Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - 750000045

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 10
49
It also needs to be prohibited in our country.

50
Faculty Sections / Re: THE ROLE OF THE TEACHER
« on: March 03, 2018, 09:49:02 AM »
thanks

51
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুর ও জাপানের। ২০১৮ সালের এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম।

বিশ্বের সব দেশের পাসপোর্ট নিয়ে এ তুলনামূলক রিপোর্টটি প্রকাশ করে বহুজাতিক ল ফার্ম হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স। তালিকায় ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারার সুবিধার উপর ভিত্তি করে হালনাগাদ করা হয়।

২০১৭ সালের হালনাগাদে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট ছিল জার্মানির। কিন্তু এ বছর জার্মানিকে পেছনে ফেলে শীর্ষ স্থান দখল করেছে সিঙ্গাপুর ও জাপানের পাসপোর্ট। এ দু’টি দেশের পাসপোর্ট দেখিয়ে বিনা ভিসায় বিশ্বের ১৮০টি দেশ ভ্রমণ করা যায়।

জার্মানি রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। জার্মানির পাসপোর্ট নিয়ে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করা যাবে ১৭৯টি দেশে। ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও দক্ষিণ কোরিয়া একত্রে অবস্থান করছে তৃতীয়তে। এসব দেশের পাসপোর্ট নিয়ে বিনা ভিসায় ১৭৮টি দেশ ঘুরে আসা যাবে।

সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। বাংলাদেশি পাসপোর্টে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করা যায় ৩৮টি দেশ। একই অবস্থানে রয়েছে লেবানন, ইরান ও কসোভো। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে উত্তর কোরিয়া (৯৫তম) ও মিয়ানমার (৯৪তম)।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে মালদ্বীপ (৫৯তম)। এরপর রয়েছে ভারত (৮১তম), ভুটান (৮৫তম), শ্রীলংকা (৯৪তম), নেপাল (৯৯তম) ও পাকিস্তান (১০২তম)।

তালিকায় সবচেয়ে নিচে অবস্থানকারী দেশটি আফগানিস্তান। দেশটির অবস্থান ১০৫, পয়েন্ট ২৪।

তালিকায় প্রথম দশের মধ্যে অবস্থানকারী বেশিরভাগই ইউরোপের পাসপোর্ট। যুক্তরাজ্য রয়েছে চতুর্থ ও যুক্তরাষ্ট্র পঞ্চম অবস্থানে।

হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের তালিকার প্রথম ১৫টি দেশের নাম ও পয়েন্ট নিচে দেওয়া হলো:

১. সিঙ্গাপুর, জাপান – ১৮০ পয়েন্ট
২. জার্মানি – ১৭৯ পয়েন্ট
৩. ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, দক্ষিণ কোরিয়া – ১৭৮ পয়েন্ট
৪. পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস – ১৭৭ পয়েন্ট
৫. কানাডা, সুইটজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র – ১৭৬ পয়েন্ট
৬. অস্ট্রেলিয়া, গ্রিস, বেলজিয়াম – ১৭৪ পয়েন্ট
৭. মাল্টা, নিউজিল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র – ১৭৩ পয়েন্ট
৮. আইসল্যান্ড – ১৭২ পয়েন্ট
৯.হাঙ্গেরি – ১৭১ পয়েন্ট
১০. লাতভিয়া – ১৭০ পয়েন্ট
১১. লিচেনস্টেইন, মালয়েশিয়া – ১৬৯ পয়েন্ট
১২. স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া – ১৬৭ পয়েন্ট
১৩. পোল্যান্ড, লিথুনিয়া – ১৬৬ পয়েন্ট
১৪. মোনাকো, এস্তোনিয়া – ১৬৫ পয়েন্ট
১৫. সাইপ্রাস - ১৬৩ পয়েন্ট

54
thanks for the informative post

55
অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যা শারীরিক কারণে শুরু হলেও ক্রমশ তা মানসিক দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে। কম বয়সে চুল পেকে যাওয়াকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলে, প্রিম্যাচিওর ক্যান্যাইটিস।

আধুনিক লাইফস্টাইলের পাশাপাশি এ সমস্যার কারণ কিন্তু অনেকটাই জিনগত। স্ট্রেসের ফলে শরীরে আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিডের অভাব হতে পারে। যার থেকে চুলে অকালপক্কতা দেখা যেতে পারে। লিভারের ধারাবাহিক সমস্যা থাকলেও কম বয়সে চুল পেকে যায়। তাই সে ক্ষেত্রে লিভারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাও জরুরি। এই সমস্যা পুরোপুরি জিনগত নয়। ২০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, উত্তরাধিকার সূত্রে লিউকোডার্মার সমস্যা হতে পারে। তাই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

পাকা চুল তুলে ফেললে পাকা চুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, এটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। যদি সামান্য কয়েকটা চুল সাদা হয়ে থাকে, তবে সেগুলো তোলার বদলে রুট থেকে কেটে ফেলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

চুল রং করতে হেনা-মেহেন্দির মতো ন্যাচারাল প্রডাক্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ কেমিক্যাল প্রডাক্টে অনেক ক্ষেত্রে অ্যালার্জির ভয় থাকে।

ভিটামিনের অভাব দূরীকরণের জন্য ছয় মাস বা এক বছরের কোর্স করা যেতে পারে। এ ছাড়া রোজকার ডায়েটে সবুজ শাকপাতা বা টাটকা ফল থাকা ভীষণভাবে জরুরি।

যে সমস্যার ওপর আপনার হাত নেই, তা নিয়ে ভেবে ভেবে চুল আরও সাদা করে ফেলার কোনও প্রয়োজন নেই। তবে আপনি যা করতে পারেন, তা হলো খাদ্যাভাসে বদল ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। আর চুল রং করা এখন ফ্যাশন। সমস্যার জন্য হোক বা মনের খুশিতে হোক, চুল রাঙিয়ে নেওয়ার সুযোগ তো সব সময়ই রয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রেও কী প্রডাক্ট ব্যবহার করছেন, তা নিয়ে অবশ্যই সতর্ক হবেন।
 

56
অ্যালোভেরাকে বলা হয় জাদুকরি উদ্ভিদ । রোদে পোড়া ত্বকের সমস্যা সমাধান থেকে শুরু করে খুশকি দূর করাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে অ্যালোভেরা উপকারী। অ্যালোভেরার এমনই কিছু গুণের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল ও ঔষধি গুণ। এর মধ্যেকার বিশেষ উপাদান পলিফেনল যা বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২. রোদে পোড়া ভাব, বর্ণের সমস্যা কমাতে অ্যালোভেরা দ্রুত কাজ করে। এ ধরনের সমস্যায় অ্যালোভেরা জেল কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

৩. অ্যালোভেরা বলিরেখা কমায়। অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে তারুণ্য ধরে রাখার উপাদান। ৩০ দিন টানা অ্যালোভেরা জেল মাখা মুখ নরম করে এবং কোলাজেন বাড়ায়।

৪. এটি খুশকি ও স্ক্যাল্পের প্রদাহ কমাতে কাজ করে। অ্যালোভেরা জেলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। এটি স্ক্যাল্পকে আর্দ্র করে, প্রদাহ ও খুশকি কমায়।

 


58
শিক্ষকদের জন্য আরো নতুন ১০টি আইন প্রণয়নের জন্য খসড়া প্রকাশ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। খসড়া আইনের বিষয়ে মতামত নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মতামত চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে সর্বশেষ গত বছরের অক্টোবরে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রকাশ করে মতামত আহ্বান করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিছু বিষয় নিয়ে সমালোচনা, নানা প্রস্তাব বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবার নতুন করে খসড়া প্রণয়ন করেছে।

যেসব ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দণ্ড ও জরিমানা গুনতে হবে-

১. ইংরেজী মাধ্যমসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বেতন ও অন্যান্য ফি সরকারের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারণ করা যাবে না। আইন লঙ্ঘন করলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা এক বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে আইনে। ইংরেজী মাধ্যমের প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলা ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয় পড়ানো হবে বাধ্যতামূলক।

২. আইন অনুযায়ী প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকে কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজী মাধ্যম ও এবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের এ বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জরিমানা বা ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

৩. মাধ্যমিক স্তরে সাধারণ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও ইংরেজী মাধ্যম বা বিদেশী কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশী কোন শাখাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন নিতে হবে। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলেও সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা বা ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

৪. জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচী প্রণয়ন করবে। এনসিটিবির অনুমোদন ছাড়া এসব স্তরে শিক্ষাক্রমে অতিরিক্ত কোন বিষয় বা বই অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। কেউ অতিরিক্ত বই অন্তর্ভুক্ত করলে জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

৫. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালী সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির পরিপন্থী ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কার্যক্রম অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্যও জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

৬. সরকার প্রাইভেট টিউশন ও কোচিং বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই ধারা লঙ্ঘন করলে তিনি অনধিক দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা ছয় মাসের জেল বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৭. শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তির বিষয়ে বলা আছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালীন মানসিক বা শারীরিক শাস্তি দেয়া যাবে না। এটি লঙ্ঘন করলে শিক্ষক অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা তিন মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৮. প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে নির্ধারিত পাঠ্যবই না পড়িয়ে বাইরের বই পড়ালে দুই লাখ টাকা জরিমানা বা ছয় মাসের জেল বা উভয় দণ্ড রাখা হয়েছে খসড়ায়।

৯. কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার জন্য অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা পাঁচ বছর জেল বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

১০. অনুমতি ছাড়া বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় চালালে বা শাখা ক্যাম্পাস, স্ট্যাডি সেন্টার বা টিউটোরিয়াল কেন্দ্র স্থাপন করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড ভোগ করতে হবে।

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 10