Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Shahana Parvin

Pages: [1] 2
1
দেশে করোনায় আরও একটি মৃত্যুহীন দিন গেল। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১৬ জন। আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ৮৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল শূন্য দশমিক ৯৪ শতাংশ। আগের দিন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৮২ জনের। করোনায় মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের। গত এক সপ্তাহে পাঁচদিনই করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। গত মঙ্গলবার থেকে টানা তিন দিন করোনায় কোনো মৃত্যু হয়নি।

করোনায় দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৭২৫ জন। তাঁদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ১১৭ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৭১ হাজার ৬১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১৪০ জন।

2
কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ এবং সমাজে নারীদের ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে প্রথমবারের মতো ১০ নারী ও ৩ প্রতিষ্ঠানকে ‘বেসিস লুনা শামসুদ্দোহা অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ দিয়েছে দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। আজ রোববার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রণী উদ্যোক্তা ও দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান প্রয়াত লুনা শামসুদ্দোহা স্মরণে এ পুরস্কারের প্রচলন করা হলো। প্রতিবছরই এ পুরস্কার দেবে বেসিস। ব্যক্তিগত জীবনে অসামান্য সাফল্য ও নারীদের কর্মক্ষেত্রে উৎসাহিত করার জন্য আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন গ্রাফিক পিপল ও অ্যাডকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী। বেসিসের পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক  জুয়েনা আজিজ, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম, বাংলাদেশ পুলিশের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আমেনা বেগম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক হাসিনা খান, এসবিকে টেক ভেঞ্চারস ও এসবিকে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির, ইউনাইটেড হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের পরামর্শক রওশন আরা খানম, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়রা আজম, ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ এবং চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের পরিচালক অণুজীববিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা। এ ছাড়া বেসিসের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ নারী কর্মীর সংখ্যার হিসাবে বিপিও কোম্পানি বিভাগে জেনেক্স ইনফোসিস, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান বিভাগে বিজেআইটি এবং পুরুষ ও নারী অনুপাতে সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ বিভাগে ডিনেট এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে লুনা শামসুদ্দোহাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘অর্থনীতিতে নারীর অবদান ও অংশগ্রহণ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। আলোচনায় তিনি বলেন, নারীদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে সক্ষমতাও অর্জন করতে হবে। নারীদের জন্য কাজ করতে হবে। তা হলেই নারীরা এগিয়ে যাবে। আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি বলেন, নারীকে চলার পথে অনেক বাঁধা পার হতে হয়। নারী উন্নয়নে আমরা এগিয়েছি অনেক দূর। তৈরি পোশাকশিল্পে এখন নারীর অংশগ্রহণ ৭৫ শতাংশ। কৃষিসহ সব কাজে নারীরা আছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, পোশাকশিল্পসহ নারীদের অংশগ্রহণ এখন সব জায়গায়।

প্যানেল আলোচনায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ বলেন, নারীরা তথ্যপ্রযুক্তিতে কাজ করবে এমনই স্বপ্নই ছিল লুনা শামসুদ্দোহার। আমাদের ১৫ শতাংশ নারী আইসিটি খাতে কাজ করছেন। সামনে এই হার আমরা ৩০ শতাংশে নিয়ে যাব।

বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি শিউয়ার্ড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালী চৌধুরী, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট ল’ইয়ারস অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আলোচনায় অংশ নেন। সঞ্চালক ছিলেন বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রণী উদ্যোক্তা লুনা শামসুদ্দোহা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রথম নারী চেয়ারম্যান হিসেবে জনতা ব্যাংকে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লুনা শামসুদ্দোহা বেসিসের কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালকও ছিলেন। গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।

3
দেড় মাসের মধ্যে আবারও বড় ধরনের নিরাপত্তাত্রুটির খোঁজ মিলেছে এজ ব্রাউজারে। এ নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে চাইলেই দূর থেকে ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে সাইবার অপরাধীরা। এজ ব্রাউজারের ৯৯.০.১১৫০.৩০ সংস্করণের আগের সব সংস্করণ ব্যবহারকারীরা এ হামলার আশঙ্কায় রয়েছেন। এ বিষয়ে এজ ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকির সতর্কতা জারি করেছে ভারতের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম। এরই মধ্যে দেশটির নাগরিকদের ব্রাউজারটি ব্যবহারে সতর্কও করেছে তারা। ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠানটির দাবি, মাইক্রোসফটের তৈরি এজ ব্রাউজারে একাধিক নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান মিলেছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ব্রাউজারের নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে ব্যবহারকারীদের যন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যায়। সাইবার হামলা থেকে রেহাই পেতে ব্যবহারকারীদের সর্বশেষ সংস্করণের এজ ব্রাউজার (৯৯.০.১১৫০.৩৯) ব্যবহারের অনুরোধ করেছে তারা। গত সপ্তাহে উন্মুক্ত হওয়া এজ ব্রাউজারটিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা হালনাগাদ করেছে মাইক্রোসফট। ফলে ব্যবহারকারীরা আগের তুলনায় বেশি নিরাপদ থাকবে। বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯.৫৪ শতাংশ কম্পিউটারে এজ ব্রাউজার ব্যবহার হয়ে থাকে। উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্তের পর এজ ব্রাউজার ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে এজ ব্রাউজারের ৯৮.০. ১১০৮.৪৩ সংস্করণের আগের সংস্করণগুলোতে নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান পেয়ে সবাইকে সতর্ক করেছিল ভারতের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

4
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্মার্টফোন নিরাপত্তাঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ‘ক্রিপ্টোওয়্যার’। মুঠোফোনের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্মার্টফোনে ব্যবহৃত ‘ইউনিসক’ প্রসেসরে নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান পাওয়া গেছে। এই ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সহজেই স্মার্টফোনে সাইবার হামলা চালাতে পারে হ্যাকাররা। ফলে প্রসেসরটিতে চলা স্মার্টফোনগুলো নিরাপত্তাঝুঁকিতে রয়েছে। চীনে তৈরি ‘ইউনিসক’ প্রসেসর সাধারণত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কম দামি স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়। ক্রিপ্টোওয়্যার জানিয়েছে, ইউনিসক প্রসেসরের ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা সহজেই স্মার্টফোনে থাকা বার্তা, ই-মেইল ঠিকানাসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। শুধু তা–ই নয়, চাইলে স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে।

নিরাপত্তা ত্রুটির কারণও খুঁজে পেয়েছে ক্রিপ্টোওয়্যার। তাদের দাবি, ইউনিসক প্রসেসরের সঙ্গে থাকা অ্যাপগুলো বৈধ প্রটোকল অনুসরণ করে তৈরি না হওয়ায় এ নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এই নিরাপত্তাত্রুটি কেবল প্রসেসর নির্মাতার পক্ষেই সমাধান করা সম্ভব। এরই মধ্যে বিষয়টি ইউনিসককে জানানো হয়েছে।

ইউনিসক প্রসেসরের কারণে সাইবার হামলার হুমকিতে থাকা স্মার্টফোনগুলোর তালিকাও প্রকাশ করেছে ক্রিপ্টোওয়্যার। নিরাপদে থাকতে স্মার্টফোনগুলো ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে তারা। তালিকায় লেনোভো এ৭ ও কে১৩, মটোরোলার মটো ই৬ আই এবং ই৭ আই পাওয়ার, রিয়েলমির সি১১, স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এ০৩ এবং এ০৩ কোরসহ নকিয়া, এইচটিসি এবং জেডটিই-এর একাধিক মডেলের স্মার্টফোন রয়েছে।

5
বছরের শুরু থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছেন ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা। কারণ, জানুয়ারি মাস থেকেই বারবার নিরাপত্তা ত্রুটির সন্ধান মিলেছে জনপ্রিয় ব্রাউজারটিতে। সমস্যা সমাধানে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে ব্রাউজারটির নতুন সংস্করণ উন্মুক্ত করে গুগল, কিন্তু কয়েক দিন পরেই সংস্করণটিতে নিরাপত্তা ত্রুটির খোঁজ মেলে। বিষয়টি জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে ব্রাউজারটির নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান করেছিল গুগল। কিন্তু আবারও সেই সংস্করণসহ ক্রোমের পুরোনো সব সংস্করণে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা ত্রুটির সন্ধান পেয়েছে ভারতের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম। এরই মধ্যে দেশটির নাগরিকদের ব্রাউজারটি ব্যবহারে সতর্কও করেছে তারা। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের তথ্যমতে, ক্রোম ব্রাউজারে থাকা নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা চাইলেই ব্যবহারকারীদের যন্ত্রে নতুন কোড যুক্ত করে সাইবার হামলা চালাতে পারে। আর তাই সতর্ক না হলে যেকোনো সময় সাইবার হামলার কবলে পড়তে পারেন ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা। সমস্যা সমাধানে গুগল ক্রোমের নতুন (৯৯.০.৪৮৪৪.৭৪) সংস্করণ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে তারা। গত সপ্তাহে উন্মুক্ত হওয়া গুগল ক্রোমের ৯৯.০.৪৮৪৪.৭৪ সংস্করণটিতে একাধিক নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গুগল। আর তাই সংস্করণটি ডাউনলোড করলে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ মিলবে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬৫.৩৮ শতাংশ কম্পিউটারে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার হয়ে থাকে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

6
উইন্ডোজ–১১ অপারেটিং সিস্টেমের ২১এইচ–২ সংস্করণে সার্চ হাইলাইটস নামের নতুন সুবিধা যোগ করেছে মাইক্রোসফট। এতে সার্চ প্যানেলের রূপ পরিবর্তন করে টাস্কবারেই সার্চ বক্স এবং সার্চ হোম আপডেট সুবিধা চালু করা হয়েছে। ফলে সহজেই সম্প্রতি ব্যবহার করা অ্যাপ ও ফাইলের তালিকা দেখার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ছুটির দিন, বার্ষিকী এবং অন্যান্য তথ্য জানা যায়। ব্যবহারকারীর অবস্থান ও সার্চ ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করায় অনেকেই ফিচারটি ব্যবহার করতে আগ্রহী নন। সেটিংস অপশন পরিবর্তন করে সহজেই উইন্ডোজ–১১ অপারেটিং সিস্টেমের ২১ এইচ ২ সংস্করণের সার্চ হাইলাইটস ফিচারের কার্যক্রম বন্ধ করা যায়। এ জন্য একসঙ্গে Windows এবং ‘I’ কী চেপে সেটিংস অ্যাপ চালু করতে হবে। এবার অ্যাপের বাঁ পাশের সাইডবার থেকে Privacy & Security অপশন নির্বাচন করে Search সেটিংস অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর সার্চ সেটিংস থেকে Show search highlights অপশন বন্ধ করতে হবে। সার্চ হাইলাইটস ফিচার বন্ধ হয়েছে কি না তা জানতে একসঙ্গে Windows এবং S চাপতে হবে।

7
সহজে ছবি ও ভিডিও বিনিময়ের সুযোগ থাকায় কিশোর-কিশোরীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় ইনস্টাগ্রাম। এ জন্য ইনস্টাগ্রামে ব্যবহারকারী বৃদ্ধির তালিকায় বরাবরই প্রাধান্য থাকে কিশোর-কিশোরীদের। বিষয়টি মাথায় রেখে সন্তানের ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিভাবকদের জন্য নতুন টুল চালু করেছে ছবি ও ভিডিও বিনিময়ের সামাজিক মাধ্যমটি। টুলটি কাজে লাগিয়ে অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তান কতক্ষণ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছে, তা জানতে পারবেন। চাইলে সন্তানের জন্য ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের সময়ও নির্ধারণ করে দিতে পারবেন তাঁরা। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে চালু হলেও শিগগিরই অন্যান্য দেশে এ সুবিধা উন্মুক্ত করা হবে। ইনস্টাগ্রামের তথ্যমতে, টুলটি কাজে লাগিয়ে সন্তান ইনস্টাগ্রামে কোন কোন ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করে, তা জানার পাশাপাশি তাদের বিনিময় করা তথ্যও দেখার সুযোগ মিলবে। ফলে কিশোর-কিশোরীরা নিরাপদে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করার সুযোগ পাবে। গত বছরের শেষ নাগাদ এক ব্লগ বার্তায় ইনস্টাগ্রাম প্রধান অ্যাডাম মোসেরি জানিয়েছিলেন, কিশোর-কিশোরীদের নির্দিষ্ট সময় পর ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার থেকে বিরতি দিতে নতুন সুবিধা চালু করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ–সুবিধা চালুর ঘোষণা দিল ইনস্টাগ্রাম।
সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজেদের রিলস ফিচারে ভিডিও ধারণের সময় ৯০ সেকেন্ড পর্যন্ত বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে ইনস্টাগ্রাম।

8
এক মাসের মধ্যেই আবারও নিরাপত্তাত্রুটির দেখা মিলেছে ক্রোম ব্রাউজারে। এ নিরাপত্তাত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা চাইলেই ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের যন্ত্রে নতুন কোড যুক্ত করে সাইবার হামলা চালাতে পারে। আর তাই সতর্ক না হলে যেকোনো সময় সাইবার হামলার কবলে পড়তে পারেন ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা। এক ব্লগ বার্তায় এ বিষয়ে ব্যবহারকারীদের সতর্কও করেছে গুগল। গুগল জানিয়েছে, নতুন করে ব্রাউজারটিতে ২৭টি নিরাপত্তা-দুর্বলতার সন্ধান মিলেছে, যার মধ্যে ৮টি ব্যবহারকারীদের জন্য বড় ধরনের হুমকির কারণ হতে পারে। উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা এ হামলার আশঙ্কায় রয়েছেন।

এ নিরাপত্তাত্রুটি এতই ভয়ংকর যে ভারতের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম এরই মধ্যে দেশটির নাগরিকদের ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারে সতর্ক করেছে। সমস্যা সমাধানে উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ব্রাউজারটির নতুন সংস্করণ ‘ক্রোম ৯৮’ উন্মুক্ত করেছে গুগল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যায়ক্রমে সংস্করণটি ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে। সংস্করণটি ডাউনলোড না করলে অনেক ব্যবহারকারী নিরাপত্তার শঙ্কায় থাকবেন। আর তাই দ্রুত সংস্করণটি ডাউনলোডের অনুরোধ জানিয়েছে গুগল।
সূত্র: ফোর্বস

9
ফেসবুক মেসেঞ্জারে বন্ধু বা পরিচিতদের সঙ্গে বার্তা বিনিময়ের সময় অনেকেই গোপনে স্ক্রিনশট নেন। পরে তথ্য প্রকাশ করে অন্যকে বিপদে ফেলেন তাঁরা। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন মেসেঞ্জারের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। সবাইকে সতর্ক করে তিনি জানান, মেসেঞ্জার চ্যাটের স্ক্রিনশট নেবেন না। স্ক্রিনশট নিলেই অপর প্রান্তে থাকা মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীকে আপনার কার্যকলাপের তথ্য জানিয়ে দেবে ফেসবুক। ৪ ফেব্রুয়ারি এক বার্তায় মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, মেসেঞ্জারের হালনাগাদ সংস্করণে এনক্রিপশন সুবিধা চালু হওয়ায় কেউ নিজের চ্যাটের স্ক্রিনশট নিলেই অপর পাশে থাকা ব্যক্তিকে বিষয়টি বিজ্ঞপ্তি আকারে জানানো হবে। সতর্কবার্তার পাশাপাশি মেসেঞ্জারের এনক্রিপশন বার্তায় জিআইএফ, স্টিকার এবং প্রতিক্রিয়া জানানোরও সুযোগ মিলবে। জাকারবার্গ এমন সময় এ সতর্কবার্তা দিলেন, যখন মেসেঞ্জারে এনক্রিপশনের পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে মেটা। নতুন এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিরাপদে বার্তা বিনিময়ের পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় পর সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলারও সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা।

প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীরা মেসেঞ্জারের নতুন সুবিধাগুলো ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এ সুযোগ মিলবে।

সূত্র: ইউএসএ টুডে

10
ইউটিউবে রেসট্রিকটেড মোড চালু থাকলে অবাঞ্ছিত বা অশ্লীল কোনো ভিডিও দেখা যায় না। ফলে অভিভাবকদের অগোচরে শিশুরাও নিরাপদে ইউটিউব ব্যবহার করতে পারে। ইউটিউবে রেসট্রিকটেড মোড চালুর জন্য প্রথমে নাম, পাসওয়ার্ডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে শিশুর জন্য আলাদা একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এবার ইউটিউব চালু করে ডান পাশে থাকা Sign In অপশনে নতুন খোলা জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ইউটিউবের হোম পেজের ডান পাশে  থাকা ইউজার প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করলেই নিচে Restricted Mode অপশন দেখা যাবে। এবার Restricted Mode-এ ক্লিক করে Active Restricted Mode অপশন চালু করতে হবে। এই পরিবর্তনের ফলে শিশুদের অনুপযোগী কোনো ভিডিও ইউটিউবে দেখা যাবে না। ইউটিউবে শিশুরা কোন ভিডিও দেখছে, তা-ও জানা যায়। এ জন্য ইউটিউবের হোম পেজের বাম পাশে থাকা ‘history’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। অপশনটি চালু থাকলে শিশুরা কবে কখন কোন ভিডিও দেখেছে, তা জানার সুযোগ মিলে থাকে।

11
স্মার্টফোন রয়েছে কিন্তু ইন্টারনেট ব‍্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এ জন্য আমরা প্রায় সবাই মুঠোফোনে ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার করি। কিন্তু হোয়াটসঅ‍্যাপে কেউ ভিডিও পাঠালেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হয়, ফলে নিজের অজান্তেই অনেক বেশি ইন্টারনেট ডেটা খরচ হয়ে যায়। তবে হোয়াটসঅ‍্যাপের স্বয়ংক্রিয় ডাউনলোড–সুবিধা বন্ধ করলেই এ সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এ জন্য প্রথমে হোয়াটসঅ‍্যাপের ওপরের ডান দিকে থাকা তিনটি ডট মেন্যুতে ক্লিক করে সেটিংস অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এবার ‘স্টোরেজ অ্যান্ড ডেটা’ অপশনে প্রবেশ করে ‘মিডিয়া অটো ডাউনলোড’ থেকে ওয়াই-ফাই অপশন নির্বাচন করতে হবে। অপশনটি চালু থাকলে কেবল ওয়াই–ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হোয়াটসঅ‍্যাপের ভিডিও বা ছবি ডাউনলোড হবে। ফলে মুঠোফোনের ইন্টারনেট ডেটা দ্রুত শেষ হবে না।

12
ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার জন্য যন্ত্র এবং অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দুটিরই প্রয়োজন রয়েছে। কীভাবে ইন্টারনেটকে নিরাপদ ও উন্নত করা যায়, তা নিয়ে কথা বলেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য আমদানি ও বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারিকুর রহমান খান। স্মার্ট টেকনোলজিস সব সময়ই দেশের সর্বস্তরের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের চাহিদা এবং সুযোগ–সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে থাকে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আমাদের দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ৬০ লাখ। বিশাল এই জনগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট দেখছে এবং নিজেদের ঝুঁকিতে ফেলছে। আমরা এই জনগোষ্ঠীকে নিরাপদ রাখতে ক্যাসপারস্কি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য, যেমন ক্যাসপারস্কি অ্যান্টিভাইরাস, ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকিউরিটি, ক্যাসপারস্কি সেফ কিডস, ক্যাসপারস্কি মোবাইল সিকিউরিটি এবং ক্যাসপারস্কি টোটাল সিকিউরিটি বাজারজাত করছি। আমাদের ডিলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব পণ্য খুব সহজে পেয়ে যাচ্ছেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। এ ছাড়া বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য আরও বিশেষায়িত নিরাপত্তা সেবা রয়েছে।
নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে অ্যান্টিভাইরাস কীভাবে সহায়তা করে?

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে অ্যান্টিভাইরাস আপনাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতে পারে। যেমন কেউ যদি কম্পিউটারে ক্যাসপারস্কি ইন্টারনেট সিকিউরিটি ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে প্রথমেই আপনি পাবেন প্রো–অ্যাক্টিভ ডিটেকশন সুবিধা। মানে, কোনো ওয়েবসাইটে ঢোকার আগেই সেখানে কোনো ঝুঁকি আছে কি না, তা খুঁজে বের করার পাশাপাশি যেকোনো সাইবার হামলা প্রতিহত করবে। তা ছাড়া আপনার ব্রাউজিং, কেনাকাটা, চ্যাট এবং কম্পিউটারের যেকোনো তথ্যকে কি–লগার, অ্যাডওয়্যার, ফিশিং, রুটকিট এবং হ্যাকারদের কাছ থেকে সুরক্ষিত রাখে।
অ্যান্টিভাইরাসটির প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধা কাজ লাগিয়ে কী কী উপকার পাওয়া সম্ভব?

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাসপারস্কি ক্ষতিকর ও অপ্রাসঙ্গিক কনটেন্ট ব্লক করে দেয়। পাশাপাশি শিশুদের স্ক্রিনটাইম (ইন্টারনেট ব্যবহারের সময়) সীমাবদ্ধ করা যায়। তা ছাড়া জিপিএসের মাধ্যমে শিশুদের অবস্থান নির্ণয়েরও সুযোগ রয়েছে ক্যাসপারস্কি সেফ কিডস সফটওয়্যারে।
নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে সচেতনতা। বিশেষ করে, অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক থাকা উচিত। অপ্রয়োজনে আপনার যন্ত্রের কানেকটিভিটি ফাংশনগুলো, যেমন ব্লুটুথ, হটস্পট, জিপিএস বন্ধ রাখাই ভালো।

13
ইন্টারনেট ছাড়া এক মুহূর্ত এখন চলে না আমাদের। পড়াশোনা, কাজের পাশাপাশি বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ইন্টারনেট। কিন্তু ইন্টারনেটে আমরা সবাই কি নিরাপদ? মোটেও তা নয়। আর তাই সবাইকে নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারে সচেতন করার জন্য আজ ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে পালন করা হচ্ছে নিরাপদ ইন্টারনেট দিবস বা সেফার ইন্টারনেট ডে ২০২২ (এসআইডি)। ১৯ বারের মতো পালিত হচ্ছে এই দিবস। এবারের নিরাপদ ইন্টারনেট দিবসের প্রতিপাদ্য উন্নত ইন্টারনেটের জন্য সবাই’ (টুগেদার ফর এ বেটার ইন্টারনেট)। ২০০৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সেফবর্ডারস প্রকল্পের অংশ হিসেবে নিরাপদ ইন্টারনেট দিবস প্রথম পালন করে। ২০০৫ সাল থেকে দিবসটি পালন করছে ইনসেফ নেটওয়ার্ক। ২০০৯ সাল থেকে ইউরোপের গণ্ডি পেরিয়ে দিবসটি পালন করা শুরু করে অন্যান্য দেশও। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে বর্তমানে প্রায় ২০০টি দেশে দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও পালন করা হচ্ছে নিরাপদ ইন্টারনেট দিবস ২০২২। প্রযুক্তি ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা, সৃজনশীলতা ও নিরাপদ থাকার জন্য প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার খুব যে কঠিন তা কিন্তু নয়। সাইবার হামলাকারীদের থেকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ও ডিভাইস রক্ষা করে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট ব্যবহার করাকেই মূলত নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার বোঝায়।

নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে সচেতনতা। নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ‘অনলাইন নিরাপত্তা’র বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন। কম্পিউটার, স্মার্টফোন ব্যবহারের করলেও ইন্টারেনট ব্যবহারে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। পাশাপাশি সন্তানদের নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে তাদের ব্রাউজিং ইতিহাস (যেসব ওয়েবসাইট দেখা হয়েছে) দেখা উচিত। শিশুরা কতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করবে, তা নির্ধারণের পাশাপাশি ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সুবিধার মাধম্যে শিশুর জন্য অনুপযুক্ত সাইটগুলো ব্লকও করতে হবে। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল হচ্ছে শিশুদের জন্য আপত্তিকর বা অনুপযুক্ত ওয়েবসাইট ব্লক বা ওয়েবসাইটের কনটেন্ট ফিল্টার করার ব্যবস্থা। ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সুবিধাটি ব্যবহার করলে অনলাইনে অশ্লীল ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট চালু হয় না। ফলে শিশুরা চাইলেও ওয়েবসাইটগুলোর কনটেন্ট দেখতে পারে না। এর পাশাপাশি চাইলে শিশুদের জন্য সাধারণ ইউটিউবের বদলে ‘ইউটিউব কিডস’ সংস্করণটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

শুধু তা–ই নয়, স্ক্রিন টাইম (ভিডিও বা কনটেন্ট দেখার সময়) নির্ধারণের মাধ্যমে শিশুদের ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময়ও বেঁধে দেওয়া যাবে। ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সুবিধা কাজে লাগিয়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনাকারী বিভিন্ন ওয়েবসাইটও ব্লক করে দেওয়া যায়। প্রতিদিন কোন সময়ে কতক্ষণ সন্তান ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে, তা আগে থেকেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া যাবে। ফলে সন্তান আপনার অগোচরে তার জন্য উপযোগী নয়, এমন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না।

করোনাকালে শিশুদের পড়াশোনা বা প্রয়োজনীয় কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করতেই হয়। তাই অভিভাবকদের পাশাপাশি শিশুদের অনলাইন সুরক্ষায় শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও দায়িত্ব রয়েছে। কারণ, আমরা যদি শিশুদের জন্য ডিজিটাল স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চাই, তাহলে তাদেরকে নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের কৌশল শেখানোর মাধ্যমেই অনলাইনে নিরাপদ রাখতে হবে। নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারে করণীয়

● অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইটে বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে। এ জন্য অপরিচিত ওয়েবসাইট বা অ্যাপস ব্যবহার না করাই ভালো।

● লটারি বা বিভিন্ন পুরস্কারের প্রলোভনে পাঠানো ই-মেইল বা বার্তা খোলা যাবে না। একটি বিষয় মনে রাখলে ভালো হয়, অনলাইনে নানা ধরনের পুরস্কারের প্রলোভন দিয়ে মূলত ব্যবহারকারীদের যন্ত্রে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস পাঠিয়ে সাইবার হামলা চালানো হয়ে থাকে।

● সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হতে হবে। কারও বিষয়ে ভালো করে জানা না থাকলে তাকে বন্ধুর তালিকায় স্থান না দেওয়াই ভালো।

● সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত বা অপরিচিত কাউকেই একান্ত ব্যক্তিগত কোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও পাঠানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব তথ্য বা ভিডিও সংগ্রহ করে ব্যবহারকারীদের বিপদে ফেলতে পারে পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তিরা।

● কম্পিউটার, মুঠোফোনের পাশাপাশি ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগের সাইটের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

● আমরা অনেকেই ঘরে বা বাইরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লগইন থাকা অবস্থায় কম্পিউটার বা মুঠোফোন চালু রেখে বিভিন্ন কাজ করি। এতে তথ্য চুরির পাশাপাশি পাসওয়ার্ড বেহাত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

● অপরিচিত স্থানে গিয়ে ওয়াই-ফাই সংযোগ দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার না করাই ভালো।

● প্রয়োজন শেষ হলেই অবশ্যই মুঠোফোনের ব্লুটুথ ও জিপিএস ফিচারটি বন্ধ রাখতে হবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অবস্থান অপরিচিত ব্যক্তিদের কাছে প্রকাশ হয়ে যায়।

● নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অবশ্যই কম্পিউটার ও মুঠোফোনে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।

14
জোশুয়া মার্টিনানগেলির বয়স সাত বছর। অসুস্থতার কারণে থাকতে হচ্ছে বাসায়। তাই বলে স্কুল কামাই দিতে নারাজ সে। তার বদলে স্কুলে পাঠিয়েছে একটি রোবট। সেই রোবটের মাধ্যমেই চলছে পড়ালেখা, সহপাঠীদের সঙ্গে আলাপচারিতা। ঘটনা জার্মানির বার্লিনের।

জোশুয়ার মা সিমন মার্টিনানগেলি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, তাঁর ছেলে ফুসফুসের জটিল রোগে আক্রান্ত। এ কারণে গলায় একটি টিউব পরাতে হয়েছে। ফলে স্কুলে যাওয়া সম্ভব না। তাই এমন ব্যবস্থা। বার্লিনের পুসতেব্লুমে গ্রান্ডস্কুলের শিক্ষার্থী জোশুয়া। সেখানেই ক্লাস করছে রোবটটি। বসছে জোশুয়ার বেঞ্চেই। জোশুয়ার কিছু বলার প্রয়োজন হলে সংকেত দেয় সেটি। স্কুলটির প্রধান শিক্ষিকা উতে উইন্টারবার্গ জানান, ক্লাসের সময় শিশুরা রোবটটির মাধ্যমে জোশুয়ার সঙ্গে কথা বলে, হাসাহাসি করে, এমনকি একটু-আধটু দুষ্টুমি করতেও ভোলে না। রোবটটি নির্মাণ করেছে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান। এ কাজে অর্থ দিয়েছে বার্লিনের মারজান-হেলারসডর্ফ জেলার স্থানীয় কাউন্সিল। জেলার শিক্ষা কাউন্সিলর টরস্টেন খিনি বলেন, ‘বার্লিনের একমাত্র জেলা হিসেবে আমরাই স্কুলগুলোর জন্য এমন চারটি রোবট এনেছি। এর পেছনের কারণ ছিল কোভিড-১৯। তবে আমি মনে করি মহামারির বাইরে গিয়ে এটিই হবে ভবিষ্যৎ।’

এই শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে দেখা যায়, নানা কারণে একটি শিশু সশরীরে স্কুলে যেতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে স্কুলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ করে দিতে পারে এই রোবট।

15
Artificial Intelligence (AI) / রোবট যখন কৃষক
« on: February 07, 2022, 12:42:54 PM »
বাঁয়ে থাকা রোবটের নাম টম। ডানে আছে ডিক। কারও সাহায্য ছাড়াই ব্যস্তভাবে কাজ করে চলেছে ফসলের মাঠে। ফসল লাগানোর আগে জমি প্রস্তুত করার জন্য কৃষকের মতোই মাঠ থেকে খুঁজে খুঁজে আগাছা তুলছে রোবট দুটি। দুজনের মধ্যে কোনো কথা না হলেও একটি বিষয়ে মিল রয়েছে বেশ। আগাছা ঠেকাতে রাসায়নিক ব্যবহারে রাজি নয় কেউ। তারা প্রতিদিন প্রায় ৪৯ একর জমি থেকে আগাছা তুলতে পারে। শুনতে অবাক লাগলেও কৃষক রোবটদুটির দেখা মিলেছে যুক্তরাজ্যে। রোবট দুটি তৈরি করেছে ‘স্মল রোবট’ নামের একটি স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান। আগামী বছর থেকে রোবট দুটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে।

সূত্র: সিএনএন

Pages: [1] 2