Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - kamruzzaman.bba

Pages: 1 [2] 3 4 ... 15
16
Thanks Mam for sharing  :)

18
উদ্যোক্তা হওয়ার পথটা কী আসলেই সোজা পথ? অনেকেই মনে করে উদ্যোক্তা হতে হলে শুধু ইনভেস্টমেন্ট হলেই চলে। কিন্তু আসলেই কী তাই?

একবিংশ শতাব্দীর এই “নলেজ ইকোনমির” যুগে প্রত্যেক উদ্যোক্তার টাকা থাকুক আর না থাকুক জ্ঞ্যন অবশ্যই থাকতে হবে। উদ্যোক্তা হওয়ার পথটা একদম সোজা না, আঁকাবাঁকা পথ সাথে বিভিন্ন ঝুকি, চ্যালেঞ্জ আর অনেক অনেক এড্রেন্যালিনের ক্ষরণ। শিক্ষা হলো উদ্যোক্তাদের জন্য এই আঁকাবাঁকা পথ সহজে পাড়ি দেওয়ার একটি বাহন।

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি প্রত্যেক উদ্যোক্তার জন্য বিশেষ কিছু জ্ঞানের প্রয়োজন হয়, যেসব অভিজ্ঞতা তার চলার পথকে সহজ করে। জনপ্রিয় ফোর্বস ম্যাগাজিনের মতে উদ্যোক্তাদের জন্য দরকার এমন ১৩টি শিক্ষার তালিকা দেওয়া হলো:

১.  অন্যর ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া

কথায় আছে বুদ্ধিমান মানুষেরা ভুল থেকে সব সময় শিক্ষা নিয়ে থাকে, যেন পরবর্তীতে সেই ভুলটা না করে। উদ্যোক্তাদের জীবনে ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক কিন্তু সেই ভুলের খেসারতটা কিন্তু ততটা স্বাভাবিক থাকে না। তাই প্রত্যেক উদ্যোক্তার উচিত সব সময় সতর্ক থাকা। আশেপাশে কী হচ্ছে সে ব্যাপারে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া যেন অন্য উদ্যোক্তার ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারে। এই জন্য প্রতিটা মূহুর্ত চোখ কান খোলা রেখে কাজ করে যেতে হবে। তাই বলে এমন না যে এই পরামর্শ মেনে চললে আপনার কোন ভুল হবে না। প্রত্যেক উদ্যোক্তাই মানুষ আর মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। তবে আপনার কোনো ভুল হয়ে গেলে সেই ভুলের ক্ষয়ক্ষতি কীভাবে কমিয়ে আনা যাবে সেই বিষয়টা ভালোভাবে বুঝতে হবে আপনার।

২. নিজের টাকা এবং নিজেকে ম্যনেজ করা শিখুন

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস কী জানেন?

আপনি এবং টাকা। হ্যা, আপনি যদি সঠিকভাবে নিজেকে এবং আপনার ব্যবসার টাকাকে ম্যানেজ করতে পারেন তাহলেই অনেক কিছু সহজ হয়ে যাবে ব্যবসা সামনে আগানোর জন্য। অনেক উদ্যোক্তাই অল্প সাফল্যেই নিজেকে অনেক বড় কিছু মনে করা শুরু করে এবং অযথাই খরচ করে বড় অফিস, সুন্দর ফার্নিচার দিয়ে। এভাবে ক্যশ বার্ণ করার ফলে অল্প দিনেই ব্যবসার ফান্ডের বারোটার সাথে চৌদ্দটাও বেজে যায়। তাই সব সময় মনে রাখতে হবে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই আপনাকে

টাকা খরচের ব্যাপারে বুদ্ধিমান হতে হবে
নিজের সময়ের সঠিক ব্যাবহার করতে হবে
রুটিনের মধ্য থাকতে হবে
৩. নেটওয়ার্কিং

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কে আপনি লিড দিবেন ঠিক আছে, কিন্তু আপনি একাই সফলতা নিয়ে আসতে পারবেন না। আপনার দরকার মানুষ যারা আপনার স্বপ্ন পূরণের জন্য আপনাকে সাহায্য করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার পথটা কখনোই একাই জয় করা যায় না। আপনার একটি টিম লাগবে যারা আপনার পাশে থেকে আপনার যাত্রার সঙ্গী হবে।

৪. নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া

ভুল করে ফেলেছেন? হা-হুতাশ করছেন, এটা আমি কী করলাম? মাথার চুল ছিড়ে ফেলতে ইচ্ছা করছে?

ব্যাপার না, প্রত্যেক নতুন উদ্যোক্তার জন্য ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। বুদ্ধিমানের কাজ কী হবে জানেন? ঠান্ডা মাথায় এই ভুল গুলো শুধরা্নো এবং এ থেকে শিক্ষা নেওয়া যেন ভবিষতে এই কাজ আর না করেন। একসময় দেখবেন এই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াটাই আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক ছিল।

৫. আপনার কাজের সাথে মিল আছে এমন উদ্যোক্তাদের ফলো করা

ইন্টারনেটের কল্যাণে সারা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আমরা সহজেই যেকোন তথ্য পেয়ে থাকি। উদ্যোক্তাদের উচিত এর সর্বোচ্চ ব্যাবহার করা। নিজের কাজের ক্ষেত্রের সাথে মিল আছে এমন অন্য উদ্যোক্তাদের কাজের ব্যাপারে খেয়াল রাখা, যেন তারা কী করছে এবং আপনি কী করছেন সেই ব্যাপারে পূর্ণ সজাগ থাকতে পারেন। তাহলেই আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় কোথায় আপনার সংশোধন করতে হবে।

৬. টিম তৈরি

উদ্যোক্তা জীবনের শুরুতে সব কাজ নিজে করাটা অনেক বুদ্ধিমান অপশন মনে হলেও, ব্যবসা বাড়ার সাথে সাথে আপনার একা সব কাজ করার মানসিকতা বোকামি হয়ে যাবে। ব্যবসা বড় করার জন্য আপনার দরকার একটি সফল টিম, যারা আপনার সাথে আপনার ব্যবসার হাল ধরবে। টিম তৈরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক মানুষকে সঠিক জায়গায় দেওয়া। সবাই মিলে একসাথে কাজ করার মধ্যই সফলতা নির্ভর করবে।

৭. দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া

সিদ্ধান্ত গ্রহণ যেকোন মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও উদ্যোক্তাদের জন্য দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনেক বেশী দরকার। উদ্যোক্তা পথটা অনেক বেশী চ্যলেঞ্জ সমৃদ্ধ, তাই যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুণ থাকা দরকার। অনেক প্ল্যান করে কাজ করার পরও মাঝে মাঝে এমন পরিস্থিতি এসে পড়ে যেগুলো হয়তো আমাদের প্ল্যানের অংশ ছিল না, এই মূহুর্তগুলোতে আগে থেকে করা ফুল-প্রূফ প্ল্যান বাদ দিয়ে দ্রুত অন্য প্ল্যান করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৮. নিজের কাজ নিয়ে ভাবুন

সারাদিনের কাজকর্ম নিয়ে চিন্তা ভাবনার জন্য রাতে নিজের জন্য একটু সময় বরাদ্দ রাখা দরকার। এই সময়টাতে সারাদিন আপনি কী কাজ করলেন, কীভাবে কাজ করলেন, কাজগুলো আর কীভাবে করলে বেশী ভালো হতো বা পরের দিন কীভাবে বাকী যে কাজগুলো আছে সেগুলো কিভাবে সারবেন সেটার একটা কর্ম পরিকল্পনা মনে মনে ঠিক করে রাখা। এভাবে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার কোন কাজটা কীভাবে করলে আরো ভালো আউটকাম আসবে।

৯. মেন্টর ঠিক করা

অভিজ্ঞতা কখনো বিফলে যায় না, তাই প্রত্যোক উদ্যোক্তার উচিত নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে যারা সফল তাদের থেকে সাপোর্ট নেওয়া। মেন্টর ঠিক করে তাদের সাথে যোগাযোগ রেখে যেকোন চ্যলেঞ্জের সম্মুখিন হলে তাদের থেকে সাহায্য নেওয়া।

১০. মানি ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে সচেতন থাকা

দিনশেষে আপনি কিন্তু প্রফিটের জন্যই ব্যবসা করছেন। তাই না? “ক্যাশ ইজ কিং” স্টার্টাপ বিজনেসে টাকা ম্যনেজ করাটা খুবই দরকার। কারণ এই সময় অতিরিক্ত ক্যাশ বার্ন আপনার ব্যবসার জন্য বিপদ বয়ে আনতে পারে। কোথায় কত খরচ করতে হবে সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারনা থাকা, বাজেটের অতিরিক্ত কখনো যেন খরচ না হয় লক্ষ্য রাখা কারণ দিনশেষে ব্যবসার ক্ষেত্রে সবাই লাভ-ক্ষতির হিসাবই কষবে। তাই মানি ম্যানেজমেন্ট এর জ্ঞান রাখা দরকার।

১১. পরিবর্তনশীল হোন

আমাদের যুগটা কিন্তু পরিবর্তনের যুগ। সময়ের সাথে সাথে মানুষের চাহিদা, আচার আচরণের ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। তাই একজন উদ্যোক্তার উচিত সব সময় পরিবর্তনের সাথে নিজেকে এবং নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করা। তাহলেই আপনি লম্বা সময় ধরে ব্যবসা করে যেতে পারবেন।

১২. যেকোন পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিন

একজন উদ্যোক্তার জীবনে শিক্ষার সময়কাল কখনো শেষ হয় না। প্রতিটি পরিস্থিতি থেকে তাকে শিক্ষা নিতে হয়। এমন একটি মানসিকতা তৈরি করুন যাতে আপনার কাজের ভালো খারাপ সব দিকগুলো আপনি পর্যালোচনা করতে পারেন।

১৩. ভয় না পেয়ে কাজ শুরু করুন

নতুন কিছু করতে চাচ্ছেন? কিন্তু ভয়ের লাগাম আপনাকে টেনে ধরেছে?

এটা অস্বাভাবিক কিছু না, মানুষ মাত্রই নতুন কিছুতে ভয় পায়। কিন্তু উদ্যক্তা হতে হলে আপনার মনে রাখতে হবে, এই নতুন কিছু জয়ের আশায় আপনাকে ভয় দূর করতে হবে। যেকোনো কিছু করার জন্য যে সাহসিকতা প্রয়োজন সেটা আপনাকে অর্জন করতে হবে। সবচেয়ে দারুণ উপায় হলো কাজে নেমে পড়ুন এবং কাজ করতে করতে শিখুন।

সূত্র: ফোর্বস

নাইমা জাহান : শিক্ষার্থী, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

https://the-prominent.com/others-article-6361/

19
প্রযুক্তি একটা অস্পষ্ট রেখা তৈরি করছে কাল্পনিক জগৎ এবং বাস্তবতার মাঝে। সাধারণত তড়িৎ সংকেতগুলো অনুবাদিত হয় আমাদের মস্তিষ্ক দ্বারা। গেইমাররা গড়ে প্রতি সপ্তাহে ৭ ঘন্টা করে খেলে। লাইমলাইট নেটওয়ার্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠান ২০০৯ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী তারা আরো বেশি সময় দেয় ইউটিউবে তাদের সঙ্গীদের সাথে।

এর মানে এই সুযোগকে যদি কাজে লাগানো যায় তাহলেই কিন্তু একজন সফল ক্রিড়াদ্যোক্তা হওয়া যায়। গেমিং এন্ট্রাপ্রেনার তৈরি করায় সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে পাশ্চাত্যের দেশগুলো। পার্শ্ববর্তী দেশ  ভারতও ভর্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি কাজে লাগিয়ে তৈরি করছে বিভিন্ন গেইম। আর্গুমেন্টেড রিয়েলিটি, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেইমে বা বাস্তব জীবনে ব্যবহার করা হতে পারে উদ্যোক্তাদের জন্য  সুবর্ণ সুযোগ। দূর্ঘটনা এড়াতে এখন পাইলটদের প্রশিক্ষণও প্রাথমিকভাবে করানো হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে। তার মানে এদেশেও এই ক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করার মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন গেমিং এন্ট্রাপ্রেনিউররা। এরজন্য এই সেক্টর সম্বন্ধে জানতে হবে বেশকিছু বিষয়। যারমধ্যে রয়েছে:

১. ব্লকচেইন গেইমিং

২. ক্রস প্ল্যাটফর্ম অ্যান্ড ওপেন সোর্স ডেভেলপমেন্ট

৩. আর্গুমেন্টেড রিয়েলিটি

৪. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি

গেমিং ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে একটি বিশাল মার্কেটপ্লেস যেটার ভ্যালু বিলিয়ন ডলারের ও বেশী। নিন্টেন্ডো সুইচ, প্লেস্টেশন, উইন্ডোজ, এনড্রয়েড বিভিন্ন প্লাটফর্ম ও ডিভাইসের জন্য নির্মাণ করা গেম এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ‘গেমার’ এখন একটা সম্মানজনক পেশাও বলা যায়। গেমিং কোম্পানিগুলো তাদের নতুন নির্মিত গেমগুলোতে ত্রুটি খুজে বের করতে বা ইউজার এক্সপিরিয়েন্স উন্নত করতে গেমারদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে অনেক গেমিং প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে যেখানে নানান বয়সের গেইমারদের অংশগ্রহণ ঘটে থাকে। গেইমাররা অনলাইন প্লাটফর্মে বিশেষ করে ইউটিউবে গেম লাইভ স্ট্রিমিং করে থাকেন এবং এসব স্ট্রিমিংয়ে অডিয়েন্স বা দর্শকও থাকেন প্রচুর। বিনিময়ে গেমাররা ইউটিউব থেকে প্রচুর অর্থ পেয়ে থাকেন বিজ্ঞাপন প্রদর্শন বাবদ। বিখ্যাত কিছু গেমারদের কথা বলা হলে প্রথমেই চলা আসবে পিউডিপাই (PEWDIEPIE) এবং নিঞ্জার (NINJA) কথা।

প্রযুক্তিতে যথেষ্ট জ্ঞানসম্পন্ন যে কেউই এন্ড্রয়েড গেম ডেভেলপমেন্ট শিখে আকর্ষণীয় মোবাইল গেম নির্মাণ করতে পারেন। এরপর সেটি গুগল প্লে স্টোরে পাবলিশ হলে এবং গেমটি পপুলার হলে সেটি থেকে অনেক অর্থ উপার্যন করা সম্ভব।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে আস্তে আস্তে সবই হতে থাকবে প্রযুক্তিনির্ভর। ফিল্ডে নেমে অনেককিছু করার বদলে সব হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ঘরে বসে সহজেই। যার জন্য এখন থেকেই এইদিক নিয়ে ভাবতে হবে। বিশেষ করে যারা প্রযুক্তি নিয়ে ব্যবসা করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য কিন্তু এইক্ষেত্র বেশ লাভজনক এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। তবে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে আর দেরি কিসের? এই সেক্টরে প্যাশন থেকে থাকলে পর্যাপ্ত ঘাটাঘাটি করে নেমে পড়ুন আর বাজারকে দখল করুন। তবে সাবধান প্যাশন এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া এই সেক্টরে নামাটা কিন্তু আপনার জন্য হতে পারে নেহায়াতই বোকামি।

সূত্র: এন্ট্রাপ্রেনার ডটকম

সাজিয়া আফরিন সুলতানা মিথিল : শিক্ষার্থী, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

https://the-prominent.com/others-article-6360/

20
Finance – Fund Management / Walton’s share bidding begins Monday
« on: March 03, 2020, 01:30:25 PM »
The bidding period for eligible investors to discover the cut-off price of Walton Hi-Tech Industries shares through electronic subscription system will commence tomorrow (Monday).

The electronic bidding will continue until 5.00pm on March 5 round-the-clock, officials said.

The stock market regulator -- Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) -- allowed Walton Hi-Tech to explore its cut-off price on January 7 - a requirement for going public under the book building method.

As per the regulatory approval, the company will raise a capital worth Tk 1.0 billion using the book building method to expand business and repay bank loans.

Book building is a process through which an issuer attempts to determine the price to offer for its security based on demand from institutional investors.
As per the book building method, the eligible investors will get 50 per cent shares at the cut-off price through electronic bidding.

The remaining 50 per cent shares will be open to the IPO participants, including affected small investors and non-resident Bangladeshis, at a 10 per cent discount on the cut-off price.

Apart from business expansion and loan repayment, the company’s IPO proceeds will be used to bear the cost of public offering process.

According to the financial statement for the year ended on June 30, 2019, the company’s weighted average earnings per share were Tk 28.42 and net asset value per share was Tk 243.16 after revaluation. The net asset value per share was Tk 138.53 before revaluation.

AAA Finance and Investment Ltd is the issue manager for the company’s IPO.

https://thefinancialexpress.com.bd/stock/bangladesh/waltons-share-bidding-begins-monday-1583049665

22
Thanks for sharing 

23
Thanks for Sharing
Informative

24
Robi, the second largest mobile operator in Bangladesh, is seeking to raise Tk 5.2 billion from the capital market through an initial public offering (IPO).

It plans to offload about 523.8 million shares at 10 taka each on the Dhaka and Chattogram stock exchanges, Robi's parent company Axiata Group Berhad announced in a Malaysian stock exchange filing on Friday.

The proceeds from the proposed listing will be used to fund Robi's capital expenditures and enhance its profile as one of the leading mobile telecommunication services in Bangladesh, according to Axiata.

The move will also provide an opportunity for Bangladeshi and global investors, including eligible directors and employees of Robi to become its shareholders and participate in the future performance of the firm by way of direct equity participation.

Robi has appointed IDLC Investments Ltd as the issue manager for the IPO.

The process of listing and IPO is expected to be completed by the fourth quarter of 2020, Axiata said. 

Robi's subscriber base currently stands at 46.9 million, representing 29.9% of the subscriber market share. Malaysia-based Axiata owns a 68.9 percent stake in the mobile network operator.

https://bdnews24.com/business/2020/02/21/robi-seeks-to-raise-tk-5.2bn-through-ipo-in-bangladesh

25
Country’s largest online marketplace Daraz Bangladesh Limited (daraz.com.bd) has come up with a new initiative to provide its e-commerce services to the people living in the remote areas of the country.

The main objective of the project, Daraz Village, is to connect the rural people with e-commerce and gain their trust.

Free Wi-Fi zones are being created in village markets to help customers and sellers gain access to Daraz online shopping in Bangladesh, according to a media release. 


This process involves an agent who helps local customers to make purchases on the app and orders products on their behalf.

In this case, the customer can benefit both ways by not only ordering the product but also by enlisting their own product on the website for selling purpose.

One of the biggest benefits of Daraz Village is that the customers can enjoy the best products at the best prices from any corner of Bangladesh without having their own smartphones, the release added.

So far 95 Daraz Villages have been launched in 21 districts of Bangladesh and the company has a plan to launch a total of 260 Daraz Villages by the end of this year.

As Daraz Village is working with the objective to create a rural customer base, they have planned to provide free internet access through WiFi hotspot in future.

https://thefinancialexpress.com.bd/trade/daraz-village-brings-e-commerce-services-in-rural-areas-1582439275

26
Business & Entrepreneurship / Re: NPLs down by Tk21,957cr in 3 months
« on: February 22, 2020, 07:41:48 PM »
Good News Indeed
But other issues may not be covered in this news.

28
প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপগুলোকে সহায়তা প্রদান করে এমন একটি বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানের নাম ‘ইমপ্যাকটেক’। এটি ২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজিক সমস্যার প্রযুক্তিগত সমাধান দিতে চায় যেসব স্টার্টআপ সেগুলোকে বাস্তবায়ন করতেই মূলত সহায়তা করে থাকে ইমপ্যাকটেক।

সমাজিক সমস্যা মোকাবেলায় একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে প্রযুক্তি। বিশ্বব্যাপী সমাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য নানা ধনের পথ খোঁজা হচ্ছে। সন্দেহ নেই, প্রযুক্তি হতে পারে একটি অন্যতম সেরা উপায়। তাই সামাজিক সমস্যা সমাধানের উদ্ভাবনী ধারনাকে তহবিল দিয়ে সহায়তা করতে বদ্ধ পরিকর ইমপ্যাকটেক।

ইমপ্যাকটেক থাইল্যান্ড মিটআপ

ইমপ্যাকটেকের আয়োজনে থাইল্যান্ড মিটআপ নামে একটি ইভেন্ট অনিুষ্ঠিত হয়। এটি ল্যান্ডের টিডিপিকে ট্রু ডিজিটাল পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। এই ইভেন্টে স্টার্টআপ, বিনিয়োগকারী এবং প্রযুক্তিবিদরা একত্রিত হয়ে থাকেন। নবীন উদ্যোক্তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত করা এবং অংশীদার ও বিনিয়োকারী অনুসন্ধান করার সবচেয়ে ভালো প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে এই থাইল্যান্ড মিটআপ।

সুইডেনের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ইমপ্যাকটেক

সুইডেনের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ‘ইমপ্যাকটেক’ ছিল দর্শনার্থীদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা। তারা সামাজিক প্রযুক্তি ও গ্লোবাল ট্রেনগুলির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছেন। এ আয়োজনের ‘প্রশ্নত্তোর পর্ব’ ছিল সবচেয়ে জমজমাট। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের ক্রমবর্ধমান স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

কোরিয়ার শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ইমপ্যাকটেক

কোরিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮০জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে ‘ইমপ্যাকটেক কোরিয়া’ আয়োজন করেছিলেন। এই আয়োজনেও ছিল প্রশ্নত্তোর পর্ব।

সূত্র: ই-২৭ ডটকম

হিমেল হাসান : শিক্ষার্থী, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

https://the-prominent.com/others-article-6359/

29
ট্রু ইনকিউব এমন একটি বাস্তুতন্ত্র যা উদ্ভাবনী ব্যবসা তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরনের স্টার্টআপকে সমর্থন করে। যারা সদ্য ব্যবসা শুরু করেছেন তাদের আয় বৃদ্ধির জন্য থাইল্যান্ডে বিশাল সুযোগ রয়েছে। আমরা জানি যে থাই জনগণের দক্ষতা রয়েছে। তারা সব সময় চেষ্টা করেন বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ কাজে লাগিয়ে দেশকে পরিবর্তন করা।

সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য ট্রান্সইঙ্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠান ‘ট্রু ইনকিউব ইনকিউবেশন এবং স্কেলআপ’ কর্মসূচি চালু করেছে। এর মাধ্যমে নবীন উদ্যোক্তা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। ট্রু ইনকিউব একজন ঘনিষ্ট বন্ধুর মতো নতুন স্টার্টআপটিকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করবে।

প্রক্রিয়া: ট্রু ইনকিউব ইনকিউবেশন এবং স্কেলআপ’ কর্মসূচিটি ১০ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারবে। নির্বাচিত স্টার্টআপগুলো ১৮ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বীজ তহবিল পাবে। ট্রু ইনকিউবের নির্বাচিত উদ্যোক্তারা সিলিকন ভ্যালি ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

ট্র ইনকিউব থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার। সংস্থাটি নবীন উদ্যোক্তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করে একটি নতুন স্টার্টআপকে সফল উদ্যোগে পরিণত করে।

সূত্র: ই-টুয়েন্টি সেভেন

জেরিন তাসকি মীম : শিক্ষার্থী, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

https://the-prominent.com/entrepreneur-startup-article-63101/

Pages: 1 [2] 3 4 ... 15