Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - farjana aovi

Pages: 1 ... 5 6 [7] 8 9
91
খাবার ও পানির মাধ্যমে জীবাণু শরীরের ভেতর প্রবেশ করে। ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়াও ডায়রিয়া, যা সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় তিনবার বা তারও বেশিবার হয়। যদি পানির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তাকে ডায়রিয়া বলে ধরে নেওয়া হয়। আবার পায়খানা বারবার হলেও মল যদি পাতলা না হয়, তা ডায়রিয়া নয়। সাধারণত তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। সবচেয়ে বড় জটিলতা হচ্ছে পানিশূন্যতা। পানিশূন্যতা হলে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে, এমনকি শিশুর জীবন বিপন্ন হতে পারে।

এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন মৃধা বলেন, মনে রাখতে হবে, শুধু মায়ের দুধ পান করে এমন শিশু অনেক সময় দিনে পাঁচ-দশবার পর্যন্ত পায়খানা করতে পারে, যা সামান্য তরল হয়, একে ডায়রিয়া বলা যাবে না। শিশু যদি খেলাধুলা করে, হাসিখুশি থাকে, তাহলে এর অন্য কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।

ডায়রিয়ার প্রকারভেদ

তীব্র ডায়রিয়া: এটা হঠাৎ শুরু হয়ে কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন স্থায়ী হয়। তবে কখনো ১৪ দিনের বেশি নয় এবং পায়খানার সঙ্গে কোনো রক্ত যায় না।

দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া: পাতলা পায়খানা ১৪ দিনের বেশি স্থায়ী হলে।

জলীয় ডায়রিয়া: মল খুবই পাতলা হয়, ক্ষেত্রবিশেষে একেবারে পানির মতো। মলে কোনো রক্ত থাকে না।

আমাশয় বা ডিসেন্ট্রি: রক্তমিশ্রিত পায়খানা।

কারণ

কতগুলো রোগজীবাণু খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে ডায়রিয়া ঘটায়। এগুলো রোটাভাইরাস, ই-কোলাই, সিগেলা, ভিবরিও কলেরা, প্যারাসাইট-এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা ও জিয়ারডিয়া প্রভৃতি নামে পরিচিত। সাধারণত খাদ্য বা পানীয়ের দ্বারা ডায়রিয়ার জীবাণু খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে। এর অন্যতম মাধ্যম অপরিষ্কার হাত, গ্লাস, চামচ, বাসনপত্র বা সচরাচর ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিসপত্র, মল, মাছি ইত্যাদি।

কীভাবে বুঝবেন পানিস্বল্পতা নেই

শিশুর চোখ যদি স্বাভাবিক ও পানিসমৃদ্ধ থাকে, মুখ ও জিব ভেজা থাকে, তৃষ্ণার্ত না হয়ে স্বাভাবিকভাবে পানি পান করে, পেটের চামড়া ধরে ছেড়ে দিলে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়, বুঝতে হবে শিশুর পানিস্বল্পতা নেই।

এ অবস্থায় প্রয়োজনমতো পানি, খাবার স্যালাইন বা লবণ-গুড়ের শরবত দেওয়া যেতে পারে।

কিছু পানিস্বল্পতা?

শিশুর অবস্থা যদি অস্থির, খিটখিটে হয়, তার চোখ যদি বসে যায়, চোখে যদি পানি না থাকে, মুখ ও জিহ্বা যদি শুকনো থাকে, যদি বেশি তৃষ্ণার্ত থাকে, পেটের চামড়া ধরে ছেড়ে দিলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়—শিশুর শরীরে এসবের দুই বা ততোধিক চিহ্ন থাকলে বুঝতে হবে ‘কিছু পানিস্বল্পতা’র স্তরে রয়েছে।

বেশি বেশি খাবার স্যালাইন, বুকের দুধ, ভাতের মাড়, পানি, ডাবের পানি কিংবা শুধু পানি খাওয়াতে হবে। প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর রোগীকে পরীক্ষা করে পানিঘাটতির স্তর নির্ণয় করে দেখতে হবে যে রোগী কোন স্তরে আছে। সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

চরম পানিস্বল্পতা?

যদি অবসন্ন, নেতিয়ে পড়া, অজ্ঞান কিংবা ঘুম ঘুম ভাব থাকে, চোখ বেশি বসে যায় এবং শুকনো দেখায়, চোখে পানি না থাকে, মুখ ও জিহ্বা খুব শুকনো থাকে, পানি পান করতেও কষ্ট হয় কিংবা একেবারেই পারে না, পেটের চামড়া ধরে ছেড়ে দিলে অত্যন্ত ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়—শিশুর শরীরে এসবের মধ্যে দুই বা ততোধিক চিহ্ন থাকলে বুঝতে হবে শিশুটি ‘চরম পানিস্বল্পতা’ স্তরে রয়েছে।

চরম পানিস্বল্পতা অবস্থার জরুরি চিকিৎসায় তৎক্ষণাৎ শিরায় স্যালাইন দিতে পারলে ভালো। এ জন্য শিশুকে কাছের কোনো হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

স্যালাইন বানানোর পর তা কতক্ষণ সময় পর্যন্ত খাওয়াতে পারবেন?

প্যাকেট থেকে তৈরি করা খাবার স্যালাইন ১২ ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়। ১২ ঘণ্টা পর অবশিষ্ট থাকলেও তা ফেলে দিয়ে নতুন করে স্যালাইন তৈরি করে খাওয়াতে হবে। আবার ঘরে তৈরি করা লবণ-গুড় অথবা চিনির শরবত ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। এরপর তা অবশিষ্ট থাকলেও ফেলে দিয়ে নতুন করে স্যালাইন বা শরবত তৈরি করে খাওয়াতে হবে। তরল খাবারের পাশাপাশি খাওয়ার স্যালাইন দিতে হবে। শিশুর ওরস্যালাইনের পরিমাণ হচ্ছে, প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ২৪ মাসের কম বয়সী শিশুর জন্য ৫০-১০০ মিলি, ২-১০ বছর বয়সী ‍শিশুর জন্য ১০০-২০০ মিলি এবং ১০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য চাহিদা অনুযায়ী।

কিছু পরামর্শ

    যারা বুকের দুধ খায় তাদের বারবার বুকের দুধ দিতে হবে।
    শিশু যদি বমি করে তাহলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার খাওয়াতে হবে।
    ডায়রিয়া ভালো হয়ে গেলেও পরবর্তী ২ সপ্তাহ শিশুকে এর কমভাবে বাড়তি খাবার প্রতিদিন দিতে হবে।
    চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।
    ডায়রিয়া এড়াতে হলে পরিবারের সবাইকে ভালোমতো হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে। বিশেষত খাওয়ার আগে, শিশুকে খাওয়ানোর আগে, পায়খানা করার পর, শিশুর পায়খানা পরিষ্কার করার পর, রান্না করার আগে, খাবার পরিবেশন করার আগে অবশ্যই সাবান ও যথেষ্ট পরিমাণ পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে।
    শিশুর ও নিজের নিয়মিত নখ কাটা, প্রতিদিন গোসল, বাচ্চাকে দুধ দেওয়ার আগে স্তন পরিষ্কার ইত্যাদি করা।
    জন্মের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো। কেননা বুকের দুধ খাওয়ালে শিশুর ডায়রিয়া হয় না, কারণ বুকের দুধ জীবাণুমুক্ত শিশুরোগ প্রতিরোধকারী। বোতলে দুধ খাওয়ালে ডায়রিয়া বেশি হয়। কারণ বোতল সব সময় পরিষ্কার রাখা কখনোই সম্ভব নয়। তবে ছয় মাস বয়স হওয়ার পর থেকে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার পরিবারের সবাই যা খায় তা নরম করে খাওয়াতে হবে।
    স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা তৈরি করতে হবে এবং বাড়ির ছোট-বড় সবাইকে সেখানে মলত্যাগ করতে হবে। পায়খানায় যেন মাছি না ঢুকতে পারে এবং মল যেন ডোবা, পুকুর, নদী বা ব্যবহার করার পানির সঙ্গে না মেশে, এরূপভাবে পায়খানা তৈরি করতে হবে।
    ছোট শিশুদের পায়খানা বড়দের মতোই রোগ ছড়াতে পারে, বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে আরও বেশি। তাই শিশু পায়খানা করার পরপরই তা তুলে নিয়ে বড়দের বাথরুমে ফেলতে হবে। পায়খানা করার পর শিশুদের পরিষ্কার করে সেই পানিও ফেলে দিতে হবে।
Source: Prothom Alo

92
“কপালে সবসময় একটা কালো কাজলের টিপ দিয়ে রাখবা, মানুষের নজর লাগে কিন্তু! আর শোন মায়ের নজর সবচেয়ে বেশি লাগে, বাচ্চার মুখের দিকে অমন করে তাকিয়ে থাকবা না তো!”

“শোন, প্রতিদিন নিজে ১ লিটার করে দুধ খাবা, ঘি খাবা, ওজন বাড়লো না কি হলো এইসব নিয়ে চিন্তা করতে যাবা না, বাচ্চা কিন্তু নাইলে ঠিক মতো বুকের দুধ পাবে না!”

“বাচ্চা তো হলোই সেদিন, এখনই কিসের বেড়াতে যাওয়া! বেড়ানোর জন্য তো সারাজীবন পড়ে রয়েছে। কক্সবাজার গিয়ে ঐসব বাতাস লাগাবা, পানি নাড়বা আর বাচ্চাটার লাগবে ঠাণ্ডা।”

“পা ধরে টেনে টেনে ম্যাসাজ করবা, ছেলে যেন বাবার মতো লম্বা হয়, তোমার যা হাইট অমন হলে তো সর্বনাশ!”

“রঙটা তো পরিষ্কার হলো না, পেটে থাকতে দুধ খাওনি?”

“আমরা তো বাচ্চাকে জীবনে ঐসব তোলা (ফর্মুলা মিল্ক) দুধ খাওয়াই নাই, ডায়াপারও পরাই নাই। তোমরা হচ্ছো অলস মা, কষ্ট না করেই মা হয়েছো!”

“সব খাবার কি একাই খাচ্ছো নাকি? বাচ্চার স্বাস্থ্য এমন কেন? হাতির ঘরে মশা হলে চলে?”“মা হয়েছো, ঐভাবে চলবা, এত সাজগোজ কিসের? বাচ্চার যত্ন নাও ঠিক মতো!”

কি? খুব পরিচিত মনে হচ্ছে লাইনগুলো? হ্যা, আমাদের দেশে, বিশেষ করে ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টে একটা যখন প্রথমবার মা হয়, তখন তার পরিবার এবং সমাজ (অধিকাংশ ক্ষেত্রে) ধরে নেয় যে সে আজ থেকে একজন মা, আর অগোচরে ভুলেই যায় যে মেয়েটি মা তো বটেই, কিন্তু সে একজন মানুষও।সন্তান যখন গর্ভে থাকে, তখন থেকেই আশেপাশের মানুষের(!) পরামর্শ আর শুভাকাংক্ষিতায় মেয়েটি নিজেকে ভুলে যেতে শুরু করে। বারবারই মনে হয়, আমি মনে হয় আমার ১০০% দিতে পারছি না, আমি মনে হয় ভালো মা হতে পারব না, আমি তো কিছুই জানি না, আমি ছাড়া সবাই বাচ্চার ভালো বোঝে। হরমোনের পরিবর্তন আর শারীরিক কারণে ধীরে ধীরে এই মন খারাপ ভাবটা ডিপ্রেশনে রূপান্তরিত হতে শুরু করে। আর সেটা আরও প্রখর হয় সন্তান জন্মদানের পর। এই সময়টাকে বলা হয় পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন বা বেবি ব্লুজ।

পরিবার প্রতিটা মানুষের নির্ভরতার একটা জায়গা, পরিবার থেকে যদি নেগেটিভিটি আসে তাহলে ডিপ্রেশনের অতল গহ্বরে তলিয়ে যেতে সময় লাগে না। এ সময়টায় পরিবারকেই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে। নতুন মা হবার পর ঘুমটা ভীষণ জরুরী। সন্তানকে কিছুক্ষণ পরপর খাওয়ানো, ডায়পার বা কাঁথা চেইঞ্জ করা সব কারণে দেখা যায় মায়ের ঘুম ঠিক মতো হয় না। আর মেজাজ ও খিটখিটে হতে থাকে। ব্রেস্টমিল্ক পাম্প করে রাখলে, অথবা ফর্মুলা ফীডিং করালে পরিবারের অন্যরা একটা নির্দিষ্ট সময় বাচ্চাকে খাওয়ানোর দায়িত্বটা নিতে পারেন, ফলে মা ঘুমানোর সুযোগ পাবে। সবসময় তাকে উৎসাহ দিতে হবে। কারণ মাতৃত্ব একটা Gradual Process, এটা কিন্তু সত্যিই কেউ কাউকে শেখাতে পারে না, আর কেউ মায়ের পেট থেকে শিখেও আসে না। এটা প্রকৃতিগতভাবেই সব মা-ই আস্তে আস্তে শিখে যায়। তাই সবসময় মায়ের ভুল ধরা বাদ দিয়ে তাকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করুন, তাকে ছোটখাটো উপহার দিন, তার প্রশংসা করুন। এই ছোট্ট ছোট্ট ব্যাপারগুলোই কিন্তু তাকে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।

কখন ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন?

• সন্তান জন্মদানের ২-৩ সপ্তাহ পর ও যদি মন খারাপ, হতাশা কাজ করে।
• নিজেকে দোষারোপ করা এবং বারবার জাস্টিফাই করার চেষ্টা করা – আমি কেমন মা।
• ভালো লাগার জিনিসগুলো আর ভালো না লাগা, ভালো লাগার কাজগুলোতে উৎসাহ না পাওয়া।
• অকারণ দাম্পত্য কলহ।
• অকারণে কান্নাকাটি করা, এবং প্রতিটা ক্ষেত্রেই নেভেটিভিটি খোঁজা।
• আত্মহত্যার চিন্তা করা।

সাধারণত সন্তান জন্মদানের ২-৩ সপ্তাহ পরি বেবি ব্লুজ কেটে যেতে শুরু করে। কিন্তু কোন কারণে যদি এটা না হয়, এবং আপনার ডিপ্রেশনটা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়, তখন আসলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিৎ। ভালো কোন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আপনাকে সহযোগিতা করতে পারবেন। সঠিক মেডিকেশন আর সাইকোথেরাপির মাধ্যমে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন দূর করা সম্ভব।

আপনি মা হয়েছেন, কিন্তু আপনি একজন মানুষও। নিজেকে ভালবাসুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার সন্তান অবশ্যই আপনার প্রায়োরিটি, কিন্তু আপনি নিজেও কিন্তু আপনার প্রায়োরিটি। A happy mother can raise a healthy & happy child.

নিজেকে ভালোবাসুন, নিজেকে সম্মান করতে শিখুন। আপনি যখন নিজেকে ভালোবাসতে পারবেন, সম্মান করতে পারবেন, তখন কোন ডিপ্রেশন আপনাকে আর দমিয়ে রাখতে পারবে না।

93
HPV বা হিউম্যান পেপিলোমা নামক এ ভাইরাসটি যৌন বাহিত রোগের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। শতকরা ৮০ জন মহিলা তাদের জীবদ্দশার যেকোন সময় এ ভাইরাসটি দিয়ে সংক্রমিত হতে পারে। বেশীর ভাগ  ক্ষেত্রে এই ভাইরাস জনিত সংক্রমন আপনা আপনি ভালো হয়ে যায়। তবে অল্প কিছু ক্ষেত্রে এ ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত কোষগুলো অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে ক্যান্সারে পরিনত হয়।  জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধী  টিকা এই হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে জরায়ুকে রক্ষা করে।
প্রায় ৭০ ধরনের হিউম্যান পেপিলোমা ভাইরাস এ পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এর মধ্যে HPV-16 ও HPV-18 এই দুটি টাইপকে প্রায়  দুই-তৃত্বীয়াংশ জরায়ুর ক্যান্সারের জন্য দায়ী করা হয়। এদের প্রতিরোধে দুই ধরনের টিকা FDA (U.S. Food and Drug  Administration) কতৃক অনুমোদিত যা Gardasil  ও Cevarix  নামে বাজারে পাওয়া যায়। এ দুটি টিকাই hpv-16 ও hpv-18 এর সংক্রমণ  প্রতিরোধে প্রায় ১০০ ভাগ কার্যকরী এবং ভবিষ্যতে জরায়ু ক্যান্সারের সম্ভাবনা ৭০ ভাগ পর্যন্ত কমাতে সক্ষম। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই টিকা HPV জনিত জেনিটাল এবং অ্যানাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
১১ থেকে ১৪ বছরের যেকোন বালক-বালিকা এই টিকা নিতে পারবে। অর্থাৎ সেক্সুয়াল  এক্সপোজার বা  এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমণের পূর্বেই এর টিকা নিতে হয়। তবে ২৬ বছর পর্যন্ত টিকাটি নেয়া যায়। এরপর এ টিকাটি নিতে চাইলে HPV DNA টেস্ট করে দেখে নেয়া যেতে পারে ইতিপূর্বেই সে এই জীবাণুটি দ্বারা সংক্রমিত কিনা। তিনটি ডোজ-এ এই টিকা দেয়া হয়। প্রথম ডোজ-টি দেয়ার এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ এবং ছয় মাস পর পরবর্তী ডোজ-টি দিতে হয়। এই টিকার কোন সাইড ইফেক্ট নাই। এটি দেয়ার পর বড় কোন শারীরিক সমস্যা হয় না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইনজেকশন-এর  স্থানে ব্যথা ও প্রদাহ, ঝিমুনি ভাব, মাথা ব্যথা বা এলার্জি-এর সমস্যা হতে পারে।

মনে রাখতে হবে জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধক এই টিকা অন্যান্য কারণ জনিত জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম না। তাই এ টিকা নেয়ার পরও জরায়ু ক্যান্সার সনাক্তকরণের জন্য স্ক্রিনিং টেস্ট (পেপ বা ভায়া টেস্ট) নিয়মিতভাবে করে যেতে হবে।

94
বাচ্চাদের মধ্যে বিশেষত নবজাতক শিশুদের মধ্যে একটা রোগ প্রায়শই দেখা যায় যেটি হচ্ছে ওরাল থ্রাশ। বাংলায় অনেকে এই রোগটাকে ‘দুধ ঘা’ বলে থাকেন। এই রোগটি হলে শিশুর মুখের ভিতর, জিহ্বায় আর ঠোঁটের আশে পাশে সাদা সাদা একটা পড়ত মত জমে যায়। দেখে মনে হয় যেন জিহ্বার উপর দুধের সর জমে আছে। এজন্যই আমাদের মা খালারা এই রোগটাকে দুধ ঘা বলে থাকেন। আর নবজাতক থেকে শুরু করে ছয় মাস বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে রোগটি খুবই কমন। যদিও শিশুদের জন্য এই রোগটি সেরকম মারাত্নক কিছু নয়। তারপরও ছোট শিশুদের জন্য এটি যথেষ্ঠ বিরক্তিকর আর আনকমফোর্টেবল হয়ে যায়। তাই যতটা দ্রুত সম্ভব এই রোগের চিকিৎসা শুরু করে দেয়া উচিত।

ওরাল থ্রাশের কারণ

থ্রাশ বা দুধ ঘায়ের জন্য দায়ী মূলত ক্যানডিডা নামক একটি ছত্রাক। এই ছত্রাক বাচ্চাদের মুখের মধ্যেই থাকে। বাচ্চার শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভাল হলে আর মুখের মধ্যে গুড ব্যাক্টেরিয়া থাকলে এ জাতীয় ছত্রাক সাধারণত আক্রমণ করতে পারে না। কিন্তু কোন কারণে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেম দূর্বল হয়ে গেলে তখন এই ছত্রাক আক্রমণ করে। এছাড়াও কোন অসুখের কারণে বাচ্চাকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হলেও এই রোগ হতে পারে। কারণ কিছু কিছু নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক আছে যেগুলো খেলে বাচ্চাদের শরীরের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায়। ফলে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেমের ওপর বিরূপ  প্রভাব পড়ে। শুধু তাই নয়। বুকের দুধ খাওয়ান এমন মায়েরাও কিছু কিছু অ্যান্টিবায়োটিক খেলে তা বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চার শরীরে মিশে বাচ্চার ইমিউন সিস্টেম দূর্বল করে দেয়।
শিশুদের মধ্যে ওরাল থ্রাশের লক্ষণ
শিশুদের মধ্যে ওরাল থ্রাশের বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। ছত্রাকের আক্রমণের ভয়াবহতার উপর লক্ষণগুলো কম বেশি নির্ভর করে। তবে সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলো হল-
১) শিশুদের জিহ্ববা, ঠোঁট, গালের ভিতর আর গলার কাছে সাদা সাদা একটা আস্তরণ পড়ে। এই আস্তরণগুলো দেখে মনে হয় যেন একটু ঘন দুধ জিহ্ববার উপর লেগে আছে। কিন্তু হাত দিয়ে ঘষা দিলে এগুলো ওঠে না। বরং ঐ জায়গাটা লাল হয়ে যায়। আর বাচ্চারা অস্বস্তিতে কান্নাকাটি করে।
২) এই সাদা আস্তরণ হাত দিয়ে ঘষে তুলতে গেলে হালকা রক্তপাত হতে পারে।
৩) সাদা সাদা আস্তরণের চারপাশে লালচে দাগ দেখা যাতে পারে। যদি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে মা বাবারা দেরি করে ফেলে তাহলে এই ঘাগুলোতে আস্তে আস্তে ব্যথা বাড়তে পারে।
৪) ঠোঁটের  কোণায় ফেটে যেতে পারে। ফলে ছোট ছোট অবুঝ শিশুগুলো ঠিকমত মুখ হা করতে পারে না। আর মুখ খোলার সময় কান্নাকাটি করে।
৫) বাচ্চারা মায়ের বুকের দুধ টানা কমিয়ে দেয়। কখনো কখনো রোগ বেড়ে গেলে একেবারে দুধ টানা বন্ধ করে দেয়।

চিকিৎসা

শিশুদের ওরাল থ্রাশ হলে প্রথমত তার সবকিছু খুব যত্নের সাথে পরিষ্কার  পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে। তার খেলনা থেকে শুরু করে আশেপাশে বিভিন্ন বস্তু যা শিশু মুখে দিতে পারে, খুব ভাল করে পরিষ্কার করতে হবে। সেই সাথে মায়ের দুধের নিপল-ও সবসময় পরিস্কার রাখতে হবে। এছাড়াও ওরাল থ্রাশ দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়াই ভাল। ডাক্তার সাধারণত একটি অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্রীম দিবেন। নিয়মানুযায়ী এই ক্রীম ব্যবহার করলে সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই ওরাল থ্রাশ সেরে যাবে।

95
Pharmacy / Re: Foods To Avoid During Pregnancy
« on: July 07, 2018, 11:02:32 AM »
very informative

96
পেয়ারা, অত্যন্ত পছন্দের একটি ফলের নাম। সুমিস্ট এই ফলটি আমরা প্রায় সবাই পছন্দ করি। পেয়ারা একটি সবুজ বেরী জাতীয় ফল, তবে লাল রঙয়ের পেয়ারাও পাওয়া যায় যা লাল আপেল নামে পরিচিত।

এর বৈজ্ঞানিক নাম Psidiun guajava. প্রায় ১০০টির মত প্রজাতি রয়েছে পেয়ারার। অসাধারণ পুস্টিগুণে ভরপুর দেশীয় এই ফলটি, আমাদের দেশে অহরহ জন্মে থাকে। বিভিন্ন রকম রোগ যেমন ডায়রিয়া, আমাশয়, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঠান্ডা-কাশি, উচ্চ রক্তচাপ, ওজন কমানো, ত্বকের যত্নে এর জুড়ি নেই। পেয়ারার বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি জন্মাতে অতিরিক্ত পরিমাণ রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হয় না যেমনটা প্রয়োজন হয় আপেল, আঙ্গুর ইত্যাদি বিদেশী ফলে।পেয়ারার স্বাস্থ্যগু্ণ:

ওজন কমাতে ও বাড়াতে
অবাক করার মত ব্যপার হচ্ছে পেয়ারা দেহের ওজন কমাতে ও বাড়াতে অর্থাৎ দুক্ষেত্রেই সাহায্য করে। এটি নির্ভর করে আপনি কিভাবে এটি গ্রহন করছেন। যারা ওজন কমাতে চান তারা কোনোরকম দ্বিধা ছাড়াই এটি গ্রহন করতে পারেন। পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রোটিন, মিনারেল। তাই আপনাকে ওজন কমাতে এইসব খাদ্য-উপাদানের সাথে কোন প্রকার আপস করতে হবে না। কারণ এতে কোন কোলেস্টরল নেই আর কারবোহাইড্রেডও রয়েছে খুব অল্প পরিমাণে। কাঁচা পেয়ারাতে সুগারের পরিমাণ খুব কম থাকে অন্যান্য ফলের তুলনায়। তাই ওজন কমানোর ডায়েট চার্টে এটি রাখতে পারেন অনায়াসে।

অন্যদিকে আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তাহলে দুপুরের খাবারের সাথে একটি মিডিয়াম সাইজ পেয়ারা যোগ করতে পারেন, এতে রয়েছে অসাধারণ মেটাবোলিজম গুণ যা আপনাকে সঠিকভাবে পুস্টি শোষণে এবং ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে
পেয়ারায় আছে প্রচুর ভিটামিন এ, আমরা সবাই জানি ভিটামিন-এ চোখের জন্য কত উপকারী। এটি চোখকে ছানি পরা থেকে রক্ষা করে, চোখের পেশী ও স্বাস্থ্য ভাল রাখে। যাদের চোখে ইতিমধ্যে সমস্যা হয়ে গিয়েছে তাদের চোখের সমস্যা আরও  বাড়তে বাঁধা দেয়ার পাশাপাশি এটি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য
পেয়েরার আরেকটি অসাধারণ গুণ হচ্ছে এতে রয়েছে B3 এবং B6 ভিটামিন। B3 রক্তের সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে আর B6 ব্রেইন ও নার্ভ এর জন্য অত্যন্ত উপদায়ক ভিটামিন। তাই পেয়ারা আপনার ব্রেইন ফাংশনকে ভাল রেখে আপনাকে করবে অধিক বুদ্ধিদীপ্ত।

ত্বকের যত্নে
অত্যন্ত উন্নতমানের বিভিন্ন বিউটি ক্রিম ও টোনার থেকেও বেশ ভালো কাজ করে পেয়ারা। এটি ত্বকের টেক্সচার ইমপ্রুভ করতে সাহায্য করে।কচি পেয়েরা ও পেয়ারা পাতাতে রয়েছে অধিক পরিমাণে সংকোচক পদার্থ যা স্কিনের পেশীকে দৃঢ়তা দেয়। এটি ত্বকের টোনার হিসেবে কাজ করে ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে।

বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে
রোগের প্রতিষেধক হিসেবে পেয়েরার জুড়ি নেই।  ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি উত্তম খাবার, এতে রয়েছে ডায়াটারি ফাইবার যা দেহের ইনসুলিন ও গ্লুকোজের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

প্রোসটেইট ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, ওরাল ক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবে পেয়ারা বেশ কার্যকরী, এটি ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়।

এটি কপারের ভাল উৎস বিধায় থাইরয়েড কোষের মেটাবোলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, আমাশয় রোগের প্রতিরোধক হিসেবেও পেয়ারা বেশ উপকারী।

তাই সাশ্রয়ী মূল্যের এই মৌসুমী ফলটি আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করে ফেলুন আজই।

97
রমজানে আমরা যে খাবারটি  সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে খেয়ে থাকি তা হল খেজুর। ইফতারের অন্যতম প্রধান এক পদ খেজুর। আমদের দেহের উপকারে খেজুর কী পরিমাণে ভূমিকা রাখতে পারে, আসুন আজ তা জেনে নিই।১। Arteries  মুক্ত করে

এতে বিদ্যমান উচ্চমানের পটাশিয়াম শুধুমাত্র আপনার হার্টের উপকারেই নয় তার সাথে সাথে Atherosclerosis  ও দমন করে। জেনে রাখা ভালো ভেসেল ওয়ালে যে ক্যালসিয়াম জমা হয়ে থাকে তার কারণে Atherosclerosis হয়ে থাকে এবং এটি স্ট্রোকসহ হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ। প্রতিদিন খেজুর খেলে তা আমাদের ভেসেল পরিষ্কার রেখে আমাদের দেহের আমূল উপকার সাধন করে।

২। লিভারের আনুকূল্যে থাকে

যখন লিভার টক্সিনের মাত্রা সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারে না এবং অনেক পরিমাণে কোলাজেন উৎপন্ন করে তখন লিভার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে। খেজুর প্রতিদিনের চাহিদা পূরণ করে লিভারকে সাপোর্ট করে কেননা গবেষণায় দেখা গেছে এতে রয়েছে Liver cirrhosis।

৩। সুস্থ্য হার্টের জন্য

খেজুরে বিদ্যমান উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম কার্ডিওভাস্কুলার রোগসমূহ নিবারণ করে। খেজুর LDL-cholesterol কমায়, যা স্ট্রোক আর হার্ট অ্যাটাকের রিস্ক ফ্যাক্টর।

৪। চোখের উপকারিতায়

এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন  এ রয়েছে। ফলে তা কর্নিয়া রি- জেনারেট করে চোখকে রক্ষা করে। তাছাড়া এতে রয়েছে Lutein  আর  Zeaxanthin। এই দুইটি উপাদানই সূর্যের ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ফলে চোখের দৃষ্টি ক্ষমতা অনেক গুণে বেড়ে যায়।

৫। এনার্জি বুস্টার

কিছু বাদাম, আমন্ড আর খেজুর নিয়মিত খেলে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়। খেজুরে বিদ্যমান সুগার আমাদের শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ব্রেইন অ্যাক্টিভিটি বাড়িয়ে দেয়। সব বয়সের মানুষের পাশাপাশি ছোটো বাচ্চাদের জন্য খুবই ভালো একটি বিকেলের নাস্তা হতে পারে এটি।

৬। খাদ্য পরিপাক

আমাদের হয়ত অনেকেরই খেজুরের এই গুণটির কথা জানা। খেজুর পাচক ক্রিয়ায় সাহায্যের সাথে সাথে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ব্যাথা এবং অন্যান্য সমস্যা দূর করে। এ সব কিছুই ব্যাখ্যা করা যায় কেননা এতে রয়েছে ফাইবার আর অ্যামিনো এসিড। এভাবেই খেজুর খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে।

৭। ব্যথা থেকে পরিত্রান

খেজুর খেলে ব্যথা আর ফুলে যাওয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর এন্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণের ফলে এটি দেহের বিভিন্ন ধরণের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এক কথায় দেহের মেডিসিনাল মেথডে খেজুর খুব ভালো সাপলিমেন্ট হিসেবে কাজ করে।

তাই শুধু রমজানেই নয় সারা বছরই প্রতিদিনের খাদ্যের তালিকায় অন্তত পক্ষে তিনটি খেজুর রাখুন। কারণ খেজুর আপনার দেহের চাহিদা।

98
সারা বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি বড় সমস্যা।  ডায়াবেটিস হলে ওষুধের পাশাপাশি খাওয়াদাওয়ার মাধ্যমে শরীরের শর্করার  ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শরীরের শর্করার ভারসাম্য  বজায় রাখে এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো প্রতিদিন খাওয়া  প্রাকৃতিকভাবেই ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। এগুলো ৩০ দিনের মধ্যে  ডায়াবেটিস কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
 

(১) কাঠবাদাম

কাঠবাদাম ডায়াবেটিক রোগীর জন্য পরম বন্ধু।  এই খাবারে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ এবং প্রোটিন; যা ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই  করে ৩০ দিনে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।(২) গ্রিন টি

গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে ফিটোনিউট্রিয়েন্টস  যেমন : ক্যাটাচিন এবং ট্যানিন্স। এগুলো রক্তের শর্করার ভারসাম্য রক্ষায়  সাহায্য করে। তাই দিনে দুই বেলা গ্রিন টি পান করলে ৩০ দিনে ডায়াবেটিস  নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

(৩) আপেল

বলা হয়, প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়া রোগ  প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস  কমাতে কাজ করে। এ ছাড়া এটি কোলেস্টেরলও কমায়।

(৪) গাজর

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গাজর অন্যতম একটি  খাবার। এর মধ্যে রয়েছে বেটা কেরোটিন। এই কমলা রঙের সবজিটিতে কম পরিমাণ  শর্করা রয়েছে, যা শরীরের ইনসুলিনের মাত্রাকে ঠিক রাখতে বেশ কার্যকর।

(৫) মাছ

ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডসমৃদ্ধ মাছ খাওয়া ডায়াবেটিসের জন্য ভালো। এটা ইনসুলিনের মাত্রা কমায়। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই জাতীয় মাছ খেতে হবে।

(৬) জলপাইয়ের তেল

বর্তমানে অনেকেই রান্নায় জলপাইয়ের তেল  ব্যবহার করেন। এর মধ্যে রয়েছে ভালো মানের চর্বি; যেটা ইনসুলিনের মাত্রা  নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত জলপাইয়ের তেল খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

(৭) সাইট্রাস ফুড

সাইট্রাস খাবারের মধ্যে কমলা অন্যতম। এর  মধ্যে থাকা ফিটোনিউট্রিয়েন্টস ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। এ ছাড়া কমলার  মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাবোনয়েডস, ক্যারোটিনয়েডস, টারপিন, প্যাকটিনস ইত্যাদি।  এগুলো শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

(৮) ওটস

ওটসের মধ্যে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট; যা  রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই নিয়ম করে ৩০ দিন ওটস খেলে  ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে।

গবেষণা করে দেখা গেছে যে, যে সমস্ত ডায়াবেটিক  রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাদের ডায়াবেটিস জনিত অসুখগুলো কম হয় এবং  স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি  শ্রেষ্ঠ পথ্য। যাদের ডায়াবেটিস নেই মেথি তাদের জন্যও জরুরি।মেথি সীমিত  মাত্রায় ডায়াবেটিস (টাইপ ১ ও টাইপ ২) নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে।

99
Thanks to provide the information

100
Pharmacy / Re: মানবদেহ - নাক-কান-গলা
« on: October 13, 2016, 02:06:40 PM »
Nice info

101
বাচ্চাদের টিফিনে, পিকনিকে কিংবা দ্রুত ক্ষুধা নিবারনের জন্য ইনস্ট্যান্ট নুডলস খুব বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু আপনি কি জানেন এই ইনস্ট্যান্ট নুডলস আমাদের দেহের জন্য কত বেশি ক্ষতিকর। একটি গবেষণায় এসেছে যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসে এত বেশি পরিমানে সোডিয়াম আছে যা আমাদের দেহে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনির ক্ষতি করে থাকে। এর পরও দিন দিনই পুরো বিশ্বে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ইনস্ট্যান্ট নুডলসের চাহিদা। কিন্তু এই খাবারটিকে জাঙ্ক ফুড হিসেবে ধরা হয়। প্রতি প্যাকেট ইনস্ট্যান্ট নুডলসে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট, সোডিয়াম অ অন্যান্য উপাদান আছে যা ক্ষতিকর কিন্তু ভিটামিন, ফাইবার, খনিজ পদার্থ নেই বললেই চলে। চলুন তাহলে জেনে নেই কেন ইনস্ট্যান্ট নুডলস আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর।
১। পুষ্টির বিশেষণঃ ৫ বছরের ছোট কোন বাচ্চকেই ইনস্ট্যান্ট নুডলস খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ এতে কোন স্বাস্থ্যকর উপাদান নেই।
২। ক্যান্সারে আক্রান্তের জন্য দায়ীঃ ইনস্ট্যান্ট নুডলসের একটি বিশেষ উপাদান ‘স্টাইরোফম’ যা আমাদের দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠন করার অন্যতম কারণ।
৩। গর্ভবতী নারীর জন্য ক্ষতিকরঃ গর্ভকালীন অবস্থায় অনেক নারী ইনস্ট্যান্ট নুডলস খেয়ে থাকেন। কিন্তু এই সময়ে দেহে প্রয়োজন ভিটামিন, ফাইবার, খনিজ পদার্থ জাতীয় খাদ্য। এবং যেহেতু এটি একটি জাঙ্ক ফুড তাই এই খাবার না খাওয়াই উত্তম।
৪। শুধুমাত্র কার্বোহাইড্রেটঃ এই ইনস্ট্যান্ট নুডলসে কোন স্বাস্থ্যকর উপাদান নেই কার্বোহাইড্রেট ছাড়া। তাই এই খাবারকে জাঙ্ক ফুড হিসেবেই ধরা হয়।
৫। অতিরিক্ত সোডিয়ামঃ ইনস্ট্যান্ট নুডলসে আছে অনেক বেশি পরিমানে সোডিয়াম যা আমাদের দেহের হৃদপিণ্ড ও কিডনির জন্য ক্ষতিকর।
৬। এমএসজীঃ মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট নামের এক ধরণের ফ্লেভার ব্যবহার করা হয় ইনস্ট্যান্ট নুডলসে এবং এই ফ্লেভারের জন্য যে সকল মানুষের এলারজি আছে তাদের মাথাব্যথা, শরীরে ব্যথা, বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
৭। অতিরিক্ত ওজনঃ মোটা হয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হল নুডলস খাওয়া। নুডলসে যে পরিমানে সোডিয়াম আছে তা আমাদের দেহের অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে এবং এই কারণে আমাদের দেহের ওজন বৃদ্ধি পায়। আর ওজন বেড়ে গেলে তা আমাদের হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
৮। হজম শক্তিতে সমস্যাঃ ইনস্ট্যান্ট নুডলস আমাদের দেহের হজম শক্তির জন্য খুব খারাপ। প্রতিদিন ইনস্ট্যান্ট নুডলস খেলে আমাদের দেহে হজম শক্তিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৯। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়ঃ ইনস্ট্যান্ট নুডলসে প্রপাইলেন গ্লাইকল উপাদান আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং এই কারণে আমাদের কিডনি, লিভার ও হার্ট এর ক্ষতি হয়।
১০। দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনঃ প্রতিদিন ইনস্ট্যান্ট নুডলস খেলে তা আমদের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সঠিক ভাবে হতে বাধা দেয়। কারণ ইনস্ট্যান্ট নুডলসে অবস্থিত অ্যাডিটিভস, রং ও প্রিজারভেটিভ থাকে তা দেহের রাসায়নিক বিক্রিয়াতে বাধা প্রদান করে।

102
শরীরে মূত্র তৈরি এবং দেহ থেকে তা নিঃসরণের জন্য যে অঙ্গসমূহ কাজ করে সেগুলোতে কোনো কারণে ইনফেকশন দেখা দিলে তাকে ইউনারি ট্রেক্ট ইনফেকশন (ইউটিআই বা UTI) বলে। আজকাল মেয়েদের মধ্যে এ অসুখটির প্রকোপ দেখা যাচ্ছে খুব বেশি। তবে একটু সতর্ক হলে এ রোগ থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি।
মূত্র নালীর সংক্রামন বা ইউটিআই রোগের কারণ:
♣ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া (৯৫% ) এবং কিছু ক্ষেত্রে ফাঙ্গাস,প্রোটিয়াস,কেবসিয়েলা,সিউডোমনাস অন্যতম।
♣ এ ছাড়া অনেকের এলার্জি জনিত কারনেও হতে পারে (সাময়িক হতে দেখা যায়)
♣ দীর্ঘসময় মূত্রতন্ত্রে জীবাণু অবস্থান করলেই UTI এর লক্ষণ গুলো দেখা যায়।
♣ মূত্রনালীর সক্রমন খুব বেশী হয় মেয়েদের। কারণ মেয়েদের মূত্রনালীর দৈর্ঘ্য ছোট,মেয়েদের মূত্রনালীর দৈর্ঘ্য মাত্র ১.৫ ইঞ্চি, অথচ ছেলেদের ৮ ইঞ্চি।
♣ মেয়েদের মূত্রদ্বার ও যোনিপথ খুব কাছাকাছি, মাসিক ঋতুস্রাবের সময় অনেক মেয়েরা ময়লা, ছেরা ও নোংরা জাতীয় কাপড় ব্যবহার করেন, এতে জীবানু প্রথমে যোনিপথে ও পরে সংলগ্ন মূত্রনালীকে সংক্রমিত করে
♣ মেয়েদের প্রস্রাব না করে আটকে রাখার প্রবণতা বেশি, তাই প্রস্রাবে সংক্রমন হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।
♣  যারা পানি কম পান করেন
♣ ডায়াবেটিস আছে যাদের
♣ প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হলে
♣ ষাটের বেশি বয়স হলে, যাদের রোগ অথবা প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের বেলায়।লক্ষণসমূহ:
১) ঘন ঘন প্রস্রাব
২) প্রস্রাবের প্রচণ্ড চাপ অনুভব
৩) প্রস্রাবের সময় ব্যাথা, জ্বালাপোড়া ও অসহ্য অনুভূতি
৪) তল পেটে স্বাভাবিকভাবে অথবা চাপ দিলে ব্যাথা অনুভব
৫) ঘন ফেনার মত অথবা দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব
৬) জ্বর-কাঁপুনিসহ অথবা কাঁপুনি ছাড়া
৭) বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া
৮) কোমরের পাশের দিকে অথবা পিছনে মাঝামাঝি অংশে ব্যাথা
৯) প্রস্রাবের চাপে রাতে বার বার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।চিকিৎসা:
♣ ড্রাগ থেরাপি হিসাবে চিকিৎসকরা নিম্ন লিখিত গ্রুপের ঔষধ সমুহ ব্যাবহার করে থাকেন, সেফালোস্পরিন, লিভোফক্সাসিন, গ্যাটিফক্সাসিন ইত্যাদি – খুবই ভাল যা ৯৬% কার্যকর ব্যাক্টেরিয়া জনিত কারনে হলে।
♣ অন্যদিকে ফাংগাসের কারনে হলে এন্টি ফাংগাল ড্রাগস দিয়ে থাকেন সেই সাথে চুলকানি থাকলে তা রোধ করার জন্য এন্টি ফাংগাল বা করটিকস্টারয়েড জাতীয় ক্রিম ও দেওয়া হয় বাহিরের চুলকানি দূর করার জন্য এবং বেশি বেথা থাকলে নিউরোস্পাস্মটিক ঔষধ বেশ আরাম দায়ক। পুনরাবৃত্তি সংক্রমণ না হওয়ার জন্য একি সাথে সহবাস সঙ্গীকে প্রতিষেধক এন্টিবায়োটিক দেওয়া উচিৎ।
♣ হারবাল: যেহেতু ইহা ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণে হয়ে থাকে তাই ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস কারি এন্টবায়োটিক ছাড়া এখন ও অন্য কিছু নাই, তবে সাপ্লিমেন্টারী হিসাবে WHO কৃতক অনুমদিত এবং সর্বশেষ রিসার্চ অনুসারে নিম্নের দুটি ঔষধ ভাল ফল দায়ক
– ( Cranberry 750mg Extract Super Strength ট্যাবলেট , যা দিনে তিনটি পর্যন্ত খেতে হবে – কেনবারি জুস খুভি ফল দায়ক যা দিনে ৩/৪ কাপ খেলে উপকৃত হবেন , তবে যাদের এলার্জি আছে তাদের জন্য নিষেধ।
অথবা ট্যাবলেট Bromelain 80 mg দিনে দুবার খেতে পারেন, তবে ইহা শিশুদের জন্য নিষেধ – (বারমুলিন মুলত আনারস কে বলা হয়েছে — অর্থাৎ আনারসের সিরাপ দিনে ২/৩ বার খেলে ভাল উপকার পাওায়া যাবে)
সঠিক চিকিৎসা হলে সাধারণত UTI ২-৩ দিনেই ভাল হয়ে যায়। তবে যাদের UTI কমপ্লিকেটেড (যাদের বার বার UTI হয়, যাদের Sexual অভ্যাস স্বাভাবিক নয়, সাথে ডায়াবেটিস বা অন্যান্য অসুখের উপস্থিতি যেগুলোতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ইত্যাদি কমপ্লিকেটেড UTI) সেটা ভাল হতে ১-২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। দরকার হলে শিরা পথেও এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে অনেক সময় হাসপাতালে ভর্তিও থাকতে হয়। মনে রাখবেন রোগের লক্ষণ উপশম হওয়া মানেই রোগমুক্তি নয়, চিকিৎসক যতদিন চিকিৎসা চালাতে বলবেন ততদিন চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। কমপ্লিকেটেড UTI তে সাধারনত ৩-৪ সপ্তাহ অসুধ খেতে হয়।
সতর্কতা: কোন ওষুধই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যাতিত সেবন করা নিষেধ।
প্রতিরোধ:
যে কোন অসুখে প্রতিরোধই সর্বোৎকৃষ্ট চিকিৎসা। জেনে নিন এই অসুখ প্রতিরোধের কিছু টিপস-
১) দিনে বার বার পানি ও অন্যান্য তরল যেমন ফ্রুট জুস, ডাবের পানি ইত্যাদি খাওয়া। পানি ও অন্যান্য তরল জীবাণুর সংক্রামণ ও বৃদ্ধি প্রতিহত করে মূত্রতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে।
২) বাথরুম ব্যবহারের পরে টয়লেট টিস্যু পিছন থেকে সামনের দিকে না এনে সামনে থেকে পিছনের দিকে ব্যবহার করা- যাতে মলদ্বারের জীবাণু মূত্র পথে এসে সংক্রমণ করতে না পারে।
৩) যৌন সহবাসের আগে ও পরে অবশ্যই প্রস্রাব করা-যাতে মূত্র নালীতে আগত সকল জীবাণু পরিষ্কার হয়। অনেকের সহবাসের পরই UTI শুরু হয়। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী UTI প্রতিরোধক এন্টিবায়োটিক সহবাসের পর নেয়া যেতে পারে।
তাই উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। এক্ষেত্রে একজন ইউরোলজিস্ট আপনার জন্য সর্বোৎকৃষ্ট পরামর্শদাতা হতে পারে।
মনে রাখবেন, চিকিৎসায় যার প্রথমবার UTI ভাল হয়েছে, তার ২০% সম্ভাবনা রয়েছে দ্বিতীয়বার ইনফেকশন হওয়ার, যার দ্বিতীয়বার ভাল হয়েছে, তার ৩০% সম্ভাবনা রয়েছে তৃতীয় বার ইনফেকশন হওয়ার- এভাবে সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। তাই প্রতিরোধের উপায়গুলো অভ্যাস করুন, সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং সুস্থ থাকুন।

103
থাইরয়েড আমাদের শরীরে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি যা থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনের জন্য দায়ী। শরীরের মেটাবলিক প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে এই হরমোন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। থাইরয়েড সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে মহিলারা বেশি ভুগে থাকেন। মহিলারা এই রোগে কেন বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন, এর সঠিক কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। মূলত আয়োডিনের অভাবের কারণে থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। থাইরয়েড সমস্যায় ওষুধই একমাত্র সমাধান। তবে কিছু খাবার আছে থাইরয়েড সমস্যায় এড়িয়ে চলা উচিত।
১। কফি
ক্যাফিন থাইরয়েড হরমোনকে ব্লক করে দিয়ে থাকে। Lee মনে করেন “যারা সকালের কফির সাথে থাইরয়েডের ওষুধ খেয়ে থাকেন, তাদের থাইরয়েড লেভেল অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে এটি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। পানি দিয়ে ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন। কফির পরিবর্তে ফলের রস খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২। অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট
University of Maryland Medical Center এর মতে সম্পৃক্ত চর্বি এবং ট্রান্স চর্বি দেহের ইনফ্লামেশন বৃদ্ধি করে থাকে, তাই ফ্যাটিযুক্ত খাবার বিশেষত ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করা উচিত। চর্বিযুক্ত রেড মিট, প্রোসেসড ফুড, দুধ এবং দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন। মাছ, ফল, সবজি, বাদাম ইত্যাদি খাওয়া শুরু করুন। ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় রাখুন।
৩। দুধ
থাইর‍য়েডের সমস্যা থাকলে দুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। তবে স্কিমড দুধ খাওয়া যেতে পারে। এটি স্বাস্থ্যকর এবং সহজে হজম হয়ে যায়। ফুল ফ্যাট দুধের সাথে সাথে দুগ্ধজাত খাবার যেমন পনির, চিজ, আইসক্রিম, দই ইত্যাদি খাবার খাওয়া এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
৪। চিনিযুক্ত খাবার
হাইপোথাইরয়েডিজম শরীরের মেটাবলিজমকে স্লো করে দিয়ে থাকে। তাই এইসময় দ্রুত ওজন বৃদ্ধি পায়। এইসময় খাবার গ্রহণে একটু বেশি সচেতন হতে হয়। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। সম্ভব হলে চিনিযুক্ত সকল খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিন।
৫। সমৃদ্ধ শস্য
সমৃদ্ধ ময়দা অথবা ময়দা জাতীয় খাবার হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এতে উচ্চ গ্লাইসেমিক উপাদান আছে যা রক্তে হরমোনের স্তর বৃদ্ধি করে থাকে। থাইরয়েড সমস্যায় লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

105
Pharmacy / Square Hospital visit by 3rd year studnts
« on: October 13, 2016, 11:36:22 AM »
Hospital pharmacy is a core subject of the syllabus of B.pharm pharmacy. There are opportunities to work as hospital pharmacists in several hospital. Square hospital is one of the leading hospitals in Bangladesh which is practicing clinical hospital pharmacy for several years. It was a great opportunity to visit the hospital as well as observing the practices. The students of 3rd year was enable to receive the opportunity. On 1st day-08/10/2016, at 2.30 p.m 20 students were entered the premises of Square Hospital. They visited IPD, OPD,Inventory and other facilities of the hospital pharmacy. Same as 1st day, students also visited the hospital on 09/10/2016 and 10/10/2016. Total visit was conducted by Pharmacist Jahid of  Square hospital. The visit was arranged and guided by guided by Farjana Islam Aovi, Lecturer, Dept of pharmacy.We are grateful to Prof. Sitesh C Bachar, Consultant of Square hospital without him this visit was not possible. we are also thankful to Farhana Israt Jahan ,Senior Lecturer,Shadia Afrin Brishti and Sabrina Chowdhury raka,Lecturer for their co operation. We hope this approach will be continued in future for making the students more compatible and confident for pharma job market.

Pages: 1 ... 5 6 [7] 8 9