Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - nafees_research

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 20
31
গবেষণা নিয়ে ৫ প্রশ্ন

আমাদের দেশের বহু তরুণ এখন দেশ-বিদেশে গবেষণা করছেন। নামী জার্নালেও প্রকাশিত হয়েছে অনেকের গবেষণাপ্রবন্ধ। গবেষণায় আগ্রহ আছে অনেকের। কিন্তু নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় শিক্ষার্থীদের মনে। এমনই পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর থাকছে এবারের মূল রচনায়।

গবেষণা নিয়ে ৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ৫ জন বাংলাদেশি গবেষক।

১. রাগিব হাসান
সহযোগী অধ্যাপক, কম্পিউটারবিজ্ঞান বিভাগ, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামা অ্যাট বার্মিংহাম
গবেষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে স্নাতকে যাঁরা গবেষণা করছেন, গবেষণাপত্র প্রকাশ করছেন, তাঁদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অনেক বেশি। বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, পোস্টার উপস্থাপনকে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নামীদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার অভিজ্ঞতা বিদেশে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে দেয়। দেশে গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ক্ষেত্রে অনুদান, ফেলোশিপ, অ্যাসিস্ট্যান্সি, বৃত্তির মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ থাকে।

গবেষণা শুধু উচ্চশিক্ষার সুযোগকে বিস্তৃত করে না, ভবিষ্যতের কর্মবাজারেও দারুণ কার্যকর। যে বিষয়ে গবেষণা করছেন, সে বিষয় নিয়ে কাজ করা কোনো না কোনো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আপনার কর্মস্থল হতে পারে। গবেষণারত অবস্থায় অনেক প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে কাজের সুযোগ পান গবেষকেরা। গবেষণাকালীন সময়ে বিভিন্ন দেশে পেপার উপস্থাপন ও কনফারেন্সে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে।

যাঁরা ভবিষ্যতে শুধু শিক্ষক বা গবেষক হতে চান, তাঁদের জন্যই শুধু গবেষণা নয়, গবেষণা আসলে উচ্চশিক্ষার একটি অংশ। স্নাতক-স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গবেষণায় আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশি জোর দেওয়া প্রয়োজন।

২. সাইফুল ইসলাম
পিএইচডি গবেষক, কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া
গবেষণার কাজ কোন সময়ে শুরু করা উচিত?

আমাদের দেশে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই স্নাতক পর্যায়ে গবেষণার দিকে তেমন মনোযোগী নন। কিন্তু গবেষণা নিয়ে ভাবনা আসলে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকেই করা উচিত। যে বিষয়েই পড়ুন না কেন, প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই ভবিষ্যতে কোন বিষয়ে গবেষণা করতে চান, তা খুঁজতে থাকুন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ গবেষণার মনন বিকাশের দারুণ সময়। হুট করে তো একদিন গবেষক হয়ে ওঠা যায় না, তাই এই সময়কে গোছানোর জন্য কাজে লাগানো প্রয়োজন। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অনেকে তাড়াহুড়া করে গবেষণা শুরু করেন। তখন একটু বেশি চাপ হয়ে যায়। যত আগে শুরু করা যায়, যত আগে গবেষণার কৌশল সম্পর্কে শেখা যায়, আর্টিকেল লেখার চর্চা করা যায়, ততই নিজেকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে। বিভিন্ন জার্নাল পেপারে আর্টিকেল জমা দেওয়ার নিয়ম জানতে হবে। বিভিন্ন সেমিনার ও সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোন কোন ক্ষেত্রে নিজেকে গবেষক হিসেবে তৈরি করবেন, তা জানার সুযোগ আছে। যে বিষয়ে গবেষণা করতে চান, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইমেইলে যোগাযোগের চেষ্টা করতে পারেন। গবেষক হিসেবে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাও জরুরি।

৩. শরিফা সুলতানা
পিএইচডি ইন ইনফরমেশন সায়েন্স, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র
কীভাবে বেছে নেব গবেষণার বিষয়?

গবেষণার দুনিয়া অনেক বড়, উন্মুক্ত। নানা বিষয়ে গবেষণার সুযোগ আছে। যাঁরা গবেষণার অ আ ক খ মোটামুটি জানেন, তাঁদের জন্য পুরো প্রক্রিয়া বোঝা সহজ। যে বিষয়ে পড়ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে, তা নিয়ে যেমন গবেষণার সুযোগ আছে, তেমনি নিত্যনতুন অসংখ্য বিষয় আছে। আমি যেমন মানুষ ও কম্পিউটারে মিথস্ক্রিয়া ও ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসের মতো বিষয় নিয়ে গবেষণা করছি। নিজের বিষয়ের বাইরেও আমাকে জানতে হচ্ছে, শিখতে হচ্ছে। প্রকৌশলের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও কবিরাজি চিকিৎসা নিয়ে আমার একটি গবেষণাপত্র ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয়।

গবেষণার ক্ষেত্রে আসলে নিজের পছন্দের বিষয়কে যেমন গুরুত্ব দিতে হয়, তেমনি যে বিষয় নিয়ে কাজের সুযোগ আছে, তা ভাবা জরুরি। প্রকৌশল কিংবা জীববিজ্ঞানের কোনো বিষয়ে পড়েও সামাজিক বিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো গবেষণাপত্র তৈরি করতে পারেন। স্নাতকে যে বিষয়ে পড়ছেন, বা যে কোর্সে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তা নিয়েই শুরু করুন। ধীরে ধীরে জানার দুনিয়া বড় করতে হবে, গবেষণাকে বিস্তৃত করতে হবে। গবেষণায় তাত্ত্বিক পড়াশোনার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিভিন্ন গবেষণা কৌশল, তথ্য বিশ্লেষণ, তথ্য সংগ্রহের মতো বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে। ধীরে ধীরে আপনার গবেষণার বিষয় ও আগ্রহ সম্পর্কে জেনে যাবেন।

৪. আলিয়া নাহিদ
প্রধান, ইনিশিয়েটিভ ফর নন কমিউনিকেবল ডিজিজেস, আইসিডিডিআরবি ও ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ
একজন গবেষকের মধ্যে কী কী দক্ষতা বা গুণ থাকা উচিত?

আগ্রহ আর ধৈর্যশক্তির জোরে যেকোনো শিক্ষার্থীই গবেষক হয়ে উঠতে পারেন। বুদ্ধিমত্তা ও কৌতূহল গবেষক হওয়ার জন্য ভীষণ জরুরি। অন্যদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ, নেতৃত্বদান, অন্য গবেষকের অধীনে কিংবা দলের সঙ্গে কাজ করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে। নিজেকে যেমন বুঝতে হবে, তেমনি নিজের যোগ্যতাকে বিকাশে সময় দিতে হবে। তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের সক্ষমতা থাকতে হবে।

গবেষণায় শেষ বলে কিছু নেই, তাই সব সময় পর্যবেক্ষণ মনোভাবে থাকতে হবে। অনুসন্ধিৎসু হতে হবে।

গবেষকদের আরেকটি গুণ থাকা ভীষণ জরুরি—তা হচ্ছে সততা ও নৈতিকতা। মানসিকভাবে সৎ ও নৈতিক হওয়া প্রত্যেক গবেষকের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কাজের ক্ষেত্রেও নৈতিক থাকতে হবে। গবেষক হিসেবে গবেষণা নিয়ে অনেক সমালোচনা কিংবা নেতিবাচক ফল আসতে পারে, তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।

শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞ পেশাজীবীদের সঙ্গে গবেষণার সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। বর্তমান সময়ে গবেষণার ক্ষেত্রে যেসব টুলস বা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, যেমন এসপিএসএস, ম্যাটল্যাব—এগুলোর ব্যবহার শিখতে হবে।

৫. নিগার সুলতানা
পিএইচডি, ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা
গবেষণার মাঝপথে এসে থমকে গেলে কী করব?

গবেষণা অনেক সময়ের বিষয়। হুট করে শুরু করা যায় না। তবে বাস্তবতার কারণে গবেষণায় বাধা আসতেই পারে, থেমে যেতে হতে পারে। গবেষণায় হয়তো ফান্ড কমে গেল কিংবা বন্ধ হয়ে গেল। হয়তো গবেষণা করছেন, কিন্তু ফল পাচ্ছেন না। গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক, সহগবেষকদের সঙ্গে অনেক বিষয়ে তর্ক ও বিতর্কের অবকাশ থাকে।

একজন গবেষককে সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকতে হবে। প্রয়োজনে সুপারভাইজার ও অন্যান্য গবেষকদের সহায়তা নিতে হবে। গবেষণা আসলে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা। কাজটাকে ছোট ছোট ভাগ করে নিতে হবে। অনেকেই গবেষণা শুরুর পরে হাল ছেড়ে দেন। তরুণ গবেষকদের মধ্যে এই প্রবণতা খুব বেশি। প্রয়োজনে শিক্ষক ও মনোবিদদের পরামর্শ নিতে হবে।

গবেষক হিসেবে আপনার জীবনের চাপ অন্যরা গুরুত্ব না–ও দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। প্রয়োজনে একটু বিরতির পর আবার জেদ নিয়ে ফিরে আসুন। কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা তরুণ গবেষকদের সাধারণ সংকট বলা যায়। এ ক্ষেত্রে জীবনের অন্যান্য বিষয় আর শখকেও গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণাকাজ ও জীবনের মধ্যে ‘সামঞ্জস্য’ এনে নিজেকে উজ্জীবিত করতে হবে।

Source: https://www.prothomalo.com/education/article/1633959/?fbclid=IwAR1dX2EiGJELprngy2RRRGBld-9wRkRwuq-5mCUJy--VT5--3WuGIrS8AxE

32
‘বাতাস থেকে’ উৎপাদিত ‘সোলিন’ বদলে দেবে খাদ্য উৎপাদনের ভবিষ্যৎ

‘বাতাস থেকে’ আমিষ জাতীয় খাদ্য তৈরি করেছেন ফিনল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী। তারা দাবি করছেন, এই খাবার পুষ্টিগুণ ও উৎপাদন খরচের দিক দিয়ে এক দশকের মধ্যে সয়াবিনের প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারবে। আর এই খাবার উৎপাদনে সৌরবিদ্যুৎ বা বায়ুকলের মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা গেলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনও প্রায় শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা যাবে বলে দাবি করেছেন তারা।

বলা হচ্ছে, এই বিজ্ঞানীদের পরিকল্পনা মতো বাণিজ্যিক উদ্যোগ সম্ভব হলে কৃষির কারণে পরিবেশ বা প্রকৃতিতে বর্তমানে যেসব প্রভাব পড়ছে তা অনেকখানি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

বাতাস থেকে আমিষ উৎপাদনের কৌশল সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা বলছেন, তড়িৎ সংশ্লেষণের মাধ্যমে পানি থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস আলাদা করা হয়। তারপর সেই হাইড্রোজেন, বাতাস থেকে নেয়া কার্বন ডাই অক্সাইড ও খনিজ পদার্থ দিয়ে মাটিতে পাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়ার কালচার করা হয়। এই ব্যাকটেরিয়ায় কাঙ্ক্ষিত আমিষ তৈরি করে।

বিজ্ঞানীরা এই খাবারের নাম দিয়েছেন ‘সোলিন’। এটি একটি স্বাদহীন আটা। গবেষকরা বলছেন, তারা মূলত এমনটাই (স্বাদহীন) চাচ্ছিলেন। এই আমিষ সরাসরি খাওয়ার জন্য নয় বরং এতে প্রয়োজন মতো রঙ ও স্বাদ যুক্ত করা যাবে। এটি ব্যবহার করা যাবে পাস্তা, আইসক্রিম, বিস্কুট, নুডুলস, সসেজ বা রুটিতে। এমনকি কৃত্রিম মাংস বা মাছ তৈরির মিডিয়াম হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে সোলিন।

ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি শহরের বাইরে সোলিন উৎপাদনের কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন এই বিজ্ঞানীরা। এটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাসি ভাইনিক্কা। তিনি পড়াশোনা করেছেন যুক্তরাজ্যের ক্র্যানফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে; বর্তমানে ফিনল্যান্ডের ল্যাপপিনরান্টা ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন।

ভাইনিক্কা বলেন, এমন খাবার উৎপাদন প্রযুক্তির ধারণা প্রথম এসেছে ঊনিশ শতকের ষাটের দশকে। মূলত মহাকাশে এমন প্রযুক্তিতে খাবার তৈরির ধারণা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। তবে তিনি এটাও স্বীকার করছেন যে, তারা এখনো বেশ পিছিয়ে আছেন। তিনি আশা করছেন, আগামী দুইএক বছরের মধ্যে তাদের গবেষণা সম্পন্ন হবে। এরপর তারা বাণিজ্যিকভিত্তিতে উৎপাদনে পথে হাঁটবেন। এই প্রকল্পের জন্য এরই মধ্যে ৫৫ লাখ ইউরো বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন।

এই গবেষক বলছেন, সব ঠিকঠাক থাকলে ২০২৫ সাল নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে এই খাদ্য উৎপাদন শুরু করবেন তারা। তবে সারাবিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো উৎপাদনে যেতে আরো অনেক বছর লেগে যাবে। আর তাদের এই প্রকল্প যদি ব্যর্থ-ও হয়; তবুও কৃত্রিম খাবার তৈরির প্রচেষ্টায় এটি একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলেই মনে করেন তারা।

সূত্র: বিবিসি
News link: https://bonikbarta.net/home/news_description/216854/%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E2%80%99-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4?fbclid=IwAR0Jl2oLzffyghNp0aUWf_fXlYyGLHIsCXnLuOXQZHczPxAiKP_0KZOBUgc

33
ফেসবুকে নতুন ৪ প্রাইভেসি ফিচার

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন থাকেন। অনেক ব্যবহারকারী জানতে চান, তাদের অ্যাকাউন্টে কারা আনাগোনা করছে? কিংবা তাদের ব্যক্তিগত তথ্য জানতে কাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি? এবার ব্যবহারকারীদের এমন বিভিন্ন জিজ্ঞাসার জবাব জানাবে ফেসবুক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় নতুন করে চারটি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এসব নতুন ফিচার ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আরো জোরদার করবে ও তথ্য বেহাত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেসবুক সেটিংয়ের প্রাইভেসি চেকাআপের ‘হু ক্যান সি হোয়াট ইউ শেয়ার’ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের প্রোফাইলের ব্যক্তিগত তথ্য অপশনে যেসব অ্যাকাউন্ট আনাগোনা করে, সেগুলো সম্পর্কে তথ্য পাবেন। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর, ই-মেইল আইডি জানার চেষ্টা করা হবে, সেসব অ্যাকাউন্টের তথ্য পাবেন ব্যবহারকারী।

‘হাউ টু কিপ ইউর অ্যাকাউন্ট সিকিউর’ ফিচারটি পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করবে ও লগইন অ্যালার্ট দেখাবে। ‘হাউ পিপল ক্যান ফাইন্ড ইউ’ নিরাপত্তা ফিচারটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর পোস্ট কারা দেখতে পাবেন এবং কারা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারবেন, তা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা যাবে।

অন্যদিকে ‘ইউর ডাটা সেটিংস অন ফেসবুক উইল লেট ইউ রিভিউ দি ইনফরমেশন ইউ শেয়ার উইথ অ্যাপস’ ফিচারটি বিভিন্ন অ্যাপে ব্যবহারকারীর তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজে দেবে।

Source: https://bonikbarta.net/home/news_description/216755/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A7%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0

34
The Future of Higher Education in Bangladesh


Md Sabur Khan
Chairman, Daffodil International University


The main problem with the existing skills gap is our outdated education system. There is no analysis done by universities, government or research bodies in identifying the kind of skills needed in accordance to the market demand. Masters in Cyber Security, Social Security, Social Business, Digital Marketing, Agro-Business, Entrepreneurship, are all important for Bangladesh currently. An entrepreneurial mindset is required to seize the right opportunities. Change can be brought about if proper governance is in place when dealing with affiliated bodies. Most research analysis is done by private organisations, but it is the duty of the government to make the general public aware about issues concerning skills gap in the country. The government should also allocate the number of job recruitments for each sector.

One of our biggest battles that we fight as the representatives of universities is keeping the level of unemployment of our students as low as possible. We take full responsibility for this situation and work directly with the unemployed students to identify what needs to be done.

We award three credits to students who can launch an innovative product into the market. The students should focus on gaining knowledge and skills that will aid them in their future careers. The lack of endorsement by the government restricts students from having enough faith to try out something new. We are trying our best to endorse our subjects to the private, public and other sectors, in an attempt to reduce the number of unemployed students.

We are forming a student congress consisting of 2,500 students where the unemployed students will be given a chance to provide an explanation for their unemployment. I believe there is a lack of soft skills among the individuals. Current and past students interested in learning soft skills will be recommended by our university to other places with waivers to gain training. We have also introduced other development programmes such as EDF (Entrepreneurship Development Fund), which will facilitate a no interest loan of 10,000 to 200,000 taka for student entrepreneurs. We have also organised an innovation lab which contains a maker space for the entrepreneurs to make products and sell them at any price. The lab has 3D printers, CLC cutting machines, RMD, animation and design facilities, and test labs. We also host a monthly programme called startup market where we encourage students to sell their products.

Professor Atique Islam
Vice Chancellor, North South University


North South University is continuously working on developing employability skills for our students with a dedicated Career Placement Center (CPC). Here, our students are engaged in rigorous workshops and skill-building seminars to help equip them with the current demands of relevant industries and to meet the expected benchmark for fresh graduates. This improves the rate of placement, as we have gained the trust of our employers globally, and are consequently helping our graduates to secure a job right after graduation. CPC arranges internships and job placement opportunities, career counselling, job training, and works for professional development. An employer survey report is also generated every year, helping us further our mission to place our alumni around the world. The recently held National Career Fair, where over 130 companies from around the world participated, was a successful step toward enabling our graduates to connect with various industries, showcase their potential, and prepare themselves to embark on their professional career.

Setting the benchmark also has its fair share of challenges, such as recruitment of quality faculty members who have PhDs. To counter this obstacle, we only invite foreign degree holders from internationally accredited and reputed institutions, preferably in the related discipline.

The most recent update from UGC is that they will only approve one course per programme in a year. As a result, the current policy can limit institutions from evolving, which can work as an impediment to an institution’s adaptability to the demands of the industry. Under such bottlenecks, it is not easy to launch a new course. We would like to request UGC to take some initiatives to expedite the overall approval process. But we are also fully aware of the limitations UGC has in terms of personnel.

To foster entrepreneurship, we have launched a support platform named ‘Startup Incubator’ within the campus to enhance its co-operation to help entrepreneurs to the highest level possible. It aims to provide advisory support, high-quality mentoring, and access networks and strategic support to the portfolio companies, etc. Stories of several successful entrepreneurs among our alumni have become very well-known in the nation today.

Professor M Sekandar Khan
Vice-Chancellor, East Delta University


The gap between information need and availability to make business decisions is very high in the country. The unavailability of the right talent and skills in Bangladesh is making it challenging to bridge this gap. To fill this gap, EDU offers customised courses, professional and executive training programmes, workshops and seminars, with the help of faculty members and trainers/experts from both home and abroad to meet the needs of its students.

To build and create the best higher education environment that is required for the development of academic and institutional excellence and to increase competent individuals, to serve the needs of the nation and the world, the university is committed to serving the best learning opportunities for every student. International Graduate Leadership Program is one such platform that aims to provide an opportunity for students for doing business internationally. The programme focuses on the influence of diverse cultures, politics, institutions and local practices, and their impact on business decisions and managerial behaviour across international borders. The programme also comprises of on-campus pre-learning and off-campus seminars and company visits in a foreign country to meet business and government leaders and discuss business practices.

Under the current practices of UGC, private universities can only facilitate one new course per year. In the 21st century, universities are required to introduce new and innovative undergraduate and post-graduate courses to serve the human resource requirements in the diverse job market of the country. UGC should plan to transform private university operations by creating the tier system that can eventually provide more benefits to the private universities, which have already shifted to their permanent campuses and are serving the higher education industry with integrity and honesty. Such a tier system can distinguish good private universities from the ordinary ones. Universities can also operate more efficiently by introducing innovative courses more than once in a year.

We have established EDU Startup Foundry recently, which guides early-stage startups through a defined process. This helps teams to rapidly take their ideas and test them with customers to discard, change and build a business model. The programme welcomes the entire EDU community, to help build and enhance the entrepreneurial spirit of students, faculties, staff and alumni.

We focus on lifelong learning and leadership roles by helping students attain excellence through curriculum, research, facilities, entrepreneurship and job placements.


Professor Dr Shahid Akhtar Hossain
Vice Chancellor, Eastern University


Universities cannot take full responsibility for bridging the skills gap among students. There are many instances where students who have passed the secondary and higher secondary education are not qualified enough to attain higher education at universities. University and their faculty members work hard to shape students to help unleash their potential. Yet, despite extra endeavours, the necessary skills are lacking amongst students to use in the practical field. In light of such reality, we have designed a mandatory course titled Career Management Course to address the mismatch between academia and industry. It helps students make informed choices through aspects such as know-how of CV writing, job hunting, interview preparation, code of conduct, corporate cultures. Other necessary skills such as teamwork, leadership, and analytical skills based on the local and global labour market needs are also included in this course.

We have also made it compulsory for every student to learn Excel. We have signed an MOU with Creative IT, to train our students with the required industry courses, with emphasis on digital marketing. Besides, we have more than 18 clubs where students can acquire adequate life and employability skills. We are also changing the curriculum to meet the present workplace demands after discussing with industry experts and introducing new avenues of subjects.

The objective of introducing new courses is not only to create a good image of the university in the market but also to help students adapt to new knowledge and technology. However, obstacles such as the process of approval from UGC are tedious and time-consuming. UGC has some set rules and policies about offering certain courses as mandatory. After excluding those courses, the university has a few options to search for new courses. However, UGC is taking initiatives to enhance the quality of education by creating a Quality Assurance Cell at every university and recommending all to bring together some new courses.

The issue of approving new subjects after full operations of university’s activities at the permanent campus is not realistic. It requires substantial financial strength which a middle-class university can hardly meet. In addition, skilled and trained faculties for trendy subjects are challenging to find. For example, we have decided to start a major in data science and analytics. Unfortunately, few experts are available in the market for teaching this subject, as most qualified people in this arena live abroad. ICT ministry can take initiatives to fill this gap.

We offer courses and arrange fairs to encourage entrepreneurship among students and some of them even represent their startups in international conferences.

Professor Milan Pagon
Vice Chancellor (Acting), Independent University, Bangladesh (IUB)


The Fourth Industrial Revolution will cause many of the traditional jobs that we know now to disappear. The preparation for the revolution should start from education. The major problem is that universities are preparing students for jobs in the existing job market, or even jobs from the past. There are two important components that universities are not focusing on enough. The first is the gig economy: a job market characterised by short-term/part-time jobs and freelancing. School and college students of today will get short gigs here and there in the future instead of joining traditional jobs. They will not have their own business but will work for other businesses, for short terms. The gig economy is based on “just in time” employment, which means, if I need somebody for three months, I will employ them only for that time period, and they will have no job security.

The second component is entrepreneurship. Students have to create jobs since they may not be offered jobs in a traditional company and they might not opt for the gig economy approach. Traditional universities do not equip students with the skillsets necessary for starting their own business.

How do you prepare for jobs that do not exist yet? You must identify some universal skills which will prepare you for any kind of challenge. For example, many students question why they have to study math since they will never have to use that in their lives. But research shows that when you study math, it gives you certain cognitive skills which are transferable later in life. Skills like problem solving, critical thinking, lateral thinking are all universally applicable. For example, there is one method called Kepner Tregoe, which teaches you how to analyse the situation, the problem, the decision and the potential problems. Once you master this thinking tool, you can apply it to any problem.

Traditional universities and degrees might lose importance within the revolution. People will still come to university, but it will be more likely for the specific knowledge, skills, certification and specific courses. They might not declare a major but will want to take courses from different programmes. The focus will shift from formal degrees to acquiring knowledge and skills on a need basis. Universities need to start offering relevant modules, courses, and certifications.

If we expect our universities to adapt to the revolution, then we need to remove the administrative barriers that currently exist in Bangladesh. If we are allowed to introduce only one new programme per year, it will take us 20 years to adapt. The government should look into the infrastructure, faculty members, and staff of universities when deciding how many programmes can be introduced by a particular university.

Professor Dr Abdur Rab
Vice Chancellor, IUBAT- International University of Business Agriculture and Technology


Traditionally, the purpose of general higher education was to acquire, create and disseminate knowledge. An exception to this was professional courses such as medicine, engineering, architecture, law, accounting, business administration, etc. Courses and curricula were designed by the institutions to meet these traditional needs. The fact that education is also meant for meeting skills requirements by the employers is a more recent realisation. Even now, employers hire graduates and train them up in the skills they require. With the advancement of technology and competitive business environment, employers are expecting the universities to prepare graduates with skills so that they can use them readily.

Basic and common skills are required in the positions where graduates are employed. These include communication skills (comprehension, speaking, writing and presentation, more often in English), good technical knowledge and skills, social and interpersonal skills, critical thinking and problem-solving abilities, ability to understand the work environment and cope with its challenges and ability to pick up ‘cues’ from local, national and international environment. In our university, we try our best to provide these skills. However, universities vary in their capacity to equip their students with these skills and so, there is a gap between the needs of the employers and skills provided by universities.

Universities should prepare and provide appropriate human resources for organisations. The universities need to regularly revise courses and curricula keeping in view the changes taking place in the organisational needs.

IUBAT offers a compulsory course on entrepreneurship. Many of our students have set up businesses and many others have plans to get into business once they gain job experience and acquire the capability to mobilse initial capital. Teachers of entrepreneurship offer free consultation to students or alumni starting new ventures. At present the university is working on a project for setting up an Innovation, Incubation and Business startup consultation centre.

Dr Mahfuzul Hoque Chowdhury
Vice Chancellor, Chittagong Independent University (CIU)


The most significant existing skills gap in Bangladesh is between the theoretical and conceptual knowledge of the university graduates and the practical skills required in jobs. To overcome this, we offer a course called Live-in-Field-Experience (LFE) to the students. Here, students engage in practical work under the supervision of faculty members, to acquire skills such as leadership, people management, teamwork, adaptability to new environment. They have the opportunity to interact with the renowned professionals. CIU students also need to complete internships as part of their curriculum which enables them to get familiar with the work environment. Moreover, students are taken for industrial visits to give them a clear perception of the work going on there. 

In general, one challenge that universities in our country face is that the government and UGC have absolute control over revising the existing courses as well as introducing new ones. Universities should be given enough freedom to design and conduct courses.

We try to promote entrepreneurship among students through motivational speeches, workshops, seminars, corporate talks and inviting guests who are successful entrepreneurs in the country. However, challenges such as generating adequate funds, unavailability of required infrastructure, bureaucratic hurdles, obsolete rules and regulations, political uncertainty, social, cultural risks and legal protection, etc., still act as a barrier for entrepreneurship amongst the young people.     

Currently, we are trying to move towards more research-based activities. There is no alternative to increasing the range of creativity skills and knowledge. It is necessary to create skilled manpower in terms of craftsmanship, trade, commerce, economy, industry and state structure.

Students should also form the habit of reading books and articles and possibly write reviews on them. In this way, their written competence will increase. Educational institutions can encourage students in this regard.

Professor Dr AFM Mafizul Islam
Vice Chancellor, Southeast University


The key challenge concerning the higher education scenario in Bangladesh is delivering quality education. The government is taking steps in this regard. The government had already introduced HEQEP (Higher Education Quality Enhancement Project) earlier. Another project called HEAT (Higher Education Acceleration and Transformation) is coming up.

I strongly feel that lack of leadership in higher educational institution is the problem.

Southeast University has established the Institutional Quality Assurance Cell (IQAC) headed by an experienced professor with the rank and status of a dean. This Cell is regularly providing diverse training to our faculty members and staff so that they can achieve the goal of delivering quality education. In the meantime, several departments have gotten professional accreditation, and others are in the process. If a university complies with all conditions of accreditation, I think quality education would be automatically achieved.

We are preparing our students for the corporate world by blending practical experience and operational challenges into standard economic and business lessons. Some steps are: teaching case studies, relating theoretical content to real business challenges, hosting entrepreneurship contests, creating an entrepreneurship-in-residence programme, inviting professionals, encouraging international exchange programmes and promoting student-in-residence programmes.

Southeast University is providing quality education at affordable cost, targeting middle, lower and marginal middle class. Tuition fees of some programmes, such as Bangla, English and Economics, are very low. We run these programmes with subsidies. Another exception of this university is that the Benevolent Trustees of Southeast University Trust do not take any remuneration.

Professor Dr Chowdhury Mofizur Rahman
Vice Chancellor, United International University


Background knowledge and foundation of most of the students are very poor. They are not prepared for university level education. It is due to the weak pre-university education, i.e. education at the SSC and HSC levels. If foundation remains poor, quality education is difficult to be imparted at university level.

We are trying to improve the communication skills by offering a number of intensive English courses in the first year. We offer a course in the first semester, known as life skill for success. This is a kind of guidance to learn about the necessary attributes and skills to become a good human being and responsible citizen of the country.

There is a wide gap between academia and industry. To reduce the gap, we have included industry professionals and our alumni in the curriculum committee. In addition, final year students get hands-on practice on real-life projects by industry professionals at institutes like CDIP (Center for Development of IT Professionals), CCNA (Cisco Network Academy), IBER (Institute of Business and Economic Research), IAR (Institute of Advanced Research), CCC (Career Counseling Center), VTA (VLSI Training Academy), PETA (Power Engineering Training Academy) and CER (Center for Energy Research).

UIU has a culture that promotes and cultivates entrepreneurship among students. We frequently hold competitions among students to come up with new ideas and ways of their commercialisation. We have also set up an entrepreneurship forum. We encourage our students to participate in inter-university and national-level competitions. We have allocated one floor of our university building to accommodate startup companies at a very low cost which we have named Incubation Center of UIU. We allow the young successful entrepreneurs to showcase their achievements.

Professor Dr Vincent Chang
Vice Chancellor, BRAC University


Developed countries such as Japan, Singapore and Taiwan were as poor as Bangladesh after the World War II. Thirty years after the World War II, China was even poorer than Bangladesh, then how did they develop so fast? It was because of the unique people and how active they were. Next comes the influences of education and the virtue and philosophies people hold related to work – whether they value hard work and try to put it into their endeavours. According to my experience in Bangladesh, I am still confused if people put in the hard work or not.

The attitude here does not reflect that. People here wait to be taught, by their superiors, and make no effort to learn things themselves. They simply do not take the initiative. People are happy with their recent university rankings, but internationally, people do not care. The issue is in the mindset. We have to thrive to do better or else we will be stuck at the same place. We have to change our mindsets in order to incentivise people to want to improve. We have to understand the changing standards.

I would like to refer to the gap in the mindset instead of referring to the gap in the skillset because to me, it isn’t about the knowledge or other skills; it is about the perspectives and mindsets. These are difficult to adjust, but these are what will allow us to compete and produce appreciable outputs. We need to have a champion mindset; you face problems, you fix it. You don’t depend on others to fix it for you.

BRAC University thus tries to engage internationally so that our students have the opportunity to expand their horizons and their vision. We try to involve our teachers and students in a process where they understand international standards.

Professor Md Abu Saleh
Vice Chancellor, Bangladesh University of Business and Technology (BUBT)


Lack of need based knowledge and skills, lack of time based knowledge and skills, lack of outcome based knowledge and skills, are some of the major challenges concerning the existing skills gap in Bangladesh. Emphasis on theoretical knowledge through traditional classroom lectures is mostly prevalent in the current education system of the country, leading to a lack of focus on practical learning, which is required for the 21st century workplace.

To address these gaps, BUBT emphasises on practice-oriented knowledge and skills. We also focus on university-industry partnership, research activities, teachers’ training and development. We design the curriculum of the academic courses, highlighting both education and human resource development.

However, challenges persist such as non-availability of subject/course experts for structuring, designing and developing the curriculum of new courses. The processes for reviewing, revising and getting approval are also time-consuming. The imposition of unnecessary and irrelevant pre-conditions is also a concern. Approvals should be based on the quality and the standard of the curriculum, not on irrelevant pre-conditions. It should also be based on the need of the course(s). Cooperative attitude is direly required, instead of controlling attitude.

To encourage entrepreneurship, we offer entrepreneurship courses. In this way, students are motivated to become job providers rather than remain as job seekers only. We provide training, organise seminars and workshops on entrepreneurship. We also organise competitions, contests on business idea generation and business plans. We invite the successful entrepreneurs to share their success stories, some of whom are also the alumni of BUBT.

Source: https://www.thedailystar.net/supplements/news/the-future-higher-education-bangladesh-1841881

35
Time to formalise informal e-waste management in Bangladesh

With 4-5 percent annual growth, the global electrical and electronic waste (e-waste) reached up to 44.7 million tonnes in 2016, of which 20 percent, or 8.9 million tonnes, is documented to be collected and recycled properly. According to the UN University, 50 million tonnes of e-waste is discarded by the world inhabitants which is greater than the weight of all commercial airlines the world has seen so far.

E-waste is hazardous, complex and mostly discarded in the general waste stream, especially in developing countries. The unprecedented growth of e-waste is not only contributed by developed countries but also by developing countries like Bangladesh.

In case of Bangladesh a wide range of factors, including rapid globalisation, urbanisation, increased access to modern technology and purchasing power, substantial reduction in new product development cycle, increased frequency of offering new products, and higher use of planned obsolescence strategy by electronic products manufacturers are contributing towards the generation of a huge amount of electronic waste stream.

The growth of such amount of waste in recent years is exponential when compared to even four to five years back. The prediction that in the coming years we would consume even more types and varieties of electronic goods propelled by the increased prosperity of the country. This consumption will eventually lead to even higher growth of electronic waste. Unfortunately, we are yet to know how much we have generated recently and in the recent past, let alone the future e-waste generation data.

A 2009 estimation predicted that Bangladesh generates roughly 2.81 million tonnes of e-waste every year and the lion’s share of that waste stream is recycled by an unskilled, deregulated, unstructured and informal recycling sector. This is 2019 and naturally the e-waste volume is 4-5 folds of the amount of 2009 and still the informal sector is primarily handling the recycling process of this huge amount of e-waste. This is posing significant human and environmental health risks and leads the country to lose a significant amount of recoverable precious materials.


China, India, Ghana, the Philippines, Pakistan and Nigeria are the major countries that recycle or reuse more than 80 percent of e-waste generated by developed countries. Of them, China receives and recycles 70 percent alone.

Researches showed that e-waste is not only traded between developed and developing countries but also between developing countries. Upon treatment or recycling of the imported e-waste, China uses the recycled materials in manufacturing various types of electronic and electrical equipment. One of the major destinations of the Chinese refurbished outputs is Southeast Asian countries.

Bangladesh is also becoming an important secondary recipient of e-waste global export due to its substantial trade relationships with China, its exponential growth in internal and regional trade, illegal import by brokers and traders, use of ‘waste tourists’ and lack of e-waste specific regulations.

According to the MRC report 2017, $2.2 billion worth of consumer electronic products (HS code 84 and 85) were imported to Bangladesh in 2016, where China (69 percent) was the largest exporter. Ceiling fan and other types of fan, air conditioner, refrigerator, washing machine, battery, UPS, microwave woven, television and spare parts are included in the same code. Besides, in 2018, 40 million mobile phones were imported where 30 million imported legally and the rest through grey channels, according to an estimate of the Bangladesh Mobile Phone Importers Association.

With an annual growth rate of 15-20 percent, the laptop market of Bangladesh was worth about $175 million in 2018 and 60 percent of the demand is largely meet by the import of laptops from China, Singapore, the USA, Thailand and Malaysia.

The consumer electronics market is also growing in Bangladesh. With 15 percent yearly growth rate, the market of manufactured and imported consumer electronics was estimated at $4 billion in 2017. Many Bangladeshi companies have also started manufacturing a range of consumer electronics products in recent times to meet the demand of the lower income people. This clearly represents a potential growth trend in the consumer electronics industry. However, this also increases the worry of the exponential growth of e-waste. Bangladesh does not have any preparation whatsoever to treat or manage this huge amount of e-waste in a sustainable way.

Bangladesh currently has no specific environmental policy or act or guidelines to directly manage the e-waste problem. Though a draft regulation on ‘E-waste management rules’ was developed and amended in 2011 and 2017 respectively under the Environment Conservation Act, 1995, no progress in rules acceptance and implementation has been visible till today.

It is commonly said that the future of e-waste management in developing countries depends not only on the effectiveness of local government and the informal operators of recycling services but also on community participation and private manufacturers together with national and regional initiatives. Integrating the informal sector into the formal could result in reduced pollution and health hazards. In addition, efficient and effective resource management practice may offer the country a lot of reusable resources from the e-waste recycling process. Now-a-days, extended producer responsibility (EPR) is considered as one of the most widely-used formal waste management-related policies that help integrate the informal waste management sector.

EPR requires the producers of electronics goods to take all or partial responsibility for the disposal of their commercialised products. EPR policy requirements can be implemented in many forms.



One of them is ‘Product take-back requirements’ where at the post-consumption stage the manufacturers take the responsibility of taking back their products in whole or part. The extent to which producers are required to recycle their post-consumption products can be defined in the performance standard requirements.

The raw materials categorised as high environmental risk are often subject to material taxes. The purpose of such taxes is to encourage manufacturers to shift towards more environment-friendly parts or components. In some cases, consumers assume the responsibility of e-waste management by paying a deposit while purchasing a product and then receiving a refund -- known as deposit or refund schemes -- when returning the post-consumption product. Customer responsibility can also be extended by charging consumers advance disposal fees at the point of purchase for the cost of treating and recycling without any refund afterwards.

Landfill taxes, illegal dumping fees, tax benefits and subsidies for eco-friendly design, labeling, products and promotions are other forms of EPR implementation. Taking the various forms of EPR into account, it would be interesting to see the level of urgency from the electrical and electronic products manufacturers and/or resellers of Bangladesh regarding the adoption of EPR.

According to the proposed E-waste Management Rules, 2017, the government is planning to introduce the deposit or refund schemes. Moreover, the proposed rules also set the goal to increase the extent of producer responsibility gradually from 15 percent to 55 percent from the first year to the four year of rules implementation. Although many consumer electronics manufacturers selling home appliances, batteries and bulbs are already taking back their old, close to end of life electronic products through different types of consumer promotions, the intention is not clear – whether it is a strategic initiative motivated by EPR or something else.

There is no doubt that integrating EPR into the informal e-waste recycling sector would be highly challenging for Bangladesh. A research conducted by the authors on the informal sector of e-waste management revealed that there is a lack of coordination among collection units, insufficient data on regular supply and demand of e-waste, no quality control or check on supply, inadequate infrastructure, and dearth of education and skill on separation, dismantling and even recycling.

Factors such as manufacturing of non-branded and counterfeit products, usages of refurbished and repaired second-hand products, the likeliness of original parts being replaced by other brands or generic components are compounding the existing challenges faced by the e-waste management sector.

To mitigate these challenges and integrate with the EPR system, there is a strong need to coordinate the input and output sector of the informal e-waste system with proper institutionalisation and regulation. With adequate public awareness campaign, a basic waste separation and collection infrastructure needs to be developed and the recyclers and recycling centres must be developed with right training and education.

The monitoring process can be streamlined through recycling licensing and certificates. Interface organisations such as third-party private recyclers can be nurtured to mediate between the informal sector and the manufacturer group. The integration is likely to be possible if the informal sector serves as organised collection points for the formal waste sector and after basic sorting is able to divert as much of the e-waste as possible to treatment facilities for recycling and treatment primarily performed by manufacturers or third-party recyclers.

Paying particular attention to the role played by the informal sector of e-waste management and specifying manufacturers responsibilities for such management with the integration of right environmental policy and capacity-based regulatory enforcement can pave the pathway to develop a formalised end-of life products waste management system. This is a dying need for Bangladesh if we are to enjoy the technology-mediated development with its full potential.

The authors are professors in the Department of Marketing at the University of Dhaka.

Source: https://www.thedailystar.net/business/news/time-formalise-informal-e-waste-management-bangladesh-1841734

36
Resources / Time to formalise informal e-waste management in Bangladesh
« on: December 18, 2019, 09:54:02 AM »
Time to formalise informal e-waste management in Bangladesh

With 4-5 percent annual growth, the global electrical and electronic waste (e-waste) reached up to 44.7 million tonnes in 2016, of which 20 percent, or 8.9 million tonnes, is documented to be collected and recycled properly. According to the UN University, 50 million tonnes of e-waste is discarded by the world inhabitants which is greater than the weight of all commercial airlines the world has seen so far.

E-waste is hazardous, complex and mostly discarded in the general waste stream, especially in developing countries. The unprecedented growth of e-waste is not only contributed by developed countries but also by developing countries like Bangladesh.

In case of Bangladesh a wide range of factors, including rapid globalisation, urbanisation, increased access to modern technology and purchasing power, substantial reduction in new product development cycle, increased frequency of offering new products, and higher use of planned obsolescence strategy by electronic products manufacturers are contributing towards the generation of a huge amount of electronic waste stream.

The growth of such amount of waste in recent years is exponential when compared to even four to five years back. The prediction that in the coming years we would consume even more types and varieties of electronic goods propelled by the increased prosperity of the country. This consumption will eventually lead to even higher growth of electronic waste. Unfortunately, we are yet to know how much we have generated recently and in the recent past, let alone the future e-waste generation data.

A 2009 estimation predicted that Bangladesh generates roughly 2.81 million tonnes of e-waste every year and the lion’s share of that waste stream is recycled by an unskilled, deregulated, unstructured and informal recycling sector. This is 2019 and naturally the e-waste volume is 4-5 folds of the amount of 2009 and still the informal sector is primarily handling the recycling process of this huge amount of e-waste. This is posing significant human and environmental health risks and leads the country to lose a significant amount of recoverable precious materials.

China, India, Ghana, the Philippines, Pakistan and Nigeria are the major countries that recycle or reuse more than 80 percent of e-waste generated by developed countries. Of them, China receives and recycles 70 percent alone.

Researches showed that e-waste is not only traded between developed and developing countries but also between developing countries. Upon treatment or recycling of the imported e-waste, China uses the recycled materials in manufacturing various types of electronic and electrical equipment. One of the major destinations of the Chinese refurbished outputs is Southeast Asian countries.

Bangladesh is also becoming an important secondary recipient of e-waste global export due to its substantial trade relationships with China, its exponential growth in internal and regional trade, illegal import by brokers and traders, use of ‘waste tourists’ and lack of e-waste specific regulations.

According to the MRC report 2017, $2.2 billion worth of consumer electronic products (HS code 84 and 85) were imported to Bangladesh in 2016, where China (69 percent) was the largest exporter. Ceiling fan and other types of fan, air conditioner, refrigerator, washing machine, battery, UPS, microwave woven, television and spare parts are included in the same code. Besides, in 2018, 40 million mobile phones were imported where 30 million imported legally and the rest through grey channels, according to an estimate of the Bangladesh Mobile Phone Importers Association.



With an annual growth rate of 15-20 percent, the laptop market of Bangladesh was worth about $175 million in 2018 and 60 percent of the demand is largely meet by the import of laptops from China, Singapore, the USA, Thailand and Malaysia.

The consumer electronics market is also growing in Bangladesh. With 15 percent yearly growth rate, the market of manufactured and imported consumer electronics was estimated at $4 billion in 2017. Many Bangladeshi companies have also started manufacturing a range of consumer electronics products in recent times to meet the demand of the lower income people. This clearly represents a potential growth trend in the consumer electronics industry. However, this also increases the worry of the exponential growth of e-waste. Bangladesh does not have any preparation whatsoever to treat or manage this huge amount of e-waste in a sustainable way.

Bangladesh currently has no specific environmental policy or act or guidelines to directly manage the e-waste problem. Though a draft regulation on ‘E-waste management rules’ was developed and amended in 2011 and 2017 respectively under the Environment Conservation Act, 1995, no progress in rules acceptance and implementation has been visible till today.

It is commonly said that the future of e-waste management in developing countries depends not only on the effectiveness of local government and the informal operators of recycling services but also on community participation and private manufacturers together with national and regional initiatives. Integrating the informal sector into the formal could result in reduced pollution and health hazards. In addition, efficient and effective resource management practice may offer the country a lot of reusable resources from the e-waste recycling process. Now-a-days, extended producer responsibility (EPR) is considered as one of the most widely-used formal waste management-related policies that help integrate the informal waste management sector.

EPR requires the producers of electronics goods to take all or partial responsibility for the disposal of their commercialised products. EPR policy requirements can be implemented in many forms.

One of them is ‘Product take-back requirements’ where at the post-consumption stage the manufacturers take the responsibility of taking back their products in whole or part. The extent to which producers are required to recycle their post-consumption products can be defined in the performance standard requirements.

The raw materials categorised as high environmental risk are often subject to material taxes. The purpose of such taxes is to encourage manufacturers to shift towards more environment-friendly parts or components. In some cases, consumers assume the responsibility of e-waste management by paying a deposit while purchasing a product and then receiving a refund -- known as deposit or refund schemes -- when returning the post-consumption product. Customer responsibility can also be extended by charging consumers advance disposal fees at the point of purchase for the cost of treating and recycling without any refund afterwards.

Landfill taxes, illegal dumping fees, tax benefits and subsidies for eco-friendly design, labeling, products and promotions are other forms of EPR implementation. Taking the various forms of EPR into account, it would be interesting to see the level of urgency from the electrical and electronic products manufacturers and/or resellers of Bangladesh regarding the adoption of EPR.

According to the proposed E-waste Management Rules, 2017, the government is planning to introduce the deposit or refund schemes. Moreover, the proposed rules also set the goal to increase the extent of producer responsibility gradually from 15 percent to 55 percent from the first year to the four year of rules implementation. Although many consumer electronics manufacturers selling home appliances, batteries and bulbs are already taking back their old, close to end of life electronic products through different types of consumer promotions, the intention is not clear – whether it is a strategic initiative motivated by EPR or something else.

There is no doubt that integrating EPR into the informal e-waste recycling sector would be highly challenging for Bangladesh. A research conducted by the authors on the informal sector of e-waste management revealed that there is a lack of coordination among collection units, insufficient data on regular supply and demand of e-waste, no quality control or check on supply, inadequate infrastructure, and dearth of education and skill on separation, dismantling and even recycling.

Factors such as manufacturing of non-branded and counterfeit products, usages of refurbished and repaired second-hand products, the likeliness of original parts being replaced by other brands or generic components are compounding the existing challenges faced by the e-waste management sector.

To mitigate these challenges and integrate with the EPR system, there is a strong need to coordinate the input and output sector of the informal e-waste system with proper institutionalisation and regulation. With adequate public awareness campaign, a basic waste separation and collection infrastructure needs to be developed and the recyclers and recycling centres must be developed with right training and education.

The monitoring process can be streamlined through recycling licensing and certificates. Interface organisations such as third-party private recyclers can be nurtured to mediate between the informal sector and the manufacturer group. The integration is likely to be possible if the informal sector serves as organised collection points for the formal waste sector and after basic sorting is able to divert as much of the e-waste as possible to treatment facilities for recycling and treatment primarily performed by manufacturers or third-party recyclers.

Paying particular attention to the role played by the informal sector of e-waste management and specifying manufacturers responsibilities for such management with the integration of right environmental policy and capacity-based regulatory enforcement can pave the pathway to develop a formalised end-of life products waste management system. This is a dying need for Bangladesh if we are to enjoy the technology-mediated development with its full potential.

The authors are professors in the Department of Marketing at the University of Dhaka.

Source: https://www.thedailystar.net/business/news/time-formalise-informal-e-waste-management-bangladesh-1841734

37
চার হাজার বছর পর দ্বিঘাত সমীকরণের নতুন সমাধান

দীর্ঘ চার হাজার বছর পর বীজগণিতের দ্বিঘাত সমীকরণের একটি সহজ সমাধান পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছেন মার্কিন গণিতবিদ, কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক এবং আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে যুক্তরাষ্ট্র দলের দলনেতা পো শেন লো (Po-Shen Loh)। লো ইন্টারনেটে ব্যক্তিনির্ভর গণিত শেখার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত ওয়েবসাইট এক্সপি ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা।

আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগে, ব্যাবিলনে খাজনা হিসেবে শস্য প্রদানের হিসাব করতে গিয়ে দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধানের দরকার হয়। কৃষিজীবী ব্যাবিলনীয়দের খাজনা দিতে হতো শস্যে। নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা দেওয়ার জন্য ঠিক কতটুকু জমিতে আবাদ বাড়ানো দরকার, সেটিই ছিল তাদের সমস্যা। বীজগণিতের ভাষায় এটি হলো ax2+bx+c=0 সমীকরণের সমাধান।


যেকোনো বীজগাণিতিক সমীকরণে কয়টি সমাধান থাকবে, তা নির্ভর করে ওই সমীকরণের অজানা রাশির ঘাতের ওপর। যেমন x-4=0 এই সমীকরণে x এর মান 4 এবং এই একটি মানই সমীকরণটির সমাধান। কিন্তু x2-4=0 এ সমীকরণে x এর মান 2 বা -2 এর দুটি মানের জন্যই সত্য। সে হিসাবে ax2+bx+c=0 এই সমীকরণেও x এর দুটি মান থাকবে। সেই চার হাজার বছর আগেই ব্যাবিলনীয়রা এই বীজগাণিতিক সমীকরণের সমাধান বের করেছেন

কয়েক দিন আগে, ৬ ডিসেম্বর, গণিতবিদ পো শেন লো তাঁর নতুন সমাধান পদ্ধতিটি প্রকাশ করেন তাঁর ওয়েবসাইটে। একই দিন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) টেকনোলজি রিভিউতে সেটি ছাপা হয়। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর এটি একটি গণিত সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। সমাধানটি এত সহজ এবং চমৎকার যে কয়েক দিন ধরে আমরা যারা ডাচ–বাংলা ব্যাংক-প্রথম আলো গণিত উৎসবের সঙ্গে জড়িত, তারা প্রায় মোহাবিষ্ট হয়ে এই সমাধান নিয়ে আলাপ করেছি। এর চেয়ে সুন্দর সমাধান আর কী হতে পারে!
আমার ভালো লাগার আরেকটি কারণ হলো পো শেন লো নিজে। পো শেন লোর সঙ্গে আমার পরিচয় আজ থেকে প্রায় ১০ বছর আগে, আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের কোনো এক আসরে। তখন লো ছিলেন মার্কিন দলের উপদলনেতা। বাংলাদেশ দলের উপদলনেতা হিসেবে আমরা সব সময় একই হোটেল বা ক্যাম্পাসে থাকতাম। দেখা হলেই লো আমাদের দলের পারফরম্যান্স নিয়ে আলাপ করতেন, আমাকে বিভিন্ন পরামর্শ দিতেন। আর একটা কাজ ছিল মার্কিন গণিত দল নির্বাচনের প্রশ্ন দিয়ে সহায়তা করা। এর মধ্যে লো হয়ে যান মার্কিন দলের দলনেতা। সেই থেকে আমার সঙ্গে খাতির কমে যায় কিন্তু বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের জন্য তাঁর চিন্তাটা অব্যাহত থাকে। গত বছর পো শেন লো বাংলাদেশে এসেছেন। সেই সময় বিজ্ঞানচিন্তার পক্ষ থেকে তাঁর একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেয় ফারদীম মুনির। সেই সময় আলাপকালে পো শেন লো বলেছেন, শিক্ষার্থীদের গণিতে আগ্রহী করার একটি বড় উদ্যোগ হবে প্রচলিত কঠিন বিষয়গুলোকে সহজ পদ্ধতিতে শেখানোর বুদ্ধি বের করা। আর চার হাজার বছর ধরে চলমান একটি সমস্যার সহজ সমাধান করে লো তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

অন্যান্য গাণিতিক আবিষ্কারের মতো লোর আবিষ্কৃত সমাধানটি খুবই সহজ ও সুন্দর। লো এমন একটি সাধারণ ধারণা ব্যবহার করেছেন, যা সবাইকে চমৎকৃত করেছে। পো শেন লো তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় এ আবিষ্কারের অনুপ্রেরণার কথা জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য গণিতের নানা বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর একটি উদ্দেশ্য ছিল কিছু কিছু কঠিন বিষয়কে সহজ করা। আর সেটার সন্ধান করতে গিয়ে তিনি এই সমাধান খুঁজে পেয়েছেন।

প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁর এই সমাধান কত দ্রুত বিশ্বব্যাপী গণিত শিক্ষার্থীদের দ্বিঘাত সমীকরণের মূল খোঁজার কঠিন সূত্র মুখস্থ করার হাত থেকে রক্ষা করবে। আমার নিজের আশঙ্কা, আমাদের দেশে অনেক পরীক্ষক এই নিয়মে পরীক্ষার খাতায় সমাধান করলে সেটি মেনে নিতে অনেক সময় নেবেন।

Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1628665/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8?fbclid=IwAR3kbnJyRAmgpkAn4TZ1G6Im5nMuS_iq--pc7EvjpGu3dEFfXe2qaxQIdWA

38
Quality Education and Technology / Education in info-graph
« on: November 07, 2019, 06:59:10 PM »
During 7 November, 2019, Prothom Alo published a supplementary on 'Education', in commensurate of their 21 years of journey. Please see the infograph at the attachment.

39
তথ্য প্রযুক্তির স্বপ্ন পূরণ। এসে গেল স্বপ্নের #কোয়ান্টাম_কম্পিউটার

গুগল কোম্পানির এআই কোয়ান্টাম টিম পেয়েছে সাফল্য। যে সাফল্যের পিছনে ধাওয়া করছিল তাবড় তাবড় থেকে শুরু করে অনেক স্টার্টআপ সংস্থাও। আইবিএম থেকে এমআইটি, ক্যালটেক প্রভৃতির গবেষকেরা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাঝে গুগল-এর গবেষকেরা তৈরি করে ফেললেন স্বপ্নের কম্পিউটার। আজ, বৃহস্পতিবার, প্রকাশিত হচ্ছে ‘নেচার’ জার্নালের যে সংখ্যাটি, তাতে গুগল-এর বিজ্ঞানীরা তাঁদের সাফল্যের বর্ণনা দিচ্ছেন।

ওঁদের বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন ‘সিকামোর’ প্রসেসর, এমন যন্ত্রগণক যা সাড়ে তিন মিনিটে করে ফেলবে সেই গণনা, যা এখনকার কম্পিউটার করত দশ হাজার বছরে। স্বভাবতই অনেক বিশেষজ্ঞ এই সাফল্যকে বলেছেন ‘কিটি হক মুহূর্ত’। রাইট ভাইদের সেই মাত্র ১২ সেকেন্ডের উড়ান, যা শুরু করেছিল আজকের বিমান যাত্রা। ওই যে এখনকার কম্পিউটারের দশ হাজার বছরের কাজ মাত্র সাড়ে ৩ মিনিটে করে ফেলা, এটাকেই তথ্য প্রযুক্তির পরিভাষায় বলা হয় ‘কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি’ (এখনকার কম্পিউটারকে টেক্কা দেওয়া)। ২০১২ সালে বিজ্ঞানী জন প্রেসকিল ওই শব্দবন্ধ উদ্ভাবন করেন। অবশ্য ওঁর প্রশ্ন ছিল, ‘তেমনটা কি সম্ভব হবে কখনও?’ তা-ই হয়েছে।




নাম কেন কোয়ান্টাম কম্পিউটার? উত্তর সহজ। এখনকার কম্পিউটার কাজ করে বিদ্যুতের সুইচ অন অথবা অফ হয়ে। আর কোয়ান্টাম কম্পিউটারে একই মুহূর্তে সুইচ অন এবং অফ দু’টোই একসঙ্গে। এটা যেন কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অন্যতম জনক আরউইন শ্রয়েডিঙ্গার-এর কল্পিত পরীক্ষার মতন। কোয়ান্টাম যে অদ্ভূতুড়ে, সেটা বোঝাতে শ্রয়েডিঙ্গার ওই কাল্পনিক পরীক্ষার কথা বলেছিলেন। যেখানে ডালাবন্ধ একটা বাক্সের মধ্যে আছে একটা হাতুড়ি, পটাশিয়াম সায়নাইড ভর্তি শিশি এবং একটা বিড়াল। কোয়ান্টাম মেকানিক্স কোনও কিছুই নিশ্চিত করে বলে না, তার কাছে সব কিছুই সম্ভাবনা। মানে, হাতুড়ির ঘা বিষ ভর্তি শিশির গায়ে পড়ার সম্ভাবনার কথাই শুধু বলে কোয়ান্টাম। তা হলে? হাতুড়ির ঘা শিশির গায়ে পড়েছে এবং পড়েনি। অর্থাৎ, পটাশিয়াম সায়নাইড বাক্সের মধ্যে ছড়িয়েছে এবং ছড়ায়নি। ফলে বেড়ালটা মরেছে এবং মরেনি। ডালাবন্ধ অবস্থায় একটার বদলে দু’টো বেড়াল। জীবিত ও মৃত। আর বাক্সের ডালা খুললে? তখন একটাই বেড়াল। জীবিত অথবা মৃত। ডালা খোলা মানে কোয়ান্টামের জগৎ থেকে বেরিয়ে আসা। ডালাবন্ধ অবস্থায় ওই যে ‘অথবা’ দূরে চলে গিয়ে ‘এবং’ দশা, সেটাই কোয়ান্টাম। সেই জন্যই কোয়ান্টাম কম্পিউটারে ইলেকট্রিক সুইচ অন এবং অফ দু’টোই একসঙ্গে।

গুগল কোম্পানির সাফল্যে প্রতিযোগী সংস্থাগুলি যারপরনাই ঈর্ষান্বিত। আইবিএম বলেই দিয়েছে, ‘ও কিস্যু না, অচিরেই ভুল প্রমাণিত হবে ওদের সাফল্য’। গুগল কিন্তু কোমর বেঁধে নেমেছে। মাসখানেক আগে এক বার সাফল্যের রিপোর্ট বার করেও প্রত্যাহার করে নিয়েছিল গুগল। আজ প্রখ্যাত ‘নেচার’ জার্নালে রিপোর্টটি প্রকাশিত। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, রিপোর্ট খাঁটি।
সূত্র :আনন্দবাজার পত্রিকা

40
UAE's Mubadala Capital launches new $250m tech funds

Mubadala Capital on Monday announced the launch of its first MENA-focused tech investment funds.

With a total of $250 million, the funds will capitalise on the  growing start-up scene in the region while empowering tech talent in the UAE and across the wider region, the company said in a statement.

It added that the funds will include a $150 million “fund of funds” program, which will invest in funds that are committed to supporting the Abu Dhabi-based Hub71 ecosystem, including through investing in companies that leverage Hub71 for regional expansion and growth.

As part of this program, Mubadala Capital also announced that it will commit to three funds as a part of its first funds cohort - San Francisco-based Data Collective Venture Capital (DCVC), Middle East Ventures Partners (MEVP) and Global Ventures.

Abu Dhabi's Mubadala undecided on SoftBank's next Vision Fund

Ibrahim Ajami, Mubadala's head of ventures, said fears over high tech valuations are overblown
The investment program will also include a further $100 million fund dedicated for direct investments in early stage technology companies led by exceptional founders that are committed to be part of the Hub71 ecosystem.

The fund will invest in founder-led companies, targeting either enterprise or consumer sectors and aims to invest in a portfolio of 15 companies.

The first investment, from the direct fund, is in Bayzat, a Dubai-based startup that is focused on delivering an exceptional employee experience that’s accessible to every small and medium sized enterprise through a free cloud-based platform.

Ibrahim Ajami, head of ventures at Mubadala Capital, said: “After ten years of investing in tech companies around the world, the time has come to leverage the experience and expertise we’ve gained for the benefit of our home market.

"The MENA funds will drive the economic development of Abu Dhabi by stimulating tech investment activity. There’s a huge amount of untapped potential in the UAE and the wider region and we are on the right path to foster more home-grown innovations, attract exceptional talent and accelerate the evolution of a flourishing tech industry in the emirate.”

With offices in Abu Dhabi, London and San Francisco, Mubadala Capital has made investments across the value chain of the technology sector, including committing $15 billion to SoftBank Vision Fund 1.

In the US, the ventures business manages Mubadala Ventures Fund 1, a $400 million early stage venture fund, and a fund of funds program targeting US-based established and emerging managers.

In Europe, the team manages a $400 million fund investing in founders and companies across the continent, as well as a fund of funds program that adheres to a similar strategy as its US counterpart.


Source: https://amp-arabianbusiness-com.cdn.ampproject.org/c/s/amp.arabianbusiness.com/amp/article_listing/aben/banking-finance/431096-uaes-mubadala-capital-launches-new-250m-tech-funds

41
Humans can land on Mars by 2035, NASA chief says

NASA chief Jim Bridenstine has doubled down on his claim that the space agency will be able to land humans on Mars in the 2030s, going so far as to say it could even be done by the middle of that decade.

"If we are accelerating the moon landing, we are accelerating the Mars landing," Bridenstine, NASA's Administrator, said during a panel discussion at the International Astronautical Congress, according to Space.com.

"I suggest we can do it by 2035," he added.

In April, Bridenstine said before lawmakers that NASA astronauts could be on the red planet by 2033, pushing up the timeframe, Fox 2 previously reported.

“We can move up the Mars landing by moving up the moon landing (to 2024),” Bridenstine told the House Committee on Science, Space and Technology. “We need to learn how to live and work in another world. The moon is the best place to prove those capabilities and technologies. The sooner we can achieve that objective, the sooner we can move on to Mars.”

Vice President Mike Pence also spoke at the IAC and said that NASA's Artemis program, which aims to return astronauts to the moon by 2024, is a stepping stone for an eventual mission to Mars.

"With Apollo in the history books, the Artemis mission has begun, and we are well on our way to making NASA's moon-to-Mars mission a reality," Pence said, according to Space.com.

Pence added that America is leading the world when it comes to space, but does want to partner with other countries that have like-minded values.

"To be clear, our vision is to be a leader amongst freedom-loving nations on the adventure into the great unknown," the vice president said at the conference. "The United States of America will always be willing to work closely with like-minded, freedom-loving nations as we lead mankind into the final frontier."

NASA DENIES ALIEN LIFE DISCOVERED ON MARS IN 1970S

Indeed, Mars looms ever larger in America’s space future. In November 2018, NASA announced that it had selected the location where its Mars 2020 Rover will land on the red planet. The rover is expected to reach the Martian surface on Feb. 18, 2021.

Although Bridenstine and NASA’s long-term goal are to send a manned mission to Mars in the 2030s, Apollo 11 astronaut Buzz Aldrin thinks that a slightly later target date of 2040 is more realistic.



In an interview in 2016, Aldrin, the second man to walk on the moon, told Fox News that by 2040, astronauts could visit Mars’ moon Phobos, which could serve as a sort of stepping stone to the red planet.

Aldrin said in July that he was "disappointed" with the progress America's space program has made over the past 50 years while at the White House in July to celebrate the 50th anniversary of Apollo 11.

42
Artificial Intelligence / Artificial intelligence: Cheat sheet
« on: October 22, 2019, 01:11:18 AM »
Artificial intelligence: Cheat sheet

Artificial intelligence (AI) is the next big thing in business computing. Its uses come in many forms, from simple tools that respond to customer chat, to complex machine learning systems that predict the trajectory of an entire organization. Popularity does not necessarily lead to familiarity, and despite its constant appearance as a state-of-the-art feature, AI is often misunderstood.
Artificial intelligence: Cheat sheet

In order to help business leaders understand what AI is capable of, how it can be used, and where to begin an AI journey, it's essential to first dispel the myths surrounding this huge leap in computing technology. Learn more in this AI cheat sheet.

SEE: All of TechRepublic's cheat sheets and smart person's guides

What is artificial intelligence?
When AI comes to mind, it's easy to get pulled into a world of science-fiction robots like Data from Star Trek: The Next Generation, Skynet from the Terminator series, and Marvin the paranoid android from The Hitchhiker's Guide to the Galaxy.

The reality of AI is nothing like fiction, though. Instead of fully autonomous thinking machines that mimic human intelligence, we live in an age where computers can be taught to perform limited tasks that involve making judgments similar to those made by people, but are far from being able to reason like human beings.

Modern AI can perform image recognition, understand the natural language and writing patterns of humans, make connections between different types of data, identify abnormalities in patterns, strategize, predict, and more.

All artificial intelligence comes down to one core concept: Pattern recognition. At the core of all applications and varieties of AI is the simple ability to identify patterns and make inferences based on those patterns.

SEE: Artificial intelligence: A business leader's guide (free PDF) (TechRepublic)

AI isn't truly intelligent in the way we define intelligence: It can't think and lacks reasoning skills, it doesn't show preferences or have opinions, and it's not able to do anything outside of the very narrow scope of its training.


Malicious AI: A guide for IT leaders

Artificial intelligence is advancing efforts to protect against cyberattacks, but it is also being used to intensify criminal activities. This ebook looks at how AI is being used by threat actors to expand their attack methods. From the ebook:...

eBooks provided by TechRepublic Premium
That doesn't mean AI isn't useful for businesses and consumers trying to solve real-world problems, it just means that we're nowhere close to machines that can actually make independent decisions or arrive at conclusions without being given the proper data first. Artificial intelligence is still a marvel of technology, but it's still far from replicating human intelligence or truly intelligent behavior.

What can artificial intelligence do?
AI's power lies in its ability to become incredibly skilled at doing the things humans train it to. Microsoft and Alibaba independently built AI machines capable of better reading comprehension than humans, Microsoft has AI that is better at speech recognition than its human builders, and some researchers are predicting that AI will outperform humans in most everything in less than 50 years.

That doesn't mean those AI creations are truly intelligent--only that they're capable of performing human-like tasks with greater efficiency than us error-prone organic beings. If you were to try, say, to give a speech recognition AI an image-recognition task, it would fail completely. All AI systems are built for very specific tasks, and they don't have the capability to do anything else.

Additional resources

Top 5: Ways AI will change business (TechRepublic)
What is AI? Everything you need to know about Artificial Intelligence (ZDNet)
Artificial intelligence will become the next new human right (ZDNet)
The 14 AI technologies businesses should be pursuing (TechRepublic)
Understanding the differences between AI, machine learning, and deep learning (TechRepublic)
What are the business applications of artificial intelligence?
Modern AI systems are capable of amazing things, and it's not hard to imagine what kind of business tasks and problem solving exercises they could be suited to. Think of any routine task, even incredibly complicated ones, and there's a possibility an AI can do it more accurately and quickly than a human--just don't expect it to do science fiction-level reasoning.

In the business world, there are plenty of AI applications, but perhaps none is gaining traction as much as business analytics and its end goal: Prescriptive analytics.

Business analytics is a complicated set of processes that aim to model the present state of a business, predict where it will go if kept on its current trajectory, and model potential futures with a given set of changes. Prior to the AI age, analytics work was slow, cumbersome, and limited in scope.

SEE: Special report: Managing AI and ML in the enterprise (ZDNet) | Download the free PDF version (TechRepublic)

When modeling the past of a business, it's necessary to account for nearly endless variables, sort through tons of data, and include all of it in an analysis that builds a complete picture of the up-to-the-present state of an organization. Think about the business you're in and all the things that need to be considered, and then imagine a human trying to calculate all of it--cumbersome, to say the least.

Predicting the future with an established model of the past can be easy enough, but prescriptive analysis, which aims to find the best possible outcome by tweaking an organization's current course, can be downright impossible without AI help.

SEE: Artificial intelligence ethics policy (TechRepublic Premium)

There are many artificial intelligence software platforms and AI machines designed to do all that heavy lifting, and the results are transforming businesses: What was once out of reach for smaller organizations is now feasible, and businesses of all sizes can make the most of each resource by using artificial intelligence to design the perfect future.

Analytics may be the rising star of business AI, but it's hardly the only application of artificial intelligence in the commercial and industrial worlds. Other AI use cases for businesses include the following.

Recruiting and employment: Human beings can often overlook qualified candidates, or candidates can fail to make themselves noticed. Artificial intelligence can streamline recruiting by filtering through larger numbers of candidates more quickly, and by noticing qualified people who may go overlooked.
Fraud detection: Artificial intelligence is great at picking up on subtle differences and irregular behavior. If trained to monitor financial and banking traffic, AI systems can pick up on subtle indicators of fraud that humans may miss.
Cybersecurity: Just as with financial irregularities, artificial intelligence is great at detecting indicators of hacking and other cybersecurity issues.
Data management: Using AI to categorize raw data and find relations between items that were previously unknown.
Customer relations: Modern AI-powered chatbots are incredibly good at carrying on conversations thanks to natural language processing. AI chatbots can be a great first line of customer interaction.
Healthcare: Not only are some AIs able to detect cancer and other health concerns before doctors, they can also provide feedback on patient care based on long-term records and trends.
Predicting market trends: Much like prescriptive analysis in the business analytics world, AI systems can be trained to predict trends in larger markets, which can lead to businesses getting a jump on emerging trends.
Reducing energy use: Artificial intelligence can streamline energy use in buildings, and even across cities, as well as make better predictions for construction planning, oil and gas drilling, and other energy-centric projects.
Marketing: AI systems can be trained to increase the value of marketing both toward individuals and larger markets, helping organizations save money and get better marketing results.
If a problem involves data, there's a good possibility that AI can help. This list is hardly complete, and new innovations in AI and machine learning are being made all the time.

Additional resources

Malicious AI: A guide for IT leaders (TechRepublic Premium)
What new tactics are companies using to recruit hires? (TechRepublic)
AI and machine learning: Top 6 business use cases (TechRepublic)
10 ways Alexa can help you get work done (TechRepublic)
Enterprise AI in 2019: What you need to know (ZDNet)
5 myths about industrial AI (TechRepublic)
Practical applications of AI for businesses (ZDNet)
Amazon Alexa: An insider's guide (free PDF) (TechRepublic)
What AI platforms are available?
When adopting an AI strategy, it's important to know what sorts of software are available for business-focused AI. There are a wide variety of platforms available from the usual cloud-hosting suspects like Google, AWS, Microsoft, and IBM, and choosing the right one can mean the difference between success and failure.

AWS Machine Learning offers a wide variety of tools that run in the AWS cloud. AI services, pre-built frameworks, analytics tools, and more are all available, with many designed to take the legwork out of getting started. AWS offers pre-built algorithms, one-click machine learning training, and training tools for developers getting started in, or expanding their knowledge of AI development.

Google Cloud offers similar AI solutions to AWS, as well as having several pre-built total AI solutions that organizations can (ideally) plug into their organizations with minimal effort.

Microsoft's AI platform comes with pre-generated services, ready-to-deploy cloud infrastructure, and a variety of additional AI tools that can be plugged in to existing models. Its AI Lab also offers a wide range of AI apps that developers can tinker with and learn from what others have done. Microsoft also offers an AI school with educational tracks specifically for business applications.

Watson is IBM's version of cloud-hosted machine learning and business AI, but it goes a bit further with more AI options. IBM offers on-site servers custom built for AI tasks for businesses that don't want to rely on cloud hosting, and it also has IBM AI OpenScale, an AI platform that can be integrated into other cloud hosting services, which could help to avoid vendor lock-in.

Before choosing an AI platform, it's important to determine what sorts of skills you have available within your organization, and what skills you'll want to focus on when hiring new AI team members. The platforms can require specialization in different sorts of development and data science skills, so be sure to plan accordingly.

Additional resources

6 tips for integrating AI into your business (TechRepublic)
Enterprise AI and machine learning: Comparing the companies and applications (ZDNet)
AI platforms aim to ease information overload in healthcare and improve patient care (TechRepublic)
AI-driven platforms will move business applications beyond the ERP era (ZDNet)
What AI skills will businesses need to invest in?
With business AI taking so many forms, it can be tough to determine what skills an organization needs to implement it.

As previously reported by TechRepublic, finding employees with the right set of AI skills is the problem most commonly cited by organizations looking to get started with artificial intelligence.

Skills needed for an AI project differ based on business needs and the platform being used, though most of the biggest platforms (like those listed above) support most, if not all, of the most commonly used programming languages and skills needed for AI.

SEE: Don't miss our latest coverage about AI (TechRepublic on Flipboard)

TechRepublic covered in March 2018 the 10 most in-demand AI skills, which is an excellent summary of the types of training an organization should look at when building or expanding a business AI team:

Machine learning
Python
R
Data science
Hadoop
Big data
Java
Data mining
Spark
SAS
Many business AI platforms offer training courses in the specifics of running their architecture and the programming languages needed to develop more AI tools. Businesses that are serious about AI should plan to either hire new employees or give existing ones the time and resources necessary to train in the skills needed to make AI projects succeed.

Additional resources

How to become an Alexa developer: A cheat sheet (TechRepublic)
How to become a machine learning engineer: A cheat sheet (TechRepublic)
Microsoft to tackle AI skills shortage with two new training programs (ZDNet)
Microsoft's new AI Business School teaches execs how to lead AI initiatives, for free (TechRepublic)
AI in the workplace: Everything you need to know (ZDNet)
Only 29% of companies regularly use AI (TechRepublic)
Skills gap, corporate culture holding back AI adoption, O'Reilly survey says (ZDNet)
How can businesses start using artificial intelligence?
Getting started with business AI isn't as easy as simply spending money on an AI platform provider and spinning up some pre-built models and algorithms. There's a lot that goes into successfully adding AI to an organization.

At the heart of it all is good project planning. Adding artificial intelligence to a business, no matter how it will be used, is just like any business transformation initiative. Here is an outline of just one way to approach getting started with business AI.

Determine your AI objective. Figure out how AI can be used in your organization and to what end. By focusing on a narrower implementation with a specific goal, you can better allocate resources.

Identify what needs to happen to get there. Once you know where you want to be, you can figure out where you are and how to make the journey. This could include starting to sort existing data, gathering new data, hiring talent, and other pre-project steps.

Build a team. With an end goal in sight and a plan to get there, it's time to assemble the best team to make it happen. This can include current employees, but don't be afraid to go outside the organization to find the most qualified people. Also, be sure to allow existing staff to train so they have the opportunity to contribute to the project.

Choose an AI platform. Some AI platforms may be better suited to particular projects, but by and large they all offer similar products in order to compete with each other. Let your team give recommendations on which AI platform to choose--they're the experts who will be in the trenches.

Begin implementation. With a goal, team, and platform, you're ready to start working in earnest. This won't be quick: AI machines need to be trained, testing on subsets of data has to be performed, and lots of tweaks will need to be made before a business AI is ready to hit the real world.

Source: https://www.techrepublic.com/article/artificial-intelligence-cheat-sheet/

43
ভেবে দেখুন কোন ব্যবসায় নামবেন

দেশে ভালো চাকরি যেমন অধরা সোনার হরিণ হয়ে উঠেছে, তেমনি অনেকেই আবার চাকরি করতে এতটুকু আগ্রহী নন। এ ধরনের স্বাধীনচেতা, সাহসী ও সৃজনশীল তারুণ্য বা যুব সম্প্রদায় নিজেরাই কিছু একটা করতে, মানে ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়ে নামতে চান। কিন্তু ‘ধর মুরগি, কর জবাই’ মানসিকতায় হুটহাট করে নেমে পড়লেই এখন আর সফল হওয়া যায় না, বরং ব্যর্থ হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। কারণ, সময় বদলেছে। আজকাল খুঁটিনাটি সব জেনে–বুঝে, সমস্যা ও সম্ভাবনা বিচার-বিশ্লেষণ করে তবেই মাঠে নামতে হয়।

নিজের বা পরিবারের কষ্টার্জিত অর্থ, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে পাওয়া ধারদেনা কিংবা ব্যাংকের দেওয়া ঋণ নিয়ে স্টার্টআপ বা নতুন উদ্যোক্তা হতে চান, ভালো কথা। কিন্তু যাত্রা শুরু করার আগে ব্যবসা বা শিল্পটির অ আ ক খ থেকে শুরু করে দশ দিগন্তের খোঁজখবর আপনার জানা থাকতে হবে। ব্যবসায়িক ঝুঁকি এড়াতে হলে আপনি প্রথমেই শিল্প-ব্যবসায়ের সংজ্ঞাসহ প্রচলিত নীতিমালা জেনে নিন। এরপর কোমর বেঁধে নেমে পড়ুন।


নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন জাগছে, কেন এসব জানতে হবে? জবাব খুবই সহজ, প্রচলিত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে আপনার নিজের ব্যবসায় রক্ষা ও তা টেকসই করার স্বার্থে। খুলেই বলা যাক, সরকার এখন বিভিন্ন সুবিধাসহ প্রণোদনা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকও তার পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে স্বল্প সুদে এসএমই ঋণ দেয়। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন মেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগও পাওয়া যায়। এসএমইর সংজ্ঞা ও নীতিসংক্রান্ত বিষয়গুলো জেনে নিলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ব্যবসা বা উদ্যোগে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা মিলবে। এতে কোন ব্যবসাটি করবেন বা কোন উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নামলে বেশি ভালো করতে পারবেন, এমন একটা ধারণা তৈরি হবে আপনার মনে। ফলে জুতসই ব্যবসা করা বা শিল্প গড়ে তোলা এবং সেটির সীমারেখা মানে পরিধিও নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা আপনার জন্য সহজ হবে।

বাংলাদেশের জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬-তে শিল্প-সেবা ও ট্রেডিং বা বাণিজ্য খাতের বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগের সংজ্ঞা ও ঋণসীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী শিল্প ও সেবা খাতের কটেজ বা কুটিরশিল্প, মাইক্রো শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এবং বাণিজ্য বা ট্রেডিং খাতে মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের কথা বলা আছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের (এসএমই) সঙ্গে এখন নতুন করে যোগ করা হয়েছে কটেজ (কুটির) ও মাইক্রো খাত। সব মিলিয়ে খাতটির নাম দেওয়া হয়েছে কুটির (কটেজ), মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই)। আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২৫ শতাংশই এখন আসছে এই খাত থেকে। আর মোট কর্মসংস্থানের ৪০ শতাংশ এই খাতে নিয়োজিত রয়েছে।

সিএমএসএমইর যত খাত

কুটিরশিল্প: ১০ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ হলে সেটি হবে কটেজ ইন্ডাস্ট্রি বা কুটিরশিল্প। উৎপাদন খাত হিসেবে বিবেচিত। এই শিল্পে মোট জনবল হবে সর্বোচ্চ ১৫ জন।

মাইক্রো শিল্প: বিনিয়োগের পরিমাণ ১০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকা হলে তা হবে মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রি। এই শিল্পে নিয়োজিত কর্মীর সংখ্যা হবে ১৬ থেকে ৩০ জনের মধ্যে। এটিও উৎপাদন খাত হিসেবে বিবেচিত।

ক্ষুদ্র শিল্প: উৎপাদন ও সেবা—দুই ধরনেরই প্রতিষ্ঠানই ক্ষুদ্রশিল্প শ্রেণিতে রয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাত হলে বিনিয়োগের পরিমাণ হবে ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি টাকা এবং জনবল হতে হবে ৩১ থেকে ১২০ জন। আর সেবা খাতের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ থাকতে হবে ১০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত, আর কর্মীসংখ্যা হবে ১৬ থেকে ৫০ জন।

মাঝারি শিল্প: উৎপাদন খাত হলে বিনিয়োগ হতে হবে ১৫ কোটি ৫০ কোটি টাকা। জনবল থাকবে ১২১ থেকে ৩০০ জন। আর সেবা প্রতিষ্ঠান হলে বিনিয়োগ থাকতে হবে ২ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকার মধ্যে এবং জনবল হবে ৫১ থেকে ১২০ জন।

প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখা, বিনিয়োগ ৫০ কোটি টাকার ওপরে হলে তা বৃহৎ বা বৃহদায়তনের উৎপাদনমুখী শিল্প হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ক্ষেত্রে কর্মীসংখ্যা হবে ৩০০ জনের বেশি। এ ছাড়া বৃহৎ সেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ৩০ কোটি টাকার বেশি এবং কর্মীর সংখ্যা ১২০ জনের বেশি হবে।
তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬

Source: https://www.prothomalo.com/economy/article/1620296/%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8

44
চতুর্থ শিল্পবিপ্লব: বাংলাদেশ কতখানি প্রস্তুত

১৫ বছর আগের কথাই ভাবুন। মোড়ে মোড়ে ছিল দোকান থেকে মোবাইল ফোন করার ব্যবস্থা। সঙ্গে সাইবার ক্যাফে, ডিভিডি, মুভি রেন্ট, এমপিথ্রি-পেনড্রাইভের দোকান। এখন শহরে আর এসব দেখতে পাওয়া যায় না হরহামেশা।

আবার ভাবুন, আপনি নিয়মিত কোনো সুপারশপে যান। এর পরেরবার সেখানে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বলে দেওয়া হচ্ছে আপনি সাধারণত কত টাকার শপিং করেন এখান থেকে, আর নিয়মিত কোন কোন সামগ্রী কেনেন, আর সেসবে সেদিন বিশেষ ছাড় চলছে কি না! অথবা ডাক্তারের কাছে গেলে আপনাকে সব মেডিকেল হিস্ট্রি গড়গড় করে বলতে হচ্ছে না, আপনার পরিচয়পত্রের সঙ্গেই যুক্ত ডেটাবেইসে রাখা আছে সেসব। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে এসব কিন্তু অসম্ভব কোনো কল্পনা নেই আর।

বাষ্প ইঞ্জিনের আবিষ্কারে শুরু হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব, বিদ্যুতের উদ্ভাবনে হয়েছিল দ্বিতীয়টি আর কম্পিউটার-ইন্টারনেটের প্রচলনে চলছিল তৃতীয় শিল্পবিপ্লব। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, মেশিন লার্নিং, ইন্টারনেট অব থিংস, বায়োটেকনোলজির সঙ্গে অটোমেশন প্রযুক্তির মিশেলে শুরু হয়েছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। এই বিপ্লব মোকাবিলায় বাংলাদেশের সামগ্রিক ব্যবস্থা কতটুকু প্রস্তুত?



কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আইবিএম ওয়াটসন যেখানে ডকুমেন্ট রিভিউ প্রসেস বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে ৮৫ ভাগ নিখুঁত আইনি সহায়তা দিচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে, সেখানে আমাদের আদালতে এখনো ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে দেখানোর কারিগরি প্রযুক্তিটুকু নেই।

অতি অল্পেই তৃপ্তির ঢেকুর তুলে ফেলার অভ্যাস আমাদের। দেশের সব প্রান্তে এখনো থ্রি-জি নেটওয়ার্কই পাওয়া যায় না, অথচ ফোর-জি নিয়েই তুমুল প্রচারণা চালানো হয়। সোফিয়ার মতো ‘চ্যাটবট’ রোবট দেখেই সরকারি মহলে সে কী উচ্ছ্বাস! অথচ এর চেয়ে ভালো রোবট আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়ারাই বানান নিয়মিত। জেপি মর্গানের ‘কইন’ যেখানে ডকুমেন্ট প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে সার্ভিস অটোমাইজেশন করে ফেলছে, আমাদের ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানে ‘ফেসবুক মেসেঞ্জার চ্যাটবট’ নিয়েই উল্লসিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের দুর্বল ডিজিটাল নিরাপত্তাব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় হাজার কোটি টাকার রিজার্ভ চুরির কলঙ্কের কথা তো বলাই বাহুল্য।

এখানে বলে রাখা ভালো, এই মেসেঞ্জার চ্যাটবট কেবল কিছু নির্ধারিত প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর দিতেই সক্ষম। আর অন্যদিকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে সফটওয়্যার প্রোগ্রাম তাকে জোগান দেওয়া বিপুল ডেটা আর অ্যালগরিদম অ্যানালাইসিস করে মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে আনকোরা সব প্রশ্ন বা সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে নিজস্ব সিদ্ধান্ত দিতে পারে এখন।

তাই আরেকটা বিষয় পরিষ্কার করে রাখা উচিত অবশ্যই। ইন্টারনেট ব্যবহার আর সফটওয়্যার অটোমেশন করে হওয়া ‘ডিজিটালাইজেশন’ কিন্তু তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের অংশ, যা নিয়ে এখন অনেক হইচই বাংলাদেশে। এর সঙ্গে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রধান নিয়ামক মেশিনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন সার্ভিস অটোমাইজেশনের মধ্যে কিন্তু বিস্তর ফারাক।

ওয়ালটনের কারখানায় ‘কম্প্রেসর অ্যাসেম্বলি’ করতে ব্যবহার করা হচ্ছে বেশ কিছু রোবটিক প্রযুক্তি। স্মার্ট ফ্রিজ আর স্মার্ট টিভি বানানোর কাজও দেশেই করছে ওয়ালটন। এসিআই ‘রুপালি’ প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘প্যাটার্ন অ্যানালাইসিস’ আর ‘আইওটি’ ব্যবহার করে মৎস্যচাষিদের দিচ্ছে অটোমাইজড পরামর্শসেবা। ‘ফসলি’ নামেও ডিজিটাল কৃষিসেবা দিচ্ছে এসিআই। এপেক্স গ্রুপ বিনিয়োগ করছে ‘গ্রে ডেটা সায়েন্স’ কোম্পানিতে। আমাদের টেক্সটাইল কারখানায় লেজার কাটিং প্রযুক্তিতেও এখন চলে এসেছে অটোমাইজেশন।

‘বিকাশ’-এর মাধ্যমে অনেকখানি বদলে গেছে এ দেশের মোবাইল-ব্যাংকিং সিস্টেম। প্রান্তিক লোকজন কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা ছাড়াই সহজে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন। বিকাশে প্রতিদিন এখন লেনদেন হচ্ছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। রকেট, নগদ, আইপে-ও কাজ করছে এখন এই সেক্টরে।

আইসিডিডিআরবিতে ‘কারা’ নামের টেলি-অফথালমোলজি প্রযুক্তি দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি শনাক্তের একটি অত্যাধুনিক পদ্ধতি চালু করা হয়েছে সম্প্রতি। ‘বন্ডস্টাইন’ টানা চার বছরের মতো সফলভাবে মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানোর জন্য আইওটি ডিভাইসের মাধ্যমে স্মার্ট ট্র্যাকিং ব্যবহার করে আসছে। অলীক, ইন্টেলিজেন্ট মেশিনস, দেশ এআই, ব্রেইনস্টেশন ২৩ সহ আরও কিছু উদ্যোগ স্বল্প পরিসরে কাজ করছে আইওটি, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে।

তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিংবা আইওটি সেক্টরে বিনিয়োগবান্ধব মানসিকতা এখনো গড়ে ওঠেনি। দেশের নীতিনির্ধারকেরা সত্যি বলতে এখনো অনেকটা সেকেলে। সরকারি হস্তক্ষেপে মাঝেমধ্যেই ব্যাহত হয় গুগল-ফেসবুক-ইউটিউবসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সেবা।

এর চেয়ে ভালো রোবট এখন আমাদের শিক্ষার্থীরাই বানাচ্ছে
এর চেয়ে ভালো রোবট এখন আমাদের শিক্ষার্থীরাই বানাচ্ছে
এ দেশের প্রাচীন আইন এখনো লিখে রেখেছে রীতিমতো চুক্তি করে ‘বর্গফুটের’ অফিস না নিলে ব্যবসা করা যাবে না। অথচ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে অনলাইনে ব্যবসা নিবন্ধন আর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে ঘরে বসেই ইন্টারনেট-সংযোগ দিয়ে তৈরি করা যায় বৈশ্বিক ব্যবসা। এসব আইনেও আনা দরকার পরিবর্তন।

শিল্পকারখানায় কী ধরনের জ্ঞান ও দক্ষতা লাগবে, সে বিষয়ে আমাদের শিক্ষাক্রমের তেমন সমন্বয় নেই। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় শিক্ষাব্যবস্থাকেও ঢেলে সাজাতে হবে। প্রাথমিক পাঠ্যক্রম থেকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সারা দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি অফিসের ফাইল-নথিপত্র ডিজিটাল ডকুমেন্টে রূপান্তরিত করতে হবে। আর নতুন ডকুমেন্টও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তৈরি করে সংরক্ষণ ও বিতরণ করতে হবে।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে দেশে প্রচুর সেমিনার আর গোলটেবিল বৈঠক হচ্ছে। সবারই একই মত, এই বিপ্লব মোকাবিলায় অনেক কাজ করতে হবে। এআই, আইওটি, বিগ ডেটা, ব্লকচেইনের মতো জনপ্রিয় শব্দ নিয়ে কথা বলা হচ্ছে সেখানে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেই। আর কেবল পরিকল্পনা করলেই তো হবে না, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের মানবসম্পদকেও যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে হবে এই পরিবর্তনের জন্য। তবে আশার কথা, সম্প্রতি ‘ন্যাশনাল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স স্ট্র্যাটেজি’ নিয়ে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনের কারণে আগামী ১০ বছরে অনেক পেশা হারিয়ে যেতে পারে, সঙ্গে অবশ্য যোগ হবে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র। পিডব্লিউসি জানাচ্ছে, স্বয়ংক্রিয়করণ প্রযুক্তির জন্য ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৮০ কোটি বর্তমান চাকরি হারিয়ে যাবে। স্বভাবতই আমাদের মতো শ্রমনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলো বিপদে পড়বে। তাই আমাদের এখন থেকেই জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, আইওটি, ব্লকচেইন এসব প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এখনো শিশু পর্যায়ে। এসব প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পণ্য সরবরাহ, চিকিৎসা, শিল্পকারখানা, ব্যাংকিং, কৃষি, শিক্ষাসহ নানা ক্ষেত্রে কাজ করার পরিধি এখনো তাই ব্যাপকভাবে উন্মুক্ত।

সত্যিকার অর্থে যেহেতু তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সুফলই আমরা সবার কাছে পৌঁছাতে পারিনি, চতুর্থ বিপ্লব মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রস্তুতি ক্লাসের পিছিয়ে পড়া ছাত্রের মতোই।


১৭৮৪ সাল

শিল্পবিপ্লব ১.০

বাষ্পীয় ইঞ্জিন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছিল গতিকে। যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে যাত্রা শুরু আধুনিক শিল্পায়নের দিকে। বাড়ে কয়লার খনি ও ইস্পাতের ব্যবহার।


১৮৭০ সাল

শিল্পবিপ্লব ২.০

উৎপাদনে নতুন অধ্যায় শুরু। বৈদ্যুতিক বাতি মানুষকে দেয় এক নতুন আলোকিত বিশ্ব। উদ্ভব ঘটে প্রোডাকশন লাইন ধারণার। উৎপাদন বাড়ে বহুগুণ।


১৯৬৯ সাল

শিল্পবিপ্লব ৩.০

কম্পিউটারের ব্যবহার ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির শুরু। আবিষ্কৃত ইন্টারনেট জগৎকে এনে দেয় মানুষের হাতের মুঠোয়। উদ্ভব ঘটে প্রোগ্রামেবল লজিক কনট্রোলার (পিএলসি) ব্যবস্থার।


এখন

শিল্পবিপ্লব ৪.০

ডিজিটাল বিপ্লব। স্মার্টফোনের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, রোবটিকস, জৈবপ্রযুক্তি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিংসহ নানা কিছু

সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্যাভিলিয়ন

Source: https://www.prothomalo.com/economy/article/1620316/%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AC-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4

45
খুব কষ্ট করে আমাকে এ পর্যায়ে আসতে হয়েছে

নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেডে মেডিকেল প্রতিনিধি পদ দিয়ে পেশাজীবন শুরু, জি এম কামরুল হাসান এখন আবদুল মোনেম লিমিটেডের ইগলু আইসক্রিম, ডেইরি ও ফুডের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। দেশি-বিদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিইওদের মধ্যে তিনি সুপরিচিত নাম।

এই উঠে আসাটা সহজ ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে টাকার অভাবে কখনো কখনো না খেয়ে দিন কাটিয়েছেন, স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বাদ দিয়েছেন, পেশাজীবনে বড় পদ ছেড়ে ছোট পদে যোগ দিয়েছেন, বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানিতে নিশ্চিন্ত জীবন ছেড়ে দেশি প্রতিষ্ঠানে মামলার মুখে পড়েছেন—সব মিলিয়ে কামরুল হাসানের পেশাজীবন বৈচিত্র্যময়।

কামরুল হাসান যে প্রতিষ্ঠানের সিইও, সেই ইগলুর কথা আগে জানিয়ে নিই। এটি দেশের আইসক্রিমের বাজারের অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান। বাজারে তাদের হিস্যা ৪০ শতাংশের মতো। চার বছরে ইগলুর ব্যবসা প্রায় দ্বিগুণ করেছেন কামরুল হাসান।



দেশি-বিদেশি বড় প্রতিষ্ঠানের সিইও পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষার্থীদের আধিপত্য। অন্তত ব্যবসায় বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি না থাকলে পাত্তা পাওয়া কঠিন। সেখানে জি এম কামরুল হাসান পড়েছেন প্রাণরসায়ন বা বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সালেহা আক্তার ও আবদুল হামিদ দম্পতির আট সন্তানের মধ্যে কামরুল হাসান সবার ছোট। যে বছর তাঁর জন্ম, সেই বছর (১৯৭০) পিতা খাদ্য বিভাগের চাকরি থেকে অবসর নেন। ফলে সবচেয়ে ছোট সন্তানের পড়াশোনা চালানোর জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সংগতি তাঁর ছিল না। কামরুল হাসান বলেন, ‘ভালো ছাত্র ছিলাম। সব সময় প্রথম হতাম। তাই স্কুল ও কলেজে বেতন লাগত না। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর এক ভাই ও এক বোন মাসে মাসে কিছু টাকা দিত। তাই দিয়েই চলত।’

তবে সে টাকা নিতে তাঁর আত্মসম্মানে লাগত। নিজের খরচ নিজেই জোগাতে কখনো টিউশনি করেছেন। একসময় গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে রসায়নের একটি কোর্সের ৬০ জন শিক্ষার্থীর একটি ব্যাচকেও পড়িয়েছেন। কিছুদিন একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় (এনজিও) খণ্ডকালীন চাকরি করেছেন।

কামরুল হাসান বলেন, ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে আড্ডাময় বিকেল বলতে কিছু ছিল না। সহপাঠীরা যখন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিত, আমি তখন রোজগারের পেছনে ছুটতাম। এমনও দিন গেছে, টাকার অভাবে না খেয়ে থেকেছি। ঈদের দিন না খেয়ে হলে শুয়ে থেকেছি।’ তিনি বলেন, ‘সেদিন আমার মেয়ে একটি বার্গার কিনতে এক হাজার টাকা চাইল। সে বলল, এক হাজার টাকার নিচে কি ভালো বার্গার হয়? আমি ভাবলাম, তাদের বাবা একসময় বানরুটি খেয়ে দিন কাটিয়েছে, এগুলো বাচ্চারা কি বিশ্বাস করবে?’

কামরুল হাসানের দুই সন্তান। মেয়ে পঞ্চম শ্রেণি ও ছেলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। স্ত্রী একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। অন্যদিকে তিনি এখন সর্বোচ্চ বেতনধারী সিইওদের একজন।

আয় করতেই হবে

কামরুল হাসানের স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার। স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় হয়েছিলেন। ইচ্ছা ছিল পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের। কিন্তু নিজের খরচ নিজেই চালাতে হবে। পড়াশোনা শেষ করেই চাকরিতে যোগ দিতে হবে। এই তাগিদ থেকে আবেদন করলেন নেসলে বাংলাদেশের মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ পদে। ১৬২ জনের মধ্য থেকে ২ জন চাকরি পেলেন, যার একজন কামরুল হাসান (১৯৯৫ সালে)। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা যেমন চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ওষুধ সম্পর্কে পরিচিতি তৈরির কাজ করেন, কামরুল হাসানের কাজ ছিল শিশুখাদ্যের বাজার তৈরি।

ব্র্যান্ডে টিটকারির মুখে

কামরুল হাসান বলেন, ‘নেসলেতে শুধু পরিশ্রম করেছি। স্টেশনে, ছারপোকা ভরা হোটেলে রাত কাটিয়েছি। সফলতাও এসেছে। একসময় আমি নেসলের ব্র্যান্ড বিভাগে যুক্ত হলাম। প্রাণরসায়নের ছাত্র হয়ে ব্র্যান্ডিংয়ে গিয়ে শুরুতে টিটকারি শুনতে হতো। সহকর্মীরা আমাকে এড়িয়ে নিজেরা আড্ডা দিতেন।’

অবশ্য সময় বেশি লাগেনি, দুই বছরের মধ্যে কামরুল হাসান সেরা ব্র্যান্ড ম্যানেজার হলেন। অবশ্য ব্র্যান্ডে যোগ দিতে শর্ত হিসেবে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করতে হলো তাঁকে। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ৩ দশমিক ৯৬ সিজিপিএ (চারের মধ্যে) নিয়ে নিয়মিত বা রেগুলার এমবিএ করলেন কামরুল হাসান। বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়ায় শুরুতে তাঁকে ব্র্যান্ডে দিতে রাজি হয়নি নেসলের ব্যবস্থাপনা। তিনি বলেছিলেন, ‘না পারলে আমাকে বাদ দিয়ে দিয়েন।’

১২ বছর চাকরি করার পর ২০০৭ সালে নেসলে ছেড়ে দেন কামরুল হাসান। যোগ দেন রহিমআফরোজে। সেখান থেকে ইগলু, নিউজিল্যান্ড ডেইরি, নিউজিল্যান্ডের দুধ বিপণনকারী ফন্টেরা (সিঙ্গাপুরে) ও প্রাণ হয়ে আবার ইগলুতে।

কামরুল হাসান বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ডেইরিতে আমি এক পদ নিচে যোগ দিই। এর কারণ ছিল, আমি ভালো একটি জায়গা খুঁজছিলাম। নিউজিল্যান্ড ডেইরিতে তিন মাসের মধ্যে ব্র্যান্ড ম্যানেজার থেকে আমাকে মার্কেটিং ম্যানেজার, এক বছর পরে হেড অব মার্কেটিং করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘ফুটবলে আক্রমণ করার জন্য অনেক সময় বল মাঝমাঠ থেকে রক্ষণভাগে পাঠানো হয়। আমিও চাইছিলাম আমার ক্যারিয়ারকে পুনর্গঠন করতে। এ কারণেই ছোট পদে যোগ দেওয়া।’

‘এ লোক নাছোড়বান্দা’

ফন্টেরায় পদ ছিল কান্ট্রি ম্যানেজার, অফিস সিঙ্গাপুরে। একদিন বিমানবন্দরে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর তাঁর পরামর্শ ও পরিবারের কাছে থাকার তাগিদে কামরুল হাসান যোগ দেন প্রাণে। পদ ছিল প্রাণের মার্কেটিং প্রধান (২০১৫ সালে)।

অবশ্য প্রাণে বেশি দিন থাকেননি কামরুল হাসান। হঠাৎ প্রাণ ছেড়ে চাকরি খুঁজছিলেন। গেলেন এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীরের কাছে। তিনি বললেন, সেখানে যোগ দিতে। কিন্তু বেতন ততটা দেওয়া যাবে না।

অফার লেটার নিলেন। এর মধ্যে কামরুল হাসানকে ফোন করলেন আবদুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল মোনেম নিজে। দেখা করতে গেলে তিনি বললেন, ইগলুর দায়িত্ব নিতে। কামরুল হাসান বলেন, ‘আমি নানা কারণ দেখিয়ে যোগ দেব না বলে বেরিয়ে গেলাম। আবদুল মোনেম সাহেব আবার ফোন করলেন। বললেন, তুমি মুখের ওপর না বলতে পেরেছ। তুমিই পারবে। ইগলুর দায়িত্ব নাও। আমি তোমাকে কাজের পূর্ণ স্বাধীনতা দেব।’

২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর কামরুল হাসান ইগলুতে যোগ দেন। চলতি বছর চার বছর হয়েছে। এক দফা পদোন্নতি হয়েছে। ডেইরি ও ফুডসের দায়িত্ব যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে অসাধু বেশ কিছু কর্মী ও পরিবেশক বাদ দিয়েছেন। পরিবেশকেরা হুমকি দিয়েছে, মামলা করেছে, সবকিছু সামলে ইগলুর ব্যবসাকে সামনে এগিয়ে নিয়েছেন কামরুল হাসান।

‘শুরুর দিকে অফিসের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার কেউ কেউ বলত, এ লোক তিন মাসও টিকবে না। এখন সবাই বলে, এ লোক নাছোড়বান্দা’—যোগ করেন কামরুল হাসান। তিনি বলেন, এখনকার তরুণেরা পেশাজীবনে টি-২০ ঢংয়ে উন্নতি চায়। দরকার আসলে টেস্ট খেলা। ক্রিজে পড়ে থাকলে রান আসবেই, সেঞ্চুরিও হবে। ২০১৭ সালে সাউথ এশিয়া পার্টনারশিপ সামিটে এফএমসিজি শ্রেণিতে সেরা সিইওর সম্মাননা পান কামরুল হাসান।

পেশাজীবনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এসেও দিনভর কাজ করাই কামরুল হাসানের কাজ। তিনি মনে করেন, সফলতার জন্য কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। আর দরকার সততা।

একনজরে

শিক্ষা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর। পরে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ।

পেশা শুরু
১৯৯৫ সালে নেসলে বাংলাদেশ লিমিডেটের মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে।

চাকরি
নেসলে ছাড়াও রহিমআফরোজে, নিউজিল্যান্ড ডেইরি, ফন্টেরা ও প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন পদে।

এখনকার পদ
আবদুল মোনেম লিমিটেডের ইগলু আইসক্রিম, ডেইরি ও ফুডের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।

তরুণদের প্রতি পাঁচ পরামর্শ

১.   তরুণেরা যা কিছুই করবে, তাতে প্যাশন বা তীব্র অনুরাগ থাকতে হবে। সবাই তাড়াতাড়ি বড় হতে চায়, যা সবচেয়ে বড় ভুল।

২.   বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু একটা করা উচিত। এমনকি হতে পারে টিউশনি অথবা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকা। এতে যোগাযোগদক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ তৈরি হবে।

৩.   উপস্থাপনায় দক্ষ হতে হবে। ভারতীয়রা বাংলাদেশিদের চেয়ে বেশি মেধাবী নয়। কিন্তু তাদের উপস্থাপনার দক্ষতা অনেক ভালো।

৪.   নিজেকে অন্যদের থেকে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে আলাদাভাবে যোগ্য করে তুলতে হবে।

৫.       কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। পরিশ্রমের সুফল একসময় না একসময় পাওয়া যাবেই।

Source: https://www.prothomalo.com/economy/article/1620303/%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 20