Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Zakaria Khan

Pages: [1] 2 3 ... 22
1
কুরআন দিয়ে আপনার হৃদয় নিরাময় করুন, এটি এমন একটি ওষুধ যা শেষ হয় না। এটি চাপ, উদ্বেগ হতাশা এবং দুঃখ যা-ই হোক না কেন হৃদয় থেকে সরিয়ে দেয়।

সর্বদা আপনি কোরআনের সাথে আপনার সম্পর্ক জোরদার করুন , এবং দৈনিক কুরআন পড়ার জন্য আন্তরিক চেষ্টা করুন।

নিঃসন্দেহে এই পবিত্র কুরআন আপনাকে পৃথিবীতে সেরা মোটিভেশন ও অনুপ্রেরণা দিতে সক্ষম হবে।

দৈনিক কম-করে হলেও কোরআনের একটি আয়াত হলেও অর্থসহ বুঝার জন্য আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করুন।

আপনি যখন ফজরের নামাজের পরে এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আপনি আপনার দিনটি শুরু করেছেন ...

আপনার পুরো দিনটি একদম ভাল সুন্দর ও দুর্দান্ত হয়ে উঠবে ..
মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে নামাজ ও পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত দিয়ে আমাদের দিনটি শুরু করার তৌফিক দান করুন আমীন ....

2
History / Re: History of Muslim'S
« on: July 24, 2021, 11:04:56 AM »
একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে দুরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে বেড়ায়।

স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো পানি,
আপনি দুইটা এক সাথে মিশিয়ে ইচ্ছে মতো আকৃতি দিতে পারবেন।
" আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেন না, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুসকা খান।

"" আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ি কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রী কে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান।

""" পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে, যদি আপনি আপনার স্ত্রী কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, এবং বলেন সারাদিন অনেক করেছো।

"" ভালোবাসা শুধু দামী জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে না।।
"" মাঝে মধ্যে ভালোবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ২৫ টাকা দামের কাচের চুড়ি মধ্যে ও লুকিয়ে থাকে।
"" সাথে একটু শেয়ার এবং কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, জান্নাত হয়।

3
মাসয়ালা :
১. সামর্থ থাকলে দ্বিতীয় বিয়ে করা জায়েয৷ চারজন পর্যন্ত স্ত্রী একসাথে বিবাহবন্ধনে রাখা বৈধ৷ তবে সকলের মাঝে সমতা রক্ষা আবশ্যক। (সূরা নিসা-৩)
২. বিধবা মহিলাকে বিয়ে করা নবীর সুন্নত। আয়েশা রা. ছাড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সকল স্ত্রী বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। কুরআনে এ ধরণের মহিলাকে বিয়ে, সহযোগিতা, সদাচারণ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে৷ অভিভাবককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন এমন নারীকে পুনরায় বিয়ে করতে বাঁধা না দেয়৷ (সূরা বাকারা-২৩৪, সূরা নিসা: ১৯)
৩. আন্দোলন, যুদ্ধ-বিগ্রহ বা কোন বেদনার বিষয় সামনে আসার কারণে স্ত্রীসঙ্গ থেকে দূরে থাকা ইসলামের শিক্ষা না। বরং এরূপ করা কাফেরদের কাজ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ থেকে ফিরে মসজিদে দু রাকাত নামায পড়তেন। তারপর ঘরে যেতেন।
আওতাসের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে তিনদিনের জন্য নিকাহে মুতআর অনুমতি দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিদায় হজ্বের সময় তিনি মুতআ বিয়েকে চিরদিনের জন্য হারাম ঘোষণা করেন৷ (সহীহ মুসলিম- ১৪০৫)
৪. দ্বিতীয় বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি জরুরি না। তবে সাংসারিক মনোমালিন্য যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রথম স্ত্রীকে জানানো উচিৎ। (ফতোয়া লাজনাতিত দায়ীমাহ লিল বুহুসিল ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা- ১৯/৫৩)
৫. শরঈভাবে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য দুজন সাক্ষীর সামনে বিয়ের উপযুক্ত স্বামী স্ত্রীর প্রস্তাব সম্মতিই যথেষ্ট। মোহরের উল্লেখ না থাকলেও বিয়ে হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে মেয়ের সমপর্যায়ের অন্যান্য মহিলাদের মোহর পরিমাণ টাকা/আসবাব/অলঙ্কার স্ত্রীকে মোহর হিসেবে দিতে হবে। (আল মুহীতুল বুরহানী- ৩/৫৬)
৬. কাবিননামা একটা ডকুমেন্ট মাত্র। শরঈ বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য কাবিননামা জরুরি না। (রদ্দুল মুহতার- ৩/৯)
৭. কোন সৎ নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া জঘণ্যতম অপরাধ। ইসলামী আইন অনুযায়ী কেউ যদি কোন মহিলাকে যিনার অপবাদ দেয়, তাহলে যিনা করতে দেখেছে এমন চারজন সাক্ষী তার কাছে তলব করা হবে। চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারলে বা তিনজন সাক্ষী হলে তাদের সবাইকে ৮০টি করে চাবুকাঘাত করতে হবে।
শরীয়তে তারা ফাসেক বলে বিবেচিত হবে। তওবার আগ পর্যন্ত তাদের অন্য কোন সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

4
ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামত দিবসে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার আগপর্যন্ত আদম সন্তানের পদদ্বয় আল্লাহ্ তা'আলার নিকট হতে সরতে পারবে না। তার জীবনকাল সম্পর্কে, কিভাবে অতিবাহিত করেছে? তার যৌবনকাল সম্পর্কে, কি কাজে তা বিনাশ করেছে ; তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে, কোথা হতে তা উপার্জন করেছে এবং তা কি কি খাতে খরচ করেছে এবং সে যত টুকু জ্ঞান অর্জন করেছিল সে মুতাবিক কি কি আমল করেছে।
সহীহ, সহীহাহ্ (৯৪৬) তিরমিযি হাদিস নং 2416

5
History / Re: History of Muslim'S
« on: December 30, 2020, 06:07:20 PM »
#দরিদ্রতা_আসে_সাত_জিনিসের_কারণেঃ-
১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে...!!!
২। দাঁড়িয়ে পশ্রাব করার কারণে...!!!
৩। পশ্রাবের জায়গায় অজু করার কারণে...!!!
৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে...!!!
৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে...!!!
৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে...!!!
৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে!
#সচ্ছলতা_আসে_সাত_জিনিসের_কারণেঃ-
১। কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে।
২।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে।
৩। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার কারণে।
৪। দরিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্য করার কারণে।
৫। গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে।
৬। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সদাচরণ করার কারণে।
৭। সকালে সূরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করার কারণে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তওফিক দান করুন
——আমিন....!!!

6
History / Re: History of Muslim'S
« on: December 24, 2020, 12:43:38 PM »
 কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক!!! ♥
"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না।
" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।
- সুবহানাল্লাহ❤

7
History / Re: History of Muslim'S
« on: December 14, 2020, 03:44:46 PM »

অনেক অনেক দিন আগে, এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।
মাঝ পথে বাবা তার ছেলেকে বললেন, "তুমি কাফেলার সাথে চলে যাও,আমি আমার প্রয়োজন সেরেই তোমাদের সাথে আবার যোগ দিব আমাকে নিয়ে ভয় পেয়োনা। "
এই বলে বাবা নেমে পড়লো  উটের পিঠ থেকে, ছেলেও চলতে লাগলো কাফেলার সাথে, কিছুক্ষন পর  সন্ধ্যা হয়ে এলো। ছেলে  আশে পাশে কোথাও বাবাকে খুঁজে পেলো না।
সে ভয়ে উটের পিঠ থেকে নেমে উল্টো পথে হাটা শুরু করলো।অনেক দূর যাওয়ার পর সে দেখলো তার বৃদ্ধ বাবা অন্ধকারে পথ হারিয়ে বসে আছেন।
ছেলে দৌড়ে বাবার কাছে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরলো। আদর করে বাবাকে নিজ কাঁধে চড়ালো। তারপর আবার কাফেলার দিকে হাঁটা শুরু করলো।
তখন বাবা বললেনঃ"আমাকে নামিয়ে দেও, আমি হেঁটেই যেতে পারবো।"
ছেলে বললোঃ"বাবা আমার সমস্যা হচ্ছে না,তোমার ভার ও খোদার জিম্মাদারি আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে উত্তম।" এমন সময় বাবা কেঁদে ফেললেন ও ছেলের মুখের ওপর  বাবার চোখের পানি গড়িয়ে পড়লো।
ছেলে বললোঃ"বাবা কাঁদছো কেন?বললাম না আমার কষ্ট হচ্ছে না।"
বাবা বললেনঃ আমি সেজন্য কাঁদছি না। কাঁদছি কারণ আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে ঠিক এভাবেই আমি রাস্তা দিয়ে আমার বাবাকে কাধে করে নিয়ে গিয়েছিলাম, আর আমার বাবা আমার জন্য এই বলে দোয়া করেছিলেন যে,"তোমার সন্তানও তোমাকে এরকম করে ভালোবাসবে।আজ বাবার দোয়ার বাস্তব রূপ দেখে  চোখে পানি এসে গেলো। "
বৃদ্ধ মা বাবাকে আপনি যেমন করে ভালোবাসবেন, ঠিক
তেমনটাই আপনি ফেরত পাবেন আপনার  সন্তানের মাধ্যমে!তাই বলছি, নিজের সুখের জন্য হলেও মা বাবার সেবাযত্ন করুন এবং তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া করুন।
"রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগীরা"
©

8

রাসূল (সা:) বলেছেন, খেজুরের এক টুকরো দান করে হলেও জাহান্নাম থেকে  আত্মরক্ষা কর। যদি সেইটুকু সামর্থ্যও না থাকে, তবে ভালো কথার মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষা কর।"
[বুখারী : খন্ড-১, ১৯০, খন্ড-২, ৮৯০]

9
 আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : পূর্ব ও পশ্চিম দিকে মুখ ফিরানোর মধ্যে নেক আমল বা সৎকাজ সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রকৃত সৎকর্ম পরায়ণ তারাই, যারা ঈমান আনয়ন করে আল্লাহ, আখেরাত, ফিরিশ্তা, আসমানী কিতাব ও নবীগণের প্রতি। আর আল্লাহর মহব্বতের প্রেরণার মাল-সম্পদ খরচ করে নিকটাত্মীয় ইয়াতীম, মিসকীন, অসহায় পথিক, অভাবীলোকজন এবং ক্রীতদাসদের মুক্তির জন্যে। আর তারা নামাজ কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং অঙ্গীকার পুরণ করে। আর সবর ও ধৈর্য ধারণ করে বিপদ-আপদে ও যুদ্ধের ময়দানে। তারাই প্রকৃত ঈমানদার এবং তারাই সত্যিকারের মুত্তাকী ও পরহেজগার। (সূরা আল বাকারাহ : আয়াত ১৭৭)।

10
Health & Medication / করোনাভাইরাস/COVID-19
« on: November 25, 2020, 03:36:59 PM »
করোনাভাইরাস/COVID-19 নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট(আইইডিসিআর), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কিছু উপদেশ দিয়েছে যা আমাদের মেনে চলা উচিত।

করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ পরামর্শ

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নোভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পাঁচ ধরনের পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যা করণীয়

ভালোভাবে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে
হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ না করা
হাঁচি–কাশি দেওয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা
অসুস্থ পশু বা পাখির সংস্পর্শে না আসা
মাছ, মাংস ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া
যেভাবে করোনাভাইরাস ছড়ায়

আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি–কাশির মাধ্যমে
আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে ছড়ায়
পশু, পাখি বা গবাদিপশুর মাধ্যমে ছড়ায়
করোনাভাইরাস

করোনা একধরনের সংক্রামক ভাইরাস। ভাইরাসটি পশু-পাখি থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকে। পৃথিবীর শতাধিক দেশে বর্তমানে (মার্স ও সার্স সমগোত্রীয় করোনাভাইরাস) এর সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। কেউ যদি এসব দেশ ভ্রমণ করে থাকেন এবং ফিরে আসার ১৪ দিনের মধ্যে জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকে, গলাব্যথা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, তাহলে তাঁর করোনাভাইরাসে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে। তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

11
সালাতের ইহকালীন ও পরকালীন কতিপয় উপকারিতা, ফলাফল ও ফযীলত
১। সালাত হিফাযত বা সংরক্ষণকারীর জন্য আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হলো যে, তিনি তাকে জান্নাত দান করবেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ বান্দার ওপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন, যে তা হিফাযত করল তার জন্য আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হলো যে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন...।” (আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)

২। যে ব্যক্তি সালাতের হিফাযত করল তার জন্য সালাত জ্যোতি ও প্রমাণ হবে: অর্থাৎ সালাত তার ঈমানের দলীল হবে এবং কিয়ামতের দিন জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের কারণ হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে সালাতের হিফাযত করল সালাত তার জন্য জ্যোতি, প্রমাণ ও কিয়ামতের দিন মুক্তির কারণ হবে।” (ইতোপূর্বে পূর্ণ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে)

৩। সালাত বান্দা ও তার প্রতিপালকের মধ্যে সম্পর্ক গড়ার মাধ্যম: আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
“আর সাজদাহ কর ও (আমার) নিকটবর্তী হও।” [সূরা আল-‘আলাক, আয়াত: ১৯]

অর্থাৎ আল্লাহর উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং সমস্ত সৎ কাজের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভ কর, আর সৎ কাজের মধ্যে আল্লাহর জন্য সাজদাহ হচ্ছে সবচেয়ে বড়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “বান্দা স্বীয় রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় সাজদাহ অবস্থায়। অতএব, তোমরা সাজদায় বেশি-বেশি দো‘আ কর।” (সহীহ মুসলিম ও নাসাঈ)
 দেখুন সালাতই হচ্ছে আপনার ও আল্লাহর মাঝে সম্পর্ক গড়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। অতএব, আপনি যদি চান তবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে (সালাতের মাধ্যমে) বেশি-বেশি সাজদাহ ও রুকুর মাধ্যমে এ সম্পর্ক বৃদ্ধি করুন। এ জন্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে বেশি-বেশি দো‘আ করার ওসীয়ত করেছেন।

 সালাত সর্বোত্তম আমলের অন্তর্ভুক্ত: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন: সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বলেন, “সময়মত সালাত আদায় করা”। আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ বলেন, তারপর কোনটি? তিনি বলেন, “পিতা-মাতার সাথে সৎ ব্যবহার করা”। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ বলেন, আমি বললাম: তারপর কী? তিনি বললেন: “আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।” (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

12
১০ জিনিস যেটা কখনোই আপনার সন্তানের সাথে করা উচিৎ নয়
১.চিল্লাচিল্লি করা
অনেকে বলেন যে এটি শারিরীক ভাবে আঘাত করার চাইতেও ক্ষতিকর কারণ এটি অন্তরে একটা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি করে।রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কখনোই কোন বাচ্চার সাথে জোরে কথা বলেন নি এমনকি কোন নারী,কোন বন্ধু বা কারো সাথেই এমনটি করেন নি।
২.দোষ দেওয়া
এটি সম্পর্কের গভীরতা কমিয়ে দেয়,আত্মমর্যাদা কমিয়ে দেয় এবং বাচ্চাকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যায় যখন বাচ্চা দোষ করুক বা না করুক নিজেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে
আনাস ইবন মালিক(রাঃ) যখন ১০ বছর বয়স তখন বলেন"আমি ৯ বছর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর খেদমত করেছি।আমি কিছু করলে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কখনোই বলেন নি আমি কেন এটা করেছি বা কিছু না করলে কখনোই এটা বলেন নি যে আমি কেন এটা করলাম না"
৩.অনবরত আদেশঃ
বাচ্চাকে প্রথমে না বুঝিয়ে আদেশ এবং দিকনির্দেশনা দিলে তা তাঁকে রোবটে পরিণত করে বাড়ন্ত বয়সে যেটা স্বাস্থ্যের জন্য  মোটেও ভাল নয় তাঁরা সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করে অন্ধ অনুকরণ করে
৪.ভীতিপ্রদর্শন
বাচ্ছাদের ভয় প্রদর্শন করা হয় কারণ কোনকিছুতে বাধা দেওয়ার জন্য এটি একটি সহজ উপায় তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী কোন সমাধান নয়।যে কোন আচরণ যেটা ভয়ের কারণে পরিবর্তিত হয় সেই পরিবর্তন  দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
৫.বিদ্রুপ করা
বাচ্চাদের নিয়ে হাসিতামাশা করা ইসলামের গ্রহনযোগ্য নয়।
Surah Al-Hujraat, Verse 11:
মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে।
বাচ্চাদের নিয়ে হাসিতামাশা করলে এটা তাঁদের আত্মমর্যাদায় আঘাত করে।
৬.অভিশাপ দেওয়াঃ
বাচ্চাদের অভিশাপ দিলে তাঁরা অভিশাপ দেওয়া শিখে এবং তাঁরা অন্যান্যদের অভিশাপ দেয় এমনকি তাঁদের আত্মীয়স্বজন,বন্ধু এবং মা বাবাকেও অভিশাপ দেয়।
হাদিসে এসেছে:মুমিন কখনোই কুৎসারটনাকারী নয় ,অভিসম্পাতকারীও নয়,কর্কশআচরনকারী নয়,নোংরা শব্দ/কথা ব্যবহারকারীও নয়।
৭.তুলনা করাঃ
আপনার সন্তানদের কারও সাথে তুলনা করবেন না বিশেষ করে আপনার অন্যান্য সন্তানদের সাথে।তুলনা করা শুধু হিংসা এবং ক্রোধের সৃষ্টি করে।
৮.অনবরত উপদেশ দেওয়াঃ
একটি বাচ্চার মনোযোগ প্রতি বছর ৩ থেকে ৫ মিনিট করে বৃদ্ধি পায় এবং ২ বছরের একটি বাচ্চা নূন্যতম ৬ মিনিট মনোযোগ ধরে রাখতে পারে এবং সদ্য ভর্তি কিন্ডারগার্টেনের একজন বাচ্চা ১৫ মিনিট মনোযোগ ধরে রাখতে পারে।
হাদিসে এসেছেঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) দিনের বেলা আমাদের শিক্ষা দিতেন এবং তিনি ভয় করতেন যে আমরা বিরক্ত হয়ে যেতে পারি।
৯.অবিশ্বাস করাঃ
বাচ্চাদের দ্বিধার সুবিধা না দিলে এটা নিজেদের মধ্যে বিশ্বাসে ফাটল ধরায়, মনখোলে কথা বলা বন্ধ করে দেয় এবং আত্মবিশ্বাসেও ঘাটতি দেখা দেয়।
১০.সংঘাতঃ
বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় বাবা মায়েরা ভালভাবে বাচ্চাদের আচরনগত শিক্ষা না দিয়ে নিজেদের রাগ প্রকাশ করেন।এটা আসলে ব্যথানাশক এর মত কাজ করে তবে এটা হলো সাময়িক সময়ের সমাধান কোন দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নয়।এটা আসলে একটা কাপুরুষোচিত ব্যাক্তিত্ব  তৈরী করে কেউ যদি কিছু না দেখে তাহলে সে ঐ  খারাপ কাজ করতেই থাকবে।
হিসাম আল আওয়াদী children around the prophet বই এর লেখক How Muhammad(s) raised the young companions
-collected

13
সূরা বাকারা-১৫৫
-১৫৫/ আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা, জান-মালের ক্ষতি এবং ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে পরীক্ষা করব । তবে তুমি ধৈর্যশীলদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও ।

14
History / Re: History of Muslim'S
« on: March 15, 2020, 02:07:14 PM »
মহামারী রোগ

(১) কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করা অবস্থায় যুদ্ধের ময়দান হতে যেরূপ পলায়ন করা হারাম অনুরূপ মহামারী স্থান হতে পলায়ন করাও হারামঃ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "প্লেগ রোগ ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার মতোই (গুরুতর অপরাধ)। (কোন স্থানে) প্লেগ ছড়িয়ে পড়লে সেখানেই ধৈর্য ধরে অবস্থানকারী ব্যক্তি শহীদের সাওয়াব পাবে।"

[আহমাদঃ ১৪৮৭৫, হাসান লিগায়রিহী, সিলসিলাহ্ আস্ সহীহাহ্ ১২৯৩, সহীহ আল জামি‘ আস্ সগীর ৪২৭৭।]

(২) মহামারী রোগে মুমিন কিংবা কাফির; যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে ঈমানের উপর নির্ভর করে প্রতিদান ভিন্ন হবেঃ
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্লেগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বললেন, "এটা হচ্ছে একটি আযাব। আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা করেন তাদের উপর তা প্রেরণ করেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মুমিন বান্দাদের উপর তা রহমত করে দিয়েছেন। কোন ব্যক্তি যখন প্লেগ রোগে আক্রান্ত জায়গায় সাওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে অবস্থান করে এবং তার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, আল্লাহ্ তাকদীরে যা লিখে রেখেছেন তাই হবে তাহলে সে একজন শহীদের সমান সওয়াব পাবে।"

[সহীহ বুখারীঃ তাওহীদ প্রকাশনী নম্বর-৩৪৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন নম্বর-৩২২৫।]

15
 হজরত আনাস (রা.) বলেন, যখন রজব মাসের আগমন হতো, তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দু'আ করতেন-

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী- রজাবা ওয়া শা'বান ওয়া বাল্লিগনা রামাদান

- অর্থাৎ 'হে আল্লাহ রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দান করো এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দাও।' (মুসনাদে আহমদ ১/৩৩৯, মেশকাত ১২১, বায়হাকী- শুআবুল ঈমান-৩/৩৭৫)

Pages: [1] 2 3 ... 22