Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Sazzadur Ahamed

Pages: [1] 2 3 ... 13
1
ইসরায়েলের এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্মার্টফোনে আড়ি পাতা হয়। সেই ঘটনা একযোগে প্রকাশ করে ১৭টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সেই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলো তৈরিতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এই মানবাধিকার সংগঠনই স্মার্টফোনে পেগাসাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করার টুলকিট দিয়েছে। সেটির নাম মোবাইল ভেরিফিকেশন টুলকিট, সংক্ষেপে এমভিটি। সঙ্গে ব্যবহারের বেশ লম্বা–চওড়া নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি।

অ্যাপলের আইওএস এবং গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত ডিভাইসে কাজ করে মোবাইল ভেরিফিকেশন টুলকিট। তবে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায় আইফোনে যে বেশি নির্ভুল ফল পাওয়া যায়, তা অ্যামনেস্টির নির্দেশিকায়ই বলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুলকিটটি ব্যবহার করতে চাইলে ভিন্ন একটি কম্পিউটারে স্মার্টফোনের ডেটার ব্যাকআপ নিয়ে সেই ব্যাকআপে পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালাতে হবে। আর সে কাজে কমান্ড লাইন ব্যবহার করতে হবে। বেশির ভাগ অপারেটিং সিস্টেমে কাজটি করা গেলেও নির্দেশিকায় অ্যাপলের ম্যাকওএস কিংবা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ বলা চলে, কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি খানিকটা ধৈর্যেরও প্রয়োজন আছে।

মোবাইল ভেরিফিকেশন টুলকিট ব্যবহারের নির্দেশিকা এবং ইনস্টল করার ফাইল একই ওয়েবসাইটে পাবেন। ফাইল নামিয়ে ব্যবহারের আগে সে ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশিকা ভালোভাবে পড়ে নিতে ভুলবেন না।

নির্দেশিকায় কেবল ম্যাকওএস এবং লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে কাজটি করার কথা উল্লেখ করা রয়েছে। তবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের কম্পিউটারে লিনাক্স ব্যবহারের সুযোগ আছে উইন্ডোজ ১০-এ। আপনি চাইলে সেই নির্দেশিকা দেখে নিতে পারেন মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে। এরপর অ্যামনেস্টির নির্দেশিকায় লিনাক্সের অংশটুকু অনুসরণ করতে হবে।

মন্তব্যে এক পাঠক জানিয়েছেন, মোবাইল ভেরিফিকেশন টুলকিটের ওয়েব ঠিকানাটি কাজ করছে না। নির্দেশিকার ওয়েবসাইটটি কোনো কারণে এই মুহূর্তে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাই ওয়েব ঠিকানা হালনাগাদ করে মূল ওয়েবসাইটের ঠিকানা যুক্ত করা হলো। ব্যাপারটি নজরে আনার জন্য পাঠককে ধন্যবাদ। (২৭ জুলাই, ২০২১)

2
টিভিতে তখন বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ের খেলা চলছিল। হারারেতে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি। মাঠে দর্শকদের আসনসংখ্যা এমনিতেই কম, তবে সেখানে কোনো দর্শকের দেখা নেই। করোনাকাল শুরুর পর থেকে মাঠের খেলার চালচিত্র এমনই।

অন্যদিকে লকডাউনে ঘরে থাকার সময়টাতে বেড়েছে ভিডিও গেমের বাজার। সেটা জয়স্টিক হাতে টিভির সামনে হোক, মুঠোফোনে হোক কিংবা কম্পিউটারের সামনে। মানুষ গেম খেলার যন্ত্র (কনসোল) কেনায় যেমন হুমড়ি খেয়ে পড়েছে, তেমনই নতুন গেম কেনায় টাকা খরচ করতেও দ্বিধা করেনি।

একই মেয়াদে দুই ধরনের খেলা হেঁটেছে ভিন্ন পথে। হয়তো সে কারণেই মাথায় প্রশ্ন এল, মাঠের খেলার বাজার কি পর্দার খেলার (পড়ুন ভিডিও গেম) বাজারের চেয়ে ছোট হয়ে আসছে? গুগলে খানিকটা ঘাঁটতেই সম্ভাব্য উত্তর মিলেছে। তবে সে উত্তরে যাওয়ার আগে ভিডিও গেমের আরেকটি খবর জেনে নিই চলুন।

বিজ্ঞাপন
ভিডিও গেম এখন হলিউডের চেয়ে বড়
দিন কয়েকের ব্যবধানে দুটি প্রতিবেদনে বলা হলো, ভিডিও গেমের বাজারে পা রাখছে নেটফ্লিক্স। ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মটি তা নিশ্চিতও করেছে। করোনাকালে টিভি সিরিজ আর সিনেমার মতো বিনোদনের বর্ধিঞ্চু খাত থেকে কেন অজানা পথে পা বাড়াল প্রতিষ্ঠানটি? সে উত্তর মিলবে আরেকটি সংবাদ প্রতিবেদনে।

গত জানুয়ারিতে মার্কেটওয়াচ জানাল, করোনার প্রভাবে ভিডিও গেমের বৈশ্বিক বাজার এখন চলচ্চিত্রের বৈশ্বিক বাজারের চেয়ে বড়। কেবল চলচ্চিত্র নয়, এর সঙ্গে উত্তর আমেরিকার ক্রীড়া খাত যোগ করলেও ভিডিও গেমই এগিয়ে থাকবে।

একই প্রতিবেদনে বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসির তথ্য উপস্থাপন করে বলা হলো, গত বছর ভিডিও গেম শিল্প থেকে আয় ২০ শতাংশ বেড়ে ১৮ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২১ সালজুড়ে সে সংখ্যা বাড়বে বৈ কমবে না।

অন্যদিকে মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রশিল্পের আয় ১০ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে। ২০২০ সাল তো মন্দাই গেল। এ বছরও খুব ভালো সাড়া নেই। আর পিডব্লিউসির অনুমান অনুযায়ী, ২০২০ সালে উত্তর আমেরিকার ক্রীড়া খাতের আয় সাড়ে সাত হাজার কোটি ডলারের আশপাশে। এই দুটি খাতেই করোনার বড় প্রভাব পড়েছে।

এখন বলুন, ভিডিও স্ট্রিমিং সেবার পাশাপাশি গেম স্ট্রিমিং সেবায় মনোনিবেশ করলে কি নেটফ্লিক্সকে দোষ দেওয়া যায়?

এবার চলুন আমাদের প্রথম প্রশ্নে
ব্যবসায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেনচার এ বছর এপ্রিলের শেষ নাগাদ বৈশ্বিক ভিডিও গেমশিল্প নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, এখন গেমিং খাত থেকে মোট আয় ৩০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে প্রত্যক্ষ আয় ২০ হাজার কোটি, বাকিটা পরোক্ষ। প্রবৃদ্ধির এমন হারের পেছনে মোবাইল গেমিংয়ের বড় ভূমিকার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে দ্য বিজনেস রিসার্চ কোম্পানির ‘স্পোর্টস গ্লোবাল মার্কেট রিপোর্ট ২০২১’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক খেলার বাজার ২০২০ সালের ৩৮ হাজার ৮২৮ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ২০২১ সালে ৪৪ হাজার ৭৭ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থাৎ কিছুটা পুনরুদ্ধারের পথেই হাঁটছে।

সেদিক থেকে দেখলে মাঠের খেলা এখনো ডিভাইসের খেলার চেয়ে বড়। তবে করোনাকালে পার্থক্যটা ক্রমেই কমে এসেছে। এখন এই ধারা অব্যাহত থাকবে নাকি করোনা–পূর্ব ধারায় ফিরে যাবে, তা-ই দেখার বিষয়।

3
প্রতিবার অলিম্পিকের মৌসুম এলে গেমিং কমিউনিটিতে একটি প্রশ্ন ঘুরেফিরে জিজ্ঞেস করতে দেখা যায়, অলিম্পিকে কবে ইস্পোর্টস যুক্ত হবে? ইস্পোর্টস হলো ভিডিও গেমের প্রতিযোগিতা। একদল পক্ষে বলে। আরেক দল বিপক্ষে। আমরা পক্ষে-বিপক্ষে না গিয়ে যুক্তিতর্ক নিয়ে আলোচনা করি চলুন। শুরু করা যাক অলিম্পিকে নতুন ক্রীড়া যুক্ত করার পূর্বশর্ত দিয়ে।

কী সেই পূর্বশর্ত
ডিজিটাল ট্রেন্ডসে বলা হয়েছে, অলিম্পিকে নতুন কোনো খেলা যুক্ত হতে হলে সেটির বেশ কিছু যোগ্যতা থাকতে হয়। শুরুতেই সে খেলার একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ফেডারেশন থাকতে হবে। ফুটবলে যেমন ফিফা, ক্রিকেটে আইসিসি। এরপর সেই ফেডারেশনকে পরখ করে স্বীকৃতি দেবে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)।

ইস্পোর্টসের তেমন একটি ফেডারেশন এক দশকের বেশি সময় ধরেই আছে। ২০০৮ সালে গঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ইস্পোর্টস ফেডারেশন। সে সংগঠনই যাবতীয় ইস্পোর্টস কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার কথা। এখন সেটিকে আইওসির স্বীকৃতি পেতে হবে।


বিজ্ঞাপন
আরেকটি পূর্বশর্ত হলো, খেলাটিকে বৈশ্বিক হতে হবে। পুরুষদের বেলায় অন্তত চারটি মহাদেশজুড়ে কমপক্ষে ৭৫টি দেশে খেলতে হবে। নারীদের ক্ষেত্রে অন্তত তিনটি মহাদেশের ৪০টি দেশে সেটি জনপ্রিয় হতে হবে।

ইস্পোর্টসের সে যোগ্যতাও আছে। ৬টি মহাদেশের অন্তত ১৫০টি দেশের নারী ও পুরুষ ভিডিও গেমের প্রতিযোগিতায় যুক্ত হন।

শেষ পূর্বশর্তটি হলো, সেটাকে অন্তত ‘খেলা’ হতে হবে। ক্রীড়ার সংজ্ঞায় সেটিকে শারীরিক কার্যক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে দক্ষতা বা শারীরিক শক্তির প্রয়োজন হয় এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা প্রতিযোগিতামূলক।

4
মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৭টি দেশের মধ্যে ১৩৫তম। বাংলাদেশের পেছনে আছে দুটি দেশ—আফগানিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।
 ইন্টারনেটের গতি নিয়ে তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা প্রতিষ্ঠান ওকলার গত মাস জুনের হিসাবে এ চিত্র উঠে এসেছে। ওকলা প্রতি মাসেই এ চিত্র তুলে ধরে। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি ১২ দশমিক ৪৮ এমবিপিএস। আপলোডের গতি ৭ দশমিক ৯৮ এমবিপিএস।

বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে উগান্ডারও পেছনে বাংলাদেশ
মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে উগান্ডারও পেছনে বাংলাদেশ
ওকলা বলছে, বাংলাদেশের অবস্থান জুন মাসে এক ধাপ পিছিয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গড় গতিও সামান্য কমেছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাবে, মে মাস শেষে দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহারকারী দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৭৫ লাখ। সর্বশেষ ৯০ দিনে একবার কেউ ইন্টারনেটে সক্রিয় হলেই তাঁকে গ্রাহক হিসেবে গণ্য করা হয়। বিটিআরসির হিসাবে, ব্রডব্যান্ডের গ্রাহকসংখ্যা ৯৮ লাখের কিছু বেশি।

ওকলার তথ্য বলছে, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গতির ইন্টারনেট রয়েছে সংযুক্ত আরব-আমিরাতে। ডাউনলোডের গতি ১৯৩ এমবিপিএসের বেশি। এরপরে শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, নরওয়ে ও সাইপ্রাস।

বাংলাদেশের পেছনে আছে দুটি দেশ—আফগানিস্তান ও ভেনেজুয়েলা
বাংলাদেশের প্রতিবেশী ও সমপর্যায়ের অর্থনীতির দেশের মধ্যে ভিয়েতনাম ৫৮, মালয়েশিয়া ৮৯, কম্বোডিয়া ৯১, নেপাল ১০৫, মিয়ানমার ১০৯, পাকিস্তান ১১৪, ভারত ১২২ এবং শ্রীলঙ্কা ১২৯তম অবস্থানে রয়েছে। সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা পাঁচটি দেশ হলো ভেনেজুয়েলা, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও সুদান।

দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি যে কম, তা গত মার্চে বিটিআরসির এক জরিপেই উঠে আসে। এতে দেখা যায়, ঢাকার গ্রাহকেরা চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবায় (ফোর-জি) ৩ থেকে ৬ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট পাচ্ছেন। অথচ, বিটিআরসির বেঁধে দেওয়া মান অনুযায়ী, গ্রাহকদের সর্বনিম্ন ৭ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট দিতে হবে।

জরিপটি হয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায়। ২৩ জানুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা বা ড্রাইভ টেস্ট চালানো হয়। এতে যাচাই করা হয় যে, বিটিআরসি ২০১৮ সালের সেবার মান বেঁধে দিয়ে যে বিধিমালা জারি করেছিল, সে অনুযায়ী অপারেটরেরা গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে কিনা।

দেশে ব্রডব্যান্ডে ডাউনলোডের গতি ৩৮ এমবিপিএসের কিছু বেশি। আপলোডের গতি ৩৭ এমবিপিএসের মতো।
ওকলার হিসাবে বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতির দিক দিয়ে ১৮১টি দেশের মধ্যে ৯৮তম অবস্থানে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে গত মাসের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়েছে। দেশে ব্রডব্যান্ডে ডাউনলোডের গতি ৩৮ এমবিপিএসের কিছু বেশি। আপলোডের গতি ৩৭ এমবিপিএসের মতো।

ব্রডব্যান্ডে সবচেয়ে বেশি গতি মোনাকোতে, ২৬১ এমবিপিএস। সবচেয়ে কম তুর্কমিনিস্তান, ৪ দশমিক ৪৯ এমবিপিএস। ভারতের অবস্থান ৭০তম, গতি ৫৮ এমবিপিএস। পাকিস্তান ১৬৪তম, গতি ১২ দশমিক ৭৭ এমবিপিএস।

5
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফটিসি) ২০১৫ সালে ঠিক করেছিল, ডাউনলোড এবং আপলোডের গতি সেকেন্ডে যথাক্রমে ২৫ এবং ৩ মেগাবিট (এমবিপিএস) হলে, সেটাকে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ বলা হবে। তবে গত মার্চে দেশটির চার সিনেটর এফটিসির সে নীতিমালা বদলে ব্রডব্যান্ড সংযোগের ভিত্তি গতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবিট করার আহ্বান জানিয়েছে।

আমরা অবশ্য নিত্যদিনের কাজটা ঠিকঠাক করতে পারলেই খুশি। তবে প্রশ্ন হলো, কত গতির ইন্টারনেট সংযোগ নিত্যদিনের কাজে প্রয়োজন। সে বিষয়েও এফটিসির একটি নির্দেশনা আছে। তবে সে ওয়েবপেজেই এফটিসি জানিয়েছে, সেটি প্রমিত মান নয়। এদিকে গত মার্চে সিনেটের প্রতিবেদনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে নানা কাজে প্রয়োজনীয় গতির তালিকা প্রকাশ করেছে সিনেট।

কাজ   প্রয়োজন   হলে ভালো হয়
ই-মেইল   ১ এমবিপিএস   ১ এমবিপিএস
ওয়েব ব্রাউজিং   ৩-৫ এমবিপিএস   ৫-১০ এমবিপিএস
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম   ৩-৫ এমবিপিএস   ১০ এমবিপিএস
ভিডিও কল   ৩-৫ এমবিপিএস   ১০-২০ এমবিপিএস
এইচডি স্ট্রিমিং   ৫-১০ এমবিপিএস   ১০-২০ এমবিপিএস
অনলাইন গেমিং   ৩-৬ এমবিপিএস   ২৫-৩৫ এমবিপিএস
ফোরকে স্ট্রিমিং   ২৫ এমবিপিএস   ৩৫ এমবিপিএস
এখানে অবশ্য আরও অনেক বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যেমন একই ইন্টারনেট সংযোগ কতগুলো ডিভাইসে একসঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে, মূল কাজের পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা খরচ হচ্ছে কি না ইত্যাদি।

6
বাংলাদেশের হাইটেক পার্কসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভারতের সহযোগিতা আরও বাড়ার প্রত্যাশার করছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, দেশে আইসিটি সেক্টরে ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পে ভারত সরকার অর্থায়ন করছে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ‘আইসিটিতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল সভায় জুনাইদ আহমেদ এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন
জুনাইদ আহমেদ বলেন, গত মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের সময় ‘বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সার্ভিস অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার (বিডিসেট)’ নামে একটি প্রকল্প স্থাপনে ভারতীয় অনুদানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই সমঝোতার আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও আইসিটি শিল্পের বিকাশে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ২৫ কোটি টাকা ভারতীয় অনুদান দেওয়া হবে। এখান থেকে আগামী দুই বছরে প্রায় আড়াই হাজার প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে। এ ছাড়া ৩০ জনকে ছয় মাসের জন্য ভারতে আইসিটির ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। ভবিষ্যতে ভারত ও বাংলাদেশে তাদের সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়করণ এবং আইসিটি সেক্টরসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কম্পিউটার সফটওয়্যার এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর গুরমিত সিংয়ের সঞ্চালনায় আজকের সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সন্দীপ নারুলা, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, বাক্কোর সভাপতি ওয়াহিদ শরিফ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শহীদ উল মুনির, উই-এর সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা প্রমুখ।

7
টিকা কারা নিতে পারবেন এবং নিকটস্থ টিকাকেন্দ্র কোথায়, তা এখন ফেসবুকই বলে দেবে। সরকারের সঙ্গে মিলিত হয়ে ফেসবুক চালু করেছে ‘ভ্যাকসিন ফাইন্ডার’।
 আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফেসবুক জানায়, বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলিত হয়ে দেশে ভ্যাকসিন ফাইন্ডার চালু করেছে ফেসবুক। নতুন এই টুলের মাধ্যমে বাংলাদেশিরা জানতে পারবেন, কারা টিকা নিতে পারবেন। এ ছাড়া টুলটি নিকটস্থ টিকাদানকেন্দ্র খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। টিকার নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পর্কেও এই টুলের মাধ্যমে জানা যাবে। টুলটি পাওয়া যাবে বাংলা ও ইংরেজিতে।

বিজ্ঞাপন
ফেসবুক বলছে, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, মানুষকে করোনা-সম্পর্কিত তথ্য পেতে সাহায্য করা এবং দেশে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য ফেসবুকের এ উদ্যোগ।

ফেসবুকেই জানা যাবে নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রের খোঁজ
ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে ফেসবুক জানিয়েছে, মহামারি চলাকালে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এবং মানুষকে সর্বশেষ তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করছে ফেসবুক।

8
অ্যান্ড্রয়েড টিভির রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ স্মার্টফোন থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় স্মার্টটিভি। অনেক ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনে আগে থেকেই এমন সুবিধা থাকে। আর না থাকলে ফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন ‘অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল’ অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের পাশাপাশি আইফোনেও অ্যাপটি ব্যবহার করা যায়।

যেভাবে অ্যান্ড্রয়েডে রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ সেটআপ করবেন
অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে ফোনে কমপক্ষে অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ সংস্করণ ইনস্টল থাকতে হবে। ফোনের সেটিংস অ্যাপ থেকে ‘অ্যাবাউট ফোন’ বা এ ধরনের অপশনে অ্যান্ড্রয়েডের সংস্করণ নম্বর পাবেন। যেভাবে কাজটি করতে হবে—

প্লে স্টোর থেকে স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ নামিয়ে ইনস্টল করে নিন।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড টিভি এবং স্মার্টফোন একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত করুন।

স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ খুলুন।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড টিভির নাম দেখাবে, তাতে ট্যাপ করুন।

টিভির পর্দায় একটি পিনকোড দেখাবে।

স্মার্টফোনে সেই কোডটি দিয়ে ‘পেয়ার’-এ ট্যাপ করুন।

আরও পড়ুন
আপনার স্মার্টফোন একবার চার্জ করতে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়
চলুন দেখি, স্মার্টফোন একবার শূন্য থেকে পূর্ণ চার্জ করতে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়
বিজ্ঞাপন
আইফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ ব্যবহার করবেন যেভাবে
আইফোন এবং আইপ্যাডের বেলায় রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮ বা পরবর্তী সংস্করণের হতে হবে। সেটআপের বাকি প্রক্রিয়া একই। কাজটি যেভাবে করবেন—

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে আইফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ নামিয়ে ইনস্টল করে নিন।

একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড টিভি যুক্ত করুন।

স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ খুলুন।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড টিভির নাম দেখালে তাতে ট্যাপ করুন।

টিভির পর্দায় একটি পিনকোড দেখাবে।

আইফোনে পিনকোডটি দিয়ে ‘পেয়ার’ নির্বাচন করুন।

9
করোনাকালের শুরু থেকে ফেসবুকের কর্মীরা ঘরে থেকে কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাষ্ট্রের কার্যালয়গুলোর সিংহভাগ কর্মীর জন্য এখনো সে নিয়ম জারি আছে। তবে শিগগির ফেসবুকের কর্মীদের অফিসে ফেরার কথা রয়েছে। দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার টিকা না নিলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের অফিসে আসতে দেবে না ফেসবুক।

ফেসবুকের মানবসম্পদবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট লরি গোলার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের অফিসগুলো যেহেতু পুনরায় খুলছে, যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের যেকোনো অফিসে যে-ই কাজ করার জন্য আসবে, তাকে টিকা নিয়ে আসতে হবে। আমাদের এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন স্থানীয় নীতিমালা ও অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা চিকিৎসাসংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারণে টিকা নিতে পারছে না, তাদের জন্য আরেকটি প্রক্রিয়া আছে। অন্যান্য অঞ্চলেও একই নিয়ম কার্যকর করা যায় কি না, তা ভেবে দেখা হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন
আগামী অক্টোবরে কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কার্যালয়গুলো খোলার পরিকল্পনা ফেসবুকের।

ফেসবুকের ঘোষণাটির কয়েক ঘণ্টা আগেই গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইও তাঁর কর্মীদের একই ধরনের কথা বলেছেন। গুগলের কার্যালয়ে ফিরতে চাইলে টিকা নিতে হবে। সেপ্টেম্বরে অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটি ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিচাই।

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের ২৭০টির বেশি দোকানে কর্মী ও গ্রাহকদের টিকা দেওয়া থাকলেও মাস্ক পরতে হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

10
স্টিভ জবস অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ান ২০১১ সালের আগস্টে। সে সময় হংকংয়ের ১৯ বছর বয়সী জোনাথান মাক লং অ্যাপলের লোগোর কামড় দেওয়া অংশে বসিয়ে দেন স্টিভ জবসের অবয়ব। অ্যাপলে যে জবসের অভাব পূরণ হওয়ার নয়, তা-ই বুঝিয়েছিলেন তিনি। এর মাস দেড়েকের মধ্যে মারা যান জবস। ছবিটি তখন দ্বিতীয় দফায় ভাইরাল হয়।

জোনাথান মাকের সে ছবির ব্যাখ্যা নাহয় পাওয়া গেল। তবে অ্যাপলের মূল লোগোটি দেখুন। বেশ সাধাসিধে এক আপেল। ডান দিকটাতে যেন কেউ কামড় বসিয়েছে। তবে তাতে তেমন কোনো গূঢ় অর্থ লুকানো নেই। কেবল অন্যান্য ফল থেকে আপেলকে আলাদা করার চেষ্টা ছিল।

হংকংয়ের গ্রাফিক ডিজাইনার জোনাথান মাকের নকশা করা ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে
হংকংয়ের গ্রাফিক ডিজাইনার জোনাথান মাকের নকশা করা ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটেজোনাথান মাক
অ্যাপলের প্রথম লোগোটি ছিল হাতে আঁকা। এক আপেলগাছের নিচে বসে আছেন ইংলিশ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন। স্টিভ জবস চেয়েছিলেন অ্যাপলের সব কম্পিউটারে প্রতিষ্ঠানটির লোগো যুক্ত থাকবে। আর সে কাজের জন্য সাধাসিধে একটি লোগোর দরকার ছিল তাঁর।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লোগোর জন্য এক বিজ্ঞাপনী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন স্টিভ জবস। কাজটির জন্য নিযুক্ত হন রব জ্যানোফ। ১৯৭৭ সালের ঘটনা। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাপলের বয়স তখন সবে এক বছরের কাছাকাছি।

বিজ্ঞাপন
১৯৭৬ সালে অ্যাপলের প্রথম লোগোটির নকশা করেন প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত রোনাল্ড ওয়েইন
১৯৭৬ সালে অ্যাপলের প্রথম লোগোটির নকশা করেন প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত রোনাল্ড ওয়েইন
লোগো কেমন হতে হবে, কিসে প্রাধান্য দেওয়া হবে, এসব নিয়ে জ্যানোফকে তেমন কিছু বলেননি স্টিভ জবস। কেবল বলেছিলেন, ‘ডোন্ট মেক ইট কিউট।’ এরপর কাজ শুরু করে দেন জ্যানোফ। তিনি চেয়েছিলেন লেখার বদলে ছবিভিত্তিক লোগো নকশা করতে।

সে সময় এইচপি বা আইবিএমের মতো বড় কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর লোগোতে টাইপোগ্রাফিকে প্রাধান্য দেওয়া হতো। অ্যাপলের ক্ষেত্রে ভিন্ন কিছু চেয়েছিলেন তিনি।

শুরুতেই সাধাসিধে আপেলের কথা মাথায় আসে জ্যানোফের। সঙ্গে থাকবে একটি পাতা। তবে একই আকৃতির অন্যান্য ফলের সঙ্গে লোকে মিলিয়ে ফেলতে পারে বলে মনে হয়েছিল তাঁর। পাশাপাশি অন্য কিছুর ছবি না থাকলে লোগোতে আপেলের আকার দেখে বোঝার উপায়ও থাকবে না। বিশেষ করে চেরির কথা মাথায় ছিল তাঁর। নিজের ওয়েবসাইটে সে কথা নিজেই জানিয়েছেন জ্যানোফ। আর তাঁকে দোষ দেওয়া যায় না। তখন কী আর তিনি ভেবেছিলেন অ্যাপল এত বড় প্রতিষ্ঠান হবে আর লোগোটি এভাবে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে!

অ্যাপলের জন্য প্রথম এই লোগোটির নকশা করেন রব জ্যানোফ
অ্যাপলের জন্য প্রথম এই লোগোটির নকশা করেন রব জ্যানোফ
যাহোক, সমস্যার সমাধান করতেই আপেলে ‘কামড়’ যুক্ত করেছিলেন রব জ্যানোফ। এতে যেকেউ লোগোটি প্রথমবার দেখেই বুঝতে পারবে সেটি আপেল, অন্য কোনো ফল নয়। এরপর সেটি স্টিভ জবসের সামনে উপস্থাপন করলে প্রথম দেখায় তিনি নকশাটি অনুমোদন করেন বলে কথিত আছে।

অ্যাপলের লোগোর নকশা করা নিয়ে একটি বই লিখেছেন তিনি
অ্যাপলের লোগোর নকশা করা নিয়ে একটি বই লিখেছেন তিনিরব জ্যানোফের ওয়েবসাইট থেকে
জ্যানোফের নকশা করা সেই লোগোটিই অ্যাপলে এখনো ব্যবহার করা হয়। তবে ভিন্ন সংস্করণে। প্রথম সংস্করণে অ্যাপলের লোগোতে ছয়টি রঙের ডোরা ছিল। সেটা স্টিভ জবসের ইচ্ছায়। তিনি চেয়েছিলেন অ্যাপলের তৈরি কম্পিউটারে যে রঙিন ছবি দেখা যায়, তা লোগোতেও থাকুক। মানুষের মনে প্রভাব ফেলুক। কারণ, সে সময়ের অন্যান্য কম্পিউটারে রঙিন ছবি দেখা যেত না। এরপর বিভিন্ন সময় লোগোতে টুকটাক পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে আকৃতি বদলায়নি।

11
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা পুরোনো স্মার্টফোনগুলোর মালিকদের দুঃসংবাদ দিল গুগল। ওই স্মার্টফোনগুলোতে গুগলে লগইন করা যাবে না, ব্যবহার করা যাবে না গুগলের কোনো অ্যাপ।

তবে পুরোনো মানে পুরোনো। নিত্যদিন নতুন মডেলের স্মার্টফোন বাজারে আসার এ যুগে সেটাকে প্রাচীনও বলা যেতে পারে। গুগলের ঘোষণায় অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭, অর্থাৎ অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড বা তার আগের অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনগুলোর জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেডের ঘোষণা গুগল দেয় ২০১০ সালের ডিসেম্বরে। সেটা এক দশকেরও আগে। তবে কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এখন মানুষের হাতে। সঠিক পরিসংখ্যান না জেনেও বলে দেওয়া যায়, অনেকের হাতেই এখনো জিঞ্জারব্রেড বা তার আগের সংস্করণের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন আছে। সেই পরিমাণও নিশ্চয় নগণ্য নয়।

বিজ্ঞাপন
খবরটি গুগলের পক্ষ থেকেই এসেছে। এক নির্দেশিকায় গুগল বলেছে, ‘ব্যবহারকারীদের নিরাপদ রাখার চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭ কিংবা আগের সংস্করণগুলোতে চলা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে লগইন করতে দেবে না গুগল। আপনি যদি ২৭ সেপ্টেম্বরের পর আপনার ডিভাইসে জি–মেইল, ইউটিউব ও ম্যাপসের মতো গুগলের সেবায় লগইন করার চেষ্টা করেন, তবে ইউজারনেম কিংবা পাসওয়ার্ড ভুল দেখাতে পারে।’

আর গুগলের সেবা ব্যবহারের সুযোগ না থাকলে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারের পূর্ণ সুবিধাও পাওয়া যাবে না। অনেকের কাছেই সেটা অকেজো মনে হবে। একমাত্র আশা হলো, পুরোনো স্মার্টফোনটির অপারেটিং সিস্টেম যদি অ্যান্ড্রয়েড ৩.০ বা নতুন সংস্করণগুলোতে হালনাগাদ করার সুযোগ থাকে, তবে দ্রুত হালনাগাদ করে নেওয়া।

12
টেসলা বানায় গাড়ি, স্পেসএক্স বানায় রকেট। মস্তিষ্ক থেকে সরাসরি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য কাজ করছে নিউরালিংক। আর একই সঙ্গে এসব ভিন্নধর্মী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক। এর বাইরে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন তিনি, পরিচালনায়ও অংশ নিচ্ছেন। তবু তিনি বলেছেন, ‘আমি কোনো কিছুর সিইও হতে চাই না।’

ইলন মাস্কের এই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে পেছনের ঘটনা জেনে রাখা ভালো। তাঁকে নিয়ে নতুন একটি বই প্রকাশিত হওয়ার কথা আছে আগামী পরশু। সেখানে একটি গল্প এমন—২০১৬ সালে টেসলার দুঃসময় চলছিল। ইলন মাস্ক তখন অ্যাপলের সিইও টিম কুকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। অ্যাপল হয়তো টেসলা কিনবে, এমন আশা করেছিলেন মাস্ক। তবে চুক্তির অংশ হিসেবে শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন, মাস্ক হবেন অ্যাপলের নতুন সিইও।

আসন্ন বইয়ে লেখা ঘটনাটি সত্য কি না, তা জানতে টুইটারে মাস্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বিবিসির উত্তর আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিবেদক জেমস ক্লেটন। উত্তরে টিম কুকের সঙ্গে তাঁর কখনো কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন মাস্ক। চিঠি বা ই-মেইলেও যোগাযোগ হয়নি।


বিজ্ঞাপন
আমাকে করতে হচ্ছে, নয়তো সত্যি বলতে, টেসলা নিঃশেষ হয়ে যাবে।
ইলন মাস্ক
তবে যোগ করেছেন, ‘একসময় ছিল, যখন অ্যাপলের টেসলা কেনার ব্যাপারে আলোচনা করতে কুকের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করেছিলাম আমি। তবে অধিগ্রহণের ব্যাপারে কোনো শর্তের প্রস্তাব ছিল না সেখানে। তিনি (কুক) দেখা করতে চাননি। টেসলার বাজারমূল্য তখন বর্তমানের ছয় শতাংশ ছিল।’

আরেক টুইটার ব্যবহারকারী সে বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, অ্যাপলের অনেক ভালো সিইও হতে পারতেন ইলন। আর সে টুইটের উত্তরেই মাস্ক বলেছেন, ‘আমি কোনো কিছুর সিইও হতে চাই না।’


গত মাসে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন তিনি। টেসলায় তাঁর সিইওর ভূমিকা নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি বরং এটা ঘৃণা করি। এর চেয়ে নকশা এবং প্রকৌশলে আমার সময় ব্যয় করতে চাই।’

তবু কেন টেসলা-প্রধানের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁকে? সে উত্তরও দিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমাকে করতে হচ্ছে, নয়তো সত্যি বলতে, টেসলা নিঃশেষ হয়ে যাবে।’

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে একবার টিম কুক এবং ইলন মাস্ককে একই ফ্রেমে দেখা গিয়েছিল। তবে তাঁরা কথা বলেছিলেন কি না, তা জানা যায়নি।

ইলন মাস্ক বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ঠিকই, তবু ইচ্ছেমতো কিছু করার স্বাধীনতা নেই বলে মনে হয় তাঁর
ইলন মাস্ককে ভালো লাগুক বা না লাগুক, বিনিয়োগকারীরা তাঁকে ছাড়তে চাইবেন বলে মনে হয় না। তাঁর নেতৃত্বেই টেসলা এখন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান গাড়ি তৈরির প্রতিষ্ঠান।

মাস্ক আসলে কোনো প্রতিষ্ঠানের শুরুর দিকটা নিয়ে বেশি আগ্রহী। আইডিয়া, উদ্ভাবন, প্রকৌশল—এসব। তবে স্টার্টআপ থেকে যখন বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়, তখন সিইওর ভূমিকা অনেকখানি বদলে যায়।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপলের স্টিভ জবস, গুগলের ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন কিংবা মাইক্রোসফটের বিল গেটস দূরদর্শী ছিলেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান সিইওরা তাঁদের চেয়ে অনেক আলাদা। নেতা হিসেবে অ্যাপলের টিম কুক, গুগলের সুন্দর পিচাই এবং মাইক্রোসফটের সত্য নাদেলা চমৎকার, অত্যন্ত যোগ্যও। তবে তাঁদের কেউ বিপ্লবী বলবে না, বৈপ্লবিক কোনো পরিবর্তন আনেননি তাঁরা।

অন্যদিকে ইলন মাস্ক অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় উদ্যোক্তা। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চান। তবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রশাসনিক কাজগুলোয় তাঁর আগ্রহ কম। ব্লুমবার্গের তালিকায় ইলন মাস্ক বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ঠিকই, তবু ইচ্ছেমতো কিছু করার স্বাধীনতা নেই বলে মনে হয় তাঁর।

13
বছরের বেশ কিছু সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) তাপমাত্রা অসহনীয় বোধ হতে পারে। বিশেষ করে দুবাইয়ে। বিজনেস ইনসাইডার বলছে, ওই সব সময়ে তাপমাত্রা ৪৮-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠা সাধারণ ঘটনা।

বিজ্ঞানীরা এই সমস্যার একটা সমাধান বের করেছেন। উচ্চ তাপমাত্রা মোকাবিলায় কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি ঝরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা। সংবাদমাধ্যম ভ্যানগার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুবাইয়ে ড্রোনের সাহায্যে মেঘের মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জ সরবরাহ করা হচ্ছে। আর তাতে জলকণা ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি হয়ে ঝরছে।

কৌশলটির নাম ‘ক্লাউড সিডিং’। কম বৃষ্টিপাতের অঞ্চলগুলোয় প্রয়োগ করা হয়। দুবাইয়ে সেটি কাজে লেগেছে বলতে হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বার্ষিক বৃষ্টিপাত বাড়ানোর জন্য দেড় কোটি ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে দেশটির সরকার। ক্লাউড সিডিং সেটারই অংশ।

14
অন্য স্পাইওয়্যারের সঙ্গে পেগাসাসের পার্থক্য হলো, কোনো লিংকে ক্লিক বা কল রিসিভ না করলেও এটি স্মার্টফোনে প্রবেশ করতে পারে। এরপর তথ্য সংগ্রহ করে পাচার করতে পারে, ভিডিও ধারণ করতে পারে, এমনকি স্ক্রিনশটও নিতে পারে। প্রশ্ন হলো, ক্লিক ছাড়াই, কল রিসিভ করা ছাড়াই কীভাবে সেটি ফোনে প্রবেশ করে? ‘বিবিসি সায়েন্স ফোকাস’ সাময়িকীকে সেসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন কিংস কলেজ লন্ডনের সাইবার সিকিউরিটি রিসার্চ গ্রুপের প্রধান টিম স্টিভেন্স।
পেগাসাসকে এখন পর্যন্ত তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী স্পাইওয়্যার বলা হচ্ছে। সেটা কি ঠিক?
এটা বলা মুশকিল। হয়তো আরও শক্তিশালী কোনো স্পাইওয়্যার থাকতে পারে, যা আমাদের গোচরে আসেনি। তবে আমরা যে স্পাইওয়্যারগুলো সম্পর্কে জানি, পেগাসাসের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সেসব থেকে আলাদা।

এটি কেন আলাদা?
অতীতে আপনাকে হয়তো কেউ ই-মেইল করে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে লিংকে ক্লিক করতে বলত। এরপর আপনি ওই লিংকে ক্লিক করলে খুদে একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করে কাজ শুরু করত।

বিজ্ঞাপন
তবে পেগাসাস কোনো কিছুতে ক্লিক করা ছাড়াই আপনার সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। এটাকে বলা হয় ‘জিরো-ক্লিক’ ম্যালওয়্যার। কেউ আপনার ডিভাইসে একটি বার্তা পাঠালেই হলো। সেটা খোলারও প্রয়োজন নেই। ওই ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমের ত্রুটির সুযোগ কাজে লাগায় পেগাসাস।

এটাকে বলা হয় ‘জিরো-ডে ভালনারেবিলিটিস’। কারণ, সেটা ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বা গবেষকেরা খুঁজে পাননি। যখন সেটি সবার নজরে এল, তখন ত্রুটি সারানোর জন্য ‘জিরো’ সময় পাওয়া যায়। যে কাজের জন্য সেটি তৈরি করা হয়েছিল, ততক্ষণে তা করা হয়ে গেছে।

অ্যাপলের আইওএস বা গুগলের অ্যান্ড্রয়েডের মতো বড় অপারেটিং সিস্টেম বা অন্য সফটওয়্যারগুলোতে ত্রুটি থাকে। এটা জানা ঘটনা। কোনোটাই নিখুঁত নয়। গবেষকেরা এই ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সারানোর জন্য বলেন। আবার প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজ উদ্যোগে তা করে থাকে। পেগাসাসের মতো স্পাইওয়্যার এই ত্রুটিগুলো ব্যবহার করে ডিভাইসে ঢোকার সুযোগ পেয়ে থাকে।

এটা অনেকটা বাড়ির মূল দরজা-জানালা বন্ধ করে রান্নাঘরের জানালা রাতভর খোলা রাখার মতো। চোর পুরো বাড়িতে ঠিকঠাক খুঁজলে খোলা জানালার খোঁজ পেয়ে যাবেই, সে বাড়ি যত বড়ই হোক। সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে।

15
গত সপ্তাহে ভিডিও গেম ফোর্টনাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এপিক গেমস ইঙ্গিত দিয়েছিল, ফোর্টনাইটের আসন্ন কনসার্টে গান গাইবেন একজন ‘রেকর্ড–ব্রেকিং সুপারস্টার’। সেই শিল্পী হলেন আরিয়ানা গ্রান্ডে। টুইটারে নিজেই তা জানিয়েছেন এই মার্কিন গায়িকা।


দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘রিফ্ট ট্যুর’ নামের সিরিজে মোট পাঁচটি কনসার্টের আয়োজন থাকবে। ৬ আগস্ট শুরু হয়ে চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। কনসার্টগুলো আয়োজন করা হবে ভিডিও গেমের ভার্চ্যুয়ালজগতে। এপিক গেমসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেকোনো কনসার্টের এক ঘণ্টা আগে থেকেই ফোর্টনাইট গেমারদের প্রস্তুত থাকতে, যেন কনসার্ট শুরু হলে সরাসরি দ্রুত সেখানে যোগ দিতে পারেন তাঁরা। তবে ভিডিও গেমে কনসার্ট হয় কীভাবে?

ফোর্টনাইট গেম খেলতে হয় ভার্চ্যুয়ালজগতে। সেখানে প্রত্যেক খেলোয়াড় তাঁদের আভাটার নিয়ন্ত্রণ করেন। ডানে-বাঁয়ে বা সামনে-পেছনে নিতে পারেন। গেমে ভার্চ্যুয়াল কনসার্টও সেভাবেই অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আরিয়ানা নিজেও আভাটারের বেশেই যুক্ত হবেন। দর্শকও তা-ই।

ভালচার সাময়িকী লিখেছে, ভিডিও গেমের ভেতর কনসার্টের আয়োজন এই প্রথম নয়, আরিয়ানাও প্রথম শিল্পী নন। ফোর্টনাইটের আগের কনসার্টগুলোকেও সফল বলতেই হয়। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক কোটির বেশি মানুষ মার্শমেলোর ভার্চ্যুয়াল কনসার্ট দেখেছেন। ২০২০-এর এপ্রিলে ট্র্যাভিস স্কটের কনসার্টে অংশ নেন ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।

Pages: [1] 2 3 ... 13