Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Suman Ahmed

Pages: 1 [2]
16
অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থার প্রযুক্তি সরবরাহ ও পরিচালনার জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বিষয়ে মঙ্গলবার এ দরপত্র আহ্বান করা হয়।এ ব্যবস্থা কার্যকরভাবে চালু হলে অবৈধভাবে দেশে আনা মুঠোফোন মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না। বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এনইআইআর চালুর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সংস্থাটি।

এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে অবৈধ মোবাইল ফোন বৈধভাবে আমদানি করা বা দেশে উৎপাদিত কিনা, তা যাচাইয়ে তথ্যভাণ্ডার চালু করা হয়েছিল। খুদেবার্তা পাঠিয়ে গ্রাহকদের বৈধ বা অবৈধ মোবাইল চিহ্নিত করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ মোবাইল আমদানিকারক সমিতির (বিএমপিআইএ) সহায়তায় বিটিআরসি এই তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে। তবে তা খুব একটা কাজে আসেনি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দেশে ২৫-৩০ শতাংশ স্মার্টফোন অবৈধভাবে আমদানি করা হয়। যার কারণে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারায় সরকার। বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) জাকির হোসেন খান বলেন, মোবাইল ফোনের নিরাপত্তার জন্য এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে প্রবাসী স্বজনদের পাঠানো সেটগুলো কি বন্ধ হয়ে যাবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বন্ধ হবে না। এসব ক্ষেত্রে আলাদা ব্যবস্থা থাকবে।

17
ইন্টারনেট কর্পোরেশন অব অ্যাসাইনড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস (আইসিএএনএন)বা আইক্যানের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কর্মকর্তাদের একটি দল সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিদর্শন করেছে। পরিদর্শনে ইনোভেডিয়াস ও আইক্যানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের আইটি খাত এখন বেশ উন্নয়নশীল বলে উল্লেখ করেন আইক্যানের কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের ওই দলে ছিলেন আইক্যান এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এমডি জিয়া রঙ, গ্লোবাল স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার দিলপ্রিত কর এবং আইক্যানের ভারতের প্রধান সামিরান গুপ্তা।

ইনোভেডিয়াস জার্নাল বরাতে জানা যায়, সফরে তারা বাংলাদেশের ডোমেইন ব্যবহারকারী এবং ডোমেইনের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া কীভাবে বাংলাদেশে এই ব্যবসার প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরি করা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের প্রথম আইক্যান অ্যাক্রেডিটেড রেজিস্ট্রার ঘোষণা পাওয়ার পর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কর্মকর্তারা শুভেচ্ছা প্রদান, বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও ইনোভেডিয়াস টিমের সঙ্গে মিটিংয়ের জন্য ঢাকায় আসেন।

আইক্যানের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশের আইটি খাত এখন বেশ উন্নয়নশীল। এছাড়া দেশটিতে আইটি সার্ভিস ব্যবসার ব্যাপক সম্ভাবনাও রয়েছে।

সফরে তারা ইনোভেডিয়াসের অফিস ও কাজ পরিদর্শন এবং ইনোভেডিয়াসের টেক টিমের সঙ্গে মিটিং করেন। মিটিংয়ে বিভিন্ন ধরনের গাইডলাইন ও ইনোভেডিয়াসকে বাংলাদেশে ডোমেইন ব্যবসার জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

ইনোভেডিয়াস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান ইমন বলেন, ইনোভেডিয়াস আইক্যানের অ্যাক্রেডিটেড রেজিস্ট্রার হওয়ার পর এটি দ্বিতীয় পরিদর্শন। এখন থেকে তারা নিয়মিত বাংলাদেশ সফর করবেন। এ ছাড়া তারা আমাদের ডোমেইন ব্যবসায় উন্নয়ন এবং বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরে ইনোভেডিয়াস প্রাইভেট লিমিটেড আন্তর্জাতিকমানের কাজ করছে। দেশি উদ্যোক্তাদের তৈরি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ইজিয়ারের সাফল্যের পর দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইক্যানের তালিকায় রয়েছে ইনোভেডিয়াস। ইনোভেডিয়াস পান্ডুঘর লিমিটেডের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।

https://www.jugantor.com/tech/89727

18
বিশ্বের অন্যতম বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একক প্রোফাইলে এক মিলিয়ন ডলার আয়ের রেকর্ড করেছেন শরীফ মোহাম্মদ শাহজাহান।বৃহস্পতিবার তার আপওয়ার্ক প্রোফাইলের আয় এই এক মিলিয়ন ডলার স্পর্শ করে। যা বিশ্বখ্যাত মার্কেটপ্লেসটির একক প্রোফাইলে বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম বলে “স্যাট নিউজ” জানান এইমিলিয়ন ডলার আয়  করা এই ফিল্যান্সার। মূলত ফটো এডিটিংয়ের কাজ করেন তিনি।

তার প্রোফাইল ব্যক্তিগত হলেও ১৫ জনের একটি দল নিয়ে কাজ করেন শরীফ। সভারের পল্লী বিদ্যুৎ বাজারে তার কর্মস্থল।বৃহস্পতিবার রাতে শরীফ মোহাম্মদ শাহজাহান স্যাট নিউজকে জানান, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা হতে ১২টার মধ্যে এক মিলিয়ন ডলার আয় পূর্ণ হয়।

‘আমার প্রোফাইল ছিল ইল্যান্সে। ২০১০ এর মার্চ মাসে শুরু। ক্লাইন্টদের বেশিরভাগ ইল্যান্সেরই। ইল্যান্স-ওডেস্ক একসঙ্গে হয়ে যাওয়ার পর আপওয়ার্কেও অনেক ক্লাইন্ট যুক্ত হয়েছে। আসলে বিষয়টা একই, আপওয়ার্ক না হলেও আমার আয় এমন ল্যান্ডমার্কেই আসতো’ বলছিলেন তিনি।এছাড়া ফ্রিল্যান্সার ডটকমেও কাজ করেন শরীফ।

সেখানে পৌনে দুই লাখ ডলারের মতো আয় তার। আরেকটা পিপল পার আওয়ারে, সেখানে আয় ৩৫ হাজার ডলার।অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কীভাবে এমন আয়, সমস্যা-চ্যালেঞ্জ ইত্যাদি নিয়ে টেকশহরের লাইভে বসবেন তিনি। লাইভ দেখতে চোখ রাখুন ২৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় স্যাটের ফেসবুক পেইজে ।

https://sattacademy.com/

19
বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কাজের একটি বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এ খাতের উদ্যোক্তারা ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে কাজ করতে শুরু করেছেন। এ খাত থেকেও অর্থ আয়ের নতুন নতুন উপায় নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা।

এন্টারপ্রেনার ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান দুনিয়ায় ফ্রিল্যান্সিংকেও পুরোপুরি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন অনেকেই। এখানে প্রকল্প ভিত্তিতে একের পর এক কাজের সুযোগ থাকে। যেকোনো জায়গায় বসে বিশ্বের যেকোনো কাজ করা যায়। এ ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারের কাজের ওপর ছড়ি ঘোরানোর কেউ থাকে না বলে প্রতি বছর এখাতে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এডেলম্যান ইনটেলিজেন্স নামের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ৫ কোটি ৭৩ লাখ মানুষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন। এ হিসাব ধরলে দেশটির ৩৬ শতাংশ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত। এই প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছ, তাদের হিসাব অনুযায়ী ২০২৭ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ কর্মী ফ্রিল্যান্সিং কাজের সঙ্গে যুক্ত হবেন। বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে অনেকেই কাজ করছেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার আগ্রহ বাড়তে থাকায় অনেক উদ্যোক্তা এই কমিউনিটি নিজে কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যাঁরা ফ্রিল্যান্সারদের বাজার লক্ষ্য করে সেবা বাড়াতে চান তারা এখাত থেকেও অর্থ আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিংয়ের বাজার থেকে অর্থ আয়ের ৫টি উপায়:

ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খোঁজার সুবিধা:

অনেক সময় ফ্রিল্যান্সাররা কাজ খুঁজে পান না। তাঁদের কাজ পেতে চেষ্টা করতে করতে হতাশ হতে পারেন। তাদের লক্ষ্য করে যদি সেবা আনা যায় তবে সেখান থেকে অর্থ আয় হতে পারে। যেমন তারকাদের অনেক সময় এজেন্টের প্রয়োজন পড়ে তেমনি ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খুঁজে দেওয়ার জন্যও সেবার প্রয়োজন পড়ে। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সারদের হাতে এত কাজ থাকে যে তারা আর সেবা বাড়াতে পারেন না। তখন তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে সেবা বাড়ানোর প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এখাতে যারা নতুন তাদের জন্য কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন। উদ্যোক্তারা চাইলে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের কাজ দিয়ে নিজে তা থেকে অর্থ আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে কাজদাতার যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া বা নিজস্ব ব্যবসা এভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সার ব্যবস্থাপনা:

ফ্রিল্যান্সারদের এজেন্ট হওয়ার বিষয়টি ব্যবস্থাপনার কাজের একটি অংশ হতে। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের খোঁজ দিয়ে বা বিভিন্ন কাজের সঙ্গে তাদের যুক্ত করার পর সেগুলো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। যাঁদের স্থায়ী ক্লায়েন্ট বা ক্রেতা তৈরি হয় তাঁদের বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবসা বাড়াতে হয়। এ ক্ষেত্রে নিজে কাজের পাশাপাশি ব্যবস্থাপক হিসেবেও বড় হওয়ার সুযোগ থাকে। কারও হাতে যদি কোনো শিল্পী ফ্রিল্যান্সার থাকে তবে তাদের কাজগুলো বিক্রি করে দেওয়া, তাদের অর্থ দেখাশোনা করা, তাদের জন্য নেটওয়ার্ক তৈরি করে দেওয়ার মতো ব্যবস্থাপনার কাজ করেও আপনি অর্থ আয় করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে ক্লায়েন্টের আস্থা অর্জন করাটা জরুরি।

ফ্রিল্যান্সারদের জীবনবৃত্তান্ত ও কভার লেটারে সাহায্য করা: অনেক সময় কাজের জন্য তৈরি কভার লেটার ও সঠিক জীবনবৃত্তান্তের কারণে কাজ পান না নতুন কোনো ফ্রিল্যান্সার। যাঁদের লেখার দক্ষতা ভালো এবং দুর্দান্ত সিভি লিখতে পারেন তখন ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটিতে আপনি উদ্যোক্তা হিসেবে ভালো করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সারদের ভালো জীবনবৃত্তান্তের ওপর অনেক কাজ নির্ভর করে। এ কাজে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে ফ্রিল্যান্সারদের কাছে আপনি ফ্রিল্যান্সার উদ্যোক্তা হিসেবে অর্থ আয় করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা উন্নয়ন:

অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন যাঁরা এখাতে নতুন এবং খুব বেশি দক্ষতা নিয়ে মাঠে নামেননি। তাঁদের জন্য প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকা শক্ত। তাই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। আপনি এ সুযোগ নিতে পারেন। নিজের দক্ষতা থাকলে আপনি তা অন্যদের শেখাতে পারেন। গ্রাফিকস ডিজাইন, সফটওয়্যার প্রকৌশল, লেখালেখির মতো নানা বিষয়ে আপনি প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজ করছেন তাঁরা দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।

পেশাগত পরামর্শ:

ফ্রিল্যান্সিং খাতে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। যাঁরা এখাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তাদের পরামর্শ নতুনদের জন্য কাজে লাগবে। আপনি চাইলে আপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে পারেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক গ্রুপ বা ব্লগ তৈরি করে আপনি পেশাগত পরামর্শ বিনিময় করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে অনেকেই সফল হয়েছেন। যেহেতু এ খাতটি বড় হচ্ছে আপনিও এখাতে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন।

20
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ বলেছেন, গত ১০ বছরে আইসিটি খাতে বাংলাদেশে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ১০ বছর আগে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫০ লাখ। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় সাড়ে ৯ কোটিতে পৌঁছেছে।

আজ বুধবার এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে ‘পঞ্চম ই-গভর্নেন্স সম্মেলন ২০১৯’-এর দ্বিতীয় দিনে মিনিস্ট্রিয়াল প্যানেল আলোচনায় আলোচক হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। এই সেশনে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন বলে আজ ঢাকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী প্যানেল আলোচনায় বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুতগতির ইন্টারনেটের যুগে নিজ সোসাইটির ট্রান্সফরমেশন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ২০০৮ সালে রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছেন। এই রূপকল্প বাস্তবায়নে চারটি স্তম্ভ বা পিলার নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে মানবসম্পদ উন্নয়ন, ইন্টারনেটের সংযোগ দেওয়া, ই-গভর্ন্যান্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প খাত গড়ে তোলা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১০ বছর আগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৫০ লাখ। ইন্টারনেটের দাম বেশি হওয়ার কারণে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারত না। বর্তমান সরকার এর দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে এনেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে সাড়ে ৯ কোটিতে পৌঁছেছে।

ইন্টারনেট কানেকটিভিটি ছাড়া ডিজিটাল ইকোনমি সম্ভব নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার শহর থেকে গ্রামে ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে ৫০০০–এর অধিক ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপন করেছে। প্রতি মাসে ৬ মিলিয়ন মানুষ এই ডিজিটাল সেন্টার থেকে ২০০–এর অধিক বিভিন্ন সেবা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ১০ বছর আগে আইসিটি খাতে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬ মিলিয়ন ডলার। বর্তমান সরকারের ব্যবসাবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণের ফলে বর্তমানে রপ্তানির পরিমাণ ১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। সরকার উদ্যোক্তাদের জন্য ফাইন্যান্সিয়াল সাপোর্ট প্রদান, মেন্টরিং, কোচিং ও রিসার্চ ডেভেলপমেন্টের জন্য ২৮টি হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠা করেছে। এসব হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সব ধরনের সহায়তা পাবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও জানান, সরকার আগামী ৫ বছরে আইসিটি খাতের রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীতকরণ, ৯০ ভাগ সেবা অনলাইনে প্রদান, দেশের শতকরা শতভাগ জনগণকে কানেকটিভিটির আওতায় আনা এবং আরও ১ মিলিয়ন জনবলের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে।

https://www.prothomalo.com/economy/article/1595383/

21
বর্তমান সময়ে কম্পিউটার-নির্ভর গ্রাফিক ডিজাইনের কাজটি অনেকেই করে থাকেন নানাভাবে। সাধারণত মুদ্রিত ও ওয়েব মাধ্যমে প্রকাশনাসহ নানা ধরনের কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন। গ্রাফিক ডিজাইন শুধু দেশের কাজেই সীমাবদ্ধ নয়, ইন্টারনেটের প্রসারতার এই যুগে এ কাজটি এখন দেশের বাইরেও করা যায়। অর্থাৎ দেশে বসেই দেশের বাইরের গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করে নিজের পেশা গড়ে তোলা যায়। শুরুর দিকে এ খাতে কাজের ক্ষেত্র কম হলেও ধীরে ধীরে তা বাড়ছে। এখন এ ধরনের কাজ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও করছে, যেখানে চাকরিও পাওয়া যায়।

গ্রাফিক ডিজাইন সার্ভিসেস
গ্রাফিক ডিজাইন সার্ভিসেস (জিডিএস) কাজটির বর্তমানে রয়েছে বেশ চাহিদা। মূলত গ্রাফিকসের নানা ধরনের কাজ জিডিএসের অন্তর্ভুক্ত। সাধারণভাবে জিডিএসের বিভিন্ন ধাপের কাজের মধ্যে সহজ কাজগুলো হচ্ছে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে ছবি সম্পাদনা, ছবি ঠিকঠাক করাসহ এমন কিছু, যা করার জন্য ওই সফটওয়্যারের ওপর দক্ষতাই যথেষ্ট। গণমাধ্যমের মধ্যে মুদ্রণ, ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেই ব্যবহূত হচ্ছে এ ধরনের কাজ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমসহ কিংবা অন্যান্য ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠান এ কাজগুলো অন্য দেশ থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে করিয়ে থাকে। যেসব দেশ এ কাজগুলো করে থাকে, তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।

সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র ‘জিডিএস কাজের বর্তমানে রয়েছে যথেষ্ট সম্ভাবনা। গ্রাফিক ডিজাইনের কাজগুলো অনেক দিন ধরেই চলে আসছে। শুরুতে আমাদের দেশের বাজারে এ কাজটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এখন তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের (আইটিইএস) আওতাভুক্ত হওয়ায় জিডিএসের ক্ষেত্রটা বেড়েছে আগের চেয়ে অনেক বেশি।

‘জিডিএসের নানা ধরনের কাজের মধ্যে রয়েছে ছবি সম্পাদনা (ক্লিপিং পাথ), ছবির দাগ দূর করা এবং ছবির বিভিন্ন ধরনের সম্পাদনা ও সংযুক্তি (ইমেজ এনহেসমেন্ট) ইত্যাদি। তুলনামূলকভাবে এ কাজগুলো সহজ হওয়ায় এর জন্য তেমন কোনো আলাদা সৃজনশীলতার প্রয়োজন নেই। আবার উচ্চশিক্ষারও দরকার হয় না।’ বললেন জানালা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামজিদ সিদ্দিক। তিনি জানান, এ কাজের জন্য অ্যাডবি ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর আর ইনডিজাইন সফটওয়্যারের কাজ জানাই যথেষ্ট। ‘কাজের ক্ষেত্রটা দেশে ও দেশের বাইরে দুই জায়গাতেই আছে এবং সাধারণত দেশের বাইরের কাজগুলো করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কাজ করার প্রয়োজন হয়।

যা যা লাগবে
তামজিদ সিদ্দিক বলেন, ‘জিডিএসে কাজ করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব বেশি যে লাগবে, তা নয়। সাধারণভাবে মাধ্যমিক পর্যায় শেষ করেও এ কাজে যুক্ত হওয়া যায়।তবে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হওয়ার পর এ কাজটি করা সহজ হয়। কারণ কাজের ক্ষেত্রে নানা সময়ে কিছু ইংরেজিতে দক্ষতা থাকলে ভালো হয়।’ প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারগুলোর কাজ জানা থাকলে প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া সহজ হয়।এরপর পুনরায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।

‘জিডিএসের নানা ধাপে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ, যার মধ্যে সহজ একটি কাজ হচ্ছে ছবি সম্পাদনা। এ কাজের জন্য তাই যে সফটওয়্যারগুলো প্রয়োজন, সেগুলোর কাজ জানা এবং কোন ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে, সেই নির্দেশনা অনুসরণ জানতে হয়।’ জানালেন ইমতিয়াজ এলাহী। ‘ইন্টারনেটের ওপর দখল থাকলে এ কাজ করতে অনেক সুবিধা হয়। এ সফটওয়্যারগুলোর কাজ শিখতে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান না থাকলেও নানা মাধ্যমে এ কাজগুলো শেখানো হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটে বর্তমানে রয়েছে মাল্টিমিডিয়ার ওপর প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রির ব্যবস্থা। এসব প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক ডিজাইন শেখার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে নিজে নিজে গ্রাফিকসে গড়ে তোলা সম্ভব আপন দুনিয়া। তবে সব কিছুর পরও সহজ একটি পরামর্শ হচ্ছে, সফটওয়্যারের প্রাথমিক কাজগুলো দেখে কাজটি নিজে নিজে শিখতে পারলে ভালো হয়।

এগিয়ে যাওয়ার পথে :
নানা ধরনের কাজের মধ্যে পেশা গড়ার জন্য অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে জিডিএস। দেশে কিংবা দেশের বাইরে কাজ করার ক্ষেত্র থাকায় এতে সহজে ভালো করা যাবে এবং নিজেকে গড়ে তোলা যাবে নিজের মতো করে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এ কাজটি সহজে করা সম্ভব বলে যে কেউ নিজের আগ্রহের মাধ্যমে এ কাজে যুক্ত হতে পারেন। যথেষ্ট সম্ভাবনাময় এ খাতে কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে ধীরে ধীরে। এখন প্রয়োজন নিজেকে কাজের সঙ্গে তৈরি করে নেওয়া। তাহলে সহজেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
নানা ধরনের কাজের মধ্যে পেশা গড়ার জন্য অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে জিডিএস। দেশে কিংবা দেশের বাইরে কাজ করার ক্ষেত্র থাকায় এতে সহজে ভালো করা যাবে এবং নিজেকে গড়ে তোলা যাবে নিজের মতো করে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এ কাজটি সহজে করা সম্ভব বলে যে কেউ নিজের আগ্রহের মাধ্যমে এ কাজে যুক্ত হতে পারেন। যথেষ্ট সম্ভাবনাময় এ খাতে কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে ধীরে ধীরে। এখন প্রয়োজন নিজেকে কাজের সঙ্গে তৈরি করে নেওয়া। তাহলে সহজেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

22
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য অবশ্যই কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে। দক্ষতা অর্জনের জন্য ইন্টারনেট সার্ফিং সব থেকে ভাল। ইন্টারনেটে অসংখ্য সোর্স থেকে আপনার পছন্দের বিষয়টিতে এক্সপার্ট হতে পারেন। আপনি যদি কম্পিউটারের একাধিক বিষয়ের কাজের ক্ষমতা রাখেন, তবে স্বাভাবিকভাবেই আপনি একটি বড় স্কেলে কাজ করতে সক্ষম হবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার প্রথম কথাই হল দক্ষতা। আপনি যত বেশি দক্ষতা দেখাতে পারবেন আপনার আয় তত বেশি হবে।দক্ষতা, আবারও বলছি দক্ষতাই হল সফলতার মূল কথা। আপনি দক্ষ হলে বিষয় কোন কিছুই না। আর, দক্ষতার সাথে একটি জিনিস রয়েছে তাহলো ভাললাগা এবং আগ্রহ। যে বিষয়ে কাজ করতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেটা নিয়েই আপনার কাজ করা উচিত। নিজেকে সময় দিন। দক্ষতা অর্জন করুন। বাকি কাজ করবে আপনার দক্ষতা।

ফ্রিল্যান্সিং একটা ওপেন ওয়ার্ল্ড পেশা। আপনার দক্ষতার ওপর কাজ পাবেন। তবে হুট করেই আপনি যে একদম ওপরে উঠে যাবেন এই আশা করাটা বোকামি। কেননা আপনাকে আগে পোর্টফোলিও বানাতে হবে ; ক্লায়েন্টকে দেখাতে হবে ; তারপর তারা পছন্দ করলে আপনি কাজ পাবেন। এভাবে আস্তে আস্তে আপনাকে তারা রেটিং দেবেন। তারপর আপনার কাজ খুব ভালো হলে একটা পর্যায়ে যেতে পারবেন। তবে এজন্য ধৈর্য্য দরকার। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অবশ্যই ভালো ক্যারিয়ার হতে পারে এটা ; যদি আপনার স্কিল থাকে। তবে এটাও সত্যি যে এটা আমাদের দেশে স্বীকৃত কোনো পেশা হয়ে উঠতে পারেনি। আশা করি স্বীকৃত বলতে কী বুঝিয়েছি সেটা বুঝতে পেরেছেন।

ফ্রিল্যান্সিং কে দেশভেদে বিবেচনা করা সঠিক হবে না।কেননা, এই সেক্টরটাই একটু অন্যরকম। যার যেমন দক্ষতা সে সেরকম সাফল্য পাবে।যেহুতু আপনি বলছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারকে পেশা হিসেবে নিলে কেমন হবে। আমি বলবো অবশ্যই ঠিক হবে।তবে তার আগে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।আর সেই দক্ষতা অনুযায়ী আপনি যতোদুরে এগিয়ে যেতে পারবেন।ঠিক ততোটাই আপনার ক্যারিয়ারে সাফল্য আসবে।
তবে শুরুর দিকে টাকা ইনকাম করার জন্য মরিয়া হয়ে না উঠে।যেকোনো বিষয় সম্পর্কে পুরোপুরি দক্ষতা অর্জন করুন।

23
গ্রাফিক ডিজাইন কি?
সহজ কথায় বলতে গেলে গ্রাফিক ডিজাইন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।

গ্রাফিক ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্রঃ
যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। আগেই বলা হয়েছে গ্রাফিক ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোটামুটি গ্রাফিক ডিজাইনের সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হল

১। লোগো ডিজাইন ২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন ৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন ৫। বুক কভার ডিজাইন ৬। টি-শার্ট ডিজাইন ৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন ৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন ৯। আইকন ডিজাইন ১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং ১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন ১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়।

কোথায় জব/কাজ পাবেনঃ
– ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস
– বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
– পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
– অনলাইন মার্কেটপ্লেস
– প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
– ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান

ডিজাইন বিক্রিঃ আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ www.graphicriver.net,
www.codecanyon.net,
www.freelancer.com

অন্যান্যঃ উপরে উল্লেখিত সাইট গুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ http://www.fiverr.com

যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ
-> অবশ্যাই ভালভাবে কাজ শেখা।
-> নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
-> নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
-> প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
-> কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/পোর্টফলিও তৈরি করে রাখা
-> নিজের মার্কেটিং করা
কিভাবে গ্রাফিক ডিজাইন শিখবেনঃ
গ্রাফিক ডিজাইন আপনি তিনটি মাধ্যমে শিখতে পারেন। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভাল কোন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে অথবা ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিতে পারেন।

১) ভাল কোন ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে:
এটি গ্রাফিক ডিজাইন শেখার সবচেয়ে ভাল পদ্বতি । সবচেয়ে ভাল হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন কেউ পারে তার কাছ থেকে সরাসরি শেখা, এক্ষেত্রে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস (upwork.com freelancer.com peopleperhour.com) অথবা প্রোডাক্ট মার্কেটপ্লেসে (graphicriver.net) কাজ করে এমন একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছ থেকে শিখতে পারেন। এভাবে দ্রুত শিখা সম্ভব। যার কাছ থেকে শিখবেন অবশ্যই তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিবেন, মার্কেটপ্লেসে তার প্রোফাইল দেখে নিতে পারেন। তবে এক্ষত্রে একটি ছোটখাট সমস্যা হচ্ছে নতুনরা অনেকেই জানে না কিভাবে একজন ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার খুজে পাওয়া যাবে। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সার গ্রাফিক ডিজাইনার বাসায় বসে কাজ করে ফলে তাকে খুঁজে বের করাও একটু কঠিন। তবে নিজের কাজ রেখে আপনাকে সময় দিয়ে শেখানোর মত ফ্রিল্যান্সার পাওয়া সত্যি অনেক কষ্টকর।

২) ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে:
ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকেও গ্রাফিক ডিজাইন শেখা যেতে পারে তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশে ৯০% প্রতিষ্ঠানই ভাল প্রশিক্ষন দেয় না সুতরাং আপনার এখানে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে দেশে কয়েকটি ভালো প্রশিক্ষন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ভালো প্রতষ্ঠিান বাছাই করতে নিচের কয়েকটি স্টেপ আপনি অনুসরন করতে পারেন –
ক. প্রতষ্ঠিানটির ওয়েবসাইট, ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস পেজে তাদের তথ্য দেখুন। একটি ভালো প্রতিষ্ঠানের অবশ্যই ইনফরমেটিভ ওয়েবসাইট থাকে।
খ. প্রতষ্ঠিানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালকদের খোজ নিন, দেখুন তারা যতাযথ আইটি সম্পর্কে এক্সপার্ট কিনা।
গ. আপনি যে বিষয় শিখবেন সে বিষয়ের প্রশিক্ষকদের সম্পর্কে খোজ নিন। তাদের মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল/ সাকসেস জানার চেষ্ঠা করূন।
ঘ. প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক জানার চেষ্ঠা করূন।

৩) ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে দেখে:
যেমন আপনি ফটোশপ শিখবেন, তাহলে গুগলে সার্চ দিন “Photoshop tutorial” “Photoshop video tutorial” দেখবেন অনেক টিউটরিয়ার আছে। সেগুলো দেখে শিখতে পারেন তবে এক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে আপনি সিলিয়াল অনুযায়ী টিউটরিয়াল পাবেন না বা কোন একটি বিষয় না বুজলে আপনাকে কেউ এটি সমাধান করে দিবে না যা একেবারে নতুনদের জন্য একটি বড় সমস্যা। তাই আপনার উচিৎ এমন কোন ভিডিও টিউটোরিয়াল অনুসরন করা যেখানে সবকিছু সিরিয়াল অনুযায়ী দেয়া থাকবে। ভিডিও টিউটরিয়াল দেখে শিখতে হলে আপনাকে একটু স্মার্ট হতে হবে। বিভিন্ন সমস্যা গুগল সার্চ করে সমাধান বের করার দক্ষতা থাকতে হবে। দ্রুত কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। একটু মনযোগ এবং প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে শুধু ভিডিও টিউটরিয়াল দেখেই ফ্রিল্যান্সার/গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে উঠা সম্ভব।

যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন।

https://www.graphicschoolbd.com/

24
ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন:

আঁকাআঁকিতে ঝোঁক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান? সময় পেলেই কমপিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য, কারও নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করেন। পার্টটাইম বা ফুলটাইম কাজ খুঁজছেন? অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবেচিন্তে নেমে পড়ুন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য চাকরির চেয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলাহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটি একটি সম্মানজনক পেশা। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এর আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না। ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া, প্রমোশনাল ডিসপ্লে, জার্নাল, করপোরেট রিপোর্ট, মার্কেটিং ব্রোশিউর, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, লোগো ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজের চাহিদা রয়েছে। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যাই বলি না কেনো, প্রতিনিয়ত গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে।

ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজের মতে, একজন ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইন বা এ সম্পর্কিত চাকরি বা কাজ করে এক লাখ ডলার আয় করতে পারেন। সেই হিসেবে বাংলাদেশী প্রায় ৮০ লাখ টাকা আয় করতে পারেন। বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপেস্নামাধারীর বেতন মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকা হতে পারে। এছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসে একটি লোগো ডিজাইন করলে পাঁচ ডলার থেকে শুরু করে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে দক্ষতার ক্ষেত্রে ও বেশি ক্রিয়েটিভ কাজ হলে তা পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া একটি ওয়েবসাইটটের ফাস্ট পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। ৯৯ডিজাইনস ডটকম, ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্কসহ অনেক অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে এ কাজগুলো পাওয়া যায়। তাই ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে একজন ফ্রিল্যান্সারের সবচেয়ে উপযোগী পেশা।

https://www.webacademy-edu.com/

25
Person / Prophet Hazrat Muhammad (SM)
« on: April 05, 2017, 04:51:12 PM »
রাসূলের_জিবনের_গল্প*
""""""""""""""""""""""""""""""""
এক গরীব লোক এক থোকা আঙ্গুর
নিয়ে হযরত মুহাম্মদ (সঃ)
এর কাছে উপহার দিলো।
পাশেই বিভিন্ন সাহাবীরা
উপস্থিত ছিলেন।
রাসুল (সঃ) আঙ্গুরের থোকা থেকে
একটা আঙ্গুর ছিড়ে মুখে দিলেন,
তারপর এক এক করে সবগুলো
আঙ্গুর খেয়ে ফেললেন কিন্তু পাশে
বসে থাকা সাহাবীদের কাউকেই
আঙ্গুর খেতে দিলেন না।
চোখের সামনে প্রিয় নবীর এভাবে
আঙ্গুর খাওয়া দেখে গরীব লোকটি
অনেক খুশী হলো, তারপর রাসুলের
কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো।
.
লোকটি চলে যাবার পর এক সাহাবী
রাসুল (সঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন,
ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ)
আপনি কিভাবে একাই
সব আঙ্গুর খেয়ে ফেললেন,
আমাদের কাউকে একটু ভাগ দিলেন না!
সাহাবীর প্রশ্ন শুনে রাসুল (সঃ)
মুচকি হেসে উত্তর দিলেন,
.
"আমি একাই সব আঙ্গুর খেয়ে
ফেলেছি কারন আঙ্গুরগুলো টক ছিলো।
যদি আমি তোমাদের কে আঙ্গুর
খেতে সাধতাম,
তোমাদের মুখভঙ্গি দেখেই
হয়তো লোকটি বুঝে ফেলতো
এবং কষ্ট পেতো।
তাই আমি চিন্তা করে দেখলাম,
যদি আঙ্গুরগুলো আমি একাই আনন্দের
সাথে খেয়ে ফেলি লোকটি খুশি হবে
এবং এটাই সবদিক দিয়ে ভাল"।
.
রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর পুরো
জীবনটাই এমন অসংখ্য
উদাহরণ দিয়ে পরিপূর্ণ।
আমরা জন্মসূত্রে যারা মুসলিম,
সেগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে
পারলে পৃথিবীর অনেক
কিছুই পাল্টে যেতো।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে
রাসুল (সঃ) এর রেখে যাওয়া
শিক্ষাগুলোকে আমাদের
জীবনে কাজে লাগানোর
তৌফিক দিন

Pages: 1 [2]