Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Zakaria Khan

Pages: [1] 2 3 ... 23
1
আযানের মধ্যে লুকিয়ে আছে অলৌকিক গনিতের খেলা।। আল্লাহর কসম এই আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।।

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ।। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লাহই শেষ।।

২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার।। আর আমরা প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি।।

৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ রয়েছে ৫০টি। আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম ৫০ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।। পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়।। আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন।।

৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।। আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত।। ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪ = মোট ১৭ রাকাত।।

৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দ হল (আল্লাহ) আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার।। সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২।। আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস।। যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।।"

2
সরাসরি সাগর থেকে অজু করলেও অজুতে বেশি পানি খরচ করার অনুমতি ইসলাম দেয়নি।🚫🚫
মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আহার করো ও পান করো; কিন্তু অপচয় কোরো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।’
(সূরা : আরাফ : আয়াত : ৩১)👈
👉 যারা অপব্যয় করে, তারা তো শয়তানের ভাই। আর শয়তান তার রবের প্রতি অতি অকৃতজ্ঞ।
(সূরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ২৭)
🚫 পানি ব্যবহারে রয়েছে বিশেষ নির্দেশনা।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
 ‘তোমরা স্থির পানিতে পেশাব কোরো না, নাপাক বস্তু ফেলো না, কেননা তা তোমরা ব্যবহার করবে।’
(আবু দাউদ, হাদিস : ৬৯, ৭০)
অপ্রয়োজনে পানি নষ্ট করা যেমন পানির অপচয়, তেমনি প্রয়োজন পূরণের সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি খরচ করাও পানির অপচয়। এমনকি সরাসরি সাগর থেকে অজু করলেও অজুতে বেশি পানি খরচ করার অনুমতি ইসলাম দেয়নি।
👉👉আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) সূত্রে বর্ণিত, একবার রাসুল (সা.) সাদ (রা.)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাদ (রা.) অজু করছিলেন। তাঁর অজুতে পানি বেশি খরচ হচ্ছিল। রাসুল (সা.) তা দেখে বলেন, কেন এই অপচয়? সাদ (রা.) জিজ্ঞেস করেন, অজুতেও কি অপচয় হয়? রাসুল (সা.) বলেন, হ্যাঁ, এমনকি প্রবহমান নদীতে অজু করলেও।’
(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২৫)

3
আল্লাহ বলেন,
👉আর আমি তোমাদেরকে অবশ্যই পরিক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদেরকে। সূরা বাকারা: ১৫৫

4
তোমরা তাদেরকে মন্দ বলো না, যাদের তারা আরাধনা করে আল্লাহকে ছেড়ে। তাহলে তারা ধৃষ্টতা করে অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে। এমনিভাবে আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কাজ কর্ম সুশোভিত করে দিয়েছি। অতঃপর স্বীয় পালনকর্তার কাছে তাদেরকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন তিনি তাদেরকে বলে দেবেন যা কিছু তারা করত।
[সূরা আন-আম, আয়াত-১০৮ ]

5
History / Re: History of Muslim'S
« on: October 04, 2021, 05:32:39 PM »
হযরত মুসা (আঃ) এর জামানার চমৎকার একটি ঘটনা।



হযরত মুসা(আঃ) একবার আল্লাহ্ তায়া'লা কে জিজ্ঞেস করলেন,হে আল্লাহ্!

জান্নাতে আমার সাথে কে থাকবে?

জবাবে বলা হলো,ওমুক কসাই !

জবাবে কসাইয়ের নাম শুনে মুসা (আঃ) খুবই আশ্চর্য হলেন। অনেক খোঁজ করার পর মুসা (আঃ) তাকে বের করলেন।



দেখলেন, কসাই গোস্ত বিক্রিতে ব্যস্ত! সবশেষে কসাই একটুকরো গোস্ত একটি কাপড়ে মুড়িয়ে নিলেন । অতঃপর বাড়ির দিকে রওয়ানা হলেন। মুসা (আঃ) তাঁর সম্পর্কে আরো জানার জন্যে অনুমতি নিয়ে পিছুপিছু তাঁর বাড়ি গেলেন। কসাই বাড়ি পৌঁছে গোস্ত রান্না করলেন। অতপর রুটি বানিয়ে তা গোস্তের ঝোলে মেখে নরম করলেন। তারপর ঘরের ভিতরের কামরায় প্রবেশ করে শয়নরত এক বৃদ্ধাকে উঠিয়ে বসালেন । তারপর তার মুখে টুকরো টুকরো রুটি পুরে দিতে লাগলেন।



খাওয়ার পর বৃদ্ধা কি যেন কানেকানে বললেন। অমনি কসাই মুচকি হাসলেন।



দূর থেকে মুসা (আঃ) সব-ই দেখছিলেন।



কিন্তু, কিছুই বুঝলেন না। মুসা (আঃ) বৃদ্ধার পরিচয় এবং মুচকি হাসার বিষয়টি কসাইকে জিজ্ঞেস করলেন।

কসাই বললেন, ওনি আমার মা আমি বাজার থেকে আসার পর সর্বপ্রথম আমার মাকে রান্না করে খাওয়াই।

আর, মা খাওয়ার পর খুশি হয়ে আমার কানের কাছে এসে আল্লাহ্ তায়া'লার কাছে এই বলে দোআ করেন,

"আল্লাহ্ তায়া'লা তোমাকে বেহেস্ত দান করুক এবং মুসা (আঃ) এর সাথে রাখুক"! আমি এই দোআ শুনে এই ভেবে মুচকি হাসি যে, কোথায় মুসা (আঃ)আর কোথায় আমি।



ইয়া আল্লাহ আমাদের মন মানষিকতা, সেই কসাইয়ের মত করে দাও, আল্লাহ তায়া'লা যেন আমাদের মা বাবার খেদমত করার তাওফীক দান করেন ।



আমীন।

#সংগ্রহীত

6
বৈজ্ঞানিকভাবে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার উপকারিতা
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের নিকট এই বিষয়টি স্পষ্ট হইয়া গিয়াছে যে,হতাশা, নৈরাশ্য,অনিদ্রা ও মানসিক বিপর্যস্ত প্রভৃতি রোগীদের জন্য তাহাজ্জুদের নামাজ একটি কার্যকর চিকিৎসা।
মানসিক রোগীদের ওপর রাতের শেষভাগে সাময়িক নিদ্রা বর্জন আরপ করিয়া ভালো ফল পাওয়া গিয়েছে।
অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা গিয়েছে, রমজান মাসে মুসলমানদের মধ্যে মানসিক রোগীদের সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকে।
উহার কারণ অনুসন্ধান করিয়া চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, রমজান মাসে রাতে শেষ অংশে সেহরির জন্য সাময়িক নিদ্রা বর্জনের ফলেই ওই রোগের প্রাদুর্ভাব হ্রাস পায়।
হতাশা ও মানসিক রোগীর যদি নিয়মিত তাহাজ্জুদ তাহাজ্জুদে অভ্যস্থ হয় তবে তাদের এই রোগ উপশম হইবে এবং সুস্থ লোকেরা ওই রোগের আক্রমণ হইতে নিরাপদ থাকবে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ তাহাজ্জুদের নামাজের যেসব উপকারিতার কথা বর্ণনা করিয়াছেন নিম্নে কয়েকটি উল্লেখ করা হইল-
তাহাজ্জুদের নামাজ মানসিক অশান্তি দূরীকরণ ও সুনিদ্রা আনয়নের অন্যতম মহৌষধ।
ইহা হৃদরোগের উত্তম চিকিৎসা।
রোগের খিঁচুনি এবং গ্রন্থি প্রদাহের রোগীদের জন্য উপকারী।
মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ উন্মাদ রোগের জন্য ইহা শেষ চিকিৎসা বটে।
চক্ষু রোগী বিশেষত যারা একটি বস্তুকে দুইটি দেখেন তাহাজ্জুদের নামাজ তাহাদের জন্য উত্তম চিকিৎসা।
তাহাজ্জুদের নামাজ মানুষের আত্ম প্রশান্তি উদ্দাম কর্মস্পৃহা ও শারীরিক শক্তি সঞ্চয় করে।
বৈজ্ঞানিক আলোকে তাহাজ্জুদ নামাজের উপকারিতা এই কারণে বর্ণনা করা হচ্ছে যে,যেন আমাদের আল্লাহ তায়ালার প্রতি বিশ্বাস আরো বেশি জন্ম নেয়।
তার হুকুম আহকাম এরমধ্যেই আমাদের ইহলোক এবং পরলোক এর সফলতা এবং কামিয়াব রয়েছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন আমিন।
সূত্র: সুন্নত ও আধুনিক বিজ্ঞান

7
History / Re: History of Muslim'S
« on: September 26, 2021, 05:48:09 PM »
পড়ে দেখুন, একটি নতুন বিষয় আবিষ্কার করতে পারবেন ..
সূরা ফাতিহায় রয়েছে ৭টি আয়াত, তাই না? এই ৭টি আয়াতকে দুই ভাগ করুন। কিন্তু মাঝের আয়াতকে কোন ভাগেই রাখবেন না। একদম মাঝের আয়াতটিকে আলাদা রেখে দুই ভাগ করলে কী রকম দাঁড়ায় দেখুন-
১,২,৩
৫,৬,৭
মাঝে থাকবে আয়াত নাম্বার ৪, তাই না?
এবার প্রথম তিনটি আয়াতে কি বলা হচ্ছে দেখে নিই।
১ম আয়াতে বলা হচ্ছে- 'যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি জগৎসমূহের অধিপতি।'
২য় আয়াতে বলা হচ্ছে- 'তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।'
৩য় আয়াতে বলা হচ্ছে- 'যিনি বিচার দিনের মালিক।'
৪র্থ আয়াতে বলা হচ্ছে- 'আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।' এটি কিন্তু মাঝের আয়াত।এটি কোন ভাগেই পড়বে না। এটিকে কেন্দ্রবিন্দু বলা যেতে পারে। এই আয়াত দিয়েই আমরা প্রথম ভাগ আর পরের ভাগকে যাচাই করবো।
পরের ভাগের আয়াত গুলোতে কি বলা হচ্ছে দেখুন ..
৫ম আয়াতে বলা হচ্ছে- 'আমাদের সরলপথে পরিচালিত করুন।'
৬ষ্ঠ  আয়াতে বলা হচ্ছে- 'ওই সব লোকদের পথে, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন।'
৭ম আয়াতে বলা হচ্ছে- 'তাদের পথে নয়, যাদের ওপর আপনার অভিশাপ নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।'
আসুন, এবার আমরা সিকুয়েন্সটি মিলাতে চেষ্টা করি।
প্রথম ভাগের আয়াতগুলো এক জায়গায় নিয়ে আসা যাক।প্রথম অংশের আয়াতগুলো হলো-
"যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি জগৎসমূহের অধিপতি। তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু। যিনি বিচার দিনের মালিক"
মাঝখানে আছে "আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।" আর পরের অংশে আছে,
'আমাদের সরল পথে পরিচালিত করুন। ওইসব লোকদের পথে, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন। তাদের পথ নয়,যাদের ওপর আপনার অভিশাপ নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।'
মাঝখানের, অর্থাৎ ৪ নাম্বার আয়াতে দুটো অংশ আছে। "আমরা তোমারই ইবাদত করি" এতটুকু একটি অংশ এবং "তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি" এতটুকু একটি অংশ।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এই আয়াতের প্রথম অংশ সূরার প্রথম তিন আয়াতের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং পরের অংশ প্রতিনিধিত্ব করছে সূরার পরের তিন আয়াতের। এই আয়াতের প্রথম অংশ দিয়ে ওপরের তিন আয়াতকে যাচাই করা যাক-
"আমরা তোমারই ইবাদত করি"
আমরা কার ইবাদত করি?
সকল  প্রশংসা যার এবং যিনি সৃষ্টি জগতের  অধিপতি।[ সূরা ফাতিহার ১ম আয়াত]
আমরা কার ইবাদত করি?
যিনি  পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু। [২য় আয়াত]
আমরা কার ইবাদত করি?
যিনি বিচার দিনের মালিক। [৩য় আয়াত]
দারুণ না?
এবার আসা যাক ওই আয়াতের পরের অংশে। যেখানে বলা হচ্ছে - "তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি "
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা সরল পথে চলতে পারি"। [সূরা ফাতিহার ৫ম আয়াত]
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা নিয়ামত প্রাপ্তদের দলে ভিড়তে পারি"। [৬ষ্ঠ আয়াত]
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা অভিশপ্ত এবং পথভ্রষ্টদের দলের অন্তর্ভুক্ত না হই"। [৭ম আয়াত]
চিন্তা করে দেখুন-  আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তাআলা এই ছোট্ট সূরাটার মধ্যেও কী রকম ভাষার মান, সাহিত্য মান দিয়ে  দিয়েছেন।
প্রথমে কিছু কথা, মাঝখানে একটি বাক্য, শেষে আরো কিছু কথা। কিন্তু মাঝখানের সেই বাক্যটিকে এমন ভাবে সাজিয়েছেন এবং এমন ভাবে বলেছেন, যেটি প্রথম এবং শেষ -দুটো অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ!!!  Collected

8
গীবত একটি জঘন্য গুনাহ
ব্যভিচারের চেয়েও জঘন্য,
নবীজি ﷺ গীবত নামক এ জঘন্যতম গুনাহর কথা সাহাবায়েকেরামের সন্মুখে বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেছেন। এজন্য এই সুবাদে আলোচনা করতে গিয়ে একটি হাদিস সামনে রাখা প্রয়োজন, যেন এর ভয়াবহতা ও কদর্যতা আমাদের হৃদয়ে বসে যায়। আল্লাহ তাআলা আপন রহমতে গুনাহটির ভয়াবহতা আমাদের অন্তরে বসিয়ে দিন এবং জঘন্য গুনাহটি থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দিন। আমিন।
উল্লেখিত হাদীসের মাধ্যমে গীবতের ভয়াবহতা আপনারা নিশ্চয় অনুধাবন করেছেন যে, গীবতকারী আখেরাতে নিজের মুখমণ্ডল খামচাবে।
অপর এক হাদীসে এসেছে, হাদীসটি সনদের দিক থেকে তেমন মজবুত না হলেও অর্থের দিক থেকে বিশুদ্ধ। রসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, গীবতের গুনাহ জিনা-ব্যভিচারের গুনাহর চেয়েও মারাত্মক।
প্রশ্ন হল, এর কারণ কী?
উত্তর হল, আল্লাহ না করুন, যদি কেউ ব্যভিচারের গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায় তাহলে পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করে নিলে আল্লাহ চাহে তো গুনাহটি মাফ হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে গীবত এমন মারাত্মক গুনাহ যে, গুনাহটির ক্ষমা ততক্ষণ পর্যন্ত পাওয়া যাবে না, যতক্ষণ না যার গীবত করেছে সে ক্ষমা করে দেয়। (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ, বাবুল গীবাত খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৯২)

9
History / Re: History of Muslim'S
« on: August 21, 2021, 12:25:52 PM »
১০ মুহাররম : মহিমান্বিত এক দিন
মাহে মুহাররমে হযরত হুসাইন রা. স্বীয় লোকজনসহ জালিম ইয়াযীদ ও তার লোকদের দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছেন। সে জন্য মাহে মুহাররমে হযরত হুসাইন রা.-এর এ ত্যাগের কথা স্মরণ করে দীনের হিফাজতের জন্য জান-মাল কোরবানি করার প্রত্যয় করা আমাদের কর্তব্য। তবে স্মরণ রাখা দরকার যে, সৃষ্ট জগতের প্রলয় শিঙ্গার ফুৎকারের মাধ্যমে সাধিত হবে। আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : ‘আর শিঙ্গার ফুৎকার উচ্চকিত হবে, সেটা হবে নির্ধারিত দিনে।’ (সুরা ক্বাফ : আয়াত ২০)। আরো ইরশাদ হয়েছে : ‘যেদিন শিঙ্গার ফুৎকার উচ্চকিত হবে, সেদিন পৃথিবী ও আকাশমন্ডলীর বাসিন্দারা বেকারার হয়ে যাবে।’ (সূরা নমল : আয়াত ৮৭)। এই ফুৎকার মুহাররমের ১০ তারিখ কোনো এক শুক্রবার দিন উচ্চকিত হবে। কিন্তু কিছু লোক আশুরার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে অতিরঞ্জিত ও গর্হিত কার্যকলাপ দ্বারা বিদআত ও নাজায়েজ বিষয়ের অবতারণা করে চলেছেন। মুসলমানদের সেসব গর্হিত কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে।

আশুরার তাৎপর্যপূর্ণ ফজিলত
ফজিলত ও তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোর মধ্যে অনন্য আশুরা। আশুরার অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ফজিলত আছে। এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-
১. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনাতে এলেন তখন ইয়াহুদিগণ আশুরার দিন রোজা রাখতেন। তারা জানাল, এ দিন মুসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের উপর বিজয় লাভ করেছিলেন। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বললেন, মুসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হওয়ার দিক থেকে তাদের চেয়ে তোমরাই অধিক হাকদার। কাজেই তোমরা (আশুরার দিন) রোজা রাখ।’ (বুখারি)


10

ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻰَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧْﺖَ ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢُ

- রব্বিগফিরলী ওয়াতুব ‘আলাইয়া ইন্নাকা আনতাত্ তাওয়াবুর রহীম।
-‘হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার তাওবা গ্রহণ করুন। নিশ্চয় আপনি তাওবা গ্রহণকারী, অতি দয়ালু।’
[আবু দাউদ : ১৫১৬]

11
কুরআন দিয়ে আপনার হৃদয় নিরাময় করুন, এটি এমন একটি ওষুধ যা শেষ হয় না। এটি চাপ, উদ্বেগ হতাশা এবং দুঃখ যা-ই হোক না কেন হৃদয় থেকে সরিয়ে দেয়।

সর্বদা আপনি কোরআনের সাথে আপনার সম্পর্ক জোরদার করুন , এবং দৈনিক কুরআন পড়ার জন্য আন্তরিক চেষ্টা করুন।

নিঃসন্দেহে এই পবিত্র কুরআন আপনাকে পৃথিবীতে সেরা মোটিভেশন ও অনুপ্রেরণা দিতে সক্ষম হবে।

দৈনিক কম-করে হলেও কোরআনের একটি আয়াত হলেও অর্থসহ বুঝার জন্য আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করুন।

আপনি যখন ফজরের নামাজের পরে এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আপনি আপনার দিনটি শুরু করেছেন ...

আপনার পুরো দিনটি একদম ভাল সুন্দর ও দুর্দান্ত হয়ে উঠবে ..
মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে নামাজ ও পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত দিয়ে আমাদের দিনটি শুরু করার তৌফিক দান করুন আমীন ....

12
History / Re: History of Muslim'S
« on: July 24, 2021, 11:04:56 AM »
একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে দুরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে বেড়ায়।

স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো পানি,
আপনি দুইটা এক সাথে মিশিয়ে ইচ্ছে মতো আকৃতি দিতে পারবেন।
" আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেন না, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুসকা খান।

"" আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ি কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রী কে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান।

""" পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে, যদি আপনি আপনার স্ত্রী কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, এবং বলেন সারাদিন অনেক করেছো।

"" ভালোবাসা শুধু দামী জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে না।।
"" মাঝে মধ্যে ভালোবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ২৫ টাকা দামের কাচের চুড়ি মধ্যে ও লুকিয়ে থাকে।
"" সাথে একটু শেয়ার এবং কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, জান্নাত হয়।

13
মাসয়ালা :
১. সামর্থ থাকলে দ্বিতীয় বিয়ে করা জায়েয৷ চারজন পর্যন্ত স্ত্রী একসাথে বিবাহবন্ধনে রাখা বৈধ৷ তবে সকলের মাঝে সমতা রক্ষা আবশ্যক। (সূরা নিসা-৩)
২. বিধবা মহিলাকে বিয়ে করা নবীর সুন্নত। আয়েশা রা. ছাড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সকল স্ত্রী বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। কুরআনে এ ধরণের মহিলাকে বিয়ে, সহযোগিতা, সদাচারণ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে৷ অভিভাবককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন এমন নারীকে পুনরায় বিয়ে করতে বাঁধা না দেয়৷ (সূরা বাকারা-২৩৪, সূরা নিসা: ১৯)
৩. আন্দোলন, যুদ্ধ-বিগ্রহ বা কোন বেদনার বিষয় সামনে আসার কারণে স্ত্রীসঙ্গ থেকে দূরে থাকা ইসলামের শিক্ষা না। বরং এরূপ করা কাফেরদের কাজ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ থেকে ফিরে মসজিদে দু রাকাত নামায পড়তেন। তারপর ঘরে যেতেন।
আওতাসের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে তিনদিনের জন্য নিকাহে মুতআর অনুমতি দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিদায় হজ্বের সময় তিনি মুতআ বিয়েকে চিরদিনের জন্য হারাম ঘোষণা করেন৷ (সহীহ মুসলিম- ১৪০৫)
৪. দ্বিতীয় বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি জরুরি না। তবে সাংসারিক মনোমালিন্য যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রথম স্ত্রীকে জানানো উচিৎ। (ফতোয়া লাজনাতিত দায়ীমাহ লিল বুহুসিল ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা- ১৯/৫৩)
৫. শরঈভাবে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য দুজন সাক্ষীর সামনে বিয়ের উপযুক্ত স্বামী স্ত্রীর প্রস্তাব সম্মতিই যথেষ্ট। মোহরের উল্লেখ না থাকলেও বিয়ে হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে মেয়ের সমপর্যায়ের অন্যান্য মহিলাদের মোহর পরিমাণ টাকা/আসবাব/অলঙ্কার স্ত্রীকে মোহর হিসেবে দিতে হবে। (আল মুহীতুল বুরহানী- ৩/৫৬)
৬. কাবিননামা একটা ডকুমেন্ট মাত্র। শরঈ বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য কাবিননামা জরুরি না। (রদ্দুল মুহতার- ৩/৯)
৭. কোন সৎ নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া জঘণ্যতম অপরাধ। ইসলামী আইন অনুযায়ী কেউ যদি কোন মহিলাকে যিনার অপবাদ দেয়, তাহলে যিনা করতে দেখেছে এমন চারজন সাক্ষী তার কাছে তলব করা হবে। চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারলে বা তিনজন সাক্ষী হলে তাদের সবাইকে ৮০টি করে চাবুকাঘাত করতে হবে।
শরীয়তে তারা ফাসেক বলে বিবেচিত হবে। তওবার আগ পর্যন্ত তাদের অন্য কোন সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

14
ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামত দিবসে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার আগপর্যন্ত আদম সন্তানের পদদ্বয় আল্লাহ্ তা'আলার নিকট হতে সরতে পারবে না। তার জীবনকাল সম্পর্কে, কিভাবে অতিবাহিত করেছে? তার যৌবনকাল সম্পর্কে, কি কাজে তা বিনাশ করেছে ; তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে, কোথা হতে তা উপার্জন করেছে এবং তা কি কি খাতে খরচ করেছে এবং সে যত টুকু জ্ঞান অর্জন করেছিল সে মুতাবিক কি কি আমল করেছে।
সহীহ, সহীহাহ্ (৯৪৬) তিরমিযি হাদিস নং 2416

15
History / Re: History of Muslim'S
« on: December 30, 2020, 06:07:20 PM »
#দরিদ্রতা_আসে_সাত_জিনিসের_কারণেঃ-
১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে...!!!
২। দাঁড়িয়ে পশ্রাব করার কারণে...!!!
৩। পশ্রাবের জায়গায় অজু করার কারণে...!!!
৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে...!!!
৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে...!!!
৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে...!!!
৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে!
#সচ্ছলতা_আসে_সাত_জিনিসের_কারণেঃ-
১। কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে।
২।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে।
৩। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার কারণে।
৪। দরিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্য করার কারণে।
৫। গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে।
৬। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সদাচরণ করার কারণে।
৭। সকালে সূরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করার কারণে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তওফিক দান করুন
——আমিন....!!!

Pages: [1] 2 3 ... 23