Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - kamruzzaman.bba

Pages: [1] 2 3 ... 15
1
The path of entrepreneurship is scattered with successes and failures, long days and hard work. There are days you wonder why you launched the company. On other days, you are so glad to be bringing your idea to life.

In reality, starting a company is easy. But building and growing a company is tough.

As someone who has worked with dozens of tech entrepreneurs over the years, I can totally relate to this sentiment. I have been part of highly successful companies and a couple that didn't do so great. But each experience taught me some valuable lessons. Each interaction with the founders and the innovators was a learning moment. I now try to emulate those learnings as an entrepreneur.

Here are some key takeaways:

1. Believe In Your Idea
2. Think Short-Term
3. Pick Your Mentors Judiciously
4. Build A Purpose-Driven Brand
5. Pivot As Needed
6. Be Humble

Link: https://www.forbes.com/sites/forbescommunicationscouncil/2022/10/06/six-lessons-on-entrepreneurship-and-innovation/?sh=dd1d8f4654d5

2
কম পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা শুরু করা সত্যিই সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন দক্ষতা, উদ্ভাবনী, সৃজনশক্তি আর অধ্যাবসায়।

১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই চিহ্নিত করতে হবে আপনার আগ্রহ ও দক্ষতার ক্ষেত্র। যেহেতু এই সব ব্যবসায় বিনিয়োগ কম তাই বাস্তবে আপনি বিক্রি করবেন আপনার দক্ষতা আর শ্রম।

আর তাই ব্যবসার ক্ষেত্রটিতে আপনার যথেষ্ট দক্ষতা না থাকলে লাভজনক ব্যবসা করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশিই বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগ্রহ থাকা জরুরি। জেনে নিন এমন ২৫ টি বিজনেস আইডিয়া যা আপনি শুরু করতে পারবেন ১০ হাজার বা তার থেকেও কম পুঁজিতে।

১. অনলাইন শিক্ষকতা:
অনলাইনে আপনার পছন্দের বিষয়টি শিখিয়ে ঘরে বসেই ভাল রকমের আয় করা সম্ভব। বিষয়টি হতে পারে পড়াশোনা, বাদ্যযন্ত্র বা ভাষা শিক্ষা। আপনার দক্ষতা ও আগ্রহের ভিত্তিতে নির্ধারণ করুন বিষয়। নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিনা বিনিয়োগেই আয় করতে পারবেন।

এছাড়াও রয়েছে অনলাইন শিক্ষকতার বিভিন্ন পোর্টাল, যেখানে নাম নথিভুক্ত করে সহজেই শুরু করতে পারবেন শিক্ষকতা। সেক্ষেত্রে নিতে হবে না ভিয়্যু বাড়ানোর দায়িত্ব। রয়েছে ইউডেমি-এর মতো অনলাইন টিচিং ও লার্নিংমার্কেট প্লেসও।

এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে কোর্স আপলোড করেও শুরু করতে পারেন আপনার ব্যবসা। অঙ্ক, বিজ্ঞান, ভাষা শিক্ষার পাশাপাশিই আঁকা, প্রোগ্রামিং, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, মার্কেটিং, ফটোগ্রাফি, ব্যবসা ইত্যাদি নানা বিষয়ে কোর্স আপলোড করার সুযোগ রয়েছে এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে। টেক্সট, ভিডিও, অডিও বা প্রেজেন্টেশনের আকারে আপলোড করতে পারেন কোর্স।

২. খাবারের হোম ডেলিভারি:
আজকের কর্মব্যস্ততার যুগে বাড়িতে রোজ রান্না করার সুযোগ হয় না অনেকেরই, আবার প্রতিদিন হোটেলের খাবারও খেতে চান না বেশিরভাগ। এই চাহিদা মেটাতেই শুরু হয়েছিল খাবারের হোম ডেলিভারির ব্যবসা। নিজের বাড়িতে রান্না করে পৌঁছে দিন বাড়ি বাড়ি, সময়ে মতো সুস্বাদু খাবার দিতে পারলে ব্যবসার অভাব হবে না।

কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন অঞ্চলে ব্যবসার সুযোগ বেশি। শহরের বাইরে থেকে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই রোজকার রান্না করতে চান না, সেক্ষেত্রে তাঁরা নির্ভর করেন হোম ডেলিভারির ওপর। এছাড়া অনেক ছোট পরিবারও রোজকার খাবারের জন্য হোমডেলিভারির খাবারের ওপরই নির্ভর করেন। ১০হাজার টাকায় শুরু করুন এই ব্যবসা।

৩. অনলাইন বেকারি:
রকমারি কেক, কুকিস্ বানাতে ভালবাসেন? আত্মীয়-বন্ধুদের জন্মদিন-অ্যানিভারসারিতে আপনার বানানো কেকের কদর রয়েছে? তাহলে এই ছোট ব্যবসা আপনার জন্য। ওভেন-ফ্রেশ বেকারি আইটেমের চাহিদা প্রচুর, আর তা যদি আপনি একেবারে ক্রেতার ঘরে পৌঁছে দিতে পারেন তাহলে তো কথাই নেই। নিত্যনতুন রেসিপি চেষ্টা করুন, তৈরি করুন আপনার স্পেসালিটি। ১০ হাজার টাকায় শুরু করুন আপনার ব্যবসা। ঘরের ওভেনেই কেক-কুকিস্ বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করুন।

৪. ফলের রসের কিয়স্ক:
প্রথমেই বেছে নিতে হবে জায়গা। এমন জায়গায় কিয়স্ক করতে হবে যাতে সহজেই চোখে পড়ে। আসে পাশে অফিস, স্কুল, কলেজ থাকলে বিক্রি হওয়ার সুযোগ বেশি। ওই জায়গায় কিয়স্ক বসানোর অনুমতি পত্র যোগাড় করতে হবে, ভাড়া নিতে হবে জায়গা। এর পর দরকার কাঁচামাল আর ফলের রস তৈরির যন্ত্র। গোটাটাই ১০ হাজার টাকার কমে করে ফেলা সম্ভব।

৫. ট্রাভেল এজেন্সি:
অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করতে হলে বাসের টিকিট বুকিংয়ের ব্যবসার কথা ভাবতে পারেন। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। স্বল্প মূলধনে ব্যবসা করতে চাইলে সব থেকে সহজ উপায় হল হোস্ট এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া। প্রাথমিক বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ভর করে হোস্ট এজেন্সির উপর কিন্তু তা ১০ হাজার টাকার মধ্যে রাখা সম্ভব।

৬. ট্যুর গাইড:
বাঙালী বেড়াতে যেতে ভালবাসে। আর তার জন্য তারা অনেক সময়েই নির্ভর করে ট্যুর গাইডের ওপর। ফ্লাইট, ট্রেনের টিকিট বুকিং, হোটেল বুকিং থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ট্যুরটি প্ল্যান করা পুরোটার দায়িত্ব আপনার। অফিস, স্কুল বা কলেজের ট্যুর করাতে পারলে নিয়মিত ব্যবসা পাওয়া সম্ভব।

এটি কম খরচে লাভের ব্যবসা। আপনাকে শুধু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, আর যোগাযোগ তৈরি করতে হবে বিভিন্ন জায়গার হোটেলের সঙ্গে, জেনে নিতে হবে তাদের ট্র্যাভেল এজেন্ট কমিশনের রেট। খুঁজে বের করুন নতুন নতুন জায়গা। বর্তমানে সব থেকে লাভজনক ব্যবসার একটি ট্যুর অপারেটিংয়ের ব্যবসা।

৭. কাস্টমাইজড গয়না তৈরি:
নতুন ধরণের গয়না তৈরি করুন, অভিনবত্ব আনুন গয়নার ডিজাইন, স্টাইল আর উপকরণে। অনলাইনে ব্যবসা করুন। ১০ হাজার টাকায় এই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। এই ধরণের গয়না তৈরির উপকরণ সহজেই পাওয়া যায় কলকাতার বিভিন্ন বাজারে। পছন্দ মতো উপকরণ সংগ্রহ করে বাড়িতে বসে সহজেই বানিয়ে ফেলুন গয়না।







৮. অনলাইনে হস্তশিল্প সামগ্রী বিক্রি: দেশে রয়েছে হস্তশিল্পের বিপুল সম্ভার। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে ছোট ছোট ঘর সাজানোর সামগ্রী সংগ্রহ করুন, অথবা ছোট গয়না। গ্রামীণ শিল্পীরা অনেক কম দামেই বিক্রি করেন তাঁদের তৈরি সামগ্রী। তাই অত্যন্ত কম খরচে লাভের ব্যবসা করা সম্ভব।

৯. দর্জির দোকান: ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে হলে ভাবতে পারেন দর্জির দোকানের কথা। তবে এক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই থাকতে হবে উপযুক্ত দক্ষতা ও সৃজনশীলতা। নিজের বাড়ি থেকেও এই ব্যবসা করতে পারেন। ক্রেতার বাড়ি গিয়ে ডিজাইন আর মাপ নিয়ে এসে বাড়িতে বসে বানিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসুন ক্রেতার বাড়িতে। অনলাইনে বহু নতুন নতুন অভিনব ডিজাইন পাওয়া যায়, সেখান থেকে নিজের পছন্দ মতো ক্যাটালগ তৈরি করে নিন।







১০. বিউটিশিয়ান: উপযুক্ত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ থাকলে অল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা করা সম্ভব। প্রথমেই কিনে ফেলুন প্রাথমিক পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ। বাড়িতে গিয়ে ফেসিয়াল, পেডিকিওর, ম্যানিকিওর, অয়েল ম্যাসাজ বা ওয়্যাক্সিংয়ের মতো পরিষেবা দিন ক্রেতাকে। অনেকে বিউটি পার্লারে না গিয়ে বাড়িতেই এই সমস্ত পরিষেবা পেতে পছন্দ করেন। পরিষেবার মান ভাল হলে লোক মুখেই প্রচার হবে। তৈরি করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইটও। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

১১. মেকআপ আর্টিস্ট: আপনি যদি সাজাতে ভালবাসেন, যদি থাকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, তাহলে খুব সহজেই অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করা সম্ভব। কনে সাজানো থেকে পার্টি মেকআপ অথবা নাচ বা অন্যান্য অনুষ্ঠান, ডাক পেতে পারেন বিভিন্ন জায়গা থেকে। এক্ষেত্রেও একটি ওয়েবসাইট থাকলে ক্রেতার কাছে পৌঁছনো সহজ হবে।







১২. নাচ, গান বা আঁকার স্কুল: আপনার যদি এর মধ্যে কোনও একটি দক্ষতা থাকে তাহলে সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে প্রায় বিনিয়োগ ছাড়াই আয় করতে পারবেন। আপনার বাড়িতেই এই স্কুল খুলতে পারেন, বা ভাড়া করতে পারেন কোনও ঘর। ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি গিয়েও শেখাতে পারেন গান, নাচ বা আঁকা। এর জন্য আপনাকে হতে হবে ধৈর্যশীল আর দায়িত্ববান। এই ব্যবসার প্রচার মূলতঃ হয় লোকমুখে। তাই আপনি যদি ছাত্রছাত্রীদের খুশি করতে পারেন তাহলে তাদের থেকে শুনেই নতুন ছাত্রছাত্রী আসবে।

১৩. বিদেশী ভাষা শিক্ষা: আপনার যদি কোনও বিদেশী ভাষা জানা থাকে, তাহলে সেই দক্ষতা ব্যবহার করে সহজেই লাভজনক ব্যবসা করতে পারবেন। ছোট থেকে বয়স্ক, বিভিন্ন বয়সের ছাত্রছাত্রী পাওয়া সম্ভব। বিনা বিনিয়োগে আয় করতে পারবেন এই ব্যবসায়। তবে এই ব্যবসা করতে সংশ্লিষ্ট ভাষায় আপনাকে যথেষ্ট দক্ষ হতে হবে নিশ্চিতভাবেই, হতে হবে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ও ধৈর্যশীল।







১৪. ফ্রিল্যান্স কন্টেন্ট রাইটিং: ইংরেজিভাষায় যথেষ্ট দক্ষতা থাকলে কন্টেন্ট রাইটিংয়ের কাজ পাওয়া সহজ। ঘরে বসে অনলাইনে ব্যবসা করে আয়ও হবে ভালই। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটের মাধ্যমে এই কাজ পাওয়া যেতে পারে। ইদানিং আঞ্চলিক ভাষায়ও কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এই লেখার নিজস্ব কিছু কৌশল রয়েছে, যেমন সার্চ ইঞ্জিনে যাতে আপনার লেখা ওপরের দিকে স্থান পায় তার জন্য জানতে হয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কৌশল। তবে চর্চা করলে রপ্ত করে নেওয়া কঠিন হবেনা। ভাষার ও শব্দভাণ্ডারের ওপর দখল থাকাই এই ব্যবসায় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। বিনা বিনিয়োগে ঘরে বসে আয় করতে পারবেন এই ব্যবসায়।

১৫. ইউটিউব চ্যানেল: অনলাইনে আয় করার আরও একটি সহজ উপায় ইউটিউব চ্যানেল। শিক্ষামূলক থেকে রান্না শেখানো, লাইফ হ্যাকস্ থেকে বেড়ানো, বিষয় হতে পারে যে কোনও। চ্যানেলের ফলোয়ার বাড়াতে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। স্মার্টফোনে ভিডিও তুলেও আপলোড করতে পারেন চ্যানেলে। তবে শব্দ ও ছবির গুণমান ভাল হওয়া জরুরি। ভিডিওর যথেষ্ট ভিয়্যু হলে বিজ্ঞাপন বাবদ টাকা পাবেন।

১৬. অনুবাদের ব্যবসা: দুটি বা তার বেশি ভাষা জানা থাকলে অনুবাদের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। পৃথিবীজুড়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরণের অনুবাদের প্রয়োজন পড়ে, তা হতে পারে আইনি কাগজ বা মেডিক্যাল নথি, অথবা মোবাইল অ্যাপ বা গেমিং। এছাড়াও পাওয়া যায় সিনেমা বা টিভি সিরিজের সাবটাইটেল অনুবাদ করার কাজ। প্রতিটির জন্য নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতা থাকা প্রয়োজন, প্রয়োজন সেই বিষয়ের শব্দ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান। ঘরে বসে ইন্টারনেটে ব্যবসা করে আয় হবে ভালই। অনুবাদ এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলে নিয়মিত কাজ পাওয়া যাবে।







১৭. গ্রাফিক ডিজাইনিং: বলা হয় পূর্ণ সময়ের চাকরির চেয়ে নিজের ব্যবসায় আয় বেশি করেন গ্রাফিক ডিজাইনাররা। কম্পিউটার আর প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার থাকলে ১০,০০০ টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। বস্তুতঃ আলাদা কোনও অফিসেরও প্রয়োজন নেই, ব্যবসা করতে পারেন ঘরে বসেই। অর্ডার পেতে পারেন অনলাইনে অথবা চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যাদের নিয়মিত গ্রাফিক ডিজাইনিংয়ের কাজের প্রয়োজন। আজকের ডিজিটাল যুগে গ্রাফিক ডিজানিংয়ের কাজের সুযোগ প্রচুর।

১৮. ওয়েডিং প্ল্যানার: বিয়েবাড়ি ভাড়া করা থেকে ডেকরেশন, খাওয়া দাওয়া থেকে বিয়ের কার্ড ছাপান, কনের সাজ থেকে ফটোগ্রাফি বিয়ের ঝক্কি অনেক। আজকের ছোট পরিবার আর ব্যস্ততার যুগে এই সব কাজ সুষ্ঠভাবে করার লোক কমে আসছে। অথচ এই বিশেষ দিনটির জাঁকজমক নিয়ে আপস করতে চান না কেউই, আর তাই বাড়ছে ওয়েডিং প্ল্যানারদের চাহিদা। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার মধ্যে অন্যতম এই ব্যবসা। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। প্রয়োজন একটা আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট আর যোগাযোগ।







১৯. অনলাইনে বাংলা বই বিক্রি: আপনার যদি বাংলা সাহিত্য নিয়ে যথেষ্ট জানাবোঝা থাকে তাহলে ১০ হাজার টাকায় এই ব্যবসার কথা ভাবতে পারেন। অ্যামজন ফ্লিপকার্টের সৌজন্যে ইংরেজি ও মূলধারার অনেক বই অনলাইনে পাওয়া গেলেও বাংলা বইয়ের ক্ষেত্রে এ সুযোগ এখনও কম। বিশেষতঃ পুরনো বা দুষ্প্রাপ্য বাংলা বই অনলাইনে পাওয়াই যায় না।

অথচ কলেজস্ট্রিট এলাকাতেই খুঁজলে বহু এরকম দুষ্প্রাপ্য বাংলা বইয়ের সন্ধান মেলে। নতুন ছোট প্রকাশকদের বইও রাখতে পারেন আপনার সংগ্রহে। কলেজস্ট্রিট যদি আপনার নখদর্পণে হয় এই ব্যবসা আপনার জন্য। নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ফেসবুকের মাধ্যমে এই ব্যবসা করতে পারেন। অর্ডার অনুযায়ী ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে দিন বই। প্রচুর বই কিনে ব্যবসা শুরুর দরকার নেই। অর্ডার এলে বই সংগ্রহ করে পৌঁছে দিন ক্রেতার হাতে।

২০. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ছোট বড় সব সংস্থার জন্যই সামাজিক মাধ্যমে উপস্থিতি প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে উঠছে। নিজেদের পরিষেবা বা পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া ও ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর অনেকাংশেই নির্ভর করে প্রায় সব কোম্পানিই। খরচও হয় কম। বড় কোম্পানিদের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টের জন্য নিজস্ব কর্মী থাকলেও ছোট কোম্পানি বা স্টার্টআপ-রা বেশিরভাগই বাইরের সংস্থাকে দিয়ে থাকে এই কাজের দায়িত্ব। বিনা বিনিয়োগে ঘরে বসে আয় করতে পারেন এই উপায়ে।

২১. মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা: কম টাকায় লাভজনক ব্যবসা করতে হলে বাড়িতে বাড়িতে মিনারেল ওয়াটারের ড্রাম পৌঁছে দেওয়া একটা সহজ উপায়। ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। শহরাঞ্চল ও শহরতলিতে বহু পরিবারই পানির জন্য নির্ভর করে এই পানি বিক্রেতাদের ওপর। এই কাজ পরিশ্রমসাধ্য, ভ্যানে করে পানির ড্রাম টেনে নিয়ে যেতে হয় এ পাড়া থেকে ও পাড়া।

২২. মোবাইল রিচার্জের দোকান: অনলাইন রিচার্জের যুগেও বেশিরভার উপভোক্তাই এখনও স্থানীয় দোকানে গিয়ে মোবাইল রিচার্জ করতেই বেশি সচ্ছন্দ, তাই পাড়ায় একটি ছোট দোকান ঘর ভাড়া করে কম খরচে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে, জেনে নিতে হবে কমিশন রেট। বাজারে দোকান না কিনে পাড়ার ছোট দোকার ঘর ভাড়া নিলে ১০ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু সম্ভব।

২৩. টিফিন ডেলিভারি: খাবারের হোম ডেলিভারির মতোই আরেকটি লাভজনক ব্যবসা টিফিন ডেলিভারি। পরিবারের সকলকেই যখন কাজে বেরোতে হয়, অফিসে যাওয়ার আগে টিফিন তৈরি করে নিয়ে যাওয়া প্রায় কারোও পক্ষেই সম্ভব হয় না। আর তাই আপনি যদি উন্নত গুণমানের ঘরে তৈরি খাবার পৌঁছে দিতে পারেন অফিসে তাহলে বিক্রি হবে ভালই। খাবার পৌঁছতে হবে অফিস এলাকায়, তার জন্য লোক রাখতে পারেন। ১০ হাজারা টাকায় ব্যবসা শুরু করে লাভের মুখ দেখুন প্রথম মাসেই।

২৪. চায়ের দোকান: চায়ের দোকান খুলতে ভাড়া করতে হবে একটা ছোট দোকান ঘর বা স্টল বসানোর জায়গা, কিনতে হবে কিছু বেঞ্চ আর টেবিল। ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে যাবে পুরোটাই। আর পাঁচটা চায়ের দোকানের থেকে খানিক আলাদা ভাবে সাজিয়ে নিন আপনার দোকান। দেওয়ালে ছবি আঁকাতে পারেন, বা টেবিল-বেঞ্চের রঙে আনতে পারেন নতুনত্ব। দোকানের অন্দরসজ্জাই এক্ষেত্রে হবে প্রধান। পাশাপাশি ভাল মানের চা যদি কম দামে বিক্রি করতে পারেন ব্যবসা বাড়বে। সঙ্গে মুখরোচক কিছু স্ন্যাক্সের ব্যবস্থাও রাখতে পারেন।

২৫. ফুড ভ্যান: ছোট ফুড ভ্যানে করে খাবার বিক্রি করলে ১০হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। রাখতে পারেন রোল-চাউমিন অথবা বার্গার-স্যান্ডউইচের মতো খাবার। নতুন ধরণের খাবারও চেষ্টা করতে পারেন। খাবার সুস্বাদু হওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছে যেতে পারলে বিক্রি ভাল হবে। অফিস এলাকায় বিক্রি বেশি হওয়া সম্ভাবনা বেশি।

১০ হাজার টাকায় ব্যবসার উপায় আছে অনেক, আপনাকে বুঝতে হবে বাজারের চাহিদা আর চিহ্নিত করতে হবে নিজের দক্ষতা আর আগ্রহ। এই ছোট ব্যবসায় আপনার দক্ষতা আর উদ্ভাবনী শক্তিই আপনার পুঁজি। সেই পুঁজিকে কাজে লাগিয়েই শুরু করতে পারেন ব্যবসা। দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়বে আয়। তথ্যসূত্র : ইন্টানেট।

Link: https://bn.bdiganta.com/bd23/%e0%a7%ab-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a7%a8%e0%a7%ab%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be/

3
Bangladesh has shown tremendous economic growth in the past decade and is expected to become an upper-middle-income country by 2031. At the same time, the country faces a magnitude of challenges related to the inclusivity and
sustainability of this growth. The COVID-19 pandemic has further exacerbated these challenges, hitting the most vulnerable - including women, minorities, and young people - hardest.

As of 2020, out of the 165 million Bangladeshi people, approximately 63.7 percent were under the age of 35. However, Bangladesh will become an ageing society on the 2029 and window of opportunity to capitalise on Bangladesh’s
demographic dividend should not be wasted. To amplify the impacts of steady economic growth, achieve targets related to the Sustainable Development Goals (SDGs) by the year 2030, and address the challenges related to the inclusivity and sustainability of the economic growth, it is necessary to support the human development and economic empowerment of the large youth population.

Unemployment is one of the key challenges facing Bangladesh’s young people. Youth entrepreneurship is a potential solution to address this challenge and achieve positive impacts at scale. Entrepreneurship does not only provide young people with opportunities to achieve financial independence but enables them to create employment and support their peers and communities through their business practices.

United Nations Development Programme (UNDP) – under the Youth Co:Lab initiative co-led by UNDP and Citi Foundation - the Islamic Development Bank (IsDB) and Startup Bangladesh Limited have commissioned this first-of-itskind study to strengthen the understanding of the current state of the ecosystem for youth entrepreneurship in Bangladesh and provide data-driven recommendations to develop the ecosystem over the coming years.

This study has estimated that there are 3.8 million young entrepreneurs in Bangladesh. Understanding the challenges and opportunities within the entrepreneurship ecosystem is vital for amplifying the potential of youth entrepreneruship and support these youth-led enterprises in growing and developing their businesses. The study produced a comprehensive assessment of
challenges and opportunities within the six central domains of youth entrepreneurship ecosystem by incorporating youth and inclusion lenses in the analysis throughout


For Details: https://www.isdb.org/sites/default/files/media/documents/2021-09/State%20of%20the%20Ecosystem%20for%20Youth%20Entrepreneurship%20in%20Bangladesh%202021.pdf

4
Seed Funding raising for the startups: Things to know

Getting a startup off the floor isn’t easy. Most of the time it starts with an idea. But working with an idea and putting it into work requires funds. The question is where will you get the initial fund? This is where Seed Funding comes in. In this article, we will look into the details of seed funding and everything you need to secure one for your startup.

What is seed funding?
Seed funding is essentially the first cash inflow in a startup in its initial phase. A startup has several stages. The initial phase is idea generation. Based on the idea, the startup moves into the market viable product. Subsequently, the product or service sees expansion, growth, and maturity phase. While a business can easily get large-scale investment from the expansion phase, there are significant R&D and market compatibility investments that require funding.

These investments come in the form of seed funding. A seed investor is also known as an   angel   investor. To know more about angel investment, you can read our comprehensive guide.

Seed funding is unique because there is no practical proof that the startup will be profitable or scale-able. An angel investor will invest based on the uniqueness of the idea and their experience as an investor.

Almost all the large-scale startups of today had seed backup. The initial money needed to bring the startup to profitability is well beyond the means of its founders. Seed money not only ensures maintenance of business process but also makes sure there are multiple trial and error run for your product and service.

Considering the market competition and overall success rate of startups in the world, it's understandable why a startup would not be a sing le shot thing. Rather it's about having a tried and tested model to achieve the ultimate goal. Seed fund allows you to try out and test different approaches which would've otherwise been impossible.

Things to know before getting seed Funding
The basic groundwork
An angel investor or seed funding is done at the earliest stage of a startup. Most startups that apply for seed fund doesn't even have a market viable product. To get seed funds, you need to clearly outline your idea. The entire process is nothing but making a potential investor see your vision with the startup.

During the basic groundwork, you need to show potential investors whether the product or service has market demand or not. How will it undercut your competitor? What's the chance that people will adapt to the product rapidly and how does it solve an existing problem? This simple market research will act as the groundwork for the seed fund approach.


Develop Connections
Whether the startup will get the attention of a potential investor depends largely on the word-of-mouth spread of your business. Networking and connection building are equally important to having an impeccable pitch deck. Developing networking and connections will help you come in contact with potential investors and give your startup better exposure in the startup community.

What is the ideal seed amount?
Many startups make the mistake of overestimating their business. As a result, most of them fail to secure funding. Before diving into the details of how much is actually the right amount, you need to understand that there are multiple types of investment.

There is discounted cash flow which generates a steady inflow of investment rather than a lump sum. There is the market comparable method where the pattern of investment on a similar startup is followed. Then comes the venture capital method where an exit strategy is worked out before investment.

Regardless of the investment, you're choosing, it's important to have a proper valuation of your business. Every startup has several investment cycles before it hits the maturity phase. Seed funding valuation is generally less as there is no proven market strategy associated with the product.

The essential documents
An investor would always look for how organized a startup is. And the first step of organizing starts with the preparation of all the important documents. The documents include a business plan, executive summary , presentation deck, elevator pitch, and the NOA. All these documents are necessary when it comes to securing investment. The more organized you are, the easier it becomes to present your ideas professionally.

Set milestones
Every established business has its own set of strategic and organizational goals. As a startup, you should have your own goals and milestones as well. This is one of the reasons why a strategic business plan is so important when it comes to startups. Your investors will be looking for results from their investments. You need to outline a clear set of milestones to showcase the growth trajectory of your startup. As long as you stick to the milestones, it will help your business grow uniformly and attract investors as well.

Always be ready to scale
We mentioned the cycle a startup goes through in its initial days. Truth is, the seed period of any startup is short-lived. A startup with proper planning and business model will soon be ready to scale. It always starts with a sudden boom in sales or service requests. If you aren't ready to serve every client proficiently, you stand to lose your reputation in the process.

The increased demand will initiate increased service requirements. So be ready to scale your business with part of the seed funding in the initial stage.

Understand what you'll give up
Seed investments aren't different from traditional investments considering you will give up a part of your stakes to get the funding. There will be multiple stages of fundraising so you have to be careful how much you are staking out in the seed stage. This will also impact how much control you hold over the startup in its growth phase.

Bottom Line
Seed funding is a necessary and intricate part of any startup. However, many startups die out in their initial phase due to a lack of funding. In this article, we tried to focus on the core aspects that will help you ensure seed funding and control over your startup.


Reference:
https://unb.com.bd/category/business/seed-fund-raising-for-startups-things-to-know-about/76910


5
How to Win Biotech Funding

6

This Facebook group just created the biggest digital flea market

Razib Ahmed Choudhury, a stamp-collector based in Noakhali, recently posted in Recycle Bin – a Facebook group that buys and sells second-hand products – he wants to sell more than 2,000 postage-stamps that he collected over the years.

"They were my precious. I had them for years. Then life became tough. I had no time to take care of them. At one stage, I lost my unconditional love for them. I gave one book of stamps to my niece. After a couple of months, I found that she had forgotten about the stamps and lost the book. So, I decided to give my stamps to someone who would love them and value them as I did. When I joined Recycle Bin, it gave me an idea to sell them at a low price so that a real collector could have them and cherish them. I could have just donated them, but I chose to sell because when you pay for something, you value it," Choudhury told The Business Standard.

He couldn't sell the stamps after his first post on Recycle Bin, but he received an overwhelming response and sold his stamps the second time he posted.

Source
https://tbsnews.net/feature/panorama/facebook-group-just-created-biggest-digital-flea-market-201007

7
আমরা দেখেছি যে একটা স্টার্টআপ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ বা এসএমইর তুলনায় আরও অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এবং বেশি বিনিয়োগের ব্যাপার। তারপরও কেন বিনিয়োগকারীরা স্টার্টআপে বিনিয়োগ করে? যেকোনো স্টার্টআপে বিনিয়োগ করা পুরোটাই একটি ঝুঁকি বণ্টনের খেলা। একজন স্টার্টআপ বিনিয়োগকারী তাঁর পুরো মূলধনের খুব অল্প পরিমাণ টাকা একটি স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু একসঙ্গে ১০টি ভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন। কেন? কারণ, তাঁরা জানেন, টাকাটা আসলে কখনো লাভসমেত ফেরত না–ও আসতে পারে। তাঁরা ধরেই নেন, তাঁদের বিনিয়োগের সাতটি কোম্পানি ব্যর্থ হবে, তবে আশা করেন, যে তিনটি কোম্পানি সফল হবে, তারা অন্য সাতটির খরচ পুষিয়ে দেবে। স্টার্টআপ বিনিয়োগকারীরা স্কেল করতে পারেন, এ রকম কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

স্টার্টআপ আর এসএমইর মধ্যে একটা বড় পার্থক্য হলো তাদের বের হওয়া বা ‘এক্সিট স্ট্র্যাটেজি’। বেশির ভাগ এসএমই চাইবে প্রতি মাসে অল্প অল্প করে ব্যবসা বড় করে বছরের পর বছর চালিয়ে যেতে। যদি কোনো বিনিয়োগকারী তাঁদের শেয়ার বিক্রি করতে চান, তাহলে উদ্যোক্তার যথেষ্ট টাকা থাকলে তার কাছেই বিক্রি করতে পারবেন।

অন্যদিকে একটি স্টার্টআপের অবশ্যই পরিষ্কার এক্সিট স্ট্র্যাটেজি থাকতে হবে। সাধারণত উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য তিনটি উপায় থাকে:

১. একুইজেশন বা অধিগ্রহণ: কেউ একজন উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের শেয়ারসহ পুরো কোম্পানি কিনে নেন। যদি কোম্পানি কৌশলগতভাবে যথেষ্ট পরিমাণ মূল্যবান মনে হয়, তা শুরুর দিকেও হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যখন আমাজন ৯৭ কোটি ডলার দিয়ে টুইচ কিনে নেয়, তখন তার বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। কিন্তু ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বুঝতে পেরে এবং নিজেদের এডব্লিউএসের (আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস) সুবিধা নিয়ে কম খরচের জন্য আমাজন টুইচ কিনে নেয়।

২. প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও: কোম্পানিটি কোনো স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। গুগল (বর্তমান মূল্য ৯২ কোটি ৫০ লাখ ডলার) শুরুতে মাত্র ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ তুলতে পেরেছিল আইপিওভুক্ত হওয়ার আগে, এটির মূল্য তখন ছিল মাত্র ২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বিনিয়োগকারী এবং প্রতিষ্ঠাতারা তখন তাঁদের শেয়ার বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছিলেন সেই অবস্থাতেই।

৩. সেকেন্ডারি বাজারে বিক্রি: গোজেক, একটি ইন্দোনেশিয়ান ইউনিকর্ন এবং পাঠাওয়ে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, সম্প্রতি এক হাজার কোটি ডলারের সিরিজ এফ বিনিয়োগ তুলেছে। তার মধ্যেই বিনিয়োগকারীরা, যাঁরা সিরিজ এ বা সিরিজ বিতে বিনিয়োগ করেছিলেন, তাঁরা তাঁদের শেয়ার নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে ফেলতে পেরেছিলেন। প্রতিষ্ঠাতাদের ক্ষেত্রে তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার সুযোগটা এমন অবস্থায় সাধারণত হয় না, কিন্তু এই ব্যাপার আসলে আরও অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে।
বের হওয়ার বা এক্সিটের কোনো সেরা উপায় বলতে কিছু আসলে নেই, কিন্তু একটি স্টার্টআপের জন্য সেরা এক্সিট স্ট্র্যাটেজি জেনে রাখা খুবই দরকারি।

উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, উবার এত বড় কোম্পানি হয়ে গিয়েছিল যে তাদের জন্য অধিগ্রহণের চেয়ে আইপিও বেছে নেওয়াই উত্তম ছিল। কেননা, খুব কমসংখ্যক বৈশ্বিক কোম্পানিরই উবারকে কিনে নেওয়ার সামর্থ্য ছিল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মাথায় রাখতে হবে যে একজন বিনিয়োগকারী এবং একজন প্রতিষ্ঠাতা, উভয়ের জন্যই এক্সিট করার উপায়গুলো জেনে রাখা বেশ দরকারি, যাতে সবাই সবার বিনিয়োগ করা টাকা লাভসহ ফেরত পেতে পারে।

আপনার স্টার্টআপটি ব্যবসায়িকভাবে সফল না হতে পারে বা স্কেল না করতে পারে, তাহলে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কোভিড-১৯–এর পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যাপারটি বোঝা আরও একটু বেশি জরুরি। কেননা, এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায় লাভ করা প্রকৃতপক্ষেই বেশ কঠিন। এ রকম অবস্থায় আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানকে একটি ‘লাইফস্টাইল’ কোম্পানিতে পরিণত করতে পারেন, মানে, ভবিষ্যতে আরও বিনিয়োগের এবং এক্সিটের চিন্তা না করে ব্যবসাটিকে স্থিতাবস্থায় নিয়ে আসা, কিংবা এই যাত্রায় ক্ষান্ত দেওয়া। কেননা, ‘ব্যবসায় ক্ষতি হবে’ এটা যখন জানা, তখন তাতে আরও টাকা খাটানোর সিদ্ধান্ত খুব একটা ভালো সিদ্ধান্ত নয়।

একটি স্টার্টআপের যদিও উচিত লাভজনক হওয়ার চেষ্টা করা, কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে তাদের এটাও মাথায় রাখতে হবে যে তাদের মূল্য নিরূপণ যাতে বেশি হয় এবং সবশেষে মার্কেট এক্সিট বা প্রস্থানের ব্যবস্থা।

আদতে একটি স্টার্টআপকে একটি এসএমই থেকে পৃথক করে তার বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের আদর্শ বা নীতিসমূহ। কেননা, ঝুঁকির সঙ্গে সম্ভাব্য পারিতোষিকের মিল থাকতেই হবে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য আরও একটা ব্যাপার বোঝা খুব জরুরি, একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী কেন শুধু বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চাইবেন, যদি তিনি তাঁর নিজের দেশেই একই রকম লভ্যাংশ ফেরত পেয়ে থাকেন? বিদেশি বিনিয়োগ নিতে হলে, অবশ্যই অধিকতর রিটার্নের সুযোগ থাকতে হবে।

তবে আপনার নতুন উদ্যোগ তবে কী? স্টার্টআপ না এসএমই? একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এই পার্থক্যটা করতে পারা জরুরি, যাতে বিনিয়োগকারীরা আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পেতে পারেন।

Collected
https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%86%E0%A6%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8

8
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগেই সাড়ে চার হাজার টাকা বেতনে পোশাক খাতের প্রয়োজনীয় একসেসরিজ বা সরঞ্জাম উৎপাদক বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি নেন। কোয়ালিটি অফিসার হিসেবে দুই বছর চাকরি করে সরঞ্জাম উৎপাদনকারী এক দেশীয় প্রতিষ্ঠানে প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট পদে যোগ দেন। বেতন ১৫ হাজার টাকা। চার বছর পর সেই চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে ব্রিটিশ এক রাসায়নিক (কেমিক্যাল) কোম্পানির বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান প্রধান হিসেবে কাজ শুরু করেন।

চাকরির এই ইতিবৃত্ত আল শাহরিয়ার আহমেদের। ব্রিটিশ কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি ২০১২ সালে কোনো পুঁজি ছাড়াই ইন্ডেনটিং ফার্ম করলেন। ছয় বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সরঞ্জাম খাতের বিভিন্ন কোম্পানির জন্য যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও রাসায়নিক আমদানি করতেন শাহরিয়ার। তারপর অংশীদারত্বে দুটি কারখানা করলেন। কিছুদিন ব্যবসা করে শেয়ার ছেড়ে দিয়ে নিজেই করলেন রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উৎপাদনের কারখানা।

চার বছরের ব্যবধানে শাহরিয়ারের আদজি ট্রিমস লিমিটেড সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উপখাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। বর্তমানে তুরাগ ও ধামরাই বিসিক শিল্পনগরীতে আদজি ট্রিমসের দুটি কারখানায় কাজ করেন ৮৯৩ কর্মী। জারা, ম্যাঙ্গো, পুল অ্যান্ড বিয়ার, অ্যালকোড ইংলিশসহ বিদেশি ৩১ প্রতিষ্ঠানের হয়ে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উৎপাদন করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি রপ্তানি হচ্ছে ভিয়েতনাম, ভারত, পাকিস্তান, মরক্কো, পর্তুগাল, ভিয়েতনাম ও স্পেনে। তাতে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার বা সাড়ে আট কোটি টাকার সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য প্রচ্ছন্ন ও সরাসরি রপ্তানি করছে শাহরিয়ারের আদজি ট্রিমস।

রাজধানীর উত্তরায় নিজের কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার নিজের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প শোনালেন ৩৪ বছরের যুবক আল শাহরিয়ার আহমেদ। বললেন, ‘সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উপখাতে আমরা ক্রেতাদের ওয়ান-স্টপ সার্ভিস দিতে চাই। মানে হচ্ছে, তৈরি পোশাকশিল্পের সব ধরনের সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যই আমাদের কারখানায় হবে। বর্তমানে আমরা জিপার, বোতাম, কার্টন ও সুইং থ্রেড ছাড়া সব পণ্য করছি। আগামী বছর জিপার ও বোতাম উৎপাদনে যাব আমরা।’

ছোটবেলাতেই উদ্যোক্তার স্বপ্ন
আল শাহরিয়ার আহমেদের শৈশব কেটেছে পটুয়াখালী সদরে। ছোটবেলার একটি ঘটনা ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে বেশ প্রভাব ফেলে তাঁর ওপর। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ছেলে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তখন শাহরিয়ার চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েন। ঘটনাটা তাঁর মুখেই শুনুন, ‘আমার শিক্ষকের ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম, আঙ্কেল, আপনি বেতন কত পান? বললেন, মাসে ৩৫ হাজার টাকা। আমি বড়সড় ধাক্কা খেলাম। কারণ, তখন ৩৫ হাজার অনেক টাকা। জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি কোম্পানির সবকিছু দেখেন? উত্তর দিলেন, না। তাঁর ওপরে আরও অনেক কর্মকর্তা আছেন। শীর্ষ কর্মকর্তার বেতন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। আবার প্রশ্ন করলাম, বেতন কে দেয়? উত্তর দিলেন, কোম্পানির মালিক। আমার ছোট্ট মাথায় এল, কোম্পানির মালিক যিনি এত টাকা বেতন দেন, তাঁর বেতন না জানি কত!’
শাহরিয়ার বললেন, ‘সেদিনই আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি হলে কোম্পানির মালিকই হব। আমার প্রতিষ্ঠানে অনেক মানুষ কাজ করবেন। তা ছাড়া আমার পরিবারের সবাই সরকারি চাকরি করেন। তাঁদের সাদাকালো জীবন আমাকে আকর্ষণ করত না।’

চাকরি ছেড়ে শাহরিয়ারের বাবা ব্যবসা শুরু করেন। সেই সুবাদে ১৯৯৮ সালে সাভারের নবীনগরে চলে আসে তাঁদের পরিবার। শাহরিয়ার ভর্তি হলেন বেপজা পাবলিক স্কুলে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরপরই বন্ধুদের সঙ্গে একটি ঘটনা নিয়ে মারামারি হয় শাহরিয়ারের। বাবা রাগ করে তাঁকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন। অভিমান করে শাহরিয়ারও নারায়ণগঞ্জ চলে গেলেন। সেখানে মাসখানেক বন্ধুদের সঙ্গে থাকার পর মামার ব্যবসা কয়েক দিন দেখাশোনা করেন। এদিকে উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে অপেক্ষমাণ তালিকায়ও ছিলেন।
অবশ্য তার আগেই নবীনগরে পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে একসেসরিজ বা সরঞ্জাম উৎপাদক বহুজাতিক কোম্পানি পেক্সার বাংলাদেশ লিমিটেডে চাকরির সুযোগ পান শাহরিয়ার। চাকরি শুরু করলেন। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। তবে চাকরির কারণে লেখাপড়ায় সুবিধা করা যাচ্ছিল না। পরে ইভনিং কোর্সে ভর্তি হয়ে যান শাহরিয়ার।

সকাল ছয়টায় বাসা থেকে রওনা দিতাম। দিনে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হতো। কাজের চাপে টানা দু-তিন রাত কারখানার ভেতরে সোফায় রাত কাটিয়ে দিতে হতো।
শাহরিয়ার আহমেদ

অবশেষে উদ্যোক্তা হওয়া
শাহরিয়ারের চাকরির ইতিবৃত্ত আগেই শুনেছি আমরা। এলিট প্রিন্টিং ইউকে লিমিটেড নামের ব্রিটিশ রাসায়নিক কোম্পানিতে মাসে তিন হাজার পাউন্ডের চাকরির পাশাপাশি নিজের ইন্ডেনটিং ফার্ম চালাচ্ছিলেন। হঠাৎ একদিন কসমো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ারকে তাঁর অফিসে দেখা করতে বলেন। দেখা করতে গেলে ওই ব্যবসায়ী শাহরিয়ারকে যৌথভাবে স্টিকার ও গামটেপ উৎপাদনের প্রস্তাব দেন।

শাহরিয়ার বললেন, কারখানা করার মতো অনেক টাকা নেই। পরে অবশ্য আট লাখ টাকা দিয়ে কোম্পানির ১৫ শতাংশ শেয়ার পান। ঈশ্বরদী ইপিজেডে ফুজিয়ান এক্সপোর্ট ইন্ডাস্ট্রির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নানা কারণে কারখানার নির্মাণকাজ বিলম্ব হচ্ছিল। তখন কসমো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উদ্যোগে গাজীপুরে ভিক্টোরিয়া ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি নামের আরেকটি সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য উৎপাদনের কারখানা করলেন। সেখানে শাহরিয়ারের শেয়ার ২০ শতাংশ।

আল শাহরিয়ার আহমেদ বললেন, ‘গাজীপুরে কারখানাটিকে দাঁড় করাতে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়েছে। সকাল ছয়টায় বাসা থেকে রওনা দিতাম। দিনে কমপক্ষে ১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হতো। কাজের চাপে টানা দু-তিন রাত কারখানার ভেতরে সোফায় রাত কাটিয়ে দিতে হতো।’

বছর চারেক ব্যবসা চালানো পর একদিন শেয়ার ফেরত দিয়ে টাকা নিয়ে নিলেন। বন্ধু শিকদার সাফিউজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে গড়লেন আদজি ট্রিমস। দুটি ব্যাংক ও স্পেনের এক ক্রেতার সহযোগিতায় তুরাগে ২০১৬ সালের অক্টোবরে প্রথম কারখানা চালু হলো।
কারখানার শুরুর দিকের কথা বললেন আল শাহরিয়ার আহমেদ, ‘প্রথম দিকে কঠিন সময় পার করতে হয়েছে। আর্থিক সংকট ছিল। অনেক দিন নিজের ক্রেডিট কার্ডের টাকা দিয়ে কারখানার ডিজেল কিনতে হয়েছে। তবে পথঘাট চেনা থাকায় দ্রুত আমরা উন্নতি করতে পেরেছি।’

আদজি ট্রিমস বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ওভেন লেবেল ও ট্যাগ, টুইল ট্যাপ, কাগজের মোড়কপণ্য, পলিব্যাগ ইত্যাদি তৈরি করে। পরিবেশ সুরক্ষায় পচনশীল পলিব্যাগ প্রস্তুত করছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশে হাতে গোনা যে কয়টি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন বা আরএফআইডি লেবেল ও ট্যাগ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তার মধ্যে আদজি ট্রিমস অন্যতম।

আল শাহরিয়ার আহমেদ বর্তমানে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যের পাশাপাশি কৃষিপণ্যে বিনিয়োগ করছেন। করোনার কারণে কিছুটা পিছিয়ে গেলেও শিগগিরই ধামরাইয়ে কৃষি খামার ও বীজ উৎপাদনে যাচ্ছে তাঁর দুই প্রতিষ্ঠান। বললেন, ‘কৃষিতে ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। সেটি আমরা কাজে লাগাতে চাই।’

তৈরি পোশাক খাতে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যে ৮৫-৯০ শতাংশ দেশীয় প্রতিষ্ঠান জোগান দেয়। বাকিটা বিদেশ থেকে আমদানি হয়। সে কারণে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্যের উপখাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এমন মন্তব্য করে আল শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, পোশাক ছাড়াও খাদ্য, ওষুধসহ সব ধরনের পণ্যেই মোড়কপণ্যেও চাহিদা রয়েছে। কীভাবে সরঞ্জাম ও মোড়কপণ্য তৈরি হয়, সেই টেকনিক্যাল বিষয়গুলো জেনে এই ব্যবসায় আসতে হবে।

Collected: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0

9
The path to success for an entrepreneur is a path filled with uncertainty. This is why resilience is an essential trait in entrepreneurship. Not only can resilience keep you on the track to success, but it can also encourage you to rise above your past failures. Entrepreneurs Ethan Bavuu and Cody Cornwell believe that resilience is a catalyst for entrepreneurial success. Cody Cornwell is a branding expert and the CEO of Heavy Marketing LLC, while Ethan Bavuu is a US Army veteran and CEO of multiple successful e-commerce businesses. These young entrepreneurs share three reasons how resilience pushes you a step closer to achieving your goals.                                                                                                                                             

It inspires you

If you are resilient, you are hopeful; resilience means believing that you are willing to keep trying no matter how many setbacks you face. An encouraging and positive attitude like this is precisely the mindset needed to succeed as an entrepreneur.

Bavuu shares, "No matter what entrepreneurial venture you embark on, its success rests solely on your attitude. Look to your failures for inspiration, be resilient, and learn from your past to have a successful future." Cornwell adds, "Resilience is a gift given to the brave; if you use defeat to inspire you to do better, you can't fail."

It leads you to greater success

The business world is overflowing with stories of second-time-around successes. There is a notable trend within the entrepreneurial world that those who are brave enough to try again find their resilience rewarded with success.                         Bavuu explains with an example, "My advice to struggling entrepreneurs is always to keep trying. Henry Ford started making cars in 1899, and they were deemed too slow by the public and by 1904, he had set a land-speed record,"                            Cornwell states, "If you can find the resilience to invest your hope and money in a new idea, even though your first idea may have cost you your confidence, your self-belief will reward you."

It gives you an edge

The adage of once bitten, twice shy, can apply to the resilient entrepreneur. Those who have suffered professional setbacks can become more adept at identifying potential pitfalls because of their experience with failure. Every entrepreneur should consider their resilience to be a useful trait that can give them an edge over their competitors.   

https://www.entrepreneur.com/article/362304

10
Steve Berman and Marcela Iglesias have always been passionate about three things: entrepreneurship, fitness, and family

AGOURA HILLS, CA / ACCESSWIRE / December 24, 2020 / In early 2018, the pair created EdgeCross-X, the ultimate fitness training system. The unique technology utilizes a mix of body weight, balance, and leverage, to shed the core and all muscle groups simultaneously. In doing so, users can achieve an incredible, full body workout in the shortest amount of time possible. The EdgeCross-X is composed of 4 components, the main EdgeCross-X unit, the balance wheel, resistance bands, and stability block attachments.

How did you get your start in entrepreneurship?

SB: I became an entrepreneur at a very young age. At just 18 years old, I got into the real estate industry and by 21, I had built my first home, a 6,000 square foot, custom home development. Next, I got into the hotel industry, one of my very first projects was the Adobe Grand Villas, a four-diamond award winning, luxury resort hotel in Sedona Arizona. I am still very involved in my real estate business but I guess you could say I've always been into fitness and had a curious mind and an entrepreneurial spirit.

For details: https://finance.yahoo.com/news/meet-steve-berman-marcela-iglesias-194000459.html?guccounter=2

12
কারখানার কাজে আপাতদৃষ্টি কম গুরুত্বপূর্ণ, অথচ ভীষণ প্রয়োজনীয় বস্তু হচ্ছে র‍্যাক বা তাক। কাঁচামাল থেকে শুরু করে উৎপাদিত পণ্য গুছিয়ে রাখাসহ সব জায়গাতেই প্রয়োজনীয় পণ্য হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল র‍্যাক। খুব সহজে স্থাপনযোগ্য এসব লোহার র‍্যাক আগে আসত বিদেশ থেকে। তিন বছর ধরে ব্যবসায়ী আল মামুন ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার নাসিমুল হক দেশেই তৈরি করছেন বিশ্বমানের র‍্যাক। তাঁদের প্রতিষ্ঠানের নাম মাস্টার র‍্যাক। মামুন ও নাসিমুলের ভাষায়, এখনো ঠিক করে ধরাই হয়নি ব্যবসাটা, তাতেই তাঁদের বার্ষিক আয় পৌঁছেছে প্রায় ৪০ কোটিতে।

 র‍্যাক ব্যবসার সবচেয়ে শক্তির জায়গা হচ্ছে দিন দিন কমে আসছে পণ্য রাখার জায়গা। আবার বাড়ছে জায়গার দামও। প্রতিষ্ঠানগুলো চেষ্টা করে লম্বালম্বি তাক তৈরি করে অল্প জায়গায় অনেক পণ্য রাখতে। এভাবেই দেশে দেশে দিন দিন বাড়ছে র‍্যাকের চাহিদা ও ব্যবসা। সাধারণ তো বটেই, সফটওয়্যার দিয়ে অটোমেশন করে চালাতে হয় এতই বড় র‍্যাকের আকার এবং কাজ।

 মাস্টার র‍্যাকের মাস্টারমাইন্ড মূলত আল মামুন। ৫০ বছর ছুঁই ছুঁই মাথার মামুন চুল দেখিয়ে বললেন, অনেক চুল পাকিয়ে পরে র‍্যাক তৈরি ব্যবসায় আসা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে মাস্টার্স আল মামুন তরুণ বয়সে বাবার ফ্যানের ব্যবসায় হাল ধরেছিলেন। কিন্তু পালে লাগে অন্য হাওয়া। কীভাবে তা টেনে নিয়ে যায় মামুনের ভাগ্য, শোনা যাক তাঁর মুখেই।

For Details: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95

13
ছবিটা ছাপা হয়েছে ফরচুন ম্যাগাজিনের ২০০৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সংখ্যায়। ‘মিট দ্য পেপাল মাফিয়া’ শিরোনামের এই প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো পেপালের কর্মী ও উদ্যোক্তাদের একটি দলকে ‘মাফিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ছবিতে রয়েছে জাওয়েদ করিম, জেরেমি স্টপেলম্যান, অ্যান্ড্রু ম্যাক করমেক, প্রিমল শাহ, লুক নোসেক, ক্যান হোয়েরি, ডেভিড ও স্যাক, পিটার থিয়েল, কিথ রোবইস, রিড হফম্যান, ম্যাক্স লেভচিন, রোয়েলভ বোথা, রাসেল সিমন্স। এলন মাস্ক ছবিতে নেই। কারণ, সময় মেলাতে পারেননি।

 ২০০২ সালে ই-বে পেপালকে কিনে নেয় মাত্র ১৫০ কোটি ডলারে। পেপালের প্রথম ৫০ কর্মী ও উদ্যোক্তার মধ্যে ১২ জন ছাড়া বাকিরা তখন সেখান থেকে বের হয়ে আসেন। এই ৩৮ জনের সবাই পরে আলাদাভাবে বা একা একা নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এই প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি হলো টেসলা, লিঙ্কডইন, পলানটির টেকনোলজিস, স্পেসএক্স, স্লাইড, এফ্রিম, কিভা, ইউটিউব, ইয়েলপ ও ইয়াম্মার।

 এই মাফিয়া গ্যাংয়ের গল্পের শুরু ১৯৮৬ সালে আমেরিকা থেকে অনেক দূরে, রাশিয়ার চেরনোবিল দুর্ঘটনার সময়ের। সে সময় চেরনোবিল থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বড় হচ্ছিলেন ম্যাক্স লেভচিন। লেভচিনের মায়ের কাজ ছিল খাদ্যে তেজস্ক্রিয়তা যাচাই করে সার্টিফিকেট দেওয়া। চেরনোবিলের দুর্ঘটনার পর যখন তেজস্ক্রিয় খাবারের পরিমাণ বাড়তে থাকে, তখন অফিসে তাঁকে একটি কম্পিউটার দেয়। উদ্দেশ্য, সহজে উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করা।

For Details: https://www.prothomalo.com/business/%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE

14
একটি করে বছর পার হচ্ছে আর সঞ্চয়পত্রে সরকারের পুঞ্জীভূত দায়ের আকার বড় হচ্ছে। এ দায়ের আকার এখন ২ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতেই সরকারকে মুনাফা দিয়ে যেতে হচ্ছে। মুনাফার হার ১১ শতাংশের বেশি। ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সঞ্চয় অধিদপ্তরের হিসাব থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 সব ধরনের সঞ্চয় কর্মসূচিতে সরকারের দায় নিয়ে সঞ্চয় অধিদপ্তর ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন বলছে, একসময় দশ ধরনের সঞ্চয়পত্র থাকলেও এখন আছে চার ধরনের। এগুলো হলো পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, পরিবার সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পেনশনার সঞ্চয়পত্র। সব কটিরই মুনাফার হার ১১ শতাংশের বেশি।

 দেখা যায়, এক পরিবার সঞ্চয়পত্রেই সরকারের দায় ৩৭ শতাংশ। এ ছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সরকারের দায় ২৬ শতাংশ, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে দায় ১১ দশমিক ৬ এবং পেনশনার সঞ্চয়পত্রের দায় ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ।

For Details: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%9F%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0

15
করোনার সংক্রমণ রোধে গত মার্চের শেষ সপ্তাহে লকডাউন জারি করার পর আমাদের কারখানা ও বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই মাস সিংগাইরে আমাদের কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। পরে বিক্রয়কেন্দ্র ও কারখানা ধীরে ধীরে খুলতে থাকে

 তবে খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী না হওয়ায় আসবাব বিক্রি তুলনামূলক কম। তা ছাড়া মানুষের আয়ও আগের অবস্থায় ফেরেনি। এ কারণে ব্যবসাও স্বাভাবিক হয়নি। তারপরও সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণসুবিধা পাওয়ায় আমরা ব্যবসা চালিয়ে নিতে পারছি। বর্তমানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ব্যবসা ৮০ শতাংশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

 নাদিয়া ফার্নিচারে সাড়ে ছয় শ কর্মী রয়েছেন। লকডাউনের পর শ্রমিকেরা যে যাঁর মতো গ্রামের বাড়িতে চলে যান। কিছু কর্মী ঢাকা ও আশপাশে ছিলেন। লকডাউন শেষে আমরা যখন কারখানায় উৎপাদন শুরু করলাম, তখন ২৫-৩০ শতাংশ কর্মী পেলাম। ধীরে ধীরে কর্মীর সংখ্যা বাড়লেও দৈনিক মজুরিতে কাজ করতেন এমন বেশ কিছু শ্রমিক আর ফিরে আসেননি। তাঁরা গ্রামের বাড়িতেই রয়ে গেছেন। তাতে কিছু দক্ষ কর্মী আমরা হারিয়ে ফেলেছি।

Details: https://www.prothomalo.com/feature/pro-business/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A7%AE%E0%A7%A6-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87

Pages: [1] 2 3 ... 15