Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Farhadalam

Pages: 1 [2]
16
BCS Cadre / First start for BCS
« on: September 19, 2015, 01:19:55 PM »
নেশন নিউজ ডেস্ক: বিসিএসে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ছিটকে পড়ে প্রিলিমিনারি পর্ব থেকে। তুমুল প্রতিযোগিতাপূর্ণ এ পরীক্ষায় টিকতে হলে চাই জোর প্রস্তুতি। বিসিএসের প্রিলিমিনারির প্রস্তুতিতে করণীয় নিয়ে লিখেছেন ৩০তম বিসিএসে সম্মিলিত মেধাতালিকায় প্রথম সুশান্ত পাল-
বিসিএস পরীক্ষার ডিফিকাল্টি লেভেল আমার কাছে কিছুটা ওভাররেটেড বলেই মনে হয়েছে। এটা তুমুল প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি পরীক্ষা-এটা যতটা সত্য, সত্যিকার অর্থে প্রতিযোগিতায় আসার মতো প্রার্থী খুব বেশি সাধারণত থাকে না, এটা আরো বেশি সত্য। দুটি ফ্যাক্ট শেয়ার করি।
এক. এই এক্সামে ৫০ শতাংশ ক্যান্ডিডেট যায় জাস্ট ঘুরতে, কোনো কারণ ছাড়াই, অনেকটা গেট-টুগেদার করতে। (মজার ব্যাপার হলো, এদের কেউ কেউ সফলও হয়ে যায়! 'এলাম, দেখলাম, জয় করলাম' টাইপের আরকি!)
দুই. রিয়েল কম্পিটিটিশনে আসার মতো ক্যান্ডিডেট থাকে মাত্র ৭ শতাংশের মতো। এর মানে, আপনার কম্পিটিটর আপনি যতটা ভাবছেন, তত বেশি না।
প্রিলিমিনারির একটি সিলেবাস পিএসসি প্রণয়ন করে দিলেও প্রকৃত অর্থে বিসিএসের কোনো সুনির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। এই পরীক্ষায় শত ভাগ প্রস্তুতি নেওয়া কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়। ৩৫তম লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে লিখতে গিয়ে বলেছিলাম, শতভাগ শিখেছি ভেবে তার ৬০ শতাংশ ভুলে গিয়ে বাকি ৪০ শতাংশকে ঠিকমতো কাজে লাগানোই আর্ট। এই পরীক্ষার বেলায়ও কথাটি সমভাবে প্রযোজ্য। প্রিলিমিনারিতে ভালো করার জন্য কী কী পড়বেন, সেটা জানার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, কী কী বাদ দিয়ে পড়বেন, সেটা ঠিক করা।
৩৫তম বিসিএস প্রিলি : কিছু পর্যবেক্ষণ
* ক খ গ ঘ-এই সিরিয়ালটা বাম থেকে ডানে না দিয়ে ওপর-নিচে দেওয়ায় অনেক ক্যান্ডিডেটই অন্তত তিন-চারটা জানা প্রশ্নের উত্তর ভুল দাগিয়েছেন।
* এটি 'এসো নিজেরা করি' টাইপ কোনো প্রশ্ন না, তাই পরীক্ষার হলে কথা বলেও তেমন কোনো লাভ হয়নি।
* কোচিং সেন্টারে দৌড়ঝাঁপ করে আর গাইড বই পড়ে তেমন কোনো কাজই হবে না, যদি না নিজের মাথায় কিছু থাকে। ভালো প্রস্তুতি নেওয়া অপেক্ষা ভালো পরীক্ষা দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
* 'অমুক কোচিং সেন্টারের সাজেশনে এত পার্সেন্ট কমন', 'তমুক গাইডের এতসংখ্যক প্রশ্ন কমন'-
এসব কথা বলার দিন শেষ হতে চলেছে, এটা আমার মনে হয়েছে।
* একেকভাবে ভাবলে একেক রকম উত্তর হয়-এমন প্রশ্ন অন্যান্যবারের তুলনায় গেল প্রিলিমিনারিতে বেশি ছিল। পিএসসি ইচ্ছা করেই এ গেমটা খেলে, যাতে কেউ সেগুলো উত্তর না করে। নেগেটিভ মার্কিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিসিএসের আসর থেকে ছিটকে পড়েছেন অনেকেই। লোভে পাপ, পাপে নেগেটিভ মার্কস!
* প্রশ্নটি ভালোভাবে দেখলে খেয়াল করবেন, আপনার অ্যাকাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড যা-ই হোক না কেন, আপনি কোনো বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন না।
* এখন থেকে সব সময় পরীক্ষা এ স্টাইলেই হলে প্রশ্নব্যাংক, ডাইজেস্ট, জব সলিউশন, কোচিং সেন্টারের দৌরাত্ম্য কমে যাবে কিংবা ওদের সেবাদানের ধরন বদলাতে হবে। স্রেফ মুখস্থ বিদ্যার জোরে আমলাতন্ত্রে আসারও দিন শেষ।
বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতি:
ধারাবাহিক আয়োজনে বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নিয়ে লিখব। আজ প্রথম পর্বে থাকছে বাংলা বিষয়ে কিছু আলোচনা। বাংলা মাতৃভাষা হওয়ায় অনেকের কাছেই মনে হতে পারে, ভালো প্রস্তুতি না নিয়েও এ বিষয়ে ভালো মার্কস পাওয়া যাবে। কিন্তু প্রিলিমিনারি পরীক্ষার নিয়মই হলো, সহজ মার্কসটি যায় না পাওয়া সহজে।
বাংলার জন্য আগের বিসিএস পরীক্ষা আর জব সলিউশনের ভাষা ও সাহিত্যের প্রশ্নগুলো পড়ে ফেলুন। ওখান থেকে অত কমন হয়তো পাবেন না, কিন্তু একটা ধারণা পাবেন-কোন ধরনের প্রশ্ন আপনি পড়বেন কিংবা বাদ দিয়ে পড়বেন! যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে এ প্রশ্নের প্যাটার্ন ম্যাপিংটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ভাষা
কোথা থেকে পড়বেন?
আগের বিসিএস পরীক্ষাগুলোর প্রশ্ন+ জব সলিউশন+ নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই+ হায়াৎ মামুদের ভাষা-শিক্ষা+গাইড বই
কিভাবে পড়বেন?
সিলেবাসটা ভালো করে দেখে নিন। কোন কোন টপিক আছে তা একটা কাগজে লিখে ফেলুন। এরপর টপিক ধরে ধরে ব্যাকরণ আর গাইড বইয়ের সেই অধ্যায়গুলো ভালোভাবে দাগিয়ে বারবার পড়ুন। যে প্রশ্নগুলো বারবার পড়লেও মনে থাকে না, সেগুলো মনে রাখার চিন্তা বাদ দিন। একটা কঠিন প্রশ্নেও ১ নম্বর, একটা সহজ প্রশ্নেও ১ নম্বর। ৫ নম্বরের কঠিন প্রশ্নের পেছনে সময় দেওয়ার চেয়ে বরং ২০ নম্বরের সহজ প্রশ্নের পেছনে সেই একই সময় দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। জোর করে আর আবেগ দিয়ে নয়, বুদ্ধি দিয়ে বুঝেশুনে পড়ুন।
সাহিত্য
কোথা থেকে পড়বেন?
আগের বিসিএস পরীক্ষাগুলোর প্রশ্ন+জব সলিউশন+সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা+হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলি+মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস+গাইড বই
কিভাবে পড়বেন?
আগের বিসিএস প্রিলিমিনারি আর লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন স্টাডি করে কোন ধরনের প্রশ্ন আসে, কোন ধরনের প্রশ্ন আসে না, সে সম্পর্কে ভালো ধারণা নিন। এরপর রেফারেন্স বই দাগিয়ে বাদ দিয়ে দিয়ে পড়বেন। রেফারেন্স বইয়ের সবটুকু কাজে লাগে না, তাই সবটুকু পড়ার সহজাত লোভ সামলাতে শিখুন। খুবই ভালো হয়, যদি সাহিত্য অংশটি পড়ার সময় লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলা যায়। কারণ এর জন্য বাড়তি কোনো কষ্ট করতে হবে না আপনাকে।
মুখস্থ করার চেষ্টা না করে বারবার পড়ে মনে রাখার চেষ্টা করা উত্তম। পরীক্ষার হলে কিছু প্রশ্নের উত্তর কিছুতেই পারবেন না-এটা মাথায় রেখে সাহিত্য অংশের প্রস্তুতি নিন, দেখবেন মাথা ঠাণ্ডা থাকবে, অন্যান্য বিষয়ের প্রস্তুতিও ভালো হবে।
কিছু টিপস:
* দুই-তিনটা জব সলিউশন কিনে দশম থেকে ৩৫তম বিসিএস ও পিএসসির নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্নগুলো (সম্ভব হলে অন্তত ২৫০-৩০০ সেট) বুঝে সলভ করে ফেলুন। দাগিয়ে রিভিশন দিন অন্তত দুই-তিনবার।
* দুই সেট রিটেনের গাইড বই কিনে আগের বছরের প্রশ্ন পড়ে ফেলুন। যে টপিকগুলো প্রিলির সঙ্গে মিলে সেগুলো সিলেবাস ধরে পড়ে শেষ করে ফেলুন। এতে আপনার রিটেনের অর্ধেকেরও বেশি পড়া হয়ে যাবে। রিটেনের শতকরা ৬০ ভাগের বেশি পড়া প্রিলির সঙ্গে মিলে যায়।
* প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে দৈনিক পত্রিকা, ইন্টারনেট আর রেফারেন্স বই। কষ্ট হলেও রেফারেন্স বই ওল্টাতে পারলে প্রিলিমিনারি আর রিটেন দুটোতেই লাভ হবে।
* অনেকে প্রথমে রেফারেন্স বই পড়ে, পরে প্রশ্ন সলভ করে। এতে দুইটা সমস্যা আছে। এক. বেশি প্রশ্ন সলভ করার সময় পাওয়া যায় না। যত বেশি প্রশ্ন সলভ করবেন, ততই লাভ। দুই. রেফারেন্স বইগুলোর বেশির ভাগ অংশই বিসিএস পরীক্ষার জন্য কাজে লাগে না, অথচ পুরো বই পড়তে গিয়ে সময় নষ্ট হয় এবং বিসিএস নিয়ে অহেতুক ভীতি তৈরি হয়। তা ছাড়া অত কিছু মনে রাখার দরকারও নেই। তাই উল্টো পথে হাঁটুন। আমিও তা-ই করেছিলাম।

Source: Nationnews24.com | Leading bangla online newsporlal in bangladesh.

17
BCS Cadre / Method for Faster calculation of BCS Math
« on: September 17, 2015, 01:27:34 PM »
Dear Reader,
Please find the attachment file. I think u will be beneficial from it.

18
BCS Cadre / Commom error in English
« on: September 17, 2015, 01:19:32 PM »
Dear Reader,
please find the attachment file.

19
BCS Cadre / BRICS & new Development Bank
« on: September 17, 2015, 01:16:33 PM »
                                     BRICS AND NEW DEVELOPMENT BANK
A  emerging  new industrial developing economic countries are formed a group so called BRICS. Its a economic group by Five(5) big countries Brazil, Russia, India, China and South Africa. In 2006, the former concept named BRIC  was firstly completed a summit in New York, The USA, without South Africa. The total number of population approximately 3 billion(42% of the world population)<Source: The Economist, 11 june 2012>.
From this sequence gradually its formed a hot cake of developed countries for a better economic activity, a handsome accumulation of capital, investment positive approach etc among the BRIC countries. By the by in 2010, South Africa was joined and new name formed BRICS. However, the last summit that is 7th was held in Ufa, Russia(8-9 july,2015)< source: The New York Times, 11 july,2015>.

Type of BRICS:  An economic group.
Members: 7, Last Summit: Ufa, Russia (July, 2015)
Cause for establishment: Economic stability, Regional and national economic progress, significant influence on regional and global affairs etc.

                                         NDB( New Development Bank)
NDB whis is formally known as a BRICS development bank or new development bank and operated by 5 states Brazil, Russia, India, China and South Africa. Its an alternative of American and European International Monetary Fund and World Bank.The concept of making a bank started from 2012, 4th summit of BRICS in Dellhi. In the last summit of BRICS, July 8-9, 2015 the members agreed to establish NDB in Sanghai, China. The initial capital of NDB is 50 billion US dollar. By means of equal share each and every member can utilize the fund of BRICS for their trade related aspects. The present capital of BRICS approximately 100 billion US dollar which 12.5% is to be paid by 7 countries< source: The Cinhua news, 2015>. The designation of the head is president and his name  . Kundapur Vaman Kamath, from India commonly referred to as K.V. Kamath, is the chief of the New Development Bank of BRICS countries, he has served as the chairman of Infosys Limited, the second-largest Indian IT services company, and as the Non-Executive Chairman of ICICI Bank.


20
BCS Cadre / Some important vacabulary
« on: September 17, 2015, 01:09:54 PM »
Dear Reader,
plz find the attachment

21
উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডায় অভিবাসনের নতুন সুযোগ দিচ্ছে দেশটির সরকার। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার নামক এই কার্যক্রমের আওতায় ৫০ ক্যাটাগরিতে ভিসা দেবে দেশটি। চলতি মাসের শুরু থেকেই এই কর্মসূচীর অধীনে আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম প্রায় ১ বছর পর্যন্ত চলবে। সারা পৃথিবী থেকে ২৫ হাজার প্রার্থী কানাডায় পাড়ি জমানোর সুযোগ পাবেন। আবেদনকারীর যোগ্যতা প্রমাণে কিছু শর্ত দিয়েছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। সবগুলো শর্ত পরিপালনের ক্ষেত্রে নাম্বার ধরা হয়েছে ১০০ পয়েন্ট। একজন আবেদনকারীর ন্যূনতম ৬৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। অর্থসূচকের এ রিপোর্ট থেকে আপনি মিলিয়ে নিতে পারেন আপনার যোগ্যতা আর প্রাপ্য পয়েন্ট।
যে কেউ চাইলেই স্কিলড ওয়ার্কার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। তার জন্য অবশ্যই তাকে প্রয়োজনীয় যোগ্যতার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। পাঠকদের সুবিধার্থে অর্থসূচকের পক্ষ থেকে এই অবশ্য পূরণীয় শর্তগুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হল :
•   প্রার্থীর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পেশায় এক বছরের পূর্ণকালীন কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে ১০ বছরের আগের অভিজ্ঞতা অযোগ্যতা বলে পরিগণিত হবে।
•   এই অভিজ্ঞতা অবশ্যই কানাডার জাতীয় পেশাগত শ্রেনীবিভাজনের আওতাধীন হতে হবে।
•   প্রার্থীকে অবশ্যই ইংরেজী অথবা ফ্রেঞ্চ ভাষায় দক্ষ হতে হবে। এক্ষেত্রে ভাষার দক্ষতা প্রমাণের জন্য আইইএলটিএসের মতো আন্তর্জাতিক পরীক্ষার ফলাফল প্রমাণ হিসাবে দাখিল করা যাবে।
•   প্রার্থীর অবশ্যই ছয়টি সিলেকশন ফ্যাক্টরের ১০০ পয়েন্টের মধ্যে অবশ্যই ৬৭ থাকতে হবে। (এই বিষয়ে নিম্নে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে)
•   প্রার্থীর কানাডায় নিজের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
•   প্রার্থীকে শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে। কোনো ধরনের অপরাধমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজে সম্পৃক্ততা অযোগ্যতা বলে বিবেচিত হবে।
সিলেকশন ফ্যাক্টর
শিক্ষাগত যোগ্যতা, ভাষার দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স, কানাডায় চাকরি প্রস্তাব এবং অভিযোজ্যতা এই ছয়টি বিষয়কে সিলেকশন ফ্যাক্টর হিসেবে গণ্য করে কানাডা। এই ছয়টি ফ্যাক্টর অধীনের মোট ১০০ পয়েন্টের প্রেক্ষিতে প্রার্থীর যোগ্যতা বিচার করা হয়। এক্ষেত্রে ৬৭ নাম্বার পাওয়া যোগ্যতার প্রাথমিক শর্ত। বলতে গেলে এই সিলেকশন ফ্যাক্টরই কানাডায় আবেদনের প্রধান বিবেচ্য।
শিক্ষা
শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডক্টরেটের জন্য ২৫, স্নাতকোত্তরের জন্য ২৩ ও অন্যান্য যোগ্যতার জন্য ক্রমানুসারে পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন সর্বনিম্ন সীমা নেই, তবে কোনো কোনো পেশার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক থাকা বাধ্যতামূলক।
ভাষা
ইংরেজী ও ফ্রেঞ্চ কানাডার দাপ্তরিক ভাষা। প্রার্থীকে এই দুই ভাষার যে কোন একটিতে বলা, পড়া, লেখা ও শোনার ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে। ভাষার জন্য সিলেকশন কোটায় মোট ২৪ পয়েন্ট বরাদ্দ রয়েছে। প্রার্থীকে অবশ্যই এর মধ্যে ১৬ পয়েন্ট পেতে হবে।
কাজের অভিজ্ঞতা
কাজের অভিজ্ঞতার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৯ পয়েন্ট থাকা বাধ্যতামূলক বা কমপক্ষে ১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়স
বয়সের জন্য মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ রেখেছে কানাডা। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সের জন্য ১২ পয়েন্ট এবং এর অধিক বয়সের ক্ষেত্রে প্রতি বছরের জন্য ১ পয়েন্ট করে বাদ দেওয়া হবে। বয়স ৪৭ এর বেশি হলে কোন পয়েন্ট প্রদান করা হবে না। তবে বয়সের ক্ষেত্রে পয়েন্ট পাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
কানাডায় চাকরি প্রস্তাব
কানাডায় পৌঁছানোর আগে প্রাপ্ত চাকরি প্রস্তাবের জন্য সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে প্রার্থী বৈধ নিয়োগের জন্য ১০ পয়েন্ট এবং অভিযোজ্যতার কোটায় ৫ পয়েন্ট বোনাস পাবেন। তবে ভিসার আবেদনের জন্য চাকরির প্রস্তাব বাধ্যতামূলক নয়।
অভিযোজন ক্ষমতা
কানাডায় গিয়ে প্রার্থীর অভিযোজন সম্ভাব্যতা বিচার করা হয় এই ক্যাটাগরির মাধ্যমে। আর এর জন্য মোট দশ পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কানাডায় কাজের ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট পাবেন। কানাডায় অধ্যয়নের ইতিহাস থাকলে পাবেন ৫ পয়েন্ট। এছাড়া স্বামী/স্ত্রী কিংবা পরিবারের কোন সদস্য কানাডায় অবস্থান করলে পাবেন ৫ পয়েন্ট।
এই শর্তগুলো পূরণ হলে যে কেউ চাইলে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। তবে, আগে নিজের যোগ্যতা বিচার করে ভিসার জন্য আবেদন করুন। এক্ষেত্রে স্বীকৃত, বিশ্বস্ত ও পরিচিত কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে পারেন। অন্যথায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা কন্সালটেন্সি ফার্মগুলোর চাটুকরি কথায় হুঁশ হারিয়ে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
http://www.cic.gc.ca/english/immigrate/skilled/apply-who-instructions.asp#jobs

22


বর্তমান সময়ে আমাদের যে কোনো ধরণের প্রয়োজনীয় তথ্য আমরা পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডে সংরক্ষন করি। এছাড়াও ছবি, বা অন্যান্য অনেক কিছুই আমরা আমাদের মোবাইলের মেমরি কার্ডের মধ্যেই রাখি।
তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি অনেকসময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অকেজো হয়ে যায়। এর ফলে মহাবিপাকে পড়তে হয় আমাদের।
বিভিন্নভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বাহ্যিকভাবে নষ্ট মেমরি কার্ডকে ঠিক করা কঠিন। তারপও আধুনিক কম্পউটারের যুগে সবই সম্ভব। আপনার সম্পূর্ন নষ্ট হয়ে যাওয়া মেমোরি এখন ঠিক করা একেবারেই সহজ। এর জন্য কিছু নিয়ম ফলো করলেই আপনি ফিরে পাবেন আপনার মেমোরি।
যেভাবে নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন:
ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে:
মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না। এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকেরিকভারি সফটওয়্যার মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।
আপনাকে যা করতে হবে:
প্রথমে কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে।
এবার অাপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run asadministrator নির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড প্রম্পট চালু হলে এখানে chkdskmr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যেটি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।
এখানে convertlostchainsto files বার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে।
মেমোরি কার্ড যদি invalid filesystem দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File systemথেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।

23
এখনও বর্ষার দেখা নেই৷ তবে, মাঝে মধ্যে আকাশে মেঘের আনাগোনায় অল্প বৃষ্টির দেখা মিলছে৷ সকালে কড়া রোদের মধ্যে অফিসে এসে বসছে৷ বিকেলের ছুটির পর কাকভেজা হয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।
তার উপর তো আবার অফিসের এসির মধ্যে সারাটা দিন কাটানো । এই ঠাণ্ডা-গরমে আপনার শরীর আর সইছে না। নাক ঝরা, হাঁচি-কাশি, সামান্য জ্বর, ঠান্ডা লাগা-অতি সাধারণ অথচ খুবই ছোঁয়াচে রোগেআষ্টেপৃষ্টে ধরছে৷
এই আবহাওয় পরিবর্তনের সময় কমবেশি প্রায় সকলেরই ভুগছেন৷ তাই, এ থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক টিপস্ দেওয়া হল।  প্রাকৃতিক উপাদানের যে রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা আছে, তা আধুনিক ওষুধ আবিষ্কারের বহু পূর্বে মানুষের জানা ছিল।
প্রাকৃতিক উপায়ে ছোটখাট শারীরিক সমস্যা সমাধানে ইদানিং আবার মানুষের ঝোঁক বাড়ছে।
প্রতিকার
১. রাতে শোবার আগে সরষের তেল বা ঘি হালকা গরম করে শুঁকলে সর্দি-ঠান্ডা দূর হয় এবং প্রতিরোধ করে।
২. রাতে খাবার সঙ্গে রসুন খেলেও সর্দি-ঠান্ডা দুর হয়।
৩. সকালে চারটি তুলসী পাতা এবং চারটি গোল মরিচ খেলে ঠান্ডা লেগে আসা জ্বর উপশম হয়।
৪. পুদিনাপাতা, তুলসী পাতা, কাঁচা আদা, মধু মিশিয়ে খেলে ঠান্ডা লাগা দ্রুত ভাল হয়।
প্রতিরোধ
১. যাদের ঠান্ডা লেগেছে, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। কারণ, এর ভাইরাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে, এমনকি হাতের মাধ্যমেও ছড়ায়।
২. পর্যাপ্ত খাওয়া-দাওয়া করলে ও ঘুমালে শরীরে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।
৩. আপনার ঘরের তাপমাত্রা বেশি শুষ্ক করবেন না ৷ বেশি আর্দ্রও করবেন না। এতে রোগ-প্রতিরোধে সক্ষম হওয়া যায় সহজেই।
৪. নিয়মিত লেবু খান। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি ৷ যা ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে।

24
Health Tips / Asma
« on: March 09, 2015, 09:53:30 AM »

অ্যাজমা কমানোর ২৫ মন্ত্র

 
আবহাওয়া পরিবর্তনের এ সময়টাতে বক্ষব্যাধি রোগীদের ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হয়। বিশেষ করে যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি রয়েছে তাদের হতে হয় অতিযত্নবান। শুধু ডাক্তারের ওপর নির্ভর করলেই হবে না, নিজেদেরও কিছু নিয়ম কানুন পালন করতে হবে। তাহলেই অ্যাজমা বা হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। অ্যাজমা কমানোর কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো-
১. ধূমপান করবেন না। ধূমপায়ী ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলুন। ২. শয়নকক্ষে খুব বেশি মালামাল রাখবেন না। ৩. ঘরের সম্ভাব্য সব কিছু ঢেকে রাখবেন, যাতে ধুলাবালি কম উড়ে। ৪. টিভি, মশারির স্ট্যান্ড, সিলিং, পাখার উপর জমে থাকা ধুলাবালি সপ্তাহে একবার অন্য কাউকে দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। ৫. শোকেস বা বুক সেলফে রাখা পুরনো খাতা, ফাইল, বইপত্র অন্য কাউকে দিয়ে ঝেড়ে নিন। ৬। বাস, মোটর গাড়ি বা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকবেন। ৭। উগ্র সুগন্ধি ব্যবহার করবেন না। তীব্র দুর্গন্ধ, ঝাঁজালো গন্ধ থেকে দূরে থাকুন। ৮। বাসায় হাঁস-মুরগি, বিড়াল, কুকুর, পোষাপ্রাণী যেন না থাকে এবং এগুলোর সঙ্গে মেলামেশা করবেন না। ৯। বাড়িতে ফুলের গাছ লাগাবেন না। ১০. ঘাসের ওপর বসে থাকা পরিহার করুন। নিজে ঘাস বা গাছ কাটবেন না। ১১. শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন এবং মাপলার ব্যবহার করবেন। ১২. শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। জোরে শ্বাস টানুন, প্রায় ১৫ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন। দুই ঠোঁট শিষ দেওয়ার ভঙিতে আনুন এবং ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলুন প্রতিদিন সকাল ও বিকালে ১০ মিনিট করে মুক্ত পরিবেশে। ১৩. সর্বদা ভয় ও চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং কখনো হতাশাগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়বেন না। ১৪. ছোট বাচ্চারা লোমশ পুতুল নিয়ে খেলা করবেন না। ১৫. ঘর ঝাড়ু দেবেন না। ঘর ঝাড়ু দিতে হলে মাস্ক, তোয়ালে বা গামছা দিয়ে নাক বেঁধে নেবেন। ১৬. কাশি শক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাবেন। ১৭. ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি/পানীয় কম খাবেন। হালকা গরম পানি পান করবেন। ১৮. Aerosol বা মশার কয়েল বা Insecticide ঘরে ব্যবহার করবেন না। ১৯. বিছানার চাদর বা বালিশের কভার পাঁচ দিন পর পর ধুয়ে ব্যবহার করবেন। ২০. মশারি সপ্তাহে একবার ধুঁয়ে ব্যবহার করবেন। ২১. যদি কোনো খাবারে সমস্যা হয়, যেমন- গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি, হাঁসের ডিম, বেগুন, কচু, পাকা কলা, আনারস, নারিকেল ইত্যাদি কম খাবেন/খাবেন না। ২২. সর্বদা ধুলাবালি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। ২৩. অ্যালার্জি ও অ্যাজমা কোনো কঠিন রোগ নয়, একটু মনযোগী হলেই এটি নিয়ন্ত্রণে রেখে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকা সম্ভব। ২৪. ডাক্তারের দেওয়া সব নিয়ম/ পরামর্শ/ ব্যবস্থাপত্র যথাসম্ভব মেনে চলুন। ২৫. শীতকালে বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

লেখক : অ্যাজমা ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ইউনাইটেড হাসপাতাল, গুলশান, ঢাকা।
 

Pages: 1 [2]