Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - asif.gce

Pages: 1 [2] 3 4 ... 6
Billionaire Sir Richard Branson has successfully reached the edge of space on board his Virgin Galactic rocket plane.

The UK entrepreneur flew high above New Mexico in the US in the vehicle that his company has been developing for 17 years.

The trip was, he said, the "experience of a lifetime".

He returned safely to Earth just over an hour after leaving the ground.

"I have dreamt of this moment since I was a kid, but honestly nothing can prepare you for the view of Earth from space," he said in a press conference following the flight. "The whole thing was just magical."

The trip also makes him the first of the new space tourism pioneers to try out their own vehicles, beating Amazon's Jeff Bezos and SpaceX's Elon Musk.

The height reached by Sir Richard in the rocket plane, known as Unity, was 85km (282,000ft; 53 miles).

The businessman was accompanied on the mission by the vehicle's two pilots, Dave Mackay and Michael Masucci, and three Galactic employees - Beth Moses, Colin Bennett and Sirisha Bandla.

The latter trio and Sir Richard were presented with commercial astronaut wings after the flight by former space station commander and Canadian astronaut, Chris Hadfield.

Sir Richard billed the flight as a test of the space tourism experience he expects to begin selling to customers from next year.

"I've had my notebook with me and I've written down 30 or 40 little things that will make the experience for the next person who goes to space with us that much better," he said. "The only way sometimes you can find these little things is to get in a spaceship and go to space and experience it for yourself."

Some 600 individuals have already paid deposits for tickets that will cost them up to $250,000 (£180,000).

These are all people who want to reach a height where they can see the sky turn black and marvel at the Earth's horizon as it curves away into the distance. Such a flight should also afford them about five minutes of weightlessness during which they will be allowed to float around inside Unity's cabin.

It's been a long road for Sir Richard to get to this point. He first announced his intention to make a space plane in 2004, with the belief he could start a commercial service by 2007.

But technical difficulties, including a fatal crash during a development flight in 2014, have made the space project one of the most challenging ventures of his career.

Also on the flight: Two pilots and three crewmates from Virgin Galactic

Space tourism is a sector being rekindled after a decade's hiatus, and it's about to get very competitive.

Throughout the 2000s, seven wealthy individuals paid to visit the International Space Station (ISS). But this adventurism, organised under the patronage of the Russian space agency, ceased in 2009.

Now, new initiatives abound. As well as Sir Richard's approach, there are projects coming from founder Jeff Bezos and the California tech entrepreneur Elon Musk.

The Russians, too, are reprising their commercial flights to the ISS, and there are even those who want to launch private space stations for people to visit. Among these is Axiom, a company started by a former Nasa ISS programme manager.

Elon Musk travelled to New Mexico to support his friend, and following the flight Mr Bezos sent his congratulations.

There's clearly something of an edge in the Branson-Bezos relationship, however.

On Friday, the retail billionaire's Blue Origin space company had issued a tweet that took a pop at Virgin Galactic's Unity vehicle. The posting repeated a claim that anyone who flew on the rocket plane would forever have an asterisk by their name because they wouldn't reach the "internationally recognised" altitude for where space begins - the so-called Kármán line of 100km.

The US government has always recognised the boundary of space to be at about 80km (50 miles) and it awards astronaut wings to anyone who exceeds this altitude. Before Sunday, only 580 people had ever been above this height.

Source: Virgin Galactic

Unity is a sub-orbital vehicle. This means it can't achieve the velocity and altitude necessary to keep it up in space to circle the globe.

The vehicle is designed to give its passengers stunning views at the top of its climb and allow them a few minutes to experience weightlessness.

Unity is first carried by a much bigger aeroplane to an altitude of about 15km (50,000ft), where it is released.

A rocket motor in the back of Unity then ignites to blast the ship skyward.

The maximum height achievable by Unity is roughly 90km (55 miles, or 295,000ft). Passengers are allowed to unbuckle to float to a window.

Unity folds its tailbooms on descent to stabilise its fall before then gliding home.



মার্ক র‌্যানডলফ ও রিড হেসটিংসছবি: কোলাজ

নেটফ্লিক্সে ফ্যান্টাসি, রোমান্স, টান টান রোমাঞ্চের কত গল্প এসে জড়ো হয়েছে। কিন্তু খোদ নেটফ্লিক্সের গল্প কিন্তু কম রোমাঞ্চকর নয়। অনুপ্রেরণাদায়ীও বটে। মার্ক র‌্যানডলফ আর রিড হেসটিংস—দুজনকেই বলা যায় এই গল্পের প্রোটাগনিস্ট, যা আপাতদৃষ্টে মনে হয়েছিল অসম্ভব, সেটাই সম্ভব করে দেখিয়েছেন দুই উদ্যোক্তা।

নেটফ্লিক্স তখন ডিভিডি ভাড়া দিত
স্ট্যাটিস্টা ডটকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত বিশ্বে নেটফ্লিক্সের নিবন্ধিত সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ২০ কোটি ৮০ লাখের বেশি। ফরচুন ডটকম জানাচ্ছে, ২০২০ সালে বিশ্বে যত ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়েছে, তার শতকরা ১৫ ভাগ খরচ হয়েছে কেবল নেটফ্লিক্স দেখার পেছনে। এটিকে এখন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বলা হলে বাড়াবাড়ি হবে না।

অথচ ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্কটস ভ্যালিতে যখন সবে নেটফ্লিক্সের জন্ম হলো, তখন এটি ছিল দূরদূরান্তে সিনেমার ডিভিডি পৌঁছে দেওয়ার একটা ছোট্ট কোম্পানি। নেটফ্লিক্সের ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম, ঠিকানা দিয়ে সিনেমার ডিভিডি অর্ডার করা হতো। মাত্র চার ডলারে একেকটি ডিভিডি নেওয়া যেত। পরিবহন খরচ বাবদ দিতে হতো আরও দুই ডলার। ছয় ডলারে গ্রাহক নিতে পারতেন একটি ডিভিডি। সিনেমা দেখা শেষে আবার নেটফ্লিক্সের পাঠানো প্যাকেটে পুরে ডিভিডি ফেরত দিতে হতো।

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে নেটফ্লিক্স নামের প্রতিষ্ঠানটি আপনি যদি কিনে নিতে চান, তাহলে খরচ হবে অন্তত ৩ হাজার ৪৮ কোটি ডলার (নেটফ্লিক্সের বর্তমান মালিকেরা বিক্রি করতে চাইলে তবে তো কিনবেন)! টাকার অঙ্কে সংখ্যাটা প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি!

শুনুন রিড আর মার্কের কথা
রিড হেসটিংস ১৯৮৮ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে লেখাপড়া শেষ করেন। ১৯৯১ সালে তিনি পিওর সফটওয়্যার (পরবর্তী সময়ে নাম হয় পিওর আর্টিয়া) নামে একটি কোম্পানি চালু করেন। তাঁরা সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য নানা রকম টুলস বানাতেন। ১৯৯৭ সালে রিড তাঁর এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৭০ কোটি ডলারের বিনিময়ে রেশনাল সফটওয়্যার করপোরেশনের কাছে বিক্রি করে দেন। সেখান থেকেই তিনি পেয়েছিলেন নেটফ্লিক্স শুরু করার পুঁজি।

অন্যদিকে মার্ক র‌্যানডলফ পড়াশোনা করেছেন ভূতত্ত্ব নিয়ে। একসময় তিনি রিডের প্রতিষ্ঠানেই মার্কেটিং ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যৌথভাবে রিডের সঙ্গে নেটফ্লিক্স প্রতিষ্ঠার আগেও তিনি ছয়-ছয়টি সফল প্রকল্পের উদ্যোক্তা ছিলেন। সেগুলো শূন্য থেকে বড় করেছেন আর কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন অন্যান্য বড় প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির কাছে। মার্কর‌্যানডলফডটকম নামে তাঁর একটা নিজস্ব ওয়েবসাইট আছে। এখানে তিনি সরাসরি মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমস্যার সমাধান দেন, পরামর্শ দেন। সমস্যা সমাধান তাঁর কাছে বড় ‘বিনোদন’।

সুপার ফ্লপ ব্লকবাস্টার
নেটফ্লিক্স যখন ডিভিডি ভাড়া দিত, সেই সময় এই ইন্ডাস্ট্রির ‘ডন’ ছিল ব্লকবাস্টার কোম্পানি। ২০০০ সালে নেটফ্লিক্সের সিইও ও অন্যতম উদ্যোক্তা রিড হেসটিংস গিয়েছিলেন ব্লকবাস্টারের দরবারে। ইচ্ছা ছিল, তাঁর অন্যান্য অনেক প্রতিষ্ঠানের মতো নেটফ্লিক্সকেও ব্লকবাস্টারের কাছে বিক্রি করবেন। তখন মাত্র ৫ কোটি ডলারের বিনিময়ে নেটফ্লিক্স বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা।

শুনে ব্লকবাস্টারের সিইও মুচকি হেসে বিদায় করে দিয়েছিলেন রিডকে। নেটফ্লিক্সের মতো ‘উঠতি কোম্পানি’কে তিনি কিনতে চাননি। সম্ভবত সেটাই ছিল ব্লকবাস্টারের সবচেয়ে বড় ভুল। কেননা, এর মাত্র সাত বছরের মাথায় ব্লকবাস্টার নানা ফন্দিফিকির করেও প্রতিযোগিতায় হেরে যায় নেটফ্লিক্সের কাছে। আর ২০১০ সালে দেউলিয়া হয়ে হাওয়ায় মিলিয়ে যায় ব্লকবাস্টার। মাথা উঁচু করে ডালপালা মেলে তরতর করে এগোতে থাকে নেটফ্লিক্স।

নেটফ্লিক্স যেভাবে নেটফ্লিক্স হলো
২০০৭ সালে নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং সার্ভিস দেওয়া শুরু করে। ডিভিডির বদলে ‘ওয়াচ নাউ’–এ ক্লিক করলেই দেখা যেত নেটফ্লিক্সের সব ছবি। তখন মাত্র এক হাজার ছবি ছিল। শুরুতে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে ফ্রি দেখা যেত নেটফ্লিক্স। এমনকি মাসে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ফ্রি দেখা যেত। ২০০৭ সাল শেষ হলো ৭৫ লাখ সাবস্ক্রাইবার নিয়ে। নেটফ্লিক্স দর্শকদের যুক্ত করতে জুড়ে দিল ‘মুভি রেটিং সিস্টেম’। বছর শেষে বিশ্বব্যাপী ১০ হাজার গ্রাহককে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে যুক্ততার ভিত্তিতে দেওয়া হলো ‘নেটফ্লিক্স প্রাইজ’।

২০১০ সারে নেটফ্লিক্স অ্যাপলের ডিভাইসে ঢুকে পড়ল অ্যাপ হিসেবে। আর ডিভিডির ব্যবসা তো ছিলই। তবে সাবস্ক্রিপশনের দাম বাড়াতেই যুক্তরাষ্ট্রের ৬ লাখ সাবস্ক্রাইবার হাওয়া হয়ে গেল। ২০০৬ সালে বাজারে আসা আমাজন ইনস্ট্যান্ট ভিডিও তত দিনে ঠেলেঠুলে নিজের জায়গা করে নিয়েছে।

বিষয়টা আমলে নিতে নতুন করে মিটিংয়ে বসল নেটফ্লিক্স। যে দেশে সাবস্ক্রাইবার বেশি, সেই দেশীয় কনটেন্টের ওপর জোর দিল তারা। অরিজিনাল কনটেন্ট বাড়াতেই ইঞ্জিন যেন নতুন করে স্টার্ট পেল। হু হু করে বাড়ল সাবস্ক্রাইবার। বাড়তি সাবস্ক্রিপশন ফি যেন কারও নজরেই পড়ল না। ২০১২ সালে নেটফ্লিক্স প্রাইমটাইম ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাওয়ার্ড পেল। ২০১৩ সালে মামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য ৩১টা মনোনয়ন পেয়ে সাড়া ফেলে দিল। একের পর এক আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে পুরস্কার এল তাদের ঝোলায়।

ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি হলো। ২০১৬ সাল নাগাদ ১৯০টি দেশে পৌঁছে গেল। অফলাইনে ডাউনলোড করে দেখার ব্যবস্থা যোগ হলো। ২১টা ভাষায় কনটেন্ট দেখা যেত সেখানে। এইচবিওর সবচেয়ে হিট সিরিজগুলো কিনে নিল তারা। ২০১৯ সালে তো চার-চারটা একাডেমি পুরস্কারও পকেটে পুরে নিল। এরপর আর নেটফ্লিক্সকে কে পায়!

মহামারিতে ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’
সামান্য ভুল লিখলাম। আঙুল ফুলে কলাগাছ না লিখে ‘আঙুল ফুলে শতবর্ষী বটগাছ’ লিখলে বোধ হয় আরেকটু সঠিক হতো। অতিমারিকালে ফুলেফেঁপে প্রতিযোগিতায় ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়া নেটফ্লিক্সের ব্যবসা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন করেছে বিবিসি। ২০২০ সালে কেবল প্রথম তিন মাসেই নেটফ্লিক্স পেয়েছে নতুন ১ কোটি ৬০ লাখ সাবস্ক্রাইবার, যা প্রত্যাশার দ্বিগুণের বেশি। এই লেখা যখন লিখছি, তখন বিশ্বব্যাপী নেটফ্লিক্সের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ২০ কোটি ৭৬ লাখ। আর আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন, ততক্ষণে হয়তো সংখ্যাটা বেড়ে গেছে আরও।

লকডাউনে নেটফ্লিক্সের শেয়ারের দাম এক লাফে সাড়ে তিন গুণ বেড়েছে। ই–মার্কেট বিশেষজ্ঞ এরিক হ্যাগস্ট্রম বলেন, ‘নেটফ্লিক্স ওটিটি ব্যবসার ইতিহাসে একটা বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছে। ঘরে থাকা মানুষের একটা বড় অংশ নেটফ্লিক্সের ভোক্তা। আর যাঁরা ভোক্তা নন, তাঁরা সম্ভাব্য ভোক্তা (পটেনশিয়াল কাস্টমার)।’

নেটফ্লিক্সের এই প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আগ্রহকে সামাল দিতে ইউরোপ আর আমেরিকায় এর কনটেন্টগুলোর ভিডিও কোয়ালিটি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে; যেন ইন্টারনেট বর্ধিত ভোক্তাদের চাপ সামাল দিতে পারে। নেটফ্লিক্সের কাস্টমার কেয়ারে হাজারো কর্মীর নতুন নিয়োগ হয়েছে ভোক্তাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখার জন্য। তবু সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদ্বন্দ্বী ডিজনি প্লাস আর আমাজন প্রাইমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন সবচেয়ে বেশি মানুষের ঘরে ঢুকে পড়েছে নেটফ্লিক্স।


Amid the lockdown, ARK Reepon - founder of ARTcon - came up with the idea of virtual reality (VR) tours of exhibitions and events, which gives visitors the chance to virtually tour art exhibitions and help the agency document the works of artists

Last year, when everything came to a standstill due to the Covid-19 pandemic, the country's art scene was badly hit as exhibitions were forced to be postponed as the country went into a nationwide lockdown.

Subsequently, art enthusiasts could not visit art galleries, and renowned art summits and festivals did not take place either.

Amid the lockdown, ARK Reepon - founder of ARTcon - came up with the idea of virtual reality (VR) tours of exhibitions and events, which gives visitors the chance to virtually tour art exhibitions and help the agency document the works of artists and future events. 

"BANGABANDHU: Statesman of the Era" was the first mega event curated by ARTcon as a VR and Explore 3D Space tour. 

Following the success of the event, ARTcon curated a number of exhibitions in 3D format and "Chobi Mela Shunno" is one of the major events being curated by the agency.

The virtual edition of "Chobi Mela" was launched on 21 February, which was praised by art-enthusiasts from both home and abroad.

This virtual tour allows art enthusiasts to experience Chobi Mela, along with every corner of the exhibition and the Pathshala building, virtually in 3D through the official website of ARTcon till August.

DollHouse' view of Pathshala building which showcases the layout and space accurately and effectively in 3D. Photo: Courtesy

Capturing art in VR

The process to capture art and such a big event like Chobi Mela in VR was not easy.

First and foremost, the VR process requires a good sense of photography, space, architecture and, of course, specialised cameras and scanners.

"Converting any space into VR is a daunting task. My team members and I worked hard to develop the process during the lockdown last year," informed Reepon.

Reepon and his ARTcon team, consisting of three members - Homaed Ishaque Moon, photographer and VR content developer; Minhaz Islam, artist and creative coordinator; Ebrahim Khalil, software dveloper and IT coordinator; Israk Rayhan Apu, multimedia coordinator - had to go through intense online trainings for almost three months last year, when they purchased necessary equipment for VR shooting.

Reepon explained, "In order to capture everything in VR, you will need special cameras and scanners and a good understanding of using the cameras. Different cameras are required for different angles depending on the time and location. You can't use the same camera for both day and night shoots."

Besides 360 video equipment, projecting VR also requires VR softwares to process the  footage and photos.

"Luckily I have two photographers and a software engineer in my team who bring both technical and aesthetic knowledge to the table and my previous work experience has helped us understand the architectural aspect of any location while capturing the exhibitions," said Reepon.

He added, "We also have to pay attention to where to add the music, details of the displayed artworks, projection of the gallery or building while editing the captured footage and photos."

The process is new and Reepon and his team worked hard to develop it. They are confident that this technology is the beginning of a new era that will help them to archive the works of veteran artists.

Some essential gear the ARTcon team requires are 3D scanners, LiDAR Camera, 360 camera, DSLR camera with fisheye lenses, VR headset, panoramic head, drones for birdseye VR tour), underwater equipment for underwater VR tour and other VR supporting gadgets.

When Reepon worked at Cosmos Gallery, they wanted to publish a book on artist Shahabuddin Ahmed for which Reepon had to visit France. There, he met Dominique Stal, a book publisher.

Later, when Dominique came to Bangladesh, he observed the Bangladesh art scene and encouraged Reepon to start an art agency for artists, which later became ARTcon. 

Initially, Reepon wanted to create profiles of both eminent and emerging artists. With that motto, he has been working simultaneously as an art agent and to create complete catalogues with details of each artwork, archives and, of course, VR exhibitions have become a part of the plans now.

"ARTcon means 'art consultancy'. Artist Kalidas Karmakar was the first artist to get our services. As an art agent, what I try to do is arrange exhibitions, create catalogues for the artists and in return, ARTcon takes a portion from the artists, depending on whatever they earn from the exhibitions," Reepon told the correspondent.

"When I first thought of the idea of ARTcon, my vision was to help the artists so they can focus on their artistry. Artists I know and have previously worked initially supported me."

Launched in 2015, ARTcon has traversed a long way and last year, when everything was shutting down, the idea of VR exhibitions and 3D space came to Reepon's mind. He then shared the idea with his close colleagues and Luva Nahid Choudhury, Director General of Bengal Foundation welcomed the idea enthusiastically.

Reepon said, "Executing the idea wasn't easy. My team worked really hard on this and now the artists or galleries can pay a subscription fee to tour their events in VR from our website, where art lovers can enjoy art shows if they are unable to attend it physically."

For Chobi Mela, Reepon used cutting-edge technology for creating the VR version of the displayed artworks.

"For Chobi Mela, we converted the Drik building into VR for the audiences so they can explore the entire exhibition exactly as it is in physical format. Now, art lovers can experience the exhibition in 3D virtual space on a computer monitor and experience the audio through VR headsets, or even on smartphones with an internet connection," Reepon explained.


Moshtaq Ahmed is the co-founder and CEO of the NybSys, Racson, and other companies which operate in six countries on three continents.

Moshtaq Ahmed. Illustration: TBS
Moshtaq Ahmed has an entrepreneurship bone in his body; but when you have a conversation with him, the soft-spoken, mild mannered tech entrepreneur in his late 40s would casually tell you that he never runs after money or business, rather, those 'happen' to him as by-products of what he does.

Moshtaq has always been a fan of sailing into rather unchartered territories.

Mundane or conventionality is not his cup of tea and he prefers coffee. Perhaps, that love for coffee took him to Africa – the mysterious and vast continent, known for producing some of the finest coffees – and prompted him to set up his IT business over there.

When asked about that, he smiled and said, "I am not that poetic. I crunch numbers. I sip coffee so that I do not doze off while working."

His jet-set life-style indeed flies on cups of coffees as he needs to look after his business set up in South Africa, Swaziland, and Bangladesh.

In recent years, Moshtaq, a Harvard graduate, tried to create an inroad in the US market.

"It is the toughest IT market to get into. Because it is the most mature one. I am having talks with different companies over there. I am trying to build partnerships there in the US market."

He said the best option for an IT entrepreneur now is to build a new company with a 'unique' product or service and sell it to the tech giant with a hefty price tag. That is the norm in the global IT market.

To him, there is no point of hankering after an IT product or a company after a certain point if it begets a good price from a giant. "If the time is ripe and the prices are right, sell it. That is my philosophy."

From business studies to coding

Moshtaq's background in business studies and street-smart upbringing shape his philosophy of business.

After finishing higher secondary education, he thought of studying physics and got admission in Dhaka University's physics department but his family asked him to get enrolled in business studies.

While doing his Bachelor of Business Administration (BBA) at Jahangirnagar University, he found that the curriculum could barely challenge his intellect. "Yes, Philip Kotler's marketing was interesting but to be frank, I was not satisfied with what I was studying. I loved coding and devoted most of my time to learning new things about information technologies."

He also was a regular contributing writer to the monthly 'Computer Jagat' – a popular vernacular IT magazine. To a group of people, he also acted as sort of a cult IT mentor who taught them about the newest technologies.

He famously created a computer virus which gave birth to a legendary rumour in Nilkhet – one of Dhaka's famous books and stationery markets, frequented by students of different colleges and universities.

"Those were interesting days of my life.  During the 'Boi Mela' (Book Fair) of 1999, we thought of doing something new: Announcing book launches through animation in PowerPoint. We pitched the idea to Bangla Academy and they accepted it."

However, he said, while working on the actual animation, they faced trouble. "We used a 486 Pentium computer and we could not turn it off for five to seven days to render the animation but consistent electricity without load-shedding was rare then."

"While we had uninterrupted electricity at Jahangirnagar University, it was not the same case at Dhaka. Anyway, we completed the project at Jahangirnagar through networking. I still remember that challenging project."

A major breakthrough in career

The first real big IT project that he worked on was the birth registration system of Bangladesh which was introduced in the country back in 2000.

Now looking back at his illustrious career, Moshtaq admits that it was that work which helped him to jump-start a career that he has now.

"I worked diligently on the project, designed it and wrote the case-study about its function near the end of 2001. The case-study was published in Manchester and as a result my reputation started to grow. Before that, there was a time when nobody even paid me properly. Perhaps, they did not understand my work properly," he explained.

But after the successful implementation of the project, his reputation grew as people could see that everything was running smoothly and the immunisation and registration processes were in order.

He said, "After my article was published internationally, I received a call from DFI. I got the opportunity to work with the Bangladesh Water Development Board. Afterwards I had the chance to work with the ICT Taskforce."

A few days later, Moshtaq got an opportunity to work in Swaziland in Africa. "But there was a problem since I was a non-ACP citizen for Africa. ACP citizen means Asia Pacific and Africa. If you do not hold that citizenship, you are not allowed to become a consultant. But somehow I got the chance and I worked there for six months."

He worked with the Swaziland government and helped them to develop a system for their home loan distribution. "Interestingly, at that point, I had no plan of opening a company but later I was compelled to open one to receive the payment because apparently without opening a company, I could not receive the payment from the government as there was some complication."

That is how Moshtaq first opened his company named Dhaka Net in Swaziland in 2006. "I am now mostly based in South Africa but my family and I divide our time between Swaziland and South Africa, depending on the political situation of those countries. You never know what happens in Africa."

Exploring the fin-tech and hardware market

Two years later, Moshtaq expanded his business into financial technology and opened his fin-tech firm. "We have solutions for code-scanning, loan repayment, loan assessment etc. At present we are running the total system with the help of two countries. The entire process of credit assessment and loan recovery is conducted through our system. This system is operational in Swaziland where the annual transaction is around $65 million."

In between doing government projects and establishing companies in Swaziland, Moshtaq completed a masters in information technology from Harvard University in the US.

After fin-tech, Moshtaq had started working with devices. Since he had a good stream of revenue coming from fin-tech, he wanted to venture out in new areas and this time in Bangladesh: He established a company named NybSys in 2010.

"I have been investing Tk two to five crores annually. In the last nine years, the direct investment has reached approximately Tk20 crores. Here our primary work is on R&D. It takes a lot of passion to do R&D work," he said.

Moshtaq believes fin-tech is the future and Bangladesh eventually will adopt the latest trends of financial technologies. The questions that are critical to that adaptation are 'when' and 'how'.

He opined, "You see, if you want smart fin-tech in the country, then you will need smart citizens. You will need to create smart businesses and a smart government. Smart citizens and a smart government are strongly related to fin-tech."

He said Bangladesh is yet to become cash-less, even coins are in circulation. "At the toll-booth, you need to pay in cash. Overall when you can achieve the cash-less society, only then can you say that you have entered the age of smart fin-tech. If the government focuses on R&D and intends to do smart business in its base, if this is how they proceed then Bangladesh will go to the next level."


The Bangladesh Bank will introduce an escrow service so that online shoppers can cancel purchase orders at any time after ordering a product by paying the price in advance, and get a refund.

Payment gateways like banks will refund the money to the account through which the buyer using debit card, credit card or mobile financial services will pay for an online purchase, said Md Hafizur Rahman, additional secretary of the Ministry of Commerce and the head of the e-commerce cell.

He said, "A letter has been sent to the Bangladesh Bank on Sunday to issue a circular to the payment gateway companies to withhold the advance payment of customers for online shopping until the goods are delivered."

The development came on the heels of a report published on 22 June by The Business Standard based on the central bank's report on Evaly.

Under the new rules, the payment gateway banks and financial institutions will keep the buyer's advance payment to themselves. After the e-commerce company delivers the goods and submits the delivery document signed by the buyer to the payment gateway, the price of the goods will be transferred to the account of the e-commerce company.

Asked how long a buyer will wait for the delivery of a product after paying the price in advance to claim a refund, Hafizur Rahman said a buyer can cancel the order at any time and get a refund.

A buyer can even cancel an order within two days of placing the order, if they want to take a refund, he added. "Again a buyer can wait for a longer period if they want."

He said the payment gateways will refund buyers whenever they cancel orders and seek a refund before the product is delivered. Cancelling an order or getting a refund will not depend on the will of e-commerce companies, he added.

Mejbaul Haque, general manager of the Bangladesh Bank's Payment Systems Department, told TBS on Thursday that if they receive a letter from the commerce ministry on Sunday, they will be able to issue a circular to payment gateway operators by the end of the week to manage the transactions of e-commerce companies.

According to data provided by the Bangladesh Bank, IT Consultant Limited, SSL Commerce Limited, Surjomukhi Limited, Pragati System Limited and Portonics Limited Payment System Operator (PSO) and Dutch-Bangla Bank, BRAC Bank, Eastern Bank, Southeast Bank, Prime Bank and City Bank are currently providing gateway services in the country.


Business Information / Escrow: What Is It, And How Does It Work?
« on: July 04, 2021, 12:25:49 PM »
What Is Escrow? A Definition
Escrow is a legal arrangement in which a third party temporarily holds large sums money or property until a particular condition has been met (e.g., the fulfillment of a purchase agreement).

Types Of Escrow Accounts
In real estate, escrow is typically used for two reasons:
To protect the buyer’s good faith deposit so the money goes to the right party according to the conditions of the sale
To hold a homeowner’s funds for taxes and insurance

Because of the different purposes it serves, there are two types of escrow accounts. One is used during the home buying process, while the other is used throughout the life of your loan.

Escrow Accounts For Home Buying

When you’re buying a home, your purchase agreement will usually include a good faith deposit (also known as earnest money). This deposit shows that you’re serious about purchasing the home. If the contract falls through due to the fault of the buyer, the seller usually gets to keep the money. If the home purchase is successful, the deposit will be applied to the buyer’s down payment.

To protect both the buyer and the seller, an escrow account will be set up to hold the deposit. The good faith deposit will sit in the escrow account until the transaction closes. The cash is then applied to the down payment.

Sometimes, funds are held in escrow past the completion of the sale of the home. This is called an escrow holdback. There are many reasons an escrow holdback may be needed. Perhaps you agreed that the seller can stay in the home an extra month. Or maybe you found something wrong with the property during the final walk-through.

If you’re building a new home, money may remain in escrow until you’ve signed off on all the work. Once the conditions are met, the money will be released to the right party.

Escrow Accounts For Taxes And Insurance

After you purchase a home, your lender may establish an escrow account to pay for your taxes and insurance. After closing, your lender (or mortgage servicer, if your lender isn’t servicing your loan) takes a portion of your monthly mortgage payment and holds it in the escrow account until your tax and insurance payments are due.

The amount required for escrow is a moving target. Your tax bill and insurance premiums can change from year to year. Your servicer will determine your escrow payments for the next year based on what bills they paid the previous year. To ensure there’s enough cash in escrow, most lenders require around 2 months’ worth of extra payments to be held in your account.

Your lender or servicer will analyze your escrow account annually to make sure they’re not collecting too much or too little. If their analysis of your escrow account determines that they’ve collected too much money for taxes and insurance, they’ll give you a refund.

If their analysis shows they’ve collected too little, you’ll need to cover the difference. You may be given options to make a one-time payment or increase the amount of your monthly mortgage payment to make up for a shortage in your escrow account.

What Escrow Accounts Don’t Cover
Escrow accounts don’t cover all the expenses related to homeownership. Your lender or servicer won’t collect money to pay your utility bills or HOA fees, for instance.

Supplemental tax bills are also not covered by escrow accounts. These are one-time tax bills that are issued due to a change in ownership or new construction. Your lender can’t predict when you’ll get a supplemental tax bill or how much it will be.

Do You Need An Escrow Account?
It’s possible to pay for property taxes and insurance yourself instead of using an escrow account. Doing so will lower your monthly mortgage payment, but you’ll have to save for tax and insurance payments on your own.

Not everyone will have the opportunity to opt out of having an escrow account on their loan. Escrow accounts are sometimes a requirement. For VA loans, for example, you’ll need 10% down and a strong credit profile to opt out of having an escrow account. For conventional loans, you’ll need to have a down payment of 20% or more. FHA loans require all borrowers to have an escrow account.

It’s also possible to use your escrow account for some expenses and not others. Sometimes lenders require escrow for property taxes but not homeowners insurance.

Who Manages An Escrow Account?
Escrow accounts may be handled by a variety of third parties, including an escrow company, escrow agent or mortgage servicer. Where you are in the process will determine who manages the account.

Escrow Companies And Escrow Agents

When you’re buying a home, escrow may be managed by a specialized company or agent. The escrow agent or company is sometimes the same as the title company.

The escrow company not only manages the buyer’s deposit; they may also be responsible for holding on to the deed and other documents related to the sale of the home.

Because the escrow company is working for both the buyer and the seller in the real estate transaction, the fee for their services is usually split evenly between the two parties.

Mortgage Servicers

Your mortgage servicer manages your mortgage from closing until you pay off your loan. Mortgage servicers are responsible for collecting your mortgage payment, maintaining the records of payments and managing your escrow account.

Your mortgage servicer is sometimes your lender, but not always. Sometimes lenders sell the servicing rights to your loan. It’s a good idea to know ahead of time whether your lender typically services their own loans. Not all mortgage servicers provide the same level of service – and some charge more fees than others.

With your mortgage servicer taking care of your escrow account, there’s not much you have to do. You don’t have to send in your tax or insurance bills – your servicer will make sure they know who to pay, and when.

The only exception is if you change insurance providers or policies. You may need to provide the new policy information to your servicer.

The Benefits Of An Escrow Account
The biggest benefit of an escrow account is that you’ll be protected during a real estate transaction – whether you’re the buyer or the seller. It can also protect you as a homeowner, ensuring you have the money to pay for property taxes and homeowners insurance when the bills arrive. You’ll find that there are a few other great benefits for home buyers, owners and lenders, too.

For Home Buyers

An escrow account is key to protecting your deposit during a home sale. For example, say you have a purchase agreement, but the sale falls through due to a problem found during the home inspection. If you’d given your deposit directly to the seller, there’s a chance the seller wouldn’t return your deposit. But since the deposit is being held by a third party, you can be confident it will be returned according to your agreement.

For Homeowners

An escrow account takes the pressure off you to come up with a lump sum to cover taxes and insurance. Since you’re paying for your taxes and insurance throughout the year, the payments are much more manageable.

Another bonus is that you don’t have to keep track of all the different due dates. When your tax bills and insurance premiums are due, your mortgage servicer will make sure those bills are paid on time, every time. That way, you’re not responsible for any late payments. Your servicer will even cover bills for you if your escrow account is short on funds.

For Lenders

Lenders have a vested interest in making sure your property taxes and insurance get paid:

If your tax bills don’t get paid, the tax authority could put a lien on your home – which could end up costing the lender money if the tax authority chooses to foreclose.

If your homeowners insurance coverage lapses, significant damage to or loss of the home means your lender loses money.

Having an escrow account on the loan allows the lender to ensure the bills get paid.

The Disadvantages Of An Escrow Account
When it comes to the disadvantages of an escrow account, it’s the homeowner who encounters most of the burden. Here are some examples:

Higher mortgage payments. As stated before, an escrow account is funded through your monthly mortgage payment, making your monthly bill higher than it would be without escrow.

Incorrect estimates. As stated before, the amount needed for your escrow depends on your property taxes and homeowners insurance costs, which can change from year to year. Your servicer will determine the amount needed based on the previous year’s bills.

But here’s the thing: When you first move into your home, your property is reassessed. This may cause your property taxes to increase substantially, especially if the home value has risen. A significant rise in your property taxes could happen repeatedly for the first few years you live in the home before it steadies.

When a servicer estimates the escrow, they may not take into consideration such a big increase in the property taxes. Because of this, your escrow may come up short.

If that happens, you’ll have to pay the difference out of your own pocket. On the flip side, if there is any money left over in your escrow after paying the taxes and insurance for the year, your servicer will cut you a check for the excess funds.

Changes to your monthly payment. Escrow is reassessed each year and, depending on if you were short or had excess money, your servicer will come up with a new estimate for the year. If you were short, your mortgage payment will go up because the estimate will increase.

This higher estimate is an effort to prevent another shortage. If you had too much money in the account, your mortgage payment may go down or stay the same.

Final Thoughts on Escrow
Escrow is an important part of purchasing a home. It protects buyers and sellers during home sales and offers a convenient way for you to pay for your taxes and insurance.

An escrow account is sometimes required, and sometimes it’s not. It depends on the type of loan you get, as well as your financial profile. It may be tempting to go without an escrow account because it could mean a lower monthly mortgage payment – but escrow can actually provide peace of mind by removing your responsibility to make sure those important bills get paid.



Keya Cosmetics becomes a textbook case of how a high-flying company falls from grace in fits and starts.

Even when the manufacturers of hygiene products and toiletries were making higher profits thanks to increased demand due to the coronavirus pandemic, Keya Cosmetics remains an exception and brings no good news for its shareholders.

Reckitt Benckiser Bangladesh, a company of almost the same kind, witnessed a 54 per cent leap in its profits and 29 per cent jump in sales in the first half of 2020.

Keya Cosmetics, which had provided 10 to 50 per cent dividend to its shareholders since its listing with the bourses in 2001, has of late been making no disclosures that could be a sight for sore eyes.

Incorporated in 1996, the company has been announcing repeatedly to its shareholders that its sponsors, including Chairman Abdul Khaleque Pathan, want to offload their shares.

As a result, the sponsors' shareholding dropped to 46.27 per cent on 30 June 30, from 62.77 per cent on 30 June 2017. Now, the sponsors cannot even sell their shares due to a poor demand.

In an effort to reduce costs, the company also shifted its corporate office from Banani to Gazipur, adjacent to its factory.

As the company has not been publishing its quarterly reports since the 2016-17 financial year, the stock market regulator fined its directors Tk 1 lakh each in 2018.

In spite of that, the cosmetics and toiletries maker did not bring out any quarterly report until now, except making a sudden announcement to provide 10 per cent stock dividends for the year that ended on 30 June 2018.

After that, it had again gone into hibernation.

On top of that, Financial Reporting Council (FRC), the regulator for establishing standards of financial reports in Bangladesh, found that Keya Cosmetics announced dividend on the basis of fake earnings.

"Its balance sheet was overvalued by more than Tk 1,000 crore and the amount might be laundered," said Md Sayeed Ahmed, executive director of the FRC.

Keya Cosmetics exported products to its own company in Europe, but the export proceeds have yet to arrive.

"Meanwhile, the earnings have been shown in its profits, so we suspect the money might have been laundered."

When sponsors of a company want to sell their shares they tend to overvalue their profits and give stock dividends that are provided in the form of shares instead of cash.

The FRC asked the company in February last year about the over-valuation of its profits, but is yet to get any response.

The company did not hold annual general meetings in the last two years showing lame excuses, though listing regulations bind all companies to hold AGM regularly, Ahmed added.

Against the backdrop, stock investors who own 44.48 per cent shares in the company have been put in a tight corner.

"Why a once-reputed company like this plunged into such a bad situation should be investigated by the Bangladesh Securities and Exchange Commission," said Md Masud Alam, a stock investor.

The company won the national export trophies in 2002-03, 2003-04 and 2004-05.

"I think it might have fallen into trouble due to amalgamation with its other non-listed ventures," Alam said.

Keya Cosmetics amalgamated with Keya Detergent and Keya Soap Chemicals in 2010 and then with three other companies -- Keya Spinning Mills, Keya Cotton Mills, and Keya Knit Composite -- in 2015.

Before the amalgamation in 2010, Keya Cosmetics' earnings per share was Tk 5.26, which dropped to Tk 1.55 in 2013.

After 2015, the company became irregular in publishing annual reports and holding AGMs.

Ahmed, who is also a former deputy managing director of Pubali Bank, found four reasons behind the fall of the company.

Firstly, the company had no corporate culture and it was run by relatives of the company chairman.

Secondly, the company fell into problems in 2010 when cotton prices in the world market became volatile and the company purchased a huge amount of cotton at a very high price.

Thirdly, the company borrowed a huge amount of money from banks so its debt burden was skyrocketing along with interest.

The company's long-term loan was Tk 859.85 crore and short-term loan Tk 634.45 crore, according to its annual report for the 2016-17 financial year.

And fourthly, the company's chairman stayed abroad for a long time and so local production was not taken care of properly.

Some of the products of Keya Cosmetics had won the hearts of customers and these were among the top selling products even a few years ago. But now, their demand has fallen drastically, said a top official of a leading cosmetics producer, requesting anonymity.

The biggest blow came when its chairman was arrested by the Anti-Corruption Commission on charges of loan fraud involving Tk 110 crore. The loan was taken for its concern Keya Yarn Mills from state-owned Bangladesh Krishi Bank.

Pathan, now on bail, did not respond to phone calls and text messages from The Daily Star yesterday.

A top official of the BSEC said they already fined the company for not publishing financial reports.

"The company is under the scanner. Our team is working on it as it is breaching rules again and again," the official said, asking not to be named.

Stocks of Keya Cosmetics, whose paid-up capital is Tk 1,002 crore, closed at Tk 3.10 in the Dhaka Stock Exchange yesterday, up 6.7 per cent from the previous day.

আশি কিংবা নব্বই দশকের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া যে কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, কোন কলমে লেখা শুরু করছেন? তবে নিশ্চিত থাকুন উত্তরটা আসবে, ইকোনো। ইকোনো, বাংলাদেশের প্রথম বলপয়েন্ট কলম। ইকোনো, আশি-নব্বইয়ের দশকের সবার কাছে শুধুমাত্র বলপেনই নয় বরঞ্চ নস্টালজিয়ার নাম।

১৮৮৮ সালে দেশের প্রথম প্লাস্টিক কলম ইকোনো বাজারজাত করে জিকিউ কোম্পানি। ৩ টাকা দামের কলমটি অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেয়ে যায় দেশজুড়ে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের কাছে থেকে এর জনপ্রিয়তা পৌঁছে যায় অফিসেও। শহরতো বটেই গ্রামেও বাড়তে থাকে চাহিদা। সেসময় ৭ টাকা দামের রেডলিফ কলম পাওয়া গেলেও, সাশ্রয়ী মূল্যই দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে ইকোনোকে।

নস্টালজিয়া ভরা ইকোনো যুগ
৩ টাকার ইকোনো যুগে হঠাৎ আগমন ঘটে সাড়ে ৩ টাকার ইকোনো ডিএক্স’র। কালোর সাথে যুক্ত হয় লাল ও নীল রঙ। শৈশবের আনন্দে যুক্ত হয় নতুন মাত্রা। বইয়ের সাদা-কালো ছবিগুলোতে, শিউলিফুল ঘসে-ঘসে কমলা রঙের সাথে এঁকে দেওয়া যায় নীল আকাশে। যে আকাশে নেই কোনো কালো মেঘ, শৈশবের দুরন্তপনার সাথে হাতছানি দেয় আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন। ঘোমটা টানা বউটার কপালে টুক করে লাল টিপ পড়িয়ে দেয়া, মাঠে গরু নিয়ে যাওয়া রাখাল ছেলেটির খালি গাঁয়ে নীল রঙের গেঞ্জি পড়িয়ে দেওয়া। লাল-নীলে ভরা নতুন এক অনুভূতি।

এই কালিতে স্কুলের শার্ট প্যান্টের পকেট ভরায়নি এমন মানুষ খুব একটা পাওয়া যাবে না। এই ঘটনার প্রচলিত শব্দ হল, ‘কলম হেগে দিয়েছে’!

তাই বলে কি সবাই আর এই অনুভূতি পায়? পঞ্চাশ পয়সা বেশি দামের এই অনুভূতি কিনতে মায়ের কড়া নিষেধ। ক্লাসে শুধু আড় চোখে বন্ধুর কলম দেখা ছাড়া কি আর করার! তাতে কি টিফিন প্রিয়ড কিংবা ক্লাসের ফাকে ‘কলম খেলা’ কিংবা ‘পেন ফাইটিং’ সব আফসোস ভুলিয়ে দেয়। কলম ফাইটকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে শিক্ষকদের ভয়। স্যার-ম্যাডাম যদি ঘুনাক্ষরেও টের পেয়ে যায় পিঠের বেতের ঘা ফরজ হয়ে যাবে।

সাদা-কালো রঙের ষড়ভূজ আকৃতির কলমের সাথে কালো একটা মুটকি, মুটকির সাথে চিকন একটা ডান্ডা। কলম কেনার দিনই কামড়িয়ে বাঁকা করিয়ে ফেলা ডান্ডাটি। কিংবা চিবিয়ে চিবিয়ে ভাস্কর্য বানিয়ে ফেলা। সে চিবানোর মধ্যেও অন্যরকম অনুভূতি। লেখার সাথে কালির তীব্র ঘ্রান। কলমের মুখের দিকটা আগুনে গলিয়ে পেছনের ফুটো দিয়ে ফু দিলেই গলে যাওয়া অংশ থেকে অবিকল বেলুনের মত ফুলে যাওয়া স্বচ্ছ গোলাকার বল বের হত! আহা! কি দারুণ সে শৈশব!

লিখতে লিখতে হঠাৎ শেষ কলমের কালি, মায়ের কাছে যেয়ে, কলম কেনার জন্য ৩ টাকা চাইতেই, মা কটমট করে তাকিয়ে বলেন, ‘সেদিনইতো কলম কিনলি, যা নিয়ে আয় দেখি কলমটা’। কলমের পিছনের ছিদ্র দিয়ে মা তাকিয়ে দেখেন কালি জমে।আছে কি। চুলো কিংবা ল্যাম্পোর আগুনে তাপ দিয়ে গলিয়ে ফেলেন জমাট কালি। চলে যায় আর কয়েকদিন।

প্রায়ই কলমের পিছন দিয়ে কালির বের হয়ে নষ্ট করে দেয় জামা-প্যান্ট। বিশেষ করে এই কালিতে স্কুলের শার্ট প্যান্টের পকেট ভরায়নি এমন মানুষ খুব একটা পাওয়া যাবে না। এই ঘটনার প্রচলিত শব্দ হল, ‘কলম হেগে দিয়েছে’! শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটিই ছিলো বাস্তবতা।

সাদাকালো যুগের বিটিভিতে ইকোনো কলমের শিহরণ জাগানো বিজ্ঞাপন। একটা বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেল ছিলো, ‘আব্বুর জন্য ইকোনো, আম্মুর জন্য ইকোনো, সবার জন্য ইকোনো।’ অন্য একটি বিজ্ঞাপনে দেখা যেতো, একটা কলম একটানা দাগ দিয়ে চলেছে, আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বলতো, ‘এক কলমে মাইল পার!’ এই বিজ্ঞাপনটি দেখে মাথায় একটায় চিন্তা আসতো, কিভাবে এক মাইল লেখা যায়! এক মাইল লম্বা কাগজ কি আদৌ আছে?
যেভাবে হারিয়ে গেলো ইকোনো যুগ
ঘড়ির কাঁটা থমকে গেলেও, অপেক্ষা করেনি সময়। শৈশব গড়িয়ে, কৈশোর, যৌবন পেড়িয়েব,জীবন অনেকের প্রান্ত বেলায়। শৈশবের আনন্দমাখা দিনগুলোর সাথে আজ হারিয়ে গেছে ইকোনো। বর্তমান প্রজন্মতো নাম শুনলে চিন্তেই পারবে না। কিন্তু এক প্রজন্মের হাসি-কান্না, উচ্ছাস ভরা জীবনের সাক্ষী কিভাবে হারিয়ে যেতে পারে?

১৯৮৮ সালে ইকোনো বাজারে আসার পরপরই, এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়, ৫ বছরে এর রেভিনিউ দাঁড়ায় ২ গুণ। ১৯৯৩ সালে এর রেভিনিউ ছিলো ২৫ কোটি টাকা। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাঁড়তে থাকে ইকোনোর নির্ভরশীলতা।১৯৯৭ সালে রেভিনিউ বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৪০ কোটি টাকা।

জনপ্রিয়তা আর বিক্রি বাঁড়লেও ইকোনো ডিএক্সের পর নতুন কোনো ডিজাইন আসেনি বাজারে। ১৯৯৮ সালে বাজরে আসে ম্যাটাডোর। সম্পূর্ণ ভিন্নতা নিয়ে বাজারে ম্যাটাডোর। রাবার গ্রিপ বডি সাথে সূক্ষ নিপ, আকর্ষণীয় ডিজাইন। রাবার গ্রিপের বডি হওয়ায় ধরতে আরামদায়ক, সূক্ষ্ম নিপে লেখা হয় স্মুথলি। সাথে আকর্ষণীয় রঙ আর ডিজাইন ফলে অল্প সময়েই ক্রেতাদের নজর কারে ম্যাটাডোর।

ম্যাটাডোরের উত্থানের সাথে-সাথে মার্কেট হাঁরাতে থাকে ইকোন। ম্যাটাডোর ২ টাকা বেশি হলেও, এর ব্যবহার উপযোগিতা সবার ভরসা গ্রহণ করে। পাশাপাশি ম্যাটাডোরের উপযোগিতা সামনে নিয়ে আসে ইকোনোর ত্রুটিগুলো। ইকোনোর নিপ মোটা, স্মুথলি লেখা যেতো না। লেখার সময় কালি ছড়িয়ে যাওয়া। ইকোনোর ডিজাইনে পেছনে ছিদ্র ছিলো, ফলে কালি পকেটে ছড়িয়ে যেতো। কিন্তু কালি ছড়িয়ে যাওয়া বন্ধে ম্যাটাডোর কলমের পিছনে যুক্ত করে পিন। ইকোনোর প্লাস্টিক বডি, রাবার গ্রিপ নেই, তারউপর ষড়ভুজ আকৃতি ধরতে কষ্ট দীর্ঘক্ষণ লিখতে কষ্ট। সবশেষ ডিজাইনের অল্প কয়টি।
২০০২ সালে ইকোনোর রেভিনিউ ৪০ কোটি থেকে একাবের অর্ধেকে এসে থামে ২২.৫কোটিতে। ২০০৪ সালে মার্কেটে টিকে থাকতে ০.৫ মিমি নিপের কলম আনে ইকোনো। কিন্তু ততদিনে মার্কেটের রাজত্ব নিয়েছে ম্যাটাডোর। ২০০৭ রেভিনিউ নেমে আসে ১৭ কোটি টাকায়। ২০০৮ সালে বেশ কিছু মডেলের কলম বাজারে ছাড়লেও। পর্যাপ্ত মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপনের অভাব, সেই সাথে ম্যাটাডোরের পাশাপাশি মেরিট ও অলেম্পিক কোম্পানির কলমের ভিড়ে জায়গা করতে পারেনি ইকোনো।

ইকোনোর কলম এখন বাজারে পাওয়া গেলেও, সেই ইকোনো বা ইকোনো ডিএক্স আর বাজারে নেই। ফলে সময়ের সাথে হারিয়ে গিয়েছে এক প্রজন্মের নস্টালজিয়া। যা আজ শুধুই স্মৃতি।


সাদা শার্টের পকেটের কোনায় বা প্যান্টের পকেটে কলমের কালির দাগ! ছোটবেলায় কমন একটা দৃশ্য ছিল আমাদের জন্য। আর এই দৃশ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে একটি কলমের নাম। ইকোনো ডিএক্স (ECONO DX)

নব্বইয়ের দশকে কলমের কথা বললে মানুষের মনে ইকোনো ডিএক্সের কথাই আসত। বলতে গেলে মার্কেটে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল জিকিউ কোম্পানির এই বলপয়েন্টের। কিন্তু ২০০০ সালের শুরু থেকেই হঠাৎ করে বাজার হারাতে শুরু করে ইকোনো। সেই যে শুরু আস্তে আস্তে মুছে যেতে শুরু করে মানুষের মন থেকে।

কী হয়েছিল ইকোনোর?

প্রথম কারণ বাজারে নতুন এবং শক্ত কম্পিটিটর। তখন ম্যাটাডোর, অলিম্পিকসহ আরও কিছু কোম্পানি বাজারে আসে এট্রাকটিভ ডিজাইন ও কম্পোর্টেবল কলম নিয়ে। যেটা মানুষকে ইকোনো থেকে অন্য ব্র্যান্ডে শিফট করতে বাধ্য করে। এ ছাড়া ম্যাটাডোরের সূক্ষ্ম নিবের বিপরীতে ইকোনোর মোটা নিবের লেখা তাদের অনেকটা পিছিয়ে দেয় মার্কেটে।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে বলা যেতে পারে প্রোডাক্ট ডাইভার্সিটি। যেখানে অন্য কোম্পানিগুলো নতুন নতুন ডিজাইনের কলম বাজারে আনছিল, সেখানে জিকিউ একই ডিজাইনেই পড়ে ছিল। দিন যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ডিজাইন একঘেয়ে ও পুরোনো লাগছিল গ্রাহকদের কাছে। স্বভাবতই মানুষ নতুনের দিকে ধাবিত হয়েছিল।

তৃতীয় কারণ মার্কেটিং। অলিম্পিক বা ম্যাটাডোর যেভাবে মার্কেটিংয়ে জোর দিয়েছিল তেমনটা ইকোনোর ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। বিশেষ করে টেলিভিশন বিজ্ঞাপন। কারণ সে সময়ে শহর থেকে গ্রাম সবখানে রঙিন টেলিভিশন সহজলভ্য হতে শুরু করেছিল।

এ ছাড়া ইকোনো কলম প্লাস্টিকের হওয়ায় হাত ঘেমে গিয়ে লিখতে অসুবিধা হতো, কালি জমে যাওয়া এবং যখন তখন পকেট নষ্ট করার ব্যাপার তো ছিলই।

পরবর্তী সময়ে নতুন ডিজাইনের কলম দিয়ে, পুরোনো কলম রিব্র্যান্ড করে, নস্টালজিক কিছু বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাজারে ফিরতে চেষ্টা করেছিল এবং এখনো করে যাচ্ছে ইকোনো। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেছে। ম্যাটাডোর ইতিমধ্যে একটা শক্ত অবস্থানে চলে গেছে। এ ছাড়া গুডলাকের কলমও অনেকখানি বাজার দখল করে নিয়েছে।

তারপরও চাইব স্বরূপে ফিরে আসুক আমাদের শৈশবের প্রথম কলমটি।


What's your Thought?

Successful Entrepreneur / India’s 10 Richest Billionaires 2021
« on: July 04, 2021, 11:43:58 AM »
Mukesh Ambani added nearly $48 billion to his fortune since last year, and reclaimed the title of Asia’s richest person.

Another Covid-19 wave is sweeping across India and total cases now exceed 12 million. But the country’s stock market has shrugged off its pandemic funk to scale new peaks; the benchmark Sensex is up 75% from a year ago. The total number of Indian billionaires rose to 140 from 102 last year; their combined wealth has nearly doubled to $596 billion.

Prosperity rules at the very top: The three richest Indians alone have added just over $100 billion between them. Mukesh Ambani, who has successfully diversified his oil and gas empire into fast-rising sectors such as telecom and retail, reclaimed his spot as Asia’s richest person, with a net worth of $84.5 billion. 

Infrastructure tycoon Gautam Adani got a staggering $42 billion richer as shares of his companies, including Adani Enterprises and Adani Green Energy, rocketed. With his fortune up five-fold since 2020, Adani is now the second-richest Indian, a spot previously occupied by retailing king Radhakishan Damani, whose fortune was divided this year. His brother Gopikishan Damani is listed separately for the first time based on new information about his holdings. Adani, who shares Gujarati roots and a deal-making instinct with Ambani, expanded aggressively into airports, unfazed by the travel slowdown. He also secured France’s Total, his partner in the gas business, to invest in his renewable energy company.

Two of the ten richest Indians get their wealth from healthcare, a sector that’s enjoying a pandemic boost around the world. Vaccine billionaire Cyrus Poonawalla’s Serum Institute of India, run by his 40-year-old son Adar, joined the Covid-19 vaccines race early by forging multiple partnerships and investing $800 million in building a new factory. Jabs of Poonawalla’s Covishield, the made-in-India version of the Covid-19 vaccine developed by the Oxford University-AstraZeneca combine, are now being given across the country and exported as well. After slipping last year, pharma magnate Dilip Shanghvi climbed back into the top 10, propelled by a jump in shares of Sun Pharmaceutical Industries.

Nineteen Indian newcomers joined the list, while another 19 returned to the list after falling off in the past. Among the new faces is octogenarian Prathap Reddy, founder and chairman of Apollo Hospitals Enterprise, whose chain of Apollo Hospitals is treating Covid-19 patients. Arvind Lal, who founded and runs diagnostics chain Dr.Lal PathLabs, which got government approval to conduct Covid-19 tests, also makes his debut.

Here are India's 10 richest people; net worths are as of March 5, 2021:

#1 | Mukesh Ambani
Amid the Covid-19 pandemic, Ambani accomplished a fund-raising feat, garnering $35 billion through a string of deals to achieve his target of reducing his flagship Reliance Industries’ net debt to zero by 2021. He also sold a third of telecom unit Jio to marquee investors such as Facebook and Google and offloaded 10% of Reliance Retail to private equity firms such as KKR and General Atlantic, plus concluded a $7.3 billion rights issue of Reliance shares.

#2 | Gautam Adani
Adani acquired a 74% stake in Mumbai International Airport, the country’s second-busiest, last September. He also sold 20% in his listed renewables firm, Adani Green Energy, to French energy giant Total for $2.5 billion.

#3 | Shiv Nadar
The tech titan stepped down as chairman of $9.9 billion (revenues) HCL Technologies last July, handing over the position to his only daughter, Roshni Nadar Malhotra.

#4 | Radhakishan Damani
The low-profile retailing king’s listed supermarket chain Avenue Supermarts operates 221 DMart stores across the country. His brother Gopikishan is also a billionaire.

#5 | Uday Kotak
India’s richest banker founded and runs Kotak Mahindra Bank, which is among the country’s top four in the private sector. Last June, Kotak sold shares worth $950 million to reduce his stake in the bank to 26% as mandated by the Reserve Bank of India.

#6 | Lakshmi Mittal
In February, Mittal stepped down as CEO of ArcelorMittal, the $53.3 billion (revenue) steel behemoth, ceding the spot to his son, Aditya. Mittal remains executive chairman of the company.

#7 | Kumar Birla
Fourth generation heir of a sprawling commodities empire, Birla’s expansion into telecom has cost him dearly. His Vodafone Idea, rebranded as Vi, a joint venture between his Idea Cellular and U.K.’s Vodafone Group, has been racking up losses battling Ambani’s Jio.

#8 | Cyrus Poonawalla
Poonawalla’s Serum Institute of India, the world’s largest producer of vaccines by number of doses, is on the frontlines of India’s fight against Covid-19, with multiple vaccine partnerships orchestrated by his son Adar, Serum’s CEO. Adar also struck a deal this year to acquire a 60% stake in listed finance firm Magma Fincorp for $475 million.

#9 | Dilip Shanghvi
Shanghvi, who founded and runs listed generics drug maker Sun Pharmaceuticals, returns to the top ten, thanks to a 68% jump in the company’s shares.

#10 | Sunil Mittal & family
His Bharti Airtel, a joint venture with Singapore’s Singtel, is India’s second-largest telecom operator after Ambani’s Jio. In January, Mittal’s son Kavin announced on Twitter that his SoftBank-backed start-up Hike, once considered as a rising unicorn and India’s answer to WhatsApp, had shut down its messaging service.


ব্যবসায়িক পরিকল্পনা (Business Plan) -
আপনার মাঝে ব্যবসায়িক ধারণা আছে কিন্তু এই ধারণাকে বাস্তবতার মুখ দেখানর জন্য প্রথম পদক্ষেপ হল পরিকল্পনা করা। একটা ভালো ব্যবসায়িক পরিকল্পনা শুধু বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্টই করে না বরং ভবিষ্যতের জন্য পথ নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে। একটি ভালো ব্যবসায়িক পরিকল্পনার গঠন থাকবে যেখানে আপানর ব্যবসা কি, আপনার বাজার কোথায়, কিভাবে পরিচালিনা করবেন, কিভাবে অর্থ আয় ও ব্যয় আসবে, কি ধরনের পণ্য বা সেবা , বিক্রি ও বাজারজাতকরণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত থাকবে। 
ব্যবসায়িক পরামর্শকেরা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করতে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিতে বলেন।

ধারণা (Idea) -
ব্যবসার বর্ণনা সাধারণত শুরু হয় শিল্পের একটা ছোট বর্ণনা দিয়ে। যখন শিল্পের বর্ণনা করবেন তখন সেটির বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলোকে আলোচনায় নিয়ে আসুন। সেখানে আরও রাখবেন আপনার শিল্পের বিভিন্ন বাজার পরিস্থিতি যেখানে এমন কোনো নতুন পণ্যের কথাও উল্লেখ থাকতে হবে যেগুলো আপনাকে উপকৃত করবে বা আপনার ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।
কৌশল (Strategy)-
আপনি কি বিক্রি করছেন তা স্বচ্ছভাবে নির্ধারন করা খুব গুরুত্বপূর্ন। আপনি সকল ব্যবসায়ের সবজান্তা হতে চাইবেন না কারন এতে ব্যবসায় উন্নয়নের উপর একটি খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। একটি ক্ষুদ্রতম ব্যবসায় হিসেবে আপনার পণ্য বা সেবাকে নিয়ন্ত্রনসাধ্য বাজারে যথাযথভাবে বিনস্ত্য করা প্রায়শই একটি সর্বোত্তম কৌশল বা নীতি হতে পারে। ছোট ছোট বিভাজন/অপারেশন পরবর্তীতে বিশেষায়িত পন্য বা সেবা অফার করতে পারে যা নির্দিষ্ট শ্রেনীর সম্ভাব্য ক্রেতাদের নিকট আকর্ষণীয় হবে।
 এই নকশা করার উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের আপনার পণ্য সম্পর্কে জানানো, উৎপাদন অনুষঙ্গের চার্ট তৈরি, মার্কেটিং, এবং একটি উন্নয়ন বাজেট তৈরি। আর এ সবকিছু করার একটাই উদ্দেশ্য-আপনার কোম্পানিকে এর লক্ষ্যে পৌঁছানো।
মুনাফা (Profit)-
এই পর্বটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সকল আর্থিক পরিসংখ্যান গুলো উপস্থাপন করুন। যেকোনো আর্থিক অভিক্ষেপ গুলো ব্যাখ্যা সহকারে উপস্থাপন করুন। ব্যয় বিক্রি, আয়, বাজার ও বিক্রি পরিকল্পনা, বছর মেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা সবকিছু সঠিকভাবে উপস্থাপন করুন। ব্যবসা উন্নয়নের আর্থিক পরিকল্পনা ও যুক্ত করুন।  আপনার ব্যবসার জন্য যদি তহবিলের প্রয়োজন হয় তবে ব্যবসায়িক পরিকল্পনাটি তৈরি করতে আগেই প্রস্তুতি নিন। এতে তহবিল অনুরোধ পর্ব যোগ করুন, আপনার কত টাকা লাগবে, কেন লাগবে, কিভাবে ব্যয় হবে সব বিস্তারিত আলোচনা করুন।
 আর্থিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা প্রায়ই দুইটি ভুল করে থাকেন। প্রথমত, তারা খরচের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। ভাবনাটা এমন থাকে প্রথম প্রথম পণ্য বাজারে ছাড়ার ক্ষেত্রে খরচ তো হবেই। এতে অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়েও অধিক খরচ হয়ে যায়।
দ্বিতীয়ত, লাভের ক্ষেত্রে এরা অনেক বেশি পরিমাণ আশাবাদী হয়ে থাকে। এটা ঠিক যে, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখা ভাল। তবে আপনাকে মুদ্রার অপর পিঠের চিত্রটাও মনে রাখতে হবে। মুনাফা তো হবেই-এই চিন্তাটা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
মনে রাখতে হবে, অধ্যবসায় আর সংকল্প কোন কাজে সফলতার চূড়ান্ত চাবিকাঠি। আর তার সাথে যদি যোগ হয় একটি ভাল পরিকল্পনা, সফলতা তাহলে কিন্তু খুব বেশি দূরে নয়। তাই আপনার ব্যবসায়ের জন্যে একটি নির্ভুল পরিকল্পনা তৈরি করুন।
দল (Team)-
ব্যবসা যদি যৌথ হয়, তবে আপনার সহপ্রতিষ্ঠাতার দায়িত্ব বণ্টন করুন। দুজনে বসে ঠিক করুন, কে কী করবেন এবং সেটা লিখিত আকারে রাখুন। সহমত না থাকলে আপনার ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
পণ্য (Product )-
এটি হলো অতি সতর্কতার সাথে বাজার পর্যবেক্ষণের ও বিশ্লেষণ ফলাফল। বাজার পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা সহজেই বাজার পরিস্থিতির সাথে পরিচিত হয়ে উঠতে পারেন এবং তার টার্গেট মার্কেট বা বাজারকেও ব্যাখ্যা করতে পারবেন। এর ফলে খুব সহজেই নিজের অবস্থাকে যুগোপযোগী করে তোলা সম্ভব।
বিপণন (Marketing) -
এখানে আপনি দেখাবেন আপনি আপনার ইনডাসট্রি সম্পর্কে কতটা জানেন এবং আপনার পণ্য বা সেবাটি কতটা বাজার দখল করতে সক্ষম। আপনার কাংখিত বাজার, বাজারের আকার, বাজারের কতটা অংশ আপনি সেবা দিতে পারবেন, আপনার পণ্য বা সেবা প্রদানে বিশেষ কোন সুবিধা -এ সম্পর্কে আলোচনা করুন।  এই পর্বে বাজারজাত কৌশল তথা বাজার প্রদর্শনী, বাজার উন্নয়ন, সরবরাহের সকল রাস্তা সহ সকল কৌশল আলোচনা করুন। বিক্রির কৌশলের মধ্যে বিক্রয় কর্মী ও তাদের কার্যাবলী আলোচনা করুন যেখানে বাজারজাত কৌশলের মাধ্যমে কিভাবে ভোক্তার হাত পর্যন্ত পণ্য বা সেবা পৌছবে তার বর্ণনা করুন।
Others Point of Business
ব্যবসায়ের জন্য নাম ঠিক করুন ব্যবসায়ের নাম ঠিক করার জন্য আপনার পণ্য বা সেবার গ্রাহক কারা—এ কথাটি মাথায় রাখুন। অন্য কোম্পানির নাম নকল করে নামকরণ করবেন না। কোম্পানি নিবন্ধন ওয়েবসাইট থেকে নিশ্চিত হোন যে আপনার বাছাই করা নামটি ইতিমধ্যে অন্য কোনো কোম্পানি নিবন্ধন করেছে কি না।
বিজনেস কার্ড করুন
নতুন ব্যবসা শুরু করতে গেলে অনেক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে জানাতে হবে যে আপনি এই ব্যবসায় আছেন। এ জন্য বেশি করে বিজনেস কার্ড অর্ডার করুন। এটা আপনার পেশাদারত্বের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা আনবে।
ওয়েবসাইট করুন
এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এটা আপনাকে মানুষের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতা দেবে। একটি ভালো ওয়েবসাইট তৈরির জন্য যেমন ভালো ডেভেলপার প্রয়োজন, তেমনি তথ্য সমন্বিত করার জন্য একজন ভালো কনটেন্ট রাইটারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একটি ভালো ওয়েবসাইট আপনাকে বছরে হাজার টাকা বাজারজাতকরণ খরচ থেকে বাঁচিয়ে দেবে।
সামাজিক যোগাযোগে প্রোফাইল নিবন্ধন করুন
সোশ্যাল মিডিয়ার গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রোফাইলগুলো রেজিস্ট্রার করুন। ব্যক্তিগত প্রোফাইল কিংবা কোম্পানি পেজ তৈরি করার জন্য কোনো পেশাদারির সাহায্য নিতে পারেন। এটা আপনার পণ্য বা সেবার বাজারজাতকরণ সহজ করবে।


What makes leading businesses so successful? Why do others find themselves in financial trouble that threatens their survival?

BDC set out to answer those questions and the result is a study: The Five Do’s and Five Don’ts of Successful Businesses. The do’s and don’ts identified in the study make a checklist you can use to create your most successful business.

The 5 do’s
To better understand what key factors set leading companies apart, a BDC/Nielsen survey was conducted of 1,139 small and medium-sized businesses across Canada. Their responses were analyzed to find out what separated the top 20% most successful businesses in each industry from rest of the pack.

Do #1
Innovate—don’t rest on your laurels

The most successful businesses are more innovative in a variety of ways, the BDC study found.

  • They offered new products and services more often.
  • They adopted new technology more quickly.
  • They reported that innovative practices—ranging from improving internal processes and enhancing internal efficiency to adapting their business model—were more important to their firm’s success than did their counterparts.

Do #2
Ask for outside advice

Simply put, it’s virtually impossible for you and your team to have the best knowledge in every situation.

The most successful businesses were more likely to report seeking outside advice through such means as forming an advisory board or using external consultants. Another recent BDC study this one on advisory boards—found they produce huge benefits for small and medium-sized businesses, including substantial gains in sales and productivity.

Do #3
Have a solid plan and measure your progress

Where do you want your business to be in five years? How will you get there? How will you monitor your progress? The most successful businesses are far more like to have a concrete medium-term plan and follow their progress with multiple business performance metrics.

Do # 4
Hire the best and keep them engaged—it takes more than money

Over 60% of the most successful firms were willing to take several months or longer to find and hire only very strong candidates for key roles and positions, compared to just over 40% of their counterparts. The most successful firms also believed they offered superior pay and benefits, a more stimulating work environment and a more positive company culture than their competitors.

Do #5
Build strong relationships with your key suppliers

The most successful companies reported that several types of relationships were important to their success. However, they ranked supplier relationships as by far the most important.

The 5 don’ts
To compile a list of don’ts, BDC closely examined 118 established companies from its portfolio that had run into financial difficulty.

Don’t #1
Don’t rely on too few customers—diversify

Nearly one in six firms examined by BDC ran into trouble, at least in part, because they lost a single major customer.

Don’t #2
Don’t underestimate the importance of effective financial management

A lack of financial management expertise is probably the single most common factor that causes otherwise successful firms to run into difficulties. Effective financial management requires two things: the right knowledge and the right tools. To get started, download our free eBook Master Your Cash Flow: A Guide For Entrepreneurs.

Don’t #3
Don’t leave contingency planning until it’s too late

Unforeseen events such as the loss of key employees, increases in the cost of raw materials or a disaster such as fire or flooding were a surprisingly common source of problems for firms that encountered financial difficulties.

In fact, nearly one in three fell victim, at least in part, to circumstances that were initially out of their control.

Don’t #4
Don’t ignore what’s happening in your market

Businesses have always had to adapt to evolutionary change as production techniques and consumer preferences evolved. In recent years, rapid technological changes and globalization have made revolutionary change increasingly common. Failing to adapt can cause businesses to flounder.

Don’t #5
Don’t wait too long to get help

No matter how capable you are as an entrepreneur, financial difficulties can happen. In most companies, early action can lead to a successful turnaround. You need to understand the value of being honest and transparent with stakeholders. Restructuring often entails seeking financial assistance from stakeholders, including bankers. They have to believe in your ability to live up to your end of the bargain so you have to be upfront with them.


Assessment / The Customer Value Assessment
« on: July 04, 2021, 10:55:21 AM »
A customer value proposition can be defined and assessed through the development of the Customer Value Assessment (CVA).  The Customer Value Assessment is a set of criteria across four categories that capture a customer’s wants, needs or expectations. Using these criteria, organizations gain insight into the customer’s perception of their organization.  The four CVA categories include Solutions, Responsiveness, Economics, and Relationship.

Solutions - Does the organization offer solutions that customers prefer?
Solutions represent the core products and services provided by the organization to fulfill its purpose.  Ideally, solutions would successfully solve the customer’s problem, or fully satisfy the customer’s want or need. Three elements further define this category.
  • Portfolio - the offerings of products and services intended to fulfill the customer’s wants or needs.
  • Characteristics - the intended function that the provided products and services fulfill.
  • Presentation - the format, packaging, supporting information and method of delivery of the products and services provided.

Responsiveness - Does the organization provide what customers want, when they want it?
Responsiveness represents the customer-desired time for all transactions.  This can be expressed in several ways, such as time to respond, availability, scheduled when convenient, regularly scheduled and frequency. Three elements further define this category.
  • Delivery - the time to deliver the provided solutions.
  • Transactions - the time to respond to each customer interaction.
  • Inquiry – the time to respond to market and customer required changes.

Economics – Does the organization provide attractive financial value?
Economics represents the customer’s financial considerations when evaluating the purchase of products and services.   Three elements further define this category.
  • Cost - the total cost to the customer of usage, consumption or ownership of the product or service provided.
  • Investment - the additional or incremental tangible value provided with or without cost to the customer.
  • Finance - the terms, risk, profit contribution and other economic considerations considered by the customer in acquiring the products or services.

Relationship – Is the organization important to the customer?
Relationship defines the customer’s perception of the organization that provides solutions.  Three elements further define this category.
  • Service - the assistance provided to the customer in support of the core solution and transactions.  Service is intended to improve the customer’s experience by assisting the customer to meet their needs.
  • Trust - the level of confidence that the customer has that the organization can be trusted, requiring knowledge, intention, and capability.
  • Involvement -the level of engagement the customer desires from the organization, such as weekly reviews, annual senior leadership meetings, or even no contact at all.  Ideally, an organization would be considered a valuable partner to the customer’s business.
The Customer Value Assessment defines customer relationships.[/li][/list]

The CVA can be used to accomplish several key objectives:
  • Define customer types
  • Determines what each customer type requires
  • Assesses if the organization gives customers what they want
  • Examines the gaps and their causes
  • Determine the changes necessary to close those gaps


"The Daily Star Campus Stars" is a show that highlights promising individuals who have excelled in their academics and extracurricular activities, alongside securing success in their professional paths. The third episode of the show took place on June 8, 2021, featuring panelists from Daffodil International University (DIU).
The online event was hosted by Shuvashish Roy, Head of Business, The Daily Star. The speakers included Dr Mohammed Masum Iqbal, Professor and Dean, Faculty of Business and Entrepreneurship, DIU, and Syed Mizanur Rahman Raju, Director, Students' Affairs, DIU.

DIU alumnus Md Mehedi Hassan, Assistant Commissioner (Land) and Executive Magistrate, Upazila Land Office, Kaunia, Rangpur, and Shabnam Mustari Lia, who is currently pursuing her B A in English from Department of English, Faculty of Humanities and Social Science, DIU, were also in attendance.

DIU values the importance of entrepreneurship, as emphasized on their versatile curriculum. "Entrepreneurship is the most effective way to eradicate unemployment. Right from idea generation to commercialization, we guide our students at every step while our startup market enables them to work on their ideas at the campus," explained Dr Mohammed Masum Iqbal.

"We have life insurance policies for all students and guardians. Our entrepreneurship department organises an annual event for students to pitch their ideas, where they can receive international collaboration offers," shared Syed Mizanur Rahman Raju.

During the pandemic, all their students received fee-waivers. Their 'one student- one laptop' policy further facilitated remote learning. DIU staff members are also being trained to provide psychological support to students. "Our large campus would allow us to maintain social distancing rules. We are renovating the classrooms to incorporate necessary changes," added Syed Mizanur Rahman Raju.

DIU also promotes overall personality development and emphasises on the value of extracurricular activities. "Each department has a club and we organise various events that enhance life skills. Our teachers are very supportive and always urge us to actively participate in these competitions," shared Shabnam Mustari Lia. 

The university's innovation and marketing labs intend to build young entrepreneurs who have the capability of driving powerful changes. "Today's world is changing rapidly and innovation is necessary. So, students must learn to think creatively," shared Shuvashish Roy.

DIU is also known to have a green campus. "Learning is an interactive process and our campus provides the ideal environment to learn inside and beyond classrooms," asserted Dr Mohammed Masum Iqbal.

Apart from academic learning, DIU instills soft skills like social and environmental responsibility, and problem-solving capacity in their students. "DIU moulded me into a skilled individual. We did a course on the art of effective living and after joining administration service, I attended several training sessions which focused on similar life skills," said Md Mehedi Hassan.

DIU students can also shift to foreign universities by transferring their credits. Additionally, they can attend several short course programmes at the partner universities. "At DIU, we teach students how to learn. We invite foreign faculty to boost interactions and follow a global approach in the institution," concluded Dr Mohammed Masum Iqbal.


Singapore-based accelerator Accelerating Asia announced it has selected 11 companies as part of the fourth cohort of its flagship 100-day program for pre-series A startups.

The selected startups are headquartered in Singapore, Indonesia, Pakistan, and Bangladesh, and they offer solutions for industry verticals including property, online dating and, marketing and advertising.

Companies from the fourth cohort have raised over S$6 million (US$4.5 million) after coming into the program. Startups incubated at Accelerating Asia’s past cohorts have collectively raised S$30 million (US$22.4 million) to date.

Here are the startups in the fourth cohort:

  • Amar Lab partners with local and international diagnostic labs to provide end-to-end diagnostics test services including sample collection, testing, and delivery. It also offers Covid-19 tests for individuals and corporate clients.
  • Casa Mia is a co-living operator that offers private bedrooms in shared homes. The company currently operates in Singapore and is looking to expand its team across markets in the Asia-Pacific region this year.
  • DoctorKoi has developed a software that allows physicians to write prescriptions from a database of 27,000 medications. The healthtech company said that it has processed over 2.6 million digital prescriptions and works with over 1,300 doctors.
  • Drive Lah is a mobility company that gives users flexible and affordable access to nearby cars for personal or commercial use.
  • HandyMama is a Bangladesh-based cleaning and handyman services platform that connects customers with verified service providers through its mobile and web apps as well as a call center. It aims to serve 1 million households by 2025.
  • Independents is an AI-powered marketplace that matches individual or team talent to requirements of marketing projects. The company’s clients include brands such as DBS and Mullen Lowe.
  • KopiDate is a social platform that curates conversation-centered dating experiences for millennials.
  • Mobiliti provides bionic lower-limb prosthetics at affordable prices. The company said it served over 1,000 patients and has also established a partnership with the International Committee of the Red Cross.
  • Swap allows users to sell or exchange their old phone, laptop, car, motorcycle, or furniture in 24 hours. The cross-category platform has established buyback partnerships with Samsung, OnePlus, Oppo, Apple, and Suzuki.
  • is a fleet telematics system integrator that provides data collection from fleet, driver, and the asset for transport operations.
  • Waitrr offers a QR ordering and payments platform for restaurants, cafes, hotels, and bars, without the need to download an app. The hospitality tech firm’s partners include brands like Paul, Da Paolo Gastronomia, and Changi Airport Group.

Currency converted from Singapore dollar to US dollar: US$1 = 1.34 dollars.


Pages: 1 [2] 3 4 ... 6