Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Kazi Sobuj

Pages: 1 2 [3] 4
31
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশন্যাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস।

যানজট,কোলাহল আর ধূলাবালির দায়মুক্ত এক টুকরো সবুজ ভূমি ঘিরেই আমাদের ক্যাম্পাস। যেখানে কথা বলে সবুজ! নিস্তদ্ধ রাতে ,বাতির সাথেও যার সৌন্দর্য্যের কমতি পড়ে না ! দিনের আলোতে, রাতের আঁধারে , কুয়াশার চাদরে, বৃষ্টির ফোঁটাতে নতুন করে সাজে নতুন রূপে। মফস্বল বা শহর যেখান থেকেই আসুন না কেনো একটু নজর কাড়বেই, কিছুক্ষণের জন্য হলেও চোখ জ্বলসাবে সবুজে। সকালে সূর্যের লাল আভায় একরকম রঙ ছড়ায় সবুজ, বিকেলে অন্য। রাতে সোডিয়ামের বাতিগুলো অন্ধকারে হারাতে দেয় না লাবণ্য। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত, হেমন্ত কিংবা বসন্তেও প্রকৃতি নিজের মত করে নতুন নতুন পসরা সাজিয়ে রাখে এখানে, চিরযৌবনা সবুজ ধরে রাখে। আমি তাহাকে চিরযৌবনা হতেই দেখেছি শুধু কখনো বিমর্ষ রূপে দেখেনি।
চলুন কিছুক্ষণের জন্য সেখান থেকে ঘুরে আসি চিত্রকথায়ঃ

লেখাঃ সৌরভ আহমেদ, ছাত্র, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
ছবিঃ Niloy Biswas, ছাত্র, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ



ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার ব্যবহৃত প্রধান প্রবেশদ্বার দিয়ে ভিতরে পা রাখুন। দুপাশে এরকম আরো দুইটা প্রবেশদ্বার রয়েছে। হাতের ডানে কিংবা বামে তাকালেই দেখা যাবে বেশ কিছু ফুলগাছ তাকিয়ে আছে আপনার দিকে হয়ত মৃদ্যু বাতাসে মাথা নেড়ে স্বাগতম জানাচ্ছে। একটু সামনে হাতের বামপাশে পড়বে কাচেঘেরা অ্যাডমিশন অফিস। ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়াদি এখানেই দেখা হয়। এছাড়াও কোনো বিষয়ে খরচ কেমন,ভর্তির জন্য কত খরচ, ওয়েবার কত পাবেন সব তথ্য মিলবে এখান থেকেই ।




প্রধান ফটক থেকে সোজা সামনের দিকে গেলে প্রথমেই চোখে পড়বে বিশাল সবুজ মাঠ। মনে হবে সবুজের একটা রাজ্য বানিয়ে রাখা হয়েছে। চারপাশে চোখ বুলালেই মোটামুটি পুরো সবুজ ক্যাম্পাস চোখের সামনে ভেসে উঠবে। পরিচর্যা আর যত্নে সবুজ ঘাসগুলো যেনো প্রাণচঞ্চল হয়ে তাকিয়ে রয়েছে। খেলাধুলা ছাড়াও বিকেলে খোলা আকাশের নিচে মাঠের ঘাসে বসে আড্ডায় মত্ত থাকে শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টিতে কিংবা কুয়াশায় ভিজে ঘাসগুলো চিরযৌবনার বার্তা দেয়। নতুন আগুন্তকের মনে নাড়া দেওয়ার জন্য শুধু এই সবুজ মাঠেই যথেষ্ট।




মাঠের সামনে দাঁড়িয়ে হাতের ডানদিকের রাস্তা ধরে এগুলেই দেখা মিলবে বাস্কেটবলের একটা ছোট্ট মাঠ। চারপাশে লোহার বেষ্টনীতে আটকানো ভিতরে রঙ করে দাগ দেওয়া সীমানা আঁকা। পাশেই মাথা উঁচু করে রয়েছে ‘গ্রীন গার্ডেন’রেস্টুরেন্ট। বিভিন্ন ধরণের দেশী বিদেশী খাবার আর আভিজাত্যের ছোঁয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে ক্যাম্পাসে। ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশী অতিথিরা এখানেই তাদের ভোজন সম্পন্ন করে। তবে এটি ছাড়াও ক্যাম্পাসের ভিতরে ক্যান্টিনও রয়েছে ।




যেখানে ছিলেন সেখান থেকে সোজা আরেকটু সামনে বাড়লেই দেখতে পাবেন এবি-৩ ভবন। অনেক পুরনো এবং একটু ময়লাটে রঙের। ইচ্ছে হলে সামনের বসার সিঁড়িতে গাছের নিচে বসে একটু জিরিয়ে নিতে পারবেন খানিকক্ষণ। এবি-৩ ভবনের সামনের দিক দিয়ে চলে গেছে সাপের মত আঁকাবাঁকা নজরকাড়া রাস্তাটা। অনেকে পাইথন স্ট্রীটও বলে এর ঘটন দেখে। সিঁড়ির নিচে দুপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কতকগুলো রঙিন পাথর। ফুল-ফলের গাছগুলো সাজিয়ে রেখেছে প্রাঙ্গণ। ক্লাসের ফাঁকে কিংবা খেলা চলাকালে এখানে বসে সময় কাটায়,খেলা দেখে শিক্ষার্থীরা। বসার জন্য রয়েছে সিঁড়ি এবং তার নিচে আম,পেয়ারার গাছ। অনেকে সবুজ সেখানের সবুজ ঘাসের উপর বসে খেলা উপভোগ করে বা আড্ডা জমায়।




পাইথন ষ্ট্রীট বা আঁকাবাঁকা রাস্তাটি দিয়ে সামনে যেতে থাকলে দেখা মিলবে এবি-১ ভবনের। এখানেই বেশীরভাগ ক্লাস চলে। ক্লাসরুম ছাড়াও রয়েছে লাইব্রেরী, শিক্ষকদের জন্য কক্ষ, অ্যাকাউন্ট অফিস,ল্যাবসহ আরো অনেক কিছু। উপরের তলাগুলোতে সবসময় মৃদ্যু বাতাসের আনাগোনা থাকেই। ভবনে রয়েছে লিফটের ব্যবস্থা। যাওয়ার সময় রাস্তায় পড়বে কাঁঠালতলা এবং ভিন্ন ডিজাইনে বানানো মসজিদটি।




এবি-১ ভবন থেকে গেট দিয়ে বেরিয়ে সোজা সামনে উপরের দিকে ঢালু রাস্তা ধরে এগুলোই চলে যাবেন ‘বনোমায়া’য়! যাওয়ার সময় হাতের ডানে পড়বে নতুন বানানো ইনোভেশন ল্যাবের এবং বামে বিভিন্ন ফুল-ফলের ছোট্ট বাগান। ক্লাসের ফাঁকে আড্ডা, সময় কাটানো, প্রশান্তির ঢেঁকুর তোলার জন্য ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রিয় স্থান। এখান থেকে প্রায়ই ভেসে আসে গীটারের টুংটাং শব্দ কিংবা খালি গলায় গান। কেউ কেউ পড়াশোনাতেও ব্যস্ত থাকে। অনেকে দুলনায় হেলান দিয়ে দুল খেতে খেতে হারিয়ে যেতে চায় নিজের থেকে। ছাতা টাইপের ছাদের নিচে বিভিন্ন সময় চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা জন্মদিনের পার্টি ইত্যাদি ইত্যাদি। রাতের বনোমায়া অন্যরকম দৃশ্য তুলে ধরে। মৃদ্যু রঙিন আলো আর নিস্তবদ্ধতা মনকে বদলে দিবে পুরো।




বনোমায়া থেকে বের হয়ে ডানদিকে মাঠের পাশের রাস্তা ধরে এগুলোই দেখা মিলবে বিশাল বড় কাজ চলতে থাকা এবি-৪ভবনের। ভবনে না গিয়ে হাতের ডানের রাস্তা ধরে মোড় নিলেই দেখবেন বিশাল অডিটোরিয়াম। যেখানে বিভিন্ন সময় মঞ্চ মাতিয়েছেন দেশ বিদেশের নামীদামী শিল্পীরা এবং আগমন ঘটেছে দেশ বিদেশের অনেক গুণী,মানী মানুষের। এখানেই আয়োজন করা হয়েছে অনেক বড় বড় অনুষ্ঠানের।




অডিটোরিয়ামের সামনের ছোট মাঠের এক কোণায় লক্ষ্য করলে নজরে আসবে কৃত্রিমভাবে বানানো ঝর্ণা। পাহাড়ের সদৃশ বানানো ঝর্ণার গাঁ বেয়ে থেকে পানি পড়ছে নিচের দিকে। পানিতে জ্যান্ত সাদা-রঙ্গিন মাছ ছোটাছুটি করছে তা খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যাবে। কিছুটা সময় জল আর মাছের খেলায় হারিয়ে যাবেন নিজ থেকে টেরও পাবেন না।




জল আর মাছের খেলা থেকে বের হয়ে এবি-৪ ভবনের দিকে চলে আসুন। নির্মাণাধীন রয়েছে ভবনটি পাশাপাশি ক্লাসও চলছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের আনাগোনা রয়েছে সেখানেও। শ্রমিকরা কাজ করে যাচ্ছে দিবারাত্রি। নিচে একপাশে রয়েছে সুইমিংপুল। যার কাজ এখনো শেষ হয়নি।




হাতের বামে মাঠের পাশের রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকলে পাশে বসার জন্য বেশকিছু মাধ্যম পাবেন। সেগুলোতে সোজা হয়ে,হেলান শুয়ে যেমনে ইচ্ছে, কোনো গাছের নিচে ছায়ায় বসে আশপাশের মানুষের চলাফেরা কিংবা ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবেন। তবে ভবনের সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গেলে দৃশ্যটা একটু বদলে যাবে। দেখা মিলবে বড়সড় কিছু কাঁঠাল গাছের। সাথে আমসহ অন্যান্য ফলের গাছের উপস্থিতি রয়েছে সেখানে। বেশীরভাগ সময়েই শীতল বাতাসের প্রবাহ বজায় থাকে এখানে। জায়গাটা আগে কাঁঠালতলা নামে পরিচিত থাকলেও সম্প্রতি সিঁড়ির আধিক্যের কারণে সিঁড়ি চত্বরে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। অধিকাংশ সময়েই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি থাকে এখানে। পড়া,ক্লাসের ফাঁকে ক্লান্তি কাটানোসহ আড্ডায় মুখরিত থাকে এখানটায়। বিশাল কাঁঠাল গাছ তার পাতার সবুজ ছাতা মেলে প্রশান্তি বিলাচ্ছে।




আমগাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সোজা তাকালে ঘন সবুজ ঘাসের উপস্থিতি টের পাবেন ‘গলফ মাঠে’। মনে হবে ক্যাম্পাসের পুরো সবুজ এখানে একটু অল্প স্থানেই ঠাঁসা রয়েছে। ইচ্ছে করবে খালি পায়ে ঘাসের উপর কিছুক্ষণ হেঁটে বেড়াতে। ঘন সবুজে চোখ বুজে কিছুক্ষণ প্রকৃতি অনুভব করতে পারেন। চিরযৌবনা সবুজ ঘাস এখানে তার অস্তিত্ব পুরোপুরি ধরে রেখেছে।




তারপর আস্তে আস্তে সেখান থেকে সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসতে থাকলে চোখে পড়বে শহীদ মিনার। ভাষা শহীদদের শোক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেই সূচনালগ্ন থেকে। আশেপাশে রয়েছে বেশ কিছু ফুলের গাছ যেগুলো গহনার মতন সৌন্দর্য্য বর্ধনে অবদান রাখছে ক্যাম্পাসে।




এখান দিয়েই প্রস্থান হোক। নতুন আরেকটা দিনের অপেক্ষায়…




Source: https://www.facebook.com/photo.php?fbid=2410660659176633&set=pcb.2777316565634150&type=3&theater&ifg=1


32

ম্যাককিনসের প্রতিবেদন
ভবিষ্যৎ এখন এশিয়ার হাতে



২০০০ সালে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ আসত এশিয়া থেকে। এখন ধারণা করা হচ্ছে, ২০৪০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক জিডিপির ৫০ শতাংশের বেশি আসবে এই মহাদেশ থেকে। বৈশ্বিক ভোগের ৪০ শতাংশও হবে এই অঞ্চলে। শুধু অর্থনৈতিক সূচকেই নয়, মানুষের আয়ু বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতেও এশিয়া বেশ এগিয়ে গেছে।

সম্প্রতি ম্যাককিনসে গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের ‘এশিয়া’স ফিউচার ইজ নাউ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে, এশিয়া কত দ্রুত উঠে আসবে, প্রশ্ন সেটা নয়, এশিয়া কীভাবে পুরো বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে, সেটাই এখন প্রশ্ন।


এশিয়ার এই উত্থানে যে বিপুলসংখ্যক মানুষ দারিদ্র্যসীমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন, তা–ই নয়, প্রতিটি স্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। নগরায়ণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করেছে এবং মানুষের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার দ্বার খুলে দিয়েছে। কিন্তু এই মহাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক দরিদ্র মানুষের বসবাস।

প্রতিবেদনে বাণিজ্য, করপোরেটদের উত্থান, ডিজিটাল উদ্ভাবন ও ভোক্তা—এই চার নিরিখে এশিয়ার উত্থানের পথনকশা চিত্রিত হয়েছে। প্রতিবেদনের বড় অংশজুড়ে স্বাভাবিকভাবেই চীন ও ভারতের প্রসঙ্গ এসেছে। তার সঙ্গে আছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন প্রভৃতি দেশের প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের কথাও প্রসঙ্গক্রমে এসেছে।

বাণিজ্য

এত দিন বিশ্বের কারখানা হিসেবে চীন অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। তাদের বাণিজ্যের বড় একটি অংশ ছিল শ্রমঘন শিল্পপণ্য। কিন্তু চীন এখন উচ্চ প্রযুক্তির পণ্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সেই জায়গায় চলে আসছে এখন ভিয়েতনাম। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ যাচ্ছে দেশটিতে। এ ছাড়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত এক দশকে বাংলাদেশের শ্রমঘন পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ৭ শতাংশ হারে। চীনের ছেড়ে দেওয়া জায়গা নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের আছে। তবে শুধু সস্তা শ্রম নয়, আগামী দিনে প্রতিযোগিতা করতে অবকাঠামো, দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে।

এশীয় দেশগুলোর মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় এই মহাদেশের রপ্তানি অনেকটা কমেছে। ২০০৭ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে চীনের রপ্তানি কমেছে ১০ শতাংশ। একইভাবে ভারতের রপ্তানিও কমেছে। অর্থাৎ উৎপাদিত পণ্যের বড় অংশ দেশের বাজারেই বিক্রি হচ্ছে।

পণ্য রপ্তানি কমায় সেবা রপ্তানির মাধ্যমে এশিয়া বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে আরও বেশি করে সংযুক্ত হচ্ছে। বৈশ্বিক পরিসরে পণ্য বাণিজ্যের চেয়ে সেবা বাণিজ্য বাড়ছে ৬০ শতাংশ বেশি হারে। সেখানে এশিয়ার সেবা বাণিজ্য বাড়ছে এর চেয়ে ১ দশমিক ৭ গুণ বেশি হারে। এ ক্ষেত্রে ভারত ও ফিলিপাইন সবচেয়ে এগিয়ে আছে।

করপোরেটদের উত্থান

২০১৮ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ র‌্যাঙ্কিংয়ে রাজস্বের সাপেক্ষে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০টি কোম্পানির মধ্যে ২১০টি এশীয় কোম্পানি। ম্যাককিনসে আরেকটু বড় পরিসরে দেখিয়েছে, বিশ্বের ৫ হাজার বড় ফার্মের মধ্যে এশীয় ফার্ম ছিল ৩৬ শতাংশ, ২০১৭ সালে তা উঠেছে ৪৩ শতাংশে। এই তালিকায় চীনা ফার্মের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। তবে ভারতীয় কোম্পানির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পাশাপাশি, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, কাজাখস্তান ও বাংলাদেশের কোম্পানিও এই তালিকায় উঠে এসেছে।

শুধু শিল্প উৎপাদন বা গাড়িশিল্পেই নয়, প্রযুক্তি, আর্থিক খাত ও সরবরাহ খাতেও এশীয় করপোরেটরা বৈশ্বিক বাজারের নেতৃত্বে চলে আসছে। মূলধনি পণ্য এখন আর এই অঞ্চলের মূল পণ্য নয়, সেই জায়গায় অবকাঠামো ও আর্থিক সেবার পরিসর অনেক বেড়েছে।

ডিজিটাল উদ্ভাবন

এশিয়া এখন অনলাইন হয়ে গেছে। বিশ্বের অর্ধেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর বসবাস এখন এশিয়ায়। শুধু ভারত আর চীনেই আছে এক-তৃতীয়াংশ ব্যবহারকারীর বসবাস। এশিয়ার মধ্যে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর ডিজিটালি সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। অন্যদিকে ই-কমার্স ব্যবসার ৪০ শতাংশের বেশি হচ্ছে চীনে। বাইদু, আলিবাবা ও টেনসেন্ট মিলে চীনে এক সমৃদ্ধ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি নির্মাণেও চীন যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিচ্ছে।

পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণে ইন্দোনেশিয়া ও ভারত বিশ্বের গড় গতিকে ছাড়িয়ে গেছে। ডিজিটালাইজেশনে ভারত উল্লেখযোগ্য সফলতা পেয়েছে। তারা ১২০ কোটি মানুষের তথ্যভান্ডার করেছে। এতে এই মানুষেরা ব্যাংকিং, সরকারিসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা পাবে। বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারী ও উদ্ভাবন এশিয়াকে এই খাতের শীর্ষে নিয়ে যাবে বলে ম্যাককিনসে মনে করছে।

ভোক্তা

ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার কারণে এশিয়ায় বড় এক ভোক্তাশ্রেণি তৈরি হয়েছে। ম্যাককিনসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক ভোগ প্রবৃদ্ধির অর্ধেকের বেশি হবে এশিয়ায়। শিগগিরই এশিয়ার মধ্যবিত্তের সংখ্যা ৩০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। এক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভোক্তাশ্রেণির আকার ২০৩০ সালের মধ্যে দাঁড়াবে ১৬ কোটি ৩০ লাখে।

ভবিষ্যৎ যেখানে এশিয়ার হাতে, সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়, এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষণা সংস্থা সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলেন, চীন ও ভারত অভ্যন্তরীণ ভোগের দিকে ঝুঁকলেও বাংলাদেশের বাজার তাদের মতো এত বড় নয় বলে আরও কয়েক বছর রপ্তানি বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া দরকার। সে জন্য বিদেশি বিনিয়োগ লাগবে। আর তা আকৃষ্ট করতে অবকাঠামো ও সহজে ব্যবসার সূচকে উন্নতি করতে হবে। পাশাপাশি, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে বাংলাদেশকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

মার্কিন-ভারতীয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ পরাগ খান্না দ্য ফিউচার ইজ এশিয়ান গ্রন্থে বলেছেন, যে ‘এশীয় শতক’ নিয়ে এত দিন এত কথা বলা হয়েছে, সেই শতক ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ২১ শতকের এই এশীয়করণকে তিনি বৈশ্বিক সভ্যতার নতুন স্তর হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

Source: https://www.prothomalo.com/economy/article/1607991/%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8E-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87

33
Video / Current affairs in school with NUSHU
« on: July 30, 2019, 01:55:13 PM »
The Global Search for Education: Making the World Easier to Understand





Details:
Earthling! Your school can enjoy the service of #NUSHU, the alien that investigates international news with augmented reality. In this video, you will see the school La Immaculada, one of the #first schools to use this service! They will explain the possibilities offered in the classroom and how it can be connected to the educational curriculum.

NUSHU has received a certification of Finnish pedagogical quality and its #innovation has been recognized by Google.
Through a two page illustration, the NUSHU AR EDU application with augmented reality, and guides with activities to do in the classroom, you can understand the news in a fun way with students between 8 and 12 years old.

➤ For more information and to subscribe to the service, visit: https://www.nushuadventures.com



Try the service out! You just have to fill in the form at https://www.nushuadventures.com/index... and download the missions. If you choose to subscribe, you can enjoy 15 missions a year

34



“It teaches empathy for other nations’ problems and imparts understanding and respect towards other cultures, which will increase children’s understanding of foreign places.” — Eva Dominguez

Students of the digital era are preparing themselves for an increasingly connected world, which enables them to work from anywhere, to be curious and savvy about current affairs, to adapt constantly and hone their skills for jobs that don’t exist yet. Digital competency is with no doubt a vital skill to have, but what is equally important is the ability to interact with data and information in an effectively and efficiently.

Eva Dominguez is Founder and Director of MINUSHU, a start-up devoted to creating innovative storytelling experiences with AR and VR technologies, and Creator of NUSHU, an animated adventures series on international current affairs which uses augmented reality and virtual reality technologies to present global news stories to children. Dominguez believes that children should have the same “right to access information as adults” and that the best way to engage them in their world is to tell stories and narratives in an engaging and compelling way.
The Global Search for Education is pleased to welcome Eva Dominguez to talk about the new age of storytelling in the digital era.


Eva, what research have you done on the impact of using AR technology with 8-to 12-year-olds? What have you learned? How does it enhance the user’s experience?


“We have found that through the conversational nature of NUSHU, students are rendered the opportunity to reflect on what they are taking in and then apply it to their curriculum.” — Eva Dominguez


Our team at NUSHU has conducted two types of research since our conception in 2016. The first research is an ethnographic research study conducted with our initial clients, which lasted for the entire school year. This project helped with our understanding of how exactly NUSHU would be implemented in a live classroom setting. For the second round of research, we created a pilot for 60 teachers to use for 3 months. The teachers then evaluated our pilot and we continue to use these evaluations to better craft our product.
How can a virtual character like NUSHU help to narrow the “skills gap” and even the “global citizen gap”?
Storytelling is one of the most human and powerful forms of explaining complex situations. Through the virtual character of NUSHU, it becomes a fun and interactive method of learning for children. NUSHU is a series of adventures for an extraterrestrial that has been tasked on a mission to understand humanity and to come up with possible solutions to the problems that will be left for future generations on earth. At NUSHU, we emphasize media literacy and critical reasoning on global issues. It teaches empathy for other nations’ problems and imparts understanding and respect towards other cultures, which will increase children’s understanding of foreign places.


How are teachers using NUSHU within curriculum? Do you have an example?

Each of our missions provides different opportunities within the curriculum. An example that comes to mind is when one of our teachers needed to implement a Digital Health segment into their classroom. We had multiple missions like deterring Fake News and defining Digital Privacy that were applicable to the topic the teacher wished to cover. And through our teaching guides, they had supplemental materials at their fingertips ready to be applied in a classroom setting. Through our teaching guides, we encourage activities like experiments, projects, debates, plays, and further research. We have found that through the conversational nature of NUSHU, students are given the opportunity to reflect on what they are taking in and then apply it to their curriculum. Teachers have utilized our teaching guides and NUSHU’s mission on Suffragettes and their influence on women’s rights.

How do kids participate/interact with the NUSHU narratives? Can you share any specific stories that would illustrate the impact of the interaction, or share a video clip?

Because of NUSHU’s conversational nature, the learning occurs very organically and the participation from children is essential to the concept of the product. So when they begin to play games and explore the world with our augmented alien, they will develop a sort of repertoire with NUSHU and will be more inspired to learn because they’re also teaching themselves. At the end of every mission, we ask students to do their own research on the topic. After they have felt this sense of ownership and mastered the topic, they are more inclined to continue their search for knowledge. Children have interacted with NUSHU to create plays about the topics they covered.


“At the end of every mission we ask students to do their own research on the topic.” — Eva Dominguez


How would you quantify your feedback/achievements to date with students aged from 8 to 12 years old? What are the biggest challenges you’ve faced?

Teachers and children have absolutely loved NUSHU and their experiences with the product. We have a 100 percent recommendation rate from schools that have implemented NUSHU into their classrooms, and our feedback from students has been very positive. Here is a link to our YouTube channel which shows children’s responses to NUSHU and why they enjoyed their experience with the app. Our biggest challenge up to this point has been exposure to markets outside of Catalonia. As a small startup, resources are very limited and time is of the essence.

How are you planning to build/develop the NUSHU intellectual property in the next 10 years? What are your key goals?

NUSHU is a transmedia concept, a new age of storytelling. Kids see NUSHU as a friend or a resource to help them understand the world. In the next 10 years, we hope to develop and expand NUSHU to almost all media platforms, which will include TV, VR, books, comics, and video games. We hope to be a global brand with impact on both public and private schools all over the world. In order to do this, we have been looking for distributors in different countries and have already started looking into how to expand into untapped platforms.


Thank you to our 800 plus global contributors, teachers, entrepreneurs, researchers, business leaders, students and thought leaders from every domain for sharing your perspectives on the future of learning with The Global Search for Education each month.
C. M. Rubin (Cathy) is the Founder of CMRubinWorld, an online publishing company focused on the future of global learning and the co-founder of Planet Classroom. She is the author of three best-selling books and two widely read online series. Rubin received 3 Upton Sinclair Awards for “The Global Search for Education”. The series which advocates for youth was launched in 2010 and brings together distinguished thought leaders from around the world to explore the key education issues faced by nations.

WRITTEN BY: C. M. Rubin
Follow C. M. Rubin on Twitter: www.twitter.com/@cmrubinworld
The Global Search for Education Community Page
Source: https://medium.com/edmodoblog/the-global-search-for-education-making-the-world-easier-to-understand-387438ff69b1

35


অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
________________________

বাজারে প্রায়ই শোনা যায়, একদিনে দেড় কেজি ওজন কমানোর দুর্দান্ত উপায়, আট কেজি ওজন কমাতে সাত দিনে যা খাবেন!মাত্র একদিন ডায়েট করে কমান তিন কেজি ওজন! লেবু দিয়ে প্রতিদিন এক কেজি ওজন কমানোর জাদুকরী উপায়! শরীরের বাড়তি ওজন কারও কাম্য নয়, সবাই চায় বাড়তি মেদহীন সুঠাম দেহ এবং সুন্দর স্বাস্থ্য।

তাই বাড়তি মেদের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তারা স্বভাবতই বিচার বিবেচনা না করেই অনেক মন ভুলানো কথায় প্রভাবিত হয়ে যেনতেনভাবে ওজন কমাতে বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করেন। কিন্তু এভাবে এতদ্রুত ওজন কমানোর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।



উল্টো দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে নিজের অজান্তেই নিজের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে ফেলেন। এটাও মনে রাখতে হবে কেউ কেউ ডায়েট কন্ট্রোল করতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দেন, এমনকি একেবারেই ছেড়ে দেন, যা সম্পূর্ণ অনুচিত।

মনে রাখতে হবে, ডায়েট কন্ট্রোল করা মানে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করা নয়! এতে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। তাই ঢালাওভাবে সব খাবার বন্ধ না করে, সময়মতো অল্পকিছু হলেও খেতে হবে। মনে রাখতে হবে, দ্রুত বা তাড়াহুড়া করে ওজন কমানো সম্ভব নয়। নিয়মমাফিক ধৈর্য সহকারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

শুরুতে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে এবং এতে শারীরিক কোনো রোগ শনাক্ত হলে, তার চিকিৎসা নিতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি নিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া এবং কায়িক পরিশ্রমের সঙ্গে জড়িত। প্রয়োজনের তুলনায় অধিক ভোজন এবং তার ফলেই দেহের অধিক ওজন।

পেটটা অতিরিক্ত খেয়ে ভর্তি না করাই শ্রেয় বরং পেটের কিছুটা অংশ খালি রাখা ভালো। ধর্মীয় দৃষ্টিতেও এর সমর্থন পাওয়া যায় এবং তা বিজ্ঞান ভিত্তিকও বটে। পেটের একাংশ পূর্ণ হবে খাদ্যে, একাংশ পূর্ণ হবে পানিতে এবং একাংশ থাকবে খালি। নিয়মিত খাবার এবং শারীরিক পরিশ্রম, এ দুইয়ের সামঞ্জস্য থাকা খুবই জরুরি।

পরামর্শ : সুষম খাদ্য গ্রহণ করা ভালো যাতে পরিমাণ মতো কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং কম চর্বি থাকে। * অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করা শ্রেয়। ফলমূল, শাকসবজি বেশি বেশি খাওয়া ভালো, তাতে চর্বি ও শর্করামুক্ত খাবার কম খাওয়া হবে এবং প্রোটিনের চাহিদাও মিটবে। খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যেন থাকে।

ফাস্টফুড এবং বাইরের খাবার পরিহার করে ঘরের তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া ভালো। তবে ভাত কম খাওয়াই উচিত। * ঘি, মাখন, অতিরিক্ত চিনি মিশ্রিত চা, কফি পরিহার করতে হবে। * মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। রাস্তায় বেরুলে অলিতে-গলিতে রকমারি মিষ্টির দোকানে ভর্তি। বাড়িতে মেহমান আপ্যায়নের অন্যতম উপাদান মিষ্টি।

যে কোনো উৎসবে যেমন— সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে, সন্তানের সুন্নতে খতনা করালে, পদোন্নতি পেলে, পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলে, নতুন চাকরি পেলে, বিবাহ উৎসবে মিষ্টির ছড়াছড়ি। তাই নিজের জিহ্বাকে সংযত রাখতে সচেষ্ট হতেই হবে। * বাইরের তৈরি জুস, কোল্ড, হেলথ, এনার্জি বা সফট ড্রিংকস পরিহার করা উচিত। খাওয়ার আগে বেশি পানি খেলে খাওয়ার পরিমাণটা কম লাগবে।

এছাড়াও খাওয়ার আগে শসা, টমেটো, পেয়ারা খেয়ে নিলেও ভাতের পরিমাণ কম লাগবে। * ওজন কমাতে রীতিমতো কাজকর্ম, শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়াম করতেই হবে। যে ধরনের ব্যায়াম একজন মানুষের জন্য সহজ এবং সহ্য ক্ষমতার মধ্যে, ততটুকু করলেও চলবে। নিয়মিত হাঁটাচলা, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, অল্প দূরত্বে গাড়ি বা রিকশা পরিহার করে হেঁটে চলার অভ্যাস করতে হবে। এগুলো শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে।

গর্ভকালে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট কন্ট্রোল করা উচিত। মনে রাখতে হবে, ওজন নিয়ন্ত্রণ খুব কঠিন কাজ নয়। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং নিয়মতান্ত্রিক সুশৃঙ্খল জীবনযাপনে অভ্যস্ত হলেই ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। একটি প্রবাদ দিয়ে শেষ করছি— ‘মেদ মাংস বেড়ে যায়, দেহ স্থূল হয়, শ্রমসাধ্য কর্মে তার ধ্রুব পরাজয়।
__________________________

লেখক : ডা. অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।



Sourse: http://gg.gg/e7op2

36


ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যাকাত। যাকাত আদায় ও এর বণ্টন একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ বাধ্যতামূলক ইবাদাত, তেমনি তা সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করে  ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কার্যকর একটি উপাদানও বটে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলমানদের জন্য যাকাত আদায় করা ফরজ বা অবশ্য পালনীয়কর্তব্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে,

“তোমরা সালাত কায়েম করো ও যাকাত আদায় করো এবং যারা রুকূ’করে তাদের সাথে রুকূ’করো।” (সূরা বাকারা হ : আয়াত ৪৩)

পবিত্র কুরআনে আরো বলা হয়েছে,

“(হে রাসূল!), আপনি তাদের সম্পদ  থেকে সাদাকা (যাকাত) গ্রহণ করে তাদেরকে পূত-পবিত্র করুন এবং তাদের জন্যে (তাদের সম্পদে) প্রবৃদ্ধি ঘটান।” (সূরা তাওবা হ : ১০৩)

আল্লাহর পথে যারা ব্যয় করে তাদের সম্পদ আল্লাহ কিভাবে বৃদ্ধি করেন সে সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা কুরআনে বলেছেন,

“যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মত, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে একশ’ দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।” (সূরাহ আল বাকারাহ: আয়াত ২৬১)

যাকাত ফরজ হওয়া সত্ত্বেও যারা যাকাত আদায় করে না তাদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন:

“যারা যাকাত আদায় করে না তারা শেষ বিচারের দিনে দেখতে পাবে যে, তাদের সেই সব ধন-সম্পদ ভয়ঙ্কর সাপ হয়ে তাদের দেহ জড়িয়ে ধরছে। এসব বিষাক্ত সাপ তাদের দেহকে কঠিন ভাবে নিষ্পেষিত করবে, ছোবল দেবে এবং বলতে থাকবে-আমরাই তো তোমাদের আহরিত ধন-সম্পদ এবং আমরাই হলাম সেই সব রত্ন সম্ভার, যার প্রতি তোমরা এত আসক্ত ছিলে।”(সহীহ আল বুখারী)

যাকাত যোগ্য ন্যূনতম সম্পদ (নিসাব)
নিসাব হলো ন্যূনতম সেই পরিমাণ সম্পদ, যা কোনো ব্যক্তির মালিকানায় এক চন্দ্র বছর পূর্ণ করার ফলে তাঁর উপর যাকাত ফরজ হয়। যাকাত প্রযোজ্য হয় এমন সম্পদ সমূহ হলোঃ নগদ টাকা, সোনা, রূপা, সব ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য, গবাদি পশু ও নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিকচাহিদা মেটানোর পর এক চন্দ্র বছরের জন্য কমপক্ষে ৮৫ গ্রাম সোনা বা ৫৯৫ গ্রাম রূপা অথবা এর কোনো একটির সমমূল্যের নগদ অর্থ কিংবা অন্যান্য সম্পদ কোনো ব্যক্তির মালিকানায় থাকলে প্রতি যাকাত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট সম্পদ থেকে ২.৫% হারে যাকাত আদায় করা তাঁর উপর ফরজ।

কাদের মাঝে যাকাত বিতরণ করতে হবে
যাকাতের অর্থ পরিশোধের বিষয়ে কুরআন মাজীদে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সূরা তাওবার ৬০ নং আয়াত অনুযায়ী যাদের মাঝে যাকাত বিতরণ করা যাবে তারা হলেন:

১. ফকীর: এরূপ গরীব মানুষ, যার বেঁচে থাকার মত খুব সামান্য সহায় সম্বল রয়েছে বা নেই।

২. মিসকীন: এমন অভাবী, যার রোজগার তার নিজের ও নির্ভরশীলদের অপরিহার্য প্রয়োজনসমূহ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

৩. আমিলীন: প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ কাজে নিয়োজিত কমচারীবর্গ।

৪. মুয়াল্লাফাতিল কুলূব: এমন নও-মুসলিম যার ঈমান এখনও পরিপক্ক হয়নি; অথবা ইসলাম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক এমন কোনো অমুসলিম, যাদের চিত্ত দ্বীন ইসলামের প্রতি আকর্ষিত ও উৎসাহিত করা আবশ্যক। এরূপ ব্যক্তিদের যাকাত প্রদান,করা যাবে, যাতে তারা ঈমান গ্রহণ করে এবং তাদের ঈমান পরিপক্ক হয়।

৫. রিকাব: ক্রীতদাসের দাসত্ব মোচনের জন্য মুক্তিপণ প্রদান।

৬. গারিমীন: ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধের জন্য।

৭. ফী সাবীলিল্লাহ: আল্লাহর রাস্তায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ, যারা ইসলামের প্রচার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত; এবং

৮. ইবনুস-সাবীল: মুসাফিরের পাথেয়, অর্থাৎ-অর্থাভাবে বিদেশ-বিভূঁইয়ে আটকে-থাকা মুসাফির।

যাদেরকে যাকাত দেওয়া যায় না

নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিককে: যে ব্যক্তি অন্যূন ৮৫ গ্রাম সোনাবা ৫৯৫ গ্রাম রূপার অথবা সমপরিমাণ নগদ অর্থ বা সমমূল্যের অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রী বা বাণিজ্য পণ্যের মালিক, তাকে যাকাত প্রদান করা যায় না। এরূপ ব্যক্তির যাকাত গ্রহণ নিষিদ্ধ এবং তা ব্যবহার করা হারাম। নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী কাউকে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না, বরং যাকাত আদায়কারীকে পুনরায় যাকাত দিতে হবে।
নির্দিষ্ট আত্নীয়কে: ব্যক্তি তার আপন মাতা, পিতা, মাতামহ, মাতামহী, পিতামহ ও পিতামহী এবং তাদের পিতা-মাতাকে যাকাত দিতে পারবে না। তেমনিভাবে নিজের পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও দৌহিত্রীগণ এবং তাদের সন্তানাদিকেও যাকাত দেওয়া যায় না। আবার স্বামী স্ত্রীকে যাকাত দিতে পারবেন না। উক্তরূপ পরিজনবর্গ ছাড়া অন্যান্য আত্নীয়-স্বজন, যথাঃ ভাই-বোন, চাচা-চাচী, মামা-মামী, ফুফা-ফুফু, খালা-খালু, শ্বশুর-শ্বাশুড়ী, চাচাতো-মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন, ভ্রাতুষ্পুুত্র-ভ্রাতুষ্পুত্রী প্রমুখকে যাকাত প্রদান করা যায়। এমনকি স্ত্রী তার স্বামীকেও যাকাত দিতে পারবেন।
সেবার প্রতিদানে: কোনো ব্যক্তিকে তার কৃত সেবার জন্য প্রতিদান স্বরূপ যাকাত প্রদান করা যায় না। তেমনিভাবে শিক্ষক বা সম্পত্তি তত্ত্বাবধানকারীগণকেও যাকাত দেওয়া যায় না।কর্মচারীকে মজুরি হিসেবে: গৃহভৃত্য বা অন্য কোনো কর্মচারীকে মজুরি হিসেবে যাকাত দেওয়া যায় না। অবশ্য মজুরির অতিরিক্ত উপহার হিসেবে, এবং কোনো বিনিময় বা কৃতজ্ঞতাবোধের প্রত্যাশা ব্যতিরেকে তাদেরকে যাকাত দেওয়া যায়।
মসজিদে: কোনো মসজিদের নির্মাণ, মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে যাকাত পরিশোধ করা যায় না।
দাফন-কাফনের ব্যয় নির্বাহে: কোনো মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে যাকাত ব্যবহার করা যায় না। তবে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা গরীব হয়ে থাকলে যাকাত গ্রহণ করতে পারবেন এবং সেই টাকা থেকে তাদের মৃত আত্নীয়ের দাফন-কাফনের জন্য খরচ করতে পারবেন।
বিবিধ বিষয়

কোনো ব্যক্তিকে প্রদত্ত যাকাত তার অন্তত এক দিনের প্রয়োজন মেটানোর মতো পরিমাণের চেয়ে কম হতে পারবে না। তাছাড়া যাকাত এমনভাবে দেয়া উচিৎ, যাতে যাকাত গ্রহিতা যাকাতের অর্থ দিয়ে স্থায়ীভাবে দারিদ্রমুক্ত জীবন যাপন করতে পারে।
যদি কেউ কাউকে যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত বিবেচনায় যাকাত দেয়, কিন্তু পরে দেখা গেল, যাকাত গ্রহিতা নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী অথবা যাকাত দাতার সাথে যাকাতগ্রহিতার বিশেষ আত্নীয়তা রয়েছে (যাদের যাকাত দেয়া নিষিদ্ধ), এরূপ ক্ষেত্রে যাকাতদাতার যাকাত আদায় হয়ে যাবে, তাঁকে পুনরায় যাকাত আদায় করতে হবে না।
কোনো ব্যক্তি যদি যাকাত গ্রহণের জন্য উপযুক্ত না হন, তাহলে তাকে যাকাত দেয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন অথবা তৎক্ষণাৎ তা যাকাতদাতার নিকট ফেরত দেবেন। কারণ, তার জন্য যাকাত গ্রহণ নিষিদ্ধ।
যাকাত-এর প্রথম হকদার হলেন গরীব আত্নীয়-স্বজন। তারপর অগ্রাধিকার পাবেন যাকাতদাতার প্রতিবেশীগণ; অতপর, তার বসবাসের গ্রাম/শহর/নগর বা দেশের উপর্যুক্ত রূপের অধিবাসীগণ। অন্য এলাকার লোকদের প্রয়োজন অধিকতর তীব্র ও জরুরী হলে তাদের কাছেও যাকাত প্রেরণ করা যায়।
যাকাতের হিসাব

যাকাতের হিসাব করা খুব কঠিন কিছু নয়।  আমাদের যাকাত ক্যালকুলেশন ফর্ম ব্যবহার করে  আপনি নিজেই  আপনার যাকাত হিসাব করতে পারবেন। এই লিংকে গিয়ে আমাদের যাকাত ক্যালকুলেশন ফর্মটি ডাউনলোড করে নিতে পারেনঃ

http://czm-bd.org/wp-content/uploads/2019/02/Zakat-Calculation-Form.pdf

অথবা এই এক্সেল ফাইলটি ব্যবহার করতে পারেনঃ

http://czm-bd.org/wp-content/uploads/2019/05/CZM_Zakat_Calculator-1.xls

স্বর্ণ বা রুপার দাম আপনার নিকটস্থ জুয়েলারী দোকান থেকে জেনে নিতে পারেন অথবা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে পারেন: http://www.bajus.org/index.php?action=goldpriceview

যাকাতের বিধিবিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই বইটি পড়তে পারেনঃ

http://czm-bd.org/wp-content/uploads/2019/05/Zakater-Bidhibidhan_E-book_2019.pdf


Source: http://czm-bd.org/personal-zakat/zakat-calculation

37


নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিকচাহিদা মেটানোর পর এক চন্দ্র বছরের জন্য কমপক্ষে ৮৫ গ্রাম সোনা বা ৫৯৫ গ্রাম রূপা অথবা এর কোনো একটির সমমূল্যের নগদ অর্থ কিংবা অন্যান্য সম্পদ কোনো ব্যক্তির মালিকানায় থাকলে প্রতি যাকাত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট সম্পদ থেকে ২.৫% হারে যাকাত আদায় করা তাঁর উপর ফরজ।

যাকাত প্রযোজ্য হয় এমন সম্পদ সমূহ হলোঃ নগদ টাকা, সোনা, রূপা, সব ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য, গবাদি পশু ও নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য।

আপনার যাকাত হিসাব করার জন্য এই ক্যালকুলেশন ফর্মটি ব্যবহার করতে পারেনঃ

http://czm-bd.org/wp-content/uploads/2019/02/Zakat-Calculation-Form.pdf


Source: http://czm-bd.org/personal-zakat/zakat-asset

অথবা এই এক্সেল ফাইলটি ব্যবহার করতে পারেনঃ

http://czm-bd.org/wp-content/uploads/2019/05/CZM_Zakat_Calculator-1.xls

স্বর্ণ বা রুপার দাম আপনার নিকটস্থ জুয়েলারী দোকান থেকে জেনে নিতে পারেন অথবা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে পারেন:

http://www.bajus.org/index.php?action=goldpriceview

যাকাতের বিধিবিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই বইটি পড়তে পারেনঃ

http://czm-bd.org/wp-content/uploads/2019/05/Zakater-Bidhibidhan_E-book_2019.pdf

38
Story, Article & Poetry / Precious childhood lost in the streets
« on: May 20, 2019, 12:43:39 PM »


Dhaka, a city of cacophony that reverberates from its belligerent streets which carry the clash of a million stories every day. Amidst cars honking, buses screeching, people cursing, vendors trading, the shuffling sound of pedestrians and the din of everyday life, the sound of a boy, begging for a few takas with his hand outstretched, gets muffled.

Under the scorching heat of the sun, Shakil, a skinny boy of seven with a toothless smile, runs to different cars as the signal turns red. Tapping furiously on the windows, he channels all his pent up anger his little heart can harbour towards the privileged sitting inside the bubble of their bourgeois life. Three frustrated taps on the windows. His regularly practised tuneful pleading and his animated face fail him as a salesperson of flowers. He moves on to the next car.

There is no answer as to why he has to suffer in wretched poverty while the rich live unscathed and nonchalant.

With Bangladesh ambitiously progressing keeping Vision 2021 in mind, it is ironic that these children, who are increasing in number every day, should still be perpetually marginalised. A section of the population which has gone unjustifiably unrecorded in the national survey. There is no exhaustive and definitive national consensus on these floating children. As per the statistics of the Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS), it was estimated that there are about 1.5 million street children who are vulnerable to street gangsters who lure/force them into crime, begging or prostitution. But that’s all they are: estimations. Their lives operate with latent inertia, only manifesting itself like an “exhibition on abject penury” in front of our spectating eyes in broad daylight. As night creeps in, they disappear, resorting to sidewalks, park benches, bus depots, stations and all sorts of platforms under the open sky, while we return to our concrete homes, the bricks of which do not even allow lingering contemplations of children in the streets, let alone their very corporeal existence.

These children neither exist in any statistical records nor do they have any proper address; they wander rootless between streets where villainous entities lurk in every corner ready to pounce on them.


Their stories begin quite ordinarily, but all too soon their whole trajectory changes, with their families unable to meet the bare minimum level of subsistence. Most of these local economic refugees come to Dhaka—wide-eyed, dreaming of living a life that would treat them better. Instead, they become the narrator of harrowing tales once their high-flying dreams make a crash landing. Some of these stories are about separation from parents, with many children being deliberately abandoned in the crowd by their guardians. Such cruel acts for one less mouth to feed.

These street children become the victims of physical harassment at the hands of law enforcers and are used as bait by the street mafioso. They are made to earn through begging, scavenging and peddling drugs with most of their earnings being confiscated by the rent-seekers. They are susceptible to all sorts of diseases and traumatising experiences with no access to schooling, proper nutrition or healthcare. The nightmares do not stop there. Children, too young to even comprehend the concept of sex, are sexually abused, with the majority being young girls in this case. Many become sex workers initially against their will, and later diminish to a form that simply succumbs to this system run by bloodthirsty syndicates.

While going on about our lives, we see women carrying malnourished toddlers, wearing them as badges of deprivation to extract a few takas. We bear witness to emaciated boys addictively sniffing glue on the sidewalks to ward off the vicious pangs of hunger. We come across little girls in rags selling napkins instead of gleefully walking to schools clad in uniforms. All of this and more collectively leaves us with a cliffhanger that fails to arouse anything more than a fleeting look.

Numerous NGOs and private organisations have mushroomed throughout the country, with a focus on catering to the needs of these children. Despite the work being done by these entities and words of assurance from the government, only the surface of this dire situation has been scratched, because only a miniscule percentage can be targeted given the slow progress of these correctors.

According to Mithun Das Kabbo, CEO of an informal school for street children, Alokito Shishu, merely teaching them ABCs is not going to fix the problem. These children are not being raised in an all-encompassing nurturing home. Growing up, these children are subjected to varying degrees of trauma. They grow on to develop an expansive set of survival skills and become more business-oriented. They would rather be out on the streets making money, satisfied in their domain, than be in school. 

Unless an ambitious project powered by both the government and private agents is undertaken soon enough, these little warriors will soon be lost to extensive criminal networks. These children are in urgent need of rehabilitation so that they can finally find a place they can call home and feel safe. According to the provisions of our very constitution, children are entitled to proper healthcare, education, shelter and nutrition. The ministries of women and children affairs and social welfare can take the first step by developing a national survey centric to their numbers and conditions.

Despite our strong belief in the notion of children being the leaders of tomorrow, our negligence towards these suffering street children only goes to show our hypocrisy. So, while we fail them every day, let us remember to not add to their daily dose of misery by treating them as some sort of nuisance. After all, it is our collective responsibility to make sure their fingers are busy running through lines of books, not tapping on car windows.

 

Iqra L Qamari, student of North South University.

39
Zakat / THE ROLE OF ZAKAT AND TAX IN REDUCING INCOME INEQUALITIES
« on: May 20, 2019, 12:16:58 PM »


The reduction of poverty, and more recently inequality, are pressing concerns in many low- and middle-income countries, not in the least as a result of the Sustainable Development Goals (SDG) committing countries to significant improvements by 2030. Redistribution is important for reaching these goals, and is shaped by countries’ tax and welfare systems. Despite redistribution resulting from the simultaneous effect of revenue collection and public expenditures, policies and analyses of their distributional effects have largely been undertaken from narrow and singular perspectives.
Around 1400 years ago, a system of social security was introduced which turned semi-barbaric, desert faring Arabian tribes into one of the most prosperous and advanced nations in the world. This social security system involves transfer of surplus wealth from the rich to the poor to alleviate poverty in a sustainable way so that all people can enjoy their legitimate rights to live with safety and dignity. This groundbreaking economic system is called Zakat.
Mentioned in the Holy Quran 28 times along with Salat, Zakat is considered as one of the fundamental pillars of Islam and an indispensable instrument of the Islamic society. The wealth of Zakat should be distributed in such a way so that the receivers can bring significant changes to their lives and livelihoods. There is no way of considering Zakat as a tax, alms or donation; rather, in the Quran, Zakat has been stated as the indisputable right of the poor, needy and some specific categories of people.

Poverty: Dimension and Extent of its Elimination

Poverty is an enemy of human being; it humiliates and dehumanizes its victim as Ukpong (1996) in Daniel et.al (2009), rightly noted. Poverty has been a serious challenge to governments. Its effect which includes lack and deprivation in the basic necessities of life is difficult, the condition will be worst even if fuel subsidy removal stands still. Poverty eradication efforts in countries and culture centered on education, which was seen as the key to economic, technological and intellectual development of man. The causes of this state of poverty in the countries had variously been traced to, among other factors: corruption, bad governance, debt overhang, unemployment, low productivity, burgeoning population growth, globalization, unfocused government policies, and lack of effective skills training, among others. The tax regime is critical for private and public sector development, economic growth, poverty alleviation and other public services. Poverty is an issue that needs special attention by the government of any state. It is for this reason the policy of the governments against poverty is tailed towards enabling the poor and more vulnerable sections of the society to achieve sustainable livelihood. The approach is to economically empower communities, families, and individuals through a sustained, well coordinated and comprehensive program of poverty alleviation. Daniel (2005) said, an appropriate poverty strategy should: a) provide all persons with the opportunity to earn a sustainable livelihood; b) implement policies and strategies that promote adequate and sustainable levels of funding, and focus on integrated human development policies, including income generation, increased local control of resources, local institution strengthening capacity-building, greater involvement of non-governmental organizations and local levels of government as delivery mechanisms; c) develop all poverty-stricken areas through integrated strategies and programs of sound and sustainable management of the environment, resource mobilization, poverty eradication and alleviation, employment and income generation; d) create a focus in national development plans and budgets on poverty alleviation in human capital, with special policies and programs directed at rural areas, the urban poor, women, and children; e) establish appropriate infrastructure and support system to facilitate the alleviation of poverty by implementing projects, programs, enterprises, and life styles sustainable at the grass roots level.

Taxes and Transfers impact poverty and inequality

A popular maxim says “Government is finance and finance is government” (Sani, 2005). Fiscal policy can be harnessed to reduce inequality, but until now, people are unaware of its ability to reduce poverty. Recent empirical studies reveal that revenue and spending of governments across some selected low and middle income countries (Armenia, Ethiopia, Georgia, Indonesia, Jordan, Russia, South Africa and Sri Lanka), the fiscal systems, while nearly always reducing inequality, can often worsen poverty. The results show that the reduction in inequality induced by the cash portion of the fiscal system is quite varied, net direct taxes were always equalizing, indirect taxes and subsidies also had an equalizing effect.

If policymakers are committed to ending poverty and improving the lives of their poorest citizens, they need to explore ways to redesign taxation and transfers so that the poor—especially the extremely poor—do not end up paying more than their fair share without reaping the benefits.

While the cash portion of the net fiscal system had a positive impact on reducing inequality, the same could not be said for poverty. Studies also indicate that the poor in Armenia and Ethiopia, and the moderate poor in Sri Lanka are net payers into the fiscal system. This is because of high consumption taxes on basic goods. For the in-kind portion of the fiscal system, the set of case studies show us that spending on education and health was equalizing and contributed largely to reducing inequality. This result is not surprising given that the use of government services is monetized at a value equal to average government cost. These results are also encouraging for those who care about equity, it is important to note that they may be due to factors one would prefer to avoid. The higher use of government education and health facilities by the poor may be caused by the fact that the middle-class (and, of course, the rich) chose to use private providers, which often provide higher-quality services. This situation leaves the poor with access to what may be second-rate services. In addition, if middle-class people opt out of public services, they may be much more reluctant to pay the taxes needed to improve both the coverage and quality of services than they would be if services were used universally.
There are a few key lessons that emerge from the recent studies. First, the fact that specific fiscal interventions can cancel each other out underscores the importance of taking a coordinated view of both taxation and spending rather than pursuing a piecemeal analysis. Efficient regressive taxes (such as the value-added tax) when combined with generous well-targeted transfers can result in a net fiscal system that is equalizing. Second, to assess the impact of the fiscal system on people’s standard of living, it is crucial to measure the effect of taxation and spending not only on inequality but also on poverty. For instance, efficiently-designed regressive taxes can increase poverty even if combined with progressive transfers if the transfers aren’t large enough to compensate the poor. Finally, policymakers can learn one fundamental lesson, governments should design their tax and transfer systems so that the incomes (or consumption) of the poor after taxes and transfers are not lower than their incomes (or consumption) before fiscal interventions. In short, fiscal policy should help improve the welfare of the least well-off, rather than pushing them into poverty or deepening their deprivation.

It remains a crude fact that in order to be able to find enough resources to ensure public services, such as education and health for all, poor countries need to raise more tax, and raise tax in ways that are progressive and fair. As Tax Policy in developing countries has been heavily influenced by the IMF and national elites, this has had a negative impact in many cases, with a focus on indirect regressive taxation like VAT, and extensive tax incentives for companies.

Therefore tax management is strongly related to poverty alleviation. The management should work very hard to improve the effort of tax management in the state in order to increase the volume of proceeds accruable from tax, should strictly adopt and follow the requirements of tax management as stipulated by its policies instead of discriminating and favoring those with connections to those in government. The governments should also look at the laws currently in use and think of making amendment where necessary some of the laws that are more or less important based on the current trend of information and communication technology.

Tax Measures: Key Tools for Poverty Reduction

The tax system is a powerful tool for redistributing wealth. Reducing the gap between rich and poor is a moral and ethical imperative; it is also vital to restoring a healthy balance to a market-based economy. The market does not do very well at sending signals about what should be produced unless those with lower incomes have sufficient resources to create the effective demand for goods and services that meet their basic needs. When wealth becomes too strongly concentrated in the hands of a few, consumer demand weakens, with disastrous consequences for job creation and economic growth. As Linda McQuaig and Neil Brooks made clear in ‘The Trouble with Billionaires’, wealth concentration also under-mines democracy by enabling those with great wealth to influence government policies in ways that benefit themselves to the disadvantage of the majority. The tax system already helps take an unfair share of resources from the rich and channel those resources to the poor.

Tax policy can have a huge impact on inequality and poverty reduction, either positively or negatively, depending on what tax policies a country decides to implement. Taxation is also often at the heart of the social contract between citizens and their government, and progressive taxation is central to creating strong, democratic, and effective states and to making sure the richest bear the biggest burden. As a percentage of GDP, rich countries collect in many cases more than twice as much public revenue (including taxes) as developing countries. In sub-Saharan Africa, the average is 18 per cent of GDP compared to 38 per cent in Western European countries. Developing countries’ tax and regulation policies have often been imposed, or at least strongly recommended, by the International Monetary Fund (IMF) and other international financial institutions (IFIs) as a condition of their financial support. This reduces the capacity of these nations to openly decide between different policy options, as well as their capacity to control and reduce capital flight and tax dodging. Historically, the IMF have consistently favoured economic efficiency and short-term collection goals over other objectives, often promoting taxes that are easiest to collect, with the lowest political costs, and that least affect the interests of companies and the rich. Such tax policies are not necessarily the most suitable for developing countries. However, recent papers from the IMF show promising signs that this approach may be changing and that they may now be ready to take a more progressive stance on taxation policy. One particularly noticeable feature of tax reforms in the developing world over the last three decades has been the emphasis on indirect taxes, in particular VAT (value added tax) on consumption. Taxes on consumption (mainly VAT) have generally become the main source of tax revenue for developing countries and economies in transition. In Africa and the Asia Pacific region, indirect taxes grew from 4.6 per cent of GDP in 1990 to 5.4 per cent in 2002, while in Latin America and the Caribbean they increased from 4.1 per cent to 8.8 per cent. For reasons linked to ‘economic efficiency’, VAT was the preferred choice of international reformers. The assumption was that VAT would create the opportunity to broaden the tax base, reaching all goods in the formal sector without distorting productive processes. This doctrine has found its way into the loan and aid conditions laid down by the IMF and World Bank in many developing countries. One clear part of this approach was abandoning the previous IMF doctrine that, by making the rich pay more than the poor, tax itself could be used to reduce inequalities. In fact the opposite is often the case. This is because the poor consume more of their income than the rich, who have savings. This makes VAT and other consumption taxes often regressive, hitting the poorest hardest.

Instead the IMF promoted VAT and other consumption taxes, believing that wealth redistribution would occur mainly through public spending, paid for by tax revenue. This stands in contrast to all developed nations, where tax collection plays a direct and key role in tackling inequality by ensuring the richest sections of society pay more tax than the poorest. There has been an attempt in many countries to exempt some basic goods from VAT that are used mainly by the poor, such as soap or food. Often VAT exemptions have also been made on agricultural products where the rural sector is often very important. Nevertheless, the general impact of implementing consumption taxes on inequality and the redistribution of wealth, was not carefully analyzed in all cases, and nor was the negative effect on the poorest sectors fully anticipated

Bringing the informal economy into the tax system

The challenge is to determine whether a legitimate motivation – such as increasing tax revenue in developing countries – may lead to policies that exacerbate poverty and increase the vulnerability of certain sections of the population. This is because often those working in the informal sector are some of the poorest, for example women who run small businesses selling vegetables or other goods.
It is therefore crucial to distinguish between different types of informal sector actors in order to achieve a political solution that is just and consistent with the fight against poverty and inequality. Gradual formalization of the economy must be the aim and is positive in the long-term. However, measures taken to tax the more vulnerable, informal economy or enforce regulations are often arbitrary and fail to deal fairly with conflicting interests. Domestic institutional weaknesses are chiefly due to tax administrations’ lack of capacity. Poor co-ordination between different offices makes it difficult to properly penalize non-compliance. Institutional weakness promotes abuse and corruption in both the public and private sectors. It is also exacerbated by lax international regulations which tend to favour multinational companies. As a result, poorly-equipped tax administrations lose revenues and the people who do pay tax also lose out.

Linking taxation and social protection

Reducing poverty would also lead to savings on health costs, criminal justice and increased tax revenue. Increased tax revenue resulting from increased labor force participation rates would also help to offset the costs of poverty reduction expenditures. And there would be many other savings that could be realized in government expenditures on health and criminal justice, just to name a few. While an up-front investment in poverty reduction is required, there would be big returns on that investment in many ways including a healthier society, economic growth and increased tax revenue. There are risks inherent in replacing all existing social assistance programs with a basic income as some people living in poverty could end up in a worst situation. 

Implementation of Zakat and its Impact on Poverty eradication

Except Zakat all other four Pillars are individual acts of Muslims and God has advised Muslims to perform them so that they can have blessings of this life and life hereafter otherwise they will be punished. Zakat, however, is also an individual act but its significance is highlighted by the fact that God has not left it upon individuals rather God has instructed the ruler/government to collect Zakat from Sahib e Nisaab, as stated in Holy Quran,

“Take alms out of their wealth, so that thou mayest cleanse them and purify them thereby.”(Surah Al-Tawbah, 103)

The significance of this decree is very wide ranging, as Zakat is an integral part of Islamic economic system and is cure to the economic inequality. To maintain a balance in economy it is necessary that people having wealth should transfer some of their wealth to those who don’t have enough wealth. For that, state mediation is necessary to make sure that no one runs away from his responsibility and no one is left underprivileged.

If properly managed Zakat system will achieve its objectives and Muslims can revive their economy and society through proper implementation of Zakat system, the proposed system is no short term solution to problem rather it will require patience to achieve its objectives. Government legislation and motivation is very important in this regard as government will have to give authority to Amils (Zakat management employees) through public notice to evaluate and collect Zakat. Legislation for those who don’t pay Zakat is also necessary and should include heavy fines and punishment for repeated offences. Public campaign regarding importance and benefits of Zakat via prominent scholars and Amils on local scale can motivate people to pay Zakat.

Zakat has been a successful tool for the reduction or even complete eradication of poverty as during the time (13-22H) of second Caliph of Islam Hazrat Umar Bin Khattab (R.A) and during time (99-101H) of Umer bin Abdul Aziz, the condition of people during that time was so prosperous that there was no eligible recipient of Zakat. It is a proven fact from history that if properly managed Zakat can be a model to alleviate poverty.

Implementation stage for any devised model is very critical to its success; flawlessly designed models flop due to their improper execution, similar is the case with Zakat, and no doubt the model of Zakat is flawlessly devised and taught to humanity by ALLAH through Prophet MUHAMMAD (Peace be upon him), its implementation however has been left upon us. History suggests many economies in different parts of the world have successfully implemented Zakat system and have achieved benefits of Zakat, one of which is poverty reduction .On the contrary, after colonial era, Islamic economics as a whole has become redundant and Zakat system has also suffered. Several models of Zakat have been implemented in the world, some of them became successful but some didn’t succeed due to improper planning/execution. Historically Zakat has been collected, managed and disbursed by the Islamic governments but after colonial era Zakat has gone through several challenges which has resulted in different models emerging, some countries like Saudi Arabia, Pakistan, Libya & Sudan have made Zakat Management compulsory through state institutions but some countries like Egypt, Jordan, Kuwait, Bangladesh  has although formed some institutions for Zakat collection, but it is voluntary act of citizens to submit Zakat there or not .

Evolution of Zakat Management Systems

The first system of Zakat was implemented by Holy Prophet (Peace be upon him), the system was basically a centralized state managed system revolving around Amils, they were designated personnel appointed by Prophet MUHAMMAD (Peace be upon him) to collect Zakat from Sahib e Nisaab and disburse to eligible recipients. The whole Zakat management system was very simple in terms of organization and management but was up to the mark with modern principles focused on transforming Mustahik (Zakat recipient) to Muzakki (Zakat payer). The reign of First Caliph Abu Bakar Siddique (R.A.) was a short one from 632- 634 A.D., he continued the rules, regulations and management system devised by Prophet MUHAMMAD (Peace be upon him) without any modification however a major development in his rein was the war he fought against those who refused to give Zakat setting precedent for future generations regarding importance of Zakat in Islam.

The Era of Second caliph Umar Farooq (R.A.) is very important relating to Zakat as he made several modifications to system of Zakat through Ijtihad to coup up with changing economics of society. His reign was from 634-644 A.D., he set up the institution of Bait ul Mal or State Treasury for the management of Zakat funds.
The Era of third Caliph Hazrat Usman (R.A.) lasted from 644-655 AD, during his time the dynamics of economy further evolved and to keep up with changing dynamics he divided property in to two types i.e. Visible Property (Amwal al-zahiriah) and Non-Visible Property (Amwal al-Batinah), he made Zakat on Visible property compulsory to be paid through state institutions and Zakat on in-visible properties was left on individual’s desire.

After caliphate the major period in terms of Zakat management was the period of Umayyah Government headed by Umar bin Abdul Aziz, he restored original system of Amils with Governor of each province working as Amil, at that time the system of Zakat along with Islamic economics was so strong that the Governor of Egypt once asked Umar bin Abdul Aziz that what to do with Zakat funds as he was not able to find any eligible people who could receive Zakat. Umar bin Abdul Aziz replied “Buy slaves and let them free, build shelter for travelers to rest and help young men and women to get married.”

Current Zakat systems in Muslim countries

In Indonesia, Zakat system is decentralized with private entities allowed to constitute bodies for Zakat management but recently due to conflict of interest Government has constituted BAZNAS to supervise and control independent Zakat bodies.In Malaysia Zakat system is decentralized and provinces are allowed to constitute their systems and manage them accordingly however an institute named MAIN supervises overall functions of Zakat. Pakistan has a centrally managed five tier Zakat system with Central, Provincial, District, Tehsil and Local Zakat Councils, on the basis of pre-defined quota Central Zakat Council disburses collected Zakat funds to lower councils. Similarly, in Sudan Zakat is compulsory for all citizens and is managed by state and is distributed through three channels i) Local Zakat committee’s ii) Committee for urgent cases and travelers iii) Committee for people in debt.

Centre for Zakat Management (CZM), a very active Zakat management organization (ZMO) in Bangladesh has come up with the goal to establish Zakat as a tool to alleviate poverty and discrimination in a sustainable way by proper utilization of Zakat funds. Established in 2008, CZM has launched various initiatives to distribute the Zakat funds to all segments of poverty-ridden and destitute people in our society.

CZM's flagship project called Jeebika is a livelihood and human development program through which about 15000 families of more than 21 districts have been engaged in different income generating activities with the help of Zakat fund. In principle, CZM officials transfer the Zakat fund to the Zakat recipients in two installments while providing them training on different need-based professions, enable them to access the market and provide support to manage the collective fund.

Besides, CZM has been running more specific poverty eliminating initiatives to encourage entrepreneurship, education, self-employment among the youth and women through skill development. CZM has taken the initiative to utilize Zakat fund to spread quality education among poor, underprivileged children. Every year, it provides scholarship to thousands of students all over the country and imparts capacity development training to them. It also has another dedicated pre-primary education program for the poor children living in urban slums and remote rural areas.

With its own pre-primary learning centers, CZM has been providing innovative learning equipment and nutritious food for the children. With another initiative called Ferdousi, CZM has started to utilize Zakat fund for the improvement of maternal and neonatal health. It provides free medicine and treatment by specialized doctors to pregnant and lactating mothers and organizes awareness-raising sessions in the least privileged communities.

Recent researches have premeditated that each year around BDT 30,000 crore of Zakat can be obtained from Bangladesh. Zakat, in fact, is an opportunity, a possibility for Bangladesh to fight poverty in a sustainable way. If this system of social security can be utilized effectively like the initiatives taken by CZM, it will be very possible for Bangladesh to break free from the vicious cycle of poverty and be a self sufficient, prosperous nation.   

There are some striking commonalities between the sustainable development goals (SDGs) and Zakat. In the Islamic faith, five foundational goals – known as Maqasid al Sharia – include the protection of faith, life, progeny, intellect and wealth. Much of the SDGs – goals to alleviate poverty and hunger, improve health, education and access to water and sanitation, reduce inequality and protect the environment – are reflected in these Islamic values.

Zakat is the only way to effectively fight poverty

Poverty in the simplest terms can be defined as a lack of basic necessities like food, clothing and shelter. In other words, it is the absence of the means, of course money, to fulfill those needs.

It is a matter of great concern that poverty is rampant in the Muslim world. What is the reason behind that and how to eradicate it? Muslim intelligentsia must think about this issue.

As a matter of fact, poverty among Muslims should have been nonexistent because Islam strongly advocates helping others and encourages philanthropy. As a matter of fact, Islam has created the institution to fight poverty. This is why Allah has put Zakat after Shahadah and Salat but before Fasting and Hajj. Social responsibility is considered part of one’s service to God; the obligatory act of Zakat enshrines this duty. Zakat prescribes payment of fixed proportions of a Muslim’s possessions for the welfare of the entire community and in particular for its neediest members. It is equal to 2.5 percent of an individual’s total net worth, excluding obligations and family expenses.

After understanding the concept of Zakat a bit, the question arises as to why then there be poverty among Muslims. Despite being rich in all kinds of natural resources and with a fairly large number of billionaires, majority of Muslims are living in poverty. Zakat on one billion dollars is around $30 million and this amount can go a long way in helping many to manage for food, clothing and shelter. Zakat can eradicate poverty and when you reduce poverty, corruption, social injustice, human trafficking, crimes and most importantly you can save the dignity of a human being.

There are many countries in the Muslim world that are rich in resources but poverty is beyond imagination. Somalia and Yemen are examples of how poverty is destroying the social fabrics. In the past, these two countries were the main food and livestock exporters of the region. We can also cite the examples of Iraq and Libya, which are two of the richest countries in natural resources and still people are suffering from poverty.

Poverty can be eradicated from the Muslim world if all Muslims start taking the institution of Zakat seriously, which is mandatory. It would be pertinent to mention here that Sadaqah is not obligatory but a form of charity that even the poor can give the poorer. Muslims around the world have simply forgotten the third pillar of Islam.

Zakat and Saqdah cannot only help eradicate poverty but can also bring people closer — not only Muslims but also even people from other faiths. Caliph Omar Bin Khattab helped an old Jew from the Bait Al-Mal. Omar Bin Al-Khattab once said: If poverty were a man, I would have killed him. It is a shame to see many cities across the Muslim World full of beggars, talking about those who are left with no other choice. It is our responsibility to fight poverty and Zakat is the Islamic solution to this problem.

Zakat provides the basis of Islamic social welfare and plays the role of solving problems such as poverty, unemployment, catastrophes, indebtedness and inequitable income distribution in a Muslim society, both at family, community and state levels. Although it is submitted that Zakat alone cannot provide cure to all socio-economic problems of the society, nonetheless, it is agreed that Zakat is prime and that it plays the most vital role in equitable distribution of wealth in any Muslim society for poverty reduction (Dogarawa, 2010).

In the context of Bangladesh society at large

Whilst the government of Bangladesh is very keen on alleviating poverty, it is yet to underpin at the institutions of Zakat and tax regime as a national strategy for eliminating economic inequality. In Bangladesh, it has been claimed that mainstream economics has changed the poverty scenario in the name of microcredit; however, this policy does not really satisfy the social needs that ultimately could attack the inequality of a society. Zakat and Waqf funds can be used for other social needs like poverty reduction (Hassan & Khan, 2007). It is surprising that Zakat, an expressly designed poverty eradication tool, clearly prescribed in the Holy Quran and Sunnah, has not been attended to in proper perspectives, in all poverty alleviation plans and programs in Bangladesh, where more than 85% of the population are Muslims (Hossain, 2005). It would have been improving the human capital and specific programs for the poor and vulnerable. The latter programs could include providing education, health, sanitation, proper housing facilities, and social services that improve the welfare of the poor. The productive households are poor because they cannot use the full potential of their resources due to some constraints.

This Zakat money should not be distributed for immediate relief to the poor in the form of small cash or clothes in kind. Under consultation and approved guidance from the Shariah Council, the Zakat money can also be given in the form of small business purposes. For example, poor farmers can be given from this Zakat money to enable them to purchase the equipment and inputs they need to lift them out of poverty. The same can be done for small business owners, or for the poor to set up small workshops or factories to lift them out of poverty once and for all. Within a few years, poverty would be eliminated or at least reduced. Hence, Zakat could be a good mechanism for empowering the Muslim community and to eradicate poverty in the Muslim world (Hassan & Khan, 2007).

Zakat funds can be arranged for training and rendering assistance in finding gainful employment to those unemployed and looking for work in accordance with their ability. The specific programs would be providing support for education and skill development, provision of physical capital, and making available financial capital to start a business so that the poor can be productively employed and earn a living. For the unproductive population in the Bangladesh, the elderly, sick, widows, physical and mental handicapped are unable to support themselves or to attain a respectable standard of living by their own effort, the institution of Zakat should be able to provide them periodic stipend that enable them to consume the basic needs for poverty reduction.

Poverty is hunger; lack of shelter; being sick and not being able to see a doctor; not having access to school and not knowing how to read; not having a job, fear for the future, living one day at a time; losing a child to illness brought about by unclean water; powerlessness, lack of representation and freedom. Poverty has many faces, changing from place to place and across time. Conceptually, Zakat must play a key role in alleviating poverty by mobilizing resources. Consequently, if any society wants to make it ridden of poverty, it is important to empower the community by insuring participation in Zakat, and community social work can play an important role to motivate the community to fulfill their responsibility in the payment of Zakat.

Finally, by integrating Zakat in the process of poverty alleviation, is a way of bringing spirituality in social work intervention repertoire. For a society such as Bangladesh where majority are Muslims, Zakat has to play a major role in the process of poverty alleviation. It is logical to integrate Zakat which has many spiritual implications as one of the major tools to mitigate the poverty issue. Social workers should not neglect the richness of the techniques and values that are in their religion and tradition.


Written by:
Dr. Muhammad Abdul Mazid, Adviser, [embed=425,349]http://www.akkhan.com/dr-muhammad-abdul-mazid-adviser[/embed]

40
Zakat / Role of Zakat in poverty alleviation
« on: May 20, 2019, 11:48:10 AM »


Poverty is a complex and multidimen-sional issue and will continue to be a problem for us in the near future. To combat poverty, countries have taken different measures. Interest-based microfinance is one of the popular measures adopted in many parts of the world. It has shown some success but not without heavy indebtedness and struggle of the poor recipients. But one can show how the Islamic Zakat system—based on the guidance of the holy Quran and Hadiths as well as proper marketing—can be utilised across the social spectrum to reduce poverty in Bangladesh. As it is mentioned in the Quran, “Truly, those who believe, and do deeds of righteousness, and perform As-Salat (Iqamat-as-Salat), and give Zakat, they will have their reward with their Lord. On them shall be no fear, nor shall they grieve.” (Surat: Al-Baqarah, Ayat: 277). Zakat can be used as an alternative approach to poverty reduction and capacity building for the poor to be more productive, thereby contributing more to the economy.

Microfinance is defined as giving small loans to the poor people without any security collateral, people who have been denied loans in a conventional system. The loan amount depends on the nature of the purpose for which a loan is taken out, for example, farming, fishing, poultry, cattle raising, small trade, etc. The main purpose of the microfinance project was to reduce poverty among the rural poor. Later, the establishment of Grameen Bank officially started its microfinance business and earned reputation nationally and internationally, which eventually led its founder Dr Yunus and his organisation to win the Nobel Peace Prize. A number of banks, NGOs, and public and private organisations followed suit and achieved commercial success. Some studies, however, have found that the income and assets of the borrowers have increased to some extent but microfinance has largely failed to eradicate poverty. Generally, it comes through a high interest rate against any loan amount that the borrowers take. Often, they have trouble paying off the loan because the majority of the recipients are not educated enough to understand the complex math that is involved.

On the other hand, the Islamic Zakat system has the same purpose: to assist the poor and alleviate poverty in a country. The Zakat amount doesn’t come with any interest attached and the recipients are not required to pay it back either. Zakat is not limited to providing subsistence living for the poor but it rather aims at enriching them. It works as a social charitable giving tool, and if managed properly, the recipients can establish for themselves small businesses to produce things and to meet their subsistence needs.

The success of Zakat in reducing poverty depends on the methods used for distributing funds in a particular society. In countries like Malaysia, Indonesia, Egypt, and many other Middle Eastern countries, distribution of Zakat funds has been institutionalised through government and non-government organisations. Recipients of Zakat funds have been benefitting from the institutionalised system. Besides individual and household poverty alleviation, Zakat funds can be used to promote infrastructural development, agriculture, and farming which are the main sources of income for many in our country. It may help to create employment opportunities by establishing small cottage industries for the less fortunate people, and create opportunities for common people to sell their goods at the local market. It may also ensure good governance and social justice in a particular society.

Zakat is one of the five pillars in Islam and an important instrument for establishing social justice. However, in Bangladesh, the majority of wealthy Muslims are not well aware of this issue and reluctant to pay Zakat in an appropriate way. It is limited to giving cheap clothes to the poor in the form of sari and lungi, and a few bucks without any proper measure of business revenues and assets, liquid funds or savings, and gold or silver reserve at the basic rate of 2.5 percent. The collection and distribution of Zakat funds are yet to be effective, thanks to the lack of proper Islamic knowledge among the Muslim population and also because the system hasn’t been institutionalised publicly and privately. Zakat plays an important role in reducing poverty and promotes equitable sharing of wealth.

An active role by the wealthy Muslims can be vital in alleviating poverty besides the conventional microfinance, tax collection, and other mechanisms. Also, the accountability issue should be taken into consideration during the processes of fund collection, distribution and promotion by individuals, mosques, government and non-government organisations. If we simply take the example of a few major cities in Bangladesh, there are a large number of wealthy Muslims there, and if they pay their due proportion of Zakat to the less fortunate in a meaningful way, poverty can be significantly reduced over time. And with the help of Zakat apps, one can easily calculate their due proportion of Zakat. Islamic scholars should devise a mechanism about how the Zakat system can be more effective for the particular case of Bangladesh.

 
Written By:
Syed Kamrul Islam, faculty member, School of Business and Economics, North South University. Email: syed.islam@northsouth.edu
Source: https://www.thedailystar.net/opinion/society/news/role-zakat-poverty-alleviation-1745884

41
Career Opportunity / কর্ম খালি
« on: May 16, 2018, 01:02:59 PM »


► বাংলাদেশ ব্যাংক

পদ ও যোগ্যতা : অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, আইসিটি-সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ৪টি। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি অফিসার, ১টি। ডাটা বেইস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ১টি। প্রথম শ্রেণিতে কম্পিউটার সায়েন্স/ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি। শিক্ষাজীবনে কোনো দ্বিতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ১ বছরের অভিজ্ঞতা।

বেতন : ৫০০০০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : অফিসার, আইসিটি—ইওডি স্পেশালিস্ট, ৩টি। ১ম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর। সব পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা শ্রেণি। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ২ বছরের অভিজ্ঞতা।

বেতন : ৪০০০০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ২০ মে।

যোগাযোগ : মহাব্যবস্থাপক, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৫ মে, পৃষ্ঠা ২ ও ডেইলি স্টার, ৪ মে, পৃষ্ঠা ১৩

 

► যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

পদ ও যোগ্যতা : সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ৪টি। স্নাতক বা সমমান। কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। সাঁটলিপিতে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ৪৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৭৫ শব্দ। টাইপিংয়ে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ। সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সনদপত্র।

বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ৪টি। এইচএসসি বা সমমান। টাইপিংয়ে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ।

বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৪ মে।

যোগাযোগ : উপসচিব, প্রশাসন ও সদস্যসচিব বিভাগীয় নির্বাচন কমিটি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

সূত্র : যুগান্তর, ১ মে, পৃষ্ঠা ১৭

 

► সমাজসেবা অধিদপ্তর

পদ ও যোগ্যতা : শিক্ষক, ৫টি। অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকসহ ব্যাচেলর অব স্পেশাল এডুকেশন। কম্পিউটার চালনায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

বেতনক্রম : ১৬০০০-৩৮৬৪০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ২টি। স্নাতক বা সমমান। কম্পিউটারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে গতি ইংরেজিতে ৭০ শব্দ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ।

বেতনক্রম : ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : শিক্ষক (অস্থায়ী রাজস্ব), ৪টি। দ্বিতীয় বিভাগে এইচএসসি বা সমমান। ধর্মীয় শিক্ষক, ১টি। দ্বিতীয় বিভাগে আলিম। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা। নার্স, ১৪টি। দ্বিতীয় শ্রেণিতে এইচএসসি। নার্সিং সনদ। থর্মোফর্ম অপারেটর, ৪টি। দ্বিতীয় বিভাগে এসএসসি। ব্রেইল পদ্ধতিতে থার্মোফর্ম মেশিন অপারেটিং, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে অভিজ্ঞতা। গাড়িচালক, ১টি। অষ্টম শ্রেণি। হালকা ও ভারী যানবাহন চালনায় লাইসেন্স। অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ২২টি। এইচএসসি বা সমমান। কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। কম্পিউটার ব্যবহারসংক্রান্ত ডাটা এন্ট্রি, ওয়ার্ড প্রসেসিং, টাইপের কাজে গতি ইংরেজি ও বাংলায় প্রতি মিনিটে ২০ শব্দ। ট্রেড ইন্সট্রাকটর, ২টি। দ্বিতীয় বিভাগে এইচএসসি বা সমমান। ওয়েল্ডিং, জেনারেল ফিটিং, ব্রিকলেয়িং, স্ক্রিন প্রিন্ট, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড রেডিও অথবা পাটের কাজে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। স্টোরকিপার, ২টি। বাণিজ্যে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগে এইচএসসি।

বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : হিয়ারিং এইড টেকনিশিয়ান, ২টি। এসএসসি বা সমমান। হিয়ারিং এইড যন্ত্রপাতি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, এয়ার মোল্ড মেকিং এবং মেজারিং হিয়ারিং লস বিষয়ে সনদ।

বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৪ মে।

যোগাযোগ : পরিচালক, প্রশাসন ও অর্থ এবং সভাপতি, বিভাগীয় নির্বাচন কমিটি, সমাজসেবা অধিদপ্তর, সমাজসেবা ভবন, আগারগাঁও, শেরেবাংলানগর, ঢাকা-১২০৭।

সূত্র : যুগান্তর, ৮ মে, পৃষ্ঠা ১৭

 

► বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি

পদ ও যোগ্যতা : সহকারী অধ্যাপক, নটিক্যাল সায়েন্স, ১টি। পোস্ট অ্যান্ড শিপিং ম্যানেজমেন্ট, ১টি। মেরিটাইম ল, ২টি। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ২টি। অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং,  ১টি। নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড ওশান ইঞ্জিনিয়ারিং, ১টি। ওশানোগ্রাফি ও হাইড্রোগ্রাফি, ২টি। স্নাতকোত্তর। অন্যান্য যোগ্যতা ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।     

বেতনক্রম : ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : প্রভাষক, ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড হাইড্রোগ্রাফি, ৩টি। পোর্ট অ্যান্ড শিপিং ম্যানেজমেন্ট, ১টি। অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং, ১টি। নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড ওশান ইঞ্জিনিয়ারিং, ১টি।     

বেতনক্রম : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩১ মে।

যোগাযোগ : রেজিস্ট্রার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, পল্লবী, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১ মে, পৃষ্ঠা ১০

 

► বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

পদ : অধ্যাপক, কৃষি অর্থসংস্থান ও সমবায়, ১টি।

বেতনক্রম : ৫৬৫০০-৭৪৪০০ টাকা।

পদ : সহকারী অধ্যাপক, কৌলতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন, ফসল উদ্ভিদবিদ্যা, কৃষিতত্ত্ব, জেনেটিকস অ্যান্ড ফিশ ব্রিডিং ও মেডিসিন একটি করে।

বেতনক্রম : ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা।

পদ : প্রভাষক, কীটতত্ত্ব, এনিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন, ডেইরি অ্যান্ড পোল্ট্রি সায়েন্স, ১টি করে।

বেতনক্রম : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

পদ : ইলেকট্রিশিয়ান, ১টি।

বেতনক্রম : ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।

পদ : নিরাপত্তা প্রহরী, ১টি।

বেতনক্রম : ৮৮০০-২১৩১০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৪ মে।

যোগাযোগ : রেজিস্ট্রার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সালনা, গাজীপুর।

সূত্র : সমকাল, ২৭ এপ্রিল, পৃষ্ঠা ৬

 

► মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পদ ও যোগ্যতা : উপপরিচালক, পউও, ১টি। দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক সম্মানসহ স্নাতকোত্তর। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কাজের বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়নের কাজে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। সহকারী পরিচালক, পউও হিসেবে ৪ বছরের অভিজ্ঞতা।

বেতনক্রম : ৪৩০০০-৬৯৮৫০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ১টি। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং/আর্কিটেকচারে স্নাতক। সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞরা অগ্রাধিকার পাবেন। সহকারী প্রগ্রামার, ১টি। কম্পিউটার সায়েন্স/ইনফরমেশন টেকনোলজি/টেলিকমিউনিকেশনে বিএসসি অথবা ৪ বছরের স্নাতক।

বেতনক্রম : ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩ জুন।

যোগাযোগ : রেজিস্ট্রার, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ, টাঙ্গাইল।

সূত্র : সমকাল, ৬ মে, পৃষ্ঠা ৭

 

► ব্র্যাক

পদ ও যোগ্যতা : ঋণ কর্মকর্তা। স্নাতকোত্তর। শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য। অন্যান্য পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা শ্রেণি।

বেতন : ২০৮৭২ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : কর্মসূচি সংগঠক। স্নাতক। শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য। অন্যান্য পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা শ্রেণি।

বেতন : ১৫৮৪৬ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ১৮ মে।

যোগাযোগ : ব্র্যাক হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড লার্নিং ডিভিশন, আরডিএ সেকশন, ব্র্যাক সেন্টার, পঞ্চম তলা, ৭৫ মহাখালী, ঢাকা-১২১২।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৪ মে, পৃষ্ঠা ৯

 

► চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

পদ : অধ্যক্ষ, ১টি।

বেতনক্রম : ৪৩০০০-৬৯৮৫০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ২০ মে।

যোগাযোগ : সভাপতি, কলেজ গভর্নিং বডি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কায়সার-নিলুফার কলেজ, চট্টগ্রাম।

সূত্র : সমকাল, ৫ মে, পৃষ্ঠা ৭

 

► জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মৌলভীবাজার

পদ ও যোগ্যতা : অফিস সহায়ক, ২৫টি। অষ্টম শ্রেণি।

বেতনক্রম : ৮২৫০-২০০১০।

আবেদনের শেষ তারিখ : ২৭ মে।

যোগাযোগ : জেলা প্রশাসক, মৌলভীবাজার

সূত্র : ইত্তেফাক, ২৭ এপ্রিল, পৃষ্ঠা ৬

 

► পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বরিশাল

পদ ও যোগ্যতা : সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ২টি। এইচএসসি বা সমমান। কম্পিউটার ওয়ার্ড প্রসেসিং, ডাটা এন্ট্রি ও টাইপিং এবং শর্টহ্যান্ডে গতি বাংলায় ন্যূনতম ৪৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ।

বেতনক্রম : ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : কম্পাউন্ডার, ১টি। এসএসসি বা সমমানসহ ফার্মাসিস্টে ডিপ্লোমা।

বেতনক্রম : ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ২টি। এইচএসসি বা সমমান। কম্পিউটার ওয়ার্ড প্রসেসিং, ডাটা এন্ট্রি ও টাইপিং এবং শর্টহ্যান্ডে গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ।

বেতনক্রম : ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা।

পদ ও যোগ্যতা : নার্সিং সহকারী, ১টি। এসএসসি বা সমমান। 

বেতনক্রম : ৯০০০-২১৮০০ টাকা।

আবেদনের শেষ তারিখ : ৩১ মে।

যোগাযোগ : পুলিশ সুপার, বরিশাল।

সূত্র : যুগান্তর, ২৮ এপ্রিল, পৃষ্ঠা ৬

42


ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে থাকা ঝুঁকিমুক্ত ফাইল কপি করে রাখার পাশাপাশি রুশ গোয়েন্দাদের সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে রাশিয়ার অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা ক্যাসপারস্কির ল্যাবের বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ক্যাসপারস্কির প্রতিষ্ঠাতা ইউজিন ক্যাসপারস্কিও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ইউজিন বলেছেন, তাঁদের জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে পিসিতে গোপনে থাকা ফাইল কপি করার ঘটনা ঘটেছে। অ্যান্টিভাইরাস খাতে এ ধরনের চর্চা গৃহীত নয়। ক্যাসপারস্কির এ চর্চার বিষয় জানাজানি হওয়ার ফলে তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ জোরালো হচ্ছে।

৩ নভেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সাইবার নিরাপত্তা সম্মেলনের অংশ হিসেবে এক সাক্ষাৎকার দেন ইউজিন ক্যাসপারস্কি। ক্যাসপারস্কি স্বীকার করেন, সফটওয়্যার যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসএ) হ্যাকিং টুল থাকা একটি ফাইল কপি করেছিল তাদের অ্যান্টিভাইরাস। ২০১৪ সালে ওই সংস্থার এক কর্মীর কম্পিউটার থেকে এটি কপি করা হয়।

ক্যাসপারস্কি দাবি করেন, ‘আমরা ভুল কিছু করিনি। ওই ফাইলে মার্কিন গোয়েন্দাদের হ্যাকিং টুল ছিল। ওই ফাইলটি কপি করা হয়েছিল। কারণ, তা ছিল বড় একটি সন্দেহজনক সফটওয়্যারের অংশবিশেষ। এ ধরনের ঘটনা খুবই দুর্লভ।’

ক্যাসপারস্কি ল্যাবের একজন মুখপাত্র অবশ্য জানান, যদি কম্পিউটার ফাইলের মধ্যে সন্দেহজনক কিছু না থাকে, তবে সাধারণ কম্পিউটার ফাইল কখনো কপি করে না ক্যাসপারস্কি।

দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ান গোয়েন্দা ও রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট হ্যাকারদের সঙ্গে ক্যাসপারস্কির যোগসূত্র আছে বলে সন্দেহ করা হয়। অবশ্য সাইবার অপরাধ ঠেকানো ছাড়া এ ধরনের কোনো যোগসূত্র থাকার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে ক্যাসপারস্কি কর্তৃপক্ষ।

এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ফেডারেল অফিসগুলোতে ক্যাসপারস্কি সফটওয়্যার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তাদের অভিযোগ, রাশিয়ান গোয়েন্দাদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে ক্যাসপারস্কির। যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি দীর্ঘদিন তদন্ত করা হচ্ছে।

কম্পিউটার সিস্টেমের গভীরে ঢুকে সেখানে থাকা কনটেন্টগুলো পর্যন্ত পৌঁছাতে অ্যান্টিভাইরাস তৈরি করা হয়। তবে সাধারণত ভাইরাসযুক্ত বা কম্পিউটার সিস্টেমের জন্য হুমকিগুলোকে দূর করে এটি। তবে কম্পিউটারে থাকা অন্য ফাইল স্পর্শ করে না। ক্যাসপারস্কির সাবেক কর্মী ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞেরা বলেন, কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো কিছু খোঁজ করা বা হ্যাকিং টুলযুক্ত ফাইল কপি করা বা সাইবার অপরাধীর সূত্র বের করা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের সাধারণ কাজের মধ্যে পড়ে না।

ক্যাসপারস্কি দাবি করেছেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ওই টুল কপি করার কারণ হলো, তা বড় একটি ফাইলের অংশ ছিল এবং ক্ষতিকর প্রোগ্রাম হিসেবে ফ্ল্যাগ দেখানো হয়েছিল। গ্রেফিশ নামের গবেষকের কম্পিউটার থেকে ওই সফটওয়্যারসগ টুল সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের চালু হওয়ার সময় তাতে বাধা দেওয়ার সবচেয়ে জটিল সফটওয়্যার ছিল এটি। ওই ফাইলকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। কারণ, এতে মার্কিন সরকারের গোপন তথ্য ছিল। তবে কোনো কম্পিউটার থেকে লুকানো ফাইল নিলে পরিণামে সাইবার আক্রমণ ঠেকানো সম্ভব বলেই মনে করেন তিনি।

ক্যাসপারস্কি বলেন, কখনো কখনো হ্যাকারদের কম্পিউটার থেকে কোড সরাসরি নেওয়া হয়।

ক্যাসপারস্কির সাবেক তিন কর্মী এফবিআইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। তাঁরা বলছেন, অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতার অপব্যবহার। এর আগে সন্দেহভাজন এক হ্যাকারের ডিজিটাল ছবি তার যন্ত্র থেকে সরিয়ে ফেলেছিল ক্যাসপারস্কি। অবশ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ওই ঘটনাটি ছাড়া অন্য বিষয়ে মুখ খুলতে ইচ্ছুক নন ক্যাসপারস্কি। ক্যাসপারস্কির চোখ এড়িয়ে গোপন ফাইল লুকোনোর কোনো ধারণা দিতে চান না তিনি।

ইউজিন ক্যাসপারস্কি বলেন, ‘অনেক সময় আমরা সাইবার অপরাধী ধরতে পারি। তাই গণমাধ্যমে এ বিষয়ে আমি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। কারণ, তারা খুব চালাক ও সতর্ক। আমি কী বলছি, তা থেকেই তারা শিখে যাবে।’

অন্য বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এ চর্চা সঠিক নয় বলে মন্তব্য করছেন। ফিনল্যান্ডের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান এফ সিকিউরের প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা মাইকো হাইপোনেন বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান যখন কোনো বিপজ্জনক কোডযুক্ত ডকুমেন্ট পায়, এটা দ্রুত ব্যবহারকারী বা অ্যাডমিনকে জানায় এবং তা আপলোড বা কপি করার অনুমতি চায়।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ট্রেইল অব বিটসের প্রধান নির্বাহী ড্যান গুইডো বলেন, ক্যাসপারস্কির এ অভ্যাস সব অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারগুলো চর্চা সম্পর্কে বড় বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত দেয়। সবাই মিলে তাদের গ্রাহক সম্পর্কে বিশাল তথ্য জোগাড় করে। এগুলো কাজে লাগানো অসম্ভব কিছু নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক গণমাধ্যম ক্যাসপারস্কি ও রাশিয়ার অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার গোপন ফাইল খোঁজার বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে।

ক্যাসপারস্কি বলেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে, তা উঠে যাবে। কারণ, তিনি ভিন্ন কোনো স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে সোর্স কোড উন্মুক্ত করে পর্যালোচনা করতে দেবেন। তাঁদের প্রোগ্রামের নিরাপত্তা ত্রুটি সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারলে এক লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেবেন। তথ্যসূত্র: রয়টার্স।

43


বাড়িতে ঢোকার আগেই রাস্তার বাঁ পাশে শিমবাগানের বিস্তার। সেদিকে আঙুল তুলে আলপনা রানী জানালেন, ওখানে মোট আঠারো প্রজাতির শিম চাষ হচ্ছে। তবে চিরাচরিত উপায়ে নয়। পানির ওপর মাচা তৈরি করে তাতে বিশেষ এক পদ্ধতিতে।
ছোট বাঁশের গেট ঠেলে বাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করতেই চোখ জুড়িয়ে গেল। চারদিকে সবুজের সমারোহ। ডানে-বাঁয়ে কয়েক কদম এগোতেই দেখতে পাই নানা জাতের লাউ, ঝিঙে, তুরুল, করলা, চালকুমড়া, শসাসহ হরেক প্রজাতির সবজি। কচুর মুখী থেকে শুরু করে কচু, ওল, চাষি আলু, ঢ্যাঁড়স, পেঁপে, বরবটি। কী নেই!
সবজিখেতে বাহারি শাকসবজি তো আছেই। আরও আছে আতা, আপেল, কমলা, বেদানা, কামরাঙা, চেরি, আমলকী, করমচা, জামরুলের মতো নানান ফলদ গাছ। আছে বনজ ও ঔষধি গাছ। যেন গাছের মেলা বসেছে বাড়ির আঙিনার ছোট্ট ওইটুকু পরিসরের ভেতরে।
আলপনা রানীর সবজিবাগানের ভেতরে ঢোকার পর আবারও বিস্ময়। সবজি আর ফলমূলের পাশে আছে ঔষধি জাতের নানান রকমের লতাপাতা—থানকুনি, আদাবরুনি, নিমে শাক, তেলাকুচো, গিলে শাকসহ কত না শাকের বাহার।
মাত্র ৩৩ শতক জমির ওপর ছোট ছোট দুটি বসতঘর আর উনুনের জায়গাটুকু বাদ দিয়ে অবশিষ্ট জায়গাজুড়ে আলপনা রানী গড়ে তুলেছেন তাঁর স্বপ্নঘেরা ‘আমাদের কৃষিবাড়ি’।
আলপনা স্বামীগৃহে এসেছিলেন মাত্র পনেরো বছর বয়সে। আসার পর মানুষের বাড়ি বাড়ি কামলার কাজ করেছেন। গরুর গোবর কুড়িয়েছেন। দিনমজুর স্বামীর সঙ্গে মিলে সংসারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চেষ্টা করেছেন। অনেক সময় কাজ না মিললে কুড়ানো গোবর শুকিয়ে তৈরি জ্বালানি বিক্রি করেও সংসার চালাতে সাহায্য করেছেন।
শুরুর সেসব দিনের অভাব জয় করে আলপনার এখন সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে। দুই সন্তানের মধ্যে ছেলে রঞ্জনকে স্নাতক পর্যায়ে পড়ালেখা করানোর পাশাপাশি ব্যবসা ধরিয়ে দিয়েছেন। একমাত্র মেয়ে নিপা ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। আর স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে পৈতৃক সম্পত্তিতে গড়ে তুলেছেন ‘আমাদের কৃষিবাড়ি’।
কথা বলার সময় আলপনার দু চোখভরা স্বপ্নপূরণের তৃপ্তি। সবজি চাষে তাঁর হাতেখড়ি বিয়ের আগে, বাবার বাড়িতে। অভাবের কারণে বাবার সঙ্গে মিলে বসতঘর লাগোয়া পতিত জমিতে কিশোরী বয়স থেকেই সবজি চাষ করতেন তিনি।
সম্পত্তি ভাগ-বণ্টনের পর আলপনার স্বামী গঙ্গাধর মিস্ত্রির ভাগ্যে জোটে বাবার ৩৩ শতক জমি। বসতঘরের জমিটুকু ছাড়া বাকি অংশে আমন মৌসুমে ধান চাষ শুরু করেন তাঁরা। পাশাপাশি সংসার চালাতে করতেন দিনমজুরি। সংসারের প্রয়োজনে আলপনাকেও অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতে হতো। কখনো মাঠে গৃহস্থের গরু চরানোর কাজ। পারিশ্রমিক কিছু পাওয়া যেত। উপরি পাওনা ছিল গোবর। কিন্তু তাতে কি আর অভাব ঘোচে? শেষমেশ ২০১০ সালে ধান ওঠার পরপরই জমিতে সবজির চাষ শুরু করেন আলপনা। প্রথম বছরেই আশার আলোর দেখা মেলল। এতে উৎসাহ গেল বেড়ে। ফলে পরের দুই বছর ধান ওঠার পরপরই একই জমিতে আবার তাঁরা সবজি চাষ করলেন। এবার সামান্য হলেও অভাব ঘুচল। ২০১২ সালে নানা চিন্তাভাবনা করে নিচু জমিটুকুতে ধান চষলেন তাঁরা। আর অবশিষ্ট জমিটুকুতে আলপনা শুরু করলেন নানান জাতের সবজি চাষ।
এরপর আর থামাথামি নেই। কেবলই সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প আলপনাদের। স্বামী-স্ত্রী দুজনের প্রচেষ্টায় অল্প দিনের মধ্যেই দাঁড়িয়ে যায় আলপনার স্বপ্নের ‘আমাদের কৃষিবাড়ি’। এসব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৩ সালে আলপনা রানী শ্যামনগর উপজেলা ও সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ২০১৪ সালে পেয়ে যান জাতীয় কৃষি পদক। বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হন ২০১৫ সালে।
নিজের খামারবাড়ির সবজিখেতের প্রয়োজনীয় সারের অভাব পূরণের জন্য কৃত্রিম সারের ওপর আলপনা মোটেই নির্ভর করেন না। ছয়টি গরু পালছেন তিনি। একদিকে তাতে আয় হচ্ছে। আর গরুর গোবর দিয়ে জৈব সার তৈরি করে নিজের সবজিবাগানের প্রয়োজন মেটাচ্ছেন।
সার বা কীটনাশকের ক্ষেত্রেও আলপনার একই নিদান। নিজের সবজিবাগানে কিংবা ধানের খেতে কোথাও তিনি কোনো কৃত্রিম সার বা কীটনাশক ব্যবহার করেন না। নিজের বাড়িতে মেহগনির ফল আর নিম পাতা সেদ্ধ করে তাতে কেয়া পাউডার মিশিয়ে ধান কিংবা সবজিবাগানের কীটনাশকের চাহিদা মেটাচ্ছেন। ওসব দিয়েই বালাইনাশকের কাজ করছেন।
আলপনার স্বামী গঙ্গাধর মিস্ত্রি জানালেন, শুরুতে তাঁরা বাজারের কৃত্রিম সারই ব্যবহার করতেন। কিন্তু আলপনাই তাঁকে ভিন্ন একটি পরামর্শ দেন। আলপনার পরামর্শ ও পরিশ্রমে এখন তাঁরা বাড়িতে জৈব সার তৈরি করছেন। নিজেদের খামারের চাহিদা মিটিয়ে বাইরে বিক্রি করার জন্য অতিরিক্ত সারও থেকে যায়।
আলপনার সবজিখেতের আয়তন ধীরে ধীরে অনেকটাই বেড়ে গেছে। আরও বড় করার জন্য পাশের মালিকের জমি ইজারা নিয়ে চেষ্টা করছেন। সবজি চাষে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর এখন বসতঘরের পাশে লেয়ার মুরগির খামার করারও পরিকল্পনা করছেন।
আলপনাকে নিয়ে গ্রামবাসীদেরও অনেক গর্ব। একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সামসুর রহমানের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বললেন, আলপনা কেবল সবজি চাষ করেই ক্ষান্ত দেননি। আশপাশের গ্রামের মেয়েদের নিয়ে ২০১৩ সালে কৃষিভিত্তিক সংগঠন ‘ধুমঘাট শাপলা নারী উন্নয়ন সংগঠন’ গড়ে তুলেছেন। এ সংগঠনের সদস্য ৬০ জন। গ্রামের মেয়েদের এগিয়ে নিতে সংগঠনটি কাজ করছে।
সংগঠনের সদস্য অন্তাখালী পল্লির কবিতা রানী আলাপে আলাপে পঞ্চমুখে আলপনার সুনাম গাইলেন। বললেন, তিনি অসাধ্যকে সাধন করেছেন। সামান্য ঘুঁটেকুড়ানি থেকে তিনি এখন গ্রামীণ নারীদের পারিবারিক সচ্ছলতার পথপ্রদর্শক। সবার কাছে আদর্শ নারীর প্রতীক।
পতিরাম মণ্ডল ধুমঘাট পল্লির কৃষক। তিনি বললেন, আলপনা দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ইচ্ছাশক্তি আর মনোবল থাকলে অসম্ভবকে সম্ভব করা সম্ভব। আলপনাকে দেখে তাঁর স্ত্রীও নাকি বাড়িতে দুই বছর ধরে শাকসবজির চাষাবাদ শুরু করেছেন। আলপনার কাছ থেকে তাঁরা নানা প্রজাতির সবজির বীজ সংগ্রহ করেন, বিনা মূল্যে।
ধুমঘাট পল্লির কোমল লতা, শ্রীফলকাঠির আমেনা বিবি, অষ্টমী মণ্ডল, পতিরাম কিংবা অন্তাখালীর রেবেকাই নন, আশপাশের নানা গ্রামের বহু নারী এখন আলপনাকে আদর্শ মেনেছেন। তাঁর পথ অনুসরণ করে নিজেদের এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছেন। নিজেদের বাড়িতে বাড়িতে তাঁরা গড়ে তুলেছেন সবজিবাগান বা কৃষিখামার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শ্যামনগর উপজেলা কর্মকর্তা আবুল হোসেন মিয়া বললেন, শাকসবজি চাষে আলপনা এ অঞ্চলে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় কৃষকদের বিনা মূল্যে বীজ দিচ্ছেন, দিচ্ছেন পরামর্শও। এ ছাড়া হারিয়ে যাওয়া শাকসবজির বীজ সংরক্ষণ করে মানুষকে সেসব নতুন করে চেনাচ্ছেনও।
আলপনার কৃষিখামারে এখন সব মিলিয়ে তিন শর মতো প্রজাতির শাকসবজি। তাঁর স্বপ্ন, সবজি চাষের সফলতা দিয়ে মানুষকে তিনি রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী ধুমঘাট নতুন করে চেনাবেন।
কল্যাণ ব্যানার্জি: প্রথম আলোর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।

কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য
আলু উৎপাদনে এশিয়ায় তৃতীয়
স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ
আম উৎপাদনে সপ্তম
পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম
১৯৭১ থেকে ২০১৫
ভুট্টার উৎপাদন বেড়েছে ৭৫৭ গুণ
গমের উৎপাদন বেড়েছে ১২ দশমিক ২৫ গুণ
সবজির উৎপাদন বেড়েছে ৫ গুণ
ধান চাষের জমি ১৮ শতাংশ কমলেও উৎপাদন বেড়েছে ৩ দশমিক ১৬ গুণ
ফলের উৎপাদন বাড়ার হার ১১ দশমিক ৪ শতাংশ
সূত্র: বিবিএস, কৃষি মন্ত্রণালয়, এফএও, ‘দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার’ (২০১৬)

44

ইন্টারনেট আসক্তি কাটাতে
ইন্টারনেট ছাড়া এখনকার পড়াশোনার কথা ভাবাই যায় না। প্রায়ই এটা-ওটা সার্চ দিতে হয়। তবে অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে নষ্ট হচ্ছে সময়, ফলাফল হচ্ছে খারাপ। লাইফহ্যাকঅর্গ অবলম্বনে ওই আসক্তি কাটানোর উপায় বলছেন তাহমিদ-উল-ইসলাম


ইন্টারনেট আসক্তি কাটাতে
কী করে বুঝবে
যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য দরকার আগে সমস্যার মূল শনাক্ত করা। যদি দেখা যায়, ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে তুমি পারিবারিক কাজে সময় দিতে পারছ না।

পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ কমে যাচ্ছে। স্মার্টফোনটা ভুল করে বাসায় ফেলে আসায় অস্বস্তি লাগছে খুব। গ্যাজেট ছাড়া এক মুহূর্তও চিন্তা করতে পারছ না, তবে তুমি ইন্টারনেট আসক্তিতে ভুগছ।

সময় বাঁধা
সমস্যাটি শনাক্ত করার পর প্রথম কাজ হলো দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বের করা, যখন তোমার চৌহদ্দিতে কোনো ধরনের গ্যাজেট থাকবে না। এ সময় বই পড়ে বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিংবা শুধু বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে কাটাবে। ফোনটা এ সময় বন্ধ রাখলেই ভালো।

নিজেকে পর্যবেক্ষণ
নিজের ইন্টারনেট ব্যবহার পর্যবেক্ষণের জন্য স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যেতে পারে স্টে ফোকাসড। পিসির জন্যও রয়েছে এ ধরনের ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা নির্দিষ্ট সময়ে কোনো একটি সাইটে সময় কাটানোর পর সেটি ব্লক করে দেয়। আমরা সাধারণত আমাদের এসব যন্ত্রনির্ভরতা নিয়ে খুব একটা ভাবতে চাই না। দিনে কী পরিমাণ কোন সাইটে সময় যাচ্ছে, সেটা ভাবার চেষ্টা করো। হিসাব করে দেখো যে এক দিনে যদি শুধু অহেতুক চ্যাট করে এক ঘণ্টা সময় যায়, তবে এক মাসে কিন্তু ৩০ ঘণ্টা অর্থাত্ প্রায় দেড় দিনের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের প্রক্রিয়াটা চালু থাকলেও দেখবে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ব্যবহারে তুমি ধীরে ধীরে বেশ পরিমিত হয়ে উঠছ।

খেলায় খেলায়
ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়েছে না কমেছে, সেটা বিবেচনা করে ব্যবস্থা নাও। রুটিনেও আনা দরকার পরিবর্তন। দিনের একটা বড় সময় ইন্টারনেট থেকে সরে আসার পর নিজেকে একটা করে পয়েন্ট দিতে পারো পুরস্কার হিসেবে। ধরে নাও এটাও একটা গেম, যে খেলায় তোমাকে সেরা হতে হবে। দেখবে গ্যাজেট থেকে দূরে থাকলেও তোমার অস্বস্তি ভাবটা আর থাকবে না।

45
Travel / Visit / Tour / মহেড়া জমিদারবাড়ি
« on: September 25, 2017, 02:12:30 PM »

মহেড়া জমিদারবাড়ি


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুরের পাকুল্লা পার হয়ে নাটিয়াপাড়া-ফতেপুর। মহাসড়কের পাশেই মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের সাইনবোর্ড।

সেখান থেকে তিন কিলোমিটার পূর্বদিকে মহেড়া জমিদারবাড়ি। প্রথমেই চোখে পড়বে একটি পুকুর। পাশেই পরপর কয়েকটি ভবন।
১৮৯০ সালে জমিদার বিধু সাহা, বুদ্ধু সাহা, হরেন্দ্র সাহা ও কালীচরণ সাহা—এই চার ভাই মহেড়া জমিদারির পত্তন করেন। তাঁদের পরের প্রজন্ম রায় চৌধুরী পদবি গ্রহণ করে। তবে জমিদারদের পূর্বপুরুষরা কেউ পাটের ব্যবসা, কেউ লবণের ব্যবসা করতেন। ১৯৭১ সালের ১৪ মে পাকিস্তানি বাহিনী মহেড়া জমিদারবাড়িতে হামলা চালায়। কুলবধূ যোগমায়া রায় চৌধুরীসহ পাঁচজনকে চৌধুরী লজের পেছনে একত্রে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। লুট করে বাড়ির মূল্যবান সম্পদ।

১৯৭২ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাড়িটিকে জোনাল পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৯৯০ সালে জোনাল পুলিশ ট্রেনিং স্কুলকে উন্নীত করা হয় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে।
আট একর আয়তনের মহেড়া জমিদারবাড়ির সামনের অংশে মহারাজ লজ, আনন্দ লজ, চৌধুরী লজ ও কালীচরণ লজ নামে চারটি দৃষ্টিনন্দন ভবন। এ ছাড়া রয়েছে কাছারি ভবন, রানি মহল, বিশাখা সাগর, নায়েব ভবন, পুকুরের গোলঘর, মনোময় কুঠি, পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের প্যারেড গ্রাউন্ড, মিনি চিড়িয়াখানা, শিশু পার্ক, বিশ্রামাগার, জাদুঘর। প্রতিটি ভবনের সামনে ফুলের বাগান। ভবনগুলোর আশপাশের পুরো এলাকা রঙিন টাইলস করা—পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থাও রয়েছে।

 

চার লজ

বাড়ির পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবেশ করলে প্রথমেই পড়বে মহারাজ লজ। দুইতলা এ ভবনে ১০টি কক্ষ। ভবনের সামনের অংশ কারুকাজ করা। সামনে ফুলবাগান। বাগানে ঘুরে বেড়ানোর রাস্তাও আছে।

আনন্দ লজও দ্বিতল ভবন। এতে কক্ষ ১২টি। আনন্দ লজের ঝুলবারান্দা চমৎকার নির্মাণশৈলীর পরিচয় বহন করে। বর্তমানে এ ভবনের নিচের তলা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের (পিটিসি) প্রশাসনিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আনন্দ লজের পাশ দিয়ে এগিয়ে গেলে পাসরা পুকুর। পুকুরের ওপর তৈরি করা হয়েছে গোলঘর।

জমিদারবাড়ির স্থাপনাগুলোর মধ্যে চৌধুরী লজ পূর্বপাশে। দোতলা ভবনটিতে ছয়টি কক্ষ। নিচতলায় তিনটি ও ওপরের তলায় তিনটি। এই লজের পেছনে অতিথি ভবন। অতিথি ভবনের উত্তর পাশে রানি মহল। এখানে জমিদারদের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকত। এ ভবনের পাশে কালীচরণ লজ। একতলা ভবন। পিটিসির এক নম্বর সেন্ট্রি পোস্ট পার হয়ে কয়েক কদম এগিয়ে গেলে বাঁ দিকে সিংহদ্বার।



সিংহদ্বার

বিশাখা সাগর

জমিদারবাড়ির সামনে বিশাল পুকুর। এই পুকুরই বিশাখা সাগর। পিটিসিতে প্রবেশের আগেই চোখে পড়বে। চারপাশে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ। চার একর আয়তনের বিশাখা সাগরের উত্তর দিকের মাঝামাঝি বড় ঘাট। ঘাটের দুই পাশে তিনটি করে স্তম্ভ। কেউ চাইলে বিশাখা সাগরে স্পিডবোট নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।



জাদুঘর

জাদুঘর

জমিদারদের পুরনো একটি স্থাপনা সংস্কার করে সেখানে জাদুঘর করা হয়েছে। এর তিনটি অংশ। প্রথম অংশে জমিদারদের ব্যবহার্য জিনিসপত্র। দ্বিতীয় অংশে মুক্তিযুদ্ধের সময় পুলিশ সদস্যদের ব্যবহার করা জিনিস ও অস্ত্র। তৃতীয় অংশে জমিদারবাড়ির ইতিহাস।

Pages: 1 2 [3] 4