Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Ana

Pages: 1 [2] 3 4
16


করোনা মহামারি কবলিত সময়ে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের যেকোনো সমস্যাই রাতের ঘুম ছুটিয়ে দেয়। আর এই ধরনের সমস্যার উৎস যেখানে, শরীরের সেই ফুসফুস নামক অঙ্গটি কিন্তু আদরযত্ন না পেলে বিগড়ে বসতে বাধ্য। এর জন্য দরকার নিয়মিত কিছু সুষম খাদ্য।

চিকিৎসকরা এ প্রসঙ্গে একমত যে ফুসফুস চাঙ্গা রাখতে ধূমপান ত্যাগ করাই প্রাথমিক শর্ত। কিন্তু এছাড়াও এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ফুসফুসের স্বাস্থ্য থাকে তরতাজা।

১। বেরি: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি কিংবা ব্ল্যাকবেরিতে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন। ফুসফুস যখন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কমজোর হয়ে পড়ে, নিয়মিত এই ফলটি খেলে বেরির মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফুসফুসের অবস্থার সেই অবনতির মাত্রা বেশ কিছুটা হ্রাস করে।
২। নুন: বাজারের প্যাকেটজাত খাবারে লবণের আধিক্য ফুসফুসের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকারক। ফলে রান্না করা খাবারে পরিমিত মাত্রার নুনের ব্যবহারে সুস্থ থাকবে ফুসফুস।

৩। সবুজ শাকসব্জি: শাকসব্জি শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গের জন্যই জরুরি বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা। সমীক্ষায় জানা যায়, সবুজ শাকসব্জি ফুসফুসের ক্যানসারের আশঙ্কা প্রবলভাবে হ্রাস করে। ফলে পালংশাক, মেথি, ব্রকোলি, সবুজ ক্যাপসিকাম, প্রভৃতি এবং নানা মরসুমি সব্জি আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকা জরুরি।

৪। লাল রঙের ফল এবং সব্জি: বিশেষজ্ঞদের মতে লাল ক্যাপসিকাম, টমেটোর মতো সব্জি ও ফলে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফুসফুসের পক্ষে উপকারী। শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে টমেটোর রস বেশ কার্যকরী। এছাড়া লাল রঙের ফল ও শাকসব্জি সেই সমস্ত রোগীর জন্যও বিশেষ দরকারি, যারা দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের সমস্যায় জর্জরিত।

৫। কফি: শ্বাসনালীর প্রদাহ হ্রাস করতে কফিও আমাদের কাজে লাগে। এতে রয়েছে পলিফেনল, যা ফুসফুস চাঙ্গা রাখতে বিশেষ সহায়ক। তবে কফি অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে ঘনিয়ে আসতে পারে বিপদ।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


Source: https://www.bd-pratidin.com/health-tips/2021/12/06/718426

17


শীতের মৌসুম শুরু হয়ে গেছে এবং আমরা চাইবো যে এই ঋতু যেন কোনও ভাবেই আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলতে না পারে। আমরা গরম জামাকাপড় দিয়ে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করবো এবং যাবতীয় প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করবো। এর সঙ্গে আমাদের খাদ্যের প্রতিও নজর দেওয়া দরকার।

এটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা যেন সঠিক খাদ্য গ্রহণ করি এবং এটা যেন আমাদের এই আবহাওয়া থেকে রক্ষা করে। এবং এখানে আপনাকে সাহায্য করতে পারে পাকা পেঁপে। পেঁপের মধ্যে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। জেনে নিন পাকা পেঁপের অন্যান্য স্বাস্থ্য গুণগুলি সম্পর্কে-

হজম ক্ষমতা উন্নত করে।
ঠাণ্ডা লাগা ও কাশির উপশমের জন্য কার্যকর।

এটি ব্যথা, যন্ত্রণা এবং অটো-ইমিউনি রোগের জন্য ভাল।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও সেরা। যাদের ডায়বেটিস রয়েছে তারা নিয়মিত পেঁপে খেতে পারেন।

ডিটক্সিফিকেশনের জন্য সর্বোত্তম এই ফল। এটি লিভারের স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল।

হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে।

পাকা পেঁপে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।


Source: https://www.bd-pratidin.com/health-tips/2021/12/05/718116

18


শীত আসতেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে পালং শাক। ভিটামিন এ, সি থেকে শুরু করে নানা ধরনের খনিজ থাকে এই শাকে। স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এই শাক। স্বাদে এমনকি পুষ্টিতেও অনন্য পালং শাক। যেহেতু এই শাক শীতেই পাওয়া যায়, তাই অনেকে অতিরিক্ত খেয়ে থাকেন।

দেখা যায়, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই শাকের বিভিন্ন পদ পাতে রাখেন। তবে অতিরিক্ত পালং শাক খাওয়া কারো কারো জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। শাকে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে। যা অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। এই শাকে থাকা ভিটামিন 'কে' রক্ত পাতলাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়-
পালং শাকে থাকে অক্সালেট, যা অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে কডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। প্রস্রাবে অক্সালেটের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে এই পাথরগুলো তৈরি হয়। কিডনিতে পাওয়া যায় ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর। ১০০ গ্রাম পালং শাকে ৯৭০ মিলিগ্রাম অক্সালেট থাকে। ফুটন্ত পালং শাকে অক্সালেটের ঘনত্ব কিছুটা কমতে পারে। তাই অতিরিক্ত পালং শাকও খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে আপনার যদি কিডনির সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে তবেই পালং শাক খান।

ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট করে-

পালং শাকে থাকে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন 'কে'। যা রক্ত পাতলাকারী ওষুধের কার্যকারিতা কমায়। স্ট্রোক প্রতিরোধে রক্ত পাতলাকারী ওষুধ দেওয়া হয়। তাই এমন রোগীদের ক্ষেত্রে পালং শাক খাওয়া কমাতে হবে। আধা কাপ রান্না করা পালং শাকে ৪৪৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'কে' থাকে। এক কাপ কাঁচা পালং শাকে ১৪৫ মিলিগ্রাম পুষ্টি থাকে। রান্না করা পালং শাকে ভিটামিন কে এর মাত্রা বেশি থাকে কারণ তাপ পুষ্টির শোষণ বাড়ায়।

খনিজ শোষণে বাঁধা দেয়-

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অক্সালেট-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ খনিজ শোষণকে বাঁধা দিতে পারে। অক্সালেট একটি অ্যান্টিনিউট্রিয়েন্ট। পালং শাকের অক্সালেট ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থের শোষণে বাধা সৃষ্টি করে। এতে অক্সালেট ও ক্যালসিয়াম উভয়ই থাকে। ফলে প্রচুর পরিমাণে পালং শাক খেলে ক্যালসিয়াম শোষণকে ব্যাহত করতে পারে। পালং শাকের অক্সালেটগুলো আয়রনের সঙ্গে বিক্রিয়া ঘটাতে পারে ও স্ফটিক গঠন করে এর শোষণকে বাধা দেয়।



Source: https://www.bd-pratidin.com/health-tips/2021/12/06/718451

19


বাদাম শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান আছে বাদামে। বিশেষ করে চীনা বাদাম বেশি সহজলভ্য হওয়ায় সবার কাছেই প্রিয়। তবে কাঁচা নাকি ভাজা অবস্থায় বাদাম খাওয়া ভালো? জানলে অবাক হবেন, ভাজা বাদামের চেয়ে কাঁচা বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কাঁচা বাদাম খান তাদের শরীরে এমন কিছু উপাদান প্রবেশ করে যা একাধিক রোগ থেকে দূরে রাখে। একইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়। কাঁচা বাদামের পুষ্টিগুণ হাড় গঠনে ও মাংসপেশি মজবুত রাখে, ব্রেইনের কার্যক্ষমতা উন্নত করে, ক্যানসার প্রতিরোধ ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

কাঁচা বাদামে থাকে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাংগানিজসহ আরও অনেক উপকারী উপাদান।তাই দৈনিক অবশ্যই অল্প পরিমাণে হলেও খেতে পারেন কাঁচা বাদাম। এমনকি ভাজা বাদামেও মিলবে উপকার।
আসলে দুইধরনের বাদামেই মিলেবে উপকারিতা। কাঁচা বাদামে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া থাকে যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার ভাজা বাদাম হারিয়ে ফেলে কিছু পুষ্টিগুণ। তবে কাঁচা বাদাম পরিষ্কার করে হালকা তাপে ভেজে নিলেই সব ক্ষতিকর উপাদান দূর হয়ে যায়। অতিরিক্ত লবণ, চিনি কিংবা তেল দিয়ে বাদাম ভেজে খেলেও পুষ্টিগুণ কমে যায়। নিয়মিত বাদাম খাওয়ার একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে-

উপকারী কোলেস্টেরল পাওয়া যায় বাদামে।

এতে থাকে সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন ও ইন্টারলিউকিন। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ফাইবার থাকায় বাদাম খেলে হজমের সমস্যায়ও দূর হয়।

বাদাম খেলে হৃদপিণ্ড সক্রিয় থাকে।

নিয়মিত বাদাম খেলে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। এমনকি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে বাদাম।

বাদাম খেলে হাড় ও মাংসপেশি মজবুত হয়।

বাদামে থাকা প্রাকৃতিক তেল ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

বাদাম খেলে দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ হয়।

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদামের উপকারিতা প্রচুর।

অতিরিক্ত ওজন কমাতেও সাহায্য করে বাদাম।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বাদাম রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এতে শরীরের একাধিক রোগ দূর হয়। তার সঙ্গে বেড়ে যায় রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। প্রতি সপ্তাহে পাঁচ বা তার বেশি আখরোট খাওয়া গেলে মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস পায়। অন্যদিকে প্রতিদিন এই বাদাম খেলে কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।


Source: https://www.bd-pratidin.com/health-tips/2021/12/06/718467

20
‘আমরা এমনভাবে ফুটপাথ তৈরি করেছি যাতে একজন অন্ধ বা প্রতিবন্ধী মানুষ নির্বিঘ্নে চলতে পারেন। সারা বিশ্ব থেকে লোকজন আমাদের রাস্তা-ফুটপাথ দেখতে আসবেন। শহর অনেক নিরাপদ হয়ে যাবে। ঢাকা শহর বদলে যেতে শুরু করেছে। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, কে কোন কাজ করছেন তার সব আমি জানি।’ মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তির প্রাক্কালে ২০১৭ সালের ২২ এপ্রিল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঢাকাকে নিয়ে তাঁর স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র আনিসুল হক। কিন্তু স্বপ্ন পূরণের আগেই মৃত্যুর হাতে জীবন সপে দিয়েছেন স্বপ্নবাজ মেয়র আনিসুল হক। পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, স্মার্ট ঢাকার স্বপ্ন দেখেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটির প্রথম মেয়র আনিসুল হক। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস চালুর পরিকল্পনা, কারওয়ান বাজার কাঁচা বাজার সরানো, তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদের মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু অকালে চলে গেলেন তিনি। অধরাই থেকে গেছে স্বপ্নবাজ মেয়র আনিসুল হকের স্বপ্নের ঢাকা। গত ৩০ নভেম্বর আনিসুল হকের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আনিসুল হকের অসম্পূর্ণ কাজ আমরা সম্পন্ন করছি। তিনি নিরাপদ, স্মার্ট ঢাকা গড়তে চেয়েছিলেন। আমরা সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি।’ ঢাকাকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মেয়র আনিসুল হকের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেছেন, আনিসুল হক ঢাকাকে বদলে দিতে অসংখ্য প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন, যেগুলোর বেশ কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তাকে খুব কাছে থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল। মেয়রের কাজের বাইরে গিয়ে তিনি যানজট নিরসনে মহাখালী-গাজীপুর পর্যন্ত ইউটার্নের প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ৪ হাজার বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। শাহাবুদ্দিন পার্ক, বনানী পার্ক ও মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড মাঠে পার্কের নকশা আমাকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছিলেন। ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, আনিসুল হক হাতিরঝিলের মতো আরও তিনটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। উত্তরার দিকে জলনিসর্গ নামে প্রকল্প ছিল তাঁর। এ ছাড়া কল্যাণপুরের পেছনে গিয়ে গাবতলীর পাশে এবং রামপুরা কাটাসুর খালকে কেন্দ্র করে প্রকল্পের অনুমোদন প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এতে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্র পেত নগরীর মানুষ। জলাধার সংরক্ষণে বিশেষ নজর ছিল তাঁর। আনিসুল হক বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মোবাইল লাইব্রেরির অনুকরণে মোবাইল স্কুল খোলার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাঁর মৃত ছেলে সারাফের নামে তিনি এ প্রকল্পের নামকরণ করেছিলেন। ঢাকার সর্বস্তরের মানুষই ছিল মেয়রের পরিকল্পনার ভিতরে। সবাইকে নিয়ে স্মার্ট ঢাকা গড়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। ঢাকার নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য ২৬টি প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন আনিসুল হক। গার্মেন্ট শ্রমিকদের নামমাত্র সুদে ঋণ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের আবাসনের ব্যবস্থা হাতে নিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে তিনি তিনটির অনুমোদন পেয়েছিলেন। এর একটি ছিল তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদী গ্রুপ।

যানজট নিরসনে মহাখালী-গাজীপুর পর্যন্ত ইউটার্নের প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন। গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ৪ হাজার বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। শাহাবুদ্দিন পার্ক, বনানী পার্ক ও মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড মাঠে পার্কের নকশা করেছিলেন
এ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে স্থায়ী বাসস্থান পেত অবহেলিত মানুষগুলো। স্মার্ট নগরীর পরিকল্পনার বিষয়ে ইকবাল হাবিব বলেন, নাগরিক সুবিধা সহজ করতে স্মার্টকার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন মেয়র আনিসুল হক। ডিজিটাল কার্ডে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করে খুব দ্রুত সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। একটি নিরাপদ, আধুনিক ও নারীবান্ধব মহানগর গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে ২০১৫ সালের ৬ মে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব নেন আনিসুল হক। সিটি মেয়রের দায়িত্ব নিয়েই রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করেন তিনি। রাজধানীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নগরবাসীর হৃদয়ে ঠাঁই নিয়েছিলেন আনিসুল হক। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সেনা সমর্থিত সরকার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তার মোড় থেকে ট্রাকস্ট্যান্ড, গাবতলীতে ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ করতে না পারলেও মেয়র হিসেবে তা উচ্ছেদ করে দেখিয়েছেন তিনি। শুধু উচ্ছেদই নয়, এগুলো সরিয়ে রাস্তা সংস্কার করে দিয়েছেন নগরবাসীর সুবিধার্থে। কূটনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গুলশান-বারিধারার নিরাপত্তা জোরদার, বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোর দখলে থাকা ফুটপাথ জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা, গুলশান-বনানী এলাকা থেকে পুরনো বাস সরিয়ে ‘ঢাকা চাকা’ নামের নতুন এসি বাস সার্ভিস চালু, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনভুক্ত এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, ‘সবুজ ঢাকা’ নামের বিশেষ সবুজায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে নাগরিক মহলে বিশেষ প্রশংসিত হন তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ফিরিয়ে এনেছেন জনগণের সম্পত্তি। নগরীকে নিরাপদ করতে তাঁর উত্তর সিটি এলাকায় প্রায় ৫ হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগিয়েছেন তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সমস্যায় দিনে-রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নাগরিকবাসীর আস্থাভাজন হয়েছেন মেয়র আনিসুল হক। যে কোনো নতুন ভাবনা মাথায় এলে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে তার উপযোগিতা যাচাই করতেন তিনি। সাতরাস্তা থেকে উত্তরা পর্যন্ত ইউটার্ন প্রকল্প নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছিলেন আনিসুল হক। প্রকল্প সম্পন্ন হয়ে ইতিমধ্যে চালু হয়ে গেছে। এর সুফল পেতে শুরু করেছে মানুষ। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীতে ছয়টি কোম্পানির আওতায় বাস নামানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। বাস মালিকদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করে প্রায় গুছিয়ে এনেছিলেন সবকিছু। তাঁর মৃত্যুর চার বছর পার হলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি কোম্পানিভিত্তিক বাস প্রকল্প। সড়কে ঝরছে প্রাণ, রাস্তায় আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

কারওয়ান বাজার কাঁচাবাজার সরিয়ে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রকে যানজটমুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। কাঁচাবাজার সরিয়ে গাবতলী, যাত্রাবাড়ী, মহাখালী নবনির্মিত মার্কেটে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কোটি টাকা ব্যয়ে মার্কেট নির্মাণ হলেও কাঁচাবাজার সরানোর কোনো কার্যক্রম নেই। আনিসুল হকের স্বপ্নের ঢাকা নির্মাণ এখনো প্রায় স্বপ্ন পর্যায়েই আছে।


Source: https://www.bd-pratidin.com/city-news/2021/12/06/718432

21
চাকরির বাজারে বাংলাদেশে এক অদ্ভুত অবস্থা বিরাজ করছে। প্রতিবছর হাজার হাজার উচ্চশিক্ষিত তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করলেও তাঁরা পছন্দমতো কাজ পাচ্ছেন না। অনেকে বছরের পর বছর বেকার থাকছেন। অন্যদিকে শিল্পকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকেরা দেশে দক্ষ ও যোগ্য কর্মী না পেয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছেন। গত শনিবার ব্র্যাক সেন্টারে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও ফ্রেডরিক এভার্ট স্টিফটাং (এফইএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে দক্ষতার ঘাটতি এবং যুব কর্মসংস্থান’ শীর্ষক সংলাপে ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও তরুণসমাজের প্রতিনিধিদের কণ্ঠে এই বাস্তবতাই উঠে এসেছে।

এক দশক আগেও উচ্চশিক্ষিত ও মেধাবী তরুণদের মধ্যে বেসরকারি তথা শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরির প্রতি অনেক বেশি আগ্রহ ছিল। বর্তমানে তাঁরা সরকারি চাকরিতেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এমনকি প্রকৌশলবিদ্যা ও চিকিৎসাশাস্ত্রের মতো বিশেষায়িত বিষয়ে যাঁরা উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন, তাঁদেরও একাংশ সরকারি চাকরিতে ঝুঁকছেন। তাঁরা মনে করছেন, সরকারি চাকরিতে পেশাগত নিশ্চয়তার পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদা ও প্রভাব বেশি।

অতীতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তরুণদের আগ্রহের প্রধান কারণ ছিল সরকারি চাকরির চেয়ে সেখানে বেতন-ভাতা অনেক বেশি ছিল। ২০১৫ সালে প্রণীত নতুন বেতনকাঠামোয় সরকারি চাকরিতে বেতন-ভাতা দ্বিগুণ হওয়ায় সেই ব্যবধান কমে গেছে। এ ছাড়া আমাদের তরুণদের মধ্যে যত উঁচু পদই হোক না কেন, কারখানায় কাজের চেয়ে দাপ্তরিক কাজে বেশি উৎসাহী। সেমিনারে একজন উদ্যোক্তা আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আইআইটি থেকে পাস করে ভারতের তরুণেরা গুগলের প্রধান নির্বাহী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। আর আমাদের তরুণেরা বুয়েট থেকে পাস করার পর তাঁদের লক্ষ্য হয় বিসিএস।’

তবে স্বীকার করতে হবে যে বেসরকারি শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কাজে তরুণদের অনাগ্রহের একটি বড় কারণ চাকরির অনিশ্চয়তা। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় এবং মেয়াদ শেষ হলে সেই চুক্তি নবায়ন করে না। অনেক বেসরকারি ব্যাংক কর্মীদের মূলধন সংগ্রহের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়, তা পূরণ করা অতি দক্ষ কর্মীর পক্ষেও সম্ভব হয় না। পণ্য বিক্রয়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়োগের সময় এমন সব শর্ত জুড়ে দেয়, যা মেধাবী তরুণদের জন্য সম্মানজনক নয়।

অতএব, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো যদি মেধাবী তরুণদের আকৃষ্ট করতে চায়, তাদেরও মানসিকতার পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে কর্মীর দক্ষতা ও যোগ্যতা একমাত্র মাপকাঠি ধরতে হবে। অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণকালেই কাজের অভিজ্ঞতার সুযোগ দিয়ে থাকে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। আমাদের এখানেও সেটি ব্যাপকভাবে চালু করতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, দক্ষ ও যোগ্য কর্মী তৈরি করতে দেশে আরও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন আছে। কিন্তু এসব বিশ্ববিদ্যালয় কেন দক্ষ ও যোগ্য কর্মী নিয়োগ করতে পারছে না, তা সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে। এটি কেবল ব্যক্তির নয়, জাতিরও বিরাট ক্ষতি। বাংলাদেশের যেসব শিক্ষার্থী বাইরে পড়াশোনা করছেন, তাঁরা সেখানে কর্মজীবনেও ভালো করছেন। আমাদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশ থেকে দক্ষ ও যোগ্য কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রবাসী ছেলেমেয়েদের কথাটিও গুরুত্বের সঙ্গে ভাবতে পারে। দেশে দক্ষ ও যোগ্য কর্মী তৈরিতে শিক্ষার মান যেমন উন্নত করতে হবে, তেমনি তাঁদের বেসরকারি খাতে আকৃষ্ট করতে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি চাকরিরও নিশ্চয়তা থাকতে হবে।


Source: https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80

22
Thanks for the information.

23
Be a Leader / 7 Effective Leadership Skills to Manage Your Time
« on: June 06, 2017, 02:08:24 PM »
Do you always manage your time and properly hit your targets, goals, and deadlines? Effective leadership skills are gleaned through various practices, including learning how to manage your time.

Start.

As simple as it sounds, the first thing you need to do is start. If you have something you need to write, sit down and write the first paragraph.

Set Clear Goals and Objectives.

Keep a to-do list, in combination with a day planner if you like. Be sure to go into each day with a clear idea of what you need to do

Know Your “Sweet Spot” of the Day.

What is your most productive period of time? What is your least productive time? Did you achieve your goals? How could you have done what you were doing more effectively?

Handle e-mail and Phone Calls in Batches.

If you are like most people, you get phone calls and e-mail messages throughout the day. Try chunking e-mail and telephone calls together and return them all at once.

Divide Larger Tasks into Groups of Smaller Ones.

Break a job into bite-sized pieces for easier consumption. Look at it like cleaning a room. You should pick a task to match the amount of time available.

Prioritize Tasks.

Try to understand the difference between urgent and important. Also try to create lists of what must be done , what should be done and what you would like done by the end of the day.

Learn When to Say No.

Many people are afraid to let their managers know how busy they are, however, if you are overextended, it is important that you speak up for yourself.

24
Be a Leader / 7 Effective Leadership Skills to Manage Your Time
« on: June 04, 2017, 02:26:12 PM »
Do you always manage your time and properly hit your targets, goals, and deadlines? Effective leadership skills are gleaned through various practices, including learning how to manage your time.

Start.

As simple as it sounds, the first thing you need to do is start. If you have something you need to write, sit down and write the first paragraph.

Set Clear Goals and Objectives.

Keep a to-do list, in combination with a day planner if you like. Be sure to go into each day with a clear idea of what you need to do

Know Your “Sweet Spot” of the Day.

What is your most productive period of time? What is your least productive time? Did you achieve your goals? How could you have done what you were doing more effectively?

Handle e-mail and Phone Calls in Batches.

If you are like most people, you get phone calls and e-mail messages throughout the day. Try chunking e-mail and telephone calls together and return them all at once.

Divide Larger Tasks into Groups of Smaller Ones.

Break a job into bite-sized pieces for easier consumption. Look at it like cleaning a room. You should pick a task to match the amount of time available.

Prioritize Tasks.

Try to understand the difference between urgent and important. Also try to create lists of what must be done , what should be done and what you would like done by the end of the day.

Learn When to Say No.

Many people are afraid to let their managers know how busy they are, however, if you are overextended, it is important that you speak up for yourself.

25
Be a Leader / 7 Tips for Becoming A Leader At Work
« on: June 04, 2017, 12:50:13 PM »
If you want to become a leader at work, incorporate these actions into your daily routine:

1. Take Responsibility
You want to be a leader at work, learn to take responsibility for anything that has your fingerprint on it. That means, as long as you participate in the project, you have a hand at the failure of the project. Learn to take responsibility for not just the good things, but even bad ones. Admit to your mistakes – it’s okay to be wrong. You cannot learn if you have not made any mistakes.

2. Believe In Win-Win
A rising tide lifts all boats – always think win-win. It exists. Just because the world thinks the business world is nasty, and that you need to be manipulative and maneuvering to win, you need not participate in it.
In fact, make it your contribution not to be nasty and bullying in your ways. You want to be a leader at work, believe in your hands as leader to change the world.
The power of positive influence you have on the people around you and the power to inspire people to greater heights is in front of you.

3. Push The Envelope
Try new things. Take some risk. Make yourself uncomfortable. Do the things that may risk making you look foolish – what do you have to lose? Leaders take risks. They are not afraid of doing what they believe.
What do you believe in that you are willing to take some risk? To be a leader at work, you need to take even simple risks like taking on the project no one wants.

4. Do It, Write It
I have often said this. This world is full of people who talk too much and don’t do enough. If you want to be a leader at work, act upon something. Work that plan. If you have any ideas that are simmering in your mind, write it down. It doesn’t matter if it’s not a plan yet, just write it down. If you don’t write it down, there is no one to present to and there is no record of the idea. How can it count? If you want to be a leader at work, you have practice writing down everything.

5. See Opportunities Everywhere
There is no need to create opportunities for yourself to lead. The opportunities to lead are everywhere. You need to be mindful of these opportunities.
I have just mentioned one earlier. Are there any opportunities to take on the project no one wants? If you don’t see opportunities everywhere, you are missing the point.

6. Be Open
Be open to criticism, otherwise you are just living off yourself. What does it mean? When you are open to feedback, you are being fed ideas from others that are free. Often times, these ideas come from people smarter than you. They will give you tips on how to improve and how to be better.
That’s what a leader needs – constant feedback. You need feedback to be a leader at work, otherwise you are “feed-own” (I just created that word to mean feeding yourself) and you will go hungry soon. With no new ideas, a leader dries up.

7. Give, Give, Give
That’s how you open up. Pour out all you got from inside you. Give all you have ideas, thoughts, plans. Feel the vulnerability and learn to like it. When you pour all your ideas out you will need new ones. Where do new ideas come from? From critics who want to tear you down, from well-meaning supporters and from people you least expect.

These are the seven actions to position yourself as a leader at work. You want to be a leader at work? Do not be afraid of taking risks. You have more to gain than lose when you open up.

26
Be a Leader / Top 7 Tips on How to Give Your Best and Get the Best
« on: June 02, 2017, 02:48:47 AM »
Has it ever occurred to you that you may not be living up to your potential because you are not giving your best to others including your employer, clients or family and friends?

The reason why most of us live below our capability is because we haven’t learned from a farmer who gave the best of his seeds to his neighbors. He was also known to share his better bred bulls during breeding seasons. This farmer’s way of life shocked one of his friends who asked, "Why do you give your best seeds to your neighbors and even let them use your proven breeding bulls to breed their cows. Don’t you know these people are your competitors?"

The farmer thought for a moment, then responded: "They are not competitors. Yes, we sell our garden produce and diary products at the same market, but that is not the whole picture. You see, when I give my best seeds to them, I am sure my crops will be cross-pollinated with the best. When I share my best bulls, I know there will always be the best within my village."

The success of the top performers in any chosen field can largely be attributed to the unrestrained sharing of their wisdom, time and resources. They pointed open doors for others to enter through the gates of opportunities. They have let would-be competitors learn what it takes to stay ahead from them. Masters of a craft have no worry in showing others "the ropes."

Here are Top 7 Tips on How to Give Your Best and Get the Best:

1. Be in-charge of your own attitude, decisions and actions.

2. Surround yourself with those who challenge and/or encourage your efforts.

3. Learn to see how what you do benefits others instead of focusing on what’s there for yourself.

4. Make efforts to better your skills and improve your quality of life constantly.

5. Let past disappointments be the platform on which you stand to overcome present and future challenges.

6. Give with the right motive.

7. Make giving a lifelong, not a seasonal endeavor.

Source: http://top7business.com/?Top-7-Tips-on-How-to-Give-Your-Best-and-Get-the-Best&id=642

27
Fresh Graduate / Application Letter Sample for Fresh Graduates
« on: May 26, 2017, 08:24:29 PM »
This application letter sample shows the correct format you should use when sending out your application letter in print form. If you plan on submitting your application letter via email, refer to the second application letter sample below.

April 17, 2015

Mr. K M Hasan Ripon
CEO
Jobsbd.com
House#11, Road#14 (NEW), Dhanmondi, Dhaka

Dear Sir 8),

I am writing to express my interest for the position of Recruitment Assistant in your esteemed company.

Having recently obtained my Bachelor’s Degree in Business Administration major in Human Resource Management in the Daffodil International University (DIU), I wish to bring my knowledge, skills and commitment to excellence to your company’s innovative environment.

As a Business Administration student, majoring in HR management, I’ve become equipped with the necessary knowledge that come with the position including manpower recruitment, workforce organization, personnel training and compensation as well as legal provisions and other labor concerns.

My internship at Daffodil Computers Limited also afforded me with the crucial skills to work with some of the best professionals in the recruitment and human resources industry. Being a trainee has developed in me enthusiasm and a true passion for human resources and has subsequently convinced me that human resource management is my true calling.

For additional details regarding my qualification and expertise, please review my attached resume.

Thank you for taking the time to consider this application and I look forward to hearing from you.

Sincerely,

(signature)

Amena Hasan

28
Fresh Graduate / The Skills Hiring Managers Found Lacking
« on: May 26, 2017, 08:00:55 PM »
Overall, hiring managers found soft skills such as communication, leadership, ownership, and teamwork were missing in this new crop of workers. The following chart shows the percentage of hiring managers who reported the lack of specific skills.

“Graduates need strong communication and problem-solving skills if they want to interview well and succeed in the workplace, because effective writing, speaking, and critical thinking enables you to accomplish business goals and get ahead,” Dan Schawbel, research director at Future Workplace, said in a statement. “No working day will be complete without writing an email or tackling a new challenge, so the sooner you develop these skills, the more employable you will become,” Schawbel adds.

29
Be a Leader / 10 Habits for Successful Professionals and Entrepreneurs
« on: December 03, 2013, 03:04:58 PM »
To achieve and sustain success, there are some simple and easy actions that all successful people follow every day. Success, like anything else is a habit and here are the 10 daily habits to get and keep success will knock the door.

1. Think Your Way to Success.
2. Avoid Overly Negative People.
3. Feed Forward to Success.
4. Never Deflect Responsibility.
5. Eliminate "Waiting for perfect time".
6. Speak with Confidence.
7. Post and Read Your Goals.
8. Be Adaptable.
9. Recover from Mistakes Quickly.
10. Be Aggressive When Needed, Humble when Required, Driven Always.

Visit the link:
&feature=youtu.be

For more to know please contact with

Mr. K M Hasan Ripon, Director
Bangladesh Skill Development Institute
Email: kmhasan.ripon@gmail.com | Web: www.kmhasanripon.com

30
Career Advice / 10 Basic steps of Effective Negotiation Skills
« on: June 19, 2013, 08:56:52 PM »
1. Decide on your starting position and your "bottom line," or lowest point you will accept in the deal.

2. Consider the objectives and emotional motivation of the other party.

3. Plan your sequence of proposals and possible counter-proposals. Open at the most you can reasonably ask for as this gives you room to negotiate.

4. Prepare for the meeting by determining your own motives and objectives: Why are you negotiating? What do you expect to gain and why is it important to you? What do you think you will have to offer to achieve this?

5. Be prepared with information, facts, comparable prices or costs, etc. Avoid going into any negotiation and coming across as either uninformed or unreasonably aggressive.

6. If the other party makes the first offer or proposal, this can allow you to gauge your response and set the parameters of the negotiation to your advantage. Though some experts suggest that your proposal be the first one on the table, this tactic can allow the other party to open at a point that is more favorable to you than you may have anticipated.

7. Start by discussing a mutually agreed upon point of the negotiation — something both parties will readily say yes to.

8. When do propose a deal or an offer phrase as "I will do such-and-such for you, and you will do this for me." This establishes a position of confidence and authority.

9. Make your arguments and proposals incrementally and strategically. Avoid going immediately to your lowest point of acceptance, or bottom-line.

10. Know when it is time to close or break off discussion. If the other party is ready to close the deal, and it is acceptable to you, make it easy for them to do as little as possible by having everything ready to sign, etc.

Pages: 1 [2] 3 4