Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Raja Tariqul Hasan Tusher

Pages: 1 2 [3] 4 5 6
31
Thanks for sharing

35
১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি শুরু হওয়া প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের পর গতকাল সোমবারই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এক দিনের কেনাবেচায় সর্বোচ্চ কমেছে। গতকাল এক দিনেই জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ৩৩ শতাংশ। করোনা মহামারির প্রভাব যেন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব তেলের বাজারে।

গতকাল তেলের বাজারে দিনভরই অস্থিরতা ছিল। একপর্যায়ে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম কমে ২৭ দশমিক ৩৪ ডলারে নেমে আসে। ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির পর এটি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সর্বনিম্ন দর। লেনদেনের এর আগে-পরে অবশ্য ব্যারেলপ্রতি কখনো ৩৩ দশমিক ৮৯ ডলার, কখনোবা ৩১ দশমিক শূন্য ২ ডলার, কখনো ৩০ দশমিক ১৬ ডলারে কেনাবেচা হয়। শেষ লেনদেন হয় ৩৩ দশমিক ১৫ ডলারে।

সিএনএনের এক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব গত সপ্তাহে শেষে তেলের ‘দাম-যুদ্ধ’ শুরু করায় বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গত শুক্রবার তেলের দাম বাড়ানোর জন্য উৎপাদন কমাতে ওপেক ও রাশিয়া কোনো চুক্তিতে না পৌঁছাতে পারায় পরদিন সৌদি আরব তাদের তেলের দাম কমিয়ে দেয়। শুরু হয় তেলের ‘দাম-যুদ্ধ’। এমনিতেই কয়েক মাস ধরে করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বব্যাপীই জ্বালানির চাহিদা কমে গেছে। করোনার কারণে চীন থেকে প্রতিদিন এক কোটি ব্যারেল তেলের চাহিদা কমে গেছে।

ক্রমহ্রাসমান চাহিদা কমার কারণে দাম কমায় কে যে লাভবান হবে, তা বলা মুশকিল। প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর তেল কোম্পানিগুলো বাজারে শেয়ারের দর হারাতে শুরু করেছে। রাশিয়ার দাবি, দাম কমে যাওয়ায় তাদের অর্থনীতিতে তেমন প্রভাব পড়বে না। কারণ, ব্যারেলপ্রতি ৪০ ডলার ধরে বাজেট পরিকল্পনা করে রাশিয়া।

উপসাগরীয় দেশগুলো, যেমন: সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত তেলনির্ভর অর্থনীতি। এসব দেশের সরকারি ব্যয় অনেক বেশি। নিজেদের আয়–ব্যয়ের হিসাব মেলাতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম অন্তত ৭০ ডলার হওয়া প্রয়োজন তাদের জন্য। এ ছাড়া তেল রপ্তানিনির্ভর দেশ, যেমন: ইরাক, ইরান, লিবিয়া ও ভেনেজুয়েলাকে চড়া মূল্য দিতে হবে। পার পাবে না যুক্তরাষ্ট্রও। কম দাম দেশটির তেল কোম্পানিগুলোকে ভালোই আঘাত করবে।

36
মানবাধিকার নিশ্চিত হলেই নারীর অধিকার নিশ্চিত হবে। সমাজ, সভ্যতা, সংস্কৃতি এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে নারীদের অধিকারের লড়াই চলমান। সভ্যতার আজকের বাস্তবতাতেও নারীদের সর্বক্ষেত্রে অধিকার ও সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলে নারীদের এগিয়ে চলার প্রতিটি ধাপ আজও মসৃণ হয়ে ওঠেনি। তাই মানবাধিকারই নারী অধিকার।

নারী দিবসকে সামনে রেখে নিউইয়র্কে এক আলাপ-সংলাপ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেছেন। ‘আমিই প্রজন্ম সমতা-নারীর অধিকার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর জ্যাকসন হাইটসে জমায়েত হন নারী সংগঠক, লেখক, সাংবাদিক ও নানা কাজে সক্রিয় নারীরা। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা ও এসেনশিয়াল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর আয়োজিত নারী দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন শিমু আফরোজ ও রূপা খানম। স্বাগত বক্তব্য দেন মনিজা রহমান।

নিউইয়র্কে নারী সংগঠকদের অন্যতম পথিকৃৎ নার্গিস আহমেদ আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, নারী অধিকারের সঙ্গে অধিকারসচেতন পুরুষদের কোনো বিরোধ নেই। নিজেদের যোগ্য করে তোলার মধ্য দিয়ে নারীদের এগিয়ে যেতে হবে। বিপত্তিগুলোকে চিহ্নিত করে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ তাঁর বক্তব্যে নারীর লড়াইকে চিহ্নিত করার জন্য নারী অধিকার নিয়ে সচেতনতাকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

আলাপ সংলাপ আর সংগীতে নিউইয়র্কের আলোকিত নারীদের আলোচনায় উঠে আসে নিজেদের সংগ্রাম আর সাফল্যের কথা। রওশন হক, জাহেদা আলম, সানজিদা ঊর্মি ও মনজুরুল হকের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অনেকেই বক্তব্য রাখেন। কবিতা পড়েন জেবুন্নেছা জ্যোৎস্না, সেলিনা আক্তার, মাকসুদা আহমদ, নিনি ওয়াহিদ, আলেয়া চৌধুরী, নার্গিস আহমেদ, অ্যাকটিভিস্ট রোকেয়া আখতার, জুলি রহমান, সুতপা মণ্ডল, সুলেখা পাল, নিরু নিরা, এইচ বি রিতা, আইরীন রহমান, ভায়লা সালিনা, পিনাকী তালুকদার, মনীষা তৃষা, রওশন হাসান, কান্তা কাবীর, রাজিনা চৌধুরী, ফরিদা ইয়াসমীন, রওশন হাসান, চন্দা খান, শিরিন আখতার সাঈদা ও আফরোজা বেগম রোজি।

37
Common Forum / পোশাকে আরামের খোঁজ
« on: March 10, 2020, 01:48:23 PM »
শীত শেষ। বসন্তের শুরু থেকেই আবহাওয়ায় গরম ভাব। আর সামনের মাসেই শুরু হচ্ছে গরমকাল। তাই পোশাকে এসেছে পরিবর্তন। ফ্যাশন হাউস আর কাপড়ের দোকানের তাকে শোভা পাচ্ছে গরমের সংগ্রহ। ছেলেদের পোশাকে সুতিই প্রাধান্য পাচ্ছে। কারণ, এই সময়ে সবচেয়ে বেশি দরকার আরাম। সেটা তো সুতিতেই মেলে।

ফ্যাশন হাউস ওটুর স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার জাফর ইকবাল বললেন, গরম মানেই চাই আরাম। গরমে নরম সুতি কাপড়ের চাহিদা বেশি থাকে। তাই ছেলেদের সব ধরনের পোশাকে সুতি কাপড়ের ব্যবহারই বেশি করা হচ্ছে। এ সময় দাওয়াতে গেলেও পোশাক নির্বাচনে থাকতে হবে সচেষ্ট।

টি-শার্ট: একস্ট্যাসি
টি-শার্ট: একস্ট্যাসি
১.সাদা রঙের পোশাক গরমে শরীরের পাশাপাশি চোখে প্রশান্তি এনে দেয়। নীল জিনসের সঙ্গে গোল গলার সাদা টি-শার্ট। ছেলেদের ক্যাজুয়াল স্টাইলে আরাম এনে দেবে এমন সাজপোশাক। সাদা টি-শার্টের পেছন দিকের নীল রঙে লেখাটাও সুন্দর দেখাবে। টি-শার্ট: একস্ট্যাসি

২.গরমে তরুণদের কাছে সবচেয়ে পছন্দের পোশাক টি-শার্ট। বাসন্তী রঙের এই পোলো টি-শার্টে কোনো বিশেষ নকশা নেই। তবে হাতা আর কলারের সাদা চিকন দাগে বৈচিত্র্য এসেছে। তার সঙ্গে মিলিয়ে ঘিয়ে রঙের প্যান্ট আর কালো বেল্টে ফ্যাশন ও আরাম দুটোই পাবে দশে দশ। টি-শার্ট: ইজি

৩.সুতি শার্টে আরাম। মোটা সুতার গ্যাবার্ডিন কাপড়ের ওয়াশ করা চাঁপা সাদা প্যান্টের সঙ্গে হালকা রঙের শার্ট। নকশা বলতে কলারের দুই দিকে কালো রঙের বিছা। শার্ট ও প্যান্ট: ওটু

৪.ফুলহাতা সাদা এই শার্টে বিশেষভাবে চোখে পড়ে কলারটি। কলারজুড়ে লম্বা একটা ড্রাগনের নকশা। সাদা শার্টের সঙ্গে নীল জিনসের প্যান্ট আর রোদচশমায় গরমের দিনেও আপনাকে দেখাবে ফুরফুরে। শার্ট: ওটু

৫.গরমের সময়েও শুক্রবার ও বৈকালিক দাওয়াতে পাঞ্জাবি পরেন অনেকে। তাই গরমকালের উপযোগী এই পাঞ্জাবির নাম—ফ্রাইডে পাঞ্জাবি। পাতলা সুতি কাপড়ে ফুলেল ছাপের এই পাঞ্জাবির ওপরে হালকা কোনো একরঙা প্রিন্স কোট পরে নিলেই কেল্লা ফতে।

38
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস। করোনা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী, তা এখনো অজানা। তা সত্ত্বেও থেমে নেই স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে পরামর্শ। এসব পরামর্শের বেশির ভাগই অকেজো। এগুলো ক্ষতিকর নাও হতে পারে; আবার বিপজ্জনকও হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় করোনাভাইরাস নিয়ে নানা স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর মধ্যে যা যা উপেক্ষা করতে হবে, তা বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রসুন: ফেসবুকে রসুন নিয়ে অনেক পোস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেকে বলছে, রসুন খেলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সম্ভব। এ তো গেল ফেসবুকের কথা। জেনে নিই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) কী বলছে।

ডব্লিউএইচও বলছে, রসুন একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। প্রচলিত ধারণা আছে যে রসুন অনেক ধরনের সংক্রমণ রোধ করতে পারে। তবে এ রকম কোনো প্রমাণ নেই যে রসুন খেলে মানুষ করোনোভাইরাস থেকে রক্ষা পাবে।

দ্য সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে জানা যায়, এক নারী দেড় কেজি রসুন খেয়ে ফেলেছিলেন। গলায় সংক্রমণের পর তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হয়। সাধারণভাবে ফল, সবজি ও পানি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে এমন কোনো প্রমাণ নেই যে এগুলো খেলে করোনোভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিস্ময়কর খনিজ (মিরাকল মিনারেলস): ইউটিউবার জর্ডান সাথেরের অনুসারী কয়েক হাজার। তিনি দাবি করেছেন, করোনা প্রতিরোধের জন্য তাঁর কাছে বিস্ময়কর সহায়ক খনিজ খাবার আছে। মিরাকল মিনারেল সাপ্লিমেন্ট (এমএমএস) নামে পরিচিত এই খাবার করোনোভাইরাসকে একেবারে দূর করে দিতে পারে। এটি একধরনের ক্লোরিন ডাই–অক্সাইড। গত জানুয়ারি মাসে সাথের টুইট করেন, ক্লোরিন ডাই–অক্সাইড শুধু ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে না, এটি করোনাভাইরাসও পুরোপুরি নিরাময় করতে পারে।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এমএমএস নামে এই বিপজ্জনক পানীয় নিয়ে সতর্কতা জারি করে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ করোনোভাইরাস ছড়িয়ে পড়া অন্য দেশগুলোতেও এই পানীয়র ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে।

এফডিএ বলছে, কোনো গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি যে এসব পানীয় নিরাপদ বা কার্যকর বা কোনো অসুস্থতা সারাতে পারে। বরং এ ধরনের পানীয় পান করলে অবসাদ, বমি, ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতার উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ঘরে তৈরি হ্যান্ড স্যানিটাইজার: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হাত পরিষ্কার রাখাটা জরুরি। হ্যান্ড স্যানিটাইজার জেলের স্বল্পতার খবর পাওয়া গেছে। ইতালিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের স্বল্পতা উদ্বেগজনক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘরে এই স্যানিটাইজার তৈরির পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক স্যালি ব্লুমফিল্ড বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন না ঘরে তৈরি স্যানিটাইজিং কার্যকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলছে, বাসায় সাধারণত যেসব রোগজীবাণুনাশক ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই কার্যকর হতে পারে।

পানযোগ্য রুপা: যুক্তরাষ্ট্রে জিম বেকারের টিভি শোতে রুপার মিশ্রণ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সহায়ক বলে দাবি করা হয়। টিভি শোতে বলা হয়, রুপার মিশ্রণ একধরনের জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ধরনের রুপা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী—এমন কোনো প্রমাণ নেই। বরং এতে কিডনির জটিলতা, ত্বক নীল হয়ে যাওয়া ও হৃদ্‌রোগের মতো নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

প্রতি ১৫ মিনিটে পানি পান: ফেসবুকের বেশ কিছু পোস্টে দেখা যাচ্ছে, জাপানি এক চিকিৎসক প্রতি ১৫ মিনিটে পানি পান করতে পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, এতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ট্রুডি ল্যাং বলেন, করোনোভাইরাস শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়। এর মধ্যে কিছু ভাইরাস মুখেও যেতে পারে। তবে ঘনঘন পানি পান করলে এই ভাইরাস প্রতিরোধ করা যাবে—এমন কোনো প্রমাণ নেই।

গরমে থাকা এবং আইসক্রিম এড়িয়ে চলা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে গরম পানি পান, গরম পানিতে গোসল করা ও চুল শুকানোর যন্ত্র (হেয়ার ড্রায়ার) ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। আইসক্রিম না খেতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক পোস্টে ইউনিসেফ এ ধরনের পরামর্শ দিয়েছে বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। ইউনিসেফের কর্মী শার্লট গরনিৎজকা বলেন, ‘এ ধরনের প্রচার পুরোপুরি মিথ্যা। আমরা জানি, গরমে ফ্লুজনিত ভাইরাস বেঁচে থাকতে পারে না। তবে আমরা জানি না যে করোনাভাইরাসের ওপর গরম কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।’ অধ্যাপক ব্লুমফিল্ড বলেন, ভাইরাস একবার শরীরে ঢুকে গেলে এটাকে মেরে ফেলার কোনো উপায় নেই; এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা ছাড়া।

39
জীবনাচরণ পদ্ধতির নানা ভুলে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন অনেক সমস্যা। তেমনই একটি সমস্যার নাম হচ্ছে টেক্সট নেক।

মেরুদণ্ড বা পিঠ কুঁজো করে মাথা সামনের দিকে ঝুঁকে দীর্ঘ সময়ের জন্য মোবাইল ফোন, ট্যাব, আইপ্যাড, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহার করার ফলে ঘাড় ও কাঁধের মাংসপেশিতে অতিরিক্ত টান লেগে ইনজুরি হওয়াকে টেক্সট নেক সিনড্রোম বলে। গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ চালানোর ফলে প্রতি ১০ জনের ৭ জনই টেক্সট নেকে ভুগছেন।

আমরা যখন স্বাভাবিক অবস্থানে থাকি অর্থাৎ ঘাড় সোজা থাকে, তখন ঘাড়ের মাংসপেশিকে শুধু মাথার ওজনই বহন করতে হয় (১০-১২ পাউন্ড)। কিন্তু মাথা সামনের দিকে ঝুঁকে থাকলে ঘাড়ের পেশিকে বাড়তি ওজন বহন করতে হয়। যেমন ১৫ ডিগ্রি সামনে ঝোঁকার জন্য ২৭ পাউন্ড, ৩০ ডিগ্রির জন্য ৪০ পাউন্ড, খুব বেশি ঝুঁকলে, ৬০ ডিগ্রির জন্য ৬০ পাউন্ড পর্যন্ত ওজন বহন করতে হবে। এই অতিরিক্ত ওজন বহনের জন্য ঘাড় ও কাঁধের পেশি ও স্নায়ু ছিঁড়ে যাওয়া এমনকি ডিস্ক পর্যন্ত সরে যেতে পারে।

যেসব সমস্যা হতে পারে

■ তীব্র ঘাড় ও কাঁধের ব্যথা।

■ ঘাড় ও কাঁধের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া

■ মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা।

■ ঘাড় থেকে ব্যথা হাতের দিকে যাওয়া।

■ হাত ও আঙুল অবশ ও ভারী অনুভূত হওয়া।

■ মেরুদণ্ডের ক্ষয়জনিত রোগ।

■ অল্প বয়সে পিঠব্যথা, কোমরব্যথা।

■ মেরুদণ্ডের ডিস্ক সরে যাওয়া।

■ মাংসপেশি ও নার্ভ ছিঁড়ে যাওয়া।

■ মেরুদণ্ডের আকৃতির পরিবর্তন।

করণীয়

■ মোবাইল ফোন ও অন্যান্য গ্যাজেট যতটুকু সম্ভব চোখের দৃষ্টিশক্তি বরাবর রাখা উচিত।

■ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিত, প্রয়োজনে প্রতি ১৫ মিনিট পরপর বিরতি নেওয়া ও চোখের কিছু ব্যায়াম করা।

■ সোজা হয়ে সঠিক অবস্থানে বসে ঘাড় ও মাথা সামনের দিকে না ঝুঁকে কাজ করা।

■ দীর্ঘক্ষণ একই ধরনের অবস্থানে না থাকা। প্রয়োজনে প্রতি ২০-৩০ মিনিট পরপর একটু হাঁটুন ও ঘাড়ের ব্যায়াম করুন।

কিছু ব্যায়াম

ক) ঘাড় ডানে, বাঁয়ে, সামনে, পেছনে টান টান করে ধরে রাখুন ও ছাড়ুন। প্রতি ঘণ্টায় ১০-১৫ বার।

খ) ঘাড় সোজা করে থুতনি টান টান করে সামনে আনুন, ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন। আবার পেছনে আনুন। এটিও ঘণ্টায় ১০-১৫ বার।

গ) সোজা হয়ে বসে কাঁধ দুটো সামনে–পেছনে টান টান করে ধরে রাখুন। প্রতি ঘণ্টায় ১০-১৫ বার।

 

ব্যথা দীর্ঘমেয়াদি হলে বিভিন্ন ধরনের ডিপ ট্রান্সভার্স ফ্রিকশন ম্যাসাজ, স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ জয়েন্ট মবিলাইজেশন, হিট থেরাপি, আলট্রাসাউন্ড থেরাপি, ড্রাই নিডলিং ইত্যাদির মাধ্যমে দু-চার সপ্তাহের মধ্যে টেক্সট নেক থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।


লেখক: ফিজিওথেরাপি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

40
Thanks for sharing.

41
অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যখন-তখন এবং টানা দীর্ঘদিন পিপিআই (প্রোটন-পাম্প ইনহিবিটর) বা অ্যান্টি আলসারেন্ট ওষুধ (যেমন ওমিপ্রাজল, ইসোমিপ্রাজল, ল্যান্সোপ্রাজল, রাবিপ্রাজল, ডেক্সল্যান্সোপ্রাজল ইত্যাদি) সেবন করে থাকেন। বেশির ভাগ মানুষের ধারণা, পিপিআই বা অ্যান্টি আলসারেন্ট জাতীয় ওষুধের কোনো ক্ষতিকর দিক নেই। কিন্তু জেনে রাখা ভালো, কোনো ওষুধই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত নয়।

প্রোটিন জাতীয় খাদ্য বিপাক এবং খাবারের জীবাণু ধ্বংসে পাকস্থলীর অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া খাবারের লৌহ আত্তীকরণেও এর ভূমিকা অপরিসীম। লৌহ আমাদের রক্তকণিকা, মাংসপেশি, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্নায়ুবিকাশে বিশেষ প্রয়োজনীয়।

পিপিআইয়ের মূল কাজ পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ কমিয়ে দেওয়া। এতে পাকস্থলীর অম্লতা কমে যায় এবং স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাঘাত ঘটে। এ ছাড়া ক্যালসিয়াম শোষণও বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে শরীরে বিভিন্ন জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, পাশাপাশি রক্তশূন্যতা, অস্টিওপোরোসিসের মতো হাড়ের ক্ষয়রোগ, কিডনি কার্যকারিতা হ্রাস এবং গ্যাস্ট্রিক পলিপের মতো রোগের আশঙ্কা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

পিপিআই মূলত পেপটিক আলসারের চিকিৎসায় নির্দিষ্ট মেয়াদে ব্যবহার করার কথা। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফাংশনাল বাওয়েল ডিসঅর্ডার বা আইবিএস, নন-আলসার ডিসপেপসিয়ার চিকিৎসায় অনেকেই না বুঝে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহার করেন। আবার কখনো কখনো কেউ কেউ হুট করে এসব ওষুধ সেবন বন্ধ করে দেন। এতে তাঁরা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যায় পড়েন। অন্য অনেক ওষুধের মতো এগুলোও সেবনের যেমন নিয়ম আছে, তা ছাড়ারও নিয়ম আছে। তাই পিপিআই ওষুধ শুরু ও বন্ধ করার ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

পাকস্থলীতে হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকলে আলসার বা অ্যাসিডিটি সহজে সারে না। সে ক্ষেত্রে
নির্দিষ্ট চিকিৎসা আছে, যা রোগ নির্ণয় করে নির্দিষ্ট মেয়াদে গ্রহণ করতে হবে, শুধু পিপিআই খেয়ে গেলে চলবে না। আবার দীর্ঘদিন অ্যাসিডিটির ব্যথা, হজমের সমস্যা, গ্যাস বা পেট ফাঁপার পেছনে অন্য কোনো কারণও থাকতে পারে (যেমন পিত্তথলির সমস্যা, পাকস্থলীর ক্যানসার ইত্যাদি)। এ কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় বছরের পর বছর গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে যাওয়া কোনো সমাধান নয়। কারণ খুঁজে বের করে তার চিকিৎসা করাতে হবে।

ডা. রাশেদুল হাসান, সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন), গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ

42
ট্রাইগ্লিসারাইড বা টিজি মূলত একধরনের ফ্যাট। স্থূলতা, ডায়াবেটিস, বেশি শর্করা খাওয়া এবং কম কায়িক শ্রমের কারণে ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যেতে পারে। বিপরীতে কমে যায় গুড কোলেস্টেরল বা এইচডিএল। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে গেলে প্যানক্রিয়াটাইটিস, ফ্যাটি লিভার ইত্যাদি হতে পারে। তবে কিছু সচেতনতা আর খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনে খুব সহজেই ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ বা কমানো যায়। এ ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনাই সবচেয়ে জরুরি।

মনে রাখতে হবে, ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে—

• প্রক্রিয়াজাত মাংস, ট্রান্স ফ্যাট খাওয়া বর্জন করতে হবে।

• আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে।

• রিফাইন্ড কার্বস খাওয়া যাবে না।

• খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ৭ শতাংশের কম হতে হবে।

• মদ্যপান বর্জন করতে হবে।

ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে যা খাবেন

ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমানোর সবচেয়ে উপযোগী ডায়েট হলো মেডিটেরানিয়ান ডায়েট বা ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যাভ্যাস।

• এই ডায়েটে মূল খাবার হিসেবে শাকসবজি, ফল বেশি প্রাধান্য পায়। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন প্রচুর সবুজ ও রঙিন শাকসবজি এবং তাজা মৌসুমি ফলমূল রাখতে হবে।

• কার্বোহাইড্রেট হিসেবে পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার যেমন লাল চাল, গমের আটা, ভুট্টা, ওটস বা এ ধরনের খাবারকে প্রাধান্য দিতে হবে। মেডিটেরানিয়ান ডায়েটে কার্বোহাইড্রেট খাওয়া নিষেধ নয়, তবে তা অল্প পরিমাণে খেতে হয়। দিনে ৩৫ গ্রামের বেশি কার্বোহাইড্রেট না খাওয়াই উত্তম। আর শর্করাজাতীয় খাবার সেগুলোই বেছে নিতে হবে, যেগুলোয় আঁশ বা ফাইবার বেশি থাকে।

• প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মাছ বা মুরগির মাংস সপ্তাহে ২-৩ দিন খেতে হবে। এ ক্ষেত্রে মাছকে প্রাধান্য দেওয়াই উত্তম। সামুদ্রিক মাছ খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩, ইপিএ, ডিএইচএ থাকে। প্রতিদিন ৪ গ্রাম ইপিএ/ডিএইচএ খেলে তা ২৫ শতাংশ পর্যন্ত রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। রেডমিট (গরু, ছাগল বা এই জাতীয় প্রাণীর মাংস) মাসে এক বা দুদিনের বেশি খাওয়া যাবে না।

• খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন বাদাম রাখতে হবে। বাদামে প্রচুর ওমেগা-৩ এবং মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া সূর্যমুখী, কুমড়া ও তিলের বীজ খাওয়াও খুব উপকারী।

• ভোজ্যতেল হিসেবে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, বাদামের তেল বা খাঁটি সরিষার তেলকে প্রাধান্য দিতে হবে।

• রান্নায় মসলা হিসেবে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, এলাচি, লবঙ্গ, দারুচিনি, পুদিনাপাতা ব্যবহার করতে হবে।

• দুধ, দই, পনির প্রতিদিন ১ থেকে ৩ সার্ভিংস পর্যন্ত খাওয়া যাবে।

• সপ্তাহে ৪টা ডিমের কুসুম খাওয়া যাবে। ডিমের সাদা অংশ খেতে বাধা নেই।

• মেডিটেরানিয়ান ডায়েটের সঙ্গে দরকার নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

লেখক: পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা কনসালটেশন সেন্টার, বাড্ডা

43
Common Forum / 8th national SME fair begins Wednesday
« on: March 03, 2020, 01:13:24 PM »
A nine-day National SME Products Fair 2020 will kick off on Wednesday in the capital to promote local products in local and international markets.

Prime minister Sheikh Hasina will inaugurate the fair in the morning at Krishibid Institution Bangladesh, industries minister Nurul Majid Mahmud Humayun told the media at SME Foundation auditorium.

SME Foundation is organising the fair at Bangabandhu International Conference Centre (BICC).

"A total of 296 SME entrepreneurs will showcase their products at 309 stalls. Of them, 195 women and 101 men will showcase their products like jute goods, agriculture, food and leather products, electronic and electrical items," the minister said.

He said 66 per cent of the participants are women.

Humayun said the government is working to increase the contribution of SME sector in the country's economy.

The fair will remain open for all from 10am to 8pm. There will be no entry fee.

Industries secretary Abdul Halim, SME Foundation managing director Shafiqul Islam were present at the event, among others.

44
Common Forum / How long can coronavirus survive on surfaces?
« on: March 03, 2020, 01:12:35 PM »
As a new coronavirus spreads quickly around the world, US health officials say they are "aggressively" assessing how long it can survive on surfaces to better understand the risk of transmission.

Based on what is known about similar coronaviruses, disease experts say the new outbreak of the virus, named COVID-19, is mainly spread from person to person through coughing or sneezing. Contact with fecal matter from an infected person may also transmit the virus.

The US Centers for Disease Control and Prevention says it may be possible for a person to become infected by touching a surface or object that has the virus on it and then touching their own mouth, nose or eyes.

An analysis of 22 earlier studies of similar coronaviruses, including Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS) and Middle East Respiratory Syndrome (MERS) published online this month in the Journal of Hospital Infection, concluded that human coronaviruses can remain infectious on inanimate surfaces for up to nine days at room temperature. However, they can quickly be rendered inactive using common disinfectants, and may also dissipate at higher temperatures, the authors wrote. It is not yet clear, however, whether the new coronavirus behaves in a similar way.

45
People who have low fruit and vegetable intakes have a higher likelihood of being diagnosed with an anxiety disorder, say researchers.

The study, published in the International Journal of Environmental Research and Public Health, found that those who consumed less than three sources of fruits and vegetables daily, there was at least at 24 per cent higher odds of anxiety disorder diagnosis.

Advertising
"This may also partly explain the findings associated with body composition measures. As levels of total body fat increased beyond 36 per cent, the likelihood of anxiety disorder was increased by more than 70 per cent," said co-author Jose Mora-Almanza, a Mitacs Globalink Intern who worked with the study at Kwantlen Polytechnic University in Canada.

According to the researchers, increased body fat may be linked to greater inflammation. Emerging research suggests that some anxiety disorders can be linked to inflammation.

Pages: 1 2 [3] 4 5 6