Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Badshah Mamun

Pages: [1] 2 3 ... 127
1
Islam / সত্য বললে লাভ কী?
« on: April 30, 2022, 09:03:01 AM »
সত্য বললে লাভ কী?

সত্যবাদিতা মুমিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ। আপনি যদি একজন নিয়মিত মিথ্যাবাদী হন, তাহলে আপনি মুমিন হতে পারবেন না। একজন মুমিন কখনো অনবরত মিথ্যা বলতে পারে না। সূরা আহযাবে আল্লাহ জান্নাতবাসীদের কিছু গুণের কথা উল্লেখ করেন। সেই গুণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সত্যবাদিতা।
.
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:

“নিশ্চয়ই মুসলিম পুরুষ ও নারী, মুমিন পুরুষ ও নারী, অনুগত পুরুষ ও নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও নারী, বিনয়াবনত পুরুষ ও নারী, দানশীল পুরুষ ও নারী, রোজাদার পুরুষ ও নারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী পুরুষ ও নারী, আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও নারী; তাদের জন্য আল্লাহ মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান (জান্নাত) প্রস্তুত করে রেখেছেন।” [সূরা আহযাব ৩৩: ৩৫]
.
আপনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে কিয়ামতের দিন সত্যবাদিতা আপনার কাজে আসবে। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“এটা হলো সেই দিন, যেদিন সত্যবাদীগণকে তাদের সততা উপকার করবে।” [সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ১১৯]
.
আপনি যদি সত্যবাদী হন, তাহলে আপনার সততার জন্য আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করবেন।
.
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“আল্লাহ সত্যবাদীদেরকে তাদের সততার জন্য পুরস্কৃত করতে পারেন।” [সূরা আহযাব ৩৩: ২৪]
.
আল্লাহ যেমন আমাদেরকে সত্য বলার নির্দেশ দেন, সত্য বলায় উৎসাহিত করেন, তেমনি আমাদের বন্ধু কারা হবে তাদের সম্পর্কেও বলেন। আমরা যেন মিথ্যাবাদীদেরকে বন্ধু হিশেবে গ্রহণ না করি সে ব্যাপারে তিনি সতর্ক করে বলেন:

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।” [সূরা তাওবা ৯: ১১৯]
.
আমরা যদি মিথ্যাবাদীদেরকে বন্ধু হিশেবে গ্রহণ করি, তাদের সাথে থাকতে থাকতে একসময় আমরাও মিথ্যা বলা শুরু করবো। এজন্য আমাদের বন্ধু কারা সেটা যাচাই করতে হবে। যদি দেখা যায় আমাদের বন্ধুরা অনবরত মিথ্যা বলে, তাহলে তাদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“সত্য নেকির দিকে পরিচালিত করে আর নেকি জান্নাতে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের ওপর কায়িম থেকে অবশেষে ‘সিদ্দীক’ –এর দরজা লাভ করে। মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন হয়।” [সহীহ বুখারী: ৬০৯৪]
.
দেখুন, সত্যের পথ জান্নাতে, মিথ্যার পথ জাহান্নামে। আপনি অনবরত মিথ্যা বলা শুরু করলে মিথ্যা বলা আপনাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।
.
জাফর ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নাজ্জাশীর সামনে ইসলামের বার্তা তুলে ধরেন। জাফর ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের বার্তা পাঁচটি পয়েন্টে উল্লেখ করেন। তারমধ্যে একটি ছিলো-

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সত্য বলতে নির্দেশ দেন।”

সুতরাং, এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট যে, আমাদেরকে অবশ্যই সত্য বলতে হবে। কোনো কিছু বলার আগে সেটা যাচাই করে নিতে হবে। তবে, তিনটি ক্ষেত্রে কথা বলার সময় আমাদেরকে অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সেসব ক্ষেত্রে আমরা সত্য কথা বলছি।
.
১। যখন আমার দ্বীনের ব্যাপারে কথা বলবো
যখন আমরা ইসলাম নিয়ে কোনো কথা বলবো, তখন ১০০% নিশ্চিত হয়ে বলতে হবে। ইসলাম নিয়ে কোনো মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। কোনো বিষয়ে যদি আমাদের জানা না থাকে, তাহলে আমরা স্বীকার করবো যে- আমরা জানি না। কিন্তু, না জেনে কিছু বলবো না।

আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন:
“তোমাদের জিহ্বা দ্বারা বানানো মিথ্যার ওপর নির্ভর করে বলো না যে, এটা হালাল এবং এটা হারাম। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে, তারা সফলকাম হবে না।” [সূরা আন-নাহল ১৬: ১১৬]
.
আল্লাহ এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যাপারে কোনো কিছু বলতে হলে জেনেশুনে বলতে হবে। নিজের মনগড়া কোনো কথা বলা যাবে না।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“তোমরা আমার ওপর মিথ্যারোপ করো না। কারণ, আমার ওপর যে মিথ্যারোপ করবে, সে জাহান্নামে যাবে।” [সহীহ বুখারী: ১০৬]
.
আমরা যদি বলি ‘এটা রাসূলুল্লাহ বলেছেন’ বা ‘এটা হাদীসে আছে’ তাহলে নিশ্চিত হয়ে বলতে হবে। নিজেদের বানানো কোনো কথাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে চালিয়ে দেয়া যাবে না। যারা এমন করে, তাদের স্থান জাহান্নামে।
.
২। আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বলা
এমনিতে তো মিথ্যা বলা গুনাহের কাজ, আল্লাহর নামে কসম করে মিথ্যা বলা তারচেয়ে বেশি ভয়ানক। আপনি যদি কারো সাথে কথা বলার সময় বলেন ‘আল্লাহর কসম!’ বা ‘ওয়াল্লাহি’, তারপর যদি মিথ্যা বলেন তাহলে আপনার অনেক বেশি গুনাহ হবে। বিশেষ করে আদালতে সাক্ষ্য দেবার সময়।
.
৩। ব্যবসা করতে গিয়ে মিথ্যা বলা
ব্যবসায়ীরা মুনাফার্জনের জন্য অনেক সময় মিথ্যার আশ্রয় নেয়। তারা বলে, ‘পণ্যটি আমি ১০০০ টাকা দিয়ে কিনেছি, আপনাকে কেনা দামে বিক্রি করছি’। আসলে দেখা যায় তারা পণ্যটি কিনেছে ৭০০ টাকা দিয়ে, ৩০০ টাকা লাভে বিক্রি করছে। সে মনে করে মিথ্যা বলার কারণে তার ৩০০ টাকা লাভ হয়েছে। আসলে মিথ্যা বলার কারণে তার ব্যবসায় বরকত কমে গিয়েছে সেটা সে বুঝতে পারছে না।
.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“ক্রেতা-বিক্রেতা যদি সত্য বলে এবং পণ্যের অবস্থা ব্যক্ত করে, তবে তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত হবে। আর যদি মিথ্যা বলে এবং দোষ গোপন করে, তবে তদের ক্রয়-বিক্রয়ের বরকত মুছে ফেলা হবে।” [সহীহ বুখারী: ২০৭৯]
.
আপনি সততার সাথে ব্যবসা করলে ব্যবসায় যেমন লাভ হবে, তেমনি আল্লাহ সেই ব্যবসায় বরকত দান করবেন। আর মিথ্যাকে পুঁজি করে ব্যবসা করলে মানুষজন একসময় না একসময় আপনার প্রতারণা ধরে ফেলবে। আপনি দুনিয়াতে অপদস্থ হবেন, আখিরাতেও।
.
তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদেরকে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। ইসলাম সেসব ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নেয়াকে অনুমতি দিয়েছে। যেমন: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। স্বামী স্ত্রীকে এমন একটি কথা বললো, যেটা আসলে সত্য নয়, তবে কথাটি তাদের মধ্যকার বন্ধন বাড়াবে। এসব ক্ষেত্রে এমন মিথ্যা কথা ইসলাম সমর্থন করে।
.
যেমন: স্বামী স্ত্রীকে বললো, ‘তোমার হাতের বিরিয়ানী পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু বিরিয়ানী, তুমি যে গরুর মাংস রান্না করো, আমি পৃথিবীর কোথাও এমন খাবার খাইনি’।
.
একটি সুন্দর মুহূর্তে স্বামী স্ত্রীকে বললো ‘তুমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে’।
.
এসব মিথ্যাকে ইসলাম ‘মিথ্যা’ বলে মনে করে না। স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনের জন্য প্রয়োজনে এমন মিথ্যা বলাকে ইসলাম অনুমতি দেয়। আপনি আপনার ছোট্ট ছেলে-মেয়ের প্রশংসা করেও এমন কিছু বলতে পারেন।
.
দুজন মানুষের মধ্যে যদি মন কষাকষি হয়, তাদেরকে একত্র করতে প্রয়োজনে মিথ্যা বলতে পারেন। যেমন: একজনকে বলতে পারেন, অমুক তো তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে অনুতপ্ত, সে আমাকে বললো তোমার সাথে কথা বলতে চায়। আবার, অন্যজনকে গিয়ে বলুন, অমুক সেদিন যেমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, এটার জন্য পরে কষ্ট পেয়েছে। সে চাচ্ছে তোমার সাথে কথা বলতে। আসো, তার সাথে গিয়ে কথা বলি।
.
এসব ক্ষেত্রে মিথ্যা বলতে অসুবিধা নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি ক্ষেত্রে মিথ্যা বলাকে অনুমোদন দিয়েছেন। সেগুলো হলো:

১. একজনের সাথে আরেকজনের মন কষাকষি মিটিয়ে দেবার সময়
২. যুদ্ধের সময়
৩. স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক মজবুত করতে মিথ্যার আশ্রয় নিলে। [মুসনাদে আহমাদ: ২৬৭৩১]
.
এখন প্রশ্ন হলো, সত্য বললে লাভ কী?

আপনি যখন সত্য বলবেন, সেই সত্য বলার মাধ্যমে নেকি অর্জন করবেন। আপনি যখন কিছু লিখবেন, সেটা যদি সঠিক হয় তাহলে আপনি নেকি অর্জন করবেন। আপনি সত্য বললে আপাতত আপনার কোনো ক্ষতি হলেও দীর্ঘকালীন এর সুবিধা ভোগ করবেন।
কা’ব ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনা এখানে উল্লেখযোগ্য। তাবুক যুদ্ধে না যাবার অজুহাত দেখাতে কেউ কেউ যখন মিথ্যার আশ্রয় নেবার সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তখন সত্যের ওপর অটল থাকেন। মিথ্যা বলায় অনেকের অজুহাত গ্রহণ করা হয়েছিলো, সত্য বলায় তিনি আপাতত বিপদে পড়েছিলেন। কিন্তু, পরবর্তীতে তাঁর এই সত্যবাদিতা তাঁকে পুরস্কৃত করে। আল্লাহ তাঁর ঘটনা উল্লেখ করে পবিত্র কুরআনে কয়েকটি আয়াত নাযিল করেন। [সহীহ বুখারী: ৪৪১৮]
.
আপনি যখন মনে করবেন আল্লাহ আপনাকে দেখছেন, তিনি আপনাকে শুনছেন, তখন আপনি সত্য বলতে পারবেন। কারণ, আপনি জানেন আর কেউ জানুক বা না জানুক, আল্লাহ জানেন প্রকৃত ঘটনা কী। আপনাকে আল্লাহ দেখছেন, ফেরেশতারা পর্যবেক্ষণ করছেন। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর ভয়ে আপনি মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না। জীবনের যে পরিস্থিতি আসুক না কেনো।
.
আপনি যদি জান্নাতে যেতে চান, আল্লাহর প্রিয়ভাজন হতে চান, তাহলে সত্য কথা বলুন। কেননা, সত্যবাদীদের স্থান জান্নাতে, মিথ্যবাদীদের স্থান জাহান্নামে।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
লেখাঃ ইয়াসির ক্বাদি (আল্লাহ্‌ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!)
.
.
https://www.facebook.com/Ohee.Hadis

2
Technology / The tech bubble that never burst
« on: April 24, 2022, 11:51:25 AM »
The tech bubble that never burst

At conferences, they buzz about falling valuations for startups. On CNBC, they bemoan the sudden lack of initial public offerings. On Twitter, they warn of a coming downturn.

It is a familiar refrain. For the past decade, such warnings have cropped up repeatedly in startup land. The industry is in another bubble, investors and commentators caution, conjuring the 1999 dot-com era and the dramatic collapse and recession that followed. Jobs disappeared, fortunes vaporised, and reputations were tarnished.

The message since has carried those scars: The boom times are ending. Buckle in for a rough ride.

Yet every time, more money has flooded into startups. Instead of a collapse, things got bubblier.

It started in 2011, when a tiny, elite group of startups attained “unicorn” status, with valuations of $1 billion or more.

Investors poured billions into startups each month, and hyped-up initial public offerings from LinkedIn, Pandora, Zynga and Groupon fueled fears of a bubble.

Facebook went public in May 2012 with the largest-ever tech IPO in the United States. Many viewed its valuation — more than $100 billion for a startup with less than $4 billion in revenue — as a sign that tech valuations had ballooned out of control.

The bubble they had warned of never burst.

Things sure felt bubbly. Engineers were demanding Tesla sports cars just for showing up to work, Business Insider presented as evidence.

By 2014, the number of unicorns around the world topped 90.

Startup investing rewards risk taking. Many of the most audacious, irrational investors have won by doubling down in a market frenzy. The cautious ones, trifling over such small-minded concerns as high prices or cash burn? Less so.

Suddenly Uber — a little taxi app — was worth $51 billion. More than American Airlines or FedEx, which actually turned profits. Investors blasted the alarm even louder.

The warnings were not all wrong — a few unicorns did perish. (Remember Fab.com and Jawbone?)

But for every flameout, there were many more new ideas to back. New sources of capital — including private equity, mutual funds and sovereign wealth funds — began chasing unicorn investments. In May 2016, they poured $14.2 billion into more than 800 deals, the highest amount of the decade so far.

Just in case the warnings were right, some investors lowered the valuations of their biggest investments, briefly cooling the unicorn frenzy. There was talk of onerous funding terms and startup layoffs.

Then Masayoshi Son, SoftBank CEO, arrived. The brazen investor dumped $100 billion into Silicon Valley startups — dwarfing the rest of the venture capital market — at a pace that averaged $100 million a day. Reuters called him a “one-man bubble maker.” Executives joked nervously about Son’s “capital cannon.” Venture capital firms raised bigger funds to keep up.

High valuations and obscene spending became the norm. Startups prized growth over profits. Investors gave up on their bubble talk. Fear went out the window. Everyone decided to enjoy the party.

Venture funding soared, topping $26.9 billion in December and hitting a new yearly high of $143 billion. The unicorn count jumped to 348, according to PitchBook, which tracks the venture industry.

In the lead-up to its IPO, WeWork imploded. It was the kind of spectacular, embarrassing, humbling disaster that many thought would have ripple effects for years to come.

In boardrooms, investors murmured that this was really, truly, finally the end. On conference stages, startup founders promised to “pivot to profits.”

Then the pandemic hit. Prepare for tough times ahead, venture firms declared. For real this time.

That lasted barely a few weeks. Startups flourished in the pandemic and funding soared to new heights. IPOs roared back. So, naturally, did the bubble talk.


More than 500 startups around the world topped $1 billion valuations. Those in the U.S. raised $164 billion in 2020, setting yet another record.

Meme stocks! Crypto! NFTs! SPACs! The Federal Reserve was printing money, interest rates were low, vaccines were available, and the world was set to reopen. By 2021, economists began predicting a new Roaring '20s led by tech prosperity.

Yeah, it’s probably a bubble, investors shrugged. But YOLO, amirite?

This year, fear crept in again, as interest rates were set to rise, inflation surged, and war broke out. Soon, tech stocks tanked. Initial public offerings screeched to a halt. Startup investments fell.

A sense of caution returned. Was the bubble finally, really, truly bursting?

Today’s warnings are different from those of the last decade. Investors tiptoe around the word “bubble,” referring instead to a “recalibration,” a “pullback” or even a gentle “softening.” The people who once called for caution grew tired of being wrong, and their audiences became numb to the warnings. Every time the alarm bells rang, more money poured into startups.

“This time is different” used to be a morbid joke among investors; now people believe it. Tech is too enmeshed in our lives, the thinking goes, and the dot-com bubble is too far in the rear view. This decadelong startup boom has surged in the face of so many scares, each time amassing even more money and power. Maybe it really is different this time.

Some investors believe market euphorias are a good — even necessary — thing for progress. Without all that attention and excitement, how can a startup founder convince workers and investors to help turn their crazy moonshot ideas into reality? Sure, most of the people who flock to a bubble are in it for the money. And yes, things can get messy. But underneath, it’s all moving forward. Out of the dot-com ashes, techies like to remind us, grew Amazon, PayPal and eBay.

Even as the biggest factor driving investors to high-growth startups over the last decade — low interest rates — begin to change, even as economists worry about an impending recession and even as startups lower their valuations or suddenly run out of cash, few today are predicting a total collapse.

A decade of talking about a bubble that never burst will do that.

©2022 The New York Times Company

Source: https://bdnews24.com/technology/2022/04/23/the-tech-bubble-that-never-burst

3
দুনিয়ার সব ভালো কাজ করছেন, কিন্তু জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

কেনো? এমন কী আছে যে ভালো কাজ করার পরেও জান্নাতে প্রবেশ করা যাবে না?

জ্বি হ্যাঁ, এমন একটা বিষয় আছে যা আল্লাহ তা'য়ালা ক্ষমা করবেন না।
তা হচ্ছে বান্দার হক / বান্দার অধিকার / বান্দার পাওনা।
আপনার কথায়, কাজে, আচরণে, মৌনতার মাধ্যমে কোনো বান্দার যদি অধিকার বা প্রাপ্যটুকু নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আপনি পাহাড় সমপরিমাণ নেক আমলের অধিকারী হবার পরেও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

মহান আল্লাহ সমস্ত কিছু ক্ষমা করে দেবেন ইচ্ছেমতো, কিন্তু বান্দার হকের বিষয়ে তিনি কোনো ছাড় দেবেন না।

রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি জান, দেউলিয়া কে?
তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল ﷺ! আমাদের মধ্যে দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি যার নগদ অর্থ নেই, কোন সম্পদও নেই।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমার উম্মাতের মধ্যে দেউলিয়া হলো সে ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন সালাত সিয়াম হজ্ব যাকাত সহ ভালো ভালো আমল নিয়ে উপস্থিত হবে। পাশাপাশি অন্যের হক নষ্ট করা, মিথ্যা বলা, সম্পদ আত্মসাৎ করা, মারধর গালাগালি বিভিন্ন খারাপ আমলও নিয়ে আসবে।
তখন যাদের সাথে সে খারাপ করেছে, তারা এই ব্যক্তির আমলনামা থেকে নেকী নিতে থাকবে।
নেকী নিতে নিতে শেষ হয়ে গেলে, তার ওপর গুনাহ চাপিয়ে দেয়া হবে।
এভাবে বান্দার হক নষ্ট করার কারণে তার ওপর গুনাহ এতো পরিমাণ চাপিয়ে দেয়া হবে যে, শেষ পর্যন্ত সে জা-হা-ন্না-মে যাবে। (জামে' আত-তিরমিজি:২৪১৮)

সুতরাং -
কারো কাছ থেকে ঋণ নিয়ে থাকলে তা পরিশোধ করার ব্যবস্থা করুন।
কারো কাছ থেকে তিল পরিমাণ কিছু নিয়ে থাকলে তাকে জানান, পরিশোধ করার ক্ষমতা না থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিন।
কথায়, কর্মে, আচরণে কারো হক নষ্ট হয়েছে বুঝতে পারলে, শোধরানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করুন।
অনুমতি না নিয়ে কারো কাছ থেকেই কিছু নেবেন না, কিছু ধরবেনও না, এর মাধ্যমে তার হক নষ্ট হতে পারে।

সাবধান থাকুন, সতর্ক থাকুন। কোনোভাবেই যেনো আপনার দ্বারা কখনো কারো হক নষ্ট না হয়ে সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

© মাহমুদ হাসান
https://www.facebook.com/Ohee.Hadis

4
মাজলুম কাকে বলে? আখিরাতে জুলুমের পরিণতি কি?
▬▬▬▬🌀🌀🌀▬▬▬▬
প্রশ্ন: মজলুম কাকে বলে? যেমন: আমাকে কেউ একজন অন্যায়ভাবে গালি দিয়ে কষ্ট দিলো। আমি এতে কষ্ট পেয়ে কাঁদলাম। এখন আমি কি মজলুম হয়ে গেলাম? মজলুমের বদ দুয়া আর আল্লাহর মধ্যে পর্দা থাকে না-এ কথা কি ঠিক? আর সে যদি মাফ না চায় আর আমি যদি তাকে নিজ থেকে মাফ না করি তাহলে কি আমার গুনাহ হবে?

উত্তর:
কারো প্রতি অন্যায় আচরণ করাকেই জুলুম বলা হয়। যে অন্যায় করল সে জালিম (অত্যাচারী) আর যার উপর অন্যায় করা হল সে মাজলুম (অত্যাচারিত)।

🌀 জুলুমের উদাহরণ:
অন্যায়ভাবে আঘাত করা, রক্তপাত ঘটানো, সম্পদ লুণ্ঠন করা, অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ন্যায় বিচার না করা, গালি দেয়া, অপবাদ দেয়া, কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, গিবত বা অসাক্ষাতে দোষত্রুটি নিয়ে সমালোচনা করা বা অন্য কোনো উপায়ে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেয়া ইত্যাদি। এগুলো সবই জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।

🌀 জুলুমের পরিণতি:

◼ মাজলুমের বদদুআ আর আল্লাহর মাঝে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা মাজলুমের দুআ সরাসরি কবুল করেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছেে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
اتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهَا لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ
"মাজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাক। কারণ তার বদদোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা নেই।।"  (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

 ◼ আখিরাতে জুলুমের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সে দিন মানুষের অন্যায়-জুলুম-অবিচারগুলো অন্ধকার রূপ ধারণ করে সামনে এসে হাজির হবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
اتَّقُوا الظُّلْمَ ، فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কেননা জুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকার রূপ নিয়ে হাজির হবে।" (সহীহ মুসলিম)
◼ সবচেয়ে মহান ন্যায় বিচারক মহান আল্লাহ সে দিন বিচারের কাঠ গড়ায় জালিমদের বিচার করবেন। তিনি মাজলুমের পক্ষে রায় দিবেন। তিনি জালিমের নেকি কর্তন করে মাজলুমকে দান করবেন আর মাজলুমের গুনাহ জালিমের উপর চাপিয়ে দিবেন।  আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন। আমীন।

🌀 ক্ষমা ও সমঝোতা উত্তম:

যদি দুনিয়াতেই একে অপরের সাথে সমঝোতা করে নেয়, ক্ষমা চায় অথবা মাজলুম ব্যক্তি নিজের পক্ষ থেকে জালিমকে ক্ষমা করে দেয় তাহলে তা নি:সন্দেহে উত্তম। এ জন্য সে আখিরাতে প্রতিদান পাবে।
▪ আল্লাহ তাআলা বলেন:
 وَإِن تَعْفُوا وَتَصْفَحُوا وَتَغْفِرُوا فَإِنَّ اللَّـهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
"যদি তোমরা মার্জনা কর, উপেক্ষা কর এবং ক্ষমা কর, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।" (সূরা তাগাবুন: ১৪)

▪ আল্লাহ আরও বলেন:
وَأَن تَعْفُوا أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ ۚ
"আর তোমরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) এর অধিক নিকটবর্তী।" (সূরা বাকারা: ২৩৭)

উল্লেখ্য যে, সব চেয়ে বড় জুলুম হল, আল্লাহর ইবাদতে শিরক করা। তাছাড়া মানুষ যখন আল্লাহর অবাধ্যতা বা পাপকর্মে লিপ্ত হয় তখন সে যেন নিজের উপর নিজেই জুলুম করে। প্রতিটি পাপকর্মই জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জুলুম, অবিচার ও সকল প্রকার অন্যায় আচরণ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

▬▬▬▬🌀🌀🌀▬▬▬▬

উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

(Collected)

5
সবাই আল্লাহ তা'আলার কাছে চায় আর তিনি প্রতিনিয়ত সবার যত্ন নিচ্ছেন
------------- * ----------------* --------

(সূরা আর-রাহমানের ২৯তম আয়াতের ব্যাখ্যা)


আজকের খুৎবায় ঠিক এ আয়াতটি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চেয়েছিলাম। কুরআনে এসেছে- يَسْأَلُهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ আকাশ এবং পৃথিবীর প্রত্যেকেই তাঁর কাছে চাইছে। আসুন প্রথমে এই অংশটা বুঝি। আরবি ভাষায় (سُؤَالْ) বা 'চাওয়া' ২ ধরণের। এটি আলোচনার আগে এই আয়াত নিয়ে যে কনফিউশন আছে তার উপর একটু আলোকপাত করতে চাই। আল্লাহ বলেছেন প্রত্যেকেই তাঁর কাছে চাইছে। ফেরেস্তারা তাঁর কাছে চায়। পশুপাখিরা তাঁর কাছে চায়। আমরা তাঁর কাছে চাই। কিন্তু কেউ এসে বললো, আমি একজন নাস্তিককে চিনি। সে আল্লাহর কাছে কিছু চায় না। আমার একজন বন্ধু আছে যে ধার্মিক নয়। সে কখনও আল্লাহর কাছে কিছু চায় না। আমার ফিলোসফি প্রফেসর কখনো আল্লাহর কাছে কিছু চায় না। তাহলে কিভাবে সবাই তাঁর কাছে চাইছে ?

এজন্যই আপনাকে বুঝতে হবে আরবিতে 'চাওয়া' শব্দটির ২টি অর্থ রয়েছে। একটি হলো সচেতনভাবে চাওয়া। অন্যটি হলো প্রয়োজন। আরবিতে সুয়াল এর আরেকটি অর্থ হলো প্রয়োজন। উদাহরণ স্বরূপ, কুরআনে এসেছে - وَأَمَّا السَّائِلَ فَلَا تَنْهَرْ - "যে চায়, তাকে অবজ্ঞা করো না।" এর অর্থ এটাও, যার অনেক কিছু প্রয়োজন তাকে অবজ্ঞা করো না। এমন অনেক মানুষ আছে যারা অভাবী, কিন্তু তারা কারো কাছে চায় না। আপনাকে বুঝতে হবে যে তারা অভাবে আছে। তাদের চাওয়ার পূর্বেই আপনাকে তাদের প্রয়োজন মিটাতে হবে।

আয়াতের অর্থ হলো, আকাশের সবাই এবং পৃথিবীর সবাই অভাবে আছে। আর তারা সেই অভাব পূরণে আল্লাহর মুখাপেক্ষী। একজন অবিশ্বাসী, একজন বিদ্রোহী মুসলিম, অথবা এরকম কেউ যে জেনে শুনে খারাপ কাজ করছে যা তার করা উচিত না। তবু সে আল্লাহকে অবজ্ঞা করে কাজটি করে যায়। আল্লাহ তাকেও দিয়ে যান, বিরামহীনভাবে দিয়ে যান। আপনাদের ভিতর যিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, আর যিনি মোটেই নামাজ পড়েন না আর যিনি এই বছরে আজকেই প্রথম জুমার খুৎবায় এসেছেন, আপনাদের সবাইকেই আল্লাহ দেন। এমন কেউ নেই যাকে আল্লাহ দেন না।

আমাদের সবার ফুসফুসই আল্লাহ বাতাস দিয়ে পূর্ণ করে দেন। আমাদের সবার হৃৎপিণ্ডই আল্লাহ সচল রেখেছেন। আমার হৃৎপিণ্ড যেটি আমার ভেতরে স্পন্দিত হচ্ছে পরবর্তী কম্পনটি দেয়ার আগে এটি আল্লাহর কাছে দোআ করছে, ইয়া আল্লাহ, আমি কি আরেকটা কম্পন দিতে পারি ? তিনি এটাকে অনুমতি দিচ্ছেন। এই হৃৎপিণ্ডের অনুমতি প্রয়োজন, আমার শরীরের প্রতিটি ধমনীর অনুমতি প্রয়োজন। আর আল্লাহর অনুমতি ছাড়া, مَا تَسْقُطُ مِنْ وَرَقَةٍ গাছের একটি পাতাও পড়বে না যতক্ষন পর্যন্ত না তিনি অনুমতি দেন। গাছের একটি পাতাও পড়বে না। আমার শরীরের একটি কোষও নড়বে না তাঁর অনুমতি ছাড়া।

 আমি আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে পারি। আল্লাহ আমার আত্মাকে সুযোগ দিয়েছেন আল্লাহকে ভুলে যাবার, যা খুশি তা করার, যা খুশি তা বলার, যেভাবে খুশি টাকা উপার্জন করার, যেমন খুশি রিলেশন করার, শুক্রবার রাত যেমন খুশি কাটানোর। শুক্রবার দিনে, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ যেভাবে চান আপনি সেভাবে কাটিয়েছেন। শুক্রবার রাতটি এবার শয়তানকে দিয়ে দেয় অনেক মানুষ, তাই না? ছুটির সময়টাকে পরিপূর্ণ করছেন। সমীকরণের দুই দিক সমান করছেন। কিন্তু আল্লাহ বজ্রপাত দিয়ে শাস্তি দিচ্ছেন না। আল্লাহ আপনাকে টেনে-হেঁচড়ে মসজিদে নিয়ে আসছেন না। তিনি পারতেন, যদি তিনি চাইতেন। তিনি আগেও অনেক জাতিকে সোজা করেছেন। তিনি আপনার এবং আমার সাথে তেমনটি করছেন না। কোনো হাত যখন চুরি করে, এটি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে না। কেউ যখন ব্যাভিচার করছে, তখনি তার হার্ট এটাক হচ্ছে না। যখন কেউ হারাম খাচ্ছে, সে পাকস্থলীর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে না। আল্লাহ তেমনটি করছেন না। তারা খেয়েই যাচ্ছে । আর তারা হাসি-আনন্দ করছে।

তাদের প্রত্যেকেরই প্রয়োজন রয়েছে, يَسْأَلُهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ তারপর তিনি আপনাকে এবং আমাকে বলছেন, كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ প্রত্যেকটা মুহূর্ত, প্রত্যেকটা দিন; يَوْم শব্দটি এখানে مُصْطَلَحْ لِجَمِيْعِ الْأَوْقَاتْ এটা এরকম সব সময়, প্রতি সেকেন্ডে, প্রতিটা দিন, সব সময় তিনি এমন কিছুতে ব্যস্ত যা শুধুমাত্র তিনিই করতে পারেন। এই সূরায় এটি আসলে সতর্কবাণী না, এটি আসলে সুন্দর একটি জিনিস যা দিয়ে আমি আলোচনা শেষ করতে চাই। আল্লাহ বলেন- يَسْأَلُهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ আকাশ এবং পৃথিবীর প্রত্যেকেই তাঁর কাছে চাইছে। সব সময় তিনি এমন কিছুতে ব্যস্ত যা শুধুমাত্র তিনিই করতে পারেন।

একজন শিক্ষক হিসেবে যদি আমার সামর্থ্যের কথা চিন্তা করেন...। ধরুন আমি পড়াচ্ছি ৫০ জন ছাত্রকে। তাদের একজন আমাকে একটা প্রশ্ন করলো। আরেকজনের এক্সট্রা হেল্প প্রয়োজন। একজন বললো, তার একটা সমস্যা আছে। অন্য একজন বললো, তার একটা কনফিউশন আছে। আমি একজনকে দিলাম ৫ মিনিট, আরেকজনকে ৫ মিনিট, আরেকজনকে ৫ মিনিট। এভাবে আমি যদি তাদের সবাইকে ৫ মিনিট করে দেই, যোগ করলে হয় ২৫০ মিনিট। ততোক্ষণে আমি অর্ধমৃত। আমার পক্ষে তাদের সবার সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়।

যদি আমি দেইও, যদি প্রত্যেকের জন্য ৫ মিনিট করে সময় ব্যয় করি, তারা সবাই অভিযোগ করবে, "আমি মাত্র ৫ মিনিট সময় পেয়েছি।" তাই না? আমার পক্ষে তাদের সবার অনুরোধের প্রতি খেয়াল রাখা সম্ভব না। আমি এমনকি তাদের সব প্রশ্নের জবাবও দিতে পারবো না। কিছু প্রশ্নের জবাব আমার সক্ষমতার বাহিরে। তাদের কোনো কোনো অনুরোধ অথবা প্রয়োজন আমি পূরণ করতে অপারগ। কেউ এসে বলতে পারে, "আমি আপনার কাছে ৩ ঘন্টা সময় চাই।" আমি বলবো, "দুঃখিত, আমার কাছে আপনাকে দেয়ার মতো ৩ ঘন্টা সময় নেই, যদি দিতে পারতাম ভালো হত, কিন্তু আমার আরো দায়িত্ব আছে।"

যখন মানুষ আপনার কাছ থেকে দাবি করে... আসলে ব্যাপারটা তখন বুঝতে পারবেন, যখন বহু মানুষ আপনার কাছে বহু কিছু দাবি করে। জানেন, মানুষের কি হয় এ অবস্থায় ? মাথা জ্যাম হয়ে যায়, আর সে বলে, আমার একটু বিরতির প্রয়োজন। আমি কিছু দিনের জন্য ছুটি নিব। কারণ, আমি আর পারছি না। যেমন, ঈদ সিজনে দোকানের ম্যানেজারের অবস্থা। মন অবস্থা হয় যে সে কারো সাথে কথা বলতে চায় না। মানুষ ভেঙে পড়ে, যখন আপনি তাকে অনুরোধ করতে থাকেন, অনবরত চাইতে থাকেন। ঘরের কর্তাও প্রায়ই ধৈর্য হারাতে পারেন, কারণ তার কাছে সবসময় বিভিন্নরকম দাবি আসতেই থাকে সবদিক থেকে। তিনি চাপের মধ্যে থাকেন সব সময়। আর এই ধরণের অবস্থায় কারো কথা শোনা হবে, কারোটা শোনা হবে না। যারা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাদের কথা শোনা হবে, যারা কম কম গুরুত্বপূর্ণ, তাদের কথা শোনা হবে না।

 লক্ষ্য করুন, এমন পরিস্থিতিতে আল্লাহ عَزَّ وَ جَلَّ কী করেন? সকলেই তাঁর কাছে চাইছে। বিশ্বাসীরা তাঁর কাছে চাইছে, অবিশ্বাসীরাও তাঁর কাছে চাইছে। সবচেয়ে বিদ্রোহী মুসলিমেরা... অমুসলিমদের কথা ভুলে যান কিছুক্ষণের জন্য, সবচেয়ে বিদ্রোহী মুসলিমেরা যারা প্রকাশ্যে, গর্বের সাথে হারাম কাজ করে, যাদের মুখ দিয়ে অশ্রাব্য ভাষা নির্গত হয়, পরস্পরের প্রতি অবিচার করে; আর এ অবিচার করতে গিয়ে কোনো কিছুর পরোয়া করে না এমনকি তাদের হৃৎপিণ্ডও পরবর্তী কম্পনের জন্য আল্লাহর অনুমতি ভিক্ষা করতে থাকে, আর আল্লাহ অনুমতি প্রদান করেন। এমনকি তাদের জন্যও আল্লাহ ফেরেস্তা পাঠান, তাদের গাড়িকে নিরাপত্তা দান করেন যখন তারা গাড়ি চালিয়ে নাইট ক্লাবে যায়। তাদের জন্যেও। আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা সবাইকে রক্ষা করেন, নিরাপত্তা দান করেন। আল্লাহ যেভাবে দান করেন, তা শুধু তাঁর পক্ষেই সম্ভব। এটাকেই বলা হয় شَأْن এটা হলো একটি يَخْتَصُّ بِأَحَدْ ,أَمْر এটা শুধু একজনের দ্বারাই করা সম্ভব।

আপনাদের কারো কারো নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানের কিছু কাজ শুধু আপনাকেই করতে হয়, এরজন্য যদি অন্য কাউকে ভাড়া করেন, তারা সব এলোমেলো করে ফেলে। আগে এভাবে করে দেখেছেন। কর্মচারীকে ক্যাশের দায়িত্ব দিয়ে গেছেন, এরপর কোনো একটা ঝামেলা তৈরী হয়েছে। তো এ কাজ শুধু আপনার পক্ষেই সম্ভব। এটাকে বলা হয় شَأْن এমন অনেক বিষয় আছে যা আল্লাহ করেন, আর তা একমাত্র আল্লাহর পক্ষেই করা সম্ভব। অন্য কারো পক্ষে সম্ভব না।

 যখন বুঝতে পারেন, আল্লাহ সবসময়ই আপনার জন্য এমনটি করছেন তখন সেই তুচ্ছ প্রশ্নটির কথা ভুলে যাবেন, যা শয়তান আপনার এবং আমার মনে তুলে দেয় - কোথায় ছিলেন আল্লাহ যখন আমার তাঁকে খুব দরকার ছিলো ? আল্লাহ কোথায় ছিলেন যখন আমি অমুক সমস্যায় পড়েছিলাম ? ঐ অবস্থায় কেন তিনি আমাকে সাহায্য করলেন না ? মানুষ এ ধরণের প্রশ্ন করে; তাই না ? আপনার মনেও কখনো কখনো এ ধরণের প্রশ্ন চলে আসতে পারে। "কোথায় ছিলেন আল্লাহ?" আর আল্লাহ বলছেন, আমি সবসমই তোমার সাথে ছিলাম। তুমি এমনকি এ কথাটি উচ্চারণ করার সময়েও আমি তোমার জিহ্বার যত্ন নিচ্ছি। বলুনতো কিভাবে আপনার শব্দনালী দিয়ে শব্দ বের হয়ে আসছে। কিভাবে আপনার মুখ দিয়ে বাতাস বেরিয়ে আসছে যখন আপনি আল্লাহর সমালোচনা করছেন। তিনি আপনাকে তার জন্য শক্তি প্রদান করছেন। এটাই হলো كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ তারপর তিনি আবারো জিজ্ঞেস করছেন, فَبِأَيِّ آلاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ? কোন অনুগ্রহ, আল্লাহর কোন বিস্ময়কর দান যা তোমার প্রভু তোমাদেরকে দিয়েছেন, যা তোমরা উভয়ে (জিন এবং মানুষ) অস্বীকার করবে।


- উস্তাদ নোমান আলী খান

https://www.facebook.com/NAKBangla

6
অফিসে নিজেকে সফল কর্মী  হিসেবে প্রমান করতে চান?







7
CV writing Skills / Expert Feedback/Interview on CV Writing
« on: February 27, 2022, 01:37:49 PM »
Expert Feedback/Interview on CV Writing



Mr. S.M. Zahid Hasan
Executive Director (Admin & HR)
Walton Group

8
Islam / Why Me ?- A Beautiful Message
« on: January 13, 2022, 12:13:06 PM »
Why Me ?

A Beautiful Message by Arthur Ashe, The legendary Wimbledon Player who was dying of AIDS , which he got due to Infected Blood he received during a Heart Surgery in 1983 !

during his illness , he received letters from his fans , one of which conveyed :

" Why did God have to select you for such a bad disease ? "

To this Arthur Ashe replied :

 ⁃ 50 Million children started playing Tennis ,

 ⁃ 5 Million learnt to play Tennis ,

 ⁃ 500 000 learnt Professional Tennis ,

 ⁃ 50 Thousand came to Circuit ,

 ⁃ 5 Thousand reached Grand Slam ,

 ⁃ 50 reached Wimbledon ,

 ⁃ 4 reached the Semifinals ,

 ⁃ 2 reached the Finals and

when I was holding the cup in my hand , I never asked God :

" Why Me ? "

So now that I'm in pain how can I ask God :

" Why Me ? "

Happiness ... keeps you Sweet !

Trials ... keep you Strong !

Sorrows ... keep you Human !

Failure ... keeps you Humble !

Success ... keeps you Glowing !

But only , Faith ... keeps you Going !

Sometimes you are not satisfied with your life , while many people in this world are dreaming of living your life .

A child on a farm sees a plane fly overhead dreams of flying , while  a pilot on the plane sees the farmhouse and dreams of returning home .

That's life !

Enjoy yours ... If wealth is the secret to happiness , then the rich should be dancing on the streets .

But only poor kids do that .

If power ensures security , then VIPs should walk unguarded .

But those who live simply , sleep soundly .

If beauty and fame bring ideal relationships , then celebrities should have the best marriages .

Live simply , be happy ! Walk humbly and love genuinely ! 

WHY ME ?

A Beautiful Message not just to read and forward but to apply practically in our personal life .
Ash Arthur, a non Muslim is conveying basically an Islamic message of  life of Zeenatu Dunya—his understanding and insight of worldly life is piercing.

Collected.

9

ইসলামে ব্যবসার গুরুত্ব এবং ব্যবসায় সফল হওয়ার ১৩টি দিক নির্দেশনা
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
নি:সন্দেহে ব্যবসা হল, হালাল উপার্জনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপায়। তাই তো আল্লাহ তাআলা কুরআনে ব্যবসাকে হালাল ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন,
أَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا
"আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম করেছেন।" (বাকারা: ২৭৫)

তিনি আরও বলেন,

 يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُواْ لاَ تَأْكُلُواْ أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلاَّ أَن تَكُوْنَ تِجَارَةً عَنْ تَرَاضٍ مِّنْكُمْ

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না তবে কেবলমাত্র পারষ্পারিক সম্মতিক্রমে ব্যবসা করা হলে তাতে কোন আপত্তি নাই।” (নিসা: ২৯)

রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও যৌবন বয়সে ব্যবসা করেছেন। মক্কার সাহাবিগণ অধিকাংশই ব্যবসায়ী ছিলেন। তারা বছরে দু বার শীত ও গ্রীষ্মকালে শাম ও ইয়েমেন দেশ থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতেন-যা সূরা কুরায়শে বর্ণিত হয়েছে।
 বড় বড় সম্পদশালী ব্যবসায়ী সাহাবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, আবু বকর সিদ্দিক রা., উমর ইবনুল খাত্তাব রা. উসমান বিন আফফান রা., আব্দুর রহমান বিন আউফ, তালহা বিন উবাইদিল্লাহ, তালহা বিন যুবাইর, যুবাইর ইবনুল আওয়াম প্রমুখ সাহাবিগণ।

আমাদের পূর্বসূরি মহামতি ইমামগণও ব্যবসা করতেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, ইমাম আবু হানিফা রহ., ইমাম মালেক বিন আনাস রহ., ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহ., ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনুল মোবারক রহ. প্রমুখ।

তৎকালীন জাহেলি যুগ থেকে আরবে ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রাণ কেন্দ্র ছিলে উকাজ, মিজান্না, যুল মাজায, বনু কাইনুকা প্রভৃতি। সেখানে সাহাবিগণ ব্যবসা-বাণিজ্য করাকে গুনাহের কারণ মনে করলে আল্লাহ তাআলা কুরআনের আয়াত নাজিল করে তাদের সেই সংকোচ উঠিয়ে নিয়ে সেগুলো ব্যবসা করতে উৎসাহ দিলেন। এ প্রসঙ্গে আয়াত নাজিল হল,
لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَبْتَغُوا فَضْلًا مِّن رَّبِّكُمْ
“তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন গুনাহ নেই।” (সূরা বাকারা: ১৯৮) এটা ছিল হজ্জের মৌসুমে। (সহিহ বুখারি-ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত।

 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যবসায় বরকতের জন্য দুআ করেছেন।

তাছাড়া প্রায় সকল হাদিস ও ফিকহ এর কিতাবে কিতাবুল বুয়ু বা বেচাকেনা অধ্যায় রয়েছে। যেখানে মুহাদ্দিসগণ এ সংক্রান্ত অনেক হাদিস উল্লেখ করেছেন এবং ফকীহগণ ইসলামের দৃষ্টিতে ব্যবসার বিভিন্ন দিক সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। ‌
এখান থেকেই ইসলামে ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্ব সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়।

যাহোক, ব্যবসায় সফলতা অর্জনের জন্য একজন ঈমানদার ব্যবসায়ীর মধ্যে কতিপয় গুণ-বৈশিষ্ট্য থাকা জরুরি। নিম্নে এ সংক্রান্ত ১৩টি পয়েন্ট উপস্থাপন করা হল:

◈১) ব্যবসা শেখা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা:

ব্যবসা করতে শেখা এবং এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞা অর্জনের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য হয়ত কিছুটা সময় লাগবে। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতার ঝুড়ি ভরতে হয়। তাই এক লাফে বড়লোক হওয়ার চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হবে। অভিজ্ঞতা অর্জন করা ব্যতীত কখনোই  সমস্ত মূলধন প্রাথমিক অবস্থায় বিনিয়োগ করা উচিৎ নয়। প্রাথমিকভাবে অল্প পরিসরে কাজ শুরু করতে হবে। তারপর যখন অভিজ্ঞতা বাড়তে থাকবে, তখন ধীরে ধীরে মূলধনের পরিমাণও বৃদ্ধি করতে হবে।
অনেকেরই সুন্দর সুন্দর বিজনেস আইডিয়া থাকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জন ছাড়াই তারা বিশাল অংকের অর্থ ইনভেস্ট করে ফেলে। অবশেষে বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে নিজে মরে, পরিবারকেও মারে। যেমন কেউ ড্রাইভিং না শিখে গাড়িয়ে নিয়ে রাস্তায় বের হয়ে এক্সিডেন্ট করে নিজে মরে-অন্যকেও মারে। (আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন)

মোটকথা, ব্যবসার ক্ষেত্রে সুন্দর পরিকল্পনার পাশাপাশি ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

◈ ২) পরিকল্পনা:  নিজস্ব আর্থিক অবস্থা, ব্যবসার জন্য সঠিক স্থান নির্বাচন, জনবল ও মান সম্মত পণ্যের সহজলভ্যতা ইত্যাদি দিক বিবেচনা করে সুন্দরভাবে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সাজাতে হবে। এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে, ব্যবসায়িক সফলতা বিষয়ে গবেষকদের লিখিত বই পড়া যেতে পারে, ইউটিউবে বিজনেস প্ল্যান, বিজনেস আইডিয়া, অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, ব্যবসায় সফলতা সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিডিও দেখা বা এ সংক্রান্ত কোন কর্মশালায় অংশ নেয়া যেতে পারে।

◈ ৩) সততা ও সত্যবাদিতা: সত্যবাদিতা তথা কথা-কাজে মিল রাখা প্রতিটি মুসলিমের জন্য আবশ্যিক গুণ তো বটেই তবে ব্যবসায় সাফল্যের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এটি ব্যসায়িকের প্রতি গ্রাহকের আস্থা এনে দেয়।

◈ ৪) আমানতদারিতা (বিশ্বস্ততা): আমানতদারিতা না থাকা মুনাফেকের আলামত। সুতরাং চোরাকারবারি, মুনাফাখোরি, মজুদদারি, কালোবাজারি, পণ্যে ভেজাল দেওয়া, ওজনে কারচুপি করা, নকল করা; ধোঁকা, প্রতারণা ও ঠকবাজির আশ্রয় নেওয়া, দামে হেরফের করা প্রভৃতি অসাধুতা ইত্যাদি একজন মুসলিম হিসেবে তো অবশ্যই পরিত্যাজ্য একজন সৎ ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিত্যাজ্য।

সত্যবাদিতা ও বিশ্বস্ততা এ দুটি গুণ কেবল দুনিয়ায় সম্মান ও সফলতা অর্জনের কারণ নয় বরং আখিরাতেও বিশাল মর্যাদা লাভের কারণ। যেমন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আবু সাঈদ খুদরি রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
التَّاجِرُ الصَّدُوقُ الأَمِينُ مع النَّبيِّينَ والصِّدِّيقِينَ والشُّهداءِ
“সত্যবাদী ও আমানতদার (বিশ্বস্ত) ব্যবসায়ী (আখিরাতে) নবী, সিদ্দিক এবং শহিদগণের সঙ্গে অবস্থান করবে।”
(জামে তিরমিযী: ৩/৫১৫ (১২০৯), সহিহ তারগিব-সহিহ লি গাইরিহ ১৭৮২)
সুবহানাল্লাহ! একজন সৎ ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীর জন্য এর চেয়ে বড় মর্যাদার বিষয় আর কী হতে পারে!

◈ ৫) গ্রাহকের সাথে হাসিমুখে কথা ও সুন্দর আচরণ: হাদিসে হাসি মুখে কথা বলাকে সদকার সমপরিমাণ সওয়াব এবং সুন্দর আচরণকে জান্নাতে প্রবেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে যার আচরণ যত বেশি সুন্দর সবাই তাকে তত বেশি ভালোবাসে, সম্মান ও শ্রদ্ধা করে। দোকানের সেলস ম্যান যদি গ্রাহকদের সাথে হাসিমুখে কথা না বলে এবং ভদ্র ব্যবহার না করে তাহলে কেউ তার কাছে আসবে না।

◈৬) ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রম (অলসতাকে বিদায় জানানো)।  বিল গেটস বলেন, “সাফল্যের জন্য কখনই দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন না। সাফল্যের একটি মূল উপাদান হল ধৈর্য।”
 
◈ ৭) ব্যবসায় উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা:  ব্যবসায় এ দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায় সফলতা পেতে সব সময় কিছু নতুনত্ব থাকা প্রয়োজন। যেমন: নতুন কালেকশন, বিশেষ ছাড়, হোম ডেলিভারি, ফ্রি সার্ভিস, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, অনলাইন ওয়ার্ডার ইত্যাদি। বিভিন্ন উপলক্ষে গ্রাহক আকৃষ্ট করার জন্য কিছু কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। তাহলে তা গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

◈ ৮) গ্রাহকদের উন্নতমানের সেবা ও তাদের সন্তুষ্টি অর্জন: গ্রহককে কোন কিছুর প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করা, পণ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বা কোন কিছু খুঁজে পেতে ক্রেতাকে সাহায্য করা, তার কথা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করা, তাকে কেয়ার করা ইত্যাদি ব্যবসায়িক সাফল্য এনে দিতে বিরাট সাহায্য করে।

◈ ৯) গ্রাহকদের সমালোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করা: গ্রাহকদের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সমালোচনা এবং খারাপ প্রতিক্রিয়াগুলোকে ইতিবাচক ভাবে গ্রহণ করে সেগুলোকে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের প্রভাবক হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।

◈ ১০) বাজারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে যথাসময়ে যথোপযুক্ত পণ্য সরবরাহ করা: ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য বাজারের হালচাল বুঝে সঠিক সময়ে সঠিক মানের পণ্য বা সেবা সঠিক সময়ে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়া অত্যন্ত জরুরি।

◈ ১১) মান সম্মত পণ্য (Best Products): মানুষের চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে মান সম্মত পণ্য আমদানি করতে হবে। তবে অবশ্যই ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম কোন পণ্য ক্রয় বা বিক্রয় করা জায়েজ নাই।

◈ ১২) প্রতিযোগিতা মূলক মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা: গ্রাহকদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে যথাসম্ভব প্রতিযোগিতা মূলক মূল্যে পণ্য বিক্রয় করার চেষ্টা করতে হবে।

◈ ১৩) দুআ: সর্বোপরি আল্লাহর নিকট হালাল রিজিক ও ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য দুআ করা জরুরি। কেননা ব্যবসায় সব সময় লাভ হবে এমনটা আশা করা ঠিক নয় বরং এখানে লোকসানের ঝুঁকিও আছে। সে মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হবে।
আর মনে রাখতে হবে, আমাদের দেহে রূহ ফুঁকার আগেই মহান আল্লাহ আমাদের রিজিকের ফয়সালা করে রেখেছেন। কিন্তু আমাদের কর্তব্য, যথানিয়মে কাজ করা এবং প্রয়োজনীয় চেষ্টা ও পরিশ্রম করা। সফলতা দেয়ার মালিক মহান আল্লাহ। তিনি না দিলে আমরা শত চেষ্টা করেও একটা কানাকড়িও অর্জন করতে পারব না। এই বিশ্বাস মাথায় রেখেই আমাদেরকে কাজ করতে হবে।

আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমিন।
 
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

10
Marketing / Marketing & Branding during & beyond the Pandemic
« on: January 08, 2022, 03:27:04 PM »
Marketing & Branding during & beyond the Pandemic


11
এলসি বা Letter of Credit (LC) করার নিয়মঃ
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖


🔰বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি করে থাকে।
এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার কোম্পানীর TIN ভ্যাট করাতে হবে।এরপর ব্যংকে গিয়ে কোম্পানীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর ব্যাংক থেকে এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে পূরণ করে ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এই ফর্মে কিছু তথ্য প্রদান করতে হয়। যেমন কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে প্রভৃতি। এ বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
1️⃣ পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স, TIN,ভ্যাট করা। আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।
2️⃣ পর্যায় ২: কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।
3️⃣ পর্যায় ৩: যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা (ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন কোরিয়া থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট।
আর সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব তথ্যাদি থাকে।)
4️⃣ পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।
5️⃣ পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:
◾️আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)।
◾️ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
◾️সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট।
◾️ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)।
◾️এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।
🔘 LC advising Bank এর দায়- দায়িত্ব ও অধিকারসমুহঃ
এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে এলসি পেয়ে যে ব্যাংক বেনেফিশিয়ারি/ সাপ্লায়ারের  এর নিকট এলসি হস্তান্তর করে /বুঝিয়ে দেয় সেটিই হচ্ছে এলসি এডভাইজিং ব্যাংক...
◾️এল সি এডভাইজিং ব্যাংক এলসি এডভাইজিং এর মাধ্যমে নিশ্চিত করবে এলসি এর শর্তাবলী আপাতঃ দৃষ্টিতে যথার্থ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
◾️এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে এলসি পাওয়ার পর এডভাইজিং ব্যাংক এল সি এডভাইজ করতে সম্মত না হলে তা ইস্যুকারী ব্যাংককে দ্রুত জানাবে।
◾️এলসি এডভাইজিং এর পর যদি এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক কোন Amendment পাঠায় তা অবশ্যই প্রথম এডভাইজিং ব্যাংক এর মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
◾️এলসি এডভাইজিং এর সময় যদি সাপ্লায়ার / বেনেফিশিয়ারি/ এক্সপোর্টার এডভাইজিং চার্জ দিতে সম্মত না হয় তবে এডভাইজিং ব্যাংক সেই চার্জ এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক থেকে পাওয়ার অধিকার রাখে।
◾️সুইফট মেসেজ সম্পুর্ন প্রিন্ট হয়েছে কিনা দেখা।
◾️স্থানীয় আইন পরিপন্থী কোন শর্ত আছে কিনা।
◾️ ত্রুটিপূর্ণ শর্ত উল্লেখ আছে কিনা।
◾️UCP 600 এর article -9  এ LC advising Bank সম্পর্কে বলা হয়েছে।
🏛️ ব্যাংকিং রিলেটেড আরো নতুন নতুন নিউজ পেতে বাংলাদেশের ব্যাংকারদের নিয়ে গঠিত সুনামধন্য সর্ববৃহৎ গ্রুপ ব্যাংকার্স ফ্যামিলি এর সাথে থাকুন পাশে থাকুন।

Source: Social Media (https://www.facebook.com/photo/?fbid=251943307050211&set=gm.1571041083259701)

12
নিখুঁত সিভি লেখার কৌশল

জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) যেন চাকরিপ্রার্থীর প্রতিচ্ছবি। চাকরিদাতার কাছে চাকরিপ্রার্থীর প্রথম পরিচয় সিভির মাধ্যমে। তাই যার সিভি যত ভালো, তিনি তত এগিয়ে থাকেন। অনেকেই মনে করেন, সিভি বড় ও ভারী হলে ভালো; কিন্তু এ ধারণা ভুল। বরং সিভিতে অল্প কথায় নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলে ধরতে হয়। সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে, নিয়োগকারীরা একটি সিভি দেখতে এক মিনিটের কম সময় ব্যয় করেন। ব্রিটিশ মানবসম্পদ (এইচআর) বিশেষজ্ঞ ডেভিড ডিসুজা ও রুথ কর্নিশের মতে, সিভি দেখার পর একজন প্রার্থীকে তিনটি কারণে সাক্ষাৎকারে ডাকা হয় না। কারণ তিনটি হলো—গতানুগতিক ধরনের সিভি, ভুল বানান ও মিথ্যা তথ্য। তাই সময় নিয়ে সঠিকভাবে তৈরি করুন নিজের সিভি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান ও সিভি লাইব্রেরি অবলম্বনে নিখুঁত, সুন্দর ও আকর্ষণীয় সিভি লেখার কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো।


নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা

সিভির শুরুতে নিজের নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা থাকা উচিত। ‘কারিকুলাম ভিটা’ বা ‘সিভি’ দিয়ে শিরোনাম করা ঠিক নয়। নিজের নাম শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। যোগাযোগের ঠিকানা স্পষ্ট করে লিখতে হবে। ই-মেইল ঠিকানা এবং মুঠোফোন নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই অংশে লিংকডইন প্রোফাইলের লিংক যোগ করলে ভালো। তবে লিংকডইন প্রোফাইলের তথ্য যেন হালনাগাদ থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ছবি

সম্প্রতি তোলা ঝকঝকে ছবি ব্যবহার করতে হবে। ফেসবুক বা অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহার করা ক্যাজুয়াল সিভি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ছবি হতে হবে পাসপোর্ট সাইজের।

ব্যক্তিগত প্রোফাইল

সিভির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যক্তিগত প্রোফাইল। আপনার কর্মজীবনের লক্ষ্য এবং আপনি প্রতিষ্ঠানকে কী দিতে পারবেন, তা কয়েক লাইনে লিখতে হবে। আপনার ব্যক্তিগত বক্তব্য যেন সংক্ষিপ্ত এবং আকর্ষণীয় থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখুন। দুই-তিনটি বাক্যের চেয়ে বেশি বাক্য ব্যয় করা অনুচিত।

পেশাগত অভিজ্ঞতা


আপনার আগের চাকরি, ইন্টার্নশিপ এবং কাজের অভিজ্ঞতা বিস্তারিত তুলে ধরতে হবে। কোথায় কোথায় চাকরি করেছেন, তা ক্রমানুসারে লিখুন। সদ্য স্নাতক পাস করা হলে ইন্টার্নশিপ যেখানে করেছেন, তার বিস্তারিত তুলে ধরুন। চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে সর্বশেষ যেখানে চাকরি করেছেন, সেটি লিখে বাকি প্রতিষ্ঠানের নামগুলো পর্যায়ক্রমে লিখুন। প্রতিষ্ঠানের নাম, সেখানে আপনার কাজের বিবরণ এবং আপনার অর্জন লিখতে হবে। কোন প্রতিষ্ঠানে কত দিন কাজ করেছেন, সেটিও উল্লেখ করুন।

শিক্ষা

পেশাগত অভিজ্ঞতা অংশের মতো শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখার ক্ষেত্রে আপনার সর্বশেষ ডিগ্রি যে প্রতিষ্ঠান থেকে, সেটি দিয়ে শুরু করে ক্রমানুসারে মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের নাম লিখতে হবে। প্রতিষ্ঠানের পাশে পাস করার সাল এবং জিপিএ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষা দিয়ে ফলাফল না পেয়ে থাকলে ‘অ্যাপিয়ার্ড’ লেখা যেতে পারে।

প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা

যাঁরা সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, তাদের জন্য এই অংশ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাঁদের পূর্ববর্তী কোনো চাকরি করার অভিজ্ঞতা নেই। যিনি সদ্য স্নাতক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার তথ্যাদি বেশি সিভিতে যুক্ত করতে পারবেন, তিনি বাকিদের চেয়ে তত এগিয়ে থাকবেন। প্রশিক্ষণ ও কর্মশালাগুলো লেখার ক্ষেত্রে বিষয়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে।

আকর্ষণীয় শখ

আমি বাইরে যাই, প্রকৃতি উপভোগ করি—এ ধরনের শখ যোগ করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এগুলো বললে আপনি ব্যক্তি হিসেবে কেমন, তা ফুটে ওঠে না। বরং এমন কিছু শখের কথা লিখুন, যা আপনার নিষ্ঠা ও একাগ্রতা তুলে ধরে। দলগত যেকোনো ইভেন্ট ভালো শখ হতে পারে।

ভাষা দক্ষতা

দেশে চাকরির জন্য বাংলা ও ইংরেজি জানা আবশ্যক। প্রমিত বাংলা ভাষা শেখার কোনো কোর্স করে থাকলে তা উল্লেখ করতে পারেন। আর ইংরেজি ভাষা দক্ষতার ক্ষেত্রে আইইএলটিএস, টোয়েফল ও পিটিই পরীক্ষায় অংশ নিলে তার স্কোর লিখুন। এ ছাড়া অন্য কোনো ভাষা জানা থাকলে সেটিও উল্লেখ করুন।

কম্পিউটার দক্ষতা

এখন প্রায় সব চাকরির জন্য কম্পিউটার দক্ষতা আবশ্যক। সাধারণত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্ট জানা বাধ্যতামূলক ধরা হয়। এ ছাড়া ফটোশপ বা ভিডিও এডিটিং জানা থাকলে উল্লেখ করতে পারেন। এ বিষয়ে কোথাও প্রশিক্ষণ নিলে সাল–তারিখসহ উল্লেখ করুন।

রেফারেন্স

প্রার্থীর পরিচিত যেকোনো পেশার ব্যক্তির নাম রেফারেন্স হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। তবে সদ্য স্নাতকেরা তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের রেফারেন্স হিসেবে দিতে পারেন। যাঁর রেফারেন্স দেবেন, অবশ্যই তাঁর অনুমতি নিতে হবে। তাঁর নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে হবে।

অঙ্গীকারনামা

সিভিতে কোনো অবস্থাতেই মিথ্যা বা ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না। অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করতে হবে, আপনার সব তথ্য সঠিক ও নির্ভুল। লেখার নিচে আপনার স্বাক্ষর থাকতে হবে।

বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে

ফন্টের ব্যবহার: টাইমস নিউ রোমান, অ্যারিয়্যাল বা ভারদানা ফন্ট ব্যবহার করতে পারেন। ফন্ট সাইজ ১১–এর কম হওয়া যাবে না। মাঝেমধ্যে বোল্ড এবং হেডার অপশনও ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই কালো রঙ ব্যবহার করতে হবে।

প্রাসঙ্গিকতা: আপনি যেসব অভিজ্ঞতা সিভিতে তুলে ধরবেন, সেগুলো আবেদন করা চাকরির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কাজের বিবরণ দেখুন এবং মিলিয়ে নিন সেগুলো আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর নিশ্চিত হয়ে সিভি পাঠিয়ে দিন।

বিশেষণ এড়িয়ে যান: পরিশ্রমী, মনোযোগী, উৎসাহী—এ ধরনের বিশেষণগুলো এড়িয়ে চলুন। এর পরিবর্তে কিছু অর্থবহ শব্দ ব্যবহার করুন। যেমন জবাবদিহি, লক্ষ্য ও অর্জন।

ছোট রাখুন: সিভি সংক্ষিপ্ত রাখুন, তবে ছোট করতে গিয়ে অভিজ্ঞতা মুছে ফেলা যাবে না। গতানুগতিক নিয়মে দুই পৃষ্ঠায় সিভি শেষ করতে বলা হয়। আপনি কোন ধরনের চাকরিতে আবেদন করছেন, তার ওপর পৃষ্ঠা বাড়তেও পারে। তবে দুই পৃষ্ঠার সিভি দেখলে নিয়োগকর্তারা সাধারণত খুশি হন।

নির্ভুল হোন: নিয়োগকারীরা আপনাকে ভুলের ওপর বিচার করবে। সেটা হতে পারে বানানের ভুল, সিভির কাঠামোর ভুল অথবা বিরামচিহ্নের ক্ষেত্রে। তাই সিভি লেখার সময় সতর্ক থাকুন। কম্পিউটারে লিখলে স্বয়ংক্রিয় সংশোধন অপশন ব্যবহার করুন। সিভি তৈরি করার পর ভুল এড়াতে আরেকজনকে দিয়ে পড়িয়ে নিন।

Source: Daily Prothom Alo

13
এমন শিক্ষা কার কী কাজে আসবে?
দেশে শিক্ষার মান যে নিম্নগামী, তা অনেকবার অনেকভাবেই বলা হয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যায় কোনো কমতি নেই।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব পর্যায়েই। এক্ষেত্রে ‘কোয়ান্টিটি’ আমাদের বেশ আশ্বস্ত করলেও ‘কোয়ালিটি’র কথা মনে হলে হতাশ হতে হয়।

আমাদের দেশে মাধ্যমিক স্তরে নবম শ্রেণি থেকেই আলাদা বিজ্ঞান শিক্ষা শুরু হয়, তবে উচ্চমাধ্যমিকে একেবারে পাকাপাকি। একদম ছেলেবেলা থেকেই দেখে ও শুনে আসছি যে, সাধারণত বেশি মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীরা ব্যবসায় শিক্ষা এবং বাকি গড়পড়তা সবাই মানবিক বিভাগে পড়তে আগ্রহী হয় এবং পড়ে থাকে।

আমাদের কলেজের হেড ক্লার্ক ইনামূল হক (শিক্ষার্থী-শিক্ষক সবার অতি প্রিয় এবং সবার কাছে ‘ভাইছাব’ নামে পরিচিত) খুবই রসিকজন। বিএ পাশ করার পর ১৯৬৪ সালে কলেজ চালুর দিনেই তিনি চাকরিতে যোগ দিয়ে সেখান থেকেই ২০০০ সালে অবসরে যান।

একসময় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বেশ অভিজ্ঞতাও সঞ্চয় হয় তার। বেতন প্রদান বা এমন কাজে কোনো শিক্ষার্থী অফিসে তার কাছে গেলে নামের পর বিভাগ লেখার বেলায় তিনি মুখের দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করতেন, ‘ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজার, নাকি মন্ত্রী-আপনি কোন বিভাগের শিক্ষার্থী, কী লিখব?

এর সরলার্থ : বিজ্ঞান পড়া মানে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, ব্যবসায় শিক্ষা মানে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আর গড়পড়তা মানবিক বিভাগ নিয়ে পড়া মানে রাজনীতি এবং একসময় এমপি-মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ!

কেবল শিক্ষকতা জীবন নয়, ব্যক্তিজীবনেরও ঘটে যাওয়া অনেক অম্ল-মধুর ঘটনা এখন আর আমি আগের মতো মনে রাখতে পারি না, সহজে ভুলে যাই।

তবে এক্ষেত্রে খানিকটা বুদ্ধি খাটালাম, যাতে বিষয়টি বিস্মৃত হয়ে না পড়ি। তারিখ : ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫। একে একে প্রায় ছয়টি বছর গত হয়ে গেল। হঠাৎ পুরোনো জামার পকেট থেকে বের হয় আবেদনপত্রের কপিটি।

কলেজের অধ্যক্ষ ছুটি নিয়ে ঢাকায় গেলেন। তার অনুপস্থিতিতে আমি দায়িত্ব পালন করছি। একসময় একজন ছাত্র এসে কক্ষে ঢুকল, হাতে ফি মওকুফের একটি আবেদনপত্র। আবেদনপত্রটি ভালো করে না পড়েই আমি ছাত্রটিকে বোঝাতে চেষ্টা করি, টাকা মওকুফের ব্যাপার, ও যেন আগামীকাল অধ্যক্ষ ফিরে এলে সরাসরি তার হাতেই সেটি দেয়। কিন্তু না; সে এখনই এবং আমার কাছেই সেটি দিয়ে দিতে চায়। বারবার অনুরোধে শেষ পর্যন্ত আমি তা গ্রহণ করি এবং যথারীতি সে বিদায় নিয়ে চলে যায়। অন্য একটি কাজ শেষ করে আবেদনপত্রটিতে চোখ রাখতেই প্রচণ্ড একটি ধাক্কা খাই। ও মা, এ আমি কী দেখছি!

শিক্ষার মান যে নিম্নগামী, তা আমাদের স্বাধীনতার পর থেকে (অটোপ্রমোশন ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় ব্যাপক গণটোকাটুকির ফল) বেশ সুবিদিত। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের আবেগ-বিহ্বলতা কাটিয়ে বঙ্গবন্ধুর আমলেই পরীক্ষায় নকল বন্ধ ও শিক্ষাব্যবস্থায় মোটামুটি একটি স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে। পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের আমলে সত্তরের দশক পর্যন্ত মোটামুটি তা অব্যাহত থাকে। কিন্তু আশি ও নব্বইয়ের দশকে শিক্ষা বিভাগের অনিয়ম, অব্যবস্থা, দুর্নীতি ও অবজ্ঞা-অবহেলার পরিণাম এখন আমরা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছি আর হাড়ে হাড়ে টেরও পাচ্ছি।

সে যাই হোক, মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসি। ওই ছাত্রের আবেদনটি মোট ৩৮টি শব্দে লেখা এবং তাতে ১০টি শব্দ সে ভুল বানানে লিখেছে; সেটি আমার কাছে বড় কথা নয়। নিজের শ্রেণিকে সে ‘একাদ্বশ’ বলে উল্লেখ করেছে, তাও বাদ দেওয়া যেতে পারে। অসম্ভবকে ‘অসম্বভ’ এবং নিয়মিত লিখতে গিয়ে লিখেছে ‘নিয়মীত’ এবং এক জায়গায় ‘অকূল’ আবেদনও লিখেছে কলেজের ওই ছাত্র। একটি আবেদনপত্র ‘আবেদন মঞ্জুর করলে বাধিত হব’ বা ‘মঞ্জুর করে বাধিত করবেন’-সচরাচর এমন সব শব্দ দিয়ে শেষ করা হয়। চোখে এবং বেশ মনে লাগার মতো বিষয় হলো, অধ্যক্ষের কাছে লেখা আবেদনপত্রটি সে শেষ করেছে ঠিক এভাবে-‘আবেদনটি মঞ্জুর করে বাধিত হন।’ এখানে ওর বাধিত হওয়া আর অধ্যক্ষের বাধিত হওয়াকে সে একাকার করে ফেলেছে। ‘মরব’ নাকি ‘মারব’ মানে একই কথা (!)। তাও না হয় বাদ দিলাম। একে একে অনেক কিছুই তো উপেক্ষা করলাম, তাহলে এতক্ষণ ধরে কেন এমন প্যাঁচাল? ইতোমধ্যে যাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে গেছে এবং প্যাঁচাল থেকে মুখ ঘুরিয়ে অন্যত্র মনোনিবেশ করেছেন তাদের কথা আলাদা। কিন্তু যারা ধৈর্য ধরে এখনো আমার ‘প্যাঁচালে’র শেষটা জানার অপেক্ষায় রয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা।

আমার যা বেশি মনে লেগেছে তা হলো, ছাত্রটি ওর আবেদনপত্রে ফি বা ফি মওকুফ কথাটি লিখেছে একে একে তিন জায়গায় এবং তিনবারই সে লিখেছে ‘ফ্রি’ বা ‘ফ্রি মওকুফ’। আরও কথা-গড়পড়তা মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাধারণ মানের কেউ নয়; সে বিজ্ঞান বিভাগের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। তাহলে এই ছাত্র বা এমন ছাত্রের ভবিষ্যৎ কী? তার নিজের, পরিবারের, কলেজের, সর্বোপরি সমাজের কী কাজে আসবে এমন শিক্ষা?

অথচ উদ্যোগ-আয়োজনের কোনো কমতি নেই। দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছড়াছড়ি। চারদিকে বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি ৫-১০ বছর আগের তুলনায়ও শিক্ষার্থীদের সামনে এখন অবারিত সুযোগ। ঘাটতি কেবল মান আর সঠিক দেখভালের। উল্লিখিত শিক্ষার্থী কিংবা ঘটনাটিকে আমি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজের বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় বলে মনে করি না। এখনই মনোযোগী হওয়া দরকার-শিক্ষার্থী, শিক্ষক, নীতিনির্ধারক, সরকার-সবার।

বিমল সরকার : অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক

Source: Daily Jugantor

14
আমরা যারা ১৯৭০ সালের আগে জন্মেছি তারা বিশেষ ভাগ্যবান আজকের পৃথিবীতে..

কেন??

.....আমরা সমস্ত প্রযুক্তির ব্যবহার জানি এবং উপভোগ করি ......!!!
         
কিন্তু .....

আমরা কখনো জানোয়ারের মত বইয়ের পাহাড় মাথায় করে বিদ্যালয় যাই নি।

👌আমাদের মা বাবাকে কখনো আমাদের পড়াশোনার চিন্তায় নিজেদের জীবন ব্যতিব্যস্ত করতে হয় নি...!

👍    স্কুলের পরেও সূর্যাস্ত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে খেলতাম প্রান খুলে.....

👍 আমরা প্রাকৃতিক বন্ধুদের সাথে জীবন কাটাতাম, net  friends দের সাথে নয়......।

যখনই তৃষ্ণার্ত থাকতাম মন খুলে কল থেকে জল খেতাম,  জীবানুর ভয়ে pure it থেকে নয়..

তাও অসুস্থ হয়ে পড়ি নি।

আমরা ১ টাকার আইসক্রিম ৪ জন ভাগ করে খেয়েও পেট খারাপ করে বসি নি।

আমরা প্রতিদিন পেট ভরে ভাত আর প্রান খুলে মিষ্টি খেয়েও মোটা হয়ে পড়ি নি।

খালি পায়ে জমিতে ফুটবল খেলা সত্বেও পা ভেঙে ফেলিনি।

সুস্থ থাকার জন্য কখনো revital দরকার হয় নি ।

খেলনা আমরা নিজেরাই বানিয়ে খেলতাম

মা বাবার কাছে থেকেই মানুষ হয়েছি,  mentor দরকার হয় নি ।

আমরা সব ভাই বোনেরা একরকম জামা কাপড় পরে মজা পেতাম ..common বলে নয়....

একরকম হওয়ার আনন্দে..


শরীর খারাপ হলে ডাক্তার আমাদের কাছে আসতো,  আমরা ওই অবস্থায় যেতাম না।

আমাদের কাছে  মোবাইল, DVD's, Play station, Xboxes, PC, Internet, chatting ছিল না

 কারন আমাদের কাছে সত্যিকারের বন্ধু ছিলো ।

বন্ধুকে না জানিয়ে তার ঘরে গিয়ে একসাথে খাওয়া দাওয়া করে মজা পেতাম । কখনো ফোন করে appointment নিতে হয় নি।


We are not special, but we are fortunate and enjoying generation

যখন আমরা ছোট ছিলাম হাতগুলো জামার মধ্যে
ঢুকিয়ে নিয়ে বলতাম, আমার হাত নেই,

একটা পেন ছিল, যার চার রকম কালি, আর আমরা তার চারটে বোতাম একসাথে টেপার চেষ্টা করতাম,
🏠🚪
দরজার পিছনে লুকিয়ে থাকতাম কেউ এলে চমকে দেব বলে, সে আসতে দেরি করছে বলে অধৈর্য হয়ে বেরিয়ে আসতাম,
🌙🏃
ভাবতাম আমি যেখানে যাচ্ছি, চাঁদটা ও আমার সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে
,
💡👆
সুইচের দুদিকে আঙুল চেপে অন্-অফ এর মাঝামাঝি ব্যালেন্স করার চেষ্টা করতাম,
💧💧
দু -ফোটা জল ফেলে রেস করাতাম, কোনটা গড়িয়ে আগে নীচে পড়ে,
☔🍀
বৃষ্টি হলে ছাতা না নিয়ে কচু বা কলাপাতা মাথায় দিয়ে বলতাম, দ্যাখ জল গায়ে লাগছে না,
🎒
তখন আমাদের শুধু একটা জিনিসের খেয়াল রাখার দায়িত্ব ছিল, সেটা হল স্কুলব্যাগ,
🙇🏉🌱
ফলের দানা খেয়ে ফেললে দুশ্চিন্তা করতাম,
পেটের মধ্যে এবার গাছ হবে,
🏡🏃
ঘরের মধ্যে ছুটে যেতাম,তারপর কি দরকার ভুলে যেতাম, ঘর থেকে বেরিয়ে আসার পর মনে পড়ত....

আমরাই শেষ জেনারেশন যাঁরা পৃথিবীর বুকে স্বর্গ দেখেছি। আর কোনো জেনারেশনই হয়তো আর তা দেখতে পাবে না।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা গরুর গাড়ি থেকে সুপার সনিক কনকর্ড জেট দেখেছি।

পোস্টকার্ড, খাম, ইনল্যান্ড লেটার থেকে শুরু করে আজকের হোয়াটস্যাপ চ্যাটিং, ফেসবুক, ই-মেইল পর্যন্তও করছি। অসম্ভব মনে হওয়া অনেক জিনিসই সম্ভব হতে দেখেছি।

আমরা সেই জেনারেশন, যারা টেলিগ্রাম এসেছে শুনলেই ঘরগুষ্টির মুখ শুকিয়ে যেতে দেখেছি…

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা মাটিতে বসে ভাত খেয়েছি আর প্লেটে ঢেলে চা খেয়েছি সুরুৎ শব্দে, পরে জেনেছি ওটা বদ-অভ্যাস ।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ছোটবেলায় বন্ধুদের সাথে  লুকোচুরি, টিলো এক্সপ্রেস, ডাঙ্গুলি, দাড়িয়াবাধা, গোল্লাছুট, মার্বেল খেলেছি, কাগজের ঘুড়ি বানিয়ে আকাশে উড়িয়েছি।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা হ্যারিকেন আর কূপির আলোতে পড়াশুনা করেছি, বেত থেকে পাখার ডাঁটির চাপকানি খেয়েছি আর চাদরে হাফ বডি ঢুকিয়ে উপুড় হয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়েছি দস্যু বনহুর, মাসুদ রানা, কুয়াশা সিরিজ।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা এসি, হিটার, ফ্রীজ, গ্যাস, মাইক্রোওভেনের অস্থাবর সুখ ছাড়াই  কাটিয়েছি ছোটবেলা।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা বিনা টিফিনে স্কুলে গেছি, ইস্কুলে টিচারের হাতে মার খেয়ে, বাড়ি এসে নালিশ করাতে সেকেন্ড-রাউন্ড বেদম ফ্রি-ষ্টাইল ওয়ান-ওয়ে ফাইট সহ্য করেছি। আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা বড়দের সন্মান  করেছি।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন  যারা জোৎস্না রাতে ছাদে ট্রানজিস্টরে বিবিসি’র খবর, অনুরোধের আসর আর সৈনিক ভাইদের দুর্বার অনুষ্ঠান এর শেষ সাক্ষী।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন  যারা টেলিভিশনে খেলা দেখার জন্য ছাদে উঠে এ্যন্টেনা এডজাস্ট করে স্যিগনাল ধরার চেষ্টা করেছি। আমাদের ছিল তিন লাঠির এন্টেনা, আর ছিল টিভি স্ক্রিনে পার্মানেন্ট ঝিলমিলানি, তাতে কোনও প্রব্লেমই হোত না, ওটা জীবনের অঙ্গ ধরাই ছিল। গন্ডগোল পাকাতো ঐ বেয়াড়া লোডশেডিং।

আমরাই সেই শেষ জেনারেশন যারা ইচ্ছে করে বৃষ্টি ভিজে ইস্কুল থেকে বাড়ি ঢুকেছি। আমরা সেই শেষ জেনারেশন যাঁরা পাশের জঙ্গলে শিয়াল ডাকার আগেই বাড়ি ঢুকেছি।

আমরা সেই শেষ জেনারেশন যারা পূজো বা ঈদের সময় শুধু একটা নুতন জামার জন্য অপারগ বাবার  দিকে চেয়ে থেকেছি।

আমরাই লাষ্ট জেনারেশন যারা এখনও সত্যিকারের বন্ধু খুঁজি। যেখানে নতুন প্রজন্ম ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম আর হোয়াটস অ্যাপের নেশায় বুঁদ!

আমরা  সেই জেনেরেশন কলেরা রোগে হাজার হাজার মৃতু দেখেছি । এখন শেষ করোনায়
দেখলাম লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃতু
সেই দিন সেই সময় আর আসবেনা। তবে স্মৃতিটুকু রয়ে গেছে।       


👦👧
মনে আছে ❓
👭👬👫
যখন আমরা ছোট ছিলাম তখন ধৈর্য্য সহ্য হতনা যে কবে বড় হব,
👨👩👴👮👳👲👷
আর এখন মনে করি, কেন যে বড় হলাম ❗
🙆🙅💁🙋
Childhood was the best part of our life.
📃📄
আমি জানি তুমি এগুলো পড়ছো,
আর তোমার মুখে হাসি ফুটে উঠেছে,
ছোটবেলায় সবথেকে বেশিবার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নটার উত্তর আমি পেয়েছি অবশেষে...
🎅
-তুমি বড়ো হয়ে
কি হতে চাও❓❔❓
🚣🚴🏊
উত্তর-
আবার ছোট হতে চাই৷

বলবো forward
 করতে, তারাও যেন ভালোলাগার স্মৃতিগুলো মনে পড়লে ভালো লাগে 👭👭👬👬
(সংগৃহীত)

15
Islam / গিভ এন্ড টেক
« on: December 23, 2021, 01:04:16 PM »
গিভ এন্ড টেক
-----------

আমাদের সবার জীবনেই বিভিন্ন রকম সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি কিছু নেন এবং কিছু দিয়ে থাকেন। বিবাহের ক্ষেত্রে আপনি কিছু দিয়ে থাকেন এবং কিছু নিয়ে থাকেন। যখন আপনি পিতা বা মাতা হন তখনো কিছু দিয়ে থাকেন এবং কিছু নিয়ে থাকেন। যখন আপনি একজন শিক্ষক তখনো কিছু দিয়ে থাকেন এবং কিছু নিয়ে থাকেন। যখন আপনি কারো চাকরি করেন বা মালিক পক্ষের হয়ে থাকেন তখনো কিছু নিয়ে থাকেন এবং কিছু দিয়ে থাকেন। সবসময় সম্পর্কটা দেওয়া নেওয়ার।

রাসূলুল্লাহ (স) বলেন - "মু'মিনের উদাহরণ হল ঠিক মৌমাছির মত।" মৌমাছির মত হলে কী হবে? আর কীভাবে মৌমাছির মত হব? মৌমাছি আমাকে আমার ঈমান সম্পর্কে কী শেখাবে?

মৌমাছি যা কিছু নেয় তার চেয়ে অনেক বেশি দিয়ে থাকে। এটি নেওয়ার চেয়ে দেয় অনেক বেশি। আর যা প্রদান করে তা গ্রহীতার জীবনকে উন্নত করে। আর যা নিয়ে যায় তা গ্রহীতার কোন ক্ষতি করে না। এটি ফুল থেকে যা নেয় তা ফুলের কোন ক্ষতি করে না। এটি ফুলের উপর খুব সুন্দর করে পাগুলো রাখে। প্রসঙ্গত, ফুলের খুব কোমল জায়গায় মৌমাছিকে বসতে হয়। ফুলের তুলনায় মৌমাছি ভারী একটি জীব। যদি সে তার সম্পূর্ণ ওজন ফুলের ঐ কোমল জায়গায় রাখে তাহলে এটি ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই, এটি ভাসতে থাকে, পুরো ওজন ফুলের উপর রাখে না। এটি পাখাগুলো ঝাপটাতে থাকে যেন সম্পূর্ণ ওজন ফুলের উপর না রাখতে হয়।   

আমরা এখান থেকে কী শিখছি? আপনার একটি সম্পর্ক আছে কিন্তু আপনি শুধু দাবি করতে থাকেন, দাবি করতে থাকেন, চাইতে থাকেন, চাইতে থাকেন...তারপর একসময় আপনার প্রিয় বন্ধু, আপনার কর্মচারী, আপনার স্বামী বা স্ত্রী তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। আপনার কিছু জিনিস দরকার, হ্যাঁ আমি একমত। কিন্তু অতিরিক্ত নিতে যাবেন না। সহজে অগ্রসর হউন। তাদেরকে এমন চাপে ফেলবেন না যে তারা ভেঙ্গে পড়বে। আর যদি কিছু চান তাহলে আগে বেশি করে প্রদান করুন। তার জন্য কিছু নিয়ে আসুন তারপর দাবি করুন। আর যখন চাইবেন কম করে চান। জাস্ট, যতটুকু দরকার। যতটুকু প্রয়োজন।

- নোমান আলী খান


বাংলায় ডাবিংকৃত সম্পূর্ণ আলোচনার লিঙ্কঃ

Pages: [1] 2 3 ... 127