Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Md. Zakaria Khan

Pages: 1 [2] 3 4 ... 7
16
Person / স্টিফেন হকিং আর নেই​
« on: March 14, 2018, 11:24:26 AM »
খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং আর নেই। ৭৬ বছরে বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন এই বিজ্ঞানী। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।

ব্ল্যাক হোল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে আসছিলেন স্টিফেন হকিং। এছাড়াও তিনি তার বিখ্যাত বই 'এ ব্রিফ স্টোরি অব টাইম' এর জন্য অমর হয়ে থাকবেন।

হকিংয়ের সন্তান লুসি, রবার্ট এবং টিম বলেন, 'আমাদের বাবা আচমকাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন মহান বিজ্ঞানী এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন।'

স্টিফেন হকিংয়ের পুরো নাম স্টিভেন উইলিয়াম হকিং। তার জন্ম ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি। বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত ব্যক্তিত্ব তিনি। তাকে বিশ্বের সমকালীন তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

হকিং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ান অধ্যাপক (স্যার আইজ্যাক নিউটনও একসময় এই পদে ছিলেন। ২০০৯ সালে ওই পদ থেকে অবসর নেন তিনি।

এছাড়াও তিনি কেমব্রিজের গনভিলি এবং কেয়াস কলেজের ফেলো হিসাবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে ভীষণরকম অচল ছিলেন। তিনি মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

প্রায় ৪০ বছর ধরে হকিং তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা করেছেন। লিখিত পুস্তক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকে হকিং একাডেমিক জগতে যথেষ্ট খ্যাতিমান হয়ে উঠেছেন।

তিনি রয়েল সোসাইটি অব আর্টসের সম্মানীয় ফেলো। এবং পন্টিফিকাল একাডেমি অব সায়েন্সের আজীবন সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালে তাকে নিয়ে একটি মুভি তৈরি হয়, 'নাম থিওরি অব এভরিথিং'।

বিডি প্রতিদিন/১৪ মার্চ ২০১৮/আরাফাত

17

আদা চায়ের গুণাগুণ অনেক। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আদা চা-ই পারফেক্ট। আদা চায়ের উপকারি গুণের কারণে এর রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যকারী দিক।

আদা চা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শীতে এককাপ আদা চা আমাদের শরীরকে গরম করে আর ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দি কাশি থেকে দূরে রাখে।

সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে এককাপ ধোঁয়া ওঠা আদা চা আপনার ক্লান্তিকে রাখবে দূরে আর করে তুলবে সতেজ।

বমি বমি ভাব হচ্ছে? এক কাপ আদা চা হতে পারে ভালো সমাধান। কোথাও যাওয়ার আগে কয়েক চুমুক আদা চা খান। উপকার পাবেন।

আদা চা হজমশক্তি বাড়ায়। এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমস্যা দূর করে হজমে সাহায্য করে।

এক কাপ আদা চা শরীরের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে শরীরের নানা অংশে রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

শ্বাস নিতে কষ্ট দেখা দিলে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। বেশ উপকারী বন্ধু হিসেবেই কাজ করবে এটি।

বিডি-প্রতিদিন

18
Pain / পায়ের পাতা জ্বলে কেন?
« on: February 28, 2018, 04:36:24 PM »
সমস্যাটি অনেকেরই রয়েছে। এর পেছনে কারণও রয়েছে অনেক। জুতার ফিটিংসের সমস্যা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অসুখ যেমন- ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া হতে পারে। তবে সবচেয়ে সিরিয়াস যে কারণটি, ডাক্তারি ভাষায় তাকে বলে ‘পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি।’ শরীরের দূরবর্তী অংশের নার্ভগুলোতে সমস্যা দেখা দিলে এমনটি হয়। এর পেছনে যে কারণগুলো কাজ করে সেগুলো হলো- ডায়াবেিিটস, অ্যালকোহল আসক্তি, ভিটামিনের অভাব, লেড পয়জনিং ইত্যাদি। ইরাইথ্রোমেলাজিয়া নামক এক ধরনের অসুখে হাত এবং পায়ের পাতায় রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। তখন এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। অ্যাথলেটদের এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে যদি জুতার ফিটিংয়ে কোনো সমস্যা থাকে। এ ক্ষেত্রে জুতা বদলালেই সমস্যার সমাধান। তবে যে কোনো ক্ষেত্রে সমস্যা অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছানোর আগেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

19
লাল শাকের যত পুষ্টিগুন ও উপকারিতা

গবেষণায় দেখা গেছে লাল শাকের শরীরে এমন কিছু উপকারি উপদান রয়েছে, যা ৩০ বছর বয়স এর পর থেকে শরীরের ভাঙন আটকানোর পাশাপাশি একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এমনকি সাপের বিষের তেজও কমায় এই শাক! তাই তো প্রতিদিন যদি এই শাকটি খাওয়া যায়, তাহলে আয়ু তো বাড়েই, সেই সঙ্গে সুস্থ জীবনের পথ অনেকাংশেই প্রশস্ত হয়। লাল শাক খেলে সাধারণত যে উপকারগুলো পাওয়া যায় তা দেখে নিন এক নজরে...

১. হজম শক্তি বাড়ে
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপও হ্রাস পায়।

২. কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটে
একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমে।

৩. অ্যানিমিয়ার চিকিৎসায় কাজে লাগে
“লাল শাক খেলে রক্ত বাড়ে শরীরে”- এই কথাটা নিশ্চয় আপনিও ছোট বেলায় শুনেছেন? হ্যাঁ শুনেছি তো! কিন্তু পাতা থেকে কীভাবে রক্ত তৈরি হয়, তা যদিও আজ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারিনি! আসলে পাতা থেকে রক্ত তৈরি হয় না।

বরং লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো অ্যানিমিয়া রোগীদের এই শাকটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, ২ আঁটি লাল শাককে পিষে রস সংগ্রহ করে তার সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে যদি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে শরীরে কখনও রক্তের অভাব হবে না।

৪. দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে
লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়। সেই সঙ্গে পোকা লাগা সহ মাড়ি এবং দাঁত সম্পর্কিত নানাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

৫. চুল পড়া কমে
এক আঁটি লাল শাক ভাল করে বেটে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর তাতে ১ চামচ লবণ মিশিয়ে ভাল করে নাড়ান। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ঠিক মতো মিশে গেছে, তখন মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে চুল পড়ার হার অনেক কমবে।

৬. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন সি রেটিনার ক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা চোখে কম দেখেন বা পরিবারে গ্লুকোমার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই লাল শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই উপকার পাবেন।

৭. সাপের বিষের তেজ কমায়
এই বিষয়টি নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে ঠিকই, তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর দেখা গেছে সাপ বা কোনও সরিসৃপ কামড়ানোর পর যদি ক্ষতস্থানে লাল শাক বেঁটে লাগানো যায়, তাহলে বিষের প্রভাব অনেকটাই কমে। সেই সঙ্গে একাধিক অঙ্গের উপর বিষের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৮. ক্যান্সারকে দূরে রাখে
লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার কোষ যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধার কোনও সুযোগ পায় না।

৯. জ্বরের প্রকোপ কমায়
ওয়েদার চেঞ্জের কারণে যারা জ্বরে ভুগছেন, তারা এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নিতে পারেন। এক্ষেত্রে একটা পাত্রে পরিমাণ মতো পানি নিয়ে তাতে এক মুঠো লাল শাক ফেলে দিন। তারপর পানিটা ফোটাতে শুরু করুন। যখন দেখবেন ফুটতে ফুটতে পানির পরিমাণ অর্ধেক হয়ে গেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে দিন। এরপর পানিটা ঠাণ্ডা করে সেটা পান করুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন জ্বর দে ছুট লাগিয়েছে।

(সংগৃহিত)

20
জুম'আর দিন এর করণীয়সমূহ
======================
১) জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল (সাঃ) ওয়াজিব করেছেন (বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০, ৮৯৭, ৮৯৮)। পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ।

২) জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা। (বুখারীঃ ৮৮০)

৩) মিস্ওয়াক করা। (ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮, বুখারীঃ৮৮৭, ইঃফাঃ৮৪৩)

৪) গায়ে তেল ব্যবহার করা। (বুখারীঃ৮৮৩)

৫) উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা। (ইবনে মাজাহঃ১০৯৭)

৬) মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা। (তিরমিযীঃ৫০৯, ইবনে মাজাহঃ১১৩৬)

৭) মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব। (বুখারীঃ ৯৩৪, মুসলিমঃ৮৫৭, আবু দাউদঃ১১১৩, আহমাদঃ১/২৩০)

৮) আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারীঃ৮৮১, মুসলিমঃ৮৫০)

৯) পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন। (আবু দাউদঃ ৩৪৫)

১০) জুম’আর দিন ফজরের নামাজে ১ম রাক’আতে সূরা সাজদা (সূরা নং-৩২) আর ২য় রাকা’আতে সূরা ইনসান(দাহর)(সূরা নং-৭৬) পড়া। (বুখারীঃ৮৯১, মুসলিমঃ৮৭৯)

১১) সূরা জুম’আ ও সূরা মুনাফিকুন দিয়ে জুম’আর সালাত আদায় করা। অথবা সূরা আলা ও সূরা গাশিয়া দিয়ে জুম’আ আদায় করা। (মুসলিমঃ৮৭৭, ৮৭৮)

১২) জুম’আর দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ। (আবু দাউদঃ ১০৪৭)

১৩) এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।। (বুখারীঃ ৯৩৫)

21

পাইলসে ভুগছেন!!তবে সারিয়ে তুলুন এক নিমিষেই??
পাইলস বা হেমোরয়েড খুব পরিচিত একটি রোগ। প্রায় ঘরে এই রোগ হতে দেখা দেয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫% মানুষ এই রোগে ভুগে থাকেন।
বিশেষত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষেরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। বর্তমান সময়ে সব বয়সী মানুষের এই রোগ হতে দেখা দেয়। মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ সমস্যা।
পারিবারিক ইতিহাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, শারীরিক কার্যকলাপ, গর্ভাবস্থায়, এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দেয়।
সাধারণত ওষুধ, অপারেশন পাইলসের চিকিৎসা হয়ে থাকে। এর সাথে কিছু ঘরোয়া উপায় এই সমস্যা সমাধান করা যায়।
১। বরফ ঘরোয়া উপায়ে পাইলস নিরাময় করার অন্যতম উপায় হল বরফ। এটি রক্তনালী রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে দেয়। একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন।
২। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে।
এটি দিনে কয়েকবার করুন। অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের জন্য এক চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুইবার পান করুন। এরসাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।
৩। অ্যালোভেরা বাহ্যিক হেমোরয়েডের জন্য অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে।
আভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা পাতার কাঁটার অংশ কেটে জেল অংশটুকু একটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এবার এই ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেলের টুকরো ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি জ্বালাপোড়া, ব্যথা, চুলকানি দূর করে দেবে।
Source internet

22
History / History of Muslim'S
« on: August 08, 2017, 04:43:45 PM »
দুঃখের সাথেই রয়েছে সুখ
إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
অবশ্যই দুঃখের সাথে সুখ আছে।” (৯৪-সূরা আল ইনশিরাহ: আয়াত ৬)
আহার করার পর পুনরায় ক্ষুধা লাগে, পান করার পর পুনরায় পিপাসা জাগে। অস্থিরতার পর ঘুম আসে। অসুস্থতার পর সুস্থতা আসে, পথ হারার পর পথ খুঁজে পাবে আর রাতের পর দিন আসবে এটাই নিয়ম।
"সম্ভবত আল্লাহ বিজয় ঘটাবেন অথবা তার ইচ্ছানুযায়ী কোন সিদ্ধান্ত নিবেন।" (সূরা-৫ মায়িদা: আয়াত-৫২)
অন্ধকার রাত্রিতে এক আলোকিত সুপ্রভাতের আগমনের সংবাদ জানাও, যে প্রভাতের আলো পাহাড় ও উপত্যকাসমূহে ছড়িয়ে পড়বে। দুঃখ-পীড়িতদেরকে এমন ত্বরিত প্রশান্তির শুভসংবাদ দাও যা নাকি তাদের কাছে আলোর গতিতে বা একপলকে পৌঁছে যাবে, যদিও বা আপনি মরুভূমিকে মাইলকে মাইল বিস্তৃত দেখছেন, তবুও জেনে রাখুন যে, এই দূরত্বের পরেও পর্যাপ্ত পরিমাণ ছায়াঘেরা অনেক সবুজ অবারিত মাঠ রয়েছে।
আপনি যদি দেখেন যে, রশি শুধু কষছে আর কষছেই তবে জেনে রাখুন যে, এটা অচিরেই পটু করে ছিড়ে যাবে। কান্নার পর হাসি, ভয়ের পর সান্ত্বনা এবং উদ্বিগ্নতার পর প্রশান্তি আসে। যখন ইব্রাহীম (আঃ)-কে আগুনে ফেলা হল তখন তার প্রভুর সাহায্য পাওয়ার কারণে তিনি আগুনের তাপ অনুভব করেননি।
قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ
“আমি (আল্লাহ) বললাম: হে আগুন! তুমি ইব্রাহীমের জন্য শীতলতা প্রদানকারী ও নিরাপত্তা দানকারী হয়ে যাও।” (২১-সূরা আল আম্বিয়া: আয়াত-৬৯)
সাগরতো মূসা (আঃ)-কে ডুবাতে পারেনি; কেননা, তিনি অত্যন্ত আত্মপ্রত্যয়ী দৃঢ় ও সৎভাবে বলেছিলেন-
كَلَّا إِنَّ مَعِيَ رَبِّي سَيَهْدِينِ
“কখনও নয়; নিশ্চয় আমার সাথে আমার প্রভু আছেন, তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।” (২৬-সূরা আশ শোয়ারা: আয়াত-৬২)
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর (রাঃ)-কে গুহাতে বলেছিলেন যে, আল্লাহ তাদের সাথে আছেন, তারপর তাদের উপর শান্তি ও প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়েছিল।
যারা দুর্দিনের শিকার তারাতো শুধু দুর্দশা ও দুর্ভাগ্যই দেখে। এর কারণ এই যে, তারা কেবল ঘরের দেয়াল ও দরজাই দেখতে পায়, যখন নাকি তাদের সামনে যে বাধার প্রাচীরসমূহ আছে সেগুলোর বাইরে তাদের তাকানো উচিত।
অতএব, হতাশ হবেন না; অবস্থা একই রকম থাকা অসম্ভব। দিনগুলো ও বছরগুলো পালা করে ঘুরে ঘুরে আসে, ভবিষ্যৎ অদৃশ্য আর প্রতিদিনই আল্লাহ্ তায়ালার কিছু কাজ করার থাকে। আপনি তো এটা জানেন না, তবে এমনটা হতে পারে যে, আল্লাহ তায়ালা পরবর্তীতে নতুন কিছু আনবেন। আর অবশ্যই, কষ্টের সাথে আরাম আছে।

23
ফিরে আসছে সোনালী আঁশের সুদিন
পাটকে বলা হত সোনালী আঁশ। এই পাটই ছিল এক সময়ের বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য। পাটজাত দ্রব্যই ছিল এদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস। পাটের গুরুত্ব অনুধাবন করে পাট সম্বন্ধে যাতে সবাই জানতে পারে সেজন্য পাটকে পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। আজ থেকে পনেরো বছর আগেও যিনি অন্তত পক্ষে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত অধ্যয়ন করেছে তিনি অবশ্যই পাট সম্পর্কে অধ্যয়ন করেছে। পাট সম্পর্কে একাধিকার রচনা মুখস্ত করেনি এমন ছাত্র তখন বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যেত না। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাটশিল্পের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখনো এই শিল্পে প্রায় ঢেড়লক্ষ মানুষ কর্মরত আছে। এক সময় বিশ্ব পাট বাজারের সিংহভাগই বাংলাদেশ পূরণ করত। এখানকার জমি পাট চাষের জন্য উপযোগী বিধায় এ অঞ্চলেই পাট চাষ বিকাশ লাভ করেছিল এবং এখানেই গড়ে ওঠেছিল বড় বড় পাটকল। এ অঞ্চল থেকেই উৎপাদিত পাটই সারা বিশ্বে রপ্তানি হত এবং বিশ্ববাজারের পাটের চাহিদা পূরণ করত।   সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে ১৭৭টি পাটকল রয়েছে। তন্মধ্যে সরকারি মালিকানায় ২৭টি এবং বেসরকারি মালিকানায় ১৫০টি। পাটকলগুলো মূলত দু’ধরনের। একটি হচ্ছে প্রচলিত পণ্য উৎপাদনকারী অর্থাৎ কনভেনশনাল পাটকল, যেগুলো পাটের বস্তা, হেসিয়ান ও সিবিসি উৎপাদন করে থাকে। অপরগুলো হচ্ছে পাটসুতা উৎপাদনকারী পাটকল, যেগুলো পাটসুতা উৎপাদন করে থাকে।   
 বর্তমানে রপ্তানির পরিমাণ আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কাঁচা পাট রপ্তানি ৬০ শতাংশ বেড়েছে। এটা অবশ্যই আমাদের পাট শিল্পের জন্য সুখবর। জুট স্পিনার্স এসোশিয়েশনের তথ্য মতে দেশের ৭৭টি পাটকলে প্রায় পাঁচ লাখ টন সুতা উৎপাদিত হয়, যার ৭০ শতাংশ রপ্তানি হয় এবং বাকি ৩০ শতাংশ দেশে ব্যবহৃত হয়। 
যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে এদেশের পাট শিল্পের উন্নতি সাধন করতে হবে এবং এর সুদিন ফিরিয়ে আনতে হবে। আর এটা সম্ভব। কারণ বিশ্বব্যাপী পাটজাত পণ্যের এখনো বিশাল বাজার রয়েছে। পাটজাত দ্রব্য পরিবেশবান্ধব বিধায় এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে এর ব্যবহার আরো বাড়বে। সুতরাং পাটজাত পণ্যের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল এবং একই সাথে পাট শিল্পের ভবিষ্যৎও উজ্জ্বল। তাই পাট শিল্পের উন্নয়নে সরকারি উদ্দ্যোগে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং সাথে সাথে বেসরকারি উদ্দ্যোগের সমন্বয় ঘটাতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০ বাস্তবায়ন করেছে। ফলে দেশীয় বাজারে পাটের বস্তার চাহিদা ৩০% বেড়েছে। আগে বছরে সাড়ে তিন কোটি পাটের বস্তার চাহিদা থাকলেও এখন তা সাড়ে চার কোটিতে উন্নীত হয়েছে। চলতি অর্থবছর শেষে তা ছয় কোটিতে উন্নীত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আইনটি শতভাগ বাস্তবায়ন হলে বছরে ৬৯ কোটি পাটের বস্তার প্রয়োজন হবে, যা জন্য প্রায় ২২ লাখ বেল পাটের প্রয়োজন হবে। পাট শিল্পের পুনরুজ্জীবনের স্বার্থে সরকার নি¤েœাক্ত প্রস্তাবনাসমূহ বিবেচনা করতে পারে । প্রথমত যেসব পাটকল আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত তাদেরকে স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংক ঋণ দিতে হবে। এইসব পাটকলের বিপরীতে যদি খেলাপি ঋণ থাকে, তাহলে সেই খেলাপি ঋণকে পুনঃতফশিলের ব্যবস্থা করে দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধের সুযোগ দিতে হবে। সরকারি মালিকানায় যে সমস্ত পাটকল রয়েছে, এগুলোতে দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে এবং একই সাথে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এগুলোতে কাজের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। দ্বিতীয়ত পাটকলগুলোকে আধুনিকায়ন করতে হবে। পুরাতন মেশিনারিজসমূহ পরিবর্তন করে নতুন এবং আধুনিক মেশিনারিজ স্থাপন করতে হবে। পাট শিল্পে যে সমস্ত নতুন টেকনোলজি আবিষ্কৃত হয়েছে সেগুলোর প্রয়োগের মাধ্যমে পাটকলগুলোকে আধুনিকায়ন করতে হবে। তৃতীয়ত সরকারি মিলগুলোকে ক্রমান্বয়ে বেসরকারি মালিকানায় হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রসঙ্গত একটি কথা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, আর তা হচ্ছে সরকারি মালিকানায় শিল্পের বিকাশ সম্ভব
নয়। এটা অতীতেও যেমন কোন দেশে হয়নি, তেমনি ভবিষ্যতেও হবে না। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যেমেই শিল্পায়ন সম্ভব। সুতরাং সরকারি মালিকানার পাটকলগুলোকে যথাযথ উপায়ে যদি বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে এই শিল্প আবারো বিকশিত হবে। চতুর্থত পাটজাত দ্রব্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং এজন্য দেশে এর বাজার সৃষ্টি করতে হবে। পাটজাত দ্রব্য পরিবেশবান্ধব বিধায় এর ব্যাপক ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সরকার পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। পাটের ব্যাগ এই চাহিদা সহজেই পূরণ করতে পারে। অধিকন্তু চাল, ডাল, আলু, মরিচ, গম, ভুট্টা, ছোলা প্রভৃতি পণ্য রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সহজেই পাটের বস্তা ব্যবহার করা যায়। এছাড়া স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করতে পারে। প্রতিটি ছাত্রছাত্রী যদি স্কুল ব্যাগের জন্য পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করে, তাহলে পাটজাত পণ্যের বিশাল বাজার সৃষ্টি হবে। এছাড়া শপিং ব্যাগ হিসেবে পাটজাত ব্যাগ সহজেই ব্যবহার করা যায়। তখন অটোমেটিক্যালি দেশে পাটজাত পণ্যের বিশাল বাজার সৃষ্টি হবে। মনে রাখতে হবে অভ্যন্তরীণ বাজার সৃষ্টি করা না গেলে কোন শিল্পকে বিকশিত করা যাবে না। এ অবস্থায় পাট শিল্পকে বিকশিত করতে হলে এর উৎপাদিত পণ্যের অভ্যন্তরীণ বাজারকে আরো বড় করতে হবে। এ জন্য সরকারকে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। পঞ্চমত পাটজাত পণ্যের রপ্তানির বিপরীতে সরকারের পক্ষ থেকে ইনসেনটিভের পরিমাণকে বাড়াতে হবে। বর্তমানে পাটপণ্য রপ্তানির বিপরীতে সরকার এফওবি মূল্যের ভিত্তিতে ১০% ইনসেনটিভ দিচ্ছে। পাট শিল্পকে বিকশিত করতে এবং এর উৎপাদিত পণ্য সমূহের রপ্তানি বাড়াতে এই ইনসেনটিভের পরিমাণ বাড়িয়ে কমপক্ষে ১৫% করা উচিত। ষষ্ঠত এই শিল্পে নতুন উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে এবং কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে এবং পাট শিল্পকে কমপক্ষে পাঁচ বছর ট্যাক্স ফ্রি করতে হবে।
সর্বোপরি পাট শিল্পকে মনিটরিং করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করতে হবে, যেটি পাট শিল্পের সমস্যাসমূহ দূর করতে এবং একই সাথে এই শিল্পকে বিকশিত করতে কাজ করবে। আশা করা যায় এর মাধ্যমে সোনালী আঁশের সুদিনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। এক সময় বাংলাদেশ পাট শিল্পে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছিল, যা অনেক দেশের কাছেই অসহনীয়। আমরা আবারো সোনালী আঁশের সেই সুদিন ফিরিয়ে আনতে চাই। অতএব আসুন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর কল্যাণে পাট শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই এবং কাজ করি। আসুন, এর মাধ্যমে সোনালী আঁশের সুদিনকে আবারো ফিরিয়ে আনি এবং দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল ও শক্তিশালী করি। আর আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই এটা জরুরি এবং অপরিহার্য।


24
★★সড়ক পরিবহন আইন-২০১৭★★
♥ ফুটপাত দিয়ে মোটর সাইকেল চালালে ৩ মাস কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা।
♦ সংরক্ষিত নারী আসনে বসতে না দিয়ে কেউ ওই আসনে বসলে তাকে ১ মাসের কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
♠গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।
♣সাধারণ চালকের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং পেশাদার চালকদের বয়স হতে হবে কমপক্ষে ২১ বছর।
♥লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
♦হেলপার বা শ্রমিক গাড়ি চালাতে পারবেন না।
♠ প্রতিযোগিতা করে গাড়ি চালালে, সেক্ষেত্রে দুর্ঘটনা না হলেও চালকের ২ বছরের জেল বা ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। গতিসীমা লঙ্ঘন করলেও একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
♣দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটলে দণ্ডবিধির আওতায় বিচার হবে।
♦ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এই আইনে আমলযোগ্য অপরাধে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় দায়ীকে আটক করতে পারবে।
♥হেলপারেরও লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
♠ চালকের সহকারীর লাইসেন্স না থাকলে এক মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।
♣নেশা জাতীয় দ্রব্য বা মদ পান করে কেউ গাড়ি চালালে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা। ফুটপাত দিয়ে মোটরসাইকেল চালালে ৩ মাস কারাদণ্ড এবং ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা।
♥গাড়ী চালানোর সময় মোবাইল ফোন বা এরূপ কোনো ডিভাইজ ব্যবহার করলে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন চালক।
♦ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে- এমন অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় চালকদের গ্রেপ্তার করতে পারবে।
♥ রাস্তায় মোট ১২ পয়েন্ট বরাদ্দ থাকবে। বিভিন্ন অপরাধের জন্য চালকের পয়েন্ট কাটা যাবে। পয়েন্ট শূন্য হয়ে গেলে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।

25
কোমর ব্যথায় পালনীয় কিছু টিপসঃ
=========================
১. নিচ থেকে বা মাটি থেকে কিছু তুলতে হলে না ঝুঁকে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন ও তারপর তুলুন।
২. ঘাড়ে ভারী কিছু ওঠাবেন না। ভারী জিনিস শরীরের কাছাকছি রাখুন। পিঠে ভারী কিছু বহন করতে হলে সামনে ঝুঁকে বহন করুন।
৩. ৩০ মিনিটের বেশি একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে উঁচু হিল পরবেন না। অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন। একটু বসে বিশ্রাম নিন।
৪. গাড়ি চালানোর সময় স্টিয়ারিং হুইল থেকে দূরে সরে না বসে সোজা হয়ে বসুন।
৫. চেয়ার টেবিল থেকে বেশি দূরে থাকবেন না। সামনে ঝুঁকেকাজ করবেন না। কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন। এমনভাবে বসুন,যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে। নরম গদি বা সিপ্রংযুক্ত চেয়ার পরিহার করুন। ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন।
৬. উপুড় হয়ে শোবেন না। ফোম বা সিপ্রংয়ের গদিযুক্ত বিছানা পরিহার করুন। বিছানা শক্ত ও চওড়া হলে এবং তোশক পাতলা ও সমান হলে ভালো।
৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
৮. নিয়মিত কায়িক শ্রম করুন বা ব্যায়াম করুন। নিয়মিত হাঁটুন।
৯. কাটা-কোটা, রান্না, মসলা পেষা, ঘর মোছা, কাপড়কাচা, ঝাঁট দেওয়া বা নলকূপ চাপার সময় মেরুদণ্ড সাধারণ অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।
১০. যাঁরা কোমরের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা বিছানা থেকে ওঠার সময় সতর্ক হোন। চিত হয়ে শুয়ে প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করুন। এবার ধীরে ধীরে এক পাশে কাত হোন। পা দুটি বিছানা থেকে ঝুলিয়ে দিন, কাত হওয়া দিকে কনুই ও অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
সংগ্রহীত

26
History / ঐতিহাসিক বদর দিবস
« on: June 13, 2017, 05:38:33 PM »
হিজরতের দ্বিতীয় বছর ১৭ রমজান বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল বদর যুদ্ধ। এ যুদ্ধ কুফর-শিরকের মর্মমূলে আঘাত করে বিস্ময়কর বিজয়ের মাধ্যমে সত্যের পতাকা মুক্ত আকাশে তুলে ধরেছিল। এদিন নিরস্ত্র অল্পসংখ্যক মুসলমানের হাতে কুফরের গর্বিত কপালে পরাজয়ের নীল চিহ্ন অঙ্কিত হয়। মক্কায় কাফেরদের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মদিনায় হিজরত করেছিলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবিরা। সেখানেও মুসলমানদের নিরাপদে থাকতে দেয়নি কাফেরেরা। পরিস্থিতির ঘূর্ণিপাকে তৈরি হয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপট। এ যুুদ্ধে লোকবল ও অস্ত্রবলে উন্মত্ত ছিল কাফের বাহিনী। যুদ্ধ জয়ের বাসনায় ছিল কিছুটা বেপরোয়া। অপরদিকে মুষ্টিমেয় মুসলমানদের পর্যাপ্ত হাতিয়ার ছিল না। লোকবল ছিল নামেমাত্র। তবে তাদের ছিল ইমানি শক্তি। ছিল সত্যের পথে লড়ে যাওয়ার দুর্বার হিম্মত। ফলে পৃথিবী সেদিন অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখেছে, আবুু জাহেলের যে বাহিনী গুটিকয়েক মুসলমানকে হত্যার নেশায় ছুটে এসেছিল, যুদ্ধ শুরুর পর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার ফুরসতও তারা পায়নি।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সশরীরে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আল্লাহতায়ালার সাথে তার রুহের যোগাযোগ ছিল নিরবচ্ছিন্ন। মুসলমানরা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য প্রান্তরের এক প্রান্তে ছোট্ট একটি ঝুপড়ি তৈরি করেছিল। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বার বার সেখানে গিয়ে আল্লাহর স্মরণে তন্ময় হয়ে পড়তেন। একবার হযরত আবুু বকর (রাযি) ওই ঝুপড়িতে প্রবেশ করে দেখেন প্রাণের সবটুকু আবেগ মিশিয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাতর স্বরে বলে যাচ্ছেন, হে আমার প্রভু! এই মুষ্টিমেয় সত্যের সৈনিক দল যদি আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, তা হলে দুনিয়ায় তোমার নামের মহিমা প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে। হে আল্লাহ! আমার সাথে তুমি যে ওয়াদা করেছিলে আজ তা পূর্ণ কর। দয়াময় রবের প্রতিশ্রুতির কোনো ব্যতিক্রম নেই।

মুসলমানদের সাহায্যে তিনি একদল ফেরেশতা পাঠিয়ে দিলেন। দেখতে দেখতেই যুদ্ধের চিত্র পাল্টে গেল। নিরস্ত্র মুসলমানদের হাতেই বড় কাফের সরদাররা নিহত হতে লাগল। খোদ আবুু জাহেল মুসলিম দুই তরুণ ভাইয়ের হাতে নির্মমভাবে ধরাশায়ী হয়। এভাবেই মক্কার কাফেরদের ঔদ্ধত্য অহংকার চিরদিনের জন্য মরুর বালুতে ভূলুণ্ঠিত হয়ে যায়।

সূরা আলে ইমরানে আল্লাহতায়ালা মুসলমানদের ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, বদর প্রান্তরে সংখ্যায় স্বল্পতা সত্ত্বেও আল্লাহ তোমাদেরই বিজয়ী করেছেন। যদি তোমরা দ্বীনের পতাকাকে সুউচ্চ করার জন্য আজও সততা ও এখলাস নিয়ে ময়দানে পা রাখো, তা হলে অবশ্যই তিনি তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে বিপুল সাহায্য-সহযোগিতায় ভরপুর করে তুলবেন। এ জন্যই তিনি বলেন, সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যেন তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পার। অর্থাৎ আল্লাহপাকের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জীবনের প্রতিটি পর্বকে আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি অনুযায়ী পরিচালিত কর।

মাহে রমজানের এই বরকতময় সময় আমাদের ভেতরে তাকওয়া তৈরির এক অনবদ্য সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগালে আশা করা যায় আমাদের জীবনে আশাতীত এক পরিবর্তন সাধন করা যাবে।

27
ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। এর ঔষধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে এই তেল। ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য সরিষার তেলের অসাধারণ উপকারী। 

সরিষা তেল শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। নিদ্রাহীনতা ও ক্যান্সার প্রতিরোধক। শরীরে ব্যথা কমায়। শ্বাসকষ্টের প্রদাহ হ্রাস করে। রক্ত সঞ্চালন, হজম প্রক্রিয়া এবং হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সরিষার তেল আপনার শরীরের পাচক রস নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্ষুধা বাড়ে।

সরিষা তেল চুলকে ঝলমলে করে তোলে, খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সরিয়া তেল চুল এবং মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। এটি চুল পাকা রোধ করবে। সরিষা তেলে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আছে। এটি নিয়মিত মাথার তালুতে ম্যাসাজ করার ফলে নিয়মিত নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সরিষার তেল অনেক কার্যকরী।

সরিষা তেল মাথা ব্যথা কমায়। শুষ্ক ত্বক মসৃণ ও কোমল করে। ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বকের প্রদাহ দূর করে। শীতের সময় সরিষার তৈল মাখলে ত্বক সুন্দর থাকে। পোকামাকড় সরিষার তেল সহ্য করতে পারে না। এই তেল ব্যবহার করে পোকামাকড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে সরিষা তেল। নাকের বদ্ধভাব দূর করে। কানের ব্যথায় কানের ড্রপের বিকল্প। সামান্য কাটা ছেঁড়ায় অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে। নিয়মিত এই তেল মালিশ করলে বাতের ব্যথায় উপকার পাওয়া যায়।
দাঁত মজবুত করে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে সরিষা তেল।

বিডি প্রতিদিন/১৯এপ্রিল, ২০১৭

28
Food / এক কাপ আদা-চায়ের এত গুণ!
« on: April 05, 2017, 11:01:03 AM »

এক কাপ আদা-চায়ের এত গুণ!

এক কাপ আদা-চায়ের কদর অনেকের কাছেই রয়েছে। কিন্তু জানেন কি, এই কাপ কাপ আদা-চায়ে কী কী গুণ? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, চায়ের সঙ্গে যদি আদা যুক্ত হয়, তাহলে এর উপকারিতা বাড়ে কয়েক গুণ। কারণ আদায় রয়েছে জীবাণুরোধী উপাদান, যা রোগ-জীবাণু ঠেকায়। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে আদা-চা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, আদাতে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ থাকে বলে শরীরের জন্য উপকারী। চলুন, জেনে আসি আদা-চায়ের কিছু গুণের কথা:

১. মোশন সিকনেস বা গতিজনিত অসুস্থতার জন্য উপকারী হতে পারে এক কাপ আদা-চা। ভ্রমণের আগে আপনি যদি এক কাপ আদা-চা খেয়ে নেন, তাহলে মোশন সিকনেসের কারণে বমি বমি ভাব কমে যাবে। এ ছাড়া মাথাব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর এই চা।
২. অনেক সময় খাওয়ার কারণে পেটে অস্বস্তি বা খারাপ লাগতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে এক কাপ গরম আদা-চা খেয়ে নিন। সঙ্গে সঙ্গে উপকার পাবেন। খাবার দ্রুত হজমেও সাহায্য হবে।
৩. হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে আদা সরাসরি হজমের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
৪. আদা-চা অবসাদ দূর করে শরীর ও মনে চাঙা ভাব আনে।
৫. মাত্র এক কাপ আদা-চা মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমিয়ে দিতে পারে।
৬. কফ বা খুসখুসে কাশি উপশমে আদা-চায়ে আছে প্রাকৃতিক নিরাময় উপাদান।
৭. খাবারে অরুচি দূর করতে সাহায্য করে। হজমে সহায়ক এনজাইমগুলো নিঃসরণ ঘটিয়ে খাদ্য পরিপাকেও সহায়তা করে আদা।
৮. আদায় উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৯. আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা-চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
১০. অম্লতার বিরুদ্ধে খুব ভালো লড়তে পারে আদা-চা। তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

29
হাদীস শরীফে রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘সূরা ইয়াসিন কুরআনের হৃদয়। ’যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালের কল্যাণ লাভের জন্য পাঠ করবে তার মাগফিরাত হয়ে যায়। তোমরা তোমাদের মৃতদের জন্য এ সূরা তিলাওয়াত করো। (রুহুলমায়ানি, মাজহারি)

ইমাম গাজ্জালী (রহ:) এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সূরা ইয়াসিনকে কুরআনের হৃদয় এ কারণে বলা হয়েছে যে, ‘এ সূরায় কেয়ামত ও হাশর-নশর বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা ও অলঙ্কারসহকারে বর্ণিত হয়েছে। পরকালে বিশ্বাস ঈমানের এমন একটি মূলনীতি, যার ওপর মানুষের সব আমল ও আচরণের বিশুদ্ধতা নির্ভরশীল। পরকালের ভয়ভীতি মানুষকে সৎকর্মে উদ্বুদ্ধ করে এবং অবৈধ বাসনা ও হারাম কাজ থেকে বিরত রাখে। তাই দেহের সুস্থতা যেমন অন্তরের সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল তেমনি ঈমানের সুস্থতা পরকালের চিন্তার ওপর নির্ভরশীল (রুহুলমায়ানি)।

তিরমিজী শরীফে উল্লেখ রয়েছে, সুরা ইয়াছিন একবার পাঠ করলে দশবার কোরআন খতম করার নেকী হয় এবং পাঠকের সব গুনাহ মাফ হয়। হাদীসে আরো বলা হয়েছে, রাতে সুরা ইয়াছিন পাঠ করলে নিস্পাপ অবস্থায় ঘুম থেকে উঠা যায় এবং পূর্বের গুনাহ মাফ হয়ে যায়। যে ব্যক্তি সুরা ইয়াছিন বেশী বেশী পড়ে থাকে কেয়ামতের দিন এই সুরাই তার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে। নবী করিম (সাঃ) আরো বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা ইয়াছিন পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খোলা থাকবে। 

হজরত আবু যর (রা:) বলেন, আমি রাসূল সা:-এর কাছ থেকে শুনেছি তিনি বলেছেন, মৃত্যু পথযাত্রী ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে তার মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয়ে যায়। (মাজহারি)

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের রা: বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন অভাব-অনটনের সময় পাঠ করে তাহলে তার অভাব দূর হয়, সংসারে শান্তি ও রিজিকে বরকত লাভ হয়। (মাজহারি)

ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুখে-স্বস্তিতে থাকবে। যে সন্ধ্যায় পাঠ করবে সে সকাল পর্যন্ত শান্তিতে থাকবে (মাজহারি)। এছাড়াও সূরা ইয়াসিনের বহু ফজিলত হাদিসে বর্ণিত আছে, তাই আমাদের এই সূরাটি অর্থ সহ বুঝে পড়া ও আমল করা উচিত।
www.bd-pratidin.com/islam/2017/03/23

30
Quran / সূরা ফাতিহার ফজিলত :
« on: March 23, 2017, 10:31:40 AM »
পুরো কুরআন শরীফের গুরুত্বপূর্ণ সূরা ফাতিহা। এ সূরার মাধ্যমেই সূচনা হয়েছে পবিত্র কুরআনের। সূরাটিকে আল কুরআনের সার সংক্ষেপও বলা হয়। এ সূরা নাজিল হয়েছে মানুষের সার্বিক কল্যাণ মুক্তি ও পথপ্রদর্শক হিসেবে। সূরাটি ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অন্য সব সূরার আলাদা।

সূরা ফাতিহার বৈশিষ্ট্য :
১) এই সূরা কুরআনের সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ সূরা। তাওরাত, জবুর, ইনজিল, কুরআন কোনো কিতাবে এই সূরার তুলনীয় কোন সূরা নেই। বুখারি, মিশকাত : ২১৪২

২) এই সূরা এবং সূরায়ে বাকারা’র শেষ তিনটি আয়াত হল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বিশেষ নূর, যা ইতিপূর্বে কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। মুসলিম শরীফ : ৮০৬

৩) যে ব্যক্তি নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, তার ছালাত অপূর্ণাঙ্গ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এ কথাটি তিনবার বললেন। মিশকাত : ৮২৩

৪) আবু সা‘ঈদ খুদরী রা. বলেন, একবার এক সফরে আমাদের এক সাথী জনৈক গোত্রপতিকে শুধুমাত্র সূরায়ে ফাতিহা পড়ে ফুঁ দিয়ে সাপের বিষ ঝাড়েন এবং তিনি সুস্থ হন। বুখারি শরীফ : ৫৪০৫

সুরা ফাতিহার বিশেষ মর্যাদা হলো, আল্লাহ এটিকে নিজের ও নিজের বান্দার মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। একে বাদ দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব নয়। সেজন্যই এর নাম দেয়া হয়েছে ‘উম্মুল কুরআন’। পবিত্র কুরআন মূলত তিনটি বিষয়ে বিন্যস্ত। তাওহীদ, আহকাম ও নছীহত। সূরায়ে ইখলাছে ‘তাওহীদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে থাকার কারণে তা কুরআনের এক তৃতীয়াংশের মর্যাদা পেয়েছে। কিন্তু সূরায়ে ফাতিহায় তিনটি বিষয় একত্রে থাকার কারণে তা ‘উম্মুল কুরআন’ হওয়ার মহত্তম মর্যাদা লাভে ধন্য হয়েছে। তাফসীরে কুরতুবী : ১৪৮

সূরা ফাতিহার ফজিলত :
সুরা ফাতিহার ফজিলত অপরিসীম। এর ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি নিন্মরূপ।

১) উবাই ইবনু কা‘ব (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ উম্মুল কুরআনের মত তাওরাত ও ইনজিলে কিছু নাযিল করেননি। এটিকেই বলা হয়, ‘আস-সাব‘উল মাছানী’ (বারবার পঠিত সাতটি আয়াত), যাকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। আর আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, সে যা চাইবে’। নাসায়ী শরীফ : ৩১৯

২) আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, তোমরা সূরা ফাতিহা পড়। কোন বান্দা যখন বলে, আলহামদুলিল্লাহি রাবিবল আলামীন, তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। যখন বলে, আর-রহমা-নির রহীম, তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। বান্দা যখন বলে, মালিকি ইয়াউমিদ্দীন। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করেছেন। বান্দা যখন বলে, ইয়্যাকানা’বুদু ওয়া ইয়্যা কানাস্তাইন, আল্লাহ বলেন, এ হচ্ছে আমার ও আমার বান্দার মাঝের কথা। আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, যা সে চায়। বান্দা যখন বলে, ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম.. (শেষ পর্যন্ত)। আল্লাহ বলেন, এসব হচ্ছে আমার বান্দার জন্য। আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, যা সে চায়। মুসলিম শরীফ : ৩৯৫

৩) ইবনে আববাস (রা.) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে জিবরাঈল (আ.) উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ জিবরাঈল (আ.) ওপর দিকে এক শব্দ শুনতে পেলেন এবং চক্ষু আকাশের দিকে করে বললেন, এ হচ্ছে আকাশের একটি দরজা যা পূর্বে কোনদিন খোলা হয়নি। সে দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে এসে বললেন, ‘আপনি দু’টি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করুন। যা আপনাকে প্রদান করা হয়েছে। তা আপনার পূর্বে কোন নবীকে প্রদান করা হয়নি। তা হচ্ছে সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াত। মুসলিম শরীফ : ৮০৬

সূরা ফাতিহার সর্বাধিক পরিচিত নাম ‘সূরাতুল ফাতিহা’। তারপরও সূরা ফাতিহার স্থান, মর্যাদা, বিষয়বস্তু, ভাবভাষা, প্রতিপাদ্য বিষয় ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রেখে এর বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেক নামের সাথেই সূরাটির সামঞ্জস্য বিদ্যমান। এই সূরাটির ফযীলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ যেন আমাদের সকলকেই সূরা ফাতিহার প্রতি আমল করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার তাওফীক দান করেন। আমীন!


বিডি প্রতিদিন/৮ মার্চ ২০১৭/হিমেল
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/islam/2017/03/08/213605#sthash.7pvTzmFt.dpuf

Pages: 1 [2] 3 4 ... 7