Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Farhana Israt Jahan

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 28
Clinical Pharmacy / What is Clinical Pharmacy?
« on: August 09, 2018, 02:15:17 PM »
Clinical pharmacy is the branch of Pharmacy where pharmacists provide patient care that optimizes the use of medication and promotes health, wellness and disease prevention. Clinical pharmacists care for patients in all health care settings but the clinical pharmacy movement initially began inside hospitals and clinics.
Clinical pharmacy process requires the application of specific knowledge of pharmacology, pharmacokinetics, pharmaceutics & therapeutics.

Clinical pharmacists work directly with doctors, other health professionals, and patients to ensure that the medications prescribed for patients contribute to the best possible health outcomes. Clinical pharmacists practice in health care settings where they have frequent and regular interactions with doctors and other health professionals, contributing to better coordination of care.

Clinical pharmacists:
•    Provide a consistent process of patient care that ensures the appropriateness, effectiveness, and safety of the patient’s medication use.
•    Consult with the patient’s doctor(s) and other health care provider(s) to develop and implement a medication plan that can meet the overall goals of patient care established by the health care team.
•   Apply specialized knowledge of the scientific and clinical use of medications; including medication action, dosing, adverse effects, and drug interactions, in performing their patient care activities in collaboration with other members of the health care team.
•   Call on their clinical experience to solve health problems through the rational use of medications.
•   Rely on their professional relationships with patients to tailor their advice to best meet individual patient needs and desires.

Spinal cord / Spina bifida-a deadly birth defect
« on: July 03, 2018, 12:40:06 PM »
Spina bifida is a condition where the bones in the vertebral column do not fully cover the spinal cord, leaving it exposed. Symptoms range from mild to severe, and it can affect physical and intellectual development.
In spina bifida, the neural tube and spinal column do not develop properly. The spine does not close fully, and the spinal column remains exposed along several vertebrae. Exposure means the spinal column is more at risk of infection. Excess cerebrospinal fluid can build up and result in hydrocephalus, and this increases the chances of learning difficulties.

An infant who is born with spina bifida may have or develop:

  • weakness or paralysis in the legs
    urinary incontinence
    bowel incontinence
    a lack of sensation in the skin
    a build up of cerebrospinal fluid (CSF), leading to hydrocephalus, and possibly brain damage
    The nervous system will also be more prone to infections, some of which can be life-threatening.

Causes and risk factors
It is unclear exactly what causes spina bifida. Scientists say it is most likely due to a combination of inherited, or genetic, environmental and nutritional factors.

Folic acid: Spina bifida is more likely if a mother does not have enough folic acid during the pregnancy, although the reason is unclear. All women of reproductive age should make sure their folic acid intake is adequate. Since the introduction of folic acid recommendations in the U.S. in 1992, the number of births involving neural tube defects has fallen.

Plant proteins, iron, magnesium, and niacin: A low intake of these nutrients before conception may be associated with an increased risk of neural tube defects by two to five times.

Family history: If one infant is born with spina bifida, there is a 4 percent chance that a future sibling will have the same condition.

Medications: Drugs such as valproate, used to treat epilepsy or bipolar disorder, have been associated with a higher risk of giving birth to babies with congenital defects, such as spina bifida.

Diabetes: A woman who has diabetes is more likely to have a baby with spina bifida, than one who does not.

Obesity: A woman whose body mass index (BMI) is 30 or above has a higher risk of having a baby with spina bifida.

রোজা অবস্থায় ব্রাশ-পেস্ট ও মেসওয়াক ব্যবহারে কী করবেন?

হাদিসে পাকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশ্ক আম্বরের চেয়েও প্রিয়।’ এ গন্ধ মানে মেসওয়াক না করার কারণে মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে প্রিয় নয়।

এ হাদিসের আলোকে অনেকেই ভুল করে থাকেন, আর তাহলো- যেহেতু রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয়, তাই রোজা অবস্থায় মেসওয়াক করা যাবে না। মেসওয়াক করলে আল্লাহর কাছে প্রিয় গন্ধ দূর হয়ে যাবে। আর রোজাদার সে ফজিলত থেকে বঞ্চিত হবে। আসলে বিষয়টি এমন নয়।

রবং মেসওয়াক করা সুন্নাত, এটা রোজা রাখা অবস্থায় সকাল, দুপুর, বিকালসহ সব নামাজের ওয়াক্তে আদায় করাই সুন্নাত। আর সব অবস্থায়ই রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে সর্বঅধিক প্রিয়। তাই বলে মেসওয়াক না করার ফলে রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে প্রিয় নয়। এ ব্যাপারে রোজাদারের সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

রোজা অবস্থায় ব্রাশ-পেস্টের মাসআলা আলাদা। সাধারণত মানুষ ব্রাশের সঙ্গে পেস্ট ব্যবহার করে থাকে। যেমনটি মেসওয়াকের সঙ্গে ব্যবহার করা হয় না।

মনে রাখতে হবে
রোজা অবস্থায় পেস্ট, গুল, মাজন বা কয়লা ইত্যাদি দিয়ে দাঁত পরিস্কার করা নিষিদ্ধ। কারণ এগুলো গলার ভেতরে চলে গেলে রোজাই নষ্ট হয়ে যাবে। আর যদি ভেতরে চলে না-ও যায়, তবুও রোজা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

যদি কেউ শুধু পেস্ট ছাড়া শুধু ব্রাশ করতে চায়; তবে তা করতে পারবে। তবে উত্তম হলো মেসওয়াক করা। তাতে মেসওয়াক করার সুন্নাতও আদায় হবে আবার রোজা নষ্ট হওয়ার ক্ষতি থেকেও বেঁচে থাকা যাবে।


বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আপনার কী করা উচিত

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।

২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।

৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।

৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।

৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।

৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।

৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।

৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।

১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।

১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।

১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।

১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।

১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।

১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।

১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।

১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

Zakat / যাকাত কখন ফরয হয়?
« on: May 14, 2018, 11:04:18 AM »
যাকাত কখন ফরয হয়?

প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের ওপর যাকাত ফরয হয়, যদি তার কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর পর্যন্ত থাকে।

নেসাবের ব্যাখ্যা: নেসাব হলো সম্পদের একটি পরিমাপ; সর্বনিম্ন যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে ব্যক্তির ওপর যাকাত ফরয হয় এবং তাকে বলা হয় সাহিব-এ-নিসাব।

রাসূল স. সোনা-রূপা, পশু ও ফসলের ভিন্ন ভিন্ন নেসাব বর্ণনা করে গেছেন। তবে যেহেতু পশু ও ফসল ভিন্ন অন্য সব খাতে সোনা-রূপার নেসাবই ধর্তব্য, তাই আমরা কেবল সেটা নিয়েই আলোচনা করব।

রাসূল স. এর বর্ণিত হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে সোনার নেসাব হয় ৮৭.৪৮ গ্রাম বা ৭.৫ ভরি। আর রূপার নেসাব হয় ৬১২.৩৬ গ্রাম বা ৫২.৫ ভরি। বর্তমান বাজারমূল্য হিসেবে সোনার নেসাব দাঁড়ায় প্রায় তিন লাখ টাকা। আর রূপার নেসাব দাঁড়ায় প্রায় বায়ান্ন হাজার পাঁচ শত টাকা। এই পরিমাণ সম্পদের মালিক কেউ হলে সে সাহিবে নেসাব বা নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে।

যেহেতু যাকাত গরীবের হক, তাই গরীবের যে নেসাবে হিসাব করলে উপকার বেশি হবে, সেটাই হিসাব করা উচিৎ। সে হিসেবে সামর্থ্যবানদের উচিৎ রূপার নেসাবে হিসাব ধরে যাকাত আদায় করা। হ্যাঁ, যদি কারো সামর্থ্য কম থাকে বা কোনো আয়ের কোনো উৎস না থাকে, তাহলে তিনি সোনার নেসাবে উত্তীর্ণ হলেই যাকাত আদায় করবেন।

এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া ব্যাখ্যা: যেদিন নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, সেদিন থেকে এক চান্দ্র বছর পর যাকাত হিসাব করতে হবে। যেমন কেউ এ বছর রমজানের এক তারিখে নেসাবের মালিক হলো। তাহলে পরের বছর রমজানের এক তারিখ তাকে যাকাত হিসাব করে আদায় করতে হবে।

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়ার পর বছরের মাঝে যদি সম্পদের পরিমাণ নেসাব থেকে কমে আসে, কিন্তু যাকাত হিসাব করার তারিখে নেসাব অটুট থাকে, তাহলে যাকাত আদায় করতে হবে। যেমন, কেউ রমজানের এক তারিখে তিন লাখ টাকার মালিক হলো। তাহলে সোনার নেসাব অনুসারে সে সাহিবে নেসাব বলে গণ্য হবে। কিন্তু দু মাস পরেই তার পঞ্চাশ হাজার টাকা ব্যয় হয়ে গেল। এখন দেখতে হবে যাকাত হিসাব করার তারিখে, অর্থাৎ পরের বছর রমজানের এক তারিখে তার কাছে কত টাকা আছে। যদি তিন লাখ বা তদুর্ধ্ব হয়, তাহলে যাকাত আদায় করতে হবে। যদি নেসাব থেকে কম হয়, তাহলে যাকাত আদায় করতে হবে না। পরবর্তীতে আবার যেদিন নেসাবের মালিক হবে, সেদিন থেকে এক বছর হিসাব করতে হবে।

আরেকটি বিষয় হলো, সব সম্পদের ওপর ভিন্ন ভাবে এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া জরুরী নয়। বরং যাকাত হিসাবের তারিখে যাকাতযোগ্য যত সম্পদ আছে, সব হিসাব করতে হবে। তা একদিন আগে হাতে আসলেও।

বিষয়টা আরেকটু পরিষ্কার করা যাক। নেসাবের মালিক হওয়ার পর এক বছরের শর্ত দেয়ার কারণ হলো, ব্যক্তির সম্পদের মালিকানা স্থিতিশীল কিনা তা যাচাই করা। নেসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর স্থায়ী থাকলে তা সম্পদের স্থিতি প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তাই প্রত্যেক সম্পদে আলাদা ভাবে এক বছর অতিক্রম হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং যাকাত হিসাবের তারিখে সকল যাকাতযোগ্য সম্পদ হিসাব করে ২.৫% যাকাত আদায় করতে হবে।

কোন কোন সম্পদে যাকাত আসে?

ব্যবহারের সম্পদে সাধারণত যাকাত আসে না। রাসূল স. বলেছেন, “একজন মুসলিমের ওপর তার দাস ও তার ব্যবহারের ঘোড়ার ক্ষেত্রে যাকাত নেই”।[8]

এছাড়া ছয় প্রকার সম্পদের ক্ষেত্রে যাকাত আসে। সোনা-রূপা, নগদ অর্থ, ব্যবসার সম্পদ, জীবজন্তু, কৃষিজ উৎপাদন ও খনিজ সম্পদ। এই প্রবন্ধে আমরা কেবল প্রথম তিন প্রকার নিয়ে আলোচনা করব।

সোনা-রূপা: সোনা-রূপাতে সর্বাবস্থায় যাকাত হিসাব করতে হয়। তা ব্যবহারের হোক বা ব্যবসার হোক।

নগদ অর্থ: নগদ অর্থ বলতে ব্যাংকে থাকা টাকা, হাতে থাকা নগদ অর্থ এবং এমন যে কোনো বিনিয়োগ, যা খুব সহজেই তরল করা যায়। যেমন বন্ড ইত্যাদি।

ব্যবসার সম্পদ: ব্যবসার সম্পদ হলো যাকাতযোগ্য সম্পদের অন্যতম খাত। ব্যবসার সম্পদ বলতে প্রত্যেক ঐ সম্পদ, যা ক্রয়ের সময় বিক্রয়ের নিয়্যত বা ইচ্ছা থাকে। সাধারণত কোনো সম্পদ ক্রয়ের সময় কয়েক রকম নিয়্যত থাকতে পারে।

১. নিজে ব্যবহারের নিয়্যত – এ ক্ষেত্রে এতে যাকাত হিসাব করতে হবে না।

২. ভাড়া দেয়ার নিয়্যত – এ ক্ষেত্রে সম্পদটির ওপর যাকাত হিসাব করতে হবে না। তবে ভাড়া যদি হাতে থাকে বা ব্যাংকে থাকে, তাহলে তাতে যাকাত হিসাব করতে হবে।

৩. বিক্রয়ের নিয়্যত – এ ক্ষেত্রে সম্পদের বিক্রয়মূল্য বা বাজারমূল্যের ওপর যাকাত হিসাব করতে হবে।

৪. ক্রয়ের সময় কোনো নিয়্যত করা হয় নি – এ ক্ষেত্রে সম্পদের ওপর কোনো যাকাত হিসাব করতে হবে না।

মোটকথা, বিক্রয়ের ইচ্ছায় ক্রয় করে থাকলে তা ব্যবসার সম্পদ বলে গণ্য হবে এবং তাতে যাকাত আসবে। অন্যথায় যাকাত আসবে না। এটাই মূলনীতি।

এবার বিভিন্ন সম্পদ আলাদা ভাবে আলোচনা করা যেতে পারে।

জমি, প্রপার্টি, প্লট, ফ্ল্যাট – ইত্যাদি যদি ক্রয়ের সময় বিক্রয়ের ইচ্ছায় ক্রয় করে থাকে, তাহলে সেগুলো যাকাতের জন্য হিসাব করতে হবে। অন্যথায় করতে হবে না। কাজেই উত্তরাধিকার সূত্রে যদি কেউ এসবের মালিক হয়, বা কেউ উপহার হিসেবে দিয়ে থাকে, তাহলে যাকাত হিসাব করতে হবে না। কারণ এখানে ক্রয়ই হয়নি, বিক্রয়ের ইচ্ছায় ক্রয় তো পরের বিষয়।

শেয়ার যদি সেকেন্ডারী মার্কেটে বিক্রয় করার ইচ্ছায় ক্রয় করে থাকে, তাহলে যাকাত হিসাবের তারিখের বিনিময়মূল্য যাকাতে হিসাব করতে হবে। যদি কেবল কোম্পানীর মুনাফা বা ডিভিডেন্ডের জন্য ক্রয় করে থাকে, তাহলে যাকাতের জন্য হিসাব করতে হবে না।

ফ্যাক্টরীর কাঁচামাল, তৈরীকৃত পণ্য, তৈরীর প্রক্রিয়াধীন পণ্য – এসবের ওপর যাকাত হিসাব করতে হবে। কেননা এ সবই বিক্রয়ের ইচ্ছায় ক্রয় করা হয়েছে। কিন্তু কোম্পানীর গাড়ী, ফ্ল্যাট, ফিক্সড এ্যাসেট, মেশিনারিজ – এসবের ওপর যাকাত হিসাব করতে হবে না। কারণ এগুলো ক্রয়ের সময় বিক্রয়ের ইচ্ছায় ক্রয় করা হয়নি।

উল্লেখ্য যে, যাকাত হিসাবের সময় সম্পদের মূল্য হিসাব করতে হয়। আর সম্পদের মূল তা-ই, যা দিয়ে তা বাজারে বিক্রয় করা যায়। কাজেই, সম্পদের বিক্রয়মূল্যই যাকাতের ক্ষেত্রে হিসাব করতে হবে। তা ক্রয়মূল্য বা বাজারমূল্য থেকে কম-বেশী যা-ই হোক।

উদাহরণস্বরূপ, রাশেদ একটি প্লট ক্রয় করেছে চল্লিশ লাখ টাকা দিয়ে। ক্রয়ের সময়ই তা পুন:বিক্রয়ের নিয়্যতে ক্রয় করেছে। যাকাত হিসাবের তারিখে যাচাই করে দেখা গেল যে, প্লটটি এখন পঞ্চাশ লাখ টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করা যাবে। তখন প্লটটির মূল্য পঞ্চাশ লাখ টাকা ধরেই যাকাত হিসাব করতে হবে।

আবার খালেদ আশি হাজার টাকার শেয়ার ক্রয় করেছে, সুযোগ পেলেই বিক্রয় করে দিবে। কিন্তু যাকাত হিসাবের তারিখে বাজারে তার শেয়ারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ত্রিশ হাজার টাকা। কাজেই তাকে ত্রিশ হাজার টাকাই যাকাতের জন্য হিসাব করতে হবে।

যাকাত হিসাবে ঋণের প্রভাব:

যাকাত হিসাব করার সময় ঋণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এ বিষয়ে আলোচনা করা যাক।

ঋণ দুই রকম হতে পারে।

এক. প্রাপ্য ঋণ বা যে ঋণ অন্যের কাছ থেকে পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

দুই. প্রদেয় ঋণ বা যে ঋণ অন্যকে আদায় করতে হবে।

প্রাপ্য ঋণের ক্ষেত্রে বিধান হলো, যখন হাতে আসবে তখন পেছনের বছরসহ যাকাত আদায় করে দিতে হবে। কাজেই পাওয়ার সম্ভাবনাময় ঋণগুলো প্রতিবছর যোগ করে হিসাব করে যাকাত আদায় করে দেয়াই ভালো।

প্রদেয় ঋণ দুই রকম হতে পারে। একবারে পরিশোধযোগ্য ও কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য।

যেসব ঋণে কিস্তির সুবিধা নেই এবং তা নগদ আদায় করে দিতে হবে, সেগুলোকে যাকাতের হিসাব থেকে বিয়োগ করে নিতে হবে।

আর যেসব ঋণে কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা আছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে পরবর্তী এক বছরের কিস্তি যাকাতের হিসাব থেকে বিয়োগ করতে হবে। পুরো ঋণ বিয়োগ করা যাবে না।

যেমন, রাশেদ একটি গাড়ী ক্রয় করল, যার মূল্য বিশ লাখ টাকা। এবং তা পাঁচ বছরে পরিশোধযোগ্য। তো, যাকাত হিসাব করার সময় কেবল এক বছরের প্রদেয় তথা চার লাখ টাকা বিয়োগ দিতে পারবে।

তবে ঋণ যদি প্রয়োজনিতিরিক্ত সম্পদ ক্রয়ের জন্য নেয়া হয়ে থাকে, যেমন, অতিরিক্ত একটি বাড়ি বা গাড়ি, কিংবা ফ্যাক্টরীর একটি অতিরিক্ত মেশিন, যেটার ওপর জীবন নির্ভর করে না, তাহলে তা যাকাতের হিসাব থেকে বাদ দেয়া হবে না। বরং, এই ঋণ ঐ সম্পদের বিপরীতে ধরা হবে। অর্থাৎ, ঋণ আদায়ে অপারগ হলে তা ঐ সম্পদ বিক্রয় করেই পরিশোধ করা হবে।

বিষয়টা আরেকটু ব্যাখ্যা করা যাক। যাকাতের হিসাব থেকে প্রদেয় ঋণ বিয়োগ দেয়ার কারণ হলো, যেহেতু ঋণ আদায় করতে হবে এই টাকা দিয়েই, তাই তা থেকে খরচ না করা।

কিন্তু প্রয়োজনিতিরক্ত সম্পদে বিনিয়োগের জন্য ঋণ করা হলে, সমস্যা হলে তা বিক্রয় করেই ঋণ আদায় করা সম্ভব। এবং এতে ব্যক্তির জীবন চালাতে কোনো ক্ষতি হবে না। কাজেই এই ঋণ যাকাতের হিসাব থেকে বাদ দেয়া হবে না।

উদাহরণস্বরূপ, রাশেদ একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছে চল্লিশ লাখ টাকায়। উদ্দেশ্য, দাম বাড়লে বিক্রয় করে দেয়া। রাশেদ তা পাঁচ বছরের কিস্তিতে ক্রয় করেছে। তার মোট প্রদেয় ঋণের পরিমাণ পঁয়ত্রিশ লাখ টাকা। কিন্তু রাশেদের আরো একটি বাড়ি আছে, যেখানে সে ও তার পরিবার থাকে। কাজেই এই ফ্ল্যাটের টাকা অন্য খাত থেকে পরিশোধ করতে অসমর্থ হলে তা বিক্রয় করেই পরিশোধ করা সম্ভব। কাজেই এই ঋণের টাকা যাকাতের হিসাব থেকে বিয়োগ দেয়া হবে না।

যাকাত কীভাবে হিসাব করবে?

প্রথমবার নেসাবের মালিক হওয়ার এক চান্দ্র বছর পর যাকাত আসে এমন সমুদয় সম্পদের মূল্য টাকায় (বা অন্য কোনো মুদ্রায়) রূপান্তর করে নিবে। এরপর সব যোগ করবে। প্রাপ্য ঋণ থাকলে তাও যোগ করবে। প্রদেয় ঋণ থাকলে, তা নগদে পরিশোধ করতে হলে, পুরোটা বিয়োগ দিবে। আর কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য হলে কেবল পরবর্তী এক বছরের কিস্তি বিয়োগ দিবে। এরপর বিয়োগফলের ২.৫% যাকাত হিসাব করবে।

যাকাতের সম্পদ + প্রাপ্য ঋণ – প্রদেয় ঋণ (নগদ) – প্রদয়ে ঋণ (পরবর্তী এক বছরের কিস্তি) = মোট সম্পদ X ২.৫% = যাকাত

যাকাত কাকে দেয়া যায়:

বৈবাহিক সম্পর্ক ও ঔরষজাত সম্পর্কের মানুষকে যাকাত দেয়া যায় না। কাজেই স্বামী-স্ত্রী, পিতা-পুত্র, দাদা-নাতী কাউকে যাকাত দেয়া যাবে না। অনুরূপভাবে রাসূল স. এর বংশের কাউকে যাকাত দেয়া যাবে না।

এছাড়া যে কোনো গরীবকে যাকাত দেয়া যাবে। গরীব বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার হয়ত কোনো সম্পদই নেই। কিংবা আছে, তবে তার প্রয়োজনীয় সম্পদ ও জীবন যাপনে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিলে তা নেসাবের চেয়ে কম হয়।

আল্লাহ তায়ালা যাকাত আদায়ের সাতটি খাত উল্লেখ করেছেন। ফকীর, মিসকীন, যাকাত উসুল ও আদায়ের কাজে নিয়োজিত, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, জেহাদকারীর জন্য এবং মুসাফির[9]।

যাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনকে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ। যাকাত আদায়ের সময় ‘যাকাতের টাকা’ উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। আদায়ের সময় বা যাকাতের টাকা আলাদা করার সময় নিয়্যত করলেই হবে। তবে এই দুই সময়ের কোনোটাতেই নিয়্যত না করলে যাকাত আদায় হবে না। এমনিতে কাউকে টাকা দিয়ে পরে তা যাকাতের খাত থেকে দিয়েছে নিয়্যত করলে যাকাত আদায় হবে না।

এখানে উল্লেখ্য যে, যাকাতের ক্ষেত্রে গরীবকে মালিক বানিয়ে দেয়া শর্ত। কাজেই যাকাতের টাকা দিয়ে মসজিদ বানানো, মাদ্রাসা বানানো, রাস্তাঘাট নির্মাণ, কূপ খনন ইত্যাদি করা যাবে না। বরং সরাসরি গরীবকে যাকাতের টাকার মালিক বানিয়ে দিতে হবে।

কোনো গরীবকে পড়াশোনা, চিকিৎসা, বিবাহ দেয়ার জন্যও যাকাত দেয়া যেতে পারে। তবে তাকে সে টাকার মালিক বানিয়ে দিতে হবে।

যাকাতের টাকা নগদ না দিয়ে গঠনমূলক কিছু ক্রয় করে দেয়া যেতে পারে। যেমন, কেউ কাজ করার সামর্থ্যবান হলে তাকে সেলাই মেশিন, রিক্সা, ভ্যান, কম্পিউটার ইত্যাদি ক্রয় করে দেয়া যেতে পারে। যেন তা দিয়ে উপার্জন করে সে স্বাবলম্বী হতে পারে। এবং এক সময় তাকে আর যাকাত গ্রহণ করতে না হয়।

অল্প অল্প করে অনেককে না দিয়ে প্রতিবছর প্ল্যান করে কিছু মানুষকে বেশি করে দিলে সে তাকে গঠনমূলক কাজে লাগাতে পারবে।

হারাম সম্পদে যাকাত ও অনাদায়কৃত যাকাত:

যাকাত ফরয হওয়ার পর যাকাত আদায় না করা হলে পরবর্তীতে পূর্বের অনাদায়কৃত সব বছরের যাকাত আদায় করে দিতে হবে।

হারাম সম্পদে যাকাত আসে না এবং হারাম সম্পদ দিয়ে যাকাত আদায়ও করা যায় না। যাকাত তো হল সম্পদের কেবল ২.৫ শতাংশ। আর হারাম সম্পদ তো পুরো একশ শতাংশই দান করে দেয়া ওয়াজীব। কারণ এ সম্পদের মালিক ব্যক্তি নয়। কাজেই সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি, অন্যায়ভাবে দখলকৃত সম্পত্তি ইত্যাদি সব প্রকার হারাম সম্পদ তাৎক্ষণিক ভাবে সওয়াবের নিয়্যত ছাড়া দান করে দায়মুক্ত হতে হবে।

ট্যাক্স এবং যাকাত:

সরকারী ট্যাক্স এবং যাকাত এক নয়। যাকাত একটি ইবাদত। কাজেই ট্যাক্সের টাকাকে যাকাত বলে গণ্য করা যাবে না। তবে হ্যাঁ, ট্যাক্সে প্রদেয় টাকা যাকাতের হিসাব থেকে বিয়োগ দেয়া যাবে। কারণ এটিও একটি ঋণ, যা ব্যক্তির কাছে রাষ্ট্র পাবে।

যাকাতুল ফিতর বা সাদাকাতুল ফিতর:

সাদাকাতুল ফিতর অর্থ ফিতরের দিনের সদকা। ফিতর বলতে ঈদুল ফিতর বোঝানো হয়। অর্থাৎ,ঈদুল ফিতরের দিন দেয়া সদকা। একে যাকাতুল ফিতরও বলা হয়ে থাকে।

সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজীব। হাদীসে আছে,ইবনে ওমর রা. বলেন, “রাসূল স. সাদাকাতুল ফিতর আবশ্যক করেছেন। এর পরিমাণ হলো, এক সা যব বা এক সা খেজুর। ছোট-বড়, স্বাধীন-পরাধীন সবার ওপরই এটা আবশ্যক”। [10]

সাদাকাতুল ফিতর প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিম ব্যক্তির ওপর ওয়াজীব। ‘সামর্থ্যবান’ শব্দের ব্যাখ্যা হলো,প্রয়োজনিতিরিক্ত সম্পদের পরিমাণ যাকাতের নেসাব পরিমাণ হওয়া। যাকাতের সাথে এর পার্থক্য হলো, এখানে প্রয়োজনতিরিক্ত সম্পদ নেসাব পরিমাণ হলেই তা ওয়াজীব। সোনা-রূপা বা ব্যবসায়িক সম্পদেই তা হতে হবে, এমন নয়। আবার যাকাতের ন্যায় এক্ষেত্রে এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়াও জরুরী নয়। বরং ঈদের আগের দিনও কেউ্ এই পরিমাণ সম্পদের মালিক হলে তাকেও তা আদায় করতে হবে।

সাদাকাতুল ফিতর নারী-পুরুষ সবার ওপরই ওয়াজীব। নিজের পক্ষ থেকে এবং নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান বা অবিবাহিত মেয়ের পক্ষ থেকে তা আদায় করতে হবে। সন্তানের নামে সম্পদ থাকলে সেখান থেকে আদায় করা যাবে। প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের পক্ষ থেকে আদায় করা ওয়াজীব নয়। কোনো এতিম শিশুর ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকেও আদায় করতে হবে।

ঈদুল ফিতরের ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজীব হয়। কাজেই সেদিন ভোরের আগে যে জন্ম নিয়েছে,বা এই পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে,তাকেও এই সদকা আদায় করতে হবে।

কেউ যদি সেদিন ভোরের আগে মারা যায়,তার ওপর সদকা ওয়াজীব হবে না। আবার ভোর হবার পর কেউ জন্ম নিলে তার পক্ষ থেকেও সদকা আদায় করা ওয়াজীব হবে না।

ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদের নামায পড়তে যাওয়ার আগে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা উত্তম। তবে সময়ের আগেও আদায় করা যেতে পারে। আবার কোনো কারণে সময় মতো আদায় করতে না পারলে পরেও আদায় করা যাবে। কেউ আদায় না করে মৃত্যুবরণ করলে তার পক্ষ থেকে তার উত্তরাধিকারী আদায় করে দিলেও আদায় হয়ে যাবে।

হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী যেসব শস্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা যায় সেগুলো হলো: যব, খেজুর, কিসমিস ও পনীর :এক সা। গম: আধা সা। সা –এর বর্তমান পরিমাপ: ১ সা = ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম। আর ১/২ সা = এক কেজি ৬৫০ গ্রাম।

হাদীসে এই পাঁচ প্রকার শস্যের কথা এসেছে। এই পাঁচ প্রকার শস্য সরাসরি দিলেও হবে,আবার এসবের মূল্য দিলেও হবে। তবে অন্য কোনো শস্য দিতে চাইলে এই পাঁচ প্রকারের কোনো এক প্রকারের মূল্য হিসাব করে দিতে হবে।

এই সদকা দেয়ার উদ্দেশ্য হলো ঈদের দিন গরীবের প্রয়োজন পূরণ করা, যেন তাকে কোথাও চাইতে না হয়। কাজেই সামর্থ্যানুযায়ী বেশি মূল্যটা আদায় করাই উত্তম হবে।

যব, খেজুর, কিসমিস বা পনীর হিসাব করে দিলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর মূল্য দেয়া যাবে। আর গম হিসাবে দিলে এক কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর মূল্য দেয়া যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষণা অনুযায়ী এ বছর গম বা আটা দিয়ে আদায় করলে অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ৫৫ টাকা আদায় করতে হবে। খেজুর দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা তিন কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য এক হাজার ৩২০ টাকা। কিশমিশ দ্বারা আদায় করলে এক সা’ বা তিন কেজি ৩০০ গ্রাম, এর বাজারমূল্য দেড় হাজার টাকা। আর পনির দিয়ে আদায় করলে এক সা’ বা তিন কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য দেড় হাজার টাকা আদায় করতে হবে।

যাকাতের আদায়ের খাতসমূহে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা যাবে। পরিবারের কয়েক জনের সদকা মিলিয়ে একজন গরীবকে একসঙ্গে দেয়া যেতে পারে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৯ এ বাংলাদেশে মিলিয়নেয়ারের (ব্যাংকে ন্যূনতম দশ লাখ টাকা সঞ্চয়কারী) সংখ্যা ২৩,৩১০ জন। যাদের সমুদয় সঞ্চয়ের পরিমাণ ১,০০,৫৪৪ কোটি টাকা। যা পুরো ব্যাংক সঞ্চয়ের ৩৩ শতাংশ[11]। এই ২৩,৩১০ জনের মধ্যে ৮০% মুসলিম ধরলে তাদের যাকাত আসে ২০০০ কোটির টাকার বেশি। আর যাকাত তো দশ লাখ টাকায় নয়, আরো অনেক কম টাকায় ফরয হয়। তাহলে সবার সমষ্টিগত যাকাত হিসাব করলে ন্যূনতম পাঁচ হাজার কোটি টাকা হবে। যা নি:সন্দেহে বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের উন্নয়ন খাতের অনেক উপখাতের বাজেটের তুলনায় বেশী। যাদের ওপর যাকাত ফরয, তারা সবাই যাকাত দিলে দেশে আর কোনো দরিদ্র অবশিষ্ট থাকত কিনা সন্দেহ।


[1] বুখারী ও মুসলিম

[2] বুখারী ও মুসলিম

[3] সূরা নূর: ৫৬

[4] আল কুরআন, সূরা বাক্বারা: ২৭৬

[5] সূরা তাওবা: ১০৩

[6] সূরা যারিয়াত: ১৯

[7] সূরা তাওবা: ৩৪-৩৫

[8] বুখারী ও মুসলিম

[9] সূরা তাওবা: ৬০

[10] বুখারী : ১৫১২

[11] বাংলানিউজ২৪ ডট কম, ১০ আগষ্ট ২০১০

Good to know...
but I think there some more important medicinal uses of kalozira.

Helpful post for me.......though we are three sisters.

Cancer / Food that decrease the risk of cancer
« on: April 30, 2018, 05:42:12 PM »
Food that decrease the risk of cancer

Green Tea:
•   Rich in polyphenols, including catechins (esp epigallocatechin gallate-3 or EGCG) which reduce the growth of new vessels needed for tumor growth and metastases.
•   Powerful antioxidant and detoxifier; activates enzymes in liver to eliminate toxins from the body.
•   Japanese green tea; sencha, gyyokuro, matcha are richest in EGCG than other Chinese green teas.
•   In laboratory studies, green tea has been shown to slow or completely prevent cancer development in colon, liver, breast and prostate cells. 
•   Other studies involving green tea have shown similar protective effects in tissues of the lung, skin and digestive tract. 
•   Must be steeped for at least 5 minutes, ideally ten minutes to release its catechins.
•   Recommended consumption; Drink 2-3 cups a day.  Do not store after steeping, it loses its beneficial poluphenols after 1-2 hours.

Olives & Olive Oil:
•   Are ideal health foods that contain high concentrations of phenolic antioxidants.
•   Olive oil should be organic, cold-pressed, extra-virgin oil; this product will have higher concentrations of bio-active components versus refined olive oil.
•   Recommended consumption; ½ - 1 tablespoon of olive oil daily; in salad dressings or lightly cooked vegetables and as an accompaniment to rice and quinoa.

•   Powerful natural anti-inflammatory.
•   Helps stimulate apoptosis in cancer cells and inhibit angiogenesis.
•   Enhances effectiveness of chemotherapy and reduces tumor growth.

Ginger :
•   A powerful anti-inflammatory and anti-oxidant which has protective effects; more effective than vitamin E.
•   Helps reduce creation of new blood vessels for tumors.
•   Relieves nausea from chemotherapy or radiotherapy.
•   Grate or slice a small piece of ginger and steep in boiling water for fifteen minutes; can be drunk hot or cold.

Garlic, Onions, Leaks, Shallots, Chives :
•   These allium vegetables contain many substances now being studied for their anti-cancer effects, such as quercetin, allixin and a large group of organosulfur compounds that includes allicin, alliin and allyl sulfides. 
•   These sulfur compounds promote apoptosis (cell death) in leukemia, colon, breast, lung, and prostate cancers.
•   In animal studies, components in Allium vegetables have slowed the development of cancer in several stages and at various body sites: stomach, breast, esophagus, colon and lung. 
•   These herbs help regulate blood sugar levels, which in turn reduces insulin secretion and IGF, and thus the growth of cancer cells.
•   Active molecules of garlic are released when a garlic clove is crushed and are much more easily assimilated if there are dissolved in a little (olive) oil.

Cruciferous Vegetables
Brussels sprouts, bok choy, Chinese cabbage, broccoli, cauliflower, etc…  Nearly all are excellent or good sources of vitamin C and some are good sources of manganese. All contain sulforaphane and indole-3-carbinols (I3Cs) which are powerful anti-cancer molecules.

Dark Green Leafy Vegetables:
•   Spinach, kale, romaine lettuce, leaf lettuce, mustard greens, collard greens, chicory and Swiss chard are excellent sources of fiber, folate and a wide range of carotenoids such as lutein and zeaxanthin, along with saponins and flavonoids.  Dark greens are high in vitamin K.   
•   According to AICR's second expert report, Food, Nutrition, Physical Activity, and the Prevention of Cancer: A Global Perspective, foods containing carotenoids probably protect against cancers of the mouth, pharynx and larynx. 
•   Researchers believe that carotenoids seem to prevent cancer by acting as antioxidants – that is, scouring potentially dangerous “free radicals” from the body before they can do harm. Some laboratory research has found that the carotenoids in dark green leafy vegetables can inhibit the growth of certain types of breast cancer cells, skin cancer cells, lung cancer and stomach cancer.
•   The Second Expert Report also noted probable evidence that foods containing folate decrease risk of pancreatic cancer and that foods containing dietary fiber probably reduce one’s chances of developing colorectal cancer.

•   Shiitake, maitake, enokidake, cremini, portobello, oyster and thistle oyster mushrooms - all contain polysaccharides and lentinan; a beta-glucan - an anti-tumor polysaccharide (D-glucose monomers linked by β-glycosidic bonds) from the shiitake (Lentinula edodes) mushroom.   
•   Often used in Japan as a complement to chemotherapy.
•   Use in soups, vegetables, oven grilled or stir fry. 
Herbs and Spices:
•   Cooking with herbs such as rosemary, thyme, oregano, basil and mint are very rich in essential oils of the terpene family
•   These herbs promote apoptosis in cancer cells and reduce their spread by blocking the enzymes needed to invade neighboring
•   Carnosol in rosemary is also a powerful anti-oxidant and anti-inflammatory.
•   Parsley and celery contains apigenin which is an anti-inflammatory that promotes apoptosis and blocks angiogenesis.

•   Contain molecules that slow cancer growth, especially that of breast, prostate, skin, and colon cancer. 
•   Fucoidan, found in kombu and wakame seaweed, helps provoke cell death by apoptosis and stimulate immune cells, including NK cells.
•   Fucoxanthin, a carotenoid,  is in certain varieties of seaweed that makes them brown and is more effective than its cousin lycopene in its capacity to inhibit cell growth in prostate cancer.
•   The principal edible seaweeds are nori, kombu, wakame, arame, and dulse.
•   Kombi is reputed to shorten the cooking time for legumes and to make them more digestible.

•   Strawberries, raspberries, blueberries, blackberries, and cranberries contain ellagic acid and a large number of polyphenols
•   They stimulate mechanisms of elimination of carcinogenic substances and inhibit angiogenesis.
•   Anthocyanidins and proanthocyanidins also promote apoptosis in cancer cells
•   In winter, frozen berries can replace fresh ones. 

Plums, Peaches, and Nectarines:
•   Stone fruit contain as many anti-cancer agents as berries, especially plums.
•   A study at the University of Texas observed that plum extracts had a powerful effect against the growth of breast cancer.

Citrus Fruit:
•   Contain anti-inflammatory flavonoids.
•   Stimulate detoxification of carcinogenics by the liver.
•   Tangeritin and nobiletin, flavonoids in the skin of tangerines penetrate brain cancer cells and facilitate their death by apoptosis.
•   Grated citrus fruit skins (organic only!) can be sprinkled over sald dressings or breakfast cereals.   
•   Skins can also be steeped in tea or hot water.

Pomegranate Juice:
•   Contain anti-inflammatory and anti-oxidant properties.
•   Has capacity to substantially reduce the development of prostate cancer, even in its most aggressive form.

Cancer / Household products that cause cancer
« on: April 30, 2018, 05:37:23 PM »
1. Air Fresheners/Scented Products
This is probably the number one product that everyone has in their home in one form or another. Any household item that contains some type of fragrance or “perfume” has a toxic chemical called phthalates. This includes everything from air fresheners, to scented laundry soap. Although the main exposure to this toxin is through inhalation, they can also be absorbed through the skin via scented soaps or lotions. This is particularly dangerous as the skin has no protection from chemicals, unlike our digestive systems; chemicals on the skin go directly into the blood stream and the organs of the body.

2. Chlorine
You might know this more commonly as chlorine bleach. It’s found in almost every type of laundry whitener, toilet cleaner, mold remover, and kitchen cleaner. Dry products, such as scouring powder  can also contain chlorine. Many municipalities even add chlorine to drinking water to kill bacteria. You are exposed to the fumes, it is absorbed through the skin when you shower or wash your hands. Chlorine irritates the nasal and respiratory passages, and is a major cause of thyroid dysfunction

3. Art and Office Supplies
You probably can’t imagine how something as seemingly harmless as a marker can be harmful to your health, but it’s true. Almost all glues, acrylic paints, and the solvents used in marking pens, contain toxic chemicals that have been linked to organ damage, allergies, and certain types of cancer.

4. Pesticides and Herbicides
Weed killers and pesticides are made to kill bugs and weeds but this means they can also kill or do serious harm to you! One of the most popular herbicides, Round Up, has been shown in studies to cause reproductive and kidney damage in mice. A popular ant and roach killing spray that is found in almost every household has been shown to irritate the skin, eyes, respiratory system and have profoundly negative effects on a person’s central nervous system.

5. Quats
Quats is the abbreviation used for the chemical Quaternary Ammonium Compounds. This is a long name for a dangerous toxin that is found in most cleaners that labels themselves as “antibacterial,” as well as fabric softeners, both sheet and liquid types.Like chlorine, quats sound like a great way to kill bacteria; however the truth is that these types of antibacterial products are actually creating super resistant bacteria, known as “super bugs.” Quats are also linked to respiratory issues and skin irritation.

6. Scented Candles
In many of the same ways that air fresheners contain toxins, scented candles carry the same risk. One study done by the US Consumer Product Safety Commission discovered that nearly half of all scented candles that are sold on the market contain lead in the wick. Lead is released into the air when these candles are burned. Lead is used to make the wicks last longer and burn more steadily but lead is a deadly toxin that leads to behavior problems, hormone disruption, and other health problem.
Paraffin wax also creates highly toxic compounds when they are burned. Toluene and benzene are both known carcinogens which are released into the air anytime paraffin wax candles are burned. Some candles also use artificial colors and artificial fragrances which you inhale whenever you burn one of these candles

7. Shower Curtains
They seem so harmless, but that new shower curtain smell is actually the result of the plastic or vinyl releasing deadly chemicals into the air. Shower curtains can emit as many as 108 different types of VOCs (volatile organic compounds) which are known to cause damage to the central nervous system, the liver, kidneys, and the lungs.

8. Hair Shampoos and Conditioners
This is a really hot topic as of late. Many people have been unaware of the toxins that are used in personal care items, even those that are labeled as being organic or natural. Read the labels and you will find chemicals such as polyethylene glycol (PEG), cocamide DEA, and sodium lauryl sulfate, which make cancer causing agents when they are used together

9. Triclosan
You might have heard about this chemical on the news when it was discovered that it was being used in a popular brand of toothpaste. Triclosan is a very aggressive antibacterial compound that actually encourages the growth of super bugs. There is no evidence that shows that triclosan works any better than soap or makes us safer from pathogens in any way. However, there is plenty of evidence that shows that triclosan interferes with our bodies hormones. In fact, there has been so much evidence of this that the FDA is currently reviewing the data and is expected to make a decision sometime in 2016.  Besides humans, triclosan is dangerous to marine life and kills algae,

10. Deodorants and Antiperspirants
Almost everyone relies on some type of deodorant to control body odor and perspiration. However, these products contain cancer causing chemicals such as aluminum chlorohydrate. As we talked about earlier, items place on the skin are absorbed directly into the blood and cause cancers, which is one reason why breast cancers have become so prevalent in Western Society.
Many antiperspirants also contain parabens, which imitate estrogen in the body and encourages the growth of cancer cells. The exposure to parabens has also been linked to nausea, depression of the central nervous system, and damage to the digestive system.

Wireless routers and modems send signals to your computers, though the walls of your house, via electromagnetic radiation. The low frequency EMF’s(electro magnetic frequency) seem to disturb the human body’s own energy field which can lead to fatigue, cancer, possibly even DNA changes.
 A number of people claim that they are having health related issued due to exposure to Wi-Fi. The symptoms are numerous and wide ranging, from irregular heartbeats, dizziness, headaches, poor concentration, digestive problems, anxiety or depression, and excessive fatigue. Many people claim they received immediate relief when they turned off their Wi-Fi or left an area full of Wi-Fi signals.

12.  Tartar Control Toothpaste
Some of the most trusted name brands of toothpaste that you would assume are safe contain some terrible ingredients that you don’t want near your family. Read the labels carefully. Many products, especially tartar control toothpastes, contain saccharin, which is a known carcinogenic; dyes FD&C Blue #1 (and sometimes other artificial colors), which are linked to behavior problems and certain types of cancer; as well as large amounts of fluoride, which has been linked to heart disease, lower IQ levels in children, and is believed to calcify the penal gland.


Very helpful post, thanks for sharing..

Stress.... a major cause of common health problems today

Heart disease:Researchers have long suspected that the stressed-out, type A personality has a higher risk of high blood pressure and heart problems. We don't know why, exactly. Stress can directly increase heart rate and blood flow, and causes the release of cholesterol and triglycerides into the blood stream. It's also possible that stress is related to other problems -- an increased likelihood of smoking or obesity -- that indirectly increase the heart risks.
Doctors do know that sudden emotional stress can be a trigger for serious cardiac problems, including heart attacks. People who have chronic heart problems need to avoid acute stress -- and learn how to successfully manage life's unavoidable stresses -- as much as they can.

Asthma: Many studies have shown that stress can worsen asthma. Some evidence suggests that a parent's chronic stress might even increase the risk of developing asthma in their children. One study looked at how parental stress affected the asthma rates of young children who were also exposed to air pollution or whose mothers smoked during pregnancy. The kids with stressed out parents had a substantially higher risk of developing asthma.

Obesity: Excess fat in the belly seems to pose greater health risks than fat on the legs or hips -- and unfortunately, that's just where people with high stress seem to store it. "Stress causes higher levels of the hormone cortisol," says Winner, "and that seems to increase the amount of fat that's deposited in the abdomen."

Diabetes: Stress can worsen diabetes in two ways. First, it increases the likelihood of bad behaviors, such as unhealthy eating and excessive drinking. Second, stress seems to raise the glucose levels of people with type 2 diabetes directly.

Headaches: Stress is considered one of the most common triggers for headaches -- not just tension headaches, but migraines as well.

Depression and anxiety: It's probably no surprise that chronic stress is connected with higher rates of depression and anxiety. One survey of recent studies found that people who had stress related to their jobs -- like demanding work with few rewards -- had an 80% higher risk of developing depression within a few years than people with lower stress.

Gastrointestinal problems: Here's one thing that stress doesn't do -- it doesn't cause ulcers. However, it can make them worse. Stress is also a common factor in many other GI conditions, such as chronic heartburn (or gastroesophageal reflux disease, GERD) and irritable bowel syndrome (IBS), Winner says.

Alzheimer's disease: One animal study found that stress might worsen Alzheimer's disease, causing its brain lesions to form more quickly. Some researchers speculate that reducing stress has the potential to slow down the progression of the disease.

Accelerated aging: There's actually evidence that stress can affect how you age. One study compared the DNA of mothers who were under high stress -- they were caring for a chronically ill child -- with women who were not. Researchers found that a particular region of the chromosomes showed the effects of accelerated aging. Stress seemed to accelerate aging about 9 to 17 additional years.

Premature death: A study looked at the health effects of stress by studying elderly caregivers looking after their spouses -- people who are naturally under a great deal of stress. It found that caregivers had a 63% higher rate of death than people their age who were not caregivers.

Very helpful post.

Good to know...

It must be a good alternative....thanks for sharing

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 28