Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Badshah Mamun

Pages: [1] 2 3 ... 131
Bangladesh@51: Observations from an Indian perspective

December 16, 2022, the 51st Victory Day of Bangladesh, the historic day marking the defeat of Pakistani armed forces in 1971, and independence of Bangladesh. The combined east and west Pakistani GDP of 1970 was around $10 billion, and today Pakistan (west) has a GDP little less than $350 billion, 75 years after its independence, with a population of 230 million and a land size of roughly 800,000 sq km. In contrast, Bangladesh today, 51 years after independence, has a GDP of around $465 billion, with a population of around 170 million, and with land size of 150,000 sq km only. Remarkable growth.

Second, with no documented textiles exports of united Pakistan in 1970, its eastern part, today Bangladesh, is the second largest exporter of textiles and ready-made garments in the world, crossing $46 billion in the last financial year (2021-22). And, this is in a nation where most freedom fighters half a century ago (Muktijoddha) did not have adequate plain clothes while fighting for independence. Yes, locally branded garments exports is not even $1 billion till date, though there is a remarkable domestic growth of garments brands like Arong, Yellow, Seaman, Richmen, Lubna, Grameen Check, and the like, and Dhakai Jamdani sarees is a universal favourite.

Third, there have been challenges to democracy with military rulers, some benevolent some dictatorial, capturing power in this half century, and with elected governments often being questioned for the sanctity of elections.

However, the incumbent Prime Minister, Sheikh Haseena, of governing Awami League, has just the other day promised the nation that the next general elections shall be conducted, and in all fairness, in the first week of January, 2024. The main opposition party, Bangladesh National Party (BNP), has started organizing mass meetings to galvanize its cadre as well. We can reasonably hope that the elections shall be held punctually and fairly.

Fourth, the educational network today in Bangladesh has grown to 24,000 schools and junior colleges till Higher Secondary level, and 164 universities of which 106 are private ones bringing in reasonably a large amount of private investments in higher education. With literacy exceeding 78% of the population, with male-female literacy rate being almost same, and 2.4 million children enrolled in schools and 4.6 lacs in higher education, annual public education budget of the nation being almost $8 billion, Bangladesh is going through an educational revolution of sorts. The latest feather in the cap is the blended learning policy of the government, which looks at no-tech, low-tech and high-tech, all forms of education blending the physical and the distant (through internet, television, radio) at all levels of education.

Fifth, led by Grameen Bank, BRAC, ASA and TMSS, Bangladesh has seen a revolution of sorts in micro-finance, which is turn has led to the blooming of the MSME sector in the country. Today more than 7 out of 10 employees of micro finance institutes and micro & small enterprises are women, and so are in the textiles sector. The MSMEs account for 28% of GDP, 80% of industrial jobs, and contributing to the consistent 6 to 9% growth-rate of the economy.

Sixth, a major area of challenge is the rapid growth of population. While the population density of Pakistan is 287 per square kilometer, it is 464 for India, but Bangladesh has a high 1265 people per sq km! This leads to immense pressures on land, depleting forest cover, quality of life, quantity and quality of rivers (many of which are drying up), and climate change. The best tourism resources of St Martin’s Island, Cox’s Bazar, Bandarban, or Sylhet areas are in a state of excessive over-use. The pressures on capital Dhaka, with a residential population of nearly 30 million and another 12 million coming in for work every day, are mind-blogging leading to traffic congestion, and crying for decentralization of power and institutes among the 8 Divisions of the country (soon to be ten).

Bangladesh is on the cusp of a leap forward, having already moved from under-developed to a developing nation in the last decade, and with promises to be a mid-level developed nation in the next decade, while the current government has laid the roadmap for a fully developed economy status by 2041.

Potentials are there, provided population spike is tamed, and decentralization happens across the nation. Half a century later, Bangladesh surely is a land of great promise, vibrant culture, great entrepreneurial spirit, with women partnering in the economy remarkably.

Prof Ujjwal Anu Chowdhury
Author has been frequently travelling to Bangladesh for more than a year now as the strategic adviser and professor of the largest private university, Daffodil International University.


চ্যাটজিপিটি কি, কিভাবে কাজ করে?

চ্যাটজিপিটি নামটি বিগত কয়েকদিনের খুব চর্চিত নাম। তবে তার কার্যক্ষমতা সম্পর্কে অনেকে হয়তো অবগত নন। চ্যাটজিপিটি (চ্যাট জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইনড ট্রান্সফরমার) হল একটি এআই পাওয়ার্ড চ্যাটবট, যা ডেভেলপ করেছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স রিসার্চ কোম্পানি OpenAI।
মানুষের কথা বলার ভাষা বুঝতে পারে এই এআই চ্যাটবটটি। সেই ভাষা বুঝে মানুষের মতোই উত্তর দিতে পারে সে। আপনি চ্যাটজিপিটি-কে কবিতা লিখতে বললে, সে তা-ই করে দেখাবে। পরীক্ষা দিতে বললে, সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে আসবে। শুধু কি তাই, গবেষণা পত্র ও অনায়াসেই তৈরি করে দিতে পারে এই কৃত্তিম চ্যাটবট।

অনুসন্ধান ভিত্তিক যে কোনও কাজকর্ম যা গুগল করে থাকে, তার সবই করে দেখাবে চ্যাটজিপিটি। তাই তো সে গুগলের ঘুম কেড়ে নিয়েছে! জিপিটি ৩.৫ এর উপরে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এটি, যা আসলে একটি ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল। ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, চাইনিজ়, রাশিয়ান ছাড়াও বিশ্বের আরও বিভিন্ন ভাষায় চ্যাট জিপিটি উন্মুক্ত করা হয়েছে।

চ্যাট জিপিটির ইতিহাস:

২০১৫ সালে, স্যাম অল্টম্যান নামে একজন ব্যক্তি এলন মাস্ককে সাথে নিয়ে "GPT-2" নামে একটি চ্যাটবট শুরু করেন। কিন্তু মাস্ক পরে এই প্রকল্প থেকে সরে পড়েন। তারপর হাটি হাটি, পা পা করে এগুনো এই বট একট বিশ্বের আশ্চর্য। OpenAI-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানের মতে, চ্যাটবট এখন ২০ মিলিয়ন ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছেছে এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

চ্যাট জিপিটির প্রধান বৈশিষ্ট্য:

•    সহজেই যে কোন প্রশ্নের প্রায় নির্ভূল উত্তর দিতে পারে
•    গল্প, কবিতা, স্ক্রিপ্ট, গান ইত্যাদির মতো সৃজনশীল পার্থ তৈরি করতে পারে
•    গ্রোগ্রামিং করতে পারে এবং প্রোগ্রামিংয়ের ভুল শুধরে দিতে পারে
•    ভার্চূয়াল সহকারী এবং ভাষা অনুবাদ সিস্টেমে ব্যবহার করা যায়
•    গবেষণার ক্ষেত্রে সহায়ক এই কৃত্রিুম চ্যাটবট

চ্যাট জিপিটি কিভাবে কাজ করে:

চ্যাটবটটি ইন্টারনেটে থাকা শব্দ ভান্ডার ব্যবহার করে উত্তর প্রদান করে। জানা গেছে, ৩ মিলিয়নেরও বেশি শব্দ ভান্ডার রয়েছে চ্যাট জিপিটির।তাই কোন প্রশ্নের উত্তর সহজেই সে তার শব্দ ভান্ডার ব্যবহার করে দিতে পারে। কোন সময় যদি সোর্স বা শব্দ ভান্ডার সংকটে থাকে তবে পুনরায় নিযুক্ত থাকা কর্মীরা সঠিক উত্তরটি আপডেট করে দেয়।

যেভাবে ব্যবহার করা যায়:

•    ওপেনএআই-তে একটি  অ্যাকাউন্ট তৈরি করা।
•    অ্যাকাউন্টে সাইন-আপ করুন, সাইন আপের সময় আপনার মেইলে একটি বার্তা পাঠানো হবে সেখানে ক্লিক করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে
•    এরপর একটি ফর্ম আসবে সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।

চ্যাটজিপিটি এর সুবিধা:

উচ্চ-মানের পাঠ্য প্রজন্ম: চ্যাট জিপিটি প্রচুর পরিমাণে পাঠ্য ডেটার উপর প্রাক-প্রশিক্ষিত এবং বিভিন্ন বিষয়ে উপযুক্ত এবং সুসংগত পাঠ্য তৈরি করতে পারে।
কথোপকথনমূলক বোঝাপড়া: চ্যাট জিপিটি কথোপকথন এবং ভাষা বোঝার কাজের জন্য প্রশিক্ষিত হয়, এটি চ্যাটবট এবং ভার্চুয়াল সহকারী তৈরির জন্য আদর্শ করে তোলে।
ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (এনএলপি): চ্যাট জিপিটি বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে যেমন টেক্সট জেনারেশন, প্রশ্ন উত্তর এবং ভাষা অনুবাদ।
উন্নত কর্মদক্ষতা: ওপেনএআই নিয়মিতভাবে ChatGPT মডেল আপডেট করে এবং উন্নত করে, সময়ের সাথে সাথে এর কার্যকারিতা এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

গুগল-এর ঘুম কেড়ে নিয়েছে চ্যাপজিপিটি:

চ্যাটজিপিটির জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় গুগলের উপর এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন অধিকাংশ প্রযুক্তিবিদ। কারন স্বল্প সময়ে যে কোন প্রশ্নের উত্তরের জন্য গুগলের পরিবর্তে চ্যাটজিপিটির স্বরণাপন্ন হচ্ছে অনেকেই।
অনেক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গুগলে সার্চ করলে দেখা যায় অনেক লিংক সহ স্ববিস্তারে দেখায় গুগল, যেখানে চ্যাটজিপিটি নির্দিষ্ট উত্তর দেয়, ফলে সময় কম লাগে।


Finance / Why is green finance not picking up in Bangladesh?
« on: February 28, 2023, 09:58:35 AM »
Why is green finance not picking up in Bangladesh?

Greening the economy is the prerequisite for attaining sustainable development goals. Transitioning to a green economy requires large-scale investment, with a principal role for the government to build an enabling environment for private sector financial institutions to scale up green investments.

As such, many countries established clear guidelines and mandatory regulations to direct public and private financing towards green products and projects, offering an encouraging atmosphere for domestic financial institutions.

Similarly, the central bank of Bangladesh, the Bangladesh Bank, has already prepared policy guidelines to boost green finance and sustainable finance. Bangladesh Bank set a minimum target of 5 per cent green finance attainment for every bank and NBFI working in Bangladesh.

Central bank data show Tk 7340 crore has been disbursed as green finance in 2021 by all the banks and NBFI of Bangladesh, which is merely 3 per cent of the total term-loan disbursement of that year. Bangladesh Bank calculates green finance based on the term loan disbursement only. As per the green finance taxonomy of Bangladesh Bank, there are 68 green products. If any of those products are financed in a term-loan structure, it is considered green finance. Further, Bangladesh Bank has introduced three refinance schemes for green products, which offer lower interest rates and higher tenors.

Despite the significant policy initiatives from the Sustainable Finance Department of Bangladesh Bank, green finance is yet at a very early stage in Bangladesh. Consequently, only green debt financing is slowly taking ground in the nation. However, financial actors other than the banking industry (Banks & NBFI) are not subject to regulations set by Bangladesh Bank.

Globally, alternative investments such as impact investors, venture capital (VC) funds, and private equity funds are the primary sources of financing green projects. Alternative investments typically have a long lock-in period, which aligns well with the appetite for green projects. Those alternative financiers have the potential to add value by providing specialised knowledge, industry connections, or management skills, therefore carrying additional benefits to the financial contribution.

Although the government has been encouraging overseas investors by reducing stamp duties since the introduction of Alternative Investment Rules in 2015, the number of overseas investors operating in Bangladesh is still low.

Mentionable that after the formulation of the Bangladesh Impact Investment Strategy Action Plan, no significant changes are visible yet in the market of alternative investments. To scale up green finance and meet the financing gap for sustainable development, the alternative investment market needs to be vibrant alongside the green debt financing of the banking industry.

In a developing economy like Bangladesh, the entrepreneurs of green projects expect soft loans or low-cost funds from the funding agency. Soft loan means funding with a lower interest rate, longer tenure, and higher grace period. The banking industry of Bangladesh uses low-cost refinance facilities of Bangladesh Bank to finance green projects, which is inadequate considering the demand in the market.

Other than refinance facilities, the banking industry uses depositors' money for financing green projects, which incurs higher interest rates at the borrower's end due to the high cost of funds. Alongside the high cost of funds, another challenge the banking industry encounters in financing green projects is the maturity mismatch because of the long-term nature of green projects.

 Bangladesh is now the 35th largest economy in the world and experiencing higher GDP growth. To match the speed of the current economic growth, a considerable amount of green funds need to be mobilised. Foreign development partners (DFIs) and multilateral development banks (MDBs) can catalyse green finance in Bangladesh with the Bangladesh Bank and other regulators.

DFI can directly provide low-cost green funds to commercial banks to finance green projects. As a result, the banking industry can offer lower-interest loans to green projects using low-cost fund from the DFIs instead of depositors' money. The Green Climate Fund (GCF) could be a potential source of green funds for commercial banks.

Although the banking industry is the leading source of green financing in Bangladesh so far, the scalability of green projects has always been a challenge for banks  and NBFIs. Generally, small-scale green projects lack proper documents as required by banks/FI for their due diligence. Besides, small-scale green projects do not have enough capacity to prepare high-quality project proposals in line with the banking industry requirements. In some cases, small-scale green projects are unable to utilise funds within the prescribed time frame.

In these circumstances, a blended mode of financing is a suitable financing model for small-scale green projects where impact investors, NGOs, DFIs, the government, and the banking industry can work jointly. In many parts of the world, the blended finance model is proven effective for small-scale restoration and other environment-friendly projects.

The government alone cannot support the green economic transition of Bangladesh. Similarly, the banking industry alone is unable to meet the high demand for green finance. A joint effort from the foreign development finance institutions, multilateral development banks, impact investors, venture capital, private equity funds, green bond market, NGOs, and the banking industry can take green finance to the next level in Bangladesh.

Although enabling an environment for green finance is the key, we must not forget to focus on capacity development at the end of entrepreneurs of green projects and financiers. Another barrier to the growth of green projects is the additional cost due to the extra requirement of monitoring, verification, and reporting on Environmental Social Governance (ESG) compliance compared to orthodox projects, which often discourages entrepreneurs.

Tax, subsidies, or any other monetary incentives, along with other regulatory support, will motivate entrepreneurs towards green projects.


Karimul Tuhin
Environmental Economist and Green Finance professional.


কপিরাইটার হতে চাইলে যা জানা দরকার

কোনো বিষয়কে অতিমাত্রায় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ নয় বরং একটি পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে সবচেয়ে কম শব্দে সেটিকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করাই কপিরাইটিংয়ের উদ্দেশ্য। কপিরাইটিং জগতের মূলকথা এক হলেও ধরনে রয়েছে ভিন্নতা। এক নজরে সেগুলো দেখে নেওয়া যাক

লেখালেখি করে যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য অন্যতম পছন্দ হতে পারে কপিরাইটিং। অল্প কথায় বেশি কাজ– এই বোধহয় হওয়া উচিত কপিরাইটিংয়ের মূল মন্ত্র।

কোনো বিষয়কে অতিমাত্রায় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ নয় বরং একটি পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে সবচেয়ে কম শব্দে সেটিকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করাই কপিরাইটিংয়ের উদ্দেশ্য। কপিরাইটিং জগতের মূলকথা এক হলেও ধরনে রয়েছে ভিন্নতা। এক নজরে সেগুলো দেখে নেওয়া যাক–

ই-কমার্স কপিরাইটিং

একে বি-টু-বি বা বিজনেস টু বিজনেস কপিরাইটিংও বলা চলে। নির্দিষ্ট পণ্য বা ক্যাটাগরি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা প্রদান, কোম্পানির বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু খুঁটিনাটি বর্ণনা এবং কাস্টমার সেবা সংক্রান্ত তথ্য– এই সবই এ ধরনের কপিরাইটিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। মূলত ই-কমার্সের ছাতার নিচে আসা যেকোনো বিষয়ে লেখাকেই এ আওতায় আনা যায়।

ওয়েবসাইট কপিরাইটিং

কোনো ওয়েবসাইটে ঢোকার পর প্রথমেই যে দুটো জিনিস চোখে পড়ে, তা হচ্ছে এর গ্রাফিকস এবং হোমপেজের লেখাগুলো। মিশন, ভিশন বা পরিচিতিমূলক ট্যাগলাইনের মতো এই লেখাগুলোই একটি ওয়েবসাইটকে এর ব্যবহারকারী বা সম্ভাব্য ব্যবহারকারীদের সামনে তুলে ধরে। এটা অনেকটা কোনো সিনেমার পোস্টার বা বইয়ের প্রচ্ছদের মতো। প্রথম পরিচয়ের এই বার্তাগুলোর পেছনেও থাকেন কপিরাইটাররা।

এ ছাড়া একটি ব্র্যান্ড সম্পর্কে সংবাদ, প্রতিবেদন ইত্যাদিও ব্র্যান্ডকে সবার সামনে তুলে ধরে। কোনো ব্র্যান্ডের নিজস্ব গল্প, তাদের দলের মিথস্ক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে লেখা বা ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে একটা প্রাথমিক দেবার এই কাজটিই হচ্ছে ওয়েবসাইট কপিরাইটিং। এর জন্য প্রয়োজন হয় একজন কপিরাইটারের সেই নির্দিষ্ট ব্যবসার বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা এবং অবশ্যই লেখালেখির প্রতিভা।


কপিরাইটিংয়ের সবচাইতে বড় বাজার এই বিজ্ঞাপন। বহুদিন আগের গুনগুন করে গাওয়া বিজ্ঞাপন জিঙ্গেল বা হাসিঠাট্টায় মনে থেকে যাওয়া 'আমার নাম মফিজ, ভাড়া হইছে তিরিশ'-এর মতো কোনো লাইন একেকটি পণ্যকে আমাদের কাছে স্মরণীয় করে রাখে। পর্দায় উঠে আসা এই গান, ক্যাচফ্রেজ সংলাপ বা পুরো বিজ্ঞাপনের কাহিনী যাদের উর্বর মস্তিষ্কপ্রসূত– তারা মূলত বিজ্ঞাপনের কপিরাইটার। এই কাজে আগ্রহ থাকলে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থার চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে সাড়া দিতে পারেন, আবার ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও এ কাজে নিজের হাতেখড়ি করা যায়।

এসইও কপিরাইটিং

ডিজিটাল মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো এতশত ব্লগ, আর্টিকেল ঠিক কীভাবে পাঠকদের কাছে পৌঁছায়? এর পেছনে কাজ করে এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিই নির্ধারণ করে দেয় গুগলে কোনো কিওয়ার্ড সার্চ করার পর কোন লেখাটা সবচেয়ে উপরে থাকবে, আর কোন লেখাটা একেবারে চোখেই পড়বে না। দক্ষভাবে চর্চার পর নিজস্ব লেখক প্রতিভার পাশাপাশি কপিরাইটাররা এই বিষয়েও পারদর্শী হতে পারেন।
লেখার মধ্যে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য কিওয়ার্ডগুলো খুব সহজেই পুরে দেন, যাতে তা আকর্ষণ করতে পারে সর্বোচ্চ সংখ্যক পাঠক বা অডিয়েন্সকে। এভাবে নিজের লেখাকে সবচেয়ে বেশি 'জরুরি' করে তোলার বিষয়টিই হচ্ছে আলাদা করে এসইও কপিরাইটিং। ডিজিটাল কোর্স বা নিজে থেকেও এসইও সম্পর্কে শিখে এ কাজে আসা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কপিরাইটিং

অনলাইনে কেনাবেচা শুধু নয়, প্রচার-প্রসারের পথও এখন সবচেয়ে বেশি প্রশস্ত। তাই প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই চায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মুখর পদচারণা। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিকভাবে অন্তত একটি পেজ থাকে, যা নিয়মিত পরিচালনা করতে হয়। সেসব পেজের দৈনন্দিন পোস্টের পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হয় প্রচারণার কৌশল আর সেই কৌশলের কুশলী হচ্ছেন একজন কপিরাইটার। কোন ছবিটা দেওয়া হবে, এর সঙ্গে কী লেখা থাকবে– কোন হ্যাশট্যাগে কোন দিন উদযাপন করা হবে, এমন সব ধারণাসহ মূলত সেই প্রতিষ্ঠানের একটি 'ছবি' তৈরি করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে কপিরাইটিং।

শুধু প্রচারের যথাযথ কৌশলের অভাবে অনেকসময় প্রতিষ্ঠানের সামাজিক মাধ্যমে উপস্থিতি মলিন হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন একজন দক্ষ কপিরাইটারের।

কপিরাইটিং পেশায় যেন প্রতিভা আর পুঁজি– এই দুয়ের সম্মিলন ঘটে। নিজের লেখালেখিকে করপোরেট ধাঁচে ফেলে দেখতে চাইলে এই পেশা বেশ উপযোগী হবে।

অনিন্দিতা চৌধুরী

তথ্যসূত্র: এমইউও, স্মার্টব্লগার


Startup / Bangladesh's startup scenario: 2023 may look up
« on: January 24, 2023, 06:43:20 PM »
Bangladesh's startup scenario: 2023 may look up

Bangladesh's startup scene is currently in the midst of a metamorphosis, turning into a veritable hotbed of innovation and enterprise. New businesses are blooming, old ones are scaling, and Bangladesh's startup ecosystem is thriving.
The inception and proliferation of startup enterprises are a testament to the country's burgeoning entrepreneurial acumen.
Many local startups in Bangladesh have been able to secure funding and partnerships and have been expanding their operations both locally and internationally.

The recent performance of localised startup entities within Bangladesh has been a testament to their capability for securing financial backing and strategic alliances and their propensity for expansion on both domestic and global fronts. There have also been success stories of local startups that larger companies have acquired.

Startups that are faring well

ChalDal is an online grocery platform offering household items for delivery and was awarded as the best e-commerce company of 2020 by Digital World for providing essentials during COVID. Praava Health offers easy and affordable healthcare in Bangladesh via mobile app, with 15-minute appointment slots, 250+ unique lab tests, and the country's first PCR lab for molecular cancer diagnosis.

SureCash is a fast-growing mobile payment system in Bangladesh, currently available through six banks and over 650 partners. ShopUp is a B2B commerce platform for small businesses providing easy access to sourcing, logistics, digital credit, and business management solutions.

PriyoShop is an e-commerce platform selling a wide range of products, connecting retailers to suppliers and big brands to fix the fragmented supply chain by technology. Maya is an online service that helps people with mental and physical health issues, using AI, machine learning and natural language processing to connect users with 300+ licensed healthcare experts, with 10 million unique users, expanding to India, Sri Lanka, Pakistan and Middle Eastern countries.

Shikho is an ed-tech company focusing on digitising education in Bangladesh, and it provides personalised learning, feedback, and assessment for students using gamification techniques for classes 6 to 12 and coaching for JSC, SSC, and HSC exams.

Another prominent startup venture in the country is Pathao, an on-demand digital platform company headquartered in Dhaka, Bangladesh, which started as a delivery service in 2015 and now offers ride-sharing, food delivery, courier, and e-commerce services in four cities in Bangladesh and two cities in Nepal, becoming the first ride-sharing service provider in Bangladesh to get enlistment certificates from authorities.

Big fundings

In recent years, many local startups in Bangladesh have successfully raised funding from venture capital firms, angel investors, and platforms. These startups are in various fields, such as technology, agriculture, and e-commerce.

Some have also successfully gotten international funding and partnerships with foreign companies.
In 2022, Bangladeshi startups raised USD 90 million, reported Dhaka Tribune. The top B2B e-commerce platform, ShopUp, raised USD 65 million in June, and the top B2C e-commerce platform, 10 Minute School, earned USD 2 million from Surge in January.

Edtech startup Shikho raised USD 4 million in seed funding in March, taking its total funding to USD 5.3 million, the highest seed funding for a Bangladeshi startup.

Another startup, Shajgoj, raised USD 2.3 million for its fashion e-commerce platform, marking a significant increase in funding for Bangladeshi startups.

Startups that struggled

Failure is a commonly discussed theme within the startup ecosystem. Startups fail for various reasons, but common causes include lack of market need, insufficient funding, poor business model, poor execution, lack of focus and failure to adapt. 2022 has seen some failed ventures, too, that were considered the next big shots.

Covid-19 has caused 25 per cent of Bangladeshi startups to close, and 56 per cent of startups have seen at least a 50 per cent drop in revenue, according to a study by LightCastle Partners.
Umbrii, The Tech School, Incogmito, Joldi, and Online Kenakata are five Bangladeshi startups that recently shut down operations.

Umbrii was a social media management startup, and the Tech School was a coding and electronics education institute. Incogmito emerged as an anonymous social networking platform. Joldi aimed to provide on-demand delivery services, while Online Kenakata was a marketplace.

Why 2023 looks bright

Over 1,200 registered startups in Bangladesh in 2022 generated more than 1.5 million employment.
According to UN ESCAPE 2022, Bangladesh's tech-based and online education startups are poised for growth in 2023, with government targets to export USD 5 billion by 2025.

High digital adoption and a large number of STEM graduates are driving the ICT sector's 40 per cent annual growth and 1 per cent contribution to GDP.

The country is also a leading supplier of online labour, with 650,000 registered freelancers generating USD 100 million annually. Investment and knowledge remittance are on the rise as Non-Resident Bangladeshis establish technology-oriented businesses in the country, incentivised by investor-friendly policies.

There is also a good chance of farming startups in 2023. Dhaka-based Agroshift raised USD 1.8 million in seed funding, making it the country's largest-ever pre-seed round for an agri-tech startup, helping farmers sell products via a tech-enabled supply chain.

WeGro, another agri-tech startup, is looking to raise a big fund soon to expand nationwide and impact 200,000 farmers by 2024. Both these agri-tech ventures will inspire more such enterprises in the country, hope experts.

From 10 Minute School to Online Kenakata, Bangladesh's startup scene is constantly evolving. Globally, almost 90 per cent of startups fail within 1 to 5 years of their operations. So some startups failing in Bangladesh shouldn't be a big concern.

What is important is the fact that the country is now attracting fresh ideas that are flourishing in the country's startup ecosystem. 2023, hence, is expected to be even better in terms of startup growth compared to 2022.

Maimuna Biswas


ছোট একটি ফার্মেসি থেকে বিশ্বের সেরা ঔষধ কোম্পানী স্কয়ারের সফলতার গল্প।

স্কয়ার হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সফলতা

বহুজাতিক কোম্পানি হতে যাচ্ছে স্কয়ার

মৃত্যুহীন এক প্রাণ স্যামসন এইচ চৌধুরী

স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামশন এইচ চৌধুরী জীবনী

Speech of Tapan Chowdhury - Square Pharmaceuticals Ltd

Tapan Chowdhury: Square Pharmaceuticals to invest KES.8.4B in Kenyan plant


Pages: [1] 2 3 ... 131