Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - roman

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 43
31
Foreign trip gets easier for dollar account holders

Passport endorsement will not be required for those having private currency account or resident foreign currency deposit account

International account holders will no longer have to endorse their international cards on passports while travelling abroad. But for carrying cash, dollar endorsement will be necessary as before, says a circular of the Bangladesh Bank. The central bank's Foreign Exchange Policy Department issued a circular in this regard on Thursday.

The circular issued on Thursday said at present, Bangladeshis who do not hold foreign passports require endorsement in their passports for carrying US dollars in cash or in international cards to meet travel expenses.

However, such endorsement will not be required for those having private currency accounts and resident foreign currency deposit accounts. These account holders include Bangladeshi nationals residing abroad, foreign companies and citizens, diplomats, Bangladeshi nationals working for foreign institutions inside the country.

Diplomats, Privileged persons, UN personnel, government officials travelling on official duties do not require to have their passports endorsed for carrying money.

In case of travel to SAARC countries and Myanmar, a maximum of $5,000 or equivalent amount of currency can be endorsed for one calendar year. Outside of SAARC countries, this amount is $6,000. For children under 12 years of age, the required amount would be half.

For resident Bangladeshi nationals going abroad against a one-way ticket for valid job or migration or study purposes, authorized dealers may release the entire unused foreign exchange of the annual travel entitlement of the person concerned in a calendar year.

Collected
Source- https://tbsnews.net/economy/banking/foreign-trip-gets-easier-dollar-account-holders-189565

32
History / Education philosophy of Khan Bahadur Ahshan Ullah (R)
« on: January 18, 2021, 11:04:44 PM »
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র:) শিক্ষাদর্শন - ১

সুশিক্ষা

মানসিক শক্তির পরিপুষ্টি শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য। শিশুর মনোবৃত্তিগুলি এরূপে পরিচালিত করিতে হইবে যে, এই শক্তির
উন্নতি সাধিত হইতে পারে। যে শিক্ষা দ্বারা এই শক্তি পরিপুষ্ট না হয়, তাহা প্রকৃত শিক্ষাবাচ্য নহে। কতকগুলি বিষয়
কণ্ঠস্থ করিলে কোন শক্তি জন্মে না। পরীক্ষায় কৃতকার্য্যতা কখনও শিক্ষকের লক্ষ্য হওয়া উচিত নহে। জ্ঞানদান ও
মানসিক শক্তির পরিপুষ্টি তাঁহার একমাত্র লক্ষ্য হইবে। শিক্ষক কেবল বিদ্বান হইলেই শিক্ষাকার্য্য সুষ্ঠুরূপে পরিচালিত
হয় না। শিক্ষকের অনেকগুলি গুণ থাকা আবশ্যক, যথা- উপযোগিতা, প্রবৃত্তি ও আগ্রহ, শিক্ষার্থীর প্রতি সহানুভূতি,
হৃষ্টচিত্ততা, শাসনক্ষমতা, শিক্ষাকৌশল ও উপস্থিতবুদ্ধি।

শিশুর স্বভাব লক্ষ্য করিয়া শিক্ষাদান করিতে হইবে। উহার বাহ্যজ্ঞান, ধারণশক্তি প্রভৃতি বিবেচনা করিয়া শিক্ষককে
ত্রমশঃ অগ্রসর হইতে হইবে। জ্ঞান ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য; যাহাতে সকল ইন্দ্রিয়েরই পরিচালনা হয়, তৎপ্রতি শিক্ষক দৃষ্টি
রাখিবেন। আমাদের অধিকাংশ জ্ঞান চক্ষু ও কর্ণ সাহায্যে জন্মিয়া থাকে, সুতরাং এই দুইটি ইন্দ্রিয়ের বিশেষ অনুশীলন
প্রয়োজনীয়। শিশুর প্রথম জ্ঞান বস্তুসাপেক্ষ হওয়া আবশ্যক। বস্তু ব্যতিরেকে শিশুকে কোন শিক্ষা দেওয়া উচিত নহে।
শিশু প্রকৃত ভাব উপলব্ধি করিতে পারিয়াছে কি না, ইহা নানাপ্রকার প্রশ্ন দ্বারা পরীক্ষা করিতে হইবে। অস্পষ্ট ভাব ও
অসস্পূর্ণ জ্ঞান বিঘœদায়ক। শব্দ পরিত্যাগ করিয়া শব্দবোধক ভাবে প্রতি চিন্তাশক্তিকে পরিচালিত করাইতে হইবে। দৃষ্টি
শব্দের উপর চালিত হইবে সত্য কিন্তু চিন্তা শব্দঘটিত অর্থের উপর ধাবিত হইবে। পরিশেষে শব্দের বিনা সাহায্যে
চিন্তাশক্তি এক ভাব হইতে ভাবান্তরে আকৃষ্ট হইবে। ভাষা ও জ্ঞান দুইটি পৃথক বস্তু। উভয়েরই উন্নতি বাঞ্ছনীয়।
শিক্ষা প্রথমে বস্তুবিষয়ক ও ক্রমে ভাববিষয়ক হইবে। শিশুর প্রধান জ্ঞান অপরের সাক্ষ্য সাপেক্ষ হওয়া উচিত নহে।
শিশু স্বয়ং পর্যবেক্ষণ করিয়া দৃষ্টান্ত হইতে সংজ্ঞা গঠন করিবে। ইহাতে উহার জ্ঞানের প্রসার হইবে।

সহজ হইতে জটিল ও জ্ঞাত হইতে অজ্ঞাত বিষয়ে অগ্রসর হওয়া সুশিক্ষার অন্যতম প্রণালী। ইন্দ্রিয়লব্ধ জ্ঞান হইতে
ক্রমে ইন্দ্রিয়ের অলব্ধ জ্ঞানলাভের চেষ্ট করিতে হইবে। দৃষ্ট বস্তুর জ্ঞানের সাহায্যে দৃষ্টি বহির্ভূত বস্তুর জ্ঞান জন্মাইতে
হইবে। ইহাতে চিন্তাশক্তি পরিপুষ্ট হইবে।

পদার্থ, চিত্র বা আদর্শ সাহায্যে শিশুকে প্রথম শিক্ষা দিতে হইবে। শিক্ষণীয় বিষয়টি শিশুকে দর্শন বা স্পর্শ করিতে
দেওয়া আবশ্যক, পরে গল্পচ্ছলে ঐ পদার্থ সম্বন্ধে নানাবিধ তথ্য শিক্ষা দেওয়া উচিত। যে পর্য্যন্ত পদার্থটি সম্বন্ধে তাহার
বিবরণগুলি দৃঢ়ীভূত না হইবে, সে পর্য্যন্ত অন্য বিষয়ের আলোচনা করিতে হইবে না।

শিশু বয়স্ক হইলে উহার স্মৃতিশক্তি পরিপুষ্ট করিতে হইবে। ঐ সময়ে তাহাকে কবিতা, নামতা, প্রভৃতি কণ্ঠস্থ করাইতে
হইবে। দশ বৎসর বয়স অতীত হইলে ক্রমে যুক্তি ও তর্কশক্তি পরিচালনা করিতে হইবে। পদার্থ সম্মুখে না রাখিয়া
সেই সম্বন্ধে মৌখিক আলোচনা করিতে হইবে।

সুপ্রশ্ন শিক্ষার একটি প্রধান অবলম্বন। যে শিক্ষক সুপ্রশ্ন করিতে পারেন, তাঁহার কৃতকার্য্যতা স্থিরনিশ্চয়। ছাত্র হইতে
প্রশ্নের সমস্ত উত্তর লইতে চেষ্টা করিতে হইবে। অনেক স্থানে শিক্ষক পরিশ্রম করিয়া থাকেন, কিন্তু ছাত্র নির্ব্বাক ও
নিষ্কাম থাকে। ইহাতে অলসতা বৃদ্ধি পায় ও কার্য্যাত্মক প্রবৃত্তির বিনাশ হয়। ছাত্রকে আত্মাবলম্বন শিক্ষা দিতে হইবে।
ইহাতে অনুসন্ধিৎসা বাড়িতে ও নূতন শক্তির সঞ্চার হইবে। এক বাক্য দ্বারা বারংবার একই প্রশ্ন করা নিষিদ্ধ। ইহাতে
বৃথা সময় নষ্ট হয় ও ছাত্রের মনোযোগের হ্রাস হয়। এমন কোন প্রশ্ন করিতে হইবে না, যাহার উত্তরে “হ্যাঁ” বা “না”
বলিলেই চলিতে পারে। এইরূপ প্রশ্ন দ্বারা শিক্ষার অপব্যবহার হয় ও ছাত্রের ঔৎসুক্য নিরস্ত হয়। প্রশ্ন করিবার সময়
শিক্ষক সমস্ত ক্লাসের প্রতি লক্ষ্য করিয়া প্রশ্ন করিবেন, কিঞ্চিৎ পরে কোন ছাত্রকে উত্তরের জন্য মনোনীত করিবেন।
ছাত্রদিগকে ক্রম অনুসারে প্রশ্ন করা নিষিদ্ধ। কখন কখন ছাত্রবিশেষকে প্রশ্ন করিতে বলিতে হইবে। যে ছাত্র উত্তর না
দিতে পারিবে, প্রশ্নকারী উত্তর দিয়া তাহার স্থান অধিকার করিবে। এইরূপ প্রশ্নে ছাত্রগণ আমোদ উপভোগ করবে।
উত্তর খাঁটি ও সম্পূর্ণ না হইলে অগ্রাহ্য হইবে। অর্দ্ধ উত্তর সর্ব্বদা পরিত্যাজ্য। পূর্ণবাক্যে উত্তর দেওয়া কখনো কখনো
আবশ্যক। ভাল উত্তর পাইলে প্রশংসাবাদ দেওয়া বাঞ্ছনীয়। উহাতে অপর ছাত্রের কৌতূহল বাড়ে। অসম্পূর্ণ উত্তর
সর্ব্বসমক্ষে অগ্রাহ্য করিতে হইবে। কাহারও উত্তর অগ্রাহ্য হইলে কুৎসিত বাক্য প্রয়োগ অসঙ্গত। অভদ্রতার সহিত
উত্তর করিলে উত্তরকারীকে নিরুৎসাহ ও লাঞ্ছিত করিতে হইবে। বারংবার প্রশ্ন করিবার পরও ছাত্রগণ উত্তর দিতে
অসমর্থ হইলে, শিক্ষিতব্য বিষয় পুনরালোচনা করিতে হইবে। কোন কোন সময়ে ছাত্র বালকদিগকে এক সঙ্গে উত্তর

দিতে উৎসাহিত করিতে হইবে, ইহাতে লাজুক ও ভীত ছাত্র ক্রমে সাহসী হইবে। কোন নির্দ্দিষ্ট বালককে সর্ব্বদা
উত্তরের জন্য মনোনীত করা নিষিদ্ধ। বিশেষ কারণ ব্যতীত শিক্ষক স্বয়ং উত্তর বলিয়া দিবেন না; তবে আবশ্যক হইলে
কখন কখন ইঙ্গিতমাত্র দিতে পারেন।

কেবল পরিশ্রমী হইলে সুশিক্ষক হওয়া যায় না। যে প্রণালী অবলম্বন করিলে শিক্ষণীয় বিষয় সহজবোধ্য হয়, তাহারই
চেষ্টা করিতে হইবে। শিক্ষা কষ্টসাধ্য হইলে কার্যকরী হয় না। যাহাতে শিক্ষকের বৃথা সময় নষ্ট না হয়, অথচ ছাত্রদিগের
মানসিক শক্তির উৎকর্ষ ঘটে তৎপ্রতি শিক্ষকের দৃষ্টি থাকা উচিত।

কোন একটি বিষয়ের অত্যধিক আলোচনা করিলে মনোযোগ শক্তির হ্রাস হয়। সাহিত্য, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল
প্রভৃতি পাঠ্য বিষয়গুলি পর্য্যায় পরিবর্ত্তন করিলে মনের প্রফুল্লতা জন্মে ও জড়তা দূর হয়। অনেক সময় ব্যাপিয়া কোন
পাঠ দেওয়া সঙ্গত নহে, ইহাতে মনোবৃত্তি শিথিল হইয়া পড়ে। ব্যায়াম এই শিথিলতা দূর করে ও পুনঃ পাঠের জন্য
ঔৎসুক্য বৃদ্ধি করে।

কৃতকার্য্যতার জন্য শিক্ষকের পক্ষে কষ্টসহিষ্ণুতা, ধৈর্য্য, ভদ্রতা, অমায়িকতা, গাম্ভীর্য্য ও দয়া একান্ত আবশ্যক। এক
কথায় বলিতে হইলে, শিক্ষকের আদর্শ পুরুষ হওয় উচিত। তাঁহার বিদ্যা ও চরিত্র সকলের অনুকরণীয় হইবে। অনেক
শিক্ষক শাসনসংরক্ষণ হেতু চীৎকার করিয়া থাকেন, ইহা দূষণীয় হইবে। শিক্ষকের ভ্রƒভঙ্গি ছাত্রের মনে ভয়ের সঞ্চার
করিবে ও ঈষৎ হাস্য পুরস্কারস্থানীয় হইবে। শিক্ষক প্রত্যেক ছাত্রের দক্ষতা ও অভাব ভালরূপ দেখিবে। এক দিকে
তাহার স্বভাবের প্রতি ও অপর দিকে তাহার জ্ঞানের প্রতি দৃষ্টি রাখিয়া শিক্ষণীয় বিষয়ের অবতারণা করিবেন। তাঁহাকে
সর্ব্বদা মনে রাখিতে হইবে যে, তিনি ছাত্রগণের শিক্ষক, শাসনকর্তা ও বন্ধু।

ছোট বালকদিগের শিক্ষার জন্য বক্তৃতা পদ্ধতি উপযোগী নহে। উহাতে ছাত্রদিগের আত্মাবলম্বনের লোপ হয়,
বুদ্ধিশক্তির খর্ব্বতা হয় ও অভিনিবেশের হ্রাস হয়। কলেজে বহু ছাত্র একত্রে সমন্বিত হইলে অধ্যাপকগণ বক্তৃতার উপর
নির্ভর করিতে বাধ্য হইয়া থাকে। সুকোমলমতি শিশুর পক্ষে ইহা উপাদেয় নহে।

অনেক শিক্ষক স্বীয় পরিচ্ছদের প্রতি লক্ষ্য রাখেন না। সাহেব না সাজিয়াও অনেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন
করিতে পারেন। শিক্ষকের স্থান আদর্শস্থানীয়, সুতরাং তাঁহার মলিন বস্ত্র, অপরিষ্কৃত জুতা, তৈলাক্ত টুপী শোভা পায়

না। ব্যহ্যিক পারিপাট্য আভ্যন্তরীণ চরিত্রের পরিচায়ক। ইহাতে ছাত্রেরা স্বভাবতঃ আকৃষ্ট হয়। কোন কোন শিক্ষক
ক্লাসের মধ্যে বিশ্রীভাবে দাঁড়াইয়া থাকেন, ইহা ছাত্রদিগের পক্ষে অনুকরণীয়। শিক্ষকের অধিক সময় “এটেন্সন্”
অবস্থায় দাঁড়াইয়া থাকা উচিত। দেওয়ালে ঠেস দেওয়া, চেয়ারে পা তুলিয়া বসা বা টেবিলে পা উঠাইয়া দেওয়া
শিক্ষকের পক্ষে নিষিদ্ধ। এই সমস্ত কু-অভ্যাস বালকদিগের অনুকরণীয় হওয়া উচিত নহে।


Collected...

33
Economy / COVID-19 has made Bangladesh richer per capita than India
« on: January 18, 2021, 10:32:04 PM »
By Ashfaq Zaman
Director of the Dhaka Forum and co-founder of CNI News.

South Asia Has a New Economic Leader. Will the World Take Note?
COVID-19 has made Bangladesh richer per capita than India. Will diplomatic partners shift their strategies as a result?

Bangladesh — the overcrowded, overpopulated flood-prone state that, founded in 1971, is barely older than the internet — is now one of the richest countries in South Asia. The region was rocked by this week’s data that Bangladesh’s GDP per capita will exceed India’s this year, despite India having a 25 percent lead just five years ago.

There is no doubt about what has tipped the balance: COVID-19. While India has struggled to bring the virus under control, Bangladesh’s data-led innovative public health approach and rapidly improving digital infrastructure has allowed the economy to continue growing. But will the world take note, and realize that there are newer (and more stable) South Asian partners beyond the traditional ones? Will the new “Global Britain” prioritize the Bengal Tiger for a trade deal? And will the U.S. president (whether that’s Donald Trump or Joe Biden, come January 2021) consider Bangladesh a priority in South Asia, or stick with familiar partners?

Certainly this news will change the calculus by which an economy — and a nation state’s — strength is judged. Rather than just looking at a country’s currency, exports, and governance, its biosecurity capacity will now be seen as something as pivotal as national security — an area of policy that can make or break everything else.

It is not just Bangladesh’s growth that has contributed to this result, but India’s decline after severely mismanaging both the health and economic fallout of the pandemic.

China is the best example of how swift and effective pandemic management can support continued economic growth (consumer spending there has already returned to pre-pandemic levels and its GDP grew 5 percent in the last quarter).

Enjoying this article? Click here to subscribe for full access. Just $5 a month.

But China is an extreme case — there will be many winners across the world. And there will inevitably be some who can learn a great deal from those winners, and avoid further blunders.

This change in South Asia’s economic pecking order, combined with improving social indicators and rapid digitalization, could mean that many global powers will pivot more of their attention toward Dhaka.

The shift is overdue. Since India’s independence, it has understandably been the focus of the region’s economic and political activity. The region itself is often referred to as the Indian Subcontinent, perhaps a colonial hangover based on generations of Brits who interacted with an India that was essentially the only significant state in the region (not only modern day Pakistan and Bangladesh, but also Burmese territory was part of Colonial India).

But now things have changed, most notably in Bangladesh. Avoiding the tribal or sectarian divisions that have plagued Pakistan and increasingly blighted India, Dhaka has created a resilient economy and society, and maintained a diplomatic strategy that allows strategic partnerships with a range of competing world powers.

Economically, it would be unfair to describe its GDP per capita eclipsing India’s as a pandemic-related fluke: Bangladesh has long been one of the fastest-growing economies in the world and has recently entered the ranks of middle income countries, with the aim of becoming a developed country by 2041.

Its society has developed almost as quickly as its economy. Gender equality and women’s rights are on the march, with the death penalty recently being implemented for rapists, in a sign that the female-led country will not tolerate the violence against women that is so systemic in other parts of the region.

All this is underpinned by an ambitious digitization strategy led by a2i, a tech and digital transformation department founded by the Prime Minister’s Office. As digital economic inclusion is rolled out across the country, expect to see more tech startups like ShopUp, which this week raised $22.5 million from leading Venture Capital firm Sequioa. Free Economic Zones, like the one set up in conjunction with Japan’s government last month (Tokyo’s biggest investment in South Asia), will speed up the process.

Beyond economic growth, the realignment of power across South Asia raises important diplomatic opportunities. As the United States attempts to maintain its role in the region, Bangladesh may be a crucial partner, particularly given Dhaka’s strategic partnership with Beijing.

Similarly for the U.K., perhaps London will follow in Tokyo’s footsteps and prioritize the relationship with Bangladesh. A U.K.-Bangladesh trade deal would be a strong start to Britain’s post-EU strategy, with a significant portion of Bangladesh’s garment sector being dependent on U.K. consumers.

It has become common for political leaders to claim that they will “build back better” after COVID-19, with the slogan appearing across the world and capturing many people’s hopes. As we build back better, we should remember that the building blocks are not the same as they were before the pandemic. Nowhere is that truer than in South Asia.

Collected
Source--https://thediplomat.com/2020/10/south-asia-has-a-new-economic-leader-will-the-world-take-note/

34
Law / How citizen engagement with RTI law is transforming lives
« on: January 16, 2021, 11:33:50 AM »
Writer- Shamsul Bari and Ruhi Naz
Chairman and RTI Coordinator respectively of Research Initiatives, Bangladesh (RIB)

During the construction work of a regional highway in Dinajpur, local inhabitants were increasingly bothered by the dust it generated. One of them, Mosaddekul Islam, fired by his new-found knowledge of the Right to Information (RTI) Act, asked the concerned public authority what measures were taken to ensure that no harm was caused to the local population by its operation. On receipt of his RTI request, the project engineer immediately directed the construction firm to spray the affected areas with water twice a day, which was promptly done.

This and similar other stories were shared last month among activists and fans of the RTI Act from all over the country. They had gathered for a virtual meeting to find out how the law had fared during the pandemic. It appeared that fear and devastation caused by the pandemic had spurred their appreciation of the tremendous importance of transparency and accountability in governance. Our earlier fears about the negative impact of the crisis on the operation of the law were largely belied.

We were elated not because a larger number of citizens were utilising the law or had become more proficient in seeking pertinent information from public authorities, nor because the latter had become more responsive to peoples' information requests. Nor had the Information Commission become more attentive to removing impediments citizens face in applying the law, or more prone to chastise public officials for disobeying its provisions. We were particularly encouraged by the remarkable growth in citizens' understanding of the value of the law in monitoring the work of public authorities and drawing their attention to peoples' concerns. They had begun to grasp the tremendous transformative power of the law. A few examples will illustrate the point.

RTI application stops embezzlement of public fund
 
An RTI activist, Mominul, of Taraganj upazila of Rangpur, once discovered that a group of day labourers who were beneficiaries of the government's "40-day Work Programme", meant to help the unemployed during times of employment scarcity, were engaged in earth-filling work under its "Housing Programme" for the homeless. As he knew that there were separate budgets for the two programmes, he suspected that the contractor was perhaps trying to dupe the government by engaging the work programme beneficiaries on the housing programme, thereby embezzling the money allotted for the latter. So, he decided to ask for copies of relevant project documents from the project coordinator's office. Soon after submitting his RTI request, he came to know that the concerned labour force was removed from the earth-filling work under the housing programme and engaged in road construction work elsewhere. As the news spread, peoples' appreciation of the timely RTI intervention by Mominul spread far and wide.


RTI halts illegal money collection by traffic police
 
RTI activist Marufa Akhtar of Dinajpur town was vexed by the police practice of seizing auto-rickshaws under one pretext or another and releasing them afterwards against payment of a so-called fine without any money receipt. She decided to submit an RTI request to the local police authority seeking to know if there was any rule about not providing money receipts against fines levied and how the money thus collected was accounted for. She was soon informed that the police super had issued orders to stop the practice and that the defaulting police officials would be properly dealt with in the future. The odious practice has reportedly stopped now.

 
RTI resolves long-standing problem for a local community
 
RTI activist Nowshad Hossain of Dinajpur came to know that the construction work on a road in Chirirbandar upazila had remained stalled for over 18 months. He decided to submit a RTI request to the upazila authorities asking for information relating to the suspension of the work for such a long time and the expected time for its completion. Within ten days of his submission, local residents were pleasantly surprised to find that the construction work had resumed.


RTI reveals irregularities in purchase of musical instruments
 
RTI buff Mominul Islam Sarker of Taraganj upazila in Rangpur wanted to find out how many cultural bodies of his area had received government fund designed to promote cultural activities. He submitted an RTI request to the upazila office asking for the list of local clubs which received such funding during the year 2019-2020. On the basis of the response he received, Mominul checked with his local club and discovered that not only was no musical instrument bought with the money, but the fake receipt adduced as evidence of such a purchase was a voucher from the local brick kiln. The news both amused and angered the local population. Mominul subsequently submitted a complaint to the upazila executive.

RTI application stops irregularity in agricultural service
 
The same Mominul Islam Sarker of Taraganj upazila, now well-known in the area for his RTI activism, submitted an RTI request to the upazila agriculture office asking for the list, with photographs, of local cardholders and recipients of government stimulus packages on agriculture. He received the information in due course. Upon checking the list, he discovered that same pictures appeared on cards of different persons and there were other irregularities as well. So, he followed up with another RTI request seeking reasons for the irregularities and asking to know whether remedial measures were taken. In his response, the designated officer admitted that irregularities were indeed found, and remedial measures already taken. It increased Mominul's faith in RTI, as his earlier efforts to engage the Anti-Corruption Commission (ACC) in this regard had failed.

The examples give us hope about the future of RTI in the country. They demonstrate the progress made in inculcating an awareness among the users that the law can be invoked for myriad reasons, impacting society and the nation at large, and not for personal needs alone.

To translate the progress into furthering the overall objectives of the law more proficiently, it may be useful for the captains of RTI to unpeel the various components of the concept. Towards that end, we share below our own perceptions of the subject and hope that others in the civil society will do the same. 

To us, the RTI law aims to do the following: 1) promote citizens' role in monitoring the work of the government and other public bodies; 2) help citizens share their concerns on specific governance issues with the relevant public authorities through seeking pertinent information on them; 3) assist public authorities to realise that their work is being watched by the people and they may face consequences for any delinquency; 4) create opportunities for public officials to interact with the people and become more people-friendly and law-abiding; 5) change the age-old, "ruler-ruled" mentality in people's mind and make them realise that public officials are not their masters but allies; 6) contribute to systemic change in the way public authorities do their job; 7) inculcate a sense of "citizenship entitlement" among the people and make them feel that they have a say in governance matters, whatever their place in society; and 8) strengthen democracy by facilitating the development of a "whistle-blower" role for citizens to alert the government about irregularities in governance and promote transparency and accountability in public work.

We leave it to the readers to decide how many of these objectives have been achieved through the above examples.

Collected
Source- https://www.thedailystar.net/opinion/news/how-citizen-engagement-rti-law-transforming-lives-2027933

35
লিখেছেনঃ আলী হাসান তৈয়ব
মুসলিম মাত্রেই বিশ্বাস করেন যে তার আয় ও উপার্জন, জীবন ও মৃত্যু,  এবং সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্য ইত্যাদি র্নিধারণ হয়ে যায় যখন তিনি মায়ের উদরে থাকেন। আর এসব তিনি লাভ করেন তার জন্য বরাদ্দ উপায়-উপকরণগুলোর মাধ্যমে। তাই আমাদের কর্তব্য হলো হাত গুটিয়ে বসে না থেকে এর জন্য র্নিধারিত উপায়-উপকরণ সংগ্রহে চেষ্টা করা। যেমন চাষাবাদ, ব্যবসায়-বাণিজ্য, শিল্প-চারু, চাকরি-বাকরি বা অন্য কিছু। আল্লাহ তা‌‘আলা বলেন: “তিনিই তো তোমাদের জন্য যমীনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে প্রান্তরে বিচরণ কর এবং তাঁর রিযক থেকে তোমরা আহার কর। আর তাঁর নিকটই পুনরুত্থান।” [সূরা আল-মুলক, আয়াত: ১৫]

আজ আমরা রিজিক বৃদ্ধির উপায়সমূহের মধ্যে কুরআন ও হাদীস রোমন্থিত ১৪টি আমলের কথা আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

প্রথম আমল: তাকওয়া ও তাওয়াক্কুল অবলম্বন করা। আল্লাহর ভয় তথা তাকওয়া অবলম্বন করা, তাঁর নির্দেশাবলি পালন ও নিষিদ্ধ বিষয়গুলো বর্জন করা। পাশাপাশি আল্লাহর ওপর অটল আস্থা রাখা, তাওয়াক্কুল করা এবং রিজিক তালাশে তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করা। কারণ, যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে তিনিই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: “আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন। এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তাঁর উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেনই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।” [সূরা আত-তালাক, আয়াত: ২-৩]

অর্থাৎ যে আল্লাহকে ভয় করবে এবং আনুগত্য দেখাবে, আল্লাহ তার সকল সংকট দূর করে দেবেন এবং তার কল্পনাতীত স্থান থেকে রিজিকের সংস্থান করে দেবেন। আর যে কেউ তার উদ্দেশ্য হাসিলে একমাত্র আল্লাহর শরণাপন্ন হয় তিনিই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বলাবাহুল্য এই তাকওয়ার পরিচয় মেলে হালাল উপার্জনে চেষ্টা এবং সন্দেহযুক্ত কামাই বর্জনের মধ্য দিয়ে।

দ্বিতীয় আমল: তাওবা ও ইস্তেগফার করা। অধিক পরিমাণে ইস্তেগফার এবং বেশি বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও রিজিক বাড়ে। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর অন্যতম নবী ও রাসূল নূহ আলাইহিস সালামের ঘটনা তুলে ধরে ইরশাদ করেন: “আর বলেছি, ‘তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল’। (তাঁর কাছে ক্ষমা চাইলে) ‘তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, ‘আর তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা দেবেন আর দেবেন নদী-নালা।” [সূরা নূহ, আয়াত: ১০-১২]

হাদীসে বিষয়টি আরেকটু খোলাসা করে বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করবে আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের সংস্থান করে দেবেন।” [আবূ দাঊদ : ১৫২০; ইবন মাজা : ৩৮১৯; তাবরানী : ৬২৯১] [1]

অন্য হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তেগফার করবে আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।” [বাইহাকী : ৬৩৬; হাকেম, মুস্তাদরাক : ৭৬৭৭ সহীহ সূত্রে বর্ণিত।]

তৃতীয় আমল: আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের হক আদায়ের মাধ্যমেও রিজিক বাড়ে। যেমন : আনাস ইবন মালেক রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনি ইরশাদ করেন: “যে ব্যক্তি কামনা করে তার রিজিক প্রশস্ত করে দেওয়া হোক এবং তার আয়ু দীর্ঘ করা হোক সে যেন তার আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে।” [বুখারী : ৫৯৮৫; মুসলিম : ৪৬৩৯]

চতৃর্থ আমল: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরূদ পড়া। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরূদ পাঠেও রিজিকে প্রশস্ততা আসে। যেমনটি অনুমিত হয় নিম্নোক্ত হাদীস থেকে। তোফায়েল ইবন উবাই ইবন কা‘ব রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন: “আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনার প্রতি অধিকহারে দরূদ পড়তে চাই, অতএব আমার দু‘আর মধ্যে আপনার দরূদের জন্য কতটুকু অংশ রাখব? তিনি বললেন, তুমি যতটুকু চাও। কা‘ব বলেন, আমি বললাম, এক চতুর্থাংশ। তিনি বললেন, তুমি যতটুকু চাও। তবে যদি তুমি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে। আমি বললাম, অর্ধেক? তিনি বললেন, তুমি যতটুকু চাও। তবে তুমি যদি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে। কা‘ব বলেন, আমি বললাম, তাহলে দুই তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন, তুমি যতটুকু চাও। তবে তুমি যদি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে। আমি বললাম, আমার দু‘আর পুরোটা জুড়েই শুধু আপনার দরূদ রাখব। তিনি বললেন, তাহলে তা তোমার ঝামেলা ও প্রয়োজনের জন্য যথেষ্ট হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করা হবে।” [তিরমিযী : ২৬৪৫; হাকেম, মুস্তাদরাক : ৭৬৭৭ (আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি ‘হাসান’ সহীহ।)]

পঞ্চম আমল: আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা। আল্লাহর রাস্তায় কেউ ব্যয় বা দান করলে তা বিফলে যায় না। সে সম্পদ ফুরায়ও না। বরং তা বাড়ে বৈ কি। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: “বল, ‘নিশ্চয় আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিযক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিযকদাতা।” [সূরা আস-সাবা’, আয়াত : ৩৯]

ষষ্ঠ আমল: বারবার হজ-উমরা করা। হজ ও উমরা পাপ মোচনের পাশাপাশি হজকারী ও উমরাকারীর অভাব-অনটন দূর করে এবং তার সম্পদ বাড়িয়ে দেয়। আবদুল্লাহ ইব্ন মাসঊদ রাদিআল্লাহু আনহুমা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “তোমরা হজ ও উমরা পরপর করতে থাক, কেননা তা অভাব ও গুনাহ দূর করে দেয়, যেমন দূর করে দেয় কামারের হাপর লোহা, সোনা ও রুপার ময়লাকে।” [তিরমিযী : ৮১৫; নাসাঈ : ২৬৩১]

সপ্তম আমল: দুর্বলের প্রতি সদয় হওয়া বা সদাচার করা। মুস‘আব ইবন সা‘দ রাদিআল্লাহু আনহু যুদ্ধজয়ের পর মনে মনে কল্পনা করলেন, তিনি বোধ হয় তাঁর বীরত্ব ও শৌর্য-বীর্য হেতু অন্যদের চেয়ে নিজেকে বেশি মর্যাদাবান। সেই প্রেক্ষিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তোমাদের মধ্যে থাকা দুর্বলদের কারণে কেবল তোমাদের সাহায্য করা হয় এবং রিজিক প্রদান করা হয়।” [বুখারী : ২৮৯৬]

অষ্টম আমল: ইবাদতের জন্য ঝঞ্ঝাটমুক্ত হওয়া। আল্লাহর ইবাদতের জন্য ঝামেলামুক্ত হলে এর মাধ্যমেও অভাব দূর হয় এবং প্রাচুর্য লাভ হয়। যেমনটি বর্ণিত হয়েছে আবূ হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য তুমি ঝামেলামুক্ত হও, আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর, তবে তোমার হাত ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব দূর করব না।” [তিরমিযী : ২৬৫৪; মুসনাদ আহমদ : ৮৬৮১; ইবন মাজা : ৪১০৭]

নবম আমল: আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করা। আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে হিজরত তথা স্বদেশ ত্যাগ করলে এর মাধ্যমেও রিজিকে প্রশস্ততা ঘটে। যেমনটি অনুধাবিত হয় নিচের আয়াত থেকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: “আর যে আল্লাহর রাস্তায় হিজরত করবে, সে যমীনে বহু আশ্রয়ের জায়গা ও সচ্ছলতা পাবে। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে মুহাজির হয়ে নিজ ঘর থেকে বের হয় তারপর তাকে মৃত্যু পেয়ে বসে, তাহলে তার প্রতিদান আল্লাহর উপর অবধারিত হয়। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১০০]

আয়াতের ব্যাখ্যা আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস প্রমুখ সাহাবী রাদিআল্লাহু আনহুদ বলেন, স্বচ্ছলতা অর্থ রিজিকে প্রশস্ততা।

দশম আমল: আল্লাহর পথে জিহাদ। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিলের জিহাদেও সম্পদের ব্যপ্তি ঘটে। গনীমত বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের মাধ্যমে সংসারে প্রাচুর্য আসে। যেমন ইবন উমর রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “আর আমার রিজিক রাখা হয়েছে আমার বর্শার ছায়াতলে।” [মুসনাদ আহমদ : ৫৬৬৭; বাইহাকী : ১১৫৪; শু‘আবুল ঈমান : ১৯৭৮৩]

একাদশ আমল: আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা। সাধারণভাবে আল্লাহ যে রিজিক ও নিয়ামতরাজি দান করেছেন তার জন্য আল্লাহর শুকরিয়া করা এবং তাঁর স্তুতি গাওয়া। কারণ, শুকরিয়ার ফলে নেয়ামত বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: “আর যখন তোমাদের রব ঘোষণা দিলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয় আমার আযাব বড় কঠিন।” [সূরা ইবরাহীম, আয়াত: ০৭]

আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা শুকরিয়ার বদৌলতে নেয়ামত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আর বলাবাহুল্য আল্লাহর বাড়ানোর কোনো সীমা-পরিসীমা নাই।

দ্বাদশ আমল: বিয়ে করা। আজকাল মানুষের দুনিয়ার প্রাচুর্য ও বিলাসের প্রতি আসক্তি এত বেশি বেড়েছে, তারা প্রচুর অর্থ নেই এ যুক্তিতে প্রয়োজন সত্ত্বেও বিয়ে বিলম্বিত করার পক্ষে রায় দেন। তাদের কাছে আশ্চর্য লাগতে পারে এ কথা যে বিয়ের মাধ্যমেও মানুষের সংসারে প্রাচুর্য আসে। কারণ, সংসারে নতুন যে কেউ যুক্ত হয়, সে তো তার জন্য বরাদ্দ রিজিক নিয়েই আসে। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: “আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী-পুরুষ ও সৎকর্মশীল দাস দাসীদের বিবাহ দাও। তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও মহাজ্ঞানী।” [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩২]

উমর ইবন খাত্তাব রাদিআল্লাহু আনহুমা বলতেন, ওই ব্যক্তির ব্যাপার বিস্ময়কর যে বিয়ের মধ্যে প্রাচুর্য খোঁজে না। কারণ স্বয়ং আল্লাহ বলেছেন, ‘তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন।’

ত্রয়োদশ আমল: অভাবের সময় আল্লাহমুখী হওয়া এবং তার কাছে দু‘আ করা। রিজিক অর্জনে এবং অভাব দূরীকরণে প্রয়োজন আল্লাহর কাছে দু‘আ করা। কারণ, তিনি প্রার্থনা কবুল করেন। আর আল্লাহ তা‘আলাই রিজিকদাতা এবং তিনি অসীম ক্ষমতাবান। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: “আর তোমাদের রব বলেছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের জন্য সাড়া দেব।” [সূরা আল-মু‘মিন, আয়াত : ৬০]

এ আয়াতে আল্লাহ দু‘আ করার নির্দেশ দিয়েছেন আর তিনি তা কবুলের জিম্মাদারি নিয়েছেন। যাবৎ না তা কবুলে পথে কোনো অন্তরায় না হয়।  যেমন ওয়াজিব তরক করা, হারাম কাজে জড়ানো, হারাম আহার গ্রহণ বা হারাপ পরিচ্ছদ পরা ইত্যাদি এবং কবুলকে খানিক বিলম্বিতকরণ। আল্লাহর কাছে দু‘আয় বলা যেতে পারে: “হে রিজিকদাতা আমাকে রিজিক দান করুন, আপনি সর্বোত্তম রিজিকদাতা। হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে পবিত্র সুপ্রশস্ত রিজিক চাই। হে ওই সত্তা, দানের ঢল সত্ত্বেও যার ভাণ্ডারে কমতি হয় না। হে আল্লাহ, আমাকে আপনি আপনার হালাল দিয়ে আপনার হারাম থেকে যথেষ্ট করে দিন আর আপনার দয়া দিয়ে আপনি ছাড়া অন্যদের থেকে যথেষ্ট হয়ে যান। হে আল্লাহ আপনি আমাকে যে রিজিক দিয়েছেন তা দিয়েই সন্তুষ্ট বানিয়ে দিন। আর যা আমাকে দিয়েছেন তাতে বরকত দিন।”

অভাবকালে মানুষের কাছে হাত না পেতে আল্লাহর শরণাপন্ন হলে এবং তাঁর কাছেই প্রাচুর্য চাইলে অবশ্যই তার অভাব মোচন হবে এবং রিজিক বাড়ানো হবে। আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদিআল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি অভাবে পতিত হয়, অতপর তা সে মানুষের কাছে সোপর্দ করে (অভাব দূরিকরণে মানুষের ওপর নির্ভরশীল হয়), তার অভাব মোচন করা হয় না। পক্ষান্তরে যে অভাবে পতিত হয়ে এর প্রতিকারে আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল হয় তবে অনিতবিলম্বে আল্লাহ তাকে তরিৎ বা ধীর রিজিক দেবেন।” [তিরমিযী : ২৮৯৬; মুসনাদ আহমদ : ৪২১৮]

চতুর্দশ আমল: গুনাহ ত্যাগ করা, আল্লাহর দীনের ওপর সদা অটল থাকা এবং নেকীর কাজ করে যাওয়া। গুনাহ ত্যাগ করা, আল্লাহর দীনের ওপর অটল থাকা এবং নেকীর কাজ করা- এসবের মাধ্যমেও রিজিকের রাস্তা প্রশস্ত হয় যেমন পূর্বোক্ত আয়াতগুলো থেকে অনুমান করা যায়। তবে সর্বোপরি আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা দুনিয়াতে চিরদিন থাকার জন্য আসি নি। তাই দুনিয়াকে প্রাধান্য না দিয়ে উচিত হবে আখিরাতকে অগ্রাধিকার ও প্রাধান্য দেয়া। আমাদের এদেন অবস্থা দেখে আল্লাহ তা‘আলা বলেন: “বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছ। অথচ আখিরাত সর্বোত্তম ও স্থায়ী।” [সূরা আল-আ‘লা, আয়াত : ১৬-১৭]

আর পরকালের মুক্তি ও চিরশান্তিই যার প্রধান লক্ষ্য তার উচিত হবে রিজিকের জন্য হাহাকার না করে অল্পে তুষ্ট হতে চেষ্টা করা। যেমন : হাদীসে এসেছে, আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আ‘স রাদিআল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “ওই ব্যক্তি প্রকৃত সফল যে ইসলাম গ্রহণ করেছে আর তাকে জীবন ধারণে (অভাবও নয়; বিলাসও নয়) পর্যাপ্ত পরিমাণ রিজিক দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন তাতে তুষ্টও করেছেন।” [মুসলিম : ২৪৭৩; তিরমিযী : ২৩৪৮; আহমদ : ৬৫৭২]

পরিশেষে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের এসব উপায়-উপকরণ যোগাড় করে রিজিক তথা হালাল উপার্জনে উদ্যোগী ও সফল হবার তাওফীক দান করেন। তিনি যেন আপনাদের রিজিক ও উপার্জনে প্রশস্ততা দান করেন।

আমীন!!

[1]. (শায়খ উসাইমীন বলেন, সনদগত দিক থেকে হাদীসটি দুর্বল কিন্তু এর মর্ম ও বক্তব্য সহীহ বা সঠিক। কুরআনের আয়াত ও হাদীসে এই বক্তব্যের সমর্থন বিদ্যমান। এই হাদীস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার পর শায়খ বিন বায বলেন, সর্বোপরি হাদীসটি তারগীব ও তারহীব তথা মানুষকে আখিরাতের আগ্রহ বা ভয় দেখানোর ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। কারণ, এ ব্যাপারে কুরআন ও সুন্নাহে একাধিক বক্তব্য পাওয়া যায়। [ফাতাওয়া নূর আলাদ-দারবি (হাদীসের ব্যাখ্যা ও তার হুকুম।]     

ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ -ই- গাফফার

Collected
http://imam.gov.bd/singlepost/4029

36
According to the study "Entrepreneurship ecosystems in Latin America and the Caribbean against COVID-19" by the Inter-American Development Bank (IDB), technological enterprises are those that can better enhance their capacities to be more agile.

We share the following four lessons that, like us, will help you to be prepared in this new year:

1. Listen to the needs of your potential customers: Justo was founded thanks to the fact that a group of restaurants approached us to help them build a direct online sales channel and thus avoid the high commissions of delivery apps; This is where we noticed the technological needs that restaurateurs lacked and we decided to undertake to help them regain control of their business. Without a doubt, actively listening to the needs of your potential clients will help you guide your venture towards what the public really requires and offer solutions with long-term growth potential.

2. Take care of your time: During 2020, more than three-quarters of the Mexican entrepreneurs surveyed by Endeavor admitted to working more than 50 hours a week, generating stress and low productivity, so if you are looking to grow and take your business to the Next level, it is essential that you have spaces -both your own and for your team- to exchange ideas, innovate, as well as leisure and disconnection from day to day.


3. Keep your motivation fresh: We left behind one of the most challenging years in our history and - surely - it has left an emotional mark. It is interesting to note that according to the Association of Entrepreneurs of Mexico , 36% of Mexican entrepreneurs are afraid of failure, so it will be key to recognize that uncertainty will prevail and we will need constant motivation for the day to day. Some useful tools are to set short and medium term objectives; visualize what we want to achieve, what resources we have and in what time we can do it; Recognize the factors that we cannot control, as well as prepare ourselves to determine what risks we can take.

4. Create support networks: In Latin America, more than half of the entrepreneurs surveyed by the IDB acknowledged that they tried to solve the pandemic crisis only with their work team, without resorting to someone else, which implied effects, whether economic or emotional. A vital lesson for this 2021 is to remember the strength of building and having a support network: family, friends, collaborators, work teams, colleagues, suppliers; as well as forums, chambers, associations to listen to other experiences on how to overcome adverse seasons, promote joint work and promote the growth of the sector. Let us remember that social distance does not imply isolation: let's look for options to move forward, together and for the benefit of all.

We do not know what this new year has in store for us, what we do know is that part of the economic recovery and stability of the region will be driven by entrepreneurs and their capacity for enthusiasm, optimism, learning and adaptation skills. By joining forces we make sure to create virtuous circles, as well as strengthen a more supportive, empathetic and fair circular economy.

Collected
Source- https://www.entrepreneur.com/article/362729

37
বিষে ভরা বিশ সালে হারিয়ে গেছে বহু ব্যবসা। যুক্তরাষ্ট্রের নানা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ হাজার ৩০০ স্টোর বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালে এসে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে। বড় বড় কোম্পানির চেইন স্টোরই কেবল বন্ধ হয়েছে ১২ হাজার। মহামারি এখনো থেমে নেই, তাই ঝুঁকিতে আছে অনেক কোম্পানি। ফরচুনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনার কারণে বিশ্বের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। অ্যাস অ্যান্ডি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী বছরে ৬১০টি মার্কিন কোম্পানি দেউলিয়া হতে আবেদন করে। এই তালিকায় রয়েছে জেসি পেনি, নেইম্যান মার্কাস এবং জে.ক্রিউ, হার্তজ, সিবিএল অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস প্রোপার্টি, ইন্টারনেট সরবরাহকারী ফ্রন্টিয়ার কমিউনিকেশনস, তেল ফিল্ড পরিষেবা সরবরাহকারী সুপিরিয়র এনার্জি সার্ভিসেস। করোনার বড় থাবা পড়েছে ডিপার্টমেন্ট স্টোর, পোশাক কোম্পানি এবং যারা নিত্যপ্রয়োজনীয় নয় এমন পণ্য বিক্রি করে।

গ্রাহকেরা বড় স্টোরগুলোর প্রতি বেশি আগ্রহী থাকেন, কারণ এসব জায়গায় সব কেনাকাটা এক ছাদের নিচে করা যায়। তাঁরা খাবার এবং বাড়ির উন্নয়নে প্রয়োজন এমন পণ্যে বেশি কিনেছেন করোনার সময়। তাই নিত্যপণ্য বিক্রি করে না এমন খুচরা দোকানগুলো দেউলিয়া হওয়ার জন্য আবেদন করেছে বেশি। দেউলিয়ার জন্য আবেদন করা ২০ শতাংশ কোম্পানিই এমন। ভ্যাকসিন এলেও ২০২১ সাল এমন সব কোম্পানির জন্য ভালো যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

চ্যাপটার ১১-এর অধীনে দেউলিয়ার ঘোষণার জন্য আবেদন করেছে যে বড় বড় কোম্পানিগুলো

১. ফ্রন্টিয়ার কমিউনিকেশন
দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে প্রায় ৮৫ বছরের পুরোনো ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী এই কোম্পানিটি চ্যাপটার ১১ অধীনে দেউলিয়ার ঘোষণার জন্য আবেদন করে।

২. নেইম্যান মার্কাস
করোনার শুরুতেই ধাক্কা সামলাতে পারেনি নেইম্যান মার্কাস। শত বছরের পুরোনো ডিজাইনারস ক্লদিং, হ্যান্ডব্যাগ, শু এবং বিউটি পণ্যের জন্য বিখ্যাত মার্কিন এই ডিপার্টমেন্ট স্টোর গত ৭ মে দেউলিয়া হওয়ার আবেদন করে।

৩. ডায়মন্ড অফশোর ড্রিলিং
ঋণ সামাল দিতে না পেরে এপ্রিলে ডায়মন্ড অফশোর ড্রিলিং দেউলিয়া সুরক্ষার আবেদন করে। প্রায় আড়াই হাজার কর্মীর এই প্রতিষ্ঠানের ২০১৯ সালে আয় হয় ৯৮ কোটি ডলার।

৪. টেইলরড ব্র্যান্ডস
গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টেইলরড ব্র্যান্ড ৫০০ বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। মহামারি চলাকালীন এর কয়েক লাখ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করেছেন। তারপরও লোকসান ঠেকাতে পারেনি তারা।

৫. দ্য ম্যাকক্ল্যাচি কো
 সংবাদপত্র সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে মুদ্রণ সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়ায় ধুঁকছিল। ফলে ফেব্রুয়ারিতে দেউলিয়া হয়ে যায়।

৬. সিবিএল এবং অ্যাসোসিয়েটস প্রোপার্টি
 বহু আগে থেকে এই স্টোরের ক্রেতা কমে গিয়েছিল। করোনায় যেন আরও ধুঁকতে শুরু করে। পরে দেউলিয়া হওয়ার আবেদন করে।

৭. টোয়েন্টি ফোর আওয়ার ফিটনেস
লকডাউন চলার সময় বন্ধ হওয়া প্রথম ব্যবসায়গুলোর মধ্যে ছিল এটি। করোনার ধাক্কায় জুলাইয়ে বন্ধ হয়ে যায়।

৮. হার্তজ
করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পর্যটন খাত। আমেরিকার গাড়ি ভাড়া দেওয়া বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান হার্তজ। মে মাসে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী বিদায় নিয়েছেন, সেই সঙ্গে দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন করেছে তারা। উত্তর আমেরিকাজুড়ে ছাঁটাই করা হয়েছে ১০ হাজার কর্মীকেও।

৯. কোরাম হেলথ
 ২৪টি হাসপাতাল চালানো এই সংস্থা ঋণে জর্জরিত ছিল। এ ছাড়া কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম না হওয়ায় দেউলিয়া হয় তারা।

১০. জেসি পেনি, জেসি ক্রিউ
মে মাসের মাঝামাঝি ১১৮ বছরের পুরোনো মার্কিন চেইন ডিপার্টমেন্ট স্টোর জেসি পেনি নিজেদের চ্যাপটার ১১-এর অধীনে দেউলিয়া ঘোষণার জন্য আবেদন করে। জেসি পেনি যুক্তরাষ্ট্রে ৮৫০টির বেশি স্থানে পোশাক, প্রসাধনসামগ্রী ও গয়না বিক্রি করে। প্রায় ৮০ হাজার কর্মী কাজ করেন এই কোম্পানিতে। এর আগে মে মাসের শুরুতে খুচরা পোশাক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান জে ক্রিউ দেউলিয়া হওয়ার আবেদন করে।

Collected
Source--https://www.prothomalo.com/business/world-business/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF

38
Higher Education / Education Redefined
« on: January 04, 2021, 09:55:09 AM »
Topic-Education Redefined
Writer--Prof Ujjwal K Chowdhury
Pro Vice Chancellor of Kolkata-based Adamas University

The pandemic has blended the physical with digital education to suit all. I would like to call it a ‘PhyGital’ model. There are challenges of digital access and entire South Asia needs a major connectivity movement for the same. Education, especially higher education in the university, is set to alter due to the New Education Policy announced by the government.

So what major changes do we expect to redefine higher education? Here is a list being attempted in brief.

1. Breakdown Of Walls

Most universities will be moving towards doing away with hitherto tight compartmentalised education, divided into streams and disciplines, like arts, sciences, commerce, law and engineering. They would bring in the concept of minor specialisation from micro-biology to music to photography. Young learners will have the option to pick a domain as their major, say engineering, and twin it up with a minor specialisation (not just an elective), which can be as diverse as photography or music from the heart, or management to go well with technology learning.

2. PhyGital Way Ahead

Education would now use content creation, content delivery, learners’ engagement and learners’ evaluation. Now this will have proprietary content (mentor’s slideshow, videos, podcasts, notes, info-graphics) coupled with aggregated content from diverse open sources including various Massive Open Online Courses (MOOCs). The open sources can be free MOOCs like Swayam, videos from YouTube and Vimeo, podcasts, slideshare, pdfs of chapters and books, case-studies, animation and info-graphics. The mentor’s job is to aggregate all these diverse but relevant content in advance before discussed online or face-to-face. Delivery of content is done in diverse ways: face to face, digitally in advance, or through platforms. Even evaluation or assessment is changing from merely course-end written examination to a blended approach of multiple evaluations: open-book exams, written analytical and applied exams face to face or from remote, interview, quiz, case-study, verbal presentation, project-completion, prototype making, through which diverse skills and comprehension are evaluated. Every university education will move towards this blended diverse layered approach.

3. Internships And Field Projects

The next big change coming in higher education at the university level is getting internships in government or non-government organisations, MSMEs or large corporate houses, along with live projects with a client, as a compulsory part of the degrees, with credits and scores. Students have to do projects and internships, even if they are in liberal arts, literature, natural sciences, commerce and submit reports to complete their specific semesters.

4. World Is A Big University

The significance of enormous real estates of universities, the exclusivity of your faculty, the challenges of accessing learning resources from ivy league institutes or top class professors will soon be on a steady decline. The online education is allowing access to content and live sessions by top scholars of the world. An MOU between two universities from two continents is now allowing faculty member of one address learners from both the universities. Also, almost all universities are tying up with online education providers like Coursera, Upgrad, Unacademy, and adding another dimension to their usual and traditional teaching-learning pedagogy on campus.

5. One Life, Many Careers

Earlier generations were equipped for one career as a lifetime mission: being an engineer, business manager, doctor, communication professional, designer. Post pandemic, in the new furthermore VUCA world (volatile, uncertain, complex and ambiguous), the need for multiple careers and multi-skilling is on the rise. One has to learn ways and means to self-learn. Hence, the concept of a flipped classroom, where universities are creating components and exposure to ensure learning to learn.

6. Rise Of Skills

Some of the top new-age global corporate majors, like Facebook, Google had already announced they would recruit not by degrees, but by skills-sets, portfolio and competencies. Employers need usable skills and competencies and jobs moving out of the government departments, the trend is getting stronger by the day. Universities are realising that their degree-centricity in operations has a limited shelf-life, and hence focusing more on hands-on competencies based skill-learning.

7. Creativity And Problem-Solving

Since all repetitive work in the new VUCA world shall be taken away by automation and robotics, artificial intelligence and machine learning would easily predict steps or activities in a production chain. Hence, the youth will be expected to solve hitherto unknown or less predicted problems, find creative solutions to questions, develop a new template or model or sample, innovate production process or product usage, manage crises, and do team-work and give leadership to collective initiatives that create wealth and add value in society. All of these need an education, which bans rote learning, gives less premium to merely information or data but nurtures innovative thinking and practice, creativity and problem-solving among the learners. Pedagogy that creates a design-thinking capability in the higher education learners is being increasingly utilised.

8. Outcome-Based Education (OBE)

Quite often we hear about scores, grades, degrees, marks as the primary outcomes of education. Every university program and course now are finalising the learning objectives and outcomes of the specific programs and courses. They are mapping the content of the modules and the projects and assignments all to these objectives and outcomes. Such outcomes are qualitatively and quantitatively first formulated and after the delivery, are being assessed through mentor’s and learners’ feedback and evaluation. It is a very different scenario emerging in higher education through this OBE approach, which goes far beyond merely completing a course, taking a written examination, evaluating and giving a degree or diploma till the recent past.

9. Most Preferred

With automation and AI coming in and repetitive manufacturing or routine service jobs getting mechanised, the domains of life sciences research and development, business models and approaches, and liberal arts-communication skills and careers are becoming the focus of higher education in the universities. The demand in these subjects has gone up more than 23 per cent in 2020 by a recent estimate, while engineering in most places has been hit hard.

10. Must-For-All Masters

All good masters courses, irrespective of the major or minor specializations, are now making soft and life skills as compulsory components of learning to make the learners equipped with better emotional intelligence and communication skills. They are also adding goal-focused career-planning, start-up culture and entrepreneurial skills more so because even those appointed as trainee managers or entry-level officers are expected to own up the tasks given and function with a custodian mind-set.

Collected
Source--https://www.outlookindia.com/outlookmoney/magazine/story/education-redefined-607

39
Why chose a degree in Innovation and Entrepreneurship?
You only have to look at the start-up landscape to see that entrepreneurs come from all walks of life – but there are some key personality traits that set entrepreneurs and innovators apart, such as creativity, open-mindedness, self-discipline and confidence.

A degree in Innovation and Entrepreneurship at UOWD helps you to build on those traits, while developing business skills such as commercial acumen, adaptability, leadership, and an ability to innovate and identify gaps in the market.

During your time at UOWD, you will learn how to develop, plan and implement ideas and projects, while acquiring an in-depth business understanding that is relevant in many contexts and sectors. You’ll learn how to not only establish and run your own business, but to also jumpstart your career.

Career opportunities for graduates
It’s not just business owners and start-up prodigies who require entrepreneurial skills. These days, employers in all fields seek graduates who bring that go-get-’em approach to business. And with rapid developments in all industries, being able to think outside the box has never been more sought after.

After completing a Master’s degree in Innovation and Entrepreneurship, you could find yourself in a range of roles, such as management consulting, ICT, marketing and advertising, media, sales or research and development.

Collected
Source--https://whatson.ae/2020/12/uowd-degree-in-innovation-and-entrepreneurship-will-jumpstart-your-career/

40
পুঁজিবাজারে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) প্লাটফর্মে লেনদেন হওয়া কোম্পানির পুঁজিবাজার থেকে বের হয়ে যাওয়ার উপায় জানিয়ে নির্দেশনা প্রকাশ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এছাড়া মূল মার্কেটের বাইরে ও অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) কোন কোম্পানি থাকলে, তার জন্যও নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম সাক্ষরিত এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলায় হয়েছে, ওটিসি প্লাটফর্মের কোম্পানি, মূল মার্কেট থেকে তালিকাচ্যুত কোম্পানি ও এটিবিতে থাকা কোম্পানির শেয়ার কিনে নিয়ে শেয়ারবাজার থেকে চলে যেতে পারবে। তবে ওইসব প্লাটফর্মের সব কোম্পানি চলে যেতে পারবে না।

পুঁজিবাজার থেকে চলে যেতে হলে ওইসব প্লাটফর্মের কোম্পানির কয়েকটি সম্ভাব্য কারণের কথা বলেছে কমিশন। কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২ বছরের বেশি সময় বাণিজ্যিক উৎপাদনে না থাকলে, ৩ বছর ধরে লোকসানে থাকলে, পরিশোধিত মূলধনের থেকে পূঞ্জীভূত লোকসান বেশি হলে, টানা ৩ বছর ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে ব্যর্থ হলে, টানা ২ বছর এজিএম করতে ব্যর্থ হলে, ডেবট সিকিউরিটিজের বিপরীতে টানা ৩ কিস্তি সুদ বা কূপন বা মুনাফা প্রদানে ব্যর্থ হলে এবং ডেবট সিকিউরিটিজের টানা ২ কিস্তি প্রদানে ব্যর্থ হলে।

বিএসইসির ওই নির্দেশনায় পুঁজিবাজার থেকে চলে যাওয়ার জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে কি ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে, শেয়ার দর নির্ধারণ, স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে চুক্তির বিষয়বস্তু, পাবলিকলি ঘোষণার বিষয়বস্তু, শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য এজিএম বা ইজিএম আয়োজন, স্টক এক্সচেঞ্জের এসক্রো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রক্ষনাবেক্ষনের পদ্ধতি, শেয়ার সেটেলমেন্টের প্রক্রিয়া এবং সেটেলমেন্টের পরে স্টক এক্সচেঞ্জ ও আবেদনকারীর কমিশনে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

Collected
Source-- https://www.sharebarta.com/19836/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/

41
Bhavin Turakhia, Founder and CEO of Flock, Founder of Radix, and Co-founder and CEO of Zeta, started coding when was just 10 years old and had the entrepreneurship bug since then. With 20+ years of experience in building multiple businesses, he started his first company when he was just 17 years old with his younger brother.

They owned and operated this company for about 16 years and by the time they sold it in 2014 at a $60 million exit, it was the fourth-largest domain registrar hosting company in the world with about 10 million domain names registered by customers from every location in the world.
In conversation with Sanjay Swami, Managing Partner, Prime Venture Partners, during the latest episode of Prime Venture Partners Podcast, a series that helps entrepreneurs grow and build their startups with the powerful insights of the makers and doers of the startup ecosystem, Bhavin shares his template for building SaaS companies.

Bhavin Turakhia, Founder and CEO of Flock, Founder of Radix, and Co-founder and CEO of Zeta [Image Credit: Twitter] The four phases: Planning, discovery, scaling, and steady state Bhavin founded Radix and launched it in 2012, which started off with a small team and an investment of about $25 million. He didn’t stop there. In 2014, Bhavin started Flock, which now comprises two products, and lastly in 2015, he co-founded ZETA. After spending all his life in B2B SaaS, he has come up with his own business template: planning, discovery, scaling, and steady state. Speaking from experience, Bhavin explained, Sign up for our exclusive newsletters. Subscribe to check out our popular newsletters. “The goal of planning is, do I want to enter into this business? Or do I want to build this product? The end outcome or the answer to it is yes, I want to go ahead. Until planning is completed, I will not hire people, except, have a small team of people.” When a business is past the planning stage and is all set to go with the idea, there comes the discovery stage where the crucial decision lies with the entrepreneurs. He asked, “Is the planned hypothesis going to succeed in the market? Do we actually have a traction channel? And do we have a product-market fit?” And after these two stages, the vital questions which need to be addressed are, “If you do have both of those then the scaling stage, the answer is that okay, now, I have a product and a business that makes sense and have a go-to-market strategy. Can I actually scale this? Can I 10x it or 100x it or 1,000x it, basically and what ingredients do I need to get that done? By the time you get to steady-state, the deliverables or and that’s the longest stage I guess, in any company’s history is the deliverable are built the right moats to make sure the business continues to be sustainable, optimise profitability, do succession planning, and bring in the right leadership and ensure that the company can sustain and survive.”
 Three measurables to achieve the product-market fit After reaching the discovery stage in your business, there remains a hypothesis and problem. To get the product-market fit there are three objective measures of product fit which are kind of deliverable formula of Bhavin’s. He explained, “Product-market fit has three objective measures, a high net promoter score, which means people want to use and love my product so much that they will recommend it to other people, a high asymptotic retention curve, so I could get 100 people in at the top of the funnel, and I might lose 60, 70, 80 but are 20 people that remain continue to remain perpetually, they keep using my product 8th week, 16th week, 32nd week, it’s adding enough value because then that 20 will become my honed in persona from the initial persona that I started out. These people find my product so useful, that they actually continue to retain.”

“The third framework that I found really useful is new experimentation, wherein, with that set of customers, ask them a question that if I took this product away from you, would you be very disappointed? Would you be disappointed? Would you not care? And our goal should be to get to a very disappointing score of 40 percent. So out of the people that are using my product on an ongoing basis, 40 percent of them should be extremely disappointed if I took the product away.”

Collected
Source- https://yourstory.com/2020/12/serial-entrepreneur-bhavin-turakhia-business-template

42
Cyber Security / Cyber security To Remain Hot In The New Year
« on: December 27, 2020, 05:44:21 PM »
Despite a pandemic that raged around the globe for the better part of the year, the cybersecurity market retained investor interest in 2020 and many in the sector expect next year to be no different.

“Security is a red hot sector with more and more money pouring into it,” said Andrew Atherton, managing director at Union Square Advisors. Funding numbers remained strong this year, according to Crunchbase data. The cybersecurity sector saw more than $8.1 billion invested to date globally this year and nearly $6.3 billion in the U.S. That compares to $7.4 billion globally and $4.7 billion in the U.S. last year. Large deals in 2020 include Santa Clara, California-based Netskope hauling in $340 million in February; Mountain View, California-based SentinelOne raising $267 million in November; Dallas-based StackPath closing a $216 million Series B in March; and Minnesota-based Arctic Wolf announcing a $200 million raise in October.

Merger and acquisition dealmaking in the cybersecurity sector did take a hit, with values dropping from $28.1 billion in 2019 to $13.8 billion at the end of the third quarter this year, according to San Francisco-based financial advisory firm Momentum Cyber.

Despite the drop in dealmaking, Atherton said he hears from corporate development teams of large companies that they get approached on a daily basis by startups and growing cybersecurity firms interested in strategic dealmaking and partnerships.

Atherton said he expects dealmaking to remain strong in 2021, after it picked up significantly in the second half of the year. More nontraditional buyers could help push the market, he said, pointing to Fastly acquiring Signal Sciences in August for $775 million as an example.

Where may investors and strategics look to in 2021 when analyzing the cybersecurity landscape? Following are subsectors that seem primed to have escalated interest in the new calendar year:

Analysing risk from the top

The recent SolarWinds hack—where Russian attackers penetrated several companies’ and government agencies’ systems through a piece of that company’s server software—is yet again another example of the imperfections of cybersecurity.

“It’s unfortunate,” said Dino Boukouris, founding director of Momentum Cyber. “It’s shocking, but not surprising, The reality is we are all fighting the same fight, but no one is impervious to attacks.”

Matt Kinsella, managing director at Maverick Ventures, said the SolarWinds hack may be an inflection point for the industry to look at how vendors share data.

“Vendors must exchange information so risk is clearer,” he said. “And that process should be streamlined.”

While some get excited about new network security tools and endpoint solutions, large third-party vendors provide the necessary infrastructure of organizations’ defenses. Once the full breath of the SolarWinds attack is understood, vendor risk management and companies that allow for that data exchange could see an uptick in interest.

Securing health

The pandemic caused many people to focus on health, and those in cybersecurity were no different. “These ransomware attacks on hospitals are terrifying,” Kinsella said. “This area wasn’t even a focus a few years ago.” Kinsella said that has slowly changed as attackers have learned to use medical devices themselves that are now connected to networks as virtual backdoors.
Recent years have seen increased interest from buyers looking for IoT security providers, which includes medical device security. Among them was Palo Alto Networks buying Zingbox for $75 million last year, and Armis being acquired by Insight Partners at a valuation of $1.1 billion. Large tech companies like IBM also have grown their health care security divisions, said Kinsella, whose firm invested in New York-based medical device security provider Cylera in 2018.

Nevertheless, investment in the area lags behind other cybersecurity verticals, but a strong 2021 is a possibility. “Right now it’s a decade behind,” Kinsella said, “but I can see interest picking up.”

Kubernetes and containers

The use of containers in building modern applications has grown through recent years, with open-source software platform Kubernetes becoming a popular way to deploy and manage those containers.

“Cloud infrastructure security is hot and Kubernetes and container security is just a natural extension,” Boukouris said. That space already has seen significant dealmaking. Palo Alto Networks bought RedLock for $173 million in 2018 and followed that with its acquisition of Twistlock for $410 million and PureSec for an undisclosed amount last year. The cybersecurity giant used that trio to create its cloud security offering Prisma Cloud. Then in April, Rapid7 bought cloud security posture management company DivvyCloud for approximately $145 million. Venture capital also has rolled in. In September, Mountain View, California-based StackRox raised a $26.5 million round, while in May, Israel-based startup Aqua Security raised $30 million, and Mountain View, California-based Lacework raised a $42 million Series C in the second half of last year. While the space still is developing, Boukouris said he thinks more money will flow into the area because cloud infrastructure is so hot.

Security services

Regardless of what the next big thing is in cybersecurity, it’s guaranteed more tools and complexity will come into the space. That means security services—the unsexy subsector of managing security tools—also will remain interesting to investors.

“There is some great technology out there, but because there’s so much you need someone to manage it,” Boukouris said. “That’s why the space is red hot. There is interest from VC and private equity alike.” Companies like Arctic Wolf, as well as others such as deepwatch and eSentire, which help manage tools and offer security operation center services, continue to attract investor interest as offerings proliferate throughout the sector, Boukouris said. “The more tools get complicated, the better services companies need to manage them,” he added.

Looking ahead

Atherton said he expects cybersecurity as a whole will see high single-digit to low double-digit growth in spend next year, with strategics and investors eyeing bigger slices of the pie. “I don’t think you’ll see much of a slowdown in M&A or investment in the sector,” he said “It remains very hot.”

Collected
Source--https://news.crunchbase.com/news/cybersecurity-to-remain-hot-in-the-new-year/?utm_source=cb_weekend&utm_medium=email&utm_campaign=20201226

43
Artificial Intelligence / Venture Investors Turn To AI To Find Deals
« on: December 27, 2020, 05:36:42 PM »
From medicine to retail to the auto industry, there are few industries in tech that have not been changed or disrupted by artificial intelligence.

Now, some of the people investing in those sectors are using AI to figure out where to put their money next. While that may seem like an obvious use of AI and machine learning, it’s been something most VCs have been slow to adopt.

“VCs love to disrupt other spaces using data and networks—except their own,” said Ilya Kirnos, co-founder, managing director and CTO of San Francisco-based venture firm SignalFire.

Investment firms such as SignalFire and EQT Ventures are not just investing in tech companies, but are in their own way tech companies—housing their own proprietary AI platforms to analyze and vet investment opportunities.

AI directs big money

Alastair Mitchell, partner at EQT Ventures, estimates the firm’s AI platform–called Motherbrain–for sourcing portfolio companies has played a role in more than $100 million of the firm’s approximately $900 million total invested since its first fund opened in 2016.

“We placed a big bet on technology to be better investors,” he said.
Motherbrain digests both public data, such as investor and LinkedIn data, app store rankings and funding information, as well as proprietary information to score companies. Mitchell estimates the platform is helping the firm track more than 15 million companies. Stockholm-based EQT Ventures, which describes itself as a hybrid between a startup and a VC firm, plans to use Motherbrain over the next few years to help it find investment opportunities for its second fund, which launched last year. About 75 percent of that $700 million fund is still available for investment, said Mitchell, adding that three of the firm’s top five investments from its 2016 fund were sourced through Motherbrain. The firm, with investments that include Wolt, Handshake and Netlify, also recently promoted Henrik Landgren, who specifically oversees Motherbrain and previously built Spotify’s global analytics team, to partner. While EQT Ventures is a separate set of funds from the private-equity firm EQT, Mitchell said the more traditional investment firm also has used Motherbrain to analyse growth fund opportunities; illustrating that the use of AI is moving beyond just venture.

AI not just to invest

However, AI uses for firms stretch beyond just investing. SignalFire looks at four stages of successful investing: sourcing, diligence, placing the investment, and adding value to that company once it is in the portfolio, Kirnos said.

SignalFire, which usually invests in seed or early-growth rounds, uses its AI platform in all four phases.

“It has differentiated us,” said Kirnos, who was a software engineer at Google before co-founding SignalFire.

While SignalFire uses AI to help source and do its diligence before investing in companies, the company also uses its proprietary platform to help its portfolio companies grow by analyzing and researching their markets, recruiting talent and creating business strategies. The firm uses its platform to track more than 2 million data sources and half a trillion data to help tell a company everything from how to differentiate itself to how to price its product.

Kirnos said he also looks at his firm as a tech startup, one that has used AI to now invest in nearly 100 companies, including the likes of Grammarly and Ro, formerly Roman Health.

“We have companies in our portfolio that could be public companies,” he said.

COVID and the digital transformation of investing
Nearly every tech executive and investor talks of how the COVID-19 pandemic has caused a “digital transformation” in all sectors and areas of work.

That may apply to investing too, Kirnos said.

“Companies are remote now with COVID,” he said “The stuff you track is more widely dispersed.”

Kirnos said the days of hiring a graduate from Stanford University to go out to talk to people about the next big thing in tech are at least temporarily paused due to the pandemic.

“You have to use data, you have to use systems,” Kirnos said.

With SignalFire having about $1 billion under management and EQT Ventures investing from its second $700 million fund, other investors may eye the returns on that money to see if AI is something they should not just invest in, but also use.

“No doubt as we are successful, there will be imitation,” Kirnos said.

Collected
Source-- https://news.crunchbase.com/news/venture-investors-ai-deal-sourcing/?utm_source=cb_weekend&utm_medium=email&utm_campaign=20201226

44
How data analytics helps in making strategic investment decisions across geographies

Silicon Valley based global early-stage venture capital firm, Rocketship.vc has more than 44 investments across India, Southeast Asia, Latin America, Europe and North America. Sailesh Ramakrishnan, Partner, Rocketship.vc shares how the firm is pioneering the use of data in making investment decisions, with smart algorithm tracking companies globally using a series of metrics to indicate the probability that a startup will be successful.

How are you using data and algorithms for making investment decisions ?


Rocketship.vc has a unique approach to investment that sets it apart from its peers. Our team uses machine learning and data science to identify and invest in startups around the world. Our smart algorithm tracks companies globally using a series of metrics to indicate the probability that a startup will be successful. We look at metrics such as proven market demand, scalability, traction, customer success, as well as data from sources like social media and Crunchbase to get a better understanding of where the company fits into the ecosystem. Once our models point us to an opportunity, our team of data scientists will evaluate further and make the call if we will pursue and reach out to the startup.

Please share with us information about your tech startup database. Also, how are you spotting early global trends in this space?

Being the first investor to spot an emerging industry or startup can be hard to do. However, our comprehensive database gives us an advantage to spot trends globally, even where we don’t have a local network. We are also all data scientists by trade so we are comfortable evaluating technology and having a sense for its impact potential from the start. This hybrid approach of utilising both data science and human evaluation allows us to spot early global trends.

Which tech segments in India have seen the maximum investment from you post the Covid crisis?

The pandemic has brought increased focus on two areas in India: Healthcare and Education. We see major opportunities here from online vernacular education to telemedicine, online pharmacies to support and mental health. Indian tech companies play a significant role in molding these trends. Our plan is to continue to focus on how India can overcome some of these challenges as the next generation of global category leading companies are built there.

Has data analysis been a driving factor for these investments?

Yes, we definitely follow our data to find really promising companies and new markets to invest in.

Your perspective of data investment in VC funding. How will this impact fundings for Indian tech startups?

We have had conversations with other VCs and they ask us how Rocketship.vc is writing checks during a time like this, where it is almost impossible to travel and meet founders face-to-face. Even before the pandemic, we have always made investments by relying on Zoom, Skype and WhatsApp meetings with founders, and it enabled us to continue operating and investing in the present scenario without breaking a stride. We’re proud of our investment model which removes a lot of the bias around gender, race and personal founder networks and instead focuses on the merits of the startup and the problems they solve. We envision that more VCs will follow suit and leverage data to make investment decisions.

In which sectors do you foresee Indian tech startups making many pioneering achievements?

Amid the pandemic the Indian tech ecosystem has made great advancements in pioneering services and products. B2B has been grabbing a lot of our attention. We see a large scope for significant changes in the B2B space as consumer innovations make deep inroads into businesses creating software infrastructure from accounting to logistics to supply chains, that will allow them to reduce costs and become globally competitive.

Your investment plans for this market in the near future.

While we invest in category defining outliers in all verticals, we are currently seeing great companies being built in cloud-based collaboration and B2B tech. Both areas have been spiking and coming on our screen more than other sectors. While we cannot share specific companies yet, those industries are grabbing our attention and are sectors we are excited about.

Collected
Source--https://www.expresscomputer.in/exclusives/how-data-analytics-helps-in-making-strategic-investment-decisions-across-geographies/70961/

45
A Baltimore fashion designer is looking to revive the city's garment industry, and is getting ready to run 200 miles to raise money to support her efforts.

Stacy Stube, the designer behind the Elsa Fitzgerald dress brand, has spearheaded various efforts to create a new thriving hub of fashion-oriented businesses in Baltimore. She has served as the fashion entrepreneur in residence at the University of Baltimore's Center for Entrepreneurship and Innovation, where she launched programming to help provide business training and support for local fashion makers. She is also behind SEW BROMO, an online fashion school that provides educational content and skills trainings for budding business owners.

Now, she is looking to take over space in an abandoned garment factory inside the 1100 Wicomico building in Pigtown, and plotting a pilot to bring entrepreneurs and industry experts together to help grow a new generation of fashion businesses.

The SEW BROMO - Fashion Innovation Hub will support startups by providing education and small-batch production support. Stube hopes the space can serve as a small factory operation, where local and global fashion entrepreneurs can learn about garment manufacturing from the digital space.

The hub will provide fashion entrepreneurs with ample space, tools and support as they navigate everything from learning traditional garment-making skills, to crowdfunding to support production, to online marketing and sales. Stube hopes to get the operation up and running in January. But she will need some funding help to do it.

Stube is turning to crowdfunding to raise the money needed. She has launched a campaign on GoFundMe with a goal of $100,000. In conjunction with the fundraising effort, Stube has committed to run a total of 200 miles around Baltimore's harbor over the course of a week, to help raise awareness and support of her efforts to launch the new factory. She will start her run at Federal Hill on Dec. 31 at 4 a.m.

The $100,000 she hopes to raise will cover about six months worth expenses, including rent and utilities, as well as the costs of buying new machines, cutting tools and more needed to kick off the factory pilot, Stube said.

Local fashion designer Stacy Stube is spearheading an effort to set up a new fashion innovation hub in Pigtown.
Enlarge
Local fashion designer Stacy Stube is spearheading an effort to set up a new fashion innovation hub in Pigtown.
STACY STUBE

Stube has had a long career working in the luxury fashion sector in the U.S., Europe and Southeast Asia. In Baltimore, she previously worked as the head of innovation at Fashions Unlimited, the last remaining garment factory from the original Baltimore industry. She came to recognize the value of increasing awareness about the factory environment, and the need to find new approaches to building successful garment businesses that can keep the industry alive.

"We have to create our own new jobs in fashion. Entrepreneurs have to be the ones to take that first step forward," Stube said. "I think we're ready for this new chapter of industry."

In her work with UB and SEW BROMO, Stube interacted with many entrepreneurs who benefitted from the educational programming about the fashion industry, its history, and the various skills involved. She realized that the students who came out of those programs needed space to develop their own products and businesses, and hopes that's what the new SEW BROMO - Fashion Innovation Hub can provide.

Stube had previously intended to set up a mini-factory operation inside Lexington Market, but said the Wicomico space provided a better fit for the project. Because the fourth floor of the building was previously home to a garment factory, it is already equipped to handle a small batch production and distribution operation. The building is also already home to other startup and manufacturing operations that support local entrepreneurs, such as Harbor Designs and Manufacturing LLC and Early Charm Ventures.

Collected
Source--https://www.bizjournals.com/baltimore/news/2020/12/24/fashion-innovation-operation-moving-into-pigtown.html

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 43