Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - fernaz

Pages: [1] 2 3 ... 13
Faculty Sections / Wearable Computing Is Shaping Digital Health
« on: June 03, 2018, 10:45:19 AM »
Wearable computing has introduced new approaches, more efficient processes, and innovative products in entertainment, sports, industrial logistics, and many other areas. However, no other field is anticipating and integrating wearable technology so broadly as healthcare, with interests ranging from well-being and disease prevention to chronic patient care and cross-cutting all medical disciplines.  Wearable computing researchers have foreseen numerous healthcare applications for at least two decades. Within the past several years, however, medical professionals and engineers have started integrating wearable technology in diagnosis and care processes, validating their effectiveness with patients in observational studies and even randomized controlled trials.
A leading example is the continuous glucose monitor, which enables diabetic patients to self-monitor blood glucose levels and learn from the measurements about their body functions, leading to advanced self-management and treatment procedures.  However, the variety of wearable technologies and applications in healthcare stretches far beyond glucose monitoring. Medical journals now regularly publish articles with wearables at the center of their methodology and some, such as the Journal of Medical Internet Research, dedicate space to such technology.  What drives wearable health technology development? Although cost is a primary factor, wearable computing offers more than greater efficiency in clinical processes and the ability to monitor vital parameters—it promises to assume a unique role in maintaining health, improving patient conditions, and extending quality life-years.

[Source-IEEE magazine]

Good post. Thanks for sharing.

Faculty Sections / Re: List of mathematics journals
« on: May 20, 2018, 01:16:11 PM »
Thanks for sharing.

Good to know.

Faculty Forum / Earning money from Internet
« on: May 13, 2018, 03:44:42 PM »
বর্তমানে ইন্টারনেটে উপার্জন একটি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই ইন্টারনেটে উপার্জনকে ফ্রিল্যান্সিং বলেন। কিন্তু না, ইন্টারনেটে উপার্জন আর ফ্রিল্যান্সিং এক বিষয় নয়। দুটোর মধ্যে আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। আমি এই আর্টিকেলে আপনাদের ইন্টারনেটে উপার্জনের পথ সমূহের সম্বদ্ধে আলোচনা করব। চলুন আগে জেনে নিই ইন্টারনেটে উপার্জন আসলে কী?

ইন্টারনেটে উপার্জন বলতে বোঝায় ইন্টারনেটকে মাধ্যম হিসেবে ধরে টাকা আয় করা। এখানে ইন্টারনেট আমাদের টাকা দেবে না। এখানে ইন্টারনেট শুধুমাত্র টাকা উপার্জনের মাধ্যম। ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে টাকা উপার্জন করা হয়। ইন্টারনেটে উপার্জনকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:

১. পিটিসি বা টাস্ক কমপ্লিট করে আয়

২. মাইক্রো ফ্রিল্যান্সিং করে উপার্জন

৩. ইন্টারনেটে ব্যাবসা করে উপার্জন

৪. ফ্রিল্যান্সিং করে উপার্জন

১. পিটিসি বা টাস্ক কমপ্লিট করে আয় কী? কেমন কাজ পাওয়া যায়?

পিটিসি অর্থ Paid to click অর্থাৎ ক্লিক করে অর্থ উপার্জন। এখানে পিটিসি সাইট প্রতিদিন কিছু সংখ্যক অ্যাড বা বিজ্ঞাপন দেবে। প্রতিটি বিজ্ঞাপন ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ড বা তার অধিক হতে পারে। প্রতিটি বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণ করলে সামান্য পরিমাণ ডলার প্রদান করা হয়। পিটিসিতে আয় খুবই সীমিত। সারা দিন ক্লিক করেও ১ ডলার উপার্জন হবে না এবং পিটিসি সাইট খুব কম সংখ্যক বিজ্ঞাপন প্রতিদিন প্রদান করে। কিন্তু রেফারেল থাকলে আয় বেশিও হতে পারে।

২. মাইক্রো ফ্রিল্যান্সিং করে উপার্জন কী এবং কেমন কাজ পাওয়া যায়?

ছোট ছোট কাজ করে উপার্জন করাকে মাইক্রো ফ্রিল্যান্সিং বলে। মাইক্রো ফ্রিল্যান্সিং সাইটে প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ দেয়া হয় তা সম্পূর্ণ করলে তারা কিছু পরিমাণ ডলার প্রদান করে। সারা দিনে কাজ করলে ১-৩ ডলার উপার্জন হবে এবং প্রতিদিন সীমিত কাজ পাওয়া যায়।

৩. ইন্টারনেটে ব্যবসা কাকে বলে ও কী কী?

ইন্টারনেটকে কাজে লাগিয়ে আমরা যেসব ব্যবসা করতে পারি সেগুলোই ইন্টারনেটে ব্যবসা। আসুন দেখে নিই ইন্টারনেটে কী কী ব্যবসা করা যায়।

· ব্লগিং

· ইউটিউব

· ডিজিটাল প্রোডাক্ট বিক্রয়

· কোর্স বিক্রয়

· ই-কমার্স

· অ্যাফেলিয়েট মার্কেটিং

৪. ফ্রিল্যান্সিং কী ও কী কী কাজ করা যায়?

ফ্রিল্যান্সিং অর্থ হলো মুক্তপেশা। কোনো কোম্পানি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাময়িক চুক্তি করে তাদের কাজ সম্পূর্ণ করে দেয়াকে ফ্রিল্যন্সিং বলে। আর যে ব্যক্তি কাজ সম্পূর্ণ করে তাকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সার। অর্থাৎ কাজ শেষ তো চুক্তি শেষ। অনেক সময় চুক্তি দীর্ঘস্থায়ীও হয়।

যে সকল কাজ আপনি কম্পিউটার দিয়ে সম্পন্ন করতে পারবেন, সে সকল কাজ করে ফ্রিল্যন্সিং করা যায় এবার দেখা হোক কী কী কাজ বেশি করা হয়।

· ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট

· গ্রাফিক ডিজাইন

· ডিজিটাল মার্কেটিং

· সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

· অ্যান্ড্রয়েড আপস ডেভেলপমেন্ট

· আই ও এস আপস ডেভেলপমেন্ট

· ভিডিও এডিটিং

·  থ্রিডি অ্যান্ড এ্যানিমেশন।

এর মধ্যে যেকোনো একটি কাজে দক্ষ হতে পারলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন।


Faculty Forum / 5 Future Technologies That Will Be Mainstream by 2020
« on: April 30, 2018, 06:16:27 PM »
Tech companies rang in the start of the new year by unveiling some of their ambitious plans for the coming months. Startups and multinational companies alike are beginning to feel the ripple effects of innovation in the industry, with technology becoming more intertwined in everyday lives each year.

As 2018 progresses, here are 5 future technologies you can expect to reach the public in the next couple of years.

1. The Internet of Things

The Internet of Things has long been talked about amongst tech insiders as the next big innovation in home technology. In recent years, IoT has begun carve a niche for itself in everyday life with the growing adoption of systems like Google’s Home and Amazon’s Alexa. These devices will continue to integrate more aspects of the home into one harmonious system by utilizing the internet, allowing a user to control anything from the air conditioning to their security via voice command and a small personal assistant.

2. Automation

While large-scale innovation in automation has traditionally been limited to the production side of society, the technology will have far reaching implications for consumers by 2020. Amazon’s automated grocery store, eliminating the need for cashiers, has been one of the first major tech triumphs of the year.

The store has proven itself successful as an efficient alternative for shoppers in its first location. The current cost of this technology, however, puts it out of the reach of pretty much any other storefront. As the technology continues to develop, consumers can expect that pressure sensors and cameras that automate pay and alleviate long lines in stores will be coming to groceries and pharmacies near you in the next couple of years.

3. Crypto-currency

After Bitcoin’s meteoric price jump in 2017, major tech players have begun to take cryptocurrencies seriously. Along with major Initial Coin Offerings that have hit major news outlets like Etherium, smaller companies are developing Stablecoins that provide attempt to provide all the pros of cryptocurrency transactions without the price fluctuations that have plagued the system.

As these coins begin to work themselves out and exchanges even out the fluctuations in prices, expect these assets to be mainstream methods of payment by 2020.

4. Blockchain

Blockchain, the decentralized ledger that holds together cryptocurrencies, has applications reaching far beyond financial transactions. Companies have applied the technology to everything, from simplifying tracking and access to information in academia to interesting and amusing games that use complex algorithms to create unique experiences.

5. Artificial Intelligence

Artificial intelligence, which once may have seemed like something out of a Sci-Fi novel, is seeing the light and applications of the technology are already being worked on. In particular, with the rise of the Internet of Things, Information Technology and Cybersecurity firms have begun to adopt artificial neural networks in order to monitor and prevent DDoS attacks.

In addition to its security applications, companies like Amazon and Google have begun to apply the technology to regular consumers in order to simplify shopping and searching experiences on the platforms. With all the current progress of AI technology, it is reasonable to expect that by the year 2020 the innovation will be deeply entrenched in both business and consumer activities.


Faculty Sections / A new technology - Teleportation
« on: April 30, 2018, 06:07:53 PM »
Setting a new world record for quantum teleportation, two separate teams of scientists have managed to move small units of information from one place to another over several kilometres of fibre optic cable.

The teams, working in the cities of Calgary in Canada and Hefei in China, used fiber optic networks already in existence to teleport information from one place to another, a feat which, until now, hadn't been achieved outside of a lab.

Quantum teleportation is never going to send humans instantaneously from one place to another – so don't start planning those long haul holidays. What it does offer is an extremely secure method of communication and encryption.


Faculty Sections / Re: সসেজ নাকি নাগেটস
« on: April 30, 2018, 06:03:38 PM »
Good to know.

Faculty Sections / Some Keyboard shortcuts
« on: April 30, 2018, 06:03:05 PM »
মাউস পয়েন্টার নিয়ে সঠিক জায়গায় ক্লিক করে কাজ করতে যা সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে আপনি কীবোর্ডের ব্যবহারে কাজ করতে পারবেন কম্পিউটারে৷ তাই দ্রুত কাজ করার জন্য দেওয়া হলো কী-বোর্ডের  শর্টকাট টিপস৷

    CTRL + C (কপি করুন)
    Ctrl + X (কাট)
    Ctrl + V (পেস্ট)
    CTRL + Z ( আনডু পূর্বাবস্থায় ফিরুন)
    DELETE (ডিলিট)
    Shift + DELETE (রিসাইকেল বিনে আইটেমটি না রেখে স্থায়ীভাবে সিলেক্ট করা আইটেমটি মুছুন)
    Ctrl + Shift (নির্বাচিত আইটেমের একটি শর্টকাট তৈরি করুন)
    F2 চেপে নির্বাচিত আইটেমের রিনেম করুন
    CTRL + Right Arrow (পরবর্তী শব্দের শুরুতে কার্সর সরান)
    CTRL + Left Arrow (পূর্ববর্তী শব্দের শুরুতে সন্নিবেশ বিন্দু সরান)
    CTRL + Down Arrow (পরবর্তী অনুচ্ছেদের শুরুতে কার্সর সরান)
     CTRL + Up Arrow (পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদের শুরুতে সন্নিবেশ বিন্দু সরান)
    তীরচিহ্নগুলোর সঙ্গে Ctrl + Shift (টেক্সট একটি ব্লক শব্দ হাইলাইট হবে)
    Ctrl + A (সম্পূর্ণ সিলেক্ট করুন)
    F3 (একটি ফাইল অথবা ফোল্ডার জন্য অনুসন্ধান করুন)
    ALT + ENTER (নির্বাচিত আইটেমের জন্য বৈশিষ্ট্য দেখুন)
    Alt + F4 (সক্রিয় আইটেমটি বন্ধ, অথবা সক্রিয় প্রোগ্রাম প্রস্থান)
    ALT + ENTER (নির্বাচিত বস্তুর বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন)
    ALT + Spacebar (সক্রিয় উইন্ডোর শর্টকাট মেনু খুলুন)
    ALT + TAB (খোলা আইটেম মধ্যে সুইচ করুন)
    Alt + Esc (যাতে তারা খোলা হয়েছে এ আইটেম মাধ্যমে সাইকেল)
    F6 (একটি উইন্ডোতে বা ডেস্কটপে পর্দা উপাদানের মাধ্যমে সাইকেল)
    F4 (আমার কম্পিউটার বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার এড্রেসবারে তালিকা প্রদর্শন)
    Shift + F10 (নির্বাচিত আইটেমের জন্য শর্টকাট মেনু প্রদর্শন)
    ALT + Spacebar (সক্রিয় উইন্ডোর জন্য সিস্টেম মেনু প্রদর্শন)
    Ctrl + Esc (স্টার্ট মেনু প্রদর্শন)
    ALT + নিম্নরেখাঙ্কিত চিঠি (সংশ্লিষ্ট মেনু প্রদর্শন) একটি খোলা মেনুতে একটি কমান্ডের নাম আন্ডারলাইন চিঠি (অনুরূপ কমান্ড চালনার)
    F10 (সক্রিয় প্রোগ্রামের মেনু বার সক্রিয়)
    ডান তীর (ডান পাশে মেনু খুলুন, বা একটি সাবমেনু ওপেন করুন)
    Left Arrow (বাম পাশে মেনু খুলুন, বা একটি সাবমেনু বন্ধ)
    F5 (সক্রিয় উইন্ডোর আপডেট)
    BACKSPACE (আমার কম্পিউটার বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ফোল্ডার আপ দেখুন)
    Ctrl + Tab (ট্যাব মাধ্যমে অগ্রসর)
    CTRL + Shift + Tab (ট্যাব মাধ্যমে পশ্চাদবর্তী)
    Shift + Tab (বিকল্পগুলোর মাধ্যমে পশ্চাদবর্তী)
    ALT + নিম্নরেখাঙ্কিত চিঠি (অনুরূপ কমান্ড চালনার বা সংশ্লিষ্ট বিকল্প নির্বাচন করুন)
    ENTER (সক্রিয় বিকল্প বা বোতাম জন্য কমান্ড চালনার)
    Spacebar (নির্বাচন করুন অথবা চেক বক্স পরিষ্কার যদি সক্রিয় বিকল্প একটি চেক বক্স থাকে)
    F1 (ডিসপ্লে সাহায্য)
    F4 (সক্রিয় তালিকার মধ্যে আইটেম প্রদর্শন)
    BACKSPACE (কোনো ফোল্ডারে এক স্তর আপ খুলুন যদি কোনো ফোল্ডারে সেভ হিসেবে বা ওপেন ডায়ালগ বক্সে নির্বাচিত করা হয়)
    উইন্ডোজ লোগো (ডিসপ্লে বা স্টার্ট মেনু লুকিয়ে)
    উইন্ডোজ লোগো + BREAK (সিস্টেম প্রোপার্টিজ ডায়ালগ প্রদর্শন)
    উইন্ডোজ লোগো + d (ডেস্কটপ প্রদর্শন)
    উইন্ডোজ লোগো + m (উইন্ডোজের সমস্ত মিনিমাইজ)
    উইন্ডোজ লোগো + Shift + M (Restorethe থাকা উইন্ডোগুলো)
    উইন্ডোজ লোগো + E (ওপেন মাই কম্পিউটার)
    উইন্ডোজ লোগো + F (একটি ফাইল অথবা ফোল্ডারের জন্য অনুসন্ধান করুন)
    CTRL + উইন্ডোজ লোগো + F (কম্পিউটারের জন্য অনুসন্ধান)
    উইন্ডোজ লোগো + F1 (উইন্ডোজ সাহায্য প্রদর্শন)
    উইন্ডোজ লোগো + L (কীবোর্ড লক)
    উইন্ডোজ লোগো + R (রান ডায়ালগ বক্স খুলুন)
    উইন্ডোজ লোগো + U (ওপেন ইউটিলিটি ম্যানেজার)
    বাম Alt + বাম Shift + Print Screen (উচ্চ বৈশাদৃশ্য সুইচ চালু বা বন্ধ হয়)
    বাম Alt + বাম SHIFT + NUM লক (MouseKeys সুইচ অন বা বন্ধ)
    SHIFT পাঁচবার (StickyKeys সুইচ অন বা বন্ধ)
    NUM Lock (ToggleKeys সুইচ অন বা বন্ধ)
    উইন্ডোজ লোগো + U (ওপেন ইউটিলিটি ম্যানেজার)
    উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার কীবোর্ড শর্টকাট
    END (সক্রিয় উইন্ডোর নিচে প্রদর্শন)
    হোম (সক্রিয় উইন্ডোর উপরে প্রদর্শন)
    NUM LOCK + তারকা চিহ্ন (*) (সাবফোল্ডার নির্বাচিত ফোল্ডারের অধীনে সব প্রদর্শন)
    NUM LOCK + প্লাস চিহ্নে (+) (নির্বাচিত ফোল্ডারের বিষয়বস্তু প্রদর্শন)
    Shift + F10 (নির্বাচিত আইটেমের জন্য অ্যাকশন শর্টকাট মেনু প্রদর্শন)
    এফ 1 কী (সাহায্য বিষয়ে খুলুন, যদি থাকে, নির্বাচিত আইটেমের জন্য)
    F5 (সব কনসোল উইন্ডো বিষয়বস্তু আপডেট করুন)
    CTRL + F10 (সক্রিয় কনসোল উইন্ডো ম্যাক্সিমাইজ)
    CTRL + F5 (সক্রিয় কনসোল উইন্ডো রিস্টোর)
    ALT + ENTER (Properties ডায়ালগ, যদি থাকে, the selected আইটেমের জন্য প্রদর্শন)
    F2 (নির্বাচিত আইটেমের রিনেম)
    Ctrl + F4 (সক্রিয় কনসোল উইন্ডো বন্ধ করুন। কনসোল শুধুমাত্র এক কনসোল উইন্ডো আছে যখন, এই শর্টকাট কনসোল বন্ধ)
    CTRL + ALT + End (মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এনটি সিকিউরিটি ডায়ালগ বক্স খুলুন)
    Alt + Page Up (প্রোগ্রামের মধ্যে সুইচ বাম থেকে ডানে)
    ALT + Page Down (বাম ডান থেকে প্রোগ্রামের মধ্যে সুইচ)
    ALT + ঢোকান (অধিকাংশ সম্প্রতি ব্যবহৃত অনুক্রমে প্রোগ্রামের মাধ্যমে সাইকেল)
    ALT + হোম (স্টার্ট মেনু প্রদর্শন)
    CTRL + ALT + BREAK (একটি উইন্ডো এবং একটি পূর্ণ পর্দার মধ্যে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার সুইচ)
    ALT + DELETE (উইন্ডোজ মেনু প্রদর্শন)
    CTRL + ALT + মাইনাস চিহ্ন (-) (টার্মিনাল সার্ভার ক্লিপবোর্ডে ক্লায়েন্ট সক্রিয় উইন্ডোর একটি স্ন্যাপশট রাখুন এবং একটি স্থানীয় কম্পিউটার Print Screen টিপে হিসাবে একই কার্যকারিতা প্রদান)
    Ctrl + B (সংগঠিত ফেভারিটসগুলো ডায়ালগ বক্স খুলুন)
    CTRL + E (সার্চবার খোলা)
    CTRL + এফ (খুঁজুন ইউটিলিটি শুরু)
    Ctrl + H (হিস্ট্রিবার খোলা)
    CTRL + L (ওপেন ডায়ালগ বক্স খুলুন)
    Ctrl + N (একই ওয়েব ঠিকানা দিয়ে ব্রাউজার আরও একটি শুরু)
     Ctrl + O (ওপেন ডায়ালগ বক্স, যেমন জন্য CTRL + L একই খুলুন)
     CTRL + P (প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স খুলুন)
     Ctrl + R (বর্তমান ওয়েব আপডেট করুন)


Good to know about that.. Thanks for sharing.

Faculty Sections / Income status of the world famous institutes
« on: April 30, 2018, 06:00:22 PM »
জেনে নিন বিশ্বসেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়

বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম স্থানে অবস্থান করছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল।

বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম স্থানে অবস্থান করছে জনপ্রিয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। প্রতিবছর গড়ে ৮০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য বিক্রি করে মার্কিন টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি।অ্যাপলের মূল উপার্জনের ৬৩ শতাংশ আসে আইফোন থেকে, ১০ শতাংশ আসে আইপ্যাড থেকে, ১১ শতাংশ আসে মেক থেকে, আরও ১১ শতাংশ আসে এর বিভিন্ন সার্ভিস যেমন আই টিউনস, আই ক্লাউডসহ অন্যান্য সার্ভিস থেকে। এ ছাড়া ৫ শতাংশ উপার্জন হয়ে থাকে বিভিন্ন পণ্য যেমন আইপড, ইয়ারপড ইত্যাদি থেকে।

বিশ্বের সেরা পাঁচটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় তুলে ধরা হলো।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর গড়ে ৬৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার উপার্জন করে থাকে। গুগলের মূল উপার্জনের ৮৮ শতাংশই আসে ইউটিউব ও গুগল অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, ১১ শতাংশ অর্থ আসে গুগল প্লে-স্টোর ও গুগল পিক্সেল ফোন থেকে ও ১ শতাংশ আসে বিভিন্ন পার্টনার প্রোগ্রাম থেকে।

বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় তৃতীয় বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক আয় ৫৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মাইক্রোসফটের আয়ের মূল উৎসের ২৮ শতাংশ আছে এমএস অফিস থেকে, ২২ শতাংশ উপার্জন হয় মাইক্রোসফট সার্ভার থেকে, ১১ শতাংশ এক্স বাক্স থেকে, ৯ শতাংশ  উইন্ডোজ থেকে, ৭ শতাংশ আসে মাইক্রোসফটের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ‘বিং’ থেকে, ৫ শতাংশ আসে মাইক্রোসফট সার্ফেস থেকে এবং বাকি ১৮ শতাংশ উপার্জিত হয় বিভিন্ন পার্টনার ও অন্যান্য মাধ্যম থেকে।

বিশ্বের চতুর্থ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হলো পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বড় অনলাইন ওয়েবসাইট অ্যামাজন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবছরের উপার্জন ৫৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমাজানের আয়ের ৭২ শতাংশই হচ্ছে আমাজানের অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট এবং ১৮ শতাংশ উপার্জন হয়ে থাকে অ্যামাজনের মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম থেকে। এ ছাড়া ৯ শতাংশ আসে ওয়েব সার্ভিসেস থেকে ও অন্যান্য দিক থেকে ১ শতাংশ আয় হয়।

তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবছর আয় হয় ৪৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফেসবুকের ৯৭ শতাংশ উপার্জন হয়ে থাকে ফেসবুক অ্যাভারটাইজমেন্ট থেকে এবং বাকি ৩ শতাংশ উপার্জন হয় অন্যান্য মাধ্যম থেকে।


Faculty Sections / Google will find new job!
« on: April 30, 2018, 05:54:59 PM »
গুগল আপনাকে খুঁজে দেবে নতুন চাকরি

যারা নতুন চাকরি খুঁজছেন তাদের জন্য গুগল নিয়ে এলো নতুন টুল। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে উন্মোচিত হওয়া ‘গুগল ফর জবস’-এর উপর ভিত্তি করে নতুন এই টুল নিয়ে এসেছে গুগল।

এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই পেয়ে যাবেন নিজের পছন্দের চাকরি। মোবাইল ভার্সনে গুগল অ্যাপ ও ডেক্সটপ ভার্সনে গুগল সার্চের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে এই নতুন টুল। দেশের সেরা জব পোর্টালগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া করে এই টুল ভারত, চীনসহ অন্যান্য দেশে উন্মোচন করেছে গুগুল। বাংলাদেশেও আসবে বলেও জানা গেছে।

নতুন এই ফিচারটি ব্যবহার করার জন্য আপনাকে গুগল গিয়ে লিখতে হবে ‘জবস নিয়ার মি’ অথবা ‘জবস ফর ফ্রেশার্স’ সার্চ করলেই দেখতে পাবেন চলে এসেছে জবস পোর্টাল ওবসাইটের লিস্ট এবং পছন্দমতো ফিল্টার ব্যবহার করে পেয়ে যাবেন পছন্দের চাকরি।

তা ছাড়াও এই টুলের আরেকটি অসাধারণ ফিচার রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার চাকরির পছন্দের লিস্টগুলো বুকমার্ক করে রাখতে পারবেন এবং আরেকটি অসাধারণ ফিচার হচ্ছে এর মধ্যে আপনি জব প্রোফাইল, টাইটেল, লোকেশন, কোম্পানি টাইপ বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এই ফিলটারগুলোকে ব্যবহার করে পছন্দের চাকরির আবেদন করে রাখতে পারবেন,যখন চাকরিটি প্রযোজ্য হবে সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে অবগত করা হবে।

যদিও আপনি গুগলের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চাকরির জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারবেন না। গুগল সার্চ থেকে আপনাকে পাঠিয়ে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট জব লিস্টিং ওয়েবসাইটে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে বারবার সার্চ করা থেকে গুগলের নতুন এই সার্চ টুল নিশ্চয়ই কাজে আসবে নতুন কাজের সন্ধানে থাকা ব্যক্তিদের। এ ছাড়াও খুব শিগগিরই সরকারি চাকরির খবরও পাওয়া যাবে গুগল সার্চের মাধ্যমে।


Pages: [1] 2 3 ... 13