Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Mst. Eshita Khatun

Pages: 1 2 [3] 4
31
পবিত্র মাহে রমজান কাল শুরু। রমজান মাসে অনেকে অসুস্থতা সত্ত্বেও পবিত্র রোজা পালন করে থাকেন। আবার অনেক সুস্থ ধর্মপ্রাণ মুসলমান রোজা পালনকালে অসুস্থবোধ করেন। অনেকে আবার ইফতার ও সাহ্‌রিতে আহারের সময় অপরিকল্পিতভাবে খাদ্য নির্বাচন করেন। এসব ক্ষেত্রে রোজাদারেরা অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যার মধ্যে পড়েন। দৈনিক চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখেই এ সময় খাদ্য নির্বাচন করা দরকার।

রোজা পালনের জন্য প্রয়োজন সঠিক খাবার নির্বাচন, শারীরিক সুস্থতা, মানসিক শক্তি এবং অদম্য ইচ্ছা ও আনুগত্য। কিছু নিয়ম, নীতি ও পরামর্শ অনুসরণ করলে সুস্থভাবেই রোজা পালন করা যায়।



সঠিক খাবার তালিকা অনুসরণ করে রোজা রাখা উচিত। কখনোই শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখবেন না। অতিভোজন থেকেও বিরত থাকুন। খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে ধীরে ধীরে খাবেন, যা আপনার হজমে সহায়ক হবে। ইফতার ও সাহ্‌রিতে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করুন। গ্লাস গুনে পানি খেতে অসুবিধা হলে সমপরিমাণ পানি বোতলে ভরে রাখুন এবং ইফতার থেকে সাহ্‌রির সময়ের মধ্যে তার পুরোটা পান করুন। এনার্জি ড্রিংক, কার্বনেটেড ড্রিংক এবং সোডাজাতীয় পানীয় বর্জন করুন। এগুলো অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। সারা দিন অভুক্ত থাকার ফলে শরীরের শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় এবং দ্রুত শক্তি পাওয়া যায় এমন খাবারের উদাহরণ হলো গ্লুকোজ। এ ছাড়া তৎক্ষণাৎ শক্তির জোগান দিতে সক্ষম খাবারের মধ্যে আছে আঙুর, খেজুর, ফলের রস। এগুলো যেমন শরীরে সহজে শক্তি আহরণে কাজে লাগে, তেমনি শরীরের পানি ও খনিজের প্রয়োজনও মেটায়। মিষ্টি শরবত, মিষ্টান্নজাতীয় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই এ ধরনের খাবার বর্জন করা ভালো।

ইফতারে যা খাবেন: একজন রোজাদার ইফতারে কী খাবেন, তা নির্ভর করবে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা ও বয়সের ওপর। রমজান মাস এলে বিকেলবেলা থেকেই ইফতারের জন্য নানা খাবার তৈরি ও বিক্রির হিড়িক পড়ে। এ সময় হরেক রকম ইফতারির পসরা দেখা যায় রাস্তার পাশে, ফুটপাতে, অলিগলিতে, হাটে-বাজারে। এসব ইফতারির মধ্যে রয়েছে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজি, বেগুনি, ডাল ও সবজি বড়া, আলুর চাপ, খোলা খেজুর, হালিম, বিভিন্ন ধরনের কাবাব, জিলাপি, বুন্দিয়া ইত্যাদি। আরও রয়েছে বিভিন্ন ফল ও ফলের রস, আখের গুড়ের শরবত, নানা রং মিশ্রিত বাহারি শরবত। এ ছাড়া মুখরোচক বিরিয়ানি ও তেহারি তো আছেই।

এসব মুখরোচক খাবার স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করা হয়েছে কি না, এগুলোতে ভেজাল তেল, বেসন ও কৃত্রিম রং মেশানো হয়েছে কি না, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। কোনো কিছু ভাজার জন্য একবারের বেশি তেল ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, একই তেল বারবার আগুনে ফোটালে কয়েক ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য তৈরি হয়, যেমন পলি নিউক্লিয়ার হাইড্রোকার্বন। এই রাসায়নিকের মধ্যে বেনজা পাইরিন নামক ক্যানসার তৈরিতে সক্ষম এমন পদার্থের মাত্রা বেশি থাকে। সুস্থ, স্বাস্থ্যবান রোজাদারের জন্য ইফতারিতে খেজুর বা খোরমা, ঘরের তৈরি বিশুদ্ধ শরবত, কচি শসা, পেঁয়াজি, বুট, ফরমালিন অথবা ক্যালসিয়াম কার্বাইডমুক্ত মৌসুমি ফল থাকা ভালো। ফলমূলে ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং সহজে তা হজম হয়। রুচি অনুযায়ী বাসার রান্না করা নুডলসও খেতে পারেন ইফতারে। তেহারি, হালিম না খাওয়াই ভালো। কারণ, এতে বদহজম হতে পারে। রুচি পরিবর্তনের জন্য জিলাপি খেতে পারেন। তা ছাড়া গ্রীষ্মকালীন রমজানে পরিমাণমতো বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। এশা ও তারাবির নামাজের পর অভ্যাস অনুযায়ী পরিমাণমতো ভাত, মাছ অথবা মুরগির মাংস, ডাল ও সবজি খাবেন।

কী খাবেন সাহ্‌রিতে: শরীর সুস্থ রাখার জন্য সাহ্‌রি খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, সাহ্‌রির খাবার মুখরোচক, সহজপাচ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া প্রয়োজন। রমজানে স্বাভাবিক নিয়ম পরিবর্তন করে সুবহে সাদিকের আগে ঘুম থেকে উঠে খাওয়াদাওয়া সেরে নিতে হয়। সকালের নাশতার পরিবর্তে খুব ভোরে সারা দিনের উপবাসের সময় চলার মতো খাবার প্রয়োজন হয়। অধিক তেল, অধিক ঝাল, অধিক চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া একদম উচিত নয়। ভাতের সঙ্গে মিশ্র সবজি, মাছ অথবা মাংস খাবেন। অনেকেই মনে করেন, যেহেতু সারা দিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সাহ্‌রির সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি খাবার খেতে হবে। তা মোটেই ঠিক নয়। কারণ, চার–পাঁচ ঘণ্টা পার হলেই খাদ্যগুলো পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে গিয়ে হজম হয়ে যায়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি না খাওয়াই ভালো বরং মাত্রাতিরিক্ত খেলে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।

পিপাসা নিবারণ হয়, সেই পরিমাণ পানি নিজের অভ্যাস অনুযায়ী পান করতে হবে। দীর্ঘ সময় অভুক্ত থাকার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে এবং পানিশূন্যতার কারণে শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। তাই ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করবেন। অনেকে পানির পরিবর্তে লেমন অথবা রোজ ওয়াটার, শরবত, ভিটামিন ওয়াটারসহ নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত পানীয় পান করেন। এ ব্যাপারে পুষ্টিবিদদের অভিমত, রোজাদারদের শুধু বিশুদ্ধ পানি পান করাই ভালো। কার্বোনেটেড ও সুগার ড্রিংক, চা ও কফি পান করলে শরীর থেকে অধিক পানি বের হয়ে যায়। তাই কার্বোনেটেড, বেভারেজ ও সুগার ড্রিংক বা নানা ধরনের শরবত পরিহার করা উচিত। রোজাদারদের প্রচুর সবুজ শাকসবজি, ফলমূল খাওয়া প্রয়োজন।

মনে রাখতে হবে, ইফতারে বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ এবং সহজে ও তাড়াতাড়ি হজম হয় এমন খাদ্য গ্রহণ করুন। সাহ্‌রিতেও সহজপাচ্য খাবার খান। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাদ্য বুক জ্বালাপোড়া এবং বদহজমের সমস্যা তৈরি করে। তাই এগুলো বর্জন করুন। রান্নার সময় খাবারে ডালডার পরিবর্তে যতটা সম্ভব কম পরিমাণে সয়াবিন তেল ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত লবণ ও লবণাক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এসব রোজার সময় পানির পিপাসা বৃদ্ধি করে। যাঁদের চা, কফি, সিগারেট, মদ প্রভৃতি বাজে আসক্তি আছে, তারা এগুলো কমিয়ে আনতে চেষ্টা করুন। কারণ, হঠাৎ এগুলো ছেড়ে দিলে মাথাব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ঘুমানোর আগে ও সাহ্‌রির পরে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে ভুলবেন না। রোজা রাখা অবস্থায় সকালে ব্যায়াম না করে ইফতারের পর ব্যায়াম করা উচিত। খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধুতে ভুলবেন না। দিনে গরমের সময়ে ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা উচিত। সম্ভব হলে শারীরিক পরিশ্রম কম করুন। দৈনিক কাজকর্ম এমনভাবে ঠিক করুন, যাতে রাতের বেলা বেশ ভালোভাবে ঘুমানো যায়।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটালস লিমিটেড

32
Common Forum / মহাবিশ্বের বয়স কত?
« on: May 04, 2019, 03:13:19 AM »

মহাবিশ্বের বয়স কত?
মহাবিশ্বের বয়স কত? কত দ্রুতই–বা এটি প্রসারিত হচ্ছে? এসব প্রশ্ন অনেক পদার্থবিজ্ঞানীর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, কসমোলজি বা মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে অধ্যয়নে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন অনেকে।

এত দিন বিজ্ঞানীদের মধ্য মহাবিশ্বের বয়স নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সময়ও নির্ধারণ ছিল। তবে নতুন এক গবেষণা আগের ওই ধারণার ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।
আগের ধারণা ছিল, এ মহাবিশ্ব প্রায় ১৩ দশমিক ৬ থেকে ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন বছরের পুরোনো। তবে নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে, এ মহাবিশ্ব অতটা বয়স্ক নয়। আগের ধারণা থেকে এটা কমপক্ষে এক বিলিয়ন বছরের ছোট। এ ছাড়া আগের ধারণার থেকেও দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে এটি।

নতুন ওই গবেষণা করেছেন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যাডাম রিয়েস। তিনি ২০১১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। বার্তা সংস্থা এএফপি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালের বরাত দিয়ে জানাচ্ছে, রিয়েস দুই বছর ধরে এ বিষয়ে গবেষণা করে ওই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

রিয়েস তাঁর গবেষণার নমুনা হিসেবে ৭০টি সাফিয়েড নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর তিনি সাফিয়েড নক্ষত্রগুলোর দূরত্ব ও কম্পনের হার গণনা করেন। তাঁর ওই হিসাব পরে একটি সুপার নোভার সঙ্গে তুলনা করেন। নাসার হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই হিসাব করতে দুই বছর ধরে কাজ করেছেন রিয়েস। এরপর তিনি কম্পনের হার নির্ধারণ করেছেন ৭৪।

কম্পনের হার ৭৪–এর অর্থ দাঁড়ায়, এই মহাবিশ্বের বয়স ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ও ১৩ বিলিয়নের মাঝামাঝি। এ কারণে এটি আগের হিসাবকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তাঁর গবেষণার পরে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাঁদের কাছে বিষয়টা এতটাই বিভ্রান্তিকর ঠেকছে যে এ সমস্যা সমাধানে পদার্থবিজ্ঞানের নতুন তত্ত্বের কথা ভাবছেন।

রিয়েস বলেছেন, বিষয়টা এখন এমন এক জায়গায় ঠেকেছে যে নতুন কোনো ধারণা ছাড়া এটা ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

নাসার জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী জন মাদার ওই গবেষণার ফলাফলের বিষয়ে বলেন, এ ঘটনা বিজ্ঞানীদের সামনে দুটো বিষয় তুলে ধরেছে। প্রথমটি, তাঁরা যে ভুলগুলো করছেন, তা এখনো ধরতে পারেননি। দ্বিতীয়টি, প্রকৃতি এমনই রহস্যময়, যেটি এখনো ভেদ করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনা যা–ই হোক না কেন, বিজ্ঞানী রিয়েস অবশ্য হালকা রসিকতা করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন, ‘আরে, এটি বেশ ভালো সংবাদ। সবাইকে তো দেখতে বেশ কম বয়সী লাগছে!’
Source: Prothom Alo

33
গত বছর মার্ভেলের তৈরি করা সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ার’-এ প্রথমবারের মতো হেরে গিয়েছিল সুপারহিরোরা। খলনায়ক থানোসকে হারাতে গিয়ে পর্যুদস্ত হয়েছিল সুপারহিরোরা। থানোসের এক তুড়িতে বাতাসে ছাইয়ের মতো মিলিয়ে গিয়েছিল পুরো মহাবিশ্বের অর্ধেক প্রাণী। একই পরিণতি হয়েছিল অর্ধেক সুপারহিরোদেরও।

এক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে ছিল অপেক্ষা। আজ শুক্রবার বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে সেই ‘অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ার’-এর সিক্যুয়াল ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। থানোসের তুড়ির পরিণতি দেখতে সিনেমা হলগুলোয় দর্শকেরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। অ্যাভেঞ্জার্স ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রভাব পড়েছে সার্চ ইঞ্জিন গুগলেও।

বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, ‘অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ার’ ও ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর সুপারভিলেন থানোসকে নিয়ে একটি নতুন ফিচার যোগ করেছে গুগল। নতুন ফিচার উপভোগ করতে একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে গুগলের সার্চ অপশনে গিয়ে ‘থানোস’ লিখে সার্চ করতে হবে। সেখানে এই সুপারভিলেনের বিষয়ে কোটি কোটি ফল দেখা যাবে। এ সময় কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের ডানে দেখা যাবে থানোসের ব্যবহার করা রত্নখচিত ‘গন্টলেট’ বা হাতমোজার ছবি। শক্তিশালী ইনফিনিটি স্টোন খোদাই করা এই গন্টলেট দিয়েই মহাবিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যা হাওয়ায় মিলিয়ে দিয়েছিল থানোস। সেখানে ক্লিক করলেই দেখা যাবে ‘ম্যাজিক’!


গন্টলেট পরে থানোসের এক তুড়িতে যেমন উধাও হয়ে গিয়েছিল মহাবিশ্বের অর্ধেক জনসংখ্যা, তেমনি কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিন থেকে একে একে উধাও হওয়া শুরু করবে গুগলের সার্চ রেজাল্ট। সার্চ রেজাল্টের সংখ্যাতেও আসবে পরিবর্তন, হুট করেই কমতে থাকবে তা।

না, এখানেই শেষ নয়। আবার সেই গন্টলেটে ক্লিক করলে দেখা যাবে টাইম স্টোনের কারিকুরি! আবার ফিরে আসবে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া সার্চ রেজাল্টগুলো।
https://www.prothomalo.com/technology/article/1590831/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%AE%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AC

34
দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আজ শনিবার কালবৈশাখী হতে পারে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, একই সঙ্গে থেমে থেমে বৃষ্টি ও শিলাও পড়তে পারে। তবে দেশের কয়েকটি এলাকায় আজও দাবদাহ বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এমন আভাসই দিচ্ছে।

রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকায় দাবদাহ কিছুটা কমেছে। অর্থাৎ সারা দেশে তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আজও দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ দেখা দিয়েছে বলে গতকাল শুক্রবারই সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তাল হয়ে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। নিম্নচাপটি দ্রুত শক্তি অর্জন করছে। এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ক্রমাগত শক্তি অর্জন করছে। তবে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কি না, তা আজকের মধ্যেই বোঝা যাবে। নিম্নচাপটির পরিণতি কী হবে, অর্থাৎ এটি নিম্নচাপ অবস্থা থেকেই দুর্বল হয়ে যাবে, নাকি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে আজ কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে দেশের উপকূলীয় এলাকাজুড়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ জন্য চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দর এবং কক্সবাজারকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাছ ধরার নৌকাসহ নৌযানগুলোকে সাগরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


গতকাল দুপুর ১২টার দিকে নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২ হাজার ১৭০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ২ হাজার ২৮৫, পায়রা থেকে ২ হাজার ১৩৫ ও কক্সবাজার থেকে ২ হাজার ৮৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৩০ এপ্রিল নাগাদ এটি দেশটির উত্তর তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি আসতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। ২৯ এপ্রিল থেকে ওই দুই রাজ্যে প্রবল বর্ষণ ও ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে ‘ফণী’। এটি বাংলাদেশের দেওয়া নাম। গত বছর সাতটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছিল বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে।

https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1590888/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE

35
মানুষের টিস্যু ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তিতে হৃদ্‌যন্ত্র তৈরিতে সফল হয়েছে ইসরায়েলের গবেষকেরা। চিকিৎসাজগতে প্রথম ও বড় ধরনের উদ্ভাবন বলা হচ্ছে একে। হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনার বিষয়টি আরও একধাপ এগিয়ে গেল এতে। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা খরগোশের হৃদ্‌যন্ত্রের আকারের ওই হৃদ্‌যন্ত্র তৈরির কথাটি গতকাল সোমবার প্রকাশ করেন। ওই প্রকল্পের গবেষক তাল দাভির বলেন, বিশ্বের প্রথম প্রিন্ট করা ও সফলভাবে প্রকৌশল প্রয়োগ করে পুরো হৃদ্‌যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে। কোষ ব্যবহার করে তৈরি হৃদ্‌যন্ত্রে রক্তনালি, ভেন্ট্রিকেল ও চেম্বার রয়েছে।

গবেষক তাল দাভির বলেন, এর আগে হৃদ্‌যন্ত্রের থ্রিডি প্রিন্টেড কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, তবে তা কোষ ও রক্তনালিযুক্ত ছিল না।

Eprothom Aloগবেষকেরা বলছেন, পুরোপুরি থ্রিডি প্রিন্ট করা হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপন করতে গেলে আরও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

গত সোমবার তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে চেরি ফলের সমান একটি হৃদ্‌যন্ত্র প্রদর্শন করেন গবেষকেরা। গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘অ্যাডভান্সড সায়েন্স’ সাময়িকীতে।

গবেষকেরা বলছেন, কৃত্রিম ওই হৃদ্‌যন্ত্র যাতে প্রকৃত হৃদ্‌যন্ত্রের মতো আচরণ করে, তা শেখাতে হবে। তারপর তা প্রাণিদেহে প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা করছেন গবেষকেরা।

আগামী ১০ বছরের মধ্যেই বিভিন্ন হাসপাতালে হৃদ্‌যন্ত্রের মতো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রিন্ট করার সুযোগ থাকবে। নিয়মিত এসব কার্যক্রম পরিচালন করা হবে। তবে হৃদ্‌যন্ত্রের চেয়ে আরও সরল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রিন্ট করার কাজ শুরু করবে হাসপাতালগুলো।

source: prothom Alo Date: 16th April, 2019

36
ICT / যন্ত্রের ভাষা শেখা
« on: April 09, 2019, 01:59:59 PM »
  ১
যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
আমরা এখন বাস করছি এক স্মার্ট সময়ে। আমাদের হাতের স্মার্টফোনটি এখন আমাদের কথা বুঝতে পারে। আমরা বাংলা বা ইংরেজি যে ভাষাতেই কথা বলি না কেন, সেটি তা অনুবাদ করে দিতে পারে। অনেকেরই হয়তো আগ্রহ থাকতে পারে যে ছোট্ট এ স্মার্টফোনটি কীভাবে এত কিছু করতে পারে! এর কারিগরি দিকটি বুঝতে হলে কম্পিউটারবিজ্ঞানের গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাছাকাছি বিভিন্ন কাজগুলো একটি যন্ত্র বা রোবট যেন করতে পারে, তা নিয়ে যে গবেষণা করা হয় তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। নাম থেকেই বোঝা যায় আসলে যন্ত্রটির সত্যিকারের বুদ্ধিমত্তা বলতে কিছুই নেই, সেটি আদতে একটি নিরেট যন্ত্র বৈ আর কিছু নয়। কিন্তু যন্ত্রটির মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ করার এক অদ্ভুত শক্তিশালী একটা ক্ষমতা আছে। এই শক্তিশালী ক্ষমতাকেই বলা হয় মেশিন লার্নিং। এই পদ্ধতিতে যন্ত্রও এখন বাংলা শেখে। বাংলায় অনুবাদ করা যায়, কথা বলে নির্দেশনা দেওয়া যায় যন্ত্রকে।

মেশিন লার্নিং কী?

Eprothom Aloকম্পিউটারকে এমন একটি ক্ষমতা দেওয়া হয় যার জন্য সেটি যেকোনো কিছু আগে থেকে ওই বিষয়ক প্রোগ্রাম লেখা ছাড়াই শিখতে পারে—এটিই মেশিন লার্নিং। নিজে থেকে শেখার ক্ষমতার কারণে কম্পিউটার যেকোনো কিছুই করতে পারে খুব সহজে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, যদি কম্পিউটারের খেলার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তার জেতার হার বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সেই কম্পিউটারটি আসলেই শিখছে। মানে সে খেলতে খেলতে শিখছে, আর নিজে থেকে এই শেখার ক্ষমতাকেই বলে মেশিন লার্নিং।

বোঝার ক্ষমতা

মানুষের যেমন পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে, তারই অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে কম্পিউটার প্রকৌশলের বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্র। চোখ দিয়ে দেখার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কম্পিউটার ভিশন’। কান দিয়ে কথা শোনার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “স্পিচ টু টেক্সট”। নাক দিয়ে ঘ্রাণ নেওয়ার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “ইলেকট্রনিক নাক”, যা বড় পরিসরে “প্যাটার্ন রিকগনিশন” নামক গবেষণার ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। স্পর্শ করার ক্ষমতা এখন সব স্মার্টফোনেই রয়েছে, যা “টাচ সেন্সর” নামে পরিচিত। খাবারের স্বাদ গ্রহণের যে ক্ষমতা, তা সম্ভবত সবচেয়ে জটিল এবং যন্ত্রের জন্য অপ্রয়োজনীয় বলেই হয়তো এ নিয়ে খুব একটা গবেষণার কাজ দেখা যায় না। ওপরের এই গবেষণার দিকগুলো চিন্তা করলে বলা যেতে পারে যে আমাদের স্মার্টফোনগুলো এখন স্পর্শ, দেখা এবং শোনা; এই তিনটি ইন্দ্রিয়ের কাজ বেশ ভালোভাবেই করতে পারে।

পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরেও মানুষের আরও বিভিন্ন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্র। যেমন মুখ দিয়ে কথা বলার জন্য যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘টেক্সট টু স্পিচ’। ভাষা অনুবাদ করার যে ক্ষমতা, তাকে বলা হয় ‘মেশিন ট্রান্সলেশন’।

গবেষণা চলছে নিরন্তর

এসব গবেষণার ক্ষেত্রেই মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গবেষকেরা এখন কাজ করছেন। মেশিন লার্নিংকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন সুপারভাইজড লার্নিং, আন-সুপারভাইজড লার্নিং, সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং, এবং রি-ইনফোর্সমেন্ট লার্নিং।

সুপারভাইজড লার্নিংয়ের জন্য প্রয়োজন হয় মানুষের তৈরি করা প্রশিক্ষণ উপাত্ত (ডেটা)। একটি প্রোগ্রামকে এই উপাত্তের ভিত্তিতে প্রশিক্ষিত করা হয়, যার ওপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। সমগ্র প্রক্রিয়াটিকেই সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন আমাদের মেইলের ইনবক্সে আসা মেইলটি স্প্যাম কি না এই সিদ্ধান্ত আগের কিছু তথ্যের ওপর নির্ভর করে দেওয়া হয়।

প্রোগ্রামে কিছু তথ্য দেওয়া হয় এবং প্রোগ্রাম সেটার ওপর নির্ভর করেই সব ধরনের সিদ্ধান্ত দেয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট কী সেটা কোথাও বলা থাকে না। প্রোগ্রাম নিজ থেকেই সেটা বুঝে বের করে নেয়। আর একেই আন-সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী বসে রয়েছে। এই প্রোগ্রাম ছাত্র ও ছাত্রীদের ভিন্ন ভাগে ভাগ করবে, এটা হচ্ছে আন-সুপারভাইজড লার্নিং।

সুপারভাইজড এবং আন-সুপারভাইজড লার্নিংয়ের কম্বিনেশনকে সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং বলে।

করপোরেট দুনিয়ায় এখন মেশিন লার্নিংয়ের পাশাপাশি রোবটিক প্রসেস অটোমেশন (আরপিএ) পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির ফলে বিভিন্ন যন্ত্র মানুষের বারবার করা কাজগুলো শিখে সেগুলো নিজেরাই করে নিচ্ছে। বাংলাদেশে এখনো এর ব্যবহার নেই। যদি এই পদ্ধতি বাংলাদেশে ব্যবহার করা যেত, তাহলে বাংলাদেশের জনবলকে আরও দক্ষ করা যেত।

নিত্য আবিষ্কারে প্রশিক্ষিত যন্ত্র

সাম্প্রতিক নিত্যনতুন আবিষ্কার এই মেশিন লার্নিংকেই করে তুলেছে তুমুল জনপ্রিয় এক গবেষণার ক্ষেত্র। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করেই আপনি বাংলায় কথা বলে গুগলের জিবোর্ড বা অক্ষর বাংলা কি–বোর্ড লিখতে পারে। এই প্রযুক্তি দিয়েই গুগলে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ হয়, আবার গুগল সেটা পড়েও শোনাতে পারে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য যা বেশ কাজের। যত বেশি ব্যবহার হবে এসব তত বেশি উন্নত হবে।

যে কেউ চাইলেই মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করতে পারেন। এর জন্য পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেহেতু মেশিন লার্নিংয়ের সব গণিতভিত্তিক, তাই উচ্চস্তরের জ্ঞান থাকতে হবে বীজগণিত, পরিসংখ্যান ও ক্যালকুলাসে। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সহজলভ্য করার জন্য কাজও হচ্ছে দেশে।

লেখক: প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা, কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেড।
ই-মেইল: kmanwar@gmail.com

37
বিদ্যুতের জন্য সৌর প্যানেল এখন যদিও বেশ উন্নত, তবু এসব দিয়ে সুচারুভাবে পুরো কাজ সম্পন্ন করা যায় না। নতুন এক গবেষণা বলছে, ভিন্ন ধরনের সৌর প্যানেল ব্যবহার করে কম খরচে মহাকাশ যাত্রায় পাওয়া যাবে অনেক শক্তি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনো অনেক কিছু করার আছে। এত দিন সেসব সৌর প্যানেল চলে আসছে, তার ভেতর মানসম্মত সোলার প্যানেলে সিলিকনের তৈরি সৌর কোষ ব্যবহার করা হয়। এই প্যানেল মাত্র ১৭-১৯ শতাংশ সৌর শক্তিকে বিদ্যুৎ–শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, সোলার প্যানেলের কর্মক্ষমতা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু এর ফলে আবার মাত্র এক ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে খরচ পড়বে ৩০০ ডলার! যেখানে সিলিকন কোষে এক ওয়াটের জন্য খরচ পড়ত মাত্র ১ ডলার। এ ধরনের সৌর প্যানেল মহাকাশ অভিযানে কাজে লাগানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

Eprothom Aloএই গবেষণাকেও আরও এক ধাপ সামনে নিয়ে গেল নতুন আরেক গবেষণা।

সম্প্রতি কর্মদক্ষতা ও ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নতুন ধরনের সৌর প্যানেল পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সুইস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এই নতুন গবেষণায় গবেষকেরা নতুন এক বুদ্ধি বের করেছেন। তাঁরা সম্প্রতি এমন একটি ব্যবস্থা পরীক্ষা করেছেন, সেটাতে খরচ পড়বে সিলিকন প্যানেলের মতো, কিন্তু কর্মদক্ষতা হবে ২৯ শতাংশ! আবার তা বাসার ছাদ থেকে শুরু করে ব্যবহার করা যাবে মহাকাশেও।

গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ও গ্যালিয়াম ইন্ডিয়াম ফসফাইডের সমন্বয়ে গঠিত এই সেলগুলো ব্যাপক পরিসরে সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। আগে মহাকাশে যে ধরনের সেল ব্যবহার করা হতো, সেগুলোর গঠন জটিল ও ব্যয়সাপেক্ষ। সে তুলনায় এই সেল হবে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়সাপেক্ষ। আকার কমে হয়ে যাবে অর্ধেক। এই প্যানেলের ওপর দিকে থাকবে একটি প্রতিরক্ষামূলক কাচের আবরণ। প্রতিটি সেলে বিকল্প লেন্সও থাকবে। এই সেলগুলোর ওপরেই সূর্যের আলো পড়বে। সর্বোচ্চ এক্সপোজারের জন্য প্যানেলের ওপর কয়েক মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের যন্ত্র থাকবে। সূর্যের দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এটিও দিক পরিবর্তন করবে। সর্বোচ্চসংখ্যক সূর্যরশ্মি থেকে শক্তি শোষণ করবে এই সৌর প্যানেল।

তবে এ ধরনের সেলের ক্ষেত্রে খরচটা এখনো সিলিকনের সেলের চেয়ে বেশি। ইনসোলাইটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লরেন কুলটের মতে, প্যানেলের খরচটা গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হলো এই প্যানেল যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, তার দাম। তিনি বলেন, যখন বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হবে, তখন খরচটা আরও কমে আসবে। সিলিকন সেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াটে এক ডলার খরচ হচ্ছে। আর নতুন এই সেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খরচটা আরও কমিয়ে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ সেন্টে আনা সম্ভব বলেও যোগ করেন তিনি।
Source: Prothom Alo

38
এত দিন মনে করা হতো, জন্মের সময় মস্তিষ্কে যে পরিমাণ কোষ থাকে, সারা জীবন তাই–ই রয়ে যায়। তবে নতুন একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে প্রায় সারা জীবনই নতুন কোষ তৈরি হয়। একজন সুস্থ মানুষের কমপক্ষে ৯৭ বছর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। স্পেনের মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা নিবন্ধ যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার মেডিসিন–এ গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে।

মানুষের মস্তিষ্কের কোষ নিউরন নিজেদের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়। এই প্রক্রিয়া শুরু হয় জন্মের সময় থেকেই। অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রে গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের শেষ দিকে তাদের মস্তিষ্কে নতুন কোষের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে নিউরোজেনেসিস (নতুন নিউরনের উদ্ভবপ্রক্রিয়া) অব্যাহত থাকে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক ছিল। নতুন গবেষণায় ৫৮ জন মৃত মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে কাজ করেন গবেষকেরা। যাঁদের বয়স ছিল ৪৩ থেকে ৯৭ বছরের মধ্যে। মূল মনোযোগ দেওয়া হয় মস্তিষ্কের ‘হিপ্পোকাম্পোস’ অংশে, যা স্মৃতি এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। মূলত এই অংশেই আলঝেইমার রোগ আক্রমণ করে।

Eprothom Aloজন্মের পর থেকে নিউরন মস্তিষ্কে পরিপূর্ণ রূপে থাকে না। বয়স বৃদ্ধি ও পরিপক্ব হওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে তা পূর্ণতা পায়। গবেষকেরা মস্তিষ্কে এই অপরিণত বা ‘নতুন’ নিউরনকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। গবেষক ড. মারিয়া লরেন্স-মার্টিন বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, মানুষ যতক্ষণ নতুন কিছু শিখছে, ততক্ষণ নতুনভাবে নিউরনের বৃদ্ধি ঘটছে এবং এটি আমাদের জীবনের প্রতি মুহূর্তেই ঘটে চলেছে।’

কিন্তু আলঝেইমার রোগীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। আলঝেইমারের প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন নিউরন বৃদ্ধির সংখ্যা প্রতি মিলিমিটারে ৩০ হাজার থেকে কমে দাঁড়ায় ২০ হাজারে। ড. লরেন্সের মতে, রোগটির একদম শুরুতে এই হ্রাসের পরিমাণ থাকে ৩০ শতাংশ। তিনি বলেন, নতুন কোষ তৈরি কমার কারণ কাজে লাগানো যাবে আলঝেইমার এবং বার্ধক্যজনিত রোগের চিকিৎসায়।

আলঝেইমার রিসার্চ ইউকে গবেষণার প্রধান ড. রোসা সানচো বলেন, ‘যদি কখনো আমরা জীবনের শুরুর দিকে নিউরন হারাতে শুরু করি, সে ক্ষেত্রে এই গবেষণা দেখাচ্ছে যে পরবর্তী সময়ে নতুন কোষের সৃষ্টি হতে থাকবে, এমনকি ৯০ বছর পর্যন্ত।’
Source: Prothom Alo

39

যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
আমরা এখন বাস করছি এক স্মার্ট সময়ে। আমাদের হাতের স্মার্টফোনটি এখন আমাদের কথা বুঝতে পারে। আমরা বাংলা বা ইংরেজি যে ভাষাতেই কথা বলি না কেন, সেটি তা অনুবাদ করে দিতে পারে। অনেকেরই হয়তো আগ্রহ থাকতে পারে যে ছোট্ট এ স্মার্টফোনটি কীভাবে এত কিছু করতে পারে! এর কারিগরি দিকটি বুঝতে হলে কম্পিউটারবিজ্ঞানের গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাছাকাছি বিভিন্ন কাজগুলো একটি যন্ত্র বা রোবট যেন করতে পারে, তা নিয়ে যে গবেষণা করা হয় তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। নাম থেকেই বোঝা যায় আসলে যন্ত্রটির সত্যিকারের বুদ্ধিমত্তা বলতে কিছুই নেই, সেটি আদতে একটি নিরেট যন্ত্র বৈ আর কিছু নয়। কিন্তু যন্ত্রটির মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ করার এক অদ্ভুত শক্তিশালী একটা ক্ষমতা আছে। এই শক্তিশালী ক্ষমতাকেই বলা হয় মেশিন লার্নিং। এই পদ্ধতিতে যন্ত্রও এখন বাংলা শেখে। বাংলায় অনুবাদ করা যায়, কথা বলে নির্দেশনা দেওয়া যায় যন্ত্রকে।

মেশিন লার্নিং কী?

Eprothom Aloকম্পিউটারকে এমন একটি ক্ষমতা দেওয়া হয় যার জন্য সেটি যেকোনো কিছু আগে থেকে ওই বিষয়ক প্রোগ্রাম লেখা ছাড়াই শিখতে পারে—এটিই মেশিন লার্নিং। নিজে থেকে শেখার ক্ষমতার কারণে কম্পিউটার যেকোনো কিছুই করতে পারে খুব সহজে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, যদি কম্পিউটারের খেলার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তার জেতার হার বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সেই কম্পিউটারটি আসলেই শিখছে। মানে সে খেলতে খেলতে শিখছে, আর নিজে থেকে এই শেখার ক্ষমতাকেই বলে মেশিন লার্নিং।

বোঝার ক্ষমতা

মানুষের যেমন পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে, তারই অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে কম্পিউটার প্রকৌশলের বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্র। চোখ দিয়ে দেখার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কম্পিউটার ভিশন’। কান দিয়ে কথা শোনার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “স্পিচ টু টেক্সট”। নাক দিয়ে ঘ্রাণ নেওয়ার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “ইলেকট্রনিক নাক”, যা বড় পরিসরে “প্যাটার্ন রিকগনিশন” নামক গবেষণার ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। স্পর্শ করার ক্ষমতা এখন সব স্মার্টফোনেই রয়েছে, যা “টাচ সেন্সর” নামে পরিচিত। খাবারের স্বাদ গ্রহণের যে ক্ষমতা, তা সম্ভবত সবচেয়ে জটিল এবং যন্ত্রের জন্য অপ্রয়োজনীয় বলেই হয়তো এ নিয়ে খুব একটা গবেষণার কাজ দেখা যায় না। ওপরের এই গবেষণার দিকগুলো চিন্তা করলে বলা যেতে পারে যে আমাদের স্মার্টফোনগুলো এখন স্পর্শ, দেখা এবং শোনা; এই তিনটি ইন্দ্রিয়ের কাজ বেশ ভালোভাবেই করতে পারে।

পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরেও মানুষের আরও বিভিন্ন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্র। যেমন মুখ দিয়ে কথা বলার জন্য যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘টেক্সট টু স্পিচ’। ভাষা অনুবাদ করার যে ক্ষমতা, তাকে বলা হয় ‘মেশিন ট্রান্সলেশন’।

গবেষণা চলছে নিরন্তর

এসব গবেষণার ক্ষেত্রেই মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গবেষকেরা এখন কাজ করছেন। মেশিন লার্নিংকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন সুপারভাইজড লার্নিং, আন-সুপারভাইজড লার্নিং, সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং, এবং রি-ইনফোর্সমেন্ট লার্নিং।

সুপারভাইজড লার্নিংয়ের জন্য প্রয়োজন হয় মানুষের তৈরি করা প্রশিক্ষণ উপাত্ত (ডেটা)। একটি প্রোগ্রামকে এই উপাত্তের ভিত্তিতে প্রশিক্ষিত করা হয়, যার ওপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। সমগ্র প্রক্রিয়াটিকেই সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন আমাদের মেইলের ইনবক্সে আসা মেইলটি স্প্যাম কি না এই সিদ্ধান্ত আগের কিছু তথ্যের ওপর নির্ভর করে দেওয়া হয়।

প্রোগ্রামে কিছু তথ্য দেওয়া হয় এবং প্রোগ্রাম সেটার ওপর নির্ভর করেই সব ধরনের সিদ্ধান্ত দেয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট কী সেটা কোথাও বলা থাকে না। প্রোগ্রাম নিজ থেকেই সেটা বুঝে বের করে নেয়। আর একেই আন-সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী বসে রয়েছে। এই প্রোগ্রাম ছাত্র ও ছাত্রীদের ভিন্ন ভাগে ভাগ করবে, এটা হচ্ছে আন-সুপারভাইজড লার্নিং।

সুপারভাইজড এবং আন-সুপারভাইজড লার্নিংয়ের কম্বিনেশনকে সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং বলে।

করপোরেট দুনিয়ায় এখন মেশিন লার্নিংয়ের পাশাপাশি রোবটিক প্রসেস অটোমেশন (আরপিএ) পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির ফলে বিভিন্ন যন্ত্র মানুষের বারবার করা কাজগুলো শিখে সেগুলো নিজেরাই করে নিচ্ছে। বাংলাদেশে এখনো এর ব্যবহার নেই। যদি এই পদ্ধতি বাংলাদেশে ব্যবহার করা যেত, তাহলে বাংলাদেশের জনবলকে আরও দক্ষ করা যেত।

নিত্য আবিষ্কারে প্রশিক্ষিত যন্ত্র

সাম্প্রতিক নিত্যনতুন আবিষ্কার এই মেশিন লার্নিংকেই করে তুলেছে তুমুল জনপ্রিয় এক গবেষণার ক্ষেত্র। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করেই আপনি বাংলায় কথা বলে গুগলের জিবোর্ড বা অক্ষর বাংলা কি–বোর্ড লিখতে পারে। এই প্রযুক্তি দিয়েই গুগলে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ হয়, আবার গুগল সেটা পড়েও শোনাতে পারে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য যা বেশ কাজের। যত বেশি ব্যবহার হবে এসব তত বেশি উন্নত হবে।

যে কেউ চাইলেই মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করতে পারেন। এর জন্য পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেহেতু মেশিন লার্নিংয়ের সব গণিতভিত্তিক, তাই উচ্চস্তরের জ্ঞান থাকতে হবে বীজগণিত, পরিসংখ্যান ও ক্যালকুলাসে। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সহজলভ্য করার জন্য কাজও হচ্ছে দেশে।

লেখক: প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা, কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেড।
ই-মেইল: kmanwar@gmail.com

40
ন্টারনেটের কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার মতামত পাতায় প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে এই আহ্বান জানান জাকারবার্গ। আজ রোববার বিবিসি অনলাইনের খবরে এই তথ্য জানানো হয়।

Eprothom Aloজাকারবার্গ বলেন, ক্ষতিকর কনটেন্ট পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব এককভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নেওয়া বেশ কঠিন।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর ও লিনউড মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার দুই সপ্তাহ পর জাকারবার্গের খোলা চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগের কথা উঠে এল। ওই হামলায় ৫০ জন মুসলিম নিহত হন। মসজিদে হামলার সময় ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভস্ট্রিম করেন বন্দুকধারী ব্রেনটন টারান্ট। ১৫ মার্চ ঘটনার পর ফেসবুকে ওই ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। লাইভস্ট্রিম ও ভিডিওটি ছড়ানো বন্ধ করতে ব্যর্থতার জন্য কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুক। তবে জাকারবার্গ তাঁর খোলা চিঠিতে ক্রাইস্টচার্চে হামলার বিষয়টি উল্লেখ করেননি।

জাকারবার্গ তাঁর খোলা চিঠিতে চারটি ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির আহ্বান জানান। সেগুলো হচ্ছে ক্ষতিকর কনটেন্ট, নির্বাচনী শুদ্ধতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডেটা সুবহনীয়তা।

লেখায় জাকারবার্গ বলেছেন, ‘আইনপ্রণেতারা প্রায়ই আমাকে বলেন, কথা বলার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক ক্ষমতা। সত্যি বলতে, আমি তা স্বীকার করি। ফেসবুক একটি স্বাধীন কাঠামো গঠন করছে, যাতে লোকজন কী পোস্ট হয়েছে বা কোন পোস্ট নামিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ফেসবুকের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপিল করতে পারে।’

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জাকারবার্গ নতুন কিছু আইন দেখতে চান বলে তিনি তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নতুন আইনগুলো সব ওয়েবসাইটের জন্যই প্রযোজ্য হতে হবে, যাতে কোনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বন্ধের কাজটি সহজ হয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারগুলোর প্রতি জাকারবার্গের আহ্বানে যা উঠে এসেছে, তা হলো বড় বড় সব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে প্রতি তিন মাস পর স্বচ্ছতার প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। নির্বাচনী শুদ্ধতা রক্ষায় বিশ্বব্যাপী কঠোর আইন। রাজনীতিক ব্যক্তিত্বদের শনাক্তে সব ওয়েবসাইটের জন্য একই মানদণ্ড প্রণয়ন। আইন শুধু প্রার্থী ও নির্বাচনের জন্যই নয়, বিভেদ সৃষ্টিকারী রাজনৈতিক ইস্যুতেও প্রয়োগ হতে হবে। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার সময়ের বাইরেও আইনের প্রয়োগ হতে হবে। অনলাইনে ভোটারদের টার্গেট করে রাজনৈতিক প্রচারাভিযানের জন্য যেভাবে ডেটা ব্যবহার হয়, তা নিয়ন্ত্রণে নতুন পন্থা বের করতে হবে। গোপনীয়তা রক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো সাধারণ ডেটা সুরক্ষা নীতি (জিডিপিআর) আরও বেশিসংখ্যক দেশ গ্রহণ করতে পারে। একটি সেবা থেকে অন্য সেবায় যখন কোনো ব্যক্তি চলে যায়, তখন ওই ব্যক্তির ডেটা সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব কার হবে, সে ব্যাপারে আইনে স্পষ্ট করতে হবে।

জাকারবার্গের খোলা চিঠিটি ইউরোপীয় কয়েকটি সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হবে।

নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় লোকজনের ব্যক্তিগত ডেটা অপব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে ফেসবুক সমালোচিত হয়ে আসছে। কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। এ ঘটনায় ফেসবুক প্রশ্নের মুখে পড়ে।

জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি মনে করি, এই ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে ফেসবুকের দায়িত্ব রয়েছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি বিশ্বের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই।’
source: prothom Alo

41
ICT / The Role of Artificial Intelligence in Healthcare and Society
« on: March 31, 2019, 06:23:40 PM »
Artificial intelligence (AI) has transformed the way we do business and our everyday lives. Virtual assistants, computer-aided diagnosis and clinical decision support are just a few examples of how artificial intelligence in healthcare has transformed the sector.

Yet, there is a dark side of AI. The malicious use of artificial intelligence in healthcare can create significant problems for the sector and beyond. AI may be developed with a malicious purpose in mind, or AI may be exploited by adversaries with a malicious purpose – in other words, currently available technology may be intentionally misused.

Checks and Balances in Innovation
While many view AI as a panacea, it is not without faults. Through the use of AI, a machine may make mistakes that a human may never make. For reasons such as these, it is important to keep in mind the concept of “man and machine” instead of “man versus machine.” The healthcare sector needs to be involved in a dialogue to take an active role in leveraging innovative technologies such as AI, but with a system of checks and balances.

AI systems of today often contain a number of exploitable vulnerabilities. For example, data poisoning attacks may occur by introducing training data that causes a learning system to make mistakes or an adversary might introduce inputs that are designed to be misclassified by learning systems. Furthermore, the core of an AI system is its data processing and decision-making engine. The security and integrity of the data processing and decision-making engine, including inputs, rules and otherwise, are quite important. If any aspect is tampered with and if there is no human “check,” then it is quite possible that significant harm may occur. In the case of healthcare, this may result in potential harm, injury, or even death to a patient.




New Threat Possibilities
AI systems have novel vulnerabilities that may be exploited to create new types of attacks. In the cyber realm, phishing – which is most identified as the initial point of compromise in cyberattacks according to the results of the 2019 HIMSS Cybersecurity Survey – may be automated through the use of artificial intelligence in healthcare. Spear-phishing, in fact, tends to be an effective form of phishing since it is often tailored to the recipient using intelligence gathered about the recipient. Indeed, fully automated spear-phishing attacks can be potentially disruptive for many organizations.

 


 
AI systems may also be used to conduct attacks on cyber-physical systems. As an example, medical cyber-physical systems are life-critical, networked systems of medical devices that are involved in treating patients. A compromise of a critical component within such a medical cyber-physical system can pose a significant risk to patient safety.

In another example, 3D printing is used extensively in healthcare, whether in terms of creating customized prosthetics, implants, tissue and organ fabrication, or otherwise. However, an AI-enabled attack may pose a significant threat to 3D printing (and its applications). For example, a critical component of a 3D printed product may be intentionally malformed or defective, potentially leading to patient harm. Or, the 3D printing system may be “controlled” by an adversary to build a malicious autonomous system.

Technology is an everyday part of our lives. AI is a tool, but one which can be used for good and bad purposes. We must be vigilant in securing and protecting the technologies we design, build and deploy, especially in the healthcare sector. People depend upon us every day and we ought not to let them down.

42
Internet of Things / How Blockchains Help IoT
« on: March 27, 2019, 04:53:53 PM »
First, it stops everything having to take place in a central server. If thousands of IoT devices are all talking to a central hub that’s trying to log everything, it can quickly fill up space. By doling out the logs to the blockchain, it helps free up resources on the main server.

Second, it helps prevent malicious actors from “poisoning the well.” If thousands of IoT devices all got commands from a central hub, all a hacker would need to do is hack the hub and implant malware to cause mass havoc. By spreading it out in a blockchain, a hacker has no ‘central attack point’ to focus on.

Blockchain-IoT-Hacker
Speaking of hackers, the blockchain also keeps personal details away from prying eyes. If all the logs were stored on a central server, all it would take is one database leak on an unencrypted file, and everyone’s personal details would be available for everyone to see. By breaking up the logs into encrypted blockchains, hackers can’t get at sensitive data so easily.


 
It also means we can trust the logs that we receive via the blockchain. If all the logs were under the control of one organization, they would have the power to alter them to their will without the public knowing. The non-centralized transparent nature of the blockchain keeps the logs free from tampering and can be trusted much more than centralized logs.

43
নতুন কোনো ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে ভাবছেন? একটি নতুন পণ্য বা সেবা বাজারে আনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো বাজার গবেষণা।

বাজার গবেষণা কী?

সহজ করে বললে, আপনি যাদের সম্ভাব্য গ্রাহক মনে করছেন, তারা একটি পণ্য কিংবা সেবা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেয়, সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করাই হলো বাজার গবেষণা। ধরুন, আপনি একটি কাপড়ের দোকান দেওয়ার কথা ভাবছেন। আদৌ তার চাহিদা আছে কি না, কোন ধরনের কাপড়ের চাহিদা বেশি, প্রতিযোগী কারা, সমস্যা ও সম্ভাবনার জায়গাগুলো কী—এসব বিষয়ে নিশ্চয়ই আপনি তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই তথ্য সংগ্রহ করাই হলো বাজার গবেষণা।

বাজার গবেষণা কেন করতে হয়?

প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে মানুষের অনেক চাহিদাই অপ্রকাশিত। বিশ্বে গাড়ির সবচেয়ে বড় কোম্পানির (উবার) নিজস্ব কোনো গাড়ি থাকবে না, সেটা কি কেউ কখনো কল্পনা করেছিল? কল্পনাশক্তি দিয়ে যা ভাবা কঠিন, কিন্তু বাস্তবে সম্ভব হতে পারে, এমন বিষয়গুলোর জন্যই বাজার গবেষণা করতে হয়। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন গবেষণার সর্বোচ্চ ধাপ হিসেবে মানুষের সৃজনশীল কল্পনাশক্তিকে বিশ্বাস করতেন।

আজ যে পণ্য মানুষের চাহিদা পূরণ করছে, কাল সেটা বাজার থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে। ব্যবসার সার্বিক মুনাফার কিংবা টিকে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে বাজার বিশ্লেষণ করার সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি গভীর। কে ক্রেতা আর কে ভোক্তা কিংবা ইন্ডাস্ট্রির কোন ধাপের সঙ্গে নিজের পণ্যটি যাচ্ছে অথবা বাজারে এই পণ্যের মার্কেট শেয়ার কতটুকু আছে এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান কী হতে যাচ্ছে—এই সবকিছুর সঙ্গে পর্যাপ্ত তথ্যের কার্যকরী গবেষণা জরুরি।

আবার হতে পারে, প্রতিযোগীদের পণ্যের চেয়ে আপনার পণ্যটি বিশেষ কী সুবিধা নিয়ে আসছে, সেটির যথার্থ প্রচার না করেই আপনি বাজারে পণ্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিচ্ছেন। যা কিছু অন্যের থেকে ভিন্ন, সেটি ক্রেতাদের বোঝাতে হবে। অন্যথায় পণ্য তার বাজার তৈরিই করে নিতে পারবে না। পণ্যের জন্য বাজার গবেষণার কয়েকটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে:

১. পণ্য অনুযায়ী বাজার ও প্রতিযোগীকে বোঝা

২. আমার ক্রেতা কারা, সেটি সঠিকভাবে অনুধাবন করা

৩. প্রতিযোগীদের তুলনায় আমার পণ্য কী কী বিশেষ সুবিধা দেবে, তা নির্ধারণ

 ৪. পণ্য বাজারজাতকরণের কৌশল নির্ধারণ

 ৫. সার্বিক বিচার বিশ্লেষণের পর পণ্যের প্রচারণা শুরু করা

স্বনামধন্য মার্কিন প্রকৌশলী ও শিক্ষক ডব্লিউ এডওয়ার্ড ডেমিংয়ের মতে, ‘তথ্য ছাড়া আপনি শুধুই ভিন্নমতের একজন মানুষ মাত্র।’ বাজার গবেষণার প্রথম ধাপেই আপনাকে নিজের পণ্যের বাজার বুঝতে হবে এবং সেই বাজারে কারা আপনার শক্তিশালী প্রতিযোগী, তাঁদের শনাক্ত করতে হবে। প্রতিযোগীদের ব্যবসার কৌশল বুঝে তাঁদের দুর্বল দিক এবং মূল শক্তিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করতে হবে।

যে ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার ব্যবসার পণ্য বা সেবাটি অবস্থান করছে, সেই ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্লেষণ করে বাজারে আপনার এবং প্রতিযোগীদের পণ্যের মার্কেট শেয়ার নিরূপণ করতে হবে। এ সবকিছু করার সময় আপনার ‘টার্গেট কাস্টমার’ কারা, সেটি নির্ধারণ করে ফেলুন। প্রতিযোগীদের তুলনায় আপনার পণ্য বা সেবা কী এমন বিশেষত্ব নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছে, সেটি স্পষ্ট থাকতে হবে। অবশ্যই বাজারে টিকে থাকতে হলে অন্যের তুলনায় কিছু বিশেষত্ব থাকতেই হবে।

এবার আপনাকে কৌশলী হতে হবে। কীভাবে আপনি আপনার পণ্য বা সেবা বাজারজাতকরণ করবেন, সে ক্ষেত্রে বিশেষ কী আকর্ষণ রাখা যায়, যা ক্রেতাদের আপনার পণ্যের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে, সে বিষয়ে একটি পরিকল্পনা গুছিয়ে ফেলতে হবে। সার্বিক বিচার-বিশ্লেষণের পর আপনি আপনার পণ্যের প্রচারণা শুরু করতে পারেন।

লেখক: নির্বাহী পরিচালক; ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ সেন্টার, সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

44
কয়েক মাস ধরে দর-কষাকষি চলার পর মধ্যপ্রাচ্যের রাইড শেয়ারিং সেবা কারিমকে কিনে নিচ্ছে বৈশ্বিক রাইড শেয়ারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উবার। এ জন্য ৩১০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করছে উবার কর্তৃপক্ষ। প্রতিদ্বন্দ্বী কারিমকে কেনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উবারের আধিপত্য বাড়বে। ২০২০ সালের মধ্যে ওই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

গতকাল সোমবার রাতে উবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে কারিমকে কিনতে ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার নগদ অর্থ আর বাকি ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার কনভার্টেবল নোট আকারে পরিশোধ করবে। এর ফলে কারিমের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হবে উবারের।

কারিমকে অধিগ্রহণ করার ফলে উবারের সহযোগী ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচালিত হবে কারিম। শুরুতে কারিমের নাম বদল হবে না। কারিমের সহপ্রতিষ্ঠাতা মুদাসির শেখা, ম্যাগনাস ওলসন ও আবদুল্লাহ ইলিয়াস কারিমের সঙ্গেই থাকছেন। তবে কারিমের পরিচালনা বোর্ডে পরিবর্তন আসবে। তিনটি সিট যাবে উবার প্রতিনিধির দখলে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে আসতে যাচ্ছে উবার। পুঁজিবাজারে আসার আগে কারিমকে অধিগ্রহণ করল প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছেড়ে আগামী মাসে পুঁজিবাজারে আসার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে শেয়ারবাজারে নথিভুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানটির মূল্যমান হবে ১০০ বিলিয়ন ডলার।

কারিমকে কিনে নেওয়ার চুক্তি প্রসঙ্গে উবারের প্রধান নির্বাহী দারা খোশরেশাহী বলেন, এটা উবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
source: Eprothom Alo

45
এত দিন বলা হতো, সৌরজগতের গ্রহগুলো সূর্য থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ও নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে। তবে বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, বৃহস্পতি গ্রহ তার আগের অবস্থান থেকে সূর্যের দিকে চার গুণ কাছে সরে এসেছে। মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যা–বিষয়ক ইউরোপের খ্যাতনামা গবেষণা সাময়িকী অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকস–এ সম্প্রতি এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটি করেছেন সুইডেনের লুন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়টির জ্যোতির্বিদ্যা বিভাগের পিএইডি গবেষক সিমোনা পিরানি এই গবেষণা নিবন্ধের মূল লেখক।

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি। গবেষকেরা বলছেন, উৎপত্তির সময় গ্রহটি এখনকার মতো বড় ছিল না। এটি ছিল পৃথিবীর চেয়ে ছোট বা পৃথিবীর সমান। ক্রমে এটি মহাজাগতিক ধূলিকণা সঞ্চয় করে আকারে বড় হয়। সূর্যের মধ্যে ঘূর্ণমান গ্যাসমণ্ডলের মহাকর্ষ বলের কারণে গ্রহটি তার কক্ষপথের দূরত্ব এবং কক্ষপথের ব্যাসার্ধ কমিয়েছে। গবেষকদের দাবি, উৎপত্তিস্থলের চেয়ে সূর্যের চার গুণ কাছে সরে এসেছে বৃহস্পতি।

সৌরজগতের উৎপত্তি হয়েছে প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে বের করেছেন, উৎপত্তির ২০ থেকে ৩০ লাখ বছর পর বৃহস্পতির স্থানান্তর শুরু হয়। এই স্থানান্তর প্রায় ৭ লাখ বছর ধরে চলে। বিজ্ঞানীরা এই দাবির সপক্ষে একটি প্রমাণও হাজির করেছেন।

সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে থাকা অসংখ্য গ্রহাণুকে বলা হয় গ্রহাণুপুঞ্জ। গ্রহাণু রয়েছে বৃহস্পতির কক্ষপথেও, এদের ট্রোজান গ্রহাণু বলা হয়। ট্রোজান গ্রহাণুগুলো দুই অংশে বিভক্ত। এর একটি বৃহস্পতির সামনে দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, অপরটি পেছন থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। পেছনের গ্রহাণু সংখ্যার চেয়ে সামনের অংশে ৫০ শতাংশ বেশি গ্রহাণু রয়েছে। সৌরজগতে প্রতিসমতা লক্ষ করা যায়। ফলে বিজ্ঞানীদের দাবি, ট্রোজানের দুই অংশেই সমান গ্রহাণু ছিল। ক্রমে বৃহস্পতি সূর্যের কাছে সরে আসায় গ্রহাণুপুঞ্জের গ্রহাণু বৃহস্পতির মহাকর্ষ বল টেনে নিয়ে সামনের অংশে ট্রোজানের গ্রহাণু বাড়িয়েছে।

Pages: 1 2 [3] 4