Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Mafruha Akter

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 21
31
মপান করলে শরীর ৯০ ভাগ নিকোটিন শোষণ করে। ধূমপান ছাড়ার পরও এর প্রভাব অনেক দিন থেকে যায়। আবার ধুলাবালি, পরিবেশদূষণ ইত্যাদিও ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে ফুসফুস অনেকটাই ভালো থাকে। ফুসফুস ভালো রাখার কিছু উপায়ের কথা জানিয়েছে ইউ আর গর্জিয়াস।

(i) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় ফল: ফুসফুস ভালো রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান। যেমন : লেবু, কমলা, মাল্টা ইত্যাদি। এসব খাবার বিপাক ক্ষমতা বাড়াবে এবং ক্ষত কমাতে কাজ করবে।

(ii) হলুদ চা: ফুসফুস ভালো রাখতে হলুদের চা পান করতে পারেন। এই চা তৈরিতে লাগবে চারশ গ্রাম কুচি করা পেঁয়াজ, ছোট একটি আদার টুকরো, দুই টেবিল চামচ হলুদ। দুই কাপ পরিমাণ ফুটন্ত পানিতে একে একে সব উপকরণ মেশান। কিছুক্ষণ সেদ্ধ করার পর চুলা থেকে নামিয়ে হালকা গরম থাকতে থাকতে পান করুন। দুদিনে একবার এই চা পান করতে পারেন। হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ কমাতে কাজ করে। আর ধূমপান ছাড়ার কারণে যে বমি বমি ভাব হয়, সেটি কমাতে কাজ করে আদা।

(iii)পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান: পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা কিডনি ও লিভারের বর্জ্য পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।
(iv) নিয়মিত ব্যায়াম: এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে কাজ করে এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে। কেবল ফুসফুস ভালো রাখতেই নয়, শরীরকে সুস্থ রাখতেও ব্যায়াম উপকারী।

আরও জানতে পড়ুন: টনসিলের ব্যথা কমাবে যে ৫ ঘরোয়া টোটকা

গলা ব্যথা কিংবা ঢোক গিলতে খুব কষ্ট হওয়ার মানেই হচ্ছে আপনি টনসিলে সংক্রমণে ভুগছেন। এ সমস্যা সাধারণত যে কোনো বয়সেই হয়ে থাকে। সাধারণত সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই টনসিলের এই সংক্রামণের জন্য দায়ী। তবে এ সংক্রমণ থেকে পরিত্রাণ পেতে ওষুধ-সিরাপের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি কার্যকর ঘরোয়া টোটকা।
চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক টনসিলের ব্যথা হলে তা নিরাময় করার কার্যকরী ঘরোয়া পাঁচ পদ্ধতি

(i)আদা চা: দেড় কাপ পানিতে এক চামচ আদার কুচি আর আন্দাজ মতো চা পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ৩-৪ বার এই পানীয়টি পান করুন। আদার অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল আর অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি উপাদান সংক্রমণ ছড়াতে বাধা দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে গলার ব্যথা কমিয়ে দিতেও এটি খুবই কার্যকরী।

(ii)লবন পানি: গলা ব্যথা শুরু হলে যে কাজটি কম-বেশি আমরা প্রায় সকলেই করে থাকি তা হলো সামান্য উষ্ণ পানিতে লবন দিয়ে গার্গল করা। এটি টনসিলে সংক্রমণ রোধ করে ব্যথা কমাতে খুবই কার্যকরী। শুধু তাই নয়, উষ্ণ লবন পানি দিয়ে গার্গল করলে গলায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের আশঙ্কাও দূর করে দেয়।
(iii)লেবুর রস: এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানিতে ১ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু, আধা চামচ লবন ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি যত দিন গলা ব্যথা ভালো না হয়, তত দিন পর্যন্ত খেতে থাকুন। টনসিলের সমস্যা দূর করার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী।

(iv)সবুজ চা এবং মধু: এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ সবুজ চা পাতা আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এ বার ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে ওই চা পান করুন। সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সব রকম ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করে। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই মধু-চা খেতে পারলে উপকার পাবেন।
(v)হলুদ দুধ: এক কাপ গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। ছাগলের দুধ টনসিলের ব্যথা দূর করতে বেশি কার্যকরী। ছাগলের দুধে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান আছে। তবে ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলেও উপকার পাওয়া যায়। হলুদ অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরি, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি উপাদান যা গলা ব্যথা দূর করে টনসিলের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

আরও জানতে পড়ুন: গালাগাল স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো?

আত্মীয় কিংবা বন্ধুবান্ধবের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাদের মুখের ভাষা খুব খারাপ। কথায় কথায় গালাগালের সবই তারা বলে থাকেন। এই সব ‘মধুর বচন শুধু পরিবারের গুরুজন বা শিশুদের সামনে নয়, পাড়া-প্রতিবেশীদের সামনে মুখ ফসকে বেরিয়ে পড়লেই কেলেঙ্কারি। তবে যে যাই বলুন না কেন, মনোবিজ্ঞানী ও গবেষকরা এই অভ্যাসকেই সুস্থ থাকার সহজ উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

মানসিক চাপ মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা, অবসাদ কমানোর ক্ষেত্রে গালাগালের অভ্যাস খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। একাধিক মার্কিন গবেষণায় এর প্রমাণ মিলেছে। এই ধারণার সঙ্গে একমত ব্রিটিশ গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীরাও। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক ও ফলিত ভাষাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কিরিকুস অ্যান্টনিও জানান, গালাগাল আসলে মন থেকে রাগ, ক্ষোভ বের করে দিয়ে মানসিক চাপ কাটানোর একটি সহজ উপায়। তার মতে, যেসব মানুষ উত্তেজিত হলেও গালাগাল দিতে পারেন না বা দেন না, তাদের মধ্যে মানসিক অবসাদ, উচ্চ রক্তচাপ-সহ নানা স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা যায়।

শুধু তাই নয়, কখনো এসব ব্যক্তিদের মধ্যে দ্বৈত ব্যক্তিত্বের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তুলনায় যারা সহজে গালাগাল দিয়ে ফেলেন, তারা অনেক বেশি সুস্থ থাকেন। তাই মার্কিন গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, অবসাদ, ক্ষোভ কাটাতে প্রয়োজনে একান্তে গালাগাল দেওয়া ভালো। তবে স্থান-কাল-পাত্র জ্ঞান থাকাটা অত্যন্ত জরুরি।

আরও জানতে পড়ুন: ঠাণ্ডা লাগার লক্ষণ এবং নিরাময়ের উপায়

প্রকৃতির বাতাসে ঠাণ্ডার পরিমাণ বাড়তে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঠাণ্ডাজ্বর, সর্দি ও কাশির মতো ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা। নিয়মিত ওষুধ খেলেও এই ঠাণ্ডা নিরাময় হতে বেশ সময় লাগে। অনেক সময় নিরাময় হওয়ার কিছুদিন পরে দেখা যায় আবার ঠাণ্ডাজ্বর বা সর্দি হয়েছে। এমন সমস্যার বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝবেন যে আপনার ঠাণ্ডা পুনরায় লাগতে শুরু করেছে। তবে তার নিরাময়ও আছে আপনার হাতের কাছেই
ক্লান্তি এবং ঘুম: আমরা সাধারণত শরীরের ছোটখাট সমস্যাগুলোকে খুব একটা গুরুত্ব দেই না। এটা আমাদের প্রথম ভুল। আমাদের সবার উচিত শরীরের ছোট বা বড় সব ধরনের সমস্যাগুলোকে সমানভাবে গুরুত্ব দেয়া। যেমন ঠাণ্ডা লাগলে শরীর অতিরিক্ত পরিমাণ ক্লান্তিভাব অনুভব করে এবং তা অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে হতে পারে। কার্নেগি মেলনের পরিচালিত একটি গবেষণা থেকে বলা হয়, একজন মানুষ প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে তা তার জন্য ঠিক আছে তবে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিলে ঘুমের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। তবে আপনি কত সময় ধরে ঘুমাচ্ছেন তার থেকে বড় ব্যাপার হলো আপনার ঘুম পরিপূর্ণ বা সাউন্ড স্লিপ হচ্ছে কি-না সেটা।

গুমোট নাক খুলতে তরল পান: নর্থ ক্যারোলিনার ডিউক ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন অব ডুরহামের ক্লিনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ডাক্তার লাউসার বলেন, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা মূলত শ্বাসযন্ত্রের একটি সমস্যা যা শুরু হয় নাক থেকে। ঠাণ্ডার ভাইরাসগুলো অনুষাঙ্গিক এলাকাতে আক্রমণ করে এবং শরীর এই ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে থাকে তা বের করে দেয়ার জন্য। যার ফলে নাকে এক ধরনের শ্লেষ্মা তৈরি হয়। ডাক্তার লাউসার আরও বলেন, আপনি আপনার শরীরকে প্রচুর পানি পান করে সাহায্য করতে পারেন। এতে শরীর ভাইরাস রোধ করতে সক্ষম হবে।

মানসিক চাপ কমান: সারাদিনের কাজের চাপ আপনাকে দিনের শেষে খুবই ক্লান্ত করে দিতে পারে, যা আপনার অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। ডাক্তাররা এখন মানসিক চাপের সঙ্গে অসুস্থতার সংযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে এটি পরিষ্কারভাবে বলা হয় যে, অনেক দিন ধরে মানসিক চাপের মধ্যে থাকাটা শারীরিক কার্যক্রমের জন্য ভালো নয়। নিউ ইংল্যান্ড অব মেডিসিনের এক যুগান্তকারী গবেষণাতে বলা হয়, যেসব মানুষ বেশি চাপের মধ্যে থাকে তারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত চাপে থাকলে শরীর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারাতে শুরু করে এবং আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ঠাণ্ডায় লবণ পানির ব্যবহার: এটা বলা হয়ে থাকে যে, অসুস্থতায় লবণ ব্যবহার করলে তা আরও খারাপ পর্যায়ে চলে যায় কিন্তু না, লবণ ইনফেকশন হওয়া রোধ করে। ডাক্তার লাউসার বলেন, ঠাণ্ডা লাগলে সাধারণত গলাব্যথা হয়, কথা বলতে বা খেতে বেশ অসুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে লবণ পানি ব্যবহারের তুলনা হয় না। এটি গুমোট বাধা গলা, নাক পরিষ্কার করতে বেশ কাজ করে। জাপানের একটি গবেষণা থেকে দেখানো হয় যে, ঠাণ্ডা লাগলে নিয়মিত লবণ পানির কুলকচা করলে ঠাণ্ডা তাড়াতাড়ি নিরাময় হয়।

গরম পানি দিয়ে গোসল: ডাক্তার লাউসারের মতে, ঠাণ্ডার পুরো সময়টা হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করা ভালো। এতে করে ঠাণ্ডার প্রকোপটা শরীরে কম ভর করতে পারে। এছাড়া হালকা গরম পানি পান করাও ভালো। কারণ ঠাণ্ডা পানি পান, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল এবং ঠাণ্ডা স্থানে থাকাটা আপনার ঠাণ্ডাজনিত সমস্যার জন্য ভালো নয়।

Collected.

33
Important post.

34
উপকরণ: বোম্বাইমরিচ ২০টি। আলুবোখারা ৩ কাপ। পেঁয়াজকুচি ১ কাপ। রসুনবাটা ২ চা-চামচ। রসুনের আস্ত কোয়া ১ কাপ। পাঁচফোড়ন বাটা ১ টেবিল-চামচ ও আস্ত ২ চা-চামচ। ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ। সরিষাবাটা ৩ চা-চামচ। শুকনামরিচ ৫টি। শুকনা মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ। সিরকা ১ কাপ। চিনি ১ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। সরিষার তেল ৩ কাপ।

পদ্ধতি: মরিচের বোটা ফেলে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

হাঁড়িতে তেল দিন। তাতে পেঁয়াজ ও আস্ত রসুন দিয়ে ভাজুন। এবার আলুবোখারাসহ সব মসলা দিয়ে ভালো করে কষান।

বোম্বাইমরিচের সঙ্গে চিনি ও লবণ দিন। অল্প তাপে সময় নিয়ে রান্না করুন। মরিচ সিদ্ধ হয়ে গেলে, লবণ দেখে সিরকা দিয়ে নামিয়ে নিন।

এবার গরম থাকতেই বয়ামে ভরে ঠাণ্ডা করে সংরক্ষণ করুন।

35
Food Habit / জলপাই-গাজরের আচার
« on: January 26, 2019, 01:36:46 PM »
উপকরণ: জলপাই দেড় কেজি। বড় গাজর ২টি। সরিষাবাটা ৩ টেবিল-চামচ। আদা ও রসুন বাটা আড়াই টেবিল-চামচ করে। হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ। মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ আধা চা-চামচ। চিনি দেড় কাপ। ভিনিগার ১ কাপ। সরিষার তেল দেড় কাপ। আস্ত পাঁচফোড়ন ১ চা-চামচ। পাঁচফোড়ন গুঁড়া দেড় চা-চামচ।

পদ্ধতি: জলপাইয়ের দানার দুপাশ দিয়ে কেটে নিন। গাজর কিউব করে কেটে নিন।

আলাদা আলাদা করে জলপাই ও গাজর ভাপ দিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

হাঁড়িতে তেল গরম করে আস্ত পাঁচফোড়ন ফোঁড়ন দিয়ে বাটা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে চিনি ও ভিনিগার মিশিয়ে নিন। চিনি গলে পানি ফুটে উঠলে জলপাই মেশান। মাঝে মাঝে নাড়ুন, যেন তলায় পোড়া না লেগে যায়।

চিনির পানি শুকিয়ে অর্ধেক হলে গাজর মিশিয়ে নিন। তেল ছেড়ে আসলে নামিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে কাচের বয়ামে ভরে সংরক্ষণ করুন।

36
Food Habit / আমড়া-রসুনের আচার
« on: January 26, 2019, 01:36:04 PM »
সুস্বাদু এই আচারের রেসিপি দিয়েছেন বীথি জগলুল।

উপকরণ: আমড়া এক থেকে দেড় কেজি। রসুনে কোঁয়া ১ কাপ। কাঁচামরিচ ১ কাপ। ভিনিগার দেড় কাপ। সরিষাবাটা আধা কাপ। আদা ও রসুন বাটা দেড় চা-চামচ করে। হলুদ ও মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ করে। আস্ত পাঁচফোড়ন ২ চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। সরিষার তেল দেড় কাপ।

পদ্ধতি: আমড়া ছিলে পাতলা পাতলা করে কেটে এবং ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। অল্প ভিনিগারের সঙ্গে সরিষাবাটা, আদা ও রসুন বাটা এবং হলুদ ও মরিচ গুঁড়া গুলিয়ে রাখুন।

মাঝারি আঁচে তেল গরম করে আস্ত পাঁচফোড়ন ফোঁড়ন দিয়ে সরিষা বাটার মিশ্রণ ঢেলে আবার একটু ভিনিগার (সিরকা) দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।

মসলা কষানো হলে আমড়া মিশিয়ে অর্ধেক ভিনিগার দিয়ে ঢেকে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রান্না করুন।

আমড়া প্রায় সিদ্ধ হয়ে গেলে রসুন, কাঁচামরিচ, লবণ ও বাকি ভিনিগার মিশিয়ে ঢাকনা ছাড়াই রান্না করুন।

আঁচ মৃদু থেকে মাঝারি অবস্থায় রান্না করুন এবং মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।

মসলা থেকে তেল ছেড়ে আসলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। বয়ামে ভরে সংরক্ষণ করুন

37
Food Habit / দানাদার মিষ্টি
« on: January 26, 2019, 01:35:11 PM »
ডো’র জন্য: ছানা ১ কাপ (১ লিটার দুধ থেকে তৈরি। ছেঁকে ঝরঝরে করে নেওয়া)। ময়দা ১ টেবিল-চামচ। সুজি ১ টেবিল-চামচ। চিনি ১ চা-চামচ।
সিরার জন্য: এলাচি ৩টি। চিনি ১ কাপ। পানি ১ কাপ।

পদ্ধতি: ছানা হাতের তালু দিয়ে ভালোভাবে মথে নিন। এবার ছানার সঙ্গে ময়দা, সুজি ও চিনি দিয়ে ভালোভাবে ময়ান করে নরম ডো বানিয়ে নিন।

এবার ডো’টা দুভাগ করে পছন্দ মতো রং মিশিয়ে নিন। তারপর এগুলো থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে ছোট ছোট মিষ্টির আকারে বানিয়ে নিন।

চিনি, এলাচ ও পানি জ্বাল দিয়ে একবার বলক তুলে সিরা তৈরি করে রাখুন।

গরম সিরায় মিষ্টিগুলো দিয়ে মাঝারি আঁচে পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। তারপর প্যানের হাতল ধরে ঘুরিয়ে দিতে হবে যাতে মিষ্টিগুলোর উপরের অংশ নিচে ও নিচের অংশ উপরে উঠে যায়।

এবার ঢাকনা দিয়ে আরও ১০ মিনিট রান্না করুন। তারপর মিষ্টিগুলো চামচ দিয়ে উল্টে দিন এবং আরও ১০ মিনিট রান্না করুন। খেয়াল করুন চিনির সিরাটা আঠালো হয়ে মিষ্টির গায়ে লেগে গেছে।

সিরা থেকে মিষ্টিগুলো তুলে চিনিতে গড়িয়ে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার দানাদার মিষ্টি।

38
Food Habit / ছানার জরদা
« on: January 26, 2019, 01:34:11 PM »
উপকরণ: ছানা (২ লিটার দুধ থেকে তৈরি করে নেওয়া)। চালের গুঁড়া ১/৪ কাপ (পোলাওয়ের চাল বা বাসমতী ধুয়ে পানি শুকিয়ে গুঁড়া করা অথবা সাধারণ চালের গুঁড়া)। ময়দা ২ টেবিল-চামচ। তেল ভাজার জন্য।
গ্রেটার বা ছিদ্র থাকে এমন চামচ।

সিরার জন্য: চিনি দেড় কাপ। পানি ২ কাপ। এলাচগুঁড়া বা আস্ত ৪ থেকে ৫টি। খাবার রং সামান্য।

ছানা তৈরি: দুধ ২ লিটার। লেবুর রস বা ভিনিগার ৪ টেবিল-চামচ। সুতি বা মসলিন নরম কাপড়।

দুধ চুলায় দিয়ে ফুটতে শুরু করলেই চুলা বন্ধ করে দিন।

লেবুর রসের সঙ্গে ২ টেবিল-চামচ পানি মিশিয়ে অল্প অল্প করে দুধে মেশাতে থাকুন।

দুধ ফেটে সবুজ পানি আলাদা হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ছানা কাপড়ে ছেঁকে ফেলুন।

এখন ঠাণ্ডা পানিতে ছানা দুতিনবার ধুয়ে নিন যাতে টক ভাব দূর হয়ে যায়।

ছানার কাপড়ের পুটলি চেপে চেপে পানি বের করে উঁচু জায়গাতে ঝুলিয়ে রাখুন দুই ঘণ্টা (পানির কলের উপরে রাখলে ভালো হয়)।

পদ্ধতি: একটি পাত্রে ছানা, চালের গুঁড়া, ময়দা মিশিয়ে ভালো করে মথে (ছয় থেকে সাত মিনিট) নিন। খুব মসৃণ খামির বানিয়ে ২০ মিনিট ঢেকে রাখুন।

সিরার সব উপাদান মিশিয়ে চুলায় দিন। ফুটে উঠলে আরও পাঁচ থেকে ছয় মিনিট ফুটিয়ে চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিন। সিরা বেশি ঘন বা পাতলা হবে না।

কড়াইতে তেল দিয়ে আঁচ মাঝারি রাখুন।

ছানার খামির দিয়ে চার-পাঁচটি বল বানিয়ে নিন।

এখন গরম তেলের উপর ছোট ছিদ্রের গ্রেটার (পেঁয়াজ বা সবজি কুচানি) রেখে ছানা চেপে চেপে গ্রেট করুন। দেখবেন বড় চালের মতো তেলে পড়বে।

এক মিনিটের মতো ভেজে হাল্কা সাদা থাকা অবস্থায় তেল থেকে তুলে ছেঁকে নিন। এভাবে বাকিগুলো তৈরি করে নিন।

অর্ধেক ছানা ভাজা হলে সিরাতে দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে ১০ মিনিট রাখুন।

এখন সিরা থেকে ছেঁকে তুলে প্লেটে ছড়িয়ে রাখুন। এতে একটির সঙ্গে অন্যটি লাগবে না, ঝরঝরে থাকবে। বাকি অর্ধেক ভাজা হলে সিরাতে দিন।

উপরে কিশমিশ, বাদামকুচি ও ছোট গোলাপজামুন দিয়ে গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।


39
Food Habit / আলুর কালোজাম
« on: January 26, 2019, 01:33:30 PM »
আলু দিয়ে মিষ্টি, তাও আবার কালোজাম- শুনতে অবাক লাগছে খুব! হ্যাঁ, আলু দিয়েও মিষ্টি তৈরি করা যায় বৈকি! চলুন, তবে শিখে নিই কৌশল।

উপকরণ: সিদ্ধ চটকানো আলু পৌনে এক কাপ। ছানা ১/৩ কাপ। গুঁড়া-দুধ আধা কাপ। কর্নফ্লাওয়ার ৩ টেবিল-চামচ। বেইকিং পাউডার আধা চা-চামচ। লাল রং তিন থেকে চার ফোঁটা। ঘি দুই টেবিল-চামচ। ডিমের কুসুম একটি। তেল ভাজার জন্য।

সিরার জন্য: দুটি এলাচ, দুই কাপ চিনি ও চার কাপ পানি ফুটিয়ে পাতলা সিরা বানিয়ে এক টেবল-চামচ লেবুর রস দিয়ে একটু নেড়ে চুলা বন্ধ করে সিরা ঢেকে দিন। দুই কাপ সিরা উঠিয়ে রাখতে হবে। মিষ্টি জ্বাল দেওয়ার সময় কিছুক্ষণ পর পর উঠিয়ে রাখা সিরা অল্প অল্প করে ঢালতে হবে।

মিষ্টি তৈরি

ভালোভাবে আলু চটকাতে হবে, যাতে কোনো গুটি না থাকে।

 আলুর সঙ্গে তেল বাদে অন্য সব উপকরণ মিশিয়ে লম্বা কালোজামের আকারে গড়ে ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে।
সিরা জ্বাল দিয়ে কালোজাম গরম সিরায় দিয়ে পাঁচ মিনিট জ্বাল দিয়ে চুলা বন্ধ করতে হবে। আর এতেই তৈরি হয়ে যাবে আলুর কালোজাম।

ভালো করে ঠাণ্ডা হতে দিন, সিরা মিষ্টির মাঝে ঢুকতে সময় দিন। তারপর পরিবেশন করবেন।

40
Food / রুই মাছের ব্যঞ্জন
« on: January 09, 2019, 12:30:27 PM »
উপকরণ: রুই মাছ টুকরা করা ৫০০ গ্রাম। রসুনবাটা ১ চা-চামচ। আদাবাটা আধা চা-চামচ। পেঁয়াজবাটা আধা কাপ। টমেটো পেস্ট করা আধা কাপ। ধনেপাতার কুচি ২ টেবিল-চামচ। কাঁচামরিচ আস্ত ৪-৬টি। হলুদ ও মরিচগুঁড়া ১ টেবিল-চামচ করে। জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ। লবণ স্বাদ অনুযায়ী। তেল ও পানি পরিমাণমতো।
পদ্ধতি: প্রথমে মাছের টুকরাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। তাতে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে হালকা করে দুই পিঠ ভেজে নিতে নিন।

একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে একে একে সব বাটা মসলা স্বাদ অনুযায়ী লবণ, গুঁড়ামসলা ও টমেটো দিয়ে ভালো করে কষিয়ে তাতে ভাজা রুই মাছ, ধনেপাতার কুচি, আস্ত কাঁচামরিচ, জিরাগুঁড়া ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে ২০ মিনিট রান্না করুন।

যখন দেখবেন মাছের মসলা ঘন হয়ে আসছে তখন সেটি চুলা থেকে নামিয়ে সার্ভিং ডিসে ঢেলে পরিবেশন করুন রুই টমেটো ভুনা।

চাইলে উপরে ধনেপাতার কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
শালগম দিয়ে রুইমাছের ঝোল
শালগম দিয়ে রুইমাছের ঝোল উপকরণ: রুই মাছ টুকরা ৮টি। শালগম ২০০ গ্রাম টুকরা করা। আলু ২টি। পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল-চামচ। রসুনবাটা ১ চা-চামচ। আদাবাটা ১ চা-চামচ। হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ। ধনেগুঁড়া বা বাটা আধা চা-চামচ। কাঁচামরিচ ৫টি। মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ। জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ পরিমাণমতো। তেল ২ টেবিল-চামচ। পানি পরিমাণমতো।
পদ্ধতি: মাছ কেটে টুকরা করে ধুয়ে, লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ভেজে পাত্রে রাখুন। শালগম ও আলু টুকরা করে কেটে ধুয়ে নিন। কড়াইয়ে তেল ও পেঁয়াজ দিন।

পেঁয়াজ লাল হলে শালগম ও আলু দিয়ে দিন।

এখন একে একে মরিচগুঁড়া, রসুনবাটা, আদাবাটা, হলুদগুঁড়া, ধনেগুঁড়া বা বাটা এবং লবণ দিয়ে অল্প পানিসহ কষিয়ে নিন। কষানো হলে আবার পানি দিন।

পানি ফুটে উঠলে উপরে মাছ দিয়ে ঢেকে দিন। নামানোর কিছুক্ষণ আগে কাঁচামরিচ দিন। পানি শুকিয়ে এলে জিরাগুঁড়া ছিটিয়ে নামিয়ে নিন।

41
Food / বাইন মাছের কোরমা
« on: January 09, 2019, 12:28:51 PM »
উপকরণ: এলাচ ২টি। দারুচিনির ছোট টুকরা ২টি। আস্ত গোলমরিচ ২,৩টি। তেল ৩ টেবিল-চামচ। পেঁয়াজকুচি ১/৩ কাপ। পেঁয়াজবাটা ৩ টেবিল-চামচ। আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ। রসুনবাটা ১ টেবিল-চামচ। মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। ছিলে ধুয়ে ছোট করে কেটে নেওয়া বাইন মাছ আধা কেজি। গরম মসলাগুঁড়া ১/৪ চা-চামচ। পানি আধা কাপ। নারিকেল-দুধ অথবা দুধ দুতিন কাপ। চিনি এক চিমটি। কাঁচামরিচ-কুচি ৩টি।

পদ্ধতি: কেটে নেওয়া বাইন মাছ মরিচগুঁড়া, আদা ও রসুন বাটা দিয়ে মাখিয়ে রাখুন। তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি ভেজে বেরেস্তা করে রাখুন।

এবার এই তেলে এলাচ, দারুচিনি ও আস্ত গোলমরিচ ছেড়ে দিন। পেঁয়াজবাটা দিয়ে ভাজুন। হাল্কা লাল হয়ে এলে মাখিয়ে রাখা বাইন মাছ ছেড়ে কষিয়ে নিন।

তারপর পানি, লবণ ও গরমমসলা-গুঁড়া দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে ঢেকে দুই মিনিট রান্না করে নারিকেল দুধ দিয়ে আবার দুই মিনিট রান্না করুন। 

চিনি ও কাঁচামরিচ ছিটিয়ে সামান্য নেড়ে দিন। তেল ছেড়ে এলে নামিয়ে নিন। উপর দিয়ে বেরেস্ত ছিটিয়ে পোলাও বা গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

42
Food / পাবদা মাছের দোপেঁয়াজি
« on: January 09, 2019, 12:27:55 PM »
উপকরণ: পাবদা মাছ ৭,৮টি। পেঁয়াজ-কুচি আধা কাপ। রসুন-বাটা, আদা-বাটা, জিরা-গুঁড়া, হলুদ-গুঁড়া ১/২ চা-চামচ করে। মরিচ-গুঁড়া ১ চা-চামচ। লবণ ও তেল পরিমাণ মতো। কাঁচামরিচ ৪/৫টি। ধনেপাতা-কুচি পরিমাণ মতো।

পদ্ধতি: মাছ কেটে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। মাছে সামান্য লবণ ও হলুদ মেখে ভেজে নিন।

প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ-কুচি সোনালি করে ভেজে বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে একটু পানিসহ কষাতে হবে।

কষানোর পর তেল বের হয়ে এলে মাছগুলো দিয়ে একটু নেড়ে গরম পানি ঢেলে ঢেকে রান্না করতে হবে মাঝারি আঁচে।

এবার ঢাকনা খুলে আর নাড়া যাবে না, তাহলে মাছ ভেঙে যাবে। এজন্য প্যানের হাতল ধরে নেড়ে দিতে হবে। তারপর কাঁচামরিচ দিয়ে দিন।

যখন ঝোলটা মাখা মাখা হয়ে আসবে তখন ধনেপাতা-কুচি দিয়ে লবণ দেখে নামাতে হবে।

43
Very important post.

45
বিশ্বে প্রতি দশটি মৃত্যুর একটি হয় স্ট্রোকের কারণে। আর পঙ্গুত্বের জন্য ঘরবন্দি হয়ে বাকি জীবন কাটানোর পিছনেও একটিই কারণ, তা হল ব্রেন স্ট্রোক। একটু সতর্ক হলেই এই মারাত্মক রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই প্রত্যেকেরই উচিত স্ট্রোকের কারণ ও তা প্রতিকারের উপায় সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা।
স্ট্রোকের কারণ :

মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ। বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি ১০০ জন রোগীর মধ্যে ৪৮ জনেরই হাই ব্লাড প্রেশার থাকে। প্রেশারের ওষুধ নিয়ম করে না খেলে প্রেশার বেড়ে গিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

যাঁদের সারা দিন চেয়ারে বসে কাজ করতে হয়, হাঁটাচলা-সহ কায়িক পরিশ্রম তেমন নেই বললেই চলে, তাঁদের এই রোগের ঝুঁকি অন্যদের থেকে বেশি। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ১০০ জন স্ট্রোকের রোগীর মধ্যে ৩৬ জনেরই তেমন কোনও নিয়ম মেনে চলেন না।

যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি, তাদেরও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি। প্রসঙ্গত এলডিএল ও ভিএলডিএল কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাধিক্য এবং ভাল কোলেস্টেরল এইচডিএল কম থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে প্রায় ২৭ শতাংশ।

সুষম খাবারের পরিবর্তে ভাজাভুজি, জাঙ্ক ফুড বেশি খেলে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। দেখা গিয়েছে যে, স্ট্রোকে আক্রান্তদের ২৩ শতাংশ এই ধরনের খাবারে আসক্ত।

সেন্ট্রাল ওবেসিটি অর্থাৎ ভুঁড়ি থাকলে ব্রেন স্ট্রোক হতে পারে।  ১৯ শতাংশ স্ট্রোকের রোগীর সেন্ট্রাল ওবেসিটি আছে।

মানসিক চাপ স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন-সহ অন্যান্য মানসিক সমস্যা থাকলেও এই সমস্যার সম্ভাবনা থাকে। স্ট্রোকের রোগীদের ১৭% মানসিক চাপের শিকার।

ধূমপানে আসক্তি অন্যান্য অনেক অসুখের সঙ্গে সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ায় এবং মদ্যপানে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

যাঁরা ডায়াবিটিসে ভুগছেন ও ডায়েট বা শরীরচর্চা করেন না, তাঁদেরও স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেক বেশি।
স্ট্রোকের প্রতিকার :

স্ট্রোক থেকে বাচঁতে পারেন নিজেরাই। আপনার বংশে কারো স্ট্রোক হলে একটু বেশি সাবধান হোন। আপনার বংশের কেউ স্ট্রোক করলে নিয়মিত প্রেশার, ব্লাড সুগার, কোলেস্টেরল-সহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হবে। ব্লাড প্রেশার আর সুগার থাকলে তা তো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর ধূমপানের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়ম করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন আধ ঘণ্টা করে দ্রুত পায়ে হাঁটুন। ভুঁড়ি বাড়তে দেওয়া যাবে না। নিয়ম করে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোতে হবে। ঘুম কম হলে ব্লাড প্রেশার বেড়ে গিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। যদি অল্প সময়ের জন্যে ব্ল্যাক আউট হয়, হাত পা বা শরীরের কোনও একদিক হঠাৎ অবশ লাগে, কিংবা চোখে দেখতে বা কথা বলতে অসুবিধে হয় অথবা ঢোক গিলতে কষ্ট হয়, কোনও ঝুঁকি না নিয়ে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এমন কিছু সাধারণ নিয়ম মানলেই এড়িয়ে যেতে পারেনএমন অসুখ।

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 21