Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Md. Anikuzzaman

Pages: 1 [2] 3
The global pandemic has provided an opportunity to see the best in society: the doctors and nurses who are risking their lives to care for patients; the teachers who are working tirelessly to educate students remotely; and the many volunteers who have sewn masks to help stop the spread of the virus.

For the rest of us, doing the right thing and staying at home has inevitably led to more time streaming our favorite shows and movies to provide much-needed respite from the dumpster fire that is 2020.

Unfortunately, some people are exploiting this tragedy for their own gain.

While there are many laws to deal with nefarious sellers engaged in price gouging or touting miracle cures, those who are systematically engaging in digital piracy for profit — stealing untold millions worth of movies, TV shows, music, eBooks and more — have largely gotten a free pass, making money off other people’s hard work, even as many in the entertainment industry remain unemployed.

Online piracy is nothing more than digital looting, and it is high time policymakers crack down on this abhorrent behavior, especially if we want new content to keep us entertained when life returns to normal.

While digital piracy is not new, it has gained renewed attention as millions have been forced to stay home to protect the spread of the virus.

Muso, a piracy tracking firm, found online movie piracy in the United States increased 43 percent at the start of the pandemic. And Google searches for the popular video piracy site Soap2day were 50 times higher in mid-April than in the prior year. Sites such as this allow people to stream TV shows and movies, including many still in theaters, for free, sometimes without users even realizing that they are doing so illegally.

These sites hurt both consumers and businesses.

The operators make money by either asking for paid subscriptions or showing users pop-up ads directing them to other shady sites that often load malware on their devices. So, while consumers are streaming the latest Hollywood films, the sites may be downloading malicious code that hijacks their browser searches and puts them at risk for identity theft.

Moreover, these illegitimate sites divert users who might otherwise use legal streaming services like Netflix, HBO Go, Disney Plus, Hulu and Amazon Prime, which represent an increasingly critical market for content creators.

With more than 140 legitimate streaming services providing a range of content at different prices, consumers have never had so many legal options. Yet, piracy threatens to undercut their viability.

Last year, online video piracy was responsible for $29.2 billion in lost U.S. revenues, 230,000 lost American jobs, and $47.5 billion in reduced GDP — increasing the U.S. trade deficit, since most piracy sites operate overseas.

Given that the film and television industry will lose billions in the pandemic due to slumping advertising and ticket sales, these criminal operations are only adding to the economic pain of workers in the entertainment industry, a sector that employs many non-college-educated individuals.

Using the courts to shut down piracy sites is slow and expensive, and seeking redress in foreign countries and from foreign operators is most often a lost cause. But U.S. policymakers can do more to get various internet stakeholders to work together to crack down on these sites.

For example, search engines regularly remove links to known infringing webpages from their search results, and the major online ad networks and payment processors have all taken steps to fight internet piracy by preventing illicit sites from using their services.

But others ignore the problem. For example, Cloudflare, a company that helps websites load quickly and withstand traffic surges, routinely overlooks the many piracy sites that rely on its services. Similarly, some internet domain name registrars have a poor track record of allowing known infringing sites to continue using their services.

The companies that ignore the problems tend to claim ignorance, arguing they don’t know whether sites are engaged in piracy. Here is where government can help.

Congress should direct the Department of Justice to develop and maintain a list of foreign websites that are substantially engaged in online piracy (any domestic sites are subject to existing U.S. law).

The goal would not be to identify sites that might be hosting a few copyright protected works inadvertently, but those whose primary purpose is to distribute copyright-protected content at scale.

Equipped with this information, more internet stakeholders would be more likely to do the right thing voluntarily and stop allowing piracy sites to use their services.

Of course, this is not a silver bullet. These criminals will still search for new ways to profit from other people’s content.

But right now, not enough stakeholders are doing their part to stop piracy, and given the cost to workers and the American economy, this needs to change.


Islam & Science / Importance of Science in the Eye of Islam
« on: September 07, 2020, 05:00:44 PM »
ভাগ্যিস বিজ্ঞান এসব আবিষ্কার করেছিল; নইলে জানাই যেত না যে কোরানে আগেভাগেই এতকিছু বলা আছে!!!

১ – বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
২ – বিজ্ঞান মাত্র দুশো বছর আগে জেনেছে চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষ পথে ভেসে চলে... সূরা আম্বিয়া ৩৩ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৩ – সূরা কিয়ামাহ’র ৩ ও ৪ নং আয়াতে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছে; মানুষের আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে মানুষকে আলাদা ভাবে সনাক্ত করা সম্ভব। যা আজ প্রমাণিত।
৪ - ‘বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় মাত্র চল্লিশ বছর আগে। সূরা আম্বিয়া ৩০ নং আয়াতে কুরআনে এই কথা বলা হয়েছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৫ – পানি চক্রের কথা বিজ্ঞান জেনেছে বেশি দিন হয় নি... সূরা যুমার ২১ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৬ – বিজ্ঞান এই সেদিন জেনেছে লবণাক্ত পানি ও মিষ্ঠি পানি একসাথে মিশ্রিত হয় না। সূরা ফুরকানের ২৫ নং আয়াতে কুরআন এই কথা বলেছে প্রায় ১৪০০ বছর আগে।
৭ – ইসলাম আমাদেরকে ডান দিকে ফিরে ঘুমাতে উৎসাহিত করেছে; বিজ্ঞান এখন বলছে ডান দিকে ফিরে ঘুমালে হার্ট সব থেকে ভাল থাকে।
৮ – বিজ্ঞান এখন আমাদের জানাচ্ছে পিপীলিকা মৃত দেহ কবর দেয়, এদের বাজার পদ্ধতি আছে। কুরআনের সূরা নামল এর ১৭ ও ১৮ নং আয়াতে এই বিষয়ে ধারণা দেয়।
৯ – ইসলাম মদ পানকে হারাম করেছে , চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে মদ পান লিভারের জন্য ক্ষতিকর।
১০ – ইসলাম শুকরের মাংসকে হারাম করেছে। বিজ্ঞান আজ বলছে শুকরের মাংস লিভার, হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
১১ - রক্ত পরিসঞ্চালন এবং দুগ্ধ উৎপাদন এর ব্যাপারে আমাদের চিকিৎসা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক বছর আগে। সূরা মুমিনূনের ২১ নং আয়াতে কুরআন এই বিষয়ে বর্ণনা করে গেছে।
১২ - মানুষের জন্ম তত্ব ভ্রুন তত্ব সম্পর্কে বিজ্ঞান জেনেছে এই কদিন আগে। সূরা আলাকে কুরআন এই বিষয়ে জানিয়ে গেছে ১৪০০ বছর আগে।
১৩ - ভ্রন তত্ব নিয়ে বিজ্ঞান আজ জেনেছে পুরুষই (শিশু ছেলে হবে কিনা মেয়ে হবে) তা নির্ধারণ করে। ভাবা যায়... কুরআন এই কথা জানিয়েছে ১৪০০ বছর আগে। (সূরা নজমের ৪৫, ৪৬ নং আয়াত, সূরা কিয়ামাহ’র ৩৭- ৩৯ নং আয়াত)
১৪ - একটি শিশু যখন গর্ভে থাকে তখন সে আগে কানে শোনার যোগ্যতা পায় তারপর পায় চোখে দেখার। ভাবা যায়? ১৪০০ বছর আগের এক পৃথিবীতে ভ্রুনের বেড়ে ওঠার স্তর গুলো নিয়ে কুরআন বিস্তর আলোচনা করে। যা আজ প্রমাণিত ! (সূরা সাজদাহ আয়াত নং ৯ , ৭৬ এবং সূরা ইনসান আয়াত নং ২)
১৫ – পৃথিবী দেখতে কেমন? এক সময় মানুষ মনে করত পৃথিবী লম্বাটে, কেউ ভাবত পৃথিবী চ্যাপ্টা, সমান্তরাল। কোরআন ১৪০০ বছর আগে জানিয়ে গেছে পৃথিবী দেখতে অনেকটা উট পাখির ডিমের মত গোলাকার।
১৬ – পৃথিবীতে রাত এবং দিন বাড়া এবং কমার রহস্য মানুষ জেনেছে দুশ বছর আগে। সূরা লুকমানের ২৯ নং আয়াতে কুরআন এই কথা জানিয়ে গেছে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে !!

আমাদের সমস্যা হল আমরা সব কিছুই জানি... যারা নাস্তিক তারাও জানে... পার্থক্য টা হল ' বোধ' যেমন ধরুন একজন নেশাকর জানে যে নেশা করলেই তার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, যে ছেলে বাবা কে খুন
করেছে সে জানে যে এই মানুষটি তাকে জন্ম দিয়েছে... সব জেনে শুনেই আমরা সব থেকে খারাপ কাজ গুলো করি... ব্যাপারটা অজ্ঞানতার না ব্যাপারটা 'বোধ' এর। আপনার এই বোধটা থাকতে হবে



ইবনু আব্বাস (রদ্বিয়াল্ল-হু আনহু) হতে বর্ণিত...

‘রসূলুল্ল-হ সল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশুরা দিন সওম রেখেছেন এবং সাহাবীগনকেও সওম পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।
তখন সাহাবীগন আরজ করলো, হে আল্ল-হর রসূল (সল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানরা এ দিনটিকে সম্মান করে।
তখন রসূল (সল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন,
“যদি আমি আগামী বছর বেঁচে থাকি তাহলে অবশ্যই মুহাররম মাসের নবম তারিখেও সওম পালন করব”।
(মুসলিমঃ ১১৩৪, ২৫৫৭, ইবনু মাজাহ্ঃ ১৭৩৬, আবূ দাউদঃ ২৪৪৫)

*** আশুরার গুরুত্ব, করণীয় ও বর্জনীয় ডকুমেন্ট সংযুক্ত করা হলো।

শায়েখ হাতিম আল আসাম (রাহি.) একবার হজ্জ্বে যাবার ইচ্ছা পোষণ করে স্ত্রী ও সন্তানদের সামনে খোলাসা করলেন । স্ত্রী তাতে নিরুৎসাহিত করে বললেন, আপনি এখন হজ্জ্বে গেলে আমাদের কি হবে ? আমরা চলবো কি করে ? আপনি বরং এখন আপাতত এ চিন্তা বাদ দেন । যখন বাড়তি কিছু টাকা হবে তখন যাবেন । তাদের দুজনের কথোপকথনের মাঝে উপস্থিত ছিলেন তাদেরেই দশ বছর বয়সী বড় কন্যা । মেয়েটি সব শুনে তার বাবার উদ্দেশ্যে বললো, আব্বাজান আপনি নিশ্চিন্তে হজ্জ্বে চলে যান । আল্লাহ আর-রাজ্জাক তো আছেন । তিনি অবশ্যই আমাদের দেখবেন । মেয়ের কথা শুনে শায়খ হাতিম আল আসাম যেন মনে সাহস পেলো এবং দিন ক্ষণ বুঝে হজ্জ্বের উদ্দেশ্যে রওনা করলেন ।

তার সপ্তাহ দুয়েক পরের কথা । ততদিনে শায়খের রেখে যাওয়া পয়সা শেষ হয়ে যাওয়ার ঘরে খাদ্যের সংকট দেখা দিলো । শায়খের স্ত্রী ও তার অন্যান্য ছোট সন্তানেরা বড় মেয়েটাকে তাচ্ছিল্য করে বলছিলো, এখন আমাদের কি হবে ? খুব তো আব্বাজান কে যেতে দিলে আর আল্লাহ দেখবেন বললে । এখন তো ঘরে কোন খাবারও নেই আর খাবার কেনার জন্য পয়সাও নেই । মেয়েটি তাদের কথার জবাব না দিয়ে ভেতরের কক্ষে গিয়ে দু’হাত মুনাযাতে উঠিয়ে বলতে লাগলো -

‘ আল্লাহ ! আপনার ওয়াদা তো সত্য । আপনি তো বলেছেন,

“আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন । এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন।”
[ সুরা আত-তালাক, ২-৩]

আল্লাহ আমি তো আপনার উপর পরিপূর্ণ ভরসা করলাম ।’

এরই মধ্যে দরজায় করাঘাত হলো । মেয়েটা দরজা খুলে দেখলো, সুন্দর পোশাক পরা একজন লোক দাঁড়িয়ে । লোকটি বললেন, আমাদের গভর্নর সাহেব যাচ্ছিলেন এ রাস্তা দিয়ে । উনি খুব পিপাসার্ত । একটু পানি হবে উনার জন্য ?
মেয়েটি খুব সুন্দর একটা পেয়ালায় পানির ব্যবস্থা করলেন । গভর্নর পানি পান করে অত্যন্ত তৃপ্ত হলেন এবং অধস্তন লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন, ওহে ! এ পানি কোন বাড়ি থেকে এনেছো, এত সুস্বাদু পানি আমার জীবনে কমই পান করেছি । অধস্তন লোকটি বললেন, হুজুর, এ শায়খ হাতিম আল আসামের বাড়ি । গভর্নর বললেন, চলো তাকে গিয়ে সালাম বলে আসি । লোকটি বললেন, হুজুর তিনি তো বাড়ি নেই, হজ্জ্বে গিয়েছেন । গভর্নর বললেন, তবে তো তার পরিবারের সকল প্রয়োজন পূরণ করার দায়িত্ব এখন আমাদের । এ বলে তিনি তার জামার পকেট থেকে এক থলে স্বর্ণ মুদ্রা মেয়েটির বাড়ির দরজার সামনে রেখে দিলেন এবং সাথে থাকা উনার সকল অধস্তন লোকদের উদ্দেশ্যে বললেন, তোমরা যারা আমাকে পছন্দ করো তারাও আমার মত অনুরুপ এ পরিবারটিকে কিছু দাও । এ কথা শোনার সাথে সাথে সেখানে উপস্থিত সকল ব্যক্তি তাদের পকেটে রাখা সব স্বর্ণমুদ্রা গুলো দরজার সামনে জমা করে প্রস্থান করলেন । মেয়েটির মা এবং অন্যান্য বোনেরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়লো কিন্তু কাঁদছে শুধু মেয়েটা । তা দেখে মেয়েটার মা বললেন, তুমি কাঁদছো কেন ? যখন আমাদের কিছু ছিলোনা তখন কাঁদোনি আর এখন এত সম্পদ পেয়ে কাঁদছো ? মেয়েটি জবাবে বললো, একটা ব্যপার ভেবে কাঁদছি । দুনিয়ার এক মামুলি গভর্নর শুধু পানি পান করে খুশি হয়ে এতকিছু দিয়ে দিলো আর উভয় জাহানের বাদশা রাব্বুল আরশিল আযীম যখন বান্দার উপর খুশি হয়ে যান তখন তিনি তাঁর বান্দার প্রতি না জানি কিরুপ আচরণ করেন !!

“ আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রুযী প্রশস্ত করেন এবং যার জন্য ইচ্ছা সংকুচিত করেন। তারা পার্থিব জীবনের প্রতি মুগ্ধ। পার্থিবজীবন পরকালের তুলনায় অতি সামান্য সম্পদ বৈ আর কিছু নয়।”

[ সুরা আর-রাদ, ২৬ ]

Since the dawn of globalization, the whole world was moving so fast even few days back. Advancements in the technology and modern inventions have taken the human beings to some other levels. But, all on a sudden, something that can't be seen in naked eyes, have shattered the world. The clock of the world is like on hold. Yes, we are talking about that Coronavirus and its deadly disease, COVID-19.

The world was not prepared for this, not even our country. Every sector, whether it is business, education, transport or travel, has been facing huge disruption. At one side, humans are busy themselves to fight against the unseen enemy, they are struggling for their daily survival on other side. Bangladesh had been in complete lockdown for several months.

Though some sectors are opening, still they are not being able to function in full swing.  The sector that is facing further lockdown is education. Schools, colleges, universities or even their residential halls are the places where maintaining social distance is quite challenging. So, worldwide, classrooms are still locked down mostly. Alternatives are being tried. Online activities are going on.

World's one of the best, Cambridge University has recently published their plan to move towards absolute online platform for next 1 year at least.But there in an institution, and that's not in any developed country, rather in this developing Bangladesh, which hasn't waited this late. It started using online platform from the day it faced lockdown.

It is Daffodil International University (DIU), established in 2002. Since then it has been relentlessly serving for the betterment of higher education in national and international levels. One of the challenges that private universities face is regarding credibility, transparency and validity.

But DIU has challenged that challenge with its permanent campus, the largest one among the private universities and one of the most decorated and best campuses among all the universities in Bangladesh. The university is continuously excelling in world rankings with its education and researches.

But during lockdown, when on campus education is off, now what?  Still DIU is running with its usual pace, even faster. The university has started to conduct all the educational and administrative activities through online, the day the nation got locked down, without delay for a single day, as said earlier.

The spring 2020 was the semester when COVID-19 tried to stop things. But students and teachers have worked relentlessly to finish their classes with great enthusiasm and standard by the help of various applications like - Zoom, Google Meet, BigBlueButton etc.

Various apps from G Suites, Google Play Stores and other sources, like - Form, Sheet, Jamboard, Kahoot, and Scanners etc. have been used to improve the performances. Exams and Assessments have been done with various methods like creative learning; open Book/internet exams, assignments, viva-voce under the guidance of the University Grant Commission (UGC).

Spring semester has been completed with timely result publication and now the Summer is going on its way. Students have been enrolled from their home and are continuing with various offered waivers. The University is continuously in touch with the students and guardians through all sorts of communication, including social media.

But the greatest weapon that DIU is using currently is its own Learning Management System (LMS), Bleanded Learning Center (BLC). At one edge they have their largest green campus and at another they have their own LMS. LMS is a modern and popular medium to conduct educational activities now a day. World Class Universities use various types, like Blackboard, Moodle, Open Edx, Canvas etc.

BLC is the purchased and updated version of Moodle for DIU. Very few universities have their own LMS in Bangladesh, due to high maintenance, costing and efforts. But DIU has been having it since five years. The students and teachers are greatly engaged in BLC currently, which provides all types of facilities including classes, lectures, exams, interactive contents, grading etc.

Daffodil International University is constantly arranging Webinars and Meetings with national and international renowned speakers for teacher's training and better outcomes. The teachers are now getting more skilled with new technologies like - Sites, Online Mentoring, ERP etc. DIU has also arranged nationwide online programs like 'Learning Summit' and 'Job Fest' which were inaugurated and supervised by several cabinet ministers.

Hence, to run the administrative and official works more smoothly, DIU has been using Enterprise Resource Management (ERP) since long. But during the pandemic, it is adapting with further development by launching SmartEdu ERP. It includes all the features like Tasks, Attendance, Chatbot, Contacts, HR, Monitoring etc. which are conducive for the faculty members and officials to work from home, by maintaining the WHO and national guidance of social distancing.

Finally, like the whole world, our country is facing serious disruption throughout all of its regular activities. Lot of students are fearing about session jam in the coming future. But DIU has inspired other institutions to run the operations even in this crisis. Not only the academic, any institution can be encouraged by its effort like SmartEdu.

In the next challenging world, where even survival might be a big factor, Daffodil International University is committed to building its students as fully fitted with an entrepreneurial mindset and technological expertise.

The University is indeed leading the country's education from the front during the pandemic. DIU is now getting ready to contribute in Udemy, CourseEra etc. famous online learning platforms. It is, therefore, progressing beyond national boundaries and to contribute worldwide.   

The writer is a Lecturer, Department of Environmental Science and Disaster Management, Daffodil International University.


আমরা তথা গোটা পৃথিবী আজ একটি সংকটময় পরিস্থিতি অতিক্রম করছে। করোনা সংক্রমনের ভয়াবহতায় জনজীবন এখন আতংকিত। মৃত্যুভয়ে আজ আমরা আস্বাদন করতে ভুলে গেছি আমাদের চারিপাশের অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দয্যকে। মাসের পর মাস গৃহবন্দি থেকে আমাদের মন ও মস্তিষ্ক হাহাকার করছে একটু মুক্ত বাতাস ও খোলামেলা পরিবেশের জন্য। আর এমনই এক দমবন্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে থাকার সুযোগের কারণে এর মনোরম সাজ ও সৌন্দর্য্য আহোরণের সৌভাগ্য আমার হয়েছে।

আমি প্রতিদিন সকালে ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় দোতলায় আমার শয়নকক্ষে কাঁচের দেয়ালের সামনে এসে দাঁড়াই এবং অবাক হয়ে দেখি সামনে, পাশে ও দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সদ্যনির্মিত এবং নির্মাণাধীন সুসজ্জিত ভবনগুলো। দেখি বনমায়ার অপরূপ এক অভূতপূর্ব মায়াবী রূপ। রাতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে মাঝে মধ্যে হাঁটতে বের হই। হাঁটতে হাঁটতে প্রায়ই রাতে কখন যে বনমায়া পেরিয়ে যাই আমি নিজেও বুঝতে পারি না।
নজর কেড়ে নেয় গলফ চত্তর, এবি-৪ ভবন, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সারিবদ্ধ গাছগুলো, শিল্পসম্মত ভৌত নির্মান, স্বাধীনতা মিলনায়তন, ছোট বড় দুটি সবুজ চত্তর, সুবিন্যস্ত ফল ফুল সবজির বাগান ও দুই পাশের পরিবহন স্টপেজ। দৃষ্টি কেড়ে নেয় দুরে দাঁড়িয়ে থাকা নির্মানাধীন প্রকৌশল কমপ্লেক্স। নজরে আসে ফুড কোর্ট ভবন, জিমনেশিয়াম, বনমায়ার অদূরে এক পাশ ঘিরে থাকা ঘন জঙ্গল, নিরবে দাঁড়িয়ে থাকা বিদ্যুতের আলোয় উদ্ভাসিত আনিসুল হক অতিথি ভবন ইনোভেশন ল্যাব, উল্টো পাশে ছোট ছোট সবজি ক্ষেত, তার পেছনে ফল বাগান, এর পাশেই ঘিরে থাকা ঝোপঝাড় ইত্যাদী। এ সবের সাথে ও মাঝে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ফুল ফলের গাছপালা রাতের বনমায়ায় দেয় এক অন্যন্য রূপ। দ্বীপ সদৃশ্য ছোট ছোট মাঠের বুকে জেগে থাকা সবুজ সতেজ ঘাস সে রূপে এনে দেয় এক অন্যন্য মাত্রা, এ যেন এক অন্য ভুবনের মায়া। তারই মাঝে প্রহরারত প্রহরীদের আনাগোনা ও কথাবার্তা রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেয় প্রাণের স্পন্দন।

ঘরে ফিরে অনেকক্ষণ ঘোরের মধ্যে থাকি। ভাল লাগার আবেশে আচ্ছন্ন হই। মুগ্ধতা আমাকে পেয়ে বসে। আমি তাজমহল দেখিনি। দেখলে কি এমন ভাল লাগতো? এমন মুগ্ধ হতাম? এমন একটি রূপ হয়তো কল্পনায় ধারণ করা যায়, বাস্তবেও কি দেখা দেয়? এ বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে এমন একটি সরূপ অতিতে কোন এক সময় আপনি কল্পনায় ধারণ করেন। যা কেবল কোন শিল্পীর পক্ষেই সম্ভব। শিল্পী কেবল তুলির আঁচড়ে এমন রূপ খানিকটা ছবিতে প্রকাশ করে। জীবন দিতে পারেনা। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তা জীবন্ত। এখানে না থাকলে নিজেকে এভাবে আবিষ্কার করা হতো না। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমার জানা ও বুঝার বাইরে থেকে যেত !
আমি এখন অনলাইনে বিএলসি প্লাটফর্মে পড়াই। শিক্ষার্থীরা পড়ে। বুঝতে পারি বিএলসি মুখোমুখি শিক্ষাকে সমৃদ্ধ করতে পারে। আমার অনুষদের অধিকাংশ শিক্ষক বিএলসি ব্যবহারে যথেষ্ট দক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় এখন একচ্যুয়াল জগৎ থেকে ভারচ্যুয়াল জগতে অনেক বেশী সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী। বিএলসি এবং স্মার্টএডু উভয়েই ভারচ্যুয়াল জগতে বিশ্ববিদ্যালয়কে করেছে মায়াময় ও মহিমান্বিত। বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মতই ভারচ্যুয়াল জগতে এই অলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্নকেও হার মানায়। এটাই ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সরূপ। আর এখানেই ড্যাফোডিলের প্রকৃত সাফল্য। দৃশ্যমান ও অলিক এই উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গর্বিত শিক্ষক হিসেবে আমি অভিভূত এবং সেই সাথে আমি অনুভব করি ও স্বপ্ন দেখি, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো বিকশিত ও প্রতিষ্ঠিত করা গেলে ভবিষ্যতে এটি দেশ ও জাতি গঠণে তথা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও লক্ষ্য পূরণে কি পরিমাণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। সেই দিন নিশ্চই আর বেশী দূরে নয়। তাই তো আমি স্বপ্ন দেখি পরিবর্তনের, আমি স্বপ্ন দেখি ড্যাফোডিল থেকে বের হওয়া আগামী সফল প্রজন্মের যারা এই পরিবর্তনকে গোটা দেশ তথা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসের কিছু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যঃ


Definition: Tourists are people who travel outside of their home-base environments in order to spend time visiting a different environment in either a business or leisure capacity. Both vacationers and those on business trips are considered tourists, and they may be touring either domestically (within their home country) or internationally. A tourism business is any business that centers on catering to tourists’ needs.

Step 1: Decide on which sector of tourism you would like to focus on.
You have several options to choose from when it comes to establishing a business in tourism:

Transportation service. This sector involves transporting tourists too, from and around the tourist destination.
Travel agencies. Travel agencies are the 1-stop-shop for everything involved with visiting a place, including transportation, accommodations and attractions.
Tour Operator. A tour operator typically combines tour and travel components to create a holiday. They prepare an itinerary.
Destination Management Company. A DMC possesses extensive local knowledge, expertise and resources, specializing in the design and implementation of events, activities, tours, transportation and program logistics.
Accommodation. These include hotels, guesthouses, bed and breakfasts, hostels, rental houses, lodges and any other place tourists may stay while traveling.
Guided tours and tourist guide. A guided tour service or professional tourist guide is a tourism business that specializes in providing informative and entertaining tours through an area’s local attractions.
Hospitality. A hospitality business pertains to any food or beverage establishment that tourists may frequent.

Step 2: Take your geographical location into account.
Your local tourist attractions are good indicators of what would and would not make a successful tourism business venture. For example, if your area is secluded from the populace and dense with wineries, then guided winery tours, local bed and breakfasts, and airport transportation services are all viable business options.

Step 3: Size up the competition.
Thoroughly research the tourism businesses in your area before you decide which business in tourism is right for you. You will want to choose a tourism sector that is not overly congested, and one that you can contribute something unique to.

Step 4:
Write a business plan.
Your business plan is the blueprint for your tourism business, and should include the following sections:

Executive summary. Describe your business’s purpose, name, location, personnel needs, tourism business management staff, market sector, competition, marketing plan and financial projections.
Tourism business summary. This should detail how the business’s ownership will be distributed and the start-up requirements (funding, assets and location).
Products and/or services. You need to outline the products and/or services your business will be providing for tourists.
Analysis of the market. Provide information about your target market and your competition. Tourism business strategy. Describe how you plan on running your business, marketing your business and pricing your product or service.
Financial summary. State your projections for your business’s expenses and income.

Step 5: Procure the necessary funds.
Present your business plan to potential lenders and/or business partners in order to obtain the start up and operating capital you will need to run your business in tourism.

Step 6: Select a business location.
If you plan to operate a walk-in travel agency or an accommodation establishment, there are 3-things to consider. They are location, location, and location!

Step 7: Obtain all applicable business licenses.
Get the necessary business licensing through your local government’s business regulatory agency.

Step 8: Market your tourism business:
Use social networking sites. Set up accounts/pages on free social networking sites.
Create a website for your tourism business. Be sure to hire a specialist for search engine optimization (SEO) in order to maximize your site’s online presence. List your business on all applicable online directories and review websites.
Advertise in print mediums. Take out ad space in newspapers, magazines and trade/lifestyle publications.


একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত খবর অনুসারে বিদেশি কর্মীরা বাংলাদেশ থেকে বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছেন। খবরটির উৎস প্রধানত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)। গত আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে এ সংস্থা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও শিল্প বণিক সমিতি বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, যেকোনো বিদেশি বাংলাদেশে কাজ করতে চাইলে বিডা থেকে ওয়ার্ক পারমিট নেওয়ার বাধ্যতামূলক বিধান রয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন বেসরকারি এমনকি কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে এ নিয়ম মানা হচ্ছে না। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে লক্ষণীয় হয় যে, এ ধরনের প্রায় ৫ লাখ বিদেশি বাংলাদেশে কাজ করছেন। অথচ বিডা থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে ১ লাখ। তাঁদের আয়ের ওপর সরকার যথাযথভাবে করও পাচ্ছে না। কাউকে বেতন দেওয়া হচ্ছে বিদেশে। আবার এ দেশেও অনেককে ডলারে বেতন দেওয়া হয়। অথচ আয়কর বিবরণীতে তাঁরা এটা টাকার অঙ্কে দেখান। আর নিবন্ধনহীনরা তো কিছুই দেখান না। আরও বিস্ময়কর তথ্য পাওয়া যায় যে সরকারের বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি কর্মী নিয়োগে অনেক ক্ষেত্রে বিডা থেকে অনুমতি নেওয়া হয় না। এভাবে এ দেশে কাজ করছেন ভারত, চীন, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির লোকেরা। বলা হয়, এঁরা দক্ষ কর্মী। আমাদের দেশে তাঁদের মানের কর্মী পাওয়া যায় না। সর্বাধিকসংখ্যক বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত, এটিও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। নিয়োগদাতাদের মতে, বাংলাদেশে ফ্যাশন ও ডিজাইনিং, ভারী যন্ত্রপাতি পরিচালনা, বিপণন, সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি খাতে দক্ষ কর্মীর যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণ করতে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন, উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখতে হচ্ছে। তবে তাঁরা কি বাধ্যকরী অনুমোদনপত্র নেবেন না? দেবেন না যথাযথ আয়কর?

প্রথমে প্রয়োজনীয়তার দিকটি দেখা যাক। সে প্রতিবেদনেই উল্লেখ আছে আমাদের দেশে প্রতিবছর ২৫ হাজার তরুণ–তরুণী স্নাতক হচ্ছেন। তাঁরা কর্মসংস্থান চান। এটা ঠিক, আমরা জেনে না জেনে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় গলদ সৃষ্টি করেছি। যদিও মেধাবী ছেলেমেয়ে বেশ কিছু আছে, তাঁদের অনেকেই আবার বিদেশে চলে যান। তাই বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতা করার শ্রমশক্তিতে আমরা পিছিয়েই আছি। ফলে বিদেশি বিশেষজ্ঞনির্ভরতা আমাদের রয়ে গেছে। কিন্তু প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, কয়েকটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং এজেন্সি ২০০ বিদেশি নাগরিককে নিয়োগ দিয়েছে। এ কাজটি কি কোনো উন্নত প্রযুক্তি বা ব্যবস্থাপনার আওতায় পড়ে? স্বাধীনতার পূর্বকালেও বাঙালিরা ক্লিয়ারিং ফরওয়ার্ডিংয়ের কাজ করে আসছিল। কাজের ব্যাপকতা বেড়েছে। তেমনি বাজারে সরবরাহ বেড়েছে কর্মী। ধারণা করা যায়, তাদের এ নিয়োগে বৈধ কোনো অনুমতি নেই। মনে হয় এ ধরনের কাজে আরও বিদেশি আছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা) প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বৈধ অনুমতি ছাড়া তারা তাদের আওতাধীন জোনগুলোতে কোনো বিদেশিকে কাজ করতে দেবে না। সে জন্য তাদের জোনসমূহে এযাবৎ ১ হাজার কর্মরত বিদেশির যথাযথ ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে। এ দৃষ্টান্তটি অন্যরা অনুসরণ করবে না কেন? এটা তো কোনো দয়া বা অনুকম্পা দেখানোর বিষয় নয়। সরকারের বিধিবিধান অনুসরণ করা সবার জন্য বাধ্যকরী। অবৈধ বিদেশি শ্রমিক কমবেশি সব দেশেই আছে। তবে কোথাও কি ৮০ শতাংশ বিদেশি শ্রমিক রয়েছে! নিশ্চয়ই নয়। ধারণা করা হয়, ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে কোনো দেশে অবৈধ বিদেশি কর্মী থাকে। এখানে উল্লেখ করতে হবে, এ অনুমতির সঙ্গে সরকারের কর্তৃত্বের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান ও বিদেশি কর্মীদের আয়কর প্রদানের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রয়েছে।

স্থানীয় পর্যায়ে অনেকের সহযোগিতা না থাকলে এমনটা ঘটত না। বিদেশিরা এ দেশে আসেন ভিসা নিয়েই। ওয়ার্ক পারমিট থাকলে সে ভিসার মেয়াদ হয় কাজের সঙ্গে সংগতি রেখে। নচেৎ মাল্টিপল এন্ট্রি ভিজিট ভিসাতেও একনাগাড়ে তিন মাসের অধিক কোনো বিদেশি থাকতে পারেন না। অবশ্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সে সময়সীমা বাড়ানোর ক্ষমতা রাখে। এ ব্যবস্থাটির ব্যাপক অপব্যবহার বেআইনি বিদেশি কর্মীর বিপুল হারে উপস্থিতিতে অবদান রাখছে বলে ধারণা করা যায়। উদ্যোক্তা শ্রেণি ও ব্যবসায়ীরা দক্ষ লোক খুঁজবেন, খুব স্বাভাবিক। তবে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি দেশি কর্মীদের সে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করার সময়াবদ্ধ দায়িত্ব তাঁদেরই নিতে হবে। বিডার অনুমতিপত্রের শর্তে কী আছে জানা নেই। এ ধরনের বিধান থাকাই স্বাভাবিক। না থাকলে করতে হবে। আর একেবারেই অনুমতি ছাড়া কাজ করছেন, তাঁরাসহ নিয়োগদাতারা কিন্তু আইনের বিপরীতে রয়েছেন। সরকারি প্রকল্পে এমনটি কীভাবে হয়, এটা বোধগম্য হচ্ছে না। এর দায়ভার নিতে হবে প্রকল্প পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের সচিবকে। প্রকল্প দলিলে বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবশ্যকতার কথা উল্লেখ থাকলেই হবে না। এ ধরনের কর্মী দেশে পাওয়া যাচ্ছে না, এ বিষয়ে বিডাকে সন্তুষ্ট হতে হবে। অবশ্য এটা নিশ্চিত করতে হবে, প্রকৃত চাহিদা যাঁদের রয়েছে, তাঁরা যেন বিডাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন।

বিদেশিদের শ্রমমূল্য হিসেবে আমাদের দেশ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রতিবছর যায়। ঠিক তেমনি আমাদের প্রবাসী কর্মীরাও পাঠান বৈদেশিক মুদ্রা। তার পরিমাণ ছিল ২০১৮ সালে সাড়ে ১৫ বিলিয়ন ডলার। কিছু প্রণোদনা দেওয়ায় এ বছরে এটা কিছু বাড়বে বলে লক্ষণীয় হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেন্ট মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) একটি তথ্যমতে, ১৯৭৬ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আমরা ১ কোটি ২১ লাখ ৯৯ হাজার লোককে সৌদি আরব, উপসাগরীয় দেশসমূহ, মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশে পাঠিয়েছি। তাঁরা সবাই অস্থায়ী অধিবাসী। সময়ান্তরে স্বাভাবিকভাবেই ফিরে এসেছেন অনেকেই। তাঁদের ঠিক কত লোক এখন কার্যরত আছেন, এর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ২১টি দেশে ২৪ লাখ বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে বসবাসরত আছেন বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৮ সালের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়। যৌক্তিকভাবেই ধারণা করা যায়, স্থায়ী–অস্থায়ী সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশি প্রবাসে আছেন।

প্রবাসী আয় বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় এবং বিশ্বে একাদশ। আর এ আয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিয়ে যাচ্ছেন মাত্র ৫ লাখ বিদেশি কর্মী। অন্যদিকে তাঁদের শতকরা ৮০ জনের এ দেশে কাজ করার বৈধতা নেই। দিচ্ছেন না আয়কর। বৈধরাও ফাঁকি দিয়ে চলছেন অনেকে। এ ব্যাপারটিকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সুযোগ নেই—এমনটা মনে হয় না। সরকারের সব সংস্থাই তো কার্যকর রয়েছে বলে দাবি করা হয়। শিল্প–বাণিজ্য ও উন্নয়ন কার্যক্রমে আতঙ্ক সৃষ্টি করা অযাচিত। এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তবে দৃঢ়তার সঙ্গে ধীরে ধীরে আইন কার্যকর করাকে আতঙ্ক সৃষ্টি বলা যাবে না। ব্যবসায়ী–শিল্পপতিদের নিয়ে বৈঠক করতে হবে। আইনের বিধানে কোনো বিচ্যুতি থাকলে, তা–ও সংশোধন করা প্রয়োজন। বিনা অনুমতিতে বিদেশি কর্মী কাজ করলে সে কর্মী ও তাঁর নিয়োগদাতা দুজনকেই আইনের আওতায় আনা হবে বলে একটি কার্যকর বার্তা দেওয়া যায়। একটি সময়ের পর সে বার্তাটি যে অর্থবহ, তা বোঝাতে শুরু করতে হবে। ভিজিট ভিসায় আসা লোকদের ভিসা নবায়নে যথেষ্ট পরীক্ষা–নিরীক্ষা প্রয়োজন। নচেৎ আমাদের বিভিন্ন ধরনের দুর্বলতার সুযোগে বিদেশি কর্মী ও তাঁদের প্রেরিত আয় নিজ দেশে পাঠানোর পরিমাণ বাড়তেই থাকবে। আমাদের প্রবাসী কর্মীদের হাড়ভাঙা খাটুনির টাকার একটি বড় অংশ নেবেন তাঁরাই। লাভের গুড় খাবে পিঁপড়ায়।

আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব

News Source:

চেক ডিজঅনার মামলায় অপরাধ প্রমাণে যা জানা দরকার

মো: রায়হান ওয়াজেদ চৌধুরী

দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন প্রয়োজনে দায় অথবা ঋণ পরিশোধের নিমিত্তে চেক এর ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক সময়ে চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা চেক প্রদানকারীর একাউন্টে না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পক্ষে চেক গ্রহণকারীকে টাকা দেয়া সম্ভব হয় না। অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ব্যাংক কর্তৃক চেক প্রত্যাখ্যান করা হয়। যা চেক ডিজঅনার নামে পরিচিত। পর্যাপ্ত টাকা না থাকার কারণে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারী অ্যাকাউন্টধারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। কারন, অপর্যাপ্ততার কারণে ব্যাংকের চেক প্রত্যাখ্যাত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তহবিল অপর্যাপ্ততায় কোন চেক প্রত্যাখ্যাত বা ডিজঅনার হলে সেইসব অপরাধের প্রতিকারের সুরক্ষা বিধান করা হয়েছে নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের (এনআই অ্যাক্ট) ১৩৮, ১৪০ ও ১৪১ ধারায়।

দেশের আদালতসমূহে প্রচুর এনআই অ্যাক্টের অধীনে মামলা চলমান আছে। এই আইনে প্রতিদিন নতুন মামলা দায়েরও হচ্ছে। এসব দেখে সহজে অনুমান করা যায় দৈনন্দিন আর্থিক কর্মকান্ডে চেক এর অপব্যবহার কি পরিমান হচ্ছে। চেক ডিজঅনারের মামলা অন্যান্য সাধারণ আইনের চেয়ে ব্যাতিক্রম। যার কারণে এই আইন সম্পর্কে জানার পাশাপাশি মামলায় অপরাধ প্রমাণ করতে বেশ কিছু সতর্কতা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিতে হয়। নির্দিষ্ট সময় এবং নিয়ম মেনে মামলা করে রায় নিতে হয়। এই আইন সম্পর্কে অবহেলা বা অজ্ঞতা কিংবা অজানার কারণে অনেকেই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন ও ক্ষতিগ্রস্থ হন। সমস্যা গুলোর কারনে মামলা খারিজ হয় কিংবা বিচারে অপরাধ প্রমাণে ব্যার্থ হন। যার ফলে বাদীর আর ঐ টাকা পাওয়া হয় না। মামলা মোকদ্দমা করতে তার অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। সামাজিকভাবে তিনি হেয় প্রতিপন্ন হন। মূলত এসব বিবেচনায় এই লেখায় প্রয়োজনীয় কিছু আইনগত বিষয়ে আলোচনা করব যা চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলায় অপরাধ প্রমান করতে সহায়ক হবে আশাকরি।

প্রথম কথা হচ্ছে এই আইনে মামলা দায়ের করতে হলে কোন দায় অথবা ঋণ পরিশোধের নিমিত্তে চেক এর ব্যবহারটা হবে। উক্ত স্বাক্ষরিত চেকটি প্রদানকারী কর্তৃক ইস্যুর তারিখ থেকে ৬ মাস সময়ের মধ্যে নগদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে উপস্থাপন করতে হবে চেক গ্রহণকারীকে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক চেকটি অপরিশোধিত অবস্থায় ফেরত আসার অর্থাৎ ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে একাউন্টধারীকে চেক ডিজঅনার হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা প্রদানের দাবি জানাতে হবে। চেক ইস্যুকারীকে তিনভাবে উপরোক্ত দাবী জানানো যায়; চেক প্রদানকারী অর্থাৎ নোটিশ গ্রহীতার হাতে সরাসরি নোটিশ প্রদান করে অথবা প্রাপ্তি স্বীকারপত্রসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে চেক প্রদানকারীর জ্ঞাত ঠিকানায় অর্থাৎ সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা কিংবা বাংলাদেশে তার ব্যবসায়িক ঠিকানা বরাবর নোটিশ প্রেরণ করে অথবা বহুল প্রচারিত কোনো জাতীয় বাংলা দৈনিকে নোটিশটি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে। আইনে প্রতিটা ক্ষেত্রেই ‘অথবা’ বলা হয়েছে। অর্থাৎ যে কোন একটা পদ্ধতি অনুসরণ করলে হবে। কোনোভাবেই নোটিশ প্রেরণ না করে সরাসরি মামলা করা যাবে না। চেক প্রদানকারী নোটিশ প্রাপ্তির পর চেকের প্রাপক বরাবরে চেকে উল্লেখিত অংকের টাকা পরিশোধ ব্যর্থ হলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে। মামলা করার ক্ষেত্রে বর্ণিত সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চেক দেওয়া হয়েছে কেবল তিনিই মামলা করতে পারে। ব্যাংকের এলাকা যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে করতে হবে। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চেক দেওয়া হয়েছে তিনিই মামলা করতে পারেন। অভিযোগ নালিশি মামলা বা সিআর মামলা হিসেবে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে করতে হবে। মামলা করার সময় আদালতে মূল চেক, ডিজঅনারের রসিদ, আইনি নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তির কপি, পোস্টাল রসিদ, প্রাপ্তি রসিদ আদালতে প্রদর্শন করতে হবে। এসবের ফটোকপি ফিরিস্তি আকারে মামলার আবেদনের সঙ্গে দাখিল করতে হবে।

মামলার আরজিতে চেক প্রদানকারীর নাম, প্রদানের তারিখ, ডিজঅনার হওয়ার তারিখ, ব্যাংক ও শাখার নাম, হিসাব নম্বর, চেক নম্বর ও টাকার পরিমাণ এবং কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চেক দেওয়া হয়ে থাকলে ইস্যুকারী কর্মকর্তার নাম, পদবি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হলে এই আইনের ১৩৮ ধারার পাশাপাশি ১৪০ ধারা উল্লেখ করতে হবে। মামলা দায়ের করার পর সমন এবং ওয়ারেন্ট দ্রুত জারির জন্য স্পেশাল তদবির করতে হবে যাতে আসামী হাজির হয়। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করলেও অপরাধের মূল বিচার হয় দায়রা আদালতে। দায়রা আদালত ইচ্ছা করলে যুগ্ম দায়রা আদালতে মামলাটি বিচারের জন্য পাঠাতে পারেন। বিচার শেষে অপরাধের শাস্তি হিসাবে আইনানুসারে আদালত এক বছরের কারাদন্ড অথবা চেকে বর্ণিত অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত পরিমাণ অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করতে পারেন।

এ ক্ষেত্রে আপিলের সুযোগ আছে। তবে আপিল করার পূর্বশর্ত হচ্ছে, চেকে উল্লেখিত টাকার কমপক্ষে ৫০ শতাংশ টাকা যে আদালত দণ্ড প্রদান করেছেন সেই আদালতে জমা দিতে হবে একাউন্টধারীকে।

চেকে উল্লেখিত টাকার যতটুকু জরিমানা হিসেবে আদায় হবে তা চেকের বাহক বা ধারককে প্রদান করা হয়। অনেক সময়ে দেখা যায় আসামীরা সাজা খেটেই বেরিয়ে যান। টাকা আর পরিশোধ করেন না। বিজ্ঞ বিচারিক আদালত চেকের মামলায় জরিমানার টাকা আদায়ে জেলা কালেক্টর বা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারী কৌশলী মারফত দেওয়ানী আদালতে জারী মামলা দায়ের করতে হয়। যদি কোন কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে মামলা করা না যায় তাহরে দন্ডবিধি ৪০৬ ও ৪২০ ধারা অনুসারে ফৌজদারি মামলা করা যায়। কিন্তু এসব মামলার ক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই। দোষী সাব্যস্ত হলে সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ড ও জরিমানা হতে পারে। মোটামুটি উপরোক্ত পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে চেক সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করতে হয়।

লেখক : আইনজীবী, চট্টগ্রাম জজ কোর্ট। ইমেইল :



Doug Lindsay was 21 and starting his senior year at Rockhurst University, a Jesuit college in Kansas City, Missouri, when his world imploded. After his first day of classes, the biology major collapsed at home on the dining room table, the room spinning around him. It was 1999. The symptoms soon became intense and untreatable. His heart would race, he felt weak and he frequently got dizzy. Lindsay could walk only about 50 feet at a time and couldn't stand for more than a few minutes. "Even lying on the floor didn't feel like it was low enough," he said. The former high school track athlete had dreamed of becoming a biochemistry professor or maybe a writer for "The Simpsons." Instead, he would spend the next 11 years mostly confined to a hospital bed in his living room in St. Louis, hamstrung by a mysterious ailment. Doctors were baffled. Treatments didn't help. And Lindsay eventually realized that if he wanted his life back, he would have to do it himself. His journey since has amazed medical professionals. "He did something extraordinary," said John Novack, spokesman for Inspire, a healthcare social network for rare and chronic-disease patients. When people hear Lindsay's story, Novack said, they often say, "I can do something similar for my kid."

His mother was a living prophecy

Whatever was wrong with him ran in the family. By the time Lindsay was 18 months old, his mother was so weak she could no longer pick him up. By the time he was 4, she could no longer walk. She did manage to pick him up one more time that year when he was choking on a jawbreaker. She saved his life. Otherwise, she was too frail. She lived for decades, mostly bedridden with the same condition that stole her son's twenties. After years of tests, she determined her condition was related to her thyroid, but she was too sick to travel to the Mayo Clinic to get more specialized care, Lindsay said. Lindsay's aunt also developed the same ailment, growing so feeble she couldn't tie her own shoes. As a teenager, watching his family members sidelined from life, Lindsay wondered whether his body was a ticking time bomb, too. Finally, that day in 1999, the alarm went off. "When I called my mom that night to tell her I needed to drop out (of college), we both knew," he said. The family curse had struck.

He found answers in discarded medical textbooks

From the fall of 1999 onward, Lindsay was bedridden about 22 hours a day. "If I was up, it was because I was eating or going to the bathroom," he said. Lindsay immersed himself in medical research, determined to find a way out. He saw specialists from endocrinology, neurology, internal medicine and other specialties. When one doctor was out of ideas, he referred Lindsay to a psychiatrist. That's when Lindsay he realized he'd have to figure his predicament out on his own. While in college he had picked up a 2,200-page endocrinology textbook near a garbage can, hoping to use it to figure out what condition his mom had. In it, he found an important passage discussing how adrenal disorders could mirror thyroid disorders. He zeroed in on his adrenal glands, which sit atop the kidneys on either side of the lower abdomen. Using a stash of aging medical textbooks, Lindsay hypothesized that a whole class of autonomic nervous-system disorders could exist beyond the established categories of what most endocrinologists or neurologists knew about. He cobbled together cash for a computer, had an old college roommate bring it over, and got to work. Lindsay soon stumbled on the website for the National Dysautonomic Research Foundation, delighted that an entire organization was dedicated to researching the type of disorder plaguing him and his family. He asked the foundation to send him literature about emerging research in the field. None of the diseases the foundation was examining fit Lindsay's pattern of symptoms. But he was getting closer.

He convinced a researcher who believed in him

Lindsay soon decided he needed a partner -- not just a physician but a scientist curious enough to take on a rare case and spend long hours with him parsing it out. The best place to find that person, he reasoned, was at the American Autonomic Society's annual conference, attended by scientists from around the world who focused on nervous system disorders. In 2002, he give a presentation about his disease at the group's meeting in Hilton Head, South Carolina. To get there, Lindsay bought a row of airline tickets so that, with the help of friends, he could lay across several seats during the flight. Lindsay arrived at the conference in a wheelchair, wearing a suit and tie, and presented himself as a Jesuit-trained scientist. He tried to comport himself like a grad student or a junior colleague to the scholars in the audience, not like a patient. He was just a scientist living an experiment in his own body. During his talk, Lindsay argued that a certain drug might help him. Several of the scientists disagreed with Lindsay's hypotheses about his ailment. But that wasn't unexpected. He didn't even have a bachelor's degree and he was telling doctors from Harvard University, the National Institutes of Health and the Cleveland Clinic something their medical training told them was impossible. "They didn't patronize me. They treated me like a scientist," Lindsay said. "I was entering into a world of science I couldn't participate in because I was at home and couldn't be a grad student." Dr. H. Cecil Coghlan, a medical professor at the University of Alabama-Birmingham, approached Lindsay after his presentation. Coghlan said he thought Lindsay was on to something. At last, Lindsay had a medical ally.

His first innovation was repurposing a drug

In early 2004, one of Lindsay's friends rented an SUV, loaded a mattress in the back and drove him, lying flat, 500 miles to Birmingham.
Lindsay suspected his body was producing too much adrenaline. He knew of a drug called Levophed, which is approved by the US Food and Drug Administration to raise blood pressure in some critically ill patients. Levophed is basically an injection of noradrenaline, which counters the symptoms created by excess adrenaline. It hadn't been done before, but Lindsay convinced Coghlan to repurpose the drug so he could live on a 24/7 noradrenaline drip for the next six years. Lindsay spent "every second of every day" hooked up to an IV. It stabilized his condition and allowed him to be active for short periods of time around the house. "I was no longer at risk of losing everything," Lindsay said. Still, other than doctors' visits, a high school reunion and a few weddings, Lindsay's autonomic dysfunction kept him mostly confined to the house he grew up in well beyond his twenties. Why was he so sick, he wondered? Something was dumping way too much adrenaline into his blood. Coghlan told him he might have an adrenal tumor. But three scans of his adrenal glands all came back negative. Discouraged but not deterred, Lindsay did the only thing he could do: He dove back into the medical literature. And he came up with a treasure.

Later he diagnosed a disorder doctors didn't believe could exist

Lindsay suspected there might be something in his adrenal gland that acted as a tumor but wasn't one. The fourth scan in 2006 showed his adrenals "glowing brightly," Lindsay said, an abnormality consistent with his new theory. Coghlan called Lindsay and said, "We found it!" The diagnosis: bilateral adrenal medullary hyperplasia. In layman's terms, it means the medullas, or inner regions, of his adrenal glands, were enlarged and acting like tumors. His adrenal glands were producing way too much adrenaline. Experts in the field doubted the diagnosis. But Coghlan put his professional reputation on the line to back it. As Lindsay delved into the more medical literature, he found only 32 recorded cases of bilateral adrenal medullary hyperplasia. And he fixed on what seemed like a simple solution: If he could cut out the medullas of his adrenal glands -- sort of like slicing into a hard-boiled egg and removing the yolk -- his health would improve. Dr. Chris Bauer, Lindsay's personal physician, calls his ailment an "atypical presentation of a rare disease." "They don't really write textbooks based on that," Bauer said. "We were all learning with Doug as we went along."

Then he pioneered a new surgery

Lindsay finally came to a bold conclusion. "If there isn't a surgery," he decided, "I'm going to make one." His first big lead came in 2008. He found a 1980 study from a scientist at Georgia State University, which he summed up as: "You slice the rat's adrenal gland with a razor blade and squeeze it so the medulla pops out like a pimple." Then he found that another version of the adrenal medulla extraction had been done at Harvard. Renowned professor Walter Bradford Cannon had performed the surgery on cats in 1926. Lindsay found records of the surgery being done on dogs as well. He built a 363-page PDF which proposed a first-ever human adrenal medullectomy. Then he spent the next 18 months working to find a surgeon who would oversee the unorthodox procedure. With a little help from his friends, Lindsay was able to travel to the University of Pennsylvania for a meeting of the Society for Amateur Scientists in 2002. With a little help from his friends, Lindsay was able to travel to the University of Pennsylvania for a meeting of the Society for Amateur Scientists in 2002. Pioneering a new surgery is a high-wire act for ethical and financial reasons as well. Surgeons could risk losing their license by performing an unproven operation, especially if complications arose. And insurance companies tend to not reimburse patients for non-standard procedures. Because many of the doctors in that specialized field knew each other, Lindsay was careful where he pitched the idea that might save his life. Eventually, he recruited a surgeon from the University of Alabama-Birmingham. In September 2010 Lindsay went to the university hospital, where the doctor successfully extracted one of his adrenal medullas. Three weeks after the procedure, Lindsay could sit upright for three hours. By Christmas Eve, he had the strength to walk a mile to church. As he stood in the back of the church during midnight Mass, it finally felt like hope was winning. But progress was slow. In 2012, he underwent a second surgery at Washington University in St. Louis to remove the medulla from his remaining adrenal gland. A year later, he was well enough to fly with friends to the Bahamas. It was the first time in his life the Midwesterner had seen the ocean. By early 2014, he was coming off some of his meds. Coghlan, his champion, lived just long enough to see Lindsay's remarkable recovery. He died in 2015.

Now he's helping other rare-disease patients

Against the odds, Lindsay had found a way to save himself. But his mother was too delicate to be moved to another facility, let alone endure the surgery her son pioneered. She died in 2016. She didn't get to see him walk across the stage to graduate that year from Rockhurst University with a bachelor's degree in biology, 16 years after he originally expected to begin his career. Lindsay is now 41 years old. Many of the friends with whom he planned to graduate are now married, with kids in grade school. "You can't recapture the past," Lindsay said. Today he still lives in his childhood home in St. Louis. He needs to take nine medications per day, and his health is far from perfect, but he has his life back. He's not exactly the biology professor he dreamed of being at 21, but he's not far off the mark. He's leveraging his experience into a new career as a medical consultant. "I couldn't be an assistant manager at Trader Joe's. I don't have the physical ability for that," Lindsay said. "But I can travel and give speeches and go for walks. And I can try to change the world." Doctors are turning to him to help them identify and treat rare diseases like his own. "I'm a full professor at Stanford, and I don't know these answers," said Dr. Lawrence Chu, who found himself leaning on Lindsay when a rare disease patient came to him. "Doug was the expert consultant." Lindsay has spoken at medical schools, including Stanford and Harvard, and at a growing list of medical conferences. And he's working on a case study to be published in the British Medical Journal. With his gift for solving intractable problems, he hopes to help steer other patients with hard-to-treat diseases on a path toward wholeness. "I got help from people," he said, "and now I have to help people."


Law / Forensic Laws in Bangladesh
« on: April 16, 2018, 11:06:37 AM »

There are several laws are used in forensic science. Most of them are very much helpful to find out the evidences in a better & easy way. Those laws are mainly tie the forensics with the criminal justice system because everything is under the law. So, those laws are given below:

•   Penal Code 1860 (Section 29)
•   Code of Criminal Procedure 1898 (Section 174, 176, 509, 509-A, 510)
•   Information and Communication Technology Act 2006 (Section 87)
•   The Pornography Control Act, 2012 (Section 6, 7, 8)
•   Evidence Act 1872
•   Identification of Prisoners Act, 1920
•   Formalin Control Act, 2015

Law / Manipulation of Forensic Evidence
« on: April 16, 2018, 11:05:58 AM »

Forensics is made of scientific theory & we know that theories can be changed or manipulated. That’s the vital problem of forensics. A slight mistake of evidence or examination can make the whole result upside down. Now, the question is how that kind of mistakes can be happened? Well, there are many chances of that happening. Let’s discuss about it:

Internal Corruption
The forensics reports are easily changeable if there are internal corruption grows in a higher scale. A post mortem report, finger print test, blood group test, ballistics etc those are the vital point of the evidence & if those are manipulated then the real criminal can never be punished & that’s happening most of the cases in Bangladesh only because the whole authority is the responsible for the corruption an if the whole authority is corrupted then no one can do anything against them and justice will be denied.

Lack of Professionalism
Sometimes doctors or specialists are made mistakes in their work or duty. They don’t complete their work according to the exact professionalism. Their slight mistake or lack of responsibility can change the whole forensic report and that affects a case very severely. Sometimes, in the hand of inexperienced doctor and specialist the report can be changed because of their wrong examination and decision.

Wasted Crime Scene
Crime scene is the mother of all forensics evidences but in most of the cases crime scene is wasted in a way, the real evidence is hardly found from there. That’s how evidences are destroyed & the consequence of this result is injustice. Sometimes it is happened intentionally and sometimes by mistake and by lack of knowledge. Mainly in our country most of the law enforcement officer and forensics office don’t know how to protect a crime scene and how to collect evidence from a crime scene without damaging it. That’s why most of the evidences are wasted in the crime scene while collecting them.

Changing Reports
Change of forensic report is the most happening corruption in our country. In our system a forensic report is easily changed. Victims are suffered more for this kind of offence. Sometimes doctors are responsible for this and they do this for bribe and for threat. If the system is corrupted then this kind of offence is happened.

Those problems are regularly happened in our country. Now-a-days corruption spreads in a way that criminals are never been caught or punished because of this forensics manipulation & that’s the common scenario of the justice system this country. The failure of forensic department can start a dark chapter of the criminal justice system of Bangladesh.

Law / Scientific Evidence
« on: April 16, 2018, 10:59:18 AM »
What is Forensics?
If we want to discuss about the forensic science then at first we have to know what forensics is:
Forensics or forensic science is the use of scientific principles in issues of law.
Forensic science is the use of science in a legal setting. Forensic scientists can not only aid in investigations into a crime, but also help determine who the victim and suspect are, what crime was actually committed, and if the suspect is able to stand trial.

What is Scientific Evidence?
Scientific evidence is the main part of the forensics. Without scientific evidence there is no value of forensics. Everything is based on this scientific evidence as we know that law speaks only by evidence so scientific evidence is that kinds of evidence that is come from various kinds of scientific theories. Mainly there are lots of theories in this world but not all of them is scientifically approved. Only the approved theory by the proper authority is recognized all over the world and the scientific evidence will be mainly based on those scientific theories. If we explain it in another term,

Scientific evidence is based on knowledge that has been developed by using the scientific method. This means that the basis for the evidence has been hypothesized and tested and is generally accepted within the scientific community. This could mean that the theory on which the scientific evidence is based has been published in scientific journals and has been subjected to peer review within the scientific community. Most forensic evidence, including genetic evidence, is scientific evidence.

Where Scientific Evidence can be found?
Scientific evidences are basically found in the crime scene. Crime scene means the place where a crime has happened like murder, suicide etc. In this place there are lots of unnoticeable things can be found which can’t be caught in the naked eye but only using technology those things are found and by analyzing those a huge amount of possible information and evidence can be found about the victim, nature of crime and even the identity of the killer. Basically scientific evidences are found in some specific criteria such as ballistics, blood, DNA, fingerprint etc. those things are the basic elements to solve a crime. If in a crime scene those things are found then those are collected very carefully in the forensic lab and in the lab there are all kinds of technology to analyze them. So, when they are analyzed successfully then lots of evidences can be found. Now that’s the part of the forensics, to find out the proper evidence. In the next step police or investigation team will investigate or arrest people according to those evidences and submit all of them in the court.

Utility of Scientific Evidence:
There are some utility of scientific evidences that’s why this sector is very much useful in criminal justice system. Those utilities are:

1.   Witness evidence is not always helpful:
Physical evidences are not always safe. There are lots of threat, cost, fearfulness around there and all the witnesses have to face them. It’s a matter of regret that authority is failed to ensure the proper safety to them. So, in this case forensic evidence is very much safe and easy to deliver.

2.   Poor Figure:
With the presence of physical witness criminal trial success rate is 9.6%. There are lots of problems and corruption behind it. The success rate can be increased into 100% only by the proper use of forensic evidences.

3.   Reliability:
Forensic evidence is more reliable than physical evidence. Physical evidence can be manipulated, forgotten, erased etc. besides, there are also a question of genuineness of physical evidence. But forensic evidence has no such type of problems and corruptions.

4.   Evidence extraction methods may lead to human rights violation:
The process of collecting physical evidence is not always lawful. There are a lots of complain about extra-judicial killing, remand, torture etc. those are very much violation of the human rights. That leads a lot of controversy. But forensic evidence has no such type of problems.

Law / Ballistics
« on: April 15, 2018, 05:38:56 PM »

What is Ballistics?
Ballistics is the area of Forensic Science that deals with firearms; how they are used, why they are used and why they are used frequently in the practice of murder.
What many people do not realise is that when a person is shot the wound and the condition of the victim can tell a lot about the nature of the weapon that has been used. Indeed if the weapon has been left at the scene of the crime - which sometimes happens when the perpetrator panics - the weapon itself can go a long way to providing valuable information as to the kind of person who has committed the offence.

What Ballistics Does
Ballistics involves the analysis of bullets and bullet impacts to determine information of use to a court or other part of a legal system. Forensic firearms examiners are trained to examine and analyze weapons, bullets, ballistics and how a bullet has behaved after being fired from a gun. Ballistics investigators often have to :
•   analyze firearms, ammunition, and tool mark evidence in order to establish whether a certain firearm or tool was used in the commission of a crime.
•   analyze bullets and shell casings found at a crime scene to determine what kind of weapon fired them
•   match a particular bullet or shell casing to a specific weapon or linking bullets or casing from multiple crimes scenes back to a single weapon
•   reconstruct crime scenes by estimating the distance between the gun muzzle and the person that was shot, and determining the angle or trajectory of the bullets fired

Branches of Ballistics
Ballistics, the science that deals with the motion of projectiles such as bullets, shells, rockets, and aerial bombs. It is important to police officers who investigate crimes involving shooting, to artillerymen and naval gunnery officers, and to engineers who design firearms, missiles, bombsights, and fire-control systems.
Ballistics has three branches:
•   Interior ballistics deals with the behavior of a projectile within a gun barrel.
•   Exterior ballistics is concerned with the motion of a projectile in flight.
•   Terminal ballistics deals with the effect of the projectile on its target.

Interior Ballistics
A firearm such as a rifle, pistol, or artillery piece fires a projectile as a result of the burning of its propellant, which usually is smokeless powder. When the powder is ignited, large quantities of gases are produced. These gases force the projectile through the barrel in much the same way that children blow peas from a pea-shooter. If the gas pressure is too small, the bullet or shell will not reach its target. If the pressure is too great the gun may blow up. Also, if the pressure changes with each shot, the velocity of the projectile will change and accuracy will be poor. How to regulate this pressure is one of the most important problems in interior ballistics.
Almost all types of firearms (except for shotguns and rocket launchers) have spiral grooves on the inside of their barrels. These grooves are called rifling. The depth, diameter, and number of turns vary in different weapons and differ slightly with each separate weapon of the same type. When a pistol or rifle is fired, the bullet's metal fills into the grooves. Irregularities, some visible only through a microscope, leave markings on the bullet. These markings help ballistic experts determine which weapon fired a given bullet, since all bullets from the same gun have similar markings. This type of investigation is useful in police work.

Exterior Ballistics
When a bullet or artillery shell leaves a gun, it spins like a top because of the spiral rifling. This spinning motion gives the projectile stability of flight. Some rocket missiles are made to spin by metal fins or by small auxiliary rocket engines. While in the air, the projectile is subject to various forces, such as gravity, air resistance, wind, and drift" caused by the spin. The effect of these forces must be considered when aiming a weapon to achieve accurate shooting.

Terminal Ballistics
The penetration of tank armor by armor-piercing ammunition is an important concern of terminal ballistics. Another is the damage done to the target by the blast effect and flying fragments of a shell or bomb. With nuclear weapons there is also damage from intense heat and radiation. The study of terminal ballistics helps scientists to develop more effective weapons and to devise means of defense against enemy weapons.

Types of Firearms
Firearm means any portable barrelled weapon that expels or is designed to expel or may be readily converted to expel a shot, bullet or projectile by the action of an explosive.
A firearm is a dynamic system for delivering maximum destructive energy to a target, in the form of a high-velocity bullet, with minimum delivery of energy to the shooter.
There are various types of firearms:
   Rifle
   Shotgun
   Machine gun
   Sub-machine gun
   Pistol
   Revolver

A relatively long-barreled firearm, fired from the shoulder, having a series of spiral grooves cut inside the barrel (a process called ‘rifling’) imparting a rapid spin to a single projectile.

A shoulder-fired long gun with no rifling in the barrel, designed to shoot a large number of small projectiles (“shot”) rather than a single large projectile (“a bullet”).

Machine Gun
A machine gun is a fully-automatic firearm. This means the weapon will continue to load and fire ammunition until the trigger, or other activating device, is released, the ammunition is exhausted, or the firearm is jammed.

Sub-machine Gun
A hand-held, lightweight machine gun consisting of relatively low-energy handguntype cartridges and fired from the hand, hip, or shoulder

A revolver is a firearm that has a cylinder with a number of chambers. These chambers are designed to be manually loaded with cartridges of the appropriate caliber and then, as the cylinder rotates into position under the hammer, the trigger can be pulled, releasing the hammer causing the cartridge to be fired.

Pistols are firearms designed for a more automatic operation. Cartridges are loaded into an ammunition magazine which is inserted into the firearm. As long as cartridges are present in the ammunition magazine and the firearm is functioning properly, the action of the firearm is responsible for the feeding and chambering of the cartridge and the extraction and ejection of the cartridge case once the cartridge is fired. They can be designed to fire semi-automatically or fully automatic.
Semi-automatic operation requires a pull of the trigger to fire each cartridge. Fully automatic operation allows for multiple cartridges to be fired with a single trigger pull for as long as ammunition is available to be fired.

Craft Weapons
Ccraft production of small arms refers principally to weapons and ammunition that are fabricated largely by hand in relatively small quantities. Craftproduced small arms range from rudimentary pistols and shotguns to more advanced assault rifles. The homemade guns are included in this category. Homemade guns are crude firearms roughly made from basic, household materials.

Classes of Firearms
All firearms, whether military assault rifles or civilian pistols, are classified into three broad categories:
•   fully automatic;
•   semiautomatic; and
•   other.
The groupings are based on how the weapon fires and loads bullets into its chamber for the next firing.

Automatic Weapons
Automatic weapons are manufactured for the battlefield to fire a continuous stream of bullets from attached magazines or drums as long as the gun's trigger is depressed. The escaping gas of each bullet fired is mechanically used to prepare and fire the next bullet and to eject spent shells.
These weapons are often called machine guns and have been federally banned for civilian sale and ownership, with few exceptions, since the mid-1930's.

Semiautomatic Weapons
Semiautomatic weapons fire one bullet with each pull of the trigger but can fire dozens of bullets from a magazine without reloading.
Other firearms
Other firearms, including revolvers, breach-loaded and pump-action guns, fire one bullet with each pull of the trigger. But they are not considered semiautomatic because they do not reload automatically. They use a variety of methods to prepare up to eight bullets for firing before reloading.

Modern ammunition takes the form of integrated, self-contained cartridges,
integrating three key elements in one unit:
•   a bullet, the actual projectile that is expelled from the firearm’s barrel;
•   propellant, which generates the force and pressure needed to put the bullet in motion and into flight; and
•   a primer, which in modern usage is a volatile and pressure-sensitive chemical mixture that is responsible for igniting the propellant.

The use of a chemical primer to ignite the propellant dates back to the development of the percussion cap in the early 1800s, when it was discovered that striking a cap containing fulminate of mercury created a flame that could then move into the main charge of powder.
Today, the exact chemical composition of primer mixtures can vary and remains proprietary.
Lead styphnate is the main ingredient, generally, although individual primers may also include some of the following:
   trinitrotoluene (TNT)
   lead or copper sulphocyanide, lead peroxide,
   sulfur, tetryl
   barium peroxide, and barium nitrate.
Ground glass may also be added as a “sensitizer,” to create friction when impacted by the firing pin.
A primer mixture is a high explosive; working with it and placing the primer in the case are extremely sensitive parts of the ammunition manufacture process.

Rimfire vs. Centerfire
Rimfire cartridges were first developed in the 1800s, and rimfire ammunition remains in heavy usage in .22 caliber cartridges. As the name implies, the primer composition is spun into the rim of the cartridge case, putting it in immediate contact with the powder propellant.

By comparison, centerfire ammunition has a cylindrical cap seated in the cartridge head that contains the primer mixture. The cap consists of a cup-and-anvil combination and a pellet of primer mixture. During firing, the firing pin compresses the primer composition between the cup and anvil, causing a flame that passes through a hole or vent to ignite the propellant charge. Practically, the development of the centerfire system was the great milestone in weapon and ammunition development; with it, only the primer cup needed to be soft enough to be crushed by the firing pin, freeing the main body of the cartridge case to be harder, providing a gas seal for much higher pressures than could be obtained with rimfire ammunition.

Centerfire cartridges also developed, in part, due to the desire to reuse the most expensive part of the cartridge, the case; the centerfire configuration permits new primer assemblies to be inserted into expended casings.

Firearms Identification
Firearms identification is similar to fingerprint examination only to the extent that both processes involve the comparison of known items with unknown items from the crime scene. Otherwise these are two entirely different fields of endeavor. For that reason two different  individuals generally carry out firearms examinations and fingerprint examinations.

The term firearms identification is often used in conjunction with the term tool mark identification. In reality, much of firearms identification entails a specific area of tool mark identification. By definition a tool mark results from the contact of one surface with another, the harder of which is the “tool.” Thus, in the case of a firearm and a bullet, the firearm (for instance the interior of the barrel) is the tool that produces tool marks on the surface of the bullet as it moves through the barrel upon discharge of the firearm. Likewise, the examination of firing pin impressions, magazine marks, extractor marks, ejector marks, breech face marks, and chamber marks on fired cartridge cases all constitute tool mark examinations.

The fact that firearms identification also involves examinations other than tool marks accounts for the distinction between the two areas.
The analysis of gunpowder patterns on clothing, the determination of cartridge case ejection patterns, and the measurement of trigger pull or establishing bullet trajectory are examples.
Likewise, weapons function testing, shot pellet pattern testing, and serial number restoration are additional non–tool mark comparison aspects of firearms identification.

The Beltway Sniper Case
   In 2002 a sniper murdered a series of people who were refueling their vehicles at gas stations and convenience stores in the Washington, D.C., area, gripping area residents in fear for weeks. Members of the firearms identification unit of the Bureau of Alcohol, Tobacco and Firearms (ATF) came to the scenes of the various shootings in an effort to determine where the shots were fired from and to see if any other evidence could be found at the scenes.
   The firearms analysts were able to conclude that a 223-caliber rifle was involved and that one weapon was responsible. They reached this conclusion by examining markings left on the bullets recovered from the victims. Once the weapon was recovered, it was positively identified using these same markings.
   The “Beltway Sniper” was actually two men, John Muhammad and Lee Malvo, who fired a rifle from the trunk of their car. Malvo was implicated as a shooter through a fingerprint found on the weapon and a fingerprint found on a cartridge case near one of the scenes. Finding identifiable fingerprints on weapons and fired cartridge cases is pretty uncommon, making this a stroke of good luck for investigators. Muhammad and Malvo received the first of their convictions in 2004.

   Firearms examiners use a variety of demonstrative exhibits, including photographs, diagrams, scale models, and computerized animation.
   These exhibits assist in both explaining the examinations conducted and presenting the theory of reconstruction of the shooting. Television and movies have caused jurors to come to expect a high-tech presentation and it is up to the expert to rise to the occasion.

Grooves and Rifling
Handguns and long guns, with the exception of most shotguns, have spiral grooves cut or formed into the interior surface of the barrel. These grooves, called rifling, are designed to impart a spin to the bullet as it moves down the barrel upon discharge of the weapon. This spin stabilizes the bullet in flight to improve accuracy and increase the effective range. The areas between the barrel grooves are known as “lands.” There are an equal number of lands and grooves in a gun barrel and typically ranges from two to 16.

Pathological Range of Fire
Crime scene and police agencies need to ascertain several key points during the investigation of deaths involving firearms. These points include:
•   The type of weapon involved (rifled or smooth bore)
•   The type and caliber of ammunition used
•   The number of shots fired
•   The direction/angle of the shots

The pathologist, while also actively involved in determining the above, is further expected to supply accurate information in his report pertaining to:
1. The range of fire
2. Confirmation of the direction of fire
3. Internal organ damage
4. A comment of capability of defense or response on behalf of the victim

The forensic pathologist is more or less bound to categorize the range of fire based on a set of predetermined parameters. The presence or absence of certain features of the gunshot wound either include or exclude it from one of the three categories that follow. The most workable classifications for injuries caused by rifled weapons are:
•   Contact (hard contact, contact, and near contact)
•   Intermediate
•   Distant

Contact Range
Contact range implies that the muzzle of the gun is placed against, or very near to, the skin of the victim at the instant of discharge. If the muzzle is placed sufficiently firmly against the skin surface as to impart an indentation or bruise/abrasion (muzzle imprint), then the term hard contact is used. As the muzzle effectively seals the bore of the gun against the skin, little, if any, gas escapes externally.

Hard contact range discharge

Hard contact discharge against tethered skin
A classic stellate splitting radial complex of lacerations is demonstrated.
This is due to rapid gas expansion and tearing of soft tissues away from the skull at the instant of discharge.
Once reconstructed, the faithful representation of the muzzle imprint is seen. Note blackening of the wound edges — .38 Special.

Near contact and contact range discharge
This photograph demonstrates a near contact (left) and contact (right) entry wound to the temple. The contact wound shows circumferential blackening approximating the diameter of the muzzle — no distinct muzzle imprint is seen.
The near contact entry wound shows a perfectly circular but wider sooty area, representing a distinct but short distance from muzzle to skin .38 Special revolver.

Written by:
Mr Quazi MH Supan
Associate Professor
University of Dhaka


Forensic science is a very important part of not only the trial system but also the beginning of a case because without this method no criminal case can be solved. This is totally impossible to run a case without any forensics. It can’t be replaced by any penal code or any other codified law because it is totally scientific method where some special principles are only used. There are some process which are related to the criminal justice system because they are very much part of investigations. Let’s discuss about it, and then we can understand why forensics is so important in this sector.

Fingerprint Database
In almost every foreign country there is fingerprint database where every fingerprint of all the citizens are stored in the restricted database which access in the hand of the law enforcement agency. That’s why if any fingerprint is found in any crime scene then by analyzing those fingerprints they easily match it with their database and find out the person who is the owner of that fingerprint. It reduces more time and pressure to solve a crime. It’s a matter of regret that in our country this system is not introduced yet. With the presence of this system it would be so much easy to catch a criminal or find out the possible suspect.

DNA Database
Just like the fingerprint database there is also DNA database in almost every foreign country. That’s an advance technology. Every citizen’s DNA is stored in the record in this system that’s why if any dead body is found after a long time than by collecting the DNA of that body and matching the DNA with the database that person’s identity can be found easily. Besides, in any crime scene if any dead body is beyond recognizable than by this process his/her identity can also be found. DNA database is also useful to find out the actual criminal or possible suspect if there is any extra DNA is found in the crime scene, then that can help the investigation team to reach decision.

Reconstructing a Crime Scene
Not every crime scene is complete. There will be always something missing in the scene that can lead an investigator to a possible suspect. By the technology and knowledge of forensic science that gap can be filled easily. This is like a jigsaw puzzle game where a gamer has to find out all the pieces and add all of them to reconstruct a perfect figure. In foreign country sometime in front of the court they remake a crime scene by all the possible elements so that the judge and the court can understand what was happened in that moment. It’s all are only possible by the help of forensics.

Identify Suspects
To identify a suspect is the most important and the main job of the investigation. And to do this thing there is no alternative of forensics. In a crime scene there are many clues are left behind by the criminal that can only be recovered by the forensics technology and knowledge, just like above discussed fingerprint, DNA materials. There are also lots more advance process to identify a suspect which are discussed in the branches of forensics but these two are the main basic element that can a maximum number of case in the primary stage besides, in the trial proceeding those evidence can also be presented to find the fact.

Postmortem Report
Postmortem report is a vital element of investigation and this is a one of the most important part of forensics. After autopsy of a dead body of victim, there can be many things, clues and report recovered. Basically to know the cause of death, autopsy is very much important and sometimes by autopsy the nature and identity of killer can also be found. All of that information is included in the postmortem report which can be submitted in the court to the judge and sometime a postmortem report can change the direction of a case by including any new clue or a judge can come to a decision on the basis of this report if the criminal is identified.

Pages: 1 [2] 3