Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - nafees_research

Pages: [1] 2 3 ... 21
1
স্বাস্থ্য: চেনাজানা যেসব ওষুধ আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে

জাহানারা বেগমের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে। ভাজা পোড়া বা তৈলাক্ত খাবার খেলেই তিনি পেটে ব্যথা বা গ্যাসের তৈরি হয়। যখনি এরকম সমস্যা হয়, মোড়ের ফার্মেসি থেকে ওষুধ এনে খান।

''এর জন্য আর ডাক্তারের কাছে কী যাবো? অনেকদিন আগে ডাক্তার দেখিয়েছিলাম, তিনি একবার ওই ওষুধ লিখে দিছেন। সমস্যা তো একই হয়, এখন হলে ওষুধটা কিনে এনে খাই,'' বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন জাহানারা বেগম।

বাংলাদেশে কোনরকম প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ কেনা নতুন কিছু নয়।

আইনে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধের বিক্রি বন্ধে নানারকম নির্দেশনা থাকলেও বেশিরভাগ ফার্মেসিগুলোই আর সেটা অনুসরণ করে না।

কিন্তু শারীরিক কোন সমস্যা তৈরি হলেই যারা নিজের ইচ্ছেমত ওষুধ কিনে খান, এসব ওষুধ তার স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে?

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ কেনেন ঢাকার প্রায় অর্ধেক মানুষ

২০১৯ সালে ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের ওপর কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের চালানো একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৪৭ শতাংশের বেশি নাগরিক নিজেরা দোকান থেকে ওষুধ কিনে খেয়ে থাকেন।

ঢাকার একটি আবাসিক এলাকার ওষুধ দোকানের কর্মী হারুন উর রশিদ বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ''অনেকেই এসে ওষুধ চায়, কিন্তু প্রেসক্রিপশন দেখাতে বললে বলেন আনেন নাই, বা বাসায় রয়ে গেছে। আমরাও চাই সবাই প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ওষুধ নিবেন, অনেকে নেনও। এখন আমরা যদি সেটা ছাড়া ওষুধ বিক্রি না করি, তাহলে আমাদের ব্যবসাই বন্ধ হয়ে যাবে।''

প্রেসক্রিপশন ছাড়া মানুষ অ্যান্টিবায়োটিক খায় কেন?
রোগীদের কি প্রয়োজনের বেশি ওষুধ দেয়া হচ্ছে?
আবাসিক এলাকার দোকান হওয়ায় ক্রেতাদের অনেকেই পূর্ব পরিচিত বলে তিনি জানান। ফলে তাদের অনেকেই প্রায় নিয়মিতভাবে ভাবে কিছু রোগের ওষুধ কিনে থাকেন।

''তবে ক্ষতিকর বা সমস্যা তৈরি করতে পারে এমন ওষুধ আমরা প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেই না। যেমন ঘুমের ওষুধ, মানসিক রোগের ওষুধ আমরা প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করি না,'' তিনি বলছেন।

কিন্তু সব ফার্মেসির কর্মীরাই কোনরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই সাধারণ সর্দি-কাশি, গা বা মাথা ব্যথা, জ্বর বা গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যার ওষুধ বিক্রি করে, সেটা তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন।


বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ কেনা অনেকটা নিয়মিত ব্যাপার হয়ে উঠেছে বলে চিকিৎসকরা বলছেন

ইউনাইটেড হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ''আমাদের দেশে ওভার দ্যা কাউন্টার ওষুধ কেনার প্রবণতা খুব বেশি। কারণ একে তো জনসংখ্যার তুলনায় ডাক্তার অনেক কম, ইকোনমিক অবস্থা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া, যাতায়াত করা- ইত্যাদি কারণে অনেকে গুরুতর অসুস্থ না হলে ডাক্তারের কাছে যান না। ওষুধের দোকানে গিয়ে সমস্যার কথা বলে ওষুধ চান। ফার্মেসির লোকজনও হাসিমুখে তাদের একটা ওষুধ দিয়ে দেন। কিন্তু এতে অনেক রকম সমস্যার তৈরি হতে পারে।''

''কারণ যেকোনো ওষুধের নিজস্ব পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তো থাকেই, সেই সঙ্গে সেই রোগী অন্য কোন ওষুধ খেলে সেটার সাথে সমস্যা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী না খেলে ওষুধে উল্টো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে,'' বলছেন অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা।

বাংলাদেশের ওষুধের দোকানগুলো থেকে অনেকটা নিয়মিতভাবে বিনা প্রেসক্রিপশনে কেনা হয়, এমন কয়েকটি ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব তিনি তুলে ধরেছেন।

প্যারাসিটামল
অনেকে ব্যথা বা জ্বর হলে জন্য এসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামল খেয়ে থাকেন।

জ্বর বা শরীর ব্যথার কারণে অনেক সময় চিকিৎসকরা প্যারাসিটামল লিখে থাকেন। বিভিন্ন কোম্পানি এটি নানা নামে বিক্রি করে থাকে।

''কীভাবে, কতদিন খেতে হবে, সেটা আমরা উল্লেখ করে দেই। কিন্তু পরে রোগীরা জ্বর বা গা ব্যথা হলেই এটা কিনে খেতে থাকেন। ফলে একসময় এটা কার্যক্ষমতা হারায়।

প্যারাসিটামল বা এসিটামিনোফেন দীর্ঘদিন খেলে যকৃতের ক্ষতি হতে পারে।

অ্যাসপিরিন
অ্যাসপিরিন খুব প্রয়োজনীয় একটি ওষুধ আবার একই সঙ্গে এটা বিপদজ্জনকও। বয়স্ক মানুষ, যাদের হার্টের অসুখ আছে, ডায়াবেটিস আছে- তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা, সেটাও পর্যবেক্ষণ করা হয়।

কিন্তু ইচ্ছেমত এই ওষুধটি খাওয়া হলে একপর্যায়ে আমাদের খাদ্য থলি ছিঁড়ে যায়। তখন রক্তক্ষরণও হয়। অনেক সময় আমরা দেখি, রোগীরা নিজে নিজে ওষুধটি খেয়ে খেয়ে একসময় পায়খানার পথে বা মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে আমাদের কাছে আসেন।

কোভিড ১৯: ঔষধ কিনে বাড়িতে মজুদ রাখলে যে বিপদ
অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক খেলে কী ক্ষতি হয়

ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বা কোর্স শেষ না হলে শরীরের জন্য মারাত্মক বিপদ তৈরি করতে পারে

ওমিপ্রাজল বা গ্যাসের ওষুধ

ড. কানিজ মওলা বলছেন, বাংলাদেশে মুড়ি-মুড়কির মতো যে ওষুধ খাওয়া হয়, সেটি হলো গ্যাসের ওষুধ। সাধারণত রেনিটিডিন বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের বিভিন্ন নামের ওষুধ বিক্রি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়াই, পেটে কোন সমস্যা হলেই মানুষজন এই ওষুধ কিনে খেতে শুরু করেন।

''অনিয়ন্ত্রিতভাবে এই ওষুধটি খেলে তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাসের কষ্ট হয়তো কমে, কিন্তু অনেকের লুজ মোশন হয়। তখন শরীরের পুষ্টি বেরিয়ে যায়, আয়রন গ্রহণের ক্ষমতা কমে যায়, শরীর প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টি পায় না। রোগীদের শরীরে রক্তশূন্যতারও তৈরি হতে পারে।''



দীর্ঘদিন ধরে এসব ওষুধ খেলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা কমে যায়। তখন অ্যাসিডের কারণে যেসব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যেতে, সেটা আর হয়না। ফলে শরীরে সংক্রমণ বেড়ে যায়। আবার অ্যাসিডের অভাব ক্যালসিয়াম দ্রবীভূত হয় না, ফলে হাড়ের ক্ষয় বাড়ে।

ডাইক্লোফিনাক বা ব্যথানাশক ওষুধ
গা ব্যথা, হাত-পা ব্যথা বা মাথা ব্যথার জন্য অনেকে নানা ধরণের ব্যথা নাশক ওষুধ খেয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন কারণে ব্যথা পেলে ফার্মেসি থেকে আইবুপ্রোফেন অথবা ডাইক্লোফিনাক জাতীয় ওষুধ কিনে খেতে শুরু করেন।

''এটা পেটের সমস্যা তৈরি করতে পারে, পাকস্থলীর ক্ষতি করতে পারে, রক্তক্ষরণ হতে পারে। অনেকের হাতে-পায়ে পানি চলে আসে, ফুলে যায়,'' বলছেন ড. মওলা।

এসব ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে অ্যানালজেসিক নেফ্রোপ্যাখি, গ্যাস্ট্রোইনটেসটাইনাল ব্লিডিং হতে পারে। অনেকের হজম শক্তি কমে যায়, আলসার হয়, ওষুধে নেশাগ্রস্তও হয়ে পড়তে পারেন।

ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস যত্রতত্র ফেলে যে ক্ষতি করছেন

মাস্ক ব্যবহার থেকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন - সবকিছুতেই নানা বিতর্ক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অ্যান্টিবায়োটিকের ভুল ব্যবহার ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৩০ কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে

অ্যান্টিবায়োটিক
অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বলছেন, প্রতিটা অ্যান্টিবায়োটিকের একেক ধরনের প্রতিক্রিয়া আছে। লুজ মোশন হতে পারে, র‍্যাশ উঠতে পারে, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা, ঝাপসা দেখার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। এই ওষুধটি কখনোই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত না।

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা মানা হয়না।

ড. কানিজ মওলা বলছেন, ''নিয়ম মেনে না খেলে, মাঝপথে বন্ধ করে দিলে তার শরীরে ওই ওষুধের বিরুদ্ধে একটা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। সারা জীবনেও আর এই ওষুধে তার শরীরে কোন কাজ হবে না। তখন দেখা যায়, চিকিৎসকরা ওষুধ দিলেও সেটা কাজ করে না।''

সেই সঙ্গে একটা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের সঙ্গে অন্যান্য আরও রোগের সম্পর্ক আছে। ফলে এ ধরনের ওষুধ দেয়ার আগে আরও অনেক বিষয় বিবেচনার দরকার রয়েছে।

মেট্রোনিডাজল
অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বলছেন, বাংলাদেশের আরেকটি খুব কমন ওষুধ হলো মেট্রোনিডাজল গ্রুপের ওষুধ। পেট খারাপ হলেই এটা কিনে খেয়ে ফেলেন। এটি এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক।

এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় র‍্যাশ ওঠার পাশাপাশি রোগীর কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তখন তিনি আরেকটা সমস্যায় পড়বেন। তার রক্তক্ষরণ, পেটে ব্যথার সমস্যা হতে পারে। বেশি শক্ত পায়খানা হলে মলদ্বার ফেটেও যেতে পারে।

আবার অনেকে অনেকে পায়খানা নরম করার জন্য ল্যাক্সেটিভ জাতীয় ওষুধ খান। কিন্তু বেশি খেয়ে ফেললে শরীরের ইলেট্রোলাইট ইমব্যালান্স হয়ে যেতে পারে।

ক্লোরফেনিরামিন ম্যালেট
জেনেরিক নাম ক্লোরফেনিরামিন ট্যাবলেট হলেও সবার কাছে হিস্টাসিন নামেই বেশি পরিচিত। এটি একপ্রকার অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ। অ্যালার্জি বা সর্দি-কাশির জন্য অনেকে খেয়ে থাকেন।

ড. মওলা বলছেন, এই ওষুধ ওভার দ্যা কাউন্টার খেলে হয়তো তেমন ক্ষতি নেই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে খেলে এটার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা মানা হয়না।

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা মানা হয়না।

আরও কিছু বিপজ্জনক ওষুধ
অনেক সময় অনেকে গলার সমস্যায় ফার্মেসি থেকে থাইরয়েডের বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ কিনে খান। কিন্তু থাইরয়েডের সমস্যায় হাইপো বা হাইপার-দুই রকমের সমস্যা হতে পারে।

''দেখা গেল, হাইপার সমস্যায় তারা হাইপোর ওষুধ দিয়ে দিলো বা হাইপোর সমস্যায় হাইপার ওষুধ। তখন রোগীর ক্ষেত্রে উল্টো রিঅ্যাকশন ঘটবে, '' বলছেন ড. মওলা।

স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খেলে শরীরের নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। মোটা হওয়ার জন্য অনেকে এসব ওষুধ খেলে সারাজীবনের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। আবার এটা হঠাৎ বন্ধ করে দিলে এডিসনিয়ান ক্রাইসিস তৈরি হতে পারে, যাতে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

অধ্যাপক ড. কানিজ মওলা বলছেন, বাংলাদেশে দেখা যায় ঘুমেরও ওষুধও প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি করে। সেটা একেবারেই ঠিক নয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এড়াতে অনেকে বাড়িতে বসে আইভি ইনজেকশন নেন। এটা একেবারেই ঠিক না। কারণ স্যালাইনে মারাত্মক রিঅ্যাকশন হতে পারে।

চিকিৎসকরা যে পরামর্শ দিচ্ছেন
প্রচলিত ও সাধারণ এসব ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।


ব্যথার মতো খুব জরুরি সমস্যা হলে একটি বা দুইটি জরুরি ওষুধ দোকান থেকে কিনে খেলেও, খুব দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।[/li][/list]
অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় কোন ওষুধ নিজে থেকে বা ফার্মেসির কর্মীদের পরামর্শে খাওয়া যাবে না।[/li][/list]
জ্বর, পেটে ব্যথা বা শারীরিক যেকোনো সমস্যায় নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও মেয়াদ দেখে নিন।
ওষুধ কেনার সময় প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ওষুধ কিনুন।


Source: https://www.bbc.com/bengali/news-61017228?fbclid=IwAR0mxeDjrbPxETlc0QQqvURtOGQMSraWATUMkPq5APQQhMUBMPhJMMskPos

2
Business Administration / Export Policy: 2021-2024
« on: March 28, 2022, 11:08:15 AM »
Export Policy: 2021-2024

3
মাছের ১ কেজি পিটুইটারি গ্রন্থির দাম ৯০ লাখ টাকা

মাছের পিটুইটারি গ্রন্থি (পিজি) বা মাছের মাথার দানা একটি মূল্যবান উপাদান। যা মাছের কৃত্রিম প্রজননে উদ্দীপনা তৈরিতে এটি ব্যবহার করা হয়। দেশে বছরে পিটুইটারি গ্রন্থির চাহিদা ৫০ কেজি হলেও এর বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৭-৮ কেজি। বাকী বাকি ৪২ কেজির সিংহভাগই প্রতিবেশী ভারত এবং কিছুটা চীন থেকে আমদানি করা হয়। অথচ ইচ্ছে করলেই দেশেই উৎপাদন করা সম্ভব চাহিদার সবটুকু পিজি। এতে করে পিজি উৎপাদনে অপার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে।



জানা যায়, রেণু পোনা উৎপাদনে প্রাকৃতিক হরমোন হিসেবে পিটুইটারি গ্লান্ড (পিজি) ব্যবহৃত হয়। হ্যাচারির পুকুরে প্রজননের সময় মা ও পুরুষ মাছের দেহে নির্দিষ্ট মাত্রায় পিজি সিরিঞ্জের মাধ্যমে পুশ করা হয়। এতে মাছের দেহে উত্তেজনা আসে। এ সময় মাছের প্রজনন হয়। প্রাকৃতিক এ হরমোন ব্যবহারে মাছের জীবনচক্রে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশ এবং এ ব্যবসায় জড়িত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি গ্রাম পিজি মানে মুড়ার দানা ৬ থেকে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। সেই হিসাবে এক কেজির দাম ৬০ লাখ থেকে ৯০ লাখ টাকা।

সুত্রঃ https://akkbd.com/wp-content/uploads/2021/12/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%A7-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A7%AF%E0%A7%A6-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%96-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE.jpg


4
Bangladesh ranks 14th in sending students to US
[/b]

More than 8,000 Bangladeshi students studied in the United States in the 2020-2021 academic year, moving Bangladesh up three places from the previous year.

In total 8,598 Bangladeshi students chose to study in the United States during the 2020-2021 academic year, says a report released by the U.S. Department of State’s Bureau of Educational and Cultural Affairs and Institute of International Education.

Bangladesh advanced three places from 17th to 14th in the list of countries sending students to the United States.

During an unprecedented pandemic with a global decrease in international students, Bangladesh only had a 2.7 per cent decrease from 2020. 

Promoting educational exchanges between Bangladesh and the United States is a strategic priority because international education exchanges benefit both nations, peoples, and professional networks, says a spokesperson of the US Embassy in Dhaka.

Speaking last night at a virtual seminar on U.S. women’s higher education institutions to open IEW 2021 in Bangladesh, U.S. Chargé d’Affaires, a.i. Helen LaFave said, “While COVID-19 has caused global challenges, it is heartening and exciting to see Bangladeshi students from across the country pursuing higher education in the United States.”

Ms. LaFave said she hoped the event would help Bangladeshi students find their path to study in the United States.

She urged the audience to engage Education USA advisers located in the four American Spaces in Dhaka, Chittagong, and Khulna for information on higher education opportunities.

SOURCE: https://thefinancialexpress.com.bd/education/bangladesh-ranks-14th-in-sending-students-to-us-1637066748

5
Quality Education and Technology / Rise of hybrid learning
« on: November 28, 2021, 11:47:10 AM »
Rise of hybrid learning
[/b]

THE Covid-19 pandemic took the world by storm, forcing every industry to rethink the way it operates.

To preserve the continuity of learning, educational institutions began to incorporate instructional and communication technologies into learning to connect teachers to students, support the delivery of learning content, and facilitate engagement, learning and assessment – in both physical as well as remote settings.

Soon, hybrid learning (HL) – along with online learning, e-learning, distance learning, and blended learning – became the buzzwords that described the new normal in education.

To put it simply, HL is an approach where remote and in-class learning takes place using instructional technologies.

In HL environments, technologies connecting teacher and learners can be as basic as synchronous software (Zoom, Microsoft Teams, Google Classroom, Blackboard Collaborate) or as sophisticated as tracking cameras, visualisers (document cameras), interactive control boxers (HDMI switch boxes), flex-room monitors (touchscreen monitors), smart boards (digital whiteboards), and augmented and virtual realities.

Immersive learning

A HL environment (HLE) is a virtual learning experience that promotes a higher level of engagement and helps create a more immersive learning experience for both in-class and remote students.

The planning and implementation of an HLE takes into consideration the nature of the course content, learning outcomes, assessment approaches, student attributes, learning preferences and styles, as well as teachers’ management skills and ability to curate digital learning experiences using various emerging technologies.

Designing an effective HLE is critical to the success of HL initiatives as it creates the bridge between three distinct learning spaces which occur congruently: the teacher’s space; the space of in-class students; and the learning spaces of remote students.

Here, the role of digital technologies is indispensable as these can drive and facilitate the delivery of, and access to, educational resources; interactive technologies can enhance learner engagement; and social software technologies can boost student engagement.

Designing pedagogy

Communicative technologies which support HL implementation in the classroom promote a more learner-centric, collaborative approach to education.

The availability of free resources (open educational resources) and the integration of technologies in the classroom have inspired a new sense of autonomy among students.

A pedagogical shift which takes into consideration the learning needs and aims of students, with a focus on greater personalisation and adaptation of learning, is critical for the success of HL initiatives.

Learning must be more accessible to learners at any time and from any place.

Greater importance should be given to collaboration and the use of sophisticated technologies to create learning experiences that allow learners a more immersive, experiential and involved experience.

The teacher embraces the role of a coach or mentor, helping students to learn from behind the scenes.

Learners are encouraged to self-study and form peer groups to facilitate their own learning discoveries. They are assessed not only through quizzes, tests and exams, but also through content creation and curation, peer-to-peer assessment, and self-reflection, which can be done with the help of automated or semi-automated assessment software.

Artificial intelligence (AI) systems will be useful in ensuring that both in-class and remote students are seamlessly engaged with each other.

Smart ecosystems

In HL classrooms, teachers (content knowledge), learners, pedagogical designs and technology converge for impactful learning and a transformative educational experience.

When designing a more cohesive and smarter hybrid learning ecosystems, we must ask ourselves:

Teachers • How can we better support the upskilling of teachers through communities of practice and digital learning templates?

• How can we better support teachers by creating AI-supported learning agents for quality teaching and learning?

• How can we assist teachers to transition psychologically into the role of mentors and coaches?

Students• How can we use technology to boost the engagement and collaboration of remote students and in-class students simultaneously?

• How can the students’ social and psychosocial skills development be taken into consideration during instructional or learning design?

• To what extent can learning be customised and personalised to fit the specific learning styles, needs and goals of students?

Pedagogy• How can emerging pedagogical design incorporate the right blend of traditional and virtual learning, and a mix of online and offline resources for more comprehensive HL implementation?

• How can HL pedagogy promote a more student-centric, collaborative approach through innovative and technology-assisted learning and assessment approaches?

• How can pedagogy expand to include various learning principles, theories and practices to design effective and contextual learning approaches, content, activities and assessment?

Technology• How can we facilitate teacher and student training on the use of digital technologies in HL classrooms?

• How can we integrate modern technologies such as tracking cameras, exam proctoring technologies, virtual reality, and personal digital assistant devices into HL classrooms?

• How can we be more intentional in the kind of technologies that are integrated into HL classrooms, considering challenges like feasibility, affordability, usability and merit?

Dr Abtar Kaur is a professor of innovative digital learning at Asia Pacific University of Technology & Innovation (APU). She obtained a Master of Science in Instructional Design, Development and Evaluation from Syracuse University in the United States, and a PhD in Web-Based Learning from Universiti Malaya. Abtar did her post-doctoral research (Fulbright) at Indiana University, the US. The views expressed here are the writer’s own.

Source: https://www.thestar.com.my/news/education/2021/11/28/rise-of-hybrid-learning

6
8 expressways by 2041 – to boost regional connectivity


The government is formulating a mega plan to construct eight expressways connecting the country's seaports and a few land ports to develop strong connectivity with neighbouring countries.

The Roads and Highways Department, which is preparing the plan, says five expressways would be constructed to connect the southern and northern regions of the country while three others will connect the eastern and western regions.

The total length of the proposed four-lane expressways to be constructed on new routes instead of the existing ones will be 2,352 kilometres, officials say, adding only long-distance passenger and freight vehicles will be allowed to use the expressways paying tolls.

Dhaka has been left out of the proposed expressways.



The construction cost of the Dhaka-Mawa-Bhanga Expressway, the only expressway so far built in Bangladesh, was Tk200 crore per kilometre. From this count, the total cost of constructing the proposed 2,352 kilometres of expressways will be Tk4,70,400 crore at the current market price. The cost is likely to increase manifold in the future as prices of construction materials and land will most likely increase.

As a result, financing the construction of this huge network of expressways is likely to be a major challenge, feel people concerned.

Even though some experts are doubtful whether all the proposed expressways will bring about economic benefits to the country, those involved in formulating the master plan say these throughways will be the mainstay of Bangladesh's economy in the future.

Mentioning that many countries and regions in the world, including Dubai, are now reaping the benefit of well-planned-out road infrastructure projects implemented earlier, they say  the foundation of Bangladesh's economic backbone – the proposed expressways – needs to be laid now taking lessons from other parts of the world.

As the expressways would allow long-distance vehicles to reach their destinations bypassing Dhaka's traffic congestion, it would reduce traffic pressure on the capital as well, they further observe.

The first expressway to connect the northern and southern regions would be constructed from Sylhet's Tamabil land port to Cox's Bazar's Gundum. It will also connect Chattogram and Matarbari seaports.

Another expressway from Mymensingh's Gobrakura land port will be divided in two parts in Kotalipara, Gopalganj – one will go to Mongla port and another to Payra port. The construction of the second Padma Bridge has been proposed at Manikganj-Rajbari point for this expressway.

The expressway from Bhomra land port in Satkhira will split into two parts at Jaldhaka in Nilphamari – one towards Panchagarh's Banglabandha land port and the other towards Burimari land port in Lalmonirhat.

Meanwhile, in the East and West, an expressway has been proposed from Benapole land port to Cumilla's Laksam that will be connected to the Tamabil-Gundum expressway including a bridge over the River Meghna at Chandpur-Shariatpur point. Another expressway is supposed to connect the Tamabil-Gundum expressway in Brahmanbaria with Chapainawabganj's Sona Masjid land port. One more expressway has been proposed from Tamabil to Joypurhat including a bridge over the River Brahmaputra.

Officials at the Roads and Highways Department said regional connectivity is common in Europe and a few other regions while Asia is still far behind in this regard.

Nevertheless, some Asian countries including those in South Asia have, of late, emphasised building roads and highways eyeing future regional connectivity. Bangladesh also is planning the expressways to keep pace with other Asian countries, they said.

The officials also noted that the government has several other plans for regional connectivity, including Asian Highway Connectivity, South Asian Sub-Regional Economic Cooperation (Sasec) Road Connectivity, and Saarc Connectivity etc.

The new expressways have been proposed considering that using the existing road network of the country for regional connectivity would increase the pressure on the roads and discard economic benefits, they continued.

Officials of the Roads and Highways Department said, a strong connectivity not only strengthens the intra and inter regional trade but also generates higher income and prosperity. Increased connectivity between South and South-east Asia can play an important role in achieving efficiency and enhanced productivity. Transport connectivity along with trade facilitation measures may spur regional trade and commerce by reducing cost of transportation and logistics.

"The routes for the proposed expressways have been selected through survey, although the government is yet to make a final decision in this regard. The list of expressways can be even shorter," Md Zakir Hossain, additional secretary (planning wing) at the Road Transport and Highways Division, told The Business Standard.

He said, "The government wants to elevate Bangladesh to the status of developed countries in 2041. The expressway is being planned keeping that in mind. The construction of some of the expressways is expected to be completed before 2041."

Md Shamsul Hoque, a communication expert and a professor at Bangladesh University of Engineering and Technology (Buet), said, "This is the right time to construct expressways in Bangladesh. If we do not construct expressways now, it would not be possible in the future as Bangladesh's population is huge compared to its land area. So, land should be acquired now."

Some of the neighbouring countries have already built expressways, he mentioned, adding, "There are 11 expressways in Pakistan, 22 in India and 37 in Malaysia. But we have not made any progress in this regard. Our only expressway is the Dhaka-Mawa one."

The government has adopted the strategy to build expressways connecting the northern and southern regions, and eastern and western regions to establish a strong communication system among all parts of the country, said Shamsul Hoque who has worked closely with the government in formulating the expressway master plan.

In India, the master plan for the construction of expressways in the north-south, east-west and peripheral areas was passed 25 years ago, which has been implemented in phases later, the noted communication expert told TBS.

"In Bangladesh, the conditions of national highways have remained like that of local roads as there are markets and other establishments adjacent to the highways and slow-moving vehicles ply them. This is why an outline of expressway construction is required now. Even if these expressways do not yield much economic benefit right away, the benefits will be huge in the future."

The expressway plan

The Tamabil-Gundum expressway would be the longest among the proposed expressways with a length of 545 kilometres. It will run from Tamabil to Cox's Bazar via Sylhet, Moulvibazar, Brahmanbaria, Cumilla and Chattogram.

The expressway would be linked with the two countries at the border – India and Myanmar. The Gundum border with Myanmar is expected to create opportunities for greater trade with Asean or Southeast Asian countries.

The expressway would also increase interest among other neighbouring countries to use the Chattogram and Matarbari ports.

The Gobrakura-Payra port expressway would run through Mymensingh, Sherpur, Tangail, Manikganj, Faridpur, Gopalganj, Barishal, Patuakhari, and Baraguna with a length of 375km including the proposed second Padma Bridge in Rajbari-Manikganj point.

Meanwhile, the bridges division is surveying the possibilities of constructing a bridge at Chandpur-Shariatpur point on the expressway. The survey is expected to be completed next year.

The authorities have proposed to connect Gobrakura-Payra port expressway with Mongla port. For this, another 75km expressway from Kotalipara in Gopalganj to Mongla port will be constructed.

The expressway would connect various districts including Rajbari, Faridpur, Madaripur, Gopalganj, Barishal and Patuakhali and Barguna with Mymensingh, Tangail, and Manikganj.

The length of Burimari-Bhomra expressway will be 432km from Lalmonirhat's Burimari land port at Patgram border to Bhomra land port in Satkhira.

It would also connect the northernmost land port of Banglabandha. To this end, another 85km expressway from Banglabandha to Jaldhaka in Nilphamari has been proposed.

According to people concerned, Burimari and Banglabandha land ports are playing an important role in Bangladesh's trade with India, Bhutan and Nepal. The expressway would increase the volume of trade with these countries by connecting these two ports.

With a length of 294km and a bridge over the River Meghna the Benapole-Laksam expressway would reduce the distance of Chattogram with the districts in Khulna division by more than 200 kilometres.

It would be connected with the Gobrakura-Payra port expressway at Faridpur, and with the Burimari-Bhomra expressway in Jashore.

The length of the Sonamashjid-Brahmanbaria expressway would be 310km. It will also be connected with the Tamabil-Gundum expressway. The expressway will reduce the distance of Rajshahi and Rangpur divisions with Chattogram and Sylhet divisions.

The Joypurhat to Tamabil expressway would be connected to Gobrakura-Payra port and Burimari-Bhomra expressways in Mymensingh and Joypurhat respectively with a length of 226km.

The plan is being prepared under the Technical Assistance for the Sub-Regional Road Transport Project Preparatory project.

Arguments over economic viability

There are doubts whether all of the proposed eight expressways will yield economic benefits. Even though everyone concerned is quite sure the 545km Tamabil-Gundum Expressway will be economically viable for Bangladesh because of its location to use port facilities and trade and commerce facilities, whether the 432km Burimari-Bhomra Expressway will bring any economic benefits remains questionable.

Asked about the economic benefits of the proposed expressways for Bangladesh, Dr Shamsul Haque of Buet said in building expressways, countries around the world attach more importance to strategic reasons than the cost-benefit issue. "Had the cost-benefit analysis been taken into consideration, many expressways in Australia would not have been built. This is because no car can be seen on some expressways in the country even in 30 minutes."

Developed countries build expressways taking into account the integrity of the State, its economic development, regional connectivity, and the future development of the region concerned, he noted, adding not all expressways become popular in any country.

He further said the Burimari-Bhomra Expressway would facilitate easy communication between the north-western part and the south-western part of the country. "This will also facilitate road communication among different states of neighboring India. The expressway will ease building connectivity of Nepal and Bhutan with other countries in the region." Because of their geographical locations, such expressways are likely to benefit Bangladesh in the future, he continued.

At the beginning, the metro rail projects in Dubai yielded little benefits compared to their costs, Shamsul Hoque said, adding, "As the population of the city was only 55 lakh, there was not much hope of getting benefits immediately. But now Dubai has seven times more tourists than its population. They are now reaping the benefits of the well-planned metro projects."

Mohammad Yunus, senior research fellow at the Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS), said Bangladesh needs to construct these expressways in its own interest of strengthening communication between different parts of the country.

Not all expressways will bring about the same economic benefits if regional connectivity is taken into account, he observed, adding, "But in overall consideration, the country is likely to benefit from all the expressways in the long run. Even though some expressways aimed at establishing regional connectivity will not be economically feasible for the country, they might help to improve trade as well as diplomatic relations.

"Hence, the potential economic benefits should not be the only consideration in the case of the proposed expressways. The other factors should also be taken into account." He, however, suggested building the expressways on existing roads considering the construction costs and a scarcity of land in some areas.

SOURCE: https://www.tbsnews.net/bangladesh/infrastructure/8-expressways-2041-boost-regional-connectivity-335152

7
8 expressways by 2041 – to boost regional connectivity

The government is formulating a mega plan to construct eight expressways connecting the country's seaports and a few land ports to develop strong connectivity with neighbouring countries.

The Roads and Highways Department, which is preparing the plan, says five expressways would be constructed to connect the southern and northern regions of the country while three others will connect the eastern and western regions.

The total length of the proposed four-lane expressways to be constructed on new routes instead of the existing ones will be 2,352 kilometres, officials say, adding only long-distance passenger and freight vehicles will be allowed to use the expressways paying tolls.

Dhaka has been left out of the proposed expressways.


The construction cost of the Dhaka-Mawa-Bhanga Expressway, the only expressway so far built in Bangladesh, was Tk200 crore per kilometre. From this count, the total cost of constructing the proposed 2,352 kilometres of expressways will be Tk4,70,400 crore at the current market price. The cost is likely to increase manifold in the future as prices of construction materials and land will most likely increase.

As a result, financing the construction of this huge network of expressways is likely to be a major challenge, feel people concerned.

Even though some experts are doubtful whether all the proposed expressways will bring about economic benefits to the country, those involved in formulating the master plan say these throughways will be the mainstay of Bangladesh's economy in the future.

Mentioning that many countries and regions in the world, including Dubai, are now reaping the benefit of well-planned-out road infrastructure projects implemented earlier, they say  the foundation of Bangladesh's economic backbone – the proposed expressways – needs to be laid now taking lessons from other parts of the world.

As the expressways would allow long-distance vehicles to reach their destinations bypassing Dhaka's traffic congestion, it would reduce traffic pressure on the capital as well, they further observe.

The first expressway to connect the northern and southern regions would be constructed from Sylhet's Tamabil land port to Cox's Bazar's Gundum. It will also connect Chattogram and Matarbari seaports.

Another expressway from Mymensingh's Gobrakura land port will be divided in two parts in Kotalipara, Gopalganj – one will go to Mongla port and another to Payra port. The construction of the second Padma Bridge has been proposed at Manikganj-Rajbari point for this expressway.

The expressway from Bhomra land port in Satkhira will split into two parts at Jaldhaka in Nilphamari – one towards Panchagarh's Banglabandha land port and the other towards Burimari land port in Lalmonirhat.



Meanwhile, in the East and West, an expressway has been proposed from Benapole land port to Cumilla's Laksam that will be connected to the Tamabil-Gundum expressway including a bridge over the River Meghna at Chandpur-Shariatpur point. Another expressway is supposed to connect the Tamabil-Gundum expressway in Brahmanbaria with Chapainawabganj's Sona Masjid land port. One more expressway has been proposed from Tamabil to Joypurhat including a bridge over the River Brahmaputra.

Officials at the Roads and Highways Department said regional connectivity is common in Europe and a few other regions while Asia is still far behind in this regard.

Nevertheless, some Asian countries including those in South Asia have, of late, emphasised building roads and highways eyeing future regional connectivity. Bangladesh also is planning the expressways to keep pace with other Asian countries, they said.

The officials also noted that the government has several other plans for regional connectivity, including Asian Highway Connectivity, South Asian Sub-Regional Economic Cooperation (Sasec) Road Connectivity, and Saarc Connectivity etc.

The new expressways have been proposed considering that using the existing road network of the country for regional connectivity would increase the pressure on the roads and discard economic benefits, they continued.

Officials of the Roads and Highways Department said, a strong connectivity not only strengthens the intra and inter regional trade but also generates higher income and prosperity. Increased connectivity between South and South-east Asia can play an important role in achieving efficiency and enhanced productivity. Transport connectivity along with trade facilitation measures may spur regional trade and commerce by reducing cost of transportation and logistics.

"The routes for the proposed expressways have been selected through survey, although the government is yet to make a final decision in this regard. The list of expressways can be even shorter," Md Zakir Hossain, additional secretary (planning wing) at the Road Transport and Highways Division, told The Business Standard.

He said, "The government wants to elevate Bangladesh to the status of developed countries in 2041. The expressway is being planned keeping that in mind. The construction of some of the expressways is expected to be completed before 2041."

Md Shamsul Hoque, a communication expert and a professor at Bangladesh University of Engineering and Technology (Buet), said, "This is the right time to construct expressways in Bangladesh. If we do not construct expressways now, it would not be possible in the future as Bangladesh's population is huge compared to its land area. So, land should be acquired now."

Some of the neighbouring countries have already built expressways, he mentioned, adding, "There are 11 expressways in Pakistan, 22 in India and 37 in Malaysia. But we have not made any progress in this regard. Our only expressway is the Dhaka-Mawa one."

The government has adopted the strategy to build expressways connecting the northern and southern regions, and eastern and western regions to establish a strong communication system among all parts of the country, said Shamsul Hoque who has worked closely with the government in formulating the expressway master plan.

In India, the master plan for the construction of expressways in the north-south, east-west and peripheral areas was passed 25 years ago, which has been implemented in phases later, the noted communication expert told TBS.

"In Bangladesh, the conditions of national highways have remained like that of local roads as there are markets and other establishments adjacent to the highways and slow-moving vehicles ply them. This is why an outline of expressway construction is required now. Even if these expressways do not yield much economic benefit right away, the benefits will be huge in the future."

The expressway plan

The Tamabil-Gundum expressway would be the longest among the proposed expressways with a length of 545 kilometres. It will run from Tamabil to Cox's Bazar via Sylhet, Moulvibazar, Brahmanbaria, Cumilla and Chattogram.

The expressway would be linked with the two countries at the border – India and Myanmar. The Gundum border with Myanmar is expected to create opportunities for greater trade with Asean or Southeast Asian countries.

The expressway would also increase interest among other neighbouring countries to use the Chattogram and Matarbari ports.

The Gobrakura-Payra port expressway would run through Mymensingh, Sherpur, Tangail, Manikganj, Faridpur, Gopalganj, Barishal, Patuakhari, and Baraguna with a length of 375km including the proposed second Padma Bridge in Rajbari-Manikganj point.

Meanwhile, the bridges division is surveying the possibilities of constructing a bridge at Chandpur-Shariatpur point on the expressway. The survey is expected to be completed next year.

The authorities have proposed to connect Gobrakura-Payra port expressway with Mongla port. For this, another 75km expressway from Kotalipara in Gopalganj to Mongla port will be constructed.

The expressway would connect various districts including Rajbari, Faridpur, Madaripur, Gopalganj, Barishal and Patuakhali and Barguna with Mymensingh, Tangail, and Manikganj.

The length of Burimari-Bhomra expressway will be 432km from Lalmonirhat's Burimari land port at Patgram border to Bhomra land port in Satkhira.

It would also connect the northernmost land port of Banglabandha. To this end, another 85km expressway from Banglabandha to Jaldhaka in Nilphamari has been proposed.

According to people concerned, Burimari and Banglabandha land ports are playing an important role in Bangladesh's trade with India, Bhutan and Nepal. The expressway would increase the volume of trade with these countries by connecting these two ports.

With a length of 294km and a bridge over the River Meghna the Benapole-Laksam expressway would reduce the distance of Chattogram with the districts in Khulna division by more than 200 kilometres.

It would be connected with the Gobrakura-Payra port expressway at Faridpur, and with the Burimari-Bhomra expressway in Jashore.

The length of the Sonamashjid-Brahmanbaria expressway would be 310km. It will also be connected with the Tamabil-Gundum expressway. The expressway will reduce the distance of Rajshahi and Rangpur divisions with Chattogram and Sylhet divisions.

The Joypurhat to Tamabil expressway would be connected to Gobrakura-Payra port and Burimari-Bhomra expressways in Mymensingh and Joypurhat respectively with a length of 226km.

The plan is being prepared under the Technical Assistance for the Sub-Regional Road Transport Project Preparatory project.

Arguments over economic viability

There are doubts whether all of the proposed eight expressways will yield economic benefits. Even though everyone concerned is quite sure the 545km Tamabil-Gundum Expressway will be economically viable for Bangladesh because of its location to use port facilities and trade and commerce facilities, whether the 432km Burimari-Bhomra Expressway will bring any economic benefits remains questionable.

Asked about the economic benefits of the proposed expressways for Bangladesh, Dr Shamsul Haque of Buet said in building expressways, countries around the world attach more importance to strategic reasons than the cost-benefit issue. "Had the cost-benefit analysis been taken into consideration, many expressways in Australia would not have been built. This is because no car can be seen on some expressways in the country even in 30 minutes."

Developed countries build expressways taking into account the integrity of the State, its economic development, regional connectivity, and the future development of the region concerned, he noted, adding not all expressways become popular in any country.

He further said the Burimari-Bhomra Expressway would facilitate easy communication between the north-western part and the south-western part of the country. "This will also facilitate road communication among different states of neighboring India. The expressway will ease building connectivity of Nepal and Bhutan with other countries in the region." Because of their geographical locations, such expressways are likely to benefit Bangladesh in the future, he continued.

At the beginning, the metro rail projects in Dubai yielded little benefits compared to their costs, Shamsul Hoque said, adding, "As the population of the city was only 55 lakh, there was not much hope of getting benefits immediately. But now Dubai has seven times more tourists than its population. They are now reaping the benefits of the well-planned metro projects."

Mohammad Yunus, senior research fellow at the Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS), said Bangladesh needs to construct these expressways in its own interest of strengthening communication between different parts of the country.

Not all expressways will bring about the same economic benefits if regional connectivity is taken into account, he observed, adding, "But in overall consideration, the country is likely to benefit from all the expressways in the long run. Even though some expressways aimed at establishing regional connectivity will not be economically feasible for the country, they might help to improve trade as well as diplomatic relations.

"Hence, the potential economic benefits should not be the only consideration in the case of the proposed expressways. The other factors should also be taken into account." He, however, suggested building the expressways on existing roads considering the construction costs and a scarcity of land in some areas.

SOURCE: https://www.tbsnews.net/bangladesh/infrastructure/8-expressways-2041-boost-regional-connectivity-335152

8
প্রজেক্ট ন্যাটিক: সমুদ্রের তলদেশ যখন ডেটা সেন্টারের ভবিষ্যত

ক্লাউড কম্পিউটিং আমাদের জীবনযাত্রাকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে নিচ্ছে। ডিজিটালাইজেশনের যুগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তথ্য, অর্থাৎ ডেটা। যোগাযোগ, কর্মক্ষেত্র, পড়াশোনা, অবসরসহ নিত্যদিনের যেকোনো কাজের পুরোটাই নির্ভর করে আছে এই তথ্যের উপর। তো এই বিশাল পরিমাণ তথ্যের ঠিকানা কোথায়? কোথায় গিয়ে জমা হচ্ছে আমাদের জীবনের খুঁটিনাটি? উত্তর- ডেটা সেন্টার। বিশালাকার জায়গা জুড়ে শত শত সার্ভার নিয়ে তৈরি করা হয় একটি ডেটা সেন্টার। কিন্তু যে হারে তথ্যের সংখ্যা বেড়ে চলছে, এগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ করাও ততটা কঠিন হয়ে পড়ছে।

এজন্য ডেটা রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রক্রিয়া সহজতর করে তুলতে মাইক্রোসফট ২০১৮ সালে এক অভিনব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যে সিদ্ধান্ত হয়তো ভবিষ্যতের ডেটা স্টোরেজ সিস্টেমই পাল্টে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। মাইক্রোসফটের এই পদক্ষেপ যেমন ব্যতিক্রম, তেমনি তাদের সফলতা ডেটা সেন্টারের চিন্তাধারায় অপার সম্ভাবনার মাত্রা যুক্ত করেছে। চলুন জানা যাক মাইক্রোসফটের আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টারের গল্প!


প্রজেক্ট ন্যাটিকের সূচনা

বলা যায়, ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীর অন্যতম প্রধান শত্রু হচ্ছে পানি। যেখানে সামান্য পানি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের কার্যক্ষমতা নিমিষেই শেষ করে দেয়, সেখানে সাগরের তলদেশে এতগুলো সার্ভার বসানোর কথা তো চিন্তাই করা যায় না। এর উপর নোনা পানি, বিভিন্ন ক্ষুদ্র জলজ জীব তো আছেই। এই অবাস্তব চিন্তাধারাকে বাস্তবে নিয়ে এসেছে মাইক্রোসফটের প্রজেক্ট ন্যাটিক, যা পৃথিবীর সর্বপ্রথম আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার।

চিন্তার শুরু ২০১৪ সালে মাইক্রোসফটের এক ইভেন্টে, যেখানে কর্মীরা তাদের অভিনব আইডিয়াগুলো শেয়ারের সুযোগ পান। এখানেই মার্কিন নেভির সাবেক কর্মী ও মাইক্রোসফটের গবেষক সান জেমস তার আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার আইডিয়া তুলে ধরেন এবং মাইক্রোসফটও সেই বছরেই এটি বাস্তবে রূপদানের জন্য নেমে পড়ে।

ডেটা সেন্টারটি প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের, এতে রয়েছে ১২টি র‍্যাক এবং সেখানে সর্বমোট ৮৬৪টি সার্ভার রয়েছে। ২০১৮ সালে সার্ভারটি স্থাপন করা হয় সমুদ্রের ১১৭ ফুট তলদেশে এবং ২ বছর সফলভাবে কাজ করার পর ২০২০ সালে এটি পুনরায় উত্তোলন করা হয়। এটি ছিল প্রজেক্ট ন্যাটিকের ফেজ ২ (Phase-2) এর পরিচালনা।



প্রজেক্ট ন্যাটিক ৩টি ফেজের সমন্বয়ে তৈরি। প্রথম ফেজ শুরু হয় ২০১৫ সালে, ক্যালিফোর্নিয়ার শান্ত পানিতে ডেটা সেন্টারটি ডোবানোর মধ্য দিয়ে। ১০৫ দিন ডুবন্ত অবস্থায় রেখে এর ভবিষ্যত সম্ভাব্যতা যাচাই করেন গবেষকরা। যার ফলাফলে আশাবাদী হয়ে ২০১৮-তে ফেজ-২ শুরু করা হয়। ফেজ-২ এর উদ্দেশ্য হচ্ছে আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টারের ধারণাটি পরিবেশ ও অর্থনৈতিকভাবে কতটা যুক্তিযুক্ত তা যাচাই করা।


ফেজ-২ এর জন্য মাইক্রোসফট ফ্রান্সের Naval Group নামক কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়, যাদের কাজ ছিল সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ও নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে কাজ করা। তারাই ডেটা সেন্টারটির জন্য ভেসেল ডিজাইন ও ম্যানুফ্যাকচার করে। সমুদ্রের পানির সাথে তাপ আদান-প্রদানের জন্য সাবমেরিনের কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।


১২ মাস বিদ্যুৎ ব্যয়, আর্দ্রতার মাত্রা, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরীক্ষার পর ২০২০ সালের ৯ জুলাই ডেটা সেন্টারটি আরো বিশ্লেষণ করার জন্য আবার উত্তোলন করা হয়। এর মাঝে দিয়ে ফেজ-২ সম্পন্ন হয়। পরবর্তী ফেজের উদ্দেশ্য ডেটা সেন্টারের স্থায়িত্ব পরীক্ষা করা, যা প্রক্রিয়াধীন। এ তো গেল ন্যাটিকের কাহিনি, কিন্তু ল্যান্ড ডেটা সেন্টারের পরিবর্তে আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টারের উদ্যোগ কেন?

ল্যান্ড ডেটা সেন্টার বনাম আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার

আমরা জানি যেকোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসই ধারাবাহিক ব্যবহারে তাপ উৎপন্ন করে, আর এই সার্ভারগুলো নিরলসভাবে চলতেই থাকে। এতে যে প্রচুর পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয় তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডেটা সেন্টারগুলোতে ভালো রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন পড়ে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এছাড়া বায়ুতে থাকা অক্সিজেন, ধূলিকণা ইত্যাদিও সার্ভারের জন্য ক্ষতিকর। তো সার্ভারগুলোকে যদি বদ্ধ পরিবেশে রেখে পানিতে রাখা যায় তাহলে শীতলীকরণের দায়িত্ব পানির উপরেই ছেড়ে দেয়া যায়! অনেকেটা নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের মতো, সমুদ্রকে তাপশোষক হিসেবে ব্যবহার করা। শুধু শীতলীকরণই নয়, এর পেছনে আরো কিছু কারণ রয়েছে, যেগুলো যে কাউকেই মুগ্ধ করার ক্ষমতা রাখে।

সাধারণত ভূমিতে কোনো ডেটাসেন্টার তৈরি করার জন্য কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করতে হয়:

কমপক্ষে ২০ একর ফাঁকা ভূমি,
পর্যাপ্ত পানিসম্পদ,
শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ, এবং
তুলনামূলক কম প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভাবিত এলাকা।
পাঠক বুঝতেই পারছেন- এমন এলাকা পাওয়া যেমন কঠিন, তেমন একটি ডেটা সেন্টার তৈরিতে আর্থিক ও ভৌগলিক ক্ষেত্র বিবেচনায় রাখতে হয় যা অধিক ডেটাসেন্টার তৈরির ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে বাধা হিসেবে দাড়ায়। এছাড়া, ডেটা সেন্টারগুলো বসতি থেকে দূরে হয় যা ডেটা ট্রাভেলের (পিং) সময় বাড়িয়ে তোলে, অর্থাৎ একজায়গা থেকে আরেকজায়গায় ডেটা পৌঁছাতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়।



কিন্তু বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যার বসবাস উপকূল থেকে ১২০ মাইলের মাঝেই। তো, যদি ডেটা সেন্টারগুলো সমুদ্রে স্থাপন করা যায় তাহলে ডেটা ট্রাভেল টাইম অনেক কমে আসে। ফলে গেমিং, ব্রাউজিং আরো ভালভাবে করা সম্ভব। এছাড়া, মাইক্রোসফটের এই ডেটা সেন্টারগুলো এক নাগাড়ে ৫ বছর ফুল-চেকাপ ছাড়াই চলতে সক্ষম এবং একটি ক্যাপসুল তৈরিতে সময় লাগবে মাত্র ৯০ দিন। অর্থাৎ ল্যান্ড-বেজড ডেটা সেন্টারগুলো তৈরিতে যে বিশাল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তা, এখানে নেই বললেই চলে। মার্কেটের চাহিদানুযায়ী খুব দ্রুতই এই ডেটা সেন্টারগুলো তৈরি করা যাবে। এছাড়া এসবের অকৃতকার্যের হার গতানুগতিক ডেটা সেন্টারের তুলনায়  মাত্র ১/৮ ভাগ। ডেটা সেন্টারের ভেতরে অক্সিজেনের বদলে নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয় যা ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জামকে দীর্ঘায়ু প্রদানে সহায়তা করে।


সার্ভার কম্পোনেন্টগুলো নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে পরিপূর্ণ করা হয়; Image Source: Microsoft
সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে- এই ডেটা সেন্টারগুলো নবায়নযোগ্য। ডেটা সেন্টারটির কন্টেইনার ও অভ্যন্তরীণ সরঞ্জাম সবই তৈরি করা হয় পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপাদান দিয়ে। এবং নবায়নযোগ্য শক্তি দিয়ে চলতে সক্ষম কিনা এটি পরীক্ষার জন্যই মাইক্রোসফট ডেটা সেন্টারটি অর্কনি আইল্যান্ডে স্থাপন করে। দ্বীপের পুরোটাই প্রায় নবায়নযোগ্য শক্তি দিয়ে চালিত। অর্থাৎ সমুদ্রের তলদেশের এই ডেটা সেন্টারগুলো পরিবেশবান্ধবও।

প্রশ্ন উঠতে পারে- এই ডেটা সেন্টারগুলো সামুদ্রিক প্রাণীদের উপর কোনো প্রভাব ফেলে কিনা। উত্তর হচ্ছে- না; বরং বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী ডেটা সেন্টারটির আশেপাশে নিজেদের আবাস্থল তৈরি করে বলে জানায় মাইক্রোসফট। এর সাথে এই ডেটা সেন্টারগুলো কোনো গ্রিন হাউজ ইফেক্ট তৈরি করে না, যা ভবিষ্যত জলবায়ুর জন্য এক বড় আশার বাণী। বলা যায়, মাইক্রোসফটের এই প্রজেক্ট শুধু প্রযুক্তিগত উপকারই নয়, করছে পৃথিবীর উপকারও।


তাহলে কি আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টার হতে যাচ্ছে ডেটা-স্টোরেজের ভবিষ্যৎ?

ল্যান্ড-বেজড ডেটা সেন্টারের তুলোনায় আন্ডারওয়াটার ডেটা সেন্টারগুলো প্রযুক্তিগত,আর্থিক ও পরিবেশগত দিক থেকে নিঃসন্দেহে আদর্শ এবং ভবিষ্যতে এর সংখ্যা অবশ্যই বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এরই সাথে যে ল্যান্ড-বেজড ডেটা সেন্টারগুলোও উধাও হয়ে যাবে এমনটি নয়। শুরুতে বলা হয়েছিল- বিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ জনসংখ্যার বসবাস উপকূলের ১২০ মাইলের আশেপাশে, কিন্তু বাকি ৫০ শতাংশের নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করার জন্য ল্যান্ড-বেজড ডেটা সেন্টারের প্রয়োজন। এছাড়া ছোট স্টার্টআপগুলোর জন্য সমুদ্রের চেয়ে ভূমিতে ডেটা সেন্টার করা লাভজনক।তবে মাইক্রোসফটের প্রজেক্ট ন্যাটিক নিঃসন্দেহে নজর কেড়েছে অন্য টেক কোম্পানিগুলোরও। চীন ইতোমধ্যে একটি পরীক্ষামূলক ডেটা সেন্টার জুহাইয়ে উদ্বোধন করেছে, যা দেখতে অনেকটা প্রজেক্ট ন্যাটিকের মতোই!

মাইক্রোসফটের প্রজেক্ট ন্যাটিক ডেটা সেন্টার প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য সফলতা বয়ে এনেছে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনে এর প্রভাব সত্যিই প্রশংসনীয়।

This article is about Microsoft's Project Natick. This is a program that made World First Underwater Datacenter. Necessary Information has been taken from the links below:

1. Microsoft finds underwater datacenters are reliable, practical and use energy sustainably

2. Project Natick: Microsoft's underwater voyage of discovery

3. Microsoft: Underwater Datacenter Research Project ‘Natick’ Is A Success

4. How Microsoft's Data Center Is Working

5. Microsoft's $25 Million Dollar Underwater Data Centers

সূত্রঃ https://roar.media/bangla/main/tech/microsoft-project-natick-future-of-datacenters

9
ইতিহাসঃ সাইবেরিয়ার গহীনে রাশিয়ান ‘সিলিকন ভ্যালি’

সাইবেরিয়া, নামটি শোনার সাথে সাথে চোখের সামনে ভেসে উঠে বরফের পর। যত দূর চোখ যায় জনমানবহীন প্রতিকূল পরিবেশের এই রাজ্যে মানুষের বসতিও অনেক কম। পৃথিবীর বুকে এই হিমের রাজ্য সাইবেরিয়াকে জ্ঞানের আলোয় উষ্ণ করতেই কিনা ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত সরকার সাইবেরিয়ায় বিজ্ঞান-নগরী গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিজ্ঞানের জগতে পাকা আসনে গেড়ে বসতে শুরু করে। মহাকাশ থেকে অণু-পরমাণু সবকিছু নিয়েই আমেরিকা তখন বিজ্ঞানের তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হতে থাকে। তাই আমেরিকার সাথে পাল্লা দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নকে বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির জগতে চালকের আসনে বসাতেই নিকিতা ক্রুশ্চেভ এই প্রকল্পের দিকে মনোযোগী হয়েছিলেন। রাশিয়ান ভাষায় এই বিজ্ঞান-নগরীর নাম দেওয়া হয়েছিলো ‘Akademgorodok’।

কিন্তু সাইবেরিয়াতেই কেন?

সাইবেরিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শহর নভোসাইবেরিস্ক থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে গড়ে তোলা হয়েছিলো শিক্ষা আর গবেষণার এই তীর্থভূমি। বছরের ছয় মাস শীতের আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকা এই নগরীতে তাপমাত্রা মাইনাস চল্লিশের ঘরেও চলে যায় হরহামেশা। আর বিজ্ঞাননগরীর সীমানা থেকে একটু দূরেই তাকালেই দেখা মিলে মেরু ভালুকদের আনাগোনা। ফলে প্রশ্ন থেকেই যায়, পৃথিবীর অন্যতম বড় এই দেশের বাকি জায়গা বাদ দিয়ে দুর্গম আর প্রতিকূল পরিবেশে ঘেরা এই সাইবেরিয়াতেই কেন গড়ে তোলা হয়েছিলো এই নগরী!

জারের আমল থেকেই গুরুতর যেকোনো অপরাধের শাস্তি হিসেবে সাইবেরিয়ায় নির্বাসন দেওয়ার চিত্র ছিলো বেশ কঠিন। এ কারণে সাইবেরিয়ার ব্যাপারে সাধারণ জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিলো নেতিবাচক ধারণা। কিন্তু প্রাকৃতিক সম্পদের এই অপার লীলাভূমিকে গড়ে তুলতে হলে যে দক্ষ জনসম্পদ দরকার তা সংগঠিত করতে সোভিয়েত প্রশাসন বরাবরই হিমশিম খাচ্ছিলো। তাই বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির তীর্থভূমি নির্মাণ করে নতুন প্রজন্মের মন থেকে সাইবেরিয়ার ব্যাপারে এই নেতিবাচকতা দূর করার পাশাপাশি দীর্ঘকাল থেকে অব্যবহৃত সম্পদের খনিকে দেশের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা থেকেই এই শহর নির্মাণের উদ্যোগ শুরু হয়।

গবেষণা আর চিন্তার স্বাধীনতা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরেই সোভিয়েত ইউনিয়ন বিজ্ঞানচর্চায় বেশ পিছিয়ে পড়ে। বহু খ্যাতিমান বিজ্ঞানী আর গবেষকরা নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমাচ্ছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়নে গবেষণার বাজেট কমছে, বিজ্ঞানীদের অনেকের গবেষণাগারে ঝুলছে তালা, অনেকেই জেলে বন্দী। এমতাবস্থায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পরিণত হয় ‘ব্রেইন ড্রেইনে’। তাই এই প্রতিভাবান আর তরুণ গবেষকদের ধরে রাখাও ছিলো এই বিজ্ঞান-নগরীর অন্যতম উদ্দেশ্য।



গহীন অরণ্যেই গড়ে উঠে এই নগরী; Source: commons.wikimedia.org

নভোসাইবেরিস্ক স্টেট ইউনিভার্সিটি ছাড়াও মোট পয়ত্রিশটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় পুরো এলাকাজুড়ে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যেকে বিজ্ঞানের আলাদা আলাদা শাখা নিয়ে কাজ করলেও তাদের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলাও ছিলো এই বিজ্ঞান-নগরীর অন্যতম উদ্দেশ্য। সাইবেরিয়ার দুর্গম এলাকায় গড়ে তোলা প্রথম গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ছিলো ‘ইনস্টিটিউট অফ হাইড্রোডায়নামিক্স’। এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মিখাইল লাভরেনত্যিফ প্রথমে মস্কোর নগরজীবন ছেড়ে সাইবেরিয়ায় আসতেই রাজী ছিলেন না। কিন্তু বিশ্বমানের গবেষণাগার আর সরঞ্জাম ব্যবহার করে গবেষণা করে দেওয়ায় সাইবেরিয়াকেই নিজের গন্তব্য বানিয়ে নেন এই বিজ্ঞানী।

সাধারণ পরিবেশে যে পরীক্ষানিরীক্ষাগুলো করার সু্যোগ যারা পেতেন না, সাইবেরিয়ার নির্জন অরণ্যে সেই সুবিধাটাও দেওয়া হয় বিজ্ঞানীদের। কোষবিদ্যা আর জীনতত্ত্ব গবেষণা প্রতিষ্ঠানে দিমিত্রি বেলায়েভ তার নতুন নতুন বন্য প্রাণীকে পোষ মানানোর কাজ শুরু করেন। এই গবেষণাগারে একধরনের শিয়ালের শংকর তৈরি করা হয়, যাদের আচরণ অনেকটাই কুকুরের মতো। এই গবেষণাগারে কম করে হলেও ৫০ ধরনের প্রাণীর শংকর তৈরি করা হয়। এই ধরনের শংকর কৃষিক্ষেত্রে এবং শিকার আহরণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

চারদিকে গহীন অরণ্যে ঘেরা এই ‘সিলিকন জঙ্গলে‘ জীববিজ্ঞানের অমীমাংসিত সব রহস্য থেকে শুরু করে পরমাণুর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় নিয়েও গবেষণা করার সু্যোগ করে দেওয়া হয় রাশিয়ান তরুণদের। এই নগরীতে একদম প্রথম দিকে কাজ করতে আসা বিজ্ঞানীদের একজন ছিলেন ভিক্টর ভারাণ্ড। ‘ইনস্টিটিউট অফ ইনঅরগ্যানিক কেমিস্ট্রিতে’ গবেষক হিসেবে যোগ দেওয়ার সময় তার চোখমুখে ছিলো রাজ্যের অনিশ্চয়তা। কিন্তু গিয়ে নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন, ২৫ হাজার বাসিন্দার প্রায় সবাই তরুণ। প্রাণোচ্ছলতায় মূখর হয়ে উঠছে সব গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ষাটের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নজুড়ে খাদ্য আর বাসস্থানের সংকট ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছিলো। এমতাবস্থায় এই গবেষণাগারের আশপাশের এলাকাজুড়ে প্রায় পয়ষট্টি হাজার লোকের বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেয় সোভিয়েত সরকার। উন্নত খাদ্যের সরবরাহও নিশ্চিত করা হয় এই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য।



সাইবেরিয়ার গহীনে বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে উঠে এই শহর; Source: Yury Mashkov/TASS

চিন্তার স্বাধীনতা
বিশাল সব গবেষণাগারের নানা ধরনের উন্নত যন্ত্রপাতির সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বিজ্ঞানীরা পেয়েছিলেন চিন্তার স্বাধীনতা। স্টালিনের দমননীতির অনেক স্মৃতিচিহ্ন তখনো রয়ে গিয়েছিলো সোভিয়েত সমাজে, কিন্তু সাইবেরিয়ার এই শহরটি তা থেকে ছিলো স্বাধীন। এই এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছিলো সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র, যেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নে নিষিদ্ধ অনেক শিল্পীর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী পর্যন্ত হয়েছিলো।

পাশাপাশি ‘Cybernetics‘ কিংবা ‘Genetics‘ এর মতো বিজ্ঞানের উঠতি শাখাকে মস্কোতে তখন ‘বিপজ্জনক অপবিজ্ঞান’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছিলো, কিন্তু এই নগরীর পরিচালক মিখাইল লাভরেনত্যিফের পৃষ্ঠপোষকতায় এই দুটি শাখায় বিজ্ঞানীরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। এমনকি এই নগরীর গবেষণাগারে বসেই গারশ বুদকার নামের এক পদার্থবিদ পৃথিবীর প্রথম ‘সাবএটমিক কোলাইডার‘ যন্ত্রটি তৈরি করেছিলেন এই নগরীতে বসেই।

একটি স্বপ্নরাজ্যের পতন
সবকিছু ঠিকঠাক চলতে থাকলে এই নগরীতে ধীরে ধীরে নেমে আসে রাজনৈতিক কালোছায়া। ১৯৭০ সালে ব্রেঝনেভ শাসনামলে এই এলাকার উপর নজরদারী বাড়ানো হয়। সামরিক বিভিন্ন খাতে গবেষণার বাজেট বাড়ানোয় মৌলিক বিজ্ঞানের দিকগুলো আস্তে আস্তে অবহেলিত হয়ে পড়ে। ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর অনেকটাই মুখ থুবড়ে পড়ে এই নগরী। বাজেট সংকট আর রাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তে পড়ে আবারো স্থবিরতা নেমে আসে রাশিয়ার বিজ্ঞান অঙ্গনে। দেশের সেরা মেধারা পাড়ি জমাতে থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ত্রিশ বছরের উত্তরোত্তর সাফল্যের চিহ্ন বহনকারী ল্যাবগুলো পরিণত হয় কংক্রিটের জঙ্গলে। সাইবেরিয়ার গহীনে হারিয়ে যেতে শুরু করে সমৃদ্ধ সোনালী অতীত।


নিকিতা ক্রুশ্চেভ থেকে ভ্লাদিমির পুতিন

২০০৫ সালের দিকে পুতিন একবার ভারত সফরে এসেছিলেন, ভারতের দ্রুত উন্নয়নের পেছনের গল্পটা যে বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি খাতে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানো, তা বুঝতে তার বিন্দুমাত্র দেরী হলো না তার। দেশে ফিরেই তিনি উদ্যোগ নিলেন ঝিমিয়ে পড়া শহরকে আবার জাগিয়ে তুলতে হবে। বিদেশী কোম্পানিকেও ব্যবসা করার এবং বিনিয়োগের সুযোগ করে দিলেন পুতিন।


এই নগরীতে শক্তিশালী অবকাঠামো থাকায় দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে এগিয়ে আসে। আইবিএম, ইন্টেল এর মত নামীদামী কোম্পানি সাইবেরিয়াতে গবেষণাগারে বিনিয়োগ করতে রাজী হয়ে গেলো। মোটমাট এক বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ নিয়ে এই বিজ্ঞানরাজ্য আবারো দাঁড়িয়ে গেলো।




বর্তমান অবস্থা

২০১১ সাল নাগাদ, এই এলাকায় আবারো নয় হাজার গবেষক, কর্মী আর বিজ্ঞানীর সমাগম হয়েছে। পুরোনো অবকাঠামো ঘিরে গড়ে উঠছে নতুন স্বপ্নরাজ্য।

শুধুমাত্র ২০১১ সালেই এই শহর থেকে প্রযুক্তি খাতের বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে সতের বিলিয়ন রুবল, যেখানে মস্কোভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক আয় ছিলো চার বিলিয়ন রুবল। তাই সঠিক বিনিয়োগ আর দক্ষ নেতৃত্বের ধারা অব্যাহত থাকলে সাইবেরিয়ার গহীনে লুকিয়ে থাকা এই নগরীই হয়তো হয়ে উঠবে রাশিয়ার ‘সিলিকন ভ্যালি’।

সুত্রঃ https://roar.media/bangla/main/history/silicon-valley-in-siberia


10
স্টেম এডুকেশন: স্টেম শিক্ষা কী এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য তা কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ?

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে শিক্ষার যে ধরণটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে, সেটি হলো স্টেম এডুকেশন। সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথেম্যাটিকস - এই চারটি বিষয়ের আদ্যক্ষর মিলিয়ে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে স্টেম এডুকেশন। উন্নত দেশগুলো মনে করছে, ভবিষ্যতে তাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ধরে রাখতে হলে হলে স্টেম এডুকেশন অতি প্রয়োজনীয় বিষয়। যেসব দেশ স্টেম এডুকেশনের উপর জোর দেবে তারাই ভবিষ্যতে এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্টেম এডুকেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে জটিল সমস্যা সমাধানের মনোভাব ও দক্ষতা তৈরি হয়। বিজ্ঞান সম্পর্কে তাদের জানাশুনা তৈরি হয় এবং শিক্ষার্থীরা আবিষ্কারক ও উদ্ভাবক হয়ে উঠতে পারে। তবে শুধু পশ্চিমা দেশগুলোতেই নয়, ভারত এবং চীনের মতো দেশও তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেমকে গুরুত্ব দেওয়ার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। স্টেম এডুকেশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এবং একুশ শতকের জন্য জনবল গড়ে তোলা।

মানুষের জীবনে সব জায়গায় রয়েছে স্টেম শিক্ষার প্রভাব। যেমন, বিজ্ঞান ছাড়া সভ্যতা অচল। জীবনের প্রতিটি জায়গায় রয়েছে বিজ্ঞানের প্রভাব। পাশাপাশি মানব সভ্যতায় প্রযুক্তি ক্রম বিকাশমান। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। একইভাবে প্রকৌশল এবং গণিতও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই চারটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে শেখার নামই হচ্ছে স্টেম শিক্ষা। এই শিক্ষার মূল বিষয়গুলো হচ্ছে:

* সৃজনশীলতা

* কোন কিছু খুঁজে বের করার দক্ষতা

* বিশ্লেষণ করা

* টিম-ওয়ার্ক

* যোগাযোগ

* ডিজিটাল জ্ঞান

* সমস্যার সমাধান করা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী বলেন, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি এবং গণিতের ধারণাগুলোকে সমন্বিতভাবে শিখতে হবে। তিনি বলেন, যে কোন সমস্যার সমাধান, সেগুলোর বিশ্লেষণ এবং এক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য স্টেম শিক্ষা জরুরী।

ড. মোহাম্মদী বলেন, স্টেম শিক্ষা মুখস্থ বিদ্যাকে নিরুৎসাহিত করে। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে, পাঠ্যবই না বুঝে মুখস্থ করার প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে বিজ্ঞান এবং গণিতের মতো বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের মনে এক ধরনের ভীতি কাজ করে।

"পাঠ্য পুস্তকের বর্ণনাগুলো সহজবোধ্য হতে হবে। সেখানে দৈনন্দিন জীবন থেকে উদাহরণ তুলে ধরতে হবে। আমাদের পাঠ্যপুস্তকে এই বিষয়গুলো সবসময় অনুপস্থিত থাকে," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।



যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বা ডিপার্টমেন্ট অব কমার্স-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে স্টেম শিক্ষায় যারা শিক্ষিত তাদের জন্য প্রতিবছর ১৭ শতাংশ হারে কাজের সুযোগ বাড়ছে। আর অন্য ডিগ্রিধারীদের জন্য কর্মসংস্থান বাড়ছে প্রায় ১০ শতাংশ হারে।

স্টেম শিক্ষা নতুন জিনিস উদ্ভাবন করতে শেখায়। ফলে বাজারে নতুন-নতুন পণ্য ও সেবা আসে এবং এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হয়। শেষ বিচারে দেশের অর্থনীতিতে সেটি অবদান রাখে।

স্টেম শিক্ষা শুরুর বয়স
স্টেম শিক্ষার ক্ষেত্রে যেসব দেশ এরই মধ্যে অনেকটা এগিয়েছে তার মধ্যে ব্রিটেন অন্যতম।

দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থা স্টেম এডুকেশনকে উৎসাহিত করার মতো। নিয়মিত শিক্ষার পাশাপাশি দেশটিতে স্টেম বিষয়ক বিষয়াবলী শেখার বিভিন্ন আয়োজন করা হয়।

এসব আয়োজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-ভিত্তিক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরেও হয়ে থাকে।

লন্ডন ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সায়েন্স ফোরামের ২০২১-এর ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে, এসব আয়োজনে দেশের বিজ্ঞানীরা অংশ নেন এবং তারা বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, দেশের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি এবং গবেষণাগার দেখানোর জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া হয়, যাতে তাদের অনুসন্ধিৎসু মন তৈরি হয়। লন্ডন ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ সায়েন্স ফোরাম মনে করে, মানুষের মনে নানা ধরণের জিজ্ঞাসা, কৌতূহল এবং অনুসন্ধান শুরু হয় ছোটকাল থেকেই।

এ সময় তারা পড়াশুনা এবং নানা ধরণের খেলাধুলার সাথে পরিচিত হয়। সুতরাং বয়স কম থাকতেই তাদের মনে এসব বিষয় নিয়ে আগ্রহ তৈরি করতে পারলে সেটি ভালো ফল দেয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। এক্ষেত্রে, স্কুলের শিক্ষকদের একটি বড় ভূমিকা আছে বলে মনে করে লন্ডন ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ ফোরাম। স্টেম শিক্ষা নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে কৌতূহল তৈরি করা এবং স্কুলে সে পরিবেশে পড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সুত্রঃ https://www.bbc.com/bengali/news-56596290?at_custom4=52011FF4-92AF-11EB-9B38-4D6A4D484DA4&at_medium=custom7&at_custom2=facebook_page&at_campaign=64&at_custom1=%5Bpost+type%5D&at_custom3=BBC+Bangla&fbclid=IwAR24MsL_GW4YozGY_tbsp193_S4vh1YvYFelslIkaYUS_22R2WJVzvHZlJE





11
সিলিকন ভ্যালি ছাড়ছেন ইলন মাস্কসহ আরো অনেক জায়ান্ট

কয়েক দশক ধরে প্রযুক্তি শিল্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সিলিকন ভ্যালি। ১৯৩৮ সালে এই প্রযুক্তি হাবের প্রতিষ্ঠা, যখন বিল হিউলেট এবং ডেভিড প্যাকার্ড পাওলো অ্যাল্টোর একটি গ্যারেজে টুকটাক কাজ শুরু করেন। তাদের হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় বিখ্যাত কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কোম্পানি হিউল্যাপ-প্যাকার্ড বা সংক্ষেপে যেটি এইচপি নামেই সমধিক পরিচিত।

তবে সেই দিন সম্ভবত বদলাচ্ছে। এর সবচেয়ে প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে বলা যায়, এই এইচপি কোম্পানির সিদ্ধান্তের কথা। এই প্রতিষ্ঠানেরই উত্তরাধিকারী হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজের (এইচপিই) সদর দফতর টেক্সাসে স্থানান্তরিত হচ্ছে।

সিলিকন ভ্যালির আরেক দীর্ঘদিনের জায়ান্ট ওরাকল গত শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে তারা এইচপির সঙ্গে যোগ দিচ্ছে। এ কোম্পানির সদরদফরত হবে অস্টিনে।

হাই প্রোফাইল প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী এবং এক্সিকিউটিভদের একটি বড় দল সান ফ্রান্সিসকো ছেড়ে যাচ্ছেন। গত সপ্তাহে ইলন মাস্ক বলেছেন, এ বছরের শুরুর দিকে বেল এয়ারের বাড়ি বিক্রি করে দেয়ার পরই তিনি টেক্সাসে চলে গেছেন।

অবশ্য কভিড মহামারীর সময় এই জাতীয় পদক্ষেপগুলো প্রত্যাশিতই ছিল, যখন বহু মানুষ বাসায় থেকে কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি সংস্থা বলেছে, মহামারী শেষ হওয়ার পরেও তারা কিছু কর্মীকে স্থায়ীভাবে বাড়ি থেকে কাজ করার বিকল্প দেবে।

কিন্তু কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সদর দফতর, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা এবং বড় ভেঞ্চার ক্যাপিটালগুলো যখন জায়গা বদল করে তখন সেটিকে প্রযুক্তি শিল্পের কর্পোরেট ডায়াস্পোরার ইঙ্গিত বলেই ধরে নেয়া যায়। অনেকে এটিকে সান ফ্রান্সিসকো উপসাগরীয় এলাকা থেকে একটি বৃহৎ ‘টেক এক্সোডাস’ বলে অভিহিত করছেন।

এরই মধ্যে সান ফ্রান্সিসকো ছেড়ে চলে যাওয়া কিছু লোক শহর ও ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ করেছে। যদিও তারা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছুর উল্লেখ করছেন না। তবে  ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য প্রশাসনের কভিড-১৯ সম্পর্কিত যেসব কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল তা নিয়ে বিশেষ করে ইলন মাস্ক সমালোচনায় সরব ছিলেন। সে তুলনায় ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসের স্বাস্থ্যবিধি অনেকটা শিথিল ছিল।

এছাড়া সিলিকন ভ্যালিতে আবাসন ও অফিসভবনের খরচও অনেক বেশি। বলতে ব্যয়বহুল রিয়েল এস্টেটের জন্য কুখ্যাতি রয়েছে এই প্রযুক্তি হাবের। সেই সঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে আয়কর বেশি। অন্যদিকে ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসে এই কর দিতেই হয় না।

Source: https://bonikbarta.net/home/news_description/250108?fbclid=IwAR2afWN8h4LlkXAynyfa4YJsx_9kYf4dTy9wxdUPdzXbs8NExiH2i_BtV6Q

12
WBAF-Pandemic Impact on Women Entrepreneurship

WBAF conducted a global survey (on Pandemic Impact on Women Entrepreneurship) among their members which included business owners from more than 77 countries and across multiple industries. It was designed to gather opinions regarding the impact on several domains such as economic, business, social and overall quality of life during this pandemic.

The link of the report: https://wbaforum.org/upload/WBAF%20Report%20-%20Pandemic%20impact%20on%20women%20entrepreneurship.pdf

13
WBAF-Pandemic Impact on Women Entrepreneurship

WBAF conducted a global survey (on Pandemic Impact on Women Entrepreneurship) among their members which included business owners from more than 77 countries and across multiple industries. It was designed to gather opinions regarding the impact on several domains such as economic, business, social and overall quality of life during this pandemic.

The link of the report: https://wbaforum.org/upload/WBAF%20Report%20-%20Pandemic%20impact%20on%20women%20entrepreneurship.pdf

14
MIT's COVID-19 app uses smartphones' Bluetooth to anonymously spot disease contacts

A research effort based out of MIT is looking to individuals' smartphones as tools for automatic COVID-19 contact tracing, but it's taking a unique approach that doesn't log GPS data or other potentially identifying information.

Rather, the multi-organization Private Automatic Contact Tracing (PACT) team is turning to smartphones' Bluetooth functionality – or more specifically, the short-range data strings known as "chirps" that smartphones regularly emit to connect with other devices.

By downloading a PACT app, individuals enable their phone to continuously send out these random data strings and keep a log of those from other participating devices it has encountered. If a user is diagnosed with COVID-19 by a healthcare professional, they would receive a QR code that notifies a cloud system of their status and uploads their list of received chirps.

All other participants in the system would be able to initiate a scan of the collective logs at any time through their own app and, if any of their outbound chirps match an instance stored in the cloud, would be warned of a potential (but still anonymous) COVID-19 contact. Of note, the system also keeps track of the approximate distance between each individual's device and that of their contact, as well as a rough estimate of the time they spent in range of the chirps.

“I keep track of what I’ve broadcasted, and you keep track of what you’ve heard, and this will allow us to tell if someone was in close proximity to an infected person,” Ron Rivest, an MIT Institute Professor and principal investigator of the PACT project, told the institution's communications outlet, MIT News. “But for these broadcasts, we’re using cryptographic techniques to generate random, rotating numbers that are not just anonymous, but pseudonymous, constantly changing their ‘ID,’ and that can’t be traced back to an individual.”

Once launched, participants will be able to download and join the effort "in a number of ways," according to MIT News, one of which is through another digital COVID-19 effort already launched by the organization called SafePaths.



WHY IT MATTERS

Manual contact-tracing is a labor-intensive task for any public health organization, let alone one overwhelmed by the magnitude of COVID-19. Once established and distributed, automated systems such as these could not only cut back on that burden, but also notify officials of incidental contact that the infected individual might not recall or even be aware of.

“In order for the U.S. to really contain this epidemic, we need to have a much more proactive approach that allows us to trace more widely contacts for confirmed cases," Dr. Louise Ivers, executive director of the Massachusetts General Hospital Center for Global Health and an advisor on the project, told MIT's communications outlet. "This automated and privacy-protecting approach could really transform our ability to get the epidemic under control here and could be adapted to have use in other global settings.”

But the particular appeal of PACT over several other automated contact-tracing or behavior-tracking projects is the minimal amount of data collection it requires. Bluetooth-enabled smartphones already keep a record of the chirps they have sent and received, and the project's database only maintains the outbound chirps of a positive case's device – in other words, no location data, and just a one-way log of unique contact events that can only be completed by a match from the second device.

The team hopes that being transparent with their approach and ensuring user privacy will help drive greater adoption of the platform and, ultimately, more comprehensive contact-tracing.

“We’re not tracking location, not using GPS, not attaching your personal ID or phone number to any of these random numbers your phone is emitting,” Daniel Weitzner, a principal research scientist in the MIT Computer Science and Artificial Intelligence Laboratory (CSAIL) and PACT's co-principal investigator, told MIT News. “What we want is to enable everyone to participate in a shared process of seeing if you might have been in contact, without revealing, or forcing anyone to reveal, anything.”

THE LARGER TREND

Several countries have already begun looking into, or have rolled out, mobile-phone-based efforts to track the spread of coronavirus among their citizenry that are often based on GPS tracking. Reports coming out just a few weeks ago that the U.S. government was discussing similar GPS-based efforts with leading tech companies.

Policy thought leaders have gone back and forth on the concept. For instance, former FDA Comissioner Dr. Scott Gottlieb floated the idea of GPS tracking on cellphone apps to ensure home isolation as a potential component of a robust coronavirus response in a report penned the other week. But more recently, he signed onto a Duke Center for Health Policy working paper that preferred "timely contact tracing ... augmented by technology" to "cell phone-based apps recording proximity events between individuals," due to concerns that these apps would not be well adopted, insufficiently discriminate between cases and contacts and potentially introduce privacy or security issues.

But the privacy and effectiveness debate hasn't stopped big tech from repurposing the data it's already collecting to help combat the disease. Within the past week alone, both Google and Facebook launched maps and reports to the public describing large-scale movement, behaviors and potential contacts within certain regions.

Source: https://www.mobihealthnews.com/news/mits-covid-19-app-uses-smartphones-bluetooth-anonymously-spot-disease-contacts

15
Managing Stress and Emotions When Working Remotely

Liz Fosslien and Mollie West Duffy
March 31, 2020


As COVID-19 continues to spread around the globe, more and more of us are starting to make changes to the way we work. Google, Microsoft, Trader Joe’s, Gap, and United Airlines are among a growing number of U.S. companies that have already acted to address their workers’ most immediate employment concerns stemming from the pandemic, including recommending or requiring employees to work from home, offering more paid sick leave, or maintaining wages in spite of reduced hours.

We’ve spent the past four years studying the science of emotions and their intersection with our lives at work. In our research, we’ve spoken to thousands of remote workers around the world, and from these conversations — and our own personal remote work experiences — we can attest that feeling isolated is common when working from home. Living with uncertainty in the face of a pandemic makes the current situation even more stressful. Here, we’ve pulled together our top tips for both tackling the challenges of remote work and managing stress and difficult emotions.

1. Emotionally proofread your messages. As we move away from face-to-face interactions with coworkers, it’s important to reread your messages for clarity and emotional tone before hitting send. Sending a direct message or email that says “Let’s talk” when you actually mean “These are good suggestions; let’s discuss how to work them into the draft” might bring up unnecessary anxiety for the recipient. If you’re worried about how your tone will come across, pick up the phone or offer to jump on a video chat. Your colleague (who is probably also working from home) might be glad for the chance to talk.

2. Be mindful of time zones. To help people in all time zones feel included, strive to delay decision-making until you’ve heard from everyone who should be involved. This is an especially good time to hone your documentation skills so everyone stays in the loop, and to see if your team could cover some meeting content over email, Slack, or another messaging platform instead. After switching to remote work, Humu, where Liz works, set up a 15-minute companywide meeting every day at 11:45 a.m. PT (which allows for team members on the East Coast and in Europe to join as well), during which the team can fill one another in on important announcements. Everything discussed during the meeting is also sent out afterward in a companywide email.

3. Schedule time for serendipitous collaboration. When we work remotely, we miss out on all the impromptu moments with our colleagues that lead to good ideas: chatting before and after meetings, catching up in the kitchen or hallway, and stopping by each other’s desks. When meeting via phone or videoconference, schedule time for informal conversation at the beginning and end of meetings.



4. Make room for minibreaks. Stepping away from your desk for even five minutes helps you relax — and stay focused. Danish students who were given a short break before taking a test got significantly higher scores than their peers who didn’t get any time to relax. Mollie has been using the app Time Out (for Macs), which reminds her to take periodic breaks to stretch, walk around, or change position at her desk.

5. Set up an after-work ritual. It’s easy to overwork when you don’t leave a physical office at a specific time each day, so it’s extra important to keep healthy boundaries. Your brain will benefit from a signal that tells it, “Work is over!” Some ideas: Meditate, listen to music, read a magazine, or lift weights. (Some studies show that weight training boosts your mood more than cardio.) Cal Newport, author of Deep Work, ends each day by transcribing any loose notes into a master task list, shutting down his computer, and then saying the phrase, “Schedule shutdown, complete.” “Here’s my rule,” he writes. “After I’ve uttered the magic phrase, if a work-related worry pops to mind, I always answer it with the following thought process: I said the termination phrase.”

6. Put time on your calendar to exercise. Commit to getting some physical activity by blocking off time to work out on your calendar. Need some working-out-from-home ideas? Try a seven-minute workout, or a variety of desk stretches that might (almost) replace going to the gym, or just put on your favorite song and dance it out. Even better, make it a virtual group activity: Jump on a video call with a friend, pick a YouTube fitness video, and get your sweat on together.

7. Check in on each other. This can be done by setting up virtual lunches, teatimes, or what social media management platform company Buffer terms pair calls. For pair calls, Buffer employees opt in to be randomly paired with someone else at the company once a week. Calls have no set agenda; coworkers get to know each other in pairs by talking about their families, hobbies, and favorite shows. If your organization uses Slack, one easy way to set this up is through Donut, a Slack bot that pairs people automatically.

Related Articles
The Best of This Week | From the Editors
Projecting Leadership and Humanity in Crisis | Morela Hernandez
Measuring Emotions in the Digital Age
8. Be thoughtful when you do head out. Not all of us have the ability to do our jobs from home. For the sake of those who still have to be physically present on the job (think doctors, cashiers, and pharmacists), be sure to wash your hands regularly and carefully when you go out, practice social distancing, and thank those who can’t stay home.

In these uncertain times, many companies are striving for business continuity and supporting employees as best they can in a variety of ways. Flexible, virtual work arrangements help employees continue to do their jobs, but these unprecedented circumstances require adjustments that for many come with significant challenges. It’s important now more than ever to support one another as we navigate the days ahead.


ABOUT THE AUTHORS
Liz Fosslien is head of content at Humu, a company that nudges people toward better work habits. Mollie West Duffy is an organizational development expert and consultant. They are the authors of the book No Hard Feelings: The Secret Power of Embracing Emotions at Work. Follow them on Twitter and Instagram.

Source: NIT Sloan Management Review: https://sloanreview.mit.edu/article/managing-stress-and-emotions-when-working-remotely/?fbclid=IwAR0Dy9sGDuntjnjuB2ffKb8QlCcVBWCV15NF9-BgmD-qJTxZYqXpe1xadjo

Pages: [1] 2 3 ... 21