Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - afrin.ns

Pages: 1 [2] 3
16
কেউ অজুহাত দেন, দিনে চারটি খেলে ক্ষতি হয় না। কেউ বলেন, সকালে আর রাতে ২টা মাস্ট। ওটা না হলে চলবে না। কারও দিনে হিসেব পর্যন্ত থাকে না। যদিও সিগারেটের প্যাকেটে বড় বড় হরফে লেখা এবং ছবি দেওয়া থাকে, ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’। অজুহাত যাই হোক, মাত্র একটা সিগারেটও আপনার যে অপূরণীয় ক্ষতি করছে তা জানলে আপনি না হোন, আপনার প্রিয় জনেরা অবিলম্বে ধূমপান ছাড়ার পরামর্শই দেবেন।

হাঁপানি: প্রথম টান থেকে সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ফুসফুসের। যারা বংশানুক্রমিকভাবে হাঁপানির সমস্যা নেই, তাদের মধ্যে এই সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুন। ফুসফুসের মধ্যে থাকা মিউকাস দ্রুত ধোঁয়া এবং তার সঙ্গে মারাত্মক টক্সিনকে ফুসফুসে আটকে রাখতে সাহায্য করে। ফলে নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। ফুসফুসে উপস্থিত সিলিয়া এই মিউকাস সরিয়ে দেয়, কিন্তু ধোঁয়া সিলিয়াকে পঙ্গু করে রাখে সারা দিনের জন্য।

হার্টের সমস্যা: প্রথম সুখটান নেওয়ার পর থেকে হার্ট তার স্বাভাবিক কাজ করতে বাধা পায়। স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত হারে বিট করতে থাকে। তার সঙ্গে নিকোটিন শরীরের লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা যাকে আমরা খারাপ ফ্যাট হিসাবে চিনি, তা ভাঙার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে এই বাজে ফ্যাট রক্তের সঙ্গে শিরা-উপশিরায় ঘুরে বেড়ায় বিনা বাধায়। এরাই পরবর্তী কালে রক্ত চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি করে।

অ্যাসিডিটির সমস্যা: সমান্যতম নিকোটিনও ভায়নক মাত্রায় অ্যাসিডিটি তৈরি করে শরীরে। নিকোটিন পাকস্থলির সুরক্ষার পরত কমিয়ে দেয়। তার সঙ্গে ধোঁয়া বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে অ্যাসিড তৈরির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে বাড়তি অ্যাসিড পাকস্থলির মধ্যে গিয়ে পাকস্থলির মারাত্মক ক্ষতি করে। পাকস্থলি যখন এই অতিরিক্ত অ্যাসিড বার করতে সচেষ্ট থাকে তখন ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ফোলিক অ্যাসিডের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি শোষণ করতে পারে না। এটা আপনাকে দ্রুত দুর্বল করতে যথেষ্ট থাকে।

নাক বন্ধ করে, কানে চাপ তৈরি করে: সাইনাসের আশপাশে সুরক্ষাকবচ হিসাবে খুব সুক্ষ রোম থাকে। যাতে ধুলোবালি সহজে প্রবেশ না করতে পারে। ধোঁয়া তাৎক্ষণিক সেই রোমগুলিকে পঙ্গু করে দেয়। এটাই মিউকাস তৈরি করতে সাহায্য করে, যা সাইনাসে জমা হয়ে যন্ত্রাণা শুরু হয়। এতে ইনফেকশনের সম্ভাবনাও অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এর সঙ্গে ঘ্রাণশক্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার সঙ্গে কানেও চাপ তৈরি করে।

মস্তিষ্কের ক্ষতি: বেশিরভাগ ধূমপায়ী একটা কথা বলে থাকেন, ধূমপানের পর তারা খানিকটা চিন্তামুক্ত হন, বা খানিকটা রিল্যাক্সড হন। কিন্তু গবেষণা বলছে, হয় ঠিক এর উল্টোটা। নিকোটিন মস্কিষ্কে খুব দ্রুত আঘাত করে এবং সেই অংশকে প্রভাবিত করে যা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে, সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সাহায্য করে এবং পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে। আপনি বুঝতেও পারেন না, কয়েক সেকেন্ডের জন্য আপনার মস্তিষ্ক কাজই করে না।

17
বিশ্বায়নের এই যুগে দৈনন্দিন কাজে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার এবং প্রয়োগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। কিন্তু বাংলা ভাষাভাষীদের অনেকেই চর্চার অভাবে এর সঠিক প্রয়োগ করতে পারছেন না। তাই তাদের অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে ২০১৬ সালে বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য সহজে ইংরেজি শেখা ও চর্চার নতুন একটি ওয়েবসাইট Englishfor2day.com।

(http://www.englishfor2day.com/ ) তৈরি করেছিলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মো: শামীম হোসেন। কিন্তু এবার তিনি এই ওয়েবসাইটিকে সবার কাছে আরো সহজে পৌছে দেবার জন্য তৈরি করলেন Englishfor2day.com এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোডের [https://play.google.com/stor/apps/details?id=englishfor2day.com&hl=en] মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কিংবা চাকুরি প্রত্যাশীরা নিয়মিতভাবে কুইজে (Daily Quiz) অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং জানতে পারবেন Preposition, Synonym এবং Antonym সহ আরো অনেক কিছু। Online Exam বিভাগে লগইন করে যে কেউ নিজের অবস্থান যাচাই করতে অনলাইন এ পরীক্ষা দিতে পারবেন।

এছাড়াও এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপেসের Spoken Rules বিভাগ থেকে সবাই ইংরেজি ভাষাকে আরও সহজভাবে শিখতে ও চর্চা করতে  পারবে। অ্যাপসটির Article বিভাগ থেকে Dialogue, Paragraph, Essay, Composition, Story writing এবং Email writing সহ আরো অনেক কিছু জানতে পারবে। সকল পেশার লোকজন তাদের দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহার্য বাংলা বাক্যের ইংরেজি প্রয়োগ পাবেন অ্যাপসটির Manners and Dialogue বিভাগে।

এছাড়া ছাত্রছাত্রী ও চাকুরি প্রত্যাশীদের জন্য ব্যবহার্য শব্দসমূহের ভাণ্ডার পাওয়া যাবে অ্যাপসটির Vocabulary বিভাগে। বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের জন্য অ্যাপসটির GRE বিভাগে আছে GRE'র শব্দসমূহ।

ইংরেজী পত্রিকাগুলোতে বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলির বাংলা অর্থ দেখা যাবে Newspaper Words বিভাগে। এছাড়া অ্যাপসটিতে আরো সংযুক্ত আছে Basic Grammar এর সকল নিয়মসহ Form of verbs, Proverb, Idioms & Phrase, Acronym and Abbreviation, Terminology। Correct Pronunciation বিভাগের হেয়ার বাটনে ক্লিক করে Listening Skill এর সক্ষমতা বাড়াতে পারবেন।

ওয়েবসাইটটির নির্মাতা মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের সবার মাঝে কম বেশি ইংরেজি ভাষা নিয়ে ভয় কাজ করে। এই ভয়কে দূর করতে এবং নিজ থেকে ইংরেজি ভাষা আরও সহজে শেখার ক্ষেত্রে এই অ্যাপসটি অনেক সাহয্য করবে বলে আমি আশাবাদী।

18
কাজু, পেস্তা, চীনাবাদাম কিংবা আখরোট -সব ধরনের বাদামই পুষ্টিগুণে ভরপুর। বাদামে প্রচুর পরিমানে আঁশ, ভিটামিন বি, এ, খনিজ যেমন-জিঙ্ক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সংমিশ্রণ থাকে।

বাদামে প্রচুর পরিমানে শক্তি এবং পুষ্টিকর পরিপোষক পদার্থ থাকে। এতে থাকা ফ্যাটি এসিড শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়।

বাদাম হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়তা করে। এছাড়া স্তন, কোলন এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে বাদাম কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

বাদাম বাত, আলঝাইমার রোগের জন্য উপকারী। এটি বিষন্নতা কমাতে সাহায্য করে।

বাদামে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম , জিঙ্ক, কপার, ফলুরয়েড, সেলেনিয়াম আছে। পটাশিয়াম হৃদপিণ্ড এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। কপার লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহ্যা করে। আবার ফ্লুরয়েড দাঁতের সমস্যা কমায়।

বাদামে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।

বাদামে যদিও ফ্যাটি এসিড আছে কিন্তু এটা ওজন বাড়ায় না। বরং স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে। এটা ক্ষুধা নিবারনেও ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৩০ গ্রাম বাদাম খাওয়া উচিত। তবে বাড়িতে সবসময় এই ওজন মেপে বাদাম খাওয়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ টি আখরোট, কাজু বা পেস্তা বাদাম খেতে পারেন। আর চীনা বাদামের পরিমান হবে আরেকটু বেশি। 

19
ডায়বেটিসর লক্ষণ হচ্ছে ডায়বেটিস হওয়ার আগে সতর্ক বাত্রা। কারও রক্তে শর্করার পরিমান ডায়বেটিসের বর্ডার লাইনের কাছাকাছি হলেই বুঝতে হবে ডায়বেটিস হতে খুব দেরী নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাত্রা পরিবর্তন , চিকিৎসার মাধ্যমে এই সময় ডায়বেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

যদি পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে ডায়বেটিসের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে আগের চেয়ে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। সিড়ি ভেঙ্গে উঠা,নিয়মিত শরীর চর্চা এসব শুরু করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানান, যত বেশি শারীরিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে ততই ডায়বেটিসের লক্ষণ কমে যাবে। কারণ শারীরিক কার্যক্রম রক্তে শর্করার পরিমান নিয়ন্ত্রণ এবং  শরীরের ফ্যাট কমায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন ব্যয়াম করতে হবে।

যদি আপনার ওজন বেশি থাকে ,তাহলে ওজন কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ডায়বেটিসের লক্ষণ আছে এমন ব্যক্তিরা শরীরের ওজন ৫ থেকে ৭ ভাগ কমানোর কারণে তাদের ডায়বেটিসের আশঙ্কা শতকরা ৫৮ ভাগ কমে গিয়েছে।

ডায়বেটিসের লক্ষণ ধরা পড়লে প্রতি তিনমাস না হয় ছয়মাস পর পর চিকিৎসককে দেখানো উচিত।

খাবারের তালিকায়ও এই সময় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যেমন- পালং শাক, অন্যান্য সবুজ শাকসবজি, ব্রকলি, গাজর এবং সবুজ শিম এগুলো খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন খাদ্য তালিকায় এইসব খাবার রাখতে হবে।

এছাড়া প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় ফাইবারসৃদ্ধ খাবার এবং কমপক্ষে ১ থেকে ৩ টি ফল রাখতে হবে।

আবার উচ্চ ক্যালরি সম্পন্ন খাবার যেমন- ফাস্ট ফুড, চিপস, মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িতে চলতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুম না হলেও ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। এজন্য ডায়বেটিসের লক্ষণ দেখা দিলে ঘুমের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ রাখতে হবে। প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে একই সময়ে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ঘুমানোর আগে টিভি , কম্পিউটার দেখা, স্মার্ট ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

ডায়বেটিসের লক্ষণ দেখা দেওয়া মানেই ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়া নয়। বরং ওজন নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত ব্যায়াম আপনাকে ডায়বেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে।

সূত্র : ওয়েব এমডি

20
আঙুর নানা আকার ও রঙের হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবুজ, লাল, নীল, বেগুনি কিংবা কালো আঙুর পাওয়া যায় । সারা বিশ্বে যত আঙুর চাষ হয় তার বড় একটা অংশ মদ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আর কিছু অংশ শুকিয়েও ফেলা হয়।

ঐতিহাসিকদের মতে, আঙুরের চাষ প্রথম শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্যে। ধীরে ধীরে ফলটি জনপ্রিয় হতে থাকে। মদ তৈরির কাজে এর ব্যবহার বেশি। আস্তে আস্তে এর চাষ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে থাকা ফিউটোনিউট্রেইন্ট উপাদান বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়া আঙুর হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আঙুর পানি ও ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।

ফলটিতে পটাশিয়াম বেশি এবং সোডিয়াম কম থাকায় এটি শরীরের কার্যক্রম সক্রিয় রাখে। প্রতি ১০০ গ্রাম আঙুরে ১৯১ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে।

চোখের জন্যও আঙুর বেশ উপকারী ফল। গবেষণায় দেখা গেছে, আঙুরে থাকা উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বাড়ায়। এ কারণে যারা মস্তিষ্কের সমস্যায় ভোগেন বিশেষ করে আলঝাইমার রোগীদের জন্য এটি বেশ কার্যকরী।

যারা নিয়মিত আঙুর খান তাদের হাঁটুর ব্যথা অনেকটাই কমে যায়। সূত্র : এনডিটিভি

21
ঘুম থেকে  উঠে, কাজের ফাঁকে কিংবা আড্ডায় সব জায়গাতেই চায়ের কদর রয়েছে। চা ছাড়া আমরা একদিনও ভাবতে পারি না। সম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত গরম চা খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। যদিও এটা সবার জন্য নয়। গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত ধূমপান এবং মদ্যপান করেন তারা যদি নিয়মিত গরম চা-ও পান করেন তাদের খাদ্যনালীর ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

সম্প্রতি চীনের 'অ্যানালস্‌ অব ইন্টারনাল মেডিসিন' এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এই তথ্য জানা যায়। গবেষকরা বলছেন, অ্যালকোহল ও নিকোটিন সেবন করার সঙ্গে সঙ্গে কেউ যদি গরম চা পান করেন তাহলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে মরণরোগের বীজ।

গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক 'চীনের পেকিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ পাবলিক হেলথ ইন চায়না'র অধ্যাপক জুন লিভ বলেছেন, ধূমপান ও অ্যালকোহলের সঙ্গে অতিরিক্ত গরম চা পানে আমরা ক্যান্সারের ঝুঁকি খুঁজে পেয়েছি।'

গবেষকরা ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার মানুষের ওপর ১০ বছর ধরে এই গবেষণা চালান। গবেষণার পর তারা এই সিদ্ধান্ত নেন যে, খুব গরম চা পান করলে ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ীদের ক্ষেত্রে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। বিশেষ করে যারা প্রচুর পরিমাণে নেশা করেন,তাদের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। তবে যাদের ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাস নেই তাদের গরম চায়ে চুমুক দিতে কোনো ভয় নেই।

22
ভ্যালেনটাইন্স ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আসতে খুব বেশি দেরী নেই। বেশিরভাগের এই দিনটি শুরু হয় গোলাপ দিয়ে। গোলাপ এমনই একটা ফুল কাউকে কোনো কথা না বললেও শুধু এটা দিয়েই অনেক কিছু বলা হয়ে যায়। কাউকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্যও গোলাপের জুড়ি নেই।

জীবনের প্রতিটা দিনই ভালোবাসার। তারপরেই ভ্যালেনটাইন্স ডে যেন সারা বিশ্ববাসীর কাছে বিশেষ একটি দিনে পরিণত হয়েছে। শুভকামনা কিংবা প্রিয়জনেকে কিছু উপহার দেওয়ার জন্য এটা একটা বিশেষ দিন। এমন দিনে কাউকে শুভকামনা, ভালোবাসা কিংবা কৃতজ্ঞতা জানাতে বেছে নিতে পারেন বিভিন্ন রঙের গোলাপ ফুল। কারণ একেকটি গোলাপ একেকটি অর্থ প্রকাশ করে।

লাল রঙের গোলাপ হয় ভালোবাসার প্রতীক। আপনি কাউকে ভালোবাসেন অথচ বলতে পারছেন না, তাকে একটা অথবা এক ঝুড়ি লাল রঙের গোলাপ দিন। এর মাধ্যমে তাকে জানিয়ে দিতে পারবেন আপনি তাকে ভালোবাসেন।

সাদা হচ্ছে পবিত্রতা, নিষ্পাপতা আর মানবতার প্রতীক। খ্রিষ্টীয় মতে, সাদা গোলাপ হলো বিয়ে এবং নতুন কিছু শুরুর প্রতীক। তাই সাদা গোলাপ নতুন সম্পর্ক বা বিয়ের জন্য আদর্শ। তবে শুধুমাত্র দম্পতি নয়, প্রিয় কোনও বন্ধু অথবা সহকর্মীর সঙ্গে যদি আপনার ঝগড়া হয়, সম্পর্ক তিক্ত হয় কোনও কারণে তাকে একগুচ্ছ সাদা গোলাপ দিয়ে ছোট্ট করে লিখতে পারেন, শান্তি চাই।

হলুদ গোলাপ বন্ধুত্বের প্রতীক। ভ্যালেন্টাইন দিবসে প্রিয় বন্ধুকে হলুদ গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। উজ্জ্বল রঙের এই ফুল আনন্দের প্রতীক। যদি কোনও বন্ধুর মন খারাপ কিংবা অসুস্থতা থাকে তাকে হলুদ রঙের গোলাপ দিতে পারেন  শুভকামনা জানানোর জন্য। 

কারও কাজে গর্ব অনুভব করলে তাকে কমলা রঙের গোলাপ দিয়ে শুভকামনা জানাতে পারেন। কারণ কমলা হচ্ছে উৎসাহ আর অনুপ্রেরণার রঙ।

যদিও একেক রঙের গোলাপের অর্থ এককরকম তারপরেও আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো রঙের গোলাপই কাউকে দিতে পারেন বিশেষ দিনে। 

23
স্বাদের জন্য কমলা সারা বিশ্বের জনপ্রিয় একটি ফল। তবে শুধু স্বাদ নয় , ফলটি গুণেও অনন্য। এতে খুব কম পরিমানে ক্যালরি থাকে। এটি ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং অনেক ধরনের রোগ থেকে বাঁচায়।

আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বেশি পরিমানে সাইট্রাস জাতীয় ফল মানে কমলা এবং আঙুরের মতো ফল খেলে নারীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা বেশি পরিমানে সাইট্রাস জাতীয় ফল খায় তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি অন্যান্যদের চাইতে শতকরা ১৯ ভাগ কমে যায়।

কম পরিমানে সোডিয়াম থাকায় কমলা উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য বেশ কার্যকরী।

'আমেরিকান জার্নাল অফ এপিডেমিউলজি ' তে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, শিশুর জন্মের প্রথম দুই বছরে যদি তাকে কলা, কমলা এবং কমলার রস খাওয়ানো যায় তাহলে শৈশবে লিউকেমিয়া হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।

প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন সি থাকায় কমলা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

আঁশ, পটামিয়াম, ভিটামিন সি থাকায় কমলা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত কমলার রস খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি কমে , কিডনির পাথর জমার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলা শরীরের যেকোন ধরনের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। কমলায় প্রচুর পরিমানে আঁশ থাকায় এটি হজমে সহায়তা করে,কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

24
তলপেটে, কোমরে বা পিঠে ব্যথা এখন প্রায় রোজকার সমস্যার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ছেলে থেকে বুড়ো— কমবেশি সবাই এখন এই সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু বিরক্তিকর এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? শুধুই কি পেনকিলার বা ব্যথানাশক? মোটেও না। চিকিৎসকেরা বরং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের দিকেই জোর দিচ্ছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ভিটামিন সমৃদ্ধ তেমনই কিছু খাবার সম্পর্কে, যেসব খাবার ব্যথানাশক হিসেবেও দারুণ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

মিন্ট: ব্যথা উপশমের প্রাকৃতিক টোটকা মিন্ট। ব্যথার পাশাপাশি গ্যাস ও অম্বল কমাতেও সাহায্য করে মিন্ট অয়েল।

ভার্জিন অলিভ অয়েল: ভার্জিন অলিভ অয়েলে রয়েছে লুব্রিসিন, যা পেশির ব্যথা ও হাড়ের সমস্যায় ভীষণ উপকারে আসে।

ব্লু বেরি: ব্লু বেরির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা প্রদাহজনিত রোগ ও পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।হলুদ: রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিও-আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে হলুদের ভূমিকার কথা এক বাক্যে মেনে নিচ্ছেন হালের বড় বড় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও। তাদের মতে, হলুদের মতো ঘরোয়া টোটকার কোনো বিকল্প নাকি নেই। ব্যথাসহ নানা ধরনের রোগের চিকিৎসায় হলুদের গুরুত্ব রয়েছে।

স্যামন মাছ: যারা বাতের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন বা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য স্যামন মাছ হতে পারে দারুণ উপকারী এক খাবার। স্যামন মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি-ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হৃদরোগ ও আর্থ্রাইটিসের মতো রোগ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

আদা: যে কোনো ধরনের সর্দি, কাশি বা জ্বরে আদার রস খুবই উপকারী। এছাড়া ঋতুকালীন ব্যথা এবং পেশির ব্যথা কমাতেও দারুণ কাজ করে আদা।

25
Food Habit / Top 10 foods to increase Brain Power in kids
« on: February 16, 2018, 12:14:15 PM »
Brain foods for kids : Almonds
Brain foods for kids : Whole Grains
Brain foods for kids : Amla or Indian Gooseberries
Brain foods for kids : Berries
Brain foods for kids : Nuts
Brain foods for kids: Green Leafy Vegetables & Dark Green Vegetables
Brain foods for kids: Fermented Foods, Full fat yogurt/ curd
Brain foods for kids : Water
Brain foods for kids : Eggs
Brain foods for kids: Fatty Fish

26
Cold / Flu / 10 Tips: Keeping Children Safe in Cold Weather
« on: February 16, 2018, 12:06:49 PM »
Think layers. Put several layers of clothing on your child and make sure their head, neck and hands are covered. Dress babies and young children in one more layer than an adult would wear.
Beware clothing hazards. Scarves and hood strings can strangle smaller children so use other clothing to keep them warm.
Check in on warmth. Tell children to come inside if they get wet or if they’re cold. Then keep watching them and checking in. They may prefer to continue playing outside even if they are wet or cold.
Use sunscreen. Children and adults can still get sunburn in the winter. Sun can reflect off the snow, so apply sunscreen.
Install alarms. More household fires happen during the winter so make sure you have smoke and carbon monoxide alarms in your home.
Get equipped. Children should always wear helmets when snowboarding, skiing, sledding or playing ice hockey. Any sports equipment should be professionally fitted.
Teach technique. It takes time to master fun winter activities like sledding, so make sure children know how to do the activity safely.
Prevent nosebleeds. If your child suffers from minor winter nosebleeds, use a cold air humidifier in their room. Saline nose drops can help keep their nose moist.
Keep them hydrated. In drier winter air kids lose more water through their breath. Keep them drinking and try giving them warm drinks and soup for extra appeal.
Watch for danger signs. Signs of frostbite are pale, grey or blistered skin on the fingers, ears, nose, and toes. If you think your child has frostbite bring the child indoors and put the affected area in warm (not hot) water. Signs of hypothermia are shivering, slurred speech, and unusual clumsiness. If you think your child has hypothermia call 9-1-1 immediately.

27
পাউরুটি: প্রতিদিন সকালে পাউরুটি বা ব্রেড–জাতীয় খাবার দিয়ে নাশতার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। তবে ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো খাদ্যতালিকায় থাকা এই পাউরুটি। গ্লুটেন হলো একধরনের প্রোটিন, যা পাওয়া যায় গম, যব, রাই ও ওটস–জাতীয় খাবার, অর্থাৎ পাউরুটিতে। আর এই গ্লুটেনের কারণেই বাড়ে ব্রণ।
আলুর চিপস: ঝটপট নাশতায় আলুর চিপস আমাদের অনেকেরই প্রিয়। তবে এই আলুর চিপসই বাড়ায় মুখের ব্রণ। এতে অতিরিক্ত পরিমাণে শর্করা আছে, যা শরীরে ইনসুলিনের বিপরীতে দ্রুত কাজ করে। ব্রণের ব্যথা-বেদনা বাড়িয়ে দেয়।
চকলেট: সাম্প্রতিক গবেষণায় ব্রণ বাড়ার সঙ্গে চকলেটের একটি সম্পর্ক পাওয়া গেছে। চকলেট কমবেশি অনেকেই পছন্দ করে। এতে রয়েছে প্রচুর চিনি, যা মুখের ব্রণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই চকলেট থেকে দূরে থাকাই ভালো।
দুধ: শরীরের জন্য সুষম খাবার। খাদ্যতালিকায় তাই রোজ এক গ্লাস দুধ রাখতে বলা হয়। তবে দুগ্ধজাত খাবার ইনসুলিনের বিপরীতে কাজ করে। আর যার ফলে ব্রণের সমস্যা বাড়ে। তারপরও খাবারের তালিকা থেকে দুধ বাদ না দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।
সোডা: সোডা–জাতীয় পানীয়তে আসলে তেমন পুষ্টিকর কিছু নেই। এটি ত্বকের জন্য একদমই ভালো নয়। এতে ফ্রুকটোজের মাত্রা অত্যধিক থাকে। আর ফ্রুকটোজ হলো মূলত চিনি, যা মুখে ব্রণের প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। সূত্র: এনডিটিভি অনলাইন।

28
শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। দীর্ঘ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে খানিকটা হয়তো স্বস্তিতে থাকছেন আপনি। তবে এতে কিন্তু আপনার ত্বকে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে গিয়ে ত্বকে শুষ্ক ভাব চলে আসে। এর স্বাভাবিক কোমলতাও নষ্ট হতে পারে। শীতের আগে থেকে হয়তো বাতাসে শীতল ভাব কমিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও এ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের সঙ্গে সারা দিন কাটালে ত্বকের জন্য বাড়তি কিছু কাজ যত্ন নিয়ে করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের অন্তত সেটাই মত।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম বখতিয়ার কামাল বলেন, ‘শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সহজেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেখা যায়। অল্প বয়সেই বলিরেখা হতে দেখা যায়। এ ছাড়া যাঁদের ত্বকে একজিমা, সোরিয়াসিসের মতো রোগ রয়েছে, তাঁদের বেলায় এসব রোগের উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।’

সমস্যা এড়াতে
* পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল খান। সুষম খাদ্যাভ্যাস ত্বকের সুস্থতার পূর্বশর্ত।
* অল্প সময় নিয়ে গোসল করতে হবে। সাবান বা ক্লিনজার কম ব্যবহার করুন। গোসলের সময় শরীর অতিরিক্ত ঘষা ঠিক নয়।
* গোসলের পর এবং প্রয়োজনে রাতে শোবার আগে জলপাই তেল, গ্লিসারিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বকে মালিশ করুন। নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন। তবে সরিষার তেল না লাগানোই ভালো।
* ফুলহাতা পোশাক পরুন।
* খুব বেশি গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়া না থাকলে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার না করাই ভালো।
* প্রয়োজনে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন।
* ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করুন।

সোনালী’স এইচডি মেকআপ স্টুডিও ও স্যালনের স্বত্বাধিকারী রূপবিশেষজ্ঞ সোনালী ফেরদৌসী মজুমদার জানালেন কীভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য
ত্বক সহজেই শুষ্ক হয়ে পড়লে নির্দিষ্ট সময় পরপর ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নেওয়া ভালো। লিপবাম ব্যবহার করুন। হাতে ও পায়ে ময়েশ্চারাইজার লোশন লাগিয়ে নিন। দিনে দুবার মুখের ত্বকে ফেসিয়াল তেল মালিশ করতে পারেন। একটানা দীর্ঘ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার না করাই ভালো। এ ছাড়া সপ্তাহে দুই-তিনবার কলা, মধু আর দই দিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে মুখে লাগানো যেতে পারে। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

তৈলাক্ত ত্বকে
তৈলাক্ত ত্বকে সহজেই চিটচিটে ভাব চলে আসতে পারে। অতিরিক্ত তেলতেলে বা চিটচিটে ভাব চলে এলে দু-একবার টোনার ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন কাজের বিরতিতে একবার তেলনিরোধী (অয়েল কন্ট্রোলড) ফেসিয়াল ফোমের সাহায্যে মুখ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। মুখে, হাতে ও পায়ে তৈলাক্ত ত্বকের উপযোগী ক্রিম ব্যবহার করুন। এ ছাড়া দুই টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে প্রয়োজনমতো দই মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে মুখে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু-তিনবার এভাবে প্যাক লাগাতে পারেন।

29
Skin / কমলার খোসায় রূপচর্চা
« on: February 16, 2018, 11:58:26 AM »
যেভাবে উপকার পাবেন—
 ভিটামিন সি কমলার খোসার মধ্যেও আছে। খোসা ভালো করে জ্বাল দিয়ে রস বের করে নিন। যেকোনো তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গোসল করার আগে গায়ে মালিশ করে নিন। ত্বকে মসৃণ ভাব চলে আসবে। ঠিক একইভাবে কমলার খোসা শুকিয়ে পাউডার করে সেটা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
 যেকোনো মিষ্টান্নতেও কমলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন। চোখের দেখা আর মুখের স্বাদ দুটোর জন্যই ভালো কাজ করবে।
 চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে।
 ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার পেস্ট ব্যবহার করুন।
 স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে।
 খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে।
 ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা, কমলার রস, কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। যত সাধারণভাবে কম উপকরণ মিশিয়ে করবেন, তত ভালো ফলাফল পাবেন।
 যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার খোসা মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে।
 রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন।
 চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন।
 সারা রাত কমলার খোসা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা।
 বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুরি মেলা ভার।

যেটা করবেন না
 কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকলে বাদ দিন। গুণাগুণ কমে যাবে।
 কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দেবেন না। ছত্রাক জন্মাতে পারে।
 কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না। ত্বক রোদে পুড়ে যাবে।
 যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে। যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে কমলার খোসা কম থাকবে। প্যাকের পরিমাণ বেশি থাকবে।

30
Skin / রূপচর্চায় হলুদ গাঁদা
« on: February 16, 2018, 11:56:55 AM »
লোমকূপের ব্যাকটেরিয়া দূর করা, ব্রণ হওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করা, ত্বকের পুরোনো ক্ষতের দাগ দূর করা, প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করা, ত্বক ও মাথার শুষ্কতা দূর করা ইত্যাদি কাজ দক্ষতার সঙ্গেই করে গাঁদা। আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা জানান, গাঁদা ফুল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়ার কাজ করে। এ ছাড়া আছে নানা ঔষধি গুণ। ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় এই মৌসুমে গাঁদা ফুলের শতভাগ ব্যবহার করতে পারেন। জেনে নেওয়া যাক আরও কী কী গুণ রয়েছে গাঁদা ফুলের।

গাঁদা ফুলের যত গুণ

* বলিরেখা থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

* ত্বকের কাটা-ছেঁড়ায় জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।

* ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতেও সাহায্য করে এই ফুল।

* ত্বকের তরুণ ভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে।

* রোদে পোড়া ত্বককে সজীব করে তোলে।

* চোখের নিচের ফোলা ভাব কমায়।

* মাথার খুশকি দূর করে।

* চুলে প্রাকৃতিক রঙের কাজ করে।

* ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

রাহিমা সুলতানা আরও জানালেন, গাঁদা ফুল ত্বকে তিনভাবে ব্যবহার করা যায়। এর পেস্ট করে নিতে পারেন। আর না হলে গুঁড়া। এর জন্য প্রথমে গাঁদা ফুলের পাপড়ির সাদা অংশ বাদ দিয়ে কেবল হলুদ অংশ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর তা ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। ভালো হবে যদি পরিষ্কার পাপড়িগুলো কাঁচা দুধে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখেন। এরপর সেটি ব্লেন্ডারে পিষে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে গাঁদা ফুলের পেস্ট। এটি ত্বকে নানাভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে গাঁদা ফুলের পাউডার বা গুঁড়া সংরক্ষণ করতে চাইলে প্রথমে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাপড়ি সংগ্রহ করতে হবে। এরপর সেই পাপড়িগুলো ধুয়ে একটি ট্রেতে ছড়িয়ে দিন। রোদে শুকিয়ে ব্লেন্ডারে গুঁড়া করুন। এভাবে তৈরি গাঁদা ফুলের গুঁড়া কাচের বয়ামে অনেক দিন সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।

ত্বকের যত্নে গাঁদা ফুলের কয়েকটি প্যাক

* সমপরিমাণ গাঁদা ফুলের পেস্ট বা পাউডার, দুধ, বেসন মুলতানি মাটি বা চন্দনের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক উজ্জ্বল করবে ও রোদে পোড়া ভাব দূর করতে সাহায্য করবে।

* গাঁদা ফুলের সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে ব্রণের সমস্যা দূর হয়।

* ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে গাঁদা ফুলের পেস্ট বা গুঁড়ার সঙ্গে টক দই, গোলাপ জল ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখলে উপকার পাওয়া যাবে।

* দুধের সরের সঙ্গে গাঁদা ফুলের পেস্টের মিশ্রণ ত্বকের শুষ্কতা ও বলিরেখা দূর করে।

Pages: 1 [2] 3