Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - Madhusudan Das

Pages: [1]
Business Administration / Ahsan Manjil, Dhaka.
« on: August 11, 2016, 10:49:40 AM »
Built in 1872 and standing on the river Buriganga, this stately building offers the visitors a feeling of the life-style of the Nawabs of Dhaka. Sometimes known as the Pink Palace, this building now houses a splendid museum. Basically, it was the residence of the Nawabs. Nawab Abdul Gani renovated this building in the year 1872  and named it after his son Khaza Ahasanullah. On the bank of river Buriganga in Dhaka the Pink majestic, Ahsan Manjil has been renovated and turned into a museum recently. It is an epitome of the nation's rich cultural heritage.Based on an access of 1 meter, two-story alcazar measures 125.4m by 28.75m. The acme of the arena attic is 5 meters, and the aboriginal attic of 5.8 meters. There are columns of the acme of the arena floor, both arctic and south ancillary of the castle. A ample accessible stairway bottomward from the south portico, boarded the river through the advanced yard.
Ahsan Manzil, an architectural gem, is attestant to abounding actual contest of Bangladesh. The aftermost allotment of the 19th aeon until the aboriginal years of Pakistan, Muslim leaders of East Bengal emerged from the palace. Nawabs of Dhaka acclimated to do business actuality in cloister as arch of the Panchayet (village council) every day. Abounding anti-Congress affairs were captivated in the Nawab of Ahsanullah condescension, a allegiant apostle of the Muslim identity. Almost all the viceroys, governors and abettor governors of British India visited Dhaka spent sometime at the Ahsan Manjil.

Constraction of the architecture was started in 1859 and ends at 1872. Abdul Ghani called it Ahsan Manzil afterwards his son Nawab Khwaja Ahsanullah. The anew congenital alcazar aboriginal came to be accepted as the Rang Mahal. On April 7, 1888, a tornado acquired astringent accident to Ahsan Manzil -- Andar Mahal, the earlier allotment of the palace, was absolutely devastated. During the about-face of the Andar Mahal a acceptable allotment of the alcazar was overhauled and repaired, and the admirable arch of the present Rang Mahal was added. Ahsan Manzil was afresh damaged by an convulsion in 12 June 1897 and afresh repaired by the Nawab Ahsanullah.

Nil Giri is the highest hill resort of Bangladesh with amazing natural beauty. This Resort is located 47 km South-East of Bandarban town on Chimbuk Range at a height of 2400 feet from sea level. It has a high class residential accommodation that makes a difference.  This beautiful resort in the top of the mountain maintain by the Bangladesh Army.

You will be amazed when you see that the cloudy sky often kisses the peak of the hill. Gentle breeze was blowing down the hill side and thin clouds were hanging around on their way to casual fly. Dimmed through the clouds, silver moon light was rolling down the folds and slopes.  It is Imagine the scene! Clouds are playing with you and you can touch them! This is the most attractive place of Bangladesh for those who love hills and clouds.

How to go:
It is 47 KM away from Bandarban. If you get on a Bus from Dhaka at around 10 o’clock you will reach Bandarban at dawn. For better freedom one can rent a microbus or car from Dhaka. To save time you can reach Cox’s Bazaar by air for onwards move to Nilgiri by bus or rent a car. You have to stay at Bandarban hotel and next day you can move to Nilgiri.

The accommodation in Nilgiri, in fact, makes its difference. Good hotels are there at Bandarban city too. Accommodation and food for 3 days will cost near tk 10000. Conveyance will depend on means you choose from tk 7000 minimum to maximum tk 11000 if you go by plane to Chittagong. Army man can get special priority for the lodge and cottages. But if it is not booked by any army and the lodge may vacant any day, you can reserve it. But it is so scarce happening. Most of the time Nilgiri remains booked. So try to contact the authority before three month to stay here. The tent is ready for you for short notice but you know it is a busy tourist’s spot. So book this before you get there.

Food Stuff:
Nilgiri is mainly a rest house. It has a clean and healthy restaurant. So don’t worry about stomach! Rice, beef, mutton are prepared in bamboo without water is really mouth-watering. Every meal cost is about 200-500 BDT. They can provide various types of taste food.

Available at:

All the people in their daily lives contribute a bit to this change in the climate. Everybody should give these points a good, serious thought:
   Electricity is the main source of power in urban areas. All the gadgets run on electricity generated mainly from thermal power plants. These thermal power plants are run on fossil fuels (mostly coal) and are responsible for the emission of huge amounts of greenhouse gases and other pollutants.
   Cars, buses, and trucks are the principal ways by which goods and people are transported in most of our cities. These are run mainly on petrol or diesel, both fossil fuels.
   People generate large quantities of waste in the form of plastics that remain in the environment for many years and cause damage.
   People use a huge quantity of paper in their work at schools and in offices. They do not ever think about the number of trees that they use in a day.
   Timber is used in large quantities for construction of houses, which means that large areas of forest have to be cut down.
   A growing population has meant more and more mouths to feed. Because the land area available for agriculture is limited (and in fact, is actually shrinking as a result of ecological degradation!), high-yielding varieties of crop are being grown to increase the agricultural output from a given area of land.

However, such high-yielding varieties of crops require large quantities of fertilizers; and more fertilizer means more emissions of nitrous oxide, both from the field into which it is put and the fertilizer industry that makes it. Pollution also results from the run-off of fertilizer into water bodies.

Bangladesh, like most nations, faces a large number of challenges.

What should be the top priorities for policy makers, international donors, NGOs and businesses? With limited resources and time, it is crucial that focus is informed by what will do the most good for each taka spent.
The Bangladesh Priorities project works with stakeholders across Bangladesh to find, analyze, rank and disseminate the best solutions for the country.

We engage Bangladeshis from all parts of society, through readers of newspapers, listeners to radio and TV viewers, along with NGOs, decision makers, sector experts and businesses to propose the best solutions. We have commissioned some of the best economists from Bangladesh, the region and the world to calculate the social, environmental and economic costs and benefits of these proposals.
We'll ask everyone - from Nobel Laureates to everyday Bangladeshis - to set their priorities for the country, sparking a nationwide conversation about what the smart - and not-so-smart - solutions are for Bangladesh's future.


পর্যটন খাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় কম: মেনন

প্রস্তাবিত বাজেটে পর্যটন খাতে বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, বিগত অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে এবার বাজেটে অর্থের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পৃথিবীতে যেভাবে পর্যটন এগিয়ে যাচ্ছে, তার সঙ্গে এই বরাদ্দ তুলনা করার মতো নয়। শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এভিয়েশন সেক্টর নিয়ে এক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৬-১৭) পর্যটন খাতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানান।
বাজেট বরাদ্দ প্রসঙ্গে  রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রয়োজনের সঙ্গে জোগান দেওয়ার ব্যাপারটি জরুরি। ২০১৫ সালে কেবিনেটের সাব কমিটির সঙ্গে মিটিং করে পর্যটন বর্ষের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীকেও সম্পৃক্ত করা হয়। কিন্তু এজন্য প্রয়োজনীয় যে বাজেট দরকার, তা পাইনি। এবারের বাজেটে অর্থমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা পর্যটন খাতের জন্য বরাদ্দের কথা বলেছেন।

আক্ষেপের সুরে রাশেদ খান মেনন বলেন, আজকের বিশ্বে পর্যটন খাত উৎপাদন ও সেবা খাতের পরে অবস্থান নিয়েছে। আমরাও দাবি করি, গার্মেন্ট খাতের পর আমাদের পর্যটন খাত স্থান নিতে পারে। আমরা ১৫টি দেশের এয়ারপোর্টের মধ্যে মাত্র ৭টি চালু রাখতে পেরেছি। আমি কদিন আগে একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে নেপালের পর্যটনমন্ত্রী জানালেন, তারা এক বছরের মধ্যে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি করবেন। ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী জানালেন, এখন পর্যন্ত তাদের ২৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর তৈরি করছে। আমরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে যুদ্ধের মধ্যে আছি। টার্মিনাল কাজ শেষে পুরোদমে ব্যবহার করতে পারব ২০২০ সাল থেকে। কিন্তু আমরা বরাবর বলছি ২০১৮ সালের মধ্যে শাহজালালে ধারণ ক্ষমতা হারাবে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, চট্টগ্রামে শাহ আমানত বিমানবন্দরে প্রতিদিন ১০০ টনের বেশি পরিবহন হয়। সেখানে একটি কার্গো কমপ্লেক্স তৈরি করা খুবই জরুরি হয়ে গেছে। আমরা তৈরি করতে পারিনি।আমাদের যেসব পুরনো এয়ারপোর্ট রয়েছে, সেগুলো চালু করতে উদ্যোগী হতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারকে আমাদের প্রয়োজনে চাপ দিতে হবে। সরকারকে বললে দেবে না, এমন নয়। আমরা ইতোমধ্যে খান জাহান আলী এয়ারপোর্টের কথা বলেছি। একনেকে পাস হয়েছে প্রায় একবছর হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত বাস্তবায়নের জায়গায় যেতে পারিনি।

সরকার বাংলাদেশি তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করতে দেশে একটি এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, সময়ের প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী এভিয়েশন সেক্টর এখন অনেক বেশি গুরত্বপূর্ণ। এ সেক্টরে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ যেখানে কর্মসংস্থান একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ, সেখানে এভিয়েশন সেক্টর এখনও সেভাবে বিকশিত হয়নি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘নভোএয়ার’-এর এমডি মফিজুর রহমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বারের সাবেক সভাপতি নাসির এ চৌধুরী, ডেফোডিল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ-এর চেয়ারম্যান সবুর খান প্রমুখ।


Sustainable tourism has three key components, sometimes referred to as the “triple bottom line”:
(International Ecotourism Society):

1. Environmentally: Sustainable tourism has a low impact on natural resources, particularly in   protected areas. It minimizes damage to the environment (flora, fauna, habitats, water, living marine resources, energy use, contamination, etc.) and ideally tries to benefit the environment.
2. Socially and culturally: It does not harm the social structure or culture of the community where it is located. Instead it respects local cultures and traditions. It involves stakeholders (individuals, communities, tour operators, government institutions) in all phases of planning, development, and monitoring, and educates stakeholders about their roles.
3. Economically: It contributes to the economic well being of the community, generating sustainable and equitable income for local communities and as many other stakeholders as possible. It benefits owners, employees and neighbors. It does not simply begin and then rapidly die because of poor business practices.

“More focus is needed on the hospitality sector as it is the key component for expanding tourism sector in the country,” said Parvez Ahmed Chowdhury, principal of the National Hotel and Tourism Training Institute (NHTTI), the country’s lone hospitality training institute. 
In a brief interview with the Dhaka Tribune, Parvez recently said: “Normally, around 30 people are employed in the country against a visitor. As we have a huge potentiality in the tourism industry, we need more trained manpower to attract more tourists in the country.”
“Unfortunately, we are yet to be successful in portraying the positive image of our country to the rest of the world in absence of proper planning in this regard,” said Parvez.   
Stressing village tourism, he said: “Foreigners like to visit villages in our country to get different tastes which are rare in the developed nations. Bangladesh Parjatan Corporation is now also giving priorities on village-based tourism and anyone can play a vital role in contributing to the newly-emerged village tourism concept.”
The efficient management of tourism products depends on professional training, and to develop professionalism and provide a cadre of skilled and trained manpower to meet the increasing demands for hotel and tourism industry at home and abroad, NHTTI offers various courses in the connection.
Tourism has become the highest income-generating activity across the globe and it holds great economic promise especially for the developing countries.

Note: Brief interview provided by Parvez Ahmed Chowdhury, Principal, NHTTI.
- See more at:

Cultural tourism is one of the largest and fastest-growing global tourism markets especially for the upcoming tourism market with having diversified cultural groups like Bangladesh. Culture is increasingly being used to promote destinations and enhance their competitiveness and attractiveness like ethnic culture can attract a specific type of cultural tourists in Rangamati. Many locations are now actively developing their tangible and intangible cultural assets as a means of developing comparative advantages in an increasingly competitive tourism marketplace and to create local distinctiveness in the face of globalization.

Tourism and culture have growing relationship between them and this relationship works as a major drivers to attract tourists in a specific destination. For example if we thing about Rangamati then most of the tourist visiting Rangamati are somehow attracted by the ethnic culture of local people. Sometimes these also become a threat to the local culture. Because most of the local people have their own faith, not to expose their culture publicly. On the other hand it can be regarded as an expansion of their culture. Through tourism their culture is being known to the people of other countries as well. It’s a matter of question now. Is tourism being attracted for culture or culture being attracted for tourism???

Tourism & Hospitality Management (THM) / Cox's Bazar
« on: January 30, 2016, 12:53:50 PM »
Cox's Bazar is known as the tourist capital of Bangladesh. It is one of the most attractive tourist attractions in Bangladesh with the longest sea beach in the world (120 km unbroken). Cox's Bazar, offering a lots of beauty for tourists is situated alongside the Myanmar border. Apart from the beautiful sea beach there are many other things to be seen and enjoyed. This includes ancient Buddhist temples, traditional Hindu’s temple and local handicraft markets. Shrimp farming salt production and tribal way of life will give you an extra enjoyment at Cox's Bazar. Cox's Bazar has managed to attract tourist from many different place and the number is increasing every season. People traveling from far can find hotels and local amenities witching reach. For sure, visiting Cox's Bazar will give a wonderful experience of life time. Few modern facilities can be established just for the tourists to attract them more the the unique sea beach and Government should offer a package development for tourism in Cox's Bazar.

চট্টগ্রামে বিনোদনের ক্ষেত্রে করপোরেট এবং বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ওয়াটার পার্ক সি-ওয়ার্ল্ড। পাহাড়, লেকঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দুয়ের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ফয়’স লেক কমপ্লেক্স চট্টগ্রামে বিনোদনের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। শুধু চট্টগ্রাম নয়, দেশের বড় ও শীর্ষ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো সি-ওয়ার্ল্ডের সেবা নিচ্ছে। গার্মেন্ট, ওষুধ, টেলিকম এবং ব্যাংক মিলিয়ে এ রকম প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শতাধিক। এর বাইরে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা রয়েছে তিন শত। ৩৩৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা ফয়’স লেক কমপ্লেক্সে চার বছর আগেও এক বছরে দর্শনার্থী প্রবেশ করত তিন লাখের মতো। এখন তা বেড়ে এক বছরে পাঁচ লাখে উন্নীত হয়েছে। এখন চাহিদা এতটাই বেড়েছে, এই বছর তা সাড়ে ছয় লাখে উন্নীত হবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। এ বিষয়ে ফয়’স লেক কমপ্লেক্স পরিচালনাকারী কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্টের ডেপুটি ম্যানেজার বিশ্বজিত ঘোষ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখন চট্টগ্রামের বড় ও সেরা গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ফয়’স লেককে বেছে নিচ্ছে। নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে চুক্তি করছে। এখন পিকনিকের মৌসুম শুরু হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে এবং রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো থাকলে বছর শেষে দর্শনার্থী প্রবেশ সাড়ে ছয় লাখে পৌঁছবে।’ কনকর্ডের সঙ্গে চুক্তি করা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম হচ্ছে শীর্ষ টেলিকম কম্পানি গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও এয়ারটেল। সম্প্রতি চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান শ্রীলঙ্কান কম্পানি কেনপার্কের প্রায় ১৭ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী ফয়’স লেকে পিকনিক করার চুক্তি করেছে। এটিকে ইতিবাচক উল্লেখ করে বিশ্বজিত ঘোষ বলেন, ‘গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক বিনোদনের নির্দিষ্ট বাজেট রয়েছে। আর সেদিক মাথায় রেখে আমরা সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছি। ফলে তারা আমাদেরই বেছে নিচ্ছে। এই চুক্তির পর ইপিজেডের আরো কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান শ্রীলঙ্কাভিত্তিক রিজেন্সি ও ইন্টিমেট অ্যাপারেলসের কর্মীরাও পিকনিকের জন্য বেছে নিয়েছে ফয়’স লেককে।’ জানা গেছে, প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যেঘেরা ফয়’স লেককে চুক্তিভিত্তিক ভাড়া নিয়ে নতুন রূপ দেয় দেশের শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ কনকর্ড। ২০০৫ সাল থেকে তাদের ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু হয় এই পার্ক। জনপ্রতি ২৫০ টাকায় (তবে পিকনিক বা করপোরেটদের জন্য ১৮০ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য ১৫০ টাকা) ফয়’স লেক কমপ্লেক্সে ঢুকতেই চোখে পড়বে বাচ্চা ও বড়দের জন্য উপযোগী রাইডের সমন্বয়ে গড়া ফয়’স লেক অ্যামেউজমেন্ট ওয়ার্ল্ড। ১৪টি রাইডসের মধ্যে অন্যতম ফেরিস হুইলে উঠলে এক চক্করে দেখা যাবে পুরো ফয়’স লেক। বাচ্চাদের রাইডসগুলোর মধ্যে অন্যতম বেবি-কেরাওসাল, ট্রেন, হ্যাপি জাম্প, দোলনা ইত্যাদি। ছোট্ট একটি সাঁকো পেরোলেই মিলবে মজার সব খাবারের অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ড রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টের পাশের লেকেই ফিশিং পয়েন্ট। নানা রকম মাছ খেলা করে এখানে।


France, the most popular tourist destination in the world, has to adapt its offer and infrastructure to fully benefit from the digital revolution of the travel industry. Tourism future is bright according to the experts and technology is an important part of it.

Tourism is experiencing continuous growth – there were 25 million international tourists worldwide in 1950, about 1 billion in 2015, but about two billion are expected in 2030 and over 4 billion in 2050. The major part of growth will come from emerging countries like India and from the African regions in the first place.

According to futurologists, a holiday of an Indian family in France in the early 2030s, will be based on technology. Supersonic flights will connect Delhi to Paris in only 4 hours. Robot baggage handlers and autonomous vehicles will become the norm.

For foreign tourists, the Bay of Somme will be far preferable than the French Riviera that is really sweltering during the summer. Holidays will be organized by an artificial assistant, based on preferences and aversions of each household member.

Accommodation will be rented directly from a French family – a habit that will have become the norm in a world where Airbnb is the world leader regarding accommodations. There will not even be the need to meet the hosts: a robot-butler will welcome visitors and plan their excursions, and they will then be able to share them directly, via an immersive helmet, with their friends who stayed in India.

Obviously, the future is never exactly like the experts imagine. This early scenario, even though remaining relatively conservative in terms of changes that are emerging, is also pointing out the real danger – in the world where everything is automated and robotized, the future tourism could do well without human contacts. People, as many state, however are essential to the emotions we experience during our travels. The big debate about the tourism future is thus whether to put people back in the heart of the traveling experience or whether to encourage greater reliance on technology.


Tourism & Hospitality Management (THM) / Water Based Tourism in Bangladesh
« on: December 06, 2015, 02:38:25 PM »
Water Based Tourism in Bangladesh

River Cruise: Bangladesh is proud of its vast rivers and tributaries, therefore affectionately called "The Land of Rivers" by its people. About 700 rivers including tributaries flow through the country constituting a waterway of total length around 24,140 kilometres (15,000 mi). Most of the country's land is formed through silt brought by the rivers. The major rivers of Bangladesh are Chitra, Dakatia, Dhaleshwari, Ganga, Gorai, Kobadak, Matamuuri, Sangu and Tista. The River Ganga after entering Bangladesh gets called 'Padma'. Every year these rivers enrich the soil and make it more fertile. The best way to see the real beauty of Bangladesh and its rivers is by taking a boat trip on the rivers. A trip from Dhaka to Khulna on board the famous Paddle Steamer through some big and small rivers gives you the opportunity to witness this unique beauty.

Beaches: Bangladesh offers a wide range of tropical beaches. Cox's Bazar is home to the longest natural sandy beach line in the world (120 km unbroken sea beach). It is one of the best destinations to visit a beautiful sunset. Cox's Bazar is only 150 km. away from the commercial hub of Chittagong. Some of the famous tourist beaches are:
•   Kolatoli Sea Beach, Cox's Bazar
•   Patenga Sea Beach, Cox's Bazar
•   Kuakata Sea Beach, Kuakata

Islands: The islands of Bangladesh are scattered along the Bay of Bengal and the river mouth of the Padma. There are more than 30 islands in Bangladesh. Some famous tourist attractions are:
•   St. Martin Island
•   Chhera Dwip, St. Martin
•   Manpura Dwip, Bhola
•   Bhola Dwip
•    Nijhum Dwip, Noakhali
•   Sonadia Dwip, Chittagong.

Bangladesh is a riverain country. So far it has huge prospect to develop water based tourism in this country.

Tourism & Hospitality Management (THM) / Ecotourim at Lawachara
« on: December 03, 2015, 01:16:51 PM »
Ecotourism at Lawachara

Pages: [1]