Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Badshah Mamun

Pages: [1] 2 3 ... 129
1
You need to know / রোলেক্স ঘড়ি
« on: October 01, 2022, 09:10:26 AM »

2
কাবার চত্বরে রহস্যময় পাথর,
যার কারণে প্রচণ্ড গরমেও শীতল থাকে পুরো কাবা চত্বর।


3
স্বাস্থ্যসেবাবান্ধব বৃদ্ধাশ্রম সময়ের দাবি

আমেরিকার ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ওয়েস্ট পাম বিচ শহরে থাকা অবস্থায় আমি নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রম গানটি প্রথম শুনি। প্রথমে আবেগী হয়ে যাই আর ভাবি যে, আমরা বা মানুষ কত অমানুষ। কিন্তু পরদিন সকালে যখন পাবলিক্স সুপার মার্কেটে বাজার করতে যাই, তখন দেখি সেঞ্চুরি ভিলেজ-কমিউনিটির একটি বাস থেকে অনেক বৃদ্ধ নরনারী নামছে যাদের ঘাড়ে একটি ছোট্ট ব্যাগ, প্রায় প্রত্যেকের হাতে লাঠি, আবার কেউ কেউ পোর্টেবল অক্সিজেন সিলিন্ডার বহন করছে। কিন্তু বৃদ্ধ হলেও কারও মুখে বিষাদ, হতাশা বা না পাওয়ার কোনো বেদনার ছাপ দেখলাম না। সবাই সবার সঙ্গে কথা বলছে, লাইন ধরে মার্কেটে ঢুকছে, হাসি-ঠাট্টা করছে, কেনাকাটা করছে; আবার বাইরে এসে রোদ পোহানোর জন্য বেঞ্চে বসছে। আমার জীবনে সেদিন প্রথম আমি বাস্তবে বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রায় ঘণ্টা দেড়েক নিজের বাজার করার ফাঁকে ফাঁকে নিরীক্ষণ করি। পরে বাসায় এসে অনেক ভাবি, এক পর্যায়ে আমার বোধোদয় হয় যে, তাদের বয়স যতই বেশি হোক না কেন, তবু তারা হাঁটতে পারে, হাসতে পারে, মনের কথা বন্ধুর সঙ্গে বলতে পারে, অল্প করে হলেও নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারে, বয়সের প্রয়োজনে ভিটামিন-ডি আরোহণের জন্য রোদে গিয়ে বসতে পারে, আর শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ বলেই একা একা বাস থেকে নামতে পারে, আবার উঠতেও পারে।

পরে ক্লেমাটিজ স্ট্রিটের ওয়েস্ট পাম বিচ লাইব্রেরি ফাউন্ডেশনে গিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশগুলোর বৃদ্ধাশ্রমের ইতিহাস পড়লাম ঘণ্টা তিনেক, তাতে যতটুকু বুঝলাম- তাতে মনে হলো 'বৃদ্ধাশ্রম' বানানোর পেছনে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণাভিত্তিক যুক্তি আছে, তবে এর নানান ক্যাটাগরি আছে এবং এটাতে খরচও আছে। এতে প্রত্যেকের জন্য পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় এবং বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অর্থের জোগান দরকার। প্রগতিশীল, উন্নত, দুর্নীতিমুক্ত, সুস্থ দেশে এবং আর্থিকভাবে বৈষম্যহীন সমাজে এই কাঠামোর চাহিদা বেশি ও বানানো সহজ হবে। তবে সেদিন থেকেই আমি আমার প্রিয় গায়ক নচিকেতার সে গানটিকে অর্থাৎ যে গানটি বৃদ্ধাশ্রমকে কলঙ্কিত করেছে তাকে হৃদয় থেকে ছুড়ে ফেললাম। কিন্তু আর্থিকভাবে বৈষম্যযুক্ত সমাজে এই গানকে আজও বেশিরভাগ লোক বাহবা দেবে। কারণ আজও আমাদের দেশের মানুষ অনেক আবেগপ্রবণ।

বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছরের আশপাশে, পৃথিবীর বহু দেশে এটা ৯০ বছরের আশপাশে, অবশ্যই এরা আমাদের মুরব্বি ও শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু সময় ও বয়সের ভারে মরণশীল-মানুষ তার জীবনীশক্তির অভাবে বর্তমান পৃথিবীতে এক সময় 'বারডেন অব দ্য সোসাইটি' বা 'সমাজের বোঝা'য় পরিণত হয়। এই উপমহাদেশে বা বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রমের চাহিদা হয়তো-বা বর্তমানে ১০ শতাংশ, কিন্তু আগামী দশ বছরে গ্লোবালাইজেশনের যুগে এটা ৫০ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবেই বাংলাদেশের শহুরে জনগণের জন্য। তার কারণ বহুবিধ। বিশেষ করে, ছোট পরিবার; চাকরির বাজারে উন্নতির জন্য প্রতিযোগিতা; প্রাইভেটাইজেশনের হিড়িক; করপোরেট-ওয়ার্ল্ডের ওভার ওয়ার্ক; ট্রাফিক জ্যামে রাস্তায় সময় নষ্ট হওয়া; হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে যেতে রাস্তায় সময় নষ্ট হওয়া; বাচ্চাদের প্রাইভেট পড়া; সব জায়গায় ওয়ানস্টপ সার্ভিসের অভাব; উইমেন-এমপাওয়ারমেন্টের যুগে মেয়েদের ঘরে কম সময় থাকা ইত্যাদি। এসব কারণে ঘরের বৃদ্ধদের ঘরে বসে বৃদ্ধাশ্রমের ফ্যাসিলিটিসহ সময় দেওয়া অসম্ভব। এখানে সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সীমাবদ্ধতা অনেক বেশি। তাই ঘরে বৃদ্ধসেবা প্রায় অসম্ভব, যদি কিনা প্রচুর বিশ্বস্ত জনবল ও অর্থ না থাকে; সুতরাং পক্ষান্তরে বৃদ্ধাশ্রমই শ্রেয়। বাংলাদেশে সরকার পরিচালিত ছয়টি এবং বেসকারিভাবে সারাদেশে ৫০টির মতো বৃদ্ধাশ্রম আছে; কিন্তু কোনোটি সুসংগঠিত নয়। কারণ সমাজের সর্বস্তরে সামাজিক নিরাপত্তার অভাব ও বিচারহীনতা বিদ্যমান- তাই সবাই চায় আপনজন নিজের চোখের সামনে নানা সমস্যা নিয়েই মরুক, তাই বলে বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে মারব না।

প্রথম যেদিন মা-বাবা তার সন্তানকে স্কুলে দিয়ে আসে তখন সে প্রচুর দুঃখ পায়, প্রচুর জোরে কান্নাকাটি করে আর প্রচুর অসহায় মনে করে নিজেকে এই পৃথিবীতে। কিন্তু তিন দিনেই স্কুলের সবাই তার বন্ধু হয়ে যায়। বাসায় এসে সে গল্প করে স্কুলের বন্ধুদের কথা। বৃদ্ধাশ্রমের ব্যাপারটি অনেকটা একই। শিশুকালে ব্রেন ইমম্যাচিউর থাকে, তাই সে বোঝে না; কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে ব্রেন ম্যাচিউর থাকে, তাই সে বোঝে। বোঝা সত্ত্বেও বৃদ্ধ আর বৃদ্ধের পরিবারের মধ্যে বাস্তবতার চেয়ে মনের আবেগ বেশি ভর করে। সেই আবেগও কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যে কেটে যায়। আদর্শ বৃদ্ধাশ্রমের সুবিধাগুলো হচ্ছে, যথা- ১. নিয়মতান্ত্রিক জীবনধারা, ২. নিয়মিত হেলথ চেকআপ, ৩. সার্বক্ষণিক ইমারজেন্সি মেডিকেল ফ্যাসিলিটি, ৪. রিক্রিয়েশনাল হল ফ্যাসিলিটি, ৫. ধর্ম পালনের সুবিধা, ৬. লাইব্রেরি, ৭. সুইমিংপুল, ৮. সুন্দর বাগানে কাজ করার সুযোগ, ৯. মুক্তো উদ্যানে হাঁটার সুযোগ, ১০. নতুন বন্ধু পাওয়া যায়, ১১. সার্বক্ষণিক ওয়াইফাইয়ের সুযোগ-সুবিধা, ১২. আউট-সাইট ট্যুরের সুযোগ, ১৩. মাঝেমধ্যে স্ট্যান্ডআপ কমিডিয়ানদের জোকস শোনা, ১৪. মাঝেমধ্যে আপনজনদের বাড়িতে ধর্মীয় বা সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া, ১৫. সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার মাঝে থাকা, যেখানে পরিচয় ছাড়া কারও প্রবেশ নিষেধ, ১৬. প্রশিক্ষিত জনবল দ্বারা সকল কিছু পরিচালিত হয়, ১৭. কমিটমেন্টবিহীন বা স্বাধীন মুক্তোভাবে জীবনের বাকিটা সময় পার করা যায়, ১৮. বৃদ্ধাশ্রমে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটানোর জন্য মানসিকভাবে মনস্থির করলে পারিবারিক স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ফরমালিটিগুলো ক্লিয়ার করার মানসিকতা তৈরি হয়, যার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে অযথা ঝামেলা তৈরি হয় না, ১৯. বন্ধনহীনভাবে সবাইকে ভালোবাসা যায়, মেশা যায়, অনেক অব্যক্ত কথা শেয়ার করা যায়, ২০. নতুন বন্ধুদের মাঝে হারানো দিনের বা সময়ের স্মৃতি খুঁজে পাওয়া ও হারানো দিনের বহু বিষয়কে রোমন্থন করা যায় ইত্যাদি।
বাংলাদেশের মেট্রোপলিটন শহরগুলোর বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন বড় বড় হাসপাতালের আশপাশে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে আন্তর্জাতিক মানের অথবা আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজ কোম্পানির মাধ্যমে বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করা উচিত, তাহলে বৃদ্ধ বয়সে তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নগুলো, যথা- সহায়তা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, আহার, নিদ্রা ইত্যাদি কর্মহীন বা অবসর দিনগুলো হাসি-বিনোদনের মাঝে পূর্ণতা পাবে। এ দেশের মানুষের বৃদ্ধাশ্রমের বিষয়ে দর্শন পাল্টাবে ও বর্তমানে দেশে যেসব বৃদ্ধাশ্রম আছে সেগুলোও ভরসা পেয়ে বৃহত্তর ও সুসংগঠিত কলেবরে আবির্ভূত হবে। সভ্যতার অগ্রযাত্রায় বৃদ্ধাশ্রম বা অবসরাশ্রম আজ সময়ের দাবি, মিথ্যার মায়াজালে করো না বৃদ্ধদের ক্ষতি।

ডা. গোলাম শওকত হোসেন
চিকিৎসক, শিক্ষক, গবেষক ও লেখক


Source: https://www.samakal.com/opinion/article/211079222/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%AC-%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF

4
Employability Skills / Skill gaps between academia and industry widening
« on: September 12, 2022, 04:36:26 PM »
Skill gaps between academia and industry widening


Highlights:

Industry does not get skilled graduates they need
46% private employers find it difficult to fill job vacancies
No assessments on what types of jobs available
Vocational institutions can't provide expected skilled manpower
Do not have sufficient numbers of vocational training centres
Only 7% students under vocational education
Abdul Wadud Chowdhury, a textile industry entrepreneur in Tangail, produces fabrics from yarn in his factory, where 600 employees work.

The textiles graduates who joined his factory after completing their engineering degrees have 40% of the required industrial skills.


He said the duration of internships under a company during the study period is too short which was a reason behind poor technical skills.

Specialised institutions like universities and polytechnic colleges over the country provide both diploma and bachelor degrees in textile engineering.

While studying a four-year BSc (Hons) in textile engineering under the National Institute of Textile Engineering and Research (Niter) – affiliated with Dhaka University – a student has to complete an internship in the last two months of their final year.

However, Abdul Wadud thinks that a student should have at least six months of internship experience. Like him, hundreds of private industry owners of the country have been claiming that they do not get the skilled workforces that they want.

A recent study of the Centre for Policy Dialogue (CPD) also says that around 46% of private employers in the country find difficulties in filling job vacancies as most applicants do not possess the skills required.

Educationists and industrialists attribute this to a faulty education system with a traditional curriculum which cannot provide the skilled manpower needed by industries.

Even then, there is a gap between academia and industries to produce necessary skills among the graduates which creates a huge number of educated unemployed in the country.

However, the education ministry said that they have taken initiatives to update the curriculum at different levels, but they are yet to yield any results.

The CPD research finds that the employers consider three factors as most important while making a hiring decision – soft skills, hard skills and work experience.

The most important soft skills, according to employers, include communication, time management, problem-solving, teamwork and leadership, critical thinking, professional networking skills and creativity.

Most important hard skills according to employers are computer skills, technical skills and subject-specific knowledge, English language skills, operational skills, business skills, numeracy and mathematical skills, general knowledge and awareness about current affairs.

The study finds that the three most important skills that employers expect to see from job seekers are communication, problem-solving, and leadership skills.

"Employers are observing the industrial skills that employers want cannot be achieved through the traditional curriculum. This is a weakness of our curriculum," Professor Mohammad Ali Zinnah of Institute of Education and Research (IER), Dhaka University, told TBS.

"That's why our children are suffering from unemployment on the one hand after receiving higher education, while on the other, management-level workers are being brought from neighbouring countries to fill the gap. As a result, a lot of money is going abroad," he added.

The country has around 2.10 crore students from secondary to higher education level, according to the Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics (BANBEIS).

Among them, around 14 lakh (7%) students study at 7,259 vocational and technical institutes.

Experts said the number is not enough to produce available technical graduates as the demand of the labour market is changing gradually to adapt with modern technology.

Besides, existing students do not get quality education to fulfil the demand of various sectors.

"A tracer study for matching diploma in engineering curriculum for local and global employability" by IER of Dhaka University said in most technologies, the alignment among individual courses of diploma programmes, related occupations and generated skills were found hard to be established.

It mentioned that lack of practical knowledge, irrelevance of learned knowledge and practical field, lack of opportunity for hands-on activity, difference between course content and practical field, lack of equipment, inconsistency between curriculum and job market, lack of theoretical and practical knowledge are obstacles in achieving skills for graduates.

Every year around 2 million youths join the job market.

The government's 8th 5-year plan sets a target to create around 11.3 million jobs, but experts wonder if the country's youth are even ready for that.

AKM Fahim Mashroor, chief executive officer, Bdjobs.com, said that the main problem of the graduates nowadays was that they had become more interested in government jobs since the national pay scale 2015 was declared.

"So, most graduates are preparing them for the BCS exam, not for the private sector," he added.

Faulty education system even fail to create language proficiency

The latest index of the Switzerland-based international organisation Education First (EF) (released in December 2019) measured English proficiency by surveying over two million people in more than 100 countries that do not have English as their first language.

Based on the scores obtained, the countries are divided into five levels: Very High, High, Medium, Low, and Very Low.

Bangladesh placed 71 on this list with a score of 48.11, which is a low category..

The neighbouring country India is above Bangladesh and is ranked 34th in the list with a score of 55.49.

Nepal is also ahead of Bangladesh in the list at the 66th position with a score of 49.

Abul Kasem Khan, former president, Dhaka Chamber of Commerce and Industries (DCCI), said, "There are weaknesses in the education system. We can't speak English even after passing our Masters," adding that the need assessment was not being done to see what was actually being demanded.

Polytechnic institutes can't provide right person for industries

The country has 52 public polytechnic institutes. There are 900 permanent teachers and 1,30,000 students in those institutes. The teacher to student ratio is 1:144.

The All India Council for Technical Education, a regulatory body for technical education in India, says the teacher to student ratio has to be 1:15 from the 2020-21 academic year. This ratio is 1:23 in Pakistan and even lower in Singapore.

This leaves students with technical incompetencies.

Engineer Abu Noman Hawlader, managing director of BBS Cables Limited, told TBS that his company usually hires skilled manpower from India and other neighbouring countries as the Bangladeshi technical education institutes cannot produce qualified diploma engineers.

"The diploma engineers from government polytechnic institutes are of medium quality. We hire them and then make them fit for the job through practical training, but it is not really our job to do that," he said.

When asked about diploma engineers who are from private polytechnic institutes, Noman said the junior engineers do not have even 5% of the required knowledge.

Currently, the Dhaka University of Engineering and Technology (DUET) is the only dedicated public university for the diploma engineers.

Why industry-academia gaps are widening

The DCCI has been working for the last few years to minimise the skill gaps by collaborating with academia.

However, its president Rizwan Rahman told TBS that the feedback was disappointing as some universities want only money to do research but exclude active participation of entrepreneurs.

"We have signed MoUs with many institutions to make a way for the industry to guide the academia. But unfortunately, most of the initiatives are failing, because we do not get much support from the academies," he said.

He said that they have some good experience too as DCCI is currently working with BUET, DU, BUP, AIUB, ULAB, Daffodil International University (DIU).

For example, DCCI Business Institute operates a Certificate Course in collaboration with DIU on 'Financial Technology', 'Business Data Analysis & Financial Forecasting' intended for finance professionals.

Besides, it has Postgraduate Diploma courses on Customs, VAT and Income Tax Management; International Trade Management and 'Business Communication', jointly with some universities to develop skills among freshers, mid-career professionals and managers.

Source: https://www.tbsnews.net/bangladesh/education/skill-gaps-between-academia-and-industry-widening-493390

5
কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের প্রস্তুতির জন্য করণীয়

৪৩তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হবে কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষা। সাধারণ ক্যাডারের পরীক্ষার পর নিজ নিজ বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য সময় খুবই কম। কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষার আগে কীভাবে প্রস্তুতি নিলে পরীক্ষায় সফল হওয়া যাবে, অভিজ্ঞতা থেকে সেসব পরামর্শ দিয়েছেন ৪০তম বিসিএসে (ফিশারিজ ক্যাডার, মেধাক্রম ৮ম) সুপারিশপ্রাপ্ত মিঠু মোকাররম।

কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে স্নাতকের বিষয়গুলো আবার পড়ার বিকল্প নেই। মডেল: রবিউল হাসান ও নাহিদা আহমেদ
কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে স্নাতকের বিষয়গুলো আবার পড়ার বিকল্প নেই। মডেল: রবিউল হাসান ও নাহিদা আহমেদছবি: সাবিনা ইয়াসমিন
৪৩তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখের বেশি প্রার্থী। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হন ১৫ হাজার ২২৯ জন। আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষায় ১৫ হাজার ২২৯ প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৫৫৮ জন অনুপস্থিত ছিলেন। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ক্যাডার হবেন ১ হাজার ৮১৪ জন। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডার ৫৫০টি, শিক্ষা ক্যাডার (সাধারণ সরকারি কলেজ) ৮৪৩টি, শিক্ষা ক্যাডার (শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ) ১২টি, কারিগরি শিক্ষা ক্যাডার ৯৯টি এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল ক্যাডার (কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য ইত্যাদি) ৩১০টি।

সাধারণ ক্যাডারের ৯০০ নম্বরের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন যাঁরা সাধারণ ও কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডার চয়েস দিয়েছেন অথবা শুধু কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার চয়েস দিয়েছেন, তাঁদের ২০০ নম্বরের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা হবে। সাধারণ ক্যাডারের পরীক্ষার পর নিজ বিষয়ের ওপর প্রস্তুতির জন্য মোটামুটি এক মাসের কিছু বেশি সময় পাচ্ছেন। সময়টুকু কাজে লাগালেই পূরণ হতে পারে ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন।

কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে শুধু বিষয়ভিত্তিক ২০০ নম্বর গণ্য হয়। এ ক্ষেত্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্র ও সাধারণ বিজ্ঞানের ২০০ নম্বর বাদে বাকি ৭০০ ও বিষয়ভিত্তিক ২০০ নম্বর বিবেচিত হবে। তাই এই ২০০ নম্বরে যাঁরা এগিয়ে থাকবেন, কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারপ্রাপ্তিতে তাঁরা এগিয়ে থাকবেন বলে ধরা যায়। সাধারণ ক্যাডারের পরীক্ষায় অনেকের কাছাকাছি নম্বর থাকে। কিন্তু বিষয়ভিত্তিক একটি পরীক্ষাতেই নম্বরের পার্থক্য অনেক থাকে। কারণ, অনেক আগে যাঁরা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেছেন, তাঁরা চাকরির পড়াশোনা করতে গিয়ে একাডেমিক পড়াশোনা ভুলে যান বা অনেকের অনীহা চলে আসে। তাই যাঁরা সদ্য পাস করে লিখিত পরীক্ষায় বসছেন, তাঁরা তুলনামূলক এগিয়ে থাকবেন।

স্নাতক পর্যায়ে পড়া টপিকগুলো আবার পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা বই বা শিট সরবরাহ করে থাকেন। আবার অনেকের হ্যান্ডনোট করে পড়ার অভ্যাস থাকে। এখন সেগুলো গুছিয়ে নিয়ে পড়াই উত্তম। পুরোনো সেই বই, শিট বা হ্যান্ডনোটগুলো গুছিয়ে নেওয়া মানে অর্ধেক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলা। অনেকে কয়েক বছর আগে পাস করেছেন, তাঁরা হয়তো সেগুলো কোথাও বস্তাবন্দী করে রেখেছেন বা হারিয়ে ফেলেছেন, সে ক্ষেত্রে বস্তা থেকে বেছে বেছে বের করুন বা বিভাগের জুনিয়রদের কাছ থেকে সংগ্রহ করুন। তারপর আপনার দাগানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই পড়তে থাকু


কেউ যদি কোনোভাবে আগের নোটগুলো সংগ্রহ করতে না পারেন, তাহলে প্রতিটি বিষয়ের জন্য বাজারে কিছু বই বা শিট পাওয়া যায়, সেগুলো সংগ্রহ করুন। আপনার বিষয়ে আগে যাঁরা ক্যাডার হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেও উপকৃত হতে পারেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনি আপনার বিভাগে যে মাধ্যমে (ইংরেজি অথবা বাংলা) পড়েছেন, সেই মাধ্যমেই পরীক্ষা দিন, তাতে নম্বর ভালো আসবে এবং আপনি লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। সাধারণত বেশি গভীর থেকে প্রশ্ন হয় না, কোনো একটা বিষয়ের সাধারণ বা বেসিক যেগুলো টপিক বা যেগুলোর মানবকল্যাণে ব্যবহার আছে, সেসব বিষয় থেকে বেশি প্রশ্ন হয়। তাই বেশি গভীর থেকে পড়ে সময় নষ্ট না করাই ভালো। প্রশ্ন কঠিন হলেও পরীক্ষার হলে সব প্রশ্নের উত্তর করে আসাই শ্রেয়। সবার জন্য শুভকামনা।

Source: https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-suggestion/n7gyztpqfv

6
Did the Arabs speak Standard Arabic in the prophet Muhammad's time?

A common misconception is that all the Arabs "once used to speak pure Arabic…one and the same language…Standard Arabic". This is not true.

What we nowadays call Modern Standard Arabic (Fosha), which is taught in all arabic countries, is basically based on Quranic Arabic, which is the Arabic of the Quraysh tribe. Prophet Muhammads tribe and most dominant in Mekka back in the days. But the Arabs were living in the whole Arabic peninsula back in the days, which was huge. From southern Yemen all the way up to modern day Saudi Arabia, the small Gulf states and tribe living in Iraq and parts of Jordan/Syria as well. You can imagine that there was before the Quranic revelation no Standard Arabic language and all those tribes living in this huge peninsula had their OWN dialects. Tribes living in isolated mountainous or desert places differed more due to less interaction than tribes living in Mekka which was also back then a very mixed place due to its importance religiously (for pagan Arabs mostly) and economically.

So pre-Quranic revelation there was no standardized form of Arabic. The Arabic peninsula was and still is huge with lots of isolated places due to rough climate and/or mountains, and lots of different tribes.

After the Quranic revelations, the holy book standardized a language into a written form and developed it into a written language with grammar rules etc. Modern Standard Arabic is based on that and about 90% identical. Nevertheless there were much more spoken dialects in existence. If I remind it correctly there is also a hadith/prophetic narration in Sahih Bukhari where two bedouin Arabs have a hard time understanding each other during their conversation.

The wide range of Arabic dialects spoken nowadays are often (wrongly) blamed on the common misconception that "all our Arab forefathers once spoke one and the same Standard Arabic language and we have deviated from that Quranic language".

An example is the typical Egyptian pronounciation of "Jeem" ج as "Geem" (as "g" in "good"). Actually the exact same pronounciation is still found among some Jemeni Arab tribes and their Arabic dialect.

Source: Quora

7
Allah: My belief / Re: Test
« on: August 04, 2022, 11:30:35 AM »
Test
[/b]

8
Allah: My belief / Test
« on: August 04, 2022, 11:28:10 AM »
Test

9
৮০ পারসেন্ট ফ্যামিলি বিজনেস কেনো টিকে থাকতে পারে না?


11
সাহাবায়ে কেরামদের চরিত্র

এক পড়ন্ত বিকেলে মদীনার বাজারে একজন ইহুদি ক্রেতা এসে দাঁড়ালেন এক সাহাবীর দোকানের সামনে।একটা পণ্যের দাম শুনে কিনতে সম্মত হলেন ঐ ক্রেতা। কিন্তু তাকে আশ্চর্য করে দিয়ে সাহাবীটি দূরের আরেকটি দোকান দেখিয়ে দিয়ে বললেন, পণ্যটি সেখান থেকে কিনতে। দাম একই, জিনিসও একই।
আপনি যদি ব্যবসায়ের ছাত্র হন,তাহলে লাফিয়ে উঠে বলবেন- এই জন্যই ইহুদিরা সারা দুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করে; আর মুসলিমরা ব্যবসার কিছুই বুঝে না। যাই হোক,ক্রেতাও হয়ত এসব সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে গেলেন অন্য দোকানটায়। পণ্যটা কিনে ফেরত আসলেন প্রথম দোকানে। সাহাবীটি জিজ্ঞেস করলেন ক্রেতাকে, ‘তোমার জিনিস কি পাওনি সেখানে?’
ক্রেতা বললেনঃ পেয়েছি, কিন্তু আমি অন্য একটা কথা জানার জন্য এসেছি।
- কী?
- তুমি যার কাছে আমাকে পাঠিয়েছিলে সে তো হচ্ছে আমার ধর্মের মানুষ—ইহুদি।
আমরা তো তোমাদের পছন্দ করি না। কিন্তু তুমি একজন ব্যবসায়ী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে আমাকে পাঠালে, মুসলিম হয়ে একজন ইহুদিকে ব্যবসার সুযোগ করে দিলে কেন?
সাহাবীটি বললেনঃ মহান আল্লাহ আমাকে আজকের মতো যথেষ্ট রিযিক দিয়েছেন। আর ঐ বেচারা সকাল
থেকে বসে আছে। আজ কোন বেচাকেনা হয়নি ওর। তার তো পরিবার আছে। একজন ক্রেতা পেলে তার ন্যুনতম চাহিদাটুকু হয়ত মিটবে। ক্রেতাটি হতবাক হয়ে ভাবলেন। যে ধর্ম মানুষের কল্যাণের কথা এভাবে মানুষকে ভাবতে শেখায়, সেটা সত্য বৈ মিথ্যা হতে পারে না। পণ্য কিনতে এসে ইহুদি ব্যক্তিটি জান্নাত কিনে নিয়ে চলে গেল। অর্থাৎ মুসলমান হয়ে গেল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহু আকবর!

ইসলাম কিন্তু এভাবেই পৃথিবীতে ছড়িয়েছে। সাহাবায়ে কেরামদের চরিত্র এরকমই ছিল। এভাবেই সাহাবায়ে কেরাম নবীজি (সাঃ) এর দ্বীন ও আদর্শ নিয়ে সারা দুনিয়া সফর করেছিলেন। বিধর্মীরা মুসলমানদের চলাফেরা ও চরিত্র দেখে আবির্ভূত হয়ে ইসলামের সুশীতল ছায়া আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন।

সাহাবারা হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের ছাত্র ছিলেন না, তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে নববীর ছাত্র ছিল!


Collected.

12
Various Sura & Dua / Re: সূরা আল কাহফ
« on: July 16, 2022, 10:45:03 AM »
সূরা আল কাহফ (الكهف), আয়াত: ৫৪

وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِى هَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ لِلنَّاسِ مِن كُلِّ مَثَلٍ وَكَانَ ٱلْإِنسَٰنُ أَكْثَرَ شَىْءٍ جَدَلًا

উচ্চারণঃ ওয়া লাকাদ সাররাফনা-ফী হা-যাল কুরআ-নি লিন্না-ছি মিন কুল্লি মাছালিওঁ ওয়া কানাল ইনছা-নুআকছারা শাইয়িন জাদালা-।

অর্থঃ নিশ্চয় আমি এ কোরআনে মানুষকে নানাভাবে বিভিন্ন উপমার দ্বারা আমার বাণী বুঝিয়েছি। মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক তর্কপ্রিয়।


Collected...

13
Various Sura & Dua / সূরা আল কাহফ
« on: July 16, 2022, 10:42:58 AM »
সূরা আল কাহফ (الكهف), আয়াত: ২৩

وَلَا تَقُولَنَّ لِشَا۟ىْءٍ إِنِّى فَاعِلٌ ذَٰلِكَ غَدًا

উচ্চারণঃ ওয়ালা-তাকূলান্না লিশাইয়িন ইন্নী ফা-‘ইলুন যা-লিকা গাদা-।

অর্থঃ আপনি কোন কাজের বিষয়ে বলবেন না যে, সেটি আমি আগামী কাল করব।
সূরা আল কাহফ (الكهف), আয়াত: ২৪

إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ وَٱذْكُر رَّبَّكَ إِذَا نَسِيتَ وَقُلْ عَسَىٰٓ أَن يَهْدِيَنِ رَبِّى لِأَقْرَبَ مِنْ هَٰذَا رَشَدًا

উচ্চারণঃ ইল্লাআইঁ ইয়াশাআল্লা-হু  ওয়াযকুর রাব্বাকা ইযা-নাছীতা ওয়াকুল ‘আছাআইঁ ইয়াহদিয়ানি রাববী লিআকরাবা মিন হা-যা-রাশাদা-।

অর্থঃ ‘আল্লাহ ইচ্ছা করলে’ বলা ব্যতিরেকে। যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন এবং বলুনঃ আশা করি আমার পালনকর্তা আমাকে এর চাইতেও নিকটতম সত্যের পথ নির্দেশ করবেন।


Collected...

14
The Grand Mosque of Makah tops the list of the most expensive buildings on Earth built at a cost of $ 100 Billion.

 Size: One million (1,000,000) square meters Capacity:

 🕋Can accommodate two (2) million people
 🕋Receives twenty (20) million visitors annually
 🕋Open twenty -four (24) hours.It has never been completely closed in over 1400 years
 🕋Has 1800 cleanersHas 40 electric sanitary cleaning cars
 🕋Has 60 electric sanitary machines to clean open courtyards
 🕋Has 2000 Sanitary barrels spread throughout the premises
 🕋Floor covered with 40000 carpets (longer than the distance between Jeddah and Makkah (79km))

 🕋13000 toilets, cleaned four (4) times/6 hours daily
 🕋25000 water dispensers (one of the largest water dispensing systems in the world)
 🕋100 random samples of drinking water are inspected daily
 🕋Excess water from Zamzam Well is stored in storage tanks with a capacity of 1,700,000 (1.7 million), water bottles (capacity 10 liters)
 🕋HARAMAIN recitation service: broadcast recitation of the Quran;  24/7;  recitation using all ten (10) recognized methods of recitation of the Qur'an;  more than 500,000 (half a million) episodes in 180 countries have been aired in three (3) years.
 🕋More than 2,000 safety deposit boxes (to keep personal belongings safe)
 🕋Hundreds of air conditioning units (for cooling) are scattered inside the Mosque.
 🕋The floor of the Mosque reflects light and heat thus improving the regulation of heat in the premises.
 🕋Electronic Tour guide application that can show the location of any part of the Mosque.
 🕋Detailed and highly efficient audio system:
 🕋The sound system in the Grand Mosque is one of the largest and most complex sound systems in the world,
      Audio system error margin: 0%
      6000 speakers
      Four (4) different audio systems
      Fifty (50) sound engineering personnel
 🕋Copies of the Quran are translated into 65 different languages
 🕋Translation of each Friday sermon into five (5) different languages

 🕋Services/facilities for the disabled

 🕋10,000 regular wheelchairs available for use, free of charge, 400 electronically guided wheelchairs available, Automatic wheelchairs (2 wheels and 3 wheels)

 🕋RAMADAN special services

 🕋4 million free meals for breaking fast every day, throughout Ramadan
 🕋5,000,000 dates (seed discarded) are distributed in the mosque area every day during Ramadan
 🕋After breaking fast, remove food and equipment to clean the place of Maghrib prayer (Shalah) is done in two (2) minutes only

  SUBAHANALLAH !

15
ইহুদীরা বিশ্ববাসীকে ১০ – ৩০ সেন্টিমিটারের এই ফুটবল ক্রিকেটের বল নিয়ে ব্যস্ত রেখে ১২৮০০ কিলোমিটার ব্যাসের বেশ বড় একটা ফুটবল নিয়ে খেলছে

We are busy with a lot of unnecessary work, posting on social networks, protesting etc but they are always busy with their creativity and Innovation. We are busy with play, game, fun, cultural events, criticize etc but they are busy to keep us engagement to all unnecessary work and they treated the whole world as their playing ground where they play as a TEAM with clear Focus, right Target and ensure Goal but we are seating in Gallery as a spectator and shouting with our various believes. Allah SWT says it repeatedly that we should find the right track and work to overcome. Allah SWT says repeatedly also regarding time and to give values on each & every time to perform our target but we never follow it but blame only we have not this and that etc. We read the Qur'an but we don't understand and follow it. In the Quran Allah SWT repeatedly instructed us to do Research and enjoy the beauty of Allah's (SWT) creation but we never follow it but they i.e Jewish are focused on Research and even a lot of their scientists did their higher study to know the Qur'an. Allah SWT told us why not think how Allah SWT created us from dirty water and give us full shape and think how Allah grows all sorts of trees, fruits, vegetables etc from the same soil and using the same water. Jewish educated their kids, i.e. generation in the right track and our education is moving in the wrong track. Jewish educated their kids to be Innovator, Researcher but our education to be a clerk i.e searching a job. See some facts (collected from Internet)-

ইহুদীরা মার্কিন জনসংখ্যার মাত্র ২%, আর পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার মাত্র ০.২%।অর্থাৎ পৃথিবীর প্রতি ৫০০ জনে একজন ইহুদী!কিন্তু জনসংখ্যার দিক দিয়ে ঢাকা শহরের কাছাকাছি হলেও বিশ্বে ইহুদি সম্প্রদায় থেকে যুগে যুগে বেরিয়ে এসেছে অসংখ্য প্রতিভাবান ব্যক্তি।প্রধান ধর্মগুলোর পর পৃথিবীতে যে মতবাদটি সবচেয়ে বেশী প্রভাব ফেলেছে সেই কমিউনিজমের স্বপ্নদ্রষ্টা কার্ল মার্কস ইহুদি সম্প্রদায় থেকে এসেছেন।বিশ্বের মানুষকে মুগ্ধ করে রাখা যাদু শিল্পি হুডিনি ও বর্তমানে ডেভিড কপারফিল্ড এসেছেন একই কমিউনিটি থেকে।এসেছেন আলবার্ট আইনস্টাইনের মত বিজ্ঞানী, যাকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী বলা হয় আর প্রফেসর নোয়াম চমস্কি – র মত শিক্ষাবিদ ও দার্শনিক যাকে প্রদত্ত ডক্টরেটের সংখ্যা আশিটির ও বেশি।

এর অন্যতম কারণ সাধারণ আমেরিকান রা যেখানে হাইস্কুল পাশকেই যথেষ্ট মনে করে সেখানে আমেরিকান ইহুদীদের ৮৫% বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। আমেরিকান নোবেল বিজয়ীদের মোটামুটি ৪০% ইহুদী অর্থাৎ নোবেল বিজয়ী প্রতি চার থেকে পাঁচ জনের একজন ইহুদী।

আমেরিকার অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসররা ইহুদী।হতে পারে ইহুদীরা আমেরিকার মোট জনসংখ্যার ২ শতাংশ, কিন্তু আমেরিকান রাজনীতিতে তাদের প্রভাব একচেটিয়া। আমেরিকার ১০০ জন সিনেটরের ১৩ জন ইহুদী।এর চেয়ে ভয়ংকর তথ্য হল ইহুদীদের সমর্থন ব্যতীত কোন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হতে পারেনা, কোন প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট থাকতে পারেনা।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নির্বাচনী ফাণ্ড বা তহবিল সংগ্রহ একটা বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ। বারাক ওবামা বা ক্লিনটন নিজের টাকায় প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন না। ডোনেশান এবং পার্টির টাকায় তাদের নির্বাচনী ব্যয় মিটাতে হয়েছে। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী ফাণ্ড দাতা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে – AIPAC – America Israel Public Affairs Committee. ::

আমেরিকার এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকগুলো ইহুদীদের দখলে। ফলে আমেরিকার কেউ চাইলেও এদের কিছু করতে পারবে না। বরং জুইশ কমিউনিটি বা ইহুদি সম্প্রদাকে হাতে না-রাখলে ক্ষমতায় টেকা যাবে না। এসব কারণে শুধু জুইশ কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্টে প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে যেতে হয়।

আমেরিকার রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে মূলতঃ কর্পোরেট হাউজগুলো। তারা প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত বানাতে পারে, এবং প্রেসিডেন্টকে সরাতে পারে। এসব কর্পোরেট হাউজগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় এদের মালিক কিংবা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কম্পানিগুলোর মূল দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা চীফ এক্সজিকিউটিভ অফিসার, সিইও হলেন ইহুদী কমিউনিটির মানুষ।

এই কথা মাইক্রোসফটের ক্ষেত্রে যেমন সত্য তেমনি জাপানিজ কোম্পানি সনির আমেরিকান অফিসের জন্যও সত্য। প্রায় অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে জুইশ আমেরিকানরা কাজ করছেন। জুইশ কমিউনিটির ক্ষমতাধর বিলিয়নেয়াররা মিলিতভাবে যে-কোনো ঘটনা ঘটিয়ে দিতে পারেন।

মিডিয়া জগতে যদি আপনি তাকান তাহলে দেখবেন;
CNN, AOL, HBO, Cartoon Network, New line cinema, Warner Bross, Sports illustrated, People - Gerald Levin – ইহুদী মালিক নিয়ন্ত্রিত।
ABC, Disney Channel, ESPN, Touchstone pictures - Michael Eisner – ইহুদী মালিক নিয়ন্ত্রিত।
Fox Network, National Geographic, 20th century Fox Rupert Murdoch – ইহুদী মালিক নিয়ন্ত্রিত।
 Top 4 famous Newspapers of USA & their editors
New York Times – Arthur Sulzberger
New York Post – Rupert Murdoch
Washington Post – K.M. Graham
Wall street journal – Robert Thomson

সব কয়টি খবরের কাগজ ই ইহুদী মালিক নিয়ন্ত্রিত।
 আমেরিকার প্রভাবশালী অধিকাংশ টিভি-ই ইহুদিরা নিয়ন্ত্রণ করছে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে।

যদি প্রশ্ন করা হয় পৃথিবীর বেস্ট ১০০ জন ফুটবলারের কতজন ইহুদী? কিংবা পৃথিবীর বেস্ট ১০০ জন ক্রিকেটারের কতজন ইহুদী?
উত্তর হচ্ছে – একজন ও না।
কেন??????

বছরের কিছু সময় টি টুয়েন্টি আর ফ্ল্যাশ মব, কিছু সময় আইপিএল আর চিয়ার্স লিডার, কিছু সময় ফিফা বিশ্বকাপ বা আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ, বাকি সময় ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ আর স্প্যানিশ প্রিমিয়ার লীগ বা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ নিয়ে ব্যস্ত থাকা আমাদের মনের মধ্যে কী কখনো এই প্রশ্ন আসেনা? ক্যামনে আসবে ভাই, পয়লা বৈশাখ, পয়লা ফাল্গুন, চৈত্র সংক্রান্তি, থার্টি ফার্স্ট আছেনা? এত এত কাজের ভিড়ে এই ধরণের হাইপোথিটিকাল চিন্তা মাথায় আসবে ক্যামনে?
একটা ফুটবলের ব্যাস হয়ত ২০ – ৩০ সে.মি. বা একটা ক্রিকেট বলের ব্যাস আর ও কম হয়ত ১০ – ১২ সে.মি. ইহুদীরা বিশ্ববাসীকে ১০ – ৩০ সেন্টিমিটারের এই ফুটবল ক্রিকেটের বল নিয়ে ব্যস্ত রেখে ১২৮০০ কিলোমিটার ব্যাসের বেশ বড় একটা ফুটবল নিয়ে খেলছে – আর এই বড় ফুটবলটাই হচ্ছে  পৃথিবী।


- সবুর খান
https://www.facebook.com/sabur.khan

Pages: [1] 2 3 ... 129