Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Faruq Hushain

Pages: 1 ... 3 4 [5]
61
সব প্রতিষ্ঠানই কেবল লাভের জন্যে কাজ করে না। কিছু অলাভজনক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের কাজে সাধারণত সমস্যার সৃষ্টিশীল সমাধান প্রয়োজন হয়। তা ছাড়া মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান চালাতে ফান্ড গঠন করা হয়। এখানে জেনে নিন আমেরিকার এমনই ৮টি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের খবর।

১. পাঙ্ক-রক ফটোগ্রাফার মার্ক বিমার ২০০২ সালে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন যার নাম 'শার্টস ফর আ কিওর (এসএফএসি)'। মার্কের স্ত্রী স্তন ক্যান্সারে মারা যান। তার স্মৃতি ধরে রাখতে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসার খরচ বহন করে তারা।

২. 'দ্য গিভ ব্যাক ইয়োগা ফাউন্ডেশন' আমেরিকার জাতীয় পর্যায়ের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটা বিভিন্ন স্থানে ইয়োগার প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি ইত্যাদির আয়োজন করে। মানুষের স্ট্রেস কমাতে এবং আত্মবিশ্বাসী করতে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

৩. সংগ্রামরত শিক্ষার্থী এবং উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ায় 'কিভা'। বিশেষ করে দরিদ্র শিক্ষার্থী এবং উদ্যোক্তাদের স্বল্প পরিমাণ অর্থ বা পুঁজি অলাভজনকভাবে ঋণ দেয় তারা। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ না এই ঋণ শোধ করতে সমর্থ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিষ্ঠানটি।

৪. ক্যারোলিনার 'ক্যারি ক্রিয়েটিভ সেন্টার'-এর কর্ম আদর্শের পেছনে পুরনো প্রবাদ কাজ করেছে, 'একের বোঝা অন্যের সম্পদ'। তারা 'পুনঃব্যবহারযোগ্য শিল্পচর্চা'র কথা বলে। তারা মানুষকে তাদের পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র ওই প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দিতে বলে। এগুলোই তাদের শিল্পচর্চার উপকরণ হিসেবে কাজে দেবে।

৫. 'হেইফার ইন্টারন্যাশনাল' এমনই আরেকটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছ থেকে সামান্য দানের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষের ক্ষুধা নিবারণের ব্যবস্থা করতে কাজ করছে তারা। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ছাগল, ভেড়া, মুরগি বা মৌমাছি ইত্যাদি পালনের জন্যে অর্থ দেয় তারা। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতেও তৎপর প্রতিষ্ঠানটি।

৬. টেক্সাসে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত 'প্যাট্রিয়ট পস' এমনই এক সংস্থা। এরা শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষদের সহায়তায় প্রশিক্ষিত কুকুর সরবরাহ করে। এসব কুকুর প্রতিবন্ধীদের দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে সহায়তা করে।

৭. গুগলের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান 'নেস্ট'। সারা বিশ্বের নারীদের স্বনির্ভর করতে তৈজসপত্র শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করে তারা।

৮. 'লারনিং অ্যালাই' এমন এক প্রতিষ্ঠান যারা অন্ধ বা শিক্ষা গ্রহণে শারীরিকবাবে অক্ষম শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদানে সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করে। ১৯৪৮ এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার অন্ধদের জন্যে অডিও বুক তৈরি করে চলেছে। পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন পদ্ধতিকে ১২তম গ্রেড পর্যন্ত গড়ে তুলতে অভিভাবক, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে চলেছে।

সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

62
বিশ্বের অন্যতম সার্চ ইঞ্জিন গুগল যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সবচেয়ে বড় ক্যাম্পাস তৈরি করতে যাচ্ছে ভারতের হায়দ্রাবাদে। দেশটির তেলেঙ্গনা রাজ্যের তথ্যমন্ত্রী কে টি রামা রাও এ কথা জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র সফররত রাও এক টুইটার বার্তায় বলেন, গুগল ও তেলেঙ্গনা রাজ্যের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ওই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী কোম্পানিটি হায়দ্রাবাদে একটি ক্যাম্পাস নির্মাণ করবে। যা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সবচেয়ে বড় ক্যাম্পাস হবে।
তিনি জানান, এশিয়ায় এটি হবে গুগলের প্রথম ক্যাম্পাস। যা তৈরি হবে ২০ হাজার বর্গ ফুট জায়গা নিয়ে। এর জন্য ব্যয় হবে এক হাজার কোটি রুপি। যা সম্পন্ন করতে ১৩ হাজার শ্রমিকের চার বছর সময় লাগবে।
রামা রাও আরও জানান, গুগলের রিয়েল এস্টেট ও ওয়ার্কপ্লেস বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেভিড র‌্যাডক্লিফ এবং তেলেঙ্গনা রাজ্যের তথ্য সচিব জয়েশ রঞ্জন ওই সমঝোতা স্মারকে সই করেন। যা অনুষ্ঠিত হয় ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউয়ে অবস্থিত গুগলের হেডকোয়ার্টারে। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে।

63
বিশ্ব জগতে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন তার স্বীয় অস্তিত্বের প্রমাণ স্বরূপ অনেক নিদর্শন সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীতে প্রেরিত তার নবী ও রসূলদের দ্বারা তিনি এই নিদর্শন সমূহের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এই সকল অলৌকিক নিদর্শন ও বিস্ময়কর সৃষ্টিগুলো দ্বারা বিশ্বাসীরা আরও বেশী আস্তিক হয় এবং নাস্তিকেরা সুপথের সন্ধান লাভ করে। মহান স্রষ্টার এই সকল নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যমযম কুপ। যে কুপের পানি সৃষ্টি থেকে আজ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যেও নিঃশেষ হয় নি বা শুকিয়ে যায় নি।
যমযম কূপ বিশ্বের এক অনন্য নিদর্শন। সৌদি আরবের মক্কা কাবা শরীফ থেকে ২০ মিটার বা ৬৬ ফুট পশ্চিমে মসজিদুল হারামের ভিতরে এই কূপের অবস্থান। মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান। মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, যমযম কূপের সুপেয় পানি মহান আল্লাহর দান। যেটির সূচনা হয়েছিল কয়েক হাজার বছর পূর্বে হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর সময়ে। হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালনের সময় সহ বছরের বিভিন্ন সময়ে কোটি কোটি মুসলমান এই কূপটি দর্শনে আসে এবং ইহার পানি পান করে তৃপ্তি সহকারে। এখানে যারা আসে তারা কূপের পানি সংগ্রহ করে স্ব স্ব দেশে নিয়ে যায় এবং পরিবারবর্গদের মাঝে বণ্টন করে থাকে। বিশ্বের সকল পানি বসে পান করা সুন্নত তবে একমাত্র ব্যতিক্রম যমযমের পানি। কারণ, যমযমের পানি দাড়িয়ে পান করা সুন্নত।
যমযম (Zamzam) শব্দটি ঐতিহ্যগতভাবে শব্দ সমষ্টি Zomë Zomë  থেকে এসেছে। যার শাব্দিক অর্থ থামা। এই কূপের গা ঘেঁষে হযরত ইবরাহীম (আঃ) পুনরায় বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন। হিব্রু ভাষায় যাকে বলা হয় ব্যাথেল। বায়তুল্লাহ বা ব্যাথেল সর্বপ্রথম নির্মাণ করেন বিশ্বের প্রথম মানব হযরত আদম (আঃ)। এই গৃহের বর্তমান নাম ‘কাবা’। যেদিকে মুখ করে মুসলমানরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে।
যমযম কূপটি ৩০ মিটার বা ৯৮ ফুট গভীর, যার ব্যাস ৩ ফুট ৭ ইঞ্চি থেকে ৮ ফুট ৯ ইঞ্চি। প্রথম দিকে এই কূপ থেকে পানি তোলা হতো দড়ি বা বালতীর

সাহায্যে। বর্তমানে এই কূপের একটি নিজস্ব ঘর আছে সেখান থেকে বৈদ্যুতিক পাম্পের সাহায্যে কূপ থেকে পানি তুলে মসজিদ আল হারামের তাওয়াফ করার সমগ্র এলাকায় বিতরণ করা হয়। কূপের উপরের অর্ধেক উপত্যকার পলল বালুকাময়, সর্ব উপরের ১ মিটার কংক্রিটের এবং নিচের অংশ জমাট শিলা দ্বারা তৈরি। বিজ্ঞানীরা বলেন, এই কুপে পানি এসে থাকে ওয়াদি ইব্রাহিমে বৃষ্টিপাত শোষণের মাধ্যমে। তবে শুষ্ক মরু সৌদি আরবে এত পানি প্রকৃতই কিভাবে আসে সেটা আল্লাহর এক নিদর্শন। কারণ, সমগ্র আরব শুকিয়ে গেলেও যমযম কুপ সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যেও এর পানি নিঃশেষ হয় নি বা শুকিয়ে যায় নি। । সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বোর্ডের যমযম কূপের উপর একটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। তারা যমযম কূপে পানির স্তর, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য উপাদান পরীক্ষা করে থাকে এবং নিয়মিত ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য পরিবেশন করে থাকে। যমযম কূপের তলে পানির স্তর ১০.৬ ফুট। একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি পাম্প করে উঠিয়ে নিয়ে পানির স্তর ৪৩.৯ ফুট পূর্ণ করলেও পাম্প থামানোর ১১ মিনিটের মধ্যে এটি আবার তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়।

যমযম কূপের পানির কোনও রং বা গন্ধ নেই, তবে এর বিশেষ একটি স্বাদ রয়েছে। কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয় যমযম কূপের পানি পরীক্ষা করেছে এবং তারা এর পুষ্টি গুন ও উপাদান সমূহ নির্ণয় করেছে। যমযম পানির উপাদান সমূহ: সোডিয়াম-১৩৩ মিলি, ক্যালসিয়াম-৯৬ মিলি, ম্যাগনেসিয়াম-৩৮.৮৮ মিলি, পটাশিয়াম-৪৩.৩ মিলি, বিকারবোনেট-১৯৫.৪ মিলি, ক্লোরাইড-১৬৩.৩ মিলি, ফ্লোরাইড-০.৭২ মিলি, নাইট্রেট-১২৪.৮ মিলি, সালফেট-১২৪ মিলিগ্রাম প্রতি লিটারে।
২০১১ সালের মে মাসে বিবিসি লন্ডন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যমযম পানিতে প্রচুর পরিমাণে আর্সেনিক রয়েছে। এই পানি খাওয়া মানুষের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘ দিন এই পানি কেউ পান করলে খুব দ্রুতই সে ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু ফ্রান্স ও সৌদি আরবের যৌথ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র সূত্র মতে মানুষের শরীরের জন্য যে পরিমাণ আর্সেনিক ক্ষতিকর যমযমের পানিতে তার চেয়ে অনেক কম পরিমাণ আর্সেনিক রয়েছে। আর এই পরিমাণ আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য কোনও ক্ষতিকর নয়। তাই মানুষ এই পানি নিশ্চিন্তে পান করতে পারে।

যমযমের পানি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের কাছে একটি পবিত্র পানি। মুসলমানরা এই পানি ভক্তিভরে পান করে থাকে। রসূল মোহাম্মদ (সাঃ) নিজেও এই পানি পান করেছিলেন। সুতরাং একথা নিশ্চিন্তে বলা যায় যে, যমযমের পানি পান করা বরকতময়।সুত্র:অনলাইন

64
ইসপগুল বা ইসপগুলের ভূষি (Ispaghula husk) আমাদের দেশে কনস্টিপেশনের চিকিৎসায় একটি বহুল ব্যবহৃত পণ্য। অনেকেই আমরা রোজার সময় শরবতের সঙ্গেও এটি খাই। কিন্তু খুব কম লোকেই জানি এটি পাওয়া যায় কী থেকে? আসুন জানি সেই গাছের কথা যা থেকে আমরা পাই ইসপগুল।
ইসপগুল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Plantago ovata । লম্বায় ১২ থেকে ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। বীজ বপনের ২ মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে ও ১১০ থেকে ১৩০ দিনের মধ্যে ফসল তোলার উপযোগী হয়।
ইসপগুল ভারত, পাকিস্তান, ইরান, অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলার দেশগুলিতে চাষ হয়।
এখন কথা হচ্ছে ইসপগুলের ভূষি তাহলে ধরে কোথায়? আসলে এর পরিপক্ক বীজের সবচেয়ে বাইরের ত্বক (এপিডার্মিস) ও এর সংলগ্ন নিচের স্তর দুটি একসঙ্গে আলাদা হয়ে আসে যা আমরা ইসপগুল হাস্ক বা ইসপগুলের ভূষি বলে থাকি। এর মূল উপাদান মিউসিলেজিনাস পলিস্যাকারাইড। এরা আমাদের অন্ত্র বা ইন্টেসটাইনে পানি শোষণ করে ফুলে যেয়ে পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এছাড়াও এটি ডায়াবেটিস, ডায়ারিয়া, কোলেস্টেরল কমাতে, হেমরয়েডস ও ওজন কমাতে ব্যবহৃত হয়।

65
শুধু রান্নাতেই সুগন্ধ ছড়ানোই এর কাজ নয়। বহুবিধ গুনে গুনান্বিত তেজপাতা। এর রয়েছে প্রচুর ঔষধি গুন শরীরের নানা রোগ সারিয়ে তুলতে তেজপাতার গুণাগুন যে অসাধারন তা হয়তো অনেকেরই অজানা। সুগন্ধ বাড়ানোর ছাড়াও এই খাদ্য উপাদানটির যে আরো অনেক গুণ রয়েছে, সেটি আমরা কয়জনেই বা জানি।
১. অনেক সময় অনেকের ঘন ঘন তেষ্টা পায়। সেক্ষেত্রে ১ লিটার পানিতে তেজপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে নিয়ে ২-৩ বার খান। দেখবেন বার বার তেষ্টা পাচ্ছে না।
২. হালকা গড়নের মানুষের জন্যে তেজপাতা খুব উপকারী। চেহারা ফিরিয়ে আনতে তেজপাতা কুচিয়ে, থেঁতো করে ২কাপ গরম পানিতে ১০-১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে এরপর ছেঁকে নিয়ে ২ বার করে ২ সপ্তাহ খেলে শরীরে জোর আসে, লাবণ্য ফিরে আসে।

৩. চর্মরোগ হলে তেজপাতা থেঁতো করে ৪ কাপ পানিতে সেদ্ধ করে সকাল ও বিকেলে খেতে হবে। ৪-৫ সপ্তাহ খেলেই দাদ-হাজা-চুলকানি সেরে যাবে। এছাড়া ওই পানি তুলা ভিজিয়ে দাদের জায়গা মুছে নিলেও কাজ হয়।

৪. অনেক সময় প্রস্রাবের রঙ লালচে হয়। সেক্ষেত্রে তেজপাতা ২-৩ কাপ গরম পানিতে ২ ঘন্টা ভিজিয়ে, এরপর ছেঁকে ২-৩ ঘন্টা অন্তর অন্তর পান করলে প্রস্রাবের রঙ সাদা হয়ে যাবে।

৫. ত্বক পরিষ্কারে তেজপাতা খুব উপকারী। তেজপাতাকে চন্দনের মতো বেটে, গোসলের আগে গায়ে মেখে ঘন্টা খানেক রাখুন। এরপর গোসল করে নিন। দেখবেন ময়লা উঠে গেছে। এছাড়া যাদের গায়ে দুর্গন্ধ থাকে, তাদের সেই সমস্যাও দুর হয়ে যায়।

৬. পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের অ্যালার্জি সমস্যা কমবে।

৭. ফোঁড়া হলে যদি খুব যন্ত্রণা হয়, শক্ত হয়ে যায়, তবে এই অবস্থায় তেজপাতা বেটে ২-৩ বার প্রলেপ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে।

৮. যাঁদের অতিরিক্ত ঘাম হয়, তার প্রতিদিন ১ বার করে তেজপাতা বাটা মেখে আধ ঘন্টা থাকার পর গোসল করে নিলে বেশি ঘাম হওয়া কমে যাবে। এইভাবে ৭ দিন করতে হবে।

৯. তেজপাতা পানিতে সেদ্ধ করে ওই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে মুখের অরুচি কেটে যায়।

১০.সর্দিতে গলা বুজে যায় অনেকেরই। সেই সময় জোরে জোরে কথা বললে বা চিত্‍কার করলে গলা ভেঙে যায়।  এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তেজপাতা থেঁতো করে ৩-৪ বার একটু করে খেলেই হবে।

66
হোয়াইট হাউস নামের এই ভবনটির যাত্রা শুরু হয় আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন এর হাত ধরে এবং ভবনটির নকশা প্রণয়ন করেন আয়ারল্যান্ডের নাগরিক জেমস হোবন। ১৭৯২-১৮০০ সালের মধ্যে এই ভবনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জর্জ ওয়াশিংটন এর পরামর্শে জর্জ হোবন হোয়াইট হাউস এর নকশা তৈরি করে জমা দেন। এই নকশাটি আমেরিকার জাতীয় প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করল। খুব স্বাভাবিকভাবেই হোবনকে দেওয়া হল এ প্রাসাদ তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও সঙ্গে ৫০০ ডলারের এক সাম্মানিক। স্বাধীনতার পর থেকে সব রাষ্ট্রপতিরই বাসভবন হয়ে ওঠে এটি, একমাত্র জর্জ ওয়াশিংটন ছাড়া।
এটি শুধু রাষ্ট্রপতিদের বাসস্থানই নয়, অফিসও, প্রায় ১৮ একর জমিতে প্রসিদ্ধ বাগানসহ। এটি ১৭৯২ সালের ১৩ অক্টোবর স্থাপিত হয় এবং ১৮০০ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। তারও চৌদ্দ বছর পর, ১৮১৪ সালে ব্রিটিশ সৈন্যরা আমেরিকা আক্রমণ করে ওয়াশিংটন শহরটি দখল করে এবং ৪ আগস্ট তারা হোয়াইট হাউসে আগুন লাগিয়ে দেয়। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রাসাদটি। পরবর্তীতে ভবনটি পুন:নির্মাণ করতে তিন বছর সময় লাগে। বিট্রিশদের দেওয়া আগুনে ভবনের ভিতরের কিছু অংশ এবং বাইরের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর অল্প কিছুদিন পরই ভবনটি পুন:নির্মাণের কাজে হাত দেওয়া হয়। তবে শুরুর দিকের নকশার সাথে পরবর্তীতে নতুন আরও কিছু বিষয় যোগ হয় পরবর্তীতে। যেমন - ১৮২৪ সালে ভবনের দক্ষিণভাগের এবং ১৮২৯ সালে উত্তরদিকের স্তম্ভগুলো নির্মিত হয়। ১৯০৯ সালে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্‌ট্‌ ভবনের দক্ষিণ অংশ সম্প্রসারিত করেন এবং সর্বপ্রথম ওভাল অফিস প্রতিষ্ঠা করেন। ওভাল অফিস পরবর্তিতে ভবনের সম্প্রসারণের কারণে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়। তৃতীয় তলার চিলেকোঠাটি ১৯২৭ সালে বাসযোগ্য করে তৈরি করা হয়। সামাজিক অনুষ্ঠানের অভ্যর্থনার জন্য ভবনটির পূর্ব দিকে একটি অংশ তৈরি করা হয়। তৈরিকৃত উভয় অংশই জেফারসনের নির্মিত স্তম্ভসারির সাথে সংযুক্ত করা হয়েছিল। এর পরও ১৯৫২ পর্যন্ত কিছু না কিছু কাজ হয়েছে হোয়াইট হাউসে। জানা যায়, হোয়াইট হাউসের মূল নকশাটি ডুবলিনে অবস্থিত লিনস্টার হাউসের আদলে প্রভাবিত যেটি বাল্টিমোর ম্যারিল্যান্ড হিসটোরিক্যাল সোসাইটিতে সযত্নে রক্ষিত। ভবনটির সার্বিক তত্তাবধানে রয়েছে United States Secret Service এবং United States Park Police।
তিন তলা বিশিষ্ট ভবনের দ্বিতীয় তলাতেই বাস করেন রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারের সদস্যরা। তাদের সাথে সেখানে আরও বাস করেন সরকারি কিছু কর্মী ও আত্মরক্ষা বাহিনী। রান্নাবান্না, খাওয়া দাওয়া সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো রয়েছে নিচতলাতে। হোয়াইট হাউসে মোট ১৩২টি কক্ষ রয়েছে। ছয়তলা বিশিষ্ট এই ভবনটিতে মোট ৩৫টি বাথরুম রয়েছে। সম্পূর্ণ হোয়াইট হাউস ঘুরতে সময় লাগবে কয়েক ঘন্টা। পুরো ভবনের মেঝের আয়তন প্রায় ৫৫,০০০ বর্গফুট। সাধারণত হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা, সাহায্যকারী, খানসামা, রাঁধুনী, মালিসহ মোট ১ হাজার ৭০১ জন কর্মচারী থাকে।

67
এক আমেরিকান আর এক বাংলাদেশি একবার বাজি ধরলো যে আমেরিকান
যদি বাংলাদেশির কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারে তাহলে সে ৫০০ ডলার দিবে আর বাংলাদেশি যদি না পারে তাহলে দিবে ৫ ডলার।
আমেরিকানঃ সূর্য থেকে
চাঁদের দুরত্ব কত?
 বাংলাদেশি কোন কথা না বলে নিরবে ৫ ডলার দিয়ে দিলো।
বাংলাদেশিঃ পাহাড়ে থাকে কোন প্রানী যার ৩ পা এবং পাহাড় থেকে নামার পরই পা ৪টা হয়ে যায়?
আমেরিকান ২ ঘন্টা ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে উত্তর না পেয়ে ৫০০ ডলার দিয়ে দিলো। তারপর জিজ্ঞাস করলো উত্তর টা কি?
বাংলাদেশি আবার নিরবে ৫ ডলার দিয়ে দিলো।

68
Life Style / কেন সুতি কাপড়?
« on: June 04, 2015, 04:30:24 PM »
  গ্রীষ্মকালে গরম আর ঘাম থেকে রেহাই পেতে সুতি পাতলা কাপড় পরার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু কেন? কারণটা প্রধানত জৈব রাসায়নিক।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঘামের উৎকট গন্ধের জন্য আসলে দায়ী কিছু ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু। যেমন কোরাইনেব্যাকটেরিয়াম বা মাইক্রোকক্কাই। এরা সাধারণত বগলের নিচে বা ত্বকের ভাঁজেই লুকিয়ে থাকে এবং ঘামের মধ্যকার ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যামোইনো অ্যাসিড ও হরমোনগুলোকে ভেঙে ছোট ছোট রাসায়নিক উপাদানে পরিণত করে। আর এই জৈব রাসায়নিক উপাদানগুলোই শরীরে দুর্গন্ধ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, কৃত্রিম তন্তুর কাপড় বা পোশাক ব্যবহার করলে শরীরে এই জীবাণুগুলো বেশি বেড়ে যায়। কিন্তু সুতি কাপড় পরলে এসব জীবাণুর উপস্থিতি বৃদ্ধির হার কমে যায়। ব্যাখ্যাটা ঠিক কী, তা জানা না থাকলেও এটা সত্যি যে সুতি কাপড়ের মধ্যে বাতাস চলাচল করে ভালো। তাই এটির ব্যবহারে জীবাণু বৃদ্ধির সম্ভাবনা কমে। আর ডিওডোরেন্ট স্প্রে বা সুগন্ধি ব্যবহার করলে দুর্গন্ধ আড়াল হলেও এগুলো কোরাইনেব্যাকটার গোত্রের জীবাণুর বংশ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে। তাই গরমে হালকা সুতোর তন্তুর তৈরি জামা কাপড় পরা সবচেয়ে ভালো।

http://www.prothom-alo.com/life-style/article/506371

69
এপিলেপসি বা মৃগী রোগীর জন্য আনন্দময়, নির্ঝঞ্ঝাট ও গভীর নিদ্রা অতিগুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ওষুধ সেবন ও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সময়মতো ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে নিরবচ্ছিন্ন ঘুম শরীর ভালো থাকার জন্য খুব দরকার। এ ব্যাপারে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। অনিয়মিত বা অল্প মাত্রায় ঘুমিয়ে অথবা সারা রাত জেগে থেকে, এপিলেপসি রোগী কখনো সুবিধা করতে পারে না। ধরা তাকে পড়তেই হয় কোনো এক ভাবে। এপিলেপসিতে এমনিতেই অনিদ্রার সমস্যা হয়। তা ছাড়া এ রোগে ব্যবহৃত ওষুধের জন্যও অনেক সময় ঘুম কমে যায়। আর ঘুম না হলে মৃগী রোগীদের অসুবিধা হবেই। নিদ্রাহীনতার সঙ্গে দুশ্চিন্তা, মানসিক অশান্তি ও অন্য কোনো সমস্যা থাকলে বিপদের সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজনে ঘুমের ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি সাবলীল নিদ্রার জন্য তাকে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে হয়। যেমন_
* পরিমিত ঘুমের জন্য অন্তত সকালের নাশতার পর ছাড়া, সারা দিনে চা-কফি না খাওয়া, বিড়ি-সিগারেটসহ অন্য কোনো ধূমপান বা মাদক গ্রহণ না করা ও উত্তেজিত হওয়া থেকে বিরত থাকা।
* ভোরের নির্মল পরিবেশে নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি ও ঘুমের আগে শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপমুক্ত থাকা দরকার।
* ঝগড়া, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, মানসিক অশান্তি ও অত্যধিক রাগ পরিহারসহ সমস্যামুক্ত থাকা। মৃগী রোগীদের চেহারায় সব সময় বিষণ্ন ও নিঃস্পৃহ ভাব ফুটে ওঠে। তাই তারা যথেষ্ট আন্তরিক হওয়া সত্ত্বেও মানুষ তাদের সঙ্গে সহজ হতে পারে না অথবা ভুল বুঝতে পারে। এজন্য তাদের দরকার সব সময় হাসিখুশি ও প্রফুল্ল থাকা অথবা তার পছন্দের কোনো হিতকর কাজে সময় কাটানো।
* রাতে একটু তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া ও সকালে সঠিক সময়ে বিছানা ছাড়া দরকার। রাতে অন্তত সাত-আট ঘণ্টা শান্তিতে ঘুমাতে পারাটা রোগীর ভালো থাকার জন্য খুবই প্রয়োজন। ভালো ঘুম হলে রোগী নিজেই বুঝতে পারে বেশ ফ্রেশ লাগছে, শারীরিকভাবে নিরাপদ, কোনো অঘটন ঘটার সম্ভাবনা নেই এবং সে তার দৈনন্দিন কাজগুলো সুন্দর ও স্বাভাবিকভাবে করে যেতে পারবে।
* এপিলেপসিতে রাতে পর্যাপ্ত ঘুম, রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য খুব কার্যকর। চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক হিপোক্রেটিসের অভিমত হচ্ছে, 'এপিলেপটিকরা রাতে প্রচুর ঘুমাবে ও দিবানিদ্রা থেকে বিরত থাকবে।' তারা রাত জেগে পড়াশোনা, গল্পগুজব, রোস্টার ডিউটি বা কাজ করে কখনো সুবিধা করতে পারে না। রাতের ঘুম নষ্ট হলে তাকে শারীরিক, পারিবারিক বা সামাজিকভাবে অবহেলিত হতে হয়। রোগীও আস্তে আস্তে বুঝতে শেখে ঘুমসহ তার যাবতীয় কাজগুলো কিভাবে গুছিয়ে নিতে হবে। ডাক্তার বা অভিভাবকরা এসব কিছু মাথায় রেখে রোগীকে মাঝেমধ্যে গাইড করতে পারলে ভালো।
* রোগীকে গভীর ঘুমের মধ্যে তাড়াহুড়া করে ডাকা যায় না এবং বিশেষ প্রয়োজনে সে ঘুম থেকে উঠেই দ্রুত হাঁটতে বা দৌড়াতে গেলে খিঁচুনি উঠে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই কাউকে ঘুম থেকে নির্ঝঞ্ঝাটভাবে ওঠাতে, গায়ে হাত বুলিয়ে হালকাভাবে ডেকে তুলতে হয়। ঘুম থেকে উঠে রোগী কিছুটা সময় শুয়ে থেকে সুস্থির হয়ে বিছানা ছাড়াটা হিতকর ও নিরাপদ।
ঘুম হচ্ছে মস্তিষ্কের চার্জার। ব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। স্বাস্থ্যকর ঘুমের জন্য মৃগী রোগী অন্ধকারাচ্ছন্ন, অক্সিজেনসমৃদ্ধ ও কোলাহলমুক্ত পরিবেশে অশান্তি, উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ও ভয়ের ভাবনাগুলো ছুড়ে ফেলে পরিচ্ছন্ন, নরম ও আরামদায়ক বিছানায়, একটি স্বপি্নল ও আনন্দময় ঘুমের মধ্যে বিচরণ করতে পারলে এপিলেপসির যাবতীয় সমস্যা উপশম হয়ে সে স্বাভাবিক ও ছন্দময় জীবনের আনন্দে ভাসতে পারে।
http://www.24livenewspaper.com/site/?url=www.jjdin.com/



ডা. এনইউ মাহমুদ
বাংলাদেশ এপিলেপটিক সোসাইটি

70
Health Tips / Peanut allergy 'cut by early exposure'
« on: April 02, 2015, 11:00:41 AM »


Eating peanut products as a baby dramatically cuts the risk of allergy, a study suggests.
Trials on 628 babies prone to developing peanut allergy found the risk was cut by over 80%.
The King's College London researchers said it was the "first time" that allergy development had been reduced.
Specialists said the findings could apply to other allergies and may change diets around, but warned parents not to experiment at home.

The research team in London had previously found that Jewish children in Israel who started eating peanuts earlier in life had allergy levels 10 times lower than Jewish children in the UK.
The trial, reported in the New England Journal of Medicine, focused on babies as young as four months who had already developed eczema - an early warning sign of allergies.

              Skin-prick tests were used to identify those who had not yet developed peanut allergy or had only a very mild response.
             Children under five should not eat whole peanuts, because of the risk of choking, so half were given a peanut-based snack. The other half continued avoiding peanuts.

 http://www.bd24live.com/article/8697/index.html#sthash.qaxtKQDI.dpuf

Pages: 1 ... 3 4 [5]