Daffodil International University

Faculties and Departments => Business & Entrepreneurship => Commerce => Topic started by: Anuz on March 15, 2020, 03:08:51 PM

Title: বিলট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ৫০ কোটি টাকার ভ্যাট বকেয়া, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ
Post by: Anuz on March 15, 2020, 03:08:51 PM
৫০ কোটি ২৪ লাখ টাকার বকেয়া ভ্যাট অনাদায়ি থাকায় একটি ভবন নির্মাতা (বিল্ডিং স্ট্রাকচার) কারখানার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কর্তৃপক্ষ। ভ্যাট আইন অনুসারে বৃহস্পতিবার ৬১টি ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানটির নামে থাকা সব ধরনের অ্যাকাউন্ট অপরিচালনযোগ্য (ফ্রিজ) করার নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির নাম মেসার্স বিলট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, কালামপুর, ধামরাই, মানিকগঞ্জ। এর ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর ০০০২৯৯০২৯০৪০৪। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হলেন এনায়েতুর রহমান। ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভ্যাট ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আগে দুটি মামলা হয়। এর একটিতে ২৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং অন্যটিতে ২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ করা হয়। প্রথম মামলায় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানটি চারটি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ২ কোটি টাকা জমা দেয়। তবে বাকি ৫০ কোটি ২৪ লাখ টাকা জমা না দিয়ে তারা কাস্টমস অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে আপিল করে। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল তাদের আপিল খারিজ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই টাকা পরিশোধ করার জন্য ভ্যাট আইন অনুসারে পৃথকভাবে পরপর দুবার নোটিশ দেওয়া হয় ওই প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে। নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতেও বকেয়া টাকা জমা না দেওয়ায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অপরিচালনযোগ্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার ৬১টি ব্যাংকে এই সংক্রান্ত নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের অনুলিপি এনবিআরের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউ-কে বিষয়টি মনিটর করার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের নামে অ্যাকাউন্ট থাকলে ১৫ দিন অপরিচালনযোগ্য থাকবে মর্মে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। এ সময়ের মধ্যে ওই বকেয়ার টাকা পরিশোধ না করলে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কর্তন করে নির্ধারিত হিসাবে সরকারি কোষাগারে জমা করে ভ্যাট কর্তৃপক্ষকে জানাতেও অনুরোধ করা হয়। ভ্যাট আইন অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় বকেয়া ভ্যাট আদায় না হলে প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যু করা বিআইএন লক করাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।