে জটিল শর্করা ও আমিষ থাকতেই হবে। চর্বি বা তেল খুব কম পরিমাণে। সঙ্গে একটি তাজা ফল থাকা ভালো।

: বাড়িতে তৈরি রুটি এবং বাজারের গোটা শস্যের তৈরি ব্রাউন ব্রেড বা সিরিয়ালের চেয়ে পরোটা, নানরুটি বা সাদা পাউরুটিতে ক্যালরি ও চর্বির মাত্রা অনেক বেশি।

: সকালের নাশতায় খানিকটা আঁশ বা ফাইবার থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা সহজ হবে। সকালের দিকেই কোষ্ঠ পরিষ্কার হবে।

স্বাস্থ্যকর নাশতা কেমন হতে পারে তার উদাহরণ



দুটি হাতে বেলা ছোট রুটি বা চাপাতি (প্রতিটি ৮০ ক্যালরি = ১৬০ ক্যালরি)

এক বাটি সবজি (১৫০ গ্রাম = ৮০ ক্যালরি)

অর্ধেক কলা (৬০ ক্যালরি)



১টা রুটি বা চাপাতি (৮০ ক্যালরি)

১টা ডিম (১৬০ ক্যালরি)

আধা বাটি ডাল (৮০ ক্যালরি)



এক বোল পরিজ দুধ: ২১৭ ক্যালরি



১ কাপ দুধ (১৫০ ক্যালরি)

২ স্লাইস ব্রাউন ব্রেড (১৫৫ ক্যালরি)

https://www.prothomalo.com/life-style/article/1557836/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE

25
আধুনিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে রেফ্রিজারেটর। আজকাল দুধ, ফল, সবজি—এসব ফ্রিজ না থাকলে বেশিক্ষণ রাখা যায় না। যেসব খাবারে তীব্র গন্ধ থাকে, তা ফ্রিজে রাখলে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ গন্ধ ফ্রিজে রাখা অন্য খাবারকে যেমন নষ্ট করে, তেমনি বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যাঁরা ফ্রিজের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি চান, তাঁরা পাঁচটি উপায় মেনে দেখতে পারেন। উপায়গুলো জেনে নিন:

ভালোভাবে পরিষ্কার করুন

ফ্রিজ থেকে দুর্গন্ধ দূর করতে প্রথমেই আপনাকে ফ্রিজ পরিষ্কারের কথাটি মাথায় নিতে হতে পারে। ফ্রিজে যা কিছু আছে, আগে সব নামিয়ে রাখুন এবং তা ফ্রিজ খালি করুন। এরপর ফ্রিজ বন্ধ করে এটি পরিষ্কার শুরু করুন। একটি ভেজা কাপড় নিয়ে ফ্রিজের দরজা থেকে শুরু করুন। এরপর ফ্রিজের ওপর দিক থেকে শুরু করে অন্যান্য অংশ ভালো করে মুছে ফেলুন। যেসব খাবার বা সবজি পচে যেতে পারে বলে মনে হয়, তা সরিয়ে ফেলুন। ফ্রিজ মোছার পর ভেজা থাকা অবস্থায় কোনো কিছু রাখবেন না।

বায়ুরোধী কনটেইনার ব্যবহার করুন
মনে রাখবেন, খাবার যদি বায়ুরোধী প্যাকেটে না রাখেন, তবে এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবার নষ্ট করতে পারে। ফ্রিজে খাবার বা অন্যান্য জিনিস রাখার জন্য বিভিন্ন আকার আকৃতির বায়ুরোধী পাত্র কিনতে পারেন। এগুলো ব্যবহার করে অনেক খাবার বেশ কিছুদিন ভালো রাখতে পারবেন।

বেকিং সোডা
ফ্রিজ থেকে দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা দারুণ কাজে দেয়। এতে আছে দুর্গন্ধ প্রতিরোধী উপাদান। একটি ছোট বাটিতে বেকিং সোডা নিয়ে তা ফ্রিজে রাখুন এবং তা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত রেখে দিন।

ফ্রিজে লেবু রাখুন
ফ্রিজে দুর্গন্ধ দূর করার আরেকটি কার্যকর উপায় হচ্ছে লেবুর ব্যবহার। এতে আছে সাইট্রিক অ্যাসিড। এটি ফ্রিজের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে। লেবুর রস বের করে তার মধ্যে তুলা দিয়ে ভিজিয়ে নিন। ওই তুলা দিয়ে ফ্রিজের ভেতরটা পরিষ্কার করতে পারেন। এতে বিরক্তিকর গন্ধ ফ্রিজ থেকে দূর হবে।

সঠিক তাপমাত্রায় রাখুন
ফ্রিজে যখন গন্ধ হয় তখন এর সঙ্গে তাপমাত্রা ঠিক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। অস্বাভাবিক তাপমাত্রা ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে এবং তা ফ্রিজের ভেতরের খাবার নষ্ট করে। ফ্রিজের মধ্যেকার আদর্শ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে রাখা ভালো। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

আরও সংবাদ
বিষয়:
জেনে নিন
http://www.prothomalo.com/life-style/article/1488481/%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87

26
প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিসপত্র না দেওয়া

প্রত্যেক শিশুরই চাহিদা রয়েছে এবং বয়সভেদে চাহিদার পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু এই চাহিদা পূরণ করারও সীমা থাকতে হবে। কোনো শিশুকেই বাড়তি খেলনা, পোশাক ইত্যাদি কিনে দিতে হয় না। কারণ তাতে শিশু বেশি বেশি জিনিসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং কোনো কিছুই তাকে বেশি তৃপ্তি বা আনন্দ দিতে পারে না।

সব চাহিদাই না মেটানো

শিশুরা ছোটবেলা থেকে নানা কিছু পেতে চায়। কিন্তু মা-বাবা বা অন্যাদের সব চাহিদা পূরণ করা উচিত নয়। বড়রা যদি শিশুর সব চাহিদা পূরণ করেন, তবে শিশুর চাহিদা দিন দিন বাড়তেই থাকে। একসময় তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দ্বীপের মা-বাবা ছোটবেলা থেকে কমবেশি তার সব আবদারই পূরণ করতেন। ফলে দ্বীপ অতিরিক্ত চাহিদাসম্পন্ন হয়ে উঠেছে।
বইয়ের মতো উপহার যেকোনো সময়ই দেওয়া যায়। মডেল: জাকির হোসেন ও শাহরিয়ার। স্থান: বাতিঘর, ঢাকা, ছবি: সুমন ইউসুফ
বইয়ের মতো উপহার যেকোনো সময়ই দেওয়া যায়। মডেল: জাকির হোসেন ও শাহরিয়ার। স্থান: বাতিঘর, ঢাকা, ছবি: সুমন ইউসুফ

বেশি দামি জিনিসপত্র দেবেন না

শিশুর জন্য খেলনা, পোশাক, জুতা বা যেকোনো কিছু কেনার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে সেগুলো বেশি দাম দিয়ে না কেনা হয়। ছোটবেলা থেকে বেশি দামি জিনিস পেতে থাকলে দামি জিনিসে সে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। ফলে কেউ দামি জিনিস উপহার না দিলে শিশু তা পছন্দ করবে না। বড় হয়ে দামি কিছু ছাড়া ব্যবহার করতে চাইবে না। মা-বাবার যদি কোনো সময়ে কোনো কারণে দামি জিনিস কিনে দেওয়ার ক্ষমতা না থাকে, তবে শিশুর এই অভ্যাস বড় সমস্যা তৈরি করে।

সীমিত কেনাকাটা

সন্তানসহ পরিবারের সবার কেনাকাটার চাহিদাও সীমিত রাখতে হবে। শিশুদের কম দিয়ে বড়রা যদি অতিরিক্ত খরচ করেন তবে সে এ ব্যাপারটিকে সহজভাবে নেয় না এবং জিনিসপত্র পাওয়ার জন্য জেদ করা শুরু করে। তাই কারও জন্যই অতিরিক্ত কেনাকাটা করা ঠিক নয়।

ছোটবেলা থেকেই বুঝিয়ে দেওয়া ও বুঝিয়ে বলা

কেন সব চাহিদাই পূরণ করা হবে না, তা শিশুদের ছোটবেলা থেকে বুঝিয়ে বলতে হবে। রাগ করে, ধমক দিয়ে, মেরে বা চিৎকার করে বোঝানো যায় না। ঠান্ডা মাথায় সুন্দর করে কারণগুলো বুঝিয়ে বলতে হবে। মা-বাবার অর্থনৈতিক অবস্থার কথাও সন্তানের উপযোগী করে তাকে বোঝাতে হবে।

ছেলে ও মেয়ে সন্তানের মধ্যে কোনো পার্থক্য নয়

অনেক পরিবারে ছেলে সন্তানের সব চাহিদা পূরণ করা হয়, সে তুলনায় মেয়ের চাহিদা পূরণ করা হয় না। এ ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণে ছেলেরা অতিরিক্ত চাহিদাসম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে। অপরদিকে মেয়ে অভিমানী হয়ে উঠতে পারে এবং দুঃখ পেতে পারে। এ ধরনের বৈষম্যের কারণে ভাইবোনের মধ্যে হিংসার সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

সন্তানকে সময় দেওয়ার বদলে অতিরিক্ত জিনিস না দেওয়া

আজকাল প্রায়ই দেখা যায় চাকরি বা ব্যবসার কাজে মা বা বাবাকে ঘন ঘন দেশের বাইরে যেতে হয়। তাঁরা সন্তানের জন্য বিদেশ থেকে বেশি বেশি জিনিসপত্র কিনে আনেন। তাঁরা হয়তো ভাবেন, দামি জিনিসপত্র দিলেই সন্তান খুশি হয়ে যাবে এবং তাদের অনুপস্থিতি সহজভাবে নেবে। আসলে মা-বাবার সন্তানের কাছে থাকা, তার যত্ন নেওয়া, তার সঙ্গে গল্প করা ইত্যাদির কোনো বিকল্প নেই। সন্তানের জন্য এটাই মঙ্গলের।

সব আবদার মেটানো হয় এমন বিষয়ে আলাপ না করা

আমাদের অনেকেরই শিশুর চাহিদা নিয়ে কথা বলার অভ্যাস রয়েছে। যেমন অন্যের সঙ্গে কথা বলার সময় আমরা বলে থাকি, ‘আমি আমার বাচ্চার সব চাহিদা পূরণ করি, ও কিছু চাইবে আর আমি দেব না এমন হতেই পারে না।’ এ ধরনের কথা শিশুর সামনে বললে সে আরও বেশি করে চাইতে থাকবে। তার বায়না না রাখলে প্রচণ্ড জেদ করবে রাগ প্রকাশ করবে।

লেখক: মনোবিজ্ঞানী
http://www.prothomalo.com/life-style/article/1463301/%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE

27
গরমে কাঁচা আমের এক গ্লাস শরবত সারা শরীরে এনে দিতে পারে প্রশান্তি। বাজারে এখন কাঁচা আম পাবেন। পুষ্টিবিদেরা বলেন, কাঁচা আমের জুস শরীরের জন্য ভালো। কাঁচা আম বা আমের রসে পটাশিয়াম থাকায় প্রচণ্ড গরমে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। কাঁচা আমের জুসের কয়েকটি গুণের কথা জেনে নিন:

শরীরে লবণের ঘাটতি দূর করে
গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করে। যাঁরা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাঁদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম।

পেট ভালো রাখে
গরমে পেটের গোলমাল? এক গ্লাস আমের জুস দারুণ কাজে লাগতে পারে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম।

শরীর ঠান্ডা থাকে
কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকার কারণে তা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে৷ এ কারণে শরীরে ঘাম কম হয়। গরমে ক্লান্তিও দূর হয়৷ দুপুরে খাওয়ার পর এই গরমে কিছুটা ঝিমুনি ভাব দেখা দিতে পারে। কাঁচা আমে আছে প্রচুর শক্তি। দুপুরের খাওয়ার পরে কয়েক টুকরা কাঁচা আম খেলে ঝিমুনি দূর হয়।

হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ভালো
কাঁচা আমকে হৃদ্‌যন্ত্রবান্ধব বলা যেতে পারে। এতে আছে নিয়াসিন নামের বিশেষ উপাদান। এটি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায় এবং বাজে কোলস্টেরল স্তরকে কমাতে সাহায্য করে। যকৃতের রোগ নিরাময়ের প্রাকৃতিক বন্ধু হতে পারে কাঁচা আম।

স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া রোধ করে
কাঁচা আম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘সি’ জোগাতে পারে। স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায় কাঁচা আম। আমচুর স্কার্ভি নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর। নিশ্বাসের দুর্গন্ধ ও দাঁতের ক্ষয় রোধেও সহায়তা করে কাঁচা আম। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।
http://www.prothomalo.com/life-style/article/1457806/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%AB-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A3

28


নীম পাতা চিবানো
নীম পাতার বহুবিধ ব্যবহার সম্পর্কে জানা থাকলেও, মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধে এই পাতার উপকারিতা নিয়ে জানেন না অনেকেই। নীম পাতা ঔষধি গুণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। অন্যান্য ব্যবহারের পাশাপাশি দুই-তিনটি পরিষ্কার নীম পাতা চিবালেও দাঁতের মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ হয়। কারণ এই পাতায় আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। তা রক্তক্ষরণ জন্য দায়ী দাঁতের মাড়ির ইনফেকশন (সংক্রমণ) সারাতে কাজ করে থাকে।

লবঙ্গ

ঝাঁঝযুক্ত এই প্রাকৃতিক উপাদানটি দাঁত ও মাড়ির জন্য খুবই উপকারী। লবঙ্গের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান তাৎক্ষনিকভাবে দাঁতের গোঁড়ার রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে কাজ করে। মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হলে তিন-চারটি শুকনো লবঙ্গ সময় নিয়ে চিবোতে হবে। ঝাঁজ সহ্য না হলে এক কাপ পানিতে ৫-৬টি লবঙ্গ নিয়ে পানিটি ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে কুলি করতে হবে।

লবণ-পানি দিয়ে কুলি করা

দাঁতের মাড়ির রক্তক্ষরণের ক্ষেত্রে লবণ-পানি দিয়ে কুলি করা সবচাইতে প্রাচীন, সহজ ও উপকারী একটি উপায়। কারণ লবণ হলো প্রদাহ-বিরোধী। এটি জীবণুনাশক উপাদান, যা দাঁতের মাড়ির প্রদাহ, ফুলে যাওয়া, ব্যথাভাব, সংক্রমণ দ্রুত কমাতে কাজ করে। মাড়ির রক্তক্ষরণ দেখা দিলে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে কুলি করতে হবে। দিনে দুই থেকে তিনবার কুলি করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যাবে।

ফ্লোরাইড সমৃদ্ধ টুথপেস্ট

দাঁতের ও মুখের ভেতরের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা খুবই জরুরি। ফ্লোরাইড সমৃদ্ধ টুথপেস্ট দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় ভালো কাজ করে থাকে। প্রতিদিন অবশ্যই দুবার দাঁত ব্রাশ করতে হবে। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের পরে। ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দাঁতের মাড়িতে থাকা ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং দাঁতের আশেপাশের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তাই যেকোনো টুথপেস্ট ব্যবহার না করে ফ্লোরাইড সমৃদ্ধ টুথপেস্ট কেনার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

ভিটামিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ

দাঁতের মাড়ির রক্তক্ষরণ বন্ধে ভিটামিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি। বিশেষ করে ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-কে থাকা খাবার মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষায় খুবই কার্যকর।  বিভিন্ন ধরণের টকজাতীয় ফল (লেবু, কমলালেবু, জাম্বুরা, আঙ্গুর), শাক, তেলযুক্ত মাছ ও ডিমে এ দুটি ভিটামিন আছে। এসব খাবার গ্রহণের পাশাপাশি মাড়ির রক্তক্ষরণ দেখা দিলে দন্ত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

স্কেলিং

দাঁতের গোঁড়া অথবা মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার সমস্যাটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দাঁতের গোঁড়ায় তৈরি হওয়া প্লাক ক্যালকুলাসের (দাঁতের চারপাশে জমে থাকা পাথর) জন্য দেখা দেয়। দীর্ঘদিন দাঁতের গোঁড়ায় প্লাক জমে থাকলে মাড়ি নরম হয়ে যায় ও রক্তক্ষরণ দেখা দেয়। এ কারণে প্রতি ছয় মাস পর স্কেলিং করা মাড়ির সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

মাড়ির রক্তক্ষরণ রোধের পাশাপাশি মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য কী করণীয় সেটা সম্পর্কেও বেশ কিছু টিপস দিয়েছেন ডা. জিনিয়া।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে করণীয়

১. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। বিশেষ করে কুসুম গরম পানি দিয়ে প্রতিদিন অন্তত একবার কুলি করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

২. প্রতি দুই মাস পর ব্যবহৃত দাঁত মাজার ব্রাশ বদলাতে হবে। কারণ এক ব্রাশ বেশি দিন ব্যবহার করলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে।

৩. মুখের দুর্গন্ধ তাৎক্ষণিকভাবে দূর করতে চাইলে অল্প পরিমাণে লেবু অথবা কমলালেবুর খোসা চিবালে উপকার পাওয়া যাবে।

৪. প্রতিদিন চার-পাঁচটি পুদিনা অথবা ধনিয়া পাতা চিবানোর অভ্যাস গড়ে তোলা যায়।

৫. শুধু দাঁত মাজা কখনোই যথেষ্ট নয়। ভালোমতো ফ্লসিংও করতে হবে। কারণ, দাঁত মাজার পরও দুই দাঁতের মাঝে ক্ষুদ্র খাদ্যকণা থেকে যায়, যেটা পচে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। তাই প্রতিবার খাবারের পর ফ্লসিং করা জরুরি।

প্রিয় লাইফ/কে এন দেয়া

বিভাগ: লাইফ স্বাস্থ্য জীবন চর্চা টিপস
ট্যাগ: দাঁতের যত্ন টিপস দন্ত চিকিৎসক চিকিৎসকের পরামর্শ

29
দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সটা বাচ্চাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়স। বাচ্চাদের চরিত্র গঠনের উপযুক্ত সময় থাকে এটি। পাঁচ বছর হওয়ার আগেই কিছু বিষয়ে অভ্যস্ত করে তোলুন আপনার বাচ্চাটিকে। অনেক বাবা মা মনে করেন এটি খুব অল্প বয়স বাচ্চাদেরকে নৈতিকতা শিখানোর। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। সাধারণত ছোট বয়সে বাচ্চাদের যা শিখানো সেটি তারা সারাজীবন মনে রাখে। কিছু বিষয় আছে যা পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে প্রতিটি বাচ্চার শেখা উচিত।

১। সততা

আপনার বাচ্চাটির বয়স পাঁচ বছরে পৌঁছানোর আগে সততার বিষয়টির সম্পর্কে জানান। সে যেন সবসময় সত্য কথা বলে। ছোটখাটো মিথ্যাকেও প্রশ্রয় দিবেন না। এটি তার মিথ্যা বলার প্রবণতা বাড়িয়ে দিবে। মিথ্যা বলা, ঠকানো বা চুরি করা কোন বিষয়কে অবহেলা করবেন না। সত্য কথা বলা শিখান। যদি সে মিথ্যা বলে সেটি নিয়ে খুব বেশি রাগারাগি করবেন না। বরং কিভাবে সে সত্য কথা বলবে সেটি তাকে শিখান।

২। দায়িত্ববোধ

শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এটি সত্য। ছোট বয়সে যদি বাচ্চারা দায়িত্ব নেওয়া শিখে যায় তবে তারা একজন দায়িত্ববান মানুষ হয়ে গড়ে উঠে। খুব বেশি কাজের দায়িত্ব তাদের উপর চাপাবেন না। ছোট ছোট কাজ যেমন নিজের খেলনাটা ঠিকমত দেখে রাখা, ঠিক জায়গায় গুছিয়ে রাখা, ময়লা কাপড়টি লন্ড্রি বাস্কেটে রাখা, অথবা ছোট ভাই বা বোনটির যত্ন নেওয়া। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো তার মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি করে থাকে।

৩। সংকল্প

সংকল্প ছাড়া কোন বাচ্চা তার কাজে সাফল্য অর্জন করতে পারে না। এটি শুধু বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সংকল্প ছাড়া কেউ কোনদিন জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারে নি। তাই এই বিষয়টির সাথে ছোট থেকে বাচ্চাদের পরিচয় করে দিন।

৪। সমবেদনা

যখন অন্য কোন বাচ্চা পিছলে পড়ে যাবে, তখন আপনার বাচ্চাটি যেন না হেসে পড়ে যাওয়া বাচ্চাটিকে উঠতে সাহায্য করে। অন্যের কষ্টে সে যেন খুশি না হয়। এটি তাকে হিংসা থেকে দূরে রাখবে। অন্যের কষ্টে খুশি হওয়ার কিছু নেই, এই ঘটনাটি তার সাথেও হতে পারত- এই বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলুন।

৫। সম্মান

এটি খুব জরুরি একটি বিষয়। বড়দের সম্মান করার পাশাপাশি ঘরের গৃহকর্মীকেও সম্মান করা শিখান। অনেক সময় বড়দের দেখাদেখি বাচ্চারা ঘরের গৃহকর্মীর সাথে খারাপ ব্যবহার করে থাকেন। তাই গৃহকর্মীর সাথে খারাপ ব্যবহার করার আগে একবার ভাবুন আপনার বাচ্চাটিও কিন্তু এটি শিক্ষা পাচ্ছে।

এক থেকে পাঁচ বছর বয়সটি অনেক নাজুক একটি সময়। এই সময়ে বাচ্চাদের যা শেখাবেন তারা তাই শিখবে। তা ভাল হোক বা খারাপ।

http://bdrannaghor.com/archives/17579

30
রীরের যে কোন স্থানে সিস্ট Cysts হতে পারে। সিস্ট ত্বকের নীচে মসৃণ, গোলাকার এবং শক্ত গঠনের হয়। সিস্ট Cysts সাধারণত হয়ে থাকে ইনফেকশনের জন্য, সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ড ব্লক হয়ে গেলে, বাহ্যিক কোন উপাদান প্রবেশ করলে এবং টক্সিনের কারণে। শরীরের টিস্যুর ভেতরে হয় সিস্ট Cysts এবং এর মধ্যে তরল বা আধা তরল পদার্থ থাকে।

কখনো কখনো এরা ব্যথামুক্ত হয় এবং খুব ধীরে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এই সিস্ট যদি সংক্রমিত হয় তাহলে Cysts pain সিস্টে ব্যথা, চুলকানি বা জ্বলুনি হতে পারে। কখনো কখনো সিস্ট ফেটেও যেতে পারে। সিস্ট যদি আভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন- কিডনি, লিভার এবং অগ্নাশয়ে হয় তাহলে তা ছোট হয় এবং কোন লক্ষণ প্রকাশ করেনা বলে বোঝাও যায় না।

কিন্তু যদি ত্বকের নীচে হয় তাহলে তা চামড়ার নীচে বিশ্রী লাল ফোলা দেখায় যা স্পর্শ করলে নরম অনুভূত হয় এবং ব্যথা করে। ত্বকের এই সিস্ট Cysts ঘরোয়া কিছু উপাদানের মাধ্যমে নিরাময় করা যায়। সিস্ট Cysts ভালো করার ঘরোয়া প্রতিকারের বিষয়ে জানবো এই ফিচারে।

১। অ্যালোভেরা –

দিনে কয়েকবার অ্যালোভেরা জেল সিস্টের Cysts উপরে ঘষুন। এছাড়াও শরীর থেকে অপদ্রব্য বের হয়ে যাওয়ার জন্য এবং সিস্টকে সংকুচিত করার জন্য ১ কাপ অ্যালোভেরার জুস পান করুন।

২। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার –

সিস্ট Cysts থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের pH এর ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করতে, যে কোন ইনফেকশন দূর করতে এবং চুলকানি ও জ্বালা-পোড়ার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার। একটি তুলার বল অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে ভিজিয়ে নিয়ে সিস্টটি মুছে নিন। দিনে কয়েকবার এটা করুন। এছাড়াও ১ গ্লাস পানিতে ২ টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে দিনে ২ বার পান করুন।

৩। হলুদ –

সিস্ট Cysts দূর করতে চমৎকারভাবে কাজ করে হলুদ। ১ কাপ উষ্ণ দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে পান করুন। এটি রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং পরিপাকের উন্নতি ঘটায়। ভালো ফল পাওয়ার জন্য ১০ দিন হলুদ মেশানো দুধ পান করুন।

৪। মধু –

সাময়িক ভাবে ক্ষত ভালো করতে পারে মধু। ত্বকের নীচের সিস্ট ভালো করার জন্য মধুর প্রলেপ অত্যন্ত কার্যকরী। গম ঘাস ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এর সাথে মধু মিশিয়ে সিস্টের Cysts উপর প্রলেপ দিন এবং একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। সারারাত এভাবে রেখে দিন। অবশ্যই ইতিবাচক ফল দেখতে পাবেন।

Source  http://bdrannaghor.com/archives/15822

Pages: 1 [2] 3 4 ... 33