Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Mohammed Abu Faysal

Pages: 1 ... 12 13 [14] 15 16
196
ICT / Glass made device store your information
« on: September 27, 2012, 03:30:05 PM »
   জাপানের বিখ্যাত প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘হিটাচি’ চমকে দেওয়ার মতো এক তথ্য দিয়েছে। সম্প্রতি তারা এমন একটি ক্ষুদ্র স্ফটিক কাচের টুকরা তৈরি করেছে, যা কয়েক কোটি বছরের ডিজিটাল তথ্য মজুত করে রাখতে সক্ষম। তারা দাবি করেছে, এটি একটি অমোচনীয় প্রযুক্তি। যেকোনো বৈরী আচরণেও তথ্য থাকবে অবিকৃত এবং কার্যকর। সহজ কথায়, এটি মানুষকে তথ্য সংরক্ষণের আজীবন নিশ্চয়তা দেবে। হিটাচির এই স্ফটিক কাচের ক্ষুদ্র সিলভারটি মাত্র দুই সেন্টিমিটার বর্গাকার এবং দুই মিলিমিটার পুরু। এটি স্তর তৈরির মাধ্যমে বাইনারি ডেটা সংরক্ষণ করবে।
মজার ব্যাপার হলো, স্বচ্ছ কাচের মতো এ সিলভারটিতে কোনো ধরনের স্ক্র্যাচ বা দাগ পড়বে না। শুধু তা-ই নয়, কাচটি এমন একটি পদার্থ দিয়ে তৈরি, যা রুক্ষ অবস্থায় যেমন পানি (সুনামি), তাপ (আগুন ও তাপের উচ্চ তাপমাত্রায় দুই ঘণ্টায় এক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস), রেডিও তরঙ্গ এবং অধিকাংশ রাসায়নিক পদার্থ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। সিডি ও হার্ডডিস্কে বিভিন্ন তথ্য হারিয়ে গেলেও এতে তা হারানোর কোনো প্রকার আশঙ্কা নেই।
হিটাচির এক গবেষক কাজুইয়োশি তোরি বলেন, ‘প্রতিদিন তথ্যের আয়তন যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অতীতের সব তথ্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংরক্ষণের অভাবে অনেক তথ্যই আজ হারিয়ে গেছে। তাই আজীবন সংরক্ষণযোগ্য বা অমোচনীয় কোনো তথ্য নিঃসন্দেহে মানব ইতিহাসকে আরও গতিশীল করবে।’ কবে নাগাদ অমোচনীয় বা দীর্ঘস্থায়ী কাচের চিপসটি বাজারে আসবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময় ঘোষণা করা হয়নি। তবে হিটাচি আশা করছে, ২০১৫ সালের মধ্যে অবশ্যই এটি বাজারে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।

197
IT Forum / IT Related website,
« on: September 25, 2012, 03:16:52 PM »
Web development in Bangla.

http://feeds.feedburner.com/tutorialbd


198
Various Useful Links / Teach web development in Bangla.
« on: September 25, 2012, 02:44:52 PM »
If you want to make a website by HTML, Please follow the link.



http://tutorialbd.com/html/2.php

199
Latest Technology / আইফোন ফাইভ জেলব্রেক
« on: September 25, 2012, 10:12:17 AM »
                                                                              আইফোন ফাইভবাজারে আসার আট ঘণ্টার মধ্যেই জেলব্রেক

বাজারে আসার আট ঘণ্টার মধ্যেই আইফোন ফাইভ হ্যান্ডসেটের জেলব্রেক করার দাবি করেছেন গ্র্যান্ট পল নামের যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তি। বিভিন্ন পণ্যে শুধু অনুমোদিত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে থাকে অ্যাপল। আর এ নির্ধারিত সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারের পরিবর্তে অন্য সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবহার করতেই জেলব্রেক করা হয়। আর এ জন্য পল ব্যবহার করেছেন অ্যাপলের আইওএস অপারেটিং সিস্টেম উপযোগী নিজের তৈরি সফটওয়্যার। প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদের সাইট দ্য নেঙ্ট ওয়েব এ তথ্য জানিয়েছে।
ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গ্র্যান্ট পল জেলব্রেক করার পাশাপাশি কিভাবে কাজটি করতে হবে এর বিস্তারিত তথ্য অনলাইনেও প্রকাশ করেছেন। ফলে নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে আইফোন ফাইভে।
জেলব্রেক করার পর অ্যাপলের অনুমোদনবিহীন সফটওয়্যার 'সাইডিয়া' নিজের হ্যান্ডসেটে ডাউনলোডও করেছেন পল। আর বিষয়টিকে সবার বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে ইতিমধ্যে টুইটারে তাঁর নিজের আইফোন ফাইভের স্ক্রিনশটের ছবিও পোস্ট করেছেন।
আর এ ছবিই প্রমাণ করে পল আইফোন ফাইভ হ্যান্ডসেটের জেলব্রেক করতে পেরেছেন। বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছে প্রযুক্তিবিশ্ব।



200
                                                                        অতিমাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধ হেরোইনের চেয়েও ক্ষতিকর!

ব্যথানাশক ওষুধ অতিমাত্রায় সেবনে মানুষের শরীরের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়, তা হেরোইন ও কোকেনের মতো নেশাদ্রব্যের প্রভাবের চেয়েও মারাত্মক। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ব্রানডিস বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলার স্কুল ফর সোশ্যাল পলিসি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের আওতাধীন ওষুধের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির (পিডিএমপি) বিশেষজ্ঞরা রোগীদের ওষুধ সেবনের ওপর গবেষণা চালান। এতে দেখা যায়, সব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র মানা হচ্ছে না।
পিডিএমপির পরিচালক জন এল ইয়াডি বলেন, ব্যথানাশক ওষুধের অপব্যবহার বন্ধ করতে এর বিরুদ্ধে প্রচারণার মাধ্যমে সাফল্য পাওয়া যেতে পারে। তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে সারা দেশের কোন কোন অঞ্চলে ব্যথানাশকের অপব্যবহার হচ্ছে, তা চিকিৎসকদের নিয়মিত জানানো হচ্ছে। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে ব্যথানাশক ওষুধ সেবনকারীদের কোনো বাধা থাকবে না। আইএএনএস।

201
One Student One Laptop / Re: We are first Digital university in Bangladesh
« on: September 22, 2012, 03:43:44 PM »
Dear Mr. Ferdous,
 How to get benefit if any essential mail send to student email id, It is very shameful for us that most of our students are not log in their university mail, So after few days pass word became invalid, when they registration for the semester they need email, then they run to here and their for email password, But they can easily  avoid this kind of problem, if they log in their email at least one times per week.   

202
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী বাড়লেও কমছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী বাড়লেও কমছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৯ সালের  ইউজিসি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী ছিল ৩৯০ জন। ২০১০ সালে ৩১ জন কমেছে। সর্বাধিক বিদেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামে ১১৬৭ জন বিদেশী শিক্ষার্থী এমবিবিএস  প্রোগ্রামে পড়াশোনা করছে। এর মধ্যে ৬০১ জন নারী শিক্ষার্থী। যা গত বছরের তুলনায় ২৪৩ জন বেশি
সোলায়মান তুষার: প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী বাড়ছে। বর্তমানে ১ হাজার ৫৫৭ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। অন্যদিকে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী কমছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র ৩৫৯ জন বিদেশী শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। দেশের ১৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছেন।  বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রকাশিত ৩৭তম বার্ষিক প্রতিবেদনে  এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে ৬৩টি  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে ২৭টিতে বিদেশী শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০০৯ সালে ছিল ১১৯৯ জন, ২০০৮ সালে ৮১২ জন,  ২০০৭ সালে ৫৯৬ জন ও ২০০৬ সালে ছিল ৪৯৮ জন। বিগত পাঁচ বছরের তুলনায় আলোচ্য বছরে বিদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বাধিক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বৃদ্ধির হার ছিল ৩০ ভাগ। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী বাড়লেও কমছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৯ সালের  ইউজিসি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী ছিল ৩৯০ জন। ২০১০ সালে ৩১ জন কমেছে। সর্বাধিক বিদেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রামে ১১৬৭ জন বিদেশী শিক্ষার্থী এমবিবিএস  প্রোগ্রামে পড়াশোনা করছে। এর মধ্যে ৬০১ জন নারী শিক্ষার্থী। যা গত বছরের তুলনায় ২৪৩ জন বেশি। এ তালিকায় দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে ১৩০ জন, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৫৬ জন, গণবিশ্ববিদ্যালয়ে ৩২ জন ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড  টেকনোলজিতে ৩১ জন। উপরে উল্লিখিত পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অধ্যয়নরত বিদেশী ছাত্র সংখ্যা হলো: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ২১ জন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৮ জন, অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ১৬ জন,  ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি ১৪ জন,  স্টেট ইউনিভার্সিটি ১২ জন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় ৬ জন, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ৩ জন, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ১ জন, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ৫ জন, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৫ জন, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ৩ জন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ৪  জন, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভে ১ জন, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ২ জন, শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ  টেকনোলজিতে ২ জন, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে দু’জন, উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে ৩ জন, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ৪  জন ও ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন  টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সে ৫ জন।  উচ্চশিক্ষার জন্য এদেশে আসা শিক্ষার্থীরা প্রধানত ৩০টি দেশ থেকে এসেছে। দেশগুলো হলো: কানাডা, চীন, জর্ডান, অস্ট্রেলিয়া, মালি, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, ফিলিস্তিন, আরব আমিরাত, আমেরিকা, কোরিয়া, ইরান,  সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, উগান্ডা, জাম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, নাইজেরিয়া,  কেনিয়া, লাইবেরিয়া, বৃটেন, ভিয়েতনাম, জাপান ও মালয়েশিয়া। ইউজিসি’র বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি শাখার একজন কর্মকর্তা বলেন, বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তির মধ্য দিয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের বিষয়টি প্রকাশ পায়। আমরা বরাবরই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়টিকে উৎসাহিত করে থাকি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যত  বেশি বিদেশী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে তত বেশি তারা প্রতিযোগিতায় আসতে সক্ষম হবে। সুযোগ-সুবিধা বাড়ালে বাংলাদেশী  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আরও  বেশি পরিমাণে বিদেশী শিক্ষার্থীকে এদেশে আনতে সক্ষম হবে বলেও মত দেন তিনি। ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক একে আজাদ চৌধুরী বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী শিক্ষার্থী বাড়ছে মূলত দু’টি কারণে। প্রথমত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ালেখা করানো হয় যেটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে করানো হয় না। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিকভাবে  চাহিদা আছে সেসব সাবজেক্ট পড়ানো হয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। অধ্যাপক চৌধুরী বলেন, প্রথমে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছিল তারমধ্যে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জন করেছে। এছাড়া, অনেক বিদেশী শিক্ষক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছে। তিনি আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের নানা প্রোগ্রামের দায়িত্ব দেয়। তাদের প্রচারটাও বেশি।  ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, প্রথম দিকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে যেসব শিক্ষার্থী বাইরে চাকরি করছেন তারা বেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এটাও প্রভাব ফেলে শিক্ষার্থীদের ওপর। ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এর  প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি যেভাবে যত্ন নেয়া হয় সেটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে হয় না। এছাড়া, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় মাসের পর মাস বন্ধ থাকে নানা নোংরা রাজনীতির কারণে। এটা বিদেশী শিক্ষার্থীদের ওপর প্রভাব ফেলে।

203
আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় হতে যাচ্ছে মুক্ত পেশাজীবীদের নিয়ে আউটসোর্সিং সম্মেলন। ‘আউটসোর্সিং সামিট ২০১২’ নামের এ আয়োজন হবে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে। ১৭ নভেম্বর দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকছে একাধিক কর্মশালা ও সেমিনার।বিস্তারিত: www.os12.com

204
৬৯৩
এক ম্যাচে সর্বোচ্চ রান, ২০০৪ সালে করাচিতে।
২৯০
সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের। ১৯৯৬ সালে শারজায় ১০ বলে অপরাজিত ২৯।
২৩১
সর্বোচ্চ জুটি। ১৯৯৬ সালে শারজায় দ্বিতীয় উইকেটে ভারতের শচীন টেন্ডুলকার ও নভজোৎ সিং সিধু।
১৫৯
রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়। ২০০৫ সালে দিল্লিতে জিতেছিল পাকিস্তান।
১০৮.৭১
ভারত-পাকিস্তান ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেট, শহীদ আফ্রিদির।
৮৭
সবচেয়ে খরুচে বোলারের দেওয়া রান। ২০০৮ সালে করাচিতে পাকিস্তানের সোহেল তানভীরের ১০ ওভারে।
৮৫
দুই দেশের ওয়ানডে লড়াইয়ে সেঞ্চুরি জুটির সংখ্যা।
৭১
সর্বোচ্চ ডিসমিসাল, পাকিস্তানের মঈন খানের।
৬৮
সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার।
৫২.৬৮
কমপক্ষে ১০টি ইনিংস খেলা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যাটিং-গড় মহেন্দ্র সিং ধোনির।
৪৪
সবচেয়ে বেশি ক্যাচ মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের।

205
Football / ফুটবল মাঠে এমন কাণ্ড!
« on: September 10, 2012, 09:37:43 AM »
খেলার সময় কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে ম্যাগাজিন পড়তে দেখেছেন? কিংবা রেডিও শুনতে? ফুটবলে কিন্তু এমন বিচিত্র ঘটনাও ঘটেছে
কেউ কেউ বলেন গোলরক্ষক হওয়ার জন্য একটু খেয়ালি না হলে হয় না। মেক্সিকোর জেইমে গোমেজ অবশ্য একটু না, বেশ ভালোই খেঁয়ালি ছিলেন। মেক্সিকান ক্লাব গুয়াদালহারার এই গোলরক্ষকের এক ঘটনা তো একবার রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছিল। ১৯৫৫ সালে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলাসের বিপক্ষে খেলা হচ্ছিল গুয়াদালহারার। একেবারেই একপেশে ম্যাচ। প্রতিপক্ষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলা তো দূরের কথা, গুয়াদালহারার আক্রমণ ঠেকাতেই ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয়েছে অ্যাটলাস খেলোয়াড়দের। উৎকণ্ঠা নিয়ে গোলপোস্টের নিচে যখন কাটাতে হয়েছে তাদের গোলরক্ষককে, তখন উল্টো অবস্থা গোমেজের। কতক্ষণ আর গোলপোস্টের নিচে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা যায়! এক দর্শকের কাছ থেকে ম্যাগাজিন নিয়ে গোলপোস্টের নিচে বসেই পড়তে শুরু করে দিলেন। অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি তাঁর এই পঠনবিলাস। রেফারি সতর্ক করে দেওয়ার আগে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় পেয়েছিলেন। কিন্তু ফটোগ্রাফারদের জন্য ওই সময়ই যথেষ্ট ছিল। ২০০৪ সালে মারা গেছেন গোমেজ। কিন্তু বিখ্যাত হয়ে আছে তাঁর সেই ছবি—মাঠে চলছে খেলা, গোলপোস্টের নিচে বসে ম্যাগাজিন পড়ছেন নির্ভার গোলরক্ষক।
আরেক গোলরক্ষক অ্যাঞ্জেল ডেভিড কোমিজ্জোর ঘটনাটা আরও বিচিত্র। চিরবৈরী রিভারপ্লেটের সঙ্গে খেলা ছিল কোমিজ্জোর দল বোকা জুনিয়র্সের। ম্যাচ চলার সময় হঠাৎ দেখলেন গ্যালারির কাছাকাছি পড়ে আছে ছোট্ট একটা রেডিও। তাঁর দল আবার তখন পেনাল্টি পেয়েছে। হঠাৎ কী মনে হলো, সেটি কুড়িয়ে এনে কানে হেডফোন গুঁজে রেডিও শুনতে লাগলেন। যেন অপেক্ষা করছেন রেডিওর ধারাভাষ্যের জন্য—এই বুঝি গোল হলো! গোলটা অবশ্য হয়নি, রিভারপ্লেট গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন স্পটকিক। ১০ বছর পর অবশ্য কোমিজ্জো স্বীকার করেছিলেন কী পাগলামিটাই করেছিলেন সেদিন, ‘এখন আমি যদি মাতালও থাকতাম, তবু মাঠ থেকে রেডিও কুড়িয়ে নিতাম না।’
স্প্যানিশ ‘এল লোকো’ শব্দের অর্থ পাগল। দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকজন খেলোয়াড়ের নামের সঙ্গে শব্দটা বেশ মানিয়ে যায়। যাঁদের মধ্যে আছেন প্যারাগুয়ের প্লে-মেকার গ্যাব্রিয়েল গঞ্জালেসও। যাযাবর এই খেলোয়াড় অনেক দেশেই খেলেছেন। আর্জেন্টিনার এস্তুদিয়ান্তেসে থাকার সময়ই ঘটে ঘটনাটা। কর্নার পাওয়ায় কিক নেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন তিনি। হঠাৎ দর্শকসারি থেকে কে যেন তাঁর ওপর ছুড়ে মারে সিগারেট। পড়বি তো পড় একেবারে ঘাড়ের ওপরই। গঞ্জালেসও দিব্যি সেটাতে দুটো টান দিয়ে আবার ছুড়ে দিলেন দর্শকদের দিকে। প্রতিপক্ষ সমর্থকেরা তো পারলে তাঁকে তখনই চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। এই অভব্যতার জন্য অবশ্য কোনো শাস্তি পেতে হয়নি গঞ্জালেসকে।
ফুটবলারদের মধ্যে ভোজনরসিকের সংখ্যা নেহাত কম হবে না, তাই বলে এতটা! ইংল্যান্ডের মিক কুইন যতটা না তাঁর ফুটবলীয় দক্ষতার কারণে, তারচেয়ে বেশি বিখ্যাত ছিলেন তাঁর বিশাল-বেঢপ বপুর জন্য। একবার ওয়েস্ট হামের সঙ্গে খেলার সময় এক দর্শক তাঁর উদ্দেশে চিৎকার করে বলেছিল, ‘সব কাবাবই খেয়ে ফেলেছিস হতচ্ছাড়া?’ একটা কাবাবও ছুড়ে মারা হয় তাঁর দিকে। কুইন ক্রিকেটটাও বোধহয় মন্দ খেলতেন না। মাটিতে পড়ার আগেই সেটি ‘ক্যাচ’ করলেন। তারপর ওই দর্শককে হতভম্ব করে তাতে কামড়ও বসিয়ে দেন।
পল গ্যাসকোয়েন। ‘গাজ্জা’ নামেই বেশি পরিচিত ইংল্যান্ডের সাবেক এই ফুটবলার ছিলেন বর্ণিল চরিত্রের আরেকজন। বহুবার বেখবরের জন্ম দেওয়া গাজ্জাও একবার মাঠে খেয়ে শোরগোল তুলেছিলেন। চকলেটের প্রতি তাঁর আসক্তির কথা জানত সবাই। একবার নিউক্যাসলের সঙ্গে খেলার সময় প্রতিপক্ষ সমর্থকেরা ছুড়ে মেরেছিল চকলেট। সেটা অর্ধেক খেয়ে গাজ্জা বাকিটুকু খাওয়ার জন্য রেখে দিয়েছিলেন পকেটে! স্বভাবরসিক গাজ্জা আরেকবার দুষ্টুমি করতে গিয়ে রীতিমতো বিপাকেই পড়েছিলেন। রেঞ্জার্সের হয়ে হাইবারনিয়ানের বিপক্ষে খেলার সময় রেফারির পকেট থেকে হলুদ কার্ড পড়ে যায় মাটিতে। গাজ্জার সেটা গোচরে আসে এবং কার্ডটি তিনি হাতে নেন। তবে ফেরত দেওয়ার সময় এমন ভঙ্গি করেছিলেন যেন রেফারিকেই কার্ড দেখাচ্ছেন! রসিকতাটা বরদাশত করতে পারেননি রেফারি। গাজ্জাকে উলটো হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করে দেন। রেঞ্জার্সের তো বটেই, হাইবারনিয়ানের সমর্থকেরাও বেরসিক রেফারিকে দিয়েছিলেন দুয়ো!
একটু হলেও ফুটবলের খবর যাঁরা রাখেন, তাঁরা নিশ্চয় ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের নাম শুনে থাকবেন। ১৯৯০ বিশ্বকাপে জার্মানি-ইংল্যান্ড ম্যাচের পর কারিশম্যাটিক এই জার্মান স্ট্রাইকারের গায়ে ইংলিশ মিডিয়া একসময় ‘ডাইভার’ তকমা সেঁটে দিয়েছিল। ঠিক চার বছর পরে সেই ইংল্যান্ডেরই ক্লাব টটেনহাম হটস্পারে যোগ দিলেন ক্লিন্সমান। প্রথম ম্যাচেই গোল করে জবাবটা দিয়েছিলেন মুখে নয়, শরীরি ভাষায়। রাজহাঁসের মতো ডাইভ দিয়ে গোল উদ্যাপন করে, যেটা পরে হয়ে গিয়েছিল তাঁর ট্রেডমার্কই।
২০০২ বিশ্বকাপে দুটো ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন আর্জেন্টাইন রেফারি অ্যাঞ্জেল সানচেজ। তবে রেফারিংয়ের কারণে নয়, তিনি আলোচনায় এসেছিলেন অদ্ভুত এক জাদুঘর বানিয়ে। ফুটবল মাঠে যত স্মারক পেয়েছিলেন, সবকিছুর ঠাঁই হয়েছিল এই জাদুঘরে। এর মধ্যে ছিল আবার তাঁর দিকে দর্শকদের ছুড়ে মারা রেডিও, মোবাইল ফোন থেকে লাইটার পর্যন্ত!

206
বর্তমানে অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে। আর কম্পিউটার এর নিরাপত্তার জন্য চাই সচেতেনতা। আমরা অনেকেই কম্পিউটারে লগইন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করি। কিন্তু বর্তমানে এমন অনেক সফটওয়্যার আসে যেগুলোর মাধ্যমে খুব সহজে পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে কম্পিউটারে লগইন করা যায়। কম্পিউটারে এই ধরনের অযাচিত অনুপ্রবেশ আমরা ঠেকাতে পারি, যদি কেও আপনার কম্পিউটার এর অপারেটিং সিস্টেম দিয়েই কম্পিউটার চালাতে চায়।

 hands keyboard সহজেই ঠেকান কম্পিউটারে অজাচিত লগইন

আমি যে পদ্ধতির কথা বলব, এই পদ্ধতিতে কম্পিউটারে লগইন করার জন্য দুই বার পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড দুইটির প্রথমটি হল সিস্টেম কী এবং অপরটি আমরা সবাই জানি লগইন পাসওয়ার্ড। সিস্টেম কী দিতে হয় কম্পিউটার ইউজার পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য যে স্ক্রীন আসে তার পূর্বেই। তাই যদি কেও আপনার কম্পিউটার এর ইউজার পাসওয়ার্ড যেনও ফেলে অথবা ভেঙ্গে ফেলে, আর সিস্টেম কী না যানে তবে আপনার কম্পিউটার এর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে কম্পিউটারে লগইন করতে পারবে না।
কম্পিউটার এর পাসওয়ার্ড রিমুভ করার জন্য যে সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করা হয়, এগুলো দ্বারা শুধু ইউজার পাসওয়ার্ডই রিমুভ করা যায়, কিন্তু সিস্টেম কী রিমুভ করা যায় না।
তো চলুন এবার দেখা যাক কিভাবে সিস্টেম পাসওয়ার্ড দিব।

১. Start->Run অথবা windows + r চাপুন। এরপর syskey লিখে এন্টার দিন।

২. Update এ ক্লিক করুন।

৩. Password startup সিলেক্ট করে পাসওয়ার্ড দিয়ে ওকে করুন।
বাস হয়ে গেল সিস্টেম কী দেয়া। কম্পিউটার রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন কাজ করে কিনা।
সিস্টেম কী রিমুভ করতে চাইলে

১. Start->Run এ গিয়ে syskey লিখে এন্টার দিন।

২. Update এ ক্লিক করুন।

৩. system generated password ও store startup key locally সিলেক্ট করে ওকে করুন ও যে বক্স আসবে ওখানে পূর্বে যে পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন তা দিন ও ওকে করুন।

207
গত সাত বছর ধরে চলা ফুটবলীয় এক বিতর্কের অবসান হল শেষ পর্যন্ত। অবশেষে দীর্ঘকালের অচলায়তন ভেঙে ফুটবলে প্রযুক্তির প্রবলেম মেনে নিল ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা। বৃহস্পতিবার বিশেষজ্ঞ কমিটির এক সভা শেষে জুরিখে ফিফার মহাসচিব জেরোম ভালকে জানিয়ে দিলেন, ফুটবলে গোললাইন টেকনোলজি অনুমোদন করছেন তারা। এর ফলে এখন থেকে ক্লাব বা আন্তর্জাতিক ফুটবলে আয়োজকরা চাইলে গোল হয়েছে কি না, নিশ্চিত হওয়ার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রযুক্তির ব্যবহার এখনও বাধ্যতামূলক করেনি ফিফা।

২০০৫ সালে শুরু হওয়া এই বিতর্কের অবসানকল্পে তিন তিনবার ইউরোপে গোললাইন টেকনোলজি নিয়ে পরীক্ষা নীরিক্ষা হয়েছে। অবশেষে ইংল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি ও ইতালির লিগে সফলভাবে এই পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এই অনুমোদন দেয়া হল। অনুমোদন দেয়া হল ফিফার সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) বিশেষ সভার পর। ৯টি প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে এই পরীক্ষায় অংশ নিলেও সন্তোষজনক হওয়ায় লাইসেন্স পাচ্ছে শুধু হক আই ও গোলরেফ নামে দুটি সংস্থা। কোনো আয়োজককে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হলে এই দুটি সংস্থার কাউকেই ডাকতে হবে।

ফুটবলের আদিকাল থেকেই এই বিতর্ক চলছিল। গর্ডন বাঙ্কসের বিখ্যাত সেভটি আসলে গোললাইন অতিক্রম করেছিল কি না; সে নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে সাম্প্রতিক বিতর্ক শুরু হয় ২০০৫ সালে ম্যানইউ বনাম টটেনহ্যাম ম্যাচে। টটেনহামের পেদ্রো মেন্ডেস ৪৫ গজ দূর থেকে শট করেন। সে শট সেভ করে বল মাঠে পাঠান ম্যানইউ গোলরক্ষক রয় ক্যারল। পরে ভিডিওতে দেখা যায় ক্যারল লাইনের অন্তত হাত খানেক ভেতর থেকে বল ‘সেভ’ করেছেন।

এরপর পরপর কয়েকটা এরকম ঘটনার প্রেক্ষিতে ফিফা সিদ্ধান্ত নেয় কোনো একটা প্রযুক্তি খতিয়ে দেখার। এডিডাস মাইক্রোচিপ সম্বলিত বল নিয়ে সামনে আসে। তাদের প্রস্তাবিত প্রযুক্তিতে আরেকটি চিপ ছিল লাইনের ওপর। ফলে বল লাইন অতিক্রম করলেই সংকেত মেলার কথা। কিন্তু দেখা গেল এডিডাসের এই প্রযুক্তি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাজ করছে না; কখনো কখনো ভুল সংকেত দিচ্ছে।

ফলে ২০১০ সালে ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটার উড়িয়ে দেন ফুটবলে প্রযুক্তির সম্ভাবনা। ঘটনাচক্রে সে বছরই বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের এক শট মহা বিতর্ক তৈরি করে। সে সময় শটটি গোল বলে স্বীকৃতি না পেলেও পরে দেখা যায় গোল ছিল! বল বারে লেগে ভেতরে ড্রপ খেয়ে ফেরে।

এরপর ইংলিশ লিগে আবারও পরপর কয়েকটি ঘটনা ঘটে। যার আরও একটিতে এরকম দুর্ভোগে পড়েন ল্যাম্পার্ড। সদ্য শেষ হওয়া ইউরোতে জন টেরির ফেরানো এক বল নিয়েও এরকম বিতর্ক হল। আবার ফিফা সক্রিয় হয়ে ওঠে। নটি আগ্রহী সংস্থাকে বিভিন্ন দেশে পরীক্ষা নীরিক্ষা করার সুযোগ দেয়া হয়। এর মধ্যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে হক আই ও গোলরেফ। তারাই অবশেষে অনুমোদন পেল।

স্টেডিয়াম ভিন্নতায় এই প্রযুক্তি বসাতে মাঠে খরচ হবে এক লাখ ২০ হাজার থেকে এক লাখ ৫০ হাজার ইউরো। কোনো স্টেডিয়ামে এই প্রযুক্তি বসালে ফিফা টেকনিক্যাল কমিটির বিশেষজ্ঞরা এসে খতিয়ে দেখে অনুমোদন দেবেন। তবেই খেলা চালানো যাবে। খেলা চলা অবস্থায় রেফারির হাতের ঘড়িতে প্রতিবার গোললাইন অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গে সংকেত দেবে এই প্রযুক্তি। এই সংকেত একই সঙ্গে তার দুই সহকারী ও ম্যাচ কমিশনারের কাছেও যাবে। রেফারি চাইলে এই সংকেত অগ্রাহ্য করতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে তাকে ম্যাচ শেষে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে হবে।

208
IT Forum / Re: How to Sit at a Computer
« on: July 03, 2012, 09:32:51 AM »
Thanks for share this kind of post. I think it is essential for us.

209
Cricket / Re: Shakib Al Hasan
« on: July 02, 2012, 04:01:00 PM »
You can also add his Fathers Name & Mothers Name.

210
Cricket / ৬টি ইনিংসের গল্ক
« on: June 24, 2012, 11:50:46 AM »
টেস্টে সেঞ্চুরিই তো নস্যির মতো ব্যাপার-স্যাপার! কোয়াড্রাপলের গল্প কেবল ব্রায়ান চার্লস লারারই লেখা। কিন্তু এর বাইরে ডাবল-ট্রিপল সেঞ্চুরির কেচ্ছাকাহিনী ভূরি ভূরি। তারপরও টিনো বেস্টের 'মামুলি' ৯৫ রানের ইনিংস নিয়ে চারদিকে কী মাতামাতি! ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নামাদের নিয়ে মাতামাতি পড়ে যাওয়া ৬টি ইনিংসের গল্প এবার_ লিখেছেন সাবি্বর আহমেদ


টিনো বেস্ট-৯৬, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড
প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড হলে কথাই নেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেউ না কেউ নির্ঘাত জ্বলে উঠবে ব্যাট হাতে, এটাই যেন চিরাচরিত রেওয়াজ! লারা জ্বলেছিলেন, ভিভ জ্বলেছিলেন। কিন্তু তাই বলে টিনো বেস্ট! ক'দিন আগেও তার টেস্ট সর্বোচ্চ ছিল ২৭ রান। পরিচয়, বদরাগী পেসার। আগ্রাসী ভাব আর অক্রিকেটীয় কারণে যিনি শিরোনামে উঠেছেন বেশি। কিন্তু বার্মিহামে 'ব্যাটসম্যান' বেস্টকেই দেখল ক্রিকেটবিশ্ব। ইংল্যান্ডের বোলারদের কানে-মুখে ধোঁয়া তুলে দিলেন ব্যাটের পিটুনিতে। ১৪টি চার ও ১টি বিশাল ছক্কার স্টম্ফুরণে বার্বাডোজের পথহারা ক্রিকেটার দিলেন ৯৫ রানের বিস্টেম্ফারক ইনিংস! বলার অপেক্ষা রাখে না, ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নামাদের মধ্যে টেস্ট সর্বোচ্চ ইনিংসটির মালিক এখন বেস্ট। দীর্ঘ তিন বছর বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে নেমে মনের জ্বালা জুড়াতে সোয়ান-ব্রেসন্যানদের তুলোধুনে করেছেন ৩১ বছর ছুঁইছুঁই এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান।

জহির খান-৭৫, প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ
২০০৪ সালের ঢাকা টেস্ট বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আজও দুঃস্বপ্নের টেস্ট হয়ে আছে। বোলারদের বেলায় তা ভয়ঙ্করতম দুঃস্বপ্ন বললেও কম বলা হবে। প্রথম ইনিংসে তাপস বৈশ্য, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোহাম্মদ রফিক, মুশফিকুর রহমানদের ব্যাট দিয়ে পিষে মেরেছিল ভারত। শচীন টেন্ডুলকার করেছিলেন ২৪৮* রান। কিন্তু শেষ দিকে জহির খান যা করেছিলেন, তা বিস্ময়ের গণ্ডি, চরমতম দুঃস্বপ্নকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল! মাশরাফির গতি, রফিকের ঘূর্ণি কোনো জালেই আটকানো যায়নি ডানহাতি জহিরকে। ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৭৫ রানের এক অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। মোহাম্মদ আশরাফুলের বলে খালেদ মাসুদের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে ১০ চার ও ২ ছক্কার তাণ্ডব চালিয়েছিলেন ভারতীয় পেসার। বেস্টের আগে জহিরের ইনিংসটিই এতদিন রেকর্ডের এ পাতায় ছিল সবার উপরে।

রিচার্ড কলিঙ্গে-৬৮* প্রতিপক্ষ পাকিস্তান
এ রেকর্ডটি লেখা বছর চলি্লশ আগে, ১৯৭৩ সালে! তখনও পাকিস্তানের বোলিং লাইনআপে ছিলেন মোশতাক মোহাম্মদ, সেলিম আলতাফ, সরফরাজ নেওয়াজরা। কিন্তু কলিঙ্গে সবাইকে নামিয়ে এনেছিলেন মাটিতে। অকল্যান্ড টেস্টে প্রথম ইনিংসে রডনি রেমন্ড (১০৭) ও ব্রায়ান হাসটিংসের (১১০) ব্যাটিং দেখে বোধহয় কলিঙ্গেরও সাধ হয়েছিল বোলার থেকে ব্যাটসম্যান হওয়ার। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা সত্ত্বেও নিখাদ বোলার বলে ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনি। বল্গ্যাক ক্যাপসদের হয়ে ৩৫ টেস্ট খেলা এ ডানহাতিকে শেষ পর্যন্ত আর আউট করতে পারেনি পাকিস্তানের বোলাররা। বলা বাহুল্য, ৬ বাউন্ডারি ও ১ ওভার বাউন্ডারির উন্মাদনা ছড়িয়ে ৬৮ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দিয়ে 'ব্যাটসম্যান' হওয়ার ইচ্ছাপূরণের আনন্দে মেতেছিলেন এই কিউই মিডিয়াম পেসার!

আরনেস্ট বার্ট ভগলার-৬২* প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড
দক্ষিণ আফ্রিকার বার্ট ভগলারের কীর্তিই রেকর্ডের পাতায় টিকে ছিল সবচেয়ে বেশিদিন, প্রায় সত্তর বছর! ১৯০৬ সালে ইংলিশ বোলারদের ওপর ব্যাটিং বুলডোজার চালিয়েছিলেন সবার শেষে ব্যাট করতে নেমে। কেপটাউনের ওই টেস্টের গল্পটা এরকম_ ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার, ১৮৭ রানে অল আউট। প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়াদের কেউই পারছিলেন না লম্বা ইনিংস খেলতে। তাই শেষ পর্যন্ত ভগলারকেই খেলতে হলো 'সবর্োচ্চ ইনিংস'! ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে টপ অর্ডারের ব্যর্থতার মিছিলে শামিল না হয়ে লোয়ার অর্ডারের টি স্নোক করেছিলেন ৬০ রান। কিন্তু ৫ চার ও ৩ ছয়ে মোড়ানো ৬২ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়ে স্নোককেও ছাপিয়ে গিয়েছিলেন ভগলার। কেপটাউনে ইনিংস ও ১৬ রানের ব্যবধানে জিতেছিল প্রোটিয়ারা।

গেল্গন ম্যাকগ্রা-৬১, প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড
১২৪ টেস্টে ৫৬৩ উইকেট। ২৫০ ওয়ানডেতে উইকেট ৩৮১টি। এটুকু পড়ার পর গেল্গন ম্যাকগ্রাকে কেউ 'ব্যাটসম্যান' বলার দুঃসাহস করবেন না নিশ্চয়! কিন্তু ক্রিকেট যে অনিশ্চয়তার সৌন্দর্যে মোড়ানো। কে, কখন ঝানু বোলার থেকে পাকা ব্যাটসম্যান বনে যায়, কে জানে? ব্রিসবেন টেস্টে নিউজিল্যান্ড বোলারদেরও জানা ছিল না 'ব্যাটসম্যান' ম্যাকগ্রার কথা। মাইকেল ক্লার্ক (১৪১), অ্যাডাম গিলক্রিস্টের (১২৬) ব্যাটের পিটুনিতে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলেন ক্রিস মার্টিন, কাইল মিলসরা। ক্লার্ক-গিলির পর ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মার্টিনদের আচ্ছামতো পেটালেন ম্যাকগ্রাও। সফরকারী বোলারদের নাভিশ্বাস উঠিয়ে ৫ চার ও ১ ছক্কায় তুলে নিলেন ৬১ রান। ২০০৪ সালের ওই টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ১৫৬ রানে জিতেছিল। 'পেসার ম্যাকগ্রা' পরে নিয়েছিলেন ৩টি কিউই উইকেট।

ওয়াসিম বারি-৬০*
প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ
অ্যান্ডি রবার্টস, কলিন ক্রফট, জোয়েল গার্নারের মতো কিংবদন্তিরা সেদিন ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং লাইনআপে। ক্যারিবীয় এ ত্রয়ীর বোলিংয়ের উত্তাপ ওই টেস্টে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিল পাকিস্তানের ব্যাটিং মহারথীরাও। প্রথম ইনিংসে ৪৩৫ রান তুললেও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৮ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বসেছিল পাকিস্তান। মানে মাজিদ খান (২৮), সাদিক মোহাম্মদ (৯), আসিফ ইকবাল (০), জাভেদ মিয়াঁদাদ (১) কেউই ধোপে টেকেননি। এমন দুঃসময়ে রবার্টস-ক্রফট-গার্নারদের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন ওয়াসিম বারি! ১১০ বল টিকে ছিলেন, ছক্কা না পেটালেও ক্যারিবীয় বোলারদের মাঠছাড়া করেছিলেন ১০ বার। এমনকি ড্রেসিংরুমে বারি ফিরেছিলেন অপরাজিত ৬০ রানের ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে! ১১ নম্বরে দাপুটে ব্যাটিং করাদের নিয়ে গল্পের এ পাতাটা লেখা হয়েছিল বেশিদিন আগে নয়_ ১৯৭৭ সালে, ব্রিজটাউন টেস্টে।

Pages: 1 ... 12 13 [14] 15 16