Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - arefin

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 79
33


অ্যাপলের স্মার্টফোন ট্রেড-ইন প্রোগ্রামে শীঘ্রই অন্তর্ভুক্ত হতে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর স্মার্টফোনগুলো, এমনটাই শোনা যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজারে। অ্যাপল পণ্যবিষয়ক সাইট নাইনটুফাইভম্যাক-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছুদিনের মধ্যেই চালু হবে নতুন ওই ট্রেড-ইন প্রোগ্রাম। অ্যাপলের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর কর্মীদের ইতোমধ্যেই অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইওএস-এ কনট্যাক্টস ও অন্যান্য ডেটা ট্রান্সফার করার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

২০১৩ সালে আইফোন ট্রেড-ইন প্রোগ্রাম চালু করেছিল মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল। তবে এখন পর্যন্ত শুধু পুরনো মডেলের আইফোন এবং নগদ অর্থে নতুন মডেলের আইফোন নেয়া যেত।

আইফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং অ্যাপলের হার্ডওয়্যারের বিক্রি বাড়ানোই নতুন এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য, মন্তব্য ম্যাশএবলের। এর আগে নিজেদের ওয়েবসাইটে অ্যান্ডয়েড থেকে আইফোনে সুইচ করার একটি গাইড পোস্ট করে অ্যাপল। আইফোন ৬এস এবং ৬এস প্লাস বের হওয়ার পর আরও আগের চেয়ে আরও বেশি সংখ্যক অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী আইফোন ব্যবহার করা শুরু করছেন, বলেন অ্যাপল সিইও টিম কুক।

34


অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন অনেক ব্যবহারকারী। আর অ্যাকাউন্ট অ্যাকসেস করতে গিয়ে এসব পাসওয়ার্ড মনে রাখাটা বেশ ঝামেলারই বটে। তবে, এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ইয়াহু মেইল ব্যবহারকারীরা। তাদের পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হবে না পাসওয়ার্ড, অ্যাকাউন্টে অ্যাকসেস করতে শুধু হাতের কাছে রাখতে হবে মোবাইল ফোন।

প্রযুক্তিবিষয় সাইট ম্যাশএবল জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের ইমেইল সার্ভিসে ‘লগইন করা’ আরও সহজ করতে চায় ইয়াহু। পাসওয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস লাস্টপাস ব্যবহার করে অনেকেই পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার ঝামেলা থেকে রক্ষা পান। তবে, ইয়াহু এর চেয়েও সহজ উপায় বের করছে। নতুন এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীদের রাখতে হবে না কোনো পাসওয়ার্ড।

ইয়াহুর আনা নতুন এই ব্যবস্থায় অ্যাকাউন্টে অ্যাকসেস করতে গেলে ব্যবহারকারীর মোবাইল ফোনে একটি বিশেষ কোড পাঠানো হবে। শুধু ওই অ্যাকাউন্টের জন্যই পাঠানো বিশেষ ওই কোড দিয়ে লগইন করা যাবে। প্রতিবার লগইন করার সময় হাতের মোবাইল ফোনে পাঠানো হবে আলাদা আলাদা কোড।

নতুন উপায়ে আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, হ্যাকাররা চাইলেই ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারবে না বা অন্যের অ্যাকাউন্টে অ্যাকসেস করতে পারবে না। এজন্য হ্যাকারকে কাছে রাখতে হবে অ্যাকাউন্টের মালিকের মোবাইল ফোন।

এর আগে টুইটার, ফেইসবুক আর গুগল অ্যাকাউন্টের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য আনা হয়েছে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’। এর সঙ্গে ইয়াহুর নতুন সার্ভিসের কিছুটা মিল রয়েছে। তবে পার্থক্য হচ্ছে, এসব অ্যাকাউন্টে আগে একটি পাসওয়ার্ড রাখতে হলেও, ইয়াহুর নতুন সার্ভিসে কোনো পাসওয়ার্ডই রাখতে হচ্ছে না।

২০১৪ সালে ইয়াহু ব্যবহারকারীদের ‘ইউজার নেইম’ আর ‘পাসওয়ার্ড’ হ্যাক হওয়ার বিষয়ে নিরাপত্তা জোরদার করার ঘোষণা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায়, ‘পাসওয়ার্ড পদ্ধতি’ উঠিয়ে দিয়ে ইমেইল সার্ভিস আরও নিরাপদ করার পদক্ষেপ নিল প্রতিষ্ঠানটি।
- See more at: http://bangla.bdnews24.com/tech/article940415.bdnews#sthash.eZhEHLMN.dpuf

35
IT Forum / Britain Will Rewrite Its Traffic Laws for Robocars' Sake
« on: February 19, 2015, 07:06:13 PM »


Britain plans to rewrite its traffic laws to account for robot cars, which take an all-too-literal approach to rules.

“If everyone obeyed exactly what it said in the Highways Code, the roads would probably grind to a halt,” said Graham Parkhurst, head of an academic research program in Bristol, in an interview with the Telegraph. Parkhurst is also working on one of four pilot programs in British cities, each of which is testing out a different kind of low-speed vehicle.

Some changes will put a little more wiggle room in the law, to help robocars deal with aggressive human drivers. That way the robots won’t linger forever before changing lanes, nosing into an intersection, or laying claim to a parking spot. Other changes will redefine as legal such practices as tailgating, at least when done safely, as when robocars “draft” the car in front—a strategy known as platooning—to save energy that would otherwise be lost to air resistance.

Britain’s flurry of activity on this front follows similar pronouncements in Germany and the Netherlands, and earlier ones in Japan, Korea and various states in the U.S.  Britain’s latest move goes  further than any other country has to welcome driverless cars to its roads, but the competition isn’t over by any means. All these policy shifts are mainly meant to improve the curb appeal of the various governments to companies developing autonomous vehicles.

The current British test cars are like the Google car, but less ambitious, because they mainly stay on sidewalks and go no faster than a golf cart. That makes everything much easier. At slower speeds you have much more time to react; among pedestrians you can stop at the least hint of a problem without getting rear-ended by the guy in back.

The four models use the entire range of sensors found on Google’s car, including laser range-finding, or lidar—and even add one or two that only make sense in close quarters and slow speeds. One car, for instance, even has touch-sensitive strips.

It’s all very good as an experiment, as much to probe pedestrian behavior as anything else. But maybe it’s better to think of it as part of a worldwide scramble by governments intent on getting their transportation sectors onto the on-ramp.

36
গ্রাহকদের জন্য মোবাইল ফোনে ভয়েস এবং ডাটা রোমিং সেবা প্রক্রিয়া আরো সহজ ও সুবিধাজনক করে তোলার ঘোষণা দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইলফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।
 
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অপারেটরটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন থেকে ১০০টি দেশে সহজ প্রক্রিয়ায় ও সাশ্রয়ী মূল্যে রোমিং সেবা প্রদান করবে রবি। নির্ধারিত দেশগুলোতে রোমিং সেবা পেতে নির্দিষ্ট অপারেটর বাছাইয়ের ঝামেলা পোহাতে হবে না গ্রাহকদের। বরং একটি নির্দিষ্ট দেশের সব অপারেটরে একই রেটে রোমিং সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন রবি গ্রাহকরা। 

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ভয়েস রোমিংয়ের পাশাপাশি ৭২টি দেশে ডেইলি ডাটা রোমিং প্যাক প্রদান করছে রবি। সুবিধাটি উপভোগ করতে গ্রাহককে রবি রোমিং সার্ভিসের গ্রাহক হয়ে বিনামূল্যে *১৪০*১০*৩# নাম্বারে ডায়াল করতে হবে।

রবির রোমিং সাশ্রয়ী, এর ব্যাখ্যা দিতে প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আদিল হোসেন নোবেল বলেন, যেখানে অন্য অপারেটর মিনিট নিচ্ছে ৪০ টাকা, সেখানে রবি নিচ্ছে ১৫ টাকা, ২০০ টাকা মিনিটের জায়গায় আমরা নিচ্ছি ৪০ টাকা।   
 
তিনি বলেন, রবিই দেশের একমাত্র অপারেটর যারা ১০০টি দেশে এমন সহজ ও সুবিধাজনক রোমিং সেবা প্রদান করছে। আগামীতে আরো দেশকে এ সুবিধার আওতায় নিয়ে আসার কাজ করছে রবি।

গ্রাহকরা যেন তার নিকটজনদের সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখতে পারেন সে জন্যই রবি'র এ আন্তর্জাতিক রোমিং সেবা।
 
রবি’র চিফ অপারেটিং অফিসার মাহতাবউদ্দিন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক রোমিংয়ে আগামীতে আরো নতুন নতুন সার্ভিস নিয়ে আসবো আমরা।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ এখন ব্যবসা, ভ্রমণ ও চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন। দেশের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতেই ১০০টি দেশের প্রতিটিতে একই রেটে যে কোনো অপারেটর বেছে নেওয়ার সুযোগ এনেছে রবি। মোবাইলের বহুমাত্রিক ব্যবহারের এ যুগে গ্রাহকরা রবি’র অনন্য এ সেবাটিকে সানন্দে গ্রহণ করবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।


Source: Banglanews24.com

37
সুরা বাক্বারাহর ২৫৫ নাম্বার আয়াতকে ‘আয়াতুল কুরসী’ বলা হয়। কুরসী অর্থ হচ্ছে আল্লাহ্ তাআ’লার পা রাখার জায়গা। আয়াতুল কুরসীতে তাওহীদ, ইখলাস, আল্লাহর ইসমে আযম, আল্লাহর ক্ষমতা ও সিফাত, ‘আল্লাহর কুরসির’ মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় বর্ণিত হয়েছে। এইজন্যে এই আয়াতটি হচ্ছে ক্বুরানুল কারীমের শ্রেষ্ঠ আয়াত এবং সহীহ হাদিসে এই আয়াতটি বিভিন্ন সময়ে পাঠ করার অনেক ফযীলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। অনেকে মনে করেন, আয়াতুল কুরসী হচ্ছে সুরা বাক্বারাহর ২৫৫ ও ২৫৬ নাম্বার, এই দুইটা আয়াত। এটা ভুল! সুরা বাক্বারাহর শুধুমাত্র ২৫৫ নাম্বার আয়াতটিকেই আয়াতুল কুরসি বলা হয়, ২৫৬ নাম্বার আয়াত আয়াতুল কুরসির অন্তর্ভুক্ত নয়।
আয়াতুল কুরসী নিয়মিত পড়লে তাবীজ-কবজ, যাদু, চোখের নজর, জিনের আসর বা ক্ষতি ও অন্যান্য বিপদ আপদ থেকে সুরক্ষা করে। প্রত্যেক ফরয নামাযের পরে একবার করে আয়াতুল কুরসি পড়লে মৃত্যুর পরে রয়েছে জান্নাত। শয়তানের প্রভাব এবং ভূত-প্রেত থেকে বাঁচার জন্য আয়াতুল কুরসি পাঠ করা পরীক্ষিত একটি আমল।
আয়াতুল কুরসী হচ্ছে ক্বুরানুল কারীমের শ্রেষ্ঠ বা সবচাইতে মর্যাদাবান আয়াতঃ
আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ (রাঃ) নবী করিমকে (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে? রাসূল (সাঃ) বললেন, “আয়াতুল কুরসি”।
নাসায়ি, আহমাদ।
প্রত্যেক ফরয সালাত শেষে আয়াতুল কুরসী পাঠ করার ফযীলতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর ‘আয়াতুল কুরসী পাঠ করে মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখতে পারবেনা”।
নাসায়ী, ইবনু হিব্বান, হাদীস সহীহ, ইমাম ইবনে হিব্বান ও শায়খ আলবানী।
ঘুমানোর পূর্বে আয়াতুল কুরসী পাঠ করার ফযীলতঃ
ক. সকাল পর্যন্ত তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন হেফাজতকারী (ফেরেশতা) তাকে নিরাপত্তা দেবে।
খ. শয়তান তার কাছে আসতে পারবেনা।
“যখন তুমি বিছানায় ঘুমুতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার উপর সব সময় একজন হেফাযতকারী (ফেরেশতা) নিযুক্ত থাকবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান তোমার ধারে কাছেও আসতে পারবে না।”
সহীহ বুখারী, খন্ড ৬, অধ্যায় ৬১, হাদিস নং- ৫৩০।
بسم الله الرحمن الرحيم
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
আয়াতুল কুরসীঃ আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাঊম। লাহু মা ফিস্-সামা-ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ। মাং যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বি-ইয্নিহি। ইয়া‘লামু মা বায়না আয়দীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম্-মিন ‘ইলমিহী ইল্লা বিমা-শা’-আ; ওয়াসি‘আ কুরসি-ইয়ুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ; ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুম, ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ুল ‘আযীম।
বাক্বারাহ ২/২৫৫।
অর্থঃ আল্লাহ! যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। কোন তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁরই মালিকানাধীন। তাঁর হুকুম ব্যতীত এমন কে আছে যে তাঁর নিকটে সুফারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও পিছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতুটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসী সমগ্র আসমান ও যমীন পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলির তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান।
_________________________
‘আল্লাহর কুরসী’
‘আল্লাহর কুরসী’ অর্থ হচ্ছে আল্লাহ্ তাআ’লার পা রাখার জায়গা।
আল্লাহর কুরসী কত বড় সে সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ বলেন,
﴿وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ﴾
উচ্চারণঃ ওয়াসি‘আ কুরসি-ইয়ুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ।
অর্থঃ তাঁর (আল্লাহর) কুরসী (অর্থাৎ পা রাখার জায়গা) সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে।
কুরসী আল্লাহ তাআ’লার বৃহৎ সৃষ্টির একটি। আল্লাহ সুবহা’নাহু তাআ’লা কুরসির বর্ণনায় বলেন যে, আল্লাহর কুরসী আকাশ এবং যমীন পরিব্যপ্ত হয়ে আছে। তার প্রশস্ততা, আকৃতির বড়ত্বতা এবং ক্ষেত্রের বিশালতার কারণে। ভূমণ্ডল এবং নভোমন্ডলের তুলনা কুরসীর সাথে খুবই ক্ষীণ তুলনা। যেমন কুরসীর তুলনা আরশের সাথে দুর্বল তুলনা।
আবূ যর (রাঃ) বলেন, আমি মসজিদে হারামে প্রবেশ করি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একাকি দেখে তার পাশে বসে পড়ি এবং জিজ্ঞাসা করি, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতি নাযিল হওয়া কোন আয়াতটি শ্রেষ্ঠ? তিনি বলেন, “আয়াতুল কুরসী; আল্লাহর কুরসী এতো বড় যে, কুরসীর তুলনায় আসমান এবং যমীন যেন মরূভূমিতে পড়ে থাকা একটি আংটির মতো। আর আরশের শ্রেষ্ঠত্ব কুরসীর প্রতি যেমন মরূভূমির শ্রেষ্ঠত্ব সেই বালার প্রতি”।
[হিল্ইয়াহ, ১/১৬৬, আযামাহ, ২/৬৪৮-৬৪৯, আসমা ওয়াস সিফাত, বায়হাকী, ২/৩০০-৩০১, শাইখ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। সিলসিলা সহীহাহঃ ১০৯)]

38
যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন। তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না। তাদেরই জন্য প্রতিদান হলো তাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রস্রবণ যেখানে তারা থাকবে অনন্তকাল। যারা কাজ করে তাদের জন্য কতইনা চমৎকার প্রতিদান।
[সূরা আল ইমরান, আয়াত সংখাঃ ১৩৪-১৩৬ ]

39
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿ وَٱسۡتَغۡفِرۡ لِذَنۢبِكَ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ ١٩ ﴾ [محمد : ١٩]
অর্থাৎ তুমি ক্ষমা-প্রার্থনা কর তোমার এবং মুমিন নর-নারীদের ত্রুটির জন্য। (সূরা মুহাম্মাদ ১৯ আয়াত)
তিনি আরও বলেছেন, ﴿ وَٱسۡتَغۡفِرِ ٱللَّهَۖ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ١٠٦ ﴾ [النساء : ١٠٦]
অর্থাৎ আল্লাহর কাছে তুমি ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা নিসা ১০৬ আয়াত)
তিনি অন্য জায়গায় বলেছেন, ﴿ فَسَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّكَ وَٱسۡتَغۡفِرۡهُۚ إِنَّهُۥ كَانَ تَوَّابَۢا ٣ ﴾ [النصر: ٣]
অর্থাৎ সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং তাঁর সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তিনি অধিক তাওবা গ্রহণকারী। (সূরা নাস্র ৩ আয়াত)

তিনি অন্যত্র বলেছেন,
﴿ لِلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ عِندَ رَبِّهِمۡ جَنَّٰتٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا وَأَزۡوَٰجٞ مُّطَهَّرَةٞ وَرِضۡوَٰنٞ مِّنَ ٱللَّهِۗ وَٱللَّهُ بَصِيرُۢ بِٱلۡعِبَادِ ١٥ ٱلَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَآ إِنَّنَآ ءَامَنَّا فَٱغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ ٱلنَّارِ ١٦ ٱلصَّٰبِرِينَ وَٱلصَّٰدِقِينَ وَٱلۡقَٰنِتِينَ وَٱلۡمُنفِقِينَ وَٱلۡمُسۡتَغۡفِرِينَ بِٱلۡأَسۡحَارِ ١٧ ﴾ [ال عمران: ١٥،  ١٧]
অর্থাৎ যারা সাবধান [পরহেজগার] হয়ে চলে তাদের জন্য রয়েছে উদ্যানসমূহ যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে, তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি রয়েছে। বস্তুতঃ আল্লাহ তার দাসদের সম্বন্ধে সম্যক অবহিত। যারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! নিশ্চয় আমরা বিশ্বাস করেছি; অতএব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা কর এবং দোযখের শাস্তি থেকে আমাদেরকে রক্ষা কর।’ যারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগত, দানশীল এবং রাত্রির শেষাংশে ক্ষমা-প্রার্থী। (সূরা আলে ইমরান ১৫-১৭ আয়াত)
তিনি আরও বলেছেন,
﴿ وَمَن يَعۡمَلۡ سُوٓءًا أَوۡ يَظۡلِمۡ نَفۡسَهُۥ ثُمَّ يَسۡتَغۡفِرِ ٱللَّهَ يَجِدِ ٱللَّهَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ١١٠ ﴾ [النساء : ١١٠]
অর্থাৎ আর যে কেউ মন্দ কার্য করে অথবা নিজের প্রতি জুলুম করে, কিন্তু পরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, সে আল্লাহকে অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু-রূপে পাবে। (সূরা নিসা ১১০ আয়াত)
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمۡ وَأَنتَ فِيهِمۡۚ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ مُعَذِّبَهُمۡ وَهُمۡ يَسۡتَغۡفِرُونَ ٣٣ ﴾ [الانفال: ٣٣]
অর্থাৎ আল্লাহ এরূপ নন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকা অবস্থায় তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন এবং তিনি এরূপ নন যে, তাদের ক্ষমা প্রার্থনা করা অবস্থায় তিনি তাদেরকে শাস্তি দেবেন। (সূরা আনফাল ৩৩ আয়াত)
তিনি আরও বলেছেন,
﴿ وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُواْ فَٰحِشَةً أَوۡ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ ذَكَرُواْ ٱللَّهَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ لِذُنُوبِهِمۡ وَمَن يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمۡ يُصِرُّواْ عَلَىٰ مَا فَعَلُواْ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ ١٣٥ ﴾ [ال عمران: ١٣٥]
অর্থাৎ যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করতে পারে? এবং তারা যা [অপরাধ] করে ফেলে তাতে জেনে-শুনে অটল থাকে না। (সূরা আলে ইমরান ১৩৫ আয়াত)
এ প্রসঙ্গে আরও বিদিত বহু আয়াতসমূহ রয়েছে।
1/1878 وَعَنْ الأَغَرِّ المُزَنِيِّ رضي الله عنه : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّهُ لَيُغَانُ عَلَى قَلْبِي، وَإِنِّي لأَسْتَغفِرُ اللهَ فِي اليَوْمِ مِئَةَ مَرَّةٍ» . رواه مسلم
১/১৮৭৮। আগার্র মুযানী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমার অন্তর আল্লাহর স্মরণ থেকে নিমেষভর বাধাপ্রাপ্ত হয়। সেহেতু আমি দিনে একশত বার আল্লাহর নিকট ক্ষমা ভিক্ষা চাই।’’ (মুসলিম) [1]
2/1879 وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «وَاللهِ إِنِّي لأَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأتُوبُ إِلَيْهِ فِي اليَومِ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعِينَ مَرَّةً». رواه البخاري
২/১৮৭৯। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘আল্লাহর শপথ! আমি প্রত্যহ আল্লাহর কাছে সত্তর বারেরও বেশি ইস্তিগফার  [ক্ষমাপ্রার্থনা] ও তাওবাহ করে থাকি।’’ (বুখারী) [2]
3/1880 وَعَنْه رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ لَمْ تُذْنِبُوا، لَذَهَبَ اللهُ تَعَالَى بِكُمْ، وَلَجَاءَ بِقَومٍ يُذْنِبُونَ، فَيَسْتَغْفِرُونَ اللهَ تَعَالَى، فَيَغْفِرُ لَهُمْ». رواه مسلم
৩/১৮৮০। উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সেই মহান সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন আছে! যদি তোমরা পাপ না কর, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে [তোমাদের পরিবর্তে] এমন এক জাতি আনয়ন করবেন, যারা পাপ করবে এবং আল্লাহ তা'আলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করবে। আর আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন।’’ (মুসলিম)[3]
* [এ হাদিস দ্বারা পাপ করার পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার গুরুত্ব ব্যক্ত করা হয়েছে। পাপ করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়নি। কেননা, মানুষ মাত্রই ভুলে জড়িত। তাই ভুলে জড়িত হয়ে পড়লে আবশ্যিক-রূপে ক্ষমা চাওয়া কর্তব্য।]
4/1881 وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، قَالَ: كُنَّا نَعُدُّ لِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي المَجْلِسِ الوَاحِدِ مِئَةَ مَرَّةٍ : «رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ» . رواه أبو داود والترمذي، وقال :[حديث حسن صحيح غريب ]
৪/১৮৮১। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একই মজলিসে বসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর [এই ইস্তিগফারটি] পাঠ করা অবস্থায় একশো বার পর্যন্ত গুনতাম,
‘রাবিবগ্ফির লী অতুব আলাইয়্যা, ইন্নাকা আন্তাত তাউওয়াবুর রাহীম।’
অর্থাৎ হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা কর, আমার তওবা কবুল কর, নিশ্চয় তুমি অতিশয় তওবাহ কবূলকারী দয়াবান। [আবূ দাঊদ, তিরমিযী, হাসান সহীহ গারীব][4]
5/1882 وعنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضِي اللهُ عنْهُما قَال : قالَ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم: «منْ لَزِم الاسْتِغْفَار، جعل اللَّه لَهُ مِنْ كُلِّ ضِيقٍ مخْرجاً، ومنْ كُلِّ هَمٍّ فَرجاً، وَرَزَقَهُ مِنْ حيْثُ لا يَحْتَسِبُ»  رواه أبو داود  .
৫/১৮৮২। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে লোক সবসময় গুনাহ মাফ চাইতে থাকে [আস্তাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকে] আল্লাহ তাকে প্রতিটি সংকীর্ণতা অথবা কষ্টকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেন, প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে তাকে মুক্ত করেন এবং তিনি তাকে এমন সব উৎস থেকে রিযক দেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না। [আবূ দাঊদ][5]
6/1883 وَعَنِ ابنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَالَ: أَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِي لاَ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ الحَيُّ القَيُومُ وَأتُوبُ إِلَيهِ، غُفِرَتْ ذُنُوبُهُ، وَإِنْ كانَ قَدْ فَرَّ مِنَ الزَّحْفِ» . رواه أبو داود والترمذي والحاكم، وقال :[ حديث صحيح على شرط البخاري ومسلم ]
৬/১৮৮৩। ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি এ দো‘আ পড়বে,
‘আস্তাগ্ফিরুল্লা-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যূমু অ আতূবু ইলাইহ্।’
অর্থাৎ আমি সেই আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি যিনি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব, অবিনশ্বর। এবং আমি তাঁর কাছে তওবা করছি।
সে ব্যক্তির পাপরাশি মার্জনা করা হবে; যদিও সে রণক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে [যাওয়ার পাপ করে] থাকে।’’ [আবূ দাঊদ, তিরমিযী, হাকেম; ইনি বলেন, হাদিসটি বুখারী-মুসলিমের শর্তাধীনে বিশুদ্ধ] [6]
7/1884 وَعَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوسٍ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «سَيِّدُ الاِسْتِغْفَارِ أَنْ يَقُولَ العَبْدُ :  اَللهم أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلٰهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ . مَنْ قَالَهَا مِنَ النَّهَارِ مُوقِناً بِهَا، فَمَاتَ مِنْ يَوْمِهِ قَبْلَ أَنْ يُمْسِي، فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الجَنَّةِ، وَمَنْ قَالَهَا مِنَ اللَّيْلِ، وَهُوَ مُوقِنٌ بِهَا، فَمَاتَ قَبْلَ أَنْ يُصْبِحَ، فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الجَنَّةِ» . رواه البخاري
৭/১৮৮৪। শাদ্দাদ ইবনে আউস রাদিয়াল্লাহু আনহুকর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সায়্যিদুল ইস্তিগফার [শ্রেষ্ঠতম ক্ষমা প্রার্থনার দো‘আ] হল বান্দার এই বলা যে,
‘আল্লা-হুম্মা আন্তা রাববী লা ইলা-হা ইল্লা আন্তা খালাক্বতানী, অ আনা আব্দুকা অ আনা আলা আহদিকা অ অ’দিকা মাসতাত্বা’তু, আঊযুবিকা মিন শার্রি মা স্বানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা অ আবূউ বিযামবী ফাগফিরলী ফাইন্নাহু লা ইয়্যাগফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্ত্।’
   অর্থ- হে আল্লাহ! তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ, আমি তোমার দাস। আমি তোমার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের উপর যথাসাধ্য প্রতিষ্ঠিত আছি। আমি যা করেছি তার মন্দ থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি। আমার উপর তোমার যে সম্পদ রয়েছে তা আমি স্বীকার করছি এবং আমার অপরাধও আমি স্বীকার করছি। সুতরাং  তুমি আমাকে মার্জনা করে দাও, যেহেতু তুমি ছাড়া আর কেউ পাপ মার্জনা করতে পারে না।
যে ব্যক্তি দিনে [সকাল] বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ দুআটি পড়বে অতঃপর সে সেই দিনে সন্ধ্যা হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে [সন্ধ্যায়] এ দুআটি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়বে অতঃপর সে সেই রাতে ভোর হওয়ার পূর্বেই মারা যাবে, তাহলে সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’ (বুখারী) [7]
8/1885 وَعَنْ ثَوبَانَ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاَتِهِ، اسْتَغْفَرَ اللهَ ثَلاَثاً وَقَالَ: «اَللهم أَنْتَ السَّلاَمُ، وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَاذَا الجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ» قِيلَ لِلأَوْزَاعِيِّ ـ وَهُوَ أَحَدُ رُوَاتِهِ - : كَيفَ الاِسْتِغْفَارُ ؟ قَالَ: يَقُولُ : أَسْتَغْفِرُ اللهَ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ . رواه مسلم
৮/১৮৮৫। সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযান্তে সালাম ফিরে তিনবার ইস্তিগফার করে এই দো‘আ পড়তেন, ‘আল্লা-হুম্মা আন্তাস সালা-মু অমিন্কাস সালা-ম, তাবা-রাকতা ইয়া যাল জালা-লি অল ইকরা-ম।’
অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি শান্তি [সকল ত্রুটি থেকে পবিত্র] এবং তোমার নিকট থেকেই শান্তি। তুমি বরকতময় হে মহিমময়, মহানুভব!
এ হাদিসের অন্যতম বর্ণনাকারী ইমাম আওযায়ীকে প্রশ্ন করা হল, ইস্তিগফার কিভাবে হবে? তিনি বললেন, ‘বলবে, আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ।’ [আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।] (মুসলিম)[8]
9/1886 وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، قَالَتْ : كَانَ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم يُكْثِرُ أَنْ يَقُولَ قَبْلَ مَوْتِهِ : «سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ، أَسْتَغفِرُ اللهَ، وَأَتُوبُ إِلَيْهِ». متفق عليه
৯/১৮৮৬। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর আগে এই দুআটি অধিকমাত্রায় পড়তেন,
‘সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহী, আস্তাগফিরুল্লাহা অআতূবু ইলাইহ্।’
অর্থাৎ আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর নিকট তওবাহ করছি। (মুসলিম)
10/1887 وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : «قَالَ اللهُ تَعَالَى: يَا ابْنَ آدَمَ، إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِي وَرَجَوْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ عَلَى مَا كَانَ مِنْكَ وَلاَ أُبَالِي، يَا ابْنَ آدَمَ، لَوْ بَلَغَتْ ذُنُوبُكَ عَنَانَ السَّمَاءِ، ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِي، غَفَرْتُ لَكَ وَلاَ أُبَالِي، يَا ابْنَ آدَمَ، إِنَّكَ لَوْ أَتَيْتَنِي بِقُرَابِ الأَرْضِ خَطَايَا، ثُمَّ لَقِيتَنِي لاَ تُشْرِكُ بِي شَيْئاً، لأَتَيْتُكَ بِقُرابِهَا مَغْفِرَةً» . رواه الترمذي، وقال :[حديث حسن]
১০/১৮৮৭। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘হে আদম সন্তান! যখন তুমি আমাকে ডাকবে ও আমার ক্ষমার আশা রাখবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করব, তোমার অবস্থা যাই হোক না কেন; আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ যদি আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাও, তবুও আমি তোমাকে ক্ষমা করব; আমি কোন পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি পৃথিবী পরিমাণ পাপ নিয়ে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর; কিন্তু আমার সঙ্গে কাউকে শরীক না করে থাক, তাহলে পৃথিবী পরিমাণ ক্ষমা নিয়ে আমি তোমার নিকট উপস্থিত হব।’’ (তিরমিযী হাসান সূত্রে][9]
11/1888 وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ، وَأَكْثِرْنَ مِنَ الاِسْتِغْفَارِ ؛ فَإِنِّي رَأَيْتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ». قَالَتِ امْرَأَةٌ مِنْهُنَّ : مَا لَنَا أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ ؟ قَالَ: «تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ، وَتَكْفُرْنَ العَشِيرَ، مَا رَأَيْتُ مِنْ نَاقِصَاتِ عَقْلٍ وَدِينٍ أَغْلَبَ لِذِيْ لُبٍّ مِنْكُنَّ». قَالَتْ: مَا نُقْصَانُ العَقْلِ وَالدِّينِ ؟ قَالَ: «شَهَادَةُ امْرَأتَيْنِ بِشَهَادَةِ رَجُلٍ، وَتَمْكُثُ الأَيَّامَ لاَ تُصَلِّي». رواه مسلم
১১/১৮৮৮। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [মহিলাদেরকে সম্বোধন করে] বললেন, ‘‘হে মহিলা সকল! তোমরা সাদকাহ-খয়রাত করতে থাক ও অধিকমাত্রায় ইস্তিগফার কর। কারণ আমি তোমাদেরকে জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসীরূপে দেখলাম।’’ একজন মহিলা নিবেদন করল, ‘আমাদের অধিকাংশ জাহান্নামী হওয়ার কারণ কি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘তোমরা অভিশাপ বেশি কর এবং নিজ স্বামীর অকৃতজ্ঞতা কর। বুদ্ধি ও ধর্মে অপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও বিচক্ষণ ব্যক্তির উপর তোমাদের চাইতে আর কাউকে বেশি প্রভাব খাটাতে দেখিনি।’’ মহিলাটি আবার নিবেদন করল, ‘বুদ্ধি ও ধর্মের ক্ষেত্রে অপূর্ণতা কি?’ তিনি বললেন, ‘‘দু’জন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্য সমতুল্য। আর [প্রসবোত্তর খুন ও মাসিক আসার] দিনগুলিতে মহিলা নামায পড়া বন্ধ রাখে।’’ (মুসলিম) [10]



[1] মুসলিম ২৭০২, আবূ দাউদ ১৫১৫, আহমাদ ১৭৩৯১, ১৭৮২৭
[2] সহীহুল বুখারী ৬৩০৭, তিরমিযী ৩২৫৯, ইবনু মাজাহ ৩৮৬১, আহমাদ ৭৭৩৪, ৮২৮৮, ৯৫১৫
[3] মুসলিম ২৭৪৯, তিরমিযী ২৫২৬, আহমাদ ৭৯৮৩, ৮০২১
[4] আবূ দাউদ ১৫১৬, তিরমিযী ৩৪৩৪, ইবনু মাজাহ ৩৮১৪
[5] আমি [আলবানী) বলছিঃ কিন্তু হাদীসটির সনদে মাজহূল [অপরিচিত) বর্ণনাকারী রয়েছেন যেমনটি আমি ‘‘য‘ঈফা’’ গ্রন্থে [৭০৬) আলোচনা করেছি। তিনি হচ্ছেন বর্ণনাকারী হাকাম ইবনু মুস‘য়াব মাজহূল [অপরিচিত) বর্ণনাকারী। তাকে আবূ হাতিম মাজহূল আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু হিববানও তাকে দুর্বলদের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করেছেন। [বিস্তারিত জানতে দেখুন ‘‘সহীহ্ আবী দাঊদ-আলউম্মু’’ [২৬৮)]
[6] আবূ দাউদ ১৫১৭, তিরমিযী ৩৫৭৭
[7] সহীহুল বুখারী ৬৩০৬, ৬৩২৩, তিরমিযী ৩৩৯৩, নাসায়ী ৫৫২২, আহমাদ ১৬৬৬২, ১৬৬৮১
[8] মুসলিম ৫৯১, তিরমিযী ৩০০, আবূ দাউদ ১৫১২, ইবনু মাজাহ ৯২৮, আহমাদ ২১৯০২, দারেমী ১৩৪৮
[9] তিরমিযী ৩৫৪০
[10] সহীহুল বুখারী ৩০৪, ১৪৬২, মুসলিম ৭৯, ৮০, নাসায়ী ১৫৭৬, ১৫৭৯, আবূ দাউদ ৪৬৭৯, ইবনু মাজাহ ১২৮৮, ৪০০৩, আহমাদ ৫৩২১, ১০৯২২, ১০৯৮৮, ১১১১৫

40
মা আয়িশাহ (রাঃ) একবার রাসুল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ তায়ালার রহমত এবং করুণা ছাড়া কেউ কি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে?”
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আল্লাহ তায়ালার রহমত ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে এমন কেউ নেই।”
তখন মা আয়িশাহ (রাঃ) আবার জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি ও নন ইয়া রাসূলুল্লাহ?”
তিনি বললেন, “না, এমনকি আমিও না। তবে আল্লাহ তায়া’লা আমাকে তাঁর স্বীয় রহমত দ্বারা ঢেকে রাখবেন।”
এ কথাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বললেন। [মিশকাতুল মাসাবিহঃ ৪০৮ পৃষ্ঠা]

41


The light that zips data across the Internet’s backbone used to stop a long way from the data’s final destination. Now it goes all the way to your home. Why not go the last step and take the light all the way to the computer or TV, projecting it through the air over the last few meters and only converting it to an electronic signal at the end? Oxford University is doing just that with a system that takes light from the fiber, amplifies it, and beams it across a room to deliver data at more than 100 gigabits per second.

Such indoor optical wireless probably wouldn’t replace Wi-Fi, says Ariel Gomez, a Ph.D. student in photonics at Oxford University who describes the system in IEEE Photonics Technology Letters. But with a potential for data rates of 3 terabits per second and up, it could certainly find its uses. Wi-Fi, by contrast, tops out at about 7 Gb/s. And with light, there’s no worry about sticking to a limited set of radio frequencies. “If you’re in the optical window, you have virtually unlimited bandwidth and unlicensed spectrum,” Gomez says.

With a 60° field of view, the team was able to transmit with an aggregate bandwidth of 224 gigabits per second.
To accomplish this, they’d install a base station on the ceiling of a room, which would project the light toward the computer and also receive data heading out from the computer to the Internet.

The trick, of course, is getting the light beam exactly where it needs to go. An optical fiber makes for a target that’s only 8 or 9 micrometers in diameter, after all. The team, which also included researchers from University College, London, accomplished this using so-called holographic beam steering at both the transmitter and receiver ends. These use an array of liquid crystals to create a programmable diffraction grating that reflects the light in the desired direction. The device is similar to that used in projectors, says Dominic O’Brien, a photonics engineer at Oxford who directed the work.

It’s important to use transceivers with a wide field of view to make the alignment task easier, particularly because the device relies on wavelength division multiplexing, which splits the signal into slightly different colors of light. Like a prism, the diffraction grating of the beam steerer bends each wavelength a different amount. With a 60° field of view, the team was able to transmit six different wavelengths, each at 37.4 Gb/s, for an aggregate bandwidth of 224 Gb/s. With a 36° field of view, they managed only three channels, for 112 Gb/s.

The system requires a direct line of sight, and for now the receiver must be in a fixed position. The next step, O’Brien says, is to develop a tracking and location system so that a user could place a laptop at a random spot on a table and have the system find it and create a link.

Brien is a member of the Ultra-Parallel Visible Light Communications project, with colleagues at the Universities of Edinburgh, Strathclyde, St. Andrews, and Cambridge. One of their goals is to develop LiFi, which uses the light that’s also illuminating a room as a way to send data signals. He says LiFi usually refers to schemes based on visible wavelengths of light, whereas this system relies on infrared light at 1550 nm, which is used in telecommunications.

All these technologies—Wi-Fi, LiFi, optical wireless—may wind up being part of how people link devices to the Internet. “The world of communications is a world where everybody always wants more bandwidth,” O’Brien says.

Source: http://spectrum.ieee.org/tech-talk/semiconductors/optoelectronics/fiber-to-the-living-room

42
IT Forum / Health Gadgets in iPhone
« on: February 10, 2015, 02:03:50 PM »
২০১৪ সালের শেষদিকে অ্যাপস্টোরে আসে অ্যাপলের হেলপ অ্যাপ, তবে তা কীভাবে কাজ করে তা এখনও বুঝতে পারেননি অনেক ব্যবহারকারীই। এছাড়াও আছে নাইকি+রানিং, মাই ফিটনেস প্যাল, মায়োক্লিনিকের মতো অ্যাপগুলো, যা আইওএসভিত্তিক হাবের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ দিচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যবিষয়ক এই অ্যাপগুলো স্বাস্থ্যসেবাভিত্তিক শিল্পে কী প্রভাব ফেলেছে তা এখনও ঠিকঠাক জানা সম্ভব হয়নি।




তবে, বলা হচ্ছে, ভবিষ্যতে রোগীরা কতবার ডাক্তারের কাছে যাবেন সে সংখ্যার উপর সত্যিকার অর্থেই প্রভাব ফেলবে আইফোনের হেলথ গ্যাজেটগুলো।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অ্যাপলের হেলথ প্ল্যাটফর্মের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বৈপ্লবিক কিছু গ্যাজেট তৈরি করছে স্টার্টআপ প্রকল্পগুলো।

সেলস্কোপের অটো হোম ডিভাইসটি এমনই একটি আইফোন গ্যাজেট। ডিভাইসটি দেখতে সাধারণ অক্টোস্কোপের মতো, যা ডাক্তাররা ব্যবহার করেন রোগীর কানের ভেতরের অংশ দেখার জন্য। ডিভাসটিকে আইফোনের ক্যামেরার সঙ্গে যুক্ত ঘরে বসেই কানের ভেতরের অংশের ভিডিও ধারণ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। আর ৪৯ ডলারের বিনিময়ে ইমেইলের মাধ্যমে ডাক্তারের কাছে ভিডিওচিত্রটি পাঠানো যাবে, নেওয়া যাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও। ডিভাইসটির মূল্য ৭৯ ডলার।

কানের সংক্রমণ নিয়ে প্রতিবছর সবচেয়ে বেশি রোগী আসেন শিশুবিশেষজ্ঞের কাছে। মার্কিন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রতিবছর ৩৫০ কোটি ডলার খরচ করে বাচ্চাদের কানের চিকিৎসার পেছনে, ৩ বছর বয়সী শিশুদের শতকরা ৮০ ভাগই কানের সংক্রমণের শিকার। সেলস্কোপের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও এরিক ডগলাস বলেন, “ডাক্তারকে আমরা সকলের ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। ব্যাংকিং সেবা যেভাবে শাখা থেকে ব্যবহারকারীর ফোনে চলে এসেছে, সেভাবে চিকিৎসাসেবাকেও সবখানে পৌঁছে দিতে চাই।”

ডিভাইসটি বর্তমানে শুধু ক্যালিফোর্নিয়াতেই ব্যবহারযোগ্য। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বড় পরিসরে বাজারে আসবে ডিভাইসটি।

আরেকটি ডিভাইস হল সোয়াইভ, একটি ইন-ইয়ার থার্মোমিটার যা ব্যবহারকারীর শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করে এবং অ্যাপলের হেলথ অ্যাপকে ওই ডেটাগুলো সরবরাহ করে। সন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যবহারকারীরা তাপমাত্রার তারতম্য থেকে বুঝতে পারবেন তারা সন্তানসম্ভবা কি না। সংগৃহীত ডেটা সয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে অ্যাপল হেলথ অ্যাপে, পাঠানো যাবে ডাক্তারের কাছে। সোয়াইভের দাম ৭৯ ডলার।

সরাসরি ডাক্তারে চেম্বারে যেতে না চাইলে ঘরে বসেই ২৪ ঘণ্টা ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন অ্যামওয়েল অ্যাপটির সাহায্যে, দর্শনী প্রতিবার ৪৯ ডলার। অ্যামওয়েল নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ডাক্তাররা ব্যবহারকারীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন। শিক্ষগত যোগ্যতা অনুযায়ী ডাক্তারদের যাচাই-বাছাই করার সুযোগও থাকছে অ্যাপটিতে।

43
Hadith / Easy Dhikr for Extensive Reward
« on: February 09, 2015, 07:08:57 AM »
যে সহজ (১০ দশটি) আযকার যিকির প্রতিদীন করলে মৃত্যুর পর জান্নাত ।
(১) প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয় ।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩]
(২) 'আলহামদুলিল্লাহ' মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]
(৩) 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' সর্বোত্তম যিকর। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]
(৪) 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী (সঃ) বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চইতে আমার নিকট অধিক প্রিয়। [ সহীহ মুসলিম -৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২]
(৫) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১]
(৬) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২]
(৭) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহী' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী)খেজুর গাছ রোপন করা হবে ।
[আত-তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে’-৫/৫৩১, সহীহ আত-তিরমিজী-৩/১৬০ ]
(৮) নবী (সঃ) বলেনঃ 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। [ সহীহ আল-বুখারী -১১/২১৩, সহীহ মুসলিম- ৪/২০৭৬]
(৯) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআ’মল সমুহ” । [ আহমাদ (সহীহ)-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭ ]
(১০) নবী (সঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন- "আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা সাল্লায়তা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ এবং তিনি (সঃ) আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে ।" - [তাবারানী, মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩]

44
اللّهُـمَّ إِنّـي أَعـوذُبِكَ أَنْ أُشْـرِكَ بِكَ   وَأَنا أَعْـلَمْ، وَأَسْتَـغْفِرُكَ لِما لا أَعْـلَم
Dua for Protection from SHIRK

Transliteration : Allaahumma 'innee 'a'oothu bika 'an 'ushrika bika wa 'anaa 'a'lamu, wa 'astaghfiruka limaa laa 'a'lamu.

Translation: O Allah, I seek refuge in You lest I associate anything with You knowingly, and I seek Your forgiveness for what I know not.

[Ahmad 4/403. See also Al-Albani, Sahih ul-Jami' As-Saghir 3/233 and Sahih ut-Targhib wat- Tarhib 1/19.]


45
Hadith / Shirk and its types
« on: February 02, 2015, 06:07:51 PM »
Types: There are three types of Shirk, namely:

(1) Ash-Shirk-al-Akbar, i.e. major Shirk

(2) Ash-Shirk-al-Asghar, i.e. minor Shirk

(3) Ash-Shirk-al-Khafi, i.e. inconspicuous Shirk.
Manifestations: (1) Ash-Shirk-al-Akbar (The major Shirk): The major and serious polytheistic form, it has four aspects:

(a) Shirk-ad-Du'â, i.e. invocation.This aspect implies invoking, supplicating or praying to other deities besides Allah.


Almighty Allah says:

"And when they embark on a ships they invoke Allah, making their Faith pure for Him only, but when He brings them safely to land, behold, they give a share of their worship to others," (V.29:65)

(B) Shirk-al-Niyyah wal-Iradah wal-Qasd. This aspect implies inten-tions, purpose and determination in acts of worship or religious deeds not for the sake of Allah but directed towards other deities.

Almighty Allah says:

"Whosoever desires the life of the world and its glitter, to them We shall pay in full (the wages of) their deeds therein, and they will have no diminution therein. They are those for whom there is nothing in the Hereafter but Fire; and vain are the deeds they did therein. And of no effect is that which they used to do."(V. 11:15,16)

© Shirk-at-Tâ'a. This aspect implies rendering obedience to any authority against the Order of Allah.

Almighty Allah says:

"They (Jews and Christians) took their Rabbis and their monks to be their lords besides Allah (by obeying them in things which they made lawful or unlawful according to their own desires without being ordered by Allah), and (they also took as their lord) Messiah, son of Maryam (Mary), while they (Jews and Christians) were commanded (in the Torah and the Gospel) to worship none but One Ilâh (God i.e., Allah), Lâ ilâha illâ Huwa (none has the right to be worshipped but He). Praise and Glory be to Him, (far above is He) from having the partners they associate (with Him)." (V.9:31).

Once, while Allah's Messenger SAW was reciting the above Verse, 'Adi bin Hatim said, "O Allah's Prophet! They do not worship them (rabbis and monks)." Allah's Messenger said, "They certainly do. They (i.e. Rabbis and monks) made legal things illegal, and illegal things legal, and they (i.e. Jews and Christians) followed them; and by doing so they really worshipped them."(Narrated by Ahmad, At-Tirmidhi, and Ibn Jarir). (Tafsir At-Tabari, Vol.10, Page No. 114).

(d) Shirk-al-Mahabbah. This implies showing the love which is due to Allah Alone, to others than Him.

Almighty Allah says:

"And of mankind are some who take (for worship) others besides Allah as rivals (to Allah). They love them as they love Allah. But those who believe, love Allah more (than anything else). If only those who do wrong could see, when they will see the torment, that all power belongs to Allah and that Allah is Severe in punishment." (V. 2:165)

(2) Ash-Shirk-al-Asghar Ar-Riyâ' (The minor Shirk, i.e. acts performed to show off). Any act of worship or any religious deed done in order to gain praise, fame or for worldly purposes, falls under this minor form.

Almighty Allah says:

"Say (O Muhammad SAW ) : 'I am only a man like you, it has been inspired to me that your Ilâh (God) is One Ilâh (God i.e Allah). So whoever hopes for the meeting with his Lord, let him work righteousness and associate none as a partner in the worship of his Lord.' " (V. 18:110)

(3) Ash-Shirk-al-Khafi (The inconspicuous Shirk). This type implies being inwardly dissatisfied with the inevitable condition that has been ordained for one by Allah; conscientiously lamenting that had you done or not done such and such or had you approached such and such you would have had a better status, etc.

The Noble Prophet Muhammad SAW said:

"Ash-Shirk-al-Khafi in the Muslim nation is more inconspicuous than the creeping of black ant on black rock in the pitch-darkness of the night." And this inconspicuous Shirk is expiated by saying thrice the following sentences within a day and a night: "O Allah! I take Your refuge from that I should ascribe anything as partner in Your worship, being conscious of that, and I beg Your pardon for that sin which I am not aware of."

AL-KUFR-DISBELIEF AND ITS VARIOUS MANIFESTATIONS

Kufr is basically disbelief in any of the articles of Faith in Islam.

The articles of Faith are: To believe in -

(1) Allah,

(2) His angels,

(3) His Messengers,

(4) His revealed Books,

(5) The Day of Resurrection, and

(6) Al-Qadar, Divine Preordainments (Fate i.e. whatever Allah SWT has ordained must come to pass).

There are two aspects of disbelief:

(1). The major disbelief (Al-Kufr-al-Akbar): This aspect excludes one completely from the fold of Islam. There are five types (of this major disbelief):-

(a) Kufr-at-Takdhîb. This implies disbelieving the divine truth or denying of any of the articles of Faith.

Almighty Allah says:

"Then who does more wrong than one who utters a lie against Allah and denies the truth [this Qur'ân, the Prophet (Muhammad SAW), the Islamic Monotheism, the Resurrection, and the reward or punishment according to good or evil deeds], when it comes to him. Is there not in Hell an abode for the disbelievers? " (V. 39:32)

(B) Kufr-al-Ibâ' wat-Takabbur ma'at-Tasdîq. This implies rejection and pride to submit to Allah's Commandments after conviction of their truth.

Almighty Allah says:

"And (remember) when We said to the angels: 'Prostrate yourself before Adam.' And they prostrated except Iblis, he refused and was proud and was one of the disbelievers (disobedient to Allah)." (V. 2:34).

© Kufr-ash-Shak waz-Zan. This implies doubting or lacking of conviction in the six articles of Faith.

Almighty Allah says:

"And he went into his garden while in a state (of pride and disbelief) unjust to himself. He said: 'I think not that this will ever perish. And I think not the Hour will ever come, and if indeed I am brought back to my Lord (on the Day of Resurrection) I surely shall find better than this when I return to Him.' His companion said to him during the talk with him: 'Do you disbelieve in Him Who created you out of dust (i.e. your father Adam), then out of Nutfah (mixed semen drops of male and female discharge), then fashioned you into a man? But as for my part (I believe) that He is Allah, my Lord, and none shall I associate as partner with my Lord.' " (V.18:3538)

(d) Kufr-al-I'râd. This implies turning away from the truth knowingly or deviating from the obvious signs which Allah has revealed.

Almighty Allah says:

"We created not the heavens and the earth and all that is between them except with truth and for an appointed term. But those who disbelieve turn away from that whereof they are warned." (V.46:3)

(e) Kufr-an-Nifâq. This implies hypocritical disbelief.

Almighty Allah says:

"They have made their oaths a screen (for their hypocrisy). Thus they hinder (men) from the Path of Allah. Verily, evil is what they used to do. That is because they believed, then disbelieved, therefore their hearts are sealed, so they understand not." (V.63:2-3)

(2) The minor disbelief (Al-Kufr-al-Asghar): This aspect of disbelief does not exclude one from the fold of Islam. It is also termed Kufr-an-Ni'mah. This implies disbelief manifesting itself in ungratefulness for Allah's Blessings or Favours.

Almighty Allah says:

'And Allah puts forward the example of a township (Makka), that dwelt secure and well-content; its provision coming to it in abundance from every place, but it (its people) denied the Favours of Allah (with ungratefulness). So Allah made it taste the extreme of hunger (famine) and fear, because of that (evil, i.e. denying Prophet Muhammad SAW ) which they (its people) used to do." (V.16:112).

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 79